Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - raiyan

Pages: [1] 2 3 ... 9
1
Anti Virus / Re: Tips for protecting your computer from viruses
« on: April 21, 2018, 01:48:11 PM »
Good Information. Windows 10 also now offers a very good built-in protection for computer.

2
Various Useful Links / Re: গুগলের বিকল্প...
« on: April 21, 2018, 01:35:27 PM »
Thank you for sharing

3
সেভ করুন বহুল আলোচিত প্রিয় ইউ টিউব এর ভিডিও সরাসরি আপনার পিসিতে/ iPod / PSP।আবার তা সম্ভব মাল্টি ফরমেটে।ওয়াও!!নিচের লিংকটি ক্লিক করুন।http://vixy.net/ যে ফ্ল্যাশ ভিডিও ক্লিপটি এতদিন শুধুমাএ অনলাইনেই দেখতে হতো,আজ তা  ডাউনলোডও করা যাবে পিসিতে মাল্টি ফরমেটে অনলাইন কনভার্টার দ্বারা।ওপেন সোর্স অনেক কিছুর দ্বার উন্মুক্ত করে দিয়েছে। যা হোক, ফিরে আসা যাক কাজের কথায়।vixy.net দিচ্ছে বিনামুল্যে এ সার্ভিস।আপনি যে ফ্ল্যাশ ভিডিও ক্লিপটি ডাউনলোড করতে আগ্রহী তার URL টি কপি করে ওদের সাইটের URL বক্সে পেষ্ট করুন।
Example(YouTube): http://youtube.com/watch?v=J7JmsMMIR4Y

Example(FLV file): http://vixy.net/flv/vixy_net_podcaster_demo_director.flv এবার কনভার্ট টু এর ড্রপ ডাউন বক্স থেকে পছন্দ করুন আপনার পছন্দের ফরমেটটি ।যেমন:- MPEG4 (AVI/MOV/MP4/MP3/3GP). এবার চাপুন স্টার্ট বাটন।এটা খুব অল্প সময়ের ভিতরেই কনভার্ট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আপনাকে ফাইল ডাউনলোডের অফার দিবে।

4

১. মোবাইল ফোনের ভাইরাস বেশি ছড়ায় ব্লু-টুথের মাধ্যমে। তাই মুঠোফোনকে ভাইরাসমুক্ত রাখতে ফোনের ব্ল-টুথ অপশনটি বন্ধ করে বা লুকানো আবস্থায় (Hidden Mode) রাখুন। শুধুমাত্র প্রয়োজনের সময় ব্লু-টুথ অপশন চালু করুন। এতে ব্লু-টুথের মাধ্যমে যেসব ভাইরাস ছড়ায় সেসব ভাইরাসের হাত থেকে আপনার মুঠোফোন রক্ষা পাবে।

২. ব্লু-টুথ বা এম এম এস এর মাধ্যমে আসা কোন সংযুক্ত ফাইল ওপেন করার আগে একটু সতর্কতা অবলম্বণ করুন, যেমনটা আপনি কোন ই-মেইলের সাথে সংযুক্ত ফাইলের ক্ষেত্রে করে থাকেন। দেখে নিন যে উৎস থেকে সংযুক্ত ফাইলটি আপনাকে পাঠানো হয়েছে তা আপনার পরিচিত কিনা। অজানা কোন উৎস থেকে যে কোন ধরনের ফাইল কপি বা ডাউনলোড করা থেকে বিরত থাকুন।

৩. কম্পিউটার ভাইরাসের ঠেকাতে যেরকম এন্টি-ভাইরাস পাওয়া যায় তেমনি এখন মুঠোফোন এবং পিডিএ-এর ভাইরাস ঠেকাতেও এন্টি-ভাইরাস পাওয়া যায়। তাই কম্পিউটারের মতো মুঠোফোনেও এন্টিভাইরাস ব্যবহার করতে পারেন। ইন্টারনেটে অনুসন্ধান করলে মুঠোফোনের জন্য বেশ কিছু এন্টিভাইরাস পাবেন (যেমনঃ F-secure, Kaspersky) ।

৪. ভাইরাসের আক্রমনে আপনার মুঠোফোন অনাকাঙ্খিত আচরন শুরু করলে কাষ্টমার কেয়ার বা সার্ভিস সেন্টারে যোগাযোগ করুন। সেসব ক্ষেত্রে বেশির ভাগ সময় মোবাইল ফোনের অপারেটিং সিস্টেম নতুন করে ইনস্টল করার প্রয়োজন হতে পারে। তাই আপনার মোবাইল ফোনের জরুরী কোন তথ্য যেন নষ্ট না হয় সেজন্য জরুরী ফাইল, অ্যাড্রেস বুক ইত্যাদির একটি ব্যাক-আপ রাখুন।

 

শুধু একটি কথা বলার যন্ত্র নয়, মুঠোফোন হয়ে উঠেছে আমাদের জীবনের অপরিহার্য অংশ। মুঠোফোনের বিভিন্ন সুবিধা দিন দিন যেমন বাড়ছে, তেমনি এর নিরাপত্তার বিষয়টিও জরুরী হয়ে পড়ছে। তাই মুঠোফোনের নিরাপত্তার ব্যাপারে আমাদের এখন থেকেই সচেতন হওয়া প্রয়োজন।

5
১)প্রথমে ইন্টারনেটের কোথার থেকে একটা ছবি বাহির করুন।
আমি এটা নিলাম-
ছবি

২) নতুন ফ্লাস ডকুমেন্ট খুলুন। তারপরে Ctrl+J চেপে Document Properties-এ গিয়ে আপনার দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ঠিক ক্করে নিন।
ছবি

৩)
সেটার পরে File > Import > Import to Stage (Ctrl+R) এবং ইম্পর্ট
করুন যেকোনো ছবি ফ্লাসে। ছবিটাকে পছন্দ করে Align Panel (Ctrl+K)-এ গিয়ে
এই করুন:
ছবি

৪) ডুপ্লিকাট করুন ছবিটাকে এবং সেটাকে নিচের ছবির জায়গায় বসান।
ছবি

৫) লেয়ার ১-এ ক্লিক করে সেটার নাম পরিবর্তন করুন। সেটার পরে ক্লিক করুন ফ্রেইম ১০০ এবং ২০০তে এবং F6 চাপুন।
৬) ফ্রেইম ১০০তে ফিরে যান এবং ছবিগুলোকে এইভাবে রাখুন-
ছবি

৭)
ডান ক্লিক করুন যেকোনো গ্রে জায়গায় যেটা ফ্রেইম ১ থেকে ১০০ এবং ১০০ থেকে
২০০তে এবং তার পরে Create Motion Tween বানান ডান ক্লিক করে।
ছবি

৮) নতুন লেয়ার তৈরী করুন ছবির লেয়ারগুলোর উপরে এবং নাম দিন সেগুলোর object. সেটার পরে ছবি খুঁজুন ব্যাগ্রাউন্ড ছাড়া।
ছবি

৯) Ctrl+R চেপে ইম্পর্ট করুন সেই ছবিটাকে।
১০) নিচের ছবির মত সেটা বসিয়ে দিন। এবং আপনার কাজ শেষ।
ছবি

6
সার্ভার বিভিন্ন প্রকারের হয় যেমন ওয়েব সার্ভার , এন.এন.পি.টি সার্ভার ,
ডাটাবেজ় সার্ভার , এফ.টি.পি সার্ভার ইত্যাদি । ওয়েব সার্ভার হল এমন এক
প্রকারের সার্ভার যা html বা css বা php ইত্যাদি হাইপার টেক্সট সাথে
সংযুক্ত ফাইল গুলোকে ক্লাইন্ট হোস্টে প্রেরন করে। মুল কথা হল কোন ওয়েব সাইট
কে যেখানে হোস্ট করা হয় তাকে ওয়েব সার্ভার বলে । বর্তমানে অনেক প্রকারের
ওয়েব সার্ভার দেখা যায় , যেমন মাইক্রোসফট এর আইআইএস বা IIS সার্ভার বা
লিনাক্স এর Apache . এবং সকল প্রকার ওয়েব সার্ভার এ http protocool
ব্যবহার করা হয় ।

আর এক প্রকারের সার্ভার আছে তার নাম এন.এন.পি.টি সার্ভার , এর পূর্ন নাম
হল Networks news transfer protocool বা NNTP সার্ভার । এই সার্ভার এর
মাধ্যমে আপনি ইন্টানেট এর খবর পড়তে এবং কোন খবর প্রকাশ করতে পারবেন ।

ডাটাবেজ় সার্ভার সার্ভার হল এমন এক প্রকারের সার্ভার যার মাধ্যমে আপনি
অনলাইনে বিভিন্ন তর্থ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষনের জন্য এই সার্ভার ব্যবহার করা
হয় । এ ছারা এটা ওয়েব বিষয় আর অনেক সেবা প্রদান করে । বিভিন্ন প্রকারের
ডাটাবেজ় সার্ভার আছে যেমন MY SQL , MS SQL, ORACLE ,IBM ইত্যাদি ।

আর এক প্রকারের সার্ভার আছে যার নাম এফ.টি.পি সার্ভার , এর পূর্ন নাম হল
File transfer protocool বা FTP । নাম দেখে বুঝতে পারছেন এটা ফাইল আদান
বা প্রদানের কোন সার্ভার । এই সার্ভার এর কাজ হল ফাইল আদান প্রদান করা
।এফ.টি.পি সার্ভা (File transfer protocool বা FTP) ব্যবহার করে আপনি
একাধিক ওয়েব হোষ্ট বা হোস্ট কম্পিউটার এ ফাইল শেয়ার করতে পারবেন ।

7
আমরা ওয়েব পেইজ তৈরি করার জন্যে বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকি।ইংলিশ ওয়েব সাইট তৈরি করার সফটওয়্যার অনেক। কিন্তু

বাংলা ইউনিকোড ওয়েব পেইজ তৈরি করার ক্ষেত্রে হাতে গুনা কয়েকটি সফটওয়্যার রয়েছে। সে গুলির মাঝে ভাল ডিজাইন এর ওয়েব পেইজ

তৈরি করা কষ্টকর। কিন্তু আপনি যদি কোন সফটওয়্যার ও কোডিং ছাড়াই তা পারেন তাহলে কেমন হয়। এমনি এক জিনিষের সন্ধান দেব

আপনাদের। আউটলুক সফটওয়্যার এর দারা আপনি তা করতে পারেন। যা খুব সহজ। ওয়েব পেইজ তৈরি করার জন্য প্রথমেই

Start>Program>Outlook Express ক্লিক করুন। এখান থেকে Creat Mailmukatdirএ ক্লিক করুন। এর পর নিচের ছবি

হতে এর ইন্টের ফাইসের সাথে পরিচিত হয়ে নিনঃ-muktadir rohman

এর Body অংশে আপনার ওয়েব পেইজ এর লেখা সাজিয়ে নিন।
 
ফাইল সেভ করাঃপ্রথমেই ওয়েব নামে একটি ফোল্ডার তৈরি করুন।Format>Encoding সিলেক্ট করুন। File>Save as

ক্লিক করুন। । Save as type এ থেকে html file(*.htm*.html) সিলেক্ট করুন। এবার ওয়েব ফোল্ডার এ সেভ

করুন।

ছবি ইম্পোর্ট করাঃ- প্রথমে image নামে আগের ফোল্ডার এর  ভেতর তৈরি করুন।সেখানে  আপনার সবি পেস্ট করুন। Insert>Picture ক্লিক করুন। ব্রাউজ এ ক্লিক করে ছবির স্থান দেখিয়ে দিন।Alternate Text এআপনার নাম বা কিছু লিখুন। Layoute এ থাকা Alignment থেকে ছবির অবস্থান নির্নেয় করুন। Border Thicknessএ ছবির Border লিখুন (যেমন 1 বা২ ইত্যাদি সংখা)।

8
কেন লিনাক্স বিশ্বব্যাপী এত জনপ্রিয়, কারা এর ব্যবহারকারী !

বাংলাদেশে এখন পাইরেটেড উইন্ডোজের ছড়াছড়ি। লিনাক্স তো দূরের কথা কম্পিউটারের যে আরও কোনো অপারেটিং সিস্টেম থাকে তা হয়তো অনেকেরই অজানা। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে নতুনদের কাছে লিনাক্সের চেয়ে উইন্ডোজ ব্যবহার করাই অনেকসহজ মনে হয়। কিন্তু লিনাক্স ব্যবহারের পদ্ধতি একবার শিখতে পারলে পরবর্তীতে তা ব্যবহার করা একদমই সহজ হয়ে যায়। ব্যাক্তিগতভাবে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এর ব্যবহার বেশি হলেও বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা কর্মক্ষেত্রে লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমই বেশি ব্যবহৃত হয়। লিনাক্সের বহুমুখী ব্যবহারের সুযোগ থাকায় খুব দ্রুতই এর ব্যবহার ও জনপ্রিয়তা তুঙ্গে উঠেছে।

কি অবাক হচ্ছেন? ভাবছেন কেন লিনাক্স বেশি ব্যবহৃত হয়?
ব্যবসা ক্ষেত্রে লিনাক্স ব্যবহারের অন্যতম কারণ হলো এর নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেক শক্তিশালী। লিনাক্সে কোনো ভাইরাস আক্রমণের ভয় নেই। আর এই অপারেটিং সিস্টেমটি খুব সহজেই নিজেদের যে কোনো কাজের জন্য মডিফাই করে নেয়া যায়।

এখন আসুন দেখে নেওয়া যাক বিশ্বের কিছু প্রতিষ্ঠান যারা সকলেই লিনাক্স ব্যবহার করছে:

গুগল: অবাক হওয়ার কিছু নেই। ইন্টারনেট জায়ান্ট গুগল তাদের সকল কাজকর্ম লিনাক্সের মাধ্যমেই পরিচালনা করে। গুগলের ইঞ্জিনিয়াররা লিনাক্সের একটি জনপ্রিয় ডিস্ট্রো কাস্টমাইজ করে গুবুন্টু হিসেবে ব্যবহার করছে। এভাবেই গুগলের সকল সেবাগুবুন্টুর মাধ্যমেই পরিচালিত হয়।
উইকিপিডিয়া: অনলাইনের সবচেয়ে জনপ্রিয় এনসাইক্লোপিডিয়া (উইকিপিডিয়া) ২০০৮ সাল থেকে উবুন্টু ব্যবহার করে আসছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তারা লিনাক্সের আরেকটি জনপ্রিয় ডিস্ট্রো রেড হ্যাট ব্যবহার করে থাকে। তবে এডমিনিস্ট্রেশন এর অংশগুলোতে উবুন্টুই ব্যবহার করা হচ্ছে।
ইউএস প্রতিরক্ষা ব্যাবস্থা: লিনাক্স ডট কম-এ প্রদত্ত তথ্য অনুসারে ইউএস প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাতেই সবচেয়ে ব্যাপক আকারে রেড হ্যাট লিনাক্স ব্যবহৃত হচ্ছে। লিনাক্স যেভাবে খুশি চালানো যায় বলেই বিশাল ইউএস প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্ষেত্রটি সুচারুরূপে পরিচালিত হচ্ছে। এর কোনো একটি ছোট ত্রুটিও অনেক বড় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
ইউএসএ নেভি ও সাবমেরিন: FreeSoftwareMagazine.com এর তথ্যানুসারে ইউএসএ নেভি এবং নিউক্লিয়ার সাবমেরিনেও লিনাক্স ব্যবহৃত হচ্ছে।
স্পেন: লিনাক্সের সবচেয়ে বড় সাপোর্টার দেশ হিসেবে স্পেন বহুল পরিচিত। স্পেনে ২০০২ সাল থেকে সকলের কাছে লিনাক্স পৌঁছে দেয়ার জন্য স্পেন সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়। স্পেনের সকল সরকারি প্রতিষ্ঠানেই লিনাক্স ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়া জনগনের মাঝে লিনাক্স পৌঁছে দেয়ার পদক্ষেপ হিসেবে, সকল সরকারি কর্মচারিদের লিনাক্স সিডি প্রদানের পাশাপাশি ম্যাগাজিন, এমনকি খবরের কাগজের সাথেও লিনাক্সের সিডি দেওয়া হতো। আর সে কারণেই স্পেনে লিনাক্স ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
ফ্রান্স সংসদ: ফ্রান্সের বিশাল সংসদ ভবনের সকল কম্পিউটারেই ২০০৬ সাল থেকে লিনাক্স ব্যবহৃত হচ্ছে। তারা সকলকে ওপেনসোর্স সফটওয়্যার ব্যবহারে উৎসাহিত করে যাচ্ছে। এসব কম্পিউটারে বেশিরভাগ সফটওয়্যারই ওপেনসোর্স। ওয়েব ব্রাউজার হিসেবেও তারা ওপেনসোর্স ফায়ারফক্সকেই বেছে নিয়েছে। এছাড়া তারা ই-মেইলের জন্য ওপেনসোর্স ই-মেইল ক্লায়েন্টও ব্যবহার করছে।
চিনের ইন্ডাস্ট্রিয়াল ও কমার্শিয়াল ব্যাংক: চীনের সবচেয়ে বড় এই ব্যাংকে ২০০৫ সাল থেকে লিনাক্স ব্যবহার করা শুরু হয় এবং ২০০৮ সালের আগেই তারা প্রতিটি ব্রাঞ্চেই লিনাক্স ব্যবহার শুরু করে।
বড় বড় স্কুল কলেজ: রাশিয়ায় ২০০৭ সালে ঘোষনা দেয়া হয় যে, সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লিনাক্স চালানো বাধ্যতামূলক। কারণ বাংলাদেশের মতোই এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় সবগুলোতেই পাইরেটেড উইন্ডোজ চালানো হতো। এরপর ধীরে ধীরে সকলশিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই লিনাক্স ব্যবহার শুরু হয়। জার্মানির সকল ইউনিভার্সিটি গুলোকে ২০০৭ সালেই লিনাক্সের আওতায় আনা হয়। সুইজারল্যান্ডে আরও আগে ২০০৫ সাল থেকেই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লিনাক্স ব্যবহৃত হচ্ছে। আমাদের পার্শবর্তী দেশ ভারত এর অধিকাংশ প্রদেশেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে লিনাক্স ব্যবহৃত হচ্ছে। পাকিস্থানেও একই অবস্থা। সারা বিশ্বব্যাপি পরিচালিত ‘একজন শিশুর জন্য একটি ল্যাপটপ’ প্রোগ্রামটিতেও লিনাক্স ব্যবহার করা হয়েছে।
এমাজন: ইন্টারনেটে বইপত্র ও ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রী বিক্রয়ের বড় প্লাটফর্ম এমাজন ডট কম ২০০১ সালের পর থেকে লিনাক্স ব্যবহার শুরু করে। শুধুমাত্র ২০০৪ সালে লিনাক্সের কারণে এই কোম্পানির ১৭ মিলিয়ন ডলার সাশ্রয় হয়। বর্তমানে এমাজন.কমের সকল কম্পিউটারেই লিনাক্স ব্যবহৃত হচ্ছে।
প্যানাসনিক: ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যর বাজারে জনপ্রিয় প্যানাসনিক কোম্পানিও তাদের কাজের জন্য লিনাক্স ব্যবহার করে। লিনাক্স ব্যবহারের পূর্বে কোম্পানিটিতে উইন্ডোজ ব্যবহার করা হতো। তবে উইন্ডোজকে যে কোনো কাজের জন্য কাস্টমাইজ করা যায় না বলে, সেই উইন্ডোজের জন্যই এই কোম্পানিকে বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছিল। এরপর তারা লিনাক্স ব্যবহার শুরু করে এবং তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী লিনাক্সের একটি কাস্টমাইজ সংস্করন তৈরি করে তা আজও সফলতার সাথে ব্যবহার করে আসছে।
উপরে শুধুমাত্র কয়েকটি জনপ্রিয় ও বড় সেক্টরে লিনাক্সের ব্যবহারের উদাহরণ দেয়া হয়েছে। এরকম আরও অনেক বড় বড় কোম্পানি আছে যেগুলোতে লিনাক্স ব্যবহৃত হচ্ছে। পাশাপাশি ছোট ছোট কর্মক্ষেত্রগুলো তো থাকছেই। বাংলাদেশেও অনেক বড় বড় প্রতিষ্ঠান সহ ছোট প্রতিষ্ঠান গুলোতেও লিনাক্সের ব্যবহার শুরু হয়েছে। তাই বাংলাদেশে রয়েছে দক্ষ লিনাক্স অপারেটরদের জন্য অফুরন্ত কাজের সূযোগ। এছাড়া অন্য কাজের পাশাপাশি লিনাক্স শেখার মাধ্যমেও নিজের কাজের পরিধিটাকে বৃদ্ধি করা যায়।

9
কিছু কিছু ল্যাপটপের ক্ষেত্রে এই সুবিধা দেওয়া থাকলেও বেশিরভাগ ল্যাপটপে ইন্টারনেট শেয়ার করা যায় না বিশেষকরে যেগুলো উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে চলে। তবে আইম্যাক ও ম্যাকবুকে ডিফল্ট ইন্টারনেট শেয়ারিং এর একটি অপশন রয়েছে যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী চাইলেই তার ব্যবহৃত ইন্টারনেট এর শেয়ার করতে পারবেন। কিন্তু উইন্ডোজের ক্ষেত্রে আপনাকে থার্ডপার্টি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে।

অনলাইনে আপনি এই রকম অনেক সফটওয়্যারই পাবেন কিন্তু এদের মধ্যে connectify সফটওয়্যারটিই সেরা। একটি বিষয় আপনার জেনে রাখা ভালো তা হলো আপনার ডেক্সটপ কিংবা ল্যাপটপে হটস্পট সুবিধা পেতে হলে একটি হটস্পট ইউএসবি অ্যাডাপ্টর লাগবে। তবে চলুন কানেকটিফাই সফটওয়্যারের ব্যবহার জেনে নেওয়া যাক-

১. কানেকটিফাই সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে ইনস্টল করুন তারপর পিসি রিস্টার্ট দিন।

২. এবার আপনার পিসির ইন্টারনেট সংযোগটি চালু করে কানেকটিফাই সফটওয়্যারটি চালু করুন।

৩. এরপর সেটিংস ট্যাবে গিয়ে এর অধীনে ‘ক্রিয়েট এ ওয়াই-ফাই হটস্পট’ বাটনে ক্লিক করুন।

৪. ইন্টারনেট টু শেয়ারের অধীনে আপনি একটি ড্রপ ডাউন মেনু পাবেন। এখান থেকে যে সংযোগটি শেয়ার করতে চান তা নির্বাচন করুন। অ্যাপটি তারবিহীন ও তারযুক্ত উভয় সংযোগেই কাজ করে।

৫. কানেকটিফাইতে ওয়াই-ফাই পাসওয়ার্ড তৈরির সুবিধা পাওয়া যাবে। স্টার্ট হটস্পট ক্লিক করলেই তা চালু হয়ে যাবে।

ম্যাক কম্পিউটার

তবে ম্যাক ব্যবহারকারীদের জন্য এই রকম থার্ডপার্টি সফটওয়্যার ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। ম্যাকে রয়েছে ডিফল্ট ইন্টারনেট শেয়ারের সুবিধা এটি ব্যবহার করে খুব সহজেই ইন্টারনেট শেয়ার করতে পারেন। এই জন্য যা করতে হবে তা হলো-

১. সিস্টেম প্রেফারেন্স চালু করে শেয়ারিংয়ে যান এবং ইন্টারনেট শেয়ারিং নির্বাচন করুন।

২. ডানদিকে ড্রপ ডাউন মেনুটি সিলেক্ট করে আপনার যে সংযোগটি শেয়ার করতে চান তা নির্বাচন করুন। এই ক্ষেত্রে আপনি ইউএসবি, ব্লুটুথ কিংবা ইথারনেট যাই ব্যবহার করুন না কেন তা শেয়ার করতে পারবেন।

৩. এবার ওয়াই-ফাই অপশন নির্বাচন করুন। এখান থেকে নেটওয়ার্কের নাম, সিকিউরিটি টাইপ ঠিক করে দিতে হবে এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে দিন।

আপনার ম্যাকে ইন্টারনেট সংযোগ চালু থাকলে আপনি সিস্টেম প্রেফারেন্সে গেলে ইন্টারনেট শেয়ারিং অন লেখার পাশে একটি সবুজ আইকন দেখতে পাবেন। এই থেকে বুঝতে পারবেন আপনার ম্যাকটি হটস্পট হিসেবে কাজ করছে।

10

WLAN বা ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক কী:
একটি সীমিত এলাকা অর্থাৎ একই ভবন, পাশাপাশি অবস্থিত ভবন অথবা একটি অফিস বা এপার্টমেন্টে অবস্থিত কমপিউটারসমূহ, প্রিন্টার ও অন্য কোন বিশেষ ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মধ্যে তারের পরিবর্তে রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে স্থাপিত আন্তঃসংযোগ ব্যবস্থাকে ওয়ারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WLAN) বলে।


উপরের ছবিটি একটি ব্রডব্যান্ড লাইন থেকে একাধিক কমপিউটারে ইন্টারনেট কানেকশনের একটি ওয়ারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক। এই ধরনের নেটওয়ার্কে প্রয়োজন একটি মডেম ও একটি ওয়ারলেস রয়টার। যে কোন কমপিউটারে ওয়্যারলেস এডাপটার অথবা ওয়্যারলেস কার্ড ইন্সটল থাকলে এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইন্টারনেট কানেকশন শেয়ার করতে গারবে।

Wi-Fi ("wireless fidelity") হচ্ছে একটি বিশেষ ধরনের ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের টার্ম বা ট্রেড মার্ক যেখানে ওয়াইফাই এলাইয়েন্স নামে একটি কমিটি কর্তৃক পরীক্ষীত ও অনুমোদিত হার্ডওয়্যার ও স্পেসিপিকেশন ব্যবহার করা হয়। এর প্রধান উদ্দেশ্য বিভিন্ন কোম্পানীর ওয়্যারলেস নেটওয়ার্কের ডিভাইসরগুলি যাতে পরষ্পরের সাথে কাজ করতে পারে। এছাড়া নেটওযার্কটির কনফিগারেশনসহ অন্যান্য টেকনিক্যাল বিষয়ের একটি স্ট্যান্ডার্ড মান নির্ধারণ করা। ব্যাবহারকারীদের জন্য সুবিধা হচ্ছে, যদি কারো মোবাইল ফোন বা ল্যাপটপে Wi-Fi এডাপটার থাকে, তবে এটি যে কোন Wi-Fi নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইন্টারনেটে সংযুক্ত হতে পারবে। সুতরাং আমরা বলতে পারি সব ওয়াইপাই নেটওয়ার্ক হচ্ছে ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক, কিন্তু সব ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক ওয়াইপাই নেটওয়ার্ক নয়।
একটি ওয়াইফাই রয়টার/একসেস পয়েন্ট/এন্টিনার মাধ্যমে কোন বিশেষ স্থানে যখন ওয়ারলেস ইন্টারনেট কানেকশনের সুবিধা প্রদান করা হয় তখন সেই স্থানকে Hot Spot বলা হয়। একাধিক একসেস পয়েন্ট/এন্টিনার মাধ্যমে সৃষ্ট হটস্পটগুলোকে সমন্বয় করে যখন বড় এলাকা ভিত্তিক একটি ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক তৈরি হয় তখন সেই এলাকাকে Wi-Fi Zone বলা হয়।
মোবাইল ব্রডব্যান্ড বনাম ওয়াইফাই হটস্পট: মোবাইল ব্রডব্যান্ড সেবা সাধারণত মোবাইল ফোনের কোম্পানীগুলো দিয়ে থাকে। সুতরাং প্রায় সব জায়গা থেকে (মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক) মোবাইল ফোন বা ওয়ারলেস মডেমের সাহায্যে ইন্টারনেটে সংযুক্ত হওয়া যায়। ওয়াইফাই হটস্পটে এই সুযোগ একটি সীমিত এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ। ইদানীং বড় বড় শহরের বাস/ট্রেন স্টেশন, শপিং সেন্টার গুরুত্বপূর্ণ এলাকাসমূহে ওয়াইফাই জোন সৃষ্টি করা হচ্ছে। মোবাইল ব্রডব্যান্ড সার্ভিসের মাসিক চার্জ বেশী। এছাড়া একদেশ থেকে অন্য দেশে গেলে মোবাইল ব্রডব্যান্ড সার্ভিস কাজ করে না, যদি কাজ করে তবে চার্জ হয় খুবই বেশী। তাই নিজস্ব ল্যাপটাপ বা মোবাইল ফোন থেকে প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য ওয়াইফাই হটস্পট থেকে ইন্টারনেট কানেকশন সস্তা

11

অনেক কম্পিউটারে আমরা অনেক ধরনের software ব্যবহার করি যা স্টার্টাপের সময় লোড হয়।যার ফলে এতে প্রচুর সময় লাগে। এই সমস্যা আপনি খুব সহজে সাড়াতে পারেন। এর জন্য আপনাকে নিচের কাজ গুলো করতে হবে। start>run এ গিয়ে msconfig কমান্ডটি লিখতে হবে।এরপর একটি box আসবে যাতে startup এ গিয়ে আপনার যে প্রগ্রাম দরকার তা রেখে অন্যসব আনচেক করুন। এখন ok দিলে restart করুন। এরপর দেখুন আপনার অনেক সময় কম লাগছে।

12
বিভিন্ন প্রয়োজনে আমরা মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্টের স্লাইড তৈরী করে থাকি।
এই পাওয়ার পয়েন্টের স্লাইডগুলোক সাধারণত অন্য কোন সফটওয়্যারে খোলা যায় না
বা অন্য ফরম্যাটে রূপান্তর করা যায় না। কিন্তু আপনি চাইলে পাওয়ার পয়েন্টের
স্লাইডগুলোকে শকওয়েভ ফ্লাশে রূপান্তর করতে পারেন।
অথোর পয়েন্ট লাইট সফটওয়্যার দ্বারা পাওয়ার পয়েন্টের সকল ভার্সনের মূল বা
স্লাইড এক্সটেনশনের (.ppt, .pps, .pptx এবং .ppsx ফরম্যাটের) ফাইলগুলোকে
শকওয়েভ ফ্লাশ .swf ফরম্যাটের রূপান্তর করা যাবে। রূপান্তর হলে একটি
ফোল্ডারে এগুলো আলাদা আলাদা শকওয়েভ ফ্লাশ ফাইলে থাকবে এবং মূল একটি শকওয়েভ
ফ্লাশ ফাইল তৈরী হবে সাথে একটি এইচটিএমএল ফাইল তৈরী হবে। এছাড়াও ফ্লাশের
এই ফাইলগুলো অথোর স্ট্রিম (www.authorstream.com) এবং উইজিকে
(www.wiziq.com) আপলোড করা যাবে। যা অন্যদের সাথে শেয়ারও করা যাবে। ৪.২১
মেগাবাইটের ফ্রি এই সফটওয়্যারটি www.authorgen.com থেকে ডাউনলোড করতে
পারেন।

13
অনেক কম্পিউটারে আমরা অনেক ধরনের software ব্যবহার করি যা স্টার্টাপের সময় লোড হয়।যার ফলে এতে প্রচুর সময় লাগে। এই সমস্যা আপনি খুব সহজে সাড়াতে পারেন। এর জন্য আপনাকে নিচের কাজ গুলো করতে হবে। start>run এ গিয়ে msconfig কমান্ডটি লিখতে হবে।এরপর একটি box আসবে যাতে startup এ গিয়ে আপনার যে প্রগ্রাম দরকার তা রেখে অন্যসব আনচেক করুন। এখন ok দিলে restart করুন। এরপর দেখুন আপনার অনেক সময় কম লাগছে।

14
এর জন্য আপনার প্রয়োজন হবে একটি Bluetooth যুক্ত ফোনসেট ও একটি Bluetooth ডিভাইস। তাহলেই আপনি আপনার ফোনসেটটি কম্পিউটারে ব্যবহার করতে পারবেন রিমোট কন্ট্রোলার রূপে। এ জন্য প্রথমে http://www.blueshareware.com/files/bluetoothremotecontrol.zip থেকে BluetoothRemoteControl.exe ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন, তারপর আপনার কম্পিউটারে উক্ত সফটওয়্যারটি ইন্সটল করুন। এবার সফটওয়্যারটি চালু করে install phone client নামের ট্যাবে করলে যে উইন্ডো খুলবে, সেখান থেকে আপনার ফোনে জাভা সফটওয়্যারটি ইন্সটল করুন। এরপর আপনার ফোনে এবং কম্পিউটারে প্রোগ্রামটি চালান এবং কম্পিউটারে select phone ট্যাবে ক্লিক করুন। সার্চ করে আপনার Bluetooth-এর নাম পেয়ে গেলে Finish-এ ক্লিক করুন।এরপর connect to phone ট্যাবে ক্লিক করে সংযুক্ত হন।

15
প্রসেসর কম্পিউটারের অন্যতম প্রধান হার্ডওয়্যার। প্রসেসর কম্পিউটারের সকল কাজ করে থাকে। মূলত একেই CPU (Central Processing Unit) বলে। প্রসেসর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান গুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হল Intel এবং AMD (Advanced Micro Device)। এই দুটি কোম্পানিই ভালো। তবে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং কিছু প্রযুক্তিগত দিক থেকে Intel এগিয়ে রয়েছে। তবে বর্তমানে AMD ও তাদের APU (acceleration processing Unit) প্রসেসরের ম্যাধ্যমে বাজারে সুলভ মূল্যে বেশ কিছু ভাল প্রসেসর এনেছে। বর্তমানে বাজারে computer and accessories বাজার দর দেখুন।
যেহেতু প্রসেসর কম্পিউটারের সকল কাজ করে থাকে এবং যার ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তাই এটি কেনার সময় বিশেষ সতর্কতা নিতে হবে।
১. প্রসেসরের Clock Speed কত, সেটা লক্ষ্য করতে হবে। ক্লক স্পিড যত বেশি হবে, প্রসেসরের প্রসেসিং ক্ষমতাও তত বেশি হবে। শুধু clock speed নয়, প্রসেসরের Cache Memory (ক্যাশ মেমরি) কত তাও লক্ষ্য করতে হবে। ক্যাশ মেমরির মধ্যে প্রকারভেদ রয়েছে। এর মধ্যে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ক্যাশ মেমরি হল L3 Cache। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল প্রসেসরে কয়টি কোর(core) এবং কয়টি থ্রেড(thread) আছে তা খেয়াল করতে হবে। কোর এবং থ্রেড এর সংখ্যা বেশি হলে স্পিড বাড়বে। এছাড়া FSB (Front Serial Bus) এর পরিমাণ লক্ষ্য করতে হবে। FSB বেশি হলে স্পিড বেশি হবে। তাই মাদারবোর্ডের বাস স্পিডের সাথে মিল রেখে প্রসেসর কেনা উচিৎ। যদিও নতুন প্রসেসর গুলোতে FSB ব্যবহার করা হয় না। এর পরিবর্তে QPI ব্যবহৃত হয়।
২. প্রসেসরের সিরিজ কী, সেটাও খেয়াল রাখার একটি বিষয়। কারণ সিরিজ যত উন্নত হবে, প্রসেসর মান বাড়বে। Intel এর প্রথম দিককার প্রসেসর এর মধ্যে রয়েছে, Pentium Series। পরবর্তীতে ধারাবাহিকভাবে এসেছে, Celeron series, Core Series, i Series। তেমনি AMD এর প্রসেসর গুলো হল Sempron, Athlon, AMD Athlon X2, AMD Athlon II X2, AMD Phenom, AMD FX, AMD APU ইত্যাদি। তাই সবসময় নতুন সিরিজের প্রসেসর কেনা ভাল। কিন্তু প্রসেসরটি যেন আপনার মাদারবোর্ডে সমর্থন করে সে বিষয়টিও লক্ষ্য রাখতে হবে।
৩. প্রসেসরের একটি বিশেষ ফিচার হল Hyper Threading Technology। কারণ এ প্রযুক্তি Multitasking কাজ করার ক্ষেত্রে বিশেষ কার্যকরী ভুমিকা রাখে। এছাড়া Intel প্রসেসরের ক্ষেত্রে Turbo Boost Technology রয়েছে কিনা তা লক্ষ্য রাখতে হবে। এই প্রযুক্তি বিশেষ বিশেষ প্রয়োজনের সময় প্রসেসরের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
৪. প্রসেসরে GPU (Graphics Processing Unit) রয়েছে কিনা তা লক্ষ্য রাখতে হবে। প্রয়োজনে অনলাইল থেকে নির্বাচিত মডেলের প্রসেসরের স্পেসিফিকেশন দেখে নিন। প্রসেসরে GPU থাকলে এবং ভালো মাদারবোর্ড ব্যবহার করলে External Graphics Card প্রয়োজন হয় না। AMD এর APU (acceleration processing Unit) প্রসেসরে আলদা Graphics Processing Unit রয়েছে। যা দিয়ে হাই ডেফিনেশন ভিডিও,গেমস ও অন্যান্য গ্রাফিকাল কাজ করা যায়।
৫. প্রসেসরেটি যে দোকান থেকে কিনছেন সেই দোকানের ক্রেতাদের কীরূপ গ্রাহক সেবা দেয় তা জেনে নেওয়া ভাল। সেক্ষেএে পরিচিত লোকদের সাহায্য নিতে পারেন। বাজারে অনেক সময় খোলা হার্ডওয়্যার পাওয়া যায়। কখনোই এগুলো কেনা উচিৎ নয়।প্রসেসর ক্রয় করার পূর্বে পূর্বোল্লিখিত লক্ষণীয় বিষয় গুলো বিবেচনায় রাখা উচিৎ।

Pages: [1] 2 3 ... 9