Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Masuma Parvin

Pages: [1] 2 3 ... 19
2
Food Habit / Re: আমড়া-রসুনের আচার
« on: January 27, 2019, 02:27:26 PM »
interesting.

4
Thanks for sharing the post.

6
Thanks for sharing.

7
Really nice. :)

8
ব্রিটেনে প্রতি বছরই জন্ম নেয়া শিশুদের মধ্যে ছেলে বাচ্চার সংখ্যা মেয়ে বাচ্চার চেয়ে বেশি। রানি ভিক্টোরিয়ার সময় থেকে এমন কোনো বছর নেই যেখানে মেয়ে শিশু বেশি জন্মেছে। উদাহরণস্বরূপ ২০১৭ সালে ব্রিটেনে মেয়ে শিশু জন্মেছে ৩ লাখ ৩১ হাজার ৩৫ জন। এ সময় ছেলে শিশু জন্মেছে প্রায় ১৭ হাজার বেশি-মোট ৩ লাখ ৪৮ হাজার ৭১ জন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক হিসাব মতে, সদ্য জন্মানো শিশুদের মধ্যে প্রাকৃতিক জেন্ডার অনুপাত হলো প্রতি ১০০ মেয়ে শিশুর বিপরীতে জন্ম নিচ্ছে ১০৫ ছেলে শিশু। সারা পৃথিবীতেই এ অনুপাত মোটামুটি একই। শুধু চীন বা ভারতের মতো কিছু দেশ ছাড়া। কারণ সেখানে পিতামাতার কাছে ছেলে শিশু অধিক কাঙ্ক্ষিত বলে মনে করা হয়।

কিন্তু ঠিক কী কারণে ছেলে শিশু বেশি জন্মায়-তা এখনও বিজ্ঞানীদের কাছে অজানা। তাই এ নিয়ে একাধিক তত্ত্ব আছে। প্রথম তত্ত্বটা হলো: পুরুষ হিসেবে বেড়ে ওঠাটাই একটা বিপজ্জনক ব্যাপার। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, জীবনের প্রতি ক্ষেত্রেই তার অল্প বয়সে মারা যাবার সম্ভাবনা মেযেদের চাইতে বেশি। সেটা হতে পারে তা দুর্ঘটনা, ঝুঁকি নেয়া, আত্মহত্যা বা স্বাস্থ্যগত সমস্যা বা এমন যেকোনো কারণে।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডেভিড স্টাইনজালৎস বলছেন, যেকোনো স্থান-কাল-পাত্রেই পুরুষের মারা যাবার ঝুঁকি নারীর চেয়ে বেশি। তাই বিবর্তনের নিয়মেই পুরুষ শিশুর জন্ম বেশি হচ্ছে যাতে শেষ পর্যন্ত পরিণত বয়সে নারী ও পুরুষের সংখ্যায় একটা সমতা থাকে।

সন্তান ছেলে হবে না মেয়ে, সেটা নির্ধারণ হয় যেভাবে

সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারিত হয় পুরুষের শুক্রাণু থেকেই-এ কথা হয়তো অনেকেই এখন জানেন। নারীর ডিম্বাণুকে নিষিক্তকারী শুক্রাণুটি যদি ওয়াই ক্রোমোজোম বহনকারী হয়, তাহলে সন্তান হবে ছেলে। আর সেই শুক্রাণু যদি এক্স ক্রোমোজোম বহনকারী হয় তাহলে সন্তান হবে মেয়ে।

এখন কোটি কোটি শুক্রাণুর মধ্যে নিষিক্তকরণের প্রতিযোগিতায় কোনটি জয়ী হবে-তা নির্ভর করে পিতামাতার বয়সে, নারীর ঋতুচক্র, মানসিক অবস্থা, খাদ্য, এমনকি কোন ভঙ্গিতে তাদের যৌনমিলন ঘটছে তার ওপর।

বলা হয়, ওয়াই ক্রোমোজোমবাহী পুরুষ শুক্রাণু জরায়ুর ভেতর বেশি সময় বাঁচে না কিন্তু তারা দ্রুত ছুটতে পারে। অন্যদিকে নারী শুক্রাণু ধীরগতিতে চলে কিন্তু বাঁচতে পারে বেশি সময়। তাই জনপ্রিয় একটি তত্ত্ব হলো : নারীর ঋতুচক্রের কোন সময়টায় দম্পতি কতবার মিলিত হচ্ছেন এবং কতদিন বিরতি দিচ্ছেন-তার ওপর নির্ভর করে সন্তান মেয়ে না ছেলে হবে।

নারীর ডিম্বস্ফোটন বা ওভুল্যুশনের ঠিক আগে বা পরে যৌনমিলন হলে যে শুক্রাণুগুলো দ্রুত ছুটতে পারে তারাই ডিম্বাণুর সঙ্গে মিলিত হতে পারে এবং ছেলে সন্তানের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এর বিপরীতটা হলে অর্থাৎ ওভুলেশনের কয়েকদিন আগে একাধিকবার যৌনমিলন হবার পর কয়েকদিন বিরতি দিলে কন্যাসন্তানের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

কিন্তু অভিভাবকরা যাই বলুন, বিজ্ঞানীরা অবশ্য মনে করেন এসব পরিকল্পনা করে যৌনমিলন করেও ফলাফলে বিশেষ কোনো পার্থক্য হয় না। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, বাবা-মা যদি মানসিক চাপে থাকেন তাহলে মেয়ে শিশু জন্মের সম্ভাবনা বাড়ে।

অন্যদিকে যুদ্ধ বা সংঘাতের মধ্যে যে বাবা-মায়েরা বাস করছেন তাদের ছেলে সন্তান বেশি হতে পারে। প্রশ্ন হলো- এ রকম পরিকল্পিত যৌনমিলনে যদি কাজ না-ই হয়, তাহলে কি আসলে গর্ভাবস্থার সময় অন্য কিছু ঘটছে?

বিজ্ঞানীরা বলেন, কিছু গবেষণায় আভাস পাওয়া গেছে যে, গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে কন্যা ভ্রুণ নষ্ট হয়ে যাবার ঝুঁকি বেশি। কিন্তু অন্য কিছু জরিপে দেখা গেছে, গর্ভাবস্থার শেষদিকে পুরুষ ভ্রুণ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকে এবং এর ফলে মৃত শিশুর জন্ম হতে পারে।

বিজ্ঞানীদের মতে, আসলে গর্ভকালীন সময়ে ঠিক কী ঘটে এবং কেন ঘটে তা নির্ভূলভাবে বলা খুবই কঠিন। মোটের ওপর, আমরা এটাই দেখি যে, ছেলে ভ্রুণই পরিণত অবস্থা পর্যন্ত বেশি পৌঁছায় এবং ছেলে শিশুর জন্মই বেশি হয়।




Link:https://www.jagonews24.com/health/news/471653

9
বিদায়ী বছর ২০১৮ সালে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গুজ্বরে রেকর্ডসংখ্যক ১০ সহস্রাধিক নারী, পুরুষ ও শিশু আক্রান্ত হয়েছেন। এর আগে ১৬ বছর আগে ২০০২ সালে সর্বোচ্চ ৬ হাজার ২৩২ জনের আক্রান্ত হওয়ার রেকর্ড ছিল। অর্থাৎ ২০০২ সালের তুলনায় গত বছর ৩ হাজার ৭৬৮ জন বেশি আক্রান্ত হয়েছেন। গত বছর ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে মোট ৬৮ জনের মৃত্যু হয়। তবে ২০০২ সালে সর্বোচ্চ রেকর্ডসংখ্যক ৯৩ জনের মৃত্যু হয়।

রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসাধীন ২৬ জন। স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশনস সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের ইনচার্জ ডা. আয়েশা আক্তার এসব তথ্য জানিয়েছেন।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানান, ইতোপূর্বে জুন-জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গু মৌসুম ধরা হলেও চলতি বছর ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগী পাওয়া যায়। তারা বলেন, ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হওয়ার প্রচলিত ধরন বদলে গেছে। আগে ডেঙ্গু হলে প্রথমে উচ্চমাত্রার জ্বর, প্রচণ্ড মাথাব্যথা, শরীর ব্যথা ও গায়ে র্যাশ বা ফুসকুড়ি হতো। পরবর্তীতে চার থেকে সাতদিনের মধ্যে ডেঙ্গু হেমোরেজিকের নানা লক্ষণ (প্লাটিলেট বা অণুচক্রিকা কমে যাওয়া, দাঁতের মাড়ি, নাক, মুখ ও পায়ুপথে রক্তপাত) প্রকাশ পেতো। কিন্তু চলতি বছর জ্বর ওঠার দু-একদিনের মধ্যে ডেঙ্গু হেমোরেজিকের লক্ষণসহ রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে দেখা গেছে। এমনকি স্বল্প সময়ে রোগী ‘শক সিনড্রোমে’ আক্রান্ত হয়ে হার্ট, ভাল্ব, কিডনি, লাংসহ বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে যাচ্ছে। ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) ভর্তির পরও রোগীর মৃত্যু হতে দেখা গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, বছরওয়ারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০০০ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগে আক্রান্তের সংখ্যা যথাক্রমে ৫৫৫১ জন, ২৪৩০ জন, ৬২৩২ জন, ৪৮৬ জন, ৩৪৩৪ জন, ১০৪৮ জন, ২২০০ জন, ৪৬৬ জন, ১১৫৩ জন, ৪৭৪ জন, ৪০৯ জন, ১৩৫৯ জন, ৬৭১ জন, ১৭৪৯ জন, ৩৭৫ জন, ৩১৬২ জন, ৬০৬০ জন, ২৭৬৯ জন এবং ১০১১২ জন।

সালওয়ারি পরিসংখ্যানে একই সময়ে মারা যায় যথাক্রমে ৯৩ জন, ৪৪ জন, ৫৮ জন, ১০ জন, ১৩ জন, ৪ জন, ১১ জন, ০, ০, ০, ০, ৬ জন, ১ জন, ২ জন, ০, ৬ জন, ১৪ জন, ৮ জন এবং ৬৮ জন।

Link:https://www.jagonews24.com/health/news/473042

10
বেসরকারি একটি কোম্পানিতে ৩০ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করেন শামিম আহমেদ সোহাগ। বসবাস করেন রাজধানীর মালিবাগের একটি ভাড়া বাসায়। প্রতিমাসে তাকে ভাড়া বাবদ দিতে হয় প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার টাকা। যার মধ্যে শুধু বাড়ি ভাড়া ১৪ হাজার টাকা। এছাড়া গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎসহ আনুসঙ্গিক বিল রয়েছে। অর্থাৎ সব মিলিয়ে তার বেতনের অর্ধেকের বেশি অংশ মাসের শুরুতে বাড়ি ভাড়া বাবদ বাসা মালিকের হাতে তুলে দিতে হয়।

এ সমস্যা শুধু শামিম আহমেদ সোহাগের নয়, রাজধানীতে বসবাসকারী বেশিরভাগ ভাড়াটিয়াদের মাসের শুরুতে বেতনের বা আয়ের সিংহভাগ বাসা মালিকদের হাতে তুলে দিতে হয়। লাগামহীন বাড়ি ভাড়ার কারণে বিপর্যস্ত নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষ।

কর্মসংস্থানের সিংহভাগ রাজধানী ঢাকা কেন্দ্রিক হওয়ায় সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত কাজের সন্ধানে রাজধানীমুখী হচ্ছেন। প্রতিদিনই কর্মসংস্থান বা ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় ঢাকায় আসছেন মানুষ। আর এসব মানুষের প্রায় ৮০ শতাংশই ঢাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। ফলে বাসার চাহিদা থাকায় নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই বাড়িওয়ালারা তাদের মন মত বাড়ি ভাড়ার বোঝা চাপিয়ে দেন ভাড়াটিয়াদের কাঁধে। কোথাও যেন জবাবদিহিতা নেই।

ইংরেজি বছর শেষে নতুন বছর শুরু হয়েছে। বছর শেষ হওয়া সাথে সাথে বাড়িওয়ালারাও বাড়িয়ে দিয়েছেন তাদের বাসা ভাড়া। লাগামহীনভাবে বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধিতে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন রাজধানী ঢাকার সাধারণ মানুষ। নিম্নবিত্ত থেকে উচ্চ মধ্যবিত্ত সবাই বাড়ি ভাড়ার এ পাগলা ঘোড়ার কাছে অসহায়। প্রত্যেক বছরের শুরুতেই বর্ধিত বাড়ি ভাড়ার বোঝা নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন রাজধানীর এসব অসহায় ভাড়াটিয়ারা।

রাজধানীর বনশ্রীতে দুই রুমের একটি বাসায় পরিবার নিয়ে ভাড়া থাকেন বেসরকারি চাকরিজীবী আহমেদ তাহের হাসিব। তিনি বলেন, মাসের বেতন যা পাই তার অর্ধেকের বেশি মাসের শুরুতেই বাসা মালিকের হাতে তুলে দিতে হয়। প্রতি বছরই ভাড়া বেড়ে চলছে। রাজধানীতে প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ ভাড়া বাসায় বসবাস করেন, কিন্তু অল্প সংখ্যক বাসা মালিকের কাছে তারা জিম্মি।

তিনি আরও বলেন, আমার মত একজন সাধারণ মানুষ প্রায় ৩০ হাজার টাকা পাই। যার মধ্যে বাসা ভাড়া ১৪ হাজার আর গ্যাস, পানি, বিদ্যুৎ বিল মিলে ১৬ হাজার টাকা পড়ে। বাকি ১৪ হাজার টাকা দিয়ে সংসার চালাতে হয়। যার মধ্যে খাওয়া-দাওয়া, সন্তানের পড়ালেখার খরচ, চিকিৎসা সবই করতে হয়। সরকারের উচিত এ বিশাল সংখ্যক মানুষের কথা বিবেচন করে বাসা ভাড়া আইন সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ বিষয়ক সংগঠন কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) একটি সমীক্ষা থেকে জানা যায়, ২৫ বছরে রাজধানীতে বাড়ি ভাড়া বেড়েছে প্রায় ৪শ’ শতাংশ। একই সময়ে নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে ২শ’ শতাংশ। অর্থাৎ নিত্যপণ্যের দামের তুলনায় বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধির হার প্রায় দ্বিগুণ।

অন্য এক জরিপ থেকে জানা যায়, ২৭ ভাগ ভাড়াটিয়া আয়ের প্রায় ৩০ শতাংশ, ৫৭ ভাগ ভাড়াটিয়া প্রায় অর্ধেক, ১২ ভাগ আয়ের প্রায় ৭৫ শতাংশ টাকা ব্যয় করেন বাড়ি ভাড়া খাতে। এছাড়া ৪ ভাগ ভাড়াটিয়া এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

প্রতি বছর জানুয়ারি এলেই ভাড়া বৃদ্ধির খড়গ নেমে আসে ভাড়াটিয়াদের কাঁধে। অনেক বাড়িওয়ালাই ইতোমধ্যে জানুয়ারি থেকে ভাড়া বৃদ্ধির নোটিশ দিয়েছেন। কিন্তু ১৯৯১ সালের বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী, দুই বছর আগে ভাড়া বাড়ানো যায় না। যাবে না জামানত নেওয়াও। এর জন্য ভাড়াটিয়া ও মালিকপক্ষকে চুক্তিবদ্ধ হতে হয়।

১৯৯১ সালের বাড়ি ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইনের ৭ ধারা মতে, কোনো বাড়ির ভাড়া মানসম্মত ভাড়ার অধিক ভাড়া কোনোভাবেই আদায়যোগ্য হবে না। কিন্তু রাজধানীতে বাড়ি ভাড়া বিড়ম্বনা নিত্য-নৈমত্তিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোনো কারণ ছাড়াই ভাড়া বাড়ানো, বাড়িওয়ালাদের দাপট বা স্বেচ্ছাচারিতা সব মিলে অসহায় এ শহরের ভাড়া বাসার বাসিন্দারা।

এ বিষয়ে ভাড়াটিয়া পরিষদের সভাপতি বাহরানে সুলতান বাহার বলেন, রাজধানীতে লাগামহীনভাবে বাসা ভাড়া বৃদ্ধি রোধে প্রয়োজন আইনের সঠিক প্রয়োগ। প্রতি বছরই ভাড়া বৃদ্ধি করে চলেছে বাসার মালিকরা। তাদের আচরণের কাছে অসহায় হয়ে আছেন ভাড়াটিয়ারা। এমন সমস্যা সমাধানে আইন ও বিধি যথোপযোগী করে তার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকারকে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। জাতাকলে চ্যাপ্টা হওয়া এসব ভাড়াটিয়াদের সমস্যা সমাধানে সিটি কর্পোরেশনকে মনিটরিংয়ের পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে হবে। দীর্ঘ দিন ধরে চলা আসা এ সমস্যার সমাধান এখনই না করা গেলে আগামীতে আরও অসহায় হয়ে পড়বে এসব ভাড়াটিয়ারা।

Link:https://www.jagonews24.com/national/news/473075

11
ঋতু বদলের সময় হঠাৎ করে সর্দি-কাশির সমস্যা হতেই পারে। আর এই নিয়ে পড়তে হয় ভোগান্তিতে। এমন অসুখ, একা একা সারেও না আবার ডাক্তারের কাছে গেলেও এককাড়ি টাকা খরচ। তাই ঘরোয়া কিছু উপায় জেনে নিন যার মাধ্যমে সর্দি-কাশি থেকে দূরে থাকা সম্ভব। আর যদি এসবের কোনোটাতেই কাজ না হয় তবে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়ে ওষুধ খেতে হবে।

সর্দি-গলা ব্যথা কিংবা শুকনো কাশি সারাতে খুব কাজে দেয় লবণপানিতে গার্গল।

ঠান্ডা লেগে সারা রাত কাশি হচ্ছে? শোয়ার আগে এক চামচ মধু খেলে আরাম পাবেন। খুব ভালো হয় যদি অল্প গরম পানিতে মধুটা দিয়ে ছোট ছোট সিপে খাওয়া যায়।

চা তৈরি করুন অল্প আদা দিয়ে। শোয়ার ঠিক আগে সেটা খান। গ্রিন টিও খুব ভালো কাজে দেয়। এতে কাশির চোটে ঘুম ভেঙে উঠে বসে থাকতে হবে না।
বালিশের পিঠের দিকটা একটু তুলে শুতে পারেন, তাতে সারা রাত কাশির দমক একটু কম ভোগাবে।

সারারাত যদি নাক বন্ধ থাকে, তাহলেও ঘুম আসবে না। বরং মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করলে কাশির দমক বাড়বে। এই পরিস্থিতিতে বাম বা নেজাল ড্রপের শরণাপন্ন হন।

তুলসিপাতা, আদা, গোলমরিচ, দারুচিনি, লবঙ্গ, মৌরি, তেজপাতা দুই কাপ পানিতে ফোটাতে আরম্ভ করুন। মিশ্রণটা কমে আধ কাপ মতো হলে নামিয়ে ছেঁকে নিন। মধু বা তালমিছরি মিশিয়ে সেটা পান করুন।

Links:https://www.jagonews24.com/lifestyle/article/467067


13
Medical Laboratory Tech / Re: Dialysis
« on: November 11, 2018, 06:19:05 PM »
Very helpful post.Thanks for sharing.

14
Thanks for sharing. :)

Pages: [1] 2 3 ... 19