Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Badshah Mamun

Pages: [1] 2 3 ... 121
1
ত্বকের যত্নে খুঁটিনাটি

কড়া রোদে গরমে অস্থির হওয়ার দিন শুরু হয়ে গেছে। বৈশাখের প্রথম দিন থেকেই নিজের যত্ন নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। শরীর, ত্বক, চুল ভালো থাকলে মন খারাপের পাল্লাও যে হালকা থাকবে। শুরু করা যাক ত্বক নিয়েই। প্রতিদিন কী করবেন, কী করবেন না—সেটা জানা থাকা জরুরি এই সময়। তার সঙ্গে ঘরোয়া প্যাক ভালো রাখবে ত্বক। ত্বকের যত্নের খুঁটিনাটি বিষয় তুলে ধরা হলো এই প্রতিবেদনে।

ত্বক ফেটে যাচ্ছে, কী করব?
‘অনেকেই এ সমস্যা নিয়ে আসেন আমার কাছে।’ বললেন রূপবিশেষজ্ঞ শারমিন কচি। ত্বকের মরা চামড়া ওঠার প্রক্রিয়াকে অনেকে মনে করেন ত্বক ফেটে যাচ্ছে। তৈলাক্ত ত্বকের অধিকারীরা এ প্রক্রিয়াটি অনেক সময় বুঝতে পারেন না। শুষ্ক ত্বক যাঁদের, চিন্তায় পড়ে যান তাঁরা। মধু সমাধান দেবে। ২ চা-চামচ টক দইয়ের সঙ্গে ১ চা-চামচ মধু মেশান। এবার মুখ ধুয়ে নিন পানি দিয়ে। অন্তত ১০ মিনিট মালিশ করুন। প্যাক হিসেবে ব্যবহার করবেন না। এক মাস করলেই হবে। সপ্তাহে ১ দিন। মাসে ৪০ মিনিট সময় ব্যয় করার ফলাফল—ত্বকের রোদে পোড়া ভাব চলে যাবে, মরা চামড়া দূর হবে, ত্বক করবে চকচক, নতুন চামড়া হওয়ায় সহায়তা করবে।

নতুন ত্বককে স্বাগত
যত্ন নেওয়ার মাধ্যমেই স্বাগত জানাতে হবে নতুন ত্বক বা চামড়াকে। মিশ্র আবহাওয়া থাকার কারণে অ্যালার্জি হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায় বলে জানান শারমিন কচি। ঘৃতকুমারী (অ্যালোভেরা) আর গোলাপজল এই সমস্যার সমাধান দেবে অনেকাংশে। তবে অ্যালোভেরা কখনোই সরাসরি ত্বকে লাগাবেন না। ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে। ভালো করে ধুয়ে নিয়ে ভেতরের অংশটুকু বের করে ডিপফ্রিজে রাখতে পারেন। ব্যবহারের আগে জেল বের করে নিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। গোলাপজল মিশিয়ে মুখে মালিশ করুন সপ্তাহে এক দিন। অ্যালার্জির পাশাপাশি ব্রণ, র্যা শ, ঘামাচির সমস্যা কমে যাবে। ত্বক উজ্জ্বল করবে না, এই মিশ্রণ ব্যবহারে ত্বক সুস্থ থাকবে।

স্বাভাবিক তাপমাত্রা
ত্বকের স্বাভাবিক তাপমাত্রা বজায় রাখা জরুরি এ সময়। তাপমাত্রা বেড়ে গেলে ত্বক কালো হয়ে যায়, ব্রণ হয়, র্যা শ ও অ্যালার্জি হবে। প্রতিদিন বরফ থেরাপি দরকার এ কারণেই। সমপরিমাণ গোলাপজল ও পানি মিশিয়ে বরফ তৈরি করুন। তবে কাপড়ের ওপর বরফ রেখে মুখে ঘষবেন না। এতে ত্বকের ক্ষতি হবে। বরফের পেছন দিকটা মোটা কাপড় দিয়ে ধরে নিতে পারেন। ত্বকের ওপর বরফের ঠান্ডা পরশ সরাসরি লাগাতে হবে।

রক্তের সাবলীল সঞ্চালন
ত্বকের রক্ত সঞ্চালন সবচেয়ে ভালোভাবে হয় রাতের বেলা, ঘুমের সময়। ঘুমানোর আগে ত্বকের ক্লান্তি দূর করে নিতে পারলে মন্দ হয় না। মসুর ডালের পেস্ট, দুধের সর, মধু মিশিয়ে কিছুক্ষণ মুখে লাগিয়ে রাখুন। ক্লান্তির পাশাপাশি রোদে পোড়া ভাবও চলে যাবে। ত্বক আরাম পাবে।

যা করবেন প্রতিদিন
 মুখ ধোবেন দিনে তিনবার। যাঁরা বাইরে কাজ করেন, তাঁরা ফেসওয়াশ দিয়ে ধুতে পারবেন।
 রাতে ত্বক অনুযায়ী ময়েশ্চারাইজার লাগানো বাধ্যতামূলক।
 যখনই ফল খাবেন, অবশিষ্ট অংশ মুখে লাগান। আঙুর ছাড়া।
 বাইরে গেলে ছাতা, সানগ্লাস ব্যবহার আবশ্যক।
 ত্বকের ধরন বুঝে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য তেলবিহীন, পাউডার সানস্ক্রিন বেছে নিন। তবে সানস্ক্রিন পাঁচ ঘণ্টার বেশি রাখবেন না। মুখ ধুয়ে আবার লাগান। রাতের বেলা বা যখন রোদে থাকবেন না, তখন সানস্ক্রিন ব্যবহার না করার পরামর্শ দিলেন শারমিন কচি।
 পানি খান বেশি করে।
 সুতির কাপড় পরুন।

বিরত থাকুন
 সম্ভব হলে রোদে বের হবেন না।
 তৈলাক্ত খাবার খাবেন না। অনেকের তৈলাক্ত খাবার থেকে পেটে গ্যাস হওয়ার প্রবণতা থাকে। এতে ত্বকে সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়ে।

Source: http://gg.gg/9w07x

2
Health Tips / Yoga
« on: April 18, 2018, 03:51:07 PM »
যোগব্যায়ামে মুখশ্রী

প্রতিদিনের ব্যস্ততা, দৌড়ঝাঁপ, দূষণ কোনো না কোনোভাবে প্রভাব ফেলে দেয় চেহারার ওপরে। ক্লান্তি, বলিরেখা সেটারই ফল। ক্রিম, মেকআপ দিয়ে সাময়িক উজ্জ্বলতা নিয়ে আসা যায়। কিন্তু ত্বকের ভেতর থেকে উজ্জ্বলতা বের করে আনতে কিছুটা কাঠখড় পোড়াতে হবে। যোগব্যায়াম করতে হবে, এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের। কিছু কিছু আসন রয়েছে যা মাথাব্যথা, চাপ বা ধকল ও দুশ্চিন্তা দূর করে শরীরে এনে দেয় প্রশান্তির ছোঁয়া। এতে চেহারার ক্লান্তি ভাব কেটে যায় এবং চেহারা হয়ে ওঠে তারুণ্যোজ্জ্বল। ইয়োগানিকার প্রশিক্ষক আনিকা রাব্বানির কাছ থেকে জানা গেল তেমনই মুখের কিছু যোগব্যায়ামের কথা।যেসব যোগব্যায়ামের বর্ণনা থাকছে, সেগুলো চর্চা করার সময় গভীর নিশ্বাস নিতে হবে। একই সঙ্গে শরীর এবং মাংসপেশি আরামে রাখতে হবে।

এটি বলিরেখা দূর করার জন্য বেশ কার্যকর। এ ছাড়া চোখকে সতেজ ও তরুণ রাখে। ঘরের ছাদের দিকে চোখ রেখে এক মিনিটের জন্য এভাবে ধরে রাখুন। এই যোগব্যায়ামটির ক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবে নিশ্বাস নিন।

যোগব্যায়ামটি চোখের নিচের ফোলাভাব ও জ্বালাপোড়া কমায় এবং চোখের চারপাশের পানি ধরে রাখতে সাহায্য করে। চোখের কোটরের চারদিকে দুই মিনিটের জন্য আঙুলের ডগা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে আলতোভাবে চাপুন।

দুই হাতে ভর দিয়ে ঘাড়ের অংশ টান টান করে মাথা জাগিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। এতে করে আপনার ঘাড় থাকবে যৌবনদীপ্ত এবং ডবল চিনের সমস্যাও দূর হবে।

বিপারিতা কারানি

চোয়ালের রেখায় আঙুলের ডগা দিয়ে হালকা করে চিমটি কেটে কেটে থুতনি পর্যন্ত আসতে হবে। এতে করে সেই অংশ হয়ে উঠবে আকর্ষণীয় ও সুন্দর। এ ছাড়া চোয়াল ও থুতনির অংশে দুশ্চিন্তা বা ধকলের যে ছাপ পড়ে তা-ও কমে আসবে।

সালাম্বা সারভাঙ্গাসানা

একে সকল যোগব্যায়ামের রানি বলা হয়ে থাকে। এটি সম্পূর্ণ শরীরের কার্যক্রমে সহায়তা করে। এই যোগব্যায়ামটির স্থায়িত্ব ৩০ সেকেন্ড থেকে ৩০ মিনিট পর্যন্ত হতে পারে। এটি বলিরেখা, ভেরিকোস ভেইন, কোষ্ঠকাঠিন্য ও ঠান্ডার সমস্যা দূর করে, প্রশান্ত ঘুম নিশ্চিত করে, স্নায়ুতন্ত্রকে প্রশমিত করে, হরমোন নিয়ন্ত্রণে রাখে ও হৃৎপিণ্ড এবং শ্বাসপ্রশ্বাস-প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করে।

মনে রাখা ভালো

যাদের প্রতিনিয়তই স্ক্রিনের সামনে সময় কাটাতে হয়, তাদের জন্য এই যোগব্যায়ামগুলো বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কিছু সময়ের জন্য যখন মনোযোগসহ আসনগুলো করা হয় তখন শরীর ও মন একেবারে প্রশান্ত হয়ে যায় এবং পুরো শরীরে একধরনের সংযোগ সৃষ্টি হয়।

চেহারার সৌন্দর্য ধরে রাখার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মুখের অঙ্গভঙ্গি। মেরুদণ্ড যদি সোজা না থাকে তবে কোনো কিছুতেই চেহারার সৌন্দর্য ফুটে উঠবে না এবং বলিরেখাও দূর হবে না। অঙ্গভঙ্গির ওপর চেহারা দেখতে কেমন, এমনকি আত্মবিশ্বাসটিও নির্ভর করে।

Source: http://gg.gg/9w07c

3
Change Management / At work, it's okay to say 'no' to your boss
« on: January 08, 2018, 06:09:31 PM »
At work, it's okay to say 'no' to your boss

Pls click to read the full article.

https://www.rappler.com/life-and-style/career/70496-no-workplace-office-yes-man

4
WhatsApp / Delete unwanted message from WhatsApp
« on: October 31, 2017, 10:12:46 AM »
হোয়াটসঅ্যাপে অনাকাঙ্ক্ষিত বার্তা মোছা যাবে


ভার্চ্যুয়াল জগতে বন্ধুদের সঙ্গে খোশগল্পে ব্যস্ত? এমন মুহূর্তে বন্ধুর উদ্দেশে লেখা কোনো খুদে বার্তা ভুলে পাঠিয়ে দিলেন সহকর্মীকে। ভাবুন তো, আপনার অবস্থা কেমন হবে? নিশ্চয়ই বিব্রতকর। এরপর ‘দুঃখিত, ভুলে চলে গেছে’ বলা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। এমন বিব্রতকর অবস্থা থেকে রেহাই দিতে খুদে বার্তা পাঠানোর মাধ্যম হোয়াটসঅ্যাপ চালু করছে ‘আনসেন্ড’ নামের বিশেষ একটি সুবিধা। অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো বার্তা কারও কাছে গেলে তা আবার ফিরিয়ে আনা যাবে এই সুবিধার মাধ্যমে।

হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো কোনো খুদে বার্তায় চেপে ধরলেই ডিলিট মেনু আসে। নতুন এই সুবিধার মাধ্যমে বার্তায় চেপে ধরলে শুধু নিজের জন্য কিংবা সবার জন্যই খুদে বার্তাটি মুছে ফেলার সুবিধা পাওয়া যাবে। সবার জন্য বার্তাটি মুছে ফেলা বোতামে চাপলেই বার্তাটি প্রেরক এবং প্রাপক দুজনের কাছ থেকেই মুছে যাবে। সেই মুছে ফেলা বার্তার বদলে সেখানে উল্লেখ থাকবে ‘এই বার্তাটি মুছে ফেলা হয়েছে’। এ সুবিধা পেতে প্রেরক এবং প্রাপক দুজনকেই হোয়াটসঅ্যাপের সর্বশেষ সংস্করণ হালনাগাদ করতে হবে। তবে বার্তাটি সফলভাবে মুছে ফেলা হয়েছে কি না এমন কোনো সংকেত দেবে না অ্যাপটি।

ডিজিটাল যোগাযোগমাধ্যমে এই সুবিধা নতুন নয়। গুগল তাদের জিমেইল অ্যাপে ইতিমধ্যে এই সুবিধা ব্যবহার করছে। এ ছাড়া জনপ্রিয় যোগাযোগমাধ্যম ভাইবার এ সুবিধা চালু করছে বহু আগেই। সে যাই হোক, হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ আশা করছে, শিগগিরই আনসেন্ড সুবিধাটি তাদের নতুন সংস্করণে হালানাগাদ করা হবে। এরপর আর বিব্রত হতে হবে না খুদে বার্তা পাঠানোর এই মাধ্যম ব্যবহারকারীদের।

শাওন খান, সূত্র: ম্যাশেবল


Source: Daily Prothom Alo

5
বোতলের তলায় ত্রিকোণ চিহ্নটা কখনও খেয়াল করেছেন, জানেন কি এর অর্থ?

ঘরে বাইরে এখন প্লাস্টিকের পেট বোতলের ছড়াছড়ি। খাবার রাখা থেকে পানি রাখা— সবেতেই এই প্লাস্টিক বোতল । কিন্তু, কখনও আমরা কেউ খেয়াল করি না প্লাস্টিকের বোতলের গায়ে থাকা চিহ্নগুলিকে।

পড়ে গেলে চট করে ফেটে যায় না। বোতল পরিষ্কার করাও সোজা। ব্যবহারের এমন সোজা-সাপটা সুবিধায় প্লাস্টিকের বোতলের চল বাড়তে বাড়তে এখন জীবনের অঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে।



কিন্তু, আমারা না বুঝেই দিনের পর দিন এই সব প্লাস্টিকের বোতল ব্যবহার করে থাকি। অনেকে তো বাচ্চার দুধ ভর্তি প্লাস্টিকের ফিডিং বোতলটাই গরম করে বসেন। প্লাস্টিক বোতলের এমন যথেচ্ছ ব্যবহার আদপেও কি স্বাস্থ্যকর? এ বিষয়ে বাছ-বিচার আমরা করি না। তাই প্লাস্টিক বোতলের তলায় থাকা ত্রিকোণ চিহ্নের মানেটা বুঝে নিলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেতে পারে নিমেষে।


১. ত্রিকোণ চিহ্ন— এটা আসলে প্লাস্টিক বোতলের চারিত্রিক ইনডেক্স। এই চিহ্নটা থাকলে বোঝা যায় বোতলটি বিধিসম্মতভাবে তৈরি। কিন্তু, বোতলটা ব্যবহারের কতটা নির্ভরযোগ্য বা কী ধরনের জিনিস তাতে রাখা যাবে, তা ত্রিকোণ চিহ্নের মধ্যে থাকা সংখ্যা দ্বারা বোঝা যায়।

২. ত্রিকোণের মাঝে ১ সংখ্যা থাকলে— এর মানে বোতলটি একবারই মাত্র ব্যবহার করা যাবে এবং বোতলটিতে পলিথিলিন টেরেপথ্যালেট প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়েছে। এই ধরনের বোতল বহুব্যবহারে স্বাস্থ্যের পক্ষে হানিকারক।

৩. ত্রিকোণের মধ্যে ২ সংখ্যা থাকলে— এই ধরনের প্লাস্টিক বোতলে ঘন পলিথিন ব্যবহার করা হয়েছে। মূলত শ্যাম্পু বা ডিটারজেন্ট রাখার ক্ষেত্রে এই ধরনের বোতল ব্যবহার হয়।

৪. ত্রিকোণের মধ্যে ৩ সংখ্যা থাকলে— এই ধরনের বোতল বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ, এই বোতল তৈরি হয় ‘পোলিভিনিল ক্লোরাইড’ বা ‘পিভিসি’ থেকে। এতে ক্যানসার হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ‘পিনাট বাটার’ রাখতে এই বোতল ব্যবহার করা হয়।

৫. ত্রিকোণের মধ্যে ৪ সংখ্যা থাকলে— এই ধরনের প্লাস্টিক বহু ব্যবহারের উপযোগী। বিশেষ করে, প্লাস্টিকের প্যাকেটে এই চিহ্ন প্রচুর দেখা যায়। খুব দামি বোতলে এই চিহ্ন থাকে।

৬. ত্রিকোণের মধ্যে ৫ সংখ্যা থাকলে— এই ধরনের প্লাস্টিক একদম নিরাপদ এবং ব্যবহারের যোগ্য। আইক্রিম কাপ বা সিরাপের বোতল অথবা খাবারের কন্টেনারে এই ধরনের চিহ্ন দেখা যায়।
৭. ত্রিকোণের মধ্যে ৬ অথবা ৭ সংখ্যা থাকলে— প্লাস্টিকের রেড কার্ড বলা হয় একে। এই ধরনের প্লাস্টিক মারাত্মক রকমের ক্ষতিকারক। কারণ এই ধরনের প্লাস্টিক তৈরি হয় পলিস্টিরিন এবং পলিকার্বনেট বিসপেনল-এ। এটা মানুষের মধ্যে হরমোন সমস্যা তৈরি করে। ক্রমাগত এই ধরনের প্লাস্টিকের ব্যবহার ক্যানসারের প্রবণতা বাড়ায়।


Source: https://goo.gl/nrvYUr

6
যুব সমাজের জন্য উদ্যোক্তা তৈরির শিক্ষা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুব-সমাজের কর্ম-উপযোগী পরিবেশ গড়তে উদ্যোক্তা তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করে আসছেন। তার অনুশাসন অনুযায়ী শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে উদ্যোগ নিলেও তা মূলত পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। যদিও এদেশে সাধারণ মানুষের কাছে বৃত্তিমূলক ও কারিগরি শিক্ষা এখন পর্যন্ত সম্মানীয় পেশা হয়ে উঠতে পারেনি। ছেলেবেলায় পরীক্ষায় উরমহরঃু ড়ভ ষধনড়ঁৎ (ডিগনিটি অব লেবার)-এর ওপর রচনা লিখতে হতো। আজ প্রায় চল্লিশ বছর হয়ে গেল সমাজে শ্রম ও শ্রমিকের সঠিক মূল্যায়ন হচ্ছে না। এর মূল কারণ সামাজিক টাবু। এ টাবু কাটিয়ে উঠতে পারলেই আমাদের দেশে উচ্চশিক্ষায় বর্তমান সরকার যে যুগোপযোগী পরিবর্তন আনতে চাচ্ছেন তা সার্থকভাবে বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। যদিও গত সাড়ে আট বছরে বেশকিছু প্রকল্প বিশ্ব ব্যাংক-হেকাপ আর ইউজিসির কোয়ালিটি এস্যুরেন্স সেলের মাধ্যমে পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় গ্রহণ করা হয়েছে- তার মধ্যে আমার কাছে মনে হয়েছে ইনস্টিটিউট শানাল কোয়ালিটি এস্যুরেন্স সেল অন্যতম। সরকারী-বেসকারী মিলে এ মুহূর্তে প্রায় আশিটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আইকিউএসি (ওছঅঈ) কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তবে সঙ্গে একটি আশঙ্কাও থেকে যাচ্ছে– প্রকল্পের মেয়াদ ২০১৯ সালে শেষ হলে সরকারী-বেসকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে আদৌ আইকিউসি প্রকল্পের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে কিনা সেটি প্রশ্ন থেকে যায়। এ ব্যাপারে সরকারের অনুশাসন দরকার। পাশাপাশি যে সমস্ত সরকারী-বেসরকারী উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান আইকিউসির আওতায় আসেনি তারা আধুনিক কর্ম-উপযোগী পরিবেশের অবস্থান কিভাবে জানতে পারবে। কেননা আইকিউসির আওতায় সুযোগ হয়েছে। একটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে কিভাবে স্ব-উদ্যোগে বিভিন্ন স্টেইক হোল্ডারদের কাছ থেকে জরিপের মাধ্যমে বেশকিছু ফলপ্রসূ জ্ঞান অর্জন করা যায় আধুনিক শ্রেণী কক্ষ ব্যবস্থাপনা আবার পরীক্ষা পদ্ধতি যথাযথ করা এবং মূল্যায়ন পদ্ধতিতে আধুনিকায়ন আনা, ক্লাসে ছাত্র-ছাত্রীদের আরও বেশি করে বাস্তবতার আলোকে জ্ঞানের শিখা বিতরণ করা চাকরির বাজার তৈরি করা এবং ছাত্র-ছাত্রীদের আন্তর্জাতিকীকরণ করা ও সমাজ সেবামূলক কর্মকা-ে ব্যাপৃত করার প্রয়াস নেয়া হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদের তত্ত্বাবধানে ইউজিসির বর্তমান চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল মান্নান এবং কোয়ালিটি এস্যুরেন্সের বর্তমান প্রধান প্রফেসর ড. সঞ্জয় কুমার অধিকারী প্রকল্পটির কার্যক্রম সঠিকভাবে এগিয়ে নিচ্ছেন। আমার ধারণা ছিল, যেহেতু প্রধানমন্ত্রী উচ্চশিক্ষাকে আন্তর্জাতিকমানের করতে চাচ্ছেন সেহেতু এ প্রকল্পটি আমাদের স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পূর্তি পর্যন্ত বর্ধিত করার পদক্ষেপ নেয়া হবে। অবশ্য সরকার আরও একটি ভাল কাজ করছে- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ ও প্রতিষ্ঠানসমূহের মান উন্নয়নে ব্যবস্থা গ্রহণ করা। কেননা বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা অধিভূক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দেশের সর্ববৃহৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তুলনায় কয়েকগুণ বড় তবে পড়ার মান নিয়ে প্রশ্ন আছে। অথচ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের মান নিয়ে পত্র-পত্রিকায় নানা রিপোর্ট নিয়মিতভাবে বের হচ্ছে। তবে সরকার প্রধান আরেকটি যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ঢাকার সাতটি সরকারী কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করার। এটি একটি উত্তম উদ্যোগ। এ কলেজগুলোতে যেহেতু প্রায় দু’লাখ ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে অধিকতর নিবিড় পরিচর্যার জন্য এগুলো ধীরে ধীরে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা জরুরি। শিক্ষার মান উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ নিয়ে বর্তমান সরকার নানামুখী প্রকল্প গ্রহণ করেছে। আবার ইউজিসি-শিক্ষার মান উন্নয়নে স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানিং-২০২৬ পর্যন্ত তৈরি করার জন্য উদ্যোগী হয়েছে। এ প্ল্যানিং যারা আইকিউসির কার্যক্রম বিদেশ থেকে ট্রেনিং নিয়ে এখনও বিভিন্ন পর্যায়ে ন্যাশনাল এ্যাসেসার হিসেবে কাজ করছে তাদের অন্তর্ভুক্তিটির বিষয়টি বিবেচনায় আনা দরকার। ব্যক্তিগত উদাহরণ দিচ্ছি- যখন আইকিউসির পরিচালক হিসেবে একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ করা হলো- প্রথমে ভাবলাম যেখানে অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষক হিসেবে কাজ করে চলেছি- এটি আরেক বাড়তি ঝামেলা। কিন্তু যখন এআইটি এক্সেটেনশনে ১৮ দিনের প্রশিক্ষণ নিলাম এবং তারা প্রশিক্ষণের সময় বললেন, তোমরা তোমাদের ১৮ দিন আমাদের দাও, আমরা তোমাদের ভাবনা চিন্তায় আমূল পরিবর্তন এনে দেব। দেশে এসে ভাবলাম সত্যিই এখন কিছু করে দেখানোর সুযোগ এসেছে। আমি ডেফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান এম সবুর খানকে দেখেছি কিভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের মঙ্গলের জন্য আইকিউসির কার্যক্রমে উৎসাহ যুগিয়েছেন।

ইউজিসির কোয়ালিটি এস্যুরেন্স ইউনিটের আওতায় প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশে ন্যাশনাল এ্যাসেসার যথাযথভাবে তৈরি করা হয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে একটি ভাল উদ্যোগ। এ কাজটি যে কত উত্তমভাবে করা যায়-তা ইউজিসির কিইউএ প্রমাণ করেছেন। তাই তো এখন সময় পেলেই বিভিন্ন দেশের ন্যাশনাল এডুকেশন ফ্রেমওয়ার্ক নিয়ে গবেষণা করছি- যত দেখছি তত বিস্মিত হচ্ছি। আমাদের দেশেও অনেক প্রথা থাকলেও সেগুলো সুশৃঙ্খলিত নয়। এমনকি প্রপারলি ডকুমেন্টেড নয়। আরেকটি সমস্যা যে আইকিউসি প্রকল্পের আগে দু’একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া অন্যরা বিশেষত সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মাথা ঘামাত না। কিন্তু এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যরাও কার্যক্রম শুরু করেছে। আর বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কয়েকটি আবার বিদেশী এ্যাক্রেডিশন নিচ্ছে। লক্ষ্য যারা সুদীর্ঘকাল ধরে বর্তমান সরকারের নীতির সঙ্গে একমত পোষণ করে শিক্ষার মান উন্নয়নে কাজ করে চলেছেন তারা যেন এ্যাক্রেডিশন কাউন্সিল হলে কাজ করে দেশকে এবং আগামী প্রজন্মকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে সাহায্য করতে পারে। এসডিজি-৪ এবং ৮ এর লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন করতে হলে আমাদের হাতে বিকল্পও নেই। সরকার প্রধানের কাছে আবেদন থাকবে- বিমস্টেকের কার্যপরিধিতে শিক্ষার মান উন্নতকরণ এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে সহযোগিতার মাধ্যমে এদেশে একটি বিমস্টেক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা এবং জেসিআই সনদপ্রাপ্ত উন্নতমানের হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ নেয়া। সার্কভুক্ত দেশের ক্ষেত্রে শিক্ষা-চিকিৎসা ও শুল্ক কাঠামো এবং গবেষণার ক্ষেত্রে যে ধরনের সুযোগ আছে তা কিন্তু বিমস্টেকের আওতায় নেই। আর তাই বিমস্টেকে ঢেলে সাজানো দরকার এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে এবং চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন করা দরকার। যারা শিক্ষক তারা যেন মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলেন, মিথ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ করে সেদিকে খেয়াল রাখা দরকার। এদিকে প্রফেসর মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঠামোগত সংস্কার সাধনের কাজ কেরানীগঞ্জ এলাকায় হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সুন্দর-দক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালিত হচ্ছে। রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট নিয়ে মামলাধীন বিষয় হওয়ায় কিছু না বলাই ভাল। কুষ্টিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য রশিদ আল আসকারীও সুন্দরভাবে কার্যক্রম পরিচারনা করছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্য অনুষদে গবেষণা বাড়ছে। এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে সান্ধ্যকালীন মাস্টার্স ডিগ্রী চালু করা দরকার। তবে কিছু কিছু বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে যে অনিয়ম হচ্ছে সে সম্পর্কে ইউজিসি সতর্ক করেছে। এ ৪৬টি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে সাবধান বাণী উচ্চারণ করার পর চট্টগ্রামের একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় যেভাবে পত্রিকায় প্রতিবাদলিপি ছাপিয়েছেন তা সত্যি নিন্দনীয়। এদিকে সরকারী কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে পরস্পরের কাদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ না হওয়ায় সরেজমিন আমি পরিদর্শন করে রীতিমতো হতভম্ব। রেজিস্ট্রার যেভাবে ছুড়ি ঘোরান সেভাবেই রাবার স্ট্যাম্প উপাচার্য চলছেন। টাঙ্গাইলে মূল ক্যাম্পাস হলে ঢাকায় কিভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি চালায় তা দেখার বিষয়। কূটনৈতিকপাড়ায় এটি চলতে পারে না। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাসকৃত ছাত্রছাত্রীদের বর্তমান যুগোপযোগী শিক্ষা পরিবেশ অনুযায়ী ড়ঁঃপড়সব নধংবফ ঃবধপযরহম ষবধৎহরহম চালু হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্স ইতোমধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কন্সটিটিউট ইনস্টিটিউট হিসেবে ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমেদের নেতৃত্বে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন এন্টারপ্রাইজ ডেভেলপমেন্ট চালু করেছেন। ইতোমধ্যে আবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে আপাতত, মাস্টার্স ইন এন্ট্রিপ্রিনিউরিয়াল ইকোনমিক্স চালুর অনুমতি চেয়েছে। আর আন্ডারগ্র্যাজুয়েট পর্যায়ে ব্যাচালর ইন এন্ট্রিপ্রিনিউরিয়াল ইকোনমিক্স চালুর অনুমতি চাওয়ার অপেক্ষায় আছে। এ বিষয়ে অবশ্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিবেচনা করে দেখছেন। তবে প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের কথা ভেবে এ ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ‘চাকরি করব না, চাকরি দেব;, কিংবা ‘চাকরি করলে উদ্যোমী ও উদ্যোগী হয়ে উঠব’ তা বাস্তবায়নে ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্স সবসময়েই ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমেদের নেতৃত্বে কাজ করে চলেছে। ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্সের সঙ্গে বিশ্ব ভারতীয় সড়ঁ সাইন হতে যাচ্ছে। মনে পড়ে আমি যখন থাইল্যান্ডের নারিসায়ান বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বাংলাদেশে উদ্যোক্তা ব্যবস্থাপনার কার্যকরণ’ সম্পর্কে পোস্ট ডক্টরেট করার গবেষণা প্রস্তাবনা জমা দেই, তখন আমাকে প্রশ্ন করা হয়েছিলÑ তুমি কি কারণে এ বিষয়ে পোস্ট ডক্টরেট করতে চাচ্ছ? আমার সোজাসাপ্টা প্রশ্নের উত্তর ছিল, আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী চান উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে কর্ম উপযোগী প্রবৃদ্ধি সহায়ক উন্নয়ন হোক। তাঁর আবারও প্রশ্ন ছিলোÑ তুমি কি মনে করো, তোমার দেশে উদ্যোক্তা তৈরির ক্ষেত্রে সহায়তা পাবে? আমি গবেষণার প্রস্তাবনা জমা দিয়ে এসে দেশে একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্ডার গ্র্যাজুয়েট লেভেলে প্রোগ্রামটির কোর্ডিনেশর দায়িত্ব নেই। একজন প্রবীণ অধ্যাপক বিএনপি ঘরানার পলিটিক্স আর গ-গোল লাগিয়ে দিল। তবে এখন ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্সে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন এন্টারপ্রাইজ ডেভেলপমেন্ট কার্যক্রমটি সাফল্যের সঙ্গে করতে পারছি। আশা আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদনক্রমে মাস্টার্স প্রোগ্রাম এবং পরে ব্যাচেলর প্রোগ্রাম ইন এন্ট্রিপ্রিনিউরাল ইকোনমিক্স পর্যায়ক্রমে চালু হলে প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছার বাস্তবায়িত হবে। সরকার চানÑ দেশের মানুষের আয় প্রবাহ বাড়ুক, সঞ্চয়-বিনিয়োগে ভারসাম্য সৃষ্টি হবে এবং ধনী-দারিদ্র্যের বৈষম্য দূরীভূত হবে। ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্স প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্সের আদলে। এ প্রতিষ্ঠানে ধীরে ধীরে এমফিল-পিএইচডি ডিগ্রীর অনুমতি অর্থনীতির নানা বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দেয়া হলে অবশ্যই দেশে দক্ষ অর্থনীতিবিদের যে অভাব আছে তা দূরীভূত হবে। এখানে উদ্যোক্তা তৈরির জন্য পিকেএসএসের সহায়তায় ফিল্ড ট্রিপ, হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ আর ব্যবসায়ী-শিল্প উদ্যোক্তা-কৃষি উদ্যোক্তা ব্যাংকারদের বক্তৃতা বিপণন-ব্যবস্থাপনা কৌশল গেস্ট হিসেবে স্পেশাল টক দেয়া হচ্ছে। শিক্ষার মান উন্নত রাখার ক্ষেত্রে ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্স আপোসহীন। দীর্ঘ প্রত্যয় নিয়ে বর্তমান সরকার প্রধান স্বয়ং এটি প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন। একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় উদ্যোক্তা তৈরি করা দরকার। হয়ত অনেকে বলবেন বিল গেটস হাইস্কুলের গ-ি পেরোননি, ডেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে ছেড়ে দিয়েছেন। কিন্তু যুগ পাল্টেছে। উদ্যোক্তা তৈরির ক্ষেত্রে উপযুক্ত শিক্ষা-প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। দেশে অবশ্য বর্তমানে আইএলও থেকে মাস্টার ট্রেনার তৈরি করা কাফম্যান প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা তৈরির কার্যক্রম, ওয়ানিদা ফাউন্ডেশন আবার উদ্যোক্তা তৈরির মডিউল নিয়ে এসেছে। উদ্যোক্তা তৈরি করার ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার গুরুত্ব অনুধাবন সর্বাগ্রে দেশের প্রধানমন্ত্রী অনুধাবন করেছিলেন। এক্ষণে বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন ছোট উদ্যোক্তা তৈরির জন্য অর্থায়ন করতে পারে। এটি বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সাহায্য-সহযোগিতা যে সে স্থান থেকে স্ট্রেটেজিক লিডার হিসেবে কাজ করছে তাদের পালন করতে হবে। দেশে প্রশিক্ষিত উদ্যোক্তা তৈরির বিকল্প নেই। নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও সরকার বিভিন্নভাবে শিক্ষার মান বৃদ্ধি ও কর্ম উপযোগী শিক্ষা পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। এক্ষেত্রে নিউক্লিয়াস হিসেবে উদ্যোক্তা তৈরির ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গীভূত প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্স দায়িত্ব পালন করতে পারে। বিদেশে দেখেছি স্কুল পর্যায়ে উদ্যোক্তা তৈরির পাঠ্যক্রম থাকে আবার বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়েও পাঠ্যক্রম এবং প্রোগ্রাম থাকে।


লেখক:
ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী
শিক্ষাবিদ, অর্থনীতিবিদ, উদ্যোক্তা বিশেষজ্ঞ
pipulbd@gmail.com

Source: https://goo.gl/mMRNPN

7
যুব সমাজের জন্য উদ্যোক্তা তৈরির শিক্ষা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুব-সমাজের কর্ম-উপযোগী পরিবেশ গড়তে উদ্যোক্তা তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করে আসছেন। তার অনুশাসন অনুযায়ী শিক্ষা মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে উদ্যোগ নিলেও তা মূলত পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। যদিও এদেশে সাধারণ মানুষের কাছে বৃত্তিমূলক ও কারিগরি শিক্ষা এখন পর্যন্ত সম্মানীয় পেশা হয়ে উঠতে পারেনি। ছেলেবেলায় পরীক্ষায় উরমহরঃু ড়ভ ষধনড়ঁৎ (ডিগনিটি অব লেবার)-এর ওপর রচনা লিখতে হতো। আজ প্রায় চল্লিশ বছর হয়ে গেল সমাজে শ্রম ও শ্রমিকের সঠিক মূল্যায়ন হচ্ছে না। এর মূল কারণ সামাজিক টাবু। এ টাবু কাটিয়ে উঠতে পারলেই আমাদের দেশে উচ্চশিক্ষায় বর্তমান সরকার যে যুগোপযোগী পরিবর্তন আনতে চাচ্ছেন তা সার্থকভাবে বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। যদিও গত সাড়ে আট বছরে বেশকিছু প্রকল্প বিশ্ব ব্যাংক-হেকাপ আর ইউজিসির কোয়ালিটি এস্যুরেন্স সেলের মাধ্যমে পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় গ্রহণ করা হয়েছে- তার মধ্যে আমার কাছে মনে হয়েছে ইনস্টিটিউট শানাল কোয়ালিটি এস্যুরেন্স সেল অন্যতম। সরকারী-বেসকারী মিলে এ মুহূর্তে প্রায় আশিটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আইকিউএসি (ওছঅঈ) কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তবে সঙ্গে একটি আশঙ্কাও থেকে যাচ্ছে– প্রকল্পের মেয়াদ ২০১৯ সালে শেষ হলে সরকারী-বেসকারী প্রতিষ্ঠানগুলোতে আদৌ আইকিউসি প্রকল্পের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে কিনা সেটি প্রশ্ন থেকে যায়। এ ব্যাপারে সরকারের অনুশাসন দরকার। পাশাপাশি যে সমস্ত সরকারী-বেসরকারী উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান আইকিউসির আওতায় আসেনি তারা আধুনিক কর্ম-উপযোগী পরিবেশের অবস্থান কিভাবে জানতে পারবে। কেননা আইকিউসির আওতায় সুযোগ হয়েছে। একটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে কিভাবে স্ব-উদ্যোগে বিভিন্ন স্টেইক হোল্ডারদের কাছ থেকে জরিপের মাধ্যমে বেশকিছু ফলপ্রসূ জ্ঞান অর্জন করা যায় আধুনিক শ্রেণী কক্ষ ব্যবস্থাপনা আবার পরীক্ষা পদ্ধতি যথাযথ করা এবং মূল্যায়ন পদ্ধতিতে আধুনিকায়ন আনা, ক্লাসে ছাত্র-ছাত্রীদের আরও বেশি করে বাস্তবতার আলোকে জ্ঞানের শিখা বিতরণ করা চাকরির বাজার তৈরি করা এবং ছাত্র-ছাত্রীদের আন্তর্জাতিকীকরণ করা ও সমাজ সেবামূলক কর্মকা-ে ব্যাপৃত করার প্রয়াস নেয়া হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদের তত্ত্বাবধানে ইউজিসির বর্তমান চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল মান্নান এবং কোয়ালিটি এস্যুরেন্সের বর্তমান প্রধান প্রফেসর ড. সঞ্জয় কুমার অধিকারী প্রকল্পটির কার্যক্রম সঠিকভাবে এগিয়ে নিচ্ছেন। আমার ধারণা ছিল, যেহেতু প্রধানমন্ত্রী উচ্চশিক্ষাকে আন্তর্জাতিকমানের করতে চাচ্ছেন সেহেতু এ প্রকল্পটি আমাদের স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পূর্তি পর্যন্ত বর্ধিত করার পদক্ষেপ নেয়া হবে। অবশ্য সরকার আরও একটি ভাল কাজ করছে- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজ ও প্রতিষ্ঠানসমূহের মান উন্নয়নে ব্যবস্থা গ্রহণ করা। কেননা বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা অধিভূক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দেশের সর্ববৃহৎ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তুলনায় কয়েকগুণ বড় তবে পড়ার মান নিয়ে প্রশ্ন আছে। অথচ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের মান নিয়ে পত্র-পত্রিকায় নানা রিপোর্ট নিয়মিতভাবে বের হচ্ছে। তবে সরকার প্রধান আরেকটি যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ঢাকার সাতটি সরকারী কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করার। এটি একটি উত্তম উদ্যোগ। এ কলেজগুলোতে যেহেতু প্রায় দু’লাখ ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে অধিকতর নিবিড় পরিচর্যার জন্য এগুলো ধীরে ধীরে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা জরুরি। শিক্ষার মান উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ নিয়ে বর্তমান সরকার নানামুখী প্রকল্প গ্রহণ করেছে। আবার ইউজিসি-শিক্ষার মান উন্নয়নে স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানিং-২০২৬ পর্যন্ত তৈরি করার জন্য উদ্যোগী হয়েছে। এ প্ল্যানিং যারা আইকিউসির কার্যক্রম বিদেশ থেকে ট্রেনিং নিয়ে এখনও বিভিন্ন পর্যায়ে ন্যাশনাল এ্যাসেসার হিসেবে কাজ করছে তাদের অন্তর্ভুক্তিটির বিষয়টি বিবেচনায় আনা দরকার। ব্যক্তিগত উদাহরণ দিচ্ছি- যখন আইকিউসির পরিচালক হিসেবে একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ করা হলো- প্রথমে ভাবলাম যেখানে অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষক হিসেবে কাজ করে চলেছি- এটি আরেক বাড়তি ঝামেলা। কিন্তু যখন এআইটি এক্সেটেনশনে ১৮ দিনের প্রশিক্ষণ নিলাম এবং তারা প্রশিক্ষণের সময় বললেন, তোমরা তোমাদের ১৮ দিন আমাদের দাও, আমরা তোমাদের ভাবনা চিন্তায় আমূল পরিবর্তন এনে দেব। দেশে এসে ভাবলাম সত্যিই এখন কিছু করে দেখানোর সুযোগ এসেছে। আমি ডেফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান এম সবুর খানকে দেখেছি কিভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের মঙ্গলের জন্য আইকিউসির কার্যক্রমে উৎসাহ যুগিয়েছেন।

ইউজিসির কোয়ালিটি এস্যুরেন্স ইউনিটের আওতায় প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশে ন্যাশনাল এ্যাসেসার যথাযথভাবে তৈরি করা হয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে একটি ভাল উদ্যোগ। এ কাজটি যে কত উত্তমভাবে করা যায়-তা ইউজিসির কিইউএ প্রমাণ করেছেন। তাই তো এখন সময় পেলেই বিভিন্ন দেশের ন্যাশনাল এডুকেশন ফ্রেমওয়ার্ক নিয়ে গবেষণা করছি- যত দেখছি তত বিস্মিত হচ্ছি। আমাদের দেশেও অনেক প্রথা থাকলেও সেগুলো সুশৃঙ্খলিত নয়। এমনকি প্রপারলি ডকুমেন্টেড নয়। আরেকটি সমস্যা যে আইকিউসি প্রকল্পের আগে দু’একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া অন্যরা বিশেষত সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলো মাথা ঘামাত না। কিন্তু এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যরাও কার্যক্রম শুরু করেছে। আর বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কয়েকটি আবার বিদেশী এ্যাক্রেডিশন নিচ্ছে। লক্ষ্য যারা সুদীর্ঘকাল ধরে বর্তমান সরকারের নীতির সঙ্গে একমত পোষণ করে শিক্ষার মান উন্নয়নে কাজ করে চলেছেন তারা যেন এ্যাক্রেডিশন কাউন্সিল হলে কাজ করে দেশকে এবং আগামী প্রজন্মকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে সাহায্য করতে পারে। এসডিজি-৪ এবং ৮ এর লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়ন করতে হলে আমাদের হাতে বিকল্পও নেই। সরকার প্রধানের কাছে আবেদন থাকবে- বিমস্টেকের কার্যপরিধিতে শিক্ষার মান উন্নতকরণ এবং চিকিৎসা ক্ষেত্রে সহযোগিতার মাধ্যমে এদেশে একটি বিমস্টেক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা এবং জেসিআই সনদপ্রাপ্ত উন্নতমানের হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ নেয়া। সার্কভুক্ত দেশের ক্ষেত্রে শিক্ষা-চিকিৎসা ও শুল্ক কাঠামো এবং গবেষণার ক্ষেত্রে যে ধরনের সুযোগ আছে তা কিন্তু বিমস্টেকের আওতায় নেই। আর তাই বিমস্টেকে ঢেলে সাজানো দরকার এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে এবং চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন করা দরকার। যারা শিক্ষক তারা যেন মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলেন, মিথ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ করে সেদিকে খেয়াল রাখা দরকার। এদিকে প্রফেসর মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঠামোগত সংস্কার সাধনের কাজ কেরানীগঞ্জ এলাকায় হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সুন্দর-দক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালিত হচ্ছে। রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট নিয়ে মামলাধীন বিষয় হওয়ায় কিছু না বলাই ভাল। কুষ্টিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য রশিদ আল আসকারীও সুন্দরভাবে কার্যক্রম পরিচারনা করছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্য অনুষদে গবেষণা বাড়ছে। এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে সান্ধ্যকালীন মাস্টার্স ডিগ্রী চালু করা দরকার। তবে কিছু কিছু বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে যে অনিয়ম হচ্ছে সে সম্পর্কে ইউজিসি সতর্ক করেছে। এ ৪৬টি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে সাবধান বাণী উচ্চারণ করার পর চট্টগ্রামের একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় যেভাবে পত্রিকায় প্রতিবাদলিপি ছাপিয়েছেন তা সত্যি নিন্দনীয়। এদিকে সরকারী কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে পরস্পরের কাদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ না হওয়ায় সরেজমিন আমি পরিদর্শন করে রীতিমতো হতভম্ব। রেজিস্ট্রার যেভাবে ছুড়ি ঘোরান সেভাবেই রাবার স্ট্যাম্প উপাচার্য চলছেন। টাঙ্গাইলে মূল ক্যাম্পাস হলে ঢাকায় কিভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি চালায় তা দেখার বিষয়। কূটনৈতিকপাড়ায় এটি চলতে পারে না। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাসকৃত ছাত্রছাত্রীদের বর্তমান যুগোপযোগী শিক্ষা পরিবেশ অনুযায়ী ড়ঁঃপড়সব নধংবফ ঃবধপযরহম ষবধৎহরহম চালু হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্স ইতোমধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কন্সটিটিউট ইনস্টিটিউট হিসেবে ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমেদের নেতৃত্বে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন এন্টারপ্রাইজ ডেভেলপমেন্ট চালু করেছেন। ইতোমধ্যে আবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে আপাতত, মাস্টার্স ইন এন্ট্রিপ্রিনিউরিয়াল ইকোনমিক্স চালুর অনুমতি চেয়েছে। আর আন্ডারগ্র্যাজুয়েট পর্যায়ে ব্যাচালর ইন এন্ট্রিপ্রিনিউরিয়াল ইকোনমিক্স চালুর অনুমতি চাওয়ার অপেক্ষায় আছে। এ বিষয়ে অবশ্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিবেচনা করে দেখছেন। তবে প্রধানমন্ত্রী দেশের মানুষের কথা ভেবে এ ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে ‘চাকরি করব না, চাকরি দেব;, কিংবা ‘চাকরি করলে উদ্যোমী ও উদ্যোগী হয়ে উঠব’ তা বাস্তবায়নে ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্স সবসময়েই ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমেদের নেতৃত্বে কাজ করে চলেছে। ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্সের সঙ্গে বিশ্ব ভারতীয় সড়ঁ সাইন হতে যাচ্ছে। মনে পড়ে আমি যখন থাইল্যান্ডের নারিসায়ান বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বাংলাদেশে উদ্যোক্তা ব্যবস্থাপনার কার্যকরণ’ সম্পর্কে পোস্ট ডক্টরেট করার গবেষণা প্রস্তাবনা জমা দেই, তখন আমাকে প্রশ্ন করা হয়েছিলÑ তুমি কি কারণে এ বিষয়ে পোস্ট ডক্টরেট করতে চাচ্ছ? আমার সোজাসাপ্টা প্রশ্নের উত্তর ছিল, আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী চান উদ্যোক্তা তৈরির মাধ্যমে কর্ম উপযোগী প্রবৃদ্ধি সহায়ক উন্নয়ন হোক। তাঁর আবারও প্রশ্ন ছিলোÑ তুমি কি মনে করো, তোমার দেশে উদ্যোক্তা তৈরির ক্ষেত্রে সহায়তা পাবে? আমি গবেষণার প্রস্তাবনা জমা দিয়ে এসে দেশে একটি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্ডার গ্র্যাজুয়েট লেভেলে প্রোগ্রামটির কোর্ডিনেশর দায়িত্ব নেই। একজন প্রবীণ অধ্যাপক বিএনপি ঘরানার পলিটিক্স আর গ-গোল লাগিয়ে দিল। তবে এখন ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্সে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন এন্টারপ্রাইজ ডেভেলপমেন্ট কার্যক্রমটি সাফল্যের সঙ্গে করতে পারছি। আশা আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদনক্রমে মাস্টার্স প্রোগ্রাম এবং পরে ব্যাচেলর প্রোগ্রাম ইন এন্ট্রিপ্রিনিউরাল ইকোনমিক্স পর্যায়ক্রমে চালু হলে প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছার বাস্তবায়িত হবে। সরকার চানÑ দেশের মানুষের আয় প্রবাহ বাড়ুক, সঞ্চয়-বিনিয়োগে ভারসাম্য সৃষ্টি হবে এবং ধনী-দারিদ্র্যের বৈষম্য দূরীভূত হবে। ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্স প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্সের আদলে। এ প্রতিষ্ঠানে ধীরে ধীরে এমফিল-পিএইচডি ডিগ্রীর অনুমতি অর্থনীতির নানা বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দেয়া হলে অবশ্যই দেশে দক্ষ অর্থনীতিবিদের যে অভাব আছে তা দূরীভূত হবে। এখানে উদ্যোক্তা তৈরির জন্য পিকেএসএসের সহায়তায় ফিল্ড ট্রিপ, হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ আর ব্যবসায়ী-শিল্প উদ্যোক্তা-কৃষি উদ্যোক্তা ব্যাংকারদের বক্তৃতা বিপণন-ব্যবস্থাপনা কৌশল গেস্ট হিসেবে স্পেশাল টক দেয়া হচ্ছে। শিক্ষার মান উন্নত রাখার ক্ষেত্রে ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্স আপোসহীন। দীর্ঘ প্রত্যয় নিয়ে বর্তমান সরকার প্রধান স্বয়ং এটি প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন। একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর আওতায় উদ্যোক্তা তৈরি করা দরকার। হয়ত অনেকে বলবেন বিল গেটস হাইস্কুলের গ-ি পেরোননি, ডেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে ছেড়ে দিয়েছেন। কিন্তু যুগ পাল্টেছে। উদ্যোক্তা তৈরির ক্ষেত্রে উপযুক্ত শিক্ষা-প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। দেশে অবশ্য বর্তমানে আইএলও থেকে মাস্টার ট্রেনার তৈরি করা কাফম্যান প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা তৈরির কার্যক্রম, ওয়ানিদা ফাউন্ডেশন আবার উদ্যোক্তা তৈরির মডিউল নিয়ে এসেছে। উদ্যোক্তা তৈরি করার ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার গুরুত্ব অনুধাবন সর্বাগ্রে দেশের প্রধানমন্ত্রী অনুধাবন করেছিলেন। এক্ষণে বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন ছোট উদ্যোক্তা তৈরির জন্য অর্থায়ন করতে পারে। এটি বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সাহায্য-সহযোগিতা যে সে স্থান থেকে স্ট্রেটেজিক লিডার হিসেবে কাজ করছে তাদের পালন করতে হবে। দেশে প্রশিক্ষিত উদ্যোক্তা তৈরির বিকল্প নেই। নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও সরকার বিভিন্নভাবে শিক্ষার মান বৃদ্ধি ও কর্ম উপযোগী শিক্ষা পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। এক্ষেত্রে নিউক্লিয়াস হিসেবে উদ্যোক্তা তৈরির ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গীভূত প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঢাকা স্কুল অব ইকোনমিক্স দায়িত্ব পালন করতে পারে। বিদেশে দেখেছি স্কুল পর্যায়ে উদ্যোক্তা তৈরির পাঠ্যক্রম থাকে আবার বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়েও পাঠ্যক্রম এবং প্রোগ্রাম থাকে।


লেখক:
ড. মুহম্মদ মাহবুব আলী
শিক্ষাবিদ, অর্থনীতিবিদ, উদ্যোক্তা বিশেষজ্ঞ
pipulbd@gmail.com

Source: https://goo.gl/mMRNPN

8
5 Ultimate Tricks Of Using Social Media As Learning Tools


It’s no secret that our students spend most of their free time on social media websites. Teachers keep seeing their students with their phones, and we usually get frustrated by that habit. It’s time to start seeing things differently: Social media can be a useful tool to use for educational purposes. You constantly try to bring your teaching methods closer to the “real world”, so why don’t you use social media as learning tools and networks as the perfect chance to achieve that goal?

How To Use Social Media As Learning Tools

If you ask students who their favorite teacher is, they will probably name the one who’s constantly present on Facebook, answering their questions and posting links to content that makes learning fun. You can become that person if you start using social media as learning tools. Read on; we’ll show you 5 tricks that will reveal the new face of education thanks to Facebook, Twitter, and other platforms you can use.

1. Create a Facebook group for your class.


This is where the magic starts. Almost every teacher has created a Facebook group for their class, but not everyone knows how to use it. There are few ways you can put that group to good use:

Share something that will make your students laugh.
Post notes to remind your students about the instructions of important assignments, as well as the submission deadlines.
Encourage your students to post links to great online resources related to the curriculum. You can give extra points for this activity.
Set discussion topics every week. Think of a topic close to the most engaging lesson of the week, and invite everyone to discuss. You have to motivate the students to participate, so ask relaxed questions that will make them think, but won’t stress them out.
Allow and encourage the students to ask any question they have. If they don’t know how to handle the assignment, help them surpass the difficulties they face.
Discover motivational TED talks and post them in the group. There are many successful people who made progress because they had great goals and worked hard to achieve them. There is hardly a better motivator for learning than a great TED talk.
Constantly search for new online resources that make learning fun, and share the links in the group. Then, ask your students to watch/read/listen to those materials and share their opinions during class.

2. Use blogging for students’ homework assignments.


How about using blogging as a tool for homework assignment submission? Each student can have a personal blog where they will share book reviews, history research papers, and other assignments they usually submit in print. This is a much better option, since everyone will be able to see what the others have done with the topic, so the healthy competitive spirit will drive them forward.

When you assign team projects, you can ask several “bloggers” to collaborate within a group and publish different parts of the finished paper on each blog.

Of course, you should also have a blog. You can use it for posting discussion topics and inviting everyone to comment. In addition, you can post weekly updates for the lectures you just went through, so the students who missed the classes will keep up with the coursework.

3. Use Twitter for bringing fun into the classroom.


Most educators interested in introducing social media into the teaching processes are focused on Facebook. They perceive Twitter as a network that’s mostly used for fun. The fun aspect of Twitter is not necessarily a bad thing.

You can introduce a daily hashtag related to a certain topic you elaborated in class, and ask each student to discover a fun fact related to it. Then, they should post a tweet under that hashtag, and the entire class will follow the activity. This is a great way for the students to realize how the things they learn at school are being implemented in the real world. For example, you can set #spiders for a daily hashtag and start posting fun facts like no 2 #spider webs are the same. Then, ask your students to dig through online resources and discover their own fun facts about spiders. You can all discuss the information you find the next day in class.

Twitter is also a great place for you to get connected with other teachers. You can support each other and share tricks and resources that help you do your job.

4. Pinterest for pinning educational resources.


You know how hard it is to keep all important online content in the browser’s bookmarks. You keep losing the resources you need no matter how hard you try to organize the toolbar. Pinterest is a great platform for organizing educational resources. When you browse and locate something you could use – you just pin it in a board you created for the relevant category.

You can also use Pinterest as a search engine for educational content. Just write your topic in the search bar and you’ll discover some cool resources you can present in the classroom.

Needless to say, you can share the boards with your students, so they can explore them in their free time and expand the knowledge they gain in the classroom. Ask them to create their own boards with educational resources, so you’ll understand what each individual is mostly interested in. For example, one student will mostly pin resources from the area of history, and others will be interested in literature. From then on, you can encourage them to explore their strengths further.

5. Use YouTube for the flipped classroom concept.

This video sharing platform is a great option for introducing the flipped classroom concept into your teaching methods. You can share educational lectures and resources in video format, and expect your students to watch the material instead of writing homework. Then, you can discuss the lecture and do the homework in class.

This concept requires more work on your part, since you’ll have to record the lessons and edit the videos. However, you can substitute that effort by telling your students to view free educational videos that have been published by popular YouTubers.

Here is another way to become the coolest teacher at the school thanks to YouTube: tell your students to film themselves making presentations of the projects you assign, and then post the videos on the channel.

Social Media Platforms Are Useful When Teachers Know How To Use Them

The above-listed tips probably gave you a new perspective on the way you can use social media as learning tools that fit into your teaching methods. These activities will require you to invest some of your free time. Of course it’s easier to show up in the classroom, present the lecture and expect the students to do their part of the work.

However, the efforts you put into social media activity will yield great results. You’ll finally start seeing enthusiastic faces in the classroom, since your students will realize how fun learning can be. Start using social media platforms as learning tools, and you’ll soon notice you’re making a big difference into the way your students perceive education.

Source: https://elearningindustry.com/5-ultimate-tricks-using-social-media-learning-tools

9
DIU Chairman Begins New Trend in Entrepreneurship as A Course Teacher

To equip students of Department of Entrepreneurship with true motivation, guidelines and career solution and to share the secrets of  real life learning and experience, Mr. Md. Sabur Khan, Chairman, DIU introduced himself as the Course Teacher of the course titled “Entrepreneurship in Action” which is offered in  this semester to the students of Department of Entrepreneurship. The Chairman himself designed the course curriculum of this 06 credit course offered in the Department of Entrepreneurship in Summer 2017 trimester. The first daylong session of the course, which was totally interactive and participative in nature, was held at the Permanent Campus on 16th May 2017. Due to the dynamic style of teaching, students enjoyed a lot and they learned with joy. It helped them to keep their concentration and spirit up till the evening without monotony.

In his vibrant lecture, Mr. Khan mentored different tips and techniques of entrepreneurship to the students that spirited them and made their whole day meaningful and educative with interaction and question answering. Some of his teaching secrets he applied, that can bring a radical change to a student’s learning process, and also can establish effective new model for teachers and students.

Mr. Md. Sabur Khan's teaching model comprised of: proper pre-work before taking class, to the point discussion according to topic, case study and practical examples, listening quality of the teacher, solving student’s problem through note taking, personal profiling by the teacher, let the students to speak out their problem/ questions (make them extrovert), get students feedback and teach them how to solve their problem positively by their own, answering questions, give mentor’s guideline, motivation, building team spirit, techniques to capitalize a teachers’ expertise by the students properly, no traditional ppt and copy-pasted information while conducting lecture, practical course materials, instant problem solving through sharing, process to achieve subject based knowledge, etc.
 
It is the first time he has introduced himself in Bangladesh to be an academician as a course teacher. Since beginning of his career, however, Mr. Khan contributed in thousands of public speaking, talk shows, interviews, training, career guideline sessions and mentorships. Praising teaching approach of DIU Chairman, Mr. Syed Maruf Reza, Head, Department of Entrepreneurship showed his confidence that, unique pedagogy style and new teaching trend set by the Chairman himself, will truly ensure learning of the students and should be replicated.
 
The text book of this course is “A Journey towards Entrepreneurship”, written and published by Mr. Md. Sabur Khan. He has written and published some other books on entrepreneurship based on his real life experience as an entrepreneur, such as: “Handbook of Entrepreneurship” and “Uddokta Unnoyon Nirdeshika”. His other book “Art of Living” is presently run in the academic curriculum in the university as a mandatory course for all the students. Mr. Md. Sabur Khan has been the visiting professor in some foreign universities.

10
Facebook / Suddenly Facebook your account blocked???
« on: April 16, 2017, 12:31:46 PM »
হঠাৎ বন্ধ ফেসবুক অ্যাকাউন্ট?

বাংলাদেশে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের অনেকেই আজ শনিবার সকাল থেকে তাদের অ্যাকাউন্ট বন্ধ পাচ্ছেন। হঠাৎ এ অবস্থার মধ্যে পড়ে অনেকেই অবাক হয়েছেন।

এখন বন্ধ হওয়া অ্যাকাউন্ট চালু করতে যাচাই (ভেরিফিকেশন) প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে বলছে ফেসবুক। জাতীয় পরিচয়পত্র, মেইল ঠিকানা ও অ্যাকাউন্ট নাম ফেসবুকের কাছে পাঠিয়ে তা পর্যালোচনার জন্য জমা দিতে বলা হচ্ছে। হেল্প সেন্টারে গিয়ে ‘সাবমিট অ্যান আপিল’ লিংকে ক্লিক করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিলে তা পর্যবেক্ষণে রাখছে ফেসবুক।

ফেসবুক সিকিউরিটি টিমের এক পোস্টে বলা হয়েছে, ভুয়া অ্যাকাউন্ট ঠেকানোর কার্যকর উপায় হিসেবে উন্নত ব্যবস্থা নিয়েছে ফেসবুক। এ ক্ষেত্রটিকে উন্নত করলে ফেসবুক কমিউনিটি উন্নত হবে। এটা বিজ্ঞাপনদাতা, প্রকাশক, সহযোগীসহ সবার কাজে আসবে।

ছয় মাস ধরে চলা ‘স্প্যাম অপারেশনের’ একটি নতুন পদক্ষেপ আজ শনিবার গ্রহণ করার কথা বলেছে ফেসবুক। ফেসবুকের প্রটেক্ট অ্যান্ড কেয়ার টিমের কারিগরি প্রোগ্রাম ব্যবস্থাপক শবনম শেখ এক ব্লগ পোস্টে বলেছেন, বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরবসহ অন্য কয়েকটি দেশ থেকে আসা ভুয়া লাইক ও মন্তব্য ঠেকাতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দেখা গেছে, অ্যাকাউন্ট তৈরির পরিবর্তে যৌথভাবে লাইক সংগ্রহ করার নেটওয়ার্ক পরিচালনা করা হয়। প্রক্সি ব্যবহার করে অবস্থান লুকানো হয়।

ফেসবুক দাবি করেছে, তাদের সিস্টেম অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত বিশাল একটি গ্রুপকে শনাক্ত করেছে এবং বিশাল ভুয়া লাইক সরিয়ে ফেলেছে। তারা সহযোগীদের কাছ থেকেও সন্দেহজনক কার্যক্রমে যুক্ত অ্যাকাউন্ট শনাক্তে সাহায্য পেয়েছে। ভুয়া অ্যাকাউন্ট সরানোয় যেসব পেজে ১০ হাজারের বেশি লাইক আছে, তাতে ৩ শতাংশ লাইক কমবে।

সন্দেহজনক কর্মসূচিতে বাধা দেওয়ায় এই স্প্যামার নেটওয়ার্ককে প্রতিরোধ করা যাবে বলে মনে করছে ফেসবুক। ফেসবুক নিরাপদ রাখতে ভুয়া লাইক আরও দ্রুত শনাক্ত করা এবং ফেসবুক নিরাপদ রাখার কথা বলছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। তথ্যসূত্র : ফেসবুক

Source: https://goo.gl/90w0XF

11
Facebook / Action agaist fake facebok account
« on: April 16, 2017, 12:29:07 PM »
ফেসবুকে ভুয়া অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। ভুয়া অ্যাকাউন্ট বাছাই করতে ওই অ্যাকাউন্টের আচরণ পর্যবেক্ষণ করবে ফেসবুক।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ব্যবহারকারীর আচরণ বিশ্লেষণ করে অ্যাকাউন্ট মুছে দেওয়া বা নিষ্ক্রিয় করার মতো পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলছে ফেসবুক।
গত বুধবার ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলেছে, ভুয়া অ্যাকাউন্ট বাছাই করতে শুরু করেছে তারা। ফেসবুকে একই পোস্ট বারবার দেওয়া, বার্তা দিয়ে বিরক্ত করার মতো সন্দেহজনক আচরণ পর্যবেক্ষণ করবে ফেসবুক।

ফেসবুকের ভাষ্য, নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নত করার প্রক্রিয়াটি হোক্স (প্রতারণা), ভুল তথ্য, ভুয়া খবর ঠেকানোর বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ।

ফেসবুকের সুরক্ষা টিমের সদস্য শবনম শেখ এক ব্লগ পোস্টে বলেছেন, ‘ফেসবুকে যখন কেউ নিজের প্রতিনিধিত্ব করেন, তখন তিনি বাস্তব জীবনের মতো দায়িত্বশীলতা দেখান। ভুয়া অ্যাকাউন্টে এ নিয়ম মানা হয় না। এখান থেকে স্প্যাম ছড়ায়।’

এ রকম ভুয়া অ্যাকাউন্ট পেলে তা বন্ধ করা হবে এবং অ্যাকাউন্টধারীকে তাঁদের পরিচয় শনাক্ত করতে বলা হবে। এতে স্ক্যামাররা ধরা খাবে। ফেসবুক কর্তৃপক্ষ বলছে, পরিবর্তন আনলে অনিশ্চিত উৎস থেকে ছড়ানো তথ্য, স্প্যাম, ভুয়া খবর ঠেকানো যাবে। প্রতারণামূলক বা ছদ্মবেশী অ্যাকাউন্টগুলোকে কমানো যাবে।

ভুয়া খবর ছড়ানো নিয়ে সমালোচনার মুখে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে ফেসবুক। এর মধ্যে আছে ভুয়া খবরের বিরুদ্ধে সহজে অভিযোগ দেওয়া এবং এ ধরনের খবর ছড়িয়ে অর্থ আয় রোধ করার মতো পদক্ষেপ।

এ ছাড়া ট্রেন্ডিং টপিক দেখানোর বিষয়টিতেও পরিবর্তন এনেছে ফেসবুক।

২০১৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় ফেসবুকে ভুয়া খবর ছড়ানোয় নির্বাচনে তার প্রভাব পড়ে। এতে সমালোচনার মুখে পড়তে হয় ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গকে।

ফেসবুক কর্তৃপক্ষ সম্প্রতি ফেসবুক, মেসেঞ্জার ও ইনস্টাগ্রামে ‘রিভেঞ্জ পর্ন’ ঠেকাতে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে। এ ছাড়া ফেসবুকে অনুমতি ছাড়া ছবি শেয়ার ঠেকাতেও ব্যবস্থা নিচ্ছে।

তথ্যসূত্র: এএফপি।

Source: https://goo.gl/YQsw7p

12
Science Discussion Forum / Digital Transformation
« on: March 25, 2017, 12:28:12 PM »
Digital Transformation:
Enabling Principle Recommendations for Digital Transformation

WITSA is pleased to provide its members and stakeholders with policy/principle papers on critically important policy and relevant issues to support the growth ICT’s industry globally and in keeping with its vision of Fulfilling the Promise of the Digital Age. WITSA recognizes that the pace of ICT adoption, value and appreciation varies from nation to nation and that only when everyone on earth benefits for ICT’s will WITSA’s vision be fulfilled.

“Digital transformation provides the ICT industry with unparalleled opportunities for value creation to benefit the global society.   “
Mr. R. Chandrasekhar, Chairman, WITSA Global Public Policy
President, Indian National Association of Software and Service Companies (NASSCOM)

WHAT IS DIGITAL TRANSFORMATION

Digital transformation is part of a larger technological process[1] (see below), and is the change associated with the application of digital technology in all aspects of human society.[2] Digital transformation may be thought of as the third stage of embracing digital technologies: digital competence → digital usage → digital transformation, with usage and transformative ability informing digital literacy. The transformation stage means that digital usages inherently enable new types of innovation and creativity in a particular domain, rather than simply enhance and support the traditional methods.[3] From Wikipedia, the free encyclopedia.

ABOUT WITSA
WITSA is a global consortium of leading ICT industry association members from over 80 countries/economies.
As the leading recognized voice of the global ICT industry, WITSA aims to drive transformation and grow the industry, given that ICT is the key driver of the global economy:
WITSA’s members and stakeholders comprise national associations, multinational corporations, institutions and organizations, researchers, developers, manufacturers, software developers, telecommunication companies, suppliers, trainers and integrators of ICT goods and services.  As such, they represent a large and obviously vital constituent group for whom the effective balancing of concerns and rights affecting the security, privacy and information capability provided by ICT products and services underpins business development and economic activity.

Digital transformation is underway but not fully understood
Rapid advances in digital technology are redefining our world. The plummeting cost of advanced technologies is revolutionizing businesses, industries, governments and society. And the ‘combinatorial’ effects of these technologies – mobile, cloud, artificial intelligence, sensors and analytics among others – is accelerating progress exponentially. Digital transformation provides users with unparalleled opportunities for value creation. Digital technologies are creating new profit pools by transforming customer expectations and how companies can address them. At the same time, digitalization could produce benefits for society that equal, or even surpass, the value created for industry – the mass adoption of autonomous vehicles and usage-based car insurance, for instance, could save up to 1 million lives by 2025.

At present, digital transformation is not well understood fostering a number of myths that are obscuring the path to realizing its potential for value creation. Action will be needed to maximize benefits. There are however, clear examples of where Digital Transformation is taking hold. This paper will highlight these examples to provide the reader with how the world we know is changing before our eyes.

It is only the beginning!  Much of the future evolution of transformation will rest on the ICT industry working with its customers to include governments as well as entrepreneurs and innovators.

Digital Transformation can address global challenges
The importance of realizing the combined value of digital transformation cannot be overstated, given digitization’s central role in tackling many of the challenges we face today. The world’s energy and natural resource usage is unsustainable. Further increases in life expectancy are at risk without resolving the growing cost structures of overburdened health systems. Low birth rates coupled with high youth unemployment and the trend toward national protectionism are undercurrents belying the need to transform businesses, industries, governments and society.

Benefits of Transformation are not Guaranteed
Yet the benefits of digitalization will not accrue automatically and there is a risk that the promise of digital transformation will go unfulfilled.

Digital Transformation taking hold

Internet of Things (IoT)
We live in a world where physical objects in the industrial, mobile, and home domains are increasingly being transformed from isolated systems to networked Internet-enabled devices that can communicate with each other and the cloud. This is called the Internet of Things (IoT). As society enables more and more of these “intelligent” connected inputs, companies are creating new types of revolutionary applications and services in sectors ranging from manufacturing to utilities, smart building to smart home, transportation to health care, and retail to agriculture. This extraordinary development has the potential to transform previously standalone systems into integrated networks that leverage greater computer capabilities and data analytics to increase efficiencies and productivity, address important societal challenges, and create jobs in a global new economy which is expected to grow to more than $2 trillion by 2025.

To ensure that the IoT is capable of delivering on its greatest positive potential, WITSA urges collaboration among all stakeholders, including the private and public sectors across industries to advance the following principles:

IOT Principles

•   Investing in Internet infrastructure. Robust broadband networks are essential to realizing the full potential of the IoT. Ubiquitous, affordable, high-speed broadband connections are critical to ensuring that consumers, as well as the public and private sectors, are able to derive the countless benefits that the IoT will offer. Given the diversity of requirements for the breadth of IoT products and services, governments should prioritize harmonized and efficient spectrum management in general, rather than IoT-specific regulation or allocations. Effective spectrum management will encompass licensed, unlicensed and licensed shared access regimes to enable the diversity of requirements for IoT products and services.

•   Enabling interoperability for global adoption and integration. Systems of intelligent devices must be connected to each other or the network, often across geographic boundaries, to maximize the potential of the IoT. To enable broad adoption of IoT technologies and avoid IoT silos, attention must be placed on ease of connectivity and interoperability of IoT devices, platforms, and infrastructure, as well as streamlined cross-border data flow.

•   Promoting voluntary, open participation, industry-led, consensus-based global standards and best practices. The private sector should lead the development of open standards that enable interoperability across the IoT, and partner with the public sector to encourage the sharing of best practices. Global standards can accelerate adoption, drive competition, and enable the cost-effective introduction of new technologies. They also can promote industry innovation and establish a better-defined technology evolution path.

•   Integrating privacy and security from the outset. To motivate IoT adoption, applications must evoke trust through hardened privacy and security solutions, looking to widely accepted best practices as well as novel considerations. Most importantly, privacy and security must be designed into IoT systems at the outset using best known Privacy-by-Design and privacy engineering approaches, which contemplate the varying objectives and risks for different IoT solutions.

•   Acknowledging unknowns. The Internet has transformed the world in ways we could never have dreamed possible, and the IoT is expected to have an even greater transformative impact. Like the Internet in the early 1990s, the IoT is in its very nascent stages. There are limitless possibilities and many unknowns. Therefore, we must evaluate existing policy tools (policy tools or polices and regulations?  and use caution before adopting new laws or regulations that may inadvertently or unnecessarily impede the IoT.

•   Leveraging public-private partnerships. Strategic national IoT plans and funding, which encourage public-private partnerships (PPPs), will accelerate IoT adoption and result in vast economic and societal benefits from the IoT in both the near- and long-term. Successful PPPs will make IoT deployments an attractive investment for government and industry, and promote innovation, scalability, and sustainability. By leveraging PPPs, we can expedite IoT research and development and our global IoT leadership.

Digital Transformation and Urban Population Boom
Towards the end of the last decade, our planet achieved two remarkable feats. First, the world population surpassed seven billion and for the first time, 50 percent of the all humans were living in urban areas. This is expected to rise to 60 percent before 2025, worldwide with the Western, developed world approaching 80 percent urbanization during the same time period.

As the global trend towards global urbanization continues, it becomes increasingly important to make cities eco-friendly, people friendly, efficient and business friendly. Many cities are already spending vast amounts of resources on smart governance, smart energy, smart building, smart mobility, smart infrastructure, smart technology, smart healthcare and smart citizen. As a case in point, Frost & Sullivan expects Smart Cities to be a $1.5 trillion market by 2020 , with multiple opportunities to tap into infrastructure development, technology integration and energy and security services. In India, Prime Minister Narendra Modi envisions building at least 100 smart cities, in part as a response to China’s focus on smart cities as a key component of its grand urban plan.

The digital revolution that has manifested itself in modern times has made possible the construction of entirely new cities with buildings having automatic climate control and computerized access; roads and water, waste and electricity systems saturated with electronic sensors enabling the cities to track and respond to the movement of residents. And although this sounds very attractive, developing a smart city brings a lot of challenges. The availability of data on massive scales calls into questions important societal aspects regarding security and safety of citizens, individual rights to privacy, and vulnerabilities of critical infrastructure to hacking as well as human error and technology malfunctions. Furthermore, competing visions of the smart city are proxies for competing visions of society, and in particular about who holds power in society.

Recommended Principals for Urban Areas (Smart Cities)

The following are WITSA’s policy principles and recommendations for building the “smartest” cities as we enter the third stage of the digital revolution:

1.   Leaders should focus on the purpose of improving their city’s productivity and competitiveness, and its citizens’ and visitors’ wellbeing when designing and implementing a Smart City initiative.

2.   Government leaders should embrace the concept of making their cities “smart,” not as a waning fad but as a driver for prosperity in the 21st Century in order to maximize the use of ICT to benefit their societies.

3.   Academic, public and private sectors need to join as partners in the exploration, planning and implementation of Smart City technology, infrastructure and digital services.

4.   Cities need also to invest in innovation and new ICT networks with high-speed broadband connections to underpin information flows and to boost city economies.

5.   Cities need to improve the management of large data infrastructures with the aim of achieving real-time governance of increasingly automated processes in cities, establishing a proactive model for public data, and evolving the level of services provided to businesses and individuals.

6.   When designing any and all aspects of Smart Cities the citizen must be at the center of all planning.

7.   Government and industry must respect that at the core of Smart Cities are sustainable, nonpolluting technical solutions.

8.   Governments are advised to seek best practices around the globe in order to avoid waste and errors.

The Future of Work
Work in the future will be driven by new generations of workers, rapid and unpredictable technological changes, competition for intellectual capital, enormous amounts of look or whether it will continually evolve.   Employees will be measured on their productivity more than ever.  People will not need to have offices to perform work.  Virtual teams will be assembled and dismantled when work is completed.   Educational requirements will change.  Some work will be on demand, virtually outsourced and worked on 24 hours a day.  Today the Digital Age holds great promise for creating new job opportunities for some who have been left out of the equation.  The real questions are-Will the future of work hold promise for everyone?  If not, who will be left behind?

Just as people did two centuries ago, many fear that machines will make millions of workers redundant, causing inequality and unrest. Such concerns have been prompted by astonishing recent progress in artificial intelligence (AI), enabling increasingly sophisticated machine-to-machine (M2M) autonomous operations enabled through deep learning.  In 2015 a record $8.5 billion was spent on AI companies, nearly four times as much as in 2010, according to Quid, a data-analysis company. The idea that manual work can be carried out by machines is already familiar; now ever-smarter machines can perform tasks done by information workers, too. A widely-publicized 2013 study found that 47 percent of jobs in the U.S. are at risk from technology over the next 20 years . And while it is easy to see fields in which automation might do away with the need for human labor, it is less obvious where technology might create new jobs.

The future workspace is going to be characterized by a lot more specialization, and goes beyond just skills and talent. Digital transformation will not likely cause mass unemployment, but it will speed up the existing trend of computer-related automation, disrupting labor markets just as technological change has done before, and requiring workers to learn new skills more quickly than in the past. In addition to the recommendations and findings published in our December 2016 paper, “The Global Skills Gap and the Changing Nature of Work and their Impact on the Digital Age ” the following are WITSA’s recommendations and principles on how to maximize the use of and value of human capital in the digital age:

Recommended Principles
1.   Embrace Innovation: Governments must fully embrace innovation as essential for business and society as a whole, reducing costs, resulting in greater prosperity, growth and competitiveness.

2.   Treat Humans as an Asset: Industry must realize that while technology innovations will increasingly enable businesses to replace people with robots, industry can earn money not only by reducing costs, but also by raising value of people. There’s a huge untapped resource: There are 5 billion adults on the planet, but only 3 billion workers generating a market value on the order of $100 trillion per year (GDP). However, only 200 million out of the global workforce like their jobs. The economy is not just about money, but about human values – Industry must capitalize on that. It is essential for governments and businesses to get together to figure out how to use innovations and technology to increase the value of humans in the workplace

3.   Match Skills with Jobs of the Future: Governments, industry and academia must come together to better match the 5 billion potential workers’ skills and needs to jobs that are in demand. The increased value creation would be tremendous. This is the untapped market and meaningful work is a very important social objective which technology innovation can help fulfill

4.   Use Technology to Integrate Underserved Populations into the Workforce: Undervalued people, such as women, often don’t obtain satisfying work. People with disabilities are often left out of the job market despite many having valuable special abilities. Technology can help integrate these segments into the job market with meaningful work though innovation and better matching of work to skills.
5.   Embrace Artificial Intelligence (AI): Leaders must realize that AI can have a positive impact on the future of work. Done right, A.I. should be viewed as an opportunity to apply assistive technology, not a threat.

6.   Smart Investments with Social Focus: Investments should be prioritized in technology that brings people closer together, enabling people to find new things or services that we desire from each other.

Trust, Security, and Privacy in a Transforming World
Digital technology has changed our society in an appreciable way.  Digital transformation affects neatly every aspect of business and government operations.  Even software development is being digitally transformed. With Transformation comes  new trust, security and privacy challenges: In IoT and digital transformation, organizations have to deal with more identities and relations than ever before. The attack surface increases constantly every day.

ICT provides the world with tremendous benefits, but with those benefits the shadowy underground looks to undermine many of them.  In addition to threatening benefits they threaten governments, businesses, individuals, institutions, information and data as well as just about all other aspects of the Digital Age.  As technology innovations continue to change and add value new threats rise with them.  The following actions must be taken to reduce current and future risks.

Recommended Security Principles for Transformation
1.   Innovation Come with Risks: Government and industry leaders must come together to address the new threats which follow all technical innovations. Most of the attacks have financial causes. With the era of Internet of Things upon us, a whole new world of opportunities for hackers emerge, impacting cars, home, hospitals and other critical resources. With the rapidly changing technology landscape, sound policy making can only be achiever when industry and governments address these risks jointly.

2.   Businesses and organizations must be committed to ongoing enterprise assessment – Regular technical evaluation and monitoring of the network, devices and the efficacy of tools should be conducted to reduce risk to business operations. 

3.   Businesses must also have a risk-based approach centered around their key assets and focus not just on prevention, but also on their sustainability after inevitable attacks. 

4.   Businesses must define their “risk appetite” – assess the risks they are willing to take and allocate the necessary resources accordingly. However, businesses are failing at the basics now; most don’t have a thorough risk assessment, and often are not aware of all their critical assets.

5.   Harmonization of Regulations Across Borders: Harmonization of regulations across borders will be key to combatting cyber-security threats in the future.

6.   Renewed Focus on Public/Private Partnerships: The key to resilience is more partnering among industry, sharing risk assessments as well as experiences, and sound policy can only be achieved through more public/private partnerships.

7.   Businesses and organizations must focus on corporate governance and work culture – Addressing the human elements of cybersecurity remains a key challenge.  The cybersecurity culture of an organization is reflected in the establishment of clear roles/responsibilities as well as promulgation of information security policies and practices across the enterprise.  Cyber training at all levels of the organization is vital to these efforts and the health of the cyber culture.

8.   Measure progress and maturity – The establishment of enterprise metrics is critical to a culture that values continuous improvement against expanding and evolving threats.  Metrics should be applied to human-oriented programs such as testing and training as well as to technical operations and technologies.

Mobility: Transitioning from tech-assisted to tech-driven transportation
For better or for worse, mobility has surged to the top of the political agenda as an increasing number of people become urban dwellers: for the first time in history more than 50 percent of the world's population live in urban areas; by 2050, about 70 percent of people are likely to be city dwellers, compared with less than 30 percent in 1950. Furthermore, there is a strong relationship between transportation and social mobility. Our life opportunities depend on amount of time spend for commuting to school or work.

Experience tells us that technology will always find solutions to the challenges it raised. Connected and autonomous cars are a case in point: the increasing number of vehicles on roads spread congestion and pollution.  Digital Transformation has enabled navigation via GPS and soon via connected and autonomous cars will ease these problems considerably by improving interaction between both dynamic (other vehicles) and static (infrastructures) environments. This transformation of mobility will lead to fewer cars on the roads and more people in each car (e.g. though urban and long-distance car-pooling). This value proposition has proved appealing not only to users and travelers but also to ecology-conscious governments or those eager to improve public health.

Recommended Principles for Future Mobility

•   Industry must aid governments in dispelling myths and encouraging sound policy making: Policies that encourage innovation, competition, and private investment are essential for transportation technologies to realize their maximum economic and societal benefits and be broadly available in a timely and globally competitive manner. Nevertheless, ICT-powered mobility is both an opportunity for users and a perceived threat to government’s traditional policies. Thus, policy makers are not likely to embrace innovation in transformative transportation technologies unless their reservations are mitigated through well-informed assurances by industry that encourages safe and sound implementation of new technologies. Sometimes it is more of an administrative burden than an actual threat: government bureaucracies often are stretched to the limit when multiple agencies and departments need to work together with time constraints.

•   Removing barriers and encouraging a market-driving approach to policy: Innovation and market competition rather than regulation should be prioritized. Technology advancements that can save lives, improve transportation efficiency, and reduce harmful emissions will emerge faster than government policies and regulations often permit. Government will need to more aggressively remove such barriers.

•   One size does not fit all: As in other areas, governments and industry must realign objectives by working together and not treat each other as adversaries at to the detriment of citizens and consumers. Though most policy makers are inclined to support innovation and disruption, they must understand that one size will never fit all. Governments should pursue technology-neutral regulatory frameworks to enable creative ICT innovation; and Industry-led, voluntary global standards to accelerate adoption, drive competition, and enable cost-effective introduction of new technologies, while providing a clearer technology evolution path that stimulates investment.

•   New private-public partnerships for transportation innovation across the automotive, transportation, and ICT sectors. The ICT sector is a primary driver and stakeholder in the future of any country’s success. Emerging automotive and transportation technology innovations offer new partnership opportunities for saving lives and improving urban planning and traffic congestion, while also improving fuel economy and reducing harmful emissions. Government should engage the ICT sector as a priority partner and help incent the ICT sector to deliver the technological transportation breakthroughs of tomorrow. Governments should also partner with industry to help address the distinct security challenges of connected vehicle technologies, harnessing appropriate technical and policy strategies to mitigate risks and enable safe, secure, trusted vehicles, while also protecting personal, commercial, and proprietary data from misuse.

•   Research and deployment of advanced ICT-enabled vehicular technologies should be accelerated to save lives, improve quality of life, improve personal and commercial goods mobility, and help address our nation’s current and future infrastructure, environmental, and economic challenges

•   Government signals impact investment in transformative technologies: Governments who fail to embrace new technologies and disruption, not only risk stifling innovation through outdated policies, but also discourage investors as they try to determine where they want to invest, how much and when. Policy solutions, such as treating mobility as a service, should be adopted in order to break away from a legacy measure that sends the wrong signal.

•   A need for trust and cultural change: In addition to political will, leadership is needed to facilitate behavioral change among citizens. Trust is key to the adoption of any and all new disruptive technologies and policy-makers must by adept at making the most of ICT to overcome current challenges just as they have done repeatedly during previous eras of disruptive transformation.

•   Release of open traffic data to the public. Greater public availability of traffic information and open transportation-related data will help stimulate innovative new services and products for enhancing safety, fuel efficiency, and quality of life.

Innovation-The heart of transformation
Businesses have always changed—in reaction to changes in the marketplace or in capabilities. But digital transformation presents a new set of challenges that traditional approaches to transformation cannot address. In this regard, innovation has become a key priority in digital transformation efforts. Innovation tops digital transformation initiatives in most societies  today. The following are some recommended policy principles that need to be take in order to ensure that innovation is stimulated rather than discouraged:

Recommended Principles for Innovation

1.   Fostering a Risk-Enabled Culture: Countries interested in fostering innovations need to understand that innovations depend on a number of factors to include instilling a culture which recognizes that failure is most times a prerequisite to success-not a career-ending endeavor. In an ideal innovation ecosystem, entrepreneurship is encouraged, failure is accepted, finances are available, mentorships are employed and educational and business resources are in place. Even when these elements are in place, 90% of startups fail, but the macroeconomic benefits of startups, both failed and successful, to the local and global economy – and especially to the IT sector – are indisputable.

2.   Developing the Local Innovation Ecosystem: The success of innovations often depends on the strength and development of the local innovation ecosystem. In areas without innovation ecosystems, building and supporting the ecosystem is a government responsibility. Public-Private Partnerships (PPPs) as government tools effectively build ecosystems from scratch in a short period of time. Although complex to design and operate, innovation PPPs have proven successful in ecosystems around the world.

3.   Innovation Requires Political Backing and Transparency: The success of public-private innovation initiatives depends on many factors, including but not limited to:
a.   Sustainability: Innovation PPPs, however, must be backed with sufficient political will to be sustained over the long-term, regardless of external pressures.
b.   Simple and transparent operation: It is very important for the partnership to be as simple and transparent as possible. In an effective PPP, the private sector drives economic growth, but can only do so if the partnership is managed simply and transparently.

4.   Innovation is Mobile and Borderless: All players in an ecosystem must understand the fundamental dynamics of innovation, namely that innovation is inherently mobile and borderless. The public sector, academia, and industry should understand that the flow of people and information within the ecosystem is highly beneficial to all players. Technology transfer should be encouraged and facilitated, and communication across the ecosystem should be emphasized.

5.   Awareness is a critical component of fostering innovation. Key aspects of awareness include:
a.   Awareness of the potential of entrepreneurship and the possibility of a career as an entrepreneur
b.   Awareness of the existence of local startups and willingness within industry, academia, and government to partner with or provide services to them.
c.   Awareness of the micro and macroeconomic benefits of a local knowledge economy

6.   Governments Must Avoid Unreasonable or Excessive Bureaucracy: Certain legal and regulatory conditions must exist to facilitate entrepreneurship. These include the ability to open a new company relatively quickly and to close a failed company without placing unreasonable burden on entrepreneurs. Unreasonable or excessive bureaucracy discourages innovation and entrepreneurship.

7.   Invest in R&D to enable innovation: Governments should put a strong focus on leveraging investments in innovative products and services. Investment-based policies and regulations must include a solid digital component, as ICT and ICT infrastructure is at the heart of growing countries innovation capacity in the digital age. Governments must ensure that digital innovation will represent an important percentage of the total projects to be funded.

8.   Improve R&D funding rules: Governments should pursue policies which encourage open access to research data. However, care should be taken not to make open access to research data mandatory and it is paramount that any provisions around open access be balanced and incentive-based as mandated policies can often have a detrimental impact on businesses and their appetite for undertaking innovative projects as a result.


CALL TO ACTION
In recent years, we have seen incredible technological advances through the internet, mobile broadband and devices, artificial intelligence, robotics, advanced materials, improvements in energy efficiency and personalized medicine. Without action and collaboration, however, digital transformation will not by itself, lead to broadly shared prosperity and growth. WITSA calls on its members to engage with their national governments, taking into account the policy principles identified in this paper, to ensure that the digital transformation will be a powerful force for the common good, valuing humans as an asset in the jobs market, fostering trust and security as well as driving businesses to create products that consumers rave about.


Further Reading
•   Moving on : transitioning from tech-assisted to tech-driven transportation (DIGITALEUROPE)
•   Enabling a digitally-powered Single Market and prioritizing Innovation (DIGITALEUROPE)
•   2016 State of Digital Transformation  (Huffington Post)
•   Intelligent Transportation Technology Policy Principles (ITI)
•   Internet of Things Opportunity for Public/Private Collaboration (ITI)
•   An introduction to the Digital Transformation of Industries initiative (World Economic Forum)
•   Smart Cities - A $1.5 Trillion Market Opportunity (Frost & Sullivan 2014)
•   Oxford Martin School: The Future of Employment: How susceptible are jobs to computerization; Sept. 2013

Source: World Information Technology And Services Alliance (WITSA)

13
Career Advice / 6 Ways to Sharpen Your Everyday Negotiations Skills
« on: February 16, 2017, 10:41:56 AM »
6 Ways to Sharpen Your Everyday Negotiations Skills


People are often surprised, and a little intimidated, when they learn that my research expertise is in negotiations. They remark, “but you are so personable … transparent… straightforward.” And I think, “It’s too bad that’s a surprise. . .”

This is probably because most people think of negotiators, and by extension negotiations, as showy and cut-throat, a game where one side wins and the other loses. So it’s not surprising that many people dread having to negotiate, whether for a car, a house, a new job or a business.

But I see negotiation from another lens, as part of every social interaction. We are all different. That’s what makes life wonderful. So, in order to live and work together, we need to learn to resolve our differences in productive, generative ways. That’s what great leaders do.

As a social scientist, I’m fascinated by how people think and act in reaching agreement (or not). Everyday people resolve differences in many ways – both explicitly and implicitly. Whether it is a non-verbal understanding of who will walk through the door first; a breakfast dialogue to decide what a family will eat for dinner; the ebb and flow of a deep problem-solving discussion at work; or who gets credit for ideas and who gets a bigger bonus. The list goes on and on, ranging from mundane to monumental.

From all my years of studying and practicing negotiation, here are my six favorite tips. The first three can equip anyone to be a better negotiator. The second three are for those who want a bit more nuance.

The basics: 

1)    Know what you want. There’s nothing more frustrating than trying to negotiate with someone who doesn’t know what they want. They either can’t agree, or they just keep changing their minds. The most successful negotiators start with self-awareness, figuring out what they most want, prioritizing that, and deciding what they can live without. No one gets everything they want in life, but to paraphrase the Rolling Stones: if you try, you can get what you need.

2)    Do your homework. If a negotiation really matters to you, you need to know all you can about the other parties involved – their experiences, values, networks. People are flattered when you’ve taken the time to do your research on them, and it saves you from making the wrong assumptions about how they operate. You also need to know what’s possible (and not) from a market perspective. For example, you may think your house is the most beautiful in town or that you deserve to earn $1 million per year, but if the market doesn’t agree, you’re going to waste a lot of time, energy and good will trying to convince the other side. Great negotiators know that 80 percent of their work is done away from the table, researching the other parties and identifying relevant comparables.

3)    Listen more than you talk. Contrary to popular myth, once they get to the table, great negotiators focus on listening, not talking. They seek to learn from the other side first. One of the biggest rookie mistakes is to give away ground or reputation by making a wrong opening offer too quickly. The best way to deepen your understanding of the other person and what is possible to achieve with them is to ask questions and listen carefully, with an open mind, to the answers.

And for a deeper cut:

4)    Embrace conflict. Unlike in some other cultures, many Americans prefer to avoid conflict. It’s been implicitly understood, in many circles, that conflict should not to be publicly called out or addressed. Those norms may be changing in the current political climate – and to the extent that they do, in respectful ways, that could be good. Research shows time and again that disagreement is the best source of new ideas and new understandings. Only by constructively engaging in conflict do we find the common ground between differing points of view, catalyze new insights, and uncover creative synergies. Getting to a shared vision in any relationship, community or organization requires embracing conflict and thoughtfully resolving it – not shying away from it.

5)    Be contentious only in self-defense. Coupled with the point above, be mindful that contentious and disrespectful behaviors create ill will and erode trust. The world hardly needs more of that. Most executives I know start by assuming good intentions and only shift to more guarded or aggressive tactics if there is no alternative. Unfortunately, some people seem to treat every negotiation as a judo match. But that doesn’t make them successful, at least not in the long-run, as most experienced executives, including myself, will simply avoid working with them in future.

6)    Don’t cave on price for the sake of a relationship. That’s just naïve and simplistic. Good relationships can’t be bought. They can only be built through shared values and meaningful discussion. If price is an issue, agree to work together to negotiate a shared definition of fairness; to determine what market data or other comparables suggest would be a fair deal for both of you. Fairness, respect and trust are the relational currencies you can and should bank on in every interaction, whenever possible.

Source: https://www.linkedin.com/pulse/6-ways-sharpen-your-everyday-negotiations-skills-sally-blount

14
Career Advice / 10 Things Truly Confident People Do Differently
« on: February 16, 2017, 10:35:56 AM »
10 Things Truly Confident People Do Differently


True confidence — as opposed to the false confidence people project to mask their insecurities — has a look all its own. One thing is certain: truly confident people always have the upper hand over the doubtful and the skittish because they inspire others and they make things happen.


“Whether you think you can, or you think you can’t—you’re right.”
- Henry Ford

Ford’s notion that your mentality has a powerful effect on your ability to succeed is seen in the results of a recent study at the University of Melbourne that showed that confident people earn higher wages and get promoted more quickly than anyone else.

Indeed, confident people have a profound impact on everyone they encounter. Yet, they achieve this only because they exert so much influence inside, on themselves.

We see only their outside. We see them innovate, speak their mind, and propel themselves forward toward bigger and better things.

And, yet, we’re missing the best part.

We don’t see the habits they develop to become so confident. It’s a labor of love that they pursue behind the scenes, every single day.

And while what people are influenced by changes with the season, the unique habits of truly confident people remain constant. Their focused pursuit is driven by these habits that you can emulate and absorb:

1. They speak with certainty. It’s rare to hear the truly confident utter phrases such as “Um,” “I’m not sure,” and “I think.” Confident people speak assertively because they know that it’s difficult to get people to listen to you if you can’t deliver your ideas with conviction.

2. They seek out small victories. Confident people like to challenge themselves and compete, even when their efforts yield small victories. Small victories build new androgen receptors in the areas of the brain responsible for reward and motivation. The increase in androgen receptors increases the influence of testosterone, which further increases their confidence and eagerness to tackle future challenges. When you have a series of small victories, the boost in your confidence can last for months.

3. They exercise. A study conducted at the Eastern Ontario Research Institute found that people who exercised twice a week for 10 weeks felt more competent socially, academically, and athletically. They also rated their body image and self-esteem higher. Best of all, rather than the physical changes in their bodies being responsible for the uptick in confidence, it was the immediate, endorphin-fueled positivity from exercise that made all the difference.

4. They don’t seek attention. People are turned off by those who are desperate for attention. Confident people know that being yourself is much more effective than trying to prove that you’re important. People catch on to your attitude quickly and are more attracted to the right attitude than what, or how many, people you know. Confident people always seem to bring the right attitude.

Confident people are masters of attention diffusion. When they’re receiving attention for an accomplishment, they quickly shift the focus to all the people who worked hard to help get them there. They don’t crave approval or praise because they draw their self-worth from within.

5. They don’t pass judgment. Confident people don’t pass judgment on others because they know that everyone has something to offer, and they don’t need to take other people down a notch in order to feel good about themselves. Comparing yourself to other people is limiting. Confident people don’t waste time sizing people up and worrying about whether or not they measure up to everyone they meet.

6. They get their happiness from within. Happiness is a critical element of confidence, because in order to be confident in what you do, you have to be happy with who you are. People who brim with confidence derive their sense of pleasure and satisfaction from their own accomplishments, as opposed to what other people think of their accomplishments.

7. They listen more than they speak. People with confidence listen more than they speak because they don’t feel as though they have anything to prove. Confident people know that by actively listening and paying attention to others, they are much more likely to learn and grow. Instead of seeing interactions as opportunities to prove themselves to others, they focus on the interaction itself, because they know that this is a far more enjoyable and productive approach to people. If you struggle with this, emotional intelligence training can help.

8. They take risks. When confident people see an opportunity, they take it. Instead of worrying about what could go wrong, they ask themselves, “What’s stopping me? Why can’t I do that?” and they go for it. Fear doesn’t hold them back because they know that if they never try, they will never succeed.

9. They aren’t afraid to be wrong. Confident people aren’t afraid to be proven wrong. They like putting their opinions out there to see if they hold up because they learn a lot from the times they are wrong and other people learn from them when they’re right. Self-assured people know what they are capable of and don’t treat being wrong as a personal slight.

10. They celebrate other people’s successes. Insecure people constantly doubt their relevance, and because of this, they try to steal the spotlight and criticize others in order to prove their worth. Confident people, on the other hand, aren’t worried about their relevance because they draw their self-worth from within. Instead of insecurely focusing inward, confident people focus outward, which allows them to see all the wonderful things that other people bring to the table. Praising people for their contributions is a natural result of this.

Bringing It All Together


Building confidence is a journey, not a destination. To become more confident you must be passionate in your pursuit of a greater future.

Please share your thoughts on confidence in the comments section below, as I learn just as much from you as you do from me.

Source: http://www.huffingtonpost.com/dr-travis-bradberry/10-things-truly-confident_b_14660700.html

15
Article on Entrepreneurship / Inspirational Entrepreneurial Quotes
« on: February 08, 2017, 02:15:52 PM »
50 Inspirational Entrepreneurial Quotes
https://www.entrepreneur.com/article/240047

Pages: [1] 2 3 ... 121