Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - anowar.bba

Pages: [1] 2 3 4
1
বিপণন ও পরিচালন দক্ষতায় বিশেষ অবদান রাখায় ‘উইমেন লিডারশিপ এক্সিলেন্স’ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক ইয়াশা সোবহান।


রোববার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লু’তে আয়োজিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে তাকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

এ বছর তিনটি ক্যাটাগরিতে মোট ৬৪ জনকে এই পুরস্কার দিয়েছে সিএমও এশিয়া। এর মধ্যে বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক ইয়াশা সোবহানকে এ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে।

তার সঙ্গে এ পুরস্কার পেয়েছেন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আরও ১১ নারী।

বাকি অ্যাওয়ার্ডগুলো দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ বেস্ট এমপ্লয়ার অ্যাওয়ার্ড ও বাংলাদেশ মাস্টার ব্র্যান্ড অ্যাওয়ার্ড।

বাংলাদেশে সফল নারীদের স্ব স্ব ক্ষেত্রে উত্‍কর্ষতার স্বীকৃতি হিসেবে প্রথমবারের মতো পুরস্কৃত করার উদ্যোগ নিয়েছে সিএমও এশিয়া।

ইয়াশা সোবহানের গতিশীল বিপণন ও পরিচালন দক্ষতায় সফলতার পরশ পাচ্ছে- বসুন্ধরা টিস্যু, বসুন্ধরা পেপার, মোনালিসা স্যানিটারি ন্যাপকিন, বাবা রাফি, ফুড হলসহ শিল্পগোষ্ঠীটির নানা পণ্য।

2
মাঞ্চলে ঘুরতে আমার বরাবরই ভালো লাগে। তাই অফিসের বেরসিক কাজকর্মের ফাঁকে একটু সুযোগ মিললেই চলে যাই বিভিন্ন গ্রামে। এভাবেই ঘুরতে ঘুরতে একদিন আবিষ্কার করে ফেলি বইলদা গ্রামের শাপলা বিল। জায়গাটা নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে। কুড়িল বিশ্বরোড থেকে কাঞ্চন ব্রিজ, সেখান থেকে রিকশা বা অটোরিকশাযোগেই চলে যাওয়া যায় এই মনোরম স্থানে।


ছোট ভাই ওমর খৈয়ম জিনিয়াসকে নিয়ে এক বিকেলে এই বইলদা গ্রামে প্রথম যাই। আমার ধারণাও ছিল না যে এত সুন্দর একটা গ্রামের দেখা পাবো। এই গ্রামে লাল শাপলায় ছেয়ে থাকা বিলটা যেমন সুন্দর, তেমনি সহজ-সরল ও মিশুক এখানকার মানুষেরা।

বিলের পানি তখন থই থই। যতদূর চোখ যায় কেবল লাল শাপলার হাতছানি। শাপলার পাশাপাশি কিছু পদ্মও চোখে পড়ল। বিলের এক পাশে একটা চালিতে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলাম আর ছবি তুলছিলাম। এমন সময় কয়েকটা ছেলে এসে জিজ্ঞেস করে, আপনেগো কোন বাড়ি (আপনাদের বাড়ি কোনটা)?
- আমাদের কোনো বাড়ি নাই। তোমাদের গ্রামটা অনেক সুন্দর। তাই ঘুরতে ঘুরতে চলে এলাম এখানে।
- এই গেরামে আপনেগো পরিচিত কেউ নাই!
- না। এখানে দেখলাম অনেক লাল শাপলা। তাই নেমে পরলাম।
- মানুষ ক্যামনে অপরিচিত যায়গায় এমনে চলে আসে! (এই কথা বলে হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খাওয়ার মতো অবস্থা সবার)


তখন প্রায় সন্ধ্যা। ভাবলাম, এই জায়গায় ক্যাম্পিং করলে কেমন হয়? শাপলা দেখার আদর্শ সময় ভোর। রাতে ক্যাম্পিং করে থাকলে ভোরে শাপলার দৃশ্য খুব ভালো করে দেখা যাবে।

দেখলাম, বিলের পাশেই তাঁবু করার জায়গা আছে। ওই জায়গার মালিক মান্নান মোল্লা তখন আগাছা পরিষ্কার করছিলেন। তাকে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, সেখানে ক্যাম্পিং করা যাবে কিনা?

দুই মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন মান্নান মোল্লা। এক ছেলে মানসিক ভারসাম্যহীন। ছোট্ট একটা মাটির ঘরে দুই ছেলে আর স্ত্রী নিয়ে বসবাস তার। আমাদের অতিথি হিসেবে গ্রহণ করতে তার কোনোই আপত্তি নেই বলে জানালেন। আমরাও খুশি মনে সেদিনের মতো ফিরে এলাম ঢাকায়।

একদিন পর ১০ জনের একটা টিম নিয়ে আবার চলে এলাম বইলদা গ্রামে আব্দুল মান্নান ভাইয়ের বাসায়। রাত হয়ে গেছে ততক্ষণে। একদল গেল বাজারে, রাতের খাবারের জন্য কেনাকাটা করতে। আরেকদল লেগে গেলাম তাঁবু টানানোর কাজে। তাঁবু টানানো শেষ হতে হতে বাজারও চলে আসে। মান্নান ভাইয়ের বাসায় হলো রান্না।

রান্না শেষ হতে হতে প্রায় মধ্যরাত। মান্নান ভাইয়ের বাড়ির উঠানে খাওয়ার আয়োজন করা হলো। পাটি বসিয়ে সবাই গোল হয়ে বসলাম। দেশি মুরগির মাংস, কয়েক ধরনের ভর্তা ও ডাল দিয়ে আমাদের ভোজ যখন প্রায় শেষ তখন মান্নান ভাইয়ের স্ত্রী জানালেন, তালের রসের গুড় আর গরুর দুধ আছে, আমরা খেতে চাই কিনা?

বইলদা গ্রামের শাপলা বিল। ছবি: বাংলানিউজআগে কখনও তালের রসের গুড় খাইনি। গুড় আর দুধ দিয়ে চলল আরেক প্রস্থ খাওয়া। ভোরে শাপলা দেখতে হবে, তাছাড়া সবারই অফিস আছে। তাই আর দেরি না করে ঘুমিয়ে পরলাম তাবুতে।

ফজরের আজানের একটু পরেই উঠে পড়লাম সবাই। হেমন্তের সকালে আবছা কুয়াশায় ছেয়ে ছিল বিল। এই বিলের যতদূর চোখ যায় শুধুই লাল শাপলা। ভোরের আলোয় এই শাপলাগুলো যেন লাল-সবুজের গালিচা বিছিয়ে কাছে ডাকছিল আমাদের।

মাছ ধরার জন্য পেতে রাখা চাঁইগুলো উঠিয়ে দেখছিলেন স্থানীয়রা। এরইমাঝে তাল গাছের ডোঙ্গাতে চড়ে নেমে পড়লাম শাপলার মিছিলে। হাত বাড়ালেই স্পর্শ করা যাচ্ছে শাপলা আর পদ্ম। মনে হলো, যেন অদ্ভুত এক প্রাকৃতিক স্বর্গে চলে এসেছি। এখান থেকে না ফিরতে পারলে আপত্তি থাকবে না একটুও।

3
নাম জেমস অ্যাসকুইথ (James Asquith)। যুক্তরাজ্যের লন্ডনের এই তরুণটির বয়স ২৯ বছর। মাত্র ২৪ বছর বয়সে বিশ্বের ১৯৬টি দেশ ভ্রমণ করে গিনেস ওয়ার্ল্ড বুকে খোদাই করেছেন নিজের নাম। ভ্রমণের তালিকা থেকে বাংলাদেশও বাদ যায়নি।

তরুণ এই উদ্যোক্তা ‘হলিডে সোয়াপ’ নামে একটি স্টার্টআপের সহ-প্রতিষ্ঠাতা। সম্প্রতি এই তরুণ উদ্যোক্তার সঙ্গে কথা হয় ই-মেইলে। এতে তিনি জানিয়েছেন তার ভ্রমণ ও স্টার্টআপ সম্পর্কে।

কেন ভ্রমণ করেছেন এতগুলো দেশ? কী শিক্ষা পেলেন এতে?

আমি আমার মনের দিগন্ত প্রসারে ভ্রমণ করে থাকি। যখন আমার বয়স ১৮, তখন থেকেই আমি ভ্রমণ শুরু করি। যখন আমি ছোট ছিলাম, তখন আমার বাবা-মা বছরে একবার ঘুরতে নিয়ে যেতেন। আমি একটি সেচ্ছাসেবী কাজে তিন মাসের জন্য ভিয়েতনামে ছিলাম। সেই সময়ে আমার সঙ্গে ছিল একটি ট্রাভেল ব্যাগ। সেই সময় থেকেই ভ্রমণে আমার আগ্রহ বেড়ে যায়। সেই সময়েই আমার চারপাশের বিশ্বকে ভালোবাসতে শুরু করি। এখনো আমার মনে হয় আমি কেবল পৃথিবী দেখা শুরু করেছি। আমি ভ্রমণ করে একটি বিষয় শিক্ষা পেয়েছি, তা হলো–আমরা মানুষ হিসেবে এক হলেও আমাদের প্রত্যেকের মধ্যে ভিন্নতা রয়েছে।


জেমস অ্যাসকুইথ
হলিডে সোয়াপের শুরুর গল্পটি শুনতে চাই।

যখনই ভ্রমণ করেছি, আমি তখনই মানুষকে জিজ্ঞেস করেছি–তারা কীভাবে বেশি ভ্রমণ করবেন। হোটেল ভাড়া ও বাসা-বাড়ি ভাড়া প্রতিনিয়তই বেড়ে যাচ্ছে। আমাদের কাছে মনে হলো, একজন মানুষ যদি ঘুমানোর জন্য একটি বিছানা পায় তাহলে তারা আরও বেশি ভ্রমণ করবেন। এতে তাদের থাকার খরচ কমে যাবে। এই ধারণা থেকেই হলিডে সোয়াপের যাত্রা শুরু। ১৮৪টি দেশে আমাদের কার্যক্রম চালু রয়েছে। যা আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। আমাদের এই অ্যাপটির মাধ্যমে এক ডলারের বিনিময়ে রাত যাপন করতে পারবেন একজন পর্যটক। আমরা এসব করেছি ভ্রমণে উদ্বুদ্ধ করার জন্য।

মোট কথা অ্যাপের মাধ্যমে আমরা ভ্রমণকে আরও সহজলভ্য করতে চেয়েছি এবং সাড়া বিশ্বকে একই ছাদের নিচে নিয়ে আসতে চেয়েছি।

অ্যাপটি কীভাবে কাজ করছে?

খুবই সহজ। এ জন্য আপনাকে প্রথমে নিবন্ধন করতে হবে। এরপর আপনাকে আপনার ঘরটি বা বাড়িটি সম্পর্কে সেখানে লিপিবদ্ধ করতে হবে। পরের ধাপে আপনি যে স্থানে ভ্রমণে ইচ্ছুক তা খুঁজে বের করতে হবে। শেষ ধাপে যে স্থানে আপনি যেতে চান, সেখানে থাকা হলিডে সোয়াপ ব্যবহারকারীর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে চলে যেতে পারবেন।

আগামী পাঁচ বছর পর হলিডে সোয়াপকে কোন পর্যায়ে দেখতে চান?

বিশ্বের সবচেয়ে বড় শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দেখতে চাই। সব ট্রাভেল টুলকে এক ছাতার নিচে নিয়ে আসতে চাই এবং ভ্রমণকে আরও সাশ্রয়ী করতে চাই।

বাংলাদেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা কী?

আমি বাংলাদেশের ঢাকায় ভ্রমণ করেছি। আমার কাছে লালবাগ কেল্লা অসাধারণ লেগেছে। আশ্চর্য লেগেছে সোনারগাঁও জাদুঘর দেখে। বাংলাদেশে হলিডে সোয়াপের ইতোমধ্যে দুইজন সহকর্মী রয়েছেন। আমি আশা রাখছি, অতি শিগগিরই আমি ফের বাংলাদেশ ভ্রমণ করব। আমার ইচ্ছে আমি, চট্টগ্রাম ভ্রমণ করব।

বিলিয়ন ডলার কোম্পানির বিষয়ে...

হলিডে সোয়াপ স্টার্টআপটি ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রযুক্তিবিষয়ক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। একইসঙ্গে এই প্ল্যাটফর্মটির সঙ্গে যোগ হয়েছে বিভিন্ন ট্যুর কোম্পানি, এয়ারলাইনস ও কিছু ব্রান্ডও।

আমি কখনোই আমার এই প্রতিষ্ঠানটি বিক্রি করব না। এয়ারবিএনবি হয়তো ৪০-৫০ বিলিয়ন ডলারের কোম্পানি, বুকিং.কমের মূল প্রতিষ্ঠান প্রাইসলাইনও ১২০ বিলিয়ন ডলারের কোম্পানি। একটি সময় হয়তো হলিডে সোয়াপও বিলিয়ন ডলারের কোম্পানি হবে। কিন্তু আমার কাছে তা শুধু কাগজেই মনে হবে, আমার কাছে তা অপ্রাসঙ্গিকই থেকে যাবে। কারণ অর্থের নেশা আমার নেই।

4
Economics in Business / Govt creates ‘land bank’ for economic zones
« on: September 20, 2018, 12:54:52 PM »
Principal Coordinator on SDG Affairs in Prime Minister’s Office Md Abul Kalam Azad said the government has created a ‘land bank’ of one lakh acres for establishing economic zones, especially in the south belt, of which 35,000 acres have already been acquired and handed over to BEZA.

“The government has done a mapping in line with the goals and targets of SDGs and the ministries concerned have been given the tasks of implementation,” he added.

Azad was speaking as chief guest at a round table discussion on “Potential Roles and Challenges of Private Sector to Achieve Sustainable Development Goals” organized by Dhaka Chamber of Commerce and Industry (DCCI) at DCCI auditorium on Thursday, said a media release.

Emphasizing the need of resource mobilization for financing issues and skill development, he urged the private sector to invest in the economic zones and said: “The government will facilitate the private sector by providing electricity and gas”.

The Principle coordinator also asserted that the present GDP growth has been achieved because of the private sector.
Metropolitan Chamber of Commerce and Industry (MCCI) President Barrister Nihad Kabir and Chittagong Chamber of Commerce and Industry (CCCI) President Mahbubul Alam were present as special guests while former DCCI President Asif Ibrahim moderated the open discussion session.

Senior Research Fello of BIDS Dr. Nazneen Ahmed presented a keynote paper. She highlighted how the goals of SDG 8, 9 and 12 are directly linked with the private sector.

“To explore our own market, we have to increase our investment,” said Nazneen, adding, “In order to increase investment, corporate tax rate should be reduced along with establishment of a long-term regulatory framework.”

Nihad Kabir said a participatory role both from public and private sector will expedite the work to achieve SDGs. She laid emphasis on technology and vocational education.

Mentioning that financing for SDG will not be a problem as Bangladesh may try to get the Green Climate Fund, the MCCI president underscored the importance of a transparent long-term regulatory framework.

To attain SDGs, strong institutional mechanism involving all stakeholders including public representatives, government, private sector, civil society, knowledge community and development partners are required, opined Mahbubul Alam.

In the welcome address, DCCI President Abul Kasem Khan said under SDGs, Bangladesh requires intense focus on employment generation for institutional capacity building.

He also pointed out the challenges that the private sector are facing such as want of affordable and reliable energy sources, inadequate technology, expensive compliance and preparedness measures, climate change impacts, outdated infrastructure facilities, high cost of doing business, weak regulatory framework including business process and lack of institutional capacity.

“We need policy continuity, consistency and cohesiveness for more engagement of private sector in attaining SDGs,” he added.
CDP Senior Research Fellow Towfiqul Islam Khan, Director of Multimode Group Tafsir Mohammed Awal and PRI Research Director Dr. MA Razzaque were present as panel discussants.

5
Economics in Business / FBCCI for taking benefit from Blue Economy
« on: September 20, 2018, 12:53:12 PM »
Federation of Bangladesh Chambers of Commerce and Industry (FBCCI) has called upon all to work together for taking benefit from the Blue Economy for developing the country.

The apex business body made the call on Thursday at a meeting of the FBCCI Standing Committee relating to Ministry of Foreign Affairs (International Organisations) held at FBCCI board room in the city, said a press release on Friday.

Chairman of the Standing Committee Kazi Khurram Ahmed presided over the meeting while Director-in-Charge of the committee M Riyadh Ali and FBCCI Director Hafez Harun-Or-Roshid, among others, were present on the occasion.

Speakers of the meeting laid emphasize on necessary cooperation from the foreign ministry for the business community in international communication and trade expansion.

They said that it is possible to contribute in the national economy by utilizing Blue Economy through fishing, tourism and other relevant activities.

6
ভেবে দেখুন, অফিসে আপনাকে একটা কঠিন কাজ করতে দেওয়া হলো। এ কাজটি আগে করার অভিজ্ঞতা নেই আপনার। কী করবেন আপনি?

এক ধরণের মানুষ সমস্যাটি সমাধানের জন্য অন্যের সাহায্য নেবেন। তারা ইমেইল বা মেসেজের মাধ্যমে সহকর্মীর সাথে আলোচনা করবেন কাজটি সমাধানের উপায় নিয়ে। অন্যদিকে, আরেক ধরণের মানুষ কনফারেন্স রুমে একা বসে মাথা খাটিয়ে সমস্যাটির সমাধানের চেষ্টা করবেন। একেক জনের ক্ষেত্রে একেকটি উপায় কার্যকর হবে। তবে প্রসিডিংস অব দা ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অব সায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণা বলছে, এই দুইটি পদ্ধতির কোনোটিই নয়, বরং দুটির মিশ্রণেই সবচেয়ে বেশি সাফল্য পাওয়া সম্ভব।

হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলের সহকারী অধ্যাপক এবং গবেষণাটির লেখক ইথান বার্নস্টেইন জানান, বর্তমান সময়ে স্মার্টফোন এবং ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার কারণে অন্যের সাহায্য নেওয়াটা সহজ হয়ে পড়েছে।  অনেকে ভাবেন এটাই কোনো কাজে সফল হবার মোক্ষম উপায়। আসলে তা নয়।

গবেষণার জন্য তিনটি গ্রুপে ভাগ করা হয় অংশগ্রহণকারীদেরকে। একজন ব্যক্তি ২৫টি শহরে ভ্রমণ করবেন, তার জন্য সবচেয়ে সহজ রাস্তা খুঁজে দিতে বলা হয় এই তিনটি গ্রুপকে।

প্রথম গ্রুপের মানুষদের একাকী কাজ করতে বলা হয়। এই গ্রুপ থেকে কিছু সমাধান আসে যা খুবই ভালো। আবার কিছু সমাধান আসে খুবই খারাপ।

পরের গ্রুপের মানুষদের বলা হয় একত্রে কাজ করতে। এখান থেকে আসা সমাধানগুলো সবই ভালো ছিল। কোনোটাই খুব ভালো ছিল না, আবার কোনোটাই খুব খারাপ ছিল না। দেখা যায়, মোটামুটি ভালো একটা সমাধান পেলে সবাই সেটাকে কপি করতে থাকে, এ কারণে কারও সমাধানই খারাপ হয় না। কিন্তু অন্যকে কপি করা যাচ্ছে বলে কেউ তেমন একটা মাথা খাটান না, ফলে বেশি ভালো আইডিয়াগুলো আসে না।

শেষ গ্রুপের মানুষদের অল্প সময়ের জন্য একত্রে কাজ করতে দেওয়া হয়, বাকি সময় একাকী কাজ করতে বলা হয়। দেখা যায়, এ গ্রুপ থেকেই সবচেয়ে ভালো ফলাফল আসে। এ পদ্ধতিতে কেউ কাউকে পুরোপুরি কপি করতে পারেন না। নিজেরা মাথা খাটানোর সময় পান, পাশাপাশি অন্যদের সাহায্য পান বলে তারা ভালো সমাধান তৈরি করতে পারেন।

ফলাফল হিসেবে দেখা যাচ্ছে, কিছু সময় সহকর্মীদের পরামর্শ নেওয়া ভালো, কিন্তু এর ওপর নির্ভরশীল হওয়া যাবে না।  অনেকেই দিনরাত যখন তখন ইমেইলের উত্তর দেন। এটাও ভালো নয়।  নিজের চিন্তাভাবনার জন্য সময় রাখুন। এতে ক্যারিয়ারে উন্নতির পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবন এবং স্বাস্থ্যেও উন্নতি দেখা যায়।

7
সদ্য পাসকৃত চাকরিপ্রার্থী বা ফ্রেশারদের জন্য মার্কেটিং ও সেলস বিভাগে চাকরির সুযোগ দিচ্ছে বেশ কয়েকটি কোম্পানি। তাদের মধ্যে সাতটি কোম্পনির সার্কুলারের লিঙ্ক নিম্নে দেওয়া হলো। এসব বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে বিডিজবস ডটকমে।

 ১.

পদের নাম: এক্সিকিউটিভ সেলস

প্রতিষ্ঠান- একটি রিয়েল এস্টেট কোম্পানি

আবেদনের শেষ তারিখ- ৩১ আগস্ট ২০১৮

আবেদন প্রক্রিয়া ও আবেদনের যোগ্যতাসহ বিস্তারিত জানতে এখানে  ক্লিক করুন।

২.

পদের নাম: মেডিকেল প্রমোশন অফিসার

প্রতিষ্ঠান- ইএমসিএস ফার্মা লিমিটেড

আবেদনের শেষ তারিখ- ২৮ আগস্ট ২০১৮

আবেদন প্রক্রিয়া ও আবেদনের যোগ্যতাসহ বিস্তারিত জানতে এখানে  ক্লিক করুন।

৩.

পদের নাম: জুনিয়র বিজনেস ডেভেলপমেন্ট এক্সিকিউটিভ

প্রতিষ্ঠান- অ্যাডভান্সড কেমিক্যাল ইন্ডাসট্রিজ লিমিটেড (এসিআই)

আবেদনের শেষ তারিখ- ১৪ আগস্ট ২০১৮

আবেদন প্রক্রিয়া ও আবেদনের যোগ্যতাসহ বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

৪.

পদের নাম: মেডিকেল প্রমোশন অফিসার

প্রতিষ্ঠান- অয়েস্টার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড (সিলেট)

আবেদনের শেষ তারিখ- ১২ আগস্ট ২০১৮

আবেদন প্রক্রিয়া ও আবেদনের যোগ্যতাসহ বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

৫.

পদের নাম: সেলস এক্সিকিউটিভ

প্রতিষ্ঠান- শারাফ ইনোভেশন লিঃ

আবেদনের শেষ তারিখ- ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

আবেদন প্রক্রিয়া ও আবেদনের যোগ্যতাসহ বিস্তারিত জানতে এখানে  ক্লিক করুন।

৬.

পদের নাম: ডিজিটাল মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ

প্রতিষ্ঠান- মারল্যাক্স টেকনোলজিস বিডি

আবেদনের শেষ তারিখ- ২৫ আগস্ট ২০১৮

আবেদন প্রক্রিয়া ও আবেদনের যোগ্যতাসহ বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

৭.

পদের নাম: সেলস ডেভেলপমেন্ট অফিসার

প্রতিষ্ঠান- অ্যাডভান্সড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (এসিআই)

আবেদনের শেষ তারিখ- ৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮

আবেদন প্রক্রিয়া ও আবেদনের যোগ্যতাসহ বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

৮.

পদের নাম: মার্কেটিং অ্যান্ড সেলস অফিসার (পুরুষ প্রার্থী)

প্রতিষ্ঠান- লুপরোম্যাক্স অয়েল (বিডি) লিঃ

আবেদনের শেষ তারিখ- ২০ আগস্ট ২০১৮

আবেদন প্রক্রিয়া ও আবেদনের যোগ্যতাসহ বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন।

সূত্র: বিডিজবস ডটকম

8
অনেক সময় নিয়ে প্রস্তুত হলেও চাকরির ইন্টারভিউ দিতে গেলে সবাই কিছুটা নার্ভাস হয়ে পড়েন। একনাগাড়ে অনেকগুলো প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। এ সব প্রশ্নই আপনাকে পরীক্ষা করতে তৈরি করা। কিন্তু ইন্টারভিউয়ের সময়ে শুধু প্রশ্নের উত্তর নয়, আপনারও কিছু প্রশ্ন করা উচিৎ। অনেক ইন্টারভিউয়ের শেষে চাকরিপ্রার্থীকে জিজ্ঞেস করা হয় তার নিজের কোনো প্রশ্ন আছে কিনা। এ সময়ে আপনি কী প্রশ্ন করছেন, তার ওপরেও আপনার চাকরির ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে। দেখে নিন ইন্টারভিউয়ের শেষে কী কী প্রশ্ন করতে পারেন আপনি-

১) আপনারা আমার রেজুমিটি কেন বেছে নিলেন?

চাকরির জন্য শত শত এমনকি কয়েক হাজার রেজুমি জমা হতে পারে। তার মধ্য থেকে কী কারণে আপনার রেজুমিটি বেছে নেওয়া হয়েছে? কেন আপনাকে ইন্টারভিউয়ের জন্য ডাকা হয়েছে? সাধারণত চাকরিপ্রার্থীকেই প্রশ্ন করা হয় তিনি ওই প্রতিষ্ঠানে কেন কাজ করতে চান। সেখানে চাকরিপ্রার্থী এই প্রশ্নটি করলে সন্তুষ্ট হবেন ইন্টারভিউ বোর্ডে থাকা ব্যক্তিবর্গ।

২) আপনাদের কোম্পানি/ডিপার্টমেন্টের জন্য আজ সবচেয়ে কঠিন কাজটি কী ছিল?

এ প্রশ্নটি করার অর্থ হলো, তাদের প্রতিষ্ঠানে কী ধরণের কর্মী দরকার তার ব্যাপারে খোঁজখবর করছেন আপনি। তারা কী বিশেষ কোনো দক্ষতার চাকরিপ্রার্থী খুঁজছেন, নাকি বর্তমান কর্মীদের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য সাধারণ একজন প্রার্থী খুঁজছেন, তা বোঝা যাবে এর উত্তর থেকে। উত্তর থেকেই আপনি বুঝতে পারবেন এই চাকরিটি আপনার জন্য ভালো হবে না খারাপ।

৩) অন্য প্রতিষ্ঠানের থেকে আপনার প্রতিষ্ঠানটি আলাদা কেন?

একটি ইন্ডাস্ট্রিতে অনেক প্রতিযোগী কোম্পানি থাকে। তাদের মাঝে এই প্রতিষ্ঠানটি আলাদা কেন? আসলেই কি তারা অন্যদের তুলনায় আলাদা নাকি অন্যদের মতোই গতানুগতিক একটি প্রতিষ্ঠান? এ প্রশ্নটি করলে ইন্টারভিউ বোর্ড বুঝতে পারবে আপনি ক্যারিয়ারে উন্নতি করতে চান এবং প্রতিষ্ঠানের প্রতি আগ্রহ থেকেই এমন প্রশ্ন করেছেন।

৪) কোম্পানি ভ্যালুর ব্যাপারে প্রশ্ন করুন

ইন্টারভিউ দেওয়ার আগে কোম্পানি ভ্যালু বা নীতির ব্যাপারে জেনে নিন এবং ইন্টারভিউতে জিজ্ঞেস করুন যে তারা আসলেই এসব নীতির বাস্তবিক প্রয়োগ করেন কিনা। তারা যদি এ প্রশ্নে আকাশ থেকে পড়ে তাহলে বুঝবেন এসব নীতি কেবল কাগজে কলমেই আছে, বাস্তবে নেই। তারা যদি সততার সাথে প্রশ্নের জবাব দেয় তাহলে বুঝবেন নীতি বাস্তবায়নে চেষ্টা করছে তারা।

৫) আপনাদের ট্রেইনিং প্রোগ্রাম কেমন?

ভালো একটি প্রতিষ্ঠান অবশ্যই নতুন কর্মীকে প্রশিক্ষণ দেবার জন্য কিছু সময় ব্যয় করবে। অন্যদিকে ইন্টারভিউ বোর্ড থেকে যদি বলা হয় কোনো ট্রেনিং প্রোগ্রাম নেই অথবা খুব কম সময়, তাহলে হয়তো সেখানে কাজ করতে গেলে আপনি বিপদে পড়তে পারেন।

৬) এই প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে কেন পছন্দ করেন আপনি?

ইন্টারভিউ বোর্ডে ওই প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মীরাই থাকেন। তারা যদি এ প্রশ্নের জবাব দিতে না পারেন, তারমানে হয়তো কোনো ঘাপলা আছে। হয়তো প্রতিষ্ঠানটি কর্মীদের জন্য খুব একটা ভালো নয়। এছাড়া এই প্রশ্নের উত্তর হিসেবে ইন্টারভিউ বোর্ডের সদস্যদের নিজস্ব মতামত জানার একটি সুযোগ পেতে পারেন আপনি।

৭) এ প্রতিষ্ঠানে সেরা কর্মী হতে হলে কী করতে হবে?

প্রতিটি প্রতিষ্ঠানেই এমন কিছু কর্মী থাকেন যারা অন্যদের তুলনায় অনেক ভালো পারফর্মেন্স দেখান। এই প্রতিষ্ঠানেও নিঃসন্দেহে তেমন কিছু কর্মী রয়েছেন। অন্য কর্মীদের সাথে তাদের কী পার্থক্য, এমন প্রশ্ন করতে পারেন আপনি। এতে ইন্টারভিউ বোর্ড বুঝতে পারে আপনিও সেরা কর্মী হবার প্রত্যয় নিয়েই চাকরি শুরু করতে চান। শুধু তাই নয়, সেরা কর্মীদের থেকে প্রতিষ্ঠানটি কী আশা করছে, সেটাও বুঝতে পারবেন এই প্রশ্নের উত্তর থেকে।

৮) ইন্টারভিউ শেষ হবার আগে আমাকে অফিসটা ঘুরিয়ে দেখানো যাবে?

ইন্টারভিউ বোর্ডে থাকা কর্তাস্থানীয় ব্যক্তিরা নিঃসন্দেহেই গম্ভীর আচরণ করেন। কিন্তু চাকরিপ্রার্থীকে অফিস ঘুরিয়ে দেখানোর সময়ে অন্যান্য কর্মীদের সাথে কথা বলতে হয় তাদেরকে। তা থেকেই বোঝা যায় তিনি আসলে কর্মকর্তা হিসেবে কেমন। এ থেকেই আপনি বুঝতে পারবেন তার অধীনে কাজ করা ঠিক হবে কিনা।

আরও কিছু টিপস-

হ্যাঁ/না প্রশ্ন করবেন না: যে প্রশ্নের উত্তর হ্যাঁ বা না দেওয়া যায়, এমন প্রশ্ন করবেন না। তাতে আপনার প্রশ্নটিকে জবাবদিহিতা মনে হতে পারে। এমন প্রশ্ন করুন যার উত্তর বেশ লম্বা করে দেওয়া সম্ভব।

অহেতুক প্রশ্ন করবেন না: যে প্রশ্নের উত্তর একেবারেই সহজ বা সবাই জানে, এমন প্রশ্ন করবেন না। তাহলে ইন্টারভিউ বোর্ড বুঝে যাবে আপনি প্রশ্ন করতে হবে বলেই করছেন, এর পেছনে কোনো চিন্তাবভাবনা নেই।

সময়ের খেয়াল রাখুন: ইন্টারভিউ বোর্ডে কারোই অসীম সময় নেই। তাই একের পর এক প্রশ্ন করতে থাকবেন না। ইন্টারভিউ শেষে দুই বা তিনটি জরুরী প্রশ্ন করুন। এমনকি আপনার ইন্টারভিউয়ের মাঝেই এসব প্রশ্ন করে নিতে পারেন।

9
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। জেনে  নিন পদগুলোতে আবেদনের বিস্তারিত-


১) মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (মৎস্য)
পদ সংখ্যা: ০১টি
বেতন স্কেল: ৫৬,৫০০/-৭৪,৪০০/
বয়স: সর্বনিম্ন ৪১ বছর

২) প্রোগ্রামার
পদ সংখ্যা: ০২টি
বেতন স্কেল: ৩৫,৫০০/-৬৭,০১০/
বয়স: সর্বনিম্ন ৩৫ বছর

৩) সাঁটলিপিকার কাম-কম্পিউটার অপারেটর
পদ সংখ্যা: ০২টি
বেতন স্কেল: ১১,০০০/-২৬,৫৯০/
বয়স: সর্বোচ্চ ৩০ বছর

৪) নিরীক্ষক (অডিটর)
পদ সংখ্যা: ০১টি
বেতন স্কেল: ১১,০০০/-২৬,৫৯০/
বয়স: সর্বোচ্চ ৩০ বছর

৫) হিসাব সহকারী
পদ সংখ্যা: ০১টি
বেতন স্কেল: ১১,০০০/-২৬,৫৯০/
বয়স: সর্বোচ্চ ৩০ বছর

৬) গাড়ি চালক
পদ সংখ্যা: ০৪টি
বেতন স্কেল: ৯,৭০০/-২৩,৪৯০/ (ভারী লাইসেন্স), ৯,৩০০/-২২,৪৯০/ (হালকা লাইসেন্স)
বয়স: সর্বোচ্চ ৩০ বছর

৭) নিম্নমান করনিক কাম মুদ্রাক্ষরিক
পদ সংখ্যা: ০১টি
বেতন স্কেল: ৯,৩০০/-২২,৪৯০/
বয়স: সর্বোচ্চ ৩০ বছর

৮) পাম্প অপারেটর
পদ সংখ্যা: ০১টি
বেতন স্কেল: ৯,৩০০/-২২,৪৯০/
বয়স: সর্বোচ্চ ৩০ বছর

৯) ইলেকট্রিশিয়ান
পদ সংখ্যা: ০১টি
বেতন স্কেল: ৯,৩০০/-২২,৪৯০/
বয়স: সর্বোচ্চ ৩০ বছর

১০) মেকানিক (অটোমোবাইল)
পদ সংখ্যা: ০১টি
বেতন স্কেল: ৯,৩০০/-২২,৪৯০/
বয়স: সর্বোচ্চ ৩০ বছর

১১) ডুপ্লিকেটিং মেশিন অপারেটর
পদ সংখ্যা: ০১টি
বেতন স্কেল: ৮,৮০০/-২১,৩১০/
বয়স: সর্বোচ্চ ৩০ বছর

১২) অফিস সহায়ক
পদ সংখ্যা: ০২টি
বেতন স্কেল: ৮,২৫০/-২০,০১০/
বয়স: সর্বোচ্চ ৩০ বছর

অনলাইনে আবেদন ও পরীক্ষার ফি জমাদান শুরু: ১০/০৮/২০১৮ইং সকাল ০৯টা।
অনলাইনে আবেদন পূরন ও জমাদানের শেষ তারিখ: ১০/০৯/২০১৮ইং বিকেল ৫টা।

10
বিশ্বজুড়ে অনেক মানুষ আছেন, যারা অনেকটা সময় ব্যয় করে ফেলেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। অবশ্য তারা কেউ সঠিক হিসাব রাখতে পারেন না যে, কতটুকু সময় ব্যয় হয়েছে এতে।

অবশ্য সোশ্যাল মিডিয়া জায়ান্ট ফেসবুক ব্যবহারকারীকে জানিয়ে দেবে যে, এতে কতটা সময় ব্যয় হয়েছে তার। টেকক্রাঞ্চের খবরে বলা হয়, ফেসবুক ‘ইউর টাইম অন ফেসবুক’ নামের একটি ফিচার নিয়ে কাজ করছে।

এই ফিচার একজন ব্যবহারকারী তার অ্যাকাউন্টে সপ্তাহে কত সময় ব্যয় করছেন, তা জানিয়ে দেবে। প্রতিদিন গড়ে কতটা সময় ফেসবুকে দিয়েছেন ব্যবহারকারী, তা-ও জানা যাবে।

এই ফিচারের মাধ্যমে ‘ডেইলি রিমাইন্ডার’ অপশনের মাধ্যমে প্রতিদিন ফেসবুকে থাকার সময়সীমাও নির্ধারণ করে দিতে পারবেন ব্যবহারকারীরা। নির্ধারিত সময় পার হলে তা নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে জানিয়ে দেবে।

অবশ্য ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এখনো গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন ফিচারটি নিয়ে। কবে নাগাদ এটি ব্যবহারকারীদের জন্য উন্মোচন করা হবে, তা জানা যায়নি।

দীর্ঘদিন ধরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশি সময় ব্যয় করার নানা অপকারিতার কথা বলে আসছেন মনোবিজ্ঞানীরা। এ ছাড়াও মাত্রাতিরিক্ত ফেসবুক ব্যবহারে শারীরিক ও মানসিক নানা সমস্যা দেখা দেয় ব্যবহারকারীদের। আর এমন প্রেক্ষাপটে ফেসবুক নতুন এ ফিচার উন্মুক্ত করলে গ্রাহকদের জন্য ইতিবাচক ব্যাপার হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

11
গণমাধ্যম অধ্যয়নে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চ শিক্ষার সুযোগ করে দিয়েছে ভারত সরকার। এখন থেকে ভারতের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের আওতায় বাংলাদেশসহ বিদেশি শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন বিষয়ে অধ্যয়নের সুযোগ পাবেন।

বৃহস্পতিবার (০৭ জুন) ভারতীয় হাইকমিশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়।

ভারতের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে চারটি বিষয়ে বিদেশি শিক্ষার্থীরা এক বছর মেয়াদের সার্টিফিকেট কোর্সে স্নাতকোত্তর অধ্যয়নের সুযোগ পাবেন।

বিষয়গুলো হলো ডিরেকশন, ইলেকট্রনিক সিনেমাটোগ্রাফি, ভিডিও এডিটিং এবং সাউন্ড রেকর্ডিং অ্যান্ড টেলিভিশন ইঞ্জিনিয়ারিং।

ভারতের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট দেশটির তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত। এটি ভারতের মহারাষ্ট্রের পুনেতে অবস্থিত।

ভর্তির আবেদনের শেষ তারিখ ৩০ জুন।

এ ব্যাপারে আরও বিস্তারিত জানা যাবে http://ftiindia.com/Admission_2018_For.html ওই ওয়েবসাইট থেকে।

12
ফিন্যান্স এক্সিকিউটিভ পদে আবেদনের জন্য সিএ (সিসি)/ এমবিএ (অ্যাকাউন্টিং/ ফিন্যান্স মেজর) ডিগ্রিসহ দুই বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

সিনিয়র ফিন্যান্স এক্সিকিউটিভ/ ডেপুটি ম্যানেজার- ফিন্যান্স অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস পদে সিএ (পার্টলি) কোয়ালিফাইড এবং চার বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। উভয় পদের প্রার্থীদের বয়স হতে হবে অনূর্ধ্ব ৩২ বছর।

আগ্রহী প্রার্থীদের সদ্য তোলা এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবিসহ রেজুমে পাঠাতে হবে 'এইচআর অ্যান্ড অ্যাডমিন, বসুন্ধরা ইন্ডাস্ট্রিয়াল হেডকোয়ার্টার্স-১, প্লট-৩, ব্লক- জি, উম্মে কুলসুম রোড, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, ঢাকা- ১২২৯' ঠিকানায়। আবেদনের শেষ তারিখ ৩০ জুন।

13
পদ: উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা
পদসংখ্যা: ১টি
যোগ্যতা: মৎস্যবিজ্ঞান বা প্রাণিবিজ্ঞান বা বিজ্ঞানের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী, পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতাসহ পাঁচটি গবেষণাপত্র থাকতে হবে।
বেতনস্কেল: ৩৫,৫০০/- ৬৭,০১০/ টাকা

পদ: উচ্চমান সহকারী
পদসংখ্যা: ১টি
যোগ্যতা: স্নাতক ডিগ্রিধারী
বেতনস্কেল: ১০,২০০/- ২৪,৬৮০/ টাকা

পদ: গ্রন্থাগার সহকারী
পদসংখ্যা: ১টি
যোগ্যতা: গ্রন্থাগার বিজ্ঞানে ডিপ্লোমাধারী
বেতনস্কেল: ৯,৩০০/- ২২,৪৯০/ টাকা

আবেদেনের ঠিকানা: মহাপরিচালক, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিউট, ময়মনসিংহ
আবেদনের শেষ তারিখ: ৮ জুলাই

14
Life Style / How to Make a Strong First Impression
« on: June 07, 2018, 12:17:28 PM »
How are you when it comes to first impressions? Do you have what it takes to impress others right off the bat? Or, do you wish you could get a do-over and maybe go about it a different way? It’s so cliché, but unfortunately it’s true: you never get a second chance to make a first impression. Even if you overcome a bad first impression the first one can never be changed.

First Impressions Matter
So why are first impressions so important? Do they really matter that much? The fact is, they do. Of course, not everyone you meet is going to have a huge impacton your life, and vise versa. However, when it comes to meeting important people in critical situations, your first impression could haunt you for a while. Here’s why. People make judgments all the time. In fact, every time you meet someone you make judgments about that person. Right off the bat, even if you don’t consciously realize it, you are making important determinations about anyone you meet.

Crucial Decisions
You might decide whether or not you can trust this person. You might determine in an instant if this person deserves your respect or not. You might even decide in that very first moment if you ever want to spend time with this person again. These are crucial decisions because if you give off an impression that you can’t be trusted or respected then you are likely damaging your potential for success. So how do you make sure that you are giving the right first impression?

Tips for Success
If you want to make a good first impression then you need to keep these tips in mind.

Start With Positive Body Language
The way you approach a person, how you look at them, and even your posture will play a role in how that person judges you. Your body gestures and facial expressions should express positive, confident feelings.Listen First, Speak Second–of course someone has to speak first, but if you allow the other person to speak you show that you care about his or her thoughts and opinions. If you speak first it can be a sign of control, which can lead to mistrust. If you do have to speak first, try to start with a question. Then listen.

Small Talk Is Good
It’s usually a good idea to engage in some “small talk.” Just shoot the breeze for a few minutes in order to allow the person some relaxed time to formulate an opinion.

Know Before You Go
While it’s not always possible, if you have a planned first-time meeting, like a job interview for example, it’s a good idea to learn about the person, to a certain extent, before the meeting takes place. This will help the person you’re meeting with trust you more because you’ve taken the time to learn about them on your own. It also shows initiative and competence.

Seize the Opportunity
In many situations in life, making a positive first impression is crucial, especially in the business world. So remember these tips and make sure you are ready the next time you meet someone for the first time.

15
মজান মাসে যারা সিয়াম সাধনায় নিমজ্জিত থাকেন, তাঁদের জন্য ঘুমের অভাব খুব সাধারণ একটি সমস্যা। কেননা রমজান বলে দৈনন্দিন জীবন তো আর থেমে থাকে না। অফিস যেতে হয়, ঘরের সকল কাজ করতে হয়, ইবাদত বন্দেগীতেও সময়টা বেশি দিতে হয়। অন্যদিকে রমজান মানে ইফতার বা সেহেরিতে কাজের চাপ বেশি, আসন্ন ঈদের প্রস্তুতি নিয়েও সময় ব্যয় করতে হয়। সব মিলিয়ে অন্যান্য সময়ের চাইতে রমজানে আক্ষরিক অর্থেই ব্যস্ততা অনেক বেশি।

যেহেতু সেহেরিতে ঘুম থেকে উঠতেই হয়, ফলে এক টানা অনেকটা সময়ের গভীর ঘুম হয়ে ওঠে না। সেহেরির পর ঘুম আসতেও অনেকের দেরি হয়। এদিকে সকাল ৭/৮ টা বাজতে না বাজতেই রোজকার ব্যস্ততা শুরু। এমন অবস্থায় কী করবেন? থাকছে প্রয়োজনীয় কিছু টিপস, যা এই রমজানে আপনার ঘুমের অভাব পুষিয়ে নিতে বেশ সাহায্য করবে।

একটু আগে ঘুমাতে যান
রাত জেগে টিভি দেখা, ফেসবুকিং করা ইত্যাদি নাহয় এই একটা মাস বন্ধই থাকুক। স্বাস্থ্য সবার আগে, তারপর তো বিনোদন। তারাবি শেষ করেই প্রয়োজনীয় কাজ সেরে ঘুমাতে চলে যান। এতে সেহেরির পূর্বে অন্তত ৪/৫ ঘণ্টা টানা ঘুমাতে পারবেন। এর ফলে গভীর রাতের ইবাদত বা সেহেরিতে উঠতেও কষ্ট হবে না।

ভারী ইফতার ও রাতের খাবার পরিহার করুন
রমজান মানে বেশি বেশি খাওয়া নয়। অতিরিক্ত খাওয়ার সাথে রমজানের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। সারাদিন না খেয়ে ছিলেন মানেই আপনাকে অনেক বেশি খাবার ইফতারে বা রাতের খাবারে খেয়ে ফেলতে হবে, বিষয়টি মোটেও এমন নয়। ইফতার করুন খুব পরিমিত। পানি পান করুন বেশি পরিমাণে। যেহেতু ইফতারের সময়টা বেশ দেরি করে, সেক্ষেত্রে ইফতার ও রাতের খাবার একত্রে সেরে ফেলুন। এসিডিটি হতে পারে এমন সকল খাবার বাদ দিন। এতে কম তো খাওয়া হবেই, দেখবেন শরীর ঝরঝরে লাগছে। ঘুমেরও কোনো সমস্যা হচ্ছে না।

একটু খানি বাড়তি ঘুম
যাদের অফিস একটু দেরি করে শুরু হবে, তারা তো সকালেই বাড়িতে খানিকটা ঘুমের সুযোগ পাবেন। অন্যথায় অফিস থেকে ফিরে বা সংসারের কাজের ফাঁকে দুপুরে একটু ঘুমিয়ে নিন। টানা ২/৩ ঘণ্টার ঘুম না হলেও ঘড়ি ধরে অন্তত এক ঘণ্টা দিবানিদ্রা দিন। দেখবেন অনেক ঝরঝরে লাগছে।

ঘুমের মান বাড়ান
সঠিক সময়ে রোজ ঘুমাতে যান, সঠিক সময়ে জেগে উঠুন। ইফতারের পর ঘুমিয়ে পড়বেন না, এতে রাতের ঘুমের ব্যাঘাত হবে। বরং প্রয়োজনীয় কাজ ও ইবাদত সেরে একবারে শুতে যান। শোবার সময়ে সেলফোন, টেলিভিশন ইত্যাদি দূরে রাখুন। ঘর অন্ধকার করে আরামদায়ক পরিবেশে অল্প সময়ের ঘুম অস্বস্তিকর দীর্ঘ ঘুমের চাইতে উত্তম।

সেহেরিতে পরিমিত হোক সব
সেহেরি মানে পেট ঠেসে খেয়ে ফেলা নয়। বরং, বেশি খেলেই সারাদিন আপনার কষ্ট হবে বেশি। এসিডিটি হবে, বুক জ্বলবে, শরীর ভার ভার ঠেকবে, সকল কাজের মাঝে ঘুম পাবে। সেহেরি হোক সবচাইতে পরিমিত। প্রয়োজনের চাইতে এক ফোঁটা বেশি খাবেন না। একসাথে অনেকটা পানি পান করলেও সেহেরিতে কোনো লাভ হয় না, এতে বরং খাবার হজমে অসুবিধা হয়। ইফতারের পর থেকেই অল্প অল্প করে বারবার পানি পান করুন। ৬ থেকে ৮ গ্লাস পানি পান করলেই যথেষ্ট। এতে সেহেরির পর ফজরের নামাজেও অস্বস্তি অনুভুত হবে না।

চা-কফি পরিহার করুন
ইফতার শেষ করেই চা-কফি পান আমাদের অনেকেরই অভ্যাস। অনেকে সেহেরিতেও পান করে থাকে। এই অভ্যাস পরিহার করুন। অসময়ে চা-কফি আপনার ঘুমের ব্যাঘাত ঘটাবে। এছাড়াও বেশি চা-কফি পানে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। এমন হলে আপনার কষ্ট বাড়বে বই কমবে না।

শুভ হোক সকলের রমজান। সুস্থ থাকুন।

Pages: [1] 2 3 4