Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Md. shahdul Islam

Pages: [1] 2
1
Need of Library Classification

A  library acquires books for use, which are arranged in a manner so that their utility increases to the optimum level and library classification aims to achieve the same objective. If the collection in the library is small, running into few hundreds only, a librarian would be able to lay his hand on a required document immediately without any problem. There would be no need for a systematic arrangement. When the collection grows beyond a few hundred, a librarian would find it difficult to lay his hand on a required document. In order to provide an effective reference service, it is essential that documents are arranged systematically which would also save the time of the reference staff and that of readers themselves. Library Classification is a technique, which helps in the organization of the documents and information so that the user can use the resources of information effectively.

Purposes of Classification
•   To short things into classes by principle or characteristic; to class for convenience or usefulness
•   To bring system out of disorder and confusion of things
•   Classification by resemblance and separation by difference 
•   Classified collection provides a subject reading list
•   Systematic open shelf explanatory to readers
•   Classified collection makes book exhibition convenient
•   Enables easy arrangement of books and entries and analysis of books

2
Library of DIU / Book Acquisition Process
« on: July 28, 2018, 11:04:14 AM »
 DIU Library Book Acquisition Process
 Requisition Collection:
I.   DIU library acquisition section will Collect Appropriate Requisition from department through signature of head and approved by library Committee Chairman.
Quotation and Comparative price list
I.   Accommodating the requisitions, the list will be sent to DIU enlisted vendors for quotation
II.   Collecting the quotations, acquisition section will prepare a comparative price list for purchase
III.   Keeping in minds the standards Library Acquisition section will select the lowest price books from the quotations
IV.   For quotation vendors will fill up the following fields i.e.
SL   Authors   Title   Publisher   ISBN   Format   Year   Ed.   Print Origin   Unit Price in Bdt.
01   Dr. Sabur Khan   Employability 360   DIU   9785000213200   Hard cover   2017   2nd   United Stated   560.00
Requirements for comparative price list
I.   An application for approval of comparative price list to DIU Purchase Committee (if it is more than 5 Lac) or to DIU Procurement Committee (if it is less than 5 Lac)
II.   Requisitions
III.   Quotation of vendors
IV.   Comparative price list
V.   Selected books as per less price
Work Order
I.   A work order will be prepared according to selected books of individual vendors
II.   Work order will be printed in DIU PAD.
Book Supply
I.   Vendors have to send the books according to terms and conditions of DIU (within 30 days of work order).
II.   Vendors will attach the work order, challan and bill of the books.
Receiving the books
Library acquisition section will receive the books matching with quotation/Requisition and sign on receiving copy.
Bill Process
When the above task will be done then bill will be ready
Attachment for bill:
I.   Bill payment form
II.   Photocopy of Approval of comparative price list
III.   Challan and bill
IV.   Work order
Bill Payment
Vendors will receive the bill from DIU Accounts section.


3
বুকটা কেঁপে উঠলো ঘটনাটি পড়ে।
হযরত ফাতিমা (রাঃ) এর ইন্তেকাল (সম্পূর্ণ ঘটনা)
হযরত আলী রাঃ,ফজরের নামাজ আদায়
করার জন্য মসজিদে গেছেন ৷ এদিকে
হযরত ফাতিমা রাঃআঃ,গায়ে অত্যান্ত জ্বর অবস্থায়৷
ঘরের সমস্ত কাজ, শেষ করেছেন ৷
আলী রাঃ, মসজীদ থেকে এসে দেখে,
ফাতিমা
কাঁদতেছেন, আলী (রাঃ),প্রশ্ন
করলেন,ও ফাতিমা তুমি কাঁদ কেন? ফাতিমা কোন
উত্তর দিলেন না৷ ফাতিমা
আরোজোরে জোরে কাঁদতে লাগলেন,
আলী রাঃ কয়েকবার প্রশ্ন করার পরে,
ফাতিমা রাঃ কাঁদতে কাঁদতে বলেন,
ও আলী,,,,,,,,আমি স্বপ্নের মধ্যে
দেখতেছি,আমার আব্বাজান, হযরত মুহাম্মাদুর
রাসুলুল্লাহ্ সাঃ আমার ঘরের মধ্যে ঢুকে কি যেন
তালাশ
করতেছেন ঘর থেকে বাহির হওয়ার সময়, আমি
পিছন দিক থেকে,আমার আব্বাজান কে ডাক দিলাম৷ ও
আব্বাজান আপনি কি তালাশ করতেছেন? আব্বাজান
মুহাম্মাদুর রা:(সঃ) বলতেছেন, ও আমার ফাতিমা,
আমিতো তোমাকে তালাশ করতেছি, তোমাকে
নিয়ে যাওয়ার জন্য৷ আরো বললেনঃ ও আমার
ফাতিমা,আজকে
তো তুমি রোজা রাখবা ৷ সাহরী করবা আলীর
দস্তরখানায়, আর ইফতার করবা আমি আব্বাজানের
দস্তরখানায় ৷৷৷
আলী (রাঃ) এই স্বপ্ন শোনার পর, দু’জনের
বুঝতে বাকী থাকলোনা, যে ফাতিমা
আজকেই ইন্তেকাল করবেন৷ দুনো জন
আরো
জোরে জোরে কাঁদতে লাগলেন৷ এই
সময়ের
মধ্যে হযরত হাসান হুসাইন (রাঃ) এসে জিজ্ঞাসা
করতেছেন, ও আব্বাজান ও আম্মাজান আপনারা
দুনোজন কাঁদেন কেন? ফাতিমার রাঃ এর একটা
অভ্যাস
ছিল, যখন হাসান হুসাইন রাঃ কোন কাজে বিরক্ত
করতেন, তখন দুনো জনকে নানাজান এর
কবরের
কাছে যেতে বলতেন। আজকে ও ফাতিমা
বলেন,তোমরা দুনোভাই এখন নানার
কবরে চলে যাও, কবরের নিকট যাওয়ার
সাথে সাথে,কবর থেকে আওয়াজ
আসলো,ও আমার আদরের নাতীরা, এই মূহুর্তে
তোমরা আমার কাছে কেন আসছো,
আমার কাছে তো সব সময় আসতে পারবা, এখন
যাও,
যেয়ে মায়ের চেহারার দিকে তাকায়ে থাক,
আজকের পরে তোমাদের মাকে আর পাবেনা৷
এই কথা শোনার পরে,দুনো ভাই কাঁদতেছে
আর
দৌড়াতে দৌড়াতে আম্মার নিকট চলে গেলেন।
যেয়ে আম্মাকে বললেন যে,
তোমরা দুনোজন কেন কাঁদতেছ বুঝেছি,
নানাজান আমাদেরকে বলে দিয়েছেন, আজকের
দিনটা তোমার জন্য শেষ দিন,
নানাজান তোমার চেহারার দিকে তাঁকায়ে থাকার জন্য
আমাদের কে বলেছেন৷
বিকেলের দিকে হজরত ফাতিমা (রাঃ) এর শরীর
বেশি খারাপ হলো। তাকে বিছানাতে শোয়ানো
হলো। ফাতিমা রাঃ মৃত্যুর পূর্বক্ষনে আলী রাঃ
কে,
তিনটি কথা বলেন ৷
【০১】ও আলী যেদিন থেকে আমি আপনার
ঘরে এসেছি, ঐ দিন থেকে নিয়ে, আজ পর্যন্ত
আপনাকে আমি অনেক কষ্ট দিয়েছি, আলী
আপনি
যদি আমাকে
ক্ষমা না করেন, তাহলে কিয়ামতের ময়দানে, আমি
সন্তানের কারনে, (আমি মেয়ের কারনে) আমার
আব্বাজান অনেক
লজ্জীত হবেন৷ বলেন আপনি আমাকে ক্ষমা
করলেন কি না,আলী রাঃ বলেন ও ফাতিমা, তুমি এসব
কি বলতেছো, আমি আলী তো তোমার
যোগ্য ছিলাম না, তোমার আব্বাজান দয়া করে
মেহেরবানী করে তোমাকে আমার,,, কাছে
বিয়ে দিয়েছেন,বিয়ের দিন থেকে নিয়ে আজ
পর্যন্ত, আমি আলী তোমাকে কোনদিন
ঠিকমত
দুইবেলা খানা খাওয়াতে পারিনাই,
ও ফাতিমা তুমি বল, আমাকে ক্ষমা করছো
কি না, তুমি যদি আমাকে ক্ষমা না কর, তাহলে
আমাকে
ও কিয়ামতের দিন কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হবে ৷
【০২】ও আলী আপনার সাথে আমার
দ্বিতীয় কথা হল, আমি মারা যাওয়ার
পরে, আপনি বিয়েকরে নিবেন, দুনিয়ার যে
কোন
মহিলাকে, আপনার পছন্দমত৷
আপনাকে আমি অনুমতি দিলাম৷ আর
আমার বাচ্চা দুইটাকে, সপ্তাহে একটা দিন
আপনার কোলের মধ্যে করে নিয়ে ঘুমাবেন৷৷
【০৩】ও আলী আপনার সাথে আমার তৃতীয় কথা
হল, হাসান হুসাইন যখন বালেগ হবে,তখন দুনো
ভাইকে আল্লাহর
রাস্তায় সপর্দ করে দিবেন৷ এবং আমাকে রাতের
বেলায় দাফন করবেন।
হজরত আলী (রাঃ) বললেনঃ "তুমি নবীর
মেয়ে।
আমি সবখানে খবর দিয়ে তোমায় দাফন করবো।
এতে সমস্যা কি?
হজরত ফাতিমা (রাঃ) বললেনঃ "আামার কাফনের
কাপড়ের
ওপর দিয়ে সবাই অণুমান করবে যে, নবীর
মেয়ে কতটুকু লম্বা ছিলো, কতটুকু সাস্হ ছিলো।
এতে আমার পর্দা ভঙ্গ হবে।"
হজরত ফাতিমা (রাঃ) এর ইন্তেকালের পর
তাঁর লাশের খাটিয়া বহন করার মানুষ
মাত্র তিনজন। হজরত আলী (রাঃ)
এবং শিশু হাসান ও হোসাইন (রাঃ)আনহুমা ৷ হজরত
আলী
ভাবছিলেন
যে, খাটিয়া বহন করার জন্য মানুষ আরও
একজন প্রয়োজন তবেই চার কোনায় চার জন
কাঁধে নিতে পারবেন।
এমন সময় হজরত আবু জর গিফারী (রাঃ) এলেন ও
খাটিয়ার এক কোনা বহন
করলেন। হজরত আলী প্রশ্নকরলেন, ও
আবুজর
আমি তো কাউকে বলিনাই, আপনি জানলেন
কিভাবে ? হজরত আবু জর গিফারী (রাঃ) বলেন,
আমি
আল্লাহর
রসুল (সঃ) কে স্বপ্নে দেখেছি। তিনি বললেন,
হে আবু জর! আমার ফাতিমার লাশ বহন করার জন্য
লোকের অভাব, তুমি তাড়া তাড়ি চলে যাও। ও
আলী
আমাকে তো হুজুরে আকরাম সঃ আসতে
বলছেন ৷
হযরত ফাতিমা রাঃ আনহা কে যখন কবরে
নামাচ্ছেন, তখন হজরত আবু জর গিফারী (রাঃ)
কবরের কাছে গিয়ে কবর কে উদ্দেশ্য করে
বললেন..........
..............................
আতাদরী মানিল্লাতী জি'না বিহা ইলায়কা?
হে কবর, তুই কি জানিস, আজ
তোর মধ্যে কাকে রাখছি?
【০১】
হা-যিহী সায়্যিদাতু নিসায়ী আহলিল জান্নাতী ফা-
তিমাতা
রাঃ আনহা,
এটা জান্নাতের সকল মহিলাদের সর্দার,
ফাতিমা (রাঃ)আনহা৷
কবর থেকে কোন আওয়াজ নাই৷
【০২】
হা-যিহী উম্মূল হাসনাইন রাঃ আনহুমা ,
এটা হযরত হাসান হুসাইন
এর আম্মা ৷
.........................এবার ও কবর থেকে
কোন আওয়াজ নাই৷
【০৩】
হা-যিহী ঝাউযাতু আলিয়্যিন কাররামাল্লাহু ওয়াজহাহ্,
এটা হযরত আলী রাঃ এর স্ত্রী ৷
................................এবার ও কবর থেকে
কোন আওয়াজ নাই৷
【০৪【
হা-যিহী বিনতু রসুলুল্লাহি সল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লাম,
এটা,দো জাহানের বাদশাহের মেয়ে।
........খবরদার কবর
বেয়াদবী করবি
না "
"আল্লাহ্ তায়ালা কবরের জবান খুলে দিলেন, কবর
বললঃ
【০১】আনা বায়তুয-যুলমাতি
আমি অন্ধকার ঘর৷
【০২】আনা বায়তুদ-দূদাতী,
আমি সাপ বিচ্ছ্যুর ঘর৷
【০৩】আনা বায়তুন-নফরাতী,
আমি এমন একটি ঘর,
যার মধ্যে কোন বংশ পরিচয় কাজ হয়না......
"আমি দু' জাহানের বাদশাহের মেয়ে
ফাতিমা কে চিনিনা,
হজরত আলীর স্ত্রীকে চিনিনা,
হাসান হোসাইনের আম্মাকে চিনিনা,
জান্নাতের মহিলাদের সর্দারনীকে চিনিনা,
আমি শুধু চিনি-
ঈমান আর আমল।"
আমার মধ্যে যদি কেহ্ ভাল আমল নিয়ে
আসে তাহলে আমি কবর তাকে জান্নাতের বিছানা
বিছিয়ে দিবো। আর যদি কেহ খারাপ
আমল নিয়ে আসে, তাহলে আমি কবর দু'দিক
থেকে এমন জোরে চাপা দিবো, হাড় মাংস
মিশে একত্রিত হয়ে যাবে!!!
আমার মুসলমান ভাই ও বোনদের উদ্দেশ্য করে
বলছি, একটু
চিন্তা করে দেখুন- যদি নবী (সঃ) এর আদরের
মেয়ে ফাতিমা, যাকে জান্নাতের সর্দারনী বলা
হয়েছে। তার জন্য যদি কবর এমন কথা বলতে
পারে ! তাহলে
আমাদের কি অবস্থা হবে? বুঝতে
পারতেছেন ৷ কিসের আশায় কি চিন্তা করে
আল্লাহর
হুকুম থেকে এতো গাফেল (ভুলে) আছি।
আল্লাহ্ আমাদের সকলকে ঈমান ও নেক আমল
নিয়ে কবরে যাওয়ার. তৌফিক দান করুন।
আমিন।, ইয়া রব্বুল আলামিন।
(সংগৃহীত)

4
BCS Cadre / Some Important vocabularies
« on: May 19, 2018, 12:30:16 PM »
1. Guile -ছলনা করা
2. Pernicious - ক্ষতিকর
3. Precarious - অনিশ্চিত
4. Laggard - ধীরগতি
5. Braggart - দম্ভপূর্ণ /অহংকারী
6. Prodigal - অমিতব্যয়ী /খরুচে
7. Thrift - অমিতব্যয়ী /খরুচে
8. Stingy-কৃপন
9. Raconteur - গল্প কথক/গল্পপটু
10. Anecdote - গল্প/কাহিনী /উপাখ্যান
11. Discern- ঠাহর করা
12. Lullaby - ঘুমপাড়ানি গান

5
BCS Cadre / Very important General Knowledge
« on: May 13, 2018, 12:06:31 PM »

১. বর্তমানে দেশে নদী বন্দর – ৩০ টি
( সর্বশেষ : সুনামগঞ্জ নদী বন্দর)
২. বাংলাদেশের হাওড় অধ্যুষিত জেলা –
৬টি।
সিলেট,সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ,মৌলভীবা
জার,নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ
৩.সম্প্রতি বাংলাদেশ কোন দেশের জন্য
জাহাজ নির্মাণ করেছে- কেনিয়া
৪.বর্তমানে মাথাপিছু আয়- ১৬০২ মা.ড
৫. জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার- ৭.২৪%
৬.বর্তমানে বাংলাদেশে উৎপাদনে শীর্ষ
ফল- আম
৭. জাতীয় ফুটবল দলের নতুন কোচ- Andrew
ord( Australia)
৮.প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার ১০০ দিন
কার্যদিবস এ নির্বাহী আদেশ জারী
করেছেন- ২৬টি
৯. ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রথম সফরে যে
দেশগুলো ভ্রমন করেন- সৌউদি
আরব,ইসরাইল, ফিলিস্তিন ভূখণ্ড,
বেলজিয়াম, ভ্যাটিকান, সিসিলি
১০. সম্প্রতি কাতারের সাথে কুটনৈতিক
সম্পর্ক ছিন্নকারী দেশ- সৌদি আরব,
সংযুক্ত আরব আমিরাত, লিবিয়া,ইয়েমেন
,বাহরাইন,মিশর, মালদ্বীপ(পূর্বে)
১১.দক্ষিন কোরিয়ার ১২ তম প্রেসিডেন্ট –
মুন যে ইন
১২.ফ্রান্সের বর্তমান(২৫তম) প্রেসিডেন্ট
– ইমানুয়েল ম্যাক্রো
১৩. ফ্রান্সের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী –
এডওয়ার্ড ফিলিপ
১৪.WHO এর নতুন প্রধান- তেদ্রস আদহানম
১৫.SIPRI এর মতে সামরিক ব্যয় এ শীর্ষ
দেশ- যুক্তরাষ্ট্র, চীন,রাশিয়া, ভারত
১৬. সর্বশেষ G-7 সম্মেলন ( ৪৩তম) অনুষ্ঠিত
হয়- তাওরমিনা,ইতালি
১৭. সর্বশেষ NATO(২৮তম) সম্মেলন হয়-
ব্রাসেলস, বেলজিয়াম
১৮.বিশ্বের সবচেয়ে দীর্ঘতম রেলপথ – চীন
মাদ্রিদ রেলপথ ( ১৩হাজার কিমি)
১৯. বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম রেলপথ –
চীন লন্ডন রেলপথ (১২ হাজার কিমি)
২০.ইসরাইল এর ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার নাম
– আয়রন ডোম
★ মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা কে ?
–> জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর।
:
★ “দ্বীন ই-ইলাহী” ধর্মের প্রবর্তক কে ?
–> সম্রাট আকবর ।
:
★ তাজমহলের নির্মাতা কে ?
–> সম্রাট শাহজাহান।
:
★ মারাঠা বংশের শ্রেষ্ঠ নরপতি কে
ছিলেন ?
–> শিবাজী।
:
★বাংলাকে ‘জান্নাতাবাদ’ বলে ঘোষণা
করেন কে?
–> হুমায়ুন।
:
★ বুড়িগঙ্গা নদীর পুর্বনাম কি ছিল ?
–> দোলাই খাল বা দোলাই নদী।
:
★ কুতুব মিনার কোথায় অবস্থিত?
–> দিল্লীতে।
:
★ ‘বাংলার আকবর’ বলা হয় কাকে?
–> আলাউদ্দিন হোসেন শাহকে।
:
★ সুলতান মাহমুদ কতবার ভারত আক্রমণ
করেন ?
–> ১৭ বার।
** বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনীর দ্বিতীয়
গ্রন্থের নাম –রোজনামচা। প্রকাশ : ১৭
মার্চ ২০১৭। প্রকাশক :
বাংলা একাডেমি।
.
** “সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড ” —
বাংলাদেশের একটি খাতের নাম।
.
** ফরাসি ভাষায় ‘অসমাপ্ত
আত্মজীবনী’ প্রকাশিত হয় — ২৬ মার্চ
২০১৭।
.
** বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ ফরাসি
ভাষায় অনুবাদ করেন –প্রফেসর ফ্রান্স
ভট্টাচর্য।
.
** হিন্দি ভাষায় ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’
প্রকাশিত হয় — ৮ এপ্রিল ২০১৭।
.
** বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ হিন্দি
ভাষায় অনুবাদ করে — ভারতের পররাষ্ট্র
মন্ত্রণালয়।
.
** বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ আরবি
ভাষায় অনুবাদ করে — ফিলিস্তিনি
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
.
** লাল গ্রহ বলা হয় — মঙ্গল গ্রহকে।
.
** পৃথীবিতে স্থলভাগের আয়তন — ২৯%।
.
** পৃথীবির প্রথম কৃত্রিম উপগ্রহ — স্পুটনিক
১।
.
** পৃথীবিতে জলভাগের আয়তন — ৭১%।
.
** স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল ধাতু
হচ্ছে — পারদ।
.
** সবচেয়ে ভারী তরল পদার্থ — পারদ।
.
** বাংলাদেশি স্থপতি স্থাপত্য
শিল্পের আইনস্টাইন নামে পরিচিত —
এফ আর খান
(সংগৃহীত)

7
বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ সফল


বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ সফল

ঢাকা: বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ এর পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ সফল হয়েছে বলে দাবি করেছে আমেরিকার বেসরকারি মহাকাশ গবেষণা ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স।

স্যাটেলাইটটি উৎক্ষেপণের দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠানটি এক টুইটার বার্তায় জানিয়েছে, ফ্লোরিডার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে অরল্যান্ডোর কেনেডি স্পেস সেন্টারে সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ চালানো হয়।

‘স্ট্যাটিক ফায়ার টেস্ট’ নামের এই পরীক্ষায় স্যাটেলাইটটির উৎক্ষেপণযান ‘ফ্যালকন-৯’ এ কোনো ত্রুটি ধরা পড়েনি।


স্পেসএক্সের নতুন ভার্সনের ‘ফ্যালকন-৯’ রকেটের গর্জন শোনা গেছে কেনেডি স্পেস সেন্টারের ব্লক ৫ এ। তাই এটি সম্পূর্ণ কার্যকর। এর ফলে বাণিজ্যিক যোগাযোগ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের পথ তৈরি হয়েছে। এখন এই পরীক্ষা থেকে পাওয়া তথ্য স্পেস এক্সের সদর দফতর লস অ্যাঞ্জেলসে পাঠানো হয়েছে।

তথ্য পর্যালোচনা শেষে দ্রুতই উৎক্ষেপণের তারিখ নির্ধারণ করা হবে বলেও টুইটে উল্লেখ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটটি নির্মাণ করেছে। এটি তৈরির জন্য ২০১৫ সালের ১১ নভেম্বর বিটিআরসির সঙ্গে টার্ন কি পদ্ধতি কোম্পানিটির চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস কয়েক মাস আগে ৩ দশমিক ৭ টন ওজনের ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’-এর প্রস্তুতের কাজ শেষ করে ফ্রান্সের কানে একটি ওয়ার হাউসে রাখে। বৃহস্পতিবার সেখান থেকে মহাকাশে উৎক্ষেপণের জন্য ফ্লোরিডায় পাঠানো হয়। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পেসএক্সের ‘ফ্যালকন-৯’ রকেটে করেই বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে পাঠানো হবে।

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে গেলে নিজস্ব স্যাটেলাইটের অধিকারী বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটবে বাংলাদেশের। এছাড়া এই স্যাটেলাইট স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাদেশের যেমন নির্ভরতা কমবে অন্য দেশের ওপর, তেমনি দেশের অভ্যন্তরীণ টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসবে।
(প্রযুক্তি ডেস্ক)

8
জন্ম                   সোমবার,১২ রবিউল আউয়াল, ৮ জুন ৫৭০ খ্রীষ্টাব্দ
১-৫ বছর             ধাত্রী মা হযরত হালিমার ঘরে অবস্থান
৬ষ্ঠ বছর             মা হারা শিশু বালক
৬-৭ বছর            দাদা আব্দুল মোত্তালিবের নিকট
৮-২৫ বছর          চাচা অাবু তালিবের নিকট
২৫তম বছর          বিবি খাদিজার সাথে বিবাহ বন্ধন
নবুয়াত লাভ          ১৭ রমজান, ১লা ফেব্রুয়ারী, ৬১০ খ্রীষ্টাব্দ
মক্কায় অবস্থান       নবুয়াতের পর প্রথম ১৩ বছর এক আল্লাহ ও সৎ জীবন যাপনের জন্য অাহ্বান
পুত্রগণ                  কাসিম, আবদুল্লাহ, ইবরাহিম
কন্যাগণ                জয়নব, রুকাইয়াহ, উম্মে কুলসুম, ফাতিমা
হিযরত                  ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে মদিনায় হিজরত করেন 


9
লবণ-লেবু দূর করবে শরীরের হাজারো সমস্যা!
==========================
পাতিলেবুর গুণাগুণ নিয়ে ইতোমধ্যেই যথেষ্ট চর্চা হয়ে গেছে। ভিটামিন ও অ্যাসিডের যথাযথ সমন্বয় একটি পাতিলেবুকে অব্যর্থ অ্যান্টিসেপ্টিক হিসেবে কাজ করতে সমর্থ করে, তা ডাক্তাররাও স্বীকার করেন। পাতিলেবুর কিছু অসামান্য গুণের কয়েকটি নিয়ে আলোচনা করা হলো-

যারা খুস্কির সমস্যায় ভুগছেন, তারা গোসলের মিনিট দশেক আগে চুলের গোড়ায় যদি পাতিলেবুর রস ম্যাসাজ করেন, আর তারপর শ্যাম্পু করে গোসল করেন, তাহলে খুস্কির হাত থেকে মুক্তি মিলবে।

শরীরের যেসব জায়গায় চামড়া মোটা এবং শুষ্ক (যেমন গোড়ালি, কনুই, কিংবা হাঁটু) সেই সমস্ত জায়গায় পাতিলেবুর রস ঘোষতে হবে। তাহলে কয়েক দিনের মধ্যেই চামড়া নরম হয়ে যাবে।

নিয়মিত লেবুর রসের শরবৎ পান করলে অতিরিক্ত মেদ ঝরে যাবে।

কিন্তু সম্প্রতি অলটারনেটিভ মেডিসিন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার অফ সিডনি একটি গবেষণায় জানিয়েছে, পাতিলেবুর রসের উপকারিতা পেতে সবসময় যে তা সেবন করতে হবে কিংবা শরীরে প্রয়োগ করতে হবে, তা নয়। অন্যভাবেও উপকার পাওয়া যেতে পারে লেবুর।

গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, প্রতি রাতে একটি পাতিলেবুকে মাঝ বরাবর দু’ টুকরো করে তাতে একটু লবণ মাখিয়ে রেখে শোওয়ার বিছানার পাশে, মাথা থেকে সামান্য দূরে রাখতে হবে। তাতেই শরীরের দারুণ উপকার হবে।

সম্প্রতি অলটারনেটিভ মেডিসিন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার অফ সিডনি একটি গবেষণায় এমন বিষয় উঠে এসেছে। পাঠকদের জন্য পাতিলেবুর কিছু অসামান্য গুণের কয়েকটি নিয়ে আলোচনা করা হলো-

পাতিলেবু এবং লবণ ঘরের বাতাসকে পরিশোধিত করতে সাহায্য করে।

সারারাত বিশুদ্ধ বাতাস গ্রহণের ফলে ব্যক্তির মনঃসংযোগ, কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। পাশাপাশি শ্বাসযন্ত্রের উন্নতি হয় এবং মেজাজও ভালো থাকে।

ব্যক্তির সর্দি বা গলা ব্যথার মতো সমস্যা থাকলে এই কৌশলে খুব ভাল কাজ দেবে। মাথার কাছে লবণ-লেবু রেখে ঘুমালে নাক বন্ধের সমস্যা থেকে যেমন মু‌ক্তি মিলবে তেমনই অনেকটা গলা ব্যথাও কমবে।
[সংগৃহীত]

10
BCS Cadre / Latest general knowledge
« on: April 25, 2018, 03:58:22 PM »
১। স্টিফেন হকিং মারা যান কবে, কত বছর বয়সে?
#১৪মার্চ, ২০১৮। (৭৬ বছর)
২। নেপালে বিদ্ধস্ত বিমানটি কোন মডেলের,
বিমানের
কোড নম্বর কত?
#US Bangla Airline, Model২১১
৩। ক্রিকেটে সর্বশেষ ওয়ানডে স্ট্যাটাস প্রাপ্ত
দেশের
নাম কী?
#নেপাল
৪। সুখী দেশের তালিকায় বাংলাদেশ কততম?
#১১৫তম
৫। দক্ষিণ আফ্রিকার নতুন প্রেসিডেন্টের নাম
কী?
#সিরিল রামাফোসা
৬। ২০১৮ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন
কতজন?
#১৮জন
৭। শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ কোনটি?
#সোমালিয়া
৮। আগামী কমনওয়েলথ গেমস অনুষ্ঠিত হবে
কোথায়?
#গোলকোষ্ট , অস্ট্রেলিয়া
৯। স্টিফেন হকিং কোন রোগে আক্রান্ত ছিলেন?
#Neurone
১০। বর্তমান প্রধান বিচারপতি কে এবং কত তম?
#সৈয়দ মাহমুদ হাসান, ২২ তম।
১১। শেখ হাসিনা সেনানিবাস কোথায় অবস্থিত?
#লেবুখালী, পটুয়াখালী
১২। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সর্বকনিষ্ঠ অধিনায়ক
কে
হলেন?
#রাশিদ খান (আফগানিস্তান)
১৩। প্রথম কোন শহর শীতকালীন ও
গরমকালীন অলিম্পিক
আয়োজন করবে?
#বেজিং
১৪। সম্প্রতি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প
কোন
জিনিসকে ব্যান করলেন?
#bumb -stock devices
১৫। সম্প্রতি কোন মুসলিম দেশ মহিলাদের
মিলিটারিতে
নিয়োগের সম্মতি দিলো?
#সৌদি আরব
১৬। চতুর্থ প্রজন্মের (ফোর-জি)
টেলিযোগাযোগ সেবা
চালু হয় কবে?
#১৯ফেব্রুয়ারি (২০১৮)
১৭। সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ?
#নিউজিল্যান্ড
১৮। অস্ট্রেলিয়ার প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি
হিসেবে
দায়িত্ব গ্রহণ করেন কে?
#সুসান কাইফেল
১৯। দেশের ইতিহাসের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা
#২.৬ ডিগ্রী,পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়।
২০। বাংলাদেশের কোনটিকে ২০১৮ সালের
product of the
year ঘোষণা করা হয়?
#ওষুধ
২১। বাংলাদেশ পুলিশের নতুন আইজিপির নাম কি?
#ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী। তিনি দেশের
২৯তম
আইজিপি।
২২। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ওয়াচ টাওয়ারের নাম কি?
#জ্যাকব টাওয়ার, এর উচ্চতা ২২৫ ফুট। এটি ভোলা
জেলার
চরফ্যাশনে অবস্থিত।
২৩। বাংলাদেশের প্রথম ছয় লেনের ফ্লাইওভার
কোথায়
অবস্থিত?
#ফেনীর মহিপালে। এর মুল দৈর্ঘ্য ৬৯০ মিটার।
উদ্বোধন
করা হয় ৪ জানুয়ারি ২০১৮।
২৪। বিশ্বের সর্বশেষ প্রচলিত মুদ্রার নাম কি?
#South Sdanese Pound(SSP)।
২৫। বর্তমানে জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃত প্রচলিত
মুদ্রার সংখ্যা
কত?
#১৮০টি ।
২৬। বিশ্বের বৃহত্তম উভচর উড়োজাহাজ, এটি
চীনের তৈরি।
তার নাম কি?
#AG600
২৭। 2022 সালের শীতকালীন অলিম্পিক কোথায়
অনুষ্ঠিত
হবে?
বেইজিং, চীন
২৮। বর্তমানে বাংলাদেশের মন্ত্রিসভায়
টেকনোক্র্যাট
মন্ত্রী কতজন?
#৪জন
২৯। মহাগ্রন্থ আল কুরআনের আদলে দেশের
প্রথম
কুরআন ভাস্কর্য কোথায় তৈরি করা হয়?
#কসবা,ব্রাহ্মণবাড়িয়া। ভাস্কর্যটির উচ্চতা ১৬ ফুট এবং
প্রস্থ ৮
ফুট। ঢাবির কামরুল হাসান শিপন এটির ডিজাইন করেন।
৩০। SpaceX এর প্রতিষ্ঠাতার নাম কি?
#এলন মাস্ক
৩১। 2018 বিশ্ব ধর্ম সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত
হলো?
#বিহার
৩২। বাংলাদেশে কোন তারিখে প্রথম মুদ্রার
প্রচলন হয়?
#১৯৭৩ সালে বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ৫, ১০, ২৫ এবং
৫০ পয়সা
মূল্যের ধাতব মুদ্রার প্রচলন করা হয়। ( কাগুজে
নোট ৪ মার্চ
,১৯৭২)
৩৩। বাংলাদেশের Smart Card কোন দেশে তৈরি
হয়?
#ফ্রান্স
৩৪। বিশ্বের প্রথম জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো?
#মিসরের আলেকজান্দ্রিয়াতে
৩৫। বর্তমান অর্থ সচিব কে?
#মোহাম্মদ মুসলিম চৌধুরী


11
BCS Cadre / Re: Vocabulary from Newspaper (Part 1)
« on: April 22, 2018, 10:57:23 AM »
Very good initiative

12
BCS Cadre / Re: Shortcut Tips for BCS and other jobs
« on: February 23, 2018, 04:55:01 PM »
Welcome

13
যেভাবে পাব্লিশ করবেন আপনার গবেষণা- থিসিস থেকে জার্নাল পেপার

শুরুতেই বলে নেই, এই লেখাটি যারা গবেষণা জগতে নতুন, প্রথমবারের মত আপনার আর্টিকেল কোন জার্নালে প্রকাশ করতে চান, তাদের জন্য। আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অনেক আন্ডারগ্রাজুয়েট থিসিস আছে যা ভালো জার্নালে প্রকাশ করা সম্ভব। কিন্তু অনেক শিক্ষক এ ব্যাপারে উদাসীন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ততোধিক। শুধুমাত্র পাস করার জন্য লেখা হলেও, অনেক থিসিসের গুনগত মান আন্তর্জার্তিক জার্নালে প্রকাশ করার মত। এগুলো পরবর্তীতে বিভিন্ন স্কলারশিপ পেতে ছাত্রদের যেমন সাহায্য করবে, তেমনি শিক্ষকদের বাইরের বিশ্ববিদ্যালয়ে রিসার্চ ফেলো/ পোস্ট ডক্টোরাল ফেলো হিসাবে মনোনায়ন পেতেও গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখে। বাইরের দুনিয়ায় ছাত্র-শিক্ষকদের উন্নতমানের পেপার লিখতে উৎসাহ দিতে আর্থিক পুরস্কার দিয়ে থাকে। কিন্তু আমাদের দেশে এখনো গবেষনা প্রকাশণাকে তেমনভাবে স্বীকৃতি দেয়া হয় না। মনে রাখতে হবে, রিসার্চ পাব্লিকেশন আমাদের দেশের ও ভার্সিটির নাম আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিয়ে যায়। এটি রিসার্চ কোলাবোরেশন ও আন্তর্জার্তিক গবেষণা অনুদান আনতেও বিশেষ ভুমিকা পালন করে।

১। কিভাবে আপনার থিসিসকে পেপারে রূপান্তর করবেন?
আন্ডারগ্রাজুয়েট ও পোস্ট-গ্রাজুয়েট শিক্ষার্থীদের থিসিস জমা দেবার পরে, সেটাকে পেপারে রূপ দেয়া খুবই সহজ একটি কাজ। পেপারের মূল গঠন থিসিসের চেয়ে অনেক কম হয়ে থাকে। ৬০০০শব্দে হয়ে যেতে পারে একটি পরিপূর্ন জার্নাল পেপার। থিসিস থেকে কাট ছাট করার এই প্রক্রিয়াটি করার জন্য দরকার হবে ২/৪ দিন সময়।
প্রথমে একটি আউটলাইন তৈয়ার করুন। যেমনঃ
১।টাইটেল ২।এবস্ট্রাক্ট ৩।কী-ওয়ার্ড ৪। ইন্ট্রোডাকশন ৪।বিষয় ভিত্তিক আলোচনা ১ ৫। বিষয় ভিত্তিক আলোচনা ২ ৬।রেজাল্ট ও ডিস্কাশন
৭।একনলেজমেন্ট ৮।কনক্লুশন ৯।রেফারেন্স
এরপর এই কাঠামোর ভেতরে লিখতে থাকেন।
১.ক। থিসিসের টাইটেল টিকে জার্নাল পেপারের টাইটেল হিসেবে চালিয়ে দিতে পারেন, অথবা কিছু স্পেসিফিক কি-ওয়ার্ড জুড়ে দিয়ে সুন্দর-সংক্ষিপ্ত কিন্তু বিশ্লেষনাত্মক একটি প্রাসঙ্গিক শিরোনাম দিতে পারেন। অথারলিস্টে শিক্ষার্থীর নাম, সুপারভাইজারের নাম ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ন অব্দান যারা রেখেছেন তাদের নাম থাকা উচিত। এফিলিয়েশনে ভার্সিটির নামের সাথে ঠিকানায় একটি ভাল ইমেইল এড্রেস দিন। পূর্ণ নাম যুক্ত ইমেল এড্রেস দেয়াই প্রচলিতরীতি।
১.খ। এবস্ট্রাক্টটি সংক্ষিপ্ত হতে হবে। সাধারনত ৫০০ বা তার কম শব্দের মদ্ধ্যেই পুরো লেখার সারমর্ম এই অংশে প্রকাশ করতে হয় , জার্নালের গাইড লাইন অনুযায়ী। অবশ্যই আপনার পেপারের গুরুত্ব বুঝিয়ে কিছু ভুমিকা দিতে হবে। এরপরে খুব সংক্ষেপে পেপারে মূল কি বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে, কি কি মেথড ব্যবহার হয়েছে তার উল্লেখ থাকতে হবে। রেসাল্ট-ডিস্কাশন থেকে ধার করে কিছু রেজাল্টও এই অংশে যুক্ত করতে হবে।
১. গ। কী-ওয়ার্ডঃ ৫/৬ টি শব্দ নির্বাচনের মাধ্যমে আপনার লেখাটির মূল বিষয় ও সীমানা পরিস্কার করে ফেলতে হবে। কীওয়ার্ড হিসাবে বৈজ্ঞানিক টার্ম, প্যামিটারেরগুলোর নাম ব্যবহার করা যেতে পারে। টাইটেল থেকেও কিছু মূল শব্দ ধার করতে পারেন।
১.ঘ। থিসিসের ইন্ট্রোডাকশন থেকে নির্বাচিত অংশ নিয়ে জার্নাল পেপারের ইন্ট্রোডাকশন হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। ইন্ট্রোডাকশন সাম্প্রতিক রেফারেন্সযুক্ত করা উচিত, বিশেষ করে যেই জার্নালে পাঠাবেন- সেই জার্নালে প্রকাশিত কিছু পেপার অবশ্যই যুক্ত করুন। এই অংশে লেখার স্কোপ, তাতপর্য, গুরুত্ব, উদ্দেশ্য, আপনার পেপারের মূল আলোচ্য সমস্যার বর্নণা থাকতে হবে।
১. ঙ। বিষয় ভিত্তিক আলোচনাঃ এই অংশটি লিটারেচার রিভিউ থেকে নিতে পারেন। পেপারের রেজাল্টগুলোর প্যারামিটারগুলো বর্ননা করতে পারেন। যেসব ইকুপমেন্ট-যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়েছে তার পরিচিতি ও একুরেসী দিতে হবে। এই অংশে যে মেথডলজি এই পরীক্ষার ব্যবহার করা হয়েছে, সেটাও থাকতে হবে।
১.চ। রেজাল্ট ও ডিস্কাশনে গ্রাফ ও টেবিল থাবে। প্রতিটি টেবিল ও গ্রাফের/চার্টের বর্ননা পাশাপাশি থাকতে হবে। ডিস্কাশনে প্রাসঙ্গিক কিছু পেপারের রেজাল্টের সাথে তুলনা থাকতে পারে।
১.ছ।কনক্লুশনঃ রেজাল্টে প্রাপ্ত গুরুত্বপূর্ন তথ্য এইখানে পয়েন্ট আকারে লিখুন। থিসিসে অনেক বড় করে লিখা থাকলে, সেখান থেকে কেটে ছেটে সংক্ষেপে দিন। অবশ্যি কিছু নিউমারিক রেজাল্ট থাকতে হবে, শুধু তুলনামূলক আলোচনা থাকলে চলবে না।
১.জ। একনলেজমেন্টঃ আপনার ল্যাব এসিস্টেন্ট, সহকারী, পরামর্শদাতা, আর্থিক সাহায্যকারী প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম এই অংশে উল্লেখ করুন।
১.ঝ। রেফারেন্সঃ রেফারেন্স লিখার অনেক পদ্ধতি আছে। আপনি যে জার্নালে পাঠাবেন, সেখানে কোন পদ্ধতিতে লিখতে বলছে সে অনুযায়ী সাজান। যেমনঃ হার্ভার্ড, নাম্বারিং সিস্টেম। রেফারেন্স সাজানোর অনেক সফটওয়ার আছে, যেমনঃ END NOTE(http://www.endnote.com/ ), ProCite (http://www.procite.com/ ) ইত্যাদি। ইউটিউব থেকে এগুলোর ব্যবহারবিধি সহজে শিখতে পারবেন।
২। কোথায় পাব্লিশ করবেন আপনার আর্টিকেল?
অনেক জার্নাল আছে, অনেক কনফারেন্স হচ্ছে প্রতি বছর আপনার বিষয়ে। কনফারেন্স পেপারের চেয়ে অনেক ক্ষেত্রেই জার্নাল পেপারের মূল্য বেশি। সঠিক জার্নাল নির্বাচন আপনার পেপারকে দ্রুত পাব্লিশ করতে সহায়তা করে। শুরুতেই আপনার বিষয়ে কোন জার্নালগুলো ভালো, তা বুঝার জন্য আপনি যেসব পেপার সাইট করেছেন পেপারে, সেগুলো কোন জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে তা দেখে নিন। ১০-১৫টি জার্নালের একটি তালিকা তৈরী করুন। এবার একটি করে জার্নাল সার্চ করে তার ওয়েবসাইটে গিয়ে ভালো করে নিচের তথ্যগুলো টুকে নিন।
ক. স্কোপ
খ. ইস্যু/ইয়ার
গ. ইম্প্যাক্ট ফেক্টর
ঘ. এডিটরের নাম ও ইমেইল ঠিকানা
এবার স্কোপ পড়ে নিশ্চিত হোন, কোন কোন জার্নাল আপনার বিষয়ের পেপার প্রকাশ করে। ইস্যু সুংখা প্রতি বছরে ৪ এর বেশি হলে বুঝবেন জার্নালটির প্রচুর পেপার দরকার হয়। এরমানে এদের সম্পাদনা ব্যবস্থা বেশ দ্রুত, আপনার লেখাটি প্রকাশ হবে কিনা তা দ্রুত জানাবে। কিছু জার্নাল ১ বছর পর এক্সেপ্ট করে, কিছু জার্নাল ৩মাস এর মধ্যেও এক্সেপ্ট করে। ১০দিনেও অনেক পেপার এক্সেপ্ট হয়েছে দেখা যায়। তাই পেপার সাবমিট করে ধৈর্য্য নিয়ে অপেক্ষা করতে হবে। স্কোপ নিয়ে কোন সন্দেহ থাকলে জার্নালের এডিটর বরাবর ইমেইল করে নিশ্চিত হতে পারেন (আপনার পেপারের টাইটেল ও এবস্ট্রাক্ট দিতে হবে)।
এরপরে আসে ইম্প্যাক্ট ফেক্টর। এটা আসলে বুঝায়, জার্নাল্টির পেপারগুলো কত বেশি অন্য পেপার দ্বারা সাইটেড হয়। উচ্চ ইম্প্যাক্টের জার্নালে পাব্লিশ করা কঠিন, কারন সেখানে লেখা পাব্লিশ করার জন্য অনেক পেপার এডিটরের কাছে আসে। কারন উচ্চ ইম্প্যাক্ট যুক্ত জার্নালে পাব্লিশ করা যেমন সম্মানের তেমনি এতে অনেক সাইটেশন পাবার সম্ভাবনা থাকে। ইম্প্যাক্ট ফেক্টর ৫ মানে, জার্নাল্টির প্রতিটি পেপার গড়ে ৫টি করে সাটেশন পায় প্রতি বছর।
খেয়াল করে দেখবেন, অনেক জার্নালে পেপার পাব্লিশ করলে তারা লেখকের কাছ থেকে পাব্লিশ করার জন্য টাকা নিয়ে থাকে (৫০০-১০০০ডলার)। আবার অনেক জার্নালে ফ্রি পাব্লিশ করে। আপনার সংগতি বুঝে জার্নাল নির্ধারন করুন।
ISI ইন্ডেক্সড জার্নাল খুজতে পারেন । SCOPUS ইন্ডেক্সড জার্নাল খুজতে পারেন।
৩। কিভাবে পাঠাবেন আপনার পেপার?
অধিকাংশ জনপ্রিয় আন্তর্জাতিক জার্নালে পেপার পাঠানোর অনলাইন সিস্টেম আছে, যেখানে আপনাকে রেজিস্ট্রেশন করে পেপারটির ফাইল আপ্লোড করতে হবে। আবার অনেক জার্নালে সোজাসুজি ইমেইল করলেই হয়। আপ্লোড করার আগে খেয়াল করে জার্নালের ‘অথার গাইডলাইন’ পড়ে পেপারটির ফরম্যাট করুন।
পাঠিয়ে দেবার আগে একটি কভার লেটার লিখুন, যেখানে ফরমালি এডিটর সাহেবকে আপনার পেপারটি পাব্লিশ করার অনুরোধ জানিয়ে একটি চিঠি দিবেন। অবশ্যই আপনার পুরো নাম ও ইউনিভার্সিটির ডিপার্টমেন্টের ঠিকানা ব্যবহার করবেন চিঠির শেষে। লেখা শেষ হলে খুব সতর্ক হয়ে লেখার ফ্লো, বর্ননার খুত, গ্রামারের ভুল-চুকগুলো শুধরে নিন। এরপর সাবমিট করে অপেক্ষা করুন রিভিয়ারের কমেন্টের।

কার্টেসি: জায়েদ এম. এইচ, পিএইচডি শিক্ষার্থী, মোনাশ ইউনিভার্র্সিটি।

14
Library of DIU / Turnitin software
« on: February 14, 2018, 04:07:35 PM »
DIU library has inaugurated a turnitin software to check plagiarism of project reports/ theses/ internship  reports and all types of scholastic research work to protect copyright ©.
It's demand of the present era to evaluate the information. The link is The link https://turnitin.com/login_page.asp?lang=en_us/ http://turnitin.com/ For manual process please see the attachment. Student can submit their project reports to projectreport@diu.edu.bd for plagiarism check

15
BCS Cadre / Math shortcut solution
« on: October 21, 2017, 10:28:21 AM »
১. বর্গের অন্তর বা প্রার্থক্য দেওয়া থাকলে, বড় সংখ্যাটি নির্ণয়ের ক্ষেত্রে-
# টেকনিক ১. বড় সংখ্যা = (বর্গের অন্তর + 1)÷2
# প্রশ্নঃ দুইটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর যদি 47 হয় তবে বড় সংখ্যাটি কত?
# সমাধানঃ বড় সংখ্যা = (47+1)/2=24 (উঃ)
২. দুইটি বর্গের অন্তর বা প্রার্থক্য দেওয়া থাকলে,ছোট সংখ্যাটি নির্ণয়ের ক্ষেত্রে-
# টেকনিক ২. ছোট সংখ্যাটি = (বর্গের অন্তর - 1)÷2
# প্রশ্নঃ দুইটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর 33। ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি কত হবে?
# সমাধানঃ ছোট সংখ্যাটি = (33-1)÷2=16 (উঃ)
৩. যত বড়....তত ছোট/ তত ছোট....যত বড় উল্লেখ থাকলে সংখ্যা নির্নয়ের ক্ষেত্রে-
# টেকনিক ৩. সংখ্যাটি = (প্রদত্তসংখ্যা দুটির যোগফল)÷2
# প্রশ্নঃ একটি সংখ্যা 742 থেকে যত বড় 830 থেকে তত ছোট। সংখ্যাটি কত?
# সমাধানঃ সংখ্যাটি = (742+830)÷2 = 786 (উঃ)
৪. দুইটি সংখ্যার গুনফল এবং একটি সংখ্যা দেওয়া থাকলে অপর সংখ্যাটি নির্নয়ের ক্ষেত্রে-
# টেকনিক ৪. সংখ্যা দুটির গুনফল÷একটি সংখ্যা
# প্রশ্নঃ 2টি সংখ্যার গুনফল 2304 একটি সংখ্যা 96 হলে অপর সংখ্যাটি কত?
# সমাধানঃ অপর সংখ্যাটি = (2304÷96) = 24 (উঃ)
নৌকা ও স্রোত সংক্রান্ত সমস্যা
নিয়ম-১: নৌকার গতি স্রোতের অনুকূলে ঘন্টায় ১০ কি.মি. এবং স্রোতের প্রতিকূলে ২ কি.মি.।স্রোতের বেগ কত?
# টেকনিক ১. স্রোতের বেগ = (স্রোতের অনুকূলে নৌকার বেগ – স্রোতের প্রতিকূলে নৌকার বেগ) /২
= (১০ – ২)/২
= ৪ কি.মি.
নিয়ম-২: একটি নৌকা স্রোতের অনুকূলে ঘন্টায় ৮ কি.মি. এবং স্রোতের প্রতিকূলে ঘন্টায় ৪ কি.মি. যায়। নৌকার বেগ কত?
# টেকনিক ২. নৌকার বেগ = (স্রোতের অনুকূলে নৌকার বেগ+স্রোতের প্রতিকূলে নৌকার বেগ)/২
= (৮ + ৪)/২
= ৬ কি.মি.
নিয়ম-৩: নৌকা ও স্রোতের বেগ ঘন্টায় যথাক্রমে ১০ কি.মি. ও ৫ কি.মি.। নদীপথে ৪৫ কি.মি. পথ একবার যেয়ে ফিরে আসতে কত সময়লাগবে?
# উত্তর: স্রোতের অনুকূলে নৌকারবেগ = (১০+৫)=১৫ কি.মি. স্রোতের প্রতিকূলে
নৌকার বেগ = (১০-৫) = ৫ কি.মি.
# টেকনিক ৩. মোট সময় = [(মোট দূরত্ব/অনুকূলে বেগ) +(মোট দূরত্ব/প্রতিকূলে বেগ)]
= [(৪৫/১৫) + (৪৫/৫)]
= ৩ + ৯
= ১২ ঘন্টা
নিয়ম-৪: একজন মাঝি স্রোতের অনুকূলে ২ ঘন্টায় ৫কি.মি. যায় এবং ৪ ঘন্টায় প্রথম অবস্থানে ফিরে আসে। তার মোট ভ্রমণে প্রতি ঘন্টায় গড় বেগ কত?
উত্তর:
# টেকনিক ৪. গড় গতিবেগ = (মোট দূরত্ব/মোট সময়)
= (৫+৫)/(২+৪)
= ৫/৩ মাইল
নিয়ম-৫: এক ব্যক্তি স্রোতের অনুকূলে নৌকা বেয়ে ঘন্টায় ১০ কি.মি. বেগে চলে কোন স্থানে গেলএবং ঘন্টায় ৬ কি.মি. বেগে স্রোতের প্রতিকূলে চলে যাত্রারম্ভের স্থানে ফিরে এল। যাতায়াতে তার গড় গতিবেগ কত?
# টেকনিক ৫. গড় গতিবেগ = 2mn/(m+n)
= (২ x ১০ x ৬)/(১০+৬)
= ১৫/২ কি.মি
কাজ ও সময় সম্পর্কিত শর্টকাট সূত্র
টাইপ–১: যদি কাজ, সময় এবং লোক উল্লেখ থাকে তাহলে ২য় সময় নির্ণয় করতে
টেকনিক: M1 x T1=M2 x T2; T2=M1 x T1/M2
এখানে, M1= ১ম লোক, M2=২য় লোক, T1 = ১ম সময়, T2 = সময়
যেমনঃ ১০ জন লোক একটি কাজ ২০ দিনে করতে পারে। ৮ জন লোকের ঐ কাজ কত দিনে করতে পারে ?
উত্তর : T2=M1 x T1/M2
=১০ x ২০/৮=২০০/৮=২৫ দিন
টাইপ–২ : যদি কাজের ক্ষেত্রে পুরুষ =স্ত্রী/ বালক বা স্ত্রী=পুরুষ/বালক এবং T1 (১ম সময়) উল্লেখ থাকে তাহলে টেকনিক: T2=T1÷M3/M1 + M4/M2
উদাহরণঃ ২ জন পুরুষ বা ৩ জন বালক যে কাজ ১৫ দিনে সম্পন্ন করতে পারে ৪ জন পুরুষ ও ৯ জন বালক তার দ্বিগুন কাজ কত দিনে করতে পারে ?
উঃ T2=T1÷ (M3/M1+M4/M2)
=১৫÷(৪/২+৯/৩) = ১৫÷৫ =৩ দিন
টাইপ–৩: কোন কাজ দু’জন নির্দিষ্ট সময় পৃথকভাবে শেষ করলে একত্রে কাজ করার ক্ষেত্রে
টেকনিক: প্রয়োজনীয় সময় = ১ম সময়(m) x ২য় সময়(n)/(১ম সময়(m) + ২য় সময়(n)).
যেমনঃ একটি কাজ অভি একা ৬ দিনে এবং ফয়সাল ১২ দিনে শেষ করলে অভি ও ফয়সাল একত্রে কাজটি কত দিনে শেষ করতে পারবে ?
উঃ প্রয়োজনীয় সময়= ৬ x ১২/(৬ + ১২)=৭২/১৮= ৪ দিন
টাইপ–৪: কোন কাজ দু’জনে নির্দিষ্ট সময় একত্রে করতে পারে একজনের একা কাজটি শেষ করার ক্ষেত্রে টেকনিক: প্রয়োজনীয় সময় =১ম সময়(m) x ২য় সময় (n)/১মসময় (m) – ২য় সময় (n)
সমস্যাঃ একটি কাজ পুষ্পা এবং সানা ১২ দিনে এবং পুষ্পা একা ২০ দিনে শেষ করলে সানা একা কাজটি কত দিনে শেষ করতে পারবে ?
উঃ প্রয়োজনীয় সময়= ২০ x ১২/২০-১২=২৪০/৮=৩০ দিন
টাইপ–৫: দুই ব্যক্তি কাজ শুরু করার পর একজন চলে গেলে কাজ শেষ হওয়ার সময়, যদি একজনের কাজের সময় অপর জনের দ্বিগুণ হয় তবে
টেকনিক: কাজ শেষ হওয়ার সময়= ২÷৩ x (D1 + D2); এখানে, D1= ১ম সময়, D2= ২য় সময়
যেমন: সানা একটি কাজ ১২ দিনে এবং অভি ২৪ দিনে করতে পারে। তারা একত্রে কাজ শুরু করে এবং কয়েকদিন পর সানা কাজটি অসমাপ্ত রেখে চলে যায়, বাকি কাজটুকু অভি ৩ দিনে শেষ করে। কাজটি কত দিনে শেষ হয়েছিল ?
উঃ কাজ শেষ হওয়ার সময়= ২÷ ৩ x (১২+৩)= ১০দিনে।
সুদকষা
টেকনিক-১ : যখন মূলধন, সময় এবং সুদের হার সংক্রান্ত মান দেওয়া থাকবে
তখন- সুদ বা মুনাফা = (মুলধন x সময় x সুদেরহার) / ১০০
প্রশ্ন : ৯.৫% হারে সরল সুদে ৬০০ টাকার ২ বছরের সুদ কত?
সমাধান : সুদ বা মুনাফা = (৬০০ x ২ x ৯.৫) / ১০০ = ১১৪ টাকা
টেকনিক-২ : যখন সুদ, মূলধন এবং সুদের হার দেওয়া থাকে
তখন – সময় = (সুদ x ১০০) / (মুলধন x সুদের হার)
প্রশ্ন : ৫% হারে কত সময়ে ৫০০ টাকার মুনাফা ১০০ টাকা হবে?
সমাধান : সময় = (১০০ x ১০০) / (৫০০ x ৫) = ৪ বছর
টেকনিক-৩ : যখন সুদে মূলে গুণ হয় এবং সুদের হার উল্লেখ থাকে
তখন – সময় = (সুদেমূলে যতগুণ – ১) / সুদের হার x ১০০
প্রশ্ন : বার্ষিক শতকরা ১০ টাকা হার সুদে কোন মূলধন কত বছর পরে সুদে আসলে দ্বিগুণ হবে?
সমাধান : সময় = (২– ১) /১০ x ১০০ = ১০ বছর
টেকনিক-৪ : যখন সুদে মূলে গুণ হয় এবং সময় উল্লেখ থাকে
তখন সুদের হার = (সুদেমূলে যতগুণ – ১) / সময় x ১০০
প্রশ্ন : সরল সুদের হার শতকরা কত টাকা হলে, যে কোন মূলধন ৮ বছরে সুদে আসলে তিনগুণ হবে?
সমাধান : সুদের হার = (৩ – ১) / ৮ x ১০০ = ২৫%
টেকনিক-৫ : যখন সুদ সময় ও মূলধন দেওয়া থাকে
তখন সুদের হার = (সুদ x ১০০) / (আসল বা মূলধন x সময়)
প্রশ্ন : শতকরা বার্ষিক কত টাকা হার সুদে ৫ বছরের ৪০০ টাকার সুদ ১৪০ টাকা হবে?
সমাধান : সুদের হার = (১৪০ x ১০০) / (৪০০ x ৫) = ৭ টাকা
টেকনিক- ৬ : যখন দুটি আসল এবং দুটি সময়ের সুদ দেওয়া থাকে
তখন – সুদের হার = (মোট সুদ x ১০০)/ {(১ম মূলধন x ১ম সময়) + (২য় মূলধন x ২য় সময়) }
প্রশ্ন : সরল হার সুদে ২০০ টাকার ৫ বছরের সুদ ও ৫০০ টাকার ৬ বছরের সুদ মোট ৩২০ টাকা হলে সুদের হার কত?
সমাধান : সুদের হার = (৩২০x ১০০)/ {(২০০ x ৫) + (৫০০ x৬) } = ৮ টাকা
টেকনিক-৭ : যখন সুদের হার, সময় এবং সুদে- মূলে উল্লেখ থাকে- মূলধন বা আসল = (১০০ x সুদআসল) / {১০০ + (সময় x সুদের হার)}
প্রশ্ন : বার্ষিক ৮% সরল সুদে কত টাকা ৬ বছরের সুদে- আসলে ১০৩৬ টাকা হবে?
সমাধান : মূলধন বা আসল = (১০০ x ১০৩৬) / {১০০ + (৬ x ৪৮)} = ৭০০ টাকা
টেকনিক-৮ : যখন সুদ, সময় এবং সুদের হার উল্লেখ থাকবে মূলধন = (সুদ x ১০০)/ (সময় x সুদের হার)
প্রশ্ন : শতকরা বার্ষিক ৪ টাকা হার সুদে কত টাকার ৬ বছরের সুদ ৮৪ টাকা হবে?
সমাধান : মূলধন = (৮৪ x ১০০)/ (৬x ৪) = ৩৫০ টাকা
টেকনিক-৯ : যখন দুটি সুদের হার থাকে এবং সুদের হার ও আয় কমে যায় তখন, আসল = হ্রাসকৃত আয় x ১০০ / {(১ম সুদেরহার – ২য় সুদের হার) xসময়}
প্রশ্ন : সুদের হার ৬% থেকে কমে ৪% হওয়ায় এক ব্যাক্তির বাতসরিক আয় ২০ টাকা কমে গেল। তার আসলের পরিমাণ কত?
সমাধান : আসল = ২০ x ১০০ / {(৬ – ৪) x১ = ১০০০ টাকা (Credit Bd Jobs - চাকরির খবর)

Pages: [1] 2