Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Sahadat Hossain

Pages: [1] 2 3 ... 16
1
মধ্য বয়সে মানসিক চাপ বেশ জেঁকে ধরে। ৩০ থেকে ৪০ বছরের সময়টা কাটে নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে ব্যস্ত থাকা, সংসারের কাজ, সামাজিক ও পারিবারিক দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে। সব কিছু ঠিকঠাক করতে গিয়ে আমরা ভুলে যাই নিজের প্রতি যত্ন নেওয়ার কথা। এই ভুলে যাওয়াটাই হয়ে ওঠে কাল। সবসময় মনে রাখবেন, আপনি নিজে ভালো না থাকলে অন্যকে ভালো রাখতে পারবেন না। তাই প্রথমেই চাই নিজের যত্ন নেওয়া।

লক্ষ রাখবেন যেন খাদ্য তালিকায় ‘ফোলেট’ সমৃদ্ধ খাবার থাকে। ফোলেট শরীরে রক্তের পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে। বিশেষ করে মেয়েদের গর্ভধারণের সময় গর্ভে থাকা শিশুর বেড়ে ওঠা নিশ্চিতের জন্য এবং শিশুর বুকের দুধ খাওয়ানোর জন্য অনেক পুষ্টি প্রয়োজন। এ সময় তাই ফোলেট সম্পন্ন খাবার খাওয়া জরুরি। এছাড়াও ছেলেদের হৃদরোগ কমাতে ফোলেট কাজ করে। ছোলা, পালং শাক, ডিম, ব্রকলি, কমলার রস থেকে প্রচুর পরিমাণে এ উপাদান পাওয়া যায়। প্রতিদিন কমলা খেলে আমরা ৪০০ মাইক্রো গ্রাম ফোলেটের চাহিদা পূরণ করতে পারি।

এরপর খেয়াল রাখতে হবে ‘ফাইটো-নিউট্রিয়েন্টস’ এর দিকে। এটি মূলত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সম্পন্ন যা বয়স বৃদ্ধি প্রক্রিয়াকে ধীর গতি আনে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। এছাড়া ক্যানসার প্রতিরোধ করে ও শরীর ভালো রাখতে সাহায্য করে। ডার্ক চকলেট, কফি, ধনিয়া পাতা ও পুদিনা পাতা থেকে এই উপাদান পাবেন।

এরপর আসা যায় আয়রন এ। গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব তরুণদের শরীরে মিনারেলের অভাব রয়েছে এবং আয়রনের অভাব রয়েছে তারা বুদ্ধি বিবেচনামূলক উত্তর দিতে সময় বেশি নেয় এদের বুদ্ধিদীপ্ততা অনেক কম। আমাদের শরীরে আয়রনের চাহিদা পূরণে প্রতিদিন খাদ্য তালিকায় কমপক্ষে ১৮ গ্রাম আয়রন সমৃদ্ধ খাবার রাখা উচিৎ। চর্বিহীন গরুর মাংস, সয়াবিন, মিষ্টি কুমড়ার বিচি, শুকনো ফলমূল ও সবুজ শাকসবজি এবং বিভিন্ন রকম ডাল ও শস্য জাতীয় খাবার থেকে আয়রন পাওয়া যায়।

লেখক: পুষ্টিবিদ

2
সময়টা এখন এমন যে আমরা ঘুম থেকে উঠে এবং ঘুমাতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত প্রায় পুরোটা দিন জুড়েই মোবাইল ফোনে আটকে থাকি। কখনও সোশ্যাল মিডিয়ায়, কখনওবা মোবাইল গেইমে। অবশ্য রাতে মোবাইল ফোনের স্ক্রিনে আটকে থাকা স্বাস্থ্যের জন্য খুব ক্ষতিকর বলেই জানাচ্ছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

ঘুমানোর আগে মোবাইল ফোনে সোশ্যাল মিডিয়া বা গেইমে যদি বুঁদ থাকার অভ্যাস থাকে, তবে নিজের অজান্তেই দৃষ্টিশক্তি ও চোখের ক্ষতি করছেন। মোবাইল ফোন যে নীল আলো ছড়ায়, রুমের লাইট নিভিয়ে দেওয়ার কারণে রাতে সেটা আরও তীক্ষ্ণ হয়ে যায়। এটা শুধু দৃষ্টিশক্তির ক্ষতিই করে না, পাশাপাশি শরীরের উপর বেশ  বিরূপ প্রভাব ফেলে। রাতে স্মার্টফোন নিয়ে বেশি সময় কাটালে কী ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন জেনে নিন।
ঘুমের ব্যাঘাত হয়
স্মার্ট ফোনের নীল আলো শরীরে মেলাটোনিন হরমোন উৎপাদনে বিরূপ প্রভাব ফেলে। এই হরমোন মানুষের ঘুম নিয়ন্ত্রণ ও ঘুমের চক্র ঠিক রাখতে ভূমিকা রাখে। নিয়মিত রাতে ঘুমানোর আগে যারা স্মার্টফোন নিয়ে ব্যস্ত থাকেন, তাদের ঘুম কমে যেতে পারে। মস্তিষ্ক ও মন অতি সক্রিয় হওয়ার কারণে এমনটা হয়। প্রতিরাতে  মানুষের ৭/৮ ঘন্টার পর্যাপ্ত ঘুমের প্রয়োজন। রাতে মোবাইল ফোনে ব্যস্ত হয়ে পড়লে বেশি রাতে ঘুমানোর কারণে পর্যাপ্ত ঘুম থেকে বঞ্চিত হতে পারেন আপনি।
রেটিনার ক্ষতি করে
রাতে ঘরের আলো নিভিয়ে অনেকেই স্মার্টফোনের নীল আলোতে সোশাল মিডিয়ায় যুক্ত হয়ে পড়েন। এতে মোবাইল ফোনের ক্ষতিকর নীল আলো সরাসরি চোখে আঘাত করে। এর ফলে চোখের কোষের ক্ষতি হয় ও চোখে ব্যথা অনুভব হয়। আমেরিকান ম্যাকিউলার ডিজেনারেশন অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, মোবাইল ফোনের নীল আলো রেটিনার স্থায়ী ক্ষতি করে অন্ধত্বের দিকে ঠেলে দিতে পারে।
হতাশা বাড়ায়
রাতে মোবাইল ফোনে আসক্ত হয়ে পড়লে পর্যাপ্ত ঘুম থেকে বঞ্চিত হয়ে আপনার মানসিক স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যেতে পারে, যা হতাশার দিকে ঠেলে দিতে পারে আপনাকে। আর ঘুমের অভাবে দিনের বেলায় চিন্তা শক্তি ও শারীরিক শক্তিও কমে যেতে পারে আপনার। এতে মানসিকভাবে দিনে দিনে আপনি দুর্বল হয়ে যেতে পারেন।
ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়
ওয়ার্ল্ড হেলথ অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, মোবাইল ফোন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। মোবাইল ফোন ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন ছড়ায়, যা কয়েক ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে।

সূত্র: বোল্ডস্কাই

3
আয়রনে ভরপুর খেজুর খান প্রতিদিন। অন্তত দুটি খেজুর যদি প্রতিদিন খাওয়া যায় তবে ধারেকাছে ভিড়বে না অনেক রোগ। প্রতি ১০০ গ্রাম খেজুরে ০.০৯ গ্রাম আয়রন থাকে। পুষ্টিবিদদের মতে, শরীরের প্রয়োজনীয় আয়রনের অনেকটাই এই খেজুর থেকে মেলে। জেনে নিন খেজুরের উপকারিতা।
খেজুরের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা রাখে। এতে প্রচুর ভিটামিন, খনিজ, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়াম আছে।
ফাইবার মেলে খেজুর থেকে। তাই এই ফল ডায়েট লিস্টে রাখতে পারেন নিশ্চিন্তে।
প্রতিটি খেজুরে রয়েছে ২০ থেকে ২৫ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম যা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।
রক্তস্বল্পতায় ভোগা রোগীদের জন্য খেজুর খুবই উপকারী। একজন সুস্থ মানুষের শরীরে যতটুকু আয়রন প্রয়োজন, তার প্রায় ১১ ভাগ পূরণ করে খেজুর।
চিনির অন্যতম সেরা বিকল্প খেজুরের রস ও গুড়। আজকাল খেজুরের গুঁড়াকেও চিনির পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়। তাই চিনির ক্ষতি এড়াতে খেজুর ব্যবহার করতেই পারেন।
কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভুগলেও আপনাকে সাহায্য করতে পারে খেজুর। রাতে পানিতে খেজুর ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন সকালে খেজুর ভেজানো পানি পান করুন। খেজুরও খেয়ে নিন। দূর হবে কোষ্ঠকাঠিন্য।
হৃদস্পন্দনের হার ঠিক রাখতে সাহায্য করে খেজুরে থাকা নানা খনিজ।
খেজুরে লিউটেন ও জিক্সাথিন থাকায় তা রেটিনা ভালো রাখে।

Ref: Bangla Tribune

4
ইন্টারনেটে প্রায় দুই কোটি ৫০ লাখ ডেটাসেট ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দিলো গুগল। ‘ডেটাসেট সার্চ’ নামের এই উদ্যোগে ধীরে ধীরে আরও নানান ডেটাসেট যুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছে বিশ্বখ্যাত এই সার্চ ইঞ্জিন।
সম্প্রতি গুগলের রিসার্চ বিভাগের রিসার্চ সায়েন্টিস্ট নাতাশা নও এক ব্লগ পোস্টে জানান, পুরো ওয়েব দুনিয়ায় রয়েছে লক্ষাধিক ডেটাসেট। এর মধ্যে ব্যবহারকারীদের নানান বিষয়ে আগ্রহ দেখা যায়। তাদের বহুমাত্রিক পছন্দের কথা ভেবেই গুগল এসব ডেটাসেট বিনামূল্যে ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দিয়েছে।
নাতাশা নও বলেন, “আমাদের দীর্ঘদিনের গবেষণায় দেখেছি, ব্যবহারকারীরা এখন বিভিন্ন ধরনের ডেটা চায়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গবেষণা, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার কাজে ব্যবহার, বিজনেস অ্যানালাইসিস এবং ডেটা সায়েন্টিস্টদের জন্য ডেটা প্রয়োজন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখেছি ‘শিক্ষা’, ‘আবহাওয়া’, ‘ক্যান্সার’, ‘অপরাধ’, ‘সকার’ ও ‘কুকুর’ বিষয়ে ডেটা খুঁজে থাকেন অনেকেই।”
উন্মুক্ত করা ডেটাসেটগুলো ব্যবহার উপযোগী ফরম্যাটে পাওয়া যাচ্ছে। এটি উন্মুক্ত করার ব্যাপারে আমাজনের ওপেন ডেটা রেজিস্ট্রির মতো কাজটি করেনি গুগল। বরং এক্ষেত্রে ডেটাসেট পাবলিশারদের ব্যবহৃত মেটাডেটা ব্যবহারের মাধ্যমে ডেটাসেট উন্মুক্ত করেছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটি। পরবর্তী সময়ে ডেটাগুলো মেটাডেটা অনুসরণ করে সার্চেবল আকারে ইনডেক্স করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের ডেটা সায়েন্টিস্ট টম ওয়াটারম্যান গুগলের উন্মুক্ত ডেটাসেট প্রসঙ্গে বলেন, ‘উদ্যোগটি বেশ ভালো। আমি ব্যক্তিগতভাবে ডেটাসেট সার্চ করে দেখেছি, এর মধ্যে অর্ধেকই ফর-প্রফিট কাজে ব্যবহৃত করার জন্য রয়েছে। বাজার সম্পর্কিত ডেটাসেটও রয়েছে এই তালিকায়।’
ডেটাসেটের মধ্যে বিভিন্ন সরকারি ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের ডেটা যেমন রয়েছে, তেমনই ব্যবহারকারীদের কাজে লাগে এমন ডেটাও রাখা হয়েছে।
গুগলের তথ্যানুযায়ী, ডেটাসেটে তিন ধরনের ডেটার প্রাধান্য রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘জিয়োসায়েন্স’, ‘বায়োলজি’ ও ‘এগ্রিকালচার’। বর্তমানে ডেটাসেট ব্যবহারের জন্য গুগল আলাদা কোনও এপিআই দিচ্ছে না।
গুগলের ডেটাসেট থেকে ফিল্টারের মাধ্যমে আলাদাভাবে টেবিল, ইমেজ ও টেক্সট বের করার সুযোগ রয়েছে। পুরো ডেটাসেটেই ওপেন স্ট্যান্ডার্ড নীতিমালা অনুসরণ করা হয়েছে।
স্কিমা ডট অর্গ ব্যবহারের মাধ্যমে চাইলে কেউ ওপেন স্ট্যান্ডার্ডে ডেটাসেট সার্চে এটি উন্মুক্ত করতে পারবেন। শুরুতে বেটা সংস্করণ চালু হলেও শিগগিরই পূর্ণাঙ্গভাবে ডেটাসেট উন্মুক্ত হবে বলে জানা গেছে।
আগ্রহীরা সরাসরি https://datasetsearch.research.google.com ঠিকানায় গিয়েই পাবেন ডেটাসেটগুলো।
তথ্যসূত্র: গুগল ব্লগ

5
অধ্যাপক রেহমান সোবহান বলেছেন, ‘ফজলে হাসান আবেদ মানুষের জীবনে পরিবর্তন চেয়েছেন। সেই পরিবর্তন ছিল মানুষের জীবনমানে গুণগত পরিবর্তন। যা করতে চেয়েছেন, তিনি তা করেছেন। শুধু স্বপ্ন দেখেই থেমে যাননি, বাস্তবায়নে জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত কাজ করে গেছেন।’

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুজাফফর আহমেদ চৌধুরী অডিটোরিয়ামে স্যার ফজলে হাসান আবেদের চিন্তা, আদর্শ ও কৃতিবিষয়ক এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের চেয়ারম্যান রেহমান সোবহান। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির প্রথম সহ-উপাচার্য সালেহউদ্দীন আহমেদ। বিশিষ্ট প্যানেলিস্ট হিসেবে ব্র্যাক গভর্নিং বডির চেয়ারপারসন হোসেন জিল্লুর রহমান, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মনজুর আহমেদ এবং গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে. চৌধূরী বক্তব্য দেন। সভার আয়োজন করে জ্ঞানতাপস আব্দুর রাজ্জাক ফাউন্ডেশন।
অনুষ্ঠানে অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী বলেন, সবচেয়ে বেশি সময় ধরে টিকে থেকে পরিবর্তনে ভূমিকা রাখা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় অন্যতম, এ ধারণা থেকেই স্যার আবেদ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন।

হোসেন জিল্লুর বলেন, ‘মানুষকে কেন্দ্রে রেখে উন্নয়ন চিন্তা করতেন স্যার ফজলে হাসান আবেদ। শিক্ষার বহুমাত্রিকতাকে ধারণ করে কাজ করে গেছেন তিনি। চলে যাওয়ার পরও আবেদ ভাই প্রাসঙ্গিক, আমরা তার দেখানো পথে কাজ করে যাব।’

রাশেদা কে. চৌধূরী বলেন, ‘অত্যন্ত দূরদর্শী ছিলেন আবেদ ভাই। যেকোনো সমস্যা সমাধানে তিনি গবেষণাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতেন।’ স্যার আবেদের সঙ্গে শেষ সাক্ষাতের কথা মনে করে তিনি বলেন, ‘আবেদ ভাই শেষ বিদায়ের আগে বলেছিলেন, শিক্ষায় অনেক চ্যালেঞ্জ আছে, হাল ছেড়ো না। মৃত্যুপথযাত্রী একজন ব্যক্তি মৃত্যুযন্ত্রণা নিয়ে কথা না বলে শিক্ষার উন্নয়নে কথা বলেছেন।’

মনজুর আহমেদ বলেন, ‘স্যার আবেদের কর্মপরিধি ব্যাপক। কিন্তু তাঁর দর্শন ছিল শিক্ষাকে নিয়েই এগোতে হবে।’

সালেহউদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘সব সময় মানুষের কথা শুনতেন আবেদ ভাই। সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতেন শিক্ষার উন্নয়নকে।’

Ref: Prothom Alo

6
আইফোন ও অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারীরা এখন কয়েকটি জনপ্রিয় অ্যাপ বেশি ব্যবহার করছেন। তথ্য বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান সেন্সর টাওয়ারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছর বিশ্বজুড়ে অ্যাপ ডাউনলোড সংখ্যা ১১৪ দশমিক ৯ বিলিয়ন ছাড়িয়ে যায়। ২০১৮ সালের তুলনায় অ্যাপ ডাউনলোডের হার ৯ দশমিক ১ শতাংশ বেড়েছে গত বছরেই। এর মধ্যে অ্যাপলের অ্যাপ স্টোরে ডাউনলোড হয়েছে ৩০.৬ বিলিয়ন আর গুগল প্লেস্টোর থেকে ডাউনলোড হয়েছে ৮৪ দশমিক ৩ বিলিয়নবার।

সেন্সর টাওয়ারের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরে সবচেয়ে বেশি ডাউনলোড হওয়া বা জনপ্রিয় অ্যাপের তালিকায় ছিল হোয়াটসঅ্যাপ। ডাউনলোড সংখ্যার হিসেবে হোয়াটসঅ্যাপ তার আগের অবস্থান ধরে রাখতে পেরেছিল। তবে ফেসবুকের রাজ্যে হানা দিতে উঠে এসেছে চীনা প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্সের তৈরি টিকটক অ্যাপটি।
ফেসবুককে হটিয়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় অ্যাপের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে এখন টিকটক।
কয়েক বছর ধরে ফেসবুকের মালিকানায় থাকা বিভিন্ন অ্যাপ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ডাউনলোডের তালিকার শীর্ষে ছিল। ২০১৬ ও ২০১৭ সালে সবচেয়ে বেশি ডাউনলোড হওয়া অ্যাপের শীর্ষ চারে ছিল ফেসবুকের অ্যাপ। তবে গত বছরে কেবল টিকটককে ছাড়াতে পেরেছে হোয়াটসঅ্যাপ।

দেখে নিন জনপ্রিয় ১০ অ্যাপের তালিকা:
১. হোয়াটসঅ্যাপ
২. টিকটক
৩. ফেসবুক
৪. মেসেঞ্জার
৫. ইনস্টাগ্রাম
৬. শেয়ারইট
৭. লাইকি
৮. ইউটিউব
৯. ক্লাব ফ্যাক্টরি
১০. স্ন্যাপচ্যাট

Ref: https://www.prothomalo.com/

7
Internet / এসইও শিখুন: পর্ব ১
« on: January 18, 2020, 12:48:25 PM »
এসইও কী এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ?
সহজভাবে বলতে গেলে, মূলত সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিনের কিছু নিয়মকানুন যা অনুসরণ বা প্রয়োগ করা হলে সার্চ ইঞ্জিন কাঙ্ক্ষিত ওয়েবসাইটটিকে সার্চ ইঞ্জিনের কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে এবং র‌্যাঙ্ক করে থাকে। বর্তমান বিশ্বে প্রতিযোগিতা এসইও ছাড়া সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর বা ট্রাফিক পাওয়া প্রায় অসম্ভব। সাধারণত এসইও ছাড়া কোনো ওয়েবসাইটকেই সার্চ ইঞ্জিন র‌্যাঙ্কই করে না।
*ইংরেজি শব্দ এসইও (SEO) এর সম্পূর্ণ রূপ হলো সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (search engine optimization) যা সার্চ ইঞ্জিনের কিছু সুনিয়ন্ত্রিত ও পরিকল্পিত নিয়ম/পদ্ধতি বা মেথড। যে সকল নিয়মগুলো যথাযথভাবে প্রয়োগ করে আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত ওয়েবসাইটটিকে সার্চ ইঞ্জিনের রেজাল্ট পেজের প্রথম দিকে দেখাতে পারবেন। এসইআরপি (SERPs) তে প্রথম দিকে আপনার ওয়েবসাইটটিকে দেখানোই এসইও-এর মূল উদ্দেশ্য।

*সার্চ ইঞ্জিন তৈরি হয়েছে মূলত ইউজারদের অনুসন্ধানের সঠিক তথ্য দেওয়ার জন্য আর এসইও (SEO) সেই তথ্যকে সার্চ ইঞ্জিন উপযোগী করে তুলে। এসইও এর মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি সার্চ ইঞ্জিনে ইউজাররা কী তথ্য খুঁজছে, কী ধরনের সমস্যার সমাধান চাচ্ছে, কী ধরনের শব্দ বা কিওয়ার্ড ব্যবহার করছে এবং কী ধরনের কনটেন্ট তারা চায়। এসইও এর মাধ্যমে আমরা সহজেই ইউজারদের এ সকল সমস্যার সমাধান দিতে পারি।

এসইও এর ইতিহাস:
আজকের এই এসইও অনেক পরিবর্তনের ফলাফল, যা আমরা মূলত গুগলের মাধ্যমে দেখতে পাই। ১৯৯১ সালে ৬ই আগস্ট টিম বার্নাস লির হাত ধরে প্রথম ওয়েবপেজ প্রকাশ করা হয়। এর কয়েক বছর পর ১৯৯৭ সালে প্রথম অফিশিয়ালি এসইও-এর যাত্রা শুরু হলেও ২০০১ সাল থেকে এসইও-এর গুরুত্ব বৃদ্ধি পেতে থাকে।

জেরি ইয়াং এবং ডেভিড ফিলো ১৯৯৪ সালের জানুয়ারি মাসে ইয়াহু সার্চ ইঞ্জিন প্রতিষ্ঠাতা করেন। তার পাশাপাশি তারা ইয়াহু ডিরেক্টরি তৈরি করেন।

১৯৯৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ল্যারি পেজ এবং সের্গেই ব্রিনের হাত ধরে গুগল প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে গুগল সার্চ ইঞ্জিনগুলোর মধ্যে অন্যতম এবং প্রধান। ইন্টারনেটে গুগল মোট সার্চের ৯০% এর চেয়েও বেশি গ্রাহক পেয়ে থাকে এবং এর পাশাপাশি তাদের বিভিন্ন জনপ্রিয় পণ্য ও সেবা রয়েছে।

১৯৯৮ সালে গোটো ডটকম (Goto.com) স্পনসর লিংক এবং পেইড সার্চ চালু করে। যেখানে অরগানিক রেজাল্টে প্রথমে থাকার জন্য পেইড করার প্রয়োজন হতো। গোটো মূলত ইয়াহু সার্চ ইঞ্জিনের সমর্থন নিয়ে কাজ করেছিল।
তারপর থেকে এ পর্যন্ত সার্চ ইঞ্জিনগুলো বিভিন্ন অ্যালগরিদম আপডেটের মাধ্যমে আজকের এ জায়গায় এসেছে। প্রতিযোগিতার দিক দিয়ে গুগল বর্তমানে সবার সেরা এবং মানসম্পন্ন সার্চ ইঞ্জিন।

সার্চ ইঞ্জিন বেসিক
সার্চ ইঞ্জিন মূলত একটি উত্তরদাতা যন্ত্র। এগুলো ইন্টারনেট থেকে লাখ লাখ কনটেন্ট পরিমার্জন/সন্নিবেশিত করে এবং এর মধ্য থেকে আবার হাজার হাজার ফ্যাক্টর দিয়ে মূল্যায়ন করার মাধ্যমে ঠিক করে কোনো তথ্যটি ইউজারের সার্চ অনুযায়ী সঠিক তা খুঁজে বের করে ইউজারের সামনে উপস্থাপন করে।

আর সার্চ ইঞ্জিন কাজটি করে থাকে ইন্টারনেটে যত তথ্য পাওয়া যায় (ওয়েব পেজ, ইমেজ, ভিডিও, পিডিএফ ইত্যাদি) তা ক্রলিং এবং ইনডেক্সিং এর মাধ্যমে। যে তথ্যটি ইউজারের জন্য বেশি উপযোগী তা র‍্যাঙ্কিং করে থাকে।
Ref: Prothom Alo

8
স্মার্টফোন, কম্পিউটার বা অন্য কোনো যন্ত্র থেকে গুগল সার্চে কিছু খুঁজলে গুগল তা সংরক্ষণ করে রাখে। এ নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির ব্যাখ্যা হলো, সার্চ ফলাফলের মানোন্নয়নের জন্য এমনটা করা হয়। এর খারাপ দিকটা হলো, আপনি যা খুঁজবেন, গুগল আপনাকে তার ওপর ভিত্তি করে বিজ্ঞাপন দেখাবে। আবার ব্যবহারকারীর সার্চ করার ধরন অনুযায়ী ফলাফল দেখায়।

অনেকেই আছেন যাঁরা চান না গুগল তাঁদের তথ্য সংরক্ষণ করে রাখুক। এই তথ্য ‘সার্চ হিস্ট্রি’ নামে পরিচিত। সুবিধাটি বন্ধ করার ব্যবস্থাও রেখেছে গুগল। উইন্ডোজ বা ম্যাক—কম্পিউটার যেটাই হোক, নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।
*যেকোনো ব্রাউজার থেকে myactivity.google.com/myactivity ঠিকানার ওয়েবসাইটে যান।
* ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে আপনার গুগল অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
* লগইন হয়ে গেলে Web and App Activity অংশে ক্লিক করুন।
* পাশে থাকা টগল বোতাম চেপে সেবাটি বন্ধ করুন।
* এই অংশ থেকে অবস্থান এবং ইউটিউবে কিছু খোঁজার তথ্য সংরক্ষণ করার সেবা বন্ধ করা যাবে।

স্মার্টফোন থেকে
* অ্যান্ড্রয়েড বা আইওএস যন্ত্রে গুগল অ্যাপ চালু করুন।
* নিচের বার থেকে More অপশন নির্বাচন করুন।
* Activity অংশে Search activity অপশনে ট্যাপ করে Web & App Activity টগল বোতামটি বন্ধ করে দিন। সূত্র: গ্যাজেটসনাউ

9
Alumni / Re: Support as Alumni (Part-1)
« on: March 30, 2019, 12:34:13 PM »
Thanks. It's very much urgent. If anyone forget DIU Email ID & Password then he/she should communicate with your own department coordination offices.

10
Alumni / Alumni Support Centers
« on: March 24, 2019, 01:27:23 PM »
Where will you get alumni support from?
As an alumnus, the following points will be useful for your any kind of support ……
DIU Alumni Cell
Daffodil Tower- 4, 102/1, Shhukrabad, Mirpur Road, Dhanmondi, Dhaka
Cell & Whats App: 01847027549
Email: alumni.office@daffodilvarsity.edu.bd

Moreover, you may also reach with your specific queries to:
01.   Registrar Office
02.   Coordination Offices
03.   Receptions
04.   All Faculty & Officials

11
Alumni / We need to know as alumni……
« on: March 24, 2019, 12:54:06 PM »
What is the purpose of alumni?
The purpose of an association is to foster a spirit of loyalty and to promote the general welfare of your organization. Alumni associations exist to support the parent organization's goals, and to strengthen the ties between alumni, the community, and the parent organization.
Why is alumni support important?
Today, an alumni relation is an important part of an institution's advancement activities for many reasons: Alumni are an institution's most loyal supporters. ...Alumni are great role models for current students and are often well placed to offer practical support to students as they start their careers.
How alumni can help students?
Alumni are able to help out schools in multiple ways. They can help through mentoring, networking, and traditions. ... Whether college or high school, alumni are important through their support of the future. The students need help from alumni.

Ref: Google

12
Networking / How can you grow your personal network?
« on: March 23, 2019, 12:21:20 PM »
A personal network is a set of human contacts known to an individual, with whom that individual would expect to interact at intervals to support a given set of activities. In other words, a personal network is a group of caring, dedicated people who are committed to maintain a relationship with a person in order to support a given set of activities. Having a strong personal network requires being connected to a network of resources for mutual development and growth.
Personal networks can be understood by:
•   who knows you
•   what you know about them
•   what they know about you
•   what are you learning together
•   how you work at that
Personal networks are intended to be mutually beneficial, extending the concept of teamwork beyond the immediate peer group. The term is usually encountered in the workplace, though it could apply equally to other pursuits outside work.
Personal networking is the practice of developing and maintaining a personal network, which is usually undertaken over an extended period.

Types of personal network
Personal networks can be used for two main reasons: social and professional. In 2012, LinkedIn along with TNS conducted a survey of 6,000 social network users to understand the difference between personal social networks and personal professional networks. The "Mindset Divide" of users of these networks was compared as follows:
1.   Emotions:
Personal social networks: Nostalgia, fun, distraction.
Personal professional networks: Achievement, success, aspiration.
2.   Use:
Personal social networks: Users are in a casual mindset often just passing time. They use social networks to socialize, stay in touch, be entertained and kill time.
Personal professional networks: In this purposeful mindset, users invest time to improve themselves and their future. These networks are used to maintain professional identity, make useful contacts, search for opportunities and stay in touch.
3.   Content:
Personal professional networks: These provide information about career, brand updates and current affairs.
Personal development networks: These provide access to those who can provide information, knowledge, advice, support, expertise, guidance, and concrete resources to learn and work effectively—thus those who support the continuing professional development.

Personal network management
Personal network management (PNM) is a crucial aspect of personal information management and can be understood as the practice of managing the links and connections for social and professional benefits. Some ways to do this would be:
•   being authentic and consistent
•   paying attention to status updates
•   following wisely
•   contributing
•   seeking to be worth knowing
•   appropriate tagging

Tools for personal network management
Although it is easy to build a network, the real challenge is maintaining and leveraging the connections. Information fragmentation makes it this even more challenging. Information fragmentation refers to the difficulty encountered in ensuring co-operation and keeping track of different personal information assets (e.g. Facebook, Twitter etc.)
According to Dan Schawbel, there is a lot of value in a contact management system. It "allows you to keep organized and aware of which contacts you haven't spoken to in a while, and who works at companies that you either want to collaborate with, or work for". In many ways, a contact manager can incorporate new, innovative services to not only help users take a smarter approach to meeting new people but also transmit readily available information from social media profiles directly into that contact profile. Some of the apps that are available on mobile and desktop devices are Plaxo, Evernote Hello, Smartr, Tacts and Soocial.

Ref: Wikipedia

13
Networking / Social Media Sites for Alumni
« on: March 21, 2019, 04:37:47 PM »

14
Alumni / Support as Alumni (Part-1)
« on: March 21, 2019, 03:11:11 PM »
After degree awarded all are member of alumni and all are capable to receive alumni support.
Need to do ….
•   Keep one photocopy of your Student ID card before submitting.
•   Keep remind your Student Email, Student ID number, Student Portal Log in password etc.
•   Complete your registration for alumni.
•   Complete your registration for alumni card through this link: https://forms.gle/zYEDbbCU3bJP1BxS6
•   Use Student Email regularly (Here you will get Brand value of DIU, Unlimited Storage in Google Drive, Regular update of DIU, Job Information etc.)

You will get support as alumni …

•   Discount Facilities from different organizations; IBNA SINA TRUST, Cardio Care Specialized & General Hospital, Daffodil Computers Limited, Fly Bird Travels, Sanaya’s Kitchen etc. For details: http://alumni.daffodilvarsity.edu.bd/iamdaffodilian
•   Access in Campus & Library use.
•   Transport & Canteen facilities.
•   Waiver facilities: any courses and admission of you, your child, brothers and sisters in DIU and Daffodil Family.
•   All types of support through Alumni Cell; Guidance, Suggestions, Admission related information etc.

Contacts:
Alumni Cell
Email: alumni.office@daffodilvarsity.edu.bd
Mobile & WhatsApp: 01847027549
102/1, Shukrabad, Mirpur Road, Dhanmondi, Dhaka-1207
DT-4, Daffodil International University


15
প্রতিটি মানুষের চরিত্রের একটি অনুষঙ্গ হলো রাগ বা ক্রোধ। কারো ক্ষেত্রে সেটা দৃশ্যমান, কেউবা নিজের এই আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম। অতিরিক্ত রাগ সম্পর্কের অবনতি ঘটায়, অন্যের কাছে নিজেকে অপ্রিয় করে তোলে। শুধু তাই নয়, রাগ বা ক্রোধে রয়েছে স্বাস্থ্যগত নানান খারাপ দিক।
 
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, অতিরিক্ত রাগ হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। টানা দুই ঘণ্টা যদি কেউ বিক্ষিপ্ত অবস্থায় থাকেন, তাহলে তার হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এছাড়া অতিরিক্ত রাগ স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। কেননা, এটি মস্তিষ্কের ওপর চাপ ফেলে। এতে মস্তিষ্কের রক্তনালী বন্ধ হয়ে স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
 
গবেষণায় দেখা গেছে, টানা দুই ঘণ্টা মন মেজাজ খারাপ থাকলে বা রেগে থাকলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। এতে বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ হয় শরীরে।
 
বৈজ্ঞানিকদের ধারণা, ক্রোধ মূলত একটি মানসিক রোগ। এই রোগের ফলে হজম শক্তির ব্যাঘাত ঘটে, শ্বাসক্রিয়া দ্রুত হয় ফলে ফুসফুসকে বেশি কাজ করতে হয়। যদি সেই পরিমাণ শক্তির জোগান না পাওয়া যায় তখনই রক্তচাপ বৃদ্ধি হয়ে নানান জটিলতার সৃষ্টি হয়। তাই রাগ বা ক্রোধের এই স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে কৌশলী হতে হবে। নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা বাড়াতে হবে। প্রয়োজনে মনোবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া আবশ্যক।

তথ্যসূত্র: ইত্তেফাক

Pages: [1] 2 3 ... 16