Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - 710001508

Pages: [1] 2 3 ... 5
1
র্তমানে ফ্রি ওয়াইফাই জোনের এতটাই চাহিদা যে রেলস্টেশন, বিমানবন্দর থেকে শুরু করে বহু রেস্তোরাঁ এমনকি বিভিন্ন সেবা প্রদানকারী সংস্থাও গ্রাহক টানতে এখন এর দ্বারস্থ হয়েছে। যার ফলে, এই সব স্থানে গেলে কোন পাসওয়ার্ড ছাড়াই বিনামূল্যে ‘ওয়াইফাই’ কানেক্ট করা যায়।
এসব ‘ওয়াইফাই’ নেটওয়ার্কের জন্য একটি ‘হটস্পট’ মেশিন লাগে। অধিকাংশ সময়ই দেখা যায় এই ‘হটস্পট’ মেশিনের ভাইরাস প্রতিরোধ করার ক্ষমতা থাকে না। ফলে, এই ‘হটস্পট’-এর সঙ্গে সংযোগ থাকা মোবাইল বা ল্যাপটপেও সেই ভাইরাস ঢুকে যায়। এরমধ্যে এমন কিছু ভাইরাস থাকে যাদের কাজ হলো ডিভাইসের ভিতর থেকে যাবতীয় তথ্য বের করে হ্যাকারকে পাঠিয়ে দেওয়া।
অনেক সময় পাবলিক ‘ওয়াইফাই’ জোনে নানা সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড লাগানো থাকে। যাতে এই ‘ওয়াইফাই’ জোনে স্মার্টফোন বা ল্যাপটপগুলোকে সাবধানে ব্যবহার করার জন্য সতর্ক করা হয়। কিন্তু অধিকাংশ সময়েই মানুষ এইসব সাইনবোর্ডকে পাত্তা দেয়না।
‘ফ্রি ওয়াইফাই’ জোনে একজনের স্মার্টফোন ব্যবহারকারী বা ল্যাপটপ ব্যবহারকারীর ‘ডেটা কমিউনিকেশন’ পড়ে ফেলতে পারে অন্য কেউ। এছাড়াও, কোনভাবে হ্যাকাররা যদি মোবাইলে থাকা ব্যাংকিং ডিটেলস, যেমন অ্যাকাউন্ট নাম্বার, ডেবিট কার্ড নম্বর, পিন নম্বর, ক্রেডিট কার্ড নম্বর, পিন নম্বর পেয়ে যায়, তাহলে নিঃস্ব হতে পারে ব্যবহারকারী।
এইসব ‘ফ্রি ওয়াইফাই’ কানেকশনে কোন পাসওয়ার্ড তো থাকেই না, এমনকি এর রাউটারও অত্যন্ত নিম্নমানের হয়। ফলে, ‘ফ্রি ওয়াইফাই’-এ কানেক্ট হওয়া স্মার্টফোন খুব সহজেই হ্যাক করা যায়।
তাই, সুরক্ষিত ‘ওয়াই-ফাই জোন’ ছাড়া কোথাও মোবাইল বা ল্যাপটপ কানেক্ট না করতেই পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

2
যান্ত্রিক জীবনে কারও সঙ্গে একটু সময় হয়ে উঠে না কথা বলার। তাই তথ্য-প্রযুক্তির এই যুগে ফেসবুকই আমাদের একমাত্র ভরসা, অন্তত সবাইকে হাই-হ্যালো জানানো যায়। কিন্তু ফেসবুকে তথ্য আদান-প্রদান করতে গিয়ে অনেক সময় অন্য কারও কাছে চলে যায় বার্তা। বিড়ম্বনা এড়াতে বলতে হয়, সরি।
হরহামেশাই এই ধরনের সমস্যায় পড়তে হয়। আর এই সমস্যা থেকে বাঁচতে ফেসবুকে যোগ হতে চলছে মেসেজ ডিলিট করার ফিচার। সম্প্রতি এমনটাই জানিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।
জানানো হয়েছে, ফেসবুক মেসেঞ্জার অ্যাপে আসতে চলেছে এক নয়া ফিচার, যার নাম ‘আনসেন্ড’। এর মাধ্যমে ‘চ্যাট থ্রেড’ থেকে পাঠানো কোনো মেসেজ মুছে ফেলতে পারবে বার্তা প্রেরক। মেসেজ পাঠানোর ১০ মিনিটের মধ্যে এই সুযোগ ব্যবহার করা যাবে। পারসোনাল এবং গ্রুপ চ্যাট উভয়ক্ষেত্রেই এই ফিচারের সুবিধা পাবেন ব্যবহারকারীরা।
গত বছর মার্ক জুকেরবার্গের কাছ থেকে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মেসেজ পাঠানো হয় এবং পরে তা ডিলিটও করে দেওয়া হয়। পরে বেশ কয়েকজন ফেসবুক ব্যবহারকারী বিষয়টি জনসমক্ষে এনেছিলেন। যদিও তখন কেবল ফেসবুক কর্তৃপক্ষই এই ফিচারটি ব্যবহার করতে পারতো। আর এখন ব্যবহারকারীদের কথা মাথাই রেখে এই ফিচার কার্যকর করতে পদক্ষেপ নিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।
যেভাবে ব্যবহার করা যাবে এই ফিচার
‘আনসেন্ড’ ফিচারে দুটি অপশন পাবেন ব্যবহারকারীরা। প্রথমটি, ‘রিমুভ ফর ইউ’ এবং দ্বিতীয়টি ‘রিমুভ ফর এভরিওয়ান’। ডিলিট করতে চাওয়া মেসেজের ওপর কিছুক্ষণ স্পর্শ করে থাকলে যে দুটি অপশন মিলবে, তার প্রথম অপশন নির্বাচন করলে প্রেরকের ‘চ্যাট থ্রেড’ থেকে মেসেজ মুছে যাবে। সে ক্ষেত্রে শুধু প্রেরকই মেসেজ দেখতে পারবেন না, কিন্তু বাকিরা সেই মেসেজ পড়তে পারবেন। আর ‘রিমুভ ফর এভরিওয়ান’-এর ক্ষেত্রে যাকে বা গ্রুপে যাদের মেসেজ পাঠানো হয়েছিল, তারা আর কেউই মেসেজটি দেখতে পারবেন না। পরিবর্তে চ্যাট থ্রেডে লেখা থাকবে ‘মেসেজ ডিলিটেড’। মেসেঞ্জার অ্যাপের নতুন ভার্সনে এই ফিচার সংযোজিত হবে। অ্যান্ড্রয়েডের এবং আইএসও ইউজার উভয়ই এই ফিচারের সুবিধা পাবেন। এদিকে, বেশ কিছুদিন ধরে হোয়াটস অ্যাপে মিলেছে বার্তা মুছে ফেলার এই সমাধান।

3
তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন ও বিকাশ তথা ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য একসাথে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সাথে যুক্তরাজ্যের হাউজ অব লর্ডস, হাউজ অব কমন্স ও প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তিসহ উপদেষ্টাগণের সাথে মতবিনিয়মকালে এ আগ্রহের কথা জানান। লন্ডনের স্থানীয় একটি হোটেলে যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশন এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে।
মতবিনিময় সভার অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, হাউজ অব লর্ডস-এর ইন্টারন্যাশনাল রিলেশন কমিটির চেয়ারম্যান Lord Howell, সদস্য Baroness Jenkin, হাউজ অব কমন্স-এর সদস্য Stephen Timms, এমপি, Mr. John Howell এমপি, Mr. Paul Scully এমপি, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ বিষয়ক দূত Ms. Rushanara Ali এমপি, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর রাজনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা Mr. James Cummings, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বিষয়ক উপদেষ্টা Mr. Mario Creatura. যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের কমিশনার মুনা তাসনীম।
এছাড়া আইসিটি প্রতিমন্ত্রী যুক্তরাজ্যের ডিজিটাল মিনিস্টার Mr. Margot James, হেল্থ মিনিস্টার Mr. Matthew Hancock, লন্ডনের উপ মেয়র Mr. Rajesh Aggarwal এর সাথে পৃথক পৃথক বৈঠক করনে।
বৈঠককালে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক গত ১০ বছরে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রম, বিশেষকরে আইটি খাতে বিনিয়োগকারীদের জন্য হাইটেক পার্ক্ স্থাপন, আইটি সংঞ্জামাদি আমদানি-রপ্তানীর উপর শুল্ক হ্রাস/প্রত্যাহারসহ গৃহীত বিভিন্ন বিষয়ে তাদের অবহিত করনে। হাইটেক পার্কে বিভিন্ন বিদেশি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানী বিনিয়োগ করছে। তিনি বলেন, উন্নয়নের অংশিদার যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র। সরকারের বিনিয়োগ বান্ধব নীতির সুযোগ কাজে লাগিয়ে আইসিটি খাতসহ বিভিন্ন খাতের যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগকারীসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।
প্রতিমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টি সম্পন্ন বিভিন্ন কর্মসূচি তুলে ধরে বলেন বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। তিনি আরো বলেন, ডিজিটাল বিপ্লবে বিশ্বে নিজেদের অবস্থান করে নেয়ার সক্ষমতা অর্জন করেছে। বাংলাদেশের তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত ডিজিটাল সেবা পৌছানো সম্ভব হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
যুক্তরাজ্যের মন্ত্রীগণ অল্প সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ বিভিন্ন খাতে অনেক সফলতা অর্জন করেছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন। উন্নয়নের অংশীদার হিসেবে যুক্তরাজ্য অতীতের ন্যায় ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের সাথে থাকবে। আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশ আরো বহুদুর এগিয়ে যাবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এছাড়াও আইসিটি প্রতিমন্ত্রী LICT আয়োজিত Bangladesh your Next IT Destination শীর্ষক সেশনে প্রধান অতিথির ব্যক্তব্য রাখেন এবং Next Generation of e-governance বিষয়ে যুক্তরাজ্যের খ্যাতনামা আইটি প্রতিষ্ঠান ক্যানারি হোয়ার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, হাওয়ার্ড ডবার, বোস্টন কনসাল্টিং গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক Miguel Carrasco, Senior Advisor Kyle Peters, Andrew Greenway, emma Gawen এর সাথে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা করেন।

4
আগামী পাঁচ বছরে ফাইভ-জি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় শিল্পে ১ দশমিক ২ ট্রিলিয়ন ডলার আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করবে বলে জানিয়েছেন হুয়াওয়ের আঞ্চলিক প্রেসিডেন্ট জেমস উ। বার্সেলোনায় মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস (এমডব্লিউসি)-২০১৯ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
বার্সেলোনায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে হুয়াওয়ের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রেসিডেন্ট জেমস উ বলেন, ‘দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে আগামী ৫ বছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে গড়ে ৫-৬ শতাংশ হারে এবং এই প্রবৃদ্ধি অর্জনে মূল ভূমিকা পালন করবে ডিজিটাল অর্থনীতি, যা হবে মোট প্রবৃদ্ধির ২০ শতাংশ। এই অঞ্চলের দেশগুলোতে ডিজিটাল অর্থনীতির উন্নয়নে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং আমরা একটি ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করব।’

জেমস উ বলেন, ‘২০২০ সালের আগে ভারত, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও হংকংসহ ১১টি দেশ ও আঞ্চলিক বাজারে ফাইভ-জির ব্যাপক বাণিজ্যিকীকরণ হবে। আগামী ৫ বছরে এই অঞ্চলে ফাইভ-জি ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়াবে ৮০ মিলিয়ন। ফলে তারহীন প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল ও বুদ্ধিবৃত্তিক যন্ত্রাংশ সামাজিক উৎপাদনশীলতাকে গড়ে ৪-৮ শতাংশ বাড়াবে। হুয়াওয়ে ইতিমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার গ্রাহকদের কাছ থেকে ফাইভ-জি পরীক্ষার আমন্ত্রণ পেয়েছে।’
জেমস উ বলেন, ‘দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ফাইভ-জি সম্প্রসারণে ২০১৯ সাল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ফাইভ-জি ভেন্ডর হিসেবে হুয়াওয়ে এই অঞ্চলের সব অপারেটরের ফাইভ-জির স্বপ্ন পূরণে সহায়তা করবে। গ্রাহকদের সহায়তা করতে এবং চলমান প্রযুক্তি ব্যবহার করে ন্যূনতম উপকার পেতে আমরা ফাইভ-জি, ব্রডব্যান্ড, ক্লাউড, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও স্মার্ট ডিভাইস প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছি।’

গত বছর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও হুয়াওয়ের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়। যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্র দেশগুলোতে হুয়াওয়ের ফাইভ-জি উন্নয়নের অংশীদার না করার আহ্বান জানিয়েছে এবং জাতীয় ও ব্যবহারকারীর নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে দাবি করে আসছে। যদিও হুয়াওয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছে, তাদের প্রযুক্তি গুপ্তচরবৃত্তিতে ব্যবহার হতে পারে, তবে এখন পর্যন্ত এই অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ মেলেনি।

Pages: [1] 2 3 ... 5