Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - ashiqbest012

Pages: 1 [2] 3 4 ... 12
17
দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাবার জিন আবিষ্কৃত হলো


এতো দিন বিকল্প পদ্ধতি হিসাবে আমরা চক্ষুদানের প্রতি সচেতনতা বাড়িয়ে এসেছি….

কারণ মৃত্যুর ৬ঘন্টার মধ্যে চোখ দান করলে কোন জীবিত ব্যাক্তি চোখের আলো ফিরে পান..

আমাদের আধুনিক বিজ্ঞান দৃ্ষ্টি শক্তির জন্য যে জিনটি দায়ী তা চিহ্নিত করতে পেরেছে

যার ফলে অন্ধ মানুষ এবং ক্ষীণ দৃষ্টি সম্পন্ন মানুষেরা দৃষ্টি ফিরে পাবেন….

আসুন এবার আমরা জীনটির সাথে পরিচিত হই



জিনটির নাম RASGRF-1

পুরোনাম Ras Protein-specific Guanine nacleatide-releasing Factor 1

এই জিনটির ফ্যাক্টার গ্রাফ




এই জিনটিএর ইলেকট্রনিক্স মাইক্রোস্কোপের চিত্র



এই আবিষ্কারটি করেছেন লণ্ডনের কিংস কলেজের একদল গবেষক।
গবেষকরা দেখেছেন জিনটির সাহায্য নিয়ে যেকোনো বস্তুর ছবি গ্রহণ করে তা মস্তিষ্কে প্রেরণ করে থাকে..

পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ দৃষ্টিশক্তি সংক্রান্ত সমস্যায় ভুগছেন….
আগামি এক দশকের মধ্যে এর ঔষধ আবিষ্কার করা হবে..চশমার ব্যবহার বিলুপ্ত হবে আশা করা যায়..
চশমা আমরা ফেলেদেব …



18
Science Discussion Forum / Second sun will be seen soon in the sky
« on: January 28, 2011, 08:48:08 PM »

In one of the novels, a writer had written that solar satellites will be sent in to the sky when the atmosphere becomes dark very soon and this is sent as the people are not having enough time to complete their work. Then people can work in two shifts but now there are really two Suns in the atmosphere. This second will be seen for some time in the atmosphere. Scientists are telling that one star which is shining brightly and is going to enter the supernova state. It will shine brightly as the sun and this star will be in this state for two weeks. Scientists are telling that this star will give more light in the history of the earth.

They are saying that this star which is called as Betalgeuse will be seen by everyone when it is falling down. The brightness of the light will lighten the night which is 640 light years far away from us. People will think that they are two Suns in the sky for few weeks. Discussions are going on about the time at which this process takes place. This process may take place in 2012 or it will take place in the coming ten lakh years. The nuclear process in the star is making it shine and it is very old star. When the process starts, it will shine brightly and slowly, the star starts to reduce its shining power. There are rumors in the internet that world will collapse in 2012 due to this star.

Source: http://www.bloggerspoint.com/sun-sky-betalgeuse-star-moving-supernova-state-shine-brightness-equal-sun/

19
Good news to all

The bandwidth price is decreased by the Govt.  from 18000/-tk to 12000/-tk. It was effective from 1/1/2011. I hope, the cost of the broad band line will be reduced.

That means, if your internet download speed is 16 KBPS, then your line charge will be 188 taka .


I don't know, our internet provider (GP, Banglalion, Qubee, Zoom, Aktel, Warid, Banglalink, Local provider) will decrease the line rent or not. Our internet provider only know how to increase the line rent instead of service.

Source: Click here

Thank you


20
First of all, I thank to our authority and specially thanks to our honorable dean Professor Dr. Md. Mizanur Rahman, Department of Business Administration.

As I heard from our teachers, our Authority has taken some important steps for the student. These are

1. The combined question paper ( A course may take three teachers but the question paper will be same in each section)http://forum.daffodilvarsity.edu.bd/index.php/topic,1988.0.html

2. If you miss four classes, Authority will call to our (Students) parents. Every student should attend 80% classes. Otherwise, Student will not allow the course.

3. Authority has changed course outline and include some essential chapter for the student and makes it standard. 

4. Nobody will allow without ID card at university campus.

5. The wall color has changed.

I expect, Authority will strictly follow these steps. Then the student will be benefited.

Thank you

21
Anti Virus / AVG antivirus licence key for 7 years
« on: January 23, 2011, 10:25:52 AM »
Some of my friends like to use AVG anti-virus. They always say, AVG is the perfect anti-virus. So, I will give them AVG anti-virus for 7 years and save $54.



At first download the AVG anti-virus free version from AVG website Click here for download. After downloading install it and give  the registration key.

The key is [  8MEH-RQXTV-HQOWD-E447R-MPHYD-PEMBR-ACED  ]


Thank you


22
IT Forum / PC to PC Networking Process (In Bangla)
« on: January 23, 2011, 10:00:18 AM »
প্রায়শ: ই দেখা যায় যে, বাসায় দু’টো কম্পিউটার আছে এবং ইন্টারনেট কানেকশনও দু’টো। এর কোন মানে হয়? আজ আপনাদের এমন ধারণা দিব যা দিয়ে আপনি বিশাল বড় ইন্ডাষ্ট্রিও একটা নেটওয়ার্কের আওতায় আনতে পারবেন খুব সহজেই। হোক সেখানে ১০০০ কিংবা ১০,০০০ যত ইচ্ছা তত কম্পিউটার। এমনকি আপনার একটা ইন্টারনেট কানেকশন দিয়ে যত ইচ্ছে তত কম্পিউটারে ব্যবহার করতে পারবেন। এক্ষেত্রে রাউটার ব্যবহার করলে ভাল হয়। ধরুন- আপনার ইন্টারনেট কানেরকশনের স্পীড 64KBPS (1 KB = 8kb সুতরাং 64 KB x 8 kb = 512kbps) এবং এই কানেকশনটিকে আপনি রাউটার ছাড়াই ১০টা কম্পিউটারে শেয়ার করলেন।

এখন কম্পিউটার-০১ যদি কোন কিছু ডাউনলোড দেয় তাহলে কম্পিউটার-০২ থেকে কম্পিউটার-১০ পর্যন্ত কেউ ভাল ভাবে ব্রাউজই করতে পারবে না। কারণ কম্পিউটার-০১ এর ডাউনলোড আপনার কানেকশনটির প্রায় ৯৫% স্পীডই ব্যবহার করছে। অর্থাৎ, আপনার স্পীড রাউটার ছাড়া নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন না। যাই হোক, মূল কাজে চলে যাই।

মনেকরছি, আমি আশিক এবং আমি কিউবি ইন্টারনেট কানেকশন ব্যবহার করছি। আমি ৪টা পিসিকে একটা নেটওয়ার্কের আওতায় আনব। আমার কিউবি মডেমটি বড় যেটা থেকে ইন্টারনেট কানেকশন কম্পিউটারে নিতে হলে ল্যান কার্ডের প্রয়োজন হয়। কিউবির আরো মডেম আছে যা ব্যবহার করতে ল্যান কার্ডের প্রয়োজন নেই; যেমন- ডন্জেল মডেম (এটি USB Port এ ব্যবহৃত হয়)। গ্রামীনফোন থেকে শুরু করে অন্যান্য অনেক মডেমই আছে যা USB Port এ ব্যবহৃত হয়। আমারটা যেহেতু USB Port এর না তাই আমার দু’টো ল্যান কার্ড এর প্রয়োজন হবে আমার ইন্টারনেট কানেকশনটি শেয়ার করার জন্য। যারা USB Port এর মডেম ব্যবহার করেন তাদের একটি ল্যান কার্ডেই যথেষ্ট। নিম্নে আমার কম্পিউটারের চিত্র দিয়েছি-




এখন ল্যান-০২ এর তার গিয়ে প্রবেশ করবে সুইচে। ও হ্যাঁ, নেটওয়ার্কির এবং শেয়ারিং করতে হলে আপনার অবশ্যই সুইচের প্রয়োজন হবে। বাজারে টিপি লিংকের ৫ পোর্ট এর সুইচের বর্তমান দাম মাত্র – ৬০০/- টাকা । তাহলে, আমার ল্যান-০১ হল কিউবি ইন্টারনেট মডেমের তার এবং ল্যান-০২ হল নেটওয়ার্কিং এর তার যা সুইচে প্রবেশ করবে। নিম্নে আমি পুরো মডেলটি এঁকে দিলাম বুঝার সুবিধার্থে-




আমি ধরে নিলাম, আমার যে পিসিতে ইন্টারনেট মডেম লাগানো আছে সেটি সার্ভার পিসি। ঠিক উপরের চিত্রের মত করেই ইন্টারনেটের ক্যাবল সবগুলো পিসিতে সংযুক্ত হবে যতগুলো পিসিকে আপনি একটা নেটওয়ার্কের আওতায় আনতে চান এবং ইন্টারনেট শেয়ার করতে চান।

তাহলে, ক্যাবল সেটিং এর কাজ সমাপ্ত। এখন কনফিগারেশন এর কাজ শুরু করি চলুন-

সার্ভার পিসি’র নেটওয়ার্কিং মেনুতে গেলাম ঠিক এই ভাবে- My network place —> Properties ( For Win7: Networking & Sharing Center —> Change adapter settings)। My network place মেনু ওপেন হলে সেখানে আমি দেখতে পাচ্ছি নিম্নের মত একটি চিত্র-




উপরের চিত্রে লক্ষ্য করুন- দু’টো আইকন। কারণ, একটি হল আমার ইন্টারনেট কানেকশনের ল্যান-০১ এবং অন্যটি আমার নেটওয়ার্কিং এর ল্যান। “Local area connection” নামে যে আইকনটি আছে দেখুন সেটি দেখাচ্ছে- “Connected, Shared”। এটি আমার ইন্টারনেট কানেরশনের আইকন তাই এই ল্যানটিকে আমি শেয়ার করেছি। আপনিও করে নিন ঠিক এই ভাবে-

ঠিক ওই আইকনটিতে রাইটক্লিক করুন যেটি আপনার ইন্টারনেট কানেকশনের আইকন। Right click —>Properties —> Advance এবং নিচের চিত্রটি দেখুন পরিষ্কার হয়ে যাবে-




Allow other network users to connect through this computer’s internet connection” & “Allow other network users to control or disable the shared internet connection” এই চেক বক্সগুলোতে ক্লিক করে “ওকে” করুন। এখন পদ্ধতি দু’টো আছে। আপনি চাইলে অন্যান্য কম্পিউটারগুলোকে ষ্ট্যাটিক আইপি দিতে পারেন অথবা চাইলে ডায়নামিক ভাবেই তারা ব্যবহার করতে পারে।

যদি অন্যান্য ব্যবহারকারীগণকে আপনি ডায়নামিক আইপি দিয়েই ব্যবহার করাতে চান অর্থাৎ ল্যান কার্ডে কোন আইপি এড্রেস দিতে চান না তাহলে অন্যান্যদের ল্যান কার্ড কনফিগারেশনের দরকার নেই।




এবং আমার মত আপনার ল্যান-০২ কে ও কনফিগারেশনের দরকার নেই। কারণ, আপনি যদি কোন ফোন কোম্পানীর (যেমন- গ্রামীণফোন) ইন্টারনেট ব্যবহার করেন তাহলে আপনার পক্ষে তাদের ডিএনএস জানা সম্ভব না ও হতে পারে। সুতরাং আপনার জন্য ডায়নামিকই উত্তম। সুতরাং, উপরের চিত্রের মত করে দু’টো ল্যান কার্ড এর কনফিগারেশনই একই রকম করে দিন এবং অন্যান্য সবার পিসির ল্যান কার্ডের ও উপরের চিত্রের মতই করে দিন। আপনার কাজ এখানের সমাপ্ত। দেখুন অন্য পিসি থেকে ব্রাউজ করে। আমি জানি, ঠিক ভাবে কাজগুলো সমাপ্ত করতে পারলে আপনি এই ধাপেই সার্থক।

আমি যেহেতু কিউবির ডিএনএস ( কিউবির ডিএনএস জানতে আপনি আপনার আইপি ব্রাউজ করুন – ১৯২.১৬৮.৩.১ এবং ষ্ট্যাটাস মেনুতে ক্লিক করে “ইন্টারনেট” এ ক্লিক করুন। সব তথ্য পেয়ে যাবেন) জানি তাই, আমি আমার ল্যান-০২ কে কনফিগার করে নিলাম। নিজের মত করে একটা আইপি এড্রেস দিলাম।




আইপি এড্রেস টাইপ করে “ট্যাব বাটন” প্রেস করলাম। সাবনেট মাস্ক অটোমেটিক তৈরী হয়ে গেল। এরপর ডিএনএস সেটআপ করলাম। ব্যাস, আমার সার্ভার পিসির ল্যান-০২ কে কনফিগার করা হয়ে গেল। এবার আমি যে কটি পিসি তে কানেকশন দিব সেগুলোকে কনফিগার করার পালা।

আমি কম্পিউটার-০২ এর ল্যান কনফিগার করলাম এভাবে- আইপি এড্রেস দিলাম ১৯২.১৬৮.০.২ তারপর ট্যাব বাটনে প্রেস করলাম। সাবনেট মাস্ক তৈরী হয়ে গেল। ডিফল্ট গেটওয়ে দিলাম আমার সার্ভার পিসিতে যে আইপিটি ব্যবহার করেছি। ১৯২.১৬৮.০.১০০। এবং ডিএনএস যা আছে সার্ভার পিসির মত করেই দিলাম।

এভাবে আমি প্রত্যেকটা পিসির ল্যানকে কনফিগার করলাম। ব্যাস, আমার কাজ সমাপ্ত। এখন সব পিসিতেই ইন্টারনেট ব্রাউজ করতে পারছি। এখন আমি চাইলে যেকোন পিসির ফাইল যেকোন পিসিতে অনায়াসে নিতে পারব শেয়ারিং দিয়ে। যেকোন ফাইলে রাইটক্লিক করে প্রোপার্টিজ থেকে শেয়ারিং মেনু এবং সেখানে এলাও করে দিলাম চেক বক্সে ক্লিক করে।

তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট, লেখক: বিভিষিকা।

23
Heritage/Culture / Lets go to see Pyramid
« on: January 21, 2011, 12:02:55 PM »
আমি তুতেন খামেন বলছি…..

চলুন একবার পিরামিডের ভিতর থেকে ঘুরে আসি


প্রতিটি পাথরে উচ্চতা কল্পনা করুন


প্রথমে আমরা দেখবো পিরামিডের নাক্সা..এতে জানতে পারবো পিরামিডের অন্তর গঠন


এটি দেখতে ত্রিকোণা হলেও এটি চার কোণা 3d চিএ



শয়ন কক্ষের computer grafix

আমি আমার (তুতেন খামেনর)পিরামিডে নিয়ে যাচ্ছি

চলুন এবার প্রবেশ পথটিকে দেখি….যেখান দিয়ে আমরা প্রবেশ করবো



চলুন এবার প্রবেশ করি


অন্ধকার ভয় করছে নাকি….ভয় না করলে সিড়ি ধরে এগিয়ে চলুন


ভয় পাবার কিছু নেই…কৃত্রিম আলোর ব্যবস্থা আছে..তা না হলে, আমরা দেখবো কি ভাবে..এগিয়ে চলুন


এবার এই ডান দিকের বাঁকে প্রবেশ করুন. আমরা পৌছে যাবো শয়ন কক্ষে


কি ভাবছেন …..রাজা তুতেন খামেন কই

এইতো… এই দিকে তাকান….এখানে আছি আমি……


আমাকে দেখতে চান…এগিয়ে আসুন কাছে…


কি কেমন দেখলেন…
আমি (তুতেন খামেন)এখানে চার হাজার বছরের বেশি দিন ধরে ঘুমিয়ে আছি
দয়াকরে আমার ঘুম ভাঙাবেন না….
ওই যে আমাকে প্রহরি পাহারা দিচ্ছে….
.চলুন একবার পিরামিডের ভিতর থেকে ঘুরে আসি |

এরাই আমার সেবা করে…..আমি মৃত্যুর পরও অমর…তাই তো দেখতে আসেন….

আসবেন কিন্তু…..
আমার সময় কার লিপি দেখুন


আমার এতো সম্পদ…খোলা পরে থাকলে চুরি হয়ে যাবার ভয় থাকে
তাই মিশরে মিউজিয়ামে সোনা দানা,আমার অলঙ্কার-ভূষণ এমন কি আমি নিজেও ওখানে আছি
আমার সাধের পিরামিডে আমি নেই



এইটা আমার মুখোস ..সম্পূর্ণ সোনায় তৈরী
আমার কফিন দেখতে চান….নিচেই আছে



আমর অনেক নিষেধ সত্ত্বেও আমাকে ওরা কফিন থেকে বার করছে…বাধা দেবার ক্ষমতা আজ আমার নেই
দেখুন কি ভাবে বার করছে

কেন ওরা আমাকে বার করছে….কেন আমকে ওরা টেনে নিয়ে যাচ্ছে..
ওরা আমার মমিকে খুলে ফললোআমার মুখের কাছে সামনে আসুন ভয় নেই…..



পাশ থেকে দেখতে আমি এরকম



কিন্তু ওরা আমাকে নিয়ে কি করবে….


ও বুঝলাম….স্ক্যান করবে…আমি কি ভাবে মারা গিয়েছি জানার চেষ্টা করবে
ওরা আমার মাথার পিছনে একটি ছিদ্র পেয়েছে..
তাই ওরা আমার অপঘাতে মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করে
আমি কেন ওদের বলবো…আমার কিভাবে মৃত্যু হয়ছে…এ রহস্য গোপনই থাক
ও আমি বলতে ভুলি গিয়েছি..আধুনিক বিজ্ঞান আমার মাথার খুলি থেকে একটা আমার একটা রেপলিকা
বানিয়েছে….দেখুন… আমি কেমন দেখতে….
সামনে থেকে আমি এরকম



সাইড থেকে আমি এরকম


কিন্তু আমি কি সত্যই এরকম ছিলাম….এ প্রশ্নের উত্তর আমি দেবো না..

এবার আমরা পিরামিডের সম্পদের প্রথম ঝলক দেখবো…
যে অবস্থায় আমকে রাখা হয়েছিলো…
এখন এই সম্পদ গুলি মিশরেরে মিউজিয়ামে রাখা আছে আলাদা আলাদা ভাবে

সাদাকালো ছবি


রঙ্গিন ছবি


সোনার রথ



এবার দেখবো যে সিহাসনে বসে আমি রাজ্য পিচালনা করতাম


আমার আরাম বিছানা


যেখানে আমি শুয়ে থাকতে চাই অনন্ত কাল


আপনারা দোয়া করুন আমি যেন শান্তিতে থাকি
টা টা বাই বাই…..

25

The authority of Dutch Bangla Bank(DBBL) said they upgraded their system in the last year, So, they increase their service charge this year.

They cut the charges each 6 month:

If your deposited amount will be average 4999 tk or less than 4999 tk. Then, bank will not cut the charge. Full free

If your deposited amount will be average 5000 - 25000 tk. Then bank will take charge about 100 tk with 15% tax =115 tk each 6 month

If your deposited amount will be more than average 25000 tk each 6 month.   Then bank will take the charge about 300 tk with 15% tax =345 tk each 6 months.

Internet banking fee 200 with 15% tax=230 tk.


Nexus Classic:

Old charge: 200tk                     New Charge: 400 tk.

Visa Electron and Maestro


Old charge: 500tk                     New Charge: 500 tk.

with 15% vat and Excise Duty


source: DBBL

26
BBA Discussion Forum / Authority should consider students problem
« on: January 19, 2011, 01:33:10 PM »
First of all, when I went for registration yesterday, I have seen a huge number of student didn't get the courses that they wanted due to the shortage of section and seat. Everybody knows it 20th is the largest batch in the university. It has 7 sections and maximum has taken major in Finance. But it's a matter of great sorrow that every major subject has only 2 sections (A and B). How will the university fulfill the student desire subject? Maximum students have taken 2 or 3 subject instead of 4. The students of Finance department  have to take Marketing department subject due to lack of the appropriate subject. Not only that 16-20 batch has registered their courses yesterday. However, university couldn't fulfill student demand.

Secondly, our exam schedule is totally changed in this semester(Spring-2011). Previous two semester was about all the same. In the previous semester(Fall-2010) I planned to take 4 courses according to the exam date. But this semester as I said exam schedule has totally changed. So, I cannot take my desired courses because 2 courses exam will be held in one day and another 2 will be held in one day. So, how is it possible to take these courses, although this is my last semester?

Today's situation is very deteriorated, 21batch students didn't get appropriate courses. We some student informed to our head of the department and advisor. We haven't seen if any precautionary step had taken.

Please help us. We are helpless. I hope, all of the students will agree with me.

Voice of 20th batch students
         Ashiq Hossain

27
হ্যাকিং কি?

হ্যাকিং একটি প্রক্রিয়া যেখানে কেউ কোন বৈধ অনুমতি ছাড়া কোন কম্পিউটার বা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে। যারা এ হ্যাকিং করে তারা হচ্ছে হ্যাকার। হ্যাকিং অনেক ধরনের হতে পারে। তোমার মোবাইল ফোন, ল্যান্ড ফোন, গাড়ি ট্র্যাকিং, বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক্স ও  ডিজিটাল যন্ত্র বৈধ অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে তা ও হ্যাকিং এর আওতায় পড়ে।  হ্যাকাররা সাধারনত এসব ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রের ত্রুটি বের করে তা দিয়েই হ্যাক করে।

এবার আসি হ্যাকার কে বা কি?

হ্যাকারঃ যে ব্যাক্তি হ্যাকিং practice করে তাকেই হ্যাকার বলে। এরা যে সিস্টেম হ্যাকিং করবে ঐ সিস্টেমের গঠন, কার্য প্রনালী, কিভাবে কাজ করে সহ সকল তথ্য জানে। আগে তো কম্পিউটারের এত প্রচলন ছিলনা তখন হ্যাকার রা ফোন হ্যাকিং করত। ফোন হ্যকার দের বলা হত Phreaker এবং এ প্রক্রিয়া কে বলা হ্য Phreaking । এরা বিভিন্ন টেলিকমনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে নিজের প্রয়োজনে ব্যবহার করত।

তিন প্রকারের হ্যকার রয়েছেঃ বলে রাখি হ্যাকারদের চিহ্নিত  করা হয় Hat বা টুপি দিয়ে।

   1. White hat hacker
   2. Grey hat hacker
   3. Black hat hacker




White hat hacker: সবাই তো মনে করে হ্যাকিং খুবই খারাপ কাজ তাই না? না হ্যাকিং খুব খারাপ  কাজ না।  White hat hacker  হ্যাকাররাই তার প্রমান করে যে হ্যাকিং খারাপ কাজ না। যেমন একজন white hat hacker  একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো বের করে এবং ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিকে ত্রুটি দ্রুত জানায়। এবার সিকিউরিটি সিস্টেমটি হতে পারে একটি কম্পিউটার, একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্কে্‌ একটি ওয়েব সাইট, একটি সফটোয়ার ইত্যাদি।





Grey hat hacker: Grey hat hacker হচ্ছে দু মুখো সাপ। কেন বলছি এবার তা ব্যাখ্যা করি। এরা যখন একটি একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো বের করে তখন সে তার মন মত কাজ করবে। তার মন ঐ সময় কি চায় সে তাই করবে। সে ইচ্ছে করলে ঐ সিকিউরিটি সিস্টেমের মালিকে ত্রুটি জানাতে ও পারে অথবা ইনফরমেশন গুলো দেখতে পারে বা নষ্ট ও করতে পারে। আবার তা নিজের স্বার্থের জন্য ও ব্যবহার করতে পারে। বেশির ভাগ হ্যকার রাই এ ক্যাটাগরির মধ্যে পড়ে।



Black hat hacker: আর সবছেয়ে ভয়ংকর হ্যাকার হচ্ছে এ Black hat hacker । এরা কোন একটি সিকিউরিটি সিস্টেমের ত্রুটি গুলো বের করলে দ্রুত ঐ ত্রুটি কে নিজের স্বার্থে কাজে লাগায়। ঐ সিস্টেম নষ্ট করে। বিভিন্ন ভাইরাস ছড়িয়ে দেয়। ভাবিষ্যতে নিজে আবার যেন ঢুকতে পারে সে পথ রাখে। সর্বোপরি ঐ সিস্টেমের অধিনে যে সকল সাব-সিস্টেম রয়েছে সে গুলোতেও ঢুকতে চেষ্টা করে।

হ্যকাররা অনেক বুদ্ধিমান এটা সর্বোজন স্বীকৃত বা সবাই জানে। অনেক ভালো ভালো হ্যাকার জীবনেও কোন খারাপ হ্যাকিং করে নি। কিন্তু তারা ফাঁদে পড়ে বা কারো উপর রাগ মিটানোর জন্য একটি হ্যাকিং করল। তখন তুমি তাকে উপরের কোন ক্যাটাগরিতে পেলবে? সেও Grey hat hacker কারন তার হ্যাকিং টা নির্ভর করছে তার ইচ্ছে বা চিন্তার উপর।

নিচে আরো কয়েক প্রকারের হ্যকারদের সংগে তোমাদের পরিচয় করিয়ে দিচ্ছিঃ

Anarchists: Anarchists হচ্ছে ঐ সকল হ্যাকার যারা বিভিন্ন কম্পিউটার সিকিউরিট সিস্টেম বা অন্য কোন সিস্টেম কে ভাঙতে পছন্দ করে। এরা যেকোন টার্গেটের সুযোগ খুজে কাজ করে।

Crackers: অনেক সময় ক্ষতিকারক হ্যাকার দের ক্র্যাকার বলা হয়। খারাপ হ্যকাররাই ক্র্যাকার। এদের শক বা পেশাই হচ্ছে ভিবিন্ন পাসওয়ার্ড ভাঙ্গা এবং Trojan Horses তৈরি করা এবং অন্যান্য ক্ষতিকারক সফটয়ার তৈরি করা। (তুমি কি এদের একজন? তাহলে তো তুমি ই হচ্ছ হ্যাকিং এর কিং) ক্ষতিকারক সফটওয়ারকে Warez বলে। এসব ক্ষতিকারক সফটওয়ারকে তারা নিজেদের কাজে ব্যবহার করে অথবা বিক্রি করে দেয় নিজের লাভের জন্য।

Script kiddies: এরা কোন প্রকৃত হ্যকার নয়। এদের হ্যাকিং সম্পর্কে কোন বাস্তব জ্ঞান নেই। এরা বিভিন্ন Warez ডাউনলোড করে বা কিনে নিয়ে তার পর ব্যবহার করে হ্যাকিং ।

হ্যাকাররা অনেক ভাবে হ্যাকিং করে। আমি কয়েক প্রকারের হ্যাকিং সম্পর্কে আলোচনা করছিঃ


পিশিং

Denial of Service attack:
Denial of Service attack সংক্ষেপে DoS Attack একটি প্রক্রিয়া যেখানে হ্যাকাররা কোন একসেস না পেয়েও কোন নেটওয়ার্ক এ ঢুকে তার ক্ষমতা নষ্ট করে। DoS Attack এ নেট কানেকশন বা রাউটারের ট্যারিফ বাড়িয়ে দেয়।

Trojan Horses : হচ্ছে একটি প্রোগ্রাম যা অন্যান্য প্রোগ্রামকে নষ্ট করে। এটিকে সবাই ভাইরাস নামেই চিন। Trojan Horses  ব্যবহার করে অন্যান্য প্রোগ্রাম নষ্টের পাশা পাশি পাসওয়ার্ড বা অন্যান্য তথ্য হ্যাকারদের কাছে সংকৃয় ভাবে পৌছিয়ে দেয়।

Back Doors: Back Doors খুজে বের করে হ্যাকাররা কোন সিস্টেম কে কাজে লাগায়। Back Doors গুলো হচ্ছে প্রশাসনিক সহজ রাস্তা, configuration ভুল, সহজে বুঝতে পারা যায় এমন passwords, এবং অসংরক্ষিত dial-ups কানেকশন ইত্যাদি। এরা কম্পিউটার এর সাহায্যে এ ত্রুটি গুলো বের করে। এ গুলো ছাড়া ও অন্যান্য দুর্বল জায়গা ব্যবহার করে কোন নেটওয়ার্ক কে কাজে লাগায়।

Rogue Access Points :কোন ওয়ারলেস নেটওয়ার্কে প্রবেশের জন্য হ্যাকাররা Rogue Access Points  ব্যবহার করে।

28
ল্যাপটপ , নোটবুক আর নেটবুকের মধ্যে তফাৎ

সর্ব প্রথম বানিজ্যিক ভাবে যেই ল্যাপটপটি ছাড়া হয়ে ছিল সেটি আই বি এম ৫১০০ মডেলের। নিচের ছবিতে দেখুন।



এটি ১৯৭৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ছাড়া হয়। এবং ধীরে ধীরে নানা পরিবর্তন পরিবর্ধন ও সংস্করণের মাধ্যমে আজকের উন্নত ল্যাপটপে রুপ নিয়েছে। মুলত মোবাইল কম্পিউটার  ডেক্সটপ কম্পিউটারের রিপ্লেসমেন্ট হিসেবেই চলে এসেছে।এবার মূল বিষ্যে ফিরে আসি।

ল্যাপটপঃ

সারাক্ষন ল্যাপটপের নাম শুনতে শুনতে আমরা অভ্যস্থ হয়ে পড়েছি আবার নোটবুকও??? আসলে ল্যাপটপ আর নোটবুক একই জিনিস। এগুলোর কোন পার্থক্য নেই। যেমন ধরুন অ্যাপলের ল্যাপটপের নাম ম্যাকবুক, বেনকিউ তাদের উৎপাদিত ল্যাপটপকে বলে জয়বুক। তার মানে এই নয় যে ম্যাকবুক বা জয়বুক নতুন কোন ধরণের মোবাইল কম্পিউটার। বাস্তবে মোবাইল কম্পিউটার গুলো উন্নত বিশ্বে এখন আমাদের দেশেও নোটবুক হিসেবে ব্যাবহার হচ্ছে। আমরা আজ প্রায় সব ধরনের লেখাপড়ার কাজ ল্যাপটপ কম্পিউটারেই করতে পারছি। যা কিনা আগের খাতা কলমের বিকল্প হিসেবে তাই অনেক ক্ষেত্রেই ল্যাপটপকে নোটবুক হিসেবে অভিহিত করা হয়। ল্যাপটপ গুলো একেকটি পুর্ণাঙ্গ ডেস্কটপ পিসির রিপ্লেসমেন্ট। অনেক ব্লগে এমন কি বিভিন্ন দেশি কম্পিউটার ম্যাগাজিনেও ল্যাপটপ আর নোটবুককে দুই জিনিস হিসেবে দেখানো হয়েছে। আসলে নেটবুক আরেক জিনিস নোটবুক নয়। তারা ল্যাপটপ নোটবুক আর নেটবুকের মধ্যে এমন তালগোল পাকিয়ে ফেলেছে যে বিভ্রান্ত হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে এই টিউনের শেষের দিকে আমি নেটবুক ও নোটবুক তথা ল্যাপটপের পার্থক্যগুলো তুলে ধরবো।


নেটবুকঃ

বর্তমান সময়ের আলোচিত ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস। অনেকেরই ধারণা নোটবুক(Notebook) আর নেটবুক(Netbook) একই জিনিস। বাস্তবে নয়। এটা মোবাইল পিসির একটা ক্ষুদ্র সংস্করণ আর মোবাইল পিসিগুলোকে আমরা হয়ত সবাই ল্যাপ্টপ বলেই ডাকি। এর পোর্টেবিলিটি “ল্যাপটপ বা নোটবুক” অপেক্ষা অনেক বেশি (বহন করার সুবিধার্থে ও আকার অনুযায়ী)। এক্ষেত্রও উদাহরন দেওয়া যেতে পারে, যেমন ধরুণ অ্যাপল তাদের নেটবুকের নাম দিয়েছে আই-বুক। অর্থাৎ বিভিন্ন কোম্পানি তাদের স্বকীয়তা প্রকাশের জন্য বিভিন্ন নামে বাজার জাত করতে পারে কিন্তু তাদের প্ল্যাটফর্ম কিন্তু একই থাকছে।


আসুন এবার দেখে নেই এদের তুলনা মুলক বৈশিষ্ট্যঃ

প্রসেসরঃ নেটবুক-ইন্টেল অ্যাটম/সেলেরন এম/Via c7/ARM (কম শক্তি সম্পন্ন ও এনার্জি সেভিং)
ল্যাপটপ/নোটবুক- সেলেরন এম(পুরানো মডেলের ক্ষেত্রে)/ডুয়াল কোর থেকে কোর আই ৭ সহ সকল আধুনিক প্রসেসর (অধিক ক্ষমতা সম্পন্ন কোন কোন ক্ষেত্রে ডেস্কটপের মত)

স্ক্রীন সাইজঃ
নেটবুকে সাধারনত ৮-১১.২”
ল্যাপটপ/নোটবুকঃ ১২.১-১৯”

অপ্টিক্যাল ড্রাইভঃ
নেটবুকে থাকে না।
ল্যাপটপ/নোটবুকঃ সিডি রম থেকে শুরু করে ব্লু-রে (পর্যন্ত)

গ্রাফিক্সঃ
নেটবুকেঃ বিল্ট-ইন ( সাধারন মানের)
ল্যাপটপ/নোটবুকঃ গ্রাফিক্স কার্ড থাকে (সকল ক্ষেত্রে নয়)

কানেক্টিভিটিঃ
দুটোতেই একই ধরনের সুবিধা থাকে(যেমনঃ ওয়েব ক্যাম,ওয়াই ফাই,ব্লু টুথ,ল্যান আজকাল কোন কোনটিতে বিল্ট-ইন EDGE/3G/4G Wimax মডেম থাকে) তবে নেটবুকে ইউএসবি/ভিজিএ/এইচডিএমআই ইত্যাদি পোর্ট কম থাকে।
ল্যাপটপ/নোটবুক বেশি থাকে। [সাধারনত ভিজিএ/এইচডিএমআই পোর্ট উভয় ক্ষেত্রেই একই ধরনের থাকে]

ওজনঃ
নেটবুকের ওজন ১.৫ কেজির কম হয়।
ল্যপটপ/নোটবুকের তুলনামুলক বেশি ওজন হয়।

চার্জিং ব্যাকআপঃ
নেটবুকের ব্যাকআপ টাইম বেশি হয়। ৪ঘন্টা থেকে১২ ঘন্টা পর্যন্ত হয়ে থাকে।
ল্যাপটপের/নোটবুকের ব্যাকআপ তুলনামুলক কম হয় ২ ঘন্টা থেকে ৬ ঘন্টা পর্যন্ত।

কার্যক্ষমতাঃ
নেটবুকের ক্ষমতা খুবই কম সাধারন মাল্টিমিডীয়া ফাংশন ও অফিসের ছোট খাটো কাজ করা ইন্টারনেট ব্রাউজিং এই কার্যক্ষমতা সীমাবদ্ধ। উচ্চমানের গ্রাফিক্সের কাজ করা যায় না।
ল্যপটপ/নোটবুকের কার্যক্ষমতা অনেক বেশি হয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ডেস্কটপ পিসির সমমানের হয়ে থাকে।

নেটবুকের সুবিধাঃ
ওজনে কম ও আকারে ছোট তাই সহজে বহন যোগ্য। একটানা দীর্ঘক্ষণ ব্যাকআপ দেয়। দামে সস্তা।অসুবিধাঃ নতুন পার্টস্‌ সংযোজন করা যায় না। অর্থাৎ কনফিগারেবল না। উচ্চমানের কাজ করা যায় না। অনেক সময় প্রিলোডেড ওএস-এর চেয়ে আপগ্রেড করা যায় না। অনেক সময় সফ্‌টওয়্যার ব্যাবহারের ক্ষঠাকে।সীমাবদ্ধতা থাকে।
ল্যাপটপ/নোটবুকের সুবিধাঃ কনফিগারেবল, র‍্যাম, হার্ডডিস্ক প্রভৃতি বাড়ানো যায়। অনেক ক্ষেত্রেই শক্তিশালী গ্রাফিক্সের কাজ করা যায়। গেমিং ল্যাপটপ বাজারে পাওয়া যায়। অসুবিধাঃ দাম অনেক বেশি (নেটবুকের তুলনায়), আকারে বড় আর ওজনেও বেশি তাই নেটবুকের তুলনায় বহন কিছুটা কঠিন। ব্যাকআপ টাইম অনেক কম হয়।


Source:In english http://en.wikipedia.org/wiki/Laptop

29


আমি মমতাজ বলছি….
চলুন আমার সঙ্গে তাজমহল দেখে আসি…


দাড়ান এতো তাড়া কিসের.….আমার প্রেমিক শাজাহান কে এক বার দেখুন….



আহা…কি রোম্যান্টিক তাই না..
হাতে যে গোলাপ দেখছেন তা আমিই ওকে দিয়েছি……
তবে ও আমাকে দিয়েছে পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের একটি….তাজমহল


প্রেমের প্রতীক ….ভালোবাসার প্রতীক
এবার আমরা যা যা দেখবো তা মোঘল শিল্প কলার আর্শ্চয নির্দশন…..


আমি মমতাজ এই শিল্প কর্মের জন্য ওস্তাদ ঈসা খাঁ কে ধন্যবাদ জানাই
এবার আমরা আরও সামনে যাবো….



তাজমহলের মেঝে ও দেয়ালের ছবি দেখুন


তাজমহলের বারান্দা….আহা কি সুন্দর
তাই না

একটু উপরে দিকে তাকান….এটা তাজমহলের ভিতরের ছাদের ছবি


আহা ভিতরের ছবিটি কি মনোরম….


দেখুন এই নক্সাটি…তাজ মহলের দেয়ালের ছবি


এবার দেখুন আমরা যেখানে শুয়ে আছি


ভিতরে প্রবেশ করুন


উপর থেকে আমাদের দেখুন


কাছে আসুন


ওই যে ছোট কবরটি ….ওটা আমার…আর বড়টি…সেটাকি বলতে হবে..

অনেক কিছুই তো দেখলেন….এসবই আমার প্রতি শজাহানের প্রেমের বহিঃপ্রকাশ
আমি মমতাজ….সম্রাট শাজাহান আমার একটি অভিযোগ আছে আপনার কাছে___
তাই তো আমি খোলা চিঠি পাঠালাম……

“তুমি কি আমায় ভালোবাস ?

তুমি হাসছো ….এই প্রশ্ন শুনে…হয়তো উওর দেবে…তাজমহলই তার পরিচয়

যদি বলি তাজমহল লোক দেখানো….
হয়তো তুমি আমাকে হত্যা করবে……..
আমি তোমাকে পরপর ১৪টি সন্তান উপহার দিয়েছি
কখনো কি ভেবেছ প্রসব যন্ত্রনা কাকে বলে….
তুমি তো কখনো মা হও নি...এর উওর তুমি জানবে না ….
তোমাকে তোমারই ১৪তম সন্তান উপহার দিতে গিয়ে আমি মৃত্যুকে করেছি হাসি মুখে বরণ…
আর একটি তাজমহল বানিয়ে সেই যন্ত্রনাকে গলা টিপে মেরেছ…..লোক সম্মুখে হয়েছ প্রেমিক…….
তাই আবার প্রশ্ন করি….তুমি কি আমাকে ভালোবাসতে…না অন্য কিছু??????????”


30
ডেড সী বা মৃত সাগর কে মৃত বলা হয় কেন?



কারন এ সাগরে কোন মাছ বা জলজ প্রানি বাঁচে না। কেবল কিছু ব্যক্টরিয়া ও ছত্রাক জাতীয় অনুজীব পাওয়া যায়।  এ জন্যই একে মৃত সাগর বলে।

ডেড সী বা মৃত সাগরে কোন মানুষ ডুবে যায় না কেন?

সবাই জানে ডেড সী বা মৃত সাগরে কোন মানুষ ডুবে যায় না। কারন কি তা জানেন? কারন হল মৃত সাগরে পানির ঘনত্ত্ব খুব বেশি। পানির ঘনত্ত্ব বেশির কারন হচ্ছে লবন। অন্যান্য মহা সাগরে লবনের পরিমান শতকরা ৫% – ৬%। কিন্তু এ মৃত সাগরে লবনের পরিমান ২৫% – ৩০%। তাছাড়া এর লবনাক্ততা স্বাভাবিক সাগরের থেকে  ৮.৬ গুন বেশি।



লবনের কারনে এখানে অনেক সাগরের ঢেঁউয়ে অনেক ফেনা জন্মে, এবং তীরে অনেক লবন জন্মে।

তাছাড়া অন্যান্য সাগরের রাসায়নিক উপাদানের থেকে এ সাগরের রাসায়নিক উপাদানের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।



আর পানির এ ঘনত্ত্বের কারনে এখানে প্লবতা বেড়ে যায়।  প্লবতা আবার কি তাই না?



প্লবতা বা buoyancy হচ্ছে, কোন তরল পদার্থে অন্য কোন পদার্থ নিমজ্জিত (ঢুবালে) করলে উপরের দিকে এক প্রকার বল প্রয়োগ করে এবং ঐ পদার্থের ওজনকে বাধা দেয়, এই বাধা দান কারী বল ই হচ্ছে প্লবতা।  প্লবতার কারনে কোন বস্তু মৃত সাগরে ফেললে তা ভাসিয়ে রাখে। তাই মানুষ এ মৃত সাগরে বসে বা শুয়ে থাকতে পারে।


Pages: 1 [2] 3 4 ... 12