Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - ananda

Pages: 1 [2] 3 4
16
Student's project / Re: Project - DIU-Moon-BOT
« on: May 20, 2012, 03:12:46 PM »
Ha ha ha.... We will be very happy to see you in the group, Arefin...

17
Story, Article & Poetry / দুটি অনুকাব্য
« on: May 20, 2012, 03:01:55 PM »
১.

কে তুমি কবি -

সভ্যতার কাছে দীক্ষা নিতে আসো পল্লবিত সবুজের মায়াঞ্জন চোখে ?

যত নাগরিক কালিদাস, ইঞ্চি মেপে কবিতা লিখে বিজ্ঞাপনের ফাঁকে।

 

২.

কেন মানুষ হতে চাও?

বরং তুমি পাখিই হও, দিগন্তে মেলো ডানা...

সুশীল হওয়ার চেয়ে ভালো রামগরুড়ের ছানা।

18
Story, Article & Poetry / Re: সমকালীন ছড়া
« on: May 20, 2012, 02:58:07 PM »
বেশ দারুন ....

19
Arefin,

You can use adobe acrobat professional. In this software, there is an extract command. You have to put  page numbers that you want to extract. Using adobe professional, you can also merge several pdf , jpg etc. into a single one.

20
Story, Article & Poetry / অবক্ষয়
« on: May 16, 2012, 05:15:07 PM »
[এই গল্পটি সচলায়তন গল্প সংখ্যা- পূর্ণমুঠিতে প্রকাশিত। পুলিশের জলকামানে একজন শিক্ষক মারা গেছেন। এই গল্প সেই ক্ষোভের মূলে না হয় আরেকটু ঘি ঢালুক, আগুন জ্বালুক আমাদের বুকে।]

নিখিলেশ বাবু। আমার মাষ্টারমশায়। সেই ছোটবেলায় যেদিন প্রথম বাবার হাত ধরে, গাঁয়ের মেঠো পথ বেয়ে, সবুজ ঘাসে পা মাড়িয়ে এক বুক ধুকপুকানি নিয়ে টিনের চালার পাঠশালায় পা রাখলাম, সেদিন দেখেছিলাম নিখেলেশ বাবুকে। দিব্যকান্তিঋজুমাষ্টারমশায় এসে বাবার সাথে হাত মেলালেন, সযত্নে আমার মাথায় হাত বুলিয়ে নাম জিজ্ঞেস করেছিলেন। সত্যি বলতে কি সেই প্রথম দিন থেকেই আমি মাষ্টারমশায়ের গুনমুগ্ধ শিষ্যে পরিণত হয়ে গিয়েছিলাম। তাঁর হাত ধরেই আমার জ্ঞানচক্ষুর পাপড়িগুলো উন্মেষিত হয়েছিল সত্যের নির্মল আলোকে। তিনি যখন আমাদের কবিতা পড়াতেন তখন এক অবিমিশ্র ভালো লাগায় মন কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে যেতো, তন্ময় হয়ে যেতাম সবাই অপূর্ব এক অব্যক্ত শিহরণে। তিনিই প্রথম শিখিয়েছিলেন, সদা সত্য কথা বলিব, মিথ্যে বলা মহাপাপ, অন্যায়কারী আর অন্যায় সহ্যকারী উভয়েই সমান অপরাধী এই রকম আরো কতো কি। তিনি চেয়েছিলেন আমাদের হৃদয় গোলাপকে শুদ্ধতায় পরিস্ফুট করতে। সময় কেটে গেলো পল, মিনিট, ঘন্টার কাঁটা পেরিয়ে, আমি ও প্রাথমিকের ল্যাঠা চুকিয়ে ঢুকলাম মাধ্যমিকে। তখনো নিখিলেশ বাবু আমার নিয়মিত খোঁজ নিতেন, উৎসাহ দিতেন।

সে যাই হোক। আমি ক্রমে মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক পেরিয়ে ভর্তি হলাম দেশের সেরা বিদ্যাপীঠের একটাতে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই রঙিন ভুবনে আমিও সব রঙিন কাজে জড়িয়ে পড়লাম। তখন আমি নিখিলেশ বাবুর দেয়া ধ্যান-ধারণা থেকে যোজন যোজন দূরে। গ্রামের সোদাঁ মাটির গন্ধ আমি ভুলে গেছি নতুন টাকার কড়কড়ে গন্ধে, ঠুনকো মূল্যবোধের ধব্জা ওড়ানো যে নির্বোধের কাজ সে আমি বেশ ভালই বুঝতে শিখেছি ততদিনে। টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি ওসব কোন ব্যাপারই নয়। আমি ক্ষমতার স্বাদ পেয়েছি, বাঘ যেমন প্রথম রক্তমাংসের স্বাদ পেলে পাগল হয়ে ওঠে ঠিক তেমনি আমি ও ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে গেলাম।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্ট যখন শেষ করলাম তখন আমার দল ক্ষমতায়। আমার গুরু তখন সরকারের ক্ষমতাধর মন্ত্রী। তিনি আমায় তার পি. এস. করে নিলেন। এখন আমি ও অনেক ক্ষমতাধর। আমার এক ইশারায় অনেকে মুহুর্তে আকাশ থেকে মাটিতে নেমে আসে আবার অনেকেই আকাশে ভাসে। আমার মুখে গর্বের হাসি, অহংকারের ছায়া। হ্যাঁ তুমি পেরেছো। আরো অনেক কিছু পারবে।

আজ আমার খুব টাইট সিডিউল। সকালে গুরুর দুটো জনসভা, তারপর শিক্ষকদের অনশন ভাঙ্গা, আরো....। আমি বেরিয়ে পড়ি। দুপুরে মন্ত্রীর সাথে যাই সচিবালয়ের বাইরে আন্দোলনরত শিক্ষকদের অনশন ভাঙ্গাতে। শিক্ষকদের একাংশ অনশন ভাঙ্গলেন মন্ত্রীর শরবত খেয়ে, আরেক অংশ তখনো দূরে প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভ করছিলেন। তারা দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত অনশন করে যাবেন। মন্ত্রী এখন শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিচ্ছেন। হঠাৎ দূরে একজনের উপর চোখ আটকে গেলো। আমার মাষ্টারমশায় নিখিলেশ বাবু না? সেই ঋজু শরীর আর নেই কিন্তু সেই গৌরবর্ণের নির্বিকার মুখ আজো এক দেখাতে চেনা যায়। তাঁর হাতে প্ল্যাকার্ড- অবিলম্বে 10% বেতন বৃদ্ধি চাই। আমি ভাবি, 10% বেতন বৃদ্ধির জন্য কতো নিখিলেশ বাবুকে আমরণ অনশন করতে হয় আর আমার গুরুর বেতন বাড়াতে লাগে কলমের একটি মাত্রখোঁচা!

আমার উপর গুরু দ্্বায়িত্ব পড়েছে। শিক্ষকদের যে একাংশ অনশন করে যাচ্ছেন তাদের সাথে সমঝোতা করতে হবে, মিথ্যে আশ্বাস দিয়ে তাদের আন্দোলন বানচাল করে দিতে হবে। সেই শিক্ষক সমাজের প্রতিনিধিদের একজন আমার মাষ্টারমশায়। আমি আজ তাঁর সাথে মিটিং-এ বসবো, মুখোমুখি হবো। তাঁকে আশ্বস্ত করবো সব দাবি মেনে নেয়া হবে বলে; যিনি আমাকে প্রথম শিখিয়েছিলেন 'মিথ্যে বলা মহাপাপ, সদা সত্য কথা বলিবে'। তিনি এক বুক শান্তি নিয়ে ঘরে ফিরে যাবেন।

আর- আরেকটি আন্দোলনকে ব্যর্থ করে দেওয়ার সাফল্যের পালক যুক্ত হবে আমার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে।

আমি একদিন মন্ত্রী হবো।

21
IT Forum / Re: আপনি জানেন কি !
« on: May 15, 2012, 03:58:14 PM »
Really??? I did not know it!! Thanks for this interesting post...

22
BSOD is a common problem of windows, specially Windows 7 frequently trapped in this problem. Good suggestions!!

24
আর কোন অপরাধবোধ নেই
___________________________

বৃষ্টির ঘ্রাণ পাচ্ছি,
জলের ঘ্রাণ পাচ্ছি,
জলমগ্নতায় কার অতল হৃদয়ের
কলরব শুনতে পাচ্ছি ।
এ কার নুপুর-নিক্কণ সকরুণ সুরে
আজো কাঁদে করোতোয়ার কচুরীর দামে?
রেণুকা? সে তো চৌদ্দ বছর আগেই
ভোকাট্টা হয়ে গেছে গোলাপী ঘুড়িটার মতো!
সেই ঘুড়ি, সেই নিরুদ্দেশ ঘুড়ি কতবার ছলে-বলে
আশ্রয় নিয়েছে রেনুকাদের ছাদে!
যতবারই কুড়োতে গিয়েছি
ততবারই বিদ্ধ হয়েছি শান্ত গভীর দু’চোখের মায়ায়।
তার বেনুনী করা চুলের দোলার বিভ্রমে
যত না চমকিত হয়েছে প্রতিদিন বিকেলের সূর্য
তারো বেশি বিস্ময়ে আমায় চিরকাল বিমূঢ় করে রেখে
ফেরার হয়েছে সে ঘুড়িটার মতোই……
রেণুকা এখন কেবলই এক বিস্মৃত অধ্যায়,
সবার অগোচরে টুপ করে ঝরে যাওয়া ভোরের শিশিরের নাম রেণুকা।
তবুও তার কথা মনে পড়ে,
বার বার কেন এতো মনে পড়ে?

রেণুকার মতোই ফিরে ফিরে আসে ভুবনপুরের মত্ত দুপুর,
পাহাড়ের কোল ঘেঁষা রেললাইন,
হুইসেল বাজিয়ে প্রচন্ড আক্রোশে ছুটে যায় ছুটে আসে ট্রেন,
সেই ট্রেনটাই বার বার আসে যেটা থেঁতলে দিয়েছিল
আমার ভাইয়ের ছোট্ট শরীর।
তার নিথর দেহ, অপলক দৃষ্টি মুছে যেতে না যেতেই
ভেসে ওঠে সেই খোঁড়া শালিকের মুখ
যার বাসা ভেঙ্গে দিয়েছিলাম এক ভর দুপুরে চুপিচুপি।
আহ্, অপরাধ! কতো অপরাধ জমে আছে এই করতলে!
জমা আছে সঙ্গোপনে।
রেণুকার চলে যাওয়া,
ভাইয়ের মৃত্যু,
বাসা-ভাঙ্গা শালিক,
এমন কি কার্নিশের কাকটাও
আমাকে অপরাধী করে রেখে গেছে চিরকাল।
প্রতিদিন ঘুম থেকে জেগে দেখি সেই কাক
হ্যাঁ সেই কাকটিই আমার শিয়রের কাছে বসে চেয়ে থাকে অপলক-
রোদে শুকোতে দেয়া এক ফালি আমসত্ত্ব চুরির দায়ে
যার মৃত্যুদন্ড ঘোষনা করেছিলাম আমি।
জানালার ফাঁক দিয়ে নিপুন কৌশলে দক্ষ শিকারীর মতো
এক গুলতিতেই দিয়েছিলাম নিশ্চিত নির্বাণ আঠার বছর আগে।
কাকটি ফিরে এসেছে, যুগপৎ আমার অপরাধবোধ।

একটা কাক, দুটো কাক, অনেকগুলো কাক
একটানা কা-কা করে ডাকছে কাছে কোথাও।
এই তো দেখতে পাচ্ছি,
পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছি
ওদের চোখে প্রতিশোধের আগুন।
এখনই পালাতে হবে,
ওই যে বাসটা আসছে …
বৃষ্টিও আসছে … খুব ভিড় …শোরগোল….
তবুও যে করেই হোক উঠতে হবে ..
যাচ্ছলে, পা ফস্কে গেল নাকি!
……………………………….
এখানে এতো রক্ত কেন!
বৃষ্টির ঘ্রাণ পাচ্ছি,
জলের ঘ্রাণ পাচ্ছি,
জলমগ্নতায় কোন এক ফুলকিশোরীর
চুরির টুংটাং সুর শুনতে পাচ্ছি।
বৃষ্টি মুছে দিচ্ছে সব,
সব লাল রং . . .
সব জমাট কষ্ট . . .
আর সব অপরাধবোধ।

25
To get the book (10MB) , you can send email at the following address....


ananda@daffodilvarsity.edu.bd

26
You need to know / A book that must be read by final year students
« on: May 09, 2012, 03:21:05 PM »
Dear Students,

All of you are going to complete final year project during your undergraduate program. Projects are a major component of virtually all undergraduate and postgraduate computing and information science courses within universities. They require students to
draw on a number of separate but highly important skills; surveying literature, report writing, developing and documenting software, presentational skills, time management, project management skills and so on. For students to excel in all of these areas is a major
accomplishment, yet it is something that academic institutions have come to expect as part of the independent learning process.

Before starting your project, you can go through the following book. It will help you to make clear understanding how to set our gaol and how to proceed step by step.

Projects in Computing and Information Systems
A Student’s Guide

by-
CHRISTIAN W. DAWSON


If anyone interested you can collect it from me......

27
এতো বিস্তারিত জানা ছিলো না।  মাত্রাতিরিক্ত লবণের ঘনত্ব কোন পানিতে থাকলে সূর্যকিরণে সে পানির তাপমাত্রা প্রায় ৩০০ ডিগ্রি পর্যন্ত হতে পারে... এরকম কিছু একটা কোন জার্নালে পড়েছিলাম। কাজেই ডেড সি-তে কোন কিছুর বেঁচে থাকা রীতিমতো অসম্ভব....

28
Web based Developer Forum / Usability.... Think a bit more
« on: March 07, 2012, 02:47:34 PM »
Previously, I was also in the same group of people who think usability just a matter of sense!!!  But after completion of HCI course In Masters level, my idea is totally changed....  I studied more and came to know some amazing impacts of usability in system design....  It is now proved that if a system is designed maintaining usability issues then it increases productivity. Why the number of Windows users are more than other OS? Why Samsung Galaxy Tab is clearly ahead than iPhone??? Why it is said that if usability is considered with importance, it will result long life of the world??

I would like to explain usability aspects, Human Factors, Learnabilty issues in future posts. Please share your knowledge here.

29
Thanks for the wishes..

30


খুব চমৎকার একটা পোস্ট। কিছু ইনফরমেশন এর সাথে যোগ করছি ....

ডিনায়েল অফ সার্ভিস অ্যাটাক:   এই অ্যাটাকের মূল কাজ হচ্ছে কোন সিস্টেমকে অনেকটা সময় ধরে অকেজো করে দেয়া। এই কাজের জন্য সিস্টেমে অ্যাক্সেস থাকার প্রয়োজন নেই। যারা ডস অ্যাটাক করে থাকেন তাদের প্রথম কাজ হচ্ছে অনেকগুলো কম্পিউটারের (হাজরেরও বেশি) কন্ট্রোল প্রথমে নিজের হাতে নেয়া। অতপর একই সময়ে সবগুলো কম্পিউটার থেকে টার্গেট ওয়েবসাইটে ক্রমাগত রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে যাওয়া। এতে করে ওই সিস্টেমটির বাফার ওভারফ্লো হয়ে কিছু সময় অকেজো হয়ে পড়তে পারে।  এতে লাভ কি? চিন্তা করুন, দুটি প্রতিযোগী কম্পানি অনলাইনে বেচাকেনা করে। একটি কোম্পানির ওয়েবসাইট যদি দুই ঘন্টাও বিকল থাকে অন্য কোম্পানির কি পরিমাণ লাভ!!!

ট্রোজান হর্স:  ট্রোজান হর্স একধরনের ম্যালওয়ার কিন্তু ভাইরাস নয়। ট্রোজান হর্স মূলতঃ ছদ্মবেশী প্রোগ্রাম। কিভাবে? ট্রোজান হর্স সিস্টেমের ইউজারের মাধ্যমেই ইনস্টল হয়। কিন্তু একজন ইউজার কেন জেনেশুনে ট্রোজান ইনস্টল করবে? এক্ষেত্রে ট্রোজানগুলো ইউজারকে বোকা বানায়। ট্রোজান হর্স ম্যালওয়ারগুলো এমন নাম ধারণ করে যাতে ইউজার মনে করে এরা কোন সিস্টেম প্রোগ্রাম।  আসলে এরা তা না।  নিজেই ছোট একটা পরীক্ষা করে দেখুন না। আপনার পিসির অল্টার+ কন্টোল+ডেল প্রসে করে টাক্স বার অন করুন। দেখুন লোকাল সার্ভিস বা এস.ভি.সি.হোস্ট নামে এমন কোন প্রোগ্রাম চলছে কিনা যার ইউজারের নামের জায়গায় সিস্টেমের পরিবর্তে অ্যাডমিনিস্ট্রেটর বা লগ-ইন নেইম দেখাচ্ছে। যদি এরকম হয় তবে নিশ্চিতভাবে সেটা ট্রোজান।

ব্যাকডোর: ব্যাকডোরের মূল কাজ হচ্ছে এর মাধ্যমে ইনট্রুডার তার বাসায় বসেও আপনার পিসিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। এমন কি অনেক ব্যাকডোর আপনার পিসিতে আপনি যে কাজ করছেন তার লাইভ ভিডিও স্ট্রীমিংও করতে পারে ইনট্রুডারকে।  আপনার পিসিকে ব্যবহার করে অন্য কোন সিস্টেমকে অ্যাটাক করা, আপনার পিসিকে অবৈধ কন্টেন্ট রাখার জন্যও ব্যবহার করতে পারে নিয়ন্ত্রণকারী।



Pages: 1 [2] 3 4