Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - mshahadat

Pages: 1 [2] 3 4 ... 8
17
BCS Cadre / General knowledge
« on: August 03, 2015, 02:50:41 PM »
জেনে নিন কিছু তথ্য-------
১.বাংলাদেশের বৃহত্তম স্টেডিয়াম? উঃ বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম
২. বাংলাদেশের বৃহত্তম ব্যাংক? উঃ সোনালী ব্যাংক
৩. বাংলাদেশের বৃহত্তম সিনেমা হল? উঃ মনিহার (যশোর)
৪. বাংলাদেশের বৃহত্তম কন্টেনার জাহাজ? উঃ বাংলার দূত
৫. বাংলাদেশের বৃহত্তম শহর? উঃ ঢাকা
৬. বাংলাদেশের বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর? উঃ চট্টগ্রাম বন্দর
৭. বাংলাদেশের বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র? উঃ কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র
৮. বাংলাদেশের বৃহত্তম তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র? উঃ ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
৯.বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র? উঃ তিতাস, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
১০. বাংলাদেশের বৃহত্তম হোটেল? উঃ হোটেল সোনারগাঁও, ঢাকা
১১. বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ? উঃ তাজিংডং (বিজয়) (১২৩১ মিঃ)
১২. বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পাহাড়? উঃ গারো (ময়মনসিংহ)
১৩. বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বৃক্ষ? উঃ বৈলাম (প্রায় ৬১মিটার)
১৪. বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী? উঃ সুরমা
১৫. বাংলাদেশের প্রশস্ততম নদী? উঃ যমুনা
১৬. বাংলাদেশের দীর্ঘতম রেল সেতু ? উঃ হার্ডিঞ্জ ব্রীজ (১৭৯৬ মি:)
১৭. বাংলাদেশের দীর্ঘতম সড়ক সেতু? উঃ বঙ্গবন্ধু যমুনা ব্রীজ (৪.৮ কি: মি:)
১৮. বাংলাদেশের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত? উঃ কক্সবাজার (পৃথিবীর মধ্যে দীর্ঘতম)
১৯. বাংলাদেশের দীর্ঘতম মানুষ? উঃ পরিমল বর্মন, জিঞ্জিরা, ঢাকা (৮ফুট ৩ ইঞ্চি)
২০. বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত? উঃ লালখান, সিলেট (৩৮৭৭ মি:মি:)
২১. বাংলাদেশের সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত? উঃ লালপুর, নাটোর
২২. বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান? উঃ নাটোরের লালপুর (৪৫.১ ডিগ্রী)
২৩. বাংলাদেশের শীতলতম স্থান? উঃ সিলেটের শ্রীমঙ্গল (২.৮ ডিগ্রী

18

1) আইনের দৃষ্টিতে ‘সকল নাগরিক সমান’ বলা হয়েছে সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে?
✔ Ans:-২৭ নং
2 )সন্ত্রাসবাদ কিসের অন্তরায় হিসেবে কাজ করে?
✔ Ans:-সুশাসন
3) সুশাসনের ইংরেজি প্রতিশব্দ হল-
✔ Ans:-Good Governance
4) সুশাসনের একপক্ষ সরকার অন্যপক্ষ-
✔ Ans:-জনগন
5) আইনের আনুষ্ঠানিক উৎস হল-
✔ Ans:-সংবিধান
6) বাক-স্বাধীনতার কথা বলা আছে সংবিধানের যে অনুচ্ছেদে-
✔ Ans:-৩৯ নং অনুচ্ছেদে
7) বাংলাদেশের সংবিধানে ধর্মীয় স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে-
✔ Ans:-৪১ নং অনুচ্ছেদে
8) মুসলিম আইনের প্রধান উৎস হল-
✔ Ans:-আল-কোরআন
9) যেখানে দেশপ্রেম নেই সেখানে নেই-
✔ Ans:-সুশাসন
10) আইনের দৃষ্টিতে ‘সকল নাগরিক সমান ’ বলা আছে সংবিধানের যে অনুচ্ছেদে-
✔ Ans:-২৭ নং অনুচ্ছেদে
11) ছায়া সরকার বলা হয়-
✔ Ans:-সংবাদ মাধ্যমকে
12) সুশাসনের মানদন্ড হল-
✔ Ans:-জনগণের সম্মতি ও সন্তুষ্টি
14) বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা যার দায়িত্ব-
✔ Ans:-সরকারের
15) ই-গভরনেন্স এর প্রয়োজন হয় মূলত-
✔ Ans:-সু-শাসন প্রতিষ্ঠায়
16) মানবাধিকার লঙ্ঘিত হলে অচল হয়ে পড়ে
✔ Ans:-গনতন্ত্র
17) সরকার ও জনগনের মধ্যে আয়নার মতো কাজ করে-
✔ Ans:-সংবাদ মাধ্যম
18) লালফিতার দৌরাত্মের ফলে ব্যাহত হয় -
✔ Ans:-উন্নয়ন
19) সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষাকল্পে যে আইন প্রবর্তন করা হয়-
✔ Ans:-ফৌজদারি আইন
20) প্রশাসন যন্ত্রের ধারক ও বাহক
✔ Ans:-সরকার
21) সুশাসনের আভাস পাওয়া যায়-
✔ Ans:-ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে
22) নিজ ধর্ম চর্চা ও পালন করা হল-
✔ Ans:-সামাজিক অধিকার
23) রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন বলা হয়
✔ Ans:-সাংবিধানিক আইনকে
24) Morality শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে কোন ল্যাতিন শব্দ হতে
✔ Ans:-Moralitas
25) Moralitas হলো--
✔ Ans:-ভালো আচরন
26) নৈতিকতা ও মূল্যবোধ অর্জনের প্রধান উৎস –
✔ Ans:-পরিবার
27) যে অধিকার লঙ্ঘিত হল রাষ্ট্রীয় শাস্তির বিধান নেই-
✔ Ans:-নৈতিক অধিকার
28) আইনের সবচেয়ে প্রাচীন উৎস হল-
✔ Ans:-সামাজিক প্রথা
29) মূল্যবোধের বিকাশ শুরু হয়-
✔ Ans:-শিশুকাল থেকে
30) আধুনিক বিশ্ব যে ধরনের মূল্যবোধের প্রতি গুরুত্বারোপ করেছে-
✔ Ans:-ব্যক্তিগত মূল্যবোধ
31) যৌতুক নিরোধ আইন প্রতিষ্ঠা করা হয়-
✔ Ans:-১৯৮০ সালে
32) যৌতুক নিরোধ আইন সংশোধন করা হয়-হয়-
✔ Ans:-১৯৮৬ সালে
33) শিল্প বিপ্লব সামাজিক মূল্যবোধের-
✔ Ans:-অবক্ষয় ঘটিয়েছে
34) ব্যক্তিগত মূল্যবোধ যে বিষয়টিকে লালন করে-
✔ Ans:-স্বাধীনতা
35) প্রতিটি শিশু যে মূল্যবোধ নিয়ে জন্মায়-
✔ Ans:-ব্যাক্তিগত মূল্যবোধ
36) ভারত ও চীনের মূল্যবোধে পরিলক্ষিত হয়-
✔ Ans:-অনেক পুরাতন মূল্যবোধ
37) অপসংস্কৃতির দ্বারা নষ্ট হয়-করেছে-
✔ Ans:-সামাজিক মূল্যবোধ
38) মাদকাসক্তি প্রতিরোধে যেসব ব্যবস্থা গ্রহন করা যায় তার মধ্যে অন্যতম হল-
✔ Ans:-নৈতিকতার মূল্যবোধ
39) মানবজীবনের পরিপ্রেক্ষিতে আইনের পাশাপাশি পরিলক্ষিত হয়-
✔ Ans:-নৈতিকতার
40) দেশের দুর্নাম করা যে মূল্যবোধ এর পরিপন্থি
✔ Ans:-জাতীয় মূল্যবোধ
41) যে সমাজ থেকে মুসলিম সমাজে ‘যৌতুক প্রথার’ অনুপ্রবেশ ঘটেছে-
✔ Ans:-হিন্দু সমাজ
42) ব্যক্তির মূল্য ও মর্যাদার স্বীকৃতি হল-
✔ Ans:-পেশাগত মূল্যবোধ
43) সংসদীয় গনতন্ত্রে একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী কে?
✔ Ans:-প্রধানমন্ত্রী
44) সামাজিক ক্ষেত্রে সুশাসন কোনটি?
✔ Ans:-আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা
45) মূল্যবোধগুলো সমাজে কী হিসেবে ভূমিকা পালন করে?
✔ Ans:-সামাজিক পরিবর্তনশীলতা
46) মূল্যবোধ দৃঢ় করে কোনটি?
✔ Ans:-শিক্ষা
47) মূল্যবোধের ইংরেজি প্রতিশব্দ কোনটি?
✔ Ans:-values
48) জনগন, রাষ্ট্র ও প্রশাসনের সাথে ঘনিষ্ট প্রত্যয় হল-
✔ Ans:-সুশাসন
49) সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রতিবন্ধকতা কোনটি?
✔ Ans:-সংঘাতময় রাজনীতি
50) সুশাসন ধারনাটির উদ্ভাবক সংস্থা কোনটি?
✔ Ans:-বিশ্বব্যাংক

19
Meghna Bank Limited - এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
আবেদনের শেষ তারিখ : ৬ আগস্ট ২০১৫
পদের নাম : Officer
http://www.nayadigantajobs.com/jobsdetail/12130/Officer

20
Making a Business Plan / এলসি (LC) করার নিয়ম
« on: July 29, 2015, 10:25:34 AM »
বিদেশ থেকে পণ্য বা যন্ত্রাংশ আমদানী করার জন্য অবশ্যই ব্যাংকের মারফত এলসি করতে হয় । এই এলসির মাধ্যমেই সরবরাহকারীরা একদেশ থেকে অন্য দেশে পন্য আমদানি রপ্তানি করে থাকে। এলসি করতে হলে সবার আগে আপনার কোম্পানীর টিন ভ্যাট করাতে হবে। এরপর ব্যংকে গিয়ে কোম্পানীর নামে অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়। তারপর ব্যাংক থেক এলসিএ ফর্ম কালেক্ট করে পূরণ করে ব্যাংকে জমা দিতে হয়। এই ফর্মে কিছু তথ্য প্রদান করতে হয়। যেমন কি পন্য, দাম কত, কোন দেশ থেকে আসবে প্রভৃতি। এ বিষয়ে নিচে বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।

 

পর্যায় ১: কোম্পানীর ট্রেড লাইসেন্স, টিন, ভ্যাট করা। আইআর সি (ইমপোর্ট রেজি: সার্টিফিকেট) করা।

 

পর্যায় ২: কোন ব্যাংক এ কোম্পানীর একাউন্ট করা।

 

পর্যায় ৩: যে পন্য আনবেন তার ইনডেন্ট কালেক্ট করা (ধরা যাক আপনি ১৫ টন নিউজপ্রিন্ট কাগজ আনবেন কোরিয়া থেকে। এখন যে কোম্পানী থেকে আনবেন সে কোম্পানীর বাংলাদেশ প্রতিনিধির কাছে গিয়ে দাম দর ঠিক করে একটা ডকুমেন্ট নেবেন। এটাই ইনডেন্ট। আর সে কোম্পানীর যদি বাংলাদেশ প্রতিনিধি না থাকে তাহলে সে কোম্পানীতে সরাসরি মেইল করে দাম ঠিক করে ডকুমেন্ট আনাতে হবে। তখন এটাকে বলা হয় পি আই বা প্রফরমা ইনভয়েস। এতে পণ্যের বিস্তারিত, দাম, পোর্ট অব শিপমেন্ট এসব তথ্যাদি থাকে।)

 

পর্যায় ৪: ব্যাংক থেকে এলসিএ (লেটার অব ক্রেডিট এপ্লিকেশন) ফর্ম কালেক্ট করে ইনডেন্ট/পিআই অনুযায়ী তা পূরন করে ব্যাংক এ জমা দেয়া।

 

পর্যায় ৫: এলসি মার্জিন জমা দেয়া । প্রথম দিকে ব্যাংক এ পুরো টাকাটাই জমা দিতে হবে। ধরা যাক এলসি ভ্যলু ২০,০০০ ডলার। ব্যাংক এ আপনাকে ১৬ লাখ টাকা জমা দিতে হবে। তবে আস্তে আস্তে ব্যাংকের সাথে ব্যবসা বাড়লে তখন ১০-২০% মার্জিন দিয়ে এলসি খুলতে হবে। টাকার সাথে অন্যান্য কিছু ডকুমেন্টও দিতে হবে। যেমন:

আপনার কোম্পানীর সব কাগজ (ট্রেড লাইসেন্স, টিন, ভ্রাট, আইআরসি)
ইনডেন্ট/পিআই এর ৩/৪ টি কপি।
সাপ্লায়ার কোম্পানীর ব্যাংক ক্রেডিট রিপোর্ট
ইন্সুরেন্স কভার নোট (যে কোন ইন্সুরেন্স কোম্পানীতে ইনডেন্ট দেখিয়ে ফি দিয়ে এটা নিত হবে)
 

এরপর ব্যাংক আপনাকে এলসির একটা কপি দেবে। অরিজিনালটা পাঠিয়ে দেবে বিদেশে সাপ্লাইয়ারের কাছে।

 

21
বিস্তারিত ...
http://www.nayadigantajobs.com/jobsde…/12144/Boiler-Operator

22
Career Opportunity / Career Opportunity at US-Bangla Airlines
« on: July 29, 2015, 10:14:28 AM »
Last Date of Application: 3 August, 2015

23
Common Forum / সাধারণ জ্ঞান
« on: July 27, 2015, 10:43:49 AM »
"যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলোরে"—'রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর' ৷৷
,
• "আমি স্বপ্ন দেখেছিলাম,সেই স্বপ্নে আস্থা ছিল।আর আমি কাজটা ভালোবাসতাম।ফেসবুক বিফল হলেও আমার ভালোবাসাটা থাকত।জীবনে একটা স্বপ্ন থাকতে হয়,সেই স্বপ্নকে ভালোও বাসতে হয়"—'মার্ক জুকারবার্গ' ৷৷
,
• "স্কুলে যা শেখানো হয়,তার সবটুকুই ভুলে যাবার পর যা থাকে;তাই হলো শিক্ষা"—'অ্যালবার্ট আইনস্টাইন' ৷৷
,
• যারা কাপুরুষ তারাই ভাগ্যের দিকে চেয়ে থাকে,পুরুষ চায় নিজের শক্তির দিকে।তোমার বাহু,তোমার মাথা তোমাকে টেনে তুলবে,তোমার কপাল নয়"—'ডঃ লুৎফর রহমান' ৷৷
,
• "কাল আমার পরীক্ষা কিন্তু এটা আমার কাছে বিশেষ কোন ব্যাপারই না কারন শুধুমাত্র পরীক্ষার খাতার কয়েকটা পাতাই আমার ভবিষ্যৎ নির্ধারন করতে পারেনা"—'টমাস আলভা এডিসন' ৷৷
,
• "জন্মদিনের উৎসব পালন করাটা বোকামি জীবন থেকে একটা বছর ঝরে গেল,সে জন্যে অনুতাপ করাই উচিত"—'নরম্যান বি.হল' ৷৷
,
• আপনি যদি গরীব হয়ে জন্ম নেন তাহলে এটা আপনার দোষ নয় কিন্তু যদি গরীব থেকেই মারা যান তবে সেটা আপনার দোষ"—'বিল গেটস' ৷৷
,
• "দুঃখ কোনো পণ্য নয় তাই এর বিজ্ঞাপন করা উচিৎ না।তাই দুঃখ দুঃখের জায়গাই থাক।জীবনের কাছে পরাজয় মেনে নেয়াটা খুবই দুঃখজনক"—'আব্রাহাম লিংকন' ৷৷
,
• "Always bear in mind that your own resolution to succeed is more important than any other"—'Abraham Lincoln' ..
,
• "I've failed over & over & over again in my life & that is why I succeed"—'Michael Jordan' ..
,
• "Man as an individual is a genius.But man in the mass from the headless monster,a great,brutish idiot that goes where prodded"—'Charlie Chaplin' ..
,
• "Hope is a waking dream"—'Aristotle' ..
,
• "প্রেমে পড়া মানে নির্ভরশীল হয়ে পড়া।তুমি যার প্রেমে পড়বে সে তোমার জগতের একটা বিরাট অংশ দখল করে নেবে।যদি কোনো কারনে সে তোমাকে ছেড়ে চলে যায় তবে সে তোমার জগতের ঐ বিরাট অংশটাও নিয়ে যাবে।তুমি হয়ে পড়বে শূণ্য জগতের বাসিন্দা''—'হুমায়ূন আহমেদ'।।

24
Scholarship / Higher Study in Abroad
« on: July 23, 2015, 04:45:37 PM »
যারা এইমাত্র মনস্থির করলেন যে আমেরিকাতে higher study করতে চান, তাদের জন্য কিছু একেবারে বেসিক কিছু জিনিস নিয়ে এখানে আলোচনা করা হয়েছে। আশা করি, you'll feel more knowledgeable after reading this for the first time.

Undergraduate program - অনার্স প্রোগ্রাম। অনার্সের চার বছরকে ওরা যথাক্রমে Freshman year, Sophomore year, Junior year, Senior year বলে।
Graduate Program - মাস্টার্স বা পিএইচডি প্রোগ্রাম

F1 Visa - আমেরিকাতে পড়াশোনা করতে আসা বিদেশী স্টুডেন্টদের ভিসা। ভার্সিটিতে আমাদের ভর্তি কনফার্ম হয়ে গেলে আমরা এই ভিসার জন্যেই এপ্লাই করবো।
Assistantship - আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য এটা স্কলারশিপের synonym. একদম সহজ করে বললে, এসিস্ট্যান্টশিপ পাওয়ার অর্থ হচ্ছে স্কলারশিপ পাওয়া। এটার অন্য নাম হচ্ছে Funding. USA এসিস্ট্যান্টশিপের মাধ্যমে যতজন ছাত্র-ছাত্রীকে উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দেয়, ইউরোপের অনেক দেশ একত্রে এতো স্কলারশিপ দেয়না। এসিস্ট্যান্টশিপ মূলত দুই রকম-
1) Research Assistantship - আমরা অনেকে বিজ্ঞানী আর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক- দুটোকে একেবারে ভিন্ন সত্তা হিসেবে দেখি; বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিচার করি বলেই হয়তো। কিন্তু বিশ্বের অধিকাংশ দেশে এই দুটো টার্ম একেবারে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ওখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাই গবেষণা করেন মূলত, ইউনিভার্সিটির বড় বড় ল্যাবে তাদের রিসার্চ চলে। এইসব রিসার্চের জন্য তাদের এসিস্ট্যান্টের প্রয়োজন হয়। তাই তারা Research Assistantship অফার করে।এটা এমন একটা চাকরি, যেখানে আপনার কাজ হচ্ছে আপনার থিসিস নিয়ে কাজ করা। সেটা তো মাস্টার্স-পিএইচডি করতে গেলে আপনাকে এমনিতেই করতে হতো। আপনার থিসিসের কাজ করার জন্যে ওরা আপনাকে সরঞ্জামও দেবে, আপনার কোর্সওয়ার্কের টিউশন ফি-ও মাফ করে দেবে, আবার মাসে মাসে কিছু টাকাও আপনার পকেটে গুঁজে দেবে। টাকার অংকটা ভালোই, খেয়ে পরে প্রত্যেক মাসে ৫০,০০০ টাকা (ক্ষেত্রবিশেষে আরো বেশি) থেকে যায়।
2) Teaching Assistantship - শিক্ষকদের মধ্যে অনেকেই নামজাদা বিজ্ঞানী, অনেকে নোবেল-বিজয়ী, অনেকে যে কোনদিন পেয়ে যাবে- এমন রিসার্চ করছে। ফলাফল, তারা অত্যাধিক ব্যস্ত। এমন অবস্থায় সে কি আর পরীক্ষার হলে পরিদর্শকের কাজ করে ৩ ঘণ্টা নষ্ট করবে? অথবা প্রত্যেকের ২০টা করে ৩০ জন ছাত্রের MCQ paper evaluate করবে? তার চেয়ে বরং এ সময়টা পেলে সে একটা নতুন research method দাঁড় করাতে পারবে। তাই এই কাজগুলোর জন্য সে একজন এসিস্ট্যান্ট রাখে, তাকে বলে Teaching Assistant. সুযোগ-সুবিধা অনেকটা research assistant-দের মতই।

Fall Session - শরৎকালে অর্থাৎ অগাস্ট-সেপ্টেম্বরে যে সেশনটা শুরু হয়, সেটা। এই সেশনেই এসিস্ট্যান্টশিপ পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে।
Spring Session - জানুয়ারি মাসে যে সেশন শুরু হয়, সেটা। এই সেশনে ফান্ডিং Fall এর চেয়ে কম থাকে। আর বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কোর্সওয়ার্কও এমনভাবে সাজানো থাকে, যাতে Fall এ শুরু করলে সুবিধা। তবে এটা ঠিক যে, এই সেশনেও ফান্ডিং থাকে এবং ফান্ডিং পেলে আমাদের কাছে Fall হচ্ছে লাউ, আর Spring কদু !!

Standardized Test - ইউনিভার্সিটিগুলোতে এপ্লাই করতে হলে আগে কিছু টেস্ট দেয়া প্রয়োজন। যেমন - GRE, GMAT, TOEFL, IELTS etc. You can click on each one and know more about them. TOEFL অথবা IELTS এর মধ্যে যে কোন একটা দেয়া লাগবে ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা যাচাই করার জন্য। MBA করতে চাইলে লাগবে GMAT, আর বাকী সবার জন্য GRE.

Ivy League - আটটা নামী-দামী বিশ্ববিদ্যালয়, যেগুলোতে চান্স পাওয়া খুবই শক্ত বা চান্স পেতে হলে খুব ভালো কোয়ালিফিকেশন থাকা লাগে, সেগুলোকে একত্রে Ivy League বলে। সেই আটটা ভার্সিটির নাম হচ্ছে Brown University, Columbia University, Cornell University, Dartmouth College, Harvard University, Princeton University, the University of Pennsylvania, and Yale University. এরকম কোয়ালিটির ভার্সিটি অনেক আছে, তবে এরা নিজেদেরকে একটু হনু ভাবে... MIT এর নাম এখানে নেই, তাহলেই বুঝুন !!

Some Myths and Truths - USA higher study নিয়ে কিছু ভুল ধারণা অনেকের মধ্যেই বিদ্যমান। আশা করি, আপনি সেই ভুল ধারণায় বিভ্রান্ত হবেন না...

to know more plz visit https://www.facebook.com/groups/502387069792489/permalink/714241955273665/

26
Thanks to almighty Allah. ৩ মাসে ৩০ পারা কোরআন মুখস্ত!

Visit the following link for details.
http://bangla.mtnews24.com/post.php?id=3440&page=5

28
Career Opportunity / Bangladesh Bank Job circular.
« on: July 14, 2015, 11:35:12 AM »

Plz see attached file and the following link.
https://www.bb.org.bd/aboutus/career/20150702gm_medical.pdf

29
This s real hero of Bangladesh. feel proud for him.......................

বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর ড. আতিউর রহমান। শ্রদ্ধেয় এ মানুষটির জীবনের দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস অনেকেরই জানা। তারপরও এখনো যাদের জানা হয়নি, তাদের জন্য অর্থনীতিবিদ ড. আতিউর রহমানের নিজের ভাষায় লিখেছেন তার জীবন কথা।

আমার জন্ম জামালপুর জেলার এক অজপাড়াগাঁয়ে। ১৪ কিলোমিটার দূরের শহরে যেতে হতো পায়ে হেঁটে বা সাইকেলে চড়ে। পুরো গ্রামের মধ্যে একমাত্র মেট্রিক পাস ছিলেন আমার চাচা মফিজউদ্দিন। আমার বাবা একজন অতি দরিদ্র ভূমিহীন কৃষক। আমরা পাঁচ ভাই, তিন বোন। কোনরকমে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটতো আমাদের।

আমার দাদার আর্থিক অবস্থা ছিলো মোটামুটি। কিন্তু তিনি আমার বাবাকে তাঁর বাড়িতে ঠাঁই দেননি। দাদার বাড়ি থেকে খানিকটা দূরে একটা ছনের ঘরে আমরা এতগুলো ভাই-বোন আর বাবা-মা থাকতাম। মা তাঁর বাবার বাড়ি থেকে নানার সম্পত্তির সামান্য অংশ পেয়েছিলেন। তাতে তিন বিঘা জমি কেনা হয়। চাষাবাদের জন্য অনুপযুক্ত ওই জমিতে বহু কষ্টে বাবা যা ফলাতেন, তাতে বছরে ৫/৬ মাসের খাবার জুটতো। দারিদ্র্য কী জিনিস, তা আমি মর্মে মর্মে উপলব্ধি করেছি- খাবার নেই, পরনের কাপড় নেই; কী এক অবস্থা !

আমার মা সামান্য লেখাপড়া জানতেন। তাঁর কাছেই আমার পড়াশোনার হাতেখড়ি। তারপর বাড়ির পাশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হই। কিন্তু আমার পরিবারে এতটাই অভাব যে, আমি যখন তৃতীয় শ্রেণীতে উঠলাম, তখন আর পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ থাকলো না। বড় ভাই আরো আগে স্কুল ছেড়ে কাজে ঢুকেছেন। আমাকেও লেখাপড়া ছেড়ে রোজগারের পথে নামতে হলো।

আমাদের একটা গাভী আর কয়েকটা খাসি ছিল। আমি সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ওগুলো মাঠে চরাতাম। বিকেল বেলা গাভীর দুধ নিয়ে বাজারে গিয়ে বিক্রি করতাম। এভাবে দুই ভাই মিলে যা আয় করতাম, তাতে কোনরকমে দিন কাটছিল। কিছুদিন চলার পর দুধ বিক্রির আয় থেকে সঞ্চিত আট টাকা দিয়ে আমি পান-বিড়ির দোকান দেই। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দোকানে বসতাম। পড়াশোনা তো বন্ধই, আদৌ করবো- সেই স্বপ্নও ছিল না !

এক বিকেলে বড় ভাই বললেন, আজ স্কুল মাঠে নাটক হবে। স্পষ্ট মনে আছে, তখন আমার গায়ে দেওয়ার মতো কোন জামা নেই। খালি গা আর লুঙ্গি পরে আমি ভাইয়ের সঙ্গে নাটক দেখতে চলেছি। স্কুলে পৌঁছে আমি তো বিস্ময়ে হতবাক ! চারদিকে এত আনন্দময় চমৎকার পরিবেশ ! আমার মনে হলো, আমিও তো আর সবার মতোই হতে পারতাম। সিদ্ধান্ত নিলাম, আমাকে আবার স্কুলে ফিরে আসতে হবে।

নাটক দেখে বাড়ি ফেরার পথে বড় ভাইকে বললাম, আমি কি আবার স্কুলে ফিরে আসতে পারি না ? আমার বলার ভঙ্গি বা করুণ চাহনি দেখেই হোক কিংবা অন্য কোন কারণেই হোক কথাটা ভাইয়ের মনে ধরলো। তিনি বললেন, ঠিক আছে কাল হেডস্যারের সঙ্গে আলাপ করবো।

পরদিন দুই ভাই আবার স্কুলে গেলাম। বড় ভাই আমাকে হেডস্যারের রুমের বাইরে দাঁড় করিয়ে রেখে ভিতরে গেলেন। আমি বাইরে দাঁড়িয়ে স্পষ্ট শুনছি, ভাই বলছেন আমাকে যেন বার্ষিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগটুকু দেওয়া হয়। কিন্তু হেডস্যার অবজ্ঞার ভঙ্গিতে বললেন, সবাইকে দিয়ে কি লেখাপড়া হয় ! স্যারের কথা শুনে আমার মাথা নিচু হয়ে গেল। যতখানি আশা নিয়ে স্কুলে গিয়েছিলাম, স্যারের এক কথাতেই সব ধুলিস্মাৎ হয়ে গেল। তবু বড় ভাই অনেক পীড়াপীড়ি করে আমার পরীক্ষা দেওয়ার অনুমতি যোগাড় করলেন। পরীক্ষার তখন আর মাত্র তিন মাস বাকি। বাড়ি ফিরে মাকে বললাম, আমাকে তিন মাসের ছুটি দিতে হবে। আমি আর এখানে থাকবো না। কারণ ঘরে খাবার নেই, পরনে কাপড় নেই- আমার কোন বইও নেই, কিন্তু আমাকে পরীক্ষায় পাস করতে হবে।

মা বললেন, কোথায় যাবি ? বললাম, আমার এককালের সহপাঠী এবং এখন ক্লাসের ফার্স্টবয় মোজাম্মেলের বাড়িতে যাবো। ওর মায়ের সঙ্গে আমার পরিচয় আছে। যে ক’দিন কথা বলেছি, তাতে করে খুব ভালো মানুষ বলে মনে হয়েছে। আমার বিশ্বাস, আমাকে উনি ফিরিয়ে দিতে পারবেন না।

দুরু দুরু মনে মোজাম্মেলের বাড়ি গেলাম। সবকিছু খুলে বলতেই খালাম্মা সানন্দে রাজি হলেন। আমার খাবার আর আশ্রয় জুটলো; শুরু হলো নতুন জীবন। নতুন করে পড়াশোনা শুরু করলাম। প্রতিক্ষণেই হেডস্যারের সেই অবজ্ঞাসূচক কথা মনে পড়ে যায়, জেদ কাজ করে মনে; আরো ভালো করে পড়াশোনা করি।

যথাসময়ে পরীক্ষা শুরু হলো। আমি এক-একটি পরীক্ষা শেষ করছি আর ক্রমেই যেন উজ্জীবিত হচ্ছি। আমার আত্মবিশ্বাসও বেড়ে যাচ্ছে। ফল প্রকাশের দিন আমি স্কুলে গিয়ে প্রথম সারিতে বসলাম। হেডস্যার ফলাফল নিয়ে এলেন। আমি লক্ষ্য করলাম, পড়তে গিয়ে তিনি কেমন যেন দ্বিধান্বিত। আড়চোখে আমার দিকে তাকাচ্ছেন। তারপর ফল ঘোষণা করলেন। আমি প্রথম হয়েছি ! খবর শুনে বড় ভাই আনন্দে কেঁদে ফেললেন। শুধু আমি নির্বিকার- যেন এটাই হওয়ার কথা ছিল।

বাড়ি ফেরার পথে সে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। আমি আর আমার ভাই গর্বিত ভঙ্গিতে হেঁটে আসছি। আর পিছনে এক দল ছেলেমেয়ে আমাকে নিয়ে হৈ চৈ করছে, স্লোগান দিচ্ছে। সারা গাঁয়ে সাড়া পড়ে গেল ! আমার নিরক্ষর বাবা, যাঁর কাছে ফার্স্ট আর লাস্ট একই কথা- তিনিও আনন্দে আত্মহারা; শুধু এইটুকু বুঝলেন যে, ছেলে বিশেষ কিছু একটা করেছে। যখন শুনলেন আমি ওপরের কাসে উঠেছি, নতুন বই লাগবে, পরদিনই ঘরের খাসিটা হাটে নিয়ে গিয়ে ১২ টাকায় বিক্রি করে দিলেন। তারপর আমাকে সঙ্গে নিয়ে জামালপুর গেলেন। সেখানকার নবনূর লাইব্রেরি থেকে নতুন বই কিনলাম।

আমার জীবনযাত্রা এখন সম্পূর্ণ বদলে গেছে। আমি রোজ স্কুলে যাই। অবসরে সংসারের কাজ করি। ইতোমধ্যে স্যারদের সুনজরে পড়ে গেছি। ফয়েজ মৌলভী স্যার আমাকে তাঁর সন্তানের মতো দেখাশুনা করতে লাগলেন। সবার আদর, যত্ন, স্নেহে আমি ফার্স্ট হয়েই পঞ্চম শ্রেণীতে উঠলাম। এতদিনে গ্রামের একমাত্র মেট্রিক পাস মফিজউদ্দিন চাচা আমার খোঁজ নিলেন। তাঁর বাড়িতে আমার আশ্রয় জুটলো।

প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে আমি দিঘপাইত জুনিয়র হাইস্কুলে ভর্তি হই। চাচা ওই স্কুলের শিক্ষক। অন্য শিক্ষকরাও আমার সংগ্রামের কথা জানতেন। তাই সবার বাড়তি আদর-ভালোবাসা পেতাম।

আমি যখন সপ্তম শ্রেণী পেরিয়ে অষ্টম শ্রেণীতে উঠবো, তখন চাচা একদিন কোত্থেকে যেন একটা বিজ্ঞাপন কেটে নিয়ে এসে আমাকে দেখালেন। ওইটা ছিল ক্যাডেট কলেজে ভর্তির বিজ্ঞাপন। যথাসময়ে ফরম পুরণ করে পাঠালাম। এখানে বলা দরকার, আমার নাম ছিল আতাউর রহমান। কিন্তু ক্যাডেট কলেজের ভর্তি ফরমে স্কুলের হেডস্যার আমার নাম আতিউর রহমান লিখে চাচাকে বলেছিলেন, এই ছেলে একদিন অনেক বড় কিছু হবে। দেশে অনেক আতাউর আছে। ওর নামটা একটু আলাদা হওয়া দরকার; তাই আতিউর করে দিলাম।

আমি রাত জেগে পড়াশোনা করে প্রস্তুতি নিলাম। নির্ধারিত দিনে চাচার সঙ্গে পরীক্ষা দিতে রওনা হলাম। ওই আমার জীবনে প্রথম ময়মনসিংহ যাওয়া। গিয়ে সবকিছু দেখে তো চক্ষু চড়কগাছ ! এত এত ছেলের মধ্যে আমিই কেবল পায়জামা আর স্পঞ্জ পরে এসেছি ! আমার মনে হলো, না আসাটাই ভালো ছিল। অহেতুক কষ্ট করলাম। যাই হোক পরীক্ষা দিলাম; ভাবলাম হবে না। কিন্তু দুই মাস পর চিঠি পেলাম, আমি নির্বাচিত হয়েছি। এখন চূড়ান্ত পরীক্ষার জন্য ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে যেতে হবে।

সবাই খুব খুশি; কেবল আমিই হতাশ। আমার একটা প্যান্ট নেই, যেটা পরে যাবো। শেষে স্কুলের কেরানি কানাই লাল বিশ্বাসের ফুলপ্যান্টটা ধার করলাম। আর একটা শার্ট যোগাড় হলো। আমি আর চাচা অচেনা ঢাকার উদ্দেশে রওনা হলাম। চাচা শিখিয়ে দিলেন, মৌখিক পরীক্ষা দিতে গিয়ে আমি যেন দরজার কাছে দাঁড়িয়ে বলি: ম্যা আই কাম ইন স্যার? ঠিকমতোই বললাম। তবে এত উচ্চস্বরে বললাম যে, উপস্থিত সবাই হো হো করে হেসে উঠলো।

পরীক্ষকদের একজন মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজের অধ্যক্ষ এম. ডাব্লিউ. পিট আমাকে আপাদমস্তক নিরীক্ষণ করে সবকিছু আঁচ করে ফেললেন। পরম স্নেহে তিনি আমাকে বসালেন। মুহূর্তের মধ্যে তিনি আমার খুব আপন হয়ে গেলেন। আমার মনে হলো, তিনি থাকলে আমার কোন ভয় নেই। পিট স্যার আমার লিখিত পরীক্ষার খাতায় চোখ বুলিয়ে নিলেন। তারপর অন্য পরীক্ষকদের সঙ্গে ইংরেজিতে কী-সব আলাপ করলেন। আমি সবটা না বুঝলেও আঁচ করতে পারলাম যে, আমাকে তাঁদের পছন্দ হয়েছে। তবে তাঁরা কিছুই বললেন না। পরদিন ঢাকা শহর ঘুরে দেখে বাড়ি ফিরে এলাম। যথারীতি পড়াশোনায় মনোনিবেশ করলাম। কারণ আমি ধরেই নিয়েছি, আমার চান্স হবে না।

হঠাৎ তিন মাস পর চিঠি এলো। আমি চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয়েছি। মাসে ১৫০ টাকা বেতন লাগবে। এর মধ্যে ১০০ টাকা বৃত্তি দেওয়া হবে, বাকি ৫০ টাকা আমার পরিবারকে যোগান দিতে হবে। চিঠি পড়ে মন ভেঙে গেল। যেখানে আমার পরিবারের তিনবেলা খাওয়ার নিশ্চয়তা নেই, আমি চাচার বাড়িতে মানুষ হচ্ছি, সেখানে প্রতিমাসে ৫০ টাকা বেতন যোগানোর কথা চিন্তাও করা যায় না !

এই যখন অবস্থা, তখন প্রথমবারের মতো আমার দাদা সরব হলেন। এত বছর পর নাতির (আমার) খোঁজ নিলেন। আমাকে অন্য চাচাদের কাছে নিয়ে গিয়ে বললেন, তোমরা থাকতে নাতি আমার এত ভালো সুযোগ পেয়েও পড়তে পারবে না ? কিন্তু তাঁদের অবস্থাও খুব বেশি ভালো ছিল না। তাঁরা বললেন, একবার না হয় ৫০ টাকা যোগাড় করে দেবো, কিন্তু প্রতি মাসে তো সম্ভব নয়। দাদাও বিষয়টা বুঝলেন।

আমি আর কোন আশার আলো দেখতে না পেয়ে সেই ফয়েজ মৌলভী স্যারের কাছে গেলাম। তিনি বললেন, আমি থাকতে কোন চিন্তা করবে না। পরদিন আরো দুইজন সহকর্মী আর আমাকে নিয়ে তিনি হাটে গেলেন। সেখানে গামছা পেতে দোকানে দোকানে ঘুরলেন। সবাইকে বিস্তারিত বলে সাহায্য চাইলেন। সবাই সাধ্য মতো আট আনা, চার আনা, এক টাকা, দুই টাকা দিলেন। সব মিলিয়ে ১৫০ টাকা হলো। আর চাচারা দিলেন ৫০ টাকা। এই সামান্য টাকা সম্বল করে আমি মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হলাম। যাতায়াত খরচ বাদ দিয়ে আমি ১৫০ টাকায় তিন মাসের বেতন পরিশোধ করলাম। শুরু হলো অন্য এক জীবন।

প্রথম দিনেই এম. ডাব্লিউ. পিট স্যার আমাকে দেখতে এলেন। আমি সবকিছু খুলে বললাম। আরো জানালাম যে, যেহেতু আমার আর বেতন দেওয়ার সামর্থ্য নেই, তাই তিন মাস পর ক্যাডেট কলেজ ছেড়ে চলে যেতে হবে। সব শুনে স্যার আমার বিষয়টা বোর্ড মিটিঙে তুললেন এবং পুরো ১৫০ টাকাই বৃত্তির ব্যবস্থা করে দিলেন। সেই থেকে আমাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। এস.এস.সি পরীক্ষায় ঢাকা বোর্ডে পঞ্চম স্থান অধিকার করলাম এবং আরো অনেক সাফল্যের মুকুট যোগ হলো।

আমার জীবনটা সাধারণ মানুষের অনুদানে ভরপুর। পরবর্তীকালে আমি আমার এলাকায় স্কুল করেছি, কলেজ করেছি। যখন যাকে যতটা পারি, সাধ্যমতো সাহায্য সহযোগিতাও করি। কিন্তু সেই যে হাট থেকে তোলা ১৫০ টাকা; সেই ঋণ আজও শোধ হয়নি। আমার সমগ্র জীবন উৎসর্গ করলেও সেই ঋণ শোধ হবে না!

sources: http://www.bdlive24.com/home/details/58611

30
IT Forum / বদলে যাচ্ছে পাসওয়ার্ড
« on: September 03, 2014, 09:53:00 AM »
অনেকেই ই-মেইল অ্যাকাউন্ট বা সামাজিক যোগাযোগ সাইটে অ্যাকাউন্ট খুলতে পাসওয়ার্ড হিসেবে সহজ কোনো সংখ্যা বা কি-ওয়ার্ড [যেমন মোবাইল নম্বর, নিজের নাম] ব্যবহার করেন। অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড মনে রাখার জন্য অধিকাংশ সময়ই অনলাইন ব্যবহারকারীরা খুব সহজ কোনো পাসওয়ার্ড দিয়ে থাকেন। সাধারণ ব্যবহারকারীরা তাদের অ্যাকাউন্টে সংক্ষিপ্ত পাসওয়ার্ড হিসেবে নিজের নামের সঙ্গে ১২৩৪ সংখ্যা কিংবা সেলফোন নম্বর ব্যবহারে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। এমন পাসওয়ার্ড হ্যাকারদের পক্ষে অনুমান করা খুবই সহজ, যা কেবল দুর্বল পাসওয়ার্ডকেই ইঙ্গিত করে।

তবে পাসওয়ার্ড যত সহজ, তা তত ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ পাসওয়ার্ড যত সহজ হবে, তা হ্যাক করা ততটাই সহজ।সম্প্রতি মাত্র ৩০ দিনের মধ্যে রাশিয়ার হ্যাকাররা প্রায় ১২ লাখ ই-মেইল ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট হ্যাক করেছে, যাদের অধিকাংশের ক্ষেত্রেই হ্যাকিং সম্ভব হয়েছে দুর্বল পাসওয়ার্ডের কারণে। অনলাইনে যে কোনো সাইটে অ্যাকাউন্ট ওপেন করতে প্রয়োজন ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড। এ অ্যাকাউন্টে থাকতে পারে নিজের অতি প্রয়োজনীয় এবং গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্য। তবে অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তায় যে পাসওয়ার্ডটি ব্যবহার করা হচ্ছে, তা আসলে কতটা নিরাপদ! এখানে মূল সমস্যা পাসওয়ার্ড মনে রাখার ঝামেলা। তবে এ ধরনের ঝামেলা থেকে ব্যবহারকারীদের মুক্তি দিতে বদলে যাচ্ছে পাসওয়ার্ড ব্যবহারের ধারণা। আসছে নতুন পদ্ধতির পাসওয়ার্ড। অনলাইনে ই-মেইল অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তায় গবেষণা সংস্থা গার্টনার কর্মকর্তা ড. অ্যান্ট অ্যালেন একটি সহজ পদক্ষেপের কথা জানিয়েছেন। এ পদ্ধতির নাম দিয়েছেন তিনি 'ফেসিয়াল রিকগনিশন' বা 'অথেন্টিকেশন বাই সেলফি'। এ পদ্ধতিকে বিশ্লেষকরা নতুন প্রজন্মের পাসওয়ার্ড হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। বর্তমান সময়ের প্রায় সব প্রযুক্তি ডিভাইসেই মাইক্রোফেন, ক্যামেরা এবং ওয়েবক্যাম ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে। এ পদ্ধতির মাধ্যমে যেখানে ব্যবহারকারী শুধু নিজ ডিভাইসের দিকে তাকিয়ে ছবি তোলার মাধ্যমে নিজেই হতে পারেন অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড। এ ক্ষেত্রে পাসওয়ার্ডকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে ছবির পাশাপাশি কণ্ঠস্বরও ব্যবহার করা যেতে পারে। যেখানে ব্যবহারকারী প্রথমে গোপন পিন, ছবি এবং পরবর্তী সময়ে নির্দিষ্ট কোনো শব্দ কণ্ঠে উচ্চারণ করে অ্যাকাউন্ট এবং নিজ প্রযুক্তি ডিভাইসে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারবে। এটি হবে তিন স্তরবিশিষ্ট পাসওয়ার্ড। ফলে নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যে পদ্ধতিটি যে কোনো ধরনের পাসওয়ার্ডের চেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য। ইতিমধ্যে স্যামসাং এবং অ্যাপল তাদের স্মার্টফোনে কণ্ঠ নিয়ন্ত্রিত পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেছেন। ফলে গার্টনার কর্মকর্তা উদ্ভাবিত পাসওয়ার্ডটিকে বলা যায় অ্যাপলের 'সিরি'র পরবর্তী ধাপের পাসওয়ার্ড।

বায়োমেট্রিক পদ্ধতি
এ পদ্ধতিতে ব্যবহারকারীরা নিজ ফোনে নিজের ছবি তোলা অর্থাৎ সেলফির মতো করেই ছবি তুলবেন। আর এ ছবিই হবে অনলাইন অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড। বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে আরেক ধরনের পাসওয়ার্ড নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে, যার নাম ডিজিটাল পোর্ট্রেট। এ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ব্যবহারকারী নিজের সেলফি তুলবেন। এরপর ছবির মধ্যে গোপনে ব্যবহারকারী কিছু চিহ্ন সংযুক্ত করবেন। পরে অ্যাকাউন্ট ওপেন করার সময় ছবির নির্দিষ্ট স্থানে সেসব গোপন চিহ্ন সঠিক জায়গায় বসিয়ে লগইন করতে হবে।

কণ্ঠ হবে পাসওয়ার্ড
দ্রুতই ব্যাংকিং সহায়তা সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পেঁৗছে দিতে আসছে মোবাইল ব্যাংকিং সুবিধা। এরই মধ্যে কিছু ব্যাংক মোবাইল ফোনে ব্যাংকিং সুবিধা চালুও করেছে। তবে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ছাড়াই ফোনে অ্যাকাউন্টের টাকা লেনদেন করা নিরাপদ হবে না। তাই স্মার্টফোন বা ল্যাপটপের মতো ডিভাইসে এমন অ্যাকাউন্টে লগইন করার ক্ষেত্রে কণ্ঠ নিয়ন্ত্রিত পাসওয়ার্ড ব্যবস্থা সহায়ক হতে পারে। এ পদ্ধতিতে ব্যবহারকারী তার অ্যাকাউন্টে পাসওয়ার্ড হিসেবে কিছু নির্দিষ্ট কি_ওয়ার্ড বেছে নেবেন এবং তা স্ব-শব্দে উচ্চারণ করবেন। এ সময় ডিভাইসটি আগে সংরক্ষিত কণ্ঠস্বরের সঙ্গে মিলিয়ে অ্যাকাউন্টে প্রবেশের অনুমতি জানাবে।

ফিঙ্গার পাসওয়ার্ড
স্মার্টফোন কিংবা ল্যাপটপ নির্মিত হচ্ছে স্পর্শকাতর পর্দা। যেখানে অনলাইন অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহার করা যায় হাতের আঙুলের স্পর্শ। ডিভাইসের পর্দায় স্পর্শ করে নিজ হাতের নির্দিষ্ট আঙুলের স্পর্শের ছবি নিয়ে তৈরি করা হবে পাসওয়ার্ড এবং পরে লগইনের সময় এ স্পর্শের মাধ্যমেই অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করতে হবে।

http://www.samakal.net/2014/09/02/83038

Pages: 1 [2] 3 4 ... 8