Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - mshahadat

Pages: 1 [2] 3 4 ... 16
16
Common Forum / how much it is important for both parents to work outside
« on: February 10, 2016, 11:23:39 AM »
It’s time to think back how much it is important for both parents to work outside emphasizing earning additional money keeping their child almost alone at home and at the same time depriving those child from getting more productive time from their parents.

Yes you may have got many parents on the both side either it is necessary for both parents to work outside or not. But end of the day it is widely acceptable that whatever the parents do it will reflect their child.

So do care your child most as possible and spend productive time as much as possible because whenever you will expire you would be recalled through your child.

17
It's little bit good news that per person overall income Increase by 2-dollar. Does it mean that mass people overall living standard increase the way it should be?

According to a final report of Bangladesh Bureau of Statistics published 09th February 2016 Tuesday, Bangladesh’s people overall per head income increased by 2-dollar and reached at dollar 1316 whereas earlier it was said to be approximate dollar 1314. After an important meeting of the Executive Committee of National Economic Council (ECNEC) which is a body of Bangladesh Planning Commission published this updated information through Bangladesh Bureau of Statistics. Honorable Minister, Mr. AHM Mustafa Kamal, MP, Ministry of Planning, People's Republic of Bangladesh and others high officials of the govt. were also present in the meeting that day.

Ministry of Planning said based on 9-month data (July-March) last year Bangladesh Bureau of Statistics said that GDP would be 6.51% whereas real GDP was 6.55 % in the FY 2014-15.

Due to increased GDP per head income also increased by 2 dollar and stood at 1316 dollar said by Ministry of Planning.

18
Common Forum / Death of humans has commonly been considered a sad
« on: October 20, 2015, 10:37:08 AM »
Death of humans has commonly been considered a sad or unpleasant occasion, due to the termination of bonds with or affection for the being that has died. Though no death can be treated as a normal death but some people death can’t be tolerate when it happen due to road accident. Read the article provided by WHO.

http://www.now-bd.com/prothomalo/2015/10/20/139372.htm

19
As a full time employee we have to work more than 8 hours at our office 6 days in a week. What is your expectation regarding your work environment? Is there any fruitful effect if you are given a homely work place? Read GOOGLE work environment. Don’t be upset one day we’ll be given more than that. Work for your organization with full dedication. LOVE your organization.
গুগল :যে কারণে সেরা কর্মস্থল. http://www.samakal.net/2015/10/20/168665

20
প্রথমেই বিসিএস প্রিলিমিনারী-র নম্বর বন্টন নিয়ে কিছু বলে নিচ্ছি…আশা করি কাজে দিবে…
মোট নম্বর-২০০ ।
 
বাংলা-৩৫
জীবনে অনেক গল্প বা উপন্যাস পড়েছেন । বা অন্য কেউ পড়েছে তা শুনেছেন । ব্যাস অনেকদুর এগিয়ে গিয়েছেন তাহলে । এবার খোজ নেন প্রিয় লেখকের কোন বইটি আপনার পড়া হয় নাই । নিজ শহরের বড় লাইব্রেরীতে কিছুদিন যাওয়া আসা করুন । সেখানে দেখবেন অনেক বই সাজানো আছে । অনুবাদ বা বিখ্যাত লেখকের কিছু বই যা আপনার অজানা । কত বই তা একদিনে জানতে পারবেন না তাই সপ্তাহে বিশ মিনিট ‘লাইব্রেরী ঘুরপাক’ ওয়ার্ক করে নিন । বাংলা সিনেমার কথা আর নাই বললাম । শুধু নিজেকে চেক করে নিন দেখা মুক্তিযুদ্ধের ছবিটি কোন উপন্যাস অবলম্বনে । আর গান ? বাউল,লালন বা যেই জনপ্রিয় গানটি হরহামেশাই শুনছেন তার সুরকার বা গীতিকারের নামটি জেনে নিলেও ভালো লাগবে এবং কাজেও দিবে । এবার একটি গাইড বই কিনে ৮টি সাহিত্যের ক্লাস রেডি করে ফেলুন । যেখানে থাকবে পত্রিকা,লেখক পরিচিতি,সাহিত্যের যুগবিভাগ,কবিতা,নাটক,ছোটগল্প,উপন্যাস,প্রবন্ধ প্রভৃতির তথ্য । তবে ব্যাকরন অনেকের কাছে বড্ড ভয়ের । তাই নবম বা একাদশ শ্রেনী এবং সৌমিত্র শেখরের বই গুলো দেখবেন । সময় থাকলে হুমায়ুন আজাদের লাল নীল দীপাবলি বইটাও দেখতে পারেন। কিছুদিন পর সেই ভয়টা থাকবেনা ১০০% । বিগত সালের বিসিএস বা পাবলিক সার্ভিস কমিশনের অন্য পরীক্ষার প্রশ্নগুলি সমাধান করুন । তবে জাতীয় পত্রিকায় সাহিত্য পাতার প্রতিবেদন বা লেখক কে নিয়ে যা লিখা হয় তা পড়ুন । সেখান থেকেই জেনে নিতে পারবেন বিশ্বে পুরস্কার পাওয়া সাহিত্যিকদের বইয়ের নাম । প্রয়োজনে সকল পত্রিকার সাহিত্য পাতা পড়বেন । আর ফেসবুকে বাংলায় পন্ডিত এমন মানুষের না হয় ফলোয়ারই হলেন !!
 
ইংরেজি-৩৫
প্রথমে আসি ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে । ছোটবেলায় কিশোর ক্ল্যাসিক পড়েন নাই এমন মানুষ কমই আছে । এছাড়া কত অনুবাদ পড়েছেন । পত্রিকায় নোবেল পাওয়া মানুষদের সাহিত্যের খোজ নিচ্ছেন । আবার অনেকের নোবেল পাওয়ার কথা ছিলো তাদের খোজ নেন । বিগত দুই সাল কোন বইটি সবচেয়ে বেশী আলোচিত তা জেনে নিন । কে কোথায় কোন বইয়ের জন্য পুরস্কার পেল তা জানাটাও কম জরুরী নয় । কত বড় মাপের মানুষ দুনিয়া থেকে বিদায় নিচ্ছে তাদের আত্মজীবনী বইয়ের নামটুকু জানাটাও গুরুতপূর্ণ । এবার আসি ইংরেজি যুগ বিভাগের ওপর । এলিজাবেথ এর সময়কাল থেকে আপনাকে পরীক্ষার দিন পর্যন্ত সময়কালের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সাহিত্যিকদের নাম ও তাদের অবদান জানতে হবে । যা বাজারের গাইড বইগুলিতে সুন্দর করে লিখা আছে । আরো জানতে সেই আগের মত লাইব্রেরী ওয়ার্ক । বিখ্যাত ব্যাক্তিদের বইগুলোর নাম সহজেই মুখস্থ হয়ে যাবে । Quotations ফেসবুকে অনেক দেখেন । বলা তো যায় না সেখান থেকেও কমন পড়ে যেতে পারে । তবে বইতে অনেক দেয়া আছে । একবার দেখে নিলে কিছুটা মনে থাকতে পারে । গ্রামার সম্পর্কে যা বলবো তা হলো সিলেবাস অনুযায়ী গাইড বই দেখে পড়ে নিবেন । ভাব ধরতে গ্রামার শেখার জন্য বড় বড় বইয়ের নাম নাই বললাম । তবে পরামর্শ নিজ মেধা ইঞ্জিনের ক্ষমতা অনুযায়ী নীলক্ষেত বা বড় লাইব্রেরী থেকে গ্রামার বই কিনে নিবেন । যা জীবনে শিখতে পারেন নাই তা এখন শিখতে গিয়ে বেশী সময় না ব্যয় করাই শ্রেয় । কিন্তু কিছু প্রশ্ন আসে মুখস্থ করলেও হয় তা কিন্তু ছাড় দেওয়া যাবে না (সেটা বিগত সালের প্রশ্ন দেখলেই টের পাবেন) !
বাংলাদেশ বিষয়াবলি-৩০
আপনি সবই জানেন । শুধু কনফিউশন দূর করুন । আর অহেতুক সব কিছু জানার আগ্রহ কমিয়ে ফেলুন । জাতীয় বিষয়াবলী, কৃষি, অর্থনীতি, বানিজ্য, সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ বা সংশোধনী, রাজনৈতিক ইতিহাস বা সরকার ব্যাবস্থা সম্পর্কে জেনে নিলেই হবে । খেলাধুলা আর পুরস্কার সেটা জানাটাও জরুরী । সিলেবাস ধরে ধরে গাইড বইয়ের সহায়তা নিলেই হবে । প্রতিদিন পত্রিকায় তথ্যগুলো দেখুন । কোথায় কি হচ্ছে বা কিসের নাম পরিবর্তন হল কিংবা অর্থনীতির নতুন কি পরিকল্পনা জেনে নোট করে নিন । নতুন স্থাপত্য কোথায় হলো বা স্থপতির নাম ভালোভাবে জানতে হবে । আর কিছু বিষয় নিয়ে তথ্য বিভ্রাট দেখা দিলে উইকিপিডিয়ার সাহায্য নিতে পারেন । এটি সহজ বিষয় মেনে নিয়ে অবহেলা করবেন না কারন এখান থেকেই পুরো নম্বর পাওয়া গেলে প্রিলিতে টিকে যেতে অনেকটাই এগিয়ে যাবেন। কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স নিয়মিত পড়তে হবে । আর অবশ্যই অষ্টম/নবম শ্রেণির ইতিহাস বইটি একটু দেখে নিবেন ।
 
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি-২০
বৈশ্বিক ইতিহাস বা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকতে হবে । এগুলি বাজারে প্রচলিত বই থেকে জেনে নিতে পারবেন । পত্রিকা থেকে চলমান ঘটনা বা সাম্প্রতিক বিষয়গুলি নোট করে ফেলবেন । বর্তমান বা বছর দুয়েক এর মধ্যে আলোচিত ঘটনা সম্পর্কে ধারণা নিবেন । পরিবেশ নিয়ে আন্তর্জাতিক ভাবনা বা উদ্যোগের খোজ খবর নিবেন । কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স নিয়মিত পড়তে হবে । বিভিন্ন সংঘটনের সেমিনার বা সম্মেলনের ইস্যু কি বা কেন হচ্ছে তা নোট করবেন । এসব সংঘটনের সদর দপ্তর/সদস্য দেশ গুলি সম্পর্কে কিছুটা ধারণা থাকতে হবে । তবে দেশগুলির রাজধানী বা মুদ্রা বিষয়ে যে ধারনাটুকু আপনার মাঝে এমনিতেই আছে তা নিয়ে ভাববেন না । মূলত মধ্য এশিয়া, উত্তর আফ্রিকা থেকে রাজধানীর নাম বা মুদ্রার নাম আসে । সেক্ষেত্রে ইউরোপের উল্লেখযোগ্য দেশ গুলিও দেখে যেতে পারেন । সাতটি মহাদেশ এবং জাতিসংঘ সহ অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে ৮/১০ টি অধ্যায় করে নোট করে ফেলুন ।
 
ভুগোল,পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা-১০
আপনি নিজেই খোজ করুন কোন পাঠ্য বইতে এসব তথ্য পাওয়া যেতে পারে । এছাড়া বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন অঞ্চলের ভৌগলিক অবস্থান জেনে নিবেন । আমাদের দেশের সম্পদ, চ্যালেঞ্জ, আবহাওয়া/জলবায়ু,প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে গাইড বই থেকে ধারণা নিতে পারবেন । আমাদের দেশে বড় বড় দুর্যোগ যা হয়েছে তা আপনি এমনিতেই পারেন । মূলত বাংলাদেশ বিষয়াবলি-র উপর ধারণা থাকলেই এখানে পুরো নম্বর পেয়ে যাবেন । নবম বা দশম শ্রেণির ভূগোল বইটাও দেখে নিতে পারেন ।
 
সাধারন বিজ্ঞান-১৫
মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিক পাঠ্য বই থেকে কিছুটা ধারণা পাবেন । বাজারে প্রচলিত অনেক বই আছে তা থেকে অনেক কিছুই জানতে পারবেন । যেহেতু মানবিক বানিজ্য সহ সকল শ্রেনির শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে তাই এমন কিছু প্রশ্ন আসবেনা যা আপনার জন্য কঠিন হয়ে পড়বে । দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বিজ্ঞানের অভিজ্ঞতার সম্পর্কে আপনার জ্ঞান যাচাই করাই এখানে মূল উদ্দ্যেশ্য । দেশ বিদেশের বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার বা বিখ্যাত ব্যাক্তিদের অবদান সম্পর্কে জানতে হবে । আর সিলেবাস দেখে আপনার কৌশল নির্ধারিত করতে হবে । উল্লেখ্য এখানে ভৌত-৫, জীব-৫ ও আধুনিক বিজ্ঞান-৫ । সাস্থ্য,রোগ ও প্রতিকার এগুলিও লক্ষ্য রাখবেন ।
 
কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১৫ (কম্পিউতার-১০ ও তথ্য-৫)
কম্পিউটার দৈনন্দিন জীবনে কি প্রয়োজনীয়তা তাই আসবে । কম্পিউটারের ইতিহাস ও প্রকারভেদ । বিভিন্ন প্রোগ্রামের নাম । কৃষি,যোগাযোগ,শিক্ষা, স্বাস্থ্য বা খেলাধুলায় কি কাজে লাগে তা জানা আবশ্যক । ওরাকল বা প্রফেসরস গাইড দেখতে পারেন । আর কিছু ধারনাতো আপনার এমনিতেই আছে । কম্পিউটার এর কী প্যাড সম্পর্কে ধারণা রাখবেন কারন কোন ইংরেজি অক্ষরে চাপ দিলে বাংলা কোন বর্ণটি আসে তা দেখতে পারে । উচ্চ মাধ্যমিকের পাঠ্য বইটি অবশ্যই পড়বেন । তথ্য প্রযুক্তিতে যা আসবে তা আপনি সহজে পেরে যেতে পারেন । কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, 3G,4G,wimax,LAN.MAN.WiFi,Smart Phone,Email,Fax,Cyber crime,Facebook,Instagram,Twitter  এগুলি কি আপনার পড়তে হবে ? আপনার এমনিতেই এই সম্পর্কে ধারণা আছে । এরপরেও গুছিয়ে আপনার মত করে বিভিন্ন গাইড বইয়ের সহায়তায় নোট করে ফেলুন । পত্রিকায় বিজ্ঞানের কলাম গুলো ভালো করে পড়ুন । নতুন আবিষ্কার কি হচ্ছে তা খেয়াল রাখুন ।
 
গাণিতিক যুক্তি-১৫
আপনি না পারিলেও কিছু পারবেন । এই সত্যটি মনে ধারন করুন । অষ্টম,নবম শ্রেনির গনিত বইয়ের উদাহরণ সহ প্রতিটি অংক সমাধান করুন । বার বার করুন । বিভিন্ন সুত্র মুখস্থ করে ফেলুন । বিসিএসের সিলেবাসটি হাতে নিয়ে ধীরে ধীরে এগোতে থাকেন । বিগত সালের প্রশ্নসমুহ সমাধান করুন । আর বিগত কয়েকবছরের ব্যাংকের নিয়োগ প্রশ্নে আসা ছোট সাইজের অংক গুলো একটু দেখে যাবেন । মানে সমাধান করে ফেলবেন । আর বাজারে শর্ট টেকনিক সম্পর্কে কিছু যাদুর বই পাওয়া যায় তা দেখে নিতে পারেন ।
 
মানসিক দক্ষতা -১৫
এখানে আজব কিছু প্রশ্ন আসবে । বিগত সালের প্রশ্নগুলি দেখলেই টের পাবেন । বাজারে কিছু বই আছে এই বিষয়ে ধারণা নেয়ার জন্যে । আম গাছ,কাঠাল গাছ (হা হা ),বানান,সংখ্যাগত ধারণা, বিভিন্ন সমাধান চাইবে এমন প্রশ্ন পাবেন । এখানে কেউ পড়ে পাবে ১২ নম্বর আর কেউ না পড়ে পাবে ৮/৯ !! এটাই সত্য ।
 
নৈতিকতা,মুল্যবোধ ও সু-শাসন -১০
উপরের তিনটি বিষয়ের উপর স্বচ্ছ ধারণা না থাকলে আপনি গোলমাল পাকিয়ে ফেলবেন । কোন কাজটি নৈতিকতার ভেতর পড়ে আর কোনটি মুল্যবোধের ভেতরে পরে তা পরিষ্কার জ্ঞান থাকতে হবে । যারা ঢাকার পলাশী কিংবা মৌচাক বা ময়মনসিংহের বিভিন্ন ক্যারিয়ার বিষয়ক প্রতিষ্টানে আমার সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন সেসব শিক্ষার্থী খুব সহজেই গত প্রিলিতে উত্তর দিতে পেরেছিলেন । তাই ভালোভাবে পড়লে আপনিও পারবেন । মূলত সুশাসন সম্পর্কে প্রচলিত ধারণা, নৈতিকতা ও মুল্যবোধের উপকারিতা বা সমাজে এর প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে প্রশ্ন আসবে ।
 
কিছু টিপস কখনো কখনো কাজে লাগেনা !! যদি কাজে লাগে তা হলে আপনার লাক !!!
1.       বিগত বিসিএস পরীক্ষায় যে মানুষটি মেধা তালিকায় প্রথম হয়েছে সে যে আবার প্রথম হতে পারবে তার গ্যারান্টি আছে ? যদি না থাকে সুতরাং এবার কেনো আপনি নয় !!
2.       যে শিক্ষার্থী অষ্টম শ্রেণি থেকেই বাংলা,ইংরেজি বা ভিন্ন ভাষার সাহিত্য পড়ে আসছে সে স্বাভাবিক ভাবেই আপনার চেয়ে বেশী জানে (যদি আপনি না পড়ে থাকেন) । তাই তার কম সময় লাগবে আপনার বেশী সময় লাগবে । মেনে নিয়ে পড়া শুরু করুন ।
3.       আমার ৭ দিন পড়লেই হয় ! এ জাতীয় কথাবার্তা থেকে নির্দিষ্ট দূরত্বে অবস্থান করুন । ক্ষুধার্ত মানুষের খাওয়ার ধরন আর পেটভরা মানুষের আবার খাওয়ার ধরনের মাঝে বিস্তর তফাৎ ।
4.       আপনার মেধা আর আমার মেধা এক নয় ! সুতরাং আপনি কিভাবে আপনার পড়া সাজাবেন তা একান্তই আপনার বিষয় ।
5.       আমি ছোটবেলায় অংক বা ইংরেজি ভালো পারতাম না । এই কথাটি ভুলে যান । বয়স বাড়ার সাথে অনেকের বিবেচনা শক্তি বৃদ্ধি পায় সুতরাং এখন পারবেন ।
6.       যদি আপনাকে মোটিভেশন করিয়ে পড়ার ইচ্ছা জাগাতে হয় তাহলে আপনি নাকে তেল দিয়ে ঘুমান । যে নিজের স্বার্থ বুঝেনা তাকে দিয়ে অন্তত বিসিএস হবে না । ১০০% নিশ্চিত ।
7.       আপনার পছন্দ আর তার পছন্দ এক নয় । যদি এক হত তাহলে সবাই একই জামা কাপড় পরিধান করতো । আপনার যে চাকুরি পছন্দ নয় অন্যের কাছে তা মধু । তাই সরকারি চাকুরি যেই পেয়েছে তার কাছ থেকে ৩ মিনিটের একটি ধারণা নিতে পারেন !! কাজেও দিতে পারে ।
8.       যা না পারি তা বেশী পড়ি আর যা বেশী পারি তা কম পড়ি =পরীক্ষার দিন তাই বেশী জানা বিষয়গুলিই বেশী কনফিউজড !! সমতা রাখুন ।
9.       সফল মানুষের সেমিনার শুনুন । নিজের ক্ষমতাও ভেবে দেখুন । এবার ঠিক করুন আপনার কী করণীয় ।
10.   কিছু অর্জনের পূর্বে সেও বলতে পারেনা সে এটা হতে পারবে কি না ! তাই পাশের মানুষটির পরামর্শও মাঝে মাঝে শুনুন ।
11.   একটি উম্মুক্ত প্রতিযোগিতা । একটি ভালোলাগার পরীক্ষা । আহা কি মধুর পরীক্ষা ! আমার কাছে তাই মনে হয় । যেই পরীক্ষায় নাই কোন ভালো ফলাফলের টেনশন, নাই কোন ভালো মার্কা ছাত্র হওয়ার টেনশন । শুধু ফরম পূরণ টাই যেন এক বিরাট কষ্ট ! সেখানে আপনি কেমন ছাত্র ছিলেন তা ভুলে যান ।
12.   আমি একজন ফেল করা ছাত্র (বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায় …হা হা ) তাই অতি মেধাবীদের এই পরামর্শ থেকে দূরে থাকতে বলছি । তবে অনেকের মত বার বার ফেল করার পরেও ঠিক ফেল করার মতই বার বার চাকুরি পেয়েছি ।
13.   অজুহাত বাদ দিন, ব্যাংকে চাকুরি করেও আমি আরো দুটো চাকুরী পেয়েছি । আপনি যে চাকুরিই করেন না কেনো একটা সময় আপনি বের করে নিবেন । বেশী দূরত্বে যার অফিস সে হয়তো কয়েকটি বিষয় পথেই শেষ করতে পারবে ।
14.   কোন একটি নির্দিষ্ট ক্যাডারেই চাকুরি পেলেই যে সে সবচেয়ে মেধাবী সেটা ভাবা যাবে না তবে ভাবুন কোন শিক্ষার্থীর প্রথম শ্রেণির যে চাকুরিটা করে সেটাই তার প্রথম পছন্দ কি না ? সেভাবেই পরামর্শ নিন ।
15.   ক খ গ ঘ সিরিয়াল নিয়ে ব্যাপক চিন্তা না করে একটু প্রশ্নপত্রটি ভালোভাবে দেখে নিন । তারপর উত্তর দিন ।
16.   একটা বিষয় এবারের রেজাল্টের পর লক্ষণীয় তা হলো আপনি কোন প্রতিষ্ঠান থেকে পড়াশুনা করেছেন তা নিয়ে আলোচনা । এসব থেকে দুই কিলোমিটার দূরে থাকুন । মনে রাখবেন সর্বনিম্ন ফলাফল নিয়ে একমাত্র বিসিএস পরীক্ষাই দেয়া যায় !! তাহলে এত ভাব মেরে লাভ কি ?
17.   যা ভালোভাবে পারেন, তা ভালোভাবে পারেন না সেই বিষয়ের মত করে যত্ন নিন ।  আর চায়ের দোকানে আড্ডার সময় শুনা জনপ্রিয় গানটির তথ্য জেনে নিবেন । কাজেও দিতে পারে !
18.   বিগত সালের বিসিএস প্রশ্নগুলি সমাধান করুন (২৪তম থেকে ৩৫তম/২০১২ সাল থেকে ২০১৫ নন ক্যাডার প্রশ্নগুলি)
19.   আমরা পারি ৯৫% অথচ পারিনা ৫% কিন্তু সারাদিন চিন্তা করি সেই ৫% নিয়ে । এই অভ্যাস পরিত্যাগ করুন বরং ৯৫% নিয়ে ভাবুন ।
20.   ফেসবুকে সফলদের পোস্ট কিন্তু কম কার্যকরী নয় ! নিজের না জানা বিষয়গুলি জেনে নোট করুন । সফল হতে হলে সফলদের সিঁড়িটা ধার নিতে পারেন কিন্তু সিঁড়িটা কোথায় সেট করবেন তা ভেবে নিবেন ।
 
আপনাদের শুভ কামনায়…
- See more at: http://blog.bdnews24.com/raselsuman/173857#sthash.7bTSquDG.dpuf

21
ড. আতিউর রহমান / ছবি: দেলোয়ার হোসেন বাদল- বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ড. আতিউর রহমান / ছবি: দেলোয়ার হোসেন বাদল- বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
Decrease font   Enlarge font
‘সারা পৃথিবী জানে, আমি গরিবের অর্থনীতিবিদ এবং গরিবের গভর্নর। কিন্তু গরিবের গভর্নর হতে গিয়ে আমি ধনীদের আক্রান্ত করিনি। কারণ আমি নিজেও জানি, ধনী এবং গরিব মিলেই একটা দেশ।’ –এ মন্তব্য বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান এর। সম্প্রতি বাংলানিউজকে দেওয়া এক‍ান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তার এই দীর্ঘ সাক্ষাতকারে উঠে আসে দেশের চলতি অর্থনৈতিক পরিস্থিতিসহ উন্নয়ন ও সম্ভাবনার নানা দিক। সদ্যঘোষিত মুদ্রানীতি, মুদ্রাস্ফীতি, জ্বালানি তেলের মূল্য কমানোর প্রসঙ্গও উঠে আসে গভর্নরের বিশ্লেষণে।

বৈদেশিক মুদ্রার রিভার্জ কি করে কাজে লাগানো যায় সাক্ষাতকারে তারও একটা দিকনির্দেশনা দিয়েছেন ড. আতিউর রহমান।  এছাড়াও তার বক্তব্যে উঠে এসেছে হলমার্ক ও বিসমিল্লাহ গ্রুপের ঋণ কেলেঙ্কারিসহ সমসাময়িক অর্থনীতির বিচিত্র সব বিষয়।

পাঠকদের জন্য তার সাক্ষাতকারটি হুবহু প্রকাশ করা হলো। 

দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাই
 
ড. আতিউর রহমান : আমাদের অর্থনীতির সব সূচকই স্থিতিশীল। এটা খুবই আনন্দের বিষয়; এ কারণে যে, সাধারণত সব সূচক কখনই স্থিতিশীল থাকে না। সব সূচক একসঙ্গে স্থিতিশীল রাখাটা কষ্টকর। কিন্তু এই সময়ে সব সূচকেই স্থিতিশীলতা বজায় রয়েছে। এর একটা বড় কারণ হলো যে, দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বিরাজ করছে। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা থাকলে হয়তো সব সূচক একসঙ্গে স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হতো না।
 
Governorঘোষিত মুদ্রানীতির মধ্য দিয়ে মূল্যস্ফীতি কতোটা সহনীয় পর্যায়ে থাকবে?
 
ড. আতিউর রহমান : সামষ্টিক অর্থনীতির যেটা নিয়ে আমার সবচেয়ে বেশি মাথাব্যথা, সেটা হলো মূল্যস্ফীতি। মোটামুটি জনগণের জন্য স্বস্তিদায়ক অবস্থায় এটাকে আটকে রাখা সম্ভব হয়েছে। এক সময় মূল্যস্ফীতি ১১ দশমিক ৫ শতাংশ ছিলো। তারপর ধীরে ধীরে বিচক্ষণ মুদ্রানীতি দিয়ে আমরা এটিকে কমিয়ে এনেছি। এ কাজে আমাদের কৃষিখাতের বিপুল উৎপাদন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের কর্মতৎপরতা এবং শিল্পপ্রবৃদ্ধি সহায়ক ভূমিকা রেখেছে। আমাদের লক্ষ্য ছিলো, সরবরাহ ব্যবস্থা ঠিক রাখবো। সেজন্য কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর দিকে বাংলাদেশ ব্যাংক নজর দিয়েছে। সরকারও কৃষিতে ভর্তুকি বাড়িয়েছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকও কৃষি ঋণ বাড়িয়েছে। এমনকী বর্গাচাষীদেরও আমরা কৃষিঋণ দিয়েছি। ফলে সরবরাহ বাড়ায় জিনিসপত্রের দাম স্থিতিশীল পর্যায়ে এসেছে। খাদ্য-মূল্যস্ফীতি এখন একেবারেই স্থিতিশীল। খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতিতেও আমরা হস্তক্ষেপ করেছি। ব্রড মানি ও রিজার্ভ মানি দিয়ে আমরা তা নিয়ন্ত্রণ করছি। আমাদের মুদ্রানীতি যে এক্ষেত্রে কাজ করছে, তার বড় প্রমাণ হলো খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতিও কমতে শুর করেছে। গত মাসে আমরা লক্ষ্য করি যে, খাদ্য ও জ্বালানি বাদে অন্যক্ষেত্রে মূল্যস্ফীতি (কোর ইনফ্লেশন) কিছুটা মাথা উঁচু করার চেষ্টা করছে। সে পরিপ্রেক্ষিতেই আমরা সংযত মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছি। না হলে মুদ্রানীতিতে আরও নমনীয় হওয়ার সুযোগ ছিলো। আমাদের সিদ্ধান্ত হলো, যখনই কোর ইনফ্লেশন মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে, তখনই তা নিয়ন্ত্রণ করবো। তবে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যে, ঘোষিত মুদ্রানীতির সময়কালেই এ ধরণের মুল্যস্ফীতি কমতে শুরু করলেই আমরা মুদ্রানীতিতে সংশোধন এনে আরও নমনীয় হবো। যারা সাধারণ মানুষ, গরীব মানুষ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। মূল্যস্ফীতি বাড়লেও ধনীরা গ্রহণ গ্রহণ করতে পারে। কিন্তু যখন খাবারের দাম বাড়ে, কাপড়ের দাম বাড়ে ও বাড়িভাড়া বাড়ে, গরিবেরা তা বহন করতে পারে না। মূল্যস্ফীতি গরিবের সবচেয়ে বড় শত্রু ।
 
মূল্যস্ফীতি কমাতে জ্বালানি তেলের দাম কমাতে সরকারকে সুপারিশ করবেন কি?
 
ড. আতিউর রহমান : মূল্যস্ফীতি আরও কমানো সম্ভব হতো, যদি অবকাঠামো পরিস্থিতি আরও উন্নত থাকতো। বাজার-ব্যবস্থাপনা যদি আরও উন্নত হতো, তাহলে গ্রামের মানুষের উৎপাদিত পণ্য সরাসরি ঢাকায় আসতো, আরও কমদামে শহরের মানুষকে দিতে পারতাম। তবে আমাদের পক্ষে একটা বিষয় হলো, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম অনেক কমেছে। তবে আমরা এখনও কম দামে তা গ্রাহকের কাছে পৌঁছাতে পারিনি। সরকারের নীতির কারণেই আমরা এটা পারিনি। সরকার চাচ্ছিলো যে, জ্বালানি তেলে সরকারের যে ভর্তুকি আছে, তা আস্তে আস্তে কমিয়ে ফেলবে। কিন্তু  বলতে গেলে এখন আর কোনো ভর্তুকি নেই। তাই এখন সরকার কিন্তু ইচ্ছা করতে পারে জ্বালানি তেলের দাম কমাতে।
 আবার আরেকটি বিষয় হলো, জ্বালানি তেল পরিবেশ দূষণ করে। তাই এর দাম কমালে পরিবেশবান্ধব সৌর প্যানেল বা নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার কমে যায় কি-না, সে আশঙ্কাও রয়েছে। আমার ব্যক্তিগত মত হলো, দু’টার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা উচিত। প্রচলিত জ্বালানি তেলের দাম কিছুটা কমানো উচিত। তবে এজন্য বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করতে পারে না। অর্থ, মুদ্রা ও মূল্যস্ফীতি বিষয়ে সরকারের নীতি-নির্ধারণী পরিষদ কো-অর্ডিনেশন কাউন্সিলের আগামী বৈঠকে এ সুপারিশ করবো। একইসঙ্গে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ভর্তুকি বাড়ানো উচিত। এই দু’টো একসঙ্গে চললে আমরা দীর্ঘমেয়াদে টেকসই অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাবো। সরকারও এ বিষয়ে ওয়াকিবহাল। তারা তো ইঙ্গিত দিলো যে ,বিদ্যুতের দাম এখন বাড়াবে না। এমন কী গ্যাসের দামও বাড়াবে না। আমার মনে হয়, তারা ভোক্তাদের একটু ছাড় দেবে। Atiur rahman
 
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পরিস্থিতি সম্পর্কে কিছু বলুন
 
ড. আতিউর রহমান: আমরা বৈদেশিক মুদ্রা আহরণে বেশ ভালো করছি, গতবছর আমরা ৭.৫ শতাংশের মতো রেমিটেন্স বাড়াতে পেরেছি। ১৫.৩ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স এসেছে, যা আমাদের মতো দেশের জন্য রেকর্ড পরিমাণ রেমিটেন্স। গত ৬ বছরে রেমিটেন্স-প্রবাহ দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। আরেকটি দিক হলো, রপ্তানি। গতবছর মূলত রাজনৈতিক কারণে তিন মাসের মতো আমাদের অর্থনীতি একদম স্থবির হয়ে পড়েছিল। সহিংসতার কারণে বিদেশিরা আসার সাহস পাচ্ছিলো না, অনেক রপ্তানি অর্ডার বাতিল হয়েছিল। ফলে রপ্তানিতে এক সময় নেতিবাচক প্রবৃদ্ধিও দেখা যাচ্ছিলো। বছর শেষে রপ্তানি আগের বছরের চেয়ে কম হয় কি-না, এমন ভয় আমরাও পেয়েছিলাম। সেখান থেকে শেষ পর্যন্ত প্রায় ৪ শতাংশের মতো প্রবৃদ্ধি হয়েছে। আগামী বছর ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি আশা করছি। তবে সুখের কথা হলো, আমদানি বাড়ছে। আমদানির ৬৫ শতাংশই মূলত মূলধনী যন্ত্রপাতি ও শিল্পের মধ্যবর্তী কাঁচামাল। তাতে আগামী দিনের জন্য আমাদের রপ্তানি সক্ষমতা বাড়ছে। তবে যেহেতু আমদানিতে প্রবৃদ্ধি ১২ শতাংশ আর রপ্তানিতে ৪ শতাংশের মতো, তাতে বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনের ভারসাম্যে কিছুটা ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এটা নিয়ে আমি এতোটা উদ্বিগ্ন না। কারণ, এটা আমাদের ভবিষ্যৎ সক্ষমতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। ভারতের বাণিজ্যঘাটতি আমাদের চেয়েও বেশি। সাত মাসের আমদানিব্যয় মেটানোর সক্ষমতা আমাদের রয়েছে, তাই আমরা ঘাটতি সত্ত্বেও স্বস্তিতে রয়েছি।
 
রিজার্ভের অর্থ কিভাবে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা বাংলাদেশ ব্যাংকের
 
ড. আতিউর রহমান: উচ্চ রিজার্ভের কারণে আমি এখন অনেক নতুন নতুন ভাবনা ভাবতে পারছি। রপ্তানি ও শিল্পখাতকে আরও সহায়তা করার জন্য ইতোমধ্যে রিজার্ভ থেকে ২০০ মিলিয়ন ডলার (২০ কোটি ডলার) আলাদা করে রেখেছি, স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদে গ্রিন  ফাইন্যান্সিং করার জন্য। এই তহবিল থেকে অর্থায়ন করে নারায়ণগঞ্জে একটি গ্রিন টেক্সটাইল করেছি। প্রয়োজন হলে এ তহবিলে আরও অর্থ দেবো। বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় নতুন ও পুরনো কারখানার জন্য মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদে আরও ৩০০ মিলিয়ন (৩০ কোটি)  ডলার দিয়েছি। এছাড়া ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, বিশেষ করে বস্ত্রখাতের কারখানার জন্য জাইকার সহায়তায় ১০০ কোটি ডলারের একটি তহবিল চালু রয়েছে। আমরা শুধু নিজেরা অর্থ দিই না, শিল্পখাতকে নানাভাবে সহায়তা দিই। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, বিজিএমইএ মুন্সিগঞ্জে একটি গার্মেন্টপল্লী করছে। সংগঠনটির সভাপতি আমাকে জানালেন যে, ওই প্রকল্পের জন্য কোনো জায়গা থেকে টাকা জোগাড় করতে পারছেন না। আগের দিন ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে নৈশভোজে আমার কথা হয়েছিলো, রাষ্ট্রদূত বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন। বিজিএমইএ’র সভাপতির কথা শোনার পর আমি নিজে রাষ্ট্রদূতকে ফোন করে কথা বলেছি। তবে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) মাধ্যমে বিজিএমইএ গার্মেন্টপল্লী নির্মাণে চীনা বিনিয়োগ পেয়েছে।  বাংলাদেশ ব্যাংক এভাবে পেছন থেকে অনেক কাজ করে দিচ্ছে।  মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপিতে ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি এবার আমরা অর্জন করবোই।
 
সভ্রেন ওয়েলথ ফান্ড গঠন প্রক্রিয়ায় অগ্রগতি কতদূর ?
 
ড. আতিউর রহমান: এ তহবিল গঠনের জন্য ইতোমধ্যে আমরা একটা কমিটি করে দিয়েছি। কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী হবে। এটি এক থেকে দুই বিলিয়নের ডলারের মধ্যে হবে। আর ‘অফশোর টাকা বন্ড’ নামে এক বিলিয়ন ডলারের আরেকটি বন্ড আমরা চালু করবো। এজন্য আইএফসির সঙ্গে কাজ করছি। এ তহবিলের অর্থ অবকাঠামো খাতে ব্যয় করবো, সরকার-বেসরকারি খাত যে আগ্রহী হবে, সে-ই পাবে। গাভী পালনের জন্য ২০০ কোটি টাকা এবং নতুন চা-চাষীদের জন্য এক শ’ কোটি টাকার পুন-অর্থায়ন তহবিল করছি। মুদ্রানীতিতেও স্পষ্ট করে বলেছি যে, আমরা শিল্পখাতকে সহায়তা করবো। আমার ধারণা, দিনের শেষে ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করা খুব সম্ভব। আগামী ৬ মাস বা এক বছরে আমি বড় ধরনের কোনো রাজনৈতিক অস্থিরতা দেখতে পাচ্ছি না। ফলে ব্যবসার আস্থা বাড়তেই থাকবে। আমার মনে হয়, এবার প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশের উপরেই থাকবে।
 
Atiur rahmanবাংলাদেশ ব্যাংকের গ্রিন ফাইন্যান্সিং কার্যক্রম সম্পর্কে বহির্বিশ্বের সাড়া কতোটুকু?
 
ড. আতিউর রহমান: গ্রিন ফান্ডের জন্য ইতোমধ্যে আমরা ২০০ মিলিয়ন ডলার দিয়েছি। বিশ্বব্যাংক যে ৩০০ মিলিয়ন (৩০ কোটি) ডলার দেবে, তারও একটা অংশ অবকাঠামো খাতে ব্যবহার করবো। অন্য এজেন্সি এগিয়ে এলে, তা-ও আমরা গ্রহণ করবো। পরিবেশবান্ধব কাজে ঋণ দেবার যে উদ্যোগ আমরা নিয়েছি, তা খুব প্রশংসিত হচ্ছে। জিইএফ নামে পরিচিত বিশ্বব্যাংকের পরিবেশ উইং ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংককে এক্রিডিটেশন দিয়েছে, বাস্তবায়নকারী সংস্থা হিসেবে। ফলে পরিবেশবান্ধব প্রকল্পের জন্য সেখান থেকেও আমরা টাকা পাবো। বাংলাদেশ ব্যাংক এখন উন্নয়নমুখি (ডেভেলপমেন্টাল) কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আমাদের কাছ থেকে চীন এখন শিখছে, তবে তারা আমাদের মতো এতোটা পথ এগুতে পারেনি। ডেভেলপমেন্টাল সেন্ট্রাল ব্যাংক ধারণাটাই নতুন। বাংলাদেশের কাছ থেকেই সবাই শিখছে, এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক বিশ্বের কাছে পথ প্রদর্শক।
 
আবাসন খাত দীর্ঘদিন ধরে আলাদা তহবিল গঠনের দাবি করছে, গৃহায়ন তহবিলেও অর্থ নেই। এটা চালুর কোন উদ্যোগ আছে কি?
 
ড. আতিউর রহমান: গৃহায়ন তহবিল চালু আছে। এক সময় মূল্যস্ফীতি একটু কমানোর জন্য মুদ্রানীতি কঠোর করতে হয়েছিল। সেই সময় গৃহায়ন তহবিল আমরা বন্ধ রেখেছিলাম। তবে এখন আমরা সত্যি সত্যি ভাবছি যে, একেবারে নিচের দিকে যারা, গরিবদের জন্য ৬০০ থেকে ১০০০ বর্গফুটের বাড়ি বা ফ্ল্যাট কেনার জন্য কিছু করা যায় কি-না। এটা মূল্যস্ফীতির উপর নির্ভর করে। মূল্যস্ফীতি যখন আরেকটু কমবে, তখনই আমরা এটা করবো।
 
অনেক সাফল্যের মধ্যেও হলমার্ক, বিসমিল্লাহর ঋণ কেলেঙ্কারি ব্যাংকিংখাতের অভিভাবক হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংককে পেছনে টানছে। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের অনিয়ম না হয়, সেজন্য কি কি পদক্ষেপ নিচ্ছেন?
 
ড. আতিউর রহমান: এগুলো ব্যাখ্যা করার সময় কম। তবে এ ধরনের ঘটনা আর যেন না ঘটতে পারে, সেজন্য যথেষ্ট উদ্যোগ নিয়েছি। সুপারভিশন বা তদারকি ব্যবস্থা জোরদার করেছি, মোটামুটিভাবে ডিজিটাইজ করে ফেলেছি। ফলে সশরীরে দৌড়াদৌড়ি করতে হয় না। এখানে বসেই তথ্য আসছে যে, কোন শাখায় ওলটপালট হলে সে-তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংক জানতে পারে, তখন ওইখানে চলে যাচ্ছে। ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও কমপ্লায়েন্সে আগে সমস্যা ছিলো, এমডি ও রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কিছু খেয়াল করতো না যে, একটি শাখায় এতো টাকা যাচ্ছে, অন্য শাখা থেকেও এনে দিচ্ছে, টাকাগুলো কোথায় কিভাবে যাচ্ছে।  নিশ্চয়ই কারও না কারও জানা দরকার। এখন এমন ব্যবস্থা নিয়েছি, যাতে প্রতি তিন মাস পর পর এমডি এবং অডিট কমিটির চেয়ারম্যান স্বাক্ষর করে আমাকে জানাতে হয়, তারা কি কি পদক্ষেপ নিয়েছে। এখন প্রতিদিন বাংলাদেশ ব্যাংক কোন না কোন ব্যাংককে জরিমানা করছে। কত শত ছেলের চাকরি গেল এই কয়েক বছরে, তার হিসাব নেই। এসব পদক্ষেপের কারণে ব্যাংকগুলোতে এক ধরনের শৃঙ্খলা ফিরে আসছে। আমাদের সুপারভিশন শক্ত করেছি বলেই এখন আর আইবিপি’র কথা এখন আর শোনা যায় না। সোনালী ব্যাংকের কথাই বলা যাক, হলমার্ক ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত অন্য ব্যাংকের বিল যে এরা আটকে রেখেছিলো, আমরা নিজেরা উদ্যোগী হয়ে তা পরিশোধ করতে বাধ্য করেছি। এখন বিদেশিরাও বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা করতে চিন্তা করে না।
সম্প্রতি সুইজারল্যান্ডের একজন ব্যবসায়ী আমাকে বলেছেন, একটি বিদেশি ব্যাংকের সিইও তাদের বলেছেন যে, সময়মত এলসির টাকা পাওয়া না গেলেও চিন্তা নেই, বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক অনেক কঠোর। তাই অর্থ নিয়ে চিন্তা নেই। এ কারণেই কান্ট্রি রেটিং-এ এক ধাপ আগালাম। পাকিস্তান ৭ এ, আমরা ৫ নম্বরে। সুপারভিশনের জন্য আমরা ৫ টা ডিপার্টমেন্ট খুলেছি। প্রত্যেকটা ব্যাংকের জন্য ডিজিএম লেবেলের একজন স্পেশালিস্ট নিয়োগ করেছি। কোনো তথ্যে গড়মিল হলে আগে ওই ডিজিএমকে ধরি। Atiur rahman
 
সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী বললেন, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে অনেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না, আপনি কি বলবেন?
 
ড. আতিউর রহমান: আমাদের এখানে ওই ধরনের কোনো সমস্যা নেই। আমরা চোখ-কান বন্ধ রেখে কাজ করি। রাজনৈতিক প্রভাব সব দেশেই থাকে, আমাদের দেশেও হয়তো আছে। তবে তা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যক্রমকে ব্যাহত করছে না। উনি সরকারি ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পর্ষদকে বোঝাতে চেয়েছেন। সেখানেও অনেক উন্নতি হয়েছে। আগে যাকে-তাকে পরিচালক করা হতো। এখন বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অনেকের ব্যাপারে আপত্তি জানিয়ে ফেরত দিচ্ছি, প্রশ্ন তুলছি।
 
আপনারা সোনালী ব্যাংকের কাছ থেকে টাকা কেটে অন্যদের বিলের পাওনা পরিশোধ করে দিচ্ছেন। কিন্তু সোনালী ব্যাংক তো হলমার্কের কাছ থেকে কোন টাকা আদায় করতে পারছে না।
 
ড. আতিউর রহমান: সোনালী ব্যাংক থেকে হলমার্ক যেভাবে টাকা নিয়েছে সেটা ঋণই ছিলো না। যেটা ঋণই না সেটা ঋণ হিসেবে কিভাবে আদায় হবে! ওটা চুরি হয়ে গেছিল। জালিয়াতি হয়ে গিয়েছিল। ঋণের জন্য একরকম ব্যবস্থা; আর জালিয়াতির জন্য আরেক রকম ব্যবস্থা। কোনো নিয়ম মেনে হলমার্ককে ঋণ দেওয়া হয়নি। যারা আইন-শৃঙ্খলা কর্তৃপক্ষ তারা যদি এটাকে চুরি হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে আদায় করার চেষ্টা করে তাহলেই কেবল এই টাকা আদায় করা সম্ভব। তবে টাকা উদ্ধার হয়নি বলে তো আর ব্যাংক খাতকে বসিয়ে রাখবো না। আমরা ব্যাংকখাতে গতি এনেছি, আর যাতে এরকম চুরি না হয়। গত দুই তিন বছরে এ রকম বড় চুরি আর কোথাও হয়েছে ? একটা আইবিপি জালিয়াতি হয়েছে? সব কলকব্জা বন্ধ করে দিয়েছি।
 
অনিয়মে কাবু হওয়া বেসিক ব্যাংক আর সোনালী ব্যাংক কতোটা ঘুরে দাঁড়াতে পারবে?

ড. আতিউর রহমান: বেসিক ব্যাংকের রক্তক্ষরণ আমরা বন্ধ করিনি? সেখানে শুরুতেই আমরা পর্যবেক্ষক দিয়েছিলাম। আস্তে আস্তে ব্যাংকটাকে নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিলাম। এরপর আমরা ব্যাংকটির পর্ষদে পরিবর্তন এনেছি। এমটিকে অপসারণ করেছি। এখন ব্যাংকটি উঠে দাঁড়াবার চেষ্টা করছে।  আমার ধারণা, পরিবর্তনের ফলে ব্যাংকটি দাঁড়িয়ে যাবে। দুই এক জায়গাতে আমরাও শিথিলতা দেখাচ্ছি। যেমন ব্যাংকটির কিছু ঋণ পুন:তফসিল করে দিচ্ছি। অনেক ভাল ভাল উদ্যোক্তা আমাকে এসে বলে আমি তো ভেবেছিলাম বেসিক ব্যাংকে টাকা দিচ্ছি। কিন্তু গিয়ে দেখি আমার টাকাটা অন্য কোথাও জমা হয়ে গেছে। বেসিক ব্যাংকে টাকাটা জমা হয়নি। এধরনের উদ্যোক্তাদের জন্য আমাদের কষ্ট হয়। তারপরও আমি তাদের বুঝিয়ে বলি, যেটা হারিয়ে গেছে গেছে। এখন যতটুকু আছে সেটা নিয়ে আপনি যদি আবার পুন:তফসিল করে আবার কাজ করতে চান করেন। আপনার ব্যাংকের জন্য আমরা বিশেষ সহানুভুতি দেখাবো। এবং এটা করছি কিন্তু। করে আবার সবাইকে ব্যবসা বাণিজ্যের মধ্যে নিয়ে আসছি। নতুন ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ আবার ব্যাংকটিকে এর পায়ের ওপর দাঁড় করাতে চেষ্টা করছে। তার মানে এই নয় যে, চোরেরা এমনিই পার পেয়ে যাবে। এটাতো হতে পারে না। এটা আইন শৃংখলা কর্তৃপক্ষ, দুর্নীতি দমন কমিশনে আমাদের পরির্দশন প্রতিবেদন দিয়েছি, তার ভিত্তিতেই তারা ব্যবস্থা নেবেন। এটাই আমরা আশা করবো।
 
আপনি সম্প্রতি অর্থমন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকে বলেছেন, দুদকে সব তথ্য প্রমাণাদি দিয়েছেন। দুদক সেভাবে ব্যবস্থা নিচ্ছে না।
 
ড. আতিউর রহমান: সেদিনও আমি বলেছি এটা আলাদা একটি প্রতিষ্ঠান। এর একটি আলাদা কর্মকাঠামো আছে। এটা নিয়ে আপনারা তাদের প্রশ্ন করবেন। আমার কাজ আমি করেছি। আমি এটুকুই বলতে পারি।
 
নতুন চালু হওয়া ব্যাংকগুলো সম্পর্কে এক কথায় মূল্যায়ন করুন।

ড. আতিউর রহমান: এখন পর্যন্ত নতুন ব্যাংকগুলো খারাপ করছে না। কারণ এখন পর্যন্ত তাদের খেলাপি ঋণ শূন্য। এটা একটা ভাল লক্ষণ। সব ব্যাংকই মোটামুটি ভাল করছে। দুই একটি ব্যাংকে একটু সমস্যা দেখা দিয়েছে। কর্মী নিয়োগে একটু সমস্যা হয়েছিল। কিছু কিছু জায়গাতে বুঝে উঠতে পারছিল না। হয়তো নতুন বলে এমনটা হয়েছিল। কয়েকটি ব্যাংকে আইন না বুঝেই সব পরিচালক পদত্যাগ করে বসেছেন। পরে আমাদের কাছে এসে বলেছেন, তারা বুঝতে পারেননি। আমরা বলেছি বোঝেননি যখন একবার আমাদের কাছে জানতে চাইতে তো পারতেন! তারা এখন আইনের আশ্রয় নিয়ে ফিরে আসছেন। ছোট ছোট ভুলভ্রান্তি হচ্ছে। নতুন বলে এমনটা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত তারা অন্যসব ব্যাংকের চেয়ে খারাপ করছেন না। তারপরও তাদের ওপর আমরা নজর রাখছি। যদি কোনো রকমের বিশৃঙ্খলা দেখা দেয় তাহলে বেসিক ব্যাংকে যা করেছি, সোনালী ব্যাংকে যা করেছি সেরকম ব্যবস্থা নেব। কোনো ছাড় দেব না।
 
বাংলাদেশ ব্যাংক আলাদা একটা প্রতিষ্ঠান। এর জন্য স্বতন্ত্র পে স্কেল হবে-হবে করেও হচ্ছে না। গত নির্বাচনের আগে তো প্রায় সবই হয়েই গিয়েছিল। শুধু প্রজ্ঞাপনটাই বাকি ছিলো।
 
ড. আতিউর রহমান: এবারও হয়ে গেছে। ফরাসউদ্দিন সাহেব আমাকে বলেছেন যে, তিনি স্বতন্ত্র পে-স্কেলের জন্য প্রস্তাব করেছেন। সরকার বাকি সিদ্ধান্তটা নেবেন। আমরা আশা করি যে, সরকার ফরাসউদ্দিন সাহেবের প্রস্তাব শুনবেন। বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারের ব্যাংক। সরকার তার পরিবারের সদস্যদের কিভাবে বিচার করবেন সেটা সরকারের বিষয়। তবে আমি সন্তুষ্ট যে ফরাসউদ্দিন সাহেব অন্তত প্রস্তাব করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি স্বতন্ত্র পে-স্কেলের জন্য। এর আগে প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী দুজনেই আমাদের স্বতন্ত্র পে-স্কেলের পক্ষে রায় দিয়েছেন। বিভিন্ন অনুমোদন দিয়েছেন। আইন বিভাগও অনুমোদন(ভেটিং)  দিয়েছে। এখন শুধু বাস্তবায়নের অপেক্ষা। আমি আশা করবো, সরকার বিশেষ করে অর্থমন্ত্রী তার কথা রাখবেন।
 
অন্যান্য দেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের যে পদমর্যাদা আমাদের দেশে সেই পদমর্যাদা দেওয়া হয় না।
 
ড. আতিউর রহমান: এটাতো আমার জন্য বলা খুবই বিব্রতকর।  আমি মনে করি, কেন্দ্রীয় ব্যাংক সারা পৃথিবীতে স্বাধীন, এটা স্বাধীন থাকাই ভাল। ক’দিন আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন যে রিজার্ভ ব্যাংকের স্বায়ত্তশাসন বা স্বাধীনতার ওপর কেউ যদি হাত তোলে, সেটা ভারতের অর্থনীতির সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। Atiur rahman

আমাদের প্রধানমন্ত্রীও বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যপারে খুব সুনজর রাখেন। তিনিও মনে করেন বাংলাদেশ ব্যাংক যেন স্বাধীন, স্বতন্ত্র হিসেবে পরিচালিত হয়। সরকারপ্রধান যখন ভাবেন এরকম এবং তিনি ভাবেন বলেই কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক সাহসের সাথে এতোটা কাজ করে যেতে পারছে। আপনি যেটা বলছেন, সেটা প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো।  সেটা তো একদিনে আসবে না। একেক দেশের গর্ভনরের মর্যাদা একেক রকম। ভিয়েতনামের গভর্নরের মর্যাদা অর্থমন্ত্রীর সমান। ফেডারেল রিজার্ভের চেয়ারম্যানের অবস্থান রাষ্ট্রপতির পরেই। আবার কোনো কোনো দেশে আমাদের চেয়েও নিচে। সুতরাং এটা নির্ভর করবে একেকটা দেশের ওপর, তাদের দৃষ্টিভঙ্গির ওপর। আমি গভর্নর থাকাকালে এ নিয়ে কোনো কথা বলতে চাই না। এই পদের মর্যাদা যদি বাড়ে সেটা যেন আমার চলে যাওয়ার পরে হয়।
 
বিদেশে বিনিয়োগ করতে অনেকই আগ্রহী, এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের অবস্থান কি?
 
ড. আতিউর রহমান: যেসব শিল্প ভাল করছে, যেমন ওষুধশিল্প, তারা যদি বিদেশে বিনিয়োগ করতে চায় আমরা তাদের অনুমোদন দিচ্ছি। সম্প্রতি আমরা ওষুধশিল্পের তিনটি প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দিয়েছি। মায়ানমারে আমরা একটি প্রতিষ্ঠানকে পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য উৎপাদনে বিনিয়োগ করতে দিয়েছি। ইথিওপিয়াতে আমাদের একটি গার্মেন্টকে বিনিয়োগ করার সুযোগ দিয়েছি। দেশের বাইরে নয়, আমরা দেশের ভেতরে বিনিয়োগকে বেশি উৎসাহিত করছি। দেশের ভেতরে এতো বিনিয়োগের সুযোগ। বিদেশি মুদ্রার একটি অংশ দেশের ভেতরে কিভাবে বিনিয়োগ করা যায় আমরা তার চেষ্টা করছি। এর জন্যই সার্বভৌম সম্পদ তহবিল করছি, রিজাভ থেকে ২০ কোটি ডলারের তহবিল গঠন করছি। আমরা দেশের ভেতরটা আগে উন্নত করতে চাচ্ছি। কারণ আমাদের কর্মসংস্থানের এখনো অনেক প্রয়োজন। আর বাইরে যারা খুব ভাল করছে বিশেষ করে ওষুধশিল্প তাদেরকে কেস-বাই-কেস বিনিয়োগের সুযোগ উন্মুক্ত করছি। 
 
ব্যক্তি আতিউর রহমানের ভবিষ্যৎ-ভাবনা এবং গভর্নর হিসেবে দেশের অর্থনীতি ও ব্যাংকখাত নিয়ে আপনার ভাবনা জানান
 
ড. আতিউর রহমান: আমি খুবই সন্তুষ্ট। আমি একজন শিক্ষক মানুষ, আমার নিজেরও ভয় হয়েছিল, কখনো তো এতো বড় প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করিনি। ছয় হাজার কর্মী আমার। মানবসম্পদ সম্পর্কে আমার ধারণা নেই। আমি অত্যন্ত উদার প্রকৃতির মানুষ। আমি এবং আমার পরিবারও ভয় পেয়েছিল। ভেবেছিলাম পারবো কিনা। কিন্তু সকলের সহযোগিতায় এটা সম্ভব হয়েছে। বিশেষ করে সরকারপ্রধান। প্রধানমন্ত্রীর সর্বাত্মক সহযোগিতা না পেলে আমি এই কাজটি করতে পারতাম না। শুধু তিনি নন, মন্ত্রিপরিষদের সকলেই আমাকে সহযোগিতা করেছেন। আর সহযোগিতা করেছেন এদেশের কৃষক, ক্ষুদে উদ্যোক্তারা। এমনকি বড় উদ্যোক্তারাও। আপনারা আলাপ করে দেখেন বড় উদ্যোক্তাদের সঙ্গে যে আমি কতোটা উদ্যোক্তাবান্ধব।
 Atiur rahman
আজকে সাড়ে ছয় বছরের মাথায় এসে আমি তৃপ্ত মানুষ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে গতানুগতিক, লুকিয়ে থাকা গভর্নর আমি ছিলাম না। আমি ছিলাম জনগণের গভর্নর, সাধারণ মানুষের গভর্নর। সারা পৃথিবী জানে যে, আমি গরিবের অর্থনীতিবিদ এবং আমি গরিবের গভর্নর। কিন্তু গরিবের গভর্নর হতে গিয়ে আমি ধনীদের আক্রান্ত করিনি। কারণ আমি নিজেও জানি, ধনী এবং গরিব মিলেই একটা দেশ। গরিব মানুষ যেন স্বপ্ন দেখতে পারেন যে তিনি নিজেও একদিন ধনী হবেন। আর ধনী যেন বুঝতে পারেন যে , তার সম্পদে গরিবেরও একটি হিস্যা আছে। সিএসআর নিয়ে কথা বলতে পারলাম না। বড় ধরনের সিএসআর কর্মসূচি আমরা হাতে নিয়েছি। কারণ, আমি মনে করি ধনীদের ধনের ওপরে গরিবের হক আছে। তাদের হকটা কনোন না কোনোভাবে দিতে হবে। সবচেয়ে ভাল উপায় হচ্ছে, তারা যেন শিক্ষা খাতে এটা ব্যয় করে। ব্যাংকগুলো তাদের সিএসআরের এক তৃতীয়াংশ শিক্ষা খাতে ব্যয় করছে এবং এই ব্যয়ের কারণে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে।
http://www.banglanews24.com/fullnews/bn/414433.html

22
শুনে নিশ্চয়ই অবাক হচ্ছেন। যখন সকালে ঢাকার এক প্রান্তে গেলেই বিকেলে ফিরে আসা দুস্কর সেখানে সেখানে নিউইয়র্ক থেকে একদিনেই ফিরে আসা! এমন অসম্ভবকেই সম্ভব করে তুলছেন বিমান নির্মাতারা। তবে এর জন্য অপেক্ষা করতে হবে ২০২৩ সাল পর্যন্ত। এবার শব্দের গতির চেয়ে সাড়ে চারগুণ বেশি গতিসম্পন্ন হাইপারসনিক জেট বানাচ্ছেন বিমান নির্মাতারা। এই বিমানে লন্ডন থেকে নিউইয়র্ক যাবে মাত্র এক ঘণ্টায়। টোকিও থেকে লস এঞ্জেলস যেতে সময় লাগবে মাত্র তিন ঘণ্টা। অর্থাত ঢাকা থেকে নিউইয়র্কে যেতে প্রায় ৩ ঘন্টা সময় লাগবে। খবর আমাদের সময়.কম'র।
যুক্তরাষ্ট্রের পেটেন্ট অ্যান্ড ট্রেডমার্ক অফিস সম্প্রতি এই নতুন জেট তৈরির উদ্যোগে অনুমোদন দিয়েছে। বর্তমান সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপারসনিক মার্চ টু কনকর্ড’র চেয়েও প্রায় সাড়ে তিনগুন বেশি গতি হবে এই হাইপারসনিক জেট বিমানের। এর মূল কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত হবে দুই দিকে গোথিক ডেল্টা পাখা আর প্রোপেলর।
0তিনটি ভিন্ন ধরনের হাইড্রোজেনচালিত ইঞ্জিন এই উড়োজাহাজে একসঙ্গে কাজ করবে। যা এটিকে ঘণ্টায় উড়িয়ে নিয়ে যাবে সাড়ে পাঁচ হাজার কিলোমিটার। দুটি টার্বো জেট এই এয়ারক্র্যাফটকে সোজা উপরের দিকে তুলে নিয়ে যাবে, সঙ্গে সঙ্গে সেটি পেয়ে যাবে শব্দের গতি। একটি রকেট মোটর যোগ হবে যা তুলে নিয়ে যাবে এক লক্ষ ফুট উচ্চতায়।
সর্বোচ্চ ২০ জন যাত্রী ধারণ করতে পারবে এই এয়ারবাস। খুব প্রয়োজনে এই হাইপারসনিক জেটে চেপে পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে গিয়েও কাজ শেষ করে দিনে দিনে ঘরে ফিরতে পারবেন। এই হাইপারসনিক জেট সামরিক কাজেও ব্যবহার করা যাবে। দ্রুত গতিতে কোথাও সৈন্য পৌঁছানো প্রয়োজন হলে এর ব্যবহার সহজ হবে।
২০২৩ সালের মধ্যে এই হাইপারসনিজ জেট চলাচল শুরু করবে জানালেন উদ্যোক্তারা। এরই মধ্যে এ সংক্রান্ত প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ করে মূল প্রকল্পের কাজে হাত দিয়েছেন তারা।
উল্লেখ্য, শব্দের চেয়ে দ্রুত গতির যাত্রীবাহী বিমান ‘কনকর্ড’ বানিজ্যিক ভাবে লাভবান না হওয়ায় এর চলাচল বন্ধ করা হয়েছে বহু আগেই। তখন বিশেষজ্ঞরা বলেছিলেন, যুগের চেয়ে আধুনিক হওয়ায় তা বেশিদিন চালানো যায়নি। তবে ২০২৩ সালে হয়তো পৃথিবীর মানুষ আরেকটু আধুনিক হবে। হয়তো সুপারসনিক বিমানের সাথে অভ্যস্ত হয়ে উঠবে।http://www.monitor-bd.net/newsdetail/detail/200/144611

24
BCS Cadre / Re: General knowledge
« on: August 03, 2015, 02:52:07 PM »
সাধারন জ্ঞান
CTBT অনুমোদনকারী দেশ কয়টি?
# 163টি।
বাংলাদেশে সরকারী চিড়িয়াখানা কয়টি?
# 3টি।
সিরডেপের সদস্য কত জন?
#15 জন ।( সর্বশেষ ফিজি)
সর্ব বৃহত ই কমার্স প্রতিষ্ঠান কোনটি?
# আলিবাবা, চীন ।
সার্কের প্রথম মহিলা মহাসচিব কে?
# ফাতেমাদিয়ানা সাঈদ।
এফবিআই কি?
# গোয়েন্দাসংস্থা ।
বাংলাদেশে প্রথম কম্পিউটার ব্যাবহৃত হয় কবে?
#1964 সালে ।
নারী অধিকার নিয়ে 'হি ফর সি' প্রচারনায় যুক্ত?
# এমাওয়াটসন ।
বেড়ুবাড়ী সীমান্ত অবস্থিত?
# পঞ্চগড়।

25
BCS Cadre / General knowledge
« on: August 03, 2015, 02:50:41 PM »
জেনে নিন কিছু তথ্য-------
১.বাংলাদেশের বৃহত্তম স্টেডিয়াম? উঃ বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম
২. বাংলাদেশের বৃহত্তম ব্যাংক? উঃ সোনালী ব্যাংক
৩. বাংলাদেশের বৃহত্তম সিনেমা হল? উঃ মনিহার (যশোর)
৪. বাংলাদেশের বৃহত্তম কন্টেনার জাহাজ? উঃ বাংলার দূত
৫. বাংলাদেশের বৃহত্তম শহর? উঃ ঢাকা
৬. বাংলাদেশের বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর? উঃ চট্টগ্রাম বন্দর
৭. বাংলাদেশের বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র? উঃ কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র
৮. বাংলাদেশের বৃহত্তম তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র? উঃ ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
৯.বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র? উঃ তিতাস, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
১০. বাংলাদেশের বৃহত্তম হোটেল? উঃ হোটেল সোনারগাঁও, ঢাকা
১১. বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ? উঃ তাজিংডং (বিজয়) (১২৩১ মিঃ)
১২. বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পাহাড়? উঃ গারো (ময়মনসিংহ)
১৩. বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বৃক্ষ? উঃ বৈলাম (প্রায় ৬১মিটার)
১৪. বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী? উঃ সুরমা
১৫. বাংলাদেশের প্রশস্ততম নদী? উঃ যমুনা
১৬. বাংলাদেশের দীর্ঘতম রেল সেতু ? উঃ হার্ডিঞ্জ ব্রীজ (১৭৯৬ মি:)
১৭. বাংলাদেশের দীর্ঘতম সড়ক সেতু? উঃ বঙ্গবন্ধু যমুনা ব্রীজ (৪.৮ কি: মি:)
১৮. বাংলাদেশের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত? উঃ কক্সবাজার (পৃথিবীর মধ্যে দীর্ঘতম)
১৯. বাংলাদেশের দীর্ঘতম মানুষ? উঃ পরিমল বর্মন, জিঞ্জিরা, ঢাকা (৮ফুট ৩ ইঞ্চি)
২০. বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত? উঃ লালখান, সিলেট (৩৮৭৭ মি:মি:)
২১. বাংলাদেশের সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত? উঃ লালপুর, নাটোর
২২. বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান? উঃ নাটোরের লালপুর (৪৫.১ ডিগ্রী)
২৩. বাংলাদেশের শীতলতম স্থান? উঃ সিলেটের শ্রীমঙ্গল (২.৮ ডিগ্রী

26

1) আইনের দৃষ্টিতে ‘সকল নাগরিক সমান’ বলা হয়েছে সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে?
✔ Ans:-২৭ নং
2 )সন্ত্রাসবাদ কিসের অন্তরায় হিসেবে কাজ করে?
✔ Ans:-সুশাসন
3) সুশাসনের ইংরেজি প্রতিশব্দ হল-
✔ Ans:-Good Governance
4) সুশাসনের একপক্ষ সরকার অন্যপক্ষ-
✔ Ans:-জনগন
5) আইনের আনুষ্ঠানিক উৎস হল-
✔ Ans:-সংবিধান
6) বাক-স্বাধীনতার কথা বলা আছে সংবিধানের যে অনুচ্ছেদে-
✔ Ans:-৩৯ নং অনুচ্ছেদে
7) বাংলাদেশের সংবিধানে ধর্মীয় স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে-
✔ Ans:-৪১ নং অনুচ্ছেদে
8) মুসলিম আইনের প্রধান উৎস হল-
✔ Ans:-আল-কোরআন
9) যেখানে দেশপ্রেম নেই সেখানে নেই-
✔ Ans:-সুশাসন
10) আইনের দৃষ্টিতে ‘সকল নাগরিক সমান ’ বলা আছে সংবিধানের যে অনুচ্ছেদে-
✔ Ans:-২৭ নং অনুচ্ছেদে
11) ছায়া সরকার বলা হয়-
✔ Ans:-সংবাদ মাধ্যমকে
12) সুশাসনের মানদন্ড হল-
✔ Ans:-জনগণের সম্মতি ও সন্তুষ্টি
14) বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা যার দায়িত্ব-
✔ Ans:-সরকারের
15) ই-গভরনেন্স এর প্রয়োজন হয় মূলত-
✔ Ans:-সু-শাসন প্রতিষ্ঠায়
16) মানবাধিকার লঙ্ঘিত হলে অচল হয়ে পড়ে
✔ Ans:-গনতন্ত্র
17) সরকার ও জনগনের মধ্যে আয়নার মতো কাজ করে-
✔ Ans:-সংবাদ মাধ্যম
18) লালফিতার দৌরাত্মের ফলে ব্যাহত হয় -
✔ Ans:-উন্নয়ন
19) সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষাকল্পে যে আইন প্রবর্তন করা হয়-
✔ Ans:-ফৌজদারি আইন
20) প্রশাসন যন্ত্রের ধারক ও বাহক
✔ Ans:-সরকার
21) সুশাসনের আভাস পাওয়া যায়-
✔ Ans:-ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে
22) নিজ ধর্ম চর্চা ও পালন করা হল-
✔ Ans:-সামাজিক অধিকার
23) রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন বলা হয়
✔ Ans:-সাংবিধানিক আইনকে
24) Morality শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে কোন ল্যাতিন শব্দ হতে
✔ Ans:-Moralitas
25) Moralitas হলো--
✔ Ans:-ভালো আচরন
26) নৈতিকতা ও মূল্যবোধ অর্জনের প্রধান উৎস –
✔ Ans:-পরিবার
27) যে অধিকার লঙ্ঘিত হল রাষ্ট্রীয় শাস্তির বিধান নেই-
✔ Ans:-নৈতিক অধিকার
28) আইনের সবচেয়ে প্রাচীন উৎস হল-
✔ Ans:-সামাজিক প্রথা
29) মূল্যবোধের বিকাশ শুরু হয়-
✔ Ans:-শিশুকাল থেকে
30) আধুনিক বিশ্ব যে ধরনের মূল্যবোধের প্রতি গুরুত্বারোপ করেছে-
✔ Ans:-ব্যক্তিগত মূল্যবোধ
31) যৌতুক নিরোধ আইন প্রতিষ্ঠা করা হয়-
✔ Ans:-১৯৮০ সালে
32) যৌতুক নিরোধ আইন সংশোধন করা হয়-হয়-
✔ Ans:-১৯৮৬ সালে
33) শিল্প বিপ্লব সামাজিক মূল্যবোধের-
✔ Ans:-অবক্ষয় ঘটিয়েছে
34) ব্যক্তিগত মূল্যবোধ যে বিষয়টিকে লালন করে-
✔ Ans:-স্বাধীনতা
35) প্রতিটি শিশু যে মূল্যবোধ নিয়ে জন্মায়-
✔ Ans:-ব্যাক্তিগত মূল্যবোধ
36) ভারত ও চীনের মূল্যবোধে পরিলক্ষিত হয়-
✔ Ans:-অনেক পুরাতন মূল্যবোধ
37) অপসংস্কৃতির দ্বারা নষ্ট হয়-করেছে-
✔ Ans:-সামাজিক মূল্যবোধ
38) মাদকাসক্তি প্রতিরোধে যেসব ব্যবস্থা গ্রহন করা যায় তার মধ্যে অন্যতম হল-
✔ Ans:-নৈতিকতার মূল্যবোধ
39) মানবজীবনের পরিপ্রেক্ষিতে আইনের পাশাপাশি পরিলক্ষিত হয়-
✔ Ans:-নৈতিকতার
40) দেশের দুর্নাম করা যে মূল্যবোধ এর পরিপন্থি
✔ Ans:-জাতীয় মূল্যবোধ
41) যে সমাজ থেকে মুসলিম সমাজে ‘যৌতুক প্রথার’ অনুপ্রবেশ ঘটেছে-
✔ Ans:-হিন্দু সমাজ
42) ব্যক্তির মূল্য ও মর্যাদার স্বীকৃতি হল-
✔ Ans:-পেশাগত মূল্যবোধ
43) সংসদীয় গনতন্ত্রে একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী কে?
✔ Ans:-প্রধানমন্ত্রী
44) সামাজিক ক্ষেত্রে সুশাসন কোনটি?
✔ Ans:-আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা
45) মূল্যবোধগুলো সমাজে কী হিসেবে ভূমিকা পালন করে?
✔ Ans:-সামাজিক পরিবর্তনশীলতা
46) মূল্যবোধ দৃঢ় করে কোনটি?
✔ Ans:-শিক্ষা
47) মূল্যবোধের ইংরেজি প্রতিশব্দ কোনটি?
✔ Ans:-values
48) জনগন, রাষ্ট্র ও প্রশাসনের সাথে ঘনিষ্ট প্রত্যয় হল-
✔ Ans:-সুশাসন
49) সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রতিবন্ধকতা কোনটি?
✔ Ans:-সংঘাতময় রাজনীতি
50) সুশাসন ধারনাটির উদ্ভাবক সংস্থা কোনটি?
✔ Ans:-বিশ্বব্যাংক

27
Meghna Bank Limited - এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
আবেদনের শেষ তারিখ : ৬ আগস্ট ২০১৫
পদের নাম : Officer
http://www.nayadigantajobs.com/jobsdetail/12130/Officer

28
Making a Business Plan / এলসি (LC) করার নিয়ম
« on: July 29, 2015, 10:25:34 AM »
বিদেশ থেকে পণ্য বা যন্ত্রাংশ আমদানী করার জন্য অবশ্যই ব্যাংকের মারফত এলসি করতে হয় । এই এলসির মাধ্যমেই সরবরাহকারীরা একদেশ থেকে অন্য দেশে পন্য আমদানি রপ্তানি করে থাকে। এলসি করতে হলে সবার আগে আপনার কোম্পানীর টিন ভ্যাট করাতে হবে। এরপর ব্যংকে গিয়ে কোম্পানীর নামে অ্যাকাউন্ট খুলতে হয়। তারপর ব্যাংক থেক এলসিএ ফর্ম কালেক্ট করে পূরণ করে ব্যাংকে জমা দিতে হয়। এই ফর্মে কিছু তথ্য প্রদান করতে হয়। যেমন কি পন্য, দাম কত, কোন দেশ থেকে আসবে প্রভৃতি। এ বিষয়ে নিচে বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।

 

পর্যায় ১: কোম্পানীর ট্রেড লাইসেন্স, টিন, ভ্যাট করা। আইআর সি (ইমপোর্ট রেজি: সার্টিফিকেট) করা।

 

পর্যায় ২: কোন ব্যাংক এ কোম্পানীর একাউন্ট করা।

 

পর্যায় ৩: যে পন্য আনবেন তার ইনডেন্ট কালেক্ট করা (ধরা যাক আপনি ১৫ টন নিউজপ্রিন্ট কাগজ আনবেন কোরিয়া থেকে। এখন যে কোম্পানী থেকে আনবেন সে কোম্পানীর বাংলাদেশ প্রতিনিধির কাছে গিয়ে দাম দর ঠিক করে একটা ডকুমেন্ট নেবেন। এটাই ইনডেন্ট। আর সে কোম্পানীর যদি বাংলাদেশ প্রতিনিধি না থাকে তাহলে সে কোম্পানীতে সরাসরি মেইল করে দাম ঠিক করে ডকুমেন্ট আনাতে হবে। তখন এটাকে বলা হয় পি আই বা প্রফরমা ইনভয়েস। এতে পণ্যের বিস্তারিত, দাম, পোর্ট অব শিপমেন্ট এসব তথ্যাদি থাকে।)

 

পর্যায় ৪: ব্যাংক থেকে এলসিএ (লেটার অব ক্রেডিট এপ্লিকেশন) ফর্ম কালেক্ট করে ইনডেন্ট/পিআই অনুযায়ী তা পূরন করে ব্যাংক এ জমা দেয়া।

 

পর্যায় ৫: এলসি মার্জিন জমা দেয়া । প্রথম দিকে ব্যাংক এ পুরো টাকাটাই জমা দিতে হবে। ধরা যাক এলসি ভ্যলু ২০,০০০ ডলার। ব্যাংক এ আপনাকে ১৬ লাখ টাকা জমা দিতে হবে। তবে আস্তে আস্তে ব্যাংকের সাথে ব্যবসা বাড়লে তখন ১০-২০% মার্জিন দিয়ে এলসি খুলতে হবে। টাকার সাথে অন্যান্য কিছু ডকুমেন্টও দিতে হবে। যেমন:

আপনার কোম্পানীর সব কাগজ (ট্রেড লাইসেন্স, টিন, ভ্রাট, আইআরসি)
ইনডেন্ট/পিআই এর ৩/৪ টি কপি।
সাপ্লায়ার কোম্পানীর ব্যাংক ক্রেডিট রিপোর্ট
ইন্সুরেন্স কভার নোট (যে কোন ইন্সুরেন্স কোম্পানীতে ইনডেন্ট দেখিয়ে ফি দিয়ে এটা নিত হবে)
 

এরপর ব্যাংক আপনাকে এলসির একটা কপি দেবে। অরিজিনালটা পাঠিয়ে দেবে বিদেশে সাপ্লাইয়ারের কাছে।

 

29
বিস্তারিত ...
http://www.nayadigantajobs.com/jobsde…/12144/Boiler-Operator

30
Career Opportunity / Career Opportunity at US-Bangla Airlines
« on: July 29, 2015, 10:14:28 AM »
Last Date of Application: 3 August, 2015

Pages: 1 [2] 3 4 ... 16