Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - rumman

Pages: 1 ... 3 4 [5] 6 7 ... 68
61
কবরের কঠিন আজাব থেকে-আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কবরের কঠিন আজাব থেকে মুক্তি লাভের জন্য একটি দোয়া পাঠ করতে বলেছেন।
হজরত বারা বিন আজিব রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গে জনৈক আনসারি সাহাবির জানাযায় শরীক হওয়ার জন্যে বের হলাম। তখনও কবরের খনন কাজ শেষ হয়নি। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কিবলামুখী হয়ে বসে পড়লেন। আমরাও তাঁর চারপাশে বসে গেলাম।
তাঁর হাতে ছিল একটি কাঠি। তা দিয়ে তিনি মাটিতে খুঁচাতে ছিলেন এবং একবার আকাশের দিকে তাকাচ্ছিলেন আর একবার জমিনের দিকে মাথা অবনত করছিলেন। তিনবার তিনি দৃষ্টি উঁচু-নিচু করলেন। অতঃপর বললেন, ‘তোমরা আল্লাহর কাছে কবরের আজাব থেকে আশ্রয় চাও। কথাটি তিনি দু’বার অথবা তিনবার বললেন।
তারপর তিনি এ দোয়াটি করলেন-أَللَّهُمَّ إِنِّى أَعُوْذُبِكَ مِنْ عَذاَبِ الْقَبْرِ
উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা ইন্নি আউ-জুবিকা মিন আ’জা-বিল ক্ববরি। অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে কবরের আযাব থেকে আশ্রয় চাই।


62
Allah: My belief / Avoid the profanity of the words
« on: April 24, 2018, 11:35:18 AM »

    মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ ও সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সুন্দর, ভাব ও ভাষা প্রয়োগ কার্যকর ভূমিকা রাখে। বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে, বাস্তবে এর যথাযথ প্রয়োগ; সমাজে পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও উচ্চ মর্যাদায় নিয়ে যায়। সুতরাং পরিচয় ও সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে শব্দ প্রয়োগে সতর্ক হওয়া জরুরি।

    অভিজ্ঞজনদের অভিমত হলো- কেবল শব্দ নয়, কথা বলার ভঙ্গিও সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সুন্দর ভাষাভঙ্গি এবং সহৃদয় কথাবার্তা যার সঙ্গে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করা হয় তাকে প্রশান্ত ও নির্ভরযোগ্য করে তুলে। এই অনুভূতি একজন শ্রোতার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং আকর্ষণীয়।

    পবিত্র কোরআন শব্দ, বাক্য ইত্যাদিকে পবিত্র এবং অপবিত্র-এই দুই ভাগে ভাগ করেছে। পবিত্র বা সদালাপকে তুলনা করা হয়েছে এমন একটি গাছের সঙ্গে, যে গাছের শেকড় বেশ গভীরে প্রোথিত এবং যে গাছের শাখা-প্রশাখা ব্যাপক বিস্তৃত ও ছায়াময়। সেই গাছের ফল থেকে সবাই উপকৃত হয়।

    আর অপবিত্র কথাকে বলা হয়েছে এমন এক বৃক্ষকে, যে বৃক্ষ মাটি থেকে মূলোৎপাটিত হয়ে গেছে এবং যে বৃক্ষের কোনো ফল নেই।

    পবিত্র আর অপবিত্র কথাকে কোরআনে যে বৃক্ষের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে সে প্রসঙ্গে কথা হচ্ছিল। পবিত্র কোরআনের সূরা ইবরাহিমের ২৪ থেকে ২৬ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, ‘তুমি কি দেখছো না, আল্লাহ কালেমা তাইয়্যেবার উপমা দিয়েছেন কোন জিনিসের সাহায্যে? এর উপমা হচ্ছে, এমন একটি ভালো জাতের গাছ, যার শেকড় মাটির গভীরে প্রোথিত এবং শাখা-প্রশাখা আকাশে পৌঁছে গেছে। প্রতি মুহূর্তে নিজের পালনকর্তার অনুমতিক্রমে সে ফল দেয়। এ রকম উপমা আল্লাহ মানুষের উদ্দেশ্যে এ জন্য দেন, যাতে তারা এর সাহায্যে শিক্ষা লাভ করতে পারে। অন্যদিকে অসৎ বাক্যের উপমা হচ্ছে এমন একটি মন্দ গাছ, যাকে ভূপৃষ্ঠ থেকে উপড়ে দূরে নিক্ষেপ করা হয়েছে, যার কোনো স্থায়িত্ব নেই।’

    মনোবিজ্ঞানীদের মতে, সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে নোংরা, অশালীন শব্দ বা বাক্য কিংবা অসংলগ্ন শব্দের ব্যবহার অসুস্থ ও রুচিহীন ব্যক্তিত্বের লক্ষণ। এ ধরনের শব্দের ব্যবহার ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়ে থাকতে পারে অথবা না জানার কিংবা শব্দভাণ্ডারের অসমৃদ্ধির কারণে করা হয়ে থাকতে পারে।

    পক্ষান্তরে সুন্দর এবং আকর্ষণীয় শব্দও বাক্যের প্রয়োগে কথা বলার মাধ্যমে বক্তার সুরুচিপূর্ণ ব্যক্তিত্বের পরিচয় বহন করে। এরকম সুন্দর ব্যক্তিত্বের অধিকারী ব্যক্তি সহজেই সমাজে তার মর্যাদা ও উচ্চ অবস্থান নিশ্চিত করে ফেলতে পারে। শব্দ ব্যবহার এবং ভাষাভঙ্গির সৌন্দর্যহীনতা বক্তাকে সাময়িকভাবে পরিচিত করে তুললেও তার সঙ্গে সম্পর্ক খুব একটা দৃঢ় বা স্থায়ী হয় না। অল্প সময়ের মধ্যেই তার প্রতি শ্রোতারা অসন্তুষ্ট ও বিরক্ত হয়ে যায় এবং ধীরে ধীরে এ ধরনের বক্তা সমাজে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

পবিত্র কোরআনে সুন্দর ও নম্র ভাষায় কথা বলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছ।

বস্তুত সম্পর্ক স্পর্শকাতর একটা বিষয়। কিন্তু একটি অশোভন বাক্যের ব্যবহার অপরিহার্য সংকট তৈরি করতে পারে। হতে পারে প্রচুর ক্ষতি, যা আর কিছুতেই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয় না। সম্পর্কে একবার ফাটল সৃষ্টি হলে তা আর কটিয়ে উঠা অসম্ভব হয় না। এসব কিছু বিবেচনা করে, কোরআন মানুষের কাছ থেকে প্রত্যাশা করে সুদূরপ্রসারী চিন্তা এবং সঠিক ভাষাভঙ্গি ও আচরণের মাধ্যমে সবচেয়ে সুন্দর শব্দ ও কথাগুলোই যেন উপস্থাপন করে।

Source:  মাহফুজ আবেদ, অতিথি লেখক, ইসলাম | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

63
মাইগ্রেন চিকিৎসায় নতুন ধরনের কার্যকরী ওষুধ আবিষ্কার করেছেন বলে দাবি করেছেন গবেষকরা। তাঁরা একে ভিন্ন মাত্রা হিসেবে বর্ণনা করছেন। মাইগ্রেন বা দীর্ঘকালীন মাথা ব্যথা প্রতিকারে এটিই প্রথম কার্যকরী ওষুধ বলে দাবি করছেন গবেষকরা।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে এক চিকিৎসা বিষয়ক সম্মেলনে নতুন এই ওষুধের তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।

গবেষকরা জানান, মাইগ্রেন চিকিৎসায় অন্য সব ওষুধ যখন ব্যর্থ হবে, তখন এই নতুন ওষুধ কাজ করবে। নতুন এই ওষুধটি হলো একধরনের ইনজেকশন। এরেনুম্যাব নামের এই ইনজেকশন মাসে একবার নেওয়া যাবে।

গবেষকরা বলেছেন, অচিরেই যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস মাইগ্রেন রোগীদের জন্য এই ওষুধ ব্যবহার করবে। এই ওষুধ গুরুতর মাইগ্রেন আক্রান্ত এক তৃতীয়াংশ মানুষকে সাহায্য করবে।

তাঁরা জানান, একজন মাইগ্রেন রোগী মাসে যতবার এই রোগে আক্রান্ত হন, নতুন ওষুধ ব্যবহারে আক্রান্তের সেই হার অর্ধেকে নেমে আসবে। এরেনুম্যাব ইনজেকশন মাইগ্র্রেনের অন্যান্য ওষুধ থেকে ভিন্নভাবে কাজ করবে। এটি উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রেও মাইগ্রেনের জন্য ব্যবহার করা যাবে।

তাঁরা বলছেন, এটি মাইগ্রেন প্রতিরোধক হিসেবেও কাজ করবে।


Source; সূত্র: দ্য ইনডিপেনডেন্ট

64
Public Health / Regularly eating fish
« on: April 24, 2018, 11:13:02 AM »


দৃষ্টিশক্তি বাড়ে : একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, মাছের শরীরে থাকা 'ওমেগা থ্রি' ফ্যাটি এসিড দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই যারা সারাদিন কম্পিউটার বা কোনো ধরনের ডিজিটাল স্ক্রিনের সামনে বসে কাজ করে, তাদের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় মাছ থাকা একরকম আবশ্যক।

বাড়ে স্মৃতিশক্তি : প্রতিদিন সামুদ্রিক মাছ খেলে শরীরে ডিএইচএ ফ্যাটি এসিডের মাত্রা বাড়ে। এটি স্মৃতিশক্তির উন্নতিতে দারুণ কাজ করে। এ কারণে যাদের পরিবারে অ্যালঝেইমার্স বা ডিমেনশিয়ার মতো রোগের ইতিহাস রয়েছে, তাদের বেশি করে সামুদ্রিক মাছ খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

মন চাঙ্গা রাখে : মাছের 'ওমেগা থ্রি' ফ্যাটি এসিড শরীরে প্রবেশ করার পর 'ফিল গুড' হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। ফলে মানসিক চাপ কমতে থাকে দ্রুত; সেই সঙ্গে মন চাঙ্গা হয়ে ওঠে। তাই মানসিক চাপ দূরে রাখতে চাইলে নিয়মিত মাছ খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।

ক্ষমতা বাড়ায় মস্তিষ্কের : গবেষণায় এ কথা প্রমাণিত যে মস্তিষ্কের ক্ষমতা বাড়াতে 'ওমেগা থ্রি' ফ্যাটি এসিড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কেবল তাই নয়, এই উপাদান মনোযোগ এবং বুদ্ধি বাড়াতেও বিশেষভাবে সাহায্য করে।

প্রস্টেট ক্যান্সার দূরে রাখে : 'লো ফ্যাট' ডায়েট অনুসরণ করার পাশাপাশি প্রতিদিন যদি সামুদ্রিক মাছ খাওয়া যায়, তাহলে প্রস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেকটাই কমে যায়। তাই এই মারণরোগ থেকে দূরে থাকতে নিত্যদিনের খাবার তালিকায় মাছের উপস্থিতি থাকতে হবে।

Source: কালের কণ্ঠ অনলাইন   ২৪ এপ্রিল, ২০১৮ ১০:৪৫

65
Allah: My belief / The key to success and failure of human beings
« on: April 21, 2018, 01:13:25 PM »

    মানুষের ছোট্ট দেহের ভেতরে কী কী রয়েছে, কোন কোন বৈশিষ্ট্য রয়েছে; সেগুলো সম্পর্কে অনেকেই অবগত নন। অথচ নিজেকে জানার মধ্য দিয়ে সেসব বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে অবহিত হবার সুযোগ রয়েছে।

    এভাবে নিজেকে দেখার মধ্য দিয়ে মানুষে নিজের সম্পর্কে যথাযথ মূল্যায়ন করতে সক্ষম হয়। নিজেকে চেনার, জানার ও দেখার মধ্যে রয়েছে মানুষ যে আদর্শের কথা চিন্তা করে; সে আদর্শ অনুযায়ী নিজেকে গড়ে তোলার যথার্থ উপাদান।

    মনোবিজ্ঞানীদের মতে, মানুষের আচার-ব্যবহার, অনুভূতি ও দৃষ্টিভঙ্গি ইত্যাদি নির্ভর করে ব্যক্তিগত বোধ- বিশ্বাসের ওপর। মানুষের সব ব্যর্থতা ও সাফল্যের নেপথ্যের চালিকাশক্তি এগুলো।

    বস্তুত নিজেকে চেনার উপায় অর্জনের ওপর নির্ভর করে অনেককিছু। তাই তো সামগ্রিকভাবে বলা যায়, নিজেকে চেনার পথগুলো অর্জনের মধ্যে রয়েছে গঠনমূলক ও সুন্দর আচরণ, দায়িত্বশীলতা এবং আত্মসম্মানের বীজ।

    দুনিয়াতে যুগে যুগে আল্লাহর প্রেরিত নবী-রাসূলগণ (আলাইহিস সালাম) সমকালীন যুগে মানুষকে আহ্বান জানিয়েছেন নিজেকে চেনার দিকে। নিজেকে চেনা, আল্লাহকে চেনার সূচনা এবং পৃথিবীর সব জ্ঞানের উর্ধ্বে বলে মনে করতেন তারা।

    তাইতো ইসলামি স্কলাররা বলেছেন, যে নিজেকে জানলো সে তার খোদাকে জানতে পারবে। আর নিজেকে চিনে আল্লাহকে চেনার মধ্যে রয়েছে মানুষে প্রভূত সাফল্য ও পরম শিক্ষা।

    এর ব্যাখ্যায় আলেমরা বলেছেন, এই নফস মানে আমিত্ব, ব্যক্তিত্ব ও আত্মা এমন এক মানুষ- যে সব মেধা, জ্ঞান-বিজ্ঞানের যাবতীয় কর্মকাণ্ড ও শিক্ষাকে আত্মীকৃত করে অর্থাৎ অর্জন করে। সুতরাং এই নফসকে যদি চেনা না যায় তাহলে না জ্ঞান-বিজ্ঞানের পরিচয় ও শিক্ষা আমরা উপলব্ধি করতে পারবো, না পারবো সেসব জ্ঞানের ভালো-মন্দ দিক কিংবা ক্ষতি ও উপকারের দিকগুলো মূল্যায়ন করতে।

    নিজেকে চেনার বিষয়টি কোরআন ও হাদিসে বলা হয়েছে। মানুষের নিজের ভেতরে যে বিশাল মেধা, প্রতিভা ও সামর্থ্য লুকায়িত রয়েছে; সেগুলোকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জাগিয়ে তোলাকে বোঝানো হয়েছে। পৃথিবী ও পরকালীন জীবনের জীবন বাস্তবতা সম্পর্কে জাগৃতি ও সচেতনতার ব্যাপারে পবিত্র কোরআনে বহু আয়াত আছে। কোরআনে কারিমে বুদ্ধিমত্তাকে চেনার সঙ্গে যোগসূত্র রয়েছে বলে উল্লেখ করে মানুষের বোধ এবং যুক্তিকে বুদ্ধির উপকরণ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। কোরআন মানুষকে আহ্বান জানিয়েছে নিজেকে নিয়েএবং এই বিশ্ব চরাচর নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করার মধ্য দিয়ে সৌভাগ্য ও সাফল্যের পথ খুঁজে নিতে।

কোরআন একইভাবে গভীর চিন্তা-ভাবনাকে ইবাদত বলে উল্লেখ করেছে। চিন্তার জন্য চিন্তাশীলদের আহ্বান জানিয়েছে কোরআন বলেছে, বুদ্ধিমত্তা ও যুক্তির সাহায্যে চিন্তা-ভাবনা ব্যতীত কোনো নীতি সঠিক নয়।

এ থেকে অনুমিত হয় যে, মানুষের চিন্তা-চেতনাগত ভ্রান্তি ও অবক্ষয়ের পেছনে রয়েছে নিজেকে না চেনা এবং এই বিশ্ব প্রকৃতি সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান না থাকা। এই দুয়ের জ্ঞানহীনতাই মূলত সব ধরনের ভুলভ্রান্তি ও গোমরাহির মূল উৎস। ভুল স্বীকার করে সেগুলো থেকে শিক্ষা গ্রহণ করার ফলে সমালোচনা গ্রহণ করার মন-মানসিকতা বৃদ্ধি পায়। সেইসঙ্গে নিজের ব্যক্তিসত্ত্বা ও ব্যক্তিত্ব আরও বেশি শক্তিশালী হয়।

সমালোচনা গ্রহণ করার মধ্য দিয়ে ব্যক্তিত্ব ও আত্মমর্যাদা বাড়ে। সুতরাং মানুষ যদি চায় সুস্থ জীবনযাপনের পথে পা বাড়িয়ে সৌভাগ্য, কল্যাণ ও সাফল্যের পথে অগ্রসর হতে তাহলে তাদের উচিত আত্মসচেতন হওয়া অর্থাৎ নিজেকে চেনা।

কোরআনের দৃষ্টিতে আত্মসচেতনতা সরাসরি মানুষের বোধ, জ্ঞান, প্রজ্ঞা, বুদ্ধি, বিবেক এবং মেধার সঙ্গে সম্পৃক্ত। নিজের সম্পর্কে মানুষ যত বেশি জানবে, মানুষের চিন্তার গভীরতা তত বাড়বে। আর এটাই জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা ও সাফল্য।

এ বিষয়ে আল্লাহতায়ালা কোরআনের সূরা মায়েদার ১০৫ নম্বর আয়াতে বলেছেন, ‘হে ঈমানদারগণ! নিজেদের কথা চিন্তা করো! যদি তোমরা সত্য সঠিক পথ বা হেদায়েতের পথে থেকে থাকো। যারা গোমরাহিতে নিমজ্জিত রয়েছে তারা তোমাদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।’

Source:  মাহফুজ আবেদ, অতিথি লেখক, ইসলাম | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

66
Islam & Science / Firawn and his magicians
« on: April 21, 2018, 11:26:56 AM »
পৃথিবীর জঘন্য পাপীদের সেরা হলো ফিরাউন। হজরত জিবরাইল (আ.) মহানবী (সা.)-কে বলেন, ‘ইবলিসের অনুসারীদের মধ্যে আমার কাছে সবচেয়ে ঘৃণিত হলো ফিরাউন। ফলে তার ডুবে মরার সময় যখন সে ঈমান আনতে শুরু করে, তখন আমি তার মুখে মাটি নিক্ষেপ করেছি, যাতে পূর্ণ কালেমা বলতে না পারে এবং আল্লাহর করুণা তার প্রতি না হয়।’ (তিরমিজি, হাদিস : ৩১০৮)

ফিরাউন ছিল আমালিকা বংশের। তার নাম ওয়ালিদ ইবনে মুসআব ইবনে রাইয়ান। কারো কারো মতে, তার নাম মুসআব ইবনে রাইয়ান। কেউ কেউ বলেন, তার নাম রাইয়ান; ইবনে কাসিরের মতে, তার উপাধি আবু মুররা, কারো মতে তার নাম রামাসিস, কারো মতে তার নাম মুনফাতাহ্। ফিরাউন তৎকালীন মিসরীয় রাজাদের উপাধি। তার ছিল সুদক্ষ একদল জাদুকর। ফিরাউনের জাদুকর তিন ভাগে বিভক্ত ছিল। প্রথম ভাগে ছিল ১২ জন। এদের বলা হতো নকিব বা নেতা। এই ১২ জনের প্রত্যেকের অধীনে ছিল ২০ জন করে ২৪০ জন। এদের বলা হতো আরিফ বা দক্ষ। এদের প্রত্যেকের অধীনে ছিল ১০০ জন করে ২৪ হাজার। এদের প্রধান ছিল শামউন।

ইবনে জুবাইর বলেন, জাদুকরদের সংখ্যা ছিল ৯০০। তারা তিন দলে বিভক্ত ছিল। তারা হলো—১. আরিশ, ২. আল ফাইউম, ৩. আল ইসকান্দারিয়া। প্রত্যেক দলে ছিল ৩০০ করে জাদুকর। ইবনে ইসহাক বলেন, জাদুকরদের সংখ্যা ছিল ১৫ হাজার। কারো মতে তাদের সংখ্যা ছিল ১২ হাজার। ইবনুল মুনকাদির বলেন, তাদের সংখ্যা ছিল ৮০ হাজার। সে সময় মিসরের জাদু ছিল বিশ্ববিখ্যাত। তারা সাধ্যানুযায়ী প্রস্তুতি নিয়ে মুসা (আ.)-এর মোকাবেলায় মাঠে উপস্থিত। তাদের জাদুর উপকরণ ছিল রশি ও লাঠি। জাদুকররা যা সব সাপে রূপান্তরিত করে। (কুরতুকি,  অষ্টম খণ্ড, পৃষ্ঠা ২৭৫)

হজরত মুসা (আ.) আল্লাহর নির্দেশে জাদুকরদের মোকাবেলায় প্রস্তুত হন। মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘তারা বলল, হে মুসা! তুমি প্রথমে নিক্ষেপ করবে, না আমরাই প্রথম নিক্ষেপ করব। মুসা বলল, বরং তোমরাই নিক্ষেপ করো। অতঃপর তাদের জাদুলীলার প্রভাবে তাদের রজ্জু ও লাঠিগুলো বিচরণ করছে বলে অনুমিত হলো।’ (সুরা : ত্বা-হা, আয়াত : ৬৫-৬৬)।

মহান আল্লাহ আরো ইরশাদ করেন, ‘আমি মুসার প্রতি ওহি পাঠালাম, তুমিও তোমার লাঠি নিক্ষেপ করো। সহসা তা তাদের অলীক সৃষ্টিগুলো গ্রাস করতে লাগল। ফলে সত্য প্রতিষ্ঠিত হলো এবং তারা যা করেছিল, তা মিথ্যা প্রতিপন্ন হলো। অতঃপর সেখানে তারা পরাভূত হলো ও লাঞ্ছিত হলো। এবং জাদুকররা সিজদাবনত হলো। তারা বলল, আমরা ঈমান আনলাম বিশ্বপ্রতিপালকের  প্রতি, যিনি মুসা ও হারুনের রব।’ (সুরা : আরাফ, আয়াত : ১১৭-১২২)

ফিরাউন যখন দেখল যে জাদুকররা সবাই মুসলমান হয়ে গেছে, তখন সে ক্রোধে অন্ধ হয়ে বলল, ‘আমি তোমাদের আদেশ করার আগেই তোমরা তার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করলে, অবশ্যই সে তোমাদের প্রধানতম, যে তোমাদের জাদু শিক্ষা দিয়েছে। অতএব, নিশ্চয়ই তোমাদের খর্জুরকাণ্ডে শূলবিদ্ধ করব, আর তখন তোমরা অবগত হবে যে আমাদের মধ্যে কার শাস্তি কঠোরতম ও দীর্ঘস্থায়ী। (সুরা : ত্বা-হা, আয়াত : ৭১)

জাদুকররা জবাবে বলল, ‘তুমি যা করতে চাও, করো। তুমি তো শুধু এ পার্থিবজীবনের ওপর কর্তৃত্ব করতে পারো। আমরা আমাদের রবের প্রতি ঈমান এনেছি, যাতে তিনি আমাদের অপরাধ ক্ষমা করে দেন...।’ (সুরা : ত্বা-হা, আয়াত : ৭২-৭৩)

ইবনে ওহাব বলেন, মুসা (আ.)-এর লাঠির সাপের ভয়ে ২৫ হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ করেছিল এবং ফিরাউন মুসা (আ.)-এর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেছিল। (কুরতুবি, অষ্টম খণ্ড, পৃষ্ঠা : ২৭৫)


Source: মাওলানা সাখাওয়াত উল্লাহ  লেখক : শিক্ষক, মাদরাসাতুল মদিনা, নবাবপুর, ঢাকা।

67

পেঁয়াজ ছাড়া কি রান্না চলে? প্রতিদিনের রান্নায় পেঁয়াজ না থাকলে যেন স্বাদই পাওয়া যায় না। শুধু কি তাই? সালাদের সাথে, সিঙ্গারার সাথে কিংবা ভাতের সাথে কাঁচা পেয়াজও খেয়ে থাকেন অনেকে। পেয়াজ আমরা প্রতিদিন কোন না কোন ভাবে খেয়ে থাকি। রান্নার ক্ষেত্রে মসলা হিসেবে পেয়াজের রয়েছে বিশেষ উপযোগিতা। রান্না করার সময় প্রায় সকল দেশের মানুষেরাই পেয়াজ ব্যবহার করে থাকে। মুখ রোচক রসনা পণ্য ছাড়াও পেয়াজের রয়েছে বিভিন্ন ঔষধি গুন।

১. সংক্রমণ ভালো করে
এর মধ্যে কার্মিনেটিভ, অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল, অ্যান্টিসেপ্টিক এবং অ্যান্টিবায়োটিক জাতীয় পদার্থ মজুত রয়েছে। তাই শরীরে কোথাও সংক্রমণ ঘটে থাকলে কাঁচা পেঁয়াজ একটু বেশি খান, চটজলদি উপকার পাবেন।

২. পুষ্টিগুণে ভরপুর
প্রচুর পরিমাণে বিভিন্ন ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, সালফার, ভিটামিন B এবং C থাকে।

৩. জ্বর-সর্দিতে অসাধারণ কাজ করে
ঠাণ্ডা লাগার ফলে গলা ব্যথা, সর্দি-কাশি, জ্বর, অ্যালার্জি বা সামান্য গা ব্যথায় দারুণ কাজ করে। সামান্য পেঁয়াজের রসের সঙ্গে একটু মধু মিশিয়ে খান। জলদি সেরে উঠবেন।

৪. দেহের তাপমাত্রা কমায়
জ্বরে দেহের তাপমাত্রা বেশি থাকলে পাতলা করে কাটা পেঁয়াজ কপালে রাখলে কিছু ক্ষণের মধ্যে তাপমাত্রা কমিয়ে দেবে।

৫. নাক থেকে রক্ত পড়া বন্ধ
গ্রীষ্মে বা শীতে অনেকের নাক থেকে রক্তপাত হয়। যদি এ সময়ে কাছাকাছি পেঁয়াজ থাকে তাড়াতাড়ি কেটে তার ঘ্রাণ নিতে থাকুন। রক্তপাত কমে যাবে বা একেবারে বন্ধ হয়ে যাবে।

৬. হজমশক্তি বাড়ায়
যাদের হজমে সমস্যা রয়েছে তাঁরা রোজ একটু কাঁচা পেঁয়াজ খান। পেঁয়াজ খাবার হজমের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন এনজাইম বাড়াতে সাহায্য করে। যার ফলে দ্রুত খাবার হজম হয়।

৭. ত্বকের সমস্যা মেটায়
পোকামাকড়ের কামড় হোক, বা রোদে পোড়া ট্যান, কিংবা ব্রণ-ফুসকুড়ি, এ সবের সমস্যা থাকলে সে সমস্ত জায়গায় একটু পেঁয়াজের রস লাগান। একটু কুটকুট করতে পারে, তবে দ্রুত কাজ করবে।

৮. ক্যান্সারের সঙ্গে লড়ে
কোলন ক্যান্সারের মতো রোগের সঙ্গে লড়তে সাহায্য করে।

৯. হৃদয় এবং হাড় ভালো রাখে
হাড়ের কঠিন ব্যারাম অ্যাথেরসক্লেরোসিস এবং অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগের সঙ্গে লড়ে। তার সঙ্গে দেহে খারাপ কোলেস্টেরল কমায়। যার ফলে আপনার হার্ট সুস্থ থাকে।

১০. ডায়াবেটিকদের জন্য খুব ভালো
দেহে ইনসুলিনের মাত্রা বাড়াতে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রাখতে পেঁয়াজ অত্যন্ত ভালো। যারা ডায়াবেটিক তারা চিকিত্সকের পরামর্শ নিয়ে রোজ পেঁয়াজ খান।

68
Cancer / Cancer test by urine
« on: April 20, 2018, 06:25:49 PM »
ক্যান্সার শনাক্তে সাধারণত রক্ত কিংবা আক্রান্ত কোষ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হয়। এ অবস্থায় জাপানের এক দল গবেষক দাবি করেছেন, তাঁরা বিশ্বে প্রথমবারের মতো প্রস্রাব পরীক্ষা করে ক্যান্সার নির্ণয়ের পন্থা উদ্ভাবন করেছেন।

গবেষকদের দাবি, কেউ ক্যান্সারে আক্রান্ত কি না, তা মূত্রের নমুনা পরীক্ষা করেই বলে দেওয়া যাবে। আর এ জন্য একটি কিট উদ্ভাবন করেছেন তাঁরা।

জাপানি প্রতিষ্ঠান হিতাচির ওই গবেষকরা জানান, প্রায় দুই বছর আগেই অবশ্য তাঁরা এ যন্ত্র বানিয়েছেন। তাঁদের দাবি, এ ধরনের কিট বিশ্বে এই প্রথম। আর বিশেষ তাপমাত্রায় এটি ব্রেস্ট ও কোলন ক্যান্সার নির্ভুলভাবে নির্ণয় করতে সক্ষম।

তবে সাধারণ তাপমাত্রায় এ কিট আদৌ প্রস্রাব বিশ্লেষণ করতে সক্ষম কি না, এখন তা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।

হিতাচি জানিয়েছে, সাধারণ তাপমাত্রায় ২৫০ জনের মূত্রের নমুনা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ফলাফল বিশ্লেষণ করেই তারা এ ব্যাপারে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।

এই কিট বাজারে এলে ক্যান্সার নির্ণয় অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে বলে আশাবাদী হিতাচি। প্রতিষ্ঠানটির মুখপাত্র চিহারু ওদাইরা বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘ব্যবহারিকভাবে সফলতা মিললে মানুষজন খুব সহজেই ক্যান্সার নির্ণয় করতে পারবে। এ জন্য তাদের আর হাসপাতালে দৌঁড়াতে হবে না।’ সূত্র : এই সময়।

Source: কালের কণ্ঠ ডেস্ক   ২০ এপ্রিল, ২০১৮

69
মাটি ও মানুষের থুথুর মাঝে আরোগ্য রয়েছে। হজরত মোল্লা আলি কারি রাহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন, ‘আমি চিকিৎসা শাস্ত্রের কিছু আলোচনায় দেখেছি পরিশুদ্ধ ও মেজাজ পরিবর্তন করার ক্ষেত্রে থুথুর বিশেষ প্রভাব রয়েছে। আর মূল স্বভাব সংরক্ষণ করার ক্ষেত্রে মাটির বিশেষ উপকারিতা রয়েছে। এমনিভাবে অসুস্থতার পাশ্বপ্রতিক্রিয়া প্রতিরোধের ক্ষেত্রেও এর প্রভাব রয়েছে। (মিরকাত) এ প্রসঙ্গে বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একটি হাদিস তুলে ধরা হলো-
হজরত আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, কোনো ব্যথিত তার শরীরের কোনো অঙ্গে ব্যথা অনুভব করতো অথবা শরীরের কোনো স্থানে ফোড়া দেখা দিতো বা জখম হতো তখন প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (ঐ স্থানে) আঙ্গুল বুলাতে বুলাতে বলতেন-
উচ্চারণ : বিসমিল্লাহি তুরবাতু আরদিনা বি-রিকাতি বা’দিনা লিইউশফা সাক্বিমুনা বিইনি রাব্বিনা।
অর্থ : আল্লাহর নামে আমাদের জমিনের মাটি এবং আমাদের কারো থুথু মিশিয়ে; যাতে আমাদের রবের আদেশে আমাদের অসুস্থ ব্যক্তি সুস্থ হয়ে যায়।’ (বুখারি ও মুসলিম)
উল্লেখিত হাদিস থেকে বুঝা যায় যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মাটির সঙ্গে নিজের থুথু মিশাতেন। তিনি হাতের তর্জনীতে থুথু নিয়ে তা মাটির সঙ্গে মিশাতেন। অতঃপর ব্যথার জায়গায় মাটি মাখা আঙ্গুল বুলাতেন এবং এ শব্দগুলো উচ্চারণ করতেন।
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে বিশ্বনবির এ হাদিসের ওপর আমল করে ঘোষিত উপকারিতা লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন

70
যে ৭টি অ্যাপ আপনার জীবনযাত্রাকে করবে আরো সহজ
প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে রাতে ঘুমানোর আগপর্যন্ত আর কিছু আমাদের সাথে থাক বা না থাক, আমাদের প্রিয় স্মার্টফোনটি কিন্তু আমাদের সাথেই থাকে। ক্যাম্পাসে, অফিসে, রাস্তাঘাটে, রেস্টুরেন্টে কিংবা দিন শেষে ঘুমানোর আগে নানা রকম কাজের ফাঁকে স্মার্টফোনটি সঙ্গ দেয় আমাদের। তাই আমরা চাইলেই এই স্মার্টফোনটির সাহায্যে আমাদের প্রতিদিনের অনেক কাজ করতে পারি খুব সহজে, বাঁচাতে পারি কিছুটা সময়। আমাদের দৈনন্দিন জীবনকে করতে পারি আরেকটু সহজ।
আর আপনার দৈনন্দিন জীবনকে সহজ করতেই স্মার্টফোনগুলোর জন্য রয়েছে এমন কিছু অ্যাপ, যার খবর হয়তো অনেকেই জানেন না। আপনার জীবনযাত্রাকে সহজ করে তুলবে এমন ৭টি অ্যাপ সাথে আজ আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেয়া হবে।
১. গুগল অ্যাসিস্টেন্ট
গুগল অ্যাসিস্ট্যান্টকে হয়তো আমরা অনেকেই চিনি। কিন্তু এর সঠিক ব্যবহার আমরা অনেকেই জানি না। আইফোনের ‘সিরি’ কিংবা উইন্ডোজ ফোনের ‘কর্টানা’ এর মতো অ্যান্ড্রয়েডের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) অ্যাসিস্ট্যান্ট হলো গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট। এটি আপনার ফোনে ইনস্টল করা থাকলে শুধু “Ok Google” করেই আপনি অনেক প্রয়োজনীয় কাজ সেরে ফেলতে পারবেন। গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট আপনার ভয়েস রিকগনাইজ করে আপনার বিভিন্ন আদেশ খুব সহজেই পালন করবে।
আজকের আবহাওয়া, গতকালের ক্রিকেট ম্যাচের রেজাল্ট কিংবা নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র সব কিছুই আপনি জেনে নিতে পারেন আপনার গুগল অ্যাসিস্ট্যান্টের কাছ থেকে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার এলার্ম কিংবা কোনো বন্ধুর জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানো সবকিছুই করে দেবে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট।
অফিসের কাজ করতে করতে বিরক্ত হচ্ছেন? গুগল অ্যাসিস্ট্যান্টকে আদেশ করুন, “Play my favorite songs.” আপনার পছন্দের গানগুলো গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট আপনাকে শুনিয়ে দেবে। কোনো কারণে মন খারাপ? গুগল অ্যাসিস্ট্যান্টকে বলুন “Tell me a joke.” গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট কৌতুক শুনিয়ে আপনার মন ভালো করে দেবে।
২. সাজাম
মনে করুন, প্রিয়জন কিংবা বন্ধুদের সাথে আপনি কোনো রেস্টুরেন্টে গিয়েছেন। আপনারা গল্প করছেন। ব্যাকগ্রাউন্ডে একটি সুন্দর গান বাজছে। আপনার খুব ইচ্ছা করছে গানটি ফোনে ডাউনলোড করে নিতে। কিন্তু আপনি গানটির নাম জানেন না। ঠিক এমন পরিস্থিতিতে খুব সহজেই আপনার প্রিয় গানটির নাম জেনে নিতে পারেন সাজামের মাধ্যমে। কোথাও কোনো গান বাজছে? ওপেন করুন সাজাম। সাজাম গানটি শুনেই আপনাকে জানিয়ে দিবে গানের নাম। এমনকি গানটি ডাউনলোড ও গানটির মিউজিক ভিডিওটিও দেখার সুবিধা রয়েছে এই অ্যাপে। চাইলে গানের লিরিকটিও দেখে নিতে পারবেন আপনি।
ইংরেজি, বাংলা, হিন্দি, চাইনিজ সহ প্রায় সব ভাষার গানই আপনি খুঁজে পেতে পারেন এই অ্যাপটির সাহায্যে। ২০০টি দেশের প্রায় ২২৫ মিলিয়ন স্মার্টফোন ব্যবহারকারী প্রতিনিয়ত সাজাম ব্যবহার করে থাকেন। তাই আপনি যদি একজন সংগীতপ্রেমী হয়ে থাকেন, তবে এখনই ডাউনলোড করে নিন এই অ্যাপটি।
অ্যাপটির প্লেস্টোর লিংক – Link
৩. টোয়াইলাইট
আপনার কি রাতে ঘুমাতে অসুবিধা হয়? আপনি কি রাত জেগে স্মার্টফোন ব্যবহার করেন? যদি আপনার উত্তর হ্যাঁ হয়, তবে এই অ্যাপটি আপনার জন্য। অনেকেই আমরা রাতের বেলা লাইট অফ করে শুয়ে শুয়ে স্মার্টফোন ব্যবহার করতে ভালবাসি। কিন্তু আপনি কি জানেন অন্ধকার রুমে স্মার্টফোনের দিকে ঘন্টার পর ঘন্টা তাকিয়ে থাকা আপনার চোখের জন্য কতটা ক্ষতিকর? স্মার্টফোনের স্ক্রিন থেকে নির্গত হওয়া ব্লু লাইট আমাদের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়।
গবেষণায় দেখা গেছে, এই স্মার্টফোন থেকে বের হওয়া ব্লু লাইট ব্রেনের মেলাটোনিনের প্রোডাকশন কমিয়ে দেয়। মেলাটোনিন আমাদেরকে দ্রুত ঘুমিয়ে পড়তে সাহায্য করে। এছাড়াও দীর্ঘক্ষণ ফোনের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে ড্রাই আই সহ নানা রকম চোখের সমস্যা হতে পারে। তাই ফোনের স্ক্রীনের ক্ষতিকর ব্লু লাইট থেকে আপনার চোখকে রক্ষা করতে ব্যবহার করুন এই অ্যাপটি। এই অ্যাপটি ফোনের উজ্জ্বল আলো কমিয়ে একটি ব্লু লাইট ফিল্টার স্ক্রিনে চালু করে দেয়। ফলে ক্ষতিকর ব্লু লাইট ফোনের স্ক্রিন থেকে নির্গত হয় না। আপনার চোখ থাকে সুরক্ষিত।
অ্যাপটির প্লেস্টোর লিংক – Link
৪. ফরেস্ট স্টে ফোকাস্ড
আমাদের মধ্যে অনেকেরই স্মার্টফোন ব্যবহার করা একধরনের নেশায় পরিণত হয়েছে। একটু পরপর ফেসবুক ওয়াল চেক করা, কেউ মেসেজ দিল কিনা চেক করা কিংবা বিভিন্ন অনলাইন গেম খেলা ইত্যাদির ফলে কোনো কাজে মনোযোগ দিতে প্রায়ই অসুবিধা হয় আমাদের। সামনে পরীক্ষা আছে, অনেক পড়া বাকি, পড়তে হবে। কিন্তু একটু পরপরই আপনি ফেসবুক চেক করছেন। আপনার মন চাইছে একটু গেম খেলি। চাইলেও মন দিয়ে পড়তে পারছেন না। ছোট্ট, সুন্দর একটি অ্যাপের সাহায্যে চাইলেই আপনি এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। অ্যাপটির নাম ফরেস্ট স্টে ফোএটি একটি সেল্ফ মোটিভেশন অ্যাপ। আসুন দেখি অ্যাপটি কীভাবে কাজ করে। মনে করুন, আপনি আগামী ২ ঘন্টার মধ্যে আর আপনার ফোনটিতে হাত দিতে চান না। আপনি এখন অ্যাপটি ওপেন করে একটি বনের মধ্যে একটি গাছের বীজ বপন করবেন এবং সময় সেট করবেন ২ ঘন্টা। এই দুই ঘন্টায় বীজটি থেকে একটি গাছ হবে। আপনি যদি এই দুই ঘন্টার মধ্যে ফোনটি হাতে নিয়ে অ্যাপটি থেকে বের হয়ে ফেসবুকিং কিংবা অন্য কিছু করেন, তবে আপনার গাছটি মরে যাবে। কিন্তু আপনি যদি দু’ঘন্টা ফোনে হাত না দেন, তাহলে বীজটি একটি সুন্দর গাছে পরিণত হবে। এভাবে কাজের সময় ফোন ব্যবহার না করে গাছ লাগিয়ে আপনি একটি সম্পূর্ণ বন তৈরি করতে পারবেন। ব্যাপারটা অনেকটা গেমের মতো। একটি গেমে যেমন কিছু কাজের মাধ্যমে নির্দিষ্ট অ্যাচিভমেন্টের ফলে আমরা আনন্দ পাই, ঠিক তেমনি প্রতিটি গাছ বড় হলে আপনি আনন্দ পাবেন। আর তার সাথে আপনি প্রয়োজনীয় সময়ে ফোন ব্যবহার থেকে বিরত থাকার অভ্যাস করতে পারবেন।
অ্যাপটির প্লেস্টোর লিংক – Link
৫. মাই ফিটনেস পাল
যারা শরীরের ওজন কমাতে বা বাড়াতে কিংবা শরীর ফিট রাখতে চান, তাদের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি অ্যাপ এটি।
কাস্ড।
এই অ্যাপটির সাহায্যে আপনি প্রতিটি খাবারের ক্যালরি দেখতে পারবেন এবং প্রতিবেলার খাবারের মোট ক্যালরির পরিমাণ হিসাব করতে পারবেন। এছাড়াও কোন এক্সারসাইজে কত ক্যালরি বার্ন হচ্ছে সেটাও আপনি হিসাব করতে পারবেন এই অ্যাপ দিয়ে। ফলে যারা সারাদিনে নির্দিষ্ট পরিমাণ ক্যালরির খাবার খেতে চান, তারা এই অ্যাপের মাধ্যমে নির্দিষ্ট গোল সেট করে সারাদিনের খাবারের মাধ্যমে আপনি কত ক্যালরি গ্রহণ করছেন তার হিসাব রাখতে পারবেন। ফলে সহজ হবে আপনার ওয়েট গেইন কিংবা ওয়েট লুজের প্রক্রিয়া।
অ্যাপটির প্লেস্টোর লিংক – Link
৬. অ্যাটমস্ফিয়ার
মনে করুন, সারাদিনের কাজ শেষে ক্লান্ত শরীরে আপনি বাসায় এসে একটু শান্তিতে বিশ্রাম নিবেন। কিন্তু পাশের রুমেই কেউ লাউড ভলিউমে টিভি দেখছে। কিংবা পাশের বাসায় ফুল ভলিউমে গান বাজছে। এমন পরিস্থিতিতে আপনার মন চাচ্ছে যদি বাসা ছেড়ে দূরে কোনো সমুদ্রের ধারে একা একা গিয়ে শুয়ে থাকতে পারতাম! কিংবা চুপচাপ জানলার ধারে বসে বৃষ্টির শব্দ শুনতে পারতাম। আপনার এই চাহিদা পূরণ করতে আছে অ্যাটমস্ফিয়ার অ্যাপটি।
শুধু অ্যাপটি ওপেন করে আপনার পছন্দের জায়গা সিলেক্ট করুন। আর চোখ দুটো বুজে কানে ইয়ারফোন লাগিয়ে বসে পড়ুন। আপনি চলে যাবেন আপনার পছন্দের রাজ্যে। এই অ্যাপটিতে রয়েছে সমুদ্র সৈকত, বন, ব্যস্ত শহর, পাখি ডাকা গ্রামের পরিবেশ সহ মোট আটটি পরিবেশ এবং ৮০টি সাউন্ড। এছাড়াও রয়েছে বাইনরাল বিটস যা আপনার ব্রেন ওয়েভ কন্ট্রোল করে আপনাকে দ্রুত রিল্যাক্স হতে কিংবা ঘুমিয়ে পড়তে সাহায্য করবে। তাই চোখ বুজে ঝুম বৃষ্টি, নিঝুম বন কিংবা একাকী সমুদ্র সৈকতে হারিয়ে যেতে এখনই ডাউনলোড করে নিন অ্যাপটি।
অ্যাপটির প্লেস্টোর লিংক – Link
৭. ড্রাগ ইনডেক্স ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
সবশেষে, আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেবো অতি প্রয়োজনীয় একটি অ্যাপের সাথে। অ্যাপটির নাম DIMS (Drug Index Management System)। অ্যাপটি তৈরি করেছে ITmedicus নামের একটি বাংলাদেশী ডেভেলপার টিম।




71

মানুষকে অদৃশ্য করার প্রযুক্তি আবিস্কার করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের একটি গবেষক দল। সম্প্রতি ইনফ্রারেড নাইট ভিশন টুল থেকে মানুষকে অদৃশ্য করতে নতুন উপাদান তৈরি করেছে ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার আরভাইনের একদল গবেষক। স্কুইডের অদৃশ্য হওয়ার ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করেই নতুন উপাদানটি প্রস্তুত করেছেন তারা।

মানুষকে অদৃশ্য ফেলার প্রযুক্তি এতদিন শুধু সায়েন্স ফিকশনেই দেখা গেছে। কিন্তু এবার তা বাস্তবে আনার জন্য গবেষণা চলছে। এ আবিষ্কার বাস্তবে মানুষের নাগালে এলে আগামী দিনে সেনাবাহিনী এবং বিভিন্ন পরিকাঠামো রক্ষা করতে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করা যেতে পারে বলে মনে করছেন গবেষকরা।

গবেষকদের মধ্যে অন্যতম অ্যালন গোরোডেস্কি জানিয়েছেন, মূলত আমরা একটি নরম উপাদান তৈরি করেছি, যা স্কুইডের চামড়া যেভাবে আলোর প্রতিফলন করে একইভাবে তাপ প্রতিফলিত করতে পারে। এটি অমসৃণ এবং অনুজ্জ্বল অবস্থা থেকে মসৃণ এবং চকচকে রূপ ধারণ করতে পারে, যেভাবে এটি তাপের প্রতিফলন ঘটায়।

নতুন এ উপাদানের সম্ভাব্য ব্যবহার নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, সেনাসদস্যদের আরও ভালো ছদ্মবেশ এবং মহাকাশযান, স্টোরেজ কনটেইনারসহ একাধিক কাজে এটি
ব্যবহার করা যেতে পারে।
Source: কালের কণ্ঠ ডেস্ক   0৭ এপ্রিল, ২০১৮

72
Public Health / Death toll is late in sleep
« on: April 17, 2018, 09:59:55 AM »
যারা রাতে দেরি করে ঘুমাতে যায় এবং পরদিন দেরিতে ওঠে, তাদের অকালে মৃত্যুর ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। যুক্তরাজ্যের চার লাখ ৩৩ হাজার মানুষের ওপর জরিপ চালিয়ে দেখা যায়, সকালে তাড়াতাড়ি ওঠা ব্যক্তিদের চেয়ে রাতজাগা মানুষের অকাল মৃত্যুর আশঙ্কা ১০ শতাংশ বেশি।

গবেষণায় আরো দেখা যায়, দেরিতে ঘুম থেকে ওঠায় বিভিন্ন মানসিক ও শারীরিক জটিলতাও সৃষ্টি হয়। নিয়মিত সকালে ওঠে, মাঝেমধ্যে সকালে ওঠে, মাঝেমধ্যে দেরিতে ঘুমায় এবং নিয়মিত রাত জাগে—এই চার ধরনের মানুষের ওপর গবেষণাটি করা হয়। তাদের বয়স ৩৮ থেকে ৭৩ বছরের মধ্যে। গবেষণাপত্রটি সম্প্রতি ‘ক্রোনবায়োলজি’ সাময়িকীতে ছাপা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, যারা নিয়মিত সকালে ঘুম থেকে ওঠে, তাদের গড় আয়ু রাতজাগা ব্যক্তিদের চেয়ে ছয় বছর বেশি। তবে এর সঙ্গে ব্যক্তির বয়স, লিঙ্গ, গোত্র, ওজন, আর্থ-সামাজিক অবস্থা, খাদ্যাভ্যাস ইত্যাদি বিষয় জড়িত।

রাতজাগার বদভ্যাস যাদের, তাদের ৯০ শতাংশ বিভিন্ন মানসিক ব্যাধির শিকার। ৩০ শতাংশের থাকে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি। এ ছাড়া স্নায়বিক সমস্যা থেকে শুরু করে অন্ত্রের রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও অনেকাংশে বেড়ে যায়।

তবে রাত জাগলে শরীর-মন পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে, এমনটাও ভাবার কোনো কারণ নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন গবেষকরা। তাঁরা জানান, শরীরের ৪০ থেকে ৭০ শতাংশ জৈব প্রক্রিয়া বা দেহঘড়ির পরিচালনা নির্ভর করে জিনের বৈশিষ্ট্যের ওপর। বাকিটা নির্ভর করে বয়স ও পারিপার্শ্বিক পরিবেশের ওপর।

Source:  সূত্র : বিবিসি।

73
Animals and Pets / Threats to the popular of animals
« on: April 17, 2018, 09:57:23 AM »
নানা কারণে বিশ্বের অনেক প্রাণী বিলুপ্ত হয়ে গেছে। অনেক প্রাণী আবার বিলুপ্তির পথে। সম্প্রতি এক গবেষণার ভিত্তিতে বিজ্ঞানীরা বলছেন, একটি প্রাণী নিজের অস্তিত্ব নিয়ে যে যে কারণে হুমকির মুখে থাকে, তার মধ্যে জনপ্রিয়তাও একটি। আর এই হুমকির মাত্রা প্রচলিত ধারণার চেয়ে অনেক বেশি।

গবেষণাটি যৌথভাবে করেছেন বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা। তাঁদের গবেষণা প্রতিবেদনটি ছাপা হয়েছে ‘পিএলওএস’ সাময়িকীতে। গবেষণার অংশ হিসেবে তাঁরা অনলাইনে চারটি ভাষায় একটি জরিপ চালান।

জরিপের ফল বিশ্লেষণ করে প্রাণিবিজ্ঞানীরা দেখতে পান, বেশির ভাগ মানুষ জানেই না যে তাদের পছন্দের প্রাণীটি হুমকিতে রয়েছে। এমনকি তাঁরা মনে করেন, সংখ্যার দিক থেকে এসব প্রাণীর কোনো অভাব নেই। এমন মনোভাবের কারণ খুঁজতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা দেখেন, নানা ধরনের বিজ্ঞাপন, ব্র্যান্ডিং, সিনেমা কিংবা প্রদর্শনীতে জনপ্রিয় প্রাণীর ব্যবহার বেড়ে গেছে। এ ছাড়া ইন্টারনেট দুনিয়াতেও হরহামেশা এসব প্রাণী মানুষের চোখে পড়ে। এসব কারণে অনেকে মনে করেন, জনপ্রিয় প্রাণী পর্যাপ্ত আছে। পরোক্ষভাবে বলা যায়, এসব প্রাণীর সংরক্ষণের ব্যাপারে মানুষের মধ্যে তেমন সচেতনতা কাজ করে না।

উল্লেখ্য, জরিপে ১০টি প্রাণীকে জনপ্রিয় ধরা হয়। এগুলো হলো বাঘ, সিংহ, হাতি, জিরাফ, চিতা বাঘ, পাণ্ডা, চিতা, মেরু ভালুক, নেকড়ে ও গরিলা। সূত্র : বিবিসি।

Source: কালের কণ্ঠ ডেস্ক   ১৭ এপ্রিল, ২০১৮

74
Islam & Science / The work of rewarding good to others is rewarding
« on: April 12, 2018, 02:01:20 PM »

    মানুষ সামাজিক প্রাণী। একাকীত্বের তুলনায় দশজনকে সঙ্গে নিয়ে পথচলা তার ধর্ম। এই দশজনের মধ্যে সবার সঙ্গে সম্পর্কে এক রকম হয় না, তেমনি হয় না এক রকম মানসিকতাও।

    কিন্তু আন্তরিক প্রশান্তির জন্যে আবশ্যক হলো, সবার ব্যাপারে ইতিবাচক ধারণা রাখা। এমনকি যদি কারও থেকে অপরাধমূলক কাজ হয়ে যায়। তবে তার উচিত হলো দ্রুত পাপের পথ থেকে ফিরে আসা। আর সম্পর্ক রক্ষার ক্ষেত্রে এমনটি ভাবা, হয়তো সে সেই অপরাধের দরুণ অনুতপ্ত ও তা থেকে ফিরে এসেছে।

    অন্যের ব্যাপারে এমন উত্তম ধারণার প্রতি তাকিদ দিয়ে হাদিস শরিফে ইরশাদ হয়েছে, ‘সুন্দর ধারণা সুন্দর ইবাদতের অংশ।’ –সুনানে আবু দাউদ: ৪৯৯৩

    ভালো ধারণার বিপরীতে মন্দ ধারণা থেকে তৈরি হতে পারে হাজারও ভুল। কেউ হয়তো কল্যাণকামীতার নিয়তে কোনো কথা বললো, মন্দ ধারণার দরুণ তা পরিণত হয় চাটুকারিতা কিংবা ছিদ্রান্বেষণে।

    ঠিক তেমনি একটা ভুলের সূত্র ধরে জমিয়ে রাখা হয় বিদ্বেষ কিংবা পরস্পর কাদা ছোঁড়াছুড়ির কোনো উপলক্ষ।

    আমাদের সমাজ মন্দ ধারণায় ছেঁয়ে আছে। মানবজীবন এই দোষে দূষিত হয়ে গেছে। অথচ ইসলাম তা সমর্থন করে না। বরং তা থেকে সাবধান করে আল্লাহতায়ালা বলেছেন, ‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা অধিক ধারণা থেকে দূরে থাক। কারণ কোনো কোনো ধারণা পাপ। আর তোমরা একজন অন্যজনের গোপনীয় বিষয় অনুসন্ধান করো না। আর একজন অন্যজনের গীবত করো না।’ -সূরা আল হুজুরাত: ১২

    কোরআনে কারিমের সতর্কতার পাশাপাশি হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সতর্ক করেছেন এ বিষয়ে।

    এ প্রসঙ্গে হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা মন্দ ধারণা থেকে বেঁচে থাকো। কেননা তা সবচেয়ে বড় মিথ্যা।’ –সহিহ বোখারি: ৬০৬৪

    মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, ধারণা মানবিক বিষয়। ক্ষেত্রবিশেষ তা নিজের অজান্তে অন্তরে উদিত হয়। এমন অবস্থা থেকে বেঁচে থাকতে হবে।

    আর মনে এমন অবস্থা সৃষ্টি হলে তখন কী করণীয়- এ প্রসঙ্গেও ইসলাম পথ দেখিয়েছে। হাদিসে নববীতে ইরশাদ হচ্ছে, ‘তিনটি বস্তু আমার উম্মাতের সঙ্গে আবশ্যক হয়ে যাবে- ১. শুভ-অশুভের লক্ষণ, ২. হিংসা ও ৩. মন্দ ধারণা। এক ব্যক্তি জানতে চাইলো- ইয়া রাসূলাল্লাহ! এই বিষয়গুলোকে দূর করবে কোন বিষয়? তিনিউত্তরে বললেন, যখন হিংসা করবে, তখন আল্লাহর কাছে মাফ চেয়ে নাও। যখন মন্দ ধারণা হবে, সেটাকে (মনে) স্থান দেবে না। আর শুভ-অশুভের লক্ষণ মনে হলে সেস্থান থেকে সরে যাও।’

অর্থাৎ এই তিন দোষ থেকে মানুষের মুক্ত থাকা কঠিন। তন্মধ্যে অন্যতম হলো- অন্যের ব্যাপারে মন্দ ধারণা।

অন্যের প্রতি মন্দ ধারণার মতো কাজ থেকে পরিত্রাণের উপায় হলো- তা মনে স্থান না দেওয়া। যেখানে মন্দ ধারণাকে মনে স্থান দিতে নিষেধ করা হয়েছে, সেখানে এর বহিঃপ্রকাশ কতটা নিন্দিত ও মারাত্মক হতে পারে! এমন ধারণাকে দূরে সরিয়ে রাখা ও খামোকা মিথ্যে ভেবে ভুলে যাওয়া উচিত। একে মস্তিষ্কে স্থান দেওয়া যাবে না। তাহলেই তা থেকে মুক্ত থাকা যাবে।

Source:  মুফতি ফারহীন জান্নাত ইউসুফী, অতিথি লেখক, ইসলাম | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

75

মহাশূন্যে অবস্থানকালে নানা ধরনের পরিবর্তন আসে মানুষের দেহে। মহাকাশচারীদের উচ্চতা বাড়ে, পেশি ক্ষয় হয়, হাড়ের ঘনত্ব কমে, শক্তি কমে যায়। কিন্তু মহাশূন্যে মানুষের প্রজননতন্ত্র কী আচরণ করে অর্থাৎ শুক্রাণুর মধ্যে কী কী পরিবর্তন দেখা যায়, তা দেখতে এবার মহাশূন্যের উদ্দেশে শুক্রাণু পাঠিয়েছে নাসা।

স্পেসএক্স কম্পানির ড্রাগন কার্গো মহাকাশযানে করে গত ১ এপ্রিল ইন্টারন্যাশনাল স্পেস স্টেশনে যাত্রা শুরু করে নাসার মাইক্রো-১১ মিশন। এ মিশনে হিমায়িত অবস্থায় মানুষ ও ষাঁড়ের শুক্রাণু পাঠানো হয়েছে। গতকাল বুধবার এ মিশন নিয়ে নাসার নিজস্ব ওয়েবসাইটে বলা হয়, ‘আমরা জানি না লম্বা সময়ে মহাকাশে থাকলে মানুষের প্রজননতন্ত্রে কী পরিবর্তন আসতে পারে। আর মহাকাশে নিয়ন্ত্রিত মাধ্যাকর্ষণের মাঝে প্রজনন সম্ভব কি না, তা বুঝতে প্রথম পদক্ষেপ হলো এই গবেষণা।’

নাসার বিজ্ঞানীরা বলছেন, স্টেশনে অবস্থানকারী মহাকাশ বিজ্ঞানীরা পাঠানো শুক্রাণুকে ডিফ্রস্ট করবেন এবং একে রাসায়নিকভাবে সক্রিয় করে তুলবেন। এর পর মহাশূন্যে শুক্রাণুর চলন খুঁটিয়ে দেখবেন তাঁরা। সেটা ভিডিওতে ধরেও রাখবেন। পরে আবার ওই শুক্রাণুকে পৃথিবীতে ফেরত পাঠাবেন পরবর্তী পরীক্ষার জন্য।

তবে মহাকাশে শুক্রাণু পাঠানোর ঘটনা এটাই প্রথম নয়। নাসার স্পেস বায়োলজি প্রজেক্টের শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানী ফথি কারোইয়া জানিয়েছেন, ১৯৮৮ সালেও এ ধরনের পরীক্ষা চালানো হয়। তখন দেখা গেছে, মহাকর্ষ কমতে শুরু করলেই শুক্রাণুর গতি কমে যাচ্ছে। সূত্র : স্পেসডেইলি।

Source: কালের কণ্ঠ ডেস্ক   ১২ এপ্রিল, ২০১৮

Pages: 1 ... 3 4 [5] 6 7 ... 68