Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - sanjida.dhaka

Pages: 1 [2] 3 4 ... 6
16



স্বাস্থ্য আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়। আমরা জানি, আমাদের ব্যস্ত জীবনে অনেক সময় ডায়েট মেনে চলা সম্ভব হয় না। আমরা আমাদের নিত্যদিনের খাবার খুব কমই শিডিউল অনুযায়ী খেয়ে থাকি। যার ফলে আমাদের শরীরে চর্বি ও ক্যালোরি জমে এবং শরীরের স্থূলতা বৃদ্ধি পায়।

স্থূলতা বা অতিরিক্ত ওজনের ফলে কোলেস্টেরল এর সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ এবং হার্ট সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যার সৃষ্টি হয়। যাইহোক, নিজের শরীরের বাড়তি ওজন কমাতে কিছু মজাদার পানীয় খেয়ে দেখতে পারেন। এতে আপনি অবশ্যই উপকৃত হবেন। নীচে ঐ সকল পানীয়ের প্রস্তুতি বর্ণনা করা হল-

১. আদা ও শসার পানীয়:
# উপকরণ:

১. ৮ গ্লাস পানি
২. আদা থেত করা ১ চামচ
৩. ১টি তাজা শসা
৪. মাঝারি আকারের একটি লেবু
৫. ১২টি পুদিনা পাতা

# প্রস্তুতকরণ:
শসার খোসা ছাড়িয়ে ছোট ছোট টুকরায় কেটে নিন। এবার লেবুকেও টুকরা করে কেটে রাখুন। এবার, পানি ও পাতার সাথে সকল উপকরণকে একসাথে মিশিয়ে রাতভর রেখে দিন। সকালে এর সাথে অল্প পরিমাণে পানি মিশিয়ে পান করুন। এভাবে চারদিন পর্যন্ত এই পানীয় পান করুন।

# উপকারিতা:
এই পানীয় পান করার ফলে আপনার শরীর থেকে অবাঞ্ছিত বিষক্রিয়াজনিত ব্যথা দূর করে। অনিদ্রা দূর করে, হজম উন্নত করে এবং কর্মশক্তি বৃদ্ধি করে। এছাড়াও, সারাদিন আপনাকে রিফ্রেশ রাখতে সাহায্য করে।

২. দারুচিনি এবং মধুর পানীয়:
# উপকরণ:

১. এক গ্লাস পানি
২. এক চা চামচ মধু
৩. আধা চামচ দারুচিনি গুঁড়া
৪. তাজা লেবু

# প্রস্তুতকরণ:
এক গ্লাস পানিতে মধু ও দারুচিনি যোগ করুন। পানি যেন গরম বা ঠাণ্ডা না হয়। স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি নিয়ে তাতে মধু ও দারুচিনি মিশিয়ে নিন। গরম পানিতে মেশালে এর পুষ্টি উপাদান হারিয়ে যাবে। এরপর লেবুর রস মিশিয়ে নিন।

# উপকারিতা:
প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করতে হবে। এই পানীয় শরীরের ফ্যাট বার্ন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করে। এতে সারাদিন ক্ষতিকর চর্বি শরীরে জমা হতে পারে না।

৩. তাজা উদ্ভিজ্জ রস:
# উপকরণ:

১. টমেটো
২. গাজর
৩. বীট-পালং
৪. আদা

# প্রস্তুতকরণ:
সবগুল সবজি একত্রে নিয়ে ব্লেন্ড করুন। আপনি আপনার পছন্দমত সবজিও ব্যবহার করতে পারেন। তবে লক্ষ্য রাখবেন, সবজিতে যেন বেশি ক্যালোরি না থাকে। এরপর এতে আদা মিশিয়ে নিন। ভাল ফলাফলের জন্য এই পানীয়টি প্রতিদিন পান করুন।

# উপকারিতা:
এই গতিশীল উদ্ভিজ্জ রস ওজন কমানোর জন্য একটি উদ্দীপক হিসেবে কাজ করে। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি এবং ডায়েটারি ফাইবার আপনার শরীরের সরবরাহ করবে।

আপনার অবশ্যই মনে রাখা উচিৎ, এই পানীয় মাত্র চারদিনেই আপনার চর্বি কমাবে শুধুমাত্র তখনই, যখন আপনি একটি স্বাস্থ্যকর ডায়েট পালন করবেন। আপনার শরীরকে সক্রিয় রাখলে এবং খাদ্য তালিকা সঠিক রাখলেই আপনি আপনার শরীরের ওজনের পার্থক্য লক্ষ্য করতে পারবেন।



Source: https://www.bd24live.com/bangla/article/1528390547/168136/index.html




17


সরকারি মালিকানাধীন ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড দশ পদে ১৮ জন কর্মকর্তা নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

পদ: ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (সিগন্যাল অ্যান্ড টেলিকম)
পদসংখ্যা: ১টি
যোগ্যতা: ইইই, ইসিই বা ইটিইতে স্নাতক ডিগ্রিসহ ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা

পদ: অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার (সিগন্যালিং)
পদসংখ্যা: ১টি
যোগ্যতা: ইইই, ইসিই বা ইটিইতে স্নাতক ডিগ্রি

পদ: অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার (টেলিকম অ্যান্ড এএফসি লাইন মেইনটেন্যান্স)
পদসংখ্যা: ১টি
যোগ্যতা: ইইই, ইসিই বা ইটিইতে স্নাতক ডিগ্রি

পদ: অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার (টেলিকম অ্যান্ড এএফসি ডিপো মেইনটেন্যান্স)
পদসংখ্যা: ১টি
যোগ্যতা: ইইই, ইসিই বা ইটিইতে স্নাতক ডিগ্রি

পদ: সেকশন ইঞ্জিনিয়ারি (সিগন্যালিং অ্যান্ড টেলিকম)
পদসংখ্যা: ৬টি
যোগ্যতা: ইলেকট্রিক্যাল বা ইলেকট্রনিক্স বা টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে চার বছরের ডিপ্লোমাসহ নেটওয়ার্কিংয়ে ছয় মাসের কম্পিউটার কোর্স থাকতে হবে

পদ: ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (পি-ওয়ে অ্যান্ড সিভিল)
পদসংখ্যা: ১টি
যোগ্যতা: সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকসহ ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা

পদ: অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার (পি-ওয়ে)
পদসংখ্যা: ১টি
যোগ্যতা: সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক

পদ: অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার (সিভিল অ্যান্ড স্ট্রাকচার)
পদসংখ্যা: ১টি
যোগ্যতা: সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক

পদ: সেকশন ইঞ্জিনিয়ার (পি-ওয়ে অ্যান্ড সিভিল ওয়ার্কস)
পদসংখ্যা: ৪টি
যোগ্যতা: সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে চার বছরের ডিপ্লোমাসহ নেটওয়ার্কিংয়ে ছয় মাসের কম্পিউটার কোর্স থাকতে হবে

পদ: অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার (স্টোর অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট)
পদসংখ্যা: ১টি
যোগ্যতা: মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বা ইইইতে স্নাতক ডিগ্রি

আবেদনের ঠিকানা: ব্যবস্থাপনা পরিচালক, ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড, প্রবাসী কল্যাণ ভবন, লেভেল-১৪, ৭১-৭২ পুরাতন এ্যালিফ্যান্ট রোড, ইস্কাটন গার্ডেন, ঢাকা-১০০০
আবেদনের শেষ তারিখ: ২০ জুন

18

সবে চোখটা বুজে এসেছে। আচমকাই একটা ঝটকা। শরীরটা প্রবলভাবে ঝাঁকুনি দিয়ে উঠল, যেন মনে হচ্ছে কোথাও পড়ে যাচ্ছিলেন। এটা শুধু আপনার সমস্যা নয়, শরীরের ঝাঁকুনির এমন অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন বিশ্বের অন্তত ৭০ শতাংশ মানুষ। ঘুমের মধ্যে শরীরে ঝাঁকুনি, কীসের লক্ষণ জানা আছে? ঘুমের মধ্যে এমন ঝাঁকুনিকে ‘হিপনিক জার্কস’বলা হয়। কেন এমনটা হয়? জেগে থাকা অবস্থা থেকে সবে ঘুমোতে যাওয়ার অবস্থার মধ্যে এই ‘হিপনিক জার্কস’ ঘটে থাকে। এই সময় মানুষ পুরোপুরি ঘুমের মধ্যে থাকে না।

বরং বলা যায়, সে তন্দ্রাচ্ছন্ন থাকে। এই অবস্থাতেই স্বপ্ন দেখা শুরু হয়। এমন পরিস্থিতিতে জাগরণ ও স্বপ্নের সীমানাকে অনেক সময়েই মস্তিষ্ক ঠাহর করতে পারে না। ফলে তার ধাক্কা এসে লাগে শরীরে। এ থেকেই তৈরি হয় ‘হিপনিক জার্কস’। ঠিক কেন মস্তিষ্ক ঠাহর করতে পারে না শরীরে অবস্থা? আসলে শরীরে তন্দ্রাচ্ছন্ন ভাব নেমে এলে মাস্‌ল এবং পেশীগুলো আস্তে আস্তে অবশ হতে থাকে। কিন্তু, মস্তিস্ক শরীরে পেশীর এই অবস্থান ঠাহর করতে না পেরে সেই প্রক্রিয়া আটকানোর চেষ্টা করে, ফলে শারীরে ঝাঁকুনি হয়।

যদিও, কিছু মানুষ একে শারীরিক অসুবিধা ভেবে ভয় পান। কিন্তু, চিকিৎসকদের মতে এতে ভয় পাওয়ার মতো কিছু নেই। তবে, অনেক সময়ে নাক ডাকা থেকেও ‘হিপনিক জার্কস’ ঘটে থাকে। স্নায়ুতন্ত্রের উত্তেজনাপ্রবাহ ঠিকমতো ঠাহর করতে না পারায় এক্ষেত্রে ঘুমের মধ্যে শরীরে ঝাঁকুনি হয়।




https://24newsbangla.com/sobujislam/7436/%E0%A6%B9%E0%A6%A0%E0%A6%BE%E0%A7%8E-%E0%A6%98%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A6%B6%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%9D%E0%A6%BE/




19


আম খেতে সবাই পছন্দ করে। আমের স্বাস্থ্য উপকারিতার বিষয়েও কারো সন্দেহ নেই। কিন্তু আম পাতাও স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারি যা আনেকেই জানেন না। আম পাতা ভিটামিন, এনজাইম, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং খনিজ উপাদানে ভরপুর। আম পাতায় মেঞ্জিফিরিন নামক সক্রিয় উপাদান থাকে যার অপরিমেয় স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে।

কচি আমের পাতা সিদ্ধ করে সেই পানি পান করা বা পাতা গুরু করে খাওয়া যায়। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে আম পাতার ব্যবহার বর্ণনা করা হয়েছে। আম পাতার স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো সম্পর্কে জেনে নিই চলুন।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আম পাতার ব্যবহার সুদূর প্রাচীনকাল থেকেই চলে আসছে। তাছাড়া উচ্চ রক্তচাপ ও ব্রঙ্কাইটিস, কিডনি ও পিত্তথলির পাথর দূরীকরণে, মাড়ির সমস্যায়, ডায়রিয়া নিরাময়ে এবং পেটের পীড়া প্রশমনেও আম পাতার ব্যবহার আজ সর্বজনস্বীকৃত।

গবেষণায় দেখা গেছে, কচি আম পাতায় ট্যানিনস নামক অ্যান্থোসায়ানিডিন থাকে, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বেশ উপকারী। এছাড়াও এ পাতা শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং হাইপারগ্লাইসেমিয়া কমাতে সাহায্য করে- এমনটাই দাবি বিশেষজ্ঞদের।

ঘরোয়াভাবে আম পাতার সাহায্যে ডায়াবেটিসের ওষুধ তৈরি করা যায়। অনেক আধুনিক ওষুধ আছে, যা খাওয়ার পাশাপাশি যদি নিদির্ষ্ট ডায়েট চার্ট মেনে খাবার খাওয়া যায়, তাহলে এই মারণ অবস্থাকে অনেকটাই কাবু করে রাখা সম্ভব। গুঁড়ো ও রস এই দুই ভাবেই আম পাতা সেবন করা যায়। নিচে সেই প্রক্রিয়াটি বর্ণনা করা হলোঃ

পদ্ধতি-১: উপকরনঃ আম পাতা ১০-১২ টি, পানি- ২ গ্লাস।
তৈরি প্রক্রিয়াঃ প্রথমে একটি বাটিতে দেড় গ্লাস পানি নিয়ে ৫ মিনিট ফুটিয়ে আম পাতাগুলো এতে ঢেলে দেই। তারপর প্রায় ১৫ মিনিট হালকা আঁচে গরম করি। তারপর আঁচ সরিয়ে কক্ষ তাপমাত্রায় আসা না পর্যন্ত অপেক্ষা করি।

সারারাত একটি বোতলে সংরক্ষণ করে সকালে উঠে খালি পেটে পান করুন। একটানা ১-২ মাস খেলে আস্তে আস্তে উপকার পেতে শুরু করবেন।

পদ্ধতি-২: আম পাতাগুলোকে শুকিয়ে নিয়ে সেগুলোকে গুঁড়ো করে পাউডার করে নিন। তারপর প্রতিদিন সকালে ও বিকালে নিয়ম করে এক চামুচ করে খান। দেখবেন প্রথম পদ্ধতির মতই ম্যাজিকের মতো কাজ করছে।

ডায়াবেটিস আসলে কোনো রোগ নয়, এটি একটি দীর্ঘ ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। এই অবস্থায় রোগীর শরীর দিন দিন অকেজো হতে থাকে এবং এক সময় মৃত্যু মুখে পতিত হয়।

ইনসুলিনের মাত্রা ঠিক না থাকলে শরীরে শর্করার পরিমান বেড়ে যায় এবং টা কিডনির উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। ক্রমান্বয়ে নার্ভ, হার্ট, দৃষ্টিশক্তি সব খারাপ হতে শুরু করে।

সুতরাং, ডায়াবেটিস এক ভয়াবহ জিনিষ। এর থেকে রক্ষা পেতে সুনির্দিষ্ট নিয়ম পদ্ধতি এখন থেকেই গ্রহণ করতে হবে। এতে একদিকে আমরা যেমন স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন লিড করতে পারবো, অন্যদিকে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মও নিরাপদ থাকবে।




https://24newsbangla.com/m-islam/6960/%e0%a6%95%e0%a6%9a%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%ae-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b8-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%97-2/



20



পেঁপের শক্তি নিয়ে কোনও সন্দেহ কারও মেন আছে বলে তো মনে হয় না। তাই তো আজ ফলকে নিয়ে নয়, তার এক অন্তরঙ্গ সঙ্গীর বিষয়ে আলোচনা করা হবে এই প্রবন্ধে, যে সঙ্গী থাকে লোক চক্ষুর আড়ালে, যার নাম-ইজ্জত নেই। তবু সে লড়াই চালায় হাজারো রোগের বিরুদ্ধে। একাদিক গবেষণায় দেখা গেছে শুধু ডেঙ্গু ভাইরাসকে মারতেই নয়, একাধিক রোগকে দূরে রাখতেও পেঁপে পাতার কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় এখনও বহু মানুষ এই প্রকৃতিক উপাদানটির গুণাগুণ নিয়ে খোঁজ রাখেন না। তাই তো এই প্রবন্ধটি লেখার সিদ্ধান্ত নেওয়া।

“হিলিং ফুড” নামক এক বইযে পেঁপের পাতার বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে লেখক বলছেন, হজম ক্ষমতার উন্নতির পাশাপাশি শরীরকে সব দিক থেকে বাঁচাতে বাস্তবিকই পেঁপে পাতা বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এখানেই শেষ নয়, এর অন্দরে থাকা একাধিক ভিটামিন শরীরের গঠনেও নিজের খেল দেখিয়ে থাকে। এবার নিশ্চয় বুঝেছেন, যাকে আমরা সব থেকে বেশি তাচ্ছিল্য করে থাকি, সেই প্রকৃতিক উপাদানটির ক্ষমতা কতটা! তবে লিস্টটা এখানেই শেষ হয়ে যায় না। পেঁপে পাতা আরও নানাভাবে শরীরের উপকারে লেগে থাকে, যেমন ধরুন…

১. ডেঙ্গু রোগকে দূরে রাখে: একাধিক গবেষণাতে একথা প্রমাণিত হয়ে গেছে যে নিয়মিত পেতে পাঁতার রস খেলে শরীরে প্লেটলেট কাউন্ট কমে যাওয়ার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়।

সেই সঙ্গে রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থাও খুব শক্তিশালী হয়ে ওঠে। আর একবার ইউমিন সিস্টেম শক্তিশালী হয়ে উঠলে ডেঙ্গু ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাই একেবারে থাকে না বললেই চলে। প্রসঙ্গত, গত কয়েক মাসে যে হারে কলকাতা সহ সমগ্র রাজ্য়ে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েছে, তাতে এই প্রকৃতিক উপাদানটিকে কাজে লাগানোর প্রয়োজনীয়তা যে আরও বেড়েছে সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

২. ম্যালেরিয়া রোগকে প্রতিরোধ করে: পেঁপে পাতার অন্দরে মজুত অ্যাসেটোজেনিন নামক অ্যান্টি-ম্যালেরিয়াল প্রপাটিজ শরীরে প্রবেশ করার পর ভেতর থেকে শরীরকে এতটা শক্তিশালী করে তোলে যে ম্যালেরিয়া মতো রোগ ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না। তাই মশার উপদ্রোপ থেকে বাঁচতে পেঁপে পাতার সঙ্গ ছাড়লে চলবে না কিন্তু!

৩. লিভারের কর্মক্ষমতা বাড়ায়: বেশ কিছু কেস স্টাডি করে দেখা গেছে পেঁপে পাতায় উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান লিভারের অন্দরে থাকা টক্সিক উপাদানদের শরীরে থেকে বের করে দেয়। সেই সঙ্গে লিভারের কর্মক্ষমতা এতটা বাড়িয়ে দেয় যে নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়।

প্রসঙ্গত, জন্ডিস রোগকে দূরে রাখতেও এই প্রকৃতিক উপাদানটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৪. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়: পেঁপে পাতায় থাকা প্রোটিস এবং অ্যামিলেস নামক দুটি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর হজমে সহায়ক পাচক রসের ক্ষরণ এতটা বাড়িয়ে দেয় যে হজম ক্ষমতা বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে পাকস্থলি এবং কোলনের প্রদাহ কমানোর মধ্যে দিয়ে সার্বিকভাবে বাওয়েল মুভমেন্টের উন্নতিতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

প্রসঙ্গত, একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত পেঁপে পাতার রস পান করেল এইচ পাইলোরি ব্যাকটেরিয়ারা মারা পরে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই পেপটিক আলসারের মতো রোগ আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা হ্রাস পায়।

৫. ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখে: রক্তে বাড়তে থাকা সুগারের কারণে কি চিন্তায় রয়েছেন? তাহলে আজ থেকেই নিয়মিত পেঁপে পাতা খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন উপকার মিলবে। কারণ এর মধ্যে থাকা বেশ কিছু উপকারি উপাদান ইনসুলিনের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে স্বাভাবিকভাবেই দেহে শর্করার মাত্রা বাড়ার কোনও আশঙ্কা থাকে না।


৬. পিরিয়োডের কষ্ট দূর করে: এবার থেকে মাসের এই বিশেষ কয়েকটা দিনে নিয়ম করে পেঁপে পাতার রস খাওয়া শুরু করুন। দেখেন ক্র্যাম্প এবং যন্ত্রণা দুইই কমবে। আসলে পেঁপে পাতার মধ্যে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজ একদিকে যেমন দেহের অন্দরে প্রদাহ কমিয়ে যন্ত্রণার প্রকোপ কমায়, তেমনি অন্যদিকে হরমোনাল ইমব্যালেন্স দূর করে অন্যান্য নানাবিধ সমস্যা কমাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।
৭. ক্যান্সার রোগকে দূরে রাখে: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হল এমন একটি উপাদান, যা শরীরে থেকে টক্সিক উপাদানদের বের করে ক্যান্সার সেল জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা কমায়। আর এই উপাদানটি প্রচুর মাত্রায় মজুত রয়েছে পেঁপে পাতার অন্দরে। তাই নিয়মিত যদি এর রস খেতে পারেন, তাহলে ক্যান্সার রোগকে কোনও দুশ্চিন্তাই থাকে না।

প্রসঙ্গত, বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে পেঁপে পাতায় উপস্থিত বেশ কিছু এনজাইম লিভার, লং, প্যানক্রিয়াটিক এবং ব্রেস্ট ক্যান্সারকে প্রতিরোধ করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।




https://24newsbangla.com/admin2/7102/%e0%a7%ad-%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a6%b0-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%93%e0%a6%b7%e0%a7%81%e0%a6%a7-%e0%a6%b9%e0%a6%b2-%e0%a6%aa/




21



৮ রোগের ওষুধ একমাত্র খেজুর-অনেকেই বিশ্বাস করেন মিষ্টি খাবার মানেই তা শরীরের জন্য ভালো নয়। এই ধরণা কিন্তু ঠিক নয়। কারণ খেজুর একটা মিষ্টি ফল, তবু এর মধ্য কোনও ক্ষতিকর উপাদান নেই। বরং এটি খেলে সার্বিকভাবে শরীর অনেক চাঙ্গা থাকে। খেজুরের মধ্য বিপুল পরিমাণে ভিটামিন, মিনারেল, ক্য়ালসিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম এবং ফাইবার থাকার কারণে শীতকালে এই ফলটি খাওয়া খুব জরুরি। সর্বোপরি এর খাদ্যগুনের জন্য রমজান মাস চালাকলীন মুসলমানরা ইফতার করেন এই ফল দিয়েই।

কারণ
রোজার কারণে শরীরের বিপুল পিরমাণ শক্তির দরকার পরে, আর খেজুর সে সময় এই কাজটিই করে খুব সুন্দরভাবে। এখানেই শেষ নয়, যারা নিজের ওজন কমাতে ইচ্ছুক তাদের জন্যও এই ফলটি খাওয়া জরুরি। কারণ খেজুর ওজন কমাতে দারুন কাজে আসে। খেজুরের আরো কিছু গুনাগুন আমরা জানিঃ-

১. শরীর গরম রাখে:
খেজুরে বিপুল পরিমাণে ফাইবার, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এবং ম্য়াগেনশিয়াম থাকার কারণে এটি শরীর গরম রাখতে খুব সাহায্য় করে। সেই কারণেই তো শীতকালে এই ফলটি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।

২. ঠান্ডা কমায় :
ঠান্ডায় খুব হাঁচি-কাশি হচ্ছে। চিন্তা নেই। এখনই ২-৩ টে খেজুর, কিছুটা মরিচ আর ১-২ টো এলাচ নিয়ে গরম জলে ফেল সেদ্ধ করে নিন। দাঁড়ান দাঁড়ান, এখনই খাবেন না। শুতে যাওয়ার আগে ওই জল খেয়ে নিন। দেখবেন ঠান্ডা কেমন দূরে পালাচ্ছে।

৩. অ্যাজমা সারায়:
শীতে যে যে রোগ খুব মাথাচারা দিয়ে ওঠে তার মধ্য়ে অন্য়তম হল হাঁপানি বা অ্যাস্থেমা। প্রতিদিন সকালে আর বিকালে নিয়ন করে ১-২ টো খেজুর খান। দেখবেন শীতকালে আর হাঁপানি হচ্ছে না আপনার।

৪. শরীরের শক্তি বৃদ্ধি করে:
খেজুরে যেহেতু অনেক পরিমাণে প্রাকৃতিক মিষ্টি থাকে, তাই এই ফলটি খেলে নিমেষ শরীরের শক্তি বেড়ে যায়।

৫. কোষ্ঠকাঠিন্য সারায়:
কেয়েকটা খেজুর নিয়ে সারা রাত জলে ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন সকালে খেজুরটা ফাটিয়ে জলে মিশিয়ে সেই জল পান করুন। দেখবেন কোষ্ঠকাঠিন্যর সমস্য়া কেমন কমতে শুরু করেছে। আসলে খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকার কারণে এটি কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে দারুন কাজে আসে।

৬. হার্টের জন্য ভালো:
হার্টকে ভালো রাখে। আর একথা তো সকলেরই জানা যে খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে। তাই এই ফলটি খেলে হার্ট যেমন ভালো থাকে, তেমনি হার্টরেটও নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফেল কমে হার্ট অ্যাটাকের আশঙ্কা।

৭. আর্থারাইটিস কমায়:
শীতে যারা আর্থ্রারাইটিসের সমস্য়ায় খুব ভোগেন তারা আজ থেকেই খেজুর খাওয়া শুরু করুন। এতে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপাটিজ থাকার কারণে আর্থ্রারাইটিসের ব্য়থা কমাতে এটা দারুন কাজে দেয়।

৮. উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে:
ম্য়াগনেশিয়াম আর পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য় করে। আর এই দুটি খনিজ খেজুরে প্রচুর পরিমাণে থাকায় এই ফলটি খেলে রক্তচাপ একেবারে নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্য়া আছে, তারা প্রতিদিন ৫-৬টা খজুর খেতে ভুলবেন না যেন!




https://24newsbangla.com/sobujislam/1557/%e0%a6%ad%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%b9-%e0%a6%af%e0%a7%87-%e0%a7%ae%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%97%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d/




22



ফিটকিরি একপ্রকার অর্ধস্বচ্ছ কাচ সদৃশ কঠিন পদার্থ যার স্বাদ মিষ্টি ও কষা এবং অত্যন্ত শুষ্ক প্রকৃতির। মূলত: এটি খনিজ দ্রব্য এবং খুব সাধারণ সস্তা ও সহজলভ্য বস্তু। ফিটকিরি পানিতে দ্রবণীয় এর প্রতি অণুতে ২৪ অণু কেলাস পানি বিদ্যমান। আগুনে তাপ দিলে গলে তরল হয়। তাপ অব্যাহত রাখতে কেলাস পানি উড়ে চলে যায়। লবণগুলো ফুলে ফেনার মত ফুটতে থাকে। সবশেষে এবড়ো থেবড়ো দানাদার গুড়ায় পরিণত হয়। তবে মাত্রাতিরিক্ত ব্যাবহার করবেন না।

আগের দিনে বাড়ির বয়স্ক মানুষটিকে দেখা যেত, পানিতে এক টুকরো ফিটকিরি ফেলে নিশ্চিন্ত হতেন। পানি পরিস্রুত হয়ে, নোংরা থিতিয়ে পড়ত নীচে। বা, দাড়ি কাটতে গিয়ে ব্লেডে গালটা আচমকা কেটে গেলে, স্যাভলন বা কোনো আফটারসেভের খোঁজ পড়ত না। হাতের কাছে থাকা ফিটকিরির টুকরো গালে ঘষে নিতেন। ব্যস, রক্ত বন্ধ। এমন প্রচুর গুণ কিন্তু রয়েছে ফিটকিরির।

হঠাৎ রক্ত:
দাড়ি কাটতে গিয়ে গালটা কেটে গেলে, সেলুনে এখনও ফিটকিরি ঘষে দেয়। যদি, গাল কাটাই নয়, যেকোনো আঘাতে রক্তপাত হলে, সেখানে ফিটকিরি চূর্ণ করে দিয়ে দিন। কিছুক্ষণের মধ্যেই রক্ত বেরোনো বন্ধ হবে।

টনসিলে আরাম:
ঠান্ডা লেগে গলায় ব্যথা হলে বা গ্ল্যান্ড ফুললে, গরম পানিতে এক চিমটে নুন ও ফিটকিরি চূর্ণ মিশিয়ে, দিনে কয়েকবার গার্গেল করুন। স্বস্তি পাবেন।

রূপচর্চা:
আগে তো বাড়ির মেয়েরা রূপচর্চা করতেও ফিটকিরি ব্যবহার করতেন। তার কারণ, বলিরেখা পড়তে দেয় না। তাছাড়াও মুখ ড্রাই হয়ে, চামড়া কুঁচকে যাচ্ছে? চিন্তা করবেন না। ভালো করে মুখ ধুয়ে নিয়ে, সারা মুখে অনেকক্ষণ ধরে ফিটকিরি ঘষুন। বা ফিটকিরি চূর্ণ পানিতে মিশিয়ে, মুখে মাখুন। শুকিয়ে গেলে, কিছুক্ষণ পর মুখটা ধুয়ে ফেলুন। এভাবে কিছু দিন করলে, মুখে ঊজ্জ্বলতা ফিরবে। ব্রন-ফুসকুড়ির হাত থেকেও মুক্তি পাবেন।

দাঁতে যন্ত্রণা:
যেহেতু অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, তাই দাঁতের রোগেও কিন্তু ফিটকিরি ভালো কাজ দেয়। দাঁতের যন্ত্রণায় ভুগেছেন? বা, মুখ দিয়ে দুর্গন্ধ বেরোচ্ছে? সব মাজনে চেষ্টা করেও, মুখের গন্ধ যাচ্ছে না? তাই কী করবেন, বুঝে উঠতে পারছেন না? আপনাকে এই সমস্যার হাত থেকে মুক্তি দিতে পারে ফিটকিরি। গরম পানিতে ফিটকিরি গুলে নিয়ে, কুলকুচি করুন। আপনি দাঁতের যন্ত্রণার হাত থেকে নিশ্চিতভাবেই মুক্তি পাবেন। মুখের দুর্গন্ধ নিয়েও লজ্জায় পড়তে হবে না।

ঘেমে গোসল:
গরমে ঘাম তো হবেই। কিন্তু, যারা খুব বেশই ঘামেন, পরনের জামা চুপচুপে হয়ে ভিজে যায়, তাদের এই বিরক্তিকর অবস্থার হাত থেকে স্বস্তি দিতে পারে এক টুকরো ফিটকিরি। গোসলের সময় এক টুকরো ফিটকিরি পানিতে ভালো করে মিশিয়ে, গায়ে ঢেলে দিন। কিছু দিন এভাবেই গোসল করুন। স্বস্তি মিলবে।



https://24newsbangla.com/sobujislam/6830/%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%B0-%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%AC-%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A6%BE/



23



আলুর খোসার গুণ জানলে আর নষ্ট করবেন না আলুর খোসা- শরীর সুস্থ রাখতে গেলে প্রত্যেকদিন ফল, শাক সবজি খাওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আলু হল এমন একটি সবজি যা ছাড়া বাঙালির চলেই না। তরকারিতে, মাছের ঝোলে, মাংশে এমনকী বিরিয়ানিতেও আলু না হলে চলে না। তবে আলু খেলেও আমরা বেশিরভাগ সময়ই আলুর খোসা ফেলে দিই।

কিন্তু আদৌ কি সেটা করা উচিত? সোজা সাপ্টা উত্তর হল না। তার কারণ, প্রচুর গবেষণা, পরীক্ষায় প্রমাণ হয়েছে যে আলুর খোসায় একাধিক পুষ্টিগত গুণ রয়েছে। আলুর খোসা আদতে স্বাস্থ্যের পক্ষে অত্যন্ত ভাল। আমরা নিশ্চিত আলুর খোসার গুণ সম্পর্কে জানলে আপনি আর কখনও আলুর খোসা ফেলে দেবেন না। তাহলে আর সময় নষ্ট করে লাভ কি। চলুন দেখে নেওয়া যাক আলুর খোসার কী কী গুণ রয়েছে।

প্রথম সুফল : আলুর খোসায় প্রচুর পরিমানে পটাশিয়াম এবং মিনারেল রয়েছে। যা শরীরের রাসায়ানিক প্রক্রিয়াকে উন্নত করে। পটাশিয়াম আমাদের স্নায়ুতন্ত্রকে সচল রাখার ক্ষেত্রে অত্যন্ত উপকারি। এক একটি আলুর খোসা থেকে আমরা ৬০০ গ্রাম পটাশিয়াম পেতে পারি। যা আমাদের শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

দ্বিতীয় সুফল : আমরা অনেকেই জানি না আমাদের প্রতিদিন অন্ততপক্ষে ১৬ মিলিগ্রাম করে নিয়াসিন শরীরের জন্য প্রয়োজন। কিন্তু এই নিয়াসিন আমাদের শরীর পাবে কোথা থেকে। তার সমাধানও আলুর খোসায়। আলুর খোসা থেকে প্রয়োজনীয় নিয়াসিন আপনি পেতে পারেন। যা আপনার শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

তৃতীয় সুফল : আলু থেকে আমরা প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল এবং কার্বোহাইড্রেট পাই। আলুর খোসা থেকেও আমরা একই উপাদান পাই। তাই যদি আমরা আলুর খোসা না ছাড়িয়ে খাই তাই এই প্রোটিন, ভিটামিন, মিনারেল এবং কার্বোহাইড্রেট আমরা বেশি করে পাব। যা শরীরকে আরও শক্তিশালী ও রোগ প্রতিরোধক করবে।

চতুর্থ সুফল : আয়রন হল শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। আয়রণ রক্তের কণিকার স্বাভাবিক কার্যপ্রণালীকে সক্রিয় রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। প্রত্যেকদিন ৩-৫টি খোসা আমাদের শরীরকে ৪ মিলিগ্রাম লোহা বা আয়রনের জোগান দেয়।

পঞ্চম সুফল : যাদের হজমশক্তি দুর্বল তাদের ক্ষেত্রে বিশেষ করে আলুর খোসা খাওয়া অত্যন্ত উপকারী। কারণ, আলুর খোসায় প্রচুর পরিমানে ফাইবার আছে। ফাইবার আমাদের শরীরের হজমশক্তি বৃদ্ধি করে। আলুর খোসা গুরুপাক খাবারও সহজে হজম করতে সাহায্য করে।

ষষ্ঠ সুফল : আলুর খোসায় প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকার ফলে হজমশক্তি বৃদ্ধির পাশাপাশি আরও একটি উপকার হয়। আর তা হল শরীরের অতিরিক্ত গ্লুকোজ শুষে নেয় আলুর খোসা ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।





https://24newsbangla.com/sobujislam/6557/%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%96%E0%A7%8B%E0%A6%B8%E0%A6%BE-%E0%A6%AB%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%8F%E0%A6%B0/


24



তেলাপোকা দূর করুন- “তেলাপোকা” খুবই বিরক্তিকর, যন্ত্রণাদায়ক এক পোকার নাম। তেলাপোকা নেই এমন বাসা একটিও খুঁজে পাবেন না। প্রতিটি মানুষকে এই তেলাপোকার যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। তেলাপোকা শুধু বিরক্তিকর নয়, এটি স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর। এটি খুবই নোংরা একটি পোকা যা আমাদের রান্নাঘরের জিনিসপত্রে হেঁটে বেড়ায় এবং জীবাণু ছড়িয়ে দিয়ে থাকে। আর এই জীবাণু থেকে সৃষ্টি হয়ে নানা রোগের। বাজারে নানা প্রকার তেলাপোকা মারার ওষুধ কিনতে পাওয়া যায়। কিন্তু এই ঔষুধ দিয়ে চিরদিনের জন্য তেলাপোকা দূর করার সম্ভব হয় না। খুব ছোট একটি কাজ করে আপনি চিরদিনের জন্য তেলাপোকার হাত থেকে রক্ষা পেতে পারেন। আসুন জেনে নিই সেই ম্যাজিক্যাল উপায়টি।

যা যা লাগবে – ২০ গ্রাম বোরিক এসিড, ১ টেবিল চামচ আটা ও পানি।

যেভাবে তৈরি করবেন: সমপরিমাণে বোরিক এসিড এবং আটা মিশিয়ে নিন। তারপর এতে পানি মিশিয়ে নিন। পানি অল্প অল্প করে মিশিয়ে নিন। ভাল করে মিশিয়ে রুটির মত ডো তৈরি করে নিন। লক্ষ্য রাখবেন ডো যেন বেশি নরম বা শক্ত না হয়ে যায়। এই ডো থেকে ছোট ছোট বল তৈরি করে নিন। সম্পূর্ণ ডোটি দিয়ে কয়েকটি বল তৈরি করে নিন। এবার ঘরের যেসব স্থানে তেলাপোকা বেশি দেখা যায় সেসব স্থানে আটার বলটি রেখে দিন। তিনদিন বা এক সপ্তাহের পর পরীক্ষা করে দেখুন তেলাপোকা মরে পড়ে আছে।

মূলত বোরিকের অ্যাসিডের উপাদান তেলাপোকার মৃত্যুর জন্য দায়ী। বোরিক অ্যাসিড তেলাপোকার মুখ আটকিয়ে দিয়ে থাকে। যার কারণে তেলোপোকা কিছু খেতে বা পান করতে পারে না। এক সময় এটি মারা যায়।




https://24newsbangla.com/sobujislam/6176/%E0%A6%98%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A7%82%E0%A6%B0/



25


আমাদের নিত্য ব্যবহার্য কিছু কিছু পণ্যের গায়ে স্টিকার দেখে সে পণ্যটি সম্পর্কে আমরা কিছুটা ধারণা পেতে পারি। সুপারমার্কেট বা কোনো ফলের বাজার থেকে আপেল, আঙ্গুর, নাশপাতি বা অন্য যে কোনো ফল কেনার সময় নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন ফলের গায়ে স্টিকার লাগানো থাকে। বিভিন্ন ফলের ওপর থাকা স্টিকারগুলো দেখে আমরা ফলটির মান ও উৎপাদন সম্পর্কে অবগত হতে পারি।

ফলের গায়ে মারা স্টিকারে কী লেখা থাকে, ভালো করে হয়তো সেটা অনেকেই দেখেন না। যদি দেখেও থাকেন, তাহলে এর মানেটা বোধগম্য করতে পারেন নাই। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে আসুন জেনে নেন, ফলের গায়ে লেগে থাকা সেই স্টিকারের মানেগুলো-

১. স্টিকারে যদি দেখেন ৪ সংখ্যার কোড নম্বর রয়েছে এবং সেটা শুরু হচ্ছে ৩ বা ৪ দিয়ে, এর মানে হলো, কোনো ফার্মে ওই প্রোডাক্টির চাষ হচ্ছে বিংশ শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে। যার অর্থ, কৃত্রিম সার ব্যবহারের মাধ্যমেই চাষ হয়েছে।

২. যদি কোনো ফলের গায়ে ৫ সংখ্যার কোড দেওয়া স্টিকার দেখেন, যার শুরুটা ৯ দিয়ে, অর্থ, চিরাচরিত প্রথাতেই চাষ হচ্ছে। হাজার হাজার বছর আগেও যেভাবে চাষ হত, সে ভাবেই। মানে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে, জৈব সার প্রয়োগের মাধ্যমে চাষ হয়।

৩. স্টিকারে যদি ৫ ডিজিটের কোড থাকে এবং শুরুটা যদি ৮ সংখ্যা দিয়ে হয়, তার মানে ওই ফলটি GMO বা জেনেটিক্যালি মডিফায়েড। সোজা বাংলায় এটা হাইব্রিড ফল। তবে রাসায়নিক সার দিয়েই সচরাচর এই হাইব্রিড ফলগুলোর চাষ হয়।


https://24newsbangla.com/sobujislam/5910/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8B-%E0%A6%AB%E0%A6%B2-%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8/





26



দুধ ও রসুন একসাথে খেলে- আপনি জানেন দুধ ও রসুন একসাথে খেলে কী হয়? দুধ ও রসুন খুব উপকারী দুটি খাবার। এদের আলাদা আলাদা স্বাস্থ্যগত গুণ আছে। তবে দুধের মধ্যে রসুন মিশিয়ে খেলে আরো অনেক উপকার পাওয়া যায়। দুধকে আদর্শ খাবার বলা হয়। এর মধ্যে মানবশরীরের জন্য প্রয়োজনীয় প্রায় সব উপাদানই আছে। আর রসুনের মধ্যে রয়েছে প্রদাহরোধী উপাদান, রয়েছে ব্যাকটেরিয়ারোধী উপাদান।

রসুন–দুধের উপকারিতা
১. রসুন দুধ অ্যাজমা প্রতিরোধে কাজ করে। ২. সপ্তাহে তিনবার রসুন-দুধ পানীয় খেলে নিউমোনিয়া কমতে সাহায্য হয়। ৩.এই পানীয় শরীরের বাজে কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায়। রক্ত জমাটবাঁধা প্রতিরোধ করে, রক্ত সঞ্চালন ভালো করে। তবে অবশ্যই দুধটি লো ফ্যাট হতে হবে। ৪. নিয়মিত এই পানীয় পান করলে আরথ্রাইটিসের সমস্যা কমবে। ৫. রসুন-দুধ ঘুমের সমস্যা প্রতিরোধে উপকারী। ৬. ঠান্ডা-কাশি কমাতে রসুন-দুধের পানীয় খেতে পারেন। ৭. রসুন-দুধ প্রজননক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে।

রসুন–দুধের পানীয় তৈরি করতে যা যা লাগবে
১. ৫০০ মিলি লিটার দুধ ২. খোসা ছাড়ানো ১০ কোয়া থেঁতলানো রসুন ৩. দুই থেকে তিন চা চামচ চিনি ৪. ২৫০ মিলি লিটার পানি

যেভাবে প্রস্তুত করবেন
একটি পাত্রে দুধ ও পানি মেশান। তাতে থেঁতলানো রসুন দিন। এরপর ফোটানোর জন্য চুলায় দিন। দুধ জ্বাল দিতে দিতে অর্ধেক পরিমাণ হলে নামিয়ে ফেলুন। এরপর মিশ্রণটিতে চিনি মেশান। উষ্ণ থাকতে থাকতে পান করুন।



https://24newsbangla.com/sobujislam/5617/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%A7-%E0%A6%93-%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%A5%E0%A7%87-%E0%A6%96%E0%A7%87/

27



যারা ভোগেন কেবল তারাই বোঝেন এটি কত যন্ত্রণার। একটু ভাজাপোড়া অথবা দাওয়াত, পার্টিতে মসলাযু্ক্ত খাবার খেলে তো শুরু হয়ে যায় অস্বস্তিকর গ্যাসের সমস্যা।ফাস্ট ফুড, ব্যস্ত জীবনযাত্রার যুগে গ্যাস, পেটের অসুখ এখন ঘরোয়া রোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেকোনো বাসায় গেলেই গ্যাস্ট্রিকের ১ পাতা ওষুধ অবশ্যই পাওয়া যায়। তবে কী গাদা গাদা গ্যাসের ওষুধে এ সমস্যা দূর হয়! কিন্তু ঘরোয় কিছু উপায় আছে যেগুলি প্রয়োগ করলে গ্যাস, বুক জ্বালা থেকে সহজেই বাঁচা যায়।

১. শসা : শসা পেট ঠাণ্ডা রাখতে অনেক বেশি কার্যকরী খাদ্য। এতে রয়েছে ফ্লেভানয়েড ও অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা পেটে গ্যাসের উদ্রেক কমায়।

২. দই : দই আমাদের হজম শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এতে করে দ্রুত খাবার হজম হয়, ফলে পেটে গ্যাস হওয়ার ঝামেলা দূর হয়।

৩. পেঁপে : পেঁপেতে রয়েছে পাপায়া নামক এনজাইম যা হজমশক্তি বাড়ায়। নিয়মিত পেঁপে খাওয়ার অভ্যাস করলেও গ্যাসের সমস্যা কমে।

৪. কলা ও কমলা : কলা ও কমলা পাকস্থলির অতিরিক্ত সোডিয়াম দূর করতে সহায়তা করে। এতে করে গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এ ছাড়াও কলার সলুবল ফাইবারের কারণে কলা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ক্ষমতা রাখে। সারাদিনে অন্তত দুটি কলা খান। পেট পরিষ্কার রাখতে কলার জুড়ি মেলা ভার।

৫. আদা : আদা সবচাইতে কার্যকরী অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানসমৃদ্ধ খাবার। পেট ফাঁপা এবং পেটে গ্যাস হলে আদা কুচি করে লবণ দিয়ে কাঁচা খান, দেখবেন গ্যাসের সমস্যা সমাধান হবে।

৬. ঠাণ্ডা দুধ : পাকস্থলির গ্যাসট্রিক এসিডকে নিয়ন্ত্রণ করে অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি দেয় ঠাণ্ডা দুধ। এক গ্লাস ঠাণ্ডা দুধ পান করলে অ্যাসিডিটি দূরে থাকে। ৭. দারুচিনি : হজমের জন্য খুবই ভালো। এক গ্লাস পানিতে আধ চামচ দারুচিনির গুঁড়ো দিয়ে ফুটিয়ে দিনে ২ থেকে ৩ বার খেলে গ্যাস দূরে থাকবে।

৮. জিরা : জিরা পেটের গ্যাস, বমি, পায়খানা, রক্তবিকার প্রভৃতিতে অত্যন্ত ফলপ্রদ। জ্বর হলে ৫০ গ্রাম জিরা আখের গুড়ের মধ্যে ভালো করে মিশিয়ে ১০ গ্রাম করে পাঁচটি বড়ি তৈরি করতে হবে। দিনে তিনবার এর একটি করে বড়ি খেলে ঘাম দিয়ে জ্বর সেরে যাবে।

৯. লবঙ্গ : ২/৩টি লবঙ্গ মুখে দিয়ে চুষলে একদিকে বুক জ্বালা, বমিবমিভাব, গ্যাস দূর হয়। সঙ্গে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়। ১০. এলাচ : লবঙ্গের মতো এলাচ গুঁড়ো খেলে অম্বল দূরে থাকে। ১১. পুদিনা পাতার পানি : এক কাপ পানিতে ৫টা পুদিনা পাতা দিয়ে ফুটিয়ে খান। পেট ফাঁপা, বমিভাব দূরে রাখতে এর বিকল্প নেই।

১২. মৌরির পানি : মৌরি ভিজিয়ে সেই পানি খেলে গ্যাস থাকে না। এ ছাড়াও খাবারে সরষে যোগ করুন : সরষে গ্যাস সারাতে করতে সাহায্য করে। বিভিন্ন খাবারের সাথে সরষে যোগ করা হয় যাতে সেইসব খাবার পেটে গ্যাস সৃষ্টি করতে না পারে।[/size]



https://24newsbangla.com/sobujislam/5000/%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%9F-%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%A6%E0%A7%82%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A6%B9/




28



ছোট শিশুদের সবকিছু মুখে দেওয়ার অভ্যাস। একটু অসাবধান হলেই মুখে দেওয়া এই বস্তু শ্বাসনালিতে আটকে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে। এ ধরনের দুর্ঘটনা যত দ্রুত শনাক্ত করা যায় ততই মঙ্গল।

হঠাৎ যদি কোনো বাচ্চার কাশি শুরু হয় বা বিষম খেতে শুরু করে এবং যদি এমন হয় যে ঠিক তার আগেই বাচ্চা ছোট কোনো বস্তু নিয়ে খেলছিল তবে বুঝতে হবে গলায় কিছু আটকে গেছে। এ ক্ষেত্রে বাচ্চার মুখ দিয়ে অতিরিক্ত লালা বের হতে পারে। কাশি থাকলেও জ্বর, সর্দি থাকবে না। সন্দেহ হলে তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নিতে হবে। তৎক্ষণাৎ করণীয়ঃ

শ্বাসনালিতে কিছু ঢুকে গেলে শিশুর মুখ খুলে যদি জিনিসটি দেখতে পান, সাবধানতার সঙ্গে বের করে ফেলুন। তবে দেখা না গেলে খোঁচাখুঁচি করবেন না, এতে আটকে যাওয়া জিনিসটি আরও ভেতরে ঢুকে যেতে পারে। বাচ্চা যদি কাশতে থাকে তবে তাকে কাশতে দিন। এতে কাশির সঙ্গে আটকে যাওয়া জিনিসটি বের হয়ে আসতে পারে। যদি শ্বাসকষ্ট হয় তবে শিশুর পিঠ চাপড়ে দিন। বাচ্চার বয়স এক বছরের কম হলে আপনি টুল বা চেয়ারের ওপর বসে শিশুকে আপনার কোলের ওপর আড়াআড়িভাবে উপুড় করে শুইয়ে, মাথা ঝুলিয়ে দিন।

এরপর শিশুর পিঠের মাঝখানে, একটু ওপরের দিকে আপনার হাতের তালুর নিচের অংশ দিয়ে জোরে জোরে পাঁচবার চাপড় দিন। কাজ না হলে আবার করতে পারেন। বয়স বেশি হলে শিশুর পেছনে হাঁটু মুড়ে বা সোজা হয়ে দাঁড়ান, শিশুর বগলের নিচ দিয়ে দুই হাত ঢুকিয়ে, জাপটে ধরার ভঙ্গিতে শিশুর পেটের ওপরের অংশ বরাবর আপনার হাত রাখুন।

এরপর এক হাত মুষ্টিবদ্ধ করে, শিশুর বুকের সামনে চওড়া হাড়ের নিচে, যেখানে দুই পাশের পাঁজরের শেষের হাড়টি মিলিত হয়েছে সে জায়গায় রাখুন। এবার অন্য হাত দিয়ে এই হাতটির কবজি চেপে ধরুন, দুই হাত দিয়ে ওপর এবং ভেতর দিক বরাবর শিশুর পেটে জোরে চাপ দিন। পরপর পাঁচবার চাপ দিন। এতে যদি কাজ না হয় কিংবা শিশুর যদি জ্ঞান না থাকে সে ক্ষেত্রে কাউকে সাহায্যের জন্য ডাকুন। মুখ থেকে মুখে বা নাকে শ্বাস দিন এবং দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে ছোট পুঁতি, মার্বেল, বোতাম, ফলের বিচি, ছোট পার্টসযুক্ত খেলনা শিশুদের নাগালের বাইরে রাখা উচিত। শিশুদের খেলনা বা জামা কেনার সময়ও পুঁতি, ঘন্টিওলা না কেনাই ভালো।

ডা. আবু সাঈদ : শিশু বিশেষজ্ঞ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল



https://24newsbangla.com/sobujislam/5047/%E0%A6%B9%E0%A6%A0%E0%A6%BE%E0%A7%8E-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%95/



29


ঢেঁড়স অত্যন্ত পুষ্টিকর ও ঔষধিগুণ সম্পন্ন। আপনার হয়তো জানা নেই ঢেঁরস সুস্বাস্থ্যের জন্য কতোটুকু গুরুত্ব রাখতে পারে। আসুন জেনে নেই কোনসব অসুখে ঢেঁড়স ঔষধের মতো কাজ করে।

১। হাঁপানিতে উপকারী: ঢেঁড়স হাঁপানী রোগে খুব উপকারী। প্রাচীন হারবাল চিকিৎসায় হাঁপানি রোগ সারাতে ঢেঁড়সকে ঔষধ হিসেবে ব্যবহারা করা হয়েছে। ঢেঁড়স বীজের তেল শ্বাসকষ্ট কমাতে পারে।

২। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে: ব্লাড সুগার কমাতে ঢেঁড়সের তুলনা নেই। প্রতি ১০০ গ্রাম ঢেঁড়সে রয়েছে ০.০৭ মিলিগ্রাম থায়ামিন, ০.০৬ মিলিগ্রাম নিয়াসিন, ০.০১ মিলিগ্রাম রিবোফ্লাভিন। যা ডায়াবেটিক রোগীর স্নায়ুতন্ত্রে পুষ্টি সরবারাহ করে সতেজ রাখে। তাই ডায়াবেটিক রোগীদের প্রতিদিন খাবার পাতে রাখা উচিত ঢেঁড়স।

৩। প্রোস্টেট গ্রন্থির অসুখে: ঢেঁড়সের একটা দারুন ঔষধিগুণ হলো এইট প্রসাবের প্রবাহ বৃদ্ধি করে। এতে প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের বৃদ্ধি কমে যায়। ঢেঁড়স পানিতে সেদ্ধ করে তরল পিচ্ছিল পদার্থ ছেঁকে পান করলে প্রস্রাবের প্রবাহ বাড়বে।

৪। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: ঢেঁড়সে রয়েছে প্রচুর আঁশ। আঁশ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। সহজে হজম হয় বলে বিপাকক্রিয়ায় সহায়তা করে।

৫। ত্বকের যত্নে: ঢেঁড়স ত্বকের জন্য খুব উপকারি। ঢেঁড়স খেলে ব্রণ কম হয়। ত্বকের ময়লা পরিষ্কার করে। রক্ত চলাচল বৃদ্ধি করে বলে, ত্বকের উজ্জ্বলতাও বৃদ্ধি পায়।

৬। হাড় ও দাঁতের যত্নে: প্রতি ১০০ গ্রাম ঢেঁড়সে রয়েছে ৬৬ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ১.৫ মিলিগ্রাম লোহা। ফলে ঢেঁড়স হাড়কে মজবুত রাখে। দাঁত ও মাড়ির রোগেও ঢেঁড়স উপকারী।

৭। চুলের যত্নে: চুলের ঢেঁড়সের রয়েছে প্রাকৃতিক ব্যবহার। ঢেঁড়সকে প্রাকৃতিক কণ্ডিশনার হিসেবে ব্যবহার করা যায়। চুল পড়া কমায়, চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।




https://24newsbangla.com/sobujislam/4351/%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A7%AD%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A7%87-%E0%A6%A2%E0%A7%87%E0%A6%81%E0%A7%9C%E0%A6%B8-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9C-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%94/



30



এটি দেখতে মাংসপিণ্ডের মত মনে হলেও এটি মূলত এক ধরণের টিস্যু। এই টনসিল মুখ,গলা, নাক কিংবা সাইনাস হয়ে রোগজীবাণু অন্ত্রে বা পেটে ঢুকতে বাধা দিয়ে থাকে। ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে টনসিলের প্রদাহ হয়ে থাকে। সর্দি-কাশির ভাইরাসগুলো এই সংক্রামণের জন্য দায়ী। ইনফেকশন বেড়ে গেলে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার প্রয়োজন পড়ে। তবে ঘরোয়া কিছু উপায় আছে যা টনসিলের ইনফেকশন দূর করতে সাহায্য করে।

১। লবণ পানি: গলা ব্যথা বা টনসিল ইনফেকশন দূর করার সবচেয়ে প্রচলিত উপায় হলো লবণ পানি। এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে আধা চা চামচ লবণ মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি দিয়ে কুলকুচি করুন। এটি ব্যাকটেরিয়া ধবংশ করার সাথে সাথে গলার ইনফেকশন দূর করতে সাহায্য করে। এটি তিন ঘন্টা পর পর করুন।

২। আদা চা: এক কাপ পানিতে এক চা চামচ আদা কুচি দিয়ে ১০ মিনিট জ্বাল দিন। প্রতিদিন এটি পান করুন। আদার অ্যান্টি ব্যকটেরিয়াল উপাদান ইনফেকশন ছড়াতে বাধা প্রদান করে। এর সাথে সাথে ব্যথা কমিয়ে দিয়ে থাকে।

৩। লেবুর রস এবং মধু: ২০০ মিলিগ্রাম গরম পানিতে লেবুর রস, এক চা চামচ মধু, আধা চা চামচ লবণ ভাল করে মিশিয়ে নিন। যতদিন গলা ব্যথা ভাল না হয় তত দিন পর্যন্ত এটি ব্যবহার করুন। টনসিলের সম্যসা দূর করার জন্য এটি বেশ কার্যকরী।

৪।মেথি: মেথি টনসিলের ব্যথা রোধ বেশ উপকারী। এক লিটার পানিতে তিন চা চামচ মেথি দিয়ে জ্বাল দিন। এটি ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট জ্বাল দিতে থাকুন। কুসুম গরম থাকা অবস্থায় এটি দিয়ে কুলকুচি করুন। মেথি গলা ফুলা এবং ব্যথা কমিয়ে দেবে।

৫। গ্রিন টি: এক কাপ গরম পানিতে এক চা চামচ গ্রিন টি পাতা দিয়ে ১০ মিনিট ফুটিয়ে নিন। এবার এটি আস্তে আস্তে চুমুক দিয়ে চা পান করুন। দিনে ৩ থেকে ৪ কাপ এই চা পান করুন। সবুজ চায়ে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে যা সব রকম ক্ষতিকর জীবাণু ধ্বংস করে দেয় এবং টনসিলের ব্যথা ধীরে ধীরে কমিয়ে থাকে।



https://24newsbangla.com/sobujislam/4342/%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%9F%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%A5%E0%A6%BE-%E0%A6%A6%E0%A7%82%E0%A6%B0-%E0%A6%95/


Pages: 1 [2] 3 4 ... 6