Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - sanjida.dhaka

Pages: 1 2 [3] 4 5 6
31


মানুষ হরহামেশাই কর্মক্ষেত্রে মানসিক চাপ অনুভব করে। এই মানসিক চাপ অনেক সময় স্বল্প মেয়াদে মানুষকে কাজের প্রতি অনুরাগী হতে সহায়তা করে। যেমন- আপনি যদি চাকরি থেকে ছাঁটাই হয়ে যাওয়া নিয়ে উদ্বেগ অনুভব করেন, তবে নতুন চাকরি খুঁজতে তৎপর হয়ে উঠবেন।

ব্রিটিশ মনোবিজ্ঞানী অ্যাডাম বোরল্যান্ড বলেন, সীমিত মানসিক চাপ আমাদের প্রতিদিনের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করতে সহায়তা করে। মানসিক চাপযুক্ত পরিস্থিতিতে আপনি যতো বেশি পড়বেন, তা সামলানোর দক্ষতাও আপনার মধ্যে ততো বাড়বে।

কিন্তু মানসিক চাপ বা উদ্বেগ মানুষের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী সমস্যারও জন্ম দেয়।

যেমন-
১। ঘুমের ব্যাঘাত
২। বিরক্তি বা খিটখিটে মেজাজ
৩। কর্মদক্ষতা কমে যাওয়া
৪। অ্যালকোহোল, তামাক বা মাদকাসক্তি
৫। খাদ্যের প্রতি অনিহা

এছাড়াও দীর্ঘদিন মানসিক চাপ অনুভবের কারণে মানুষের অগোচরে জন্ম নিতে পারে ভয়ানক এক সমস্যা। উদ্বেগের মুহূর্তে দেহের সহানুভূতিশীল নার্ভাস সিস্টেম স্বক্রিয় হয়ে ওঠে। ফলে মানুষের দেহ উদ্বেগ দমনে নিজের অজান্তেই শারীরিকভাবে প্রস্তুতি গ্রহণ করে।

এ পর্যায়ে মানুষ শারীরিক দিক থেকে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। হয়তো আপনি কখনোই আপনার চাকরিদাতাকে শারীরিক আঘাত করতে চাইবেন না, কিন্তু মানুষ এ পরিস্থিতিতে এমনটাই করে বসে।

এরকম পরিস্থিতিতে দেহে যেসব পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়-
১। হৃদস্পন্দন বৃদ্ধি
২। দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস
৩। মাথা ঘোরা
৪। মাথা ব্যথা
৫। বমি বমি ভাব
৬। পেশিতে টান অনুভব করা

এ পরিবর্তনগুলোর মূল কারণ কর্টিসোল (Cortisol)।
কর্টিসোল একপ্রকার হরমোন যা দেহের গ্লুকোজ নিঃসরণ ঘটায়। এই গ্লুকোজ পেশিতে শক্তি সরবরাহ করে এবং হুমকিকে শারীরিকভাবে আঘাত করতে প্ররোচিত করে।
কর্টিসোল দেহের ইনসুলিন উৎপাদনও বাধাগ্রস্ত করে। দীর্ঘমেয়াদী মানসিক চাপের ক্ষেত্রে দেহ কর্টিসোল উৎপাদন অব্যাহত রাখে এবং তা বিভিন্ন শারীরিক ব্যাধি, যেমন- ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ও দীর্ঘমেয়াদী পরিপাক সংক্রান্ত রোগের জন্ম দেয়।

মানসিক চাপ এড়ানোর উপায়
মানসিক চাপ বিষয়ক প্রবন্ধটি যদি ইতোমধ্যেই আপনার মানসিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তবে জেনে নিন কীভাবে মানসিক চাপ, উদ্বেগ, দুশ্চিন্তা ইত্যাদিকে সহজেই জীবন থেকে দূরে ঠেলে দেওয়া যায়। এক্ষেত্রে মনোবিজ্ঞানীরা নিম্নোক্ত পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করার পরামর্শ দেন-

    ১। নিয়মিত ব্যায়াম
    ২। মেডিটেশন বা ধ্যান
    ৩। স্বাস্থ্যকর খাদ্য গ্রহণ
    ৪। পরিবার ও প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটানো
    ৫। সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ
    ৬। খেলাধুলা ও বিনোদনমূলক কাজকর্ম করা
    ৭। আত্মবিশ্বাস নিয়ে চলাফেরা
    ৮। সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ

    মানসিক চাপ জীবনেরই একটি অংশ। তাই যেকোনো উদ্বেগপূর্ণ পরিস্থিতিতে নিজেকে উৎফুল্ল রাখার চেষ্টা করুন। সুস্থ থাকুন।



http://www.banglanews24.com/health/news/bd/615883.details



32



সৌন্দর্য চর্চায় লেবুর কোন তুলনাই হয়না। শরীরের কালো দাগ দূর থেকে থেকে শুরু করে ব্রণ কমানো কিংবা বলিরেখা নিয়ন্ত্রণ করা, সব কিছুই সম্ভব। িতাই বিস্তারিত জানতে দেখে নিন আজকের আয়োজন লেবু দিয়ে শরীরের যেকোন কালো দাগ দূর করুণ কৌশল। তাহলে আসুন জেনে নিই কীভাবে ব্যবহার করবেন?

১) লেবুর অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ভাইরাল উপাদান দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। রোদে পোড়া ত্বক ঠিক করতে লেবু কার্যকর।

২) লেবুতে থাকা বিভিন্ন অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বকের ভাঁজ ও দাগ দূর করে। লেবুতে থাকা ভিটামিন-সি ব্রণ বা অ্যাকনে সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া দূর করে।

৩) অ্যারোমাথেরাপির ক্ষেত্রেও লেবু গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। বয়সজনিত মুখের দাগ সারাতে লেবুর রস কার্যকর। লেবুর রস ব্যবহারে মুখের ব্রণও দ্রুত কমে।

৪) হাতের কনুই, হাঁটু, পায়ের গোড়ালির ময়লা দূর করতে লেবু কার্যকর। হাত ও পায়ের রুক্ষভাব দূর করতে লেবুর রসের সঙ্গে চালের গুড়ো মিশিয়ে হাত পায়ে লাগান।

৫) ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করতে সমপরিমাণ শসার রস ও লেবুর রস মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে তুলার সাহায্যে মুখে লাগান। ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর হয়ে ত্বক সতেজ হবে। মিশ্রণটি মুখে লাগানোর সঙ্গে সঙ্গে যদি জ্বলে, তবে দ্রুত ধুয়ে ফেলুন। সে ক্ষেত্রে লেবু ত্বককে অতিরিক্ত শুষ্ক করে ফেলতে পারে।

৬) ত্বকের অতিরিক্ত তেল দূর করার ক্ষেত্রে লেবুর রস ও দুধের মিশ্রণও বেশ কার্যকর। একটি বড় লেবুর অর্ধেক অংশ কেটে তার রস বের করে নিন। এবার তার সঙ্গে ১০ টেবিল চামচ তরল দুধ ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। ধীরে ধীরে পুরো মুখে ম্যাসাজ করুন, ১৫-২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। লেবু ত্বকের তেল দূর করে আর দুধ ত্বকের ময়েশ্চারাইজার ধরে রাখে। এই মিশ্রণটি চোখের চারপাশে সাবধানে লাগাতে হবে।

৭) একটি ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে অর্ধেকটা লেবুর রস ও এক টেবিল চামচ কমলা লেবুর রস কুসুম গরম পানি দিয়ে পেস্টের মতো করে মিশিয়ে ত্বকে লাগান। ২০ মিনিট রাখুন। শুকিয়ে যাওয়ার পর ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। ত্বকের তৈলাক্ত ভাব দূর করার পাশাপাশি উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

৮) একটি বড় লেবুর অর্ধেক অংশ কেটে রস বের করে নিন। তাতে ২ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে মুখে লাগিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট। ত্বকে টান টান ভাব হলে ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। মধু ত্বক উজ্জ্বল করবে। লেবুর প্রাকৃতিক ব্লিচিং গুণ ত্বককে আরো ফর্সা করবে।




https://24newsbangla.com/sobujislam/2713/

33


অনেকেই আছেন যারা খুব সহজে রেগে যান। আর রেগে গিয়ে এমন কিছু কথা বলে ফেলেন যা তাদেরকে আরও বিপদে ফেলে দেয়। সহজে রেগে যাওয়া সেই মানুষগুলোর জন্যই সুখবর নিয়ে এসেছে সাম্প্রতিক গবেষণা।

গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু খাবার আছে যা আমাদের মুডকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এই খাবারগুলো আমাদের মনের সঙ্গে সম্পর্কিত। কিছু খাবার আছে যা হরমোন নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে আমাদের নার্ভকে উত্তেজিত করে তোলে, আবার কিছু খাবার আছে যা আমাদের মনকে শান্ত করে দেয়। আসুন চিনে নিই এমন কিছু খাবারকে যা রাগ প্রশমিত করে-

১। কলা-

কলাতে প্রচুর প্ররিমাণে ভিটামিন বি এবং পটাশিয়াম আছে যা আপনার নার্ভকে শান্ত রাখে। নিয়মিত কলা খাওয়ার ফলে আপনার নার্ভ অনেকটা শান্ত হয়ে যাবে।

২। ডিম-

ডিম আপনার মুডকে প্রভাবিত করে থাকে। এতে প্রোটিন, ভিটামিন বি, ডি, আছে যা আপনার রাগ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। প্রতিদিনকার খাদ্যতালিকায় ১টি বা ২টি ডিম রাখার চেষ্টা করুন।

৩। অ্যাভাকাডো-

অ্যাভাকাডোতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি আছে যা মস্তিষ্কের কোষকে দক্ষতার সাথে পরিচালনা করে থাকে। এতে বিটা ক্যারাটিন, লুটিন, ভিটামিন ই, এবং গ্লুটাথায়ন আছে। যা নার্ভকে শান্ত রাখতে সাহায্য করে।

৪। আলু-

কার্বোহাইড্রেট এবং ভিটামিন বি সমৃদ্ধ একটি খাবার আলু। এটি রক্তচাপ কমিয়ে আপনার মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।

৫। আপেল-

রাগকে নিয়ন্ত্রণে আপেলের জুড়ি নেই। হঠাৎ খুব রাগ হল একটি আপেল খেয়ে নিন আর দেখুন রাগ অনেক কমে গেছে।



34
নাক ডাকার সমস্যা আপাত দৃষ্টিতে খুব বেশি ক্ষতিকর মনে না হলেও এটি আসলে বেশ খারাপ একটি সমস্যা। এটিকে হৃদরোগের লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়ে থাকে। এছাড়া এই নাক ডাকার সমস্যা যে বেশ বিরক্তিকর ও বিব্রতকর, তা নতুন করে বলে দিতে হয় না। যিনি নাক ডাকেন তিনি না বুঝলেও পাশে থাকা মানুষটির ঘুম হারাম হয়ে যায়। তাই নাক ডাকা সমস্যাকে অবহেলা নয় মোটেই। সমস্যাটি কীভাবে দূর করা যায় সে বিষয়ে ভাবতে হবে। ঘরোয়া ভাবে খুব সহজে এবং বেশ সুস্বাদু উপায়ে এই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।

জানতে চান কীভাবে?

গাজর-আপেলের জুস :-



শুনতে সাধারণ মনে হলেও এই জুসের রয়েছে শ্বাসনালী কিছুটা চওড়া ও শ্বাসনালীর মিউকাস দ্রুত নিঃসরণের ক্ষমতা যা নাক ডাকা থেকে মুক্তি দিতে বেশ কার্যকর।
– ২ টি আপেল ছোটো ছোটো খণ্ডে কেটে নিন এবং ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করুন।
– এবার ২ টি গাজর কেটে ব্লেন্ডারে দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।
– এরপর একটি লেবুর ১/৪ অংশ কেটে রস চিপে এতে দিয়ে দিন এবং ১ চা চামচ আদা কুচি দিয়ে ব্লেন্ড করে নিন।
– কিছুটা পানি দিয়ে বেশ ভালো করে ব্লেন্ড করে নিয়ে ছেঁকে নিন। – এই পানীয়টি প্রতিদিন পান করুন। নাক ডাকার সমস্যা দূরে পালাবে।

হলুদের চা :-



হলুদ প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। এটিও বেশ কার্যকর নাক ডাকা সমস্যার সমাধানে।
– ২ কাপ পরিমাণ পানি চুলায় বসিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন।
– এতে ১ চা চামচ পরিমাণ কাঁচা হলুদ বাটা দিয়ে দিন (গুঁড়ো হলেও চলবে)। এবার আবার জ্বাল করতে থাকুন।
– যখন পানি ফুটে ১ কাপ পরিমাণে চলে আসবে তখন তা নামিয়ে ছেঁকে ফেলুন।
– এবার ১/২ চা চামচ মধু ও ২/৩ ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন।
– প্রতিদিন ঘুমুতে যাওয়ার ৩০ মিনিট আগে পান করে নেবেন। দেখবেন নাক ডাকার সমস্যা দূর হয়ে যাবে।



35


অবশেষে ক্যান্সারের টিকা আবিষ্কৃত হয়েছে বলে দাবি করেছে একদল গবেষক। তাদের দাবি অনুসারে এই টিকা শরীরের যেকোনো অংশে ছড়িয়ে থাকা ক্যান্সারের জীবাণু ধ্বংস করবে।

এই খবর ক্যান্সার রোগে আক্রান্তদের জন্য সত্যিই সুখবর। এখনও পর্যন্ত এই মারণ রোগের চিকিত্‍সা বলতে অত্যন্ত কষ্টকর কেমোথেরাপি ও রেডিয়েশন পদ্ধতির মতো কয়েকটি পদ্ধতি রয়েছে। এবার সেই মারণ রোগকে নির্মূল করতে কিউবার একটি ছোট দলের বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করে ফেলেছেন বিস্ময়কর এই টিকা।

তাঁদের দাবি, এই টিকার সাহায্যেই ক্যান্সার রোগ নির্মূল করা সম্ভব। সেটা হাতেনাতে প্রমাণ পেতে ইতোমধ্যেই ৪ হাজারেরও বেশি আক্রান্তদের উপর পরীক্ষা করা হয়েছে। যাঁরা এখন স্বাভাবিক মানুষের মতোই সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

বিজ্ঞানীদের দাবি, ক্যান্সারের অ্যাডভান্সড স্টেজেও এই টিকা দারুণভাবে কাজ করবে। কেমোথেরাপি ও রেডিয়েশনের মতো মারাত্মক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এই ভ্যাকসিনে নেই। কিউবার বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ভ্যাকসিনের প্রভাবে দ্রুত সেরে উঠবে ব্রেস্ট, ইউটেরাস ও প্রস্টেট ক্যান্সার। আর এই তিনটি ক্যান্সারের প্রকোপই সবচেয়ে বেশি।

ভাবছেন, এই ভ্যাকসিনের দাম অত্যন্ত বেশি হবে? কিন্তু কিউবার বিজ্ঞানীদের কথায়, মধ্যবিত্তের সামর্থ্যের মধ্যেই মিলবে এই অত্যন্ত জরুরি টিকা।

কিউবার বিজ্ঞানীদের অসাধ্য সাধন কর্মকাণ্ডকে বাহবা জানিয়েছে সায়েন্টিফিক কমিউনিটি। শুধু বিজ্ঞানীরাই নন, বহু চিকিত্‍সকও এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করে আক্রান্তদের মধ্যে পরিবর্তন লক্ষ করেছেন। পরে দেখা গিয়েছে, ওই রোগীদের শরীর থেকে ক্যান্সারের কোষের দেখা মেলেনি।

এই মহামূল্যবান ভ্যাকসিনটি যেহেতু কিউবা থেকে আবিষ্কার হয়েছে, তাই কিউবার বাসিন্দাদের ক্ষেত্রে ভ্যাকসিনটি বিনামূল্যেই দেওয়া হচ্ছে। আর ভিনদেশের যাঁরা এই ভ্যাকসিন পেতে চান, তাঁরা কিউবার মেডিক্যাল সার্ভিসে যোগাযোগ করতে পারেন আপনি নিজেই।

সমস্ত তথ্য জানুন এখানে…​

কিউবার কোথায় এই ভ্যাকসিন পাবেন, কোথায় যোগাযোগ করবেন…

কিউবার ল্যাবিওফ্যাম কোম্পানির EscoZul এই ভ্যাকসিন বিক্রি করে।

ঠিকানা: 16 1/2 Boyeros, Santiago de las Vegas, Havana, Cuba

Tel: +53 683 3188/683 2151,

fax: 683 2151,

tel: 537 683 2151

phone Dr. Verges – radiologist and Niudis Cruz: 537 683 0924,

e> mail: niudis.cruz@infomed.sld.cu ও

ন্যাশানাল সেন্টার ফর হেলথ থেকেও পাওয়া যাবে এই ভ্যাকসিন। সেখানকার ঠিকানাও দেওয়া হল,

Director — Dr. Jose Andres Lopez Losada, [email protected]

Number: +5378322202,

“Health Tourism”: Calle 230 entre 15A and 17, Siboney, Havana, Cuba,

tel. +53 7 33-7473 al 74 Fax: +53 7 33-7198 y +53 7 33 -7199,

email: [email protected]

Web: Centro Internacional de Salud La Pradera

এছাড়া যোগাযোগ করতে পারেন ন্যাশানাল ইনস্টিটিউট অফ অনকোলজি-তে..

InstitutoNacional de Oncología y Radiobiología — INOR, address: Calle 29, esq. F, Vedado, Plaza de la Revolución, Havana, Cuba,

tel. (537) 8325865, (537) 8382576, (537) 8382578, (537) 8375440. Fax (537) 8382593,

Website www.inor.sld.cu

এই ভ্যাকসিনের খোঁজ করবেন অনেকেই। তাঁদের সুবিধার্থেই এই জরুরি তথ্যগুলি দিয়ে দেওয়া হল। আশা করি, বহু মানুষ ও পরিবারের কাজে আসবে।

উল্লেখ্য, শরীরের মধ্যে অ্যান্টিবডিটাই ক্যান্সার কোষে পরিণত হয় এবং তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই এড়িয়ে যান, আবার বেশিরভাগই ধরা পড়ে একদম শেষের দিকে গিয়ে। তবে বেশ কিছু থেরাপির মাধ্যমে এই রোগ সারানো সম্ভব হয়েছে। কিন্তু নতুন আবিষ্কার এই ভ্যাকসিন প্রয়োগে দ্রুত সেরে উঠছেন রোগীরা। আর সম্প্রতি বসনিয়া, প্যারাগুয়ে, কলম্বিয়া ও পেরুতেও মিলছে এই ভ্যাকসিন।

http://abegimon.com/archives/6906


36
Common Forum/Request/Suggestions / এপথাস আলসার
« on: November 08, 2017, 11:31:53 AM »

এপথাস আলসার একধরনের মুখের ঘা। এই ঘায়ের ধরণ এমন যে এটি একবার হলে আবার হওয়ার প্রবণতা থাকে। সাধারণত এ ধরণের ঘা’য়ের স্থায়িত্ব ৭-১০ দিন।

কোথায় হয়?
মুখের যে কোন অংশে বিশেষত মাড়ি,জিহ্বা, তালু ইত্যাদিতে হতে পারে।

কারণ: এপথাস আলসার হওয়ার অনেক কারণ আছে।তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কারণগুলো হল-
১. অপুষ্টি
২. স্ট্রেস বা উদ্বিগ্নতা
৩. এলার্জী
৪. হরমোনের তারতম্য
৫. ঘা এর আশে পাশের কোন দাঁতের কারণে কামড় পড়া, খোঁচা লাগা বা ব্যথা পাওয়া
৬. সঠিকভাবে মুখ পরিষ্কার না রাখা
৭. ধূমপান

লক্ষণ:
১. ঘা হওয়া
২. জ্বালা পোড়া করা কিংবা চুলকানো
৩. অনেকসময় ব্যথা হতে পারে
৪. ঝাল খাবার কিংবা কার্বোনেটেড পানীয়ের সংস্পর্শে জ্বালা পোড়া ভাব বৃদ্ধি পাওয়া
৫. জিহ্বায় ঘা হলে খাওয়া দাওয়ায় কিংবা কথা বলায় সমস্যা হওয়া
৬. তালুতে হলে খাবার গলাধঃকরণ  এ সমস্যা হওয়া

চিকিৎসা :
এই রোগের জন্য একজন ডেন্টাল সার্জনের শরণাপন্ন হতে হবে।
১. ঘা এর কারণ যদি আশে পাশের কোন ভাঙ্গা দাঁত কিংবা কোন দাঁতের ধারালো অংশ হয়, তাহলে ভাঙ্গা দাঁত উঠিয়ে নিতে হবে কিংবা সংরক্ষণ করতে হবে,দাঁতের ধারালো অংশ গ্রাইন্ডিং বা স্মুথ করে নিতে হবে।
২. ঘা’য়ে ব্যবহারের জন্য স্টেরয়েড জাতীয় মলম দেয়া যেতে পারে
৩. ঝাল ও কার্বনেটেড পানীয় পরিহার করতে হবে
৪. ধূমপান পরিহার করতে হবে
৫. মুখের পরিচ্ছন্নতা যথাযথভাবে বজায় রাখায় জন্য সঠিক নিয়ে ব্রাশ,ফ্লসিং ও মাউথ ওয়াশ ব্যবহার করতে হবে।
৬. অতিরিক্ত  উদ্বিগ্নতা  এড়িয়ে চলতে হবে।
৭. প্রয়োজনে ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট দেয়া যেতে পারে।


http://blog.doctorola.com/archives/4538

37


ঝাল, মশলা সহযোগে বানানো খাবার ছাড়া তো আমাদের মুখেই উঠেনা। কিন্তু এমন খাবার খাওয়াটা কি আদৌ উচিত? এ বিষয়ে হওয়া গবেষণা এবং চিকিৎসকেদের মতামত নিয়ে আলোচনা করা হবে, তবে তার আগে জানার চেষ্টা চালাবো কেন আমরা এমন ঝাল খাবার খেতে পছন্দ করি।
বেশ কিছু কেস স্টাডিতে একটা কথা সামনে এসেছে যে ঝাল খাবার খাওয়ার অভিজ্ঞতাকে অনেকে রোলার-কোস্টার রাইডের সঙ্গে তুলনা করে থাকেন। 

আসলে সবই জানেন ঝাল খেলে হুস-ফাস করতে হবে। হবে অল্প-বিস্তর কষ্টও। তবু সেই অভিজ্ঞতা পেতে সবাই মুখিয়ে থাকেন। আর যদি বাঙালির কথা বলেন তো, তাহলে বলতে হয়, আমাদের জিনেই রয়েছে তেল-ঝালের প্রতি এক অমোঘ প্রেম। কিন্তু প্রশ্ন হল এমন ঝাল দেওয়া খাবার খেলে কি শরীরে বিবিধ অঙ্গের ক্ষতি হয়ে থাকে? গবেষকদের মতে ঝাল খাবার খেলে শরীরের নানা উপকার হয়। যেমন...

১. ওজন কমে:
একেবারে ঠিক শুনেছেন! নিয়মিত ঝাল খাবার খেলে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকতে বাধ্য হয়। কারণ লঙ্কার শরীরে উপস্থিত ক্যাপসিসিন নামক উপাদান শরীরে প্রবেশ করার পর মেটাবলিজেম রেট এতটা বাড়িয়ে দেয় যে ফ্যাট জমার আশঙ্কা একেবারে কমে যায়। সেই সঙ্গে ফ্যাট বার্ন করার প্রক্রিয়াকেও ত্বরান্বিত করে।
ফলে ওজন বাড়ার কোনও আশঙ্কা কমে। প্রসঙ্গত, ঝাল খাবার খাওয়ার পর প্রায় ২০ মিনিট পর্যন্ত ক্যাপসিসিন শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত মেদকে গলাতে থাকে। তাই তো চটজলদি ওজন কমাতে লঙ্কা দিয়ে বানানো ঝাল জাল খাবার খাওযার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। 

২. হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে:
সমগ্র বিশ্বজুড়ে হওয়া একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে যেসব দেশের নাগরিকেরা বেশি মাত্রায় ঝাল খেয়ে থাকেন, তাদের হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। কারণ লঙ্কা দিয়ে বানানো ঝাল খাবার খেলে শরীরে এমন কিছু উপাদানের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে যে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায়। সেই সঙ্গে হার্টের অন্দরে হওয়া ইনফ্লেমেশনও কমে। ফলে নানাবিধ হার্টের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। 

৩. ক্যান্সার রোগ দূরে থাকে:
আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন ফর ক্যান্সার রিসার্চের প্রকাশ করা রিপোর্ট অনুসারে কাঁচা লঙ্কায় উপস্থিত ক্যাপসিসিন, ক্যান্সার সেলেদের মেরে ফেলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে ঝাল খাবার তৈরি করার সময় ব্যবহৃত হলুদ এবং সরষের তেলও এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা নেয়। গবেষণা অনুসারে হলুদ এবং সরষের তেল ক্যান্সার সেলের গ্রোথ আটকাতে এবং টিউমারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, আমরা অনেকেই খাবারের স্বাদ বাড়াতে গোলমরিত ব্যবহার করে থাকে। এই মশলাটিও ক্যান্সার রোগের প্রতিরোধে নানাভাবে সাহায্য করে থাকে। 

৪.ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে:
ঝাল খাবার খাওয়া মাত্র সারা শরীর গরম হয়ে যায়। ফলে রক্তের প্রবাহ বাড়ে যাওয়ার কারণে রক্তচাপ স্বাভাবিক মাত্রায় নেমে আসতে সময় নেয় না। প্রসঙ্গত, লঙ্কায় উপস্থিত ভিটামিন এ এবং সি-ও এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে শরীরের রোগ প্রতিরোধক ব্যবস্থাকে মজবুত করতে এবং সংক্রমণকে দূরে রাখতেও সাহায্য় করে। 

৫. মানসিক অবসাদ দূর করে:
বেশ কয়েকদিন ধরেই মনটা কেমন দিশেহারা। সেই সঙ্গে হাসিও যেন দূর পালিয়েছে! তাহলে আর সময় নষ্ট না করে পছন্দের ঝাল খাবার খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন নিমেষে মন ভাল হয়ে যাবে। কারণ এমন ধরনের খাবার খাওয়া মাত্র আমাদের মস্তিষ্কে সেরাটোনিন নামক "ফিল গুড" হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। ফলে মন খারাপের কালো মেঘ কাটতে সময় লাগে না।




38


লবঙ্গকে আমরা কেবল মসলা হিসাবেই চিনি, এর হরেক রকম গুণের কথা সম্পর্কে অনেকেরই ঠিকঠাক মত জানা নেই। অবশ্য আমাদের দেশের বাজার ভরে গেছে নকল লবঙ্গ দিয়ে। লবঙ্গ থেকে আর নির্যাস বের করে কেবল গুনহীন খোসাটুকু মশলা হিসাবে বাজারে বিক্রি হয় আজকাল যা আপনার জন্য মোটেও উপকারী নয়।

আসল লবঙ্গ চিনে নেয়ার রয়েছে কিছু উপায়, একই সাথে এই আসল লবঙ্গের রয়েছে দারুণ সব উপকারিতা ও ব্যবহার। চলুন, জেনে নিই জাদুকরী এই মশলার গুণের কথা।

১. দাঁত ব্যথা করছে? কয়েকটি লবং থেঁতো করে আক্রান্ত স্থানে দিয়ে রাখুন, দাঁত ব্যথার নিশ্চিত উপশম হবে। লক্ষ্য করলেই দেখবেন, বেশিরভাগ টুথপেস্টই লবঙ্গ থাকার দাবী করে। ঠিক এই কারণচত

২. হাঁটুতে, পিঠে বা হাড়ের কোন জয়েন্টে ব্যথা? বেশ কিছু লবঙ্গ নিন। সেগুলোকে হালকা আঁচে তাওয়ায় টেলে নিন। এই টেলে নেয়া লবঙ্গকে কাপুরে বেঁধে একটি পুঁটুলি তৈরি করুন। গরম থাকতেই এই পুঁটুলি দিয়ে আক্রান্ত স্থানে সেঁক দিন। ব্যথা কমে যাবে,

৩. বমি বমি ভাব দূর করতে গুঁড়ো লবঙ্গের সাথে মধু মিশিয়ে খেয়ে নিন। আরাম পাবেন।

৪. সাধারণ ঠাণ্ডা লাগা হোক কিংবা অ্যাজমা, সাইনাস ইত্যাদির সমস্যা; দিনে কয়েক কাপ লবঙ্গ চা খেলে রোগের উপশম হবে। লবঙ্গ পানিতে ফুটিয়ে চা তৈরি করে নেবেন, ঠিক যেভাবে আদা চা তৈরি করেন।

৫. প্রচণ্ড মাথা ব্যথা করছে? কয়েক ফোঁটা লবঙ্গ তেল একটি কাপড়ে বা টিস্যুতে দিয়ে কপালের ওপরে দিয়ে রাখুন। ১৫ মিনিট রেখে সরিয়ে ফেলুন। মাথা ব্যথা কমবে।

৬. মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে লবঙ্গ তুলনাহীন। কয়েকটি মুখে ফেলে চিবালেই আপনার নিঃশ্বাস হয়ে উঠবে তরতাজা।

৭. প্রচণ্ড স্ট্রেস ও উৎকণ্ঠা অনুভব করছেন? এক টুকরো লবঙ্গ মুখে ফেলে চুষে চুষে খেয়ে ফেলুন। পান করতে পারেন লবঙ্গের চাও। মেজাজ ফুরফুরে হয়ে উঠবে।

৮. ব্রণ দূর করতে লবঙ্গ তুলনা নিন। তাজা লবঙ্গের গুঁড়ো সামান্য মধুর সাথে মিশিয়ে ব্রণের ওপরে দিয়ে রাখুন। ব্রণ দূর হবে।

৯. লবঙ্গের তেল আপনার নিয়মিত ব্যবহারের তেলের সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করলে চুল পড়া কমবে এবং চুলের ঘনত্ব বৃদ্ধি পাবে।

১০. গর্ভবতী মায়েরা সকালের বমি বমি ভাব দূর করতে লবঙ্গ চুষতে পারেন। শুধু লবঙ্গ মুখে ভালো না লাগলে সামান্য গুড় মিশিয়ে নিতে পারেন। সকাল বেলাটায় অনেক স্বস্তি বোধ করবেন।


http://abegimon.com/archives/6306



39
মরণব্যাধি ক্যানসার। প্রতিরোধের উত্তম চিকিৎসা। শরীরের অতি দ্রুত অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজনের মাধ্যমে ক্যানসার তৈরি হয়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, অনেক খাবার ক্যানসারের ঝুঁকি কমায় এবং অনেক খাবার আবার ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। যেসব খাবার ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায় তা নিজে জানুন এবং অন্যকে জানিয়ে সচেতন করে দিন।
 ১. আলুর চিপস : চিপসের স্বাদ মচমচে করার জন্য কৃত্রিম রং, ফ্লেভার, ট্রান্স ফ্যাট ও প্রচুর লবণ মিশানো  হয়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, এটি ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।

২. ফ্রেঞ্চ ফ্রাই : আমেরিকান ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মতে, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই তৈরির সময়  উচ্চ তাপ ও তেলের সংস্পর্শে অ্যাক্রাইলেমাইড সৃষ্টি হয়ে ক্যানসার হয়।

৩. প্রক্রিয়াজাত মাংসের খাবার : বেকন, হটডগ, মিডলোফ, সসেজ, বার্গার ইত্যাদি খাবারে সোডিয়াম নাইট্রেট থাকে। গবেষণায় দেখা গেছে, সোডিয়াম নাইট্রেটযুক্ত প্রক্রিয়াজাত মাংস মানবদেহে এন নাইট্রোসোতে পরিণত  হয়ে ক্যানসার সৃষ্টি করে।

৪. সফট ড্রিংকস : বাজারের কোমল পানীয়তে থাকে ক্ষতিকর রং, অতিরিক্ত সোডা ও কৃত্রিম  চিনি। এটি রক্তে গ্লুকোজ বাড়িয়ে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্ট বাড়িয়ে মেটাবলিক সিনড্রোম ও ক্যানসার তৈরি করে। গবেষণায় দেখা গেছে, কোমল পানীয়তে ‘৪-মিথাইলমিডাজল’ নামের যে রং থাকে, এটি ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়।

৫. কৃত্রিম চিনি : কৃত্রিম চিনি অ্যাসপার্টের চিনির চেয়ে ১০ গুণ বেশি মিষ্টি এবং ক্যালোরি শূন্য। এটি ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই খুব জনপ্রিয়। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিতভাবে কৃত্রিম চিনি খেলে ব্রেইন ক্যানসার হতে পারে।

৬. অ্যালকোহল : অতিরিক্ত অ্যালকোহল মানব দেহে রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে অ্যাসিটেলডিহাইডে পরিণত হয়ে ডিএনএ ভেঙ্গে ক্যানসার তৈরি করে।

৭. গ্রিল, বারবিকিউ : গ্রিল, বারবিকিউ এ ধরনের মাংসে উচ্চ তাপে হেটারোসাইক্লিক অ্যামাইন তৈরি হয়। এ থেকে ক্যানসার হতে পারে।

৮. বিষাক্ত কীটনাশক ও ক্যামিক্যাল যুক্ত ফলমূল : আমেরিকান ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মতে, ৩০ ভাগ কীটনাশক হচ্ছে কারসিনোজেন। এটি মানব দেহে কোনো না কোনো ক্যানসার তৈরি করে।

 ৯. খোলা বাজারের শরবত : বাজারের শরবতে থাকে দূষিত পানি, বরফ ও ক্ষতিকর রং। এগুলো জন্ডিস, হেপাটাইটিস ও লিভার ক্যানসার সৃষ্টি করে।

১০. পুরোনো তেল : পুরোনো তেল দিয়ে বারবার খাবার রান্না করলে ফ্রি রেডিক্যাল তৈরি হয়ে ডিএনএ কে ভেঙে ক্যানসার  হতে পারে।

40



এলার্জির যন্ত্রণা ভুক্তভোগীরাই জানেন।   অনেকের জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে এটি।
শুধু এলার্জির ভয়ে সুস্বাদু সব খাবার সামনে রেখেও খেতে পারেন না। যার কারণে ভুগতে হয় পুষ্টিহীনতায়। আর চুলকানির বিড়ম্বনা তো রয়েছেই।

চিংড়ি, গরুর মাংস, ইলিশ কিংবা গরুর দুধ খেলে শুরু হয় গা চুলকানি বা চামড়ায় লাল লাল চাকা হয়ে ফুলে ওঠা। এগুলো হলো আপনার এলার্জি থাকার লক্ষণ।   তবে এ থেকে মুক্তি পেতে অনুসরণ করুন ঘরোয়া উপায়টি। যা সারাজীবনের জন্য বিদায় জানাতে পারেন এলার্জিকে। চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক উপায়টি-

ভালো করে  ১ কেজি নিম পাতা রোদে শুকিয়ে নিন। শুকনো নিম পাতা পাটায় পিষে গুঁড়ো করুন এবং তা ভালো করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন একটি কৌটায় ভরে রাখুন।
এক চা চামচের ৩ ভাগের ১ ভাগ নিমপাতার গুঁড়া এবং ১ চা চামচ ইসবগুলের ভুষি ১ গ্লাস পানিতে আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। আধা ঘণ্টা পর চামচ দিয়ে ভালো করে নাড়ুন।

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে, দুপুরে ভরা পেটে এবং রাতে শোয়ার আগে খেয়ে ফেলুন। ২১ দিন একটানা খেতে হবে। কার্যকারিতা শুরু হতে ১ মাস লেগে যেতে পারে। এরপর থেকে এলার্জির জন্য যা যা খেতে পারতেন না, যেমন- হাঁসের ডিম, বেগুন, গরুর গোশত, চিংড়ি, কচু, কচুশাক, গরুর দুধ, পুঁইশাক, মিষ্টি কুমড়াসহ অন্যান্য খাবার খান। আর সমস্যা হবে না।

আপনার শিশুকে ছোট থেকেই সব ধরনের খাবার, ফল ও সবজি খাওয়ানোর অভ্যাস করান। পারলে গরুর দুধও খাওয়ান একেবারে ছোট থেকে। এর ফলে, খাদ্যজাত এলার্জির হাত থেকে অনেকটাই মুক্ত থাকবে সে।


http://www.bd-pratidin.com/life/2017/10/31/276833


41
ত্বকের যত্নে প্রতিনিয়ত আমরা কত কিছুই করে থাকি। ব্যস্ত জীবনে হয়তো ঘরোয়া উপায়ে সব সময় ত্বকের যত্ন করা হয়ে ওঠে না। তাই আমাদের নির্ভর করতেই হয় ফেয়ারনেস ক্রীমের ওপর। কিন্তু যেন তেন ক্রীমের ব্যবহার কিন্তু আপনার ত্বকের জন্যে হতে পারে মারাত্মক ক্ষতির কারণ। দ্রুত বুড়িয়ে যাওয়া, কালো হয়ে যাওয়া, মসৃণতা নষ্ট সব ত্বকে নানা স্থায়ী দাগও পড়ে যেতে পারে। তাই জেনে নিন বিশ্বের সেরা ৯ ক্রীমের ভালো মন্দ যা বাংলাদেশেও সহজলভ্য।

১। ওলে ন্যাচারাল হোয়াইট ক্রীমঃ
• এতে আছে ট্রিপল নিউট্রিয়েন্ট সিস্টেম, ভিটামিন বি-৩, প্রো বি-৫ ও ই
• নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকে একটা উজ্জ্বল আভা দেখা দেয়
• এসপিএফের মাত্রা-২৪ এবং ত্বকের সাথে খুব সহজে মিশে যায়।
সমস্যাজনক দিকঃ
• তৈলাক্ত ত্বকের ক্ষেত্রে অনেক চকচকে মনে হতে পারে
• বলিরেখা প্রতিরোধে এর কোন ভূমিকা নেই

২। টাচ এন্ড গ্লো এডভান্সড ফেয়ারনেস ক্রীমঃ
• এতে আছে উদ্ভিদের নির্যাস ও মাল্টিভিটামিন
• এসপিএফ-১৫, তৈলাক্ত ত্বকে ম্যাট লুক আনে
• ত্বক কিছুটা উজ্জ্বল করে
সমস্যাজনক দিকঃ
• এসপিএফের মাত্রা যথেষ্ট নয়। রোদে সূর্য থেকে সুরক্ষা দেয় না।

৩। লোটাস হারবারল হোয়াইট গ্লো স্কিন ইমালশনঃ
• এটি অনেকটা লোশনের মত। সহজেই ত্বক এটাকে শুষে নেয়
• এসপিএফ ভালো এবং তৈলাক্ত ত্বকের জন্যে পারফেক্ট
সমস্যাজনক দিকঃ
• দামের তুলনায় পরিমাণে থাকে খুবই কম ।

৪। ক্লিন এন্ড ক্লিয়ার ফেয়ারনেস ক্রীমঃ
• তৈলাক্ত ত্বকের জন্যে দারুণ কার্যকর
• ইউ ভি ফিল্টার সূর্যের অতি বেগুনী রশ্নি থেকে ত্বককে বাঁচায়।
• ত্বকের রোমকূপকে বন্ধ করে না ফলে ত্বক ব্রন থেকে সুরক্ষিত থাকে
• খুব সামান্য পরিমাণ ব্যবহারেই দারুণ কাজ দেয়
সমস্যাজনক দিকঃ
• শুষ্ক ত্বকের জন্যে ভালো নয়। ত্বকে সাদাটে পাউডারের মত ছোপ রেখে যায়
• এলকোহল ও আরো কিছু উপাদান এতে থাকে। যাতে ত্বকের ক্ষতি হতে পারে

৫। লরিয়েল প্যারিস পার্ল পারফেক্ট ট্রান্সপারেন্ট রোজি ফেয়ারনেস ডে ক্রীমঃ
• সব ধরনের ত্বকের উপযোগী
• সূর্যের অতি বেগুনী রশ্নি থেকে ত্বককে বাঁচায়।
• ত্বকের উজ্জ্বল আভা আনে নিয়মিত ব্যবহারে।
সমস্যাজনক দিকঃ
• অন্যান্য ক্রীমের তুলনার দাম বেশি

৬। ল্যাকমে পারফেক্ট রেডিয়েন্স ইন্সটেন্স হোয়াইটেনিং ডে ক্রীমঃ
• ভিটামিন বি-৩ যুক্ত
• ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে ও উজ্জ্বলতা বাড়ায়
• সাধারনত ব্যবহারের পর ত্বকের উপর বাড়তি কিছু দেয়া আছে বলে মনে হয় না
সমস্যাজনক দিকঃ
• এতে কিছু ক্ষতিকর উপাদান আছে যা ত্বকের জন্যে ভালো নয়

৭। পন্ডস হোয়াইট বিউটিঃ
• তৈলাক্ত ত্বকে খুব ভালো মানিইয়ে যায়
• আর্দ্র আবহাওয়ায় খুব ভালো কাজ করে।
• এসপিএফের মাত্রা ২০ এবং খুব দ্রুত ত্বকের সাথে মিশে গিয়ে দ্রুত এক ধরনের গোলাপী আভা দেখা দেয়
সমস্যাজনক দিকঃ
• শুষ্ক ত্বকের জন্যে যথেষ্ট ময়েশ্চারাইজার সম্পন্ন নয়।

৮। নিভিয়া ভিসেজ স্পার্কলিং গ্লো ক্রীমঃ
• সব ধরনের ত্বকের সাথে মানিয়ে যায় ও ত্বকের মেলানিনের মাত্রা কমিয়ে আনে
• ত্বকে আর্দ্রতা যুগিয়ে মসৃণ করে তোলে
• আল্ট্রাভায়োলেট রে থেকে ত্বককে রক্ষা করে।
• এতে হোয়াইন ক্রিস্টালিন টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়েছে
সমস্যাজনক দিকঃ
• পরিমাণের তুলনায় কিছুটা দামী

৯। গার্নিয়ার লাইট ওভারনাইট পিলিং ফেয়ারনেস ক্রীমঃ
• এতে আছে মাইক্রোপিলিং ফলের নির্যাস
• সব ধরনের ত্বকের সাথে মানিয়ে যায় ও ত্বকের রঙের অসামঞ্জস্য দূর করে
• ভিটামিন সি ত্বককে সজীব করে তোলে
• ত্বকের দাগ দূর করে
সমস্যাজনক দিকঃ
• তৈলাক্ত ত্বকের জন্যে কিছুটা চকচকে ও ভারী মনে হতে পারে।
তাহলে এবার বেছে নিন এপ্নার ত্বকের জন্যে এই বিশ্বসেরা ক্রীমগুলোর মধ্যে কোনটি পারফেক্ট! কেননা, ত্বকের যত্নে “নো কম্প্রোমাই



https://news.banglanewslive.com/detailsnews.php?news_id=3458


42
১০ বছর আগে রহস্যজনক কাশি শুরু হয়েছিল জেন বিচাম নামে এক নারীর। তার সে কাশি থামছিলই না। সে কাশি যেনতেন কাশি ছিল না। ক্রমাগত তাকে কাশতে এবং গলা পরিষ্কার করতে হত। এতে তার যেমন অসুবিধা হত তেমন আশপাশের মানুষেরও অসুবিধা হত। ঘুমের সমস্যার কারণে আরও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন তিনি। ভ্রমণ করা তার শখ হলেও তা আর করতে পারছিলেন না।

এক দশক আগে কাশি যখন শুরু হয় তখন জেন নামে সে নারী চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন। প্রথমে বক্ষব্যাধী বিশেষজ্ঞকে দেখান। এরপর নাক, কান, গলা বিশেষজ্ঞ। এরপর আরও কয়েকজন বিশেষজ্ঞকে দেখানো হয়। কিন্তু কাশির সঠিক কারণ কেউ নির্ণয় করতে পারেনি। চিকিৎসকরা বলেন, জেনের মারাত্মক শ্বাসকষ্ট হয়েছে। আর এজন্যই তিনি এমন কাশি দিচ্ছেন। যদিও জেন তাদের পরামর্শ মেনে বহু ধরনের ইনহেলার ও অন্যান্য ওষুধ সেবন করেও কোনো উন্নতি পাননি।ফলে কাশি চলতেই থাকে জেনের। কেটে যায় ১০ বছর। এখন তার বয়স ৭২। এ সময় হঠাৎ তিনি অনলাইনে অনুসন্ধান করে একজন বিশিষ্ট গ্যাস্ট্রোএনটেরোলজিস্টের সন্ধান পান। ড. জেফরি ক্যামিয়ান জেনকে পরীক্ষা করেই বুঝতে পারেন, এটি সবাই যে সমস্যা ভাবছে, তা নয়। আর তাই তিনি সব ওষুধ বন্ধ করতে বলেন। কারণ সমস্যাটি সম্পূর্ণ ভিন্ন।

বেশ কিছু পরীক্ষা করে ড. জেফরি নিশ্চিত হন যে, সমস্যাটি ‘সাইলেন্ট হার্টবার্ন’ বা নিরব অম্বল। আর এ সমস্যাটি থেকেই তার ক্রমাগত কাশি হচ্ছে। যা গত ১০ বছর তাকে একটুও শান্তিতে থাকতে দেয়নি। ড. জেফরি জানান, বিশেষ একটি সমস্যার কারণে পেটের এসিড তার পাকস্থলি থেকে গলায় চলে আসে। আর এতেই গলায় অস্বস্তি ও কাশি হয়। এরপর তিনি তার সেই অ্যাসিডের চিকিৎসা করেন। দুই মাস চিকিৎসার পর জেন সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যান।



http://www.somoyerkonthosor.com/2017/10/09/175064.htm/amp

43
 

সবাইকেই বিয়ে করতে হয় একসময়। আজ জেনে নেয়া যাক বিয়ের আগে একটি জরুরী স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয়। জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. নাফিসা আবেদীন।

বিয়ের আগে রক্ পরীক্ষা করিয়েছেন, এ রকম লোকের সংখ্যা হাতেগোনা। পারিবারিক ও সামাজিক অবস্থান মেলানোর পাশাপাশি রক্ত পরীক্ষাও হয়ে উঠেছে বিয়ের অনিবার্য অংশ। কেননা:

এই রক্ত পরীক্ষার প্রধান উদ্দেশ্যই হলো ভবিষ্যতে সন্তান সুস্থ হবে কি-না তা দেখা। তাই হবু মা ও বাবার নির্দিষ্ট কিছু রক্ত পরীক্ষা করানো প্রয়োজন। দু’জনের ব্লাড গ্রুপ এ, বি, ও পজিটিভ এবং ও নেগেটিভ না হওয়াই বাঞ্ছনীয়। তাই আগে থেকেই রক্ত পরীক্ষা করিয়ে দেখা উচিত কার রক্তের গ্রুপ কী।

এ ছাড়া ভবিষ্যতে যদি কোনো অসুখে বা দুর্ঘটনায় হঠাৎ রক্ত দেওয়ার প্রয়োজন হয়, তাহলে ব্লাড গ্রুপ জানা থাকলে বাড়ির লোকজনকে খুব একটা সমস্যায় পড়তে হবে না।

টিসি. ডিসি, ইএসআর, কোলেস্টেরল, আরএইচ ফ্যাক্টর, এইচআইভি, আয়রন লেভেল ইত্যাদি কিছু রুটিন পরীক্ষা ছেলে এবং মেয়ে উভয়েরই করানো উচিত। তাহলে প্রথম থেকেই একটা মেডিকেল হিস্ট্রি থাকবে।

এ ছাড়াও থাইরয়েড, সুগার, থ্যালাসেমিয়া, হেপাটাইটিস বা টিউবারকিউলোসিসের মতো সমস্যা রয়েছে কি-না তা জানার জন্য বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা আবশ্যক। যদি কেউ থ্যালাসেমিয়ার ক্যারিয়ার বা মেজর হন, তাহলে সে কীরকম জীবনসঙ্গী খুঁজবে এবং ভবিষ্যতে সন্তান পরিকল্পনা করতে পারবে কি-না বা সন্তান জন্মালেও সে কতটা সুস্থ হবে, সে সম্পর্কে আগে থেকে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের গাইডলাইন থাকলে ভালো হয়।

সর্বোপরি অনেকেই হয়তো বংশানুক্রমিক (হেমোফিলিয়া, থেলাসেমিয়া, জেনেটিক ব্যাধি) কোনো রোগে আক্রান্ত। কিন্তু কোনো লক্ষণ না থাকায়, তা জানতে পারেননি। বিয়ের আগে এসব কিছুই জেনে নেওয়া প্রয়োজন। উভয়ের রোগ থাকলে এ ক্ষেত্রে অনাগত সন্তানের বিপদ আরও বেড়ে যায়।

যদি মেয়েদের তলপেটের রোগ ব্যাধির (পিআইডি) মতো কোনো সমস্যা থাকে, তাহলে কিন্তু সন্তান পরিকল্পনার সময় তা টের না পাওয়া গেলে পরে মারাত্মক জটিলতা হতে পারে। তাই কোনোরকম ইগো বা ভুল বোঝাবুঝির অবকাশ না রেখে, বিয়ের আগেই করিয়ে নিন প্রয়োজনীয় চেকআপ।

ডায়াবেটিস বংশগত কারণে অনেক কম বয়সে দেখা দিতে পারে। ডায়াবেটিস সঠিক সময়ে চিকিৎসা না করালে কম বয়সে যে কেউ হার্ট বা কিডনি রোগে আক্রান্ত হতে পারেন। বিয়ের আগে সামান্য ব্লাড সুগার টেস্টে রোগটি ধরা পড়তে পারে।




44
                           

বর্তমানে বড় বড় শপিং মল, এ্যাপান্টমেন্ট, সিনেমা হল, হাসপাতাল প্রায় প্রতিটি স্থানেই ওঠানামা করার জন্য আমাদের লিফট ব্যবহার করতে হয়। এটি দৈনন্দিন জীবনে অবিচ্ছেদ্য প্রয়োজনীয়তায় রুপান্তরিত হয়ে গেছে। তবে লিফট ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমরা কেউই নিরাপদ না। যেকোন সময় ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। তাই আসুন জেনে নেই লিফট ছিড়ে গেলে করণীয় বিষয়গুলো সম্পর্কে।

১. লাফ দেওয়া থেকে বিরত থাকুন
প্রথমত আপনি যখন ফ্রিস্টাইলে নিচে পড়ে যেতে থাকবেন, তখন লাফ দেয়ার চেষ্টা করাটা খুবই কঠিন। দ্বিতীয়ত লাফালাফি করলে লিফট আরো বেশি গতিতে আছড়ে পড়বে। তৃতীয়ত আপনার শরীরের কোন অংশ পতিত হবে তা এর মাধ্যমে আগেভাগে নির্ধারণ করা কোনোভাবেই সম্ভব হবে না। বরং লাফের কারণে আপনি মাথায় আঘাত পেতে পারেন এবং খুবই খারাপভাবে আপনার শরীর আছড়ে পড়তে পারে।

২. সোজাভাবে দাড়িয়ে না থাকা
লিফট ছিড়ে পড়ার সময় সোজাভাবে দাড়িয়ে থাকাটা মোটেই বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। বিজ্ঞানের সূত্র অনুযায়ী যখন কোন বস্তু উপর থেকে নিচের দিকে পতিত হয় তখন পতিত বস্তুর নিম্নভাগে সবচেয়ে বেশি ভরবেগ থাকে অর্থাৎ যখন পতিত হওয়ার সময় আপনার শরীরের কয়েকগুন বেশি ওজন আপনার পায়ে এসে ভর করবে। যা পা ভাঙ্গা থেকে শুরু করে ঘুরুতর জখম হওয়ার জন্য যথেষ্ঠ।

৩. হাত পা ছড়িয়ে মাটিতে শুয়ে পড়ুন
লিফট ছিড়ে পড়ার ক্ষেত্রে হাত পা ছড়িয়ে মাটিতে শুয়ে পড়া হলো লিফট ছিড়ে পরার সময় প্রাণ রক্ষা করার সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি যে লিফট ছিড়ে পড়ার ক্ষেত্রে হাত পা ছড়িয়ে মাটিতে শুয়ে পড়লে আপনি প্রাণে বেঁচে যেতে পারেন। 

৪. লিফটে বেশি মানুষ থাকলে
এ পরিস্থিতি সবচেয়ে ভালো যেটা করতে পারেন তা হচ্ছে, লিফটের মেঝেতে বসে পড়া। আপনি দাঁড়িয়ে থাকলে অস্থিতে যে পরিমাণ চাপ পড়তো তার তুলনায় অস্থিতে কম চাপ পড়বে এ পজিশনে। যদি বসে পড়ার মতো জায়গা না থাকে, তাহলে অন্তত চেষ্টা করুন হাঁটু বাঁকা করে রাখতে, এটিও পায়ের বল কমাতে কিছুটা সাহায্য করবে।



45

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় পড়তে হয় না এমন মানুষ পাওয়া খুব কঠিন। কম কিংবা বেশি সবাইকেই এই সমস্যায় পড়তে হয়। খাবারে সামান্য একটু অনিয়ম হলেই শুরু হয়ে যায় গ্যাস্ট্রিকের মারাত্মক ব্যথা। অনেক সময় অতিরিক্ত অনিয়মে এই সাধারণ গ্যাস্ট্রিকের সমস্যাই সৃষ্টি করে আলসার। তাই শুরুতেই সতর্ক হওয়া জরুরি। জেনে রাখা উচিৎ গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্তির কিছু ঘরোয়া কিছু পদ্ধতি।

১. দারুচিনি
দারুচিনি হজমশক্তির জন্য অনেক ভাল একটি মশলা। এটি প্রাকৃতিক এনটাসিড হিসাবে কাজ করে থাকে এবং পেটের গ্যাস দূর করতে সাহায্য করে। এক কাপ পানিতে আধা চাচামচ দারুদিনি গুঁড়া মেশান। কয়েক মিনিট সেটি সিদ্ধ করুন। এটি দিনে ২/৩ বার পান করতে পারেন। আপনি চাইলে স্যুপ বা সালাদের সাথেও দারুচিনির গুঁড়া মিশিয়ে খেতে পারেন।

২. বেকিং সোডা
বেকিং সোডা পেটের অ্যাসিডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে তাৎক্ষণিক রেহাই পেতে সাহায্য করে। ১ গ্লাস পানিতে ১/৪ চা চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে পান করুন। ভালো ফলাফল পাবেন।

৩. রসুন
গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করার জন্য রসুন খুবই কার্যকরী উপাদান। রসুন, কালো মরিচ বীজ, ধনে বীজ এবং জিরা বীজ একসাথে মিশ্রিত করে কয়েক মিনিট উত্তাপে ফুটিয়ে সিদ্ধ করতে হবে , সিদ্ধ করার পর এই মিশ্রন থেকে যে নির্যাস বের হবে সেটা ছেঁকে আলাদা করতে হবে। তারপর সাধারণ তাপমাত্রায় এই নির্যাস ঠান্ডা করে দৈনিক দুই বার পান করতে হবে।

৪. প্রচুর পরিমাণে পানি পান
প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। এটি শুধু আপনার গ্যাস্টিকের সমস্যা কমাবে না আরো অনেক রোগের হাত থেকে মুক্তি দেবে। প্রতিদিন কমপক্ষে ছয় থেকে আট গ্লাস পানি পান করার চেষ্টা করুন।

৫. পুদিনা পাতা
পুদিনা পাতা আপনার অম্লতা, গ্যাস ও বমি বমি ভাব থেকে সাথে সাথে মুক্তি দেবে। গ্যাস্টিকের ব্যথা যখন অল্প তখন থেকে অল্প কিছু পুদিনা পাতা মুখে নিয়ে ভাল করে চিবুতে থাকুন। দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যে আপনার ব্যাথা অনেকটা কমে গেছে। এছাড়া এক কাপ পানিতে কয়েকটি পুদিনা পাতা দিয়ে সিদ্ধ করুন। এটি দিনে ২/৩ বার পান করতে পারেন। স্বাদ বাড়াতে এতে মধু যোগ করতে পারেন তবে দুধ দিবেন না।

৬. আলু
আলু গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে থাকে। খাবার আগে তিন বেলা আলু থেকে রস বের করে খেতে হবে এবং এতে খুব দ্রুত ফলাফল পাওয়া যায়।

৭. আদা
পেটে গ্যাসের সমস্যা দূর করার জন্য একটি অনন্য এবং সহজ উপাদান হিসেবে ‘আদা’ অত্যন্ত কার্যকরী। এটি বদ হজমও দূর করে থাকে। প্রতিদিন খাবার পর এক টুকরা আদা চিবিয়ে খেলে পেটে আর গ্যাসের সম্যসা করবে না। এছাড়া আদা চা,আদা পানি পান ও গ্যাসের সমস্যা দূর করে থাকে।

৮. পেয়ারা পাতা
২ কাপ পানিতে পেয়ারা পাতা দিয়ে ফুটিয়ে নিন। পানি ১ কাপ পরিমাণে হলে ছেঁকে পান করুন। এতেও বেশ ভালো উপকার হবে। 

৯. লবঙ্গ
লবঙ্গ অম্লতা উপশম এবং গ্যাস দূর করতে সাহায্য করে। কয়েকটি লবঙ্গ এবং দারুচিনি গুঁড়া করে মিশিয়ে নিন। এটি আপনি আপনার প্রতিদিনের খাবারের সাথে খেতে পারেন। লবঙ্গ গ্যাসের সমস্যা দূর করার সাথে সাথে আপনার নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধও দুর করে থাকে।

১০. হলুদের পাতা
হলুদের পাতা কুচি করে কেটে প্রতিদিন দুধের সাথে মিশিয়ে পান করে নিন। এতে করে পেটে ব্যথা এবং গ্যাসের সমস্যার সমাধান হবে। 

১১. ভেষজ চা
পুদিনা পাতা,ক্যামোমিল,রাসবেরি এবং ব্ল্যাকবেরি একসাথে মিশিয়ে তৈরী ভেষজ চা হজম প্রক্রিয়া অনেক সাহায্য করে। আর হজম প্রক্রিয়া ঠিক থাকলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা অনেকাংশে কমে যায়।

১২. আপেল সাইডার ভিনেগার
গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে তাৎক্ষণিক রেহাই পেতে এর জুড়ি নেই। ১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ২ টেবিল চামচ আপেল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে পান করে ফেলুন।




Pages: 1 2 [3] 4 5 6