Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - sanjida.dhaka

Pages: 1 ... 4 5 [6]
76

বিষণ্নতায় ভুগছেন? বাদাম চিবোতে থাকুন! বিষণ্নতা কেটে যাবে, মন প্রফুল্ল হয়ে উঠবে! প্রিয়জনের সঙ্গে কাটানো সময় আরও বেশি মধুর করতে চাইছেন? বাদাম নিন এক প্যাকেট! দু’জনে এক প্যাকেট থেকেই বাদাম চিবোতে চিবোতে সময়কেই রাঙিয়ে তুলুন! আর বন্ধু বা কাছের মানুষদের নিয়ে আড্ডা দিচ্ছেন? এই আড্ডাও জম্পেশ করে তুলতে বাদাম তুলে দিন সবার হাতে।


মন প্রফুল্ল করে দেওয়া, সময় রাঙিয়ে দেওয়া, আড্ডা জমিয়ে তোলা বাদামে সৌভাগ্য, আবেগ ও আনন্দ জড়িয়ে থাকে। কেবলই তাই? স্বাস্থ্যবিজ্ঞান মতেও বাদাম স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার। তাই বলেই কিনা এখন ঈদ, দীপাবলি বা যেকোনো উৎসবে উপহার হিসেবেও অনন্য হয়ে উঠছে বাদাম। বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে বাদাম উপহার দেওয়ার প্রচলনটা অনেক বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।


বিশেষজ্ঞদের মতে, কুড়মুড়ে কাঠ বাদাম, কাজু বাদাম, হিজলি বাদাম, পেস্তা বাদামসহ প্রায় সবরকমের বাদামেই রয়েছে আঁশ, উপকারী চর্বি, নানা প্রকারের ভিটামিন, খনিজ ও অন্যান্য পুষ্টিগুণ। বিশেষজ্ঞদের উদ্ধৃতি দিয়ে ভারতীয় একটি সংবাদ মাধ্যমে বাদামের অনেক পুষ্টি ও স্বাস্থ্য গুণ বর্ণনা করা হয়েছে। সেসব গুণ থেকে বাছাই করে ১০টি গুণ। বাদাম হৃদপিণ্ডের সুস্থতা ধরে রাখে। বাদাম উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। পেটের মেদ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।


সর্বনিম্ন ৫০ গ্রাম বাদাম রক্তে চর্বি এবং সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। বাদাম হজম হতে সময় নেয় বলে একবার বাদাম খেলে দীর্ঘক্ষণ ক্ষুধামুক্ত থাকা যায়। বাদাম ওজন কমাতে সাহায্য করে। কাঠ বাদাম ও কাজু বাদাম মস্তিষ্কের জন্য উপকারী। কাজু বাদাম ওজন কমাতেও সাহায্য করে। কাজু বাদাম নখ এবং চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে পরিমিত খাবার খান (ডায়েট করেন) তারা সন্ধ্যার নাস্তা হিসেবে প্লেটে রাখতে পারেন হালকা হলদে রঙের হিজলি বাদাম।  মাখনের মতো কোমল নোনতা স্বাদের পেস্তা বাদাম মন উৎফুল্ল রাখে।

77
ল্যাপটপের চার্জ ধরে রাখার সহজ ৬ কৌশল


আপনার হাতে একগাদা কাজ। অথচ, ল্যাপটপের ব্যাটারির চার্জ ফুরিয়ে গেছে। কাছাকাছি কোন পাওয়ার সকেটও নেই, যেখান থেকে ল্যাপটপটি চার্জ দিয়ে নিতে পারেন। ল্যাপটপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমাদের এ ধরনের সমস্যায় হরহামেশাই পড়তে হয়। দুশ্চিন্তার কারণ নেই। কারণ, ব্যাটারির আয়ু দীর্ঘায়িত করার কিছু সহজ সমাধান রয়েছে। ল্যাপটপ ব্যবহারকারীদের উচিত এ বিষয়গুলোকে দৈনন্দিত অভ্যাসে পরিণত করে নেয়া। তা হলে আর অনাকাক্সিক্ষত বিড়ম্বনায় পড়তে হবে না। নিচে সহজ ৬টি টিপস দেয়া হলো:

*ডিসপ্লে: মোবাইলের মতো ল্যাপটপ স্ক্রিনও বেশি পাওয়ার ব্যবহার করে। সে কারণে স্ক্রিনের ব্রাইটনেস বা উজ্জ্বলতা চোখের জন্য সহনীয় মাত্রায় যতোটা কমিয়ে ব্যবহার করা যায়, ততোটাই ভালো। যদি আপনার কিবোর্ডে ব্যাকলাইট থাকে, তবে সেটিও সেটিংস থেকে বন্ধ করে দিন। এতে ব্যাটারির আয়ু দীর্ঘায়িত হবে।

*এক্সটার্নাল ডিভাইস: ল্যাপটপের ইউএসবি পোর্টে যে কোন ধরনের এক্সটার্নাল ডিভাইস চালু থাকলে, তা আপনার ল্যাপটপ থেকে অনবরত পাওয়ার টানতে থাকবে। এক্সটার্নাল ডিভাইসটির কাজ শেষ হয়ে গেলে, সেটি ইউএসবি পোর্ট থেকে খুলে ফেলার অভ্যাসই শ্রেয়।

*ওভারহিটিং বা অতিরিক্ত গরম হওয়া: ল্যাপটপ বেশি গরম হলে, ভেতরের ফ্যানগুলো আরও দ্রুত ঘুরতে শুরু করে। আর তা স্বাভাবিকভাবেই বেশি ব্যাটারি খরচ করে। সে কারণে একটি ল্যাপটপ কুলার কিনে নিন। এতে আপনার ল্যাপটপটি অতিরিক্ত গরম হবে না।

*হাইবারনেশনে রাখুন: ল্যাপটপ স্ট্যান্ডবাই মোডে না রেখে হাইবারনেশনে রাখুন। এতে আপনার কম্পিউটারটি বন্ধ হয়ে যাবে ও ব্যাটারির চার্জ অনেক বেশি সময় থাকবে। হাইবারনেশনে ল্যাপটপ বন্ধ হলেও, আপনি শেষ যেভাবে কাজগুলো সংরক্ষণ করছিলেন বা যে উইন্ডোগুলো খুলেছিলেন, ল্যাপটপটি চালু করলে ঠিক সে অবস্থাতেই সেগুলো পাবেন।

*উইন্ডোজের পাওয়ার প্ল্যান: ল্যাপটপে উইন্ডোজের সঙ্গে বিল্ট-ইন পাওয়ার প্ল্যান সেটিংসও পাচ্ছেন। তাই চিন্তার কিছু নেই। বিভিন্ন অপশন; যেমন- ডিসপ্লে ব্রাইটনেস বাড়ানো বা কমানো, কখন ডিসপ্লে ডিম বা অনুজ্জ্বল করতে এবং বন্ধ করতে চান, হার্ড-ড্রাইভসমূহ ও ইউএসবি পাওয়ার বন্ধ করতে চান, সেগুলো সংযোজিত রয়েছে।

*ব্যাটারি কেস: এ অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যাটারির সম্পূর্ণ স্ট্যাটাস দেখায়। শুধু তাই নয়। কতোটুকু ব্রাইটনেসে ব্যাটারি কতোক্ষণ চলবে সে সম্পর্কে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে সেখানে। ব্যাটারির বর্তমান কন্ডিশন কেমন, তাও জানতে পারবেন। সিপিইউ ও হার্ড-ড্রাইভ অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলেও, সেটা প্রদর্শন করে ব্যাটারি কেস অ্যাপ্লিকেশন।

78
১৪ কারণে শসা খাবেন




সারা বিশ্বে আবাদ হওয়ার দিক থেকে ৪ নম্বরে রয়েছে যে সবজিটি, সেটি হলো শসা। শসার রয়েছে হরেক গুণ। রূপচর্চা ও মেদ নিয়ন্ত্রণসহ নানা উপযোগিতা আছে এই সহজলভ্য সবজির।

*শসার হাজার গুণের মধ্যে ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেছেন খাদ্য বিশেষজ্ঞরা।

*দেহের পানিশূন্যতা দূর করে
ধরুন আপনি এমন কোথাও আছেন, যেখানে হাতের কাছে পানি নেই, কিন্তু শসা আছে। বড়সড় একটা শসা চিবিয়ে খেয়ে নিন। পিপাসা মিটে যাবে। আপনি হয়ে উঠবেন চনমনে।কারণ, শসার ৯০ শতাংশই পানি।

*দেহের ভেতর-বাইরের তাপ শোষক
কখনো কখনো আপনি শরীরের ভেতর-বাইরে প্রচণ্ড উত্তাপ অনুভব করেন। দেহে জ্বালাপোড়া শুরু হয়। এ অবস্থায় একটি শসা খেয়ে নিন।এ ছাড়া সূর্যের তাপে ত্বকে জ্বালা অনুভব করলে শসা কেটে ত্বকে ঘষে নিন। নিশ্চিত ফল পাবেন।

*বিষাক্ততা দূর করে
শসার মধ্যে যে পানি থাকে তা আমাদের দেহের বর্জ্য ও বিষাক্ত পদার্থ অপসারণে অনেকটা অদৃশ্য ঝাটার মতো কাজ করে। নিয়মিত শসা খাওয়ায় কিডনিতে সৃষ্ট পাথরও গলে যায়।

*প্রাত্যহিক ভিটামিনের শূন্যতা পূরণ করে
প্রতিদিন আমাদের দেহে যেসব ভিটামিনের দরকার হয়, তার বেশির ভাগই শসার মধ্যে বিদ্যমান। ভিটামিন এ, বি ও সি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও শক্তি বাড়ায়। সবুজ শাক ও গাজরের সঙ্গে শসা পিষে রস করে খেলে এই তিন ধরনের ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ হবে।

*ত্বকবান্ধব খনিজের সরবরাহকারী
শসায় উচ্চমাত্রায় পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও সিলিকন আছে, যা ত্বকের পরিচর্যায় বিশেষ ভূমিকা রাখে। এ জন্য ত্বকের পরিচর্যায় গোসলের সময় শসা ব্যবহার করা হয়।

*হজম ও ওজনহ্রাসে সহায়ক
শসায় উচ্চমাত্রায় পানি ও নিম্নমাত্রার ক্যালরিযুক্ত উপাদান রয়েছে। ফলে যাঁরা দেহের ওজন কমাতে চান, তাঁদের জন্য শসা আদর্শ টনিক হিসেবে কাজ করবে। যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁরা স্যুপ ও সালাদে বেশি বেশি শসা ব্যবহার করবেন। কাঁচা শসা চিবিয়ে খেলে তা হজমে বড় ধরনের ভূমিকা রাখে। নিয়মিত শসা খেলে দীর্ঘমেয়াদি কোষ্ঠ-কাঠিন্য দূর হয়।

*চোখের জ্যোতি বাড়ায়
সৌন্দর্যচর্চার অংশ হিসেবে অনেকে শসা গোল করে কেটে চোখের পাতায় বসিয়ে রাখেন।এতে চোখের পাতায় জমে থাকা ময়লা যেমন অপসারিত হয়, তেমনি চোখের জ্যোতি বাড়াতেও কাজ করে।চোখের প্রদাহপ্রতিরোধক উপাদান প্রচুর পরিমাণে থাকায় ছানি পড়া ঠেকাতেও এটি কাজ করে।

*ক্যানসার প্রতিরোধে কাজ করে
শসায় সিকোইসোলারিসিরেসিনোল, ল্যারিসিরেসিনোল ও পিনোরেসিনোল—এ তিনটি আয়ুর্বেদিক উপাদান আছে। জরায়ু, স্তন ও মূত্রগ্রন্থিসহ বিভিন্ন স্থানে ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি কমানোর সঙ্গে এই তিন উপাদানের জোরালো সম্পর্ক রয়েছে।

*ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে
ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি দেয়, কোলস্টেরল কমায় ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

*মুখ পরিষ্কার রাখে
দুর্গন্ধযুক্ত সংক্রমণে আক্রান্ত মাড়ির চিকিৎসায় শসা দারুণ কাজ করে। গোল করে কাটা এক স্লাইস শসা জিহ্বার ওপরে রেখে সেটি টাকরার সঙ্গে চাপ দিয়ে আধা মিনিট রাখুন। শসার সাইটোকেমিক্যাল এর মধ্যে বিশেষ বিক্রিয়া ঘটিয়ে আপনার মুখের জীবাণু ধ্বংস করবে। সজীব হয়ে উঠবে আপনার নিঃশ্বাস।

*চুল ও নখ সতেজ করে
শসার মধ্যে যে খনিজ সিলিকা থাকে তা আমাদের চুল ও নখকে সতেজ ও শক্তিশালী করে তোলে। এ ছাড়া শসার সালফার ও সিলিকা চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

*গেঁটেবাত থেকে মুক্তি
শসায় প্রচুর পরিমাণে সিলিকা আছে। গাজরের রসের সঙ্গে শসার রস মিশিয়ে খেলে দেহের ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নেমে আসে। এতে গেঁটেবাতের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

*মাথাধরা থেকে নিষ্কৃতি
ভোরে ঘুম থেকে ওঠার পর অনেকের মাথা ধরে। শরীর ম্যাজম্যাজ করে। শসায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি ও সুগার আছে। তাই ঘুমাতে যাওয়ার আগে কয়েক স্লাইস শসা খেয়ে নিলে ভোরে ঘুম থেকে ওঠার পর এ সমস্যা থাকবে না।

*কিডনি সুস্থ রাখে
শরীরের ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা ঠিক রাখে শসা। এতে কিডনি থাকে সুস্থ ও সতেজ।

79
গাছে রংধনু, রংধনুর গাছ



রংধনু আমরা আকাশে দেখি। জেনেছি রংধনুর মতো অপরূপ পাহাড়ের কথাও। কিন্তু রংধনু গাছ! শুনতে একটু অবাকই লাগে। ফুল, ফল পাতায়ই সাধারণত সব সৌন্দর্য গাছের- এই ধারণা মিথ্যা প্রমাণ করবে রেইনবো ইউক্যালিটাস। ফিলিপাইনের মিন্ডানাও, নিউ হ্যাম্পশায়ার, নিউ বৃটেন, নিউ জিনিয়া প্রভৃতি অঞ্চলে সাধারণ এই অপূর্ব সুন্দর গাছটি দেখা যায়।



এই বিচিত্র বর্ণের স্বতন্ত্র আকৃতির গাছটি রয়েছে মাউইয়ের ছোট একটি উদ্যানে। এই অদ্ভুত সুন্দর গাছটির সবচেয়ে পরিচিত নাম রেইনবো ইউক্যালিপটাস বা রংধনু গাছ। এর প্রকৃত আবাস প্রধানত ফিলিপাইনের দ্বীপ মিন্ডানাও। তবে গাছটি মিন্ডানাও গাম বা রংধনু গাম নামেও পরিচিত।



ওয়ার্ল্ড অ্যাগ্রো ফরেস্ট্রির তথ্যানুযায়ী এটি একটি চিরহরিত গাছ। রংধনু গাছ বিশ্বের দ্রুতবর্ধনশীল গাছেরও একটি। এটা বছরে আট ফুট পর্যন্ত বাড়ে। সর্বোচ্চ উচ্চতা ১৯৭-২৪৬ ফুট পর্যন্ত। প্রস্থে ৭.৯ ফুট পর্যন্ত হয়।



বিশ্বব্যাপী রংধনু গাছ ব্যহার করা হয় সাদা কাগজ তৈরির মণ্ড হিসেবে। তবে এ মাত্রা ফিলিপাইনে সবচেয়ে বেশি। ফিলিপাইন এবং কোস্টারিকায় এ গাছের চাষ করা হয় মূলত কপি বাগানে। এর ছায়া কপি চাষের জন্য বিশেষ উপকারী। এর কাঠ ফার্নিচার এবং ক্যাবিনেট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। হাওয়াইয়ে রংধনু গাছের কাঠ নৌকা তৈরিতেও ব্যবহার করা হয়।



একই গাছের বাহারি বাকল বছরের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রূপ ধারণ করে। বর্ষার পর এর বাকল ধারণ করে চকচকে রং। এতে আকৃষ্ট হয়ে প্রচুর পর্যটক প্রতিবছর ভিড় জমান।



রং পরিবর্তনের সময় ভেজা বাকলের একটি রংধনু গাছ।



বছরজুড়ে প্রাকৃতিকভাবে রং পরিবর্তন করা সবচেয়ে সুন্দর গাছ রেইনবো ইউক্যালিপটাস। এটা সাধারণ সবুজ, গাঢ় সবুজ, নীল, বেগুনি, লাল, মেরুন রঙে রূপান্তরিত হয়।

80
পানি বিশুদ্ধকরণে নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন!



পানির অপর নাম জীবন। কিন্তু তা যদি জীবাণুমুক্ত না হয় তবে সেই পানিই হতে পারে জীবন হরণকারী। কলেরা, আমাশয়, টাইফয়েড ইত্যাদি ডায়রিয়া জাতীয় রোগ কাজের সময় ও সুযোগও নষ্ট করে এবং অনেক সময় মৃত্যুর দিকেও ঠেলে দেয়। শিশুদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং পুষ্টি সঞ্চয় কম থাকে বলে এসব অসুখে তাদের মৃত্যু ঝুকি বেশি থাকে। অথচ পানিতে ডায়রিয়ার জীবাণু ধ্বংস করা খুবই সহজ একটি কাজ। সাধারণত পানি ফুটিয়ে নিলেই সব ডায়রিয়া জীবাণু মরে যায়। কিন্তু অনেক সময় জ্বালানীর অভাবে পানি ফোটানো কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে বন্যার সময় পানি ফোটানোর ব্যবস্থা করা প্রায় অসম্ভব। তাই কম খরচে আশেপাশের জিনিসপত্র দিয়েই সূর্যের বিকিরণ ব্যবহার করে পানি জীবাণুমক্ত করার বিশেষ প্রযুক্তি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিকেল ফিজিক্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগ বিশেষ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে সাফল্য দেখিয়েছে। এ প্রযুক্তি  উদ্ভাবন করেছেন বায়োমেডিকেল ফিজিক্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক খোন্দকার সিদ্দিক-ই-রব্বানী ও তার বিভাগের শিক্ষার্থীরা। তাদের উদ্ভাবিত প্রযুক্তিগত এ পদ্ধতিটিই স্বপ্নযাত্রায় তুলে দেওয়া হলো।

পানির বোতল ব্যবহার:-
বাজারে যে বোতলে পানি বিক্রি হয় সে বোতল ব্যবহার করেও পানি গরম করা যায়। প্রথমে স্বচ্ছ ১ লিটার বা দেড় লিটার বোতল নিতে হবে। খেয়ার রাখতে হবে যেন বোতল রঙিন না হয়। পুরানো বোতল বা কোথাও ফাটা দাগ থাকলেও ব্যবহার করা যাবে না। বোতলগুলোকে লোহার মোটা তার দিয়ে একটি খোলা শক্ত ফ্রেম তৈরি করে নিতে হবে, যেন তার উপর কয়েকটি পানিভরা বোতল শুইয়ে রাখা যায়। কিন্তু নিচে বাতাস চলতে পারে। প্রথমে তাপ নিরোধক বিছানার উপর কালো কাপড় বিছিয়ে দিতে হবে। মাঝখানে ফ্রেমটি রেখে একটি স্বচ্ছ পলিথিন শীট ফ্রেমের উপর ছড়িয়ে দিতে হবে। পানি ভরা বোতলগুলো সম্পূর্ণ ভরে মুখ আটকিয়ে পলিথিন শীট দিয়ে ঢাকা ফ্রেমের উপর শুইয়ে দিতে হবে। বোতলগুলোর উপর আড়াআড়ি করে কয়েকটি খড়ের নাড়া ছড়িয়ে দিয়ে তার উপর আর একটি স্বচ্ছ পলিথিন শীট দিয়ে পুরো বিছানা ঢেকে দিতে হবে।

বোতলে পানি গরম হবার ব্যাখ্যা:-
এ ব্যবস্থায় বাতাসকে গরম করে তার মাধ্যমে বোতলের পানিকে পরোক্ষভাবে গরম করা হচ্ছে। তবে পলিথিন শীট দিয়ে দুটি আবদ্ধ বাতাসের স্তর কিছুটা ভিন্নভাবে কাজ করবে। নীচের কালো কাপড় সূর্যের বিকিরণ গরম হয়ে প্রথমত: নীচের আবদ্ধ বাতাসের স্তরকে গরম করবে। হাল্কা গরম বাতাস নীচের আবদ্ধ বাতাসের স্তরের উপরে রাখা পানির বোতলের  নীচ দিয়ে প্রবাহিত হবে এবং বোতলের পানির নীচের স্তরকে গরম করবে।এ কাজ করতে গিয়ে এ বাতাস ঠাণ্ডা হয়ে মাঝখানে নেমে আসবে। কালো কাপড়ের সংস্পর্শে এসে গরম হয়ে পাশের থেকে আবার উপরে উঠে বোতলের নীচে যাবে। এভাবে নীচের আবদ্ধ বাতাসের স্তরের পরিচলন প্রক্রিয়ায় বোতলের পানির নিচের স্তর গরম হবে। আবার বোতলের মধ্যে পানির পরিচলন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গরম পানি উপরে উঠে, ও ঠাণ্ডা পানি নিচে নেমে পুরো পানিকেই গরম করে ফেলবে। উপরের আবদ্ধ বাতাসের স্তরের গরম বাতাস বোতলের উপরের পানিকে আগে গরম করবে, কিন্তু সে গরম পানি আর নীচে নামবে না। তবে পরিবহন প্রক্রিয়ায় উপরে পানির সংস্পর্শে নিচের পানি ধীরে ধীরে গরম হবে। উদ্ভাবিত দুটি বায়ু-স্তরবিশিষ্ট এ ব্যবস্থায় সূর্যের শক্তির সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হবে, এবং পুরো বোতলের পানিই ধীরে ধীরে গরম হয়ে যাবে। আর স্বচ্ছ বোতল ব্যবহার করলে সূর্যের আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মিও ভিতরে ঢুকে জীবাণু ধ্বংস করে দিতে সাহায্য করবে।

চূলো জ্বালাবার অবস্থা না থাকলে সূর্যের কিরণে পানি গরম করে জীবাণু ধ্বংস করা যাবে:-



 
চার ইঞ্চি পুরু খড়ের বিছানা তৈরি করে তার উপর কালো রং করা ডালা রাখতে হবে। খড় নিচের দিকে তাপ বেরিয়ে যেতে বাধা দেবে। একটি পরিস্কার স্বচ্ছ পলিথিন শিট ডালার উপর বিছিয়ে দিতে হবে। তার উপর ছেঁকে নেওয়া পানি ঢালতে হবে। পানির গভীরতা ২ সেন্টিমিটার বা আঙ্গুলের ১ কড়ের কম হতে হবে।আর একটি স্বচ্ছ পলিথিন শীট পানির উপর বিছিয়ে দিতে হবে। বাতাসের বুদবুদ থাকলে সরিয়ে দেওয়া  ভালো। কয়েকটি খড়ের নাড়া ছড়িয়ে দিয়ে তৃতীয় একটি স্বচ্ছ পলিথিন শীট বিছিয়ে দিয়ে মাঝে একটি বাতাসের স্তর তৈরি করতে হবে। যা উপরের দিকে তাপ বেরোতে দেবে না, কিন্তু সূর্যের আলো ঢুকতে দেবে। কয়েকটি খড়ের নাড়া ছড়িয়ে দিয়ে চতুর্থ একটি স্বচ্ছ পলিথিন শীট সবার উপর বিছিয়ে দিয়ে আর একটি তাপরোধক স্তর তৈরি করতে হবে।চারিদিকে ওজন চাপা দিয়ে শীটগুলো টানটান করে রাখতে হবে। পরিস্কার রোদে দু’ঘণ্টায় পানি জীবাণুমুক্ত হবে। উপরের তিনটি পলিথিন শীট সরিয়ে নিতে হবে। নিচেরটি গুটিয়ে নিয়ে জীবাণুমুক্ত পানি পরিস্কার পাত্রে ঢেলে পান করা যাবে।

নিচে তাপরোধক বিছানার বিকল্প:-
খড়ের অভাবে অন্য একটি ডালাকে উল্টিয়ে তার উপর একটি পলিথিন শীট বিছিয়ে আবদ্ধ বাতাসের স্তর তৈরি করে নিতে হবে।প্যাকিংয়ের কর্ক-শীট, পাটকাঠি, শুকনো পাতা বিকল্প হতে পারে। ছোট ছোট পলিথিন ব্যাগে বাতাস ভরে নিয়ে সবগুলোর মুখ আটকে একটি বড় ব্যাগে একসঙ্গে করে বিকল্প বিছানা হতে  পারে। যে ব্যবস্থায় পানি গরম করা হচ্ছে তার মূল ভিত্তি হলো- ‘গ্রীন হাউজ এফেক্ট’। উদ্ভাবিত ব্যবস্থাটি মূলত: একটি সোলার ফ্ল্যাট প্লেট কালেক্টর। তবে কম খরচে এবং দেশে সহজলভ্য জিনিসপত্র দিয়ে তৈরি করে পানিকে উচ্চ তাপমাত্রায় উঠানোটিই ছিল এ গবেষণার বড় চ্যালেঞ্জ। এ পদ্ধতিগুলো সম্পন্ন করতে প্রয়োজন ১৫০-২০০ টাকা।

পান করার জন্য নিরাপদ পানি সুস্থ জীবনের জন্য কত জরুরী সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না। একসময় নদী-কুয়া-পুকুরের পানি পান করা হতো। এতে রোগ জীবাণু থাকায় রোগ ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু এ জায়গাগুলোর পানি ফুটিয়ে খেলেই হয়। কিন্তু এ ব্যবস্থার তেমন প্রচারণাও দেখা যায়। অন্যদিকে আমরা ব্যাপকভাবে টিউবয়েলের পানি খাওয়ার প্রচারণা করতে দেখেছি। কিন্তু এখন সে পানিতেও আর্সেনিক পাওয়া যাচ্ছে। কোটি কোটি টাকা দিয়ে টিউবওয়েল স্থাপন করা হয়েছিল। এখন সেসব অকেজো। আবার বিভিন্ন পদ্ধতি উদ্ভাবনে কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। সবাই জটিল সমাধানের পেছনে অর্থ খরচ করেন। অথচ সহজ সমাধানের পেছনে কেউই তেমন আগ্রহ দেখান  না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিকেল ফিজিক্স অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের শিক্ষার্থীরা ও শিক্ষকরা মিলে সাধারাণ মানুষের নিজের ক্ষমতার মধ্যে সমাধান দিতে পারে এমন দীর্ঘস্থায়ী পদ্ধতি আবিষ্কারের চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তাদের আবিষ্কার শুধু বাংলাদেশ নয়, ছড়িয়ে পড়বে সারা বিশ্বে। এমনই স্বপ্ন বুকে নিয়ে অবিরাম কাজ করে যাচ্ছে এ বিভাগের প্রতিটি মানুষ। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জানতে হলে কিংবা এ পদ্ধতিতে নিজের এলাকায় পানি বিশুদ্ধ করার কৌশল স্থাপন করতে চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন bmpt@unidhaka.edu ঠিকানায়।


81
Creative Photography To Refresh Your Mind


This collection is mixed with a variety of creative photos and photo manipulations, the examples below do not fall under any certain category so its a broad angle on creativity.  We spend a large amount of time searching the web, and hand picking the most creative photographs. What we love most about each and every one of these photos, is that they have a hidden meaning that you have to see/figure out. For most its easy to see and understand, but others might make you ponder. I love photographs that tell a story, and the following achieve that task perfectly. We hope that you will appreciate this form of art, and get inspired to create your own!


4 seasons

82
Funny Experiment With Egg And Vinegar

When you soak a raw egg into a vinegar over two days, the vinegar will dissolve the eggshell. Eggshell is mostly made up of Calcuim carbonate and that is the reason it is hard and vinegar contains acetic acid. So when vinegar gets mixed with the egg, the acetic acid which is present in the vinegar dissolves the shell of the egg and the egg becomes elastic. The egg turns out to be a funny one which looks like a Jelly. And if you do this same experiment with a boiled egg, the shell gets dissolved and the egg becomes elastic like a rubber ball.

In this picture you can see that an egg is being kept inside a jar filled with vinegar.



Pour 9 % of vinegar into a transparent glass and place the egg inside the glass. You will find that there is carbon dioxide formed immediately on the surface of the egg.



90 % of the shell of a birds egg is of Calcuim Carbonate and when the interaction takes place with the acid, the shell begins to disintegrate releasing CO2. After 12 to 15 hours you can see that the calcuim carbonate from the surface of the egg gets disappeared and only a film between the surface and the egg remains intact.



Then Remove the egg from the glass of vinegar and rinse the egg under the running water.



When you campare both the eggs as shown in the image, the egg which was kept in vinegar gets slightly increased in its size.



There are no shells on this egg and you can play with this egg. The flim is very thin and and it can get torn if it is not handled properly.












Warning: Eating this Egg is Dangerous and Prohibited..!

83
Common Forum/Request/Suggestions / For fresh mind
« on: July 03, 2013, 12:28:05 PM »
মন ভালো করতে

   

আমাদের মন ভালো থাকলেই শরীর ভালো থাকে। দেহের সুস্থতার থেকে মনের সুস্থতা অনেক বেশি জরুরি। কারণ আমাদের মনই যে  কোনো ব্যাপারে প্রথমে সাড়া দেয়। আর তাই শুধু শারীরিক সুস্থতা ও কায়িক পরিশ্রম দিয়েই একজন মানুষ সবসময় ভালো থাকতে পারে না, যদি তার আত্মিক বা মানসিক স্বাস্থ্য ভালো না হয়। মন ভালো রাখার কিছু উপায় জেনে নিন:-
*ক্ষমা
ধরুন আপনার সঙ্গে একজনের খারাপ সম্পর্ক আছে। আপনার মনের মধ্যে তার ছবি কল্পনা করে ও আপনার উচ্চ সত্তা থেকে ভালোবাসার শক্তি নামিয়ে এনে বার বার বলুন, তোমাকে ক্ষমা করে দিলাম। এক পর্যায়ে আপনি মনে মনে চিন্তা করতে থাকুন যে এই সমস্যাটা ঠিক হয়ে গেছে এবং আপনি লোকটিকে ক্ষমা করতে পেরেছেন।
দ্বিতীয়বার যখন আপনি এটি করতে যাবেন দেখবেন আপনার মধ্যে লোকটির প্রতি একটু হলেও ভালোবাসা এসেছে। আর যদি ভালোবাসা নাও আসে তবে আবার আপনি একইভাবে এটি করতে থাকুন। একসময় দেখবেন সত্যিই আপনি তাকে ক্ষমা করতে পেরেছেন। যে কোনো বিষয়ে আপনি এ পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন।
*শান্ত থাকার যোগ
আমরা বেশির ভাগ সময় আমাদের নিজেদের কামনা-বাসনা নিয়ে খুব বেশি চিন্তিত হয়ে পড়ি। সবসময় আমাদের মধ্যে দুশ্চিন্তা কাজ করে: ‘আমার কী হবে? আমি এটি পাব কি পাব না? এটি পেতে আমার কী করা উচিত বা অনুচিত?’ কিন্তু এটা না করে স্থির থাকুন। নিজেকে আট বছরের  বালক বা বালিকা ভাবুন। নিজের দোষ-গুণ সম্পর্কে নিজেকে নিরপেক্ষ কিন্তু নরমভাবে প্রশ্ন করুন। নীরবতাকে মনের মধ্যে আহ্বান করুন এবং বলতে থাকুন:‘নীরবতা এসো’,‘শান্ত হও’। একটু পরেই দেখবেন আপনার মন শান্ত হয়ে গেছে। যখনই অশান্ত হয়ে পড়বেন তখনই এটি করতে থাকবেন।
*স্থির হওয়ার ব্যায়াম
একটি চেয়ারে বসুন ও পা দুটিকে মেঝেতে রাখুন। চোখ বন্ধ করুন ও মনে মনে চিন্তা করুন যেন আপনার মেরুদর শেষ প্রান্তে, যোগের ভাষায় যাকে কু-লী বলে, সেখানে একটি বৈদ্যুতিক তার লাগানো রয়েছে। এই বৈদ্যুতিক তার আপনার মাথার ওপরের শান্ত সাগরের মতো পৃথিবীর ঠিক মাঝখান থেকে ঝরনাধারার মতো নেমে এসেছে। এটি আপনার দেহে ঢুকে আপনার দেহের সকল বর্জ্যপদার্থ ও খারাপ কিছু চুষে নিচ্ছে। আপনি নিজেকে খুব হালকা বোধ করছেন। প্রথম প্রথম এটি করতে শান্ত জায়গার প্রয়োজন হবে। পরে, আপনি এটি আয়ত্ত করতে পারলে যে কোনো স্থানে বা জায়গায় যেমন- অফিসে, রাস্তায়, লোকালয়ে করতে পারবেন। মন শান্ত রাখার জন্য এটি একটি মহাষৌধ। এটির উপকারিতা আপনি প্রতি মুহূর্তে বুঝতে পারবেন।
*তিন চক্রকে সক্রিয় রাখা
বিশুদ্ধ চক্র, অনাহত চক্র ও মণিপুর চক্রের মধ্যে দিব্য আলো, আনন্দ, চেতনা খেলা করতে থাকে। তাই এই চক্রগুলো সক্রিয় রাখা খুব জরুরি। কণ্ঠ, হৃদয় ও প্লীহার ওপরে চাপড়াতে থাকুন। এতে এই চক্রগুলো সক্রিয় হবে। দিনে দু মিনিট করে আপনি এটি করতে থাকুন।
*স্নায়ু উত্তেজক ব্যায়াম
জড়তা কোনো ভালো জিনিস নয়। এটিকে যোগের ভাষায় ‘তামসিক ভাব’ বলা হয়ে থাকে। স্নায়ু উত্তেজিত করতে ও জড়তা দূর করতে আপনি বিভিন্ন যোগ ব্যায়াম করতে পারেন। যেমন, আপনার এক হাতের তালুর একটু ওপরে অন্য হাতের বুড়ো আঙ্গুল দিয়ে চাপ দিন। আস্তে আস্তে আঙ্গুলগুলো দিয়ে বুড়ো আঙ্গুলের দিকে নামিয়ে আনুন। পনের বার এটা করুন। এতে আপনার জড়তা দূর হবে।
*‘কি ফো’ ব্যায়াম
কি ফো নিতে মাত্র দু মিনিট লাগবে। আপনার দু হাত হালকাভাবে মুঠো করুন এবং আপনার সম্পুর্ণ দেহের ওপর চাপড়াতে থাকুন। মাথা থেকে আরম্ভ করে খুলি, মগজ ও ঘাড় ছাড়িয়ে সম্পুর্ণ দেহে এটা করতে থাকুন। এতে আপনার রক্তচলাচল বেড়ে গিয়ে আপনার দেহে শক্তি উৎপন্ন করতে সাহায্য করবে। আমাদের মাথা চিন্তা করার স্থান। মন সবসময় কোনো না কোনো বিষয় নিয়ে চিন্তা করেই চলেছে এবং একটি সমাধানে আসার চেষ্টা করে যাচ্ছে, তা সে ভালো হোক বা খারাপ।
*কুকুর অথবা বিড়াল পোষা
বেশির ভাগ মানুষ স্বার্থপর হয়ে থাকে। আবার অনেকের মধ্যে পশুবৃত্তি আছে। প্রাণীদের আচার-আচরণ সংক্রামক। কুকুর প্রভুভক্ত। এদের নিস্বার্থ ভালোবাসা, শিশুসুলভ আচরণ, খেলাপ্রিয়তা ও অল্পে সন্তুষ্ট থাকার প্রবণতা আপনার মধ্যেও সংক্রামক রোগের মতো প্রবাহিত হয়ে থাকে। তাই, স্বার্থপর মানুষের সঙ্গ না দিয়ে প্রাণীদের সঙ্গ দেওয়া অনেক ভালো।
*সাগরের পানিতে সাঁতার
আমাদের সম্পুর্ণ দেহের ওপর একটি বলয় আছে যেটিকে ‘সূক্ষ্ম দেহ’ বলে। এই সূক্ষ্ম দেহ অলৌকিক আভা দিয়ে তৈরি, যেটি আমাদের দৈহিক ও আত্মিক সুস্থতা প্রকাশ করে থাকে। আমাদের দেহকে এই  অলৌকিক আভা প্রকাশের জন্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। আর তাই প্রতিদিন ভোরে সাগরের পানিতে স্নান করতে হবে। কারণ লবণাক্ত পানিকে প্রাকৃতিক পরিষ্কারক বলা হয়। দেহের অতিরিক্ত বর্জ্যপদার্থ বের করে দিতে ও দেহে মিনারেলের সমতা আনতে লবণের গুরুত্ব অপরিসীম। দেহ পরিষ্কার না থাকলে রোগ দেহে বাসা বাঁধবে ও জীবনটাকে বোঝা ও বিরক্তিকর মনে  হবে।
*রঙতুলি ব্যবহার
ছোট শিশু মানেই নিষ্পাপ ও পবিত্র কিছু। ছোট শিশুদের মতো রঙপেন্সিল নিয়ে আঁকতে আরম্ভ করুন।  চোখ বন্ধ রেখে কিছুক্ষণ ধ্যান করে মন শান্ত করুন। এরপর, আপনার মস্তিষ্ক সচল করার জন্য কাগজের ওপর একটি বৃত্ত আঁকুন এবং এটিকে আট ভাগে ভাগ করুন। এই আট ভাগে আপনার ইচ্ছামতো রঙ দিয়ে বৃত্তটি পূরণ করুন। ছবি আঁকার পদ্ধতি সম্পর্কে আপনি জানুন বা না জানুন এসব নিয়ে কোনো চিন্তা করবেন না।
*গাছ লাগানো
গাছ লাগানো খুব ভালো একটা অভ্যাস। বাগান করা মনের খোরাক জোগায়। গাছ লাগানো ও গাছের পরিচর্যা আপনাকে প্রকৃতির কাছে নিয়ে যাবে, প্রকৃতিপ্রেমিক করে তুলবে, প্রকৃতির মতো উদার হতে সাহায্য করবে। বাড়িতে করা বাগান থেকে আপনি সতেজ বাতাস পাবেন। তাছাড়া, আপনি রান্নার জন্য তাজা সবজি পাবেন।
এছাড়াও মনোবিজ্ঞানীরা সকলকে প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট প্রাণ খুলে হাসার পরামর্শ দিয়েছেন।আরও কিছু উপায়ে হয়তো আপনি আনন্দে থাকতে পারেন। যেমন- শত ব্যাস্ততার মাঝেও অন্তত সপ্তাহের একটি দিন বা একটি ঘণ্টা প্রিয়জনের সঙ্গে কাটান। তাদের নিয়ে বেড়াতে যান কোনো পছন্দের জায়গায়।
অবসরের সময়গুলোতে পরিবারের সকলকে নিয়ে টিভিতে পছন্দের কোনো অনুষ্ঠানও দেখতে পারেন। রাতে ভালো কোনো গল্পের বইও পড়তে পারেন। সিনেমা হলে গিয়ে স্বপরিবারে বা বন্ধুদের নিয়ে দেখে আসতে পারেন ভালো কোনো চলচ্চিত্র।

সর্বোপরি হতাশা আর দুঃশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পেতে মনে রাখতে হবে আপনি যেমনই হন না কেন আপনার মত পৃথিবীতে আর দ্বিতীয় কেউ কোথাও নেই। পৃথিবীকে দেবার মতন আপনার কাছে এখনও অনেক কিছুই বাকি। তাই নিজেকে অহেতুক অন্যের চেয়ে ছোট না ভেবে নিজের মত করে বাঁচুন এবং আনন্দে থাকুন।
;D

84
Saving money isn’t easy. We all seem to think that if we just made a little bit more we would finally have enough to start putting some away. Unfortunately this usually isn’t the case. As earnings increase, spending tends to rise as well. Saving takes a deliberate effort and while sometimes this means making sacrifices, in this list of 25 ways to cut your spending and save money we’ll go over some of the the easier ways to do so.

Eat Smart



By brown bagging your lunch, taking half of your restaurant portion home, and not eating out for dinner you can save a significant amount on food money over the course of a month.

85
Common Forum/Request/Suggestions / Mango
« on: April 16, 2013, 10:10:24 AM »
গুণে ভরা আম



আম যদিও আমাদের জাতীয় ফল নয়, তবে অবশ্যই প্রিয় ফল। এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া
যাবে না, যে আম খেতে পছন্দ করে না। আম কাঁচা অথবা পাকা যেভাবেই খাওয়া হোক
তা আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী। অনেক ক্ষেত্রে পাকা আমের তুলনায় কাঁচা
আমের গুণ আরও বেশি। কাঁচা আমের গুণাগুণ সম্পর্কে জেনে সত্যিই অবাক হতে হয়।

জেনে নিন কাঁচা আমের উপকারিতা:

*আমাদের শরীরের রক্ত পরিস্কার রাখে
*কাঁচা আম স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে
*ক্যারোটিন ও ভিটামিন সমৃদ্ধ কাঁচা আম চোখ ভালো রাখে
*বিটা ক্যারোটিন থাকায় হার্টের সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে
*পটাশিয়ামের অভাব পূরণ করে
*কাঁচা আমে প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকায় রক্তসল্পতা সমস্যা সমাধানে বেশ উপকারী
*ভিটামিন সি সমৃদ্ধ হওয়ায় গরমে ঠাণ্ডা জতীয় রোগ প্রতিরোধ
*কিডনির সমস্যা প্রতিরোধ সাহায্য করে
*লিভার ভালো রাখে
*নিঃশ্বাসের সমস্যা, জ্বরের সমস্যা উপশম করে
*অ্যাসিডিটি নিয়ন্ত্রণ করে
*ত্বক উজ্জ্বল করে
*দাঁতের রোগ প্রতিরোধ করে
*ফাইবার সমৃদ্ধ হওয়ায় কোষ্টকাঠিন্য দূর করে
*এছাড়া ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।


এখন কাঁচা আম পাওয়া যাচ্ছে। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে। এমন কি
পাকা আমের তুলনায় কাঁচা আমে ভিটামিন সি বেশি পরিমাণে থাকে।বেশি বেশি কাঁচা
আম খেয়ে, শরীরের বিভিন্ন রোগের প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করুন।


Sanjida Amin
Student Counselor

86

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: ঘরোয়া পদ্ধতি




রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে যার, নিরাপদ জীবন তার- এই স্লোগানকে সামনে রেখে এবারের বিশ্বস্বাস্থ্য দিবস পালিত। আমাদের হার্টে প্রতিনিয়ত পাম্পের মতো প্রতিটি কোষে রক্ত সরবরাহ করে থাকে। এই রক্ত প্রবাহমান ধারায় রক্তনালীর দেয়ালে যে বল প্রয়োগ করে তাই রক্তচাপ। এই প্রবাহে কোনো ধরনের বাঁধা বা স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হলে সে অবস্থাকে আমরা উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন বলি। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য আমরা সব সময়ই নির্ভর করি ডাক্তার আর ওষুধের ওপর। কিন্তু আমরা চাইলে ঘরোয়া ভাবেও এই রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারি। কীভাবে, জেনে নিন:

মাছ, মাংস, সবজি: মাছ ও মুরগির মাংস খেলে আমাদের রক্ত​​চাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে। কিন্তু লাল মাংস বিশেষ করে গরুর মাংস খেলে রক্তচাপ আরও খারাপ অবস্থায় চলে যায়। সবজি এবং মাছ আমাদের শরীরের জন্য উপকারি। প্রতিদিনের খাবারে প্রচুর সবজি এবং মাছ রাখুন।

রসুন: বিশ্বজুড়ে অনেক ধরনের খাদ্য তৈরিতে একটি বিশেষ উপাদান হচ্ছে রসুন।মনে করে দেখুন, অামাদের দাদী, নানীরা ছোটবেলায় প্রতিদিন এক টুকরো রসুন খেতে বলতেন। আসলে ওনারাই সঠিক ছিলেন। এই প্রাকৃতিক ওষুধ রসুন আমাদের শরীরের কলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

পেঁয়াজ এবং মধু: উচ্চ রক্তচাপ দ্রুত কমিয়ে দেওয়ার জন্য একটি দারুণ টিপস্ হচ্ছে, একটি কাপে এক চা চামচ পেঁয়াজের রস এবং দুই চা চামচ মধু নিয়ে প্রতিদিন খান। 

গাজর: আপনার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে দিনে দুবার গাজরের জুস খান। নিয়মিত গাজর খেলে আমাদের ত্বকও ভালো থাকে।

বিট: বিটের জুসও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে টনিকের কাজ করে।

লবণ: সুস্থ থাকতে হলে প্রতিদিনের খাবার থেকে অবশ্যই কাঁচা লবণ বাদ দিতে হবে।

এতো গেল খাবারের কথা। নিয়মিত মেডিটেশন করুন, প্রতিদিন আধা ঘণ্টা হাঁটুন আর দুশ্চিন্তা দূরে রেখে প্রিয়জনের সঙ্গে হাসিখুশি থাকুন।

উচ্চ রক্তচাপ একটি নীরব ঘাতক হয়ে দেখা দিতে পারে। এটি হার্ট এটাক, স্ট্রোক, হৃদরোগ এমনকি মৃত্যুরও কারণ হতে পারে। তাই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রেখে সুস্থ ও স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করুন।

Pages: 1 ... 4 5 [6]