Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - sanjida.dhaka

Pages: 1 ... 4 5 [6] 7
76
               

আমরা অনেকেই ডিমের খোসা ফেলে দেই। কিন্তু ডিমের খোসার রয়েছে অসাধারণ কিছু ব্যবহার? মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করার সাথে সাথে ত্বকের যত্নেও ব্যবহার করা যেতে পারে ডিমের খোসা। কি, অবাক হচ্ছেন? অবাক হওয়ার কিছু নেই। জেনে নিন ডিমের খোসার ভিন্ন কিছু ব্যবহার।

#মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি

ডিমের খোসায় প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম এবং মিনারেল রয়েছে যা আপনার বাগানের উর্বরতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে। ডিমের খোসা গুঁড়ো করে নিন এবার এটি মাটিতে ব্যবহার করুন।

# দ্রুত জয়েন্টের ব্যথা উপশম করতে

একটি পাত্রে অ্যাপল সাইডার ভিনেগার এবং একটি ডিমের খোসা ভেঙ্গে গুঁড়ো করে নিন। এবার এটি রেখে দিন যতদিন পর্যন্ত না ডিমের খোসাগুলো ভিনেগারের সাথে মিশে না যায়। মোটামুটি ২ দিন রেখে দিলে ডিমের খোসাগুলো ভিনেগারের সাথে মিশে যাবে। ডিমের খোসায় কোলাজেন, গ্লুকোসামিন, হায়ালুরোনিক অ্যাসিড থাকে যা ভিনেগারের সাথে মিশে ব্যথা উপশম করে দেয়। ব্যথার স্থানে এই মিশ্রণটি ম্যাসাজ করে লাগান।

#বাসন-পত্র পরিষ্কার করতে

অনেকসময় খাবার রান্না করতে গিয়ে হাঁড়ি পাতিলের নিচে লেগে যায়। এই পোড়া দাগ দূর করতে ডিমের খোসা সাহায্য করবে। ডিশ ওয়াশারের সাথে ডিমের খোসা গুঁড়ো করে মিশিয়ে নিন। এবার এটি হাঁড়ি পাতিল পরিষ্কার করার কাজে ব্যবহার করুন, দেখবেন পোড়া দাগ খুব সহজে দূর হয়ে গেছে।

# কফি মিষ্টি করতে

কফির তেতো স্বাদের কারণে অনেকেই এটি খেতে চান না। এই তেতো স্বাদ দূর করার জন্য কিছু পরিমাণে ডিমের খোসা গুঁড়ো করে কফির সাথে মিশিয়ে দিন। ডিমের খোসা কফির নিচে পড়ে থাকবে আর কফির তেতো স্বাদ দূর করে দিবে।

#পোকামাকড় এবং বালাই দূরে রাখতে

আপনার প্রিয় বাগানকে পোকামাকড়ের হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করবে ডিমের খোসা! বাগানে চারপাশে ডিমের খোসা গুঁড়ো করে ছড়িয়ে দিন। এমনকি গাছের গোড়ায় ডিমের খোসা গুঁড়ো করে দিয়ে রাখতে পারেন। এতে আপনার গাছ পোকামাকড়ের হাত থেকে রক্ষা পাবে।

# ময়লা জমে যাওয়া ড্রেন পরিস্কার করতে

অনেকসময় রান্নাঘরের সিঙ্ক এ ময়লা জমে বন্ধ হয়ে যায়। এই সমস্যা করে সমাধান করে দিবে ডিমের খোসা। ডিমের খোসা মিহি গুঁড়ো করে জমা ড্রেনের মধ্যে দিয়ে দিন। তারপর বেশি করে পানি ঢেলে দিন। দেখবেন ড্রেন পরিষ্কার হয়ে গেছে।

#ত্বক পরিষ্কার করতে

১টি ডিমের সাদা অংশ, এবং এক বা দুটি ডিমের খোসা গুঁড়ো করে মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন। এটি ত্বকে ব্যবহার করুন। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। আর দেখুন ত্বক কেমন নরম কোমল হয়ে গেছে।




77
   


সব সম ঘুম ঘুম লাগে? ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না? মাথাটা ঝিম ঝিম করে বলে মনে হয়? সম্ভবত আপনি কোনো ক্রনিক রোগে ভুগছেন যা ধরা পড়েনি। আমেরিকায় এক পরিসংখ্যানে বলা হয়, পৃথিবীর অসংখ্য মানুষ হাইপোথায়রোডিজমে ভুগছেন। যেখানে বিপাক্রিয়ায় অংশ নেওয়া থায়রয়েড গ্রন্থি ঝিমিয়ে কাজ করে।

আপনার গলার নিচেই প্রজাপতির মতো এক গ্রন্থি থায়রয়েড। এটি দেহের দুটো গুরুত্বপূর্ণ হরমোন উৎপন্ন করে যা দেহের কয়েকটি জরুরি কাজে অংশ নেয়। দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, শক্তি উৎপাদন এবং খাবার হজমের কাজ করে। আবার হৃদযন্ত্র, মস্তিষ্ক, কিডনি এবং ত্বকের নানা প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বছরের জানুয়ারি আমেরিকার জাতীয় থায়রয়েড সচেতনতা দিবস হিসাবে পালিত হয়। চিন্তার বিষয় হলো, অধিকাংশ মানুষ তার থায়রয়েডের সমস্যা শনাক্ত করতে পারেন না। এর বেশ কিছু লক্ষণ রয়েছে। এগুলো জেনে নিন।

১. সব সময় ক্লান্ত আপনি : জেগে থাকা কষ্টকর হয়ে পড়ে। সারাক্ষণ ক্লান্তি লাগে। এক ধরনের অবসাদ ভর করে। এগুলো বেশ কয়েকটি স্বাস্থ্যগত অবস্থার লক্ষণ হলেও হাইপোথায়রোডিজমের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। কম থায়রয়েড যখন নিঃসৃত হয় তখন রক্ত এবং কোষ সারাদেহে প্রবাহের নির্দেশ সঠিকভাবে পায় না। এতে ঘুম ঘুম বোধ হয়।

২. কম খেয়েও স্থুল হচ্ছেন : এ সমস্যায় আক্রান্তদের বিপাকক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটে। বাসাল মেটাবলিক রেট বা বিএমআর কমে আসে। বিপাক্রিয়ার হার কমে এলে অনেকেই মোটা হতে থাকেন। একই খাবার খেয়ে অন্যদের কিছু না হলেও থায়রয়েড সমস্যায় আক্রান্তরা স্থুলকায় হতে থাকেন।

৩. ভুলে যান : আজ কিছু করার ছিল। কিন্তু কিছুতেই মনে করতে পারছেন না। এর কারণ ঘুমের অভাব, হতাশা এবং বয়স বৃদ্ধি হতে পারে। কিন্তু থায়রয়েড সমস্যার কারণেও এ সমস্যা দেখা দিতে পারে। হরমোন গ্রন্থির সুষ্ঠু কাজের অভাবে নিউরনের কর্মপ্রক্রিয়ায় ঝামেলা সৃষ্টি হয়। এতে মাথায় রাখা তথ্য সহসা মনে করা যায় না।

৪. কোলেস্টরেলের মাত্রা বৃদ্ধি : স্বাস্থ্য পরীক্ষার সময় হয়তো দেহে কোলেস্টরেলের মাত্রা বেড়ে যাওয়া ধরা পড়েছে। কিন্তু থায়রয়েড গ্রন্থির স্বাস্থ্য দেখা হয়নি। কোলেস্টরেলের উপাদান বের হয়ে যেতে বাধা প্রদান করে হাইপোথায়রোডিজম। ফলে দেহে ক্ষতিকর এলডিএল এবং ট্রিগ্লাইসিরাইডস-এর পরিমাণ বেড় যায়।

৫. বিষণ্নতায় ভোগা : এটা প্রাথমিক লক্ষণ না হলেও, হাইপোথায়রোডিজমের কারণে বিষণ্ন হয়ে পড়ে মন। যেহেতু থায়রয়েড দেহের চঞ্চলতা ধরে রাখে, তাই এর অভাবে আপনিও যে বিষণ্ন হয়ে পড়বেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

৬. শুষ্ক ত্বক : ময়েশ্চারাইজেশনের যাবতীয় ব্যবস্থা রাখার পরও ত্বক শুষ্ক হয়ে যায়। ত্বকের চেহারা এবং সৌন্দর্য মলিন হয়ে যায় থায়রয়েডের অভাবে। এতে ত্বকে রক্ত সরবরাহ স্বাভাবিকের চেয়ে পাঁচ ভাগের এক ভাগ কমে যেতে পারে। ফলে ত্বকের মসৃণতা নষ্ট হয় এবং শুষ্ক হয়ে যায়।

৭. কোষ্ঠকাঠিন্য : খুবই অস্বস্তিকর এক অবস্থা। এমনকি চিকিৎসকের সঙ্গেও আলোচনা করতে অনেকে লজ্জাবোধ করেন। বিপাকক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে না চললে হজমে গোলযোগ দেখা দেয়। এ ছাড়া অন্ত্রনালীর মাধ্যমে মল দ্রুত এগোতে পারে না। হজমের এই ধীরগতির কারণ হতে পারে যথেষ্ট থায়রয়েডের ঘাটতি। এ সময় কলা বা ফাইবারসমৃদ্ধ ফল মল সহজে বের হতে সহায়তা করতে পারে।

৮. পেশীতে কালসিটে : উষ্ণ পানিতে গোসল করে বা হাজারো ম্যাসাজ করেও পেশী শিঁথিল করা যায় না। বিপাকক্রিয়ার মাধ্যমে দেহ শক্তি উৎপন্ন করে। কিন্তু থায়রয়েডের অভাবে বিপাক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। এতে দেহ যে প্রক্রিয়ায় শক্তি পোড়ায় তাতে বিশৃঙ্খলতা লেগে যায়। আর এতে দেহের পেশীর অনুভূতি ভিন্নতর হয়ে যায়। পেশী শক্ত হয়ে যায়। মনে হয়, জমাট বেঁধে গেছে। পরিত্রাণ পেতে হালকা ব্যায়াম করতে পারেন।

৯. বেশি বেশি শীত লাগে : এমনকি গরমের সময়ও শীত অনুভূত হয়। থায়রয়েড দেহে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। হাইডোথায়রোডিজম দেহে সামান্য পরিমাণ থায়রয়েড উৎপন্ন করে। এ কারণে কম পরিমাণ শক্তি ক্ষয় হয়। এতে তাপ উৎপন্ন হয় না। ফলে দারুণ শীত লাগতে পারে।


78


দাঁত পরিষ্কার ছাড়াও টুথপেস্টের রয়েছে আরও ব্যবহার। দৈনন্দিন নানা কাজেও এটি ব্যবহার করা যায়। তবে দাঁত ব্রাশ ছাড়া অন্য কোনো কাজে টুথপেস্ট ব্যবহার করলে শুধু সাদা টুথপেস্ট ব্যবহার করা উত্তম।

চলুন জেনে নিই টুথপেস্টের নানাবিধ ব্যবহার-

আইভরি- হাতির দাঁত দিয়ে তৈরি যেকোনো জিনিস পরিষ্কার করতে টুথপেস্ট ব্যবহার করা যায়। ব্রাশে টুথপেস্ট লাগিয়ে ঘষা দিন। এরপর ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন। এভাবে হারমনিয়াম ও পিয়ানোর কি-ও পরিষ্কার করতে পারেন।



নখ- পুরোনো ব্রাশে টুথপেস্ট লাগিয়ে নখ ঘষুন। ঝকঝকে হয়ে উঠবে।

কাপড়ে মরিচা দাগ- কাপড়ের মরিচার দাগ তুলতে টুথপেস্ট লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে এলে পানিতে ভিজিয়ে ঘষে ঘষে ধুয়ে ফেলুন। মরিচার দাগ দূর হয়ে যাবে।

স্নিকার্স- স্নিকার্সের নিচের রাবারের অংশ পরিষ্কার করতে টুথপেস্ট ব্যবহার করতে পারেন।
 
ডায়ামন্ড - ভেজা কাপড়ে টুথপেস্ট লাগিয়ে ডায়ামন্ডের আংটি পরিষ্কার করুন।

জার পরিষ্কারে - অনেক দিন সংরক্ষণ করার ফলে মসলা, দুধ ও অন্য খাবারের জার গন্ধ হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে টুথপেস্ট ও ব্রাশের সাহায্যে জার পরিষ্কার করতে পারেন। একই উপায়ে শিশুদের ফিডারও পরিষ্কার করতে পারেন।





আয়না- বাথরুমের আয়নায় পানির দাগ থাকে। পানির দাগ দূর করতে টুথপেস্ট ব্যবহার করুন।
 
সিলভার ও স্টিল- সিলভার ও স্টিলের আসবাব বা বাসনের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে টুথপেস্ট ও স্ক্রাবার ব্যবহার করুন।
 
মার্বেল ও টাইলস- মার্বেল পাথর ও টাইলসের মেঝেতে মরিচার দাগ বা চুইংগামের দাগ দূর করতে টুথপেস্ট ভালো কাজ করে।
 
সিঙ্ক ও বেসিন - রান্নাঘরের সিঙ্ক ও বেসিন পরিষ্কারে স্ক্রাবার ও টুথপেস্ট ব্যবহারে চকচকে ভাব আসবে, সঙ্গে দূর হবে জীবাণুও।

দেয়ালের দাগ - দেয়ালে ক্রেয়নের দাগ তুলতে টুথপেস্ট খুব ভালো কাজ করে।



লিপস্টিকের দাগ - কাপড়ের লিপস্টিকের দাগ তুলতে টুথপেস্ট ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়াও কাপড়ে কালির দাগ তুলতে টুথপেস্ট লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে এলে ঘষে ধুয়ে ফেলুন। কালির দাগ উধাও হয়ে যাবে।

কাঠের আসবাব- কাঠের আসবাবের ওপর পানি বা কোল্ড ড্রিঙ্কসের দাগ তুলতে কাপড়ে টুথপেস্ট লাগিয়ে দাগের ওপর ধীরে ধীরে ঘষুন। দ্বিতীয় ধাপে পরিষ্কার শুকনো কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন।

ব্রণ - ইদানীং অনেকেই এ পদ্ধতি ব্যবহার করেন। ব্রণের ‍উপর টুথপেস্ট লাগিয়ে সারারাত রেখে দিন। সকালে উঠে ধুয়ে ফেলুন। এতে ব্রণ আকারে ছোট হয়ে যাবে। টুথপেস্ট ব্রণে জমা তেল শোষণ করে দ্রুত সারিয়ে তোলে।

হাত ও পায়ের দুর্গন্ধ এড়াতে - পেয়াজ-রসুন কাটার ফলে হাতে দুর্গন্ধ হয় আবার মোজা পরার ফলে পায়েও দুর্গন্ধ হতে পারে। এক্ষেত্রে হাত ও পায়ে টুথপেস্ট ব্রাশ করে ধুয়ে ফেলুন।



http://www.banglanews24.com/fullnews/bn/456770.html

79


ক্যালেন্ডুলা শীতকালীন একটি ফুল। সৌন্দর্য ছড়ানোর পাশাপাশি ওষুধ হিসেবেও এর ব্যবহার রয়েছে। ক্যালেন্ডুলা ফুলের চা জ্বর নিয়ন্ত্রণ করে ও ব্যথা কমায়। ত্বকের সংক্রামক দূরীকরণের উপকরণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে ক্যালেন্ডুলার ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
ফ্লেভোনয়েড, এন্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও খনিজ সমৃদ্ধ এ ফুলটি বিভিন্ন স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ত্রুটি নিরাময় করে।




ক্যালেন্ডুলায় রয়েছে বিটা ক্যারোটিন যা গাজরে পাওয়া যায়। ফলে ভিটামিন ‘এ’ এর বেশকিছু উপকারিতা এর মধ্যে রয়েছে। ঠাণ্ডা লাগলে ক্যালেন্ডুলার চা পান করতে পারেন। এটি আমাদের রোগ প্রতিরোধ সিস্টেমকে উদ্দীপ্ত করে।

এটি ঋতুচক্র সুষ্ঠুভাবে নিয়ন্ত্রণ করে ও এ সময়কালীন উপসর্গ দূর করতে সাহায্য করে। পেটেব্যথা, পেটে প্রদাহ নির্মূলে ক্যালেন্ডুলা ফুলের চা অত্যন্ত উপকারী। ক্যানসার প্রতিরোধকারী এ উপাদনটি গলাব্যথা উপশম করে।



ঠাণ্ডা নিরাময়ে বিশেষ উপযোগী এ ফুলটি মুখ ও গলার ফোলাভাব দূর করে ও ক্ষতস্থানে নতুন টিস্যু তৈরিতে সাহায্য করে।
ক্যালেন্ডুলা ফুলের চা তৈরির পদ্ধতি হিট প্রুফ মগে ক্যালেন্ডুলার শুকনো পাপড়ি দিন। এরপর মগে গরম পানি ঢালুন। এবার মগটি ২০ মিনিট ঢেকে রাখুন। ছেঁকে পান করুন।


http://www.banglanews24.com/fullnews/bn/455202.html

80



রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে আপনি কি পান করেন? সাধারণত বেশির ভাগ মানুষ দুধ পান করে থাকেন। আবার কিছু মানুষ চা পান করেন। এমন কিছু পানীয় আছে যা রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পান করলে আপনার পেটের মেদ কমিয়ে দিবে অনেকখানি। পেটের মেদ নিয়ে আমাদের চিন্তার শেষ নেই। ডায়েট, ব্যায়াম কত কিছুই না করা হয়ে থাকে পেটের মেদ কমানোর জন্য। নিয়মিত এই পানীয় পান করার ফলে দ্রুত পেটের মেদ কমে যাবে। এই পানীয়গুলো পেটের মেদ কমানোর পাশাপাশি উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিকস, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে করে থাকে।

১। শসা, আদা, লেবুর ডিটক্স

১/৩ কাপ পানি
১/২ টা লেবু
১ চা চামচ আদা কুচি
১টি শসা
১ গুচ্ছ পার্সলে পাতা
পানি, শসা, আদা কুচি, পার্সলে পাতা দিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। খুব বেশি পাতলা যেন না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন। প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই পানীয় পান করুন। ১০ দিনের মধ্যে পেটের মেদ অনেকখানি কমে যাবে।

এই পানীয়টি দেহের টক্সিন দূর করে। এটি মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে ওজন কমাতে সাহায্য করে। দেহের অভ্যন্তরীণ কোন ইনফেকশন থাকলে তাও দূর করে দিয়ে থাকে।

২। নাশপাতি ডিটক্স

১টি নাশপাতি
একটি লেবু
একটি ছোট আকৃতির শসা
এক গুচ্ছ পালং শাক

নাশপাতি, লেবুর রস, শসা এবং পালং শাক মিশিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেণ্ড করে নিন। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নিয়মিত এটি পান করুন। এক সপ্তাহের মধ্যে আপনার পেটের মেদ কমে যাবে। এটি পেটের মেদ কমানোর পাশাপাশি দেহের সার্বিক ওজন কমাতে সাহায্য করে। এই পানীয়টি মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে ক্ষুধা দমন করে দেয়। পালং শাক শরীরের প্রদাহ দূর করে হজমশক্তি বৃদ্ধি করে দেয়।

81
 


চুল ঝরে যাওয়া বিশেষ করে আজকালকার তরুণ-তরুণীদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। মাথার চুল ঝরে যাওয়া রোধ করতে আপনি হয়তো কত কিছু্‌ই না করছেন। কিন্তু ফলাফল হচ্ছে অকালে চুল পড়ে টেকো হয়ে যাওয়া। আপনার সাধের চুলগুলোকে কীভাবে বাঁচাবেন? কীভাবে মাথায় নতুন চুল গজাবে? চিন্তা নেই এর সমাধান আছে হাতের নাগালেই। আপনার মাথায় চুল গজাতে সাহায্য করবে একটি সাধারণ ও অল্প মূল্যের তেল। শুধু চুল নয়, চোখের পাপড়ি আর ভ্রু ঘন করতেও এই তেল দারুণ কার্যকরী!

হ্যাঁ, ঠিক ধরেছেন। আমরা বলছি ক্যাস্টর অয়েলের কথা। ক্যাস্টর অয়েল কোন অপরিচিত জিনিস নয়, বরং অনেকেই চেনেন। কিন্তু এটা জানেন না যে নতুন চুল গজাতে এই তেল দারুণ উপকারী। ক্যাস্টর অয়েলে আছে রিসিনোলেইক এসিড যা নতুন চুল, ভ্রু, চোখের পাপড়ি গজাতে অত্যন্ত সহায়ক। এছাড়াও চুলের রুক্ষ্মতা দূর করে চুলকে মোলায়েম করে তুলতে সহায়তা করে এই তেল। কীভাবে ব্যবহার করবেন?

ক্যাস্টর অয়েল একটানা ব্যবহার করলে হবে না, করতে হবে নিয়ম মেনে। সপ্তাহে একদিন করে টানা ৮ সপ্তাহ ব্যবহার করুন এই তেল। ক্যাস্টর অয়েল মধুর মত ঘন, প্রথম প্রথম একটু অসুবিধা হতেই পারে। ব্যবহার করার পদ্ধতি বেশ সোজা। ক্যাস্টর অয়েল নিন, এতে যোগ করতে পারেন একটি ভিটামিন ই ক্যাপসুলের ভেতরকার তরল। চুল লম্বা হলে একাধিক ক্যাপসুল দিন। এরপর এত তেল রাতে ঘুমাবার আগে ভালো করে মাথায় মাখুন। বিশেষ করে চুলের গোঁড়ার ত্বকে ম্যাসাজ করে লাগান। সারারাত এই তেল চুলে থাকতে দিন। সকালে শ্যাম্পু করে ফেলুন। কোন বাড়তি কন্ডিশনার লাগবে না। কোথায় পাবেন, কেমন দাম? যে কোন ফার্মেসীতে ও সুপারশপে ক্যাস্টর অয়েল পাবেন আপনি। দেশি-বিদেশি দুই রকমই পাওয়া যায়। দেশি তেলগুলো দামে বেশ সস্তা। মোটামুটি ১০০ টাকার কমে আপনি এক বোতল পাবেন যা ব্যবহার করতে পারবেন ১ মাস! বিদেশি গুলোর দাম একটু বেশি। মানও একটু ভালো। তাহলে আর দেরি কেন, চুলের জন্য বাড়তি চর্চা শুরু করে যাক আজই। পাতলা হয়ে যাওয়া চুলগুলো আবার হয়ে উঠুক ঘন। (যাদের বংশগত কারণে বা কোন অসুখের জন্য টাক পড়ছে, তাঁদের ক্ষেত্রে আসলে কোন চিকিৎসাই কাজে দেবে না। প্রয়োজন আগে অসুখের চিকিৎসা। যাদের চুল পড়ছে স্ট্রেস, যত্নের অভাব, ভুল প্রসাধন ইত্যাদি কারণে; তাঁদের ক্ষেত্রে ক্যাস্টর অয়েল খুব ভালো কাজে দেবে।)

82



সারা বছর মশার প্রচন্ড উপদ্রব-এ আমরা প্রচুর বিরক্ত। মশা থেকে মুক্ত থাকার জন্য আপনার মনে হয়তোবা কয়েলের ছবি ভাসছে। কিন্তু একবারও ভেবে দেখেছেন, এক বছরে আপনি কয়েলের পিছনে কত টাকা খরচ করেছেন? আর সব থেকে বড় কথা হলো, কয়েল মানব শরীরের জন্য কতটা ক্ষতিকর সেটা কি আপনি জানেন? আপনি হয়তোবা বলতে পারেন আমি কয়েল ব্যবহার করিনা। আমার আছে এ্যারোসল! সেটাতো মানব শরীরের জন্য আরো ভয়াবহ ক্ষতিকর । অথবা আপনি বলতে পারেন আমার কাছে ব্যাট আছে। কিন্তু মশার সাথে কতদিন ব্যাডমিন্টন খেলবেন? ১০টা মারবেন ১০০ মশা সামনে এসে হাজির হবে। আপনি মরে যাবেন কিন্তু আপনার মশা মারা আর শেষ হবে না!

আজকে  আপনাদের শেখাব কিভাবে মাত্র ২০ টাকা খরচ করে পুরো ১ বছর মশার উপদ্রব থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন। তবে তার আগে আপনাকে কয়েল এবং এ্যারোসলের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে জানতে হবে। তা নাহলে আপনার মাথায় ওগুলোই ঘুরপাক খাবে।

কয়েলের মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর দিকঃ(১) আপনি যদি একটি মশার কয়েল টানা ৮ ঘন্টা জ্বালিয়ে রাখেন তাহলে ১৩৭টি সিগারেটের পরিমান বিষাক্ত ধোঁয়া আপনি গিলছেন।

(২) কয়েলে যে গুঁড়া দেখেন সেটা এতটাই সূক্ষ্ম যে তা সহজেই আমাদের শ্বাসনালীর এবং ফুসফুসের পথে গিয়ে জমা হয়ে বিষাক্ততা তৈরি করে।

(৩) কয়েলের ধোঁয়া চোখের ভীষন ক্ষতি করে, দীর্ঘদিন ব্যবহারে চোখের ভয়াবহ ক্ষতিসাধন হতে পারে।

(৪) কয়েল মশাকে তাৎক্ষনিক মারে কিন্তু মানব দেহে
স্লো পয়জনিং করে, ধীরে ধীরে মানুষ মৃত্যুর দিকে ধাবিত হয়।

এ্যারোসলে মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর দিকঃ
(১) এ্যারোসল হার্টের জন্য খুবই ক্ষতিকর। মানব দেহের হার্ট সরাসরি এ্যারোসলের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

(২) এ্যারোসলের ক্যামিকেল চোখের ক্ষতি করে, দীর্ঘদিনের ব্যবহারে চোখের কার্যক্ষমতা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।



প্রয়োজনীয় উপকরনঃ(১) দুই লিটারের একটি প্লাস্টিকের বোতল (সেভেনআপ/কোক/ফান্টা/আরসি কোলা যে কোন পিইটি বোতল)

(২) এক গ্লাসের তিন ভাগের দুই ভাগ (২০০ এমএল) ফুঁটানো ইষৎ গরম পানি

(৩) এক কাপের তিন ভাগের ২ ভাগ ব্রাউন সুগার (খোলা চিনি হলে ভালো তবে পরিশোধিত চিনি হলেও চলবে)

(৪) এক চামচ ইষ্ট (যে কোন সুপার শপ বা বড় মুদি দোকানে পাবেন)

প্রস্তুত প্রনালীঃমশা থেকে মুক্ত থাকতে হলে আপনাকে প্রস্তুত প্রানালী ধাপে ধাপে অনুসরন করতে হবে। প্রথমে প্লাষ্টিকের বোতলটি উপর থেকে ৩/৪ ইঞ্চি রেখে একটি চাকু দিয়ে কেটে ফেলুন। তারপর নিচের বড় (বোতল) অংশটিতে ব্রাউন সুগার বা খোলা চিনা বা পরিশোধিত চিনি ঢেলে দিন। নাড়ানোর কোন প্রয়োজন নেই। তারপর এক কাপ ফুটানো পানি ঢালুন। তারপর এক চামচের তিন ভাগের দুই ভাগ ইষ্ট ছেড়ে দিন। এবার বোতলের উপরের অংশটিকে চিৎ করে বড় বোতলের ভেতর বসিয়ে দিন। খেয়াল রাখবেন বোতলের উপরের অংশের মুখের ছিপিটি যেন অবশ্যই খোলা রাখেন। কারন ওখান থেকেই মশা ভেতরে ঢুকবে। এরপর একটি টেপ দিয়ে বড় এবং ছোট অংশটির জোরা শক্ত করে লাগিয়ে দিন। ব্যস! হয়ে গেলো মশা মারার হোমমেড ফাঁদ। এবার ফাঁদটিকে ঘরের যেকোন কোনায় রেখে দিন। চলতে পারবেন পুরো এক বছর।

সর্তকতাঃ
বাচ্চাদের নাগালের বাইরে রাখুন। যাতে তারা ভুলে খেয়ে না ফেলে।

83





২০১২ সালে হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলের প্রফেসর অ্যামি কাডি মানুষের শক্তিমত্তা ও আত্মবিশ্বাস প্রকাশ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন 'পাওয়ার-পোজিংয়'-এর উপকারিতা নিয়ে। এমন কিছু বিশেষ অঙ্গভঙ্গি রয়েছে যার মাধ্যমে আপনার শক্তিশালী ব্যক্তিত্বের প্রকাশ পায়। জেনে নিন বিজনেস ইনসাইডারের পক্ষ থেকে।

তার নতুন 'প্রেজেন্স' বইয়ে লেখক এ বিষয়ের বিস্তারিত বয়ান করেছেন। সফল মানুষরা শক্তিমত্তা প্রকাশ করে ব্যক্তিত্বের স্ফূরণ ঘটান। এসব অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস একলাফে বাড়িয়ে নেন তারা। এসব অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে নারীরা 'ওয়ান্ডার ওমেন' হয়ে ওঠেন।

কাডি জানান, অনেক সময় মানুষের ব্যবহার থেকে বেরিয়ে আসে এমন বিশেষ আচরণ। এসব বিশেষ আচরণগত অঙ্গভঙ্গি রপ্ত করে নিতে হবে। দেহ ও মনের সমন্বয় করে এসব পাওয়ার-পোজিং ব্যবহার করতে হয়। তবে এটা ফুটে ওঠে দৈহিক অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে। এখানে দেখে নিন এমনই কিছু পাওয়ার-পোজিং।

১. একটি চুক্তি যখন সম্পন্ন করে এনেছেন, তখন দাঁড়িয়ে দুই হাত টেবিলে রেখে দেহের ভর চাপান। দুই হাতে ভর রেখে একটু সামনের দিকে হেলে পড়ুন। এটা এমন এক ভঙ্গি যার মাধ্যমে কক্ষের নিয়ন্ত্রকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন আপনি। এই ভঙ্গিতে দর্শক-শ্রোতার মনোযোগ কেড়ে নেওয়াসহ তাদের মনের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া যায়।

২. যখন নতুন কোনো আইডিয়া নিয়ে গভীর চিন্তায় মগ্ন, তখন কাডি বিশেষ দেহবিন্যাসের কথা বলেছেন। চেয়ারে বসে পা দুটো টেবিলে তুলে দিন। ঘাড়ের পেছনে দুই হাত নিয়ে হাতের তালুতে মাথা রাখুন। দেহটা চেয়ারের সঙ্গ মিশিয়ে দিন। এ ভঙ্গিতে দেখলেই মনে হবে, একজন মন-প্রাণ ঢেলে কোনো গভীর চিন্তায় ডুবে রয়েছেন।

৩. ইন্টারভিউয়ে বসার আগে দাঁড়িয়ে দুই পা পাশাপাশি ছড়িয়ে দিন। দুই হাত ওপরের দিকে 'হ্যান্ডস-আপ' করে রাখুন। এ অবস্থায় কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে সহজাত ভঙ্গিতে ইন্টারভিউ কক্ষে প্রবেশ করুন। এতে আপনার আত্মবিশ্বাস আরো বেড়ে যাবে। এর বিকল্প হলো, দুই হাত দুই দিকে ছড়িয়ে দিন। কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকুন এবং স্বাভাবিকভাবে হেঁটে যান।

৪. যখন প্রার্থীর ইন্টরভিউ নিতে বসেছেন, তখন চেয়ারে বসে দুই পা আরাম করে দুই দিকে ছড়িয়ে দিন। একটি হাত পাশের টেবিলে ছড়িয়ে দিন। অপর হাতটি চেয়ারে হাতলে রাখুন। একজন আত্মবিশ্বাসী প্রশ্নকর্তার ক্যাজুয়াল ভাব ফুটে উঠবে এতে।

৫. যখন বসের সঙ্গে কথা বলছেন, তখন দুই কাঁধ ঋজুভাবে ছড়িয়ে দিন। দুই হাত কোমরের দুই পাশে রাকুন। এগুলো কোমরের ওপরেও রাখতে পারেন। দুই পা টান টান করে দাঁড়ান। বসের সামনে এটা অস্বস্তিকর পোজ বলে মনে হলেও মোটেও তা নয়। বিশেষ করে নারীরা এর মাধ্যমে 'ওয়ান্ডার ওমেন' হয়ে উঠতে পারেন।
- See more at: http://www.kalerkantho.com/online/lifestyle/2015/12/21/304381#sthash.4v2SJgPc.dpuf

84

মধুর ২-১টা উপকারিতার কথা অনেকেই জেনেছেন। এক গ্লাস পানিতে সামান্য মধু মিশিয়ে খেলে তা আমাদের বহু উপকার করবে। ঠাণ্ডা লাগলে যেমন এটি উপকারে আসে তেমন তা আপনার ত্বকের বা হজমেরও উপকার করতে পারে। এ লেখায় থাকছে মধুর এমন সাতটি উপকারিতার কথা।

১. ওজন কমাতে সহায়ক
মধুমিশ্রিত এক গ্লাস পানি আপনার দেহের ওজন কমাতে সহায়ক হতে পারে। মধু মিষ্টি হলেও এর মিষ্টতা প্রাকৃতিক। তাই এর মাধ্যমে যে উপকারিতা পাওয়া যাবে, তার কোনো তুলনা হয় না।
২. হজম ভালো করতে
মধুর পানি হজম ভালো করতে সহায়তা করবে। দেহের পরিপাকতন্ত্রের উন্নতিতে কিংবা অ্যাসিডিটি কমাতে এটি ভূমিকা রাখতে পারে।
৩. এনার্জি বাড়াতে
এক গ্লাস মধুমিশ্রিত পানি সকালেই আপনার এনার্জি বাড়িয়ে দেবে। এতে আপনার মানসিকতাও ভালো হবে।


৪. ব্যথা-বেদনা দূর করতে
ঠাণ্ডার সমস্যা, মাথাব্যথাসহ নানা ছোটখাট ব্যথা-বেদনা দূর করতে পারে একগ্লাস মধুমিশ্রিত পানি।
৫. শরীরের বিষ দূর করতে
পানি ও মধু একত্রে পান করলে তা শরীরের বিষ দূর করতে সহায়তা করে। এতে সামান্য লেবু যোগ করলে তা বাড়তি উপকার এনে দেবে।
৬. রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে
মধু রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। মধুতে এনজাইম, ভিটামিন ও মিনারেল রয়েছে। আর সকালে এক গ্লাস পানির সঙ্গে তা পান করলে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা আগের তুলনায় অনেকখানি বাড়বে।
৭. অ্যালার্জি কমাতে
মধু সেবনে আপনার অ্যালার্জির প্রকোপ কমতে পারে। বিশেষ করে পরিবেশগত অ্যালার্জির ক্ষেত্রে এটি ভালো কাজ করে। এজন্য সকালে এক গ্লাস পানির সঙ্গে মিশিয়ে সেবন করাই হতে পারে উপযুক্ত সমাধান।

85

মিষ্টি পানীয় পানে আপনার শুধু দাঁতের ক্ষতি, ওজন বৃদ্ধি বা ডায়াবেটিসের সম্ভাবনাই বাড়ে না, এতে দেহের বয়সের ছাপও বেড়ে যায়। ফলে অল্প বয়সেই বেশি বয়সী বলে মনে হতে পারে আপনাকে। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে এনডিটিভি।
সম্প্রতি গবেষকরা মিষ্টি পানীয়ের সঙ্গে দেহের বয়সের ছাপ বাড়ার সম্পর্ক আবিষ্কার করেছেন। এতে জানা গেছে, মিষ্টি পানীয় যারা পান করে তাদের দেহে দ্রুত বয়সের ছাপ পড়ে।
গবেষকরা জানিয়েছেন, দৈনিক আধ লিটার মিষ্টি সোডা বা কোমল পানীয় পানে প্রত্যেকের চার দশমিক ছয় বছর করে বয়স বেড়ে গেছে বলে মনে হবে। আর এ প্রভাব অনেকটা ধূমপানের সঙ্গেই তুলনীয়। ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, স্যান ফ্রান্সিসকোর প্রফেসর এলিসা এপেল (সিনিয়র গবেষণা লেখক) বলেন, 'মিষ্টি সোডা নিয়মিত গলাধঃকরণ করলে তা রোগ বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। এতে দেহের চিনির নিয়ন্ত্রণ হারানো ছাড়াও কোষের বয়স বৃদ্ধির জন্য দায়ী।'


এ গবেষণার জন্য পাঁচ হাজার প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তাদের বয়স ছিল ২০ থেকে ৬৫ বছর। তাদের ডায়াবেটিস বা অনুরূপ কোনো রোগের ইতিহাস ছিল না।
নিয়মিত মিষ্টি পানীয় পানের পর তাদের নানা দীর্ঘস্থায়ী রোগ দেখা দেয়। এসব রোগের মধ্যে রয়েছে হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও ক্যান্সার। এ ছাড়া তাদের কোষের বয়সের চিহ্নও দ্রুত বেড়ে যায়।
আমেরিকান জার্নাল অব পাবলিক হেলথ-এ গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে।

86


মানবদেহের রোগব্যাধি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেস্তা বাদাম কার্যকর ভূমিকা পালন করে। বিশ্বব্যাপী ডায়াবেটিস এক ঘাতক ব্যাধি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই রোগ প্রতিরোধে পেস্তা বাদাম সহায়ক হতে পারে বলে পরামর্শ দিচ্ছেন গবেষকরা।

পেস্তা বাদাম ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি রক্তে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখার মাধ্যমে হৃদরোগর ঝুঁকিও কমায়। শর্করা বা গ্লুকোজ ও চর্বি নিয়ন্ত্রণে এর প্রভাব রয়েছে। পেস্তা বাদাম প্রোটিন, এন্টি অক্সিডেন্ট ও আঁশের একটি ভাল উৎস। এ কারণে এটি স্থূলতা ও হৃদরোগের ঝুকিঁ কমায়।


ডায়াবেটিস টাইপ-২ (ইনসুলিনের ওপর নির্ভরশীল নয়) যারা এ অবস্থান করছেন পেসতা বাদামে থাকা স্বাস্থ্যকর তেল বিশেষত তাদের জন্য বেশি উপকারী।

স্পেনিস এক গবেষণায় দেখা গেছে, ৫৪ জন ব্যক্তি যারা ডায়াবেটিস সীমানায় রয়েছেন আট মাস তাদের পরিমিত আকারে একই খাবার দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের মধ্যে অর্ধেক ব্যক্তির একই পরিমাণ ক্যালরি গ্রহণের পাশাপাশি প্রতিদিন ৫৭ গ্রাম পেস্তা বাদাম দেওয়া হয়েছে।

আট মাস পরে তাদের ওজন না কমলেও রক্ত পরীক্ষ‍া করে পার্থক্য পাওয়া গেছে। এই পরীক্ষার পরে রক্তে সুগারের পরিমাণ কমানোর এটাই সহজ উপায় বলে ধারণা করা হচ্ছে।


স্পেনের রোভিরা আই ভার্জিলি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মনিকা বুলো বলেন, বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিকর খাবার একত্রে সুগার নিয়ন্ত্রণে যে কাজ করে, পেস্তা বাদামে থাকা উপাদান একাই সুগার নিয়ন্ত্রণে ততটাই বেশি কার্যকর।

ধারণা করা হয়, বাদাম তেলযুক্ত খাবার হওয়ায় শরীরে মেদ বৃদ্ধি করে। কিন্তু দেখা গেছে নিয়মিত পরিমিত হারে বাদাম গ্রহণ করা খুবই স্বাস্থ্যকর।

মনিকা বলেন, সুস্থ জীবন-যাপনে জল খাবার হিসেবে বাদাম খাওয়ার পরামর্শ দেই আমি। বিশেষত পেস্তা বাদাম। যাদের প্রতিদিন বাদাম খাওয়া সম্ভব নয় তাদের অন্তত মাঝে মাঝে খাওয়া উচিৎ।


ভিন্ন একদল গবেষক বলছেন, ডায়াবেটিস প্রতিরোধে পেস্তা বাদাম ঠিক কতটা কার্যকর তা নিশ্চিত হতে আরো গবেষণার দরকার রয়েছে।

যুক্তরাজ্যের চিকিৎসক ডা. রিচার্ড ইলিয়ট বলেন, ডায়াবেটিস টাইপ-২ এ যারা রয়েছেন ঝুঁকি এড়াতে তাদের ওজন নিয়ন্ত্রণ করা উচিৎ। পরিমিত স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ এবং পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে।


ডায়াবেটিসের কোনো পূর্ব লক্ষণ না থাকায় যতক্ষণ না রোগটি জটিল আকার ধারণ করছে, ততক্ষণ উপলব্ধি করার সুযোগ থাকে না। তাই প্রত্যেকেরই এ বিষয়ে সচেতন হওয়া উচিৎ।

87

মেদবহুল শরীর ব্যক্তির সৌন্দর্যই নষ্ট করে না, ব্যক্তির জন্য অস্বস্তিকরও বটে। শরীরের মেদ কমাতে অনেকে খাবার কমিয়ে দেন, নিয়মিত শরীর চর্চা (ব্যায়াম) করেন।

কিন্তু খাবার খেয়েই আপনি আপনার মেদ কমাতে পারবেন। এমন ১০টি খাবারের তালিকা দিয়েছেন পুষ্টিবিজ্ঞানী ও ফ্রিল্যান্স‍ার কারা ল্যান্ডাউ।

‘ট্যাভেলার্স ডায়েটিশনে’ দেওয়া তার তালিকার খাবার গুলো হচ্ছে কাজুবাদাম, তরমুজ, মটরশুটি, সবুজ শাক-সবজি, শশা, আভাকাডো, যব বা জই, পানি, আপেল ও পিপারমেন্ট।


কাজুবাদাম
দীর্ঘক্ষণ পেট ভর রাখার জন্য ত্বক মসৃনকারী ভিটামিন ই ও আমিষ সমৃদ্ধ কাজুবাদাম এক মুঠোই যথেষ্ঠ। কাজুবাদামে যে ক্যালটির আছে তা মেদ তৈরিতে কোনো ভূমিকা রাখে না। তাই অন্যান্য ফ্যাটি খাবার না খেয়ে কাজুবাদাম একটু বেশি খান।


তরমুজ
তরমুজে রয়েছে ৮২ শতাংশ পানি। শরীরের বাড়তি সোডিয়াম সরিয়ে একটি লম্বা সময়ের জন্য ক্ষুধাহীন থাকতে সহায়তা করে। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ সুস্বাদু এ ফলের প্রতি এক কাপে রয়েছে ১০০ ক্যালোরি। পছন্দের তারকাদের মতো সুন্দর শরীর গড়তে নাস্তায় তরমুজ রাখুন।


মটরশুটি
নিয়মিত মটরশুটি খেলে চর্বি কমে, হজম ক্ষমতা বাড়ে, শরীরের মাংসপেশীরও বিকাশ ঘটে। দীর্ঘ সময় ক্ষুধাহীন থাকার জন্য মটরশুটি বেশ কার্যকরী।<


সবুজ শাক সবজি
একটি স্লিম শরীরের অধিকারী হতে চাইলে সবুজ শাক-সবজি দিয়ে প্লেট ভর্তি রাখতে হবে। ভাতের চেয়ে শাক-সবজির পরিমাণ বেশি হলেও সমস্যা নেই।বিভিন্ন অত্যাবশ্যক ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ সমৃদ্ধ সবুজ শাক-সবজি চর্বি কমায়। এছাড়া শরীরে পানি ধরে রাখতেও সহায়ক শাক-সবজি।


শশা
শশার প্রায় ৯৬ শতাংশই পানি। এ কারণে শশা খুবই ঠাণ্ডাজাতীয় খাদ্যশস্য। শশা একটি অত্যন্ত কম ক্যালোরিযুক্ত খাদ্য। একটি শশাতে মাত্র ৪৫ ক্যালোরি থাকে। শরীরের মেদ কমাতে খুবই কার্যকরী শশা।



আভাকাডো(নাশপাতি)
বিভিন্ন অত্যাবশ্যক পুষ্টিতে ভরপুর আভাকোডা (নাশপাতি জাতীয় ফল বিশেষ)। আঁশওয়ালা এ ফল খেলে দীর্ঘক্ষণ খিদে পায় না, সঙ্গে পেটের চর্বি দ্রুত কমিয়ে ফেলে।


যব বা জই
আকষর্ণীয় শরীরের অধিকারী হতে চাইলে নাস্তার প্লেটে ওট ( যব বা জই) রাখুন। ওজন কমাতে ওট খুবই কার্যকরী। কম ক্যালরিযুক্ত এ ফল শরীরে ধীরে ধীরে শক্তি যোগায়।


পানি
মেদবহুল পেট থেকে মুক্তির সহজে এড়ানো যায়। এজন্য আপনাকে প্রতিদিন পান করতে হবে বেশি পরিমাণে পানি। বেশি পানি খেলে পেট বেড়ে যাবে-এমন কোনো আশঙ্কাই নেই।


আপেল<
আঁশযুক্ত মিষ্টি ফল আপেল পেট ভরপূর্ণ রাখে। অতিরিক্ত খাবার গ্রহণ না করে পরিমিত আপেল খান।

পিপারমেন্টে খেলে হজম শক্তি বাড়ে, মেজাজও ফুরফুর থাকে। মেদযুক্ত পেট কমাতে খুবই দরকারি পিপারমেন্ট। চায়ের সঙ্গে পিপারমেন্ট মিশিয়ে খাওয়া উত্তম পন্থা।
শুধু মেদ কমানোই নয়, ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতেও সহায়ক পিপারমেন্ট।

88

বিষণ্নতায় ভুগছেন? বাদাম চিবোতে থাকুন! বিষণ্নতা কেটে যাবে, মন প্রফুল্ল হয়ে উঠবে! প্রিয়জনের সঙ্গে কাটানো সময় আরও বেশি মধুর করতে চাইছেন? বাদাম নিন এক প্যাকেট! দু’জনে এক প্যাকেট থেকেই বাদাম চিবোতে চিবোতে সময়কেই রাঙিয়ে তুলুন! আর বন্ধু বা কাছের মানুষদের নিয়ে আড্ডা দিচ্ছেন? এই আড্ডাও জম্পেশ করে তুলতে বাদাম তুলে দিন সবার হাতে।


মন প্রফুল্ল করে দেওয়া, সময় রাঙিয়ে দেওয়া, আড্ডা জমিয়ে তোলা বাদামে সৌভাগ্য, আবেগ ও আনন্দ জড়িয়ে থাকে। কেবলই তাই? স্বাস্থ্যবিজ্ঞান মতেও বাদাম স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাবার। তাই বলেই কিনা এখন ঈদ, দীপাবলি বা যেকোনো উৎসবে উপহার হিসেবেও অনন্য হয়ে উঠছে বাদাম। বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে বাদাম উপহার দেওয়ার প্রচলনটা অনেক বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।


বিশেষজ্ঞদের মতে, কুড়মুড়ে কাঠ বাদাম, কাজু বাদাম, হিজলি বাদাম, পেস্তা বাদামসহ প্রায় সবরকমের বাদামেই রয়েছে আঁশ, উপকারী চর্বি, নানা প্রকারের ভিটামিন, খনিজ ও অন্যান্য পুষ্টিগুণ। বিশেষজ্ঞদের উদ্ধৃতি দিয়ে ভারতীয় একটি সংবাদ মাধ্যমে বাদামের অনেক পুষ্টি ও স্বাস্থ্য গুণ বর্ণনা করা হয়েছে। সেসব গুণ থেকে বাছাই করে ১০টি গুণ। বাদাম হৃদপিণ্ডের সুস্থতা ধরে রাখে। বাদাম উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। পেটের মেদ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।


সর্বনিম্ন ৫০ গ্রাম বাদাম রক্তে চর্বি এবং সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। বাদাম হজম হতে সময় নেয় বলে একবার বাদাম খেলে দীর্ঘক্ষণ ক্ষুধামুক্ত থাকা যায়। বাদাম ওজন কমাতে সাহায্য করে। কাঠ বাদাম ও কাজু বাদাম মস্তিষ্কের জন্য উপকারী। কাজু বাদাম ওজন কমাতেও সাহায্য করে। কাজু বাদাম নখ এবং চুলের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে পরিমিত খাবার খান (ডায়েট করেন) তারা সন্ধ্যার নাস্তা হিসেবে প্লেটে রাখতে পারেন হালকা হলদে রঙের হিজলি বাদাম।  মাখনের মতো কোমল নোনতা স্বাদের পেস্তা বাদাম মন উৎফুল্ল রাখে।

89
ল্যাপটপের চার্জ ধরে রাখার সহজ ৬ কৌশল


আপনার হাতে একগাদা কাজ। অথচ, ল্যাপটপের ব্যাটারির চার্জ ফুরিয়ে গেছে। কাছাকাছি কোন পাওয়ার সকেটও নেই, যেখান থেকে ল্যাপটপটি চার্জ দিয়ে নিতে পারেন। ল্যাপটপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমাদের এ ধরনের সমস্যায় হরহামেশাই পড়তে হয়। দুশ্চিন্তার কারণ নেই। কারণ, ব্যাটারির আয়ু দীর্ঘায়িত করার কিছু সহজ সমাধান রয়েছে। ল্যাপটপ ব্যবহারকারীদের উচিত এ বিষয়গুলোকে দৈনন্দিত অভ্যাসে পরিণত করে নেয়া। তা হলে আর অনাকাক্সিক্ষত বিড়ম্বনায় পড়তে হবে না। নিচে সহজ ৬টি টিপস দেয়া হলো:

*ডিসপ্লে: মোবাইলের মতো ল্যাপটপ স্ক্রিনও বেশি পাওয়ার ব্যবহার করে। সে কারণে স্ক্রিনের ব্রাইটনেস বা উজ্জ্বলতা চোখের জন্য সহনীয় মাত্রায় যতোটা কমিয়ে ব্যবহার করা যায়, ততোটাই ভালো। যদি আপনার কিবোর্ডে ব্যাকলাইট থাকে, তবে সেটিও সেটিংস থেকে বন্ধ করে দিন। এতে ব্যাটারির আয়ু দীর্ঘায়িত হবে।

*এক্সটার্নাল ডিভাইস: ল্যাপটপের ইউএসবি পোর্টে যে কোন ধরনের এক্সটার্নাল ডিভাইস চালু থাকলে, তা আপনার ল্যাপটপ থেকে অনবরত পাওয়ার টানতে থাকবে। এক্সটার্নাল ডিভাইসটির কাজ শেষ হয়ে গেলে, সেটি ইউএসবি পোর্ট থেকে খুলে ফেলার অভ্যাসই শ্রেয়।

*ওভারহিটিং বা অতিরিক্ত গরম হওয়া: ল্যাপটপ বেশি গরম হলে, ভেতরের ফ্যানগুলো আরও দ্রুত ঘুরতে শুরু করে। আর তা স্বাভাবিকভাবেই বেশি ব্যাটারি খরচ করে। সে কারণে একটি ল্যাপটপ কুলার কিনে নিন। এতে আপনার ল্যাপটপটি অতিরিক্ত গরম হবে না।

*হাইবারনেশনে রাখুন: ল্যাপটপ স্ট্যান্ডবাই মোডে না রেখে হাইবারনেশনে রাখুন। এতে আপনার কম্পিউটারটি বন্ধ হয়ে যাবে ও ব্যাটারির চার্জ অনেক বেশি সময় থাকবে। হাইবারনেশনে ল্যাপটপ বন্ধ হলেও, আপনি শেষ যেভাবে কাজগুলো সংরক্ষণ করছিলেন বা যে উইন্ডোগুলো খুলেছিলেন, ল্যাপটপটি চালু করলে ঠিক সে অবস্থাতেই সেগুলো পাবেন।

*উইন্ডোজের পাওয়ার প্ল্যান: ল্যাপটপে উইন্ডোজের সঙ্গে বিল্ট-ইন পাওয়ার প্ল্যান সেটিংসও পাচ্ছেন। তাই চিন্তার কিছু নেই। বিভিন্ন অপশন; যেমন- ডিসপ্লে ব্রাইটনেস বাড়ানো বা কমানো, কখন ডিসপ্লে ডিম বা অনুজ্জ্বল করতে এবং বন্ধ করতে চান, হার্ড-ড্রাইভসমূহ ও ইউএসবি পাওয়ার বন্ধ করতে চান, সেগুলো সংযোজিত রয়েছে।

*ব্যাটারি কেস: এ অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যাটারির সম্পূর্ণ স্ট্যাটাস দেখায়। শুধু তাই নয়। কতোটুকু ব্রাইটনেসে ব্যাটারি কতোক্ষণ চলবে সে সম্পর্কে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে সেখানে। ব্যাটারির বর্তমান কন্ডিশন কেমন, তাও জানতে পারবেন। সিপিইউ ও হার্ড-ড্রাইভ অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলেও, সেটা প্রদর্শন করে ব্যাটারি কেস অ্যাপ্লিকেশন।

90
১৪ কারণে শসা খাবেন




সারা বিশ্বে আবাদ হওয়ার দিক থেকে ৪ নম্বরে রয়েছে যে সবজিটি, সেটি হলো শসা। শসার রয়েছে হরেক গুণ। রূপচর্চা ও মেদ নিয়ন্ত্রণসহ নানা উপযোগিতা আছে এই সহজলভ্য সবজির।

*শসার হাজার গুণের মধ্যে ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেছেন খাদ্য বিশেষজ্ঞরা।

*দেহের পানিশূন্যতা দূর করে
ধরুন আপনি এমন কোথাও আছেন, যেখানে হাতের কাছে পানি নেই, কিন্তু শসা আছে। বড়সড় একটা শসা চিবিয়ে খেয়ে নিন। পিপাসা মিটে যাবে। আপনি হয়ে উঠবেন চনমনে।কারণ, শসার ৯০ শতাংশই পানি।

*দেহের ভেতর-বাইরের তাপ শোষক
কখনো কখনো আপনি শরীরের ভেতর-বাইরে প্রচণ্ড উত্তাপ অনুভব করেন। দেহে জ্বালাপোড়া শুরু হয়। এ অবস্থায় একটি শসা খেয়ে নিন।এ ছাড়া সূর্যের তাপে ত্বকে জ্বালা অনুভব করলে শসা কেটে ত্বকে ঘষে নিন। নিশ্চিত ফল পাবেন।

*বিষাক্ততা দূর করে
শসার মধ্যে যে পানি থাকে তা আমাদের দেহের বর্জ্য ও বিষাক্ত পদার্থ অপসারণে অনেকটা অদৃশ্য ঝাটার মতো কাজ করে। নিয়মিত শসা খাওয়ায় কিডনিতে সৃষ্ট পাথরও গলে যায়।

*প্রাত্যহিক ভিটামিনের শূন্যতা পূরণ করে
প্রতিদিন আমাদের দেহে যেসব ভিটামিনের দরকার হয়, তার বেশির ভাগই শসার মধ্যে বিদ্যমান। ভিটামিন এ, বি ও সি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও শক্তি বাড়ায়। সবুজ শাক ও গাজরের সঙ্গে শসা পিষে রস করে খেলে এই তিন ধরনের ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ হবে।

*ত্বকবান্ধব খনিজের সরবরাহকারী
শসায় উচ্চমাত্রায় পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও সিলিকন আছে, যা ত্বকের পরিচর্যায় বিশেষ ভূমিকা রাখে। এ জন্য ত্বকের পরিচর্যায় গোসলের সময় শসা ব্যবহার করা হয়।

*হজম ও ওজনহ্রাসে সহায়ক
শসায় উচ্চমাত্রায় পানি ও নিম্নমাত্রার ক্যালরিযুক্ত উপাদান রয়েছে। ফলে যাঁরা দেহের ওজন কমাতে চান, তাঁদের জন্য শসা আদর্শ টনিক হিসেবে কাজ করবে। যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁরা স্যুপ ও সালাদে বেশি বেশি শসা ব্যবহার করবেন। কাঁচা শসা চিবিয়ে খেলে তা হজমে বড় ধরনের ভূমিকা রাখে। নিয়মিত শসা খেলে দীর্ঘমেয়াদি কোষ্ঠ-কাঠিন্য দূর হয়।

*চোখের জ্যোতি বাড়ায়
সৌন্দর্যচর্চার অংশ হিসেবে অনেকে শসা গোল করে কেটে চোখের পাতায় বসিয়ে রাখেন।এতে চোখের পাতায় জমে থাকা ময়লা যেমন অপসারিত হয়, তেমনি চোখের জ্যোতি বাড়াতেও কাজ করে।চোখের প্রদাহপ্রতিরোধক উপাদান প্রচুর পরিমাণে থাকায় ছানি পড়া ঠেকাতেও এটি কাজ করে।

*ক্যানসার প্রতিরোধে কাজ করে
শসায় সিকোইসোলারিসিরেসিনোল, ল্যারিসিরেসিনোল ও পিনোরেসিনোল—এ তিনটি আয়ুর্বেদিক উপাদান আছে। জরায়ু, স্তন ও মূত্রগ্রন্থিসহ বিভিন্ন স্থানে ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি কমানোর সঙ্গে এই তিন উপাদানের জোরালো সম্পর্ক রয়েছে।

*ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে
ডায়াবেটিস থেকে মুক্তি দেয়, কোলস্টেরল কমায় ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

*মুখ পরিষ্কার রাখে
দুর্গন্ধযুক্ত সংক্রমণে আক্রান্ত মাড়ির চিকিৎসায় শসা দারুণ কাজ করে। গোল করে কাটা এক স্লাইস শসা জিহ্বার ওপরে রেখে সেটি টাকরার সঙ্গে চাপ দিয়ে আধা মিনিট রাখুন। শসার সাইটোকেমিক্যাল এর মধ্যে বিশেষ বিক্রিয়া ঘটিয়ে আপনার মুখের জীবাণু ধ্বংস করবে। সজীব হয়ে উঠবে আপনার নিঃশ্বাস।

*চুল ও নখ সতেজ করে
শসার মধ্যে যে খনিজ সিলিকা থাকে তা আমাদের চুল ও নখকে সতেজ ও শক্তিশালী করে তোলে। এ ছাড়া শসার সালফার ও সিলিকা চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

*গেঁটেবাত থেকে মুক্তি
শসায় প্রচুর পরিমাণে সিলিকা আছে। গাজরের রসের সঙ্গে শসার রস মিশিয়ে খেলে দেহের ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা নেমে আসে। এতে গেঁটেবাতের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

*মাথাধরা থেকে নিষ্কৃতি
ভোরে ঘুম থেকে ওঠার পর অনেকের মাথা ধরে। শরীর ম্যাজম্যাজ করে। শসায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি ও সুগার আছে। তাই ঘুমাতে যাওয়ার আগে কয়েক স্লাইস শসা খেয়ে নিলে ভোরে ঘুম থেকে ওঠার পর এ সমস্যা থাকবে না।

*কিডনি সুস্থ রাখে
শরীরের ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা ঠিক রাখে শসা। এতে কিডনি থাকে সুস্থ ও সতেজ।

Pages: 1 ... 4 5 [6] 7