Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - sanjida.dhaka

Pages: 1 [2] 3 4 ... 14
19
আমাদের মধ্যে অনেকেই রয়েছেন যাদের কোন কিছু মনে থাকে না। আবার এমন কিছু ব্যক্তি রয়েছে, যারা কোন কিছু খুব বেশি দিন মনে রাখতে পারেন না।
এমন সমস্যা মূলত দূর্বল স্মৃতিশক্তির কারণে হয়ে থাকে। স্মৃতিশক্তি বাড়াতে আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) ৯টি কাজ করতে বলেছেন। সেগুলো হলো-

১. ইখলাস বা আন্তরিকতাঃ যে কোনো কাজে সফলতা অর্জনের ভিত্তি হচ্ছে ইখলাস বা আন্তরিকতা। আর ইখলাসের মূল উপাদান হচ্ছে বিশুদ্ধ নিয়ত। নিয়তের বিশুদ্ধতার গুরুত্ব সম্পর্কে উস্তাদ খুররাম মুরাদ বলেন,
“উদ্দেশ্য বা নিয়ত হল আমাদের আত্মার মত অথবা বীজের ভিতরে থাকা প্রাণশক্তির মত। বেশীরভাগ বীজই দেখতে মোটামুটি একইরকম, কিন্তু লাগানোর পর বীজগুলো যখন চারাগাছ হয়ে বেড়ে উঠে আর ফল দেওয়া শুরু করে তখন আসল পার্থক্যটা পরিস্কার হয়ে যায় আমাদের কাছে।

একইভাবে নিয়ত যত বিশুদ্ধ হবে আমাদের কাজের ফলও তত ভালো হবে।”

এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’আলা বলেন,

“তাদেরকে এছাড়া কোন নির্দেশ করা হয়নি যে, তারা খাঁটি মনে একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর এবাদত করবে, নামায কায়েম করবে এবং যাকাত দেবে। এটাই সঠিক ধর্ম।” [সূরা আল-বায়্যিনাহঃ ৫]

তাই আমাদের নিয়ত হতে হবে এমন যে, আল্লাহ আমাদের স্মৃতিশক্তি যেনো একমাত্র ইসলামের কল্যাণের জন্যই বাড়িয়ে দেন।

২. দু’আ ও যিকর করাঃ আমরা সকলেই জানি আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো কাজেই সফলতা অর্জন করা সম্ভব নয়। এজন্য আমাদের উচিত সর্বদা আল্লাহর কাছে দু’আ করা যাতে তিনি আমাদের স্মৃতিশক্তি বাড়িয়ে দেন এবং কল্যাণকর জ্ঞান দান করেন। এক্ষেত্রে আমরা নিন্মোক্ত দু’আটি পাঠ করতে পারি,

“হে আমার পালনকর্তা, আমার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন।” [সূরা ত্বা-হাঃ ১১৪]

তাছাড়া যিকর বা আল্লাহর স্মরণও স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা বলেন,

“…যখন ভুলে যান, তখন আপনার পালনকর্তাকে স্মরণ করুন…” [সূরা আল-কাহ্‌ফঃ ২৪]

তাই আমাদের উচিত যিকর, তাসবীহ (সুবহান আল্লাহ), তাহমীদ (আলহামদুলিল্লাহ), তাহলীল (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) ও তাকবীর (আল্লাহু আকবার) – এর মাধ্যমে প্রতিনিয়ত আল্লাহকে স্মরণ করা।

৩. পাপ থেকে দূরে থাকাঃ প্রতিনিয়ত পাপ করে যাওয়ার একটি প্রভাব হচ্ছে দুর্বল স্মৃতিশক্তি। পাপের অন্ধকার ও জ্ঞানের আলো কখনো একসাথে থাকতে পারে না। ইমাম আশ-শাফি’ঈ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন,

“আমি (আমার শাইখ) ওয়াকীকে আমার খারাপ স্মৃতিশক্তির ব্যাপারে অভিযোগ করেছিলাম এবং তিনি শিখিয়েছিলেন আমি যে

ন পাপকাজ থেকে নিজেকে দূরে রাখি। তিনি বলেন, আল্লাহর জ্ঞান হলো একটি আলো এবং আল্লাহর আলো

কোন পাপচারীকে দান করা হয় না।”

আল-খাতীব আল-জামী'(২/৩৮৭) গ্রন্থে বর্ণনা করেন যে ইয়াহইয়া বিন ইয়াহইয়া বলেনঃ

“এক ব্যক্তি মালিক ইবনে আনাসকে প্রশ্ন করেছিলেন, ‘হে আবদ-আল্লাহ, আমার স্মৃতিশক্তিকে শক্তিশালী করে দিতে পারে এমন কোন কিছু কি আছে? তিনি বলেন, যদি কোন কিছু স্মৃতিকে শক্তিশালী করতে পারে তা হলো পাপ করা ছেড়ে দেয়া।’”

যখন কোনো মানুষ পাপ করে এটা তাকে উদ্বেগ ও দুঃখের দিকে ধাবিত করে। সে তার কৃতকর্মের ব্যাপারে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়ে। ফ

লে তার অনুভূতি ভোঁতা হয়ে যায় এবং জ্ঞান অর্জনের মতো কল্যাণকর ‘আমল থেকে সে দূরে সরে পড়ে। তাই আমাদের উচিত পাপ থেকে দূরে থাকার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করা।

৪. বিভিন্ন উপায়ে চেষ্টা করাঃ একটু গভীরভাবে লক্ষ্য করলে আমরা দেখবো যে, আমাদের সকলের মুখস্থ করার পদ্ধতি এক নয়। কারো শুয়ে পড়লে তাড়াতাড়ি মুখস্থ হয়, কারো আবার হেঁটে হেঁটে পড়লে তাড়াতাড়ি মুখস্থ হয়। কেউ নীরবে পড়তে ভালোবাসে, কেউবা আবার আওয়াজ করে পড়ে।

কারো ক্ষেত্রে ভোরে তাড়াতাড়ি মুখস্থ হয়, কেউবা আবার গভীর রাতে ভালো মুখস্থ করতে পারে। তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিত নিজ নিজ উপযুক্ত সময় ও পারিপার্শ্বিক পরিবেশ ঠিক করে তার যথাযথ ব্যবহার করা। আর কুর’আন মুখস্থ করার সময় একটি নির্দিষ্ট মুসহাফ (কুর’আনের আরবি

কপি) ব্যবহার করা।

কারণ বিভিন্ন ধরনের মুসহাফে পৃষ্ঠা ও আয়াতের বিন্যাস বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। একটি নির্দিষ্ট মুসহাফ নিয়মিত ব্যবহারের ফলে মস্তিষ্কের মধ্যে তার একটি ছাপ পড়ে যায় এবং মুখস্থকৃত অংশটি অন্তরে গভীরভাবে গেঁথে যায়।

৫. মুখস্থকৃত বিষয়ের উপর ‘আমল করাঃ আমরা সকলেই এ ব্যাপারে একমত যে, কোনো একটি বিষয় যতো বেশিবার পড়া হয় তা আমাদের মস্তিষ্কে ততো দৃঢ়ভাবে জমা হয়। কিন্তু আমাদের এই ব্যস্ত জীবনে অতো বেশি পড়ার সময় হয়তো অনেকেরই নেই।

তবে চাইলেই কিন্তু আমরা এক ঢিলে দু’পাখি মারতে পারি। আমরা আমাদের মুখস্থকৃত সূরা কিংবা সূরার অংশ বিশেষ সুন্নাহ ও নফল সালাতে তিলাওয়াত করতে পারি এবং দু’আসমূহ পাঠ করতে পারি সালাতের পর কিংবা অন্য যেকোনো সময়।

এতে একদিকে ‘আমল করা হবে আর অন্যদিকে হবে মুখস্থকৃত বিষয়টির ঝালাইয়ের কাজ। আবার কোনো কিছু শেখার একটি উত্তম উপায় হলো তা অন্যকে শেখানো। আর এজন্য আমাদেরকে একই বিষয় বারবার ও বিভিন্ন উৎস থেকে পড়তে হয়। এতে করে ঐ বিষয়টি আমাদের স্মৃতিতে

স্থায়ীভাবে গেঁথে যায়।

৬. মস্তিষ্কের জন্য উপকারী খাদ্য গ্রহণঃ পরিমিত ও সুষম খাদ্য গ্রহণ আমাদের মস্তিষ্কের সুস্বাস্থ্যের জন্য একান্ত আবশ্যক। অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণ আমাদের ঘুম বাড়িয়ে দেয়, যা আমাদের অলস করে তোলে। ফলে আমরা জ্ঞানার্জন থেকে বিমুখ হয়ে পড়ি।

তাছাড়া কিছু কিছু খাবার আছে যেগুলো আমাদের মস্তিষ্কের জন্য খুবই উপকারী। সম্প্রতি ফ্রান্সের এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে যয়তুনের তেল চাক্ষুস স্মৃতি (visual memory) ও বাচনিক সাবলীলতা (verbal fluency) বৃদ্ধি করে। আর যেসব খাদ্যে অধিক পরিমাণে Omega-3 ফ্যাট রয়েছে সেসব খাদ্য স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্কের কার্যকলাপের জন্য খুবই উপকারী।

স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধির জন্য অনেক ‘আলিম কিছু নির্দিষ্ট খাদ্য গ্রহণের কথা বলেছেন। ইমাম আয-যুহরি বলেন, “তোমাদের মধু পান করা উচিত কারণ এটি স্মৃতির জন্য উপকারী।”

মধুতে রয়েছে মুক্ত চিনিকোষ যা আমাদের মস্তিষ্কের গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাছাড়া মধু পান করার সাত মিনিটের মধ্যেই রক্তে মিশে গিয়ে কাজ শুরু করে দেয়। ইমাম আয-যুহরি আরো বলেন, “যে ব্যক্তি হাদীস মুখস্থ করতে চায় তার উচিত কিসমিস খাওয়া।”

৭. পরিমিত পরিমাণে বিশ্রাম নেয়াঃ আমরা যখন ঘুমাই তখন আমাদের মস্তিষ্ক অনেকটা ব্যস্ত অফিসের মতো কাজ করে। এটি তখন সারাদিনের সংগৃহীত তথ্যসমূহ প্রক্রিয়াজাত করে। তাছাড়া ঘুম মস্তিষ্ক কোষের পুণর্গঠন ও ক্লান্তি দূর করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

অন্যদিকে দুপুরে সামান্য ভাতঘুম আমাদের মন-মেজাজ ও অনুভূতিকে চাঙা রাখে। এটি একটি সুন্নাহও বটে। আর অতিরিক্ত ঘুমের কুফল সম্পর্কে তো আগেই বলা হয়েছে। তাই আমাদের উচিত রাত জেগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দাওয়াহ বিতরণ না করে নিজের মস্তিষ্ককে পর্যাপ্ত বিশ্রাম দেওয়া।

৮. জীবনের অপ্রয়োজনীয় ব্যাপারসমূহ ত্যাগ করাঃ বর্তমানে আমাদের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা কমে যাওয়া ও জ্ঞান অর্জনে অনীহার একটি অন্যতম কারণ হলো আমরা নিজেদেরকে বিভিন্ন অপ্রয়োজনীয় কাজে জড়িয়ে রাখি। ফলে কোনো কাজই আমরা গভীর মনোযোগের সাথে করতে পারি না।

মাঝে মাঝে আমাদের কারো কারো অবস্থা তো এমন হয় যে, সালাতের কিছু অংশ আদায় করার পর মনে করতে পারি না ঠিক কতোটুকু সালাত আমরা আদায় করেছি। আর এমনটি হওয়ার মূল কারণ হচ্ছে নিজেদেরকে আড্ডাবাজি, গান-বাজনা শোনা, মুভি দেখা, ফেইসবুকিং ইত্যাদি নানা অপ্রয়োজনীয় কাজে জড়িয়ে রাখা। তাই আমাদের উচিত এগুলো থেকে যতোটা সম্ভব দূরে থাকা।

৯. হাল না ছাড়াঃ যে কোনো কাজে সফলতার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো হাল না ছাড়া। যে কোনো কিছু মুখস্থ করার ক্ষেত্রে শুরুটা কিছুটা কষ্টসাধ্য হয়। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে আমাদের মস্তিষ্ক সবকিছুর সাথে মানিয়ে নেয়। তাই আমাদের উচিত শুরুতেই ব্যর্থ হয়ে হাল না ছেড়ে দিয়ে আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া।

যে কয়েকটি কারণ আপনার স্মৃতি শক্তি কমানোর জন্য দায়ী

মানুষের মস্তিষ্কটাকে কম্পিউটার প্রসেসরের মতই ধরা হয়ে থাকে। এর একটি নির্দিষ্ট প্রসেসিং পাওয়ার রয়েছে আর রয়েছে বুদ্ধিমত্তাও। এই বুদ্ধিমত্তা আমরা কে কতখনি ব্যবহার করব তা নির্ভর করছে আমাদের ওপর। কোন কাজ শেষ করতে, সমস্যার সমাধান করতে, মনোযোগ দিতে, সৃজনশীল কাজে প্রয়োজন এই বুদ্ধিমত্তার।

কিন্তু কিছু কিছু চিন্তার ভুল, মানসিক দ্বন্দ্ব ধীরে ধীরে কমিয়ে দেয় বুদ্ধি বা আইকিউ। বয়স বাড়ার সাথে সাথে কমতে থাকে মানুষের কোনো কিছু মনে রাখার ক্ষমতাও। বয়সের কারনে এ সময় মানুষের মস্তিস্কও খুব কম কাজ করে। এছাড়াও মানুষের আরও অনেক সমস্যা দেখা যায়।

20
দেশের নারীদের জন্য রক্তস্বল্পতা খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। নারীদের অনেক বড় একটা অংশ পুষ্টির অভাবে রক্তস্বল্পতায় ভুগছেন বলে জানান অ্যাপোলো হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ তামান্না চৌধুরী।

রক্তে লোহিত রক্তকণিকা বা হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে গেলে তাকেই মূলত অ্যানিমিয়া বলা হয়৷ রক্তে হিমোগ্লোবিন কম হলে ক্ষুধামন্দা, শরীর ক্লান্ত বোধ করা, ফ্যাকাসে হয়ে যাওয়া, শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা, সব সময় অস্বস্তিবোধ করা, অস্বাভাবিক হৃদকম্পন ও মনোযোগের ‍অভাব দেখা দেয়।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, শরীরের রক্তের চাহিদা পূরণ করতে নিয়মিত কিছু খাবার খেলে উপকার পাওয়া যায়। এর মধ্যে রয়েছে: 

ভিটামিন সি

ভিটামিন সি-র অভাবে হিমোগ্লোবিন কমে যেতে পারে। তাছাড়া ভিটামিন সি ছাড়া আয়রন পুরোপুরিভাবে শোষণ হয় না। আমলকী, পেঁপে, বাতাবিলেবু, কমলা, লেবু, স্ট্রবেরি, গোলমরিচ, ব্রোকোলি, আঙুর, টমেটো ইত্যাদিতে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে।

আয়রন
হিমোগ্লোবিন উৎপাদনে লোহা গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। আয়রন সমৃদ্ধ কিছু খাবার হলো- দেশি সুস্থ মুরগির কলিজা, কচু শাক, লাল মাংস, চিংড়ি, পালংশাক, আমন্ড, বিট, খেজুর। আয়রন, ক্যালসিয়াম, কার্বোহাইড্রেইড এবং ফাইবার সমৃদ্ধ বেদানা হিমোগ্লোবিনের ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে।

এছাড়া মধু আয়রনের একটি ভালো উৎস। আয়রন ছাড়াও মধুতে কপার ও ম্যাঙ্গানিজ আছে। এই উপকরণগুলো শরীরে গিয়ে প্রচুর পরিমাণে হিমোগ্লোবিন প্রস্তুত করতে সহায়তা করে। নিয়মিত দুধ, ডিমও খেতে হবে।

অ্যানিমিয়ার রোগীদের ক্ষেত্রে অক্সিজেন ও পুষ্টিকর উপাদান উৎপাদনের জন্য হৃদপিন্ডের প্রচুর পরিমাণে রক্তের প্রয়োজন হয়৷ এতে হার্ট ফেল হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। এজন্য অ্যানিমিয়া হলে শুরু থেকেই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ জেনে সে অনুযায়ী খাবার ও ওষুধ গ্রহণ করতে হবে।


24



স্যালাদ আমরা সকলেই কম বেশি খেয়ে থাকি। আর স্যালাদকে মুখোরোচক করতে অনেকসময় আমরা ব্যবহার করি লবণ,লেবু বা গোলমরিচ। তবে এতদিন আমারা অজান্তেই নিজেদের ভালো করে গেছি। স্বাদ পেতে এগুলোর মিশ্রনে আমরা যখন স্যলাদ খেয়ে থাকি তখন নানা ভাবে আমাদের শরীরের উপকারই হয়েছে।

আপনি কী জানেন এই তিনটির মিশ্রণ সারা বিশ্বে অনেকগুলো রোগের প্রতিষোধক হিসেবে ব্যবহৃত হয়? শুধুমাত্র এই তিনটি উপাদান কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়া সারিয়ে তুলতে পারে নানা অসুখ। চলুন দেখে নেওয়া যাক কিভাবে সাহায্য করে এই উপাদান গুলো-

১। অনেকসময় ঠাণ্ডা লাগলে আমাদের অনেকেরই নাক বন্ধ হয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে ইনহেলার ব্যবহার না করে ঘরোয়া এই টোটকা গুলি ব্যবহার করুন। গোল মরিচ গুঁরা, দারুচিনি, এলাচ এবং জিরা গুঁরা এক সাথে গুঁরা করে নিন। তারপর এই মিশ্রণটি ঘ্রানের সঙ্গে নিন। তারপর দেখুন কত সহজেই আপনার বন্ধ নাক পরিষ্কার হয়ে গেছে।

২। ঠাণ্ডার কারনে নাক বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি আমাদের গলাও ব্যথা হয়। ১ টেবিল চামচ লেবুর রস, ১/২ চা চামচ গোল মরিচ গুঁড়া এবং ১ চা চামচ লবণ এক গ্লাস উষ্ণ পানিতে মিশিয়ে নিন। এবার এটি দিয়ে গারগেল করুন। দিনে দুইবার এটি করলেই তৎক্ষণাৎ ফল পাবেন।

৩। অনেক সময় শারীরিক বিভিন্ন কারনে মুখে ঘা দেখা দেয়। সেক্ষেত্রে ভয়ের কিছু নেই। এক টেবিল চামচ বিট লবণ এক কাপ গরম পানিতে মিশিয়ে খাবার খাওয়ার পর এটি দিয়ে কুলকুচি করুন। এতে মুখের খারাপ ব্যাকটেরিয়া মরে যায় এবং সহজেই মুখের ঘা দূর করে।

৪। বেশি খাওয়া হয়ে গেলে বা নানা কারনে অনেক সময় শরীর অস্থির করে। বমি বমি ভাব আসে। এক্ষেত্রে গোল মরিচ বেশ কার্যকর। এছাড়া লেবুর গন্ধ বমি বমি ভাব দূর করতে সক্ষম। এক টেবিল চামচ লেবুর রস এবং এক চা চামচ গোল মরিচের গুঁড়া এক গ্লাস গরম পানিতে মিশিয়ে নিন। এটি ধীরে ধীরে পান করুন। এটি বমি বমি ভাব দূর করে দেবে।

৫। খাবার খাওয়ার ফলে অনেকসময় দাঁতে খাবার আটকে ব্যথা হয়ে থাকে। তবে দাঁতে ব্যথা খুবই মারাত্মক। যার হয় একমাত্র সেই জানে। এই দাঁতের ব্যথা দূর করতে ১/২ চা চামচ গোল মরিচ গুঁড়া এবং ১/২ চা চামচ লবঙ্গের তেল মিশিয়ে ব্যথা দাঁতে কিছুটা সময় রেখে দিন। এতে দ্রুত দাঁতের ব্যথা কমে আসবে।






http://www.bd-pratidin.com/life/2018/08/31/356803

26



বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় মজে আছেন। সঙ্গে হয়তো গরম কিছু খাচ্ছিলেন, কিন্তু হঠাৎ করেই অসাবধানবশত গরমে জিহ্বা পুড়ে গেলো। আবার হয়তো গরম খাবার খাওয়ার সময় অনেকের সতর্কতাবশত জিহ্বা পুড়ে যায়। শুরু হয় জিহ্বায় প্রচুর জ্বালাপোড়া। এর জন্য রয়েছে কিছু ঘরোয়া টিপস। আসুন জেনে নিই জিহ্বা জ্বালাপোড়ায় থেকে স্বস্তি পেতে ঘরোয়া পদ্ধতি-

বরফ: পুড়ে যাওয়া জিহ্বা জ্বালাপোড়া কমাতে বরফের টুকরো লাগানো যেতে পারে। এ ছাড়া মুখের মধ্যে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে কয়েকবার কুলিকুচি করা যেতে পারে। এতে জ্বালাপোড়া কমবে। আপনি মুখে আরাম বোধ করবেন।
মধু: মধুতে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও প্রদাহরোধী উপাদান, যা জ্বালাপোড়া ভাব ও প্রদাহ কমানোর পাশাপাশি এটি পরবর্তী সময়ে মুখে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি প্রতিহত করবে।
দই: পুড়ে যাওয়া জিহ্বার জ্বালাপোড়া কমাতে মধু বেশ উপকারী।এ সময় ঠাণ্ডা জিনিস খাবেন। এটি দ্রুত শীতলতা প্রদান করে।
ঠাণ্ডা পানি মুখে দিয়ে কুলি: জিহ্বার জ্বালাপোড়া কমাতে ঠাণ্ডা পানি মুখে নিয়ে কুলি করুন। এটি কয়েকবার করতে হবে। দেখবেন আরাম পাবেন।
অ্যালোভেরা: এই উদ্ভিতটি ব্যথা কমাবে এবং জিহ্বার ভেতরে একটি ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা ভাব আনবে। অ্যালোভেরা জেল মুখের মধ্যে ২৫ মিনিট রেখে দিতে হবে। দিনে কয়েকবার এটি করা যেতে পারে।





https://24newsbangla.com/sobujislam/22891/%E0%A6%B9%E0%A6%A0%E0%A6%BE%E0%A7%8E-%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A7%9C%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%95%E0%A7%80-%E0%A6%95/


30



আমাদের জাতীয় ফল কাঁঠালের বিচি বা বীজ খেলে কী হতে পারে? গবেষণা বলছে, কাঁঠালের বিচি খেলে শরীরের কোনও ক্ষতি তো হয়ই না, উল্টে অনেক উপকার হয়। কাঁঠালের বিচিতে রয়েছে থিয়ামিন, রাইবোফ্লেবিন নামে দুটি উপাদান, যা দেহে এনার্জির ঘাটতি দূর করার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এখানেই শেষ নয়, এই প্রকৃতিক উপাদানে জিঙ্ক, আয়রন, ক্যালসিয়াম, কপার, পটাশিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম ত্বককে সুন্দর করে তোলার পাশাপাশি একাধিক রোগকে দূরে রেখে শরীরকে সার্বিকভাবে চাঙ্গা করে তুলতেও সাহায্য করে।

জেনে নিন বিস্তারিত …

কনস্টিপেশনের মতো রোগের প্রকোপ কমায় : কাঁঠালের বিচির ফাইবার শরীরে প্রবেশ করে এমন খেল দেখায় যে কোষ্ঠ্যকাটিন্যের মতো রোগের প্রকোপ কমে যেতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে কোলোনের কর্মক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।

প্রোটিনের ঘাটতি মেটে : নিয়মিত মাছ-মাংস খাওয়ার সুযোগ হয় না নাকি? দেহে প্রোটিনের ঘাটতি মেটাতে নিয়মিত কাঁটালের বীজ খাওয়া শুরু করতে পারেন। কাঁঠালের বীজে যে পরিমাণে প্রোটিন থাকে, তা দেহের দৈনিক চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট।

সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে : বর্ষাকালে নানাবিধ সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে কাঁঠালের বীজ আপনাকে দারুণভাবে সাহায্য করতে পারে। এতে একাধিক অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল এলিমেন্ট জীবাণুদের দূরে রাখার মধ্যে দিয়ে নানাবিধ ফুড-বন এবং ওয়াটার বন ডিজিজের প্রতিরোধ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।

হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায় : পরিমাণ মতো কাঁঠালের বীজ নিয়ে প্রথমে কিছুটা সময় রোদে শুকিয়ে নিন। তারপর সেগুলি বেটে নিয়ে চটজলটি গুঁড়ো করে ফেলুন। এই গুঁড়ো পাউডারটি খেলে নিমেষে বদ-হজম এবং গ্যাস-অম্বলের মতো সমস্যা কমে যায়। সেই সঙ্গে কনস্টিপেশনের মতো সমস্যা কমাতেও সাহায্য করে। এতে ডায়াটারি ফাইবার এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

স্ট্রেসের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে চলে আসে : অফিসে কাজের চাপ এমন বেড়েছে যে মাথা থেকে ধোঁয়া বেরতে শুরু করেছে? হাতের কাছে কাঁঠালের বীজ আছে কি? যদি না থাকে, তাহলে এক্ষুণি কিনে এনে খাওয়া শুরু করুন। দেখবেন নিমেষে মানসিক চাপ কমে যাবে। কাঁঠালের বীজে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় প্রোটিন এবং অন্যান্য উপকারি মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টস, যা মস্তিষ্কের কেমিকেল ব্যালেন্স ঠিক রাখার মধ্যে দিয়ে স্ট্রেস কমাতে বিশেষ ভূমিকা নেয়।

দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে : কাঁঠালের বীজে ভিটামিন এ, দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটানোর পাশাপাশি একাধিক চোখ সম্পর্কিত সমস্যাকে দূরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই বুড়ো বয়সে যদি চশমা ব্য়বহার করতে না চান, তাহলে আজ থেকেই কাঁঠালের বীজকে সঙ্গে রাখতে শুরু করুন।

ত্বকের বয়স কমে : খাতায় কলমে বয়স বাড়ালেও ত্বককে যদি আজীবন তরতাজা এবং সুন্দর রাখতে চান, তাহলে আজ থেকেই ব্যবহার শুরু করুন কাঁঠালের বীজের। এক্ষেত্রে পরিমাণ মতো বীজ নিয়ে প্রথমে গুঁড়ো করে নিন। তারপর সেটি অল্প পরিমাণ দুধের সঙ্গে মিশে একটা পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। এই পেস্টটি প্রতিদিন মুখে লাগালে দারুন উপকার পাওয়া যায়। আর যদি হাতের কাছে মধু থেকে থাকে, তাহলে সেটিও এই পেস্টটি বানানোর সময় কাজে লাগাতে পারেন। দেখা গেছে পেস্টটির সঙ্গে মধু যোগ করলে ত্বকের ঔজ্জ্বল্য আরও বৃদ্ধি পায়।

অ্যানিমিয়ার প্রকোপ কমে : কাঁঠালের বীজে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় আয়রন, যা খুব অল্প দিনেই রক্তাল্পতার মতো সমস্যা দূর করতে দারুণভাবে সাহায্য করে থাকে। আর কাঁঠালের বীজের দামও এমন কিছু নয়। বোল্ডস্কাই অবলম্বনে






https://24newsbangla.com/m-islam/16943/%e0%a6%86%e0%a6%aa%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%81%e0%a6%a0%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a6%bf-%e0%a6%96%e0%a6%be%e0%a6%a8/




Pages: 1 [2] 3 4 ... 14