Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Anuz

Pages: 1 ... 3 4 [5] 6 7 ... 45
61
দ্রুত বদলাচ্ছে তাপমাত্রা। গরমের মাত্রা এখনও অনেক। বাইরে বের হলেই ঘামে ভিজে একেবারে গোসল হয়ে যায়। অনেকেই রোদ থেকে ঘরে ফিরেই শান্তি পেতে ঠাণ্ডা পানিতে গোসল সেরে নেন। এতে আরাম পাওয়া গেলেও কিছু দিন পরই জ্বর সর্দি কাশিতে ভুগতে শুরু করবেন আপনি। তাই গরমে যখন তখন গোসলের আগে সাবধান হতে হবে।

চিকিৎসকেরা বলছেন গরমের সময় শরীরে তাপমাত্রার হঠাৎ পরিবর্তন জ্বর, সর্দি-কাশি ডেকে আনে। তীব্র রোদ থেকে হঠাৎ এসিতে যাওয়া অথবা রোদ থেকে ফিরেই গায়ে ঠাণ্ডা পানি দেয়া শরীরের তাপমাত্রার পরিবর্তন করে। এর ফলে বুকে কফ জমে যায়। অনেক ক্ষেত্রে আবার সহজেই ভাইরাস জ্বর হতে পারে।যে কোনো তাপমাত্রাতেই শরীরকে অভ্যস্ত করাতে হবে। এসিতে ঢুকে অন্তত ১৫ সেকেন্ড শ্বাস বন্ধ রাখুন। রোদ থেকে ফিরে কখনই সাথে সাথে গায়ে ঠান্ডা পানি দেবেন না। শরীরকে ঘরের তাপমাত্রায় কিছুক্ষণ ঠাণ্ডা করুন। ফ্যানের বাতাসে গায়ের ঘাম শুকিয়ে গেলে গোসলে যান।

শরীরে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি থাকলে খুব সহজেই ঠাণ্ডা লেগে যায়। খেয়াল রাখুন, যাতে প্রতিদিনের খাবারের মধ্যে যথেষ্ট পরিমানে ভিটামিন ডি থাকে। মুখ থেকে নিজের হাত দূরে রাখুন। কারণ, হাত থেকেই নানা জীবাণু শরীরে ঢোকে। নিজের মোবাইল ফোনটি দিনে এক বার ডিসইনফেকট্যান্ট দিয়ে অবশ্যই পরিষ্কার করুন। শরীরে যথেষ্ট পরিমানে জিঙ্কের প্রয়োজন থাকলে বেশি করে জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। প্রোবায়োটিক-যুক্ত খাবার খেলে ফ্লু কমানো সহজ হয়। তাই টক দই রাখুন প্রতিদিনের খাবারে। জ্বরে আক্রান্ত হলে সারা দিনে অন্তত চার লিটার পানি খান। শুধু পানি খেতে হবে এমন কোনো কথা নেই, স্যুপ বা ডাল জাতীয় তরলেও ভাল কাজ দেয়। নিজে কিনে কাফ সিরাপ খাবেন না ভুলেও। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

62
Body Fitness / কম ঘুমে যেসব বিপদ...
« on: May 30, 2019, 09:53:53 AM »
প্রতিদিন অন্তত ৮ ঘন্টা ঘুমানো জরুরী। এর চেয়ে কম ঘুম হলে শারীরবৃত্তীয় ও মানসিক সমস্যা হতে পারে। আসুন, দেখে নিই, কম ঘুমের কারণে কি ধরনের জটিল সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।

১। বিষণ্নতা :
কম ঘুমোচ্ছেন অথচ শরীর তো সুস্থই আছে। কিন্তু কাজে সবসময় মন বসছে না। হাজারো আবোলতাবোল কথা বনবন করে পাক খাচ্ছে মাথার মধ্যে। কোনো কিছুর প্রতি ইচ্ছাশক্তি কমে যাচ্ছে । এরপরেও বলবেন আপনি সুস্থ? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কম ঘুম সবচেয়ে আগে প্রভাব ফেলে মনে। এমনকি দীর্ঘদিন ধরে কম ঘুমের ফলে ডিপ্রেশন বা বিষণ্তায় ডুবে যেতে পারেন আপনি।

২। ত্বকের  বয়স বৃদ্ধি :
পর্যাপ্ত ঘুম না হলে বেড়ে যায় ত্বকের বয়স। ঘুম ঠিকমত না হলে কর্টিসল নামের হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। এটি নষ্ট করে দেয় ত্বকের কোলাজেনকে। এদিকে কোলাজেনের কাজ হল ত্বকের টানটান বাঁধন ধরে রাখা। তাই কোলাজেন গেল তো ত্বকের যৌবনও গেল। শুধু তাই নয়, চোখের নীচে কালি পড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডার্ক সার্কেলে'র সংখ্যাও বেড়ে যাবে।

৩। ইচ্ছা হ্রাস :
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কম ঘুমের ফলে শরীরে সেক্স হরমোনের ক্ষরণ কমতে থাকে। শুধু তাই নয় , কমে যায় উত্তেজনা সৃষ্টিকারী হরমোন। এটি কমিয়ে দেয় সেক্স করার ইচ্ছাও। রিল্যাক্স করার সময়ই যদি না মেলে তবে সেক্সের ইচ্ছাই বা আসবে কী করে? ফলে যখন সত্যি সেক্সের প্রয়োজন, তখন আগ্ৰহই মিলবে না কিছুতেই।

৪। হৃদরোগ :
গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, কম ঘুম বাড়িয়ে দেয় হৃদরোগের সম্ভাবনা। কম ঘুম হৃৎপিণ্ডের স্পন্দনে ব্যাঘাত ঘটায়। দীর্ঘদিন কম সময় ঘুমোলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা তো কম নয়ই বরং হার্ট ফেইলিওরও হতে পারে। এ ছাড়াও ব্লাড প্রেসার, ডায়াবেটিস এর মত বিপজ্জনক রোগগুলোও চিরসঙ্গীর মতো আপনার শরীর বাসা বাঁধবে।

৫।স্থূলতা :
লোকে বলে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে মোটা হচ্ছে। অথচ কম ঘুমোনো সত্ত্বেও আপনি আগের তুলনায় মোটা হয়ে যাচ্ছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন এর জন্য দায়ী পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া। পর্যাপ্ত না ঘুমোলে খিদে বেশি পায়, এমনটাও দেখা গেছে বিভিন্ন গবেষণায়। বেশি খাচ্ছেন অথচ কম ঘুমের জন্য বিএমআর রেট সঠিক নয়। ফলে শরীরে জমছে অতিরিক্ত ফ্যাট যা স্থূলতার কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

৬। ভুলে যাওয়ার প্রবণতা :
মস্তিস্কের নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিশ্রামও দরকার। নয়তো সে ধীরে ধীরে হারাতে থাকে বিভিন্ন ভাগের শক্তিগুলো। ঘুম পর্যাপ্ত না হলে মস্তিস্কের স্মৃতির অংশটি দুর্বল হতে থাকে যা ভুলিয়ে দিতে থাকে আপনার অতি প্রয়োজনীয় ঘটনা বা কথাগুলোও।

৭। দুর্ঘটনার প্রবণতা বাড়ায় :
কম ঘুমের ফলে মস্তিস্ক ঠিকঠাক নির্দেশ দেওয়া-নেওয়া করতে পারে না। ফলে যা করতে চান, তা না হয়ে অন্য একটা ভুল কাজ হয়ে যায়। এই সমস্যা অত্যন্ত বিপদের। যেমন রাস্তায় বেরিয়ে ঠিকঠাক গাড়ি চালাতে গেলেও মস্তিস্কের ভুলের জন্য হয়ে যেতে পারে বড়সড় ভুল। কম ঘুমিয়ে হয়তো অনেক কাজ সেরে ফেলা যায়। কিন্তু তাতে শরীরের প্রতি অন্যায় করা হয়। শরীর ঠিক না থাকলে কাজগুলোই বা তখন হবে কী করে। তাই সবার আগে নজর দিন নিজের শরীরে।

63
শুক্রবার আয়ারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে রোমাঞ্চকর রান তাড়ায় মাশরাফি বিন মর্তুজার দল ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়েছে ৫ উইকেটে। এর মধ্য দিয়ে প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের শিরোপার স্বাদ পেল বাংলাদেশ। বাংলাদেশ সময় মধ্যরাতে জয়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে ক্রিকেট দলকে সরকার প্রধানের অভিনন্দন জানানোর খবর সাংবাদিকদের দেওয়া হয়।

অভাবনীয় ব্যাটিং ঝড়ে রেকর্ড গড়া অপরাজিত ফিফটিতে দলকে জিতিয়েছেন মোসাদ্দেক হোসেন। কঠিন রান তাড়ায় বাংলাদেশের উড়ন্ত সূচনা এনে দিয়ে জয়ের আরেক নায়ক সৌম্য সরকার। বৃষ্টিবৃঘ্নিত ম্যাচে জয়ের জন্য ২৪ ওভারে ২১০ রানের লক্ষ্য পায় বাংলাদেশ। ডাবলিনে শুক্রবার ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২০ ওভার ১ বলে বিনা উইকেটে ১৩১ রান করার পর নেমেছিল বৃষ্টি। পরে ম্যাচ নেমে আসে ২৪ ওভারে। রান তুলেছে তারা ১ উইকেটে ১৫২। ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে নির্ধারিত হয়েছে বাংলাদেশের লক্ষ্য।

মোসাদ্দেকের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে সাত বল বাকি থাকতেই বহু কাঙিক্ষত জয়ের স্বাদ পায় বাংলাদেশ দল।

64
অনেকেই লিভার ও কিডনির সমস্যায় ভুগতে থাকেন। কিন্তু রোগের লক্ষণ বুঝতে না পেরে চিকিৎসকের কাছে যেতে অনেক সময় দেরি করে ফেলেন। এতে সমস্যা আরও জটিল হয়ে পড়ে। চিকিৎসকদের মতে, আমাদের হাত-পায়ের নখ মাঝে মধ্যেই কঠিন রোগের ইঙ্গিত দিতে থাকে। তবে অনেক সময়ই সেই উপসর্গগুলোকে আমরা এড়িয়ে চলি।

চিকিৎসকেরা বলছেন, হঠাৎ যদি দেখেন আপনার হাতের, পায়ের নখের রং হলুদ হয়ে পড়ছে, তাহলে বুঝতে হবে আপনার লিভার ও কিডনির সমস্যা হয়েছে। এরকম অবস্থায় দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ দরকার। নখের ওপর সাদা সাদা ছোপ থাকলে পেটের সমস্যা হতে পারে আপনার। দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস, অম্বলে ভুগলে নখে এই ধরণের ছাপ হতে পারে। নখের রং কালচে বা নীলচে হয়ে পড়লে সাধারণত, ফুসফুসের সমস্যার লক্ষণ। এই সমস্যা হলে এ ধরনের উপসর্গ দেখা যায়।

নখ ভঙ্গুর হয়ে পড়লে সাধারণ আর্থারাইটিস হওয়ার লক্ষণ। অনেক সময় ফাঙ্গাল ইনফেকশনের জন্যও এরকম ঘটতে পারে।নখের চারপাশ থেকে চামড়া উঠলে বুঝতে হবে আপনার শরীরে পুষ্টির অভাব রয়েছে। কিংবা ফাঙ্গাল ইনফেকশনের কারণেও ঘটতে পারে এই সমস্যা।

65
এই প্রচণ্ড গরমে অনেকেই ধোঁয়া ওঠা চায়ের চেয়ে ঠান্ডা কিছু দিয়ে গলা ভেজাতে ভালবাসেন। আর সে ক্ষেত্রে কচি ডাবের জল যেন অমৃত! এই গরমের তীব্র দাবদাহে ডাবের জলের মতো শান্তি ও তৃপ্তি বোধহয় আর কিছুতেই নেই! তবে শুধু তেষ্টা মেটাতেই নয়, গরমে শরীর ভাল রাখতেও ডাবের জল অত্যন্ত উপকারী। আসুন প্রচণ্ড গরমে ডাবের জল খাওয়ার কয়েকটি আশ্চর্য সুফল সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক...

১) প্রচণ্ড গরমে শরীরে ঘামের সঙ্গে অনেকটা জল বেরিয়ে যায়। ফলে শরীরে জলের ঘাটতি দেখা দেয়। একই সঙ্গে ডি-হাইড্রেশনের সমস্যাও মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। শরীরকে ডি-হাইড্রেশনের হাত থেকে বাঁচাতে ডাবের জল অত্যন্ত উপকারী। ডাবের জলে থাকা কার্বোহাইড্রেড শরীরে শক্তির ঘাটতিও পূরণ করে।

২) গরমের তীব্র দাবদাহে রক্তচাপ মারাত্মক বেড়ে যেতে পারে! অনেকের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ঘামের সঙ্গে অনেকটা জল বেরিয়ে যাওয়ায় রক্তচাপ অস্বাভাবিক ভাবে কমে যেতে পারে। এই পরিস্থিতিতে ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখতে ডাবের জল অত্যন্ত কার্যকরী! ডাবের জলে থাকা ভিটামিন সি, ম্যাগনেসিয়াম আর পটাশায়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।

৩) গরমে কচি ডাবের জল শরীরকে ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি শরীরে পটাশিয়াম, সোডিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

৪) ডাবের জলে যেহুতু চিনি খুব কম পরিমাণে থাকে, তাই সহজেই ওজন কমাতে সাহায্য করে। ফাইবারে ভরপুর ডাবের জল খাবার দ্রুত হজম করতে সাহায্য করে।

৫) ডাবের জল রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। তাই এই গরমে ডায়াবিটিক রোগীদর জন্য ডাবের জল খুবই উপকারী!

66
চলছে সিয়াম সাধনার মাস পবিত্র মাহে রমজান। অন্য সময়ের চেয়ে রোজায় বেশি খাওয়া হয়ে থাকে। তবে ইফতারে বেশি ভাজাপোড়া খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাই প্রতিদিন ভাজাপোড়া খাওয়ার চেয়ে ইফতারে খাবারে আনতে পারেন ভিন্নতা। বিশেষ করে যারা গ্যাস্ট্রিকের রোগী তাদের জন্য খাবার খাওয়া ক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে। কারণ ইফতারে গ্যাস্ট্রিকের রোগীরা যা ইচ্ছা তাই খেতে পারবেন না। কারণ নিয়ম মেনে না খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বেড়ে যাবে। যা আপনার জন্য ডেকে আনতে পারে ভয়াবহ বিপদ। তাই যারা শারীরিকভাবে অসুস্থ তাদের রোজার সময় একটু বেশি সতর্ক থাকা উচিৎ।

আসুন জেনে নেই গ্যাস্ট্রিকের রোগীরা যেসব খাবার ভুলেও খাবেন না।

১. যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে তারা ইফতারে পানি ও খেজুর খেতে পারেন। ট্যাং বা লেবুর শরবত খাওয়া যাবে না।

২. তেলেভাজা পেঁয়াজু-বেগুনি না খেয়ে চিড়া, দই ও কলা খেতে পারেন। ভাজাপোড়া খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা হতে পারে। যদি চিড়া-দই ভালো না লাগে, তবে নরম ভাত বা জাউ ভাত খেতে পারেন।

৩. রাতে ভাত খাবেন। তবে শাক এবং ডাল রাতে না খাওয়াই ভালো। তেল, মসলা এবং ঝাল কম দিয়ে রান্না করা খাবার খান।

৪. বেকিং পাউডার ও বেকিং সোডা দেয়া খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।

৫. রোজায় অতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিকেরর সমস্যা দেখা দিলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে পারেন।

মনে রাখবেন কিছু খাবার রয়েছে যা আপনার পেটে অস্বস্তি বা গ্যাসের সৃষ্টি করে। যার যে খাবারে সমস্যা হয় তাদের ওই সমস্ত খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।

67
আইপিএল ইতিহাসে সবচেয়ে সফল অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি ও রোহিত শর্মা। নেপথ্য কারণ কী? ব্যাখ্যা করলেন খোদ শচীন টেন্ডুলকার। তার মতে, উন্নত ক্রিকেট মস্তিষ্কের কারণে সাফল্য পাচ্ছে তারা।

তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ফাইনালের মধ্য দিয়ে রোববার পর্দা নেমেছে আইপিএলের দ্বাদশ আসরের। সেরা দুটি দলই ফাইনাল খেলেছে। শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালি লড়াইয়ে চেন্নাই সুপার কিংসকে মাত্র ১ রানে হারিয়ে রেকর্ড চারবার শিরোপা জিতেছে মুম্বাই ইন্ডিয়ানস। এর আগে তিনবার এ মুকুট পরে চেন্নাই। শুধু তাই নয়, অষ্টম ফাইনাল খেলল ধোনি বাহিনী আর রোহিত ব্রিগেড পাঁচবার। দুই দলের ধারেকাছেও কেউ নেই।

শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচের আগে সম্প্রচারকারী চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দেন শচীন। সঞ্চালক তাকে জিজ্ঞাসা করেন, আইপিএলে ধোনি-রোহিত এত কেন? জবাবে ভারতীয় ক্রিকেট ঈশ্বর বলেন, দুজনই খেলা ভালো বোঝে। তাদের মধ্যে রয়েছে পরিস্থিতি পড়ে ফেলার অসামান্য ক্ষমতা। প্রথম বল থেকেই ম্যাচে মনোনিবেশ করে তারা। সেটিই ওদের সাফল্যের কারণ।

শচীনের মতে, অন্যবারের তুলনায় এবার অনেক বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ম্যাচ হয়েছে। তার কথায়, টুর্নামেন্টজুড়ে কোনো ম্যাচেই গ্যালারি খালি ছিল না। এবার ৩১টি ম্যাচের মীমাংসা হয়েছে শেষ ওভারে। এটা দেখার জন্যই বারবার স্টেডিয়ামে আসে সমর্থকেরা। প্রতিদ্বন্দ্বিতা না থাকলে টি-টোয়েন্টির মজা নেই। এবারের আইপিএলই সবচেয়ে উপভোগ্য।

68
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) সর্বকালের সেরা স্পিনার হিসেবে নজির স্থাপন করেছেন ইমরান তাহির। দক্ষিণ আফ্রিকান এ মুসলিম ক্রিকেটার সদ্য শেষ হওয়া আইপিএলে চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে ১৭ ম্যাচ খেলে রেকর্ড ২৬ উইকেট শিকার করেন। আইপিএলের ইতিহাসে এক মৌসুমে সব থেকে বেশি উইকেট শিকার করেন এই লেগ স্পিনার। সর্বোচ্চ ২৬ উইকেট শিকারে করে সুনীল নারিন ও হরভজন সিংয়ের রেকর্ড ভাঙেন তাহির। ২০১২ এবং ২০১৩ সালের আইপিএলে সুনীল নারিন ও হরভজন সিং সর্বোচ্চ ২৪টি করে উইকেট শিকার করেছিলেন। এতদিন সেটাই ছিল আইপিএলের এক মৌসুমে কোনও স্পিনারের সর্বোচ্চ উইকেট শিকার। সদ্য শেষ হওয়া আইপিএলে নারিন-ভাজ্জির রেকর্ড ভাঙেন ইমরান তাহির।

প্রসঙ্গ, আইপিএলে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ ৩২টি উইকেট শিকার করেন ডুয়াইন ব্র্যাভো৷ ২০১২ সালে চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে এই ক্যারিবিয়ান এমন কৃতিত্ব দেখান এই পেসার।২০১১ সালে মুম্বইয়ের হয়ে মালিঙ্গা নেন ২৮টি উইকেট৷ ২০১৭ সালে ভুবনেশ্বর কুমার নেন ২৬টি উইকেট৷ তাহিরের ২৬টি উইকেট এই তালিকায় যুগ্মভাবে তৃতীয় স্থানে আছেন।

69
স্পট ফিক্সিং অভিযোগে মোহাম্মদ আমির ও সালমান বাটের সঙ্গে নিষিদ্ধ হন মোহাম্মদ আসিফ। পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে মোহাম্মদ আমির জাতীয় দলে ফিরলেও হারিয়ে যাওয়ার পথে আসিফ ও সালমান বাট। ২০১০ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে লর্ডস টেস্টে আমির, সালমান বাট ও আসিফের স্পট ফিক্সিংয়ের ঘটনা জেনেও চুপ ছিলেন শহীদ আফ্রিদি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নো বলের মাধ্যমে করা ফিক্সিংয়ের বিষয়টি জনসম্মুখে ফাঁস করে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম নিউজ অব দ্যা ওয়ার্ল্ড।

সম্প্রতি নিজের আত্মজীবনীতে সেই স্পট ফিক্সিং প্রসঙ্গে আফ্রিদি বলেন, খুদেবার্তা ফাঁস হওয়াতেই সতর্ক হয়ে যায় নিউজ অব দ্য ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদক দল। খুদেবার্তাগুলো পাওয়ার পর কোচ ওয়াকার ইউনুসকে দেখাই। দুর্ভাগ্যজনকভাবে তিনি এ বিষয়টি উচ্চমহলকে জানাননি।

শহীদ আফ্রিদি আরও বলেন, ওয়াকার ইউনুস ও আমি দুজনই ভেবেছিলাম এসব এমন কোনো বিষয় নয়। দেখে যত ঝুঁকিপূর্ণ মনে হচ্ছে আসলে ততটা না। মাজিদ (বাজিকর) ও খেলোয়াড়দের মধ্যে স্রেফ চালাকিপূর্ণ কথাবার্তা বলেই ভেবেছিলাম। কিন্তু খুদেবার্তাগুলো অনেক বড় কিছুর অংশ ছিল, যা পরে গোটা বিশ্ব জানতে পারে। আমির-আসিফ-সালমান বাটের ফিক্সিংয়ের সেই ঘটনা নিয়ে আফ্রিদিকে অবহিত করেছিলেন পাকিস্তানের সিনিয়র ক্রিকেটার আব্দুল রাজ্জাক। এ সম্পর্কে আফ্রিদি বলেন, সেই বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চলাকালীন আবদুল রাজ্জাক আমাকে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই বলেছিল, সালমান, আমির ও আসিফ ভালো কিছু করছে না। আমি তার কথা স্রেফ উড়িয়ে দিয়েছিলাম। এসব তার কল্পনা বলে ভেবেছিলাম। তাদের সন্দেহজনক আচরণ আসলে তারুণ্য ও অনভিজ্ঞতার প্রতিফলন করে করেছিলাম।

70
আগামী ৩০ মে ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলসে শুরু হতে যাচ্ছে আইসিসি বিশ্বকাপের দ্বাদশ আসর। মেগা এই ইভেন্টে অংশগ্রহণকারী দশটি দল ইতোমধ্যেই কম বেশি দলের কম্বিনেশন ঠিক করেছে। অধিকাংশ দলই ইতোমেধ্য গুরুত্বপূর্ণ পজিশন স্থির করেছে। কিংবা কিছু কিছু পজিশন নির্ধারণে চিন্তা-ভাবনা করছে। সম্ভবত এই প্রথমবার টুর্নামেন্টে কোন দলকে আন্ডারডগ হিসেবে বিবেচনা করা যাচ্ছে না।

টিম কম্বিনেশনের বিষয়ে বলতে গেলে প্রত্যেক দলেই কমপক্ষে একজন ভালো অল-রাউন্ডার আছে যিনি ব্যাট-বল হাতে ম্যাচ জেতাতে সক্ষম। অল-রাউন্ডার বলতে কেউ কেউ ব্যাটিং, কেউবা বোলিং আবার কেউ বা জেনুইন অল-রাউন্ডার যিনি কিনা ব্যাটিং-বোলিং উভয় বিভাগেই পারদর্শী। একজন জেনুইন অলাউন্ডার সব দলের জন্যই বিরাট এক আশির্বাদ বিশেষ করে বিশ্বকাপের মত টুর্নামেন্টে। ম্যাচের অবস্থা বিবেচনায় তারা অধিনায়কের কাছে একজন অতিরিক্ত ব্যাটসম্যান কিংবা বোলারের ভুমিকা পালন করে থাকে।

০১. সাকিব আল হাসান
বাংলাদেশের এযাবতকালের সেরা ক্রিকেটারদের একজন। নিৎসন্দেহে এই মুহূর্তে বিশ্ব ক্রিকেটে সেরা ও সবচেয়ে অভিজ্ঞ অল-রাউন্ডারদের একজন সাকিব আল হাসান। আইসিসি ওয়ানডে অল-রাউন্ডার তালিকায় বর্তমানে দ্বিতীয় স্থানে আছেন বাংলাদেশ টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক। বর্তমানে বাংলাদেশ দলে থাকা সবচেয়ে অভিজ্ঞদের একজন সাকিব এবং টাইগারদের ব্যাটিং স্তম্ভ তিনি।
ক্যারিয়ারে এই পর্যন্ত ১৯৫ ওয়ানডে ম্যাচে বল হাতে ২৪৭ উইকেট এবং ব্যাট হাতে ৫৫৭৭ করেছেন এই বাঁ-হাতি স্পিনার।
নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে মিডল অর্ডারে দলের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন তিনি। বিশ্বকাপে দলের অনেকখানি নির্ভর করছে এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানের ওপর। ইংল্যান্ডে মাটিতে সফল হতে দরকার আগ্রাসন ও সতর্কতা সবই রয়েছে সাকিবের মধ্যে। ইনিংসের মাঝামাঝিতে উইকেট শিকারে যথার্থ খেলোয়াড় সাকিব। ক্যারিয়ারে বহু ম্যাচে মিডলঅর্ডারে ব্রেকথ্রু এনে দিতে সফল হয়েছেন তিনি। আসন্ন বিশ্বকাপেও বাংলাদেশ দল তার কাছ থেকে এমনটাই প্রত্যাশা করবে। ৫০ ওভারের এই মেগা ইভেন্টে নিজের অলরাউন্ড নৈপুণ্য দিয়ে বাংলাদেশ দলের সাফল্যের গুরুত্বপূর্ণ একজন হবেন সাকিব।

০২. হার্দিক পাণ্ডিয়া
ভারতের দীর্ঘ দিনের একজন পেস বোলিং অল-রাউন্ডার খুঁজে পাওয়া শেষ পর্যন্ত পূর্ণ হয়েছে। তিনি হার্দিক পাণ্ডিয়া। যদিও ধারাবাহিকতা ও নির্ভরতা বিচেনায় পাণ্ডিয়াকে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়েছে। ভারতের হয়ে ম্যাচ জিততে নিজের সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে স্পিন বলের বিপক্ষে ছক্কা হাকাতে সক্ষমতার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত তিনি। মিডল অর্ডারে যেমন প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে সক্ষম তেমনি আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে ম্যাচ শেষ করে আসতেও পারঙ্গম হার্দিক। তবে ফাস্ট বোলারদের বিপক্ষে নিজের রেকর্ড সমৃদ্ধ করতে হবে তাকে। ১১৬.৫৮ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট চালানো পাণ্ডিয়া বল হাতেও বেশ কার্যকর। একজন বোলার হিসেবে পরিপক্ক পাণ্ডিয়া ধারাবাহিকও। আসন্ন বিশ্বকাপে নিঃসেন্দেহে ভারতের তুরুপের তাসের একজন হবে পাণ্ডিয়া।

০৩. বেন স্টোকস
বর্তমান ক্রিকেট বিশ্বে সবচেয়ে শক্তিশালি অল-রাউন্ডারদের একজন বেন স্টোকস। খেলাটির অঙ্গনে পা রাখার পর তিন ফরম্যাটেই ইংলিশ ক্রিকেটের গতি ধারায় পরিবর্তন এনে দিয়েছেন তিনি। শীর্ষ পাঁচের যে কোন পজিশনে ব্যাটিং করার সক্ষমতা ছাড়াও একজন বোলার হিসেবে নির্ভরতার সঙ্গে ১০ ওভার বোলিং করতে পারেন তিনি। গত কয়েক বছর যাবত ইংল্যান্ড দলের তুরুপের তাস-এ পরিণত হয়েছেন স্টোকস। বোলার হিসেবে তার উন্নতি ইংল্যান্ড দলের বাড়তি পাওনা। তারকা উইকেট নিতে পারদর্শী স্টোকস মিডল অর্ডারে ইংল্যান্ড দলের নির্ভরযোগ্য বোলার। ডেথ ওভারে প্রতি ম্যাচেই বোলার হিসেবে উন্নতি হচ্ছে স্টোকসের। ব্যাটিং সমস্যা সমাধানে বর্তমানে পাঁচ নম্বরে বিশ্ব সেরাদের একজন স্টোকস। আক্রমণাত্মক ব্যাটিং স্টাইলের কারণে যে কোন মুহূর্তে ম্যাচের মোর ঘুরিয়ে দিতে পারেন তিনি। ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী ব্যাটিং করতে সক্ষম এই তারকা খেলোয়াড় প্রতিপক্ষের বোলারদের সামনে একটি আতঙ্ক। তার ফিনিশিং ক্ষমতাও দলের জন্য একটি বড় সম্পদ। ৩৭.৪৯ গড় রান এবং ৯৪.২৪ স্ট্রাইক রেটের মালিক স্টোকসের রয়েছে ধারাবাহিকতায়। নিঃসন্দেহে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় দাবীদারদের মধ্যে একজন তিনি।

০৪. কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম
ধারাবাহিক না হলেও আন্তর্জাতি ক্রিকেটে অভিষেক হওয়ার পর থেকে ব্যাট-বল উভয় ক্ষেত্রেই একটা বিপ্লব ঘটিয়েছেন নিউজিল্যান্ডের এই অল-রাউন্ডার। মাত্র ২৮ ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ১১০.৪৭ স্ট্রাইকের মালিক ডি গ্র্যান্ডহোম একজন নিজকে একজন গুরুত্বপূর্ণ ফিনিশার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। বেশ কয়েকটি ম্যাচে একাই দলকে জয় এনে দিয়েছেন তিনি।
বিশেষ করে সিম সহায়ক পিচে বল হাতে যে কোন ব্যাটসম্যানের জন্য একটা বড় হুমকি ডি গ্র্যান্ডহোম। আন্তর্জাতিক এবং ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে(আইপিএল) নিয়মিত উইকেট পাচ্ছেন তিনি। স্বভাবসিদ্ধভাবেই ইংল্যান্ড কন্ডিশন পেস সহায়ক। তাই আসন্ন বিশ্বকাপে কিউই দলের মূল্যবান সম্পদ হবেন ডি গ্র্যান্ডহোম। ব্যাট হাতে নির্ভরযোগ্য ফিনিশার হিসেবে দায়িত্ব পালন করার সাথে সাথে প্রয়োজনের সময়ে একজন পিঞ্চ হিটারও তিনি।
ডি গ্র্যান্ডহোম থাকায় নিউজিল্যান্ড দলটিও বেশ ভারসাম্যপূর্ণ। ব্যাট-বল হাতে তার পারফরমেন্স কিউইদের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বিশ্বকাপে দলের ভাগ্য নির্ধারনের একজন হবেন ডি গ্র্যান্ডহোম।

০৫. জেসন হোল্ডার

অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ২০১৫ বিশ্বকাপের আগ মুহূর্তে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের অধিনায়কত্ব পাওয়া জেসন হোল্ডার অনেক বেশি পরিপক্ক একজন খেলোয়াড় ও অধিনায়কে পরিণত হন। খেলোয়াড় ও বোর্ডের মধ্যকার বিভিন্ন ঝামেলা, বিতর্ক এবং পূর্ণ শক্তির দল না পাওয়া সত্ত্বেও গত কয়েক বছরে তিন ফরম্যাটেই দলের সেরা পারফরমারদের একজনে পরিণত হয়েছেন হোল্ডার।
ম্যাচের চাহিদা অনুযায়ী শেষ দিকে আক্রমণাত্মক ব্যাটিং এবং বড় পার্টনারশীপ গড়ে তোলার সক্ষমতা হোল্ডারকে বিশেষ কিছুতে পরিণত করেছে। কখনোই হার মানা যাবেনা মানসিকতার হোল্ডার ব্যাট ও বল হাতে সামনে থেকেই দলকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। অন্য খেলোয়াড়রা ব্যর্থ হলেও প্রতিটি ম্যাচেই নিজের পারফরমেন্স দিয়ে দলকে অনুপ্রাণীত করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত কঠোর পরিশ্রমের ফল পেতে শুরু করা ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল ধীরে ধীরে উন্নতি করছে এবং নিজেদের দিনে তারা যে কোন দলকে হারাতে সক্ষম। একজন খেলোয়াড় ও অধিনায়ক হিসেবে ধারাবাহিকতা ও উদ্দিপনা পূর্ণ পারফরমেন্সের মাধ্যমে দলের অগ্রগতির মূল কৃতিত্বের দাবিদার হোল্ডার। একজন অল-রাউন্ডার হিসেবে বর্তমানে ক্যারিয়ার সেরা ফরম্যা আছেন হোল্ডার। তার নেতৃত্বে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ফিরে পেতে পারে হারানো গ্যেরব। নিশ্চিতভাবেই আসন্ন বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের একজন হবেন হোল্ডার।

71
সাফল্যের সিংহাসনে যারা বসেন, তারা আর পাঁচজনের মতোই রক্তমাংসের মানুষ। জীবনে চলার পথে কী এমন বিশেষ কাজ করেন তারা, যা ব্যর্থ মানুষেরা করেন না। সেই উত্তরে আসার আগে শুরুতেই যা বলা দরকার তা হলো- আমরা সারাদিনে যা যা করি, তার ৪০ শতাংশই আমাদের অভ্যাস।  কথায় আছে, মানুষ অভ্যাসের দাস। এই অভ্যাসের মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে সাফল্যের চাবিকাঠি। প্রতিটি সফল মানুষ নিজেকে এমন অভ্যাসের মধ্যে দিয়ে পরিচালিত করেন, যা ব্যর্থ মানুষেরা করেন না। অবসর সময়ে বা ছুটির দিনে কিছু বিশেষ কাজ করেন তারা। সেগুলো পাঠকদের জন্য আলোচনা করা হলো।

১। লক্ষ্যে এগুনোর উপায় খোঁজা : সফল মানুষেরা অবসর সময়ে বা ছুটির দিনে টিভি দেখে বা ইন্টারনেটে সময় নষ্ট করেন না। বরং অবসর সময় অতিবাহিত করেন লক্ষ্যে এগুনোর উপায় খুঁজতে। যদি ব্যবসাই ধ্যানজ্ঞান হয়, সেক্ষেত্রে কী করলে ব্যবসার পরিধি আরও বাড়ানো যাবে, সেই হিসেব ঠিক করেন তারা। আর যদি চাকরিজীবী হন, সেক্ষেত্রে কী করলে আরও উপরে ওঠা যাবে, সেই পদক্ষেপের সন্ধানে থাকেন তারা।

২। আয়-ব্যয়ের হিসাব করা : জীবনে তারাই সফল হন, যারা আয়ের তুলনায় কম ব্যয় করেন, সঞ্চয়ের দিকে আর বিনিয়োগের দিকেই বেশি মনোযোগী হন। সাপ্তাহিক কতটা আয় আর কতটা ব্যয় হচ্ছে, ছুটির দিনে ঘরে বসে সেসবের একটি নির্দিষ্ট হিসেব কষেন সফল মানুষেরা।

৩। ধ্যান : ধ্যান মনকে শান্ত ও নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। তবে রোজকার ব্যস্ত জীবনে ধ্যানের জন্য আলাদা করে সময় বের করা সবসময় সম্ভব হয় না। তাই অন্তত ছুটির দিনে খানিকটা সময় ধ্যানের জন্য বরাদ্দ রাখেন সফল ব্যক্তিরা। প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রতিদিন নিয়ম করে ধ্যান করেন।

৪। বই পড়া :
বহু গবেষণায় আগেও জানা গেছে- সফল মানুষের অন্যতম হাতিয়ার হল বিভিন্ন বিষয়ের উপর বিপুল জ্ঞান। বলাই বাহুল্য, নিয়মিত বই পড়েন তারা। এর মাধ্যমেই বাড়ে জ্ঞান। তবে যদি কাজের চাপে সময় না হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে ছুটির দিনে অবশ্যই বই পড়েন সফল ব্যক্তিরা। তাই ছুটির দিনে বই পড়ার অভ্যাস বজায় রাখুন। 

72
উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বেশিরভাগ সময়ই কর্মীদের একটা ভালোবাসা-তিক্ততা ধরনের সম্পর্ক থাকে। বস যদি বদরাগী হন কিংবা তার ব্যবহার যদি খারাপ হয় তাহলে অফিসের প্রতিটি দিনই সহকর্মীর জন্য বিষাক্ত হয়ে ওঠে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় অফিসের সহকর্মীদের সঙ্গে বসের আচরণ প্রসঙ্গে চমকপ্রদ এক তথ্য পাওয়া গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পোর্টল্যাণ্ড স্টেট ইউনিভার্সিটির গবেষকরা বলছেন, বসের নেতিবাচক আচরণ কর্মীর দক্ষতার উপর দারুণভাবে প্রভাব ফেলে। এতে একজন কর্মী তার কাজটা সঠিকভাবে করতে পারেন না।

গবেষকরা এরই মধ্যে এই বিষয়টি নিয়ে ৪২৭ টি সমীক্ষা চালিয়েছেন। সম্প্রতি ওই গবেষণাপত্রটি ‘জার্নাল অব ম্যানেজম্যান্টে’ এ প্রকাশিত হয়েছে। কাজের পরিবেশ কিভাবে উন্নত করা যায় সে বিষয়েও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ওই গবেষণাপত্রে। 

গবেষকরা বলছেন, সহকর্মীদের সঙ্গে বসের খারাপ আচরণ সহকর্মীর কর্মদক্ষতা ক্ষতিগ্রস্ত করে। এতে সে তার সর্বোচ্চ কাজটা দিতে পারে না। একজন অসুখী ও অসন্তুষ্ট কর্মী কখনই উৎপাদনশীল হয় না। তার মধ্যে ‘কাউন্টারপ্রডাকটিভ ওয়ার্ক বিহেভিয়ার’ প্রবণতা বৃদ্ধি হয়। এর অর্থ হলো অফিসে দেরী করে আসা, কাজের মধ্যে ঘন ঘন বিরতি নেয়া , কাজগুলো ভুলভাবে করা ,দায়সারাভাবে কাজ করা ইত্যাদি প্রবণতা দেখা দেয়।

গবেষকরা বলছেন, যেসব কর্মী বসের খারাপ আচরণের কারণে মানসিক চাপের মধ্যে থাকেন তারা অন্য সহকর্মীদের সাহায্য করতে চান না, মিটিং থাকলেও তাতে উপস্থিত থাকার প্রতি তাদের অনীহ দেখা দেয়।

গবেষকদের মতে, কাজের পরিবেশ উন্নত করতে বসদের আলাদা প্রশিক্ষণ বিশেষ করে সহকর্মীদের সঙ্গে আচরণের জন্য ম্যানেজমেন্ট স্কিলের উপর জোর দেওয়া উচিত। এছাড়া কর্মীদেরও মানসিক চাপ ম্যানেজেন্টর উপর আলাদা প্রশিক্ষণ দেওয়া প্রয়োজন।

73
Cricket / ICC Cricket World Cup 2019 New Zealand Squad
« on: April 20, 2019, 03:02:16 PM »
New Zealand Cricket Board Published full list of New Zealand’s 15 man ICC Cricket World Cup Squad. Kane Williamson will lead the side and Ross Taylor is set to be the seventh New Zealand player to feature in four Cricket World Cup 2019.
ICC Cricket World Cup 2019 New Zealand Squad:-

    Kane Williamson (c)
    Ross Taylor
    Tom Latham (wk)
    Tom Blundell (wk)
    Mitchell Santner
    Colin de Grandhomme
    Lockie Ferguson
    Tim Southee
    Trent Boult
    Colin Munro
    Ish Sodhi
    Henry Nicholls
    Martin Guptill
    Matt Henry
    Jimmy Neesham

74
Cricket / ICC Cricket World Cup 2019 Afghanstan Squad
« on: April 20, 2019, 03:01:29 PM »
Afghanstan Cricket Board Published full list of Afghanstan’s 15 man ICC Cricket World Cup Squad. Gulbadin Naib will lead the side and Rashid Khan is set to be the seventh Afghanstan player to feature in four Cricket World Cup 2019.
ICC Cricket World Cup 2019 Afghanstan Squad:-

    Gulbadin Naib (c)
    Rashid Khan (vc)
    Mohammad Shahzad
    Noor Ali Zadran
    Hazratullah Zazai
    Usman Ghani
    Asghar Afghan
    Hashmatullah Shahidi
    Rahmat Shah
    Mohammad Nabi
    Najib Zadran
    Darwish Rasooli
    Mujeeb ur Rahman
    Shafiqullah Shafaq
    Dawlat Zadran
    Aftab Alam
    Shapoor Zadran
    Hamid Hassan
    Karim Janat
    Qais Ahmad
    Sharafuddin Ashraf
    Sayed Shirzad
    Samiullah Shinwari

75
Cricket / ICC Cricket World Cup 2019 India Squad
« on: April 20, 2019, 02:59:17 PM »
India Cricket Board Published full list of Indian’s 15 man ICC Cricket World Cup Squad. Captain Virat Kohli. Ambati Rayudu and Rishabh Pant were left out of the squad, which also has a place for Ravindra Jadeja. India start their journey for a third World Cup title on June 5 against South Africa at Southampton. They’ll play two warm-up apparatuses before that, against New Zealand at The Oval on May 25 and against Bangladesh at Cardiff on May 28.
ICC Cricket World Cup 2019 India Squad:-

    Virat Kohli (c),
    Rohit Sharma,
    Shikhar Dhawan,
    Vijay Shankar,
    MS Dhoni,
    Kedar Jadhav,
    Hardik Pandya,
    Ravindra Jadeja,
    Mohammed Shami,
    Kuldeep Yadav,
    Jasprit Bumrah,
    Yuzvendra Chahal,
    Bhuvneshwar Kumar,
    KL Rahul,
    Dinesh Karthik

Pages: 1 ... 3 4 [5] 6 7 ... 45