Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Anuz

Pages: 1 ... 40 41 [42] 43 44 ... 46
616
ইরাকের উত্তরাঞ্চলে আরও একটি গণকবরের সন্ধান পাওয়া গেছে। এতে দেশটির সংখ্যালঘু ইয়াজিদি সম্প্রদায়ের অন্তত ১১০ জনের লাশ রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, এই গণকবরটি সিনজার শহরের কাছে।

চলতি মাসের শুরুর দিকে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) জঙ্গিদের কাছ থেকে শহরটি পুনর্দখল করা হয়।
২০১৪ সালের আগস্টে সিনজার দখল করে আইএস। সেখানে গণহত্যা ছাড়াও ইয়াজিদি নারী-মেয়েদের ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে।

এর আগেও সিনজার ও এর আশপাশে গণকবর পাওয়া গেছে। সবশেষ পাওয়া এই গণকবরটি সিনজার থেকে ১০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত।
সিনজারের মেয়র মাহমা খলিল বলেছেন, এখন পর্যন্ত পাওয়া গণকবরের মধ্যে যথাসম্ভব এটাই সবচেয়ে বড়। আরও গণকবর পাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

617
Career Opportunity / Officer (Accounts)
« on: November 23, 2015, 03:50:16 PM »
Company Name: KSRM

Job Title: Officer (Accounts)
No of Vacancies: 02
Job Level: Entry
Job Type: Full Time
Age Limit: 25 - 33
Job Description:
Duty will be as per engagement of concerned department.

Educational Qualification:
MBA/M.Com/MBS (Accounting/Finance). CACC/CMA (Partly qualified) will be preferred.
Work Experience:
At least 3 years
Job Requirement:
Knowledge in computer operation & opearating of Accounting softwarer is must.
Accounting work, Processing of contractor/suppliers bill, costing related works, Cash Management.
Ability to work under pressure.
An excellent knowledge of the English language is mandatory in reading, writing and speaking.
The applicants should have experience in following business area(s):
Group Of Companies
Other Benefits:
As per company policy.

Work Location : Chittagong

Apply Instruction :
Send Your CV to:  career@ksrm.com.bd
Competent candidates are requested to apply with CV & photocopy of all Certificates to: Head of Human Resources, KSRM, Kabir Manjil, Sk. Mujib Road, Agrabad, Chittagong. Please mention the name of the position on the top of the envelope.

618
Career Opportunity / Probationary Officers
« on: November 23, 2015, 03:47:23 PM »
First Security Islami Bank Limited

619
গত বছর ঠিক এই সময়ই ক্রিকেট বিশ্ব থমকে গিয়েছিল ফিলিপ হিউজের মৃত্যুতে। বাউন্সার সামলাতে গিয়ে এই তরুণ অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটারের মৃত্যু নাড়া দিয়েছিল সবাইকেই। হিউজের সেই অসময়ের মৃত্যু সবচেয়ে বেশি বোধহয় ছুঁয়ে গিয়েছিল তাঁর সতীর্থ ক্রিকেটারদেরই। বন্ধু মাইকেল ক্লার্ক কেঁদেছিলেন, কেঁদেছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার থেকে শুরু করে প্রায় সবাই। যে বাউন্সারকে ক্রিকেট মাঠে আগ্রাসনের অনুষঙ্গ ভাবত অস্ট্রেলীয়রা, সেই বাউন্সারের প্রতিও তাদের দৃষ্টিভঙ্গিটা কেমন যেন বদলে যেতে থাকল। হিউজের মৃত্যুর পর প্রতিপক্ষের দিকে আগুন ঝরানো বাউন্সার ছুড়ে অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটাররা এখন আর বন্য উল্লাসে মেতে ওঠে না। বরং ভয়ংকর বাউন্সার ছুড়ে ফেলার পর তাদের তরফ থেকে দেখা যায় ব্যাটসম্যানদের প্রতি সহানুভূতিই।

মিচেল জনসনকেও বদলে দিয়েছিল হিউজের অকাল মৃত্যু। ফাস্ট বোলার হিসেবে একটা সময় যেখানে প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানের দিকে বাউন্সার দিয়ে তৃপ্ত হতেন জনসন, হিউজের মৃত্যুর পর সেই তৃপ্তিটাই পরিণত হল আতঙ্কে। বন্ধুর মৃত্যুর পর তিনি আর বাউন্সার দিয়ে আনন্দ পেতেন না, উল্টো মনে হতো, প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানের জায়গায় হিউজকে বসিয়ে এক ধরনের দুঃখবোধ পেয়ে বসত তাঁকে। এই ব্যাপারটিই নাকি এক বছরের মাথায় ঠেলে দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর কঠিন সিদ্ধান্তের দিকে। হিউজের মৃত্যুর পর একজন ফাস্ট বোলার হিসেবে ক্রিকেট খেলাটা তাঁর কাছে অর্থহীনই মনে হয়েছে।

ব্যাপারটা স্বীকার করেছেন জনসন নিজেই, ‘ফিলের মৃত্যু আমাকে ​দুঃখ ও বেদনাবোধে ভারাক্রান্ত করে। তাঁর মৃত্যু গোটা বিশ্বেই ক্রিকেটারদের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল। ওর মৃত্যু কিন্তু ক্রিকে​ট খেলার ধরনে কিছুটা হলেও পরিবর্তন এনেছে।’

প্রিয় বন্ধুর মৃত্যুর পর থমকে গিয়েছিলেন জনসন। ক্রিকেট বলের দিকে তাকালেই এক ধরনের আতঙ্কবোধ কাজ করত তাঁর মনে। মনে হতো, এমনই একটি বলের আঘাতেই তো ফিল ওপারে চলে গেছে। প্রচণ্ড আক্রমণাত্মক ফাস্ট বোলার হয়েও বোলিংয়ের ধরনে পরিবর্তন এনেছিলেন। বলে গতিও কমিয়ে দিয়েছিলেন। মাঝে-মধ্যে অভ্যাসবশত দুই-একটা শর্ট পিচ বল হয়ে গেলেই প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানের জন্য মায়া অনুভব করতেন। ভাবতেন, সে হয়তো আমার প্রতিপক্ষ। কিন্তু ওর তো একটা পরিবার আছে। পরিবারের সবাই হয়তো সারাক্ষণ তাকিয়ে আছে ওর দিকে, ‘আমি ব্যাটসম্যানদের শরীরে যে দুই-একবার বল লাগিয়েছি। তাতে আমার ওদের প্রতি মায়া লেগেছে। ওদের পরিবারের কথা মনে হয়েছে। চিন্তা করেছি, শরীরে বল লাগিয়ে আমি মোটেও ঠিক কাজ করছি না। এটা কখনোই ক্রিকেটীয় চেতনার পরিপূরক নয়।

620
ডিসেম্বর মাসে ভারত-পাকিস্তান সিরিজের নিরপেক্ষ ভেন্যু হিসেবে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা দুই দেশের নামই উঠে এসেছিল। ব্যবসায়িক দিক দিয়ে এই সিরিজের উপযুক্ত ভেন্যু মনে করা হচ্ছিল বাংলাদেশকেই। কিন্তু গতকাল রোববার দুবাইয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) প্রধান শশাঙ্ক মনোহর আর পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) প্রধান শাহরিয়ার খানের মধ্যে যে আলোচনা হয়েছে, তাতে নাকি ভেন্যু হিসেবে শ্রীলঙ্কাকে বেছে নেওয়ার আলোচনাটাই এগিয়েছে সবচেয়ে বেশি।

বৈঠকের ব্যাপার বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। সূত্রের বরাত দিয়ে ক্রিকেট ওয়েবসাইট ক্রিকইনফো জানিয়েছে, ডিসেম্বরে সিরিজটি মাঠে গড়ালে তা শ্রীলঙ্কাতে হওয়ার সম্ভাবনাই নাকি সবচেয়ে বেশি। তবে আলোচিত এই বৈঠকটির ব্যাপারে সংবাদমাধ্যমকে ব্রিফ করা হবে আজ সোমবার যেকোনো একটা সময়ে।

শশাঙ্ক মনোহর আর শাহরিয়ার খানের পাশাপাশি এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইংলিশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান জাইলস ক্লার্ক। মধ্যস্থতাকারী হিসেবে এই বৈঠকে উপস্থিত হলেও আজ সোমবারের ব্রিফটি নাকি করবেন এই ক্লার্কই। বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন পিসিবির কার্যনির্বাহী কমিটির প্রধান নজম শেঠি।

ভারত ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের মধ্যে সই হওয়া একটি চুক্তিতে আসছে ডিসেম্বর মাসে এই দুই দেশের একটি ক্রিকেট সিরিজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও সেটা এই মুহূর্তে জিম্মি দুই দেশের তিক্ত রাজনৈতিক সম্পর্কের কারণে। পাকিস্তানের ‘হোম সিরিজ’ হিসেবে অনুষ্ঠেয় এই সিরিজটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাটিতে খেলার ব্যাপারে নিজেদের আপত্তির কথাটা জানিয়ে দিয়েছে ভারত। পাকিস্তানও পাল্টা আপত্তি জানিয়েছে ভারতের মাটিতে এই সিরিজ খেলতে। এখন সিরিজকে আলোর মুখ দেখাতে বাংলাদেশ কিংবা শ্রীলঙ্কার মতো তৃতীয় কোনো দেশে এটি আয়োজনের প্রস্তাব করা হয়েছে।

621
জীবন্ত উদ্ভিদের মধ্যেই বৈদ্যুতিক সার্কিট তৈরি করা সম্ভব। তা করে দেখালেন সুইডেনের লিংকপিং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা। তাঁরা বলছেন, আলোক সংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি আহরণের একটি পথ খুলে দেবে তাঁদের যুগান্তকারী এই উদ্ভাবন।

টেলিগ্রাফ অনলাইনের খবরে বলা হয়েছে, গবেষকেরা বাগানের একটি গোলাপ গাছের মধ্যে বৈদ্যুতিক সার্কিট তৈরি করেন। বিদ্যুৎ পরিবাহী দ্রবণীয় পলিমারযুক্ত পানির একটি পাত্রে গোলাপ গাছটিকে বসান তাঁরা। গাছটি যখন পানি শোষণ করে তখন বিদ্যুৎ পরিবাহী ও উপাদানগুলোও গাছ শোষণ করে নিজের প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত করে নেয়। ফুলের রং যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ফুটে উঠেছে এটি সেই একই রকম প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। গবেষণা সংক্রান্ত নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে সায়েন্স অ্যাডভান্সেস সাময়িকীতে।

গবেষণা নিবন্ধের প্রধান লেখক ম্যাগনাস বারগ্রেন বলেন, গোলাপ গাছটির ভেতর পলিমারের দ্রবণগুলো গাছের আয়নের সঙ্গে মিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি তার তৈরি করে ফেলে যা দিয়ে একটি বৈদ্যুতিক সার্কিট তৈরি করে ফেলা যায়।

গবেষক বারগ্রেন বলেন, ‘যত দূর পর্যন্ত জানি, এখনো গাছের মাধ্যমে তৈরি ইলেকট্রনিকস নিয়ে কোনো গবেষণাপত্র প্রকাশ হয়েছে। আমরা এখন তাই ‘পাওয়ার প্ল্যান্ট’ বিষয়ে কথা বলতে পারি। আমরা গাছে সেনসর বসিয়ে তা থেকে শক্তি সংগ্রহ করতে পারি অথবা নতুন উপাদান তৈরি করতে পারি।’

গবেষক বারগ্রেন দাবি করেন, এ প্রক্রিয়ার উৎপাদিত সবকিছুই প্রাকৃতিক এবং এ ক্ষেত্রে গাছের নিজস্ব অনন্য পদ্ধতিটিই ব্যবহার করা হয়।

622
Jokes / নতুন ব্যাটসম্যান
« on: November 22, 2015, 02:54:21 PM »
নতুন ব্যাটসম্যান ক্রিজে এলেন। নিজের গার্ডগুলো পরীক্ষা করে দেখলেন। একটু নড়েচড়ে শরীরটাকে চাঙা করে নিলেন। চারদিকে ফিল্ডারদের অবস্থানটাও একনজর ঘুরে দেখলেন।
এরপর শূন্যে কয়েকবার ব্যাট হাঁকিয়ে আম্পায়ারকে জানালেন, সে তৈরি। আম্পায়ার বোলারকে বল করতে অনুমতি দিলেন। বোলার বলও করলেন এবং সোজা মিডল স্ট্যাম্প উড়ে গেল। তখন পেছন থেকে উইকেট কিপার বললেন, ‘কী লজ্জা! এত ভাব দেখানোর পর মাত্র এক বলেই স্ট্যাম্প উড়ে গেল।’ ব্যাটসম্যান তখন বললেন, ‘লজ্জা তোমাদেরই পাওয়া উচিত। একজন নতুন অতিথির সঙ্গে কীভাবে আচরণ করতে হয় সেটা তোমাদের বোলার এখনো শেখেনি।

623
বার্সেলোনা ৪: ০ রিয়াল

এটা লুইস সুয়ারেজের দ্বিতীয় গোলের পর। ‘দ্বিতীয় গোল’ বলাতে বুঝতেই পারছেন, এর আগেও একটা গোল করেছেন বার্সা স্ট্রাইকার। একটা করে গোল করেছেন নেইমার ও আন্দ্রেস ইনিয়েস্তাও। গোল করতে পারেনি রিয়াল মাদ্রিদের কেউ। মাঠে গড়ানোর আগে প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঝাঁজ ছড়িয়েছিল যে ম্যাচ, সেটাকে প্রায় একতরফা বানিয়ে ৪-০ গোলে জিতে নিল বার্সেলোনা। নিজের মাঠে লজ্জাজনকভাবে এল ক্লাসিকো হারের তিক্ত স্বাদ পেল রিয়ালও

624
শত বছরেরও বেশি দীর্ঘ এই দ্বৈরথের ইতিহাস থেকে গুটিকয়েক ম্যাচ বেছে আনার কঠিন কাজটাই করেছে ইংলিশ দৈনিক ডেইলি মেইল। তেমন দশটি ‘একটু আলাদা’ ম্যাচ -

জুন ১৩, ১৯৪৩: রিয়াল মাদ্রিদ ১১-১ বার্সেলোনা
কোপা দেল জেনেরালিসিমো (জেনারেলস কাপ) সেমিফাইনাল। প্রথম লেগে ন্যু ক্যাম্পে ৩-০ গোলে জিতেছিল বার্সা। কিন্তু দ্বিতীয় লেগে মাদ্রিদে গিয়ে কাতালানরা বিধ্বস্ত হয়েছিল ১১-১ গোলে! এল ক্লাসিকোর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে পরাজয় এটি।
ম্যাচটিতে সেদিন কী হয়েছিল এ নিয়ে অনেক ভিন্ন মত আছে। কেউ বলেন, গ্যালারি থেকে ছুটে আসা ধাতব মুদ্রা থেকে বাঁচতে বার্সা গোলরক্ষক লুইস মিরো পোস্ট থেকে অনেক দূরে মাঠের ভেতরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। আবার কারও মতে, ম্যাচের আগে অতিথিদের ড্রেসিং রুমে এক ‘অতিথি’র আগমন ঘটেছিল, যে কিনা স্বৈরাচারি জেনারেল ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কোর পক্ষ থেকে বার্সার জন্য বিশেষ বার্তা নিয়ে এসেছিল। বার্তাটা ছিল অনেকটা এমন - ‘ম্যাচ হেরে যাও, নতুবা প্রাণ নিয়ে ফিরে যেতে পারবে না।’ওই ম্যাচটিই মূলত রিয়াল-বার্সার দ্বৈরথের সূচনা। এদিক থেকে অবশ্য একটা ‘ধন্যবাদ’ই প্রাপ্য ফ্রাঙ্কোর। তাঁর হুমকি না হলে যে এই দ্বৈরথ আজকের ‘ক্লাসিকো’ হয়ে ওঠে না।

অক্টোবর ২৫, ১৯৫৩: রিয়াল মাদ্রিদ ৫-০ বার্সেলোনা
আলফ্রেডো ডি স্টেফানো রিয়ালের ইতিহাসের সেরাদের একজন। তবে তিনি বার্সেলোনারও হতে পারতেন। কাতালান ক্লাবটির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার খুব কাছাকাছি চলে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে হঠাৎ মত বদলে গেলেন রিয়ালে। তাঁর এই দলবদলে কোনো অনৈতিক কিছু ছিল কিনা, তা নিয়ে বিতর্ক হতে পারে। তবে যেটি ‘স্বতঃসিদ্ধ’ তা হলো, তাঁর দলবদলের এই ধোঁয়াশা দুই ক্লাবের তিক্ততা আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। রিয়ালে যাওয়ার কয়েক সপ্তাহ পরেই বার্সা সমর্থকদের তিক্ততা আরও বাড়িয়ে দিলেন ডি স্টেফানো। ওই মৌসুমে রিয়ালকে লিগ জিতিয়েছিলেন, তার চেয়েও বড় ব্যাপার, নিজে ৪ গোল করে বার্সাকে বিধ্বস্ত করলেন ৫-০ তে।

ফেব্রুয়ারি ১৭, ১৯৭৪ : রিয়াল মাদ্রিদ ০-৫ বার্সেলোনা
ঠিক ২১ বছর আগের ঘটনাটির মতোই। শুধু কেন্দ্রীয় চরিত্র আর ম্যাচের ভাগ্যটা বদলে গেল। ডি স্টেফানোর মতো ইয়োহান ক্রুইফকে ঘিরেও দুই দলের মধ্যে চলেছে দলবদল লড়াই, তবে এবার তাতে জয়ী বার্সেলোনা। কী কাকতাল! এল ক্লাসিকোর ভাগ্যটা ঠিক উল্টো ঘুরে গেল! এমনিতেই ‘ফ্রাঙ্কোর নামের সঙ্গে জড়িত ক্লাবে যোগ দেব না' ঘোষণা দিয়ে বার্সা সমর্থকদের মন জিতে নিয়েছিলেন। ভালো লাগাটা আরও বেড়ে গেল মাদ্রিদে দুই দলের প্রথম ম্যাচের পর। এক গোল করে ও আরও তিনটি করিয়ে রিয়ালের মাঠে গিয়ে বার্সাকে জিতিয়ে আনলেন ৫-০ তে।

জানুয়ারি ৮, ১৯৯৪: বার্সেলোনা ৫-০ রিয়াল মাদ্রিদ
খেলোয়াড় হিসেবে ক্লাবে দিন বদলের যে গান শুরু করেছিলেন, সেটি পূর্ণ করতেই যেন আবার কোচ হয়ে বার্সায় ফেরত এলেন ক্রুইফ। তাঁর অধীনেই ’৯০ দশকের শুরুর বার্সা হয়ে উঠেছিল ‘ড্রিম টিম’। গার্দিওলা-স্টইচকভ-রোমারিওদের পায়ে যেন ফুল ফুটেছে সবুজ মাঠে।
ওই ফুলই সবচেয়ে বেশি সুবাস ছড়িয়েছে জানুয়ারিতে ন্যু ক্যাম্পের ম্যাচে। গতি, স্কিল, শক্তির দুর্দান্ত প্রদর্শনীতে রিয়ালকে স্রেফ ধ্বসিয়ে দিল ক্রুইফের দল। হ্যাটট্রিক করে সে ম্যাচের নায়ক রোমারিও।

নভেম্বর ২৩, ২০০২: বার্সেলোনা ০ - ০ রিয়াল মাদ্রিদ
ম্যাচের ফল দেখেই বোঝা যাচ্ছে, ফুটবলীয় কৌশল বা দক্ষতার কারণে এই ম্যাচ আলোচিত হবার নয়। স্টেফানো-ক্রুইফদের মতো এই ম্যাচকেও বিখ্যাত করে রেখেছেন একজন নির্দিষ্ট খেলোয়াড় - লুইস ফিগো। এই পর্তুগিজ যে পুয়েন্তে অ্যারেও (মাদ্রিদ-বার্সেলোনার সংযোগ সড়ক) ধরে বার্সা ছেড়ে চলে গেছেন রিয়ালে। বার্সা সমর্থকেরাও তাঁদের প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে দিলেন ন্যু ক্যাম্পের ক্লাসিকোতে। ম্যাচে যতবারই ফিগো কর্নার নিতে এলেন, ততবারই গালিগালাজের সঙ্গে হাতের কাছে থাকা ছোট বস্তুগুলো বৃষ্টির মতো ধেয়ে আসতে লাগল। খেলোয়াড়েরা যখন মাঠ ছেড়ে যাচ্ছেন, তখন দেখা এই ‘ছোট’ বস্তুগুলোর একটি ছিল আস্ত শুকরের মাথা!

নভেম্বর ১৯, ২০০৫: রিয়াল মাদ্রিদ ০-৩ বার্সেলোনা
এত এত ঘৃণার মাঝেও যে সুন্দরের পুজায় দুদলই এক হতে পারে, সেটি দেখা গেল এই ম্যাচে। একজন ঝাঁকড়া চুলো সদাহাস্য ব্রাজিলিয়ান তাঁদের বাধ্য করেছিলেন এক হতে। ক্যারিয়ারের মধ্য গগনে তখন রোনালদিনহো। রিয়ালের মাঠেও তার ছাপ রেখেছিলেন তিনি। বল পায়ে নিজে নেচেছেন, স্বাগতিক দলের রক্ষণকেও নাচিয়েছেন। দুর্দান্ত দুটি গোলের পর যখন বার্সার জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ছেন, পুরো বার্নাব্যু গ্যালারির উঠে দাঁড়িয়ে সম্মান জানানো ছাড়া আর কিছুই করার ছিল না।

মার্চ ১০, ২০০৭: বার্সেলোনা ৩-৩ রিয়াল মাদ্রিদ
রোনালদিনহোর পর বার্সার ব্যাটন যে তাঁর হাতেই উঠবে, সেটির আভাস দিচ্ছিলেন মৌসুম জুড়ে। ন্যু ক্যাম্পে রিয়ালের বিপক্ষে ম্যাচে সেটিকেই ঘটা করে জানান দিলেন লিওনেল মেসি। ১৯ বছর বয়সের এক তরুণ, তখনো ঠিক ‘প্রমাণিত’ নন, বার্সায়ও রোনির পাশে ছিলেন পার্শ্বনায়ক হয়ে। ওই ম্যাচেই প্রথম ঘোষনা দিলেন, ‘রাজত্ব করতেই আসছি।’ তিনবার পিছিয়ে পড়া দশজনের বার্সাকে ফিরিয়ে এনেছেন ক্যারিয়ারের প্রথম হ্যাটট্রিক করে। তারকা হয়ে উঠছিলেন, তবে এ ম্যাচ দিয়েই বিশ্ব চেনে মেসি নামের খুদে আর্জেন্টাইনকে।

নভেম্বর ২৯,২০১০: বার্সেলোনা ৫-০ রিয়াল মাদ্রিদ
হোসে মরিনহোর অধীনে রিয়ালের প্রথম এল ক্লাসিকো। মরিনহোর দিনটিকে ‘স্মরণীয়’ করে রাখার সিদ্ধান্ত নিলেন বার্সা খেলোয়াড়েরা। গুনে গুনে পাঁচ গোল দিলেন। মরিনহোর এল ক্লাসিকো অভিষেক-লজ্জার ষোলো কলা পূর্ণ হয় খেলার শেষ দিকে সার্জিও রামোসের লাল কার্ডের মধ্য দিয়ে।

আগস্ট ১৭,২০১১: বার্সেলোনা ৩-২ রিয়াল মাদ্রিদ
খেলায় যা হয়েছিল তাতেই এটি মনে গেঁথে থাকার কথা। কিন্তু রিয়াল কোচ মরিনহো ‘নিশ্চিত’ করেছিলেন দিনটিকে ইতিহাসে স্থায়ী করে রাখা। সেস্ক ফাব্রিগাসকে ফাউল করে লাল কার্ড পেয়েছিলেন মার্সেলো। এতে রেফারির সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে দুই দল। একপর্যায়ে বার্সার সহকারী কোচ টিটো ভিলানোভার চোখে খোঁচা দিয়ে বসেন মরিনহো। আর বেঞ্চে থাকা দুই খেলোয়াড় মেসুত ওজিল ও ডেভিড ভিয়া লাল কার্ড দেখে ‘পরিপূর্ণ’ করে রাখেন দিনটিকে।

এপ্রিল ১৬,২০১৪: বার্সেলোনা ১-২ রিয়াল মাদ্রিদ
২০১৪ সালের কোপা দেল রে ফাইনাল। এর আগে কিছুদিনের ‘এল ক্লাসিকো’ মানে ছিল রোনালদো-মেসির লড়াই। কিন্তু বেল-নেইমারের আবির্ভাব সেই লড়াইয়ে মোড় ঘুরে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা ​দিচ্ছিল। অনেকটা হলোও তা-ই। সেদিন খেলা শেষ হওয়ার পাঁচ মিনিট আগে গ্যারেথ বেল প্রমাণ করেছিলেন কেন দলবদলের রেকর্ড ভেঙে তাঁকে দলে টেনেছে রিয়াল। মার্ক বার্ত্রাকে রীতিমতো ঘোল খাইয়ে করা তাঁর গোলটি কেবল রিয়ালকে একটি শিরোপাই এনে দেয়নি বরং নিকট ভবিষ্যতে কি হতে যাচ্ছে তার একটা ইঙ্গিতও দিয়ে রেখেছিল।

625
Jokes / ইঞ্জিনিয়ার vs ডাক্তার
« on: November 02, 2015, 01:17:55 PM »
এক ইঞ্জিনিয়ার কিছুতেই ভালো একটা চাকরি পেল
না।
তখন সে একটা ক্লিনিক খুলল আর বাইরে লিখে দিল –
“৩০০ টাকায় যে কোন রোগের চিকিৎসা করান চিকিৎসা
না হলে এক হাজার টাকা ফেরৎ”
এক ডাক্তার ভাবল এক হাজার টাকা রোজকার করার
একটা দারুণ সুযোগ!
সে সেই ক্লিনিকে গেল…
আর বলল,
“আমি কোন জিনিষ খেতে গেলে তাতে কোন স্বাদ পাই
না ।”
ইঞ্জিনিয়ার নিজের নার্সকে বলল, “২২ নাম্বার বক্স
থেকে ওষুধ বার কর আর ৩ ফোটা খাইয়ে দাও ওনাকে।”
নার্স খাইয়ে দিল।
রুগী (ডাক্তার) – “আরে, এটা তো পেট্রোল ।”
ইঞ্জিনিয়ার – “Congratulation…. দেখলেন তো আমাদের
ক্লিনিকের কামাল।
আপনি টেস্টটা জিভে পেয়ে গেছেন। এবার আমাকে
আমার ৩০০ টাকা ফী দিয়ে দিন।”
ডাক্তার টাকাটা দিয়ে দিল এবং চলে গেল মনে দুঃখ
আর রাগ নিয়ে।
কিন্তু ডাক্তার ভীষণ চতুর। ভাবল, একে টাইট করতে হবে
আর পয়সাটাও উসুল করতে হবে।
তাই আবার কিছুদিন পর সে সেই ক্লিনিকে এল।
.
ডাক্তার – “আমার মেমরী কমে গেছে। কিছুই মনে
থাকেনা ।”
ইঞ্জিনিয়ার – “নার্স, এনাকে ২২ নাম্বার বক্স থেকে ৩
ফোটা খাইয়ে দাও তো।”
ডাক্তার – “কিন্তু স্যার, ওটা তো স্বাদ ফিরে পাওয়ার
ওষুধ”
ইঞ্জিনিয়ার – “দেখলেন তো ওষুধ খাওয়ার আগেই
আপনার মেমরী ফিরে এসেছে, দিন আমার ৩০০ টাকা ।”
এবার ডাক্তার খুব রেগেই বাড়ি গেল আরও ৩০০ টাকা
দিয়ে।
আবার কিছুদিন পর ক্লিনিকে এসে বলল,
.
“স্যার । আমার দৃষ্টিশক্তি একেবারেই কমে গেছে।
একদমই দেখতে পাচ্ছি না!
ইঞ্জিনিয়ার – “এর কোন ওষুধ আমার কাছে নেই । এই
নিন, আপনার ১০০০ টাকা।”
রুগী (ডাক্তার) – “কিন্তু এটা তো ৫০০ টাকার নোট।”
ইঞ্জিনিয়ার – “দেখুন, আপনার দৃষ্টিও ফেরৎ এসে
গেছে।
দিন আমার ৩০০ টাকা।

626
Football / ‘আমিই সেরা, মেসি নয়’
« on: November 02, 2015, 12:13:22 PM »
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো নিজেকেই এই গ্রহের শ্রেষ্ঠ ফুটবলার মনে করেন। তাঁর ধারণা, গত আট বছরের মাঠের পারফরম্যান্সেই তিনি ছাড়িয়ে গেছেন আর সবাইকে। এমনকি শ্রেষ্ঠত্বের দৌড়ে তিনি পেছনে ফেলেছেন লিওনেল মেসিকেও!

স্প্যানিশ পত্রিকা মার্কার সঙ্গে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের অকপট চরিত্রই বাইরে নিয়ে এসেছেন পর্তুগিজ এই তারকা। গত আট বছরে নিজের সমস্ত অর্জনের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, ‘এমন একজন খেলোয়াড়ের নাম বলুন তো যার সাফল্য আমার মতো।’

রোনালদোর এমন কথার প্রতি-উত্তরে মেসির প্রসঙ্গ এলেও তিনি দমেননি। যুক্তি-টুক্তির ধার না ধেরেই তাঁর উত্তর, ‘আপনি বিশ্বের এক নম্বর খেলোয়াড় কি না, সেটা বড় প্রশ্ন নয়, এ নিয়ে বিশদ আলোচনারই দরকার আছে। অনেকে বলেন মেসি বিশ্বের এক নম্বর খেলোয়াড়। কিন্তু আমার তা মনে হয় না। আমি মনে করি, আমিই সেরা, মেসি নয়।’

কঠোর পরিশ্রমই তাঁকে এই পর্যায়ে এনেছে। এই পর্যায়ে আসতে তাঁকে অনেক ব্যথা সইতে হয়েছে। অনেক ঘাম ঝরাতে হয়েছে। ক্যারিয়ারের এই পর্যায়ে এসে তাঁর উপলব্ধি, ‘কঠোর পরিশ্রমের বিকল্প নেই। প্রচণ্ড পরিশ্রম না করলে কোনো কিছুরই শীর্ষে যাওয়া যায় না।’

ফুটবলকে প্রচণ্ড ভালোবাসেন তিনি। আর খেলাটিকে ভালোবেসেই সয়েছেন পরিশ্রমের কষ্ট, শারীরিক ব্যথা-বেদনা। ফুটবলকে তিনি মনে করেন তাঁর জীবনেরই অংশ।

627
কতটা কালো হলে তাকে কালো বলা যাবে? সম্প্রতি সৌদি আরবের কিং আবদুল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির বিজ্ঞানীরা বিশ্বের সবচেয়ে কালো বস্তু ‘কৃষ্ণকায়া’ তৈরির দাবি করেছেন। তাঁরা বলছেন, তাঁদের তৈরি এই উপাদান এতটাই কালো, যা আগে কখনো তৈরি হয়নি। এটিকে তাঁরা বলছেন ‘সুপার ব্ল্যাক ম্যাটেরিয়াল’। এই বস্তুটি কৃষ্ণগহ্বরের মতো সব আলো শোষণ করে নিতে পারে।
গবেষকেরা এই কৃষ্ণকায়া তৈরিতে প্রকৃতি থেকে অনুপ্রেরণা নিয়েছেন। তাঁরা বলছেন, কালো এই উপাদানটির ব্যবহারে সৌর প্যানেল আরও বেশি দক্ষতার সঙ্গে তৈরি করা যাবে। বর্তমানে যে ধরনের সৌর প্যানেল তৈরি হয় এই উপাদানটির ব্যবহার তা সম্পূর্ণ বদলে দিতে পারে। এটি যেকোনো কোণ থেকে ৯৯ শতাংশ আলো শোষণ করতে পারে। এখন পর্যন্ত সবচেয়ে কালো উপাদান হিসেবে স্বীকৃত কার্বন ন্যানোটিউবের চেয়েও কৃষ্ণকায়া ২৬ শতাংশ বেশি কালো।
‘নেচার ন্যানোটেকনোলজি’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে এ সংক্রান্ত একটি গবেষণা নিবন্ধ। এতে গবেষকদের দাবি, এই উপাদানটি যেকোনো দিক থেকে আসা তেজস্ক্রিয়তাও শোষণ করে নিতে সক্ষম।
গবেষকেরা আরও বলছেন, এটি এতই কালো যে, যাঁরা এটি দেখেছেন তাঁরা এটাকে নিকষ গহ্বরের মতো কালো বলে বর্ণনা করেছেন। তাঁদের মতে এর দিকে তাকিয়ে থাকাও অসম্ভব।

628
রাতটা এর চেয়ে আর বর্ণিল হতে পারত না! আয়োজকেরা যা চেয়েছেন তা-ই হলো। ভরপুর গ্যালারির আশাও পূর্ণ। চট্টগ্রাম আবাহনী চ্যাম্পিয়ন!
গ্যালারির হাজারো মুঠোফোনের আলোয় উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর লাগছিল গোটা স্টেডিয়ামটা। চট্টগ্রামের ফুটবলে এমন রাত আগে কখনো আসেনি। পিছিয়ে পড়েও ইস্টবেঙ্গলকে ৩-১ গোলে হারানোর মধ্যে যে বীরত্ব দেখিয়েছে স্বাগতিক দল, সেটিই আসলে কৃতিত্বটাকে বড় করে তুলছে আরও।
১১ দিনের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপের সফল সমাপ্তিই টানল চট্টগ্রাম আবাহনী। শেষ বাঁশির সঙ্গে সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে ঢাকা থেকে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য শুনে উজ্জীবিত হলো সবাই।
হঠাৎই কাল সকাল থেকে বৃষ্টি। মাঠকর্মীরা মাঠ থেকে পানি সরালেন। তবে মাঠ ভারী ও পিচ্ছিল হয়ে উঠেছিল স্বাভাবিকভাবেই। সেই মাঠে হলো আসলে এলিটা কিংসলে ‘শো’। ম্যাচসেরার পুরস্কার তাঁরই হাতে। টুর্নামেন্ট সেরা, সর্বোচ্চ গোলের (পাঁচ গোল) পুরস্কারের মালিকও এই নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার।
চট্টগ্রাম আবাহনীর তিন গোলের দুটিই কিংসলের। করিয়েছেন অন্য গোলটিও। এমন সময়ই কিংসলে নিজেকে ছাপিয়ে গেলেন, যখন গোলের জন্য ঘরের দল খেলছে মরিয়া হয়ে। জাহিদ তাঁর মতো করে খেলতে পারছিলেন না হালকা চোটের কারণে। দায়িত্বটা যেন কাঁধে তুলে নিলেন কিংসলে।
শুরু থেকেই স্নায়ুচাপে ভুগছিল স্বাগতিকেরা। কিছুই ঠিক হচ্ছিল না। ১১ মিনিটে প্রতিপক্ষকে গোলও উপহার দিল। চট্টগ্রাম আবাহনীর রক্ষণের ভুলে বলটা পেয়ে ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্ডার অভিনব বাগ যে শটটা নিয়েছিলেন, সেটি গোলে না-ও যেতে পারত। কিন্তু ডিফেন্ডার রেজাউলের মাথায় লেগেই দিক বদলে গেল জালে! গোলরক্ষক লিটনের আসলে করার কিছুই ছিল না।
এমন প্রতিদ্বন্দ্বিতামুখর ফাইনালে বাজে গোল খাওয়ার যন্ত্রণা থেকেও মুক্তি পেতে মরিয়া হয়েই খেলছিল চট্টগ্রাম আবাহনী। কিন্তু প্রথম ত্রিশ মিনিট খেলাটা ধরতেই পারেননি জাহিদ-এমিলিরা। ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট বিরতির ঠিক আগে গোলটা শোধ করতে পারা।
জাহিদ-মিঠুন-কিংসলের দুর্দান্ত সমন্বয়ে এল গোল। দ্রুত পাল্টা আক্রমণ থেকে কিংসলেকে দিয়ে যেভাবে গোল করালেন মিঠুন চৌধুরী, সম্ভবত তাঁর ফুটবল জীবনে অন্যতম সেরা মুহূর্ত ওটা। শুরুতে গোলের সহজ সুযোগ নষ্ট করার প্রায়শ্চিত্ত করতেই যেন জ্বলে উঠলেন। বাঁ প্রান্তের কর্নার পতাকার কাছ থেকে আলতো করে বুটের টোকায় বলটা তুলে দিলেন বক্সে, কিংসলেও ছিলেন জায়গামতো। আলতো হেডে বল জালে জড়িয়ে দিতেই দর্শকে ঠাসা এম এ আজিজ স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে আনন্দ ঢেউ বইল।
বিরতির পরপরই ভোজবাজির মতো পাল্টে গেল সব। ইস্টবেঙ্গল হঠাৎই এমন খেই হারাল যে এই প্রথম টুর্নামেন্টে দলটাকে লাগল অসহায়। ৫৩ মিনিটে জাহিদের ফ্রি-কিকে মিঠুনের পা ছোঁয়াতে না পারাটা সুফলই বয়ে আনল। বলটা ফাঁকা জালে ঠেলেন কিংসলে। চার মিনিট পরই কলকাতার চ্যাম্পিয়নরা রীতিমতো ছত্রখান। বাঁ দিক থেকে অনেকটা উঁচু করে বক্সে বল ফেলেন কিংসলে, হেমন্ত শরীরের দোলায় প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারকে ছিটকে দিয়ে সেটি ঠেলে দেন জালে।
৩-১ স্কোরলাইন মানে কার্যত ম্যাচটা চট্টগ্রাম আবাহনীর হাতের মুঠোয়। তবে মরণ কামড় দিতে চেয়েছে ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু দাঁতে দাঁত চেপে রক্ষণ কাজটা করে গেছে চট্টগ্রাম আবাহনী। দর্শকদের আনন্দে ভাসাতে উজাড় করে দিয়েছে নিজেদের।

629
যাকে পাঠানোর কথা তাকে না পাঠিয়ে ভুল করে আরেকজনকে ই-মেইল করেছেন? অথবা আপনি চাইছেন আপনার পাঠানো বার্তা প্রাপক পড়ার পরই যেন মুছে যায়! আবার এও চাইতে পারেন, আপনার মেইলটি প্রাপকের কাছে যেন রক্ষিত না থাকে। এসব চাওয়া পূরণ করতে পারে, ডিমেইল নামের ছোট্ট একটি প্রোগ্রাম, আর তা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই।
ডিমেইল বা সেলফ-ডেস্ট্রাক্টিং ই-মেইল হলো গুগল ক্রোমের একটি এক্সটেনশন; যা ব্যবহার করে পাঠানো মেইলকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে ফেলা যাবে। এ জন্য কম্পিউটারে গুগল ক্রোম ইনস্টল করা থাকতে হবে। না থাকলে https://goo.gl/c3G9sa ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে নামিয়ে নিয়ে কম্পিউটারে ইনস্টল করে ব্রাউজার চালু করে নিন।
ডিমেইলের প্রোগ্রামটি ক্রোম ব্রাউজারে যুক্ত করতে https://goo.gl/Xczi6J ওয়েব ঠিকানায় যাবেন এবং এখানে থাকা Add to Chrome বোতাম চাপতে হবে। পপ-আপে একটি বার্তা আসবে Add extension বোতাম চাপলেই সেটি আপনার ব্রাউজারে যোগ হয়ে যাবে। অর্ধেক কাজ শেষ।
এবার আপনার ব্যবহৃত জিমেইল অ্যাকাউন্টটি ব্রাউজারে লগ-ইন করুন। Compose-এ ক্লিক করুন। এখানে নিচে Dmail বোতাম পাবেন। এর সঙ্গে On ও Off করার বোতামও আছে। তার পাশে Destroy-এর অধীনে থাকা মেনুতে ক্লিক করলে Never, 1 Hour, 1 Day, 1 Week নামের চারটি আলাদা অপশন পাওয়া যাবে। মেইল পাঠানোর আগে প্রয়োজনমতো যেকোনো একটি নির্বাচন করে রাখুন। মেইল পাঠানোর এক ঘণ্টা পর তা মুছে ফেলতে চাইলে Destroy এর 1 Hour নির্বাচন করে To তে প্রাপকের মেইল এবং সাবজেক্টে প্রয়োজনীয় বার্তা লিখে Send বোতাম চাপুন। এবার প্রাপক মেইল পাওয়ার এক ঘণ্টা পর তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যাবে।

630
কমলা রং ছাড়া ইউরোপ-সেরার প্রতিযোগিতা ভাবা যায় নাকি! ১৯৮৪ সালের পর হল্যান্ড ছাড়া আয়োজিত হয়নি ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের একটি চূড়ান্তপর্বও। ৩২ বছর পর ২০১৬ সালের ইউরো আয়োজিত হতে যাচ্ছে ‘টোটাল ফুটবলের’ জনকদের ছাড়াই। বাছাইপর্বে নিজেদের গ্রুপে ১০ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে চেক প্রজাতন্ত্র, আইসল্যান্ড আর তুরস্কের নিচে থেকে ইউরোর চূড়ান্তপর্বে খেলার অধিকার হারিয়েছে গত বিশ্বকাপের তৃতীয় দল এই হল্যান্ড।
গতরাতে চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে নিজেদের হোম ম্যাচটি অনেক সমীকরণ মাথায় নিয়েই খেলতে নেমেছিলেন আরিয়েন রোবেন-ওয়েসলি স্নাইডাররা। প্লে অফের আশা টিকিয়ে রাখতে হলে চেকদের বিপক্ষে কেবল জয় পেলেই হতো না, অন্য ম্যাচে তুরস্ককে হারতে হতো আইসল্যান্ডের বিপক্ষে। কিন্তু দুই সমীকরণের কোনোটাই মেলেনি, চেকদের বিপক্ষে পাওয়া হয়নি প্রত্যাশার জয়, আইসল্যান্ডও হারাতে পারেনি তুরস্ককে। সব মিলিয়ে ইউরোর চূড়ান্তপর্বে খেলার আশা ত্যাগই করতে হচ্ছে হল্যান্ডকে।

Pages: 1 ... 40 41 [42] 43 44 ... 46