Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Anuz

Pages: 1 ... 41 42 [43] 44 45 46
631
ফেসবুকে কিছুদিন আগে ‘ডিসলাইক’ বোতাম চালুর বিষয়ে নানা ধরনের আলোচনা হয়েছে প্রযুক্তি দুনিয়ায়। এবার ‘লাইক’ অপশনের বদলে ইমোশনাল রিঅ্যাকশন, অর্থাৎ আবেগের প্রকাশ ঘটানো যায় এমন বোতাম যুক্ত হতে যাচ্ছে। লাইকের বদলে এ বোতাম দিয়ে ভালো লাগা, মন খারাপ, আশ্চর্য হওয়া, ভালোবাসা থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিষয়ে ব্যবহারকারীরা তাঁদের আবেগ প্রকাশ করতে পারবেন।

ইএনগ্যাজেটের স্প্যানিশ সংস্করণে বলা হয়েছে, ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মানসিক ভাবনা প্রকাশের জন্য ভালোবাসা, হাসি, সুখ, আশ্চর্য, মন খারাপ কিংবা রাগান্বিত—এ রকম আইকন যুক্ত করবে লাইকের বদলে। ফেসবুকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জাকারবার্গ ডিসলাইক বোতামবিষয়ক আলোচনার কিছুদিন পরেই নতুন এ বোতাম যোগ করার খবর জানা গেল।
ইতিমধ্যে লাইকের বদলে যে সাতটি আইকন হতে পারে সেটি নিশ্চিত করেছে একাধিক সংবাদমাধ্যম। তবে এটা জানা যায়নি ব্যবহারকারীদের দেয়ালে ব্যবহারের পর আইকনগুলো কেমন বা কীভাবে দেখাবে।
বিষয়টা অনেকটা সংবাদমাধ্যমবিষয়ক ওয়েবসাইট বাজফিডের মতো হতে পারে যেখানে প্রতিটি নিবন্ধের পর এলওএল বা ডব্লিউটিএফ ধরনের স্টিকার যুক্ত করা থাকে।

632
Football / কলকাতায় পেলে
« on: October 12, 2015, 01:37:32 PM »
৩৮ বছর পর কলকাতা এসেছেন ফুটবল কিংবদন্তি পেলে। ১৯৭৭ সালে প্রথমবার এসেছিলেন সে সময়ের ক্লাব নিউইয়র্ক কসমসের সঙ্গী হয়ে। এবারের সফরের তিন দিনে ভারতের ক্রীড়া ও বিনোদনজগতের রথী-মহারথীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন ৭৮ বছর বয়সী ব্রাজিলিয়ান। এঁদের মধ্যে রয়েছেন সৌরভ গাঙ্গুলী ও এ আর রহমানও। যুবভারতী স্টেডিয়ামে গিয়ে ইন্ডিয়ান সুপার লিগের ম্যাচ তো দেখবেনই, মহালয়ার দিন যাওয়ার কথা দুর্গাপূজা দেখতেও। পেলের রসনাতৃপ্তির জন্য রাখা হয়েছে ভাপা ইলিশ, চিংড়ির মালাইকারি, শিম ও ভাতের মতো বাঙালি খাবার.

633
চাকরিপ্রার্থীদের দীর্ঘ দিনের চাওয়া পূরণ হতে যাচ্ছে। এখন থেকে সরকারি চাকরির আবেদন করতে প্রার্থীকে অতিরিক্ত কাগজপত্র জমা দিতে হবে না। শুধু কি তাই! লাগবে না কোনো টাকা। শুধু মৌখিক পরীক্ষার সময় প্রার্থীকে সব পরীক্ষা পাসের মূল সনদ দেখাতে হবে। সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করেছে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, নিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ করতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তবে চাকরিপ্রার্থী মিথ্যা তথ্য দিয়ে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষকে বিভ্রান্ত করলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ জানান, আগে চাকরিপ্রার্থীকে আবেদনের সঙ্গে বেশ কিছু কাগজ জমা দিতে হতো। সঙ্গে প্রতিটি কাগজই সত্যায়িত করা লাগত। সরকার চিন্তা করে দেখেছে, এ ধরনের ব্যবস্থা চাকরিপ্রত্যাশীর জন্য কষ্টসাধ্য। এ কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ করতে এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
সচিব আরো জানান, সরকার চিন্তা করছে, চাকরিপ্রত্যাশীর কাছ থেকে টাকা অর্থাৎ পে-অর্ডার, ব্যাংক ড্রাফট, পোস্টাল অর্ডার নেয়া হবে না।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, আবেদনপত্রে আবেদনকারীর ছবি এবং প্রয়োজনীয় তথ্যসংবলিত এক পাতার নির্ধারিত ফরমে আবেদন গ্রহণ এবং মৌখিক পরীক্ষার সময় তথ্য যাচাই করা হলে চাকরিপ্রার্থীদের ভোগান্তি কমবে এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ হবে। সেক্ষেত্রে নির্ধারিত ফরমে নিম্নোক্ত তথ্য চাওয়া হবে।

চাকরিপ্রার্থীর নাম, বিজ্ঞপ্তির নম্বর ও তারিখ, বাংলা ও ইংরেজিতে বড় হাতের অক্ষরে প্রার্থীর নাম, জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, জন্ম নিবন্ধন নম্বর, (জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্ম নিবন্ধন নম্বর যে কোনো একটি হলেই চলবে) জন্ম তারিখ, জন্মস্থান (জেলা উল্লেখ করতে হব), বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত তারিখে প্রার্থীর বয়স, বছর, মাস ও দিন। চাকরিপ্রার্থীর মা ও বাবার নাম, বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা উল্লেখ করতে হবে।

বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানায় বাসা ও সড়কের নাম বা নম্বর, গ্রাম, পাড়া ও মহল্লা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড, ডাকঘর, পোস্টকোড, উপজেলা এবং জেলার নাম উল্লেখ করতে হবে। যোগাযোগের জন্য মোবাইল ফোন ও ল্যান্ড টেলিফোন নম্বর দিতে হবে।

এছাড়া ই-মেইল ঠিকানা দেয়া যাবে। জাতীয়তা, লিঙ্গ, ধর্ম এবং পেশা লিখতে হবে। এছাড়া নির্ধারিত ওই ফরমে সব শিক্ষাগত সনদের বিবরণ থাকতে হবে। সেক্ষেত্রে পরীক্ষার নাম, বিষয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পাসের সাল, বোর্ড ও বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রাপ্ত গ্রেড, শ্রেণী বা বিভাগ উল্লেখ করতে হবে। অতিরিক্ত যোগ্যতা থাকলে তা উল্লেখ করতে হবে। অভিজ্ঞতা থাকলে তা-ও উল্লেখ করা যেতে পারে।

যদি কোটার প্রার্থী হন, তাহলে তা উল্লেখ করতে হবে। সেক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পুত্র, কন্যা, পুত্র-কন্যার পুত্র-কন্যা, এতিম এবং শারীরিক প্রতিবন্ধী হলে ছকের নির্ধারিত ঘরে টিক চিহ্ন দিতে হবে।

সর্বশেষ চাকরিপ্রার্থীকে ওই ফরমে স্বাক্ষর করতে হবে। কোনো তথ্য অসত্য হলে আইনানুগ শাস্তি ভোগ করতে হবে। নির্ধারিত ওই ফরমটি দেশের সব সরকারি অধিদফতর, দফতর, পরিদফতর ও অফিসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

634
Football / রোনালদোর ৮০
« on: September 17, 2015, 02:03:22 PM »
‘গোল পাচ্ছেন না’, ‘গোল পাচ্ছেন না’ রব উঠে গিয়েছিল। সে তিনি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো বলেই। উঠতে-বসতে যিনি গোল করেন, তিনি মৌসুমের প্রথম দুটি ম্যাচে গোল না পেলে একটু-আধটু কথাবার্তা তো হতেই পারে। তার কিছু না-কিছু রোনালদোর কানেও গিয়ে থাকবে।
পরের দুটি ম্যাচে যা করলেন, তাতে এখন ‘গোল পাচ্ছেন না’ রব তোলাদের খুঁজে পাওয়া মুশকিলই হবে। কিংবা পাওয়া গেলেও তাঁরাই সুর পাল্টে বলবেন, এত গোল কী করে করেন রোনালদো!
শনিবার লা লিগায় এসপানিওলের বিপক্ষে ম্যাচে একাই করেছিলেন ৫ গোল। পরশু রাতে চ্যাম্পিয়নস লিগে শাখতার দোনেৎস্কের বিপক্ষে আরও ৩টি। পরপর দুই ম্যাচে হ্যাটট্রিক। পাঁচ দিন আগেও যাঁর নামের পাশে এ মৌসুমে কোনো গোল ছিল না, তিনিই এখন লা লিগার পর চ্যাম্পিয়নস লিগেও সর্বোচ্চ গোলদাতা! অবশ্য যদি না গত রাতে চ্যাম্পিয়নস লিগে অন্য কেউ (পড়ুন মেসি) একাই ৪ গোল করে থাকেন।
রোনালদোর হ্যাটট্রিকের সঙ্গে করিম বেনজেমার আরও এক গোল মিলিয়ে সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে পরশু শাখতারকে ৪-০ ব্যবধানে হারিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। তবে সেই জয় ছাপিয়ে বার্নাব্যুর রাতটা রোনালদো শুধুই নিজের করে নিয়েছেন দুর্দান্ত সব অর্জনে।
গত মৌসুমের শেষ পর্যন্ত চ্যাম্পিয়নস লিগে রোনালদো-মেসি দুজনেরই ছিল ৭৭ গোল। এবার প্রথম ম্যাচেই হ্যাটট্রিক করে মেসিকে পেছনে ঠেলে চ্যাম্পিয়নস লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে গেলেন রোনালদো। এরপর ম্যাচ শেষে একহাত নিলেন তাঁর সমালোচকদেরও। পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, কোনো স্প্যানিশ সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলবেন না। গোল না পাওয়ায় সমালোচনাটা স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমেই বেশি হয়েছিল কিনা! জমে থাকা ক্ষোভ, অভিমান যেটাই বলুন, বেরিয়ে এল অন্য সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়েও, ‘আমি জানি না, আগে হয়তো আমি খারাপ খেলোয়াড় ছিলাম, দুই ম্যাচে ৮ গোল করে ভালো খেলোয়াড় হয়ে গেছি।’
বাইরের সমালোচনার মধ্যেও তাঁর সতীর্থেরা যে তাঁর ওপর আস্থা রেখেছেন, বললেন সেটাও, ‘আমি যে অবস্থানে এসেছি সেখানে আসতে পারা খুবই সম্মানের। আমি সতীর্থদের কাছে কৃতজ্ঞ। ওরা আমার ওপর আস্থা রেখেছে সব সময়। মাঠেও আমাকে বল দিয়েছে, গোলে সাহায্য করেছে।’
ইউরোপের ক্লাব-শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে এটি তাঁর তৃতীয় হ্যাটট্রিক। তাঁর সমান হ্যাটট্রিক আছে মারিও গোমেজ, ফিলিপো ইনজাগি ও লুইজ আদ্রিয়ানোর। পাঁচ হ্যাটট্রিক নিয়ে এই তালিকায় সবার ওপরে লিওনেল মেসি। বিস্ময়কর হচ্ছে, চ্যাম্পিয়নস লিগে ১১৬ ম্যাচে ৮০ গোল হলো যাঁর, তিনি প্রথম গোলটা পেয়েছিলেন ৩০তম ম্যাচে এসে! ২০০৭ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের জার্সি গায়ে রোমার বিপক্ষে ওই ম্যাচ থেকে শুরু করে পরশু পর্যন্ত ২১ বার ম্যাচে দুই বা ততোধিক গোল করলেন। অবশ্য চ্যাম্পিয়নস লিগে তাঁর ৮০ গোলের ১১টিই এসেছে পেনাল্টি থেকে। পেনাল্টি থেকে তাঁর চেয়ে বেশি গোলও আর কেউ করেননি। ১০টি করে পেনাল্টি গোল আছে লুইস ফিগো আর রুড ফন নিস্টলরয়ের।
পরশুর ৩ গোল রোনালদোকে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে আরও কতগুলো অর্জনের সামনে। আগের ম্যাচেই রাউলকে ছাড়িয়ে লা লিগায় রিয়ালের হয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতা (২৩০ গোল) হয়ে গিয়েছিলেন। সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে রিয়ালের হয়ে ৩২১ গোল হয়ে গেছে তাঁর। ৩২৩ গোল নিয়ে এখানেও শীর্ষে রাউল। এ ছাড়া ক্লাব ও দেশের হয়ে সব পেশাদার ম্যাচ মিলিয়ে এ পর্যন্ত ৪৯৯ গোল হলো রোনালদোর।
রাউলকে আবারও পেরিয়ে যাওয়া কিংবা ৫০০ গোলের মাইলফলক ছোঁয়া—দুটিই এখন রোনালদোর জন্য শুধু সময়ের ব্যাপার।

635
সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুকে ‘ডিজলাইক’ বাটন আসছে। ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ এ তথ্য জানিয়েছেন।
 
বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, গতকাল মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার মেনলো পার্কে ফেসবুকের সদর দপ্তরে এক প্রশ্ন-উত্তরপর্বে এ কথা বলেন ৩১ বছর বয়সী জাকারবার্গ।
জাকারবার্গ বলেন, বাটনটি (ডিজলাইক) মানুষের সমানুভূতি প্রকাশের একটা পথ হিসেবে কাজ করবে। ‘ডিজলাইক’ বাটনটি পরীক্ষামূলকভাবে চালুর জন্য প্রায় প্রস্তুত।

২০০৯ সালে ফেসবুকে ‘লাইক’ বাটন যুক্ত হয়। এর পর থেকে অনেক ব্যবহারকারী ফেসবুকে ‘ডিজলাইক’ বাটন যুক্ত করার দাবি জানিয়ে আসছে। তাদের যুক্তি, ফেসবুকে এই বাটন থাকলে কোনো কিছু অপছন্দ হলে তা প্রকাশ করা যেত।

বাটনটির বিষয়ে গত বছর জাকারবার্গকে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তখন অবশ্য জবাবে তিনি বলেছিলেন, ‘ডিজলাইক’ বাটনের ধারণাটি তাঁর পছন্দের নয়।

636
জাপান
মনবুকাগাকুশো- ইউনিভার্সিটি রেকোমেন্ডাশন
দরখাস্তের সময়-প্রতি বছর নভেম্বর থেকে জানুয়ারী।
মনবুকাগাকুশো-এম্বাসী রেকোমেন্ডেসন
দরখাস্তের সময়-প্রতি বছর মার্চ -মে।

দক্ষিণ কোরিয়া
কোরিয়ান গভঃ স্কলারশিপ
দরখাস্তের সময়ঃ প্রতি বছর সেপ্টেম্বর

চীন
চাইনিজ গভঃ স্কলারশিপ
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর সেপ্টেম্বর
The World Academy of Sciences
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর আগস্ট

ইঊ কে
কমনওয়েলথ স্কলারশিপ
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর।

জার্মানি
DAAD স্কলারশিপ
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর।

বেলজিয়াম
VLIR-OUS স্কলারশিপ
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর সেপ্টেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী

নেদারল্যান্ডস
NFP স্কলারশিপ
Nuffic স্কলারশিপ
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর সেপ্টেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী।

ইউরোপিয়ান কান্ট্রি
ERASMUS MUNDUS স্কলারশিপ
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর সেপ্টেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী।

সুইডেন
Swidish Institute Study Scholarship
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর সেপ্টেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী।

নরওয়ে
Qouta scholarship
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর ।

অস্ট্রেলিয়া
IPRS
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর দুইবার – জুন-জুলাই এবং আগস্ট-সেপ্টেম্বর ।
Endevour
দরখাস্তের সময়- দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর এপ্রিল থেকে জুন ।

কানাডা
প্রতি টি বিশ্ববিদ্যালয় এর নিজস্ব কিছু স্কলারশিপ আছে। বিশ্ববিদ্যালয় এর
ওয়েব সাইটে গিয়ে দরখাস্ত এর নিয়ম জেনে দরখাস্ত করতে হবে। সময় ও দেওয়া আছে।

USA
Fulbright scholarship
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর মে-অক্টোবর।

637
Football / মেসির আরেকটি রেকর্ড
« on: August 20, 2015, 11:02:21 AM »
এবারের স্প্যানিশ সুপার কাপের শিরোপা জিততে না পারলেও একটা রেকর্ড ঠিকই গড়েছেন লিওনেল মেসি। প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে এই প্রতিযোগিতার পাঁচটি আসরে গোল করার কীর্তি গড়েছেন অনেকের মতেই বর্তমানের সেরা এই ফুটবলার। ঘরের মাঠ কাম্প নউয়ে আথলেতিক বিলবাওয়ের বিপক্ষে এবারের প্রতিযোগিতার ফিরতি লেগের ৪৩তম মিনিটে জালে বল জড়িয়ে রেকর্ডটি গড়েন মেসি। এর আগে ২০০৯, ২০১০, ২০১১ ও ২০১২ সালের আসরে গোল করেছিলেন তিনি।

স্প্যানিশ সুপার কাপের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডটা আগে থেকেই আর্জেন্টিনা অধিনায়কের দখলে। সোমবার রাতে এই প্রতিযোগিতায় নিজের একাদশ গোলটি করেন মেসি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭টি গোল আছে রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক স্ট্রাইকার রাউল গনসালেসের।
রেকর্ড গড়া ওই গোলে চার বছর আগে নিজের একটি কৃতিত্বের পুনরাবৃত্তি করার সুযোগও পাচ্ছেন মেসি; এক বছরে ছয়টি প্রতিযোগিতায় গোল করার কীর্তি। এর আগে ২০১১ সালে এটা করে দেখিয়েছিলেন তিনি।

638
সহকারী পরিচালক (গবেষণা) পদে কর্মকর্তা নেবে;বাংলাদেশ ব্যাংক। অনলাইনে বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট (www.bb.org.bd) ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আবেদন করা যাবে আগামী ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। বিস্তারিত দেখুন “বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি” তে...............

639
মার্কিন ডলারের বিপরীতে নিজস্ব মুদ্রা ইউয়ানের বিনিময় মূল্য কমিয়েছে চীন। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক পিপলস ব্যাংক অব চায়না গতকাল মঙ্গলবার ইউয়ানের বিনিময় মূল্য ১ দশমিক ৯০ শতাংশ কমিয়েছে। গত দুই দশকে এক দিনে ইউয়ানের বিনিময় মূল্য এতটা কমানো হয়নি।
নতুন বিনিময় হার অনুযায়ী, প্রতি ডলারের বিনিময় মূল্য দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ২৩ ইউয়ান। আগের দিন সোমবার এক ডলার সমান ছিল ৬ দশমিক ১১ ইউয়ান। গত এক বছরে বিশ্বের প্রধান ৩২টি মুদ্রার বিপরীতে ইউয়ানের বিনিময় মূল্য ১৩ শতাংশ বেড়েছিল।
রপ্তানি খাতে অব্যাহত পতন ঠেকাতেই এ উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে চীনা সরকার। গত এক বছর ধরে রপ্তানির পাশাপাশি দেশটির উৎপাদক মূল্যসূচকও কমেছে। জুলাই পর্যন্ত রপ্তানি কমেছে ৮ দশমিক ৩ শতাংশ ও উৎপাদক মূল্যসূচক কমেছে ৫ দশমিক ৪ শতাংশ।
অনেক দিন ধরে বিনিময় মূল্য একই পর্যায়ে রেখেছে চীন। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) অন্যতম রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে ইউয়ানকেও নেওয়ার বিষয়টি এখন বিবেচনাধীন রয়েছে। তবে এ জন্য মুদ্রানীতি সংস্কার নিয়ে বেশ চাপে আছে দেশটি।
মুদ্রা অবমূল্যায়নের ফলে চীনের রপ্তানিকারকেরা লাভবান হবেন বলে আশা করছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এদিকে ইউয়ানের অবমূল্যায়নের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মুদ্রার মানেও। অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুরের নিজস্ব মুদ্রার বিনিময় মূল্য গতকাল কমপক্ষে ১ শতাংশ করে কমেছে।

640
মার্কিন ডলারের বিপরীতে নিজস্ব মুদ্রা ইউয়ানের বিনিময় মূল্য কমিয়েছে চীন। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক পিপলস ব্যাংক অব চায়না গতকাল মঙ্গলবার ইউয়ানের বিনিময় মূল্য ১ দশমিক ৯০ শতাংশ কমিয়েছে। গত দুই দশকে এক দিনে ইউয়ানের বিনিময় মূল্য এতটা কমানো হয়নি।
নতুন বিনিময় হার অনুযায়ী, প্রতি ডলারের বিনিময় মূল্য দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ২৩ ইউয়ান। আগের দিন সোমবার এক ডলার সমান ছিল ৬ দশমিক ১১ ইউয়ান। গত এক বছরে বিশ্বের প্রধান ৩২টি মুদ্রার বিপরীতে ইউয়ানের বিনিময় মূল্য ১৩ শতাংশ বেড়েছিল।
রপ্তানি খাতে অব্যাহত পতন ঠেকাতেই এ উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে চীনা সরকার। গত এক বছর ধরে রপ্তানির পাশাপাশি দেশটির উৎপাদক মূল্যসূচকও কমেছে। জুলাই পর্যন্ত রপ্তানি কমেছে ৮ দশমিক ৩ শতাংশ ও উৎপাদক মূল্যসূচক কমেছে ৫ দশমিক ৪ শতাংশ।
অনেক দিন ধরে বিনিময় মূল্য একই পর্যায়ে রেখেছে চীন। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) অন্যতম রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে ইউয়ানকেও নেওয়ার বিষয়টি এখন বিবেচনাধীন রয়েছে। তবে এ জন্য মুদ্রানীতি সংস্কার নিয়ে বেশ চাপে আছে দেশটি।
মুদ্রা অবমূল্যায়নের ফলে চীনের রপ্তানিকারকেরা লাভবান হবেন বলে আশা করছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এদিকে ইউয়ানের অবমূল্যায়নের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মুদ্রার মানেও। অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুরের নিজস্ব মুদ্রার বিনিময় মূল্য গতকাল কমপক্ষে ১ শতাংশ করে কমেছে।

641
আন্তর্জাতিক ভেন্যুর স্বীকৃতি মিলেছে গত বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ছয়টি ম্যাচ হলেও টেস্ট আর ওয়ানডে আয়োজনের জন্য সেই থেকেই অপেক্ষার শুরু সিলেট বিভাগীয় স্টেডিয়ামের। অবশেষে সেটির অবসান হচ্ছে। বিসিবি সূত্র জানিয়েছে, আগামী বছরের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জিম্বাবুয়ে সিরিজেই টেস্ট ভেন্যু হিসেবে অভিষেক হয়ে যেতে পারে সিলেট বিভাগীয় স্টেডিয়ামের।
ফতুল্লা স্টেডিয়ামে ২০ জানুয়ারি থেকে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে জিম্বাবুয়ের বাংলাদেশ সফর। কিন্তু এর দুদিন পর ২২ জানুয়ারি থেকেই বাংলাদেশে শুরু অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট, শেষ ১৪ ফেব্রুয়ারি। টুর্নামেন্টের খেলা হবে মোট আটটি ভেন্যুতে—ঢাকার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়াম ও ফতুল্লা স্টেডিয়াম, চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম ও এম এ আজিজ স্টেডিয়াম, সিলেট বিভাগীয় ও জেলা স্টেডিয়াম এবং কক্সবাজারের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও আউটার স্টেডিয়াম।
মূলত অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের কারণেই জিম্বাবুয়ে সিরিজের সব ম্যাচ হবে ঢাকার বাইরে, সেটিও যুব বিশ্বকাপের ম্যাচের ফাঁকে ফাঁকে। প্রস্তাবিত সূচি অনুযায়ী, ২৮ জানুয়ারি থেকে সিলেটে প্রথম টেস্ট, ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে খুলনায় দ্বিতীয়টি। খুলনাতেই সিরিজের প্রথম দুটি ওয়ানডে ৫ ও ৭ ফেব্রুয়ারি। ১০ ফেব্রুয়ারি শেষ ওয়ানডের ভেন্যু চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম। ১২, ১৪ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি এই মাঠেই অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ।

642
জোড়া গোলের কৃতিত্ব কাল মেসির। ছবি: এএফপিবার্সেলোনার জার্সি গায়ে লিওনেল মেসির আরও একটি জাদুকরী পারফরম্যান্সের সাক্ষী হলো ফুটবল দুনিয়া। আর এই পারফরম্যান্সের ঝলক বার্সেলোনাকে এনে দিয়েছে আরও একটি শিরোপা। উয়েফা সুপার কাপের তীব্র উত্তেজনায় সাজানো এই ফাইনালে সেভিয়াকে ৫-৪ গোলে হারিয়েছে তারা।
চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপাজয়ীরা সঙ্গে ইউরোপের দ্বিতীয় সেরা ক্লাব প্রতিযোগিতা ইউরোপা লিগ বিজয়ীদের এই লড়াই কাল হয়ে উঠেছিল দারুণ আকর্ষণীয়। খেলাটির প্রতিটি স্তরে লুকিয়ে ছিল একরাশ উত্তেজনা আর শ্বাসরুদ্ধকর আবহ। নিরপেক্ষ দর্শকেরা তো বটেই, মাঠের দুই দলের সমর্থকেরাও রীতিমতো তাড়িয়ে উপভোগ করেছেন এই ম্যাচ। মাঠের ফলাফল যা-ই হোক না কেন, উত্তেজনার ভেলায় চেপে এই ম্যাচে সত্যিকারের বিজয়ী ফুটবল খেলাটিই।
সেভিয়া নিজেদের দুর্ভাগা কিন্তু ভাবতেই পারে। ৪-১ গোলে পিছিয়ে থাকা ম্যাচে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৪-৪ বানিয়ে একে অতিরিক্ত সময়ে নিয়ে যাওয়াটা অসম্ভব কৃতিত্বেরই। কিন্তু মেসির মতো তারকারাই সাধারণ এসব ম্যাচে ব্যবধানটা গড়ে দেন—কাল তিবলিসিতে ঘটেছে ঠিক সেই ঘটনাই।
ম্যাচের শুরুতে এগিয়ে গিয়েছিল সেভিয়াই। এভার বানেগা এগিয়ে দিয়েছিলেন তাদের। কিন্তু মেসি এই পর্যায়ে ত্রাণকর্তার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে পরপর দুটি গোল করে বার্সেলোনার আধিপত্য পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। এরপর লুইস সুয়ারেজ ও রাফিনিয়া আরও দুটি গোল করলে বার্সেলোনার সহজ জয় একপ্রকার নিশ্চিতই হয়ে গিয়েছিল। তবে হোসে আন্তোনিও রেইস, কেভিন গামেইরো ও ইয়েভেন কোনোপ্লিয়াঙ্কার তিনটি গোল সবাইকে অবাক করে দিয়েই ম্যাচে ফিরিয়ে আনে সেভিয়াকে। ৪-১ গোলে এগিয়ে থেকেও খেলাটিকে সমতায় দেখে বার্সা সমর্থকেরা আশঙ্কা করছিলেন বিপর্যয়ের। কিন্তু অতিরিক্ত সময়ের শেষ দিকে মেসির ফ্রিকিক পরবর্তী সময়ে বল পেয়ে পেদ্রো রদ্রিগেজ গোল করে বার্সেলোনাকে এনে দেন স্মরণীয় এক জয়।

643
আমাদের দেহের প্রধান অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোর মধ্যে লিভার অন্যতম। দেহের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনায় লিভারের সুস্থতা অনেক জরুরী। সে হিসেবে আমাদের দেহের সুস্থতা অনেকাংশে নির্ভর করে লিভারের উপরেই। কিন্তু আমাদেরই কিছু বাজে অভ্যাসের কারণে প্রতিনিয়ত মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে লিভার। এরই ফলাফল হিসেবে লিভার ড্যামেজের মতো মারাত্মক সমস্যায় ভুগতে দেখা যায় অনেককেই। অনেকে জেনে বুঝে, আবার অনেকেই না জেনে কিছু বাজে কাজের মাধ্যমে দেহের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই অঙ্গটি নষ্ট করে ফেলছেন ধীরে ধীরে।

১) অনেক দেরি করে ঘুমুতে যাওয়া এবং অনেক দেরি করে ঘুম থেকে উঠা দুটোই লিভার নষ্টের মূল কারণ হিসেবে ধরা হয়। কারণ এতে শারীরিক সাইকেলের সম্পূর্ণ উল্টোটা ঘটতে থাকে। যার মারাত্মক বাজে প্রভাব পরে লিভারের উপরে।

২) অনেকেই সকালে ঘুম থেকে উঠার আলসেমিতে প্রস্রাবের বেগ হলেও বাথরুমে যান না। চেপে শুয়েই থাকেন। এতে করে লিভারের উপরে চাপ পড়তে থাকে এবং ধীরে ধীরে লিভার স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা হারায়।

৩) অতিরিক্ত বেশি খাওয়াদাওয়া করা লিভারের জন্য ক্ষতিকর একটি অভ্যাস। অনেকেই রয়েছে অনেকটা সময় না খেয়ে একবারে অনেক বেশি খেয়ে ফেলেন। এতে করে হুট করে লিভারের উপরে চাপ বেশি পরে যায়, যার ফলে লিভার ড্যামেজ হওয়ার আশংকা থাকে।

৪) সকালের খাবার না খাওয়া লিভার নষ্টের আরেকটি মূল কারণ। অনেকটা সময় পেট খালি থাকার কারণে অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গের পাশাপাশি খাদ্যের অভাবে কর্মক্ষমতা হারাতে থাকে লিভারও।

৫) অনেক বেশি ঔষধ সেবন করা। বিশেষ করে ব্যথানাশক ঔষধ অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়ার প্রভাব পড়তে থাকে লিভারের কর্মক্ষমতার উপরে। এছাড়াও ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণেও ক্ষতি হয় লিভারের। এতে করে লিভার ড্যামেজ হয়ে যাওয়ার আশংকা দেখা দেয়।
৬) কেমিক্যাল সমৃদ্ধ যেকোনো কিছুই লিভারের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। কিন্তু আলসেমি ও মুখের স্বাদের জন্য আমরা অনেকেই প্রিজারভেটিভ খাবার, আর্টিফিশিয়াল ফুড কালার, আর্টিফিশিয়াল চিনি ইত্যাদি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলি যা লিভার নষ্টের অন্যতম কারণ।

৭) খারাপ তেল ও অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার লিভারের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। একই তেলে বারবার ভাজা খাবার বা পোড়া তেলের খাবার বেশি পরিমাণে খাওয়া হলে লিভার তার স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা হারাতে থাকে।

৮) অতিরিক্ত কাঁচা খাবার খাওয়াও লিভারের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। যেমন আপনি যদি খুব বেশি কাঁচা ফলমূল বা সবজি খেতে থাকেন তাহলে তা হজমের জন্য অতিরিক্ত কাজ করতে হয় পরিপাকতন্ত্রের। এর প্রভাব পড়ে লিভারের উপরেও। সুতরাং অতিরিক্ত খাবেন না।

৯) অতিরিক্ত পরিমাণে মদ পান করা লিভার নষ্টের আরেকটি মূল কারণ। অ্যালকোহলের ক্ষতিকর উপাদান সমূহ লিভারের মারাত্মক ক্ষতির কারণ।

644
ঘুমানোর অভ্যাস ঠিকঠাক না হলে নিজেকে নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এর কারণে ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনেও বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, এই সমস্যা ব্যক্তির দৈনন্দিন জীবনের স্বতঃস্ফূর্ততা, কাজের ক্ষেত্রে মনোযোগ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।


যুক্তরাষ্ট্রের ক্লেমসন বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানীদের সাম্প্রতিক এক গবেষণা থেকে দৈনন্দিন জীবনে ব্যক্তির আচরণ এবং নিজেকে নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতার সঙ্গে ঘুমের যোগসূত্রের বিষয়টি উঠে এসেছে।

মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক জুন পিলশার বলেন,‘আত্মনিয়ন্ত্রণ প্রাত্যহিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের অংশ। আকাঙ্ক্ষা এবং সুযোগের মধ্যে বিরোধ দেখা দিলে নিজেকে নিয়ন্ত্রণের মধ্য দিয়েই মানুষ পরিস্থিতি সামলায়। গবেষণায় উঠে এসেছে যে, ঘুমের অভ্যাস ও আত্মনিয়ন্ত্রণের বিষয়টি একে অন্যের সঙ্গে যুক্ত এবং এই দুটোকে কাজে লাগিয়ে প্রতিদিনের কাজকর্ম ঠিকঠাক রাখা যায়।’

ঘুমের সমস্যা নানা স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি করে। ঘুমাতে না পারা, একেক দিন একেক সময়ে ঘুমানো, পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়ার মতো সমস্যাগুলো ওজন বেড়ে যাওয়া এবং উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায় বলে উঠে এসেছে নানা গবেষণায়। এ ছাড়া ঠিকঠাক ঘুম না হলে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায় এবং আশপাশের মানুষের প্রতি আচরণেও তার প্রভাব পড়ে।

মনোবিজ্ঞানী পিলশার বলেন, ঘুমের অভ্যাস ঠিক করতে পারলে সারা দিনের কর্মশক্তি বাড়ে, আচরণ সাবলীল হয়, কাজে মনোযোগ বেশি থাকে এবং ঠিকঠাক সিদ্ধান্ত গ্রহণ সহজ হয়। ফলে প্রতিদিনের জীবনে নিজেকে নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার হিসেবে ঘুমের অভ্যাস ঠিকঠাক করার বিষয়ে আমাদের মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন।

645
Life Science / জামের যত গুণ
« on: June 10, 2015, 08:30:14 AM »
জাম নানা দেশে নানা নামে পরিচিত। বড় বিচিত্র সেসব নাম—জাম্বুল, জাম্বু, জাম্বুলা, জামুন, জাম্বোলান, ড্যামসন প্লাম, ডুহাট প্লাম, জাম্বোলান প্লাম, পর্তুগিজ প্লাম ইত্যাদি। ছোট মরিচে যেমন ঝাল বেশি, তেমনি ছোট এই ফলে পুষ্টি ষোলো আনা। জামে শর্করার পরিমাণ থাকে প্রায় ১৫ দশমিক ৫৬ গ্রাম, পটাশিয়াম ৭৯ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ১৭ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেশিয়াম ১৫ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ১৯ মিলিগ্রাম, সোডিয়াম ১৪ গ্রাম। জাম আরও কিছু প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানে পূর্ণ। এপ্রিলে জামগাছে ফুল ধরে। আর মে-জুনে এসে জাম পরিপক্ব হতে শুরু করে।

বারডেম জেনারেল হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ পুষ্টিবিদ শামছুন্নাহার নাহিদ বলেন, জাম কিনে বেশ খানিকটা সময় পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। ফরমালিন পানিতে দ্রবণীয় হওয়ায় পানি ব্যবহারে কিছুটা হলেও জামগুলো বিষমুক্ত হবে। জাম খেতে কারও বিধিনিষেধ নেই। তবে খালি পেটে জাম খেলে কারও কারও অ্যাসিডিটির সমস্যা হতে পারে।

পুষ্টি পূরণের পাশাপাশি জাম কেমন করে রোগ প্রতিরোধ করে, তা জেনে নেওয়া যাক:

1.  জামে থাকে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ‘সি’। প্রকৃতির এই পরিবর্তনের সময় জ্বর, সর্দি ও কাশির প্রবণতা বাড়ে, জামে এটি দূর হয়।
2.  জামের ভিটামিন ‘এ’ চোখ ভালো রাখতে সাহায্য করে। সঙ্গে স্নায়ুগুলোকে কর্মক্ষম রেখে দৃষ্টিশক্তির প্রখরতা বাড়ায়।
3.  জামে থাকা গ্লুকোজ, ডেক্সট্রোজ ও ফ্রুকটোজ কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় এবং শরীরেও শক্তি সঞ্চিত করে।
4.  দাঁত, চুল ও ত্বক সুন্দর করতে খেতে পারেন জাম। এর উপাদানগুলো ত্বক ও চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। দাঁত ও মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
5.  ক্যানসারের জীবাণু বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ার ক্ষমতা আছে জামের। বিশেষ করে মুখের ক্যানসার প্রতিরোধে এটি অত্যন্ত কার্যকর।
6.  এতে থাকা ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম ও ভিটামিনগুলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দিতে পারে।
7.  জামে থাকা উপাদানগুলো মেমোরি সেলগুলোকে উজ্জীবিত করে স্মৃতিশক্তি বাড়তে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
8.  নিয়মিত জাম খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।
9.  জাম ডায়াটরি ফাইবারে পূর্ণ। তাই দীর্ঘদিন ধরে কোষ্ঠকাঠিন্যে যাঁরা ভুগছেন, তাঁরাও জাম খেলে উপকার পাবেন।
10. যাঁদের কোনো কিছুই মুখে রোচে না, তাঁরা রুচি ফিরিয়ে আনতে জাম খেতে পারেন। ভ্রমণজনিত বমিভাবও দূর করে এই ফল।
11. যাঁরা রক্তস্বল্পতায় ভুগছেন, তাঁরা নিয়মিত জাম খেতে পারেন। রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতে জামের জুড়ি নেই।
12. নিয়মিত জাম খেলে হৃদ্রোগ এড়ানো যায়।
13. ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও আছে সুখবর। রক্তে চিনির মাত্রা সহনীয় করে ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে জামের জুড়ি নেই।

Pages: 1 ... 41 42 [43] 44 45 46