Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Anuz

Pages: 1 ... 41 42 [43] 44 45 46
631
সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুকে ‘ডিজলাইক’ বাটন আসছে। ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ এ তথ্য জানিয়েছেন।
 
বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, গতকাল মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার মেনলো পার্কে ফেসবুকের সদর দপ্তরে এক প্রশ্ন-উত্তরপর্বে এ কথা বলেন ৩১ বছর বয়সী জাকারবার্গ।
জাকারবার্গ বলেন, বাটনটি (ডিজলাইক) মানুষের সমানুভূতি প্রকাশের একটা পথ হিসেবে কাজ করবে। ‘ডিজলাইক’ বাটনটি পরীক্ষামূলকভাবে চালুর জন্য প্রায় প্রস্তুত।

২০০৯ সালে ফেসবুকে ‘লাইক’ বাটন যুক্ত হয়। এর পর থেকে অনেক ব্যবহারকারী ফেসবুকে ‘ডিজলাইক’ বাটন যুক্ত করার দাবি জানিয়ে আসছে। তাদের যুক্তি, ফেসবুকে এই বাটন থাকলে কোনো কিছু অপছন্দ হলে তা প্রকাশ করা যেত।

বাটনটির বিষয়ে গত বছর জাকারবার্গকে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তখন অবশ্য জবাবে তিনি বলেছিলেন, ‘ডিজলাইক’ বাটনের ধারণাটি তাঁর পছন্দের নয়।

632
জাপান
মনবুকাগাকুশো- ইউনিভার্সিটি রেকোমেন্ডাশন
দরখাস্তের সময়-প্রতি বছর নভেম্বর থেকে জানুয়ারী।
মনবুকাগাকুশো-এম্বাসী রেকোমেন্ডেসন
দরখাস্তের সময়-প্রতি বছর মার্চ -মে।

দক্ষিণ কোরিয়া
কোরিয়ান গভঃ স্কলারশিপ
দরখাস্তের সময়ঃ প্রতি বছর সেপ্টেম্বর

চীন
চাইনিজ গভঃ স্কলারশিপ
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর সেপ্টেম্বর
The World Academy of Sciences
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর আগস্ট

ইঊ কে
কমনওয়েলথ স্কলারশিপ
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর।

জার্মানি
DAAD স্কলারশিপ
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর।

বেলজিয়াম
VLIR-OUS স্কলারশিপ
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর সেপ্টেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী

নেদারল্যান্ডস
NFP স্কলারশিপ
Nuffic স্কলারশিপ
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর সেপ্টেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী।

ইউরোপিয়ান কান্ট্রি
ERASMUS MUNDUS স্কলারশিপ
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর সেপ্টেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী।

সুইডেন
Swidish Institute Study Scholarship
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর সেপ্টেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী।

নরওয়ে
Qouta scholarship
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর ।

অস্ট্রেলিয়া
IPRS
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর দুইবার – জুন-জুলাই এবং আগস্ট-সেপ্টেম্বর ।
Endevour
দরখাস্তের সময়- দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর এপ্রিল থেকে জুন ।

কানাডা
প্রতি টি বিশ্ববিদ্যালয় এর নিজস্ব কিছু স্কলারশিপ আছে। বিশ্ববিদ্যালয় এর
ওয়েব সাইটে গিয়ে দরখাস্ত এর নিয়ম জেনে দরখাস্ত করতে হবে। সময় ও দেওয়া আছে।

USA
Fulbright scholarship
দরখাস্তের সময়- প্রতি বছর মে-অক্টোবর।

633
Football / মেসির আরেকটি রেকর্ড
« on: August 20, 2015, 11:02:21 AM »
এবারের স্প্যানিশ সুপার কাপের শিরোপা জিততে না পারলেও একটা রেকর্ড ঠিকই গড়েছেন লিওনেল মেসি। প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে এই প্রতিযোগিতার পাঁচটি আসরে গোল করার কীর্তি গড়েছেন অনেকের মতেই বর্তমানের সেরা এই ফুটবলার। ঘরের মাঠ কাম্প নউয়ে আথলেতিক বিলবাওয়ের বিপক্ষে এবারের প্রতিযোগিতার ফিরতি লেগের ৪৩তম মিনিটে জালে বল জড়িয়ে রেকর্ডটি গড়েন মেসি। এর আগে ২০০৯, ২০১০, ২০১১ ও ২০১২ সালের আসরে গোল করেছিলেন তিনি।

স্প্যানিশ সুপার কাপের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডটা আগে থেকেই আর্জেন্টিনা অধিনায়কের দখলে। সোমবার রাতে এই প্রতিযোগিতায় নিজের একাদশ গোলটি করেন মেসি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭টি গোল আছে রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক স্ট্রাইকার রাউল গনসালেসের।
রেকর্ড গড়া ওই গোলে চার বছর আগে নিজের একটি কৃতিত্বের পুনরাবৃত্তি করার সুযোগও পাচ্ছেন মেসি; এক বছরে ছয়টি প্রতিযোগিতায় গোল করার কীর্তি। এর আগে ২০১১ সালে এটা করে দেখিয়েছিলেন তিনি।

634
সহকারী পরিচালক (গবেষণা) পদে কর্মকর্তা নেবে;বাংলাদেশ ব্যাংক। অনলাইনে বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট (www.bb.org.bd) ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আবেদন করা যাবে আগামী ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। বিস্তারিত দেখুন “বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি” তে...............

635
মার্কিন ডলারের বিপরীতে নিজস্ব মুদ্রা ইউয়ানের বিনিময় মূল্য কমিয়েছে চীন। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক পিপলস ব্যাংক অব চায়না গতকাল মঙ্গলবার ইউয়ানের বিনিময় মূল্য ১ দশমিক ৯০ শতাংশ কমিয়েছে। গত দুই দশকে এক দিনে ইউয়ানের বিনিময় মূল্য এতটা কমানো হয়নি।
নতুন বিনিময় হার অনুযায়ী, প্রতি ডলারের বিনিময় মূল্য দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ২৩ ইউয়ান। আগের দিন সোমবার এক ডলার সমান ছিল ৬ দশমিক ১১ ইউয়ান। গত এক বছরে বিশ্বের প্রধান ৩২টি মুদ্রার বিপরীতে ইউয়ানের বিনিময় মূল্য ১৩ শতাংশ বেড়েছিল।
রপ্তানি খাতে অব্যাহত পতন ঠেকাতেই এ উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে চীনা সরকার। গত এক বছর ধরে রপ্তানির পাশাপাশি দেশটির উৎপাদক মূল্যসূচকও কমেছে। জুলাই পর্যন্ত রপ্তানি কমেছে ৮ দশমিক ৩ শতাংশ ও উৎপাদক মূল্যসূচক কমেছে ৫ দশমিক ৪ শতাংশ।
অনেক দিন ধরে বিনিময় মূল্য একই পর্যায়ে রেখেছে চীন। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) অন্যতম রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে ইউয়ানকেও নেওয়ার বিষয়টি এখন বিবেচনাধীন রয়েছে। তবে এ জন্য মুদ্রানীতি সংস্কার নিয়ে বেশ চাপে আছে দেশটি।
মুদ্রা অবমূল্যায়নের ফলে চীনের রপ্তানিকারকেরা লাভবান হবেন বলে আশা করছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এদিকে ইউয়ানের অবমূল্যায়নের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মুদ্রার মানেও। অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুরের নিজস্ব মুদ্রার বিনিময় মূল্য গতকাল কমপক্ষে ১ শতাংশ করে কমেছে।

636
মার্কিন ডলারের বিপরীতে নিজস্ব মুদ্রা ইউয়ানের বিনিময় মূল্য কমিয়েছে চীন। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক পিপলস ব্যাংক অব চায়না গতকাল মঙ্গলবার ইউয়ানের বিনিময় মূল্য ১ দশমিক ৯০ শতাংশ কমিয়েছে। গত দুই দশকে এক দিনে ইউয়ানের বিনিময় মূল্য এতটা কমানো হয়নি।
নতুন বিনিময় হার অনুযায়ী, প্রতি ডলারের বিনিময় মূল্য দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ২৩ ইউয়ান। আগের দিন সোমবার এক ডলার সমান ছিল ৬ দশমিক ১১ ইউয়ান। গত এক বছরে বিশ্বের প্রধান ৩২টি মুদ্রার বিপরীতে ইউয়ানের বিনিময় মূল্য ১৩ শতাংশ বেড়েছিল।
রপ্তানি খাতে অব্যাহত পতন ঠেকাতেই এ উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে চীনা সরকার। গত এক বছর ধরে রপ্তানির পাশাপাশি দেশটির উৎপাদক মূল্যসূচকও কমেছে। জুলাই পর্যন্ত রপ্তানি কমেছে ৮ দশমিক ৩ শতাংশ ও উৎপাদক মূল্যসূচক কমেছে ৫ দশমিক ৪ শতাংশ।
অনেক দিন ধরে বিনিময় মূল্য একই পর্যায়ে রেখেছে চীন। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) অন্যতম রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে ইউয়ানকেও নেওয়ার বিষয়টি এখন বিবেচনাধীন রয়েছে। তবে এ জন্য মুদ্রানীতি সংস্কার নিয়ে বেশ চাপে আছে দেশটি।
মুদ্রা অবমূল্যায়নের ফলে চীনের রপ্তানিকারকেরা লাভবান হবেন বলে আশা করছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এদিকে ইউয়ানের অবমূল্যায়নের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মুদ্রার মানেও। অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুরের নিজস্ব মুদ্রার বিনিময় মূল্য গতকাল কমপক্ষে ১ শতাংশ করে কমেছে।

637
আন্তর্জাতিক ভেন্যুর স্বীকৃতি মিলেছে গত বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ছয়টি ম্যাচ হলেও টেস্ট আর ওয়ানডে আয়োজনের জন্য সেই থেকেই অপেক্ষার শুরু সিলেট বিভাগীয় স্টেডিয়ামের। অবশেষে সেটির অবসান হচ্ছে। বিসিবি সূত্র জানিয়েছে, আগামী বছরের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জিম্বাবুয়ে সিরিজেই টেস্ট ভেন্যু হিসেবে অভিষেক হয়ে যেতে পারে সিলেট বিভাগীয় স্টেডিয়ামের।
ফতুল্লা স্টেডিয়ামে ২০ জানুয়ারি থেকে তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে জিম্বাবুয়ের বাংলাদেশ সফর। কিন্তু এর দুদিন পর ২২ জানুয়ারি থেকেই বাংলাদেশে শুরু অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ক্রিকেট, শেষ ১৪ ফেব্রুয়ারি। টুর্নামেন্টের খেলা হবে মোট আটটি ভেন্যুতে—ঢাকার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়াম ও ফতুল্লা স্টেডিয়াম, চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম ও এম এ আজিজ স্টেডিয়াম, সিলেট বিভাগীয় ও জেলা স্টেডিয়াম এবং কক্সবাজারের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও আউটার স্টেডিয়াম।
মূলত অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের কারণেই জিম্বাবুয়ে সিরিজের সব ম্যাচ হবে ঢাকার বাইরে, সেটিও যুব বিশ্বকাপের ম্যাচের ফাঁকে ফাঁকে। প্রস্তাবিত সূচি অনুযায়ী, ২৮ জানুয়ারি থেকে সিলেটে প্রথম টেস্ট, ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে খুলনায় দ্বিতীয়টি। খুলনাতেই সিরিজের প্রথম দুটি ওয়ানডে ৫ ও ৭ ফেব্রুয়ারি। ১০ ফেব্রুয়ারি শেষ ওয়ানডের ভেন্যু চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়াম। ১২, ১৪ ও ১৬ ফেব্রুয়ারি এই মাঠেই অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ।

638
জোড়া গোলের কৃতিত্ব কাল মেসির। ছবি: এএফপিবার্সেলোনার জার্সি গায়ে লিওনেল মেসির আরও একটি জাদুকরী পারফরম্যান্সের সাক্ষী হলো ফুটবল দুনিয়া। আর এই পারফরম্যান্সের ঝলক বার্সেলোনাকে এনে দিয়েছে আরও একটি শিরোপা। উয়েফা সুপার কাপের তীব্র উত্তেজনায় সাজানো এই ফাইনালে সেভিয়াকে ৫-৪ গোলে হারিয়েছে তারা।
চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপাজয়ীরা সঙ্গে ইউরোপের দ্বিতীয় সেরা ক্লাব প্রতিযোগিতা ইউরোপা লিগ বিজয়ীদের এই লড়াই কাল হয়ে উঠেছিল দারুণ আকর্ষণীয়। খেলাটির প্রতিটি স্তরে লুকিয়ে ছিল একরাশ উত্তেজনা আর শ্বাসরুদ্ধকর আবহ। নিরপেক্ষ দর্শকেরা তো বটেই, মাঠের দুই দলের সমর্থকেরাও রীতিমতো তাড়িয়ে উপভোগ করেছেন এই ম্যাচ। মাঠের ফলাফল যা-ই হোক না কেন, উত্তেজনার ভেলায় চেপে এই ম্যাচে সত্যিকারের বিজয়ী ফুটবল খেলাটিই।
সেভিয়া নিজেদের দুর্ভাগা কিন্তু ভাবতেই পারে। ৪-১ গোলে পিছিয়ে থাকা ম্যাচে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৪-৪ বানিয়ে একে অতিরিক্ত সময়ে নিয়ে যাওয়াটা অসম্ভব কৃতিত্বেরই। কিন্তু মেসির মতো তারকারাই সাধারণ এসব ম্যাচে ব্যবধানটা গড়ে দেন—কাল তিবলিসিতে ঘটেছে ঠিক সেই ঘটনাই।
ম্যাচের শুরুতে এগিয়ে গিয়েছিল সেভিয়াই। এভার বানেগা এগিয়ে দিয়েছিলেন তাদের। কিন্তু মেসি এই পর্যায়ে ত্রাণকর্তার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে পরপর দুটি গোল করে বার্সেলোনার আধিপত্য পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। এরপর লুইস সুয়ারেজ ও রাফিনিয়া আরও দুটি গোল করলে বার্সেলোনার সহজ জয় একপ্রকার নিশ্চিতই হয়ে গিয়েছিল। তবে হোসে আন্তোনিও রেইস, কেভিন গামেইরো ও ইয়েভেন কোনোপ্লিয়াঙ্কার তিনটি গোল সবাইকে অবাক করে দিয়েই ম্যাচে ফিরিয়ে আনে সেভিয়াকে। ৪-১ গোলে এগিয়ে থেকেও খেলাটিকে সমতায় দেখে বার্সা সমর্থকেরা আশঙ্কা করছিলেন বিপর্যয়ের। কিন্তু অতিরিক্ত সময়ের শেষ দিকে মেসির ফ্রিকিক পরবর্তী সময়ে বল পেয়ে পেদ্রো রদ্রিগেজ গোল করে বার্সেলোনাকে এনে দেন স্মরণীয় এক জয়।

639
আমাদের দেহের প্রধান অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোর মধ্যে লিভার অন্যতম। দেহের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনায় লিভারের সুস্থতা অনেক জরুরী। সে হিসেবে আমাদের দেহের সুস্থতা অনেকাংশে নির্ভর করে লিভারের উপরেই। কিন্তু আমাদেরই কিছু বাজে অভ্যাসের কারণে প্রতিনিয়ত মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে লিভার। এরই ফলাফল হিসেবে লিভার ড্যামেজের মতো মারাত্মক সমস্যায় ভুগতে দেখা যায় অনেককেই। অনেকে জেনে বুঝে, আবার অনেকেই না জেনে কিছু বাজে কাজের মাধ্যমে দেহের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই অঙ্গটি নষ্ট করে ফেলছেন ধীরে ধীরে।

১) অনেক দেরি করে ঘুমুতে যাওয়া এবং অনেক দেরি করে ঘুম থেকে উঠা দুটোই লিভার নষ্টের মূল কারণ হিসেবে ধরা হয়। কারণ এতে শারীরিক সাইকেলের সম্পূর্ণ উল্টোটা ঘটতে থাকে। যার মারাত্মক বাজে প্রভাব পরে লিভারের উপরে।

২) অনেকেই সকালে ঘুম থেকে উঠার আলসেমিতে প্রস্রাবের বেগ হলেও বাথরুমে যান না। চেপে শুয়েই থাকেন। এতে করে লিভারের উপরে চাপ পড়তে থাকে এবং ধীরে ধীরে লিভার স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা হারায়।

৩) অতিরিক্ত বেশি খাওয়াদাওয়া করা লিভারের জন্য ক্ষতিকর একটি অভ্যাস। অনেকেই রয়েছে অনেকটা সময় না খেয়ে একবারে অনেক বেশি খেয়ে ফেলেন। এতে করে হুট করে লিভারের উপরে চাপ বেশি পরে যায়, যার ফলে লিভার ড্যামেজ হওয়ার আশংকা থাকে।

৪) সকালের খাবার না খাওয়া লিভার নষ্টের আরেকটি মূল কারণ। অনেকটা সময় পেট খালি থাকার কারণে অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গের পাশাপাশি খাদ্যের অভাবে কর্মক্ষমতা হারাতে থাকে লিভারও।

৫) অনেক বেশি ঔষধ সেবন করা। বিশেষ করে ব্যথানাশক ঔষধ অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়ার প্রভাব পড়তে থাকে লিভারের কর্মক্ষমতার উপরে। এছাড়াও ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণেও ক্ষতি হয় লিভারের। এতে করে লিভার ড্যামেজ হয়ে যাওয়ার আশংকা দেখা দেয়।
৬) কেমিক্যাল সমৃদ্ধ যেকোনো কিছুই লিভারের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। কিন্তু আলসেমি ও মুখের স্বাদের জন্য আমরা অনেকেই প্রিজারভেটিভ খাবার, আর্টিফিশিয়াল ফুড কালার, আর্টিফিশিয়াল চিনি ইত্যাদি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলি যা লিভার নষ্টের অন্যতম কারণ।

৭) খারাপ তেল ও অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার লিভারের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। একই তেলে বারবার ভাজা খাবার বা পোড়া তেলের খাবার বেশি পরিমাণে খাওয়া হলে লিভার তার স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা হারাতে থাকে।

৮) অতিরিক্ত কাঁচা খাবার খাওয়াও লিভারের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। যেমন আপনি যদি খুব বেশি কাঁচা ফলমূল বা সবজি খেতে থাকেন তাহলে তা হজমের জন্য অতিরিক্ত কাজ করতে হয় পরিপাকতন্ত্রের। এর প্রভাব পড়ে লিভারের উপরেও। সুতরাং অতিরিক্ত খাবেন না।

৯) অতিরিক্ত পরিমাণে মদ পান করা লিভার নষ্টের আরেকটি মূল কারণ। অ্যালকোহলের ক্ষতিকর উপাদান সমূহ লিভারের মারাত্মক ক্ষতির কারণ।

640
ঘুমানোর অভ্যাস ঠিকঠাক না হলে নিজেকে নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এর কারণে ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনেও বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, এই সমস্যা ব্যক্তির দৈনন্দিন জীবনের স্বতঃস্ফূর্ততা, কাজের ক্ষেত্রে মনোযোগ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।


যুক্তরাষ্ট্রের ক্লেমসন বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞানীদের সাম্প্রতিক এক গবেষণা থেকে দৈনন্দিন জীবনে ব্যক্তির আচরণ এবং নিজেকে নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতার সঙ্গে ঘুমের যোগসূত্রের বিষয়টি উঠে এসেছে।

মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক জুন পিলশার বলেন,‘আত্মনিয়ন্ত্রণ প্রাত্যহিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের অংশ। আকাঙ্ক্ষা এবং সুযোগের মধ্যে বিরোধ দেখা দিলে নিজেকে নিয়ন্ত্রণের মধ্য দিয়েই মানুষ পরিস্থিতি সামলায়। গবেষণায় উঠে এসেছে যে, ঘুমের অভ্যাস ও আত্মনিয়ন্ত্রণের বিষয়টি একে অন্যের সঙ্গে যুক্ত এবং এই দুটোকে কাজে লাগিয়ে প্রতিদিনের কাজকর্ম ঠিকঠাক রাখা যায়।’

ঘুমের সমস্যা নানা স্বাস্থ্য সমস্যা তৈরি করে। ঘুমাতে না পারা, একেক দিন একেক সময়ে ঘুমানো, পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়ার মতো সমস্যাগুলো ওজন বেড়ে যাওয়া এবং উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায় বলে উঠে এসেছে নানা গবেষণায়। এ ছাড়া ঠিকঠাক ঘুম না হলে মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায় এবং আশপাশের মানুষের প্রতি আচরণেও তার প্রভাব পড়ে।

মনোবিজ্ঞানী পিলশার বলেন, ঘুমের অভ্যাস ঠিক করতে পারলে সারা দিনের কর্মশক্তি বাড়ে, আচরণ সাবলীল হয়, কাজে মনোযোগ বেশি থাকে এবং ঠিকঠাক সিদ্ধান্ত গ্রহণ সহজ হয়। ফলে প্রতিদিনের জীবনে নিজেকে নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার হিসেবে ঘুমের অভ্যাস ঠিকঠাক করার বিষয়ে আমাদের মনোযোগী হওয়া প্রয়োজন।

641
Life Science / জামের যত গুণ
« on: June 10, 2015, 08:30:14 AM »
জাম নানা দেশে নানা নামে পরিচিত। বড় বিচিত্র সেসব নাম—জাম্বুল, জাম্বু, জাম্বুলা, জামুন, জাম্বোলান, ড্যামসন প্লাম, ডুহাট প্লাম, জাম্বোলান প্লাম, পর্তুগিজ প্লাম ইত্যাদি। ছোট মরিচে যেমন ঝাল বেশি, তেমনি ছোট এই ফলে পুষ্টি ষোলো আনা। জামে শর্করার পরিমাণ থাকে প্রায় ১৫ দশমিক ৫৬ গ্রাম, পটাশিয়াম ৭৯ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ১৭ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেশিয়াম ১৫ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ১৯ মিলিগ্রাম, সোডিয়াম ১৪ গ্রাম। জাম আরও কিছু প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানে পূর্ণ। এপ্রিলে জামগাছে ফুল ধরে। আর মে-জুনে এসে জাম পরিপক্ব হতে শুরু করে।

বারডেম জেনারেল হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ পুষ্টিবিদ শামছুন্নাহার নাহিদ বলেন, জাম কিনে বেশ খানিকটা সময় পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। ফরমালিন পানিতে দ্রবণীয় হওয়ায় পানি ব্যবহারে কিছুটা হলেও জামগুলো বিষমুক্ত হবে। জাম খেতে কারও বিধিনিষেধ নেই। তবে খালি পেটে জাম খেলে কারও কারও অ্যাসিডিটির সমস্যা হতে পারে।

পুষ্টি পূরণের পাশাপাশি জাম কেমন করে রোগ প্রতিরোধ করে, তা জেনে নেওয়া যাক:

1.  জামে থাকে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ‘সি’। প্রকৃতির এই পরিবর্তনের সময় জ্বর, সর্দি ও কাশির প্রবণতা বাড়ে, জামে এটি দূর হয়।
2.  জামের ভিটামিন ‘এ’ চোখ ভালো রাখতে সাহায্য করে। সঙ্গে স্নায়ুগুলোকে কর্মক্ষম রেখে দৃষ্টিশক্তির প্রখরতা বাড়ায়।
3.  জামে থাকা গ্লুকোজ, ডেক্সট্রোজ ও ফ্রুকটোজ কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় এবং শরীরেও শক্তি সঞ্চিত করে।
4.  দাঁত, চুল ও ত্বক সুন্দর করতে খেতে পারেন জাম। এর উপাদানগুলো ত্বক ও চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। দাঁত ও মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
5.  ক্যানসারের জীবাণু বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ার ক্ষমতা আছে জামের। বিশেষ করে মুখের ক্যানসার প্রতিরোধে এটি অত্যন্ত কার্যকর।
6.  এতে থাকা ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম ও ভিটামিনগুলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দিতে পারে।
7.  জামে থাকা উপাদানগুলো মেমোরি সেলগুলোকে উজ্জীবিত করে স্মৃতিশক্তি বাড়তে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
8.  নিয়মিত জাম খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।
9.  জাম ডায়াটরি ফাইবারে পূর্ণ। তাই দীর্ঘদিন ধরে কোষ্ঠকাঠিন্যে যাঁরা ভুগছেন, তাঁরাও জাম খেলে উপকার পাবেন।
10. যাঁদের কোনো কিছুই মুখে রোচে না, তাঁরা রুচি ফিরিয়ে আনতে জাম খেতে পারেন। ভ্রমণজনিত বমিভাবও দূর করে এই ফল।
11. যাঁরা রক্তস্বল্পতায় ভুগছেন, তাঁরা নিয়মিত জাম খেতে পারেন। রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতে জামের জুড়ি নেই।
12. নিয়মিত জাম খেলে হৃদ্রোগ এড়ানো যায়।
13. ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও আছে সুখবর। রক্তে চিনির মাত্রা সহনীয় করে ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে জামের জুড়ি নেই।

642
 প্রচণ্ড গরমে অস্থির হয়ে পড়েছেন প্রায় সবাই। রাস্তায় গরম, কর্মক্ষেত্রে গরম। সারাদিন না হয় কোনরকম সহ্য করা গেলো, কিন্তু এই প্রচণ্ড গরমে রাতের বেলাও যে ঘুম হচ্ছে না! সকলের বাড়িতে তো আর এসি নেই, সকলের এসি কেনার সামর্থ্যও নেই। অনেকের ঘরেই বাতাস খুব বেশী চলাচল করে না, ফলে বাতাস চলাচলে ঘর ঠাণ্ডা হয় না। অনেকের বাড়ি আবার ছাদের ঠিক নিচে বলে গরমটা অনেক বেশী লাগ, দিন শেষে ঘরটা হয়ে থাকে উনুনের মত গরম। তাহলে কী করবেন? জেনে রাখুন এসি ছাড়াই সাধারণ টেবিল ফ্যান দিয়েই ঘরকে শীতল করে ফেলার একটি দারুণ উপায়!

ঘরে টেবিল ফ্যান আছে নিশ্চয়ই? না থাকলে একটি টেবিল ফ্যান কিনেই ফেলুন। কেননা এই টেবিল ফ্যানই আপনাকে এসির আরাম দেবে! আর নিশ্চয়ই ঘরে ফ্রিজও আছে। সেটাও হবে বিপদের বন্ধু!

যা যা লাগবে

একটি টেবিল ফ্যান
বড় এক বাটি বরফ


যা করবেন

    -ঘরের জানালা খুলে দিন।
    -এই জানালার দিকে পেছন অংশটা দিয়ে টেবিল ফ্যান ছেড়ে দিন। এমনভাবে দিন যেন জানালার খোলা অংশের ঠিক সামনেই ফ্যানটা ঘরে। এই টেবিল ফ্যান বাইরের ঠাণ্ডা বাতাস ঘরে টেনে আনবে।
    -তারপর টেবিল ফ্যানের ঠিক সামনে একটি বড় বাটি ভর্তি বরফ রাখুন। এমনভাবে রাখুন যেন বাতাস এই বরফের গায়েও লাগে।
    - আর তারপর দেখুন ম্যাজিক। কিছুক্ষণের মাঝেই আপনার ঘর থেকে গরম হয়ে যাবে একেবারে গায়েব! শুধু গায়েব না, ঘরটা হয়ে উঠবে শীতল। যতক্ষণ বরফ থাকবে, শীতল ভাব বজায় থাকবে। বরফ গলে গেলেও ঘরটা গরম হবে না।

643
বাজারে এসেছে ভ্যালুটপের নতুন একাধিক মডেলের তারহীন ব্লুটুথ স্পিকার। সর্বোচ্চ ১০ মিটার দূরত্বে স্পিকারগুলো কাজ করে। স্পিকারগুলোতে মাইক্রো এসডি কার্ড ব্যবহার করেও গান শোনা যাবে। রয়েছে অক্সিলারি ইনপুট, কার্ড রিডার ফাংশন, ইউএসবি সাউন্ড কার্ড ফাংশন ইত্যাদি। কম্পিউটার সিটি টেকনোলজিস লিমিটেডের বাজারে আনা এ স্পিকারের দাম ২ হাজার ২৫০ টাকা।

644
ICT / স্মার্টফোনের ৭ চলতি কথা
« on: March 23, 2015, 12:23:38 PM »
নতুন কেনা স্মার্টফোনের যত্ন নিতে দেখা যায় অনেককেই। যেন একটু এদিক—ওদিক হলেই বিগড়ে যাবে সবকিছু। আর অনেকের কাছ থেকে স্মার্টফোন সম্পর্কে শোনা যায় নানা কথা। সারা রাত ব্যাটারি চার্জ দিলে এর আয়ু কমে যায় কিংবা ব্যাটারি চার্জ করার সময় ফোন ব্যবহার করা ঠিক নয়—এমন কথা প্রচলিত আছে। স্মার্টফোনের এসব মিথ কি সত্য, নাকি ভুল ধারণা?

১. স্মার্টফোনের সঙ্গে থাকা চার্জার ছাড়া অন্য কোনো চার্জার ব্যবহার করা উচিত নয়
সত্যতা: স্মার্টফোনের জন্য সেরা চার্জারটিই সঙ্গে দেওয়া হয়। এর মানে এই নয় যে অন্য কোনো চার্জার ব্যবহার করতে পারবেন না। বর্তমানে সব স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেট কম্পিউটারে একই ধরনের মাইক্রো ইউএসবি পোর্ট ব্যবহার করা হয়। উদ্দেশ্য প্রমিত মান তৈরি করা, হঠাৎ প্রয়োজনে যেকোনো চার্জার দিয়ে যন্ত্রটি যেন চার্জ করা যায়। তবে সস্তা যেনতেন চার্জার ব্যবহার না করাই ভালো।

২. বেশি মেগাপিক্সেল মানেই ভালো ক্যামেরা
সত্যতা: মোটেই ঠিক নয়। মেগাপিক্সেল ছবির আকার নির্ধারণ করে, ছবির মান নয়। সেন্সর ও সেন্সরে ধারণ করা ছবি কত দক্ষতার সঙ্গে ক্যামেরা প্রক্রিয়াজাত করতে পারে, তার ওপর নির্ধারণ করে ছবির মান। স্মার্টফোন কেনার সময় এই দিকটার ওপর নজর দিতে পারেন।

৩. রাতভর চার্জ দিলে ব্যাটারি নষ্ট হয়ে যায়
সত্যতা : এটা কি জানেন যে সম্পূর্ণ চার্জ হয়ে গেলে আপনার স্মার্টফোনটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চার্জ নেওয়া বন্ধ করে দেয়? এই অমূলক ভয় মনে পুষে রাখার দরকার নেই।

৪. চার্জ করার সময় স্মার্টফোন ব্যবহার করা যাবে না
সত্যতা: চার্জ করার সময় নিঃসঙ্কোচে স্মার্টফোনটি ব্যবহার করতে পারেন। ভয়ের কোনো কারণ নেই।

৫. চার্জ ফুরিয়ে যাওয়ার আগে চার্জ করা যাবে না
সত্যতা : অর্ধেক চার্জ আছে দেখে আর চার্জ করা যাবে না বলে বেরিয়ে পড়লেন, এদিকে দুপুর না পেরোতেই চার্জ ফুরিয়ে গেল। এ ধারণা একদমই ভুল। প্রয়োজন অনুযায়ী ফোনের ব্যাটারি চার্জ করে নিন। এত তুচ্ছ কারণে আপনার স্মার্টফোনটি নষ্ট হবে না।

৬. স্বয়ংক্রিয় ঔজ্জ্বল্য নিয়ন্ত্রণ বিপুল চার্জ রক্ষা করে
সত্যতা: এটা অবশ্যই একটি কার্যকর সুবিধা। বিশেষ করে আপনি যদি ঘরের বাইরে বেশির ভাগ সময় কাটান; তবে দেখতে অসুবিধা হয় না, এমন ন্যূনতম পর্যায়ে ঔজ্জ্বল্য বা ব্রাইটনেস নির্ধারণ করে দিলেই হলো।

৭. তৃতীয় পক্ষের টাস্ক ম্যানেজারে ব্যাটারির আয়ু বাড়ে
সত্যতা: স্মার্টফোনের অপারেটিং সিস্টেমের সঙ্গে টাস্ক ম্যানেজার দেওয়া থাকে। এই টাস্ক ম্যানেজার ব্যবহার করেই আপনি র্যা মে থাকা তথ্য মুছে ফেলতে পারেন—যা একই সঙ্গে ব্যাটারি ও স্মার্টফোনের কার্যক্ষমতা বাড়াবে। কোনো তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ ব্যবহার করে এর চেয়ে বেশি কিছু করা যায় না।

645
Public Health / যেসব খাবারে ওজন বাড়ে
« on: February 11, 2015, 01:05:05 PM »
ওজন কমাতে আধপেটা খেয়ে থাকেন অনেকেই। আবার একদম না খেয়েই কেউ কাজে-কর্মে ব্যস্ত থাকার চেষ্টা করেন। দীর্ঘ সময় না খাওয়ায় মেজাজটাও খিটখিটে হয়ে যায়। কাজে-কর্মেও গতি কমে আসে। সত্যি বলতে কী, পেট ভরে খেয়েও কিন্তু ওজন কমানো যায়। তবে খাবারটা খেতে হবে হিসাব করে, ক্যালরি মেপে। আর যদি লোভে পড়ে খানিকটা মসলাদার খাবার পেটে চালানই হয়ে যায়, তারও বন্দোবস্ত আছে।
ঢাকার বারডেম জেনারেল হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ পুষ্টিবিদ শামছুন্নাহার নাহিদের কাছ থেকেই তথ্যটা যাচাই করে নেওয়া যাক। তিনি বলেন, ‘১০০ ক্যালরি শক্তির জন্য নিদেনপক্ষে ২০ মিনিট দ্রুত (ঘাম ঝরিয়ে) হাঁটতে হবে। এভাবেই অতিরিক্ত খাবারের ক্যালরি পরিশ্রম করে পুড়িয়ে ফেলতে হয়।’ তিনি জানালেন, যেসব খাবারে ওজন বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে সেসবের কথা।
সকালে খিচুড়ি, ভাত, লুচি, পরোটা, পনির, রুটিসহ তেল-মসলার খাবার খেলে ওজন বাড়বে। অন্যদিকে হাতে তৈরি রুটি, পাউরুটি, কম তেলের সবজি—এগুলো ওজন বাড়াবে না। ডিম খেতে চাইলে সেদ্ধ খান। ভাজি, অমলেট কিংবা পোচ করে নয়।
দুপুরের খাবারে পরিমাণমতো ভাত, রুটি, অল্প তেলে রান্না নুডলস খেলে ওজন বাড়বে না। অন্যদিকে পোলাও, তেহারি, বিরিয়ানি, ফ্রায়েড রাইসে ওজন বাড়াবে। দুপুরে খেতে পারেন রান্না করা সবজি কিংবা ভর্তা। অন্যদিকে ভাজা সবজি ওজন বাড়িয়ে দেবে। ফ্রায়েড চিকেন কিংবা রোস্টে ওজন বাড়াবে—তবে কম তেল-মসলায় রান্না করা মাংস খেতে পারেন নিশ্চিন্তে।
ভুনা ও চর্বিযুক্ত মাংসও ওজন বাড়ানোর হারকে ত্বরান্বিত করে। বিকেলের নাশতায় খেতে পারেন ক্লিয়ার স্যুপ। থাই স্যুপ বা ক্রিম স্যুপে ওজন বাড়ে দ্রুত। খেতে পারেন তন্দুরি বা গ্রিলড খাবার—এসবে ওজন বাড়ে না। অন্যদিকে পিৎজা, কাবাব, চিকেন ফ্রাই, স্যান্ডইউচ, বার্গার, কেক, পেস্ট্রি, মিষ্টিজাতীয় খাবার ওজন বাড়িয়ে দেয়।
রাতের খাবারে সবজির পাশাপাশি মাছের ঝোল খেতে পারেন, তবে মাছ ভাজা নয়। তেলে ভাজা মাছ ওজন বাড়িয়ে দেবে। শামছুন্নাহার নাহিদ বারবারই একটি কথার প্রতি জোর দিলেন, ‘একবারে বেশি খেয়ে ফেলা নয়, অল্প করে বেশিবার খান, ওজন শরীরের বশে থাকবে।’ যোগ করলেন, ‘প্রতি বেলা খাবার শেষে খানিকটা টকদই খেতে পারেন, এটি ওজন কমাতে সাহায্য করবে।’
সকাল, দুপুর, সন্ধ্যা কিংবা রাতের খাবারের বাইরে চাইলে খেতে পারেন মুড়ি, চিড়া, সেদ্ধ ছোলা কিংবা শুধু সালাদ। খাওয়া শেষে যাদের কোমলপানীয় পানের অভ্যাস, এই বেলা তাঁরা ডায়েট পানীয়তে অভ্যস্ত হোন। সবচেয়ে ভালো হয় ফলের রসে তৃষ্ণা মেটাতে পারলে, তবে ফল টক হওয়াই বাঞ্ছনীয়। কারণ মিষ্টি ফলও ওজন বাড়ায়।

Pages: 1 ... 41 42 [43] 44 45 46