Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Anuz

Pages: 1 ... 5 6 [7] 8 9 ... 119
91
Thanks for sharing..........

92
Very painful..........

93
Informative one............

94
Most of the people are suffering into this problem...........

95
Fever / Re: শিশুদের চিকুনগুনিয়া
« on: August 07, 2019, 05:53:20 PM »
Serious issue...........

96
Thanks for sharing the information...........

97
Informative one..........

98
Fever / Re: ডেঙ্গু জ্বর কী ও করণীয়
« on: August 07, 2019, 05:50:30 PM »
Informative...........

99
Informative one............

101
Updated and new information.
Thanks for sharing............

102
মনে জেগেছে প্রশ্ন? বাংলাদেশের ফুটবলারের প্রতি মিনিটের আয় এত টাকা? হ্যাঁ, এবার সদ্য সমাপ্ত প্রিমিয়ার লিগে এমনটাই হয়েছে। মাঠের খেলার সময় ও পারিশ্রমিকের বিচার হিসাবে এমন দুর্দান্ত কাণ্ড করেছেন দিদারুল হক। সদ্য শেষ হওয়া মৌসুমে ৩২ লাখ টাকায় শেখ জামাল থেকে ডিফেন্ডার দিদারুলকে দলে ভিড়িয়েছিল বসুন্ধরা কিংস। মোটা অঙ্কের বিনিময়ে ক্লাব বদল করলেও নতুন দলের জার্সিতে প্রিমিয়ার লিগে খেলা হয়েছে মাত্র একটি ম্যাচ। ময়মনসিংহে সাইফ স্পোর্টিংয়ের বিপক্ষে বদলি নেমে এই ডিফেন্ডার খেলেছিলেন মাত্র ২৩ মিনিট। মিনিটে ১ লাখ ৩৯ হাজার টাকা!

৩২ লাখ টাকায় ক্লাব বদল। সুতরাং দেশের ফুটবলের প্রেক্ষিতে সে ফুটবলার হিসেবে কেমন, আপাতত সে প্রশ্নে যাওয়ার দরকার আছে বলে মনে হয় না। ৩৯ বছর বয়সেও এখন দারুণ ফিট সাবেক এই সেনা সদস্য। গত মৌসুমেও শেখ জামাল ধানমন্ডির অধিনায়কত্বের দায়িত্ব ছিল তাঁর কাঁধে। তাঁর নেতৃত্বে তারুণ্য নির্ভর জামাল লিগ শেষ করেছিল টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে থেকে। আর লিগের মোট ২২ ম্যাচের ২১টিতেই মাঠে ছিলেন এই সেন্টারব্যাক। ২১টি ম্যাচেই মাঠে ছিলেন পুরো সময়।

ধারাবাহিকভাবে কয়েক মৌসুম ভালো খেলার সুবাদেই নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্ত করতে তাঁকে ৩২ লাখ টাকা দিতে কার্পণ্য করেনি সাফল্য পিপাসু বসুন্ধরা। দুর্দান্ত প্রতাপে দল চ্যাম্পিয়ন হলেও দিদারুলের মাঠে নামার সৌভাগ্য হয়নি। হতাশার এক মৌসুম শেষে স্বাভাবিকভাবে ভেঙে পড়েছেন, ‘খুবই খারাপ একটা মৌসুম কাটালাম। এ রকম হবে জীবনেও ভাবিনি। এত টাকা নিয়ে খেলতে পারব না, এটা খুবই কষ্টের। অনেক হিসেব করেই আমি বসুন্ধরায় গিয়েছিলাম। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আবাহনী থেকে নাসিরকে (নাসিরউদ্দিন চৌধুরীকে) নিয়ে আসায় আমার জন্য খেলাটা কষ্ট হয়ে যায়। সঙ্গে বিদেশি ডিফেন্ডাররা তো ছিলই।’

প্রায় ১০ কোটি টাকার বিনিময়ে এবার তারকার হাঁট বসিয়েছিল বসুন্ধরা। দেশের প্রায় সব ভালো খেলোয়াড়দের সঙ্গে ভালো মানের বিদেশি। মুখে মুখে হিসেব করেই বলে দেওয়া যায় তাদের পুরো রক্ষণভাগের দাম হবে প্রায় ২ কোটি টাকা। লিগের প্রথম পর্ব পর্যন্ত স্পেন অনূর্ধ্ব-১৭ জাতীয় দলের হয়ে খেলা সেন্টারব্যাক জর্জ গোতর ছিলেন। লিগের দ্বিতীয় পর্বে কিরগিজ মিডফিল্ডার বখতিয়ার দুশবেকভকেও খেলানো হয়েছে সেন্টারব্যাক পজিশনে। এ ছাড়া চোট কাটিয়ে দুর্দান্তভাবে ফিরে আসেন নুরুল নাঈম ফয়সাল। আর শুরু থেকে নাসিরউদ্দিন তো ছিলই। সব মিলিয়ে চ্যাম্পিয়নদের রক্ষণভাগের সেনা হয়ে ওঠার সুযোগ হয়নি সাবেক এই সেনা সদস্যের।

এর পেছনে স্প্যানিশ কোচ অস্কার ব্রুজোনকেও কিছুটা দায়ী করছেন দিদারুল, ‘অস্কার ব্রুজোন যাকে দেখতে পারেন না, তাঁর খেলার কোনো সুযোগ নেই। সে আমাকে অনুশীলনেও সুযোগ দিয়ে দেখেননি, আমি পারি কিনা। হয়তো অন্য যে কোনো কোচের অধীনে থাকলে কম-বেশি খেলার সুযোগ পেতাম।’ ক্লাব বদলের ইঙ্গিতও দিয়ে রাখলেন। তাঁর নতুন গন্তব্য হতে পারে পুরোনো শেখ জামাল। যে ক্লাবের জার্সিতেই পেশাদার ফুটবলে আসা দিদারুলের।

দিদারুলের ফুটবল ক্যারিয়ার শুরু বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে। সেনাবাহিনীর জার্সিতে বিভিন্ন টুর্নামেন্টে নজর কাড়ায় ২০১৩-১৪ মৌসুমে তাঁকে দলে ভেড়ায় মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়াচক্র। এর পরে সে সময়ের সাড়া জাগানো ক্লাব শেখ জামাল ধানমন্ডির জার্সি গায়ে তুলে নিয়ে টানা চার মৌসুম খেলা। জামালের জার্সিতে জিতেছেন দুইটি লিগ শিরোপা, ফেডারেশন কাপ ও ভুটানের কিংস কাপের শিরোপা। এর আগে পেশাদার ফুটবলার হিসেবে নতুন জীবন শুরু করার জন্য ২০১২ সালে সেনাবাহিনী থেকে নেন স্বেচ্ছা অবসর।

দিদারুলের ধারাবাহিক পারফরম্যান্সে মুগ্ধ হয়ে লোডভিক ডি ক্রইফ তাঁকে জাতীয় দলে জায়গা দেন। গোয়ায় ভারতের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ছিলেন বাংলাদেশ দলে। এর পরে জাতীয় দলে খেলার সৌভাগ্য না হলেও টানা চার মৌসুম শেখ জামালের রক্ষণভাগ জমাট রাখার দায়িত্বটা ভালোই করেছেন। এবারই ধানমন্ডির মায়া ছেড়ে বসুন্ধরার আবাসিক এলাকায় তাঁবু গেড়ে ছিলেন। কিন্তু নতুন ক্লাবে সময়টা গিয়েছে একেবারে যাচ্ছে তাই।

104
এবারের ঈদের পুরো ছুটিটা হচ্ছে শেষ বর্ষায়। এক দিন ছুটি নিলে ৯ দিনের বেশ দীর্ঘ ছুটি পাওয়া যাবে। চাইলে দেশের ভেতরেই বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে আসা যায়। বর্ষাকালে বাংলাদেশের রূপ সত্যি দেখার মতো। প্রকৃতি হয়ে ওঠে সবুজ, নদী-পুকুর-খাল-বিল হয়ে ওঠে জলে ভরপুর। এর ওপর থাকে মেঘ-বৃষ্টির লুকোচুরি। সে এক অসাধারণ ব্যাপারই বটে। এই বর্ষাকালে ঘুরতে গিয়ে ভালো লাগবে, দক্ষিণবঙ্গের তেমন কিছু জায়গার কথা রইল আপনাদের জন্য।

স্বরূপকাঠির পেয়ারাবাগান

যদি যেতে চান ভরা বর্ষায়, তবে বিশাল বিশাল পেয়ারাবাগানের পাশাপাশি দেখতে পাবেন পেয়ারার এক ভাসমান বাজার। যেটার শুরু স্বরূপকাঠি থেকে, আর শেষ হয় গিয়ে কয়েক কিলোমিটার দূরের আটগর কুরিয়ানায়। সারি সারি পেয়ারার বাগানের ফাঁকে ফাঁকে চলে যায় ছোট ছোট ক্যানেল ডিঙিনৌকা। এসব নৌকায় যাওয়া যায় পেয়ারাবাগানের একদম গভীরে। চাইলেই গাছ থেকে পেড়ে খাওয়া যায় পেয়ারা, যত ইচ্ছে। তবে সঙ্গে করে নিয়ে আসা যাবে না। নিয়ে আসতে হলে কিনেই আনতে হবে। এখানে যেতে হলে রাতের লঞ্চ জার্নি শেষ করে উঠে পড়তে হবে ভাড়া করা ছোট নৌকায়। যতক্ষণ খুশি পেয়ারাবাগানের চারপাশের সৌন্দর্য উপভোগ করে ফিরে আসতে পারেন। চাইলে থেকেও যেতে পারেন কোনো এক পেয়ারাবাগানে।

শাপলার গ্রাম সাঁতলা

সকালে স্বরূপকাঠিতে নেমে নাশতা করে নিতে পারেন যেকোনো হোটেলে বা লঞ্চঘাটে। এরপর সোজা একটি ট্রলার ভাড়া করে চলে যান সাঁতলা, যেখানে রয়েছে মাইলের পর মাইল পানিপথ, বিলজুড়ে ফুটে থাকা গাঢ় গোলাপি শাপলা ফুলের মনোমুগ্ধকর আয়োজন। একটি ডিঙিতে করে ভেসে পড়ুন সাঁতলার শাপলা বিলে, কতক্ষণ ভেসে বেড়াবেন, সে আপনার ইচ্ছা। সাদা আর গোলাপি শাপলার সঙ্গে হঠাৎ এই বিলের কোথাও দেখা যায় বিরল প্রজাতির বেগুনি শাপলা। স্বচ্ছ জলে চোখ নামালে দেখা যায় হরেক রঙের শেওলা, রং বেরঙের মাছ, ইচ্ছে হলে বিলের নরম আর ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে নিতে পারেন নিজেকে। স্থানীয় রেস্টুরেন্টে চেখে দেখতে পারেন মিষ্টি পানির দারুণ সুস্বাদু মাছ।

গুঠিয়া মসজিদ
আজকাল বরিশাল যাঁরা ভ্রমণে যান, বিশেষ করে বরিশালের বাইরে থেকে, তাঁদের কাছে গুঠিয়া জামে মসজিদ এক বিশেষ আকর্ষণ নিঃসন্দেহে। কেননা প্রায় অজপাড়াগাঁয়ের এত চমৎকার কারুকাজ, এত নান্দনিক আর আধুনিকতার মিশেলে কোনো স্থাপনা খুব সহজে চোখে পড়ে না। বরিশাল শহর থেকে স্বরূপকাঠি পেয়ারা বাজারে যাওয়ার পথে বানারীপাড়ার একটু আগেই পথের পাশে পড়বে এই দৃষ্টিনন্দন মসজিদ। যেটার জন্য খুব বেশি সময় নষ্ট করতে হবে না। তাই একবার দেখে আসতেই পারেন।

বাংলার বাঘ এ কে ফজলুল হকের বাড়ি
বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক এক গুরুত্বপূর্ণ নাম। ‘বাংলার বাঘ’ নামে পরিচিত ফজলুল হকের জন্ম, শিক্ষা, বেড়ে ওঠা বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলায়। চাইলে এই ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বের জন্মভিটাও দেখে আসতে পারেন।

জীবনানন্দের বাড়ি

দক্ষিণ বাংলায় যাবেন আর ‘রূপসী বাংলার কবি’ জীবনানন্দের বাড়ি যাবেন না? তাই সময় করে ঘুরে আসতে পারেন বরিশালকে বিখ্যাত করে তোলা জীবনানন্দ দাশের বাড়ির উঠানেও। বরিশাল শহরেই জীবনানন্দের বাড়ি।

সুন্দরবনের ছোঁয়া
বরিশাল থেকে আর কিছুটা দক্ষিণে গেলেই পেয়ে যাবেন বাংলাদেশের অপার প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর বনভূমি, সুন্দরী সুন্দরবনের দেখা। যেখানে শুধু বন নয়, চিরাচরিত সবুজ বনভূমির সঙ্গে দেখা মিলতে পারে দুর্লভ বেঙ্গল টাইগার, চঞ্চলা হরিণের পাল, খালের কাদায় কাদায় কুমিরের রোদ পোহানো, নানা রকম বন্য জীবের অভয়ারণ্যের রোমাঞ্চকর স্বাদ। এ সময় গেলে আপনি শুধু করমজল পর্যন্ত যেতে পারবেন।

শাহি বাংলার পুদিনার শহর

দক্ষিণবঙ্গের বাগেরহাটের অন্যতম স্থান শাহি বাংলার পুদিনার শহর নামে। ঘুরে আসতে পারেন এই প্রাচীন শহরটি থেকে। এই শহরটি আজ থেকে প্রায় ছয় শ বছর আগে তৈরি হয়। এখানে ষাটগম্বুজ মসজিদসহ আরও অন্যান্য প্রাচীন নিদর্শন রয়েছে।

ঈদের দীর্ঘ ছুটি কাজে লাগিয়ে ঘুরে আসতে পারেন দক্ষিণবঙ্গ। দেশের যেকোনো জায়গা থেকে সড়কপথে যেকোনো সময়ই যেতে পারবেন। তবে এই সময় নদীপথে গেলে পাবেন বাড়তি রোমাঞ্চ। ঢাকা থেকে নদীপথে যেতে পারেন স্বরূপকাঠি। সেখান থেকে বরিশাল, বাগেরহাট, খুলনা হয়ে ফিরতে পারেন নদীপথে বা সড়কপথে।

105
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলমের পরিবারটা বেশ বড়। বছরের শেষের দিকে মাসের বেতনটাও একটু দেরিতে হয়। পরিবারের চাহিদা ও সময়মতো বেতন না হলে ক্রেডিট কার্ডই তাঁর ভরসা। আর সময়ের মধ্যে কার্ডের ঋণ শোধ করায় গত তিন বছরে কখনো সুদও দেননি। অভিজ্ঞতা থেকে জাহাঙ্গীর আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রথম দিকে বিপদের সঙ্গী ছিল ক্রেডিট কার্ড। এখন অনেকটা প্রতিদিনের জীবনযাত্রার সঙ্গী হয়ে গেছে। কেনাকাটা, ঘোরাফেরা, জরুরি চিকিৎসা—সব ক্ষেত্রেই এখন এ কার্ড ব্যবহার করছি। কার্ডে যে অফার দেওয়া হয়, তা-ও মাঝেমধ্যে গ্রহণ করছি।’ এমন অনেক চাহিদা ও প্রয়োজনের কারণে ক্রেডিট কার্ড এখন দেশের প্রায় ১২ লাখ মানুষের জীবনসঙ্গী। ধীরে ধীরে এ সংখ্যা বাড়ছেই। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে, গত মে মাসে দেশে ক্রেডিট কার্ডের সংখ্যা ছিল ১১ লাখ ৮৯ হাজার ৭৯। ২০১৪ সালেও দেশের ক্রেডিট কার্ডে ছিল প্রায় ৬ লাখ। এখন ক্রেডিট কার্ডে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ ৪ হাজার ৮৮৯ কোটি টাকা। শুধু গত মে মাসেই কার্ডের মাধ্যমে প্রায় ১৬ লাখ লেনদেন হয়েছে, যার পরিমাণ প্রায় ৯০০ কোটি টাকা। সূত্র জানায়, ক্রেডিট কার্ড গ্রাহকদের মধ্যে ৮৪ শতাংশ পুরুষ ও ১৬ শতাংশ নারী।

বাংলাদেশে ১৯৯৭ সালে তৎকালীন এএনজেড গ্রিন্ডলেজ (বর্তমানে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড) ব্যাংক প্রথম ক্রেডিট কার্ড সেবা নিয়ে আসে। কাছাকাছি সময়ে তৎকালীন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ভানিক বাংলাদেশ (বর্তমানে লংকাবাংলা ফাইন্যান্স) ও ন্যাশনাল ব্যাংক এ সেবা চালু করে। এরপর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দেশের অন্য ব্যাংকগুলোও এ সেবায় মনোযোগী হয়। বর্তমানে দেশে ৪০টির মতো ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড সেবা দিচ্ছে। এর মধ্যে প্রায় সবাই দিচ্ছে ভিসা ও মাস্টারকার্ড ব্র্যান্ডের কার্ড। তবে এর বাইরে কয়েকটি ব্যাংক কার্ড সেবাকে অভিনবত্ব দিতে অন্য ব্র্যান্ডের কার্ডও এনেছে। সিটি ব্যাংক অ্যামেক্স কার্ড, প্রাইম ব্যাংক জেবিসি কার্ড, ইস্টার্ণ ব্যাংক ডিনার্স ক্লাব কার্ড, ডাচ্‌-বাংলা ব্যাংক নেক্সাস পে কার্ড ও মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক ইউনিয়ন পে ইন্টারন্যাশনালের সেবা দিচ্ছে। ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে গ্রাহকেরা নির্দিষ্ট পরিমাণ কেনাকাটা ও ঋণ নিতে পারেন। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে এ দেশের কার্ডের ব্যবহার বেড়েছে বিদেশেও। তাই টাকার পাশাপাশি ডলারেও ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বেড়েছে। দেশে-বিদেশে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে হোটেল বুকিং, বিমানভাড়া, রেস্টুরেন্ট ও কেনাকাটায় মিলে নানা ছাড় ও পয়েন্ট জেতার সুযোগ। এ ছাড়া এসব কার্ড দিয়ে দেশে-বিদেশে কেনাকাটা, খাওয়া, থাকা, ভ্রমণে মিলছে বিশেষ সুবিধা, যা অন্যদের থেকে কিছুটা এগিয়ে রাখছে কার্ড গ্রাহকদের। সময়মতো কার্ডের টাকা পরিশোধ করলে কোনো সুদও দিতে হয় না। বর্তমানে বাংলাদেশে ক্রেডিট কার্ড ব্যবসায় নেতৃত্ব দিচ্ছে দেশীয় মালিকানার দি সিটি ব্যাংক। ব্যাংকটির মাধ্যমে বাংলাদেশের বাজারে আসে আমেরিকান এক্সপ্রেস বা অ্যামেক্স কার্ড। এ কারণেই ক্রেডিট কার্ড সেবায় ব্যাংকটি এগিয়ে। বাজারে ব্যাংকটির রয়েছে ২৪ হাজার পয়েন্ট অব সেলস বা পিওএস মেশিন। আর চার লাখের বেশি কার্ড। ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘ক্রেডিট কার্ড এখন আর ধনীদের সেবা পণ্য নয়। নির্দিষ্ট আয়ের মানুষেরাও এখন ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করছেন। আমরা চেষ্টা করছি প্রত্যন্ত অঞ্চলে এ কার্ডের ব্যবহার ছড়িয়ে দেওয়ার। এ জন্য বাইরের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সিটি ব্যাংক কাজ করছে।’ সিটি ব্যাংকের পাশাপাশি এ সেবায় শীর্ষ পর্যায়ে রয়েছে ইস্টার্ণ, ব্র্যাক, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড, লংকাবাংলা ফাইন্যান্স, প্রাইম, যমুনা, প্রিমিয়ার, ঢাকাসহ আরও কয়েকটি ব্যাংক। এখন ১৬ বছরের ঊর্ধ্বের যেকোনো নাগরিক এ কার্ড সেবা নিতে পারেন। তবে তাঁর নির্দিষ্ট আয়ের ব্যবস্থা থাকতে হয়। আর এ কার্ডের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা ঋণ নেওয়া যায়। অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশের (এবিবি) চেয়ারম্যান সৈয়দ মাহবুবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, বর্তমান সময়ে সবাই চান একটু স্বাচ্ছন্দ্য। এ জন্য কার্ড ব্যবহার করেন। সময়ের সঙ্গে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বাড়বে, ছড়িয়ে পড়বে দেশজুড়ে।

Pages: 1 ... 5 6 [7] 8 9 ... 119