Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - yousuf miah

Pages: 1 2 3 [4] 5 6 ... 12
46
Fruit / For that reason, so in the winter to eat dates
« on: January 08, 2017, 09:42:55 AM »
আমারা সাধারণত মনে করি মিষ্টি যেকোন খাবার স্বাস্থ্যকর নয়। কিন্তু খেজুর এমন একটি শুকনো, মিষ্টি ফল যা আসলেই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। খেজুরের স্বাস্থ্য উপকারিতা প্রচুর বলে খেজুর খাওয়া ভালো, বিশেষ করে শীতের দিনে। খেজুরে  অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদান যেমন- ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাসিয়াম, ন্যাচারাল গ্লুকোজ এবং ফাইবার থাকে যা শরীরকে উষ্ণ রাখার জন্য প্রয়োজনীয়। খেজুর খেলে প্রচুর শক্তি পাওয়া যায় বলে মুসলিম সম্প্রদায় ইফতারের সময় খেজুর খায়। শীতের সময়েও কেন খেজুর খাবেন সে কারণগুলো জেনে নিই চলুন।

১। উষ্ণতা প্রদান করে
খেজুর ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফাইবার, ভিটামিন ও ম্যাগনেসিয়ামের চমৎকার উৎস। এটি শরীরকে উষ্ণ থাকতে সাহায্য করে বলে শীতের সময়ে খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়।

২। ঠান্ডা নিরাময়ে সাহায্য করে
যদি আপনি ঠান্ডার সমস্যায় ভোগেন তাহলে ২-৩ টি খেজুর, কয়েকটি গোলমরিচ এবং ১-২ টি এলাচ পানিতে দিয়ে সিদ্ধ হতে দিন। ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই দ্রবণটি পান করুন। এটি ঠান্ডা নিরাময়ে সাহায্য করবে।

৩। অ্যাজমা ভালো করে
অ্যাজমা এমন একটি স্বাস্থ্য সমস্যা যা শীতের সময়ে বৃদ্ধি পায়। প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় ১-২ টি খেজুর খেলে অ্যাজমা সমস্যা বৃদ্ধি পায় না।

৪। শক্তি বৃদ্ধি করে
 খেজুরে প্রাকৃতিক চিনি থাকে বলে তাৎক্ষণিকভাবে পেতে সাহায্য করে। যখনই আপনার শক্তি বৃদ্ধি করার প্রয়োজন হবে তখনই কয়েকটি খেজুর খেয়ে নিতে পারেন।

৫। কোষ্ঠকাঠিন্য
খেজুর ফাইবারে সমৃদ্ধ। একগ্লাস পানিতে কয়েকটি খেজুর ভিজিয়ে রাখুন সারারাত। সকালে ভেজানো খেজুরগুলোকে পিষে নিন এবং এই সিরাপটি খালি পেটে পান করুন। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করবে।

৬। হৃদপিন্ডের জন্য ভালো
খেজুর ফাইবারে সমৃদ্ধ বলে হৃদপিন্ডকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করে। এটি হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণে থাকতে সাহায্য করে বলে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি প্রতিরোধ হয়, বিশেষ করে শীতের সময়ে।

৭। আরথ্রাইটিসের জন্য ভালো
খেজুরে প্রদাহরোধী উপাদান আছে। এজন্য খেজুর খেলে আরথ্রাইটিসের ব্যথা কমে যা শীতের সময়ে খুব সাধারণ একটি বিষয়। তাই প্রতিদিন কয়েকটি খেজুর খেতে পারেন।

৮। ব্লাড প্রেশার কমায়
খেজুর ম্যাগনেসিয়াম ও পটাসিয়াম সমৃদ্ধ, এই দুটি উপাদান রক্তচাপ কমতে সাহায্য করে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিদিন ৫-৬টি খেজুর খেতে পারেন।

সূত্র : বোল্ডস্কাই

47
Appendix / How to understand the pain ayapendisaitisera
« on: December 28, 2016, 02:37:01 PM »
সাধারণ পেটে ব্যথা এবং অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথার পার্থক্য জানা আছে আপনার? পার্থক্যটা না বুঝলে আপনার এখনই হাসপাতালে যাওয়া উচিত কিনা সে বিষয়টি নির্ধারণ করা বেশ কঠিন। অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথা হঠাৎ করেই শুরু হয় বলে এর উপসর্গ সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। চলুন তাহলে জেনে নিই অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথার উপসর্গগুলোর বিষয়ে।

পেটের নীচের অংশে বৃহদান্ত্র এর সাথে সংযুক্ত থলির মত ছোট অঙ্গকে অ্যাপেন্ডিক্স বলে। যখন অ্যাপেন্ডিক্স ফুলে যায় ও উদ্দীপ্ত হয় এবং এর ভেতরে পুঁজ জমে তখন প্রচন্ড ব্যথার সৃষ্টি হয়। একেই অ্যাপেন্ডিসাইটিস বলে।

অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথা শুরু হয় নাভির চারপাশ থেকে। সময়ের সাথে সাথে এই ব্যথা বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং তা তলপেটের ডান পাশে ছড়িয়ে যায়। প্রথম লক্ষণ দেখা যাওয়ার ১২-১৮ ঘন্টার মধ্যে তীব্র ব্যথা হতে দেখা যায়। এর পরে পরিস্থিতি মারাত্মক আকার ধারণ করে।

যেকোন বয়সের যেকোন মানুষ যেকোন সময়ে অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথায় আক্রান্ত হতে পারে। যদিও ১০-১৩ বছর বয়সের মানুষদেরই অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথা হতে দেখা যায় বেশি।

অ্যাপেন্ডিসাইটিসের লক্ষণ খুব অল্প সময়ে নির্ণয় করাটা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এর চিকিৎসা পদ্ধতি বেশ জটিল বিশেষ করে শিশু এবং বয়স্কদের ক্ষেত্রে। বিভিন্ন ব্যক্তির ক্ষেত্রে লক্ষণের বিভিন্নতা লক্ষ্য করা যায়।

অ্যাপেন্ডিসাইটিসের সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণগুলো হচ্ছে :

১। নাভির চারপাশে ব্যথা শুরু হয় এবং সময়ের সাথে সাথে তা অন্যত্র অর্থাৎ তলপেটে স্থানান্তরিত হয়।

২। পেটের ডানপাশে অথবা পেছনে তীব্র ব্যথা হয়।

৩। ওই স্থানে চাপ দিলে অসহ্য ব্যথা হয়।

৪। শরীর ঠান্ডা হয়ে যায়।

৫। কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া দেখা দিতে পারে।

৬। সময়ের সাথে সাথে জ্বরের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়।

৭। ক্ষুধামন্দা দেখা দিতে পারে।

৮। কাঁপুনি দেখা দিতে পারে।

৯। বমি বমি ভাব থাকে এবং বমি হয়।

অ্যাপেন্ডিসাইটিস হওয়ার কারণ :

বিভিন্ন কারণে হতে পারে অ্যাপেন্ডিসাইটিস, সবচেয়ে সাধারণ কারণটি হচ্ছে অ্যাপেন্ডিক্সের মধ্যে কোন বাঁধার সৃষ্টি হলে। এটা হতে পারে খাবার বা মলের কারণে অথবা সংক্রমণের কারণে। গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টাইনাল সংক্রমণের কারণেও হতে পারে অ্যাপেন্ডিসাইটিস।

ব্যাকটেরিয়া খুব দ্রুত সংখ্যা বৃদ্ধি করতে পারে, যার কারণে পুঁজের মত সংক্রামক বস্তু বা তরল অ্যাপেন্ডিক্সকে পরিপূর্ণ করে তোলে। এর ফলে এপেন্ডিক্সে প্রদাহ সৃষ্টি হয় এবং ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে।

যদি অ্যাপেন্ডিক্স বার্স্ট হয়ে যায় তাহলে এর ভেতরের সংক্রমিত পদার্থ পেটের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। এর  ফলে পেরিটোনাইটিস হয়, যার কারণে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। জটিলতা এড়ানোর জন্য অপারেশনের মাধ্যমে এপেন্ডিক্স সরিয়ে ফেলাই হচ্ছে সবচেয়ে কার্যকরী চিকিৎসা।

যদি আপনার নাভির চারপাশে ব্যথা হয় এবং আস্তে আস্তে এই ব্যথা পেটের ডানপাশে ও পেছনে ছড়িয়ে যায় এবং ওই স্থানে চাপ দিলে তীব্র ব্যথা হয় তাহলে আপনার অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথা হচ্ছে বুঝতে হবে। এগুলোর পাশাপাশি তীব্র জ্বর আসলে, বমি বা ডায়রিয়ার সাথে রক্ত গেলে, পেটে শক্ত অনুভব হলে, বুকে বা ঘাড়ে ব্যথা হলে, প্রস্রাবের সময় ব্যথা হলে এবং মাথা ঘোরার অনুভুতি হলে নিশ্চিতভাবেই বলা যায় যে আপনার অ্যাপেন্ডিসাইটিসের ব্যথা শুরু হয়েছে। এধরণের উপসর্গ দেখা যাওয়ার সাথে সাথে দ্রুত এবং জরুরী ভিত্তিতে হাসপাতালে যেতে হবে। অ্যাপেন্ডিসাইটিস প্রতিরোধ করা অসম্ভব। তাই উপসর্গ দেখা দিলে জটিলতা কমানোর জন্য চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়াই সবচেয়ে ভালো। 

তথ্যসূত্র :   স্টেপ টু হেলথ
[/font][/size]

48
শিরোনাম দেখে আপনি হয়তো ভাবছেন আমরা ব্রোকলি বা পালং শাকের কথা বলছি। কিন্তু না রোগের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার সবচেয়ে বড় যোদ্ধা হচ্ছে বাদাম। হ্যাঁ মুখরোচক এই স্ন্যাক্সটিই আপনার জীবন বাঁচাতে পারে।   

বিএমসি মেডিসিন নামক সাময়িকীতে প্রকাশিত নতুন এই গবেষণায় জানা যায় যে, যারা প্রতিদিন অন্তত একমুঠো বাদাম খান তাদের হৃদরোগ ও ক্যান্সারের মত মারাত্মক রোগ এবং অন্যান্য রোগ হওয়ার ঝুঁকি কমে। নরওয়ের অসলো এর বিজরকনেস বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক এবং লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের পোষ্ট ডক্টোরাল রিসার্চ ফেলো ও গবেষণার সহ লেখক ড্যাগফিন অনি বলেন, ‘বাদামে উচ্চমাত্রার প্রোটিন, ফাইবার, পলিআনস্যচুরেটেড এবং মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট এর পাশাপাশি ভিটামিন এবং মিনারেলও থাকে’। তিনি বলেন, ‘আখরোটের মত কিছু বাদাম ও সূর্যমুখীর বীজে উচ্চমাত্রার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইটোকেমিক্যাল থাকে’।

গবেষণাটি লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজ এবং নরওয়েজিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ সাইন্স এন্ড টেকনোলজির দ্বারা পরিচালিত হয়। তারা বাদাম এবং রোগের ঝুঁকির সম্পর্ক নিয়ে গবেষণার জন্য ২৯ টি গবেষণার তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখেন যাতে সারাবিশ্বের ৮,১৫,০০০ জনের বেশি লোক অংশগ্রহণ করে। ফলাফলে দেখানো হয় যে, দিনে গড়ে একমুঠো বা ২০ গ্রাম বাদাম খেলে করোনারি হার্ট ডিজিজ হওয়ার ঝুকি ৩০ শতাংশ, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি ৪০ শতাংশের কাছাকাছি, ক্যান্সারের ঝুঁকি ১৫ শতাংশ এবং অন্য কারণে অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি ২২ শতাংশ কমে। 

যদিও গবেষণাটিতে বাদামের কোন নির্দিষ্ট প্রজাতির সাথে ক্যান্সার বা অন্যান্য রোগের ঝুঁকি কমার সরাসরি সম্পর্ক আছে বলে দেখা যায়নি। গবেষকেরা পর্যবেক্ষণ করেছেন যে, চিনা বাদাম স্ট্রোকের ঝুঁকি কমার সাথে সম্পর্কিত এবং গাছ বাদাম (কাজু বাদাম, পেস্তা বাদাম, আখরোট ইত্যাদি) ক্যান্সারের ঝুঁকি কমার সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত।

ডা. অনি বলেন, করোনারি হার্ট ডিজিজ, কার্ডিওভাস্কুলার ডিজিজ, ক্যান্সারে মৃত্যু হার, শ্বসনতন্ত্রের রোগ, ডায়াবেটিস, সংক্রমণ এবং অন্যান্য রোগের ঝুঁকি কমেছিল বলে দেখা গেছে। 

এটি জানার পরেও কী আপনি অনেক বেশি বাদাম খাওয়ার বিষয়ে উৎসাহিত হবেন না? গবেষকেরা আরো দেখতে পান যে, ৪.৫ মিলিয়ন অকাল মৃত্যুকে প্রতিহত করা যেত যদি ঐ মানুষগুলো দৈনিক ২০ গ্রাম বাদাম খেত। যদি আপনি ওজন কমানোর চেষ্টায় থাকেন এবং স্ন্যাক্স হিসেবে বাদাম খান তাহলে চিন্তা করবেন না। ডা. অনি বলেন, ‘যদিও মনে করা হয় যে স্থূলতা এবং ওজন বৃদ্ধিতে বাদামের অবদান আছে, কিন্তু বেশীর ভাগ গবেষণাতেই দেখা গেছে উভয়ের মধ্যে কোন সম্পর্ক নেই’। তাই বাদামকে এড়িয়ে চলার কোন কারণ নেই। বরং বাদাম খাওয়ার অনেক কারণ আছে। 

পরিশেষে ডা. অনি বলেন, ‘যদি আপনার বাদামের অ্যালার্জি না থাকে তাহলে বাদাম খান’।

তথ্যসূত্র : The best disease fighter is already in your pantry 

49
Namaj/Salat / Prayer is important to abstain from work
« on: October 15, 2016, 09:15:58 AM »
নামাজ মুমিনের জন্য মিরাজস্বরূপ। নামাজের মাধ্যমে মানুষ দৈনিক পাঁচবার আল্লাহ তাআলার দরবারে উপস্থিত হন। এ নামাজে মানুষ না জানার কারণে অথবা অনেকে মনের ভুলে এমন অনেক কাজ করে থাকেন, যা থেকে বিরত থাকা জরুরি। নামাজে মুসল্লির বিরত থাকার কিছু ‍বিষয় তুলে ধরা হলো-

১. নামাজি ব্যক্তির জন্য এদিক-ওদিক তাকানো নিষেধ। তবে বিপদ বা প্রয়োজনে তাকানো যাবে।
২. নামাজ পড়ার সময় দুই চোখ বন্ধ করা ও মখু মণ্ডল ঢেকে রাখা যাবে না।
৩. দুই পায়ের পাতা খাড়া করে উরুর ওপর ভর দিয়ে বসা যাবে না। যা দেখতে অনেকটা কুকুরের বসার মতো দেখা যায়।
৪. প্রয়োজন ছাড়া নামাজে নড়াচড়া ও অনর্থক কাজ করা যাবে না।
৫. কোমরে হাত রাখা বা কোমরে ভর দেয়া যাবে না।
৫. যে জিনিস দৃষ্টিতে আসলে নামাজের বিঘ্ন ঘটে বা অন্যমনষ্ক করে দেয়; নামাজে এমন জিনিসের দিকে দৃষ্টি দেয়া যাবে না।
৬. নামাজে সিজদার সময় উভয় হাতকে বিছিয়ে দেয়া যাবে না। অর্থাৎ হাতের তালু থেকে শুরু করে কনুই পর্যন্ত বিছিয়ে সিজদা করা যাবে না।
৭. পেশাব বা পায়খানার বেগ রেখে কিংবা হাওয়া আটকিয়ে রেখে নামাজ আদায় করা যাবে না।
বিশেষ করে নামাজের সময় যদি কারো পেশাব, পায়খানা বা হাওয়া বের হওয়ার বেগ হয়; তাদের জন্য আবশ্যক কর্তব্য হলো অজু নষ্ট করে পেশাব, পায়খানা বা হাওয়া ত্যাগ করে তারপর নতুন করে অজু করে নামাজ আদায় করা। যদি পানি পাওয়া না যায় তবে তায়াম্মুম করে নামাজ আদায় করা। এটাই নামাজ আদায়ের উত্তম পন্থা।
৮. নামাজের পূর্ব মূহুর্তে খানা হাজির হলে,খাওয়ার ইচ্ছা থাকলে এবং নামাজের পূর্বে খাবার খেয়ে নেয়ার সুযোগ থাকলে তা খেয়ে নামাজ আদায় করা।
৯. লুঙ্গি, পায়জামা অথবা প্যান্ট ইত্যাদি টাখনুর নিচে ঝুলিয়ে রেখে নামাজ আদায় করা যাবে না।
১০. মখুমণ্ডল বা নাক ঢেকে রাখা যাবে না। অনুরূপভাবে চুল বা কাপড় জমা করে রাখা যাবে না।
১১. ইচ্ছাকৃতভাবে নামাজে হাই উঠানো যাবে না।
১২. নামাজের সময় মসজিদে থুথু ফেলা অন্যায় কাজ। তাই এ রকম করা যাবে না।
১৩. নামাজরত অবস্থায় কিবলার দিকে থুথু ফেলা যাবে না। নামাজের বাইরেও ইহা নাজায়েজ।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে নামাজ আদায়ের সময় এ বিষয়গুলোর প্রতি যথাযথভাবে খেয়াল রাখার তাওফিক দান করুন। আমিন।

50
Pain / Shoulder and neck pain will go away
« on: September 01, 2016, 10:13:37 AM »
সঠিক ভঙ্গিতে না বসে ল্যাপটপ বা কম্পিউটারে বেশিক্ষণ কাজ করলে কাঁধ ও ঘাড়ে ব্যথা শুরু হতে পারে। এবং এর ফলে কাজে মন বসানো যায় না। বেশিক্ষণ মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও কাঁধ, ঘাড়ের ব্যথার সমস্যায় পড়া লাগতে পারে।

 

এ ছাড়া গলব্লাডারে কোনো সমস্যা, লিভার বা হৃদপিণ্ডে কোনো গন্ডগোল হলে তার প্রভাব পড়তে পারে কাঁধ বা ঘাড়ে। পুরনো কোনো ব্যথা, স্পন্ডিলাইটিস অথবা ঘুমের সময়ে ঠিকভাবে না শুয়ে থাকলেও এমনটা হতে পারে। আপনার ঘাড়ে বা কাঁধে কী ধরনের ব্যথা হচ্ছে, তা কী সাময়িক নাকি ক্রনিক ব্যথায় কষ্ট পাচ্ছেন সেটা বুঝে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

 

তবে আপনার কাঁধ বা ঘাড়ে ব্যথা যদি সহ্যের মধ্যে থাকে, তাহলে এই অস্বস্তিকর ব্যথা পুরোপুরি দূর করতে কিছু ঘরোয়া উপায় জেনে রাখুন।

 

* ঠান্ডা প্রলেপ : বরফের টুকরো গ্লাসে বা প্যাকেটে ভরে ব্যথা জায়গায় দিতে পারেন। এতে কিছুক্ষণের জন্য ব্যথা বোধ অনুভূত হবে না। এভাবে আস্তে আস্তে ব্যথা কমবে।

 

* লবণ পানিতে গোসল : হালকা গরম পানিতে একটু এপসম লবণ মিশিয়ে গোসল করতে পারেন। এতে রক্ত সঞ্চালন ভালো হবে। এবং ক্লান্ত মাংসপেশি আরাম পাবে।

 

* গরম ভাপ : শুধু কাঁধ-ঘাড়ে ব্যথার জন্যই নয়, যেকোনো জায়গার ব্যথা কমাতেই এটি অব্যর্থ। হট ওয়াটার ব্যাগে গরম পানি ভরে ব্যথা জায়গায় চেপে রাখুন।

 

* হলুদ : নারকেল তেলে হলুদ মিশিয়ে সেই প্রলেপ ব্যথা জায়গায় লাগান।

 

* আদা চা : আদায় এমন উপাদান রয়েছে যা শরীরে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে। যার ফলে ব্যথা সেরে যায়। গ্রিন টি-র মধ্যে আদা ও মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস উপকারে আসবে।

 

* আপেল সিডার ভিনেগার : কাঁধ ও ঘাড়ের ব্যথা সহ শরীরের যেকোনো ব্যথা দূর করতে আপেল সিডার ভিনেগার বেশ উপকারী। গরম পানিতে ভিনেগার মিশিয়ে ক্লান্ত মাংসপেশিকে সবল করে তুলতে পারেন। এছাড়া ভিনেগার ও মধু পানিতে মিশিয়ে সেটি খেলেও উপকার পাবেন।

 

তথ্যসূত্র : ওয়ান ইন্ডিয়া।

51
Body Fitness / 6. solving problems guava leaf tea
« on: September 01, 2016, 10:03:45 AM »
পেয়ারা সকলের পছন্দের একটি ফল। এবং এর পুষ্টিগুণও অনেক-এটা সকলেরই জানা। কিন্তু পেয়ারা পাতার গুণ সম্পর্কে জানা আছে কী? পেয়ারা পাতার গুণও কিন্তু কম নয়। বিশেষ করে চায়ের ক্ষেত্রে।

 

চায়ের মধ্যে কচি পেয়ারা পাতা ফুটিয়ে খাওয়ার রেওয়াজ রয়েছে মেক্সিকো এবং দক্ষিণ আমেরিকার অনেক দেশে। পুষ্টিবিদদের মতে, পেয়ারা পাতায় রয়েছে ভিটামিন সি। এছাড়াও এমন অনেক উপাদান রয়েছে যা আমাদের নানাবিধ রোগ সারাতে কাজে লাগে।

 

* ডায়রিয়া:‌ এই রোগের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়াকে নির্মূল করার ক্ষমতা রাখে পেয়ার পাতার চা। পেটের ব্যথাও কমায়।

 

* কোলেস্টেরল:‌ একটি গবেষণায় দেখা গেছে, পেয়ারা পাতার চা আট সপ্তাহ খেলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।

 

* ডায়াবেটিস:‌ পেয়ারা পাতাকে ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় ব্যবহার করা যায়। খাওয়াদাওয়ার পর পেয়ারা পাতার চা খেলে রক্তের দু‌ই ‌ধরনের সুগার- সুক্রোজ এবং মেলাটোজ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

 

* ওজন হ্রাস:‌ জটিল শ্বেতসারকে ঝরাতে সাহায্য করে পেয়ারা পাতায় থাকা উপাদান। তাই পেয়ারা পাতার রস বা চা খেতে পারেন।

 

* সর্দি-কাশি:‌ পেয়ারা পাতা ভিটামিন সি এবং আয়রনে সমৃদ্ধ। সর্দি-কাশিতে শ্লেষ্মা কমাতে পেয়ারা পাতার চা কিংবা পেয়ারা পাতা ফুটানো পানি দিয়ে কুলকুচি উপকারী।

 

* দাঁত ব্যথা:‌ পেয়ারা পাতার চা দাঁত ব্যথা, মাড়ি ফুলে যাওয়ার মতো রোগ সারাতে পারে। পাতা বাটা পেস্ট করে দাঁত মাজলেও উপকার পাবেন।

 
 

52
Stomach / Food in the stomach ulcers that heal
« on: September 01, 2016, 09:55:23 AM »
পেটের আলসারকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় পেপটিক আলসার বলা হয়। জনসাধারণের কাছে এটি গ্যাসট্রিক আলসার নামেই বেশি পরিচিত, যা অতি পরিচিত একটি রোগ। অনেকেই এ সমস্যায় আক্রান্ত।

 

পেটের ভেতর ক্ষত বা ঘা হওয়াকে আলসার বলা হয়। পেটের দেয়ালে হওয়া ঘায়ের সঙ্গে খাবারের মধ্যে থাকা মসলা, তরল ইত্যাদির সংস্পর্শ হলে বা অ্যাসিডিটি হলে পেটে প্রচণ্ড ব্যথা হয়, গ্যাসট্রাইটিসের সমস্যা হয়, পেট জ্বালা করতে থাকে, যা সহ্য করা একেক সময় অসম্ভব হয়ে ওঠে। এটিকে সাধারণ রোগ ভেবে অবহেলা করলে পরবর্তী সময়ে এটি অনেক মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে। শুরুতে যদি সঠিক চিকিৎসা নেওয়া যায় তবে সম্পূর্ণভাবে আলসার ভালো হয়ে যেতে পারে।

 

আলসার ধরা পড়ার পর চিকিৎসার মাধ্যমে সারানো যায়। বস্তুত আলসার সারানোর নানা উপায় রয়েছে। জেনে নিন, কোন কোন খাবার ডায়েট চার্টে থাকলে আলসার সারতে পারে।

 

* মধু: মধু এমন একটি অ্যান্টিসেপটিক, যা যেকোনো জ্বালা-পোড়া বা ঘা সারাতে লড়াই করে। মধু খেলে আলসার আর বাড়ে না। বরং ধীরে ধীরে কমবে।

 

* টক দই : কম ফ্যাটের ডেইরি প্রোডাক্ট, বিশেষ করে দই আলসার সারাতে অসাধারণ কাজ করে।

 

* বাঁধাকপি  : বাঁধাকপিতে থাকে এস-মেথিলমেথিওনাইন, যা আলসারের সঙ্গে লড়াই করে তা সারাতে সাহায্য করে।

 

* অঙ্কুরিত ছোলা বা ডাল : অঙ্কুরিত ছোলা বা ডাল খেলে পেটের মধ্যে থাকা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া নির্মূল হয়। পেট ভালো থাকে।

 

* ফুলকপি : বাঁধাকপির মতো ফুলকপিও পেটের পক্ষে উপকারী। এর মধ্যে রয়েছে অত্যধিক পরিমাণে সালফোরাফেন, যা পেটের আলসার সারাতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে এর মধ্যে থাকা ভিটামিন সি ও ফাইবার পেটের সুরক্ষা করে।

 

* ফাইবার ফুড : ফাইবার বেশি মাত্রায় রয়েছে, এমন খাবার পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। আলসারেও তা অব্যর্থ কাজ করে।

 

* নাশপাতি : নাশপাতিতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা আলসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এ ছাড়া বেশি পরিমাণে ফাইবার হজমে সাহায্য করে।

 

* তেল : সব তেল নয়, অলিভ অয়েল ও সূর্যমুখী তেল পেটের আলসারে ভালো কাজ দেয়।

 

* ব্রকোলি: ফুলকপির মতো দেখতে আলসার সারাতে মোক্ষম এই সবজিকে স্থান দিন আপনার ডায়েট চার্টে।

 

তথ্যসূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া


তথ্যসূত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া

53
Fruit / For this reason, more and more good to eat green apple
« on: September 01, 2016, 09:45:17 AM »
সারা পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি খাওয়া হয় যে ফলটি তা হচ্ছে আপেল। বেশিরভাগ মানুষই লাল আপেল খেয়ে থাকেন। যেহেতু লাল আপেল হজমে সাহায্য করে, উচ্চ রক্তচাপ কমায়, দাঁতের ছিদ্র হওয়া প্রতিরোধ করে এবং নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর করে। আপেল নিয়ে প্রচলিত জনপ্রিয় প্রবাদ – “প্রতিদিন একটি আপেল খেলে ডাক্তারের কাছে যেতে হয়না” এর কথা মনে আসলেই আমাদের মনে পড়ে লাল আপেলের কথা। লাল আপেলের নিকটাত্মীয় হচ্ছে সবুজ আপেল যার কৃতিত্বের স্বীকৃতি সে পায়না। সবুজ আপেল ভিটামন এ, সি ও কে তে সমৃদ্ধ। এছাড়াও সবুজ আপেল আয়রন, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফ্ল্যাভোনয়েডের সমৃদ্ধ উৎস। নিয়মিত সবুজ আপেল খাওয়ার উপকারিতাগুলোর বিষয়ে জেনে নিই চলুন।

১। ফুসফুসের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়

গবেষণায় জানা যায় যে, সবুজ আপেল খেলে অ্যাজমার ঝুঁকি কমে যেহেতু এটি ফ্ল্যাভোনয়েড সমৃদ্ধ। অ্যাজমার ঝুঁকি কমানোর সাথে ফ্ল্যাভোনয়েড সম্পর্কযুক্ত বলে  দাবী করেন গবেষকেরা। এটি ছাড়াও সবুজ আপেল ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় নারীদের ক্ষেত্রে ২১% পর্যন্ত।

২। ব্লাড ক্লট প্রতিরোধে সাহায্য করে

সবুজ আপেলে রুটিন নামক রাসায়নিক যৌগের উপস্থিতির কারণে রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধে সাহায্য করে। এর কারণ হচ্ছে রুটিন রক্ত জমাট বাঁধার এনজাইমকে আটক করে ফেলে। গবেষকেরা বলেন এই আবিষ্কারটি হৃদরোগ ও স্ট্রোকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে সাহায্য করে। এক গ্লাস  সবুজ আপেলের জুস বা আস্ত সবুজ আপেল খেলে আপনাকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করবে।

৩। মেটাবোলিজমের উন্নতি ঘটায়

সবুজ আপেল হজমের জন্য অত্যন্ত ভালো। এটি পেট ফাঁপা প্রতিরোধে সাহায্য করে এবং পাকস্থলী থেকে যেকোন বিষাক্ত উপাদান বের করে দিতে সাহায্য করে। সবুজ আপেলে ফাইবার থাকে বলে সহজে হজম হয় এবং বিপাক ক্রিয়া বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। এছাড়াও এটি হতে পারে আদর্শ স্ন্যাক্স যা ক্ষুধা নিবারণ করে এবং অন্য চিনিযুক্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত রাখে।

৪। হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়

সবুজ আপেল খাওয়া নারীদের জন্য বিশেষ উপকারী কারণ এটি পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন কে এ পরিপূর্ণ থাকে। গবেষণায় জানা গেছে যে, ভিটামিন কে নারীদের অষ্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে এবং সার্বিক হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সাহায্য করে।

৫। অকালে ত্বকের বয়স বৃদ্ধির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে

সবুজ আপেল ভিটামিন এ, সি এমনকি অ্যান্টি অক্সিডেন্টের ও ভালো উৎস। তাই ত্বকে বয়সের ছাপ পড়া প্রতিরোধ করে এবং ত্বককে স্বাস্থ্যবান রাখতে সাহায্য করে সবুজ আপেল।

৬। দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখে

যদি আপনি আপনার চোখ ও দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে চান তাহলে সবুজ আপেল খাওয়া শুরু করুন। যেহেতু সবুজ আপেলে ভিটামিন এ থাকে তাই এটি চোখের স্বাস্থ্য রক্ষায় কাজ করে।

৭। ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য ভালো

যদি আপনি ডায়াবেটিকে আক্রান্ত হয়ে থাকেন তাহলে লাল আপেলের পরিবর্তে সবুজ আপেল খান। ডাক্তারদের মতে সবুজ আপেলে লাল আপেলের তুলনায় চিনির পরিমাণ কম থাকে এবং ফাইবার বেশি থাকে। সবুজ আপেল টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়।

৮। কার্ডিওভাস্কুলার ডিজিজ প্রতিরোধ করে

সবুজ আপেল এবং ফ্ল্যাভোনয়েড সমৃদ্ধ অন্যান্য খাদ্য খেলে কার্ডিওভাস্কুলার ডিজিজের ঝুঁকি ৩৫% কমে। অন্য একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে সমস্ত নারীরা লাল ও সবুজ আপেল উভয়টিই নিয়মিত খান তাদের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ১৩-২২% পর্যন্ত কমে। এর কারণ এই ফলটি খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে পারে।

প্রিয়.কম .............

54
যে কোনো কাজে তাড়াহুড়া করা মানুষের জন্মগত স্বভাব। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ বলেন, “মানুষ খুব দ্রুততা প্রিয়।” [বনী ইসরাঈল, আয়াত: ১১]

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “ধীরস্থিরতা আল্লাহর পক্ষ থেকে আর তাড়াহুড়া শয়তানের পক্ষ থেকে”। [তিরমিযী; মিশকাত, হাদীস নং ৫০৫৫; সিলসিলা সহীহাহ, হাদীস নং ১৭৯৫]

জামাআতের মধ্যে লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে, ডানে-বামে অনেক মুসল্লী ইমামের রুকু-সাজদায় যাওয়ার আগেই রুকু-সাজদায় চলে যাচ্ছে। এমনকি লক্ষ্য করলে নিজের মধ্যেও এ প্রবণতা দেখা যায়। উঠা-বসার তাকবীরগুলোতে তো এটা হরহামেশাই হতে দেখা যায়। এমনকি অনেকে ইমামের আগে সালামও ফিরিয়ে ফেলে। বিষয়টি অনেকের নিকটই গুরুত্ব পায় না। অথচ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এজন্য কঠোর শাস্তির হুমকি শুনিয়েছেন। তিনি বলেন, “সাবধান! যে ব্যক্তি ইমামের আগে মাথা তোলে তার কি ভয় হয় না যে, আল্লাহ তার মাথাটা গাধার মাথায় রূপান্তরিত করতে পারেন”? [সহীহ বুখারী; মুসলিম; মিশকাত, হাদীস নং ১১৪১]

একজন মুসল্লীকে যখন ধীরে সুস্থে সালাতে উপস্থিত হওয়ার কথা বলা হয়েছে এবং তাড়াতাড়ি বা দ্রুত পায়ে নিষেধ করা হয়েছে । [সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬৩৬; মুসনাদে আহমদ, হাদীস নং ১০৯০০৬]

তখন স্বীয় সালাত যে ধীরে-সুস্থে আদায় করতে হবে তাতে আর সন্দেহ কি? আবার কিছু লোকের নিকট ইমামের আগে গমন ও পিছনে পড়ে থাকার বিষয়টি তালগোল পাকিয়ে যায়। তাই মুজতাহিদগণ এজন্য একটি সুন্দর নিয়ম উল্লেখ করেছেন। তা হলো, ইমাম যখন তাকবীর শেষ করবেন মুক্তাদী তখন নড়াচড়া শুরু করবে। ইমাম ‘আল্লাহু আকবার এর ‘র’ বর্ণ উচ্চারণ করা মাত্রই মুক্তাদী রুকু-সাজদাহয় যাওয়ার জন্য মাথা নীচু করা শুরু করবে। অনুরূপভাবে রুকু থেকে মাথা তোলার সময় ইমামের ‘সামি‘আল্লাহু লিমান হামিদাহ’-এর ‘হ’ বর্ণ উচ্চারণ শেষ হলে মুক্তাদী মাথা তুলবে। এর আগেও করবে না, পরেও না। এভাবে সমস্যাটা দূর হয়ে যাবে।

সাহাবীগণ যাতে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আগে চলে না যান সে বিষয়ে খুব সতর্ক ও সচেষ্ট থাকতেন। বারা ইবন আযিব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, “সাহাবীগণ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পিছনে সালাত আদায় করতেন। যখন তিনি রুকু থেকে মাথা তুলতেন তখন আমি এমন একজনকেও দেখি নি যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কপাল মাটিতে রাখার আগে তার পিঠ বাঁকা করেছে। তিনি সাজদায় গিয়ে সারলে তারা তখন সাজদায় লুটিয়ে পড়তেন”। [সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৪৭৪]

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন একটু বুড়িয়ে যান এবং তাঁর নড়াচড়ায় মন্থরতা দেখা দেয়, তখন তিনি তাঁর পিছনের মুক্তাদীদের এ বলে সতর্ক করে দেন যে, “হে লোকেরা! আমার দেহ ভারী হয়ে গেছে। সুতরাং তোমরা রুকু-সাজদায় আমার আগে চলে যেও না”। [বায়হাকী; সিলসিলা সহীহাহ, হাদীস নং ১৭২৫]

অপরদিকে ইমামকেও সালাতের তাকবীরে সুন্নাত মোতাবেক আমল করা জরুরি। এ সম্পর্কে আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বর্ণিত একটি হাদীসে এসেছে, “রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাতে দাঁড়াতেন তখন শুরুতে তাকবীর বলতেন। তারপর যখন রুকুতে যেতেন তখন তাকবীর বলতেন। তারপর বলতেন, ‘সামি‘আল্লাহু লিমান হামিদাহ’ যখন রুকু থেকে পিঠ সোজা করতেন। তারপর দাঁড়ানো অবস্থায় বলতেন, ‘রাব্বানা লাকাল হামদ’ বর্ণনাকারী আবদুল্লাহ ইবন সালেহ তার উস্তাদ লাইস থেকে বর্ণনা করেন, ‘ওয়ালাকাল হামদ’। অতঃপর যখন সাজদায় যেতেন তখন তাকবীর বলতেন। অতঃপর যখন সাজদাহ থেকে মাথা উঠাতেন তখন তাকবীর বলতেন, তারপর যখন (দ্বিতীয়) সিজদায় যেতেন তখন তাকবীর বলতেন, সাজদাহ থেকে মাথা তুলতে তাকবীর বলতেন। এভাবে সালাত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকবীর বলতেন। আর দ্বিতীয় রাকাতে বৈঠক শেষে দাঁড়ানোর সময়ও তাকবীর বলতেন”। [সহীহ বুখারী; সহীহ মুসলিম; মিশকাত, হাদীস নং ৭৯৯]

সুতরাং এভাবে ইমাম যখন সালাতে উঠা-বসার সঙ্গে তার তাকবীরকে সমন্বিত করে একই সাথে আদায় করবেন এবং মুক্তাদীগণও উল্লিখিত নিয়ম মেনে চলবে তখন সবারই জামা‘আতের বিধান ঠিক হয়ে যাবে।

মূল : শাইখ মুহাম্মাদ সালেহ আল-মুনাজ্জিদ

55
Skin / For that reason mosquitoes attack you more
« on: May 16, 2016, 10:54:41 AM »
(প্রিয়.কম)- রক্তের গন্ধ পেলেই দলে দলে ছুটে আসে মশা। কিন্তু সবাইকে একভাবে আক্রমণ করে না। কিছু কিছু মানুষকে মশা খুব বেশিই উৎপাত করে। এটা আসলেই সত্যি, নাকি আমাদের মনের ভুল? না, মনের ভুল না। ব্যাপারটা আসলে গবেষণা থেকে প্রমাণিত। কিছু মানুষকে আসলেই মশারা কামড়ে বেশি সুখ পায়। তার কারণ হলো এসব মানুষের ডিএনএ।
 
গবেষকেরা দেখেন, কিছু মানুষের পায়ের গন্ধ মশাকে আকৃষ্ট করে সুগন্ধি পনিরের মতো। এর মানে এই নয় যে আপনার পা ময়লা। বরং আপনার ডিএনএ-র জন্যই মশাদের কাছে আপনি উৎকৃষ্ট একটি খাবার। টাইপ ও রক্ত থাকলে এবং গর্ভাবস্থায় অবশ্য মশা স্বাভাবিকের চাইতে একটু বেশি কামড়ায়, তার ডিএনএ যেমনই হোক।
 
লন্ডনের গবেষকেরা সম্প্রতি মশাদের এই আকর্ষণের পেছনে জেনেটিক কারণ উদ্ঘাটন করতে আটঘাট বেঁধে লাগেন। ১৮ জোড়া আইডেন্টিকাল এবং ১৯ জোড়া ফ্র্যাটারনাল যমজ নারীকে এই গবেষণায় নেওয়া হয়। কিছু পরীক্ষায় ২০টা করে মশাকে ছেড়ে দেওয়া হয় একজোড়া যমজের যে কোনো একজনকে কামড়াতে। ৩৭ জোড়া যমজের ওপর গবেষণার শেষে দেখা যায়, আইডেন্টিকাল টুইনদেরকে মশারা মোটামুটি একই পরিমাণে কামড়ায়। কিন্তু ফ্র্যাটারনাল টুইন অর্থাৎ যাদের ডিএনএতে পার্থক্য থাকে, তাদের প্রতি মশার আকর্ষণটাও হয় ভিন্ন। মোটামুটিভাবে একজন মানুষকে পোকা কতটা উত্যক্ত করবে তার ৬৭ শতাংশ নির্ভর করে তার জিনের ওপর।
 
 
তারমানে কী, ডিএনএ এর দোষে আমাদের শরীর মশা আকৃষ্ট করার গন্ধ উৎপাদন করে? না, ব্যাপারটা আরেকটু মজার। ডিএনএ আকৃষ্ট করে বিশেষ কিছু মাইক্রোব্যাক্টেরিয়াকে। এসব ব্যাকটেরিয়া আবার মশাকে আকৃষ্ট করে আমাদের শরীর পর্যন্ত। শুনে গা গুলিয়ে উঠল বুঝি? তাহলে শুনুন, প্রতিটি মানুষ এই মুহূর্তে ১০০ ট্রিলিয়ন অণুজীবে আবৃত হয়ে আছে। এর পরিমাণ আমাদের মোট ডিএনএ এর চাইতে ১০ গুণ বেশি। আমাদের প্রত্যেকেরই শরীরের এই জীবাণুর সমষ্টি অর্থাৎ “মাইক্রোবায়োম” আলাদা। এর কারণে একেক মানুষের শরীরের গন্ধ একেক রকমের হয়।
 
একেক ধরণের মশা শরীরের একেক অংশের গন্ধ পছন্দ করে। এডিস গ্যাম্বি নামের ম্যালেরিয়া ছড়ানো মশাটি হাত ও পায়ে কামড়াতে পছন্দ করে। কেউ কেউ আবার সোজা বগল এবং কুঁচকির ত্বক আক্রমণ করে। ঠিক কী করে এই বিপত্তি এড়াবেন আপনি? আপনিও যদি এমন কেউ হন যাকে মশারা বিশেষভাবে পছন্দ করে, তাহলে আপনি করতে পারেন কিছু কাজ-
 
- DEET, লেমন ইউক্যালিপটাস অয়েল, icaridin অথবা IR3535 এসব রিপেলেন্ট দিয়ে এদেরকে দূরে রাখতে পারেন
- পারমাথ্রিন নামের রাসায়নিকযুক্ত পোশাক পরতে পারেন যা মশাকে দূরে রাখে
- ত্বক শুষ্ক রাখুন যতটা সম্ভব, উষ্ণ ও ঘর্মাক্ত ত্বক মশাকে আকৃষ্ট করে
- অ্যালকোহল পান থেকে বিরত থাকুন
 
সাধারণত এমন কোনো খাবার নেই যেটা খেলে মশা আপনার থেকে দূরে থাকবে। অনেকে মনে করেন রসুন অথবা ভিটামিন বি সাপ্লিমেন্ট খেলে মশা দূর হয় কিন্তু এর কোনো প্রমাণ নেই। সুতরাং মশা দূরে রাখার জন্য প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম রিপেলেন্ট ব্যবহার করাটাই আপনার জন্য ভালো উপায়।

56
Life Style / 5 ways to say goodbye to sweat durgandhake
« on: May 16, 2016, 10:50:26 AM »
(প্রিয়.কম)- গরমে ঘাম হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু অনেকের ঘামে বিশ্রী দুর্গন্ধ থাকে। সুতির কাপড় পরে এবং ভাল মানের ডিওডোরেন্ট  ব্যবহার করেও এই দুর্গন্ধ দূর করা সম্ভব হয় না। যার কারণে পড়তে হয়ে অনেক বিব্রতকর সমস্যায়। মূলত এই দুর্গন্ধের জন্য জন্য ব্যাকটেরিয়া দায়ী, যা ঘাম থেকে সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে এই ঘাম থেকে সৃষ্টি হয় বিভিন্ন রোগের। ডিওডোরেন্ট একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কাজ করে তারপর আবার ঘামের প্রকট হয়ে উঠে ঘামের দুর্গন্ধ। দেখে নিন কিছু প্রতিকার।

১। বেকিং সোডা

এক টেবিল চামচ বেকিং সোডা এবং লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এটি হাতের বগলে এবং শরীরের অন্যান্য অংশে, যেখানে ঘাম বেশি হয় সেসব স্থানে লাগান। কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এরপর গোসল করুন। এটি দিনে একবার করে কয়েক সপ্তাহ ব্যবহার করুন।

২। লেবুর রস

খুব সহজ এবং  ঝামেলাবিহীন একটি উপায় এটি। লেবু অর্ধেকটা কেটে নিন। এটি দিয়ে দুর্গন্ধের স্থানে ঘষুন। এছাড়া লেবুর রস বের করে নিন। একটি তুলোর বল দিয়ে এটি বগলে লাগান। লেবুর রসে অ্যালার্জি থাকলে এতে সামান্য পানি মিশিয়ে নিতে পারেন। শেভিং করার পর লেবুর রস ব্যবহার করবেন না। এটি জ্বালাপোড়া সৃষ্টি করতে পারে।

৩। অ্যাপেল সিডার ভিনেগার

ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলে ঘামের দুর্গন্ধ দূর করতে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার অতুলনীয়। এটি শরীরের পিএইচ লেভেল ঠিক রেখে ঘামের দুর্গন্ধ দূর করে দেয়।

অ্যাপেল সিডার ভিনেগারে একটি তুলোর বল ভিজিয়ে নিন। এবার এটি ঘাম হওয়ার স্থানগুলোতে ঘষুন। ২ থেকে ৩ মিনিট অপেক্ষা করুন। তারপর গোসল করুন। এটি সকালে এবং রাতে একবার করুন।  এছাড়া কুসুম গরম পানিতে এক কাপ অ্যাপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে নিন। এই পানি দিয়ে প্রতিদিন গোসল করুন। দেখবেন অল্প কিছুদিনের মধ্যে ঘামের দুর্গন্ধ দূর হয়ে গেছে।

৪। টি ট্রি অয়েল

টি ট্রি অয়েলের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টিসেপটিক উপাদান ত্বকের ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে দেয়। এক আউন্স পানিতে দুই ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে নিন। এবার এটি একটি স্প্রে বোতলে ঢুকিয়ে ব্যবহার করুন।

৫।  টমেটো

৭/৮ টি টমেটোর রস বের করে নিন। এবার এক বালতি পানিতে টমেটোর রস দিয়ে দিন। এই পানি দিয়ে গোসল করুন। এটি প্রতিদিন করুন। কিছুদিনের মধ্যে ঘাম হতে দুর্গন্ধ হওয়া বন্ধ হয়ে যাবে। প্রতিদিন দুই গ্লাস টমেটোর জুস খান, এটিও ঘামের দুর্গন্ধ দূর করে দেবে।

টিপস:

১। সুতি এবং আরামদায়ক কাপড় পরিধান করুন।

২। প্রচুর পরিমাণ পানি পান করুন।

৩। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় শাকসবজি এবং ফল রাখুন।

57
Stroke / Chinese method to cure stroke
« on: May 03, 2016, 11:23:11 AM »
চীনের অধ্যাপকরা বলছেন যে কারো স্ট্রোক হচ্ছে
যদি এমন দেখেন তাহলে আপনাকে নিম্নলিখিত
পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।
যখন কেউ স্ট্রোকে আক্রান্ত হয় তার মস্তিষ্ক কোষ
ধীরে ধীরে প্রসারিত হয়।মানুষের ফার্স্ট এইড
এবং বিশ্রামের প্রয়োজন হয়।

যদি দেখেন স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তিকে সরানো
যাবে না কারন মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বিস্ফোরিত
হতে পারে, এটা ভাল হবে যদি আপনার বাড়ীতে
পিচকারি সুই থাকে, অথবা সেলাই সুই থাকলেও
চলবে, আপনি
কয়েক সেকেন্ডের জন্য আগুনের শিখার উপরে
সুচটিকে গরম করে নেবেন যাতে করে জীবাণুমুক্ত
হয় এবং তারপর রোগীর হাতের 10আঙ্গুলের ডগার
নরম অংশে ছোট ক্ষত করতে এটি ব্যবহার করুন।

এমনভাবে করুন যাতে প্রতিটি আঙুল থেকে রক্তপাত
হয়, কোন অভিজ্ঞতা বা পূর্ববর্তী জ্ঞানের প্রয়োজন
হবে না।
কেবলমাত্র নিশ্চিন্ত করুন যে আঙ্গুল থেকে যথেষ্ট
পরিমাণে রক্তপাত হচ্ছে কি না।
এবার 10 আঙ্গুলের রক্তপাত চলাকালীন, কয়েক
মিনিটের জন্য অপেক্ষা করুন দেখবেন ধীরে ধীরে
রোগী সুস্থ হয়ে উঠছে।

যদি আক্রান্ত ব্যক্তির মুখ বিকৃত হয় তাহলে তার
কানে ম্যাসেজ করুন। এমনভাবে তার কান ম্যাসেজ
করুন যাতে ম্যাসেজের ফলে তার কান লাল হয়ে যায়
এবং এর অর্থ হচ্ছে কানে রক্ত পৌঁছেছে।
তারপর প্রতিটি কান থেকে দুইফোঁটা রক্ত পড়ার
জন্য প্রতিটি কানের নরম অংশে সুচ ফুটান।কয়েক
মিনিট অপেক্ষা করুন দেখবেন মুখ আর বিকৃত হবে
না।আরও অন্যান্য উপসর্গ দেখা যায়। যতক্ষণ না
রোগী মোটামুটি স্বাভাবিক হচ্ছে অপেক্ষা করুন।

কিছুক্ষণ অপেক্ষা করেই যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি
হাসপাতালে ভর্তি করান।
জীবন বাঁচাতে রক্তক্ষয় পদ্ধতি চীনে প্রথাগত
ভাবে চিকিৎসার অংশ হিসেবে ব্যবহার হয়ে
আসছে। এবং এই পদ্ধতির ব্যবহারিক প্রয়োগ,100%
কার্যকরী প্রমাণিত হয়েছে।

সৌজন্যে আমরাইতো ডট কম

58
Skin / 6 ways to say goodbye domestic ghamacike
« on: April 20, 2016, 09:50:24 AM »
(প্রিয়.কম)- গরমে ত্বকের যে সমস্যাটায় কম বেশি সবাইকে ভুগতে হয়, তা হল ঘামাচি। ঘাড়, পিঠ, গলা, হাত, মুখ সহ শরীরের নানা স্থানে লাল ছোট ছোট ঘামাচি দেখা দেয়। অস্বস্তিকর এই ঘামাচি অনেক সময় চুলকানির উদ্ভব করে যা থেকে শরীরের নানা স্থানে লালচে ভাব দেখা দিয়ে থাকে। অসহ্যকর এই ঘামচি চিরতরে দূর করুন সহজ কিছু ঘরোয়া উপায়ে।
১। চন্দনের গুঁড়ো
সমপরিমাণে চন্দনের গুঁড়ো এবং গোলাপ জল মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এবার এই পেস্টটি ঘামাচির স্থানে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি দিনে দুইবার ব্যবহার করুন। এছাড়া দুই টেবিল চামচ চন্দনের গুঁড়ো এবং ধনিয়া গুঁড়োর সাথে গোলাপ জল মিশিয়ে নিন। ঘামাচির উপরে এই পেস্টটি লাগিয়ে দিন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে দিন। এটি সপ্তাহে দুইবার ব্যবহার করুন। চন্দন ঘামাচির দূর করে শরীরে একটি ঠান্ডা ভাব দেয়।
২। ওটমিল
ঘামচির র্যাহশ দূর করতে বেশ জনপ্রিয় প্রাচীন একটি উপায় হল ওটমিল। এর অ্যান্টি ইরিটেটিং, অ্যান্টি ইনফ্লামেনটরি উপাদান ত্বকে আরাম দিয়ে থাকে। ঠান্ডা পানির মধ্যে এক কাপ ওটমিলের গুঁড়ো ভাল করে মিশিয়ে নিন। এইবার এই পানিতে ২০-৩০ মিনিট ঘামাচির স্থানে ডুবিয়ে রাখুন। এটি সপ্তাহে দুইবার করুন।
৩। বেসন
বেসন এবং পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টটি ঘামাচির স্থানে লাগিয়ে নিন। ১৫ মিনিট পর শুকিয়ে গেলে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি চুলকানি দূর করে ঘামাচি দূর করে দেবে।
৪। ঠান্ডার সেঁক
বরফ একটি কাপড়ে পেঁচিয়ে নিন। এবার এটি ঘামাচির স্থানে ৫ থেকে ১০ মিনিট সেঁক দিন। এটি ঘামাচি মেরে ফেলে লাল হওয়া কমিয়ে দিয়ে থাকে। এছাড়া একটি সুতির কাপড় ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে ঘামাচির স্থানে ৫ থেকে ১০ মিনিট রাখুন। এটি দিনে ৩ থেকে ৪ বার করুন।
৫। মুলতানি মাটি
পাঁচ টেবিল চামচ মুলতানি মাটির সাথে দুই অথবা তিন টেবিল চামচ গোলাপ জল মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন। এই পেস্টটি ঘামাচির স্থানে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি প্রতিদিন ব্যবহার করুন।
৬। নিম
এক মুঠো নিম পাতা গুঁড়ো করে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই পেস্টটি ঘামাচির স্থানে লাগিয়ে নিন। শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন। এছাড়া এক মুঠো নিমের পাতা দুই কাপ পানিতে ২০ মিনিট ফুটিয়ে নিন। ঠান্ডা হলে এই পানিতে সুতির কাপড় ভিজিয়ে এটি ঘামাচির স্থানে লাগিয়ে রাখুন। এটি দিনে চার থেকে পাঁচবার করুন।

59
Quran / Manners of reciting the Quran Kareem
« on: April 16, 2016, 04:08:31 PM »
পৃথিবীর বুকে মানুষের জন্য আল্লাহতায়ালার পক্ষ থেকে সর্বশ্রেষ্ঠ উপহার হচ্ছে কোরআনে কারিম। কোরআন তেলাওয়াত শোনার মানে হলো শ্রেষ্ঠ বাণী শোনা। কোরআনে কারিমের তেলাওয়াত স্বতন্ত্র ইবাদত হিসেবে গণ্য। এর ফজিলত অনেক বেশি।

তবে কোরআন তেলাওয়াত করাই উম্মতের চূড়ান্ত লক্ষ্য নয় বরং তেলাওয়াতের মাধ্যমে আল্লাহতায়ালার আদেশ-নিষেধগুলোর সঙ্গে পরিচিত হওয়া এবং সে অনুযায়ী আমল করা। কোরঅান তেলাওয়াত করে ক্বারি হিসেবে খ্যাতি লাভ করার উদ্দেশ্যে কোরআন তেলাওয়াত করা ঠিক নয়। অনেকে আবার দুনিয়ার স্বার্থ সিদ্ধির লক্ষ্যে কোরআন তেলাওয়াত করে। এ ধরনের তেলাওয়াতে কোনো কল্যাণ নেই। তবে, নিজ জীবনে কোরআন বাস্তবায়নের পর্যায়ে উন্নীত হওয়ার জন্য তেলাওয়াত করাটা একটা ক্রমধারা।

কোরআনে কারিম তেলাওয়াতের ক্ষেত্রে শিষ্টতাপূর্ণ কিছু নিয়ম-কানুন রয়েছে। এগুলোর কোনোটা বাহ্যিক আবার কোনো কোনোটা অভ্যন্তরীণ। কোরআন তেলাওয়াতের ক্ষেত্রে বিষয়গুলো অনুসরণ করা জরুরি। 

বাহ্যিক সৌন্দর্যের মাঝে রয়েছে তেলাওয়াতের জন্য অবস্থান নির্ণয় করা। কোরআন সর্বাবস্থায় তেলাওয়াত করা যায়। দাঁড়িয়ে, বসে কিংবা শুয়েও কোরআন পড়া যায়।

এই যে আমরা কোরআন তেলাওয়াতের ক্ষেত্রে নিয়ম-শৃঙ্খলার কথা বললাম- কোরআনের আলোকে সেদিকে একটু দৃষ্টি দেওয়া যাক। সূরা ওয়াকিয়ার ৭৯ নম্বর আয়াতে কোরআনের পবিত্রতার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। ইরশাদ করা হয়েছে, ‘পবিত্র সত্তা ছাড়া কেউ এ কোরআন স্পর্শ করতে পারে না।’

এ আয়াতের তাফসির প্রসঙ্গে কোনো কোনো মুফাসসির বলেছেন, ‘পাক-পবিত্র নয় এমন কোনো ব্যক্তি যেন তা স্পর্শ না করে।’ তার মানে অজু গোসল ছাড়া কোরআন স্পর্শ করা ঠিক নয়।

কোরআন তেলাওয়াত করার সময় পবিত্র থাকা শরিয়তের বিধান মতে মোস্তাহাব। অনেক আলেম তো এটাও বলেছেন যে, কোরআন তেলাওয়াতের আগে মুখটাকে পরিষ্কার করো। কেননা মানুষের মুখ হলো কোরআনের পথ। তার মানে কোরআনের আধ্যাত্মিক গুণে যিনি সমৃদ্ধ হতে চান তার উচিত আত্মিক পবিত্রতা এবং আন্তরিক বিশ্বাস স্থাপন করা।

কোরআন তেলাওয়াতের শুরুতে এস্তেআজা বাক্যটি পড়ে নিতে হবে। এস্তেআজা বলা হয়, আউজুবিল্লাহি মিনাশ শায়তানির রাজিম বলাকে। এর উদ্দেশ্য হলো, কোরআন তেলাওয়াতের শুরুতে আল্লাহতায়ালার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করা। এ প্রসঙ্গে সূরা নামলের ৯৮ নম্বর আয়াতে ইরশাদ হয়েছে, ‘যখন কোরআন পাঠ করবে, তখন অভিশপ্ত শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করবে।’

এরপর ‘তাসমিয়া’ মানে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম পড়ে কোরআন তেলাওয়াত শুরু করবে। কোরআন তেলাওয়াতের শুরুতে এস্তেআজার মাধ্যমে গুনাহের দরজাগুলো বন্ধ করে রেখে তাসমিয়ার মাধ্যমে আল্লাহর আনুগত্যের দ্বার উন্মোচন করা হয়।

কোরআনে কারিম নীরবে শোনাও তেলাওয়াতের একটি শিষ্টাচার। সূরা আরাফের ২০৪ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, ‘যখন কোরআন তোমাদের সামনে পড়া হয়, তা মনোযোগ সহকারে শোনো এবং নীরব থাকো, হয়তো তোমাদের প্রতিও রহমত বর্ষিত হবে।’

এ আয়াতের দাবি অনুযায়ী কোরআন তেলাওয়াতের সময় নীরবে আল্লাহর ওহির মর্যাদাময় বাণী মনোযোগ সহকারে শুনতে হবে। বলা হয়ে থাকে, কোরআন তেলাওয়াত করার সময় আল্লাহতায়ালা তেলাওয়াতকারীর সঙ্গে কথা বলেন। সেজন্য খুব ভালোভাবে শোনা উচিত এবং শুনে মনোযোগের সঙ্গে আয়াতের বক্তব্য নিয়ে চিন্তাভাবনা করা উচিত। যাতে করে মহান আল্লাহতায়ালা ঐশী বাণী থেকে বেশি করে উপকৃত হওয়া যায়।

‘তেলাওয়াত’ এমন একটি শব্দ বা পরিভাষা- যার অর্থ অনেক ব্যাপক। সাধারণ অর্থে যে কোনো তেলাওয়াতকে ‘পড়া’ বোঝায়। কিন্তু যেকোনো জিনিস বা বই পড়াকে তেলাওয়াত বোঝায় না। তেলাওয়াত হলো- আল্লাহর পক্ষ থেকে অবতীর্ণ গ্রন্থ বিশেষ করে পবিত্র কোরআন পড়া। এই কোরআন পড়ার জন্য কিছু নিয়ম-কানুন যাকে ব্যাকরণ বলা হয়, সেগুলো মেনে চলতে হবে। কোরআনের পরিভাষায় এই নিয়ম-কানুনকে বলা হয় তারতিল।

‘তারতিল’ মানে কোরআন থেমে থেমে পাঠ করাকে বোঝায়। তাই কোরআন তাড়াতাড়ি বা দ্রুতগতিতে না পড়াই শ্রেয়। ধীরে ধীরে প্রতিটি শব্দ সুন্দরভাবে মুখে উচ্চারণ করে কোরআন তেলাওয়াতের বিশেষ মাহাত্ম রয়েছে। তা হলো, এক একটি আয়াত পড়ে থামলে বা বিরতি নিলে মন আল্লাহর বাণীর অর্থ ও তার দাবীকে পুরোপুরি উপলদ্ধি করতে পারবে এবং তার বিষয়বস্তু দ্বারা প্রভাবিত হবে। 

তারতিলের ভেতর কোরআনের প্রতিটি শব্দের বিশুদ্ধ উচ্চারণ করার বিষয়টিও রয়েছে। উচ্চারণের ক্ষেত্রে দু’টি বিষয়ের ওপর খেয়াল রাখতে হবে। একটি হলো মাখরাজ বা উচ্চারণ স্থান। প্রতিটি ধ্বনি বাক প্রত্যঙ্গের ঠিক কোন স্থান থেকে উচ্চারিত হবে সেটি জানতে হবে।

আরেকটি হলো- সিফাত বা শব্দের অবস্থা ও গুণাবলি অনুযায়ী উচ্চারণ করা। কোরআন তেলাওয়াতের এই ব্যাকরণকে তাজবিদ বলা হয়। তাজবিদ জানার কোনো বিকল্প নেই।

কোরআনকে সুন্দর করে সুরেলা কণ্ঠে পড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে কোরআন দেখে দেখে পড়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণটা হলো, কোরআনের আয়াতের দিকে তাকালে এবং কানে সেই দেখা আয়াতের তেলাওয়াত শুনলে চোখ এবং কানের ওপর তার প্রভাব পড়ে। সেই প্রভাব চূড়ান্তভাবে অন্তরে গিয়ে আসন গাড়ে। সূফি আলেমরা বলেছেন, দেখে দেখে কোরআন তেলাওয়াত করলে চোখের অসুখ বা ব্যাথা বেদনা ভালো হয়ে যায়।

এবার কোরআন তেলাওয়াতের বাতেনি বা অদৃশ্য শিষ্টাচারের কথা আলোচনা করা যাক।

একজন ক্বারি কতটুকু তেলাওয়াত করবেন সেটা বিবেচ্য বিষয়। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ... তাই কোরআনের যতটা পরিমাণ সহজেই পড়া যায়- ততটাই পড়তে থাকো! নামাজ কায়েম করো, জাকাত দাও।

ইসলামি স্কলারদের অভিমত হচ্ছে, কোরআন নিয়মিত তেলাওয়াত করা। ধীরে ধীরে তেলাওয়াতের পরিমাণ বাড়াতে থাকা। নিজে নির্ধারণ করে নেওয়া, প্রতিদিন কতটুকু করে তেলাওয়াত করবে সে বিষয়ে। আল্লাহতায়ালা সবাইকে নিয়ম করে, যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে প্রতিদিন কোরআন তেলাওয়াত করার তওফিক দান করুন। আমিন।

বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

60
Hadith / Keep children, beautiful and meaningful name!
« on: April 10, 2016, 12:27:07 PM »
নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, তোমরা তোমাদের সন্তানদের নাম নবী-রাসূল আলাইহিমুস সালাম ও নেককার লোকদের নামে রাখো। [আবু দাউদ শরীফ : ২/৬৭৬, হাদীস নং : ৪৯৫০, নাসায়ী শরীফ : ২/১২২, হাদীস নং : ৩২৬৪]
সন্তান প্রসঙ্গে ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান হলো, তাদের সুন্দর নাম রাখতে হবে। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন― ‘তোমাদেরকে কিয়ামত দিবসে ডাকা হবে তোমাদের নিজ নামের সঙ্গে তোমাদের পিতার নাম যুক্ত করে। কাজেই তোমরা সন্তানদের সুন্দর নাম রাখো। [আবু দাউদ শরীফ : ২/৬৭২, হাদীস নং ৪৯৪৭]

এক হাদীসে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন― ‘আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় নাম হলো, আবদুল্লাহ ও আবদুর রহমান। [সহীহ মুসলিম : ২/২০৬, হাদীস নং : ২১৩২]

মুহাদ্দিসীনে কেরাম লেখেন― আল্লাহ শব্দের সঙ্গে সম্বন্ধযুক্ত প্রতিটি নামই আল্লাহর কাছে প্রিয়। (যেমন, ফয়যুর রহমান, ফযলুর রহমান, আবদুল ওয়াদূদ ইত্যাদি) [আল উরফুশ শাযী আলাত তিরমিযী : ২/১১০]

নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, তোমরা তোমাদের সন্তানদের নাম নবী-রাসূল আলাইহিমুস সালাম ও নেককার লোকদের নামে রাখো। [আবু দাউদ শরীফ : ২/৬৭৬, হাদীস নং : ৪৯৫০, নাসায়ী শরীফ : ২/১২২, হাদীস নং : ৩২৬৪]

অন্য এক দুর্বল বর্ণনায় এসেছে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি তার সন্তানের নাম ‘মুহাম্মদ’ রাখবে কিয়ামতের দিন আমি তার পক্ষে সুপারিশ করবো। [মু‘জামে তবারানী]

উপরিউক্ত নির্দেশনা থেকে বুঝে আসে যে, ভালো নাম রাখাটাও সন্তানের অধিকার। আফসোসের বিষয় হলো, আজকাল মানুষ ক্রীড়াবিদ ও অভিনেতাদের নামের সঙ্গে মিলিয়ে নিজ সন্তানদের নাম রাখছে। কিছু লোকের মাথায়, নিত্য নতুন নাম রাখার ভুত সওয়ার থাকে। সে মনে করে, এমন নাম রাখবো আজ পর্যন্ত পৃথিবীতে অন্য কেউ সে নাম রাখেনি। যার কারণে অনেক বিকৃত ও দুষিত নাম সমাজে প্রশিদ্ধি পেয়ে গেছে। এ ধরনের নামও পরিহার করতে হবে।

কিছু লোক এ ভ্রান্তির শিকার যে, তারা জন্মতারিখ ও দিন-ক্ষণ গণনা করে নাম রাখা ভালো মনে করে। অথচ শরীয়তে এমন কোনো মূলনীতি নেই। এটিও স্বকল্পিত সিদ্ধান্ত। জাহেলানা এই প্রথাগুলোও পরিহার করতে হবে।


প্রিয় ইসলাম

Pages: 1 2 3 [4] 5 6 ... 12