Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Mashud

Pages: 1 [2] 3
16
গ্রীষ্মেকালে গরম লাগবেই। তবে এ সময় শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে খেতে পারেন নানান রকম ফল। গরম লাগলেই এই লেখায় আলোচিত খাবারগুলি খেয়ে ফেলবেন। তাহলেই দেখবেন গরমকে আপনি নিমেষে হারিয়ে দিতে পারছেন।জেনে নিন শরীর ঠাণ্ডা রাখতে পারে কোন কোন খাবার-

১. ডাব : এতে রয়েছে প্রাকৃতিক ইলেকট্রোলাইটস, যা শরীরে পানির মাত্রা ঠিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই সঙ্গে শক্তি বাড়াতেও সাহায়তা করে। তাই গরমকালে প্রতিদিন কম করে একটা ডাব খেতেই হবে।

২. শসা : পানি ও আঁশ থাকার কারণে গরমকে হারাতে শসার কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে। শুধু তাই নয় এতে প্রচুর মাত্রায় ভিটামিন থাকার কারণে এটি খেলে শরীর ঠাণ্ডা তো হয়ই, সেই সঙ্গে ক্লান্তিও দূর হয়।

৩. আইসড টি: যারা চা-প্রেমী তাদের জন্য উপযোগী পানীয় আইসড টি। নিজের পছন্দের চা বানিয়ে তা ঠাণ্ডা করে বরফ কুচি মিশিয়ে পান করুন। গরমে লেবু, স্ট্রবেরি, কমলা ইত্যাদি দিয়ে তৈরি চা বেশ উপযোগী।

৪. মিন্ট পাতা : শরীর ঠাণ্ডা রাখতে মিন্ট পাতার কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে। তাই গরমকালে খাবারের সঙ্গে মিন্ট পাতা মিশিয়ে খেলে শরীর ভালো থাকে। প্রসঙ্গত, ডালে বা দইয়ে মিন্ট পাতা দিয়ে খাওয়া যেতে পারে। অথবা চাটনি বানিয়েও খেতে পারেন।

৫. লেবুর পানি : তেষ্টা মেটাতে কোল্ড ড্রিংকস না খেয়ে এবার থেকে লেবুর পানি খাওয়া শুরু করুন। গরমের সময় শরীরকে তাজা রাখতে এটির কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে।

৬. নারিকেলের পানি: গরমের দিনে তৃষ্ণা মেটাতে নারিকেলপানির জুড়ি নেই। এই প্রাকৃতিক সুস্বাদু পানীয় রক্তের ইলেট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখে এবং এতে শরীর ঠাণ্ডা থাকে। তাছাড়া নারিকেলের শাঁসে আছে প্রচুর আঁশ, প্রাকৃতিক এনজাইম, আয়রন, সোডিয়াম, পটাশিয়াশ-সহ আরও বেশ কিছু খনিজ উপাদান। তাই নারিকেল খাওয়া গরমে বেশ উপকারী।

৭.সবুজ শাক-সবজি : এই ধরনের খাবারে আঁশ এবং পানির মাত্রা খুব বেশি পরিমাণে থাকে। তাই তো প্রতিটা খাবারের সঙ্গে অল্প করে সবজি খেলে শরীরে পানির মাত্রা কমে যাওয়ার আশঙ্কা কমে। সেইসঙ্গে শরীরও চাঙা হয়ে ওঠে।

৮. দই : গরমকালের সবথেকে শ্রেষ্ঠ খাবার হলো টক দই। কারণ এতে এমন কিছু উপাদান থাকে, যা শরীরকে চনমনে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৯. তরমুজ : কোন ফলে পানির মাত্রা বেশি থাকে? তরমুজে! একদম ঠিক বলেছেন। তাই তো গরমকালে এই ফলটি খাওয়া মাস্ট। কারণ গরমের সময় মাত্রাতিরিক্ত ঘাম হয়। ফলে শরীর থেকে প্রচুর পানি বেরিয়ে যায়। আর এমনটা হলেই ডিহাইড্রেশনের আশঙ্কা বাড়ে। তরমুজে থাকা পানি মানবদেহের এই পানির ঘাটতি দূর করে।

১০. হালকা খাবার খান : গরমকালে খাবার হজম হতে সমস্যা হয়। তাই এই সময় হালকা খাবার খাওয়াই শ্রেয়। বেশি ঝাল-মশলা দেওয়া খাবার এড়িয়ে চললেই দেখবেন খুব সহজেই গরমকে ডজনখানেক গোল দিয়ে দিতে পেরেছেন। প্রসঙ্গত, এই সময় শরীর ঠিক রাখতে আঁশসমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খেতে হবে।

 

মরিচ: স্বাদে ঝাল। তবে মরিচ শরীর ঠাণ্ডা রাখে। শুনতে অবাক লাগলেও কথা সত্যি। মরিচে থাকা ক্যাপসাইসিন উপাদান শরীরের রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি করে। এতে শরীরে ঘাম হয়। আর ঘামই শরীরের বাড়তি তাপ কমিয়ে শরীর ঠাণ্ডা করে আনতে সাহায্য করে।

পেঁয়াজের রস: হিট স্ট্রোক এড়াতে বেশ উপযোগী ঘরোয়া টোটকা পেঁয়াজের রস। এক চামচ পেঁয়াজের রস পান করলে, অতিরিক্ত সূর্য তাপের কারণে শরীর ও মস্তিষ্কের যে কোষগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয় সেগুলো সেরে উঠতে থাকে। তাছাড়া শরীরের তাপমাত্রা কমিয়ে আনতে বুকের উপর খানিকটা পেঁয়াজের রস লাগিয়ে রাখা যেতে পারে। গরমে সালাদের সঙ্গে পেঁয়াজ খাওয়া বেশ উপকারী।

ফলের তৈরি পপসিকল: বাজার থেকে ললি বা আইসক্রিম না কিনে ঘরেই বিভিন্ন মৌসুমি ফল ব্লেন্ড করে পপসিকল তৈরি করে নিন। স্ট্রবেরি, আম, নারিকেলের পানি, তরমুজ ইত্যাদি মিলিয়ে ফ্রিজের বরফ জমার ফ্রেমে দিয়ে জমিয়ে নিন। সঙ্গে দিতে পারেন কমলার সুগন্ধি বা আদার রস। ঠাণ্ডায় অল্প জমে আসতেই প্রতিটি খোপে কাঠি গুঁজে দিতে পারেন।

17
গ্রীষ্মকালীন ফল আম। নানা গুণে ভরপুর সুস্বাদু এই আমকে বলা হয় ফলের রাজা। পাকা আমের তুলনায় কাঁচা আমের পুষ্টিগুণ অনেক বেশি। তবে পুষ্টিবিদরা বলেন, পাকা হোক কাঁচা হোক যেভাবেই খাওয়া হোক না কেন আম খুবই উপকারী। চলুন জেনে নেয়া যাক এনডিটিভিতে প্রকাশিত আমের কিছু উপকারিতা-

১. শ্বাসকষ্ট থেকে দূরে রাখে

সম্প্রতি একটি গবেষণায় দেখা গেছে শরীরে ভিটামিন সি-এর মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করলে এমন রোগের প্রকোপ কমে যেতে সময় লাগে না। আর আম হলো ভিটামিন সি-এর ভান্ডার। তাই তো এই ফলটি নিয়মিত খাওয়া শুরু করলে শ্বাসকষ্ট থেকে রেহাই মিলে।

২. গর্ভবতী নারীদের জন্য উপকারি

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে গর্ভবতী নারীরা যদি নিয়মিত এই ফল খাওয়া শুরু করেন, তাহলে দেহের ভেতরে আয়রন, ভিটামিন এ, সি এবং বি৬-এর ঘাটতি দূর হয়। ফলে গর্ভাবস্থায় কোনো ধরনের শারীরিক সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে না।

৩. ব্রণ সমস্যায় কার্যকারী

বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, ত্বকের পরিচর্যায় এই ফলটিকে কাজে লাগালে ব্রণের সমস্যা তো কমেই, সেই সঙ্গে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে আম দিয়ে বানানো ফেস মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন। এক্ষেত্রে সারা মুখে ভালো করে আম লাগিয়ে মাসাজ করতে হবে। তারপর ১০ মিনিট অপেক্ষা করে ধুয়ে ফেলতে হবে মুখ।

৪.রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

আমের ভেতরে থাকা বিটা-ক্যারোটিন এবং ক্যারোটেনয়েড শরীরে প্রবেশ করার পর রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থাকে এতটাই শক্তিশালী করে তোলে যে ছোট-বড় কোনো রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

৫. হজম শক্তি বাড়ায়

আমের ভেতরে বিশেষ এক ধরনের এনজাইম রয়েছে, যা দ্রুত খাবার হজমে সাহায্য করে।

৬. চোখের জন্য উপকারী

আমে বিদ্যমান ভিটামিন এ চোখের জন্য অত্যন্ত উপকারী। তাই নিয়মিত আম এক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

৭. খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমে

আমে উপস্থিত ফাইবার, পেকটিন এবং ভিটামিন সি, কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পলন করে। সেই সঙ্গে হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতিতেও বিশেষ ভূমিকা নেয়।

৮. ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ে

বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে সপ্তাহে ৩-৪ বার আমের রস দিয়ে যদি ভালো করে ত্বকের মাসাজ করা যায়, তাহলে ত্বকের ভেতরে পুষ্টির ঘাটটি যেমন দূর হয়, তেমনি ত্বকের বন্ধ হয়ে যাওয়া ছিদ্রগুলোও খুলতে শুরু করে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়তে শুরু করে।

৯. ক্যান্সার রোগকে দূরে রাখে

আমে থাকা কুয়েরসেটিন, আইসোকুয়েরসেটিন,অ্যাস্ট্রাগেলিন ফিসেটিন, মাথাইল গ্যালেট প্রভৃতি উপাদানগুলো কোলোন, ব্রেস্ট, লিউকেমিয়া এবং প্রস্টেট ক্যান্সারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

১০. শরীরে অ্যাসিডের ভারসাম্য বজায় থাকে

আমের মধ্যে থাকা টার্টেরিক, ম্যালিক এবং সাইট্রিক অ্যাসিড শরীরের ভেতরে ‘অ্যালকালাইন ব্যালেন্স’ ঠিক রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। শরীর সুস্থ রাখতে অ্যাসিডের ভারসাম্য ঠিক রাখাটা জরুরি।

18
রাস্তায় চলতে গেলে কখনো কখনো কুকুরে তাড়া করে। গভীর রাতে বা খুব ভোরে ফাঁকা রাস্তায়ও কুকুরের মুখোমুখি হতে পারেন। তখন কী করবেন? অনেকেই হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়েন। তাদের জন্য আজ থাকছে কুকুর থেকে বাঁচার সহজ কিছু পথ—

১. ভয় পাবেন না। যথাসম্ভব নির্বিকার থাকুন। তাহলে কুকুরটিও আপনার প্রতি আগ্রহ হারাবে।

২. দৌড়োনোর চেষ্টা করবেন না। তাতে কুকুরটিও উত্তেজিত হবে।

৩. হাঁটার গতি কমিয়ে দিন। প্রয়োজনে একেবারে থেমে যান। কুকুরটি শান্ত হলে ধীরে ধীরে যান।

৪. কুকুরের দিকে পাশ ফিরে দাঁড়ান। তাতে কুকুরটির মনে আপনাকে নিয়ে ভয় তৈরি হবে কম।

৫. কুকুরটির সঙ্গে সরাসরি চোখাচোখি করবেন না। না হলে কুকুরটি আরো হিংস্র হয়ে উঠতে পারে।

৬. দু’হাত বুকের কাছে মুড়ে রাখুন।

৭. হাতে কিছু থাকলে অন্যদিকে ছুড়ে দিন। কুকুরটি সেদিকে ছুটবে।

৮. হাতে কিছু না থাকলে মাটি থেকে মিছামিছি কিছু কুড়ানোর ভঙ্গি করে অন্যদিকে ছুড়ে দিন।

৯. স্পষ্টভাবে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কুকুরটিকে বলুন, ‘যা’ কিংবা ‘না’।

১০. আপনি যথাযথ আচরণ করলে সচরাচর কুকুরের কাছ থেকে ভয়ের কিছু নেই।

19
পুষ্টি উপাদানে ভরপুর একটি ফল হলো কাঁঠাল। কাঁঠালে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এটি ত্বকের জন্য বেশ উপকারী। এটি ত্বকের বার্ধক্য রোধ করে এবং ত্বকের সুরক্ষায় সাহায্য করে।

কাঁঠালে প্রচুর পরিমানে ফাইবার এবং অল্প পরিমানে ক্যালরি থাকে। এজন্য এটি হজমের সহায়ক। সেই সঙ্গে ওজন কমাতে বেশ কার্যকরী।

প্রচুর পরিমানে ভিটামিন বি এবং প্রোটিন থাকায় কাঁঠাল শক্তির ভালো উৎস। এতে থাকা স্বাস্থ্যকর চিনি এবং কার্বোহাইড্রেট দেহে শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

কাঁঠালে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

এটি শ্বাসযন্ত্রের জন্য বেশ উপকারী। এতে থাকা প্রাকৃতিক নানা উপাদান শরীরে অ্যালার্জির প্রকোপ কমায়। এটি অ্যাজমা রোগীদের জন্যও উপকারী।

কাঁঠালে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে যা উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। যার ফলে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমে।

এতে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগশিয়াম থাকায় এটি হৃৎস্পন্দন স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। ফলে ঘুমও ভালো হয়। যাদের ইনসোমিয়া বা ঘুমের সমস্যা আছে তারা ঘুমাতে যাওয়ার আগে কাঁঠাল খেতে পারেন। উপকার পাবেন।

এছাড়া ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণ এবং চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কাঁঠাল কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। সূত্র : অর্গানিক ফ্যাক্টস।

20
মাছ, শবজি কিংবা ঈদের সময় মাংস কাটতে গিয়ে হাত কেটে ফিনকিনি দিয়ে রক্ত বের হতে পারে। যা মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে থাকে। এমন সময় দ্রুত রক্তপাত বন্ধের প্রয়োজন পড়ে। এই পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে শিখে নিন, কিভাবে সহজে এবং ঘোরোয়া উপায়ে রক্তপাত বন্ধ করবেন।

১. বরফ: রক্তপাত বন্ধের সহজলভ্য একটি উপায় হল বরফ। কেটে যাওয়া স্থানে কয়েকটি বা একটি বরফের টুকরো চেপে ধরে রাখুন। কিছুক্ষণ পরেই দেখতে পাবেন রক্ত পড়া বন্ধ হয়ে গেছে।

২. কফি পাউডার: সকালের ঘুম ভাঙ্গার পর এক কাপ কফি দিয়ে অনেকেই দিন শুরু করেন। এই কফির গুঁড়ো রক্তপাত বন্ধ করতে বেশ কার্যকর। যে স্থানে রক্ত পড়ছে সেখানে খানিকটা কফির গুঁড়ো ছিটিয়ে দিন। দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যে রক্তপাত বন্ধ হয়ে গেছে।

৩. টি ব্যাগ: হঠাৎ করে হাত বা পা কেটে গেলে সেই জায়গায় ব্যবহৃত টি ব্যাগ অথবা নতুন টি ব্যাগ ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে লাগিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণের মধ্যে রক্তপাত বন্ধ হয়ে যাবে। এবং কাঁটা জায়গায় ঠান্ডা ধরণের অনুভূতি দেবে।

৪. লবণ পানি: লবণ পানি ভাল প্রাকৃতিক প্রতিষেধক । কিছু পানির মধ্যেএক চিমটি লবণ দিয়ে দিন। এবার কাঁটা হাতটি পানিতে ডুবিয়ে রাখুন। প্রথমে একটু জ্বালাপোড়া করবে। কিন্তু কিছুক্ষণ পর রক্তপাত বন্ধ হয়ে যাবে।

৫. হলুদের গুঁড়ো: রান্নাঘরে সবচেয়ে সহজলভ্য উপাদান হল হলুদ। এই হলুদ গুঁড়ো দিয়ে খুব সহজে রক্ত বন্ধ করা যায়। হলুদ হল প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক। কাটা স্থানে কিছু পরিমাণ হলুদের গুঁড়ো লাগিয়ে নিন। দেখবেন রক্তপাত বন্ধ হয়ে গেছে। সূত্র : প্রিয় ডটকম।

21
প্রতিদিন ১০০ কিসমিস

শুধুমাত্র মিষ্টি খাবারেই কিশমিশের ব্যবহার রয়েছে। তবে মিষ্টি স্বাদের ছোট এই ফলটি শুধু খাবারের স্বাদই বাড়ায় না, এর রয়েছে অনেকগুলো পুষ্টিগুণ।

জানেন কি?

•    চোখের জন্য আদর্শ খাবার। কিশমিশ দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। কিশমিশে রয়েছে ভিটামিন এ ও বিটা ক্যারোটিন।

•    ফ্যাটবিহীন ফাইবার সমৃদ্ধ কিসমসি হজমশক্তি বাড়িয়ে কোষ্ঠাকাঠিন্য দূর করে। আমাদের শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেয়।

•    কিশমিশে পর্যাপ্ত পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম ও পটাশিয়াম রয়েছে। এগুলো অ্যাসিডিটি কমায়, কিডনির পাথর করে ও হৃদরোগর ঝুকিঁ কমায়।

•    জ্বর, ঠাণ্ডা ও অন্য সংক্রামক রোগ থেকে সুরক্ষা দেয়।

•    ডায়াবেটিসে আক্রান্তরা কিসমিস খাওয়ার বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে নিতে হবে।

প্রতিদিন ১০০টি পর্যন্ত কিশমিশ খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। ১০০ কিসমিস থেকে আমরা ১২৯ ক্যালরি ও ১.৩ গ্রাম প্রোটিন পেতে পারি। 

http://www.banglanews24.com/lifestyle/news/bd/651604.details

22
ভূমিকম্প কী
ভূমিকম্প হচ্ছে ভূমির কম্পন। ভূ অভ্যন্তরে যখন একটি শিলা অন্য একটি শিলার উপরে উঠে আসে তখন ভূমি কম্পন হয়। পৃথিবীপৃষ্ঠের অংশবিশেষের হঠাৎ অবস্থান পরিবর্তন বা আন্দোলনই ভূমিকম্পন। হঠাৎ যদি ঘরের কোনো জিনিস দুলতে শুরু করে—যেমন, দেয়ালঘড়ি, টাঙানো ছবি বা খাটসহ অন্য যেকোন আসবাব—বুঝতে হবে ভূমিকম্প হচ্ছে। সহজ কথায় পৃথিবীর কেঁপে ওঠাই ভূমিকম্প।

সারা পৃথিবীতে বছরে গড়ে ছয় হাজার ভূমিকম্প হয়। এগুলোর বেশিরভাগই মৃদু, যেগুলো আমরা টের পাই না। সাধারণত তিন ধরনের ভূমিকম্প হয়ে থাকে—প্রচণ্ড, মাঝারি ও মৃদু। আবার উৎসের গভীরতা অনুসারে ভূমিকম্পকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়—অগভীর, মধ্যবর্তী ও গভীর ভূমিকম্প। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ভূ-পৃষ্ঠের ৭০ কিলোমিটারের মধ্যে হলে অগভীর, ৭০ থেকে ৩০০ কিলোমিটারের মধ্যে হলে মধ্যবর্তী এবং ৩০০ কিলোমিটারের নিচে হলে তাকে গভীর ভূমিকম্প হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

ভূমিকম্প কেন হয়
ভূ-অভ্যন্তরে স্থিত গ্যাস যখন ভূ-পৃষ্ঠের ফাটল বা আগ্নেয়গিরির মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে তখন সেই গ্যাসের অবস্থানটি ফাঁকা হয়ে পড়ে আর পৃথিবীর উপরের তলের চাপ ওই ফাঁকা স্থানে দেবে গিয়ে ভারসাম্য বজায় রাখে। তখনই ভূ-পৃষ্ঠে প্রবল কম্পনের অনুভব হয় যা ভূমিকম্প নামে পরিচিত। সাধারণত তিনটি প্রধান কারণে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়ে থাকে—ভূ-পৃষ্ঠের হঠাৎ পরিবর্তন জনিত কারণে, আগ্নেয়গিরি সংঘটিত হওয়ার কারণে ও শিলাচ্যুতি জনিত কারণে।

ভূমিকম্পের স্থায়িত্ব
ভূমিকম্পের স্থায়িত্ব সাধারণত কয়েক সেকেন্ড হয়ে থাকে। কিন্তু এই কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে হয়ে যেতে পারে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ। ভূমিকম্পের মাত্রা অনুযায়ী ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি হয়ে থাকে। ভূমিকম্পের মাত্রা নির্ণয়ের জন্য যে যন্ত্র ব্যবহৃত হয় তার নাম রিখটার স্কেল। রিখটার স্কেলে এককের সীমা ১ থেকে ১০ পর্যন্ত। এই স্কেলে মাত্রা ৫-এর বেশি হওয়া মানেই ভয়াবহ দুর্যোগের আশঙ্কা। ভূমিকম্প এক ডিগ্রি বৃদ্ধি পেলে এর মাত্রা ১০ থেকে ৩২ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা—৫ - ৫.৯৯ মাঝারি, ৬ - ৬.৯৯ তীব্র, ৭ - ৭.৯৯ ভয়াবহ এবং ৮-এর উপর অত্যন্ত ভয়াবহ।

ভূমিকম্পের সময় কী করবেন
* ভূমিকম্প হচ্ছে টের পেলে বা খবর পেলে সঙ্গে সঙ্গে ফাঁকা ও উন্মুক্ত স্থানে আশ্রয় নিন।
* উঁচু ভবনে থাকলে এবং বের হতে না পারলে জানালা বা দেয়ালের পাশে অবস্থান না নিয়ে শক্ত কোনো বীম, টেবিলের নিচে অবস্থান নিন।
* হতবিহ্বল না হয়ে ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি মোকাবেলা করুন।
* বহুতল ভবনে একই জায়গায় অনেক মানুষ একসঙ্গে না থেকে ভাগ হয়ে আশ্রয় নিন।
* আপনার মুঠোফোনে ফায়ার সাভির্স এবং দরকারি মোবাইল নম্বরগুলো আগাম সতর্কতা হিসেবে আগেই রেখে দিন। বিপদের সময় আপনার কাজে লাগবে।
* দ্রুত নামার জন্য ভবন থেকে লাফিয়ে পড়বেন না।
* ভূমিকম্পের সময় সম্ভব হলে মাথার ওপর শক্তকরে বালিশ অথবা অন্য কোনো শক্ত বস্তু [কাঠবোর্ড, নরম কাপড় চোপড়ের কুণ্ডলি] ধরে রাখুন।
* গ্যাস এবং বৈদ্যুতিক সংযোগ থেকে দূরে অবস্থান নিন।
* উচু ভবন থেকে দ্রুত নামার জন্য লিফট ব্যবহার করবেন না।
* ভূমিকম্পের সময় গাড়িতে থাকলে গাড়ি খোলা জায়গায় থামিয়ে গাড়িতেই থাকুন।
* একবার ভূমিকম্পের পরপরই আরেকটা ছোট ভূমিকম্প হয় যাকে ‘আফটার শক’ বলে। নিজেকে বিপদমুক্ত ভাবতে অন্তত একঘণ্টা সময় নিন।
Ref:  http://www.banglanews24.com/fullnews/bn/455006.html

23
বাংলাদেশ আগামী বছর চীনকে ছাড়িয়ে বিশ্বের সর্বোচ্চ তুলা আমদানিকারক দেশ হিসেবে আবির্ভূত হবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) সদ্য প্রকাশিত বিশ্বের সর্বোচ্চ তুলা আমদানিকারক দেশের পরিসংখ্যানে এমন তথ্য উঠে এসেছে।
ইউএসডিএ বলছে, আগামী ২০১৬ সালের জুলাই পর্যন্ত বিশ্ববাজার থেকে বাংলাদেশ মোট ৫৭ লাখ ৫০ হাজার বেল তুলা আমদানি করবে, যা ২০১৫ সালের চেয়ে সাড়ে ৬ শতাংশ বেশি। একই সময়ে চীনের তুলা আমদানির পরিমাণ দাঁড়াবে ৫৫ লাখ বেল।
পোশাক খাতের ক্রমাগত প্রবৃদ্ধিই বাংলাদেশের তুলা আমদানির চাহিদা বৃদ্ধির মূল কারণ হিসেবে ইউএসডিএর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, ১৯৯৫ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে তুলা আমদানি বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে।
তৈরি পোশাক রপ্তানিতে ২০০৯ সাল থেকেই বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানিকারক দেশ।
চীনের তুলা আমদানি কমার কয়েকটি কারণও প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে। সারা বিশ্বে তুলার মজুত বর্তমানে ১০ কোটি ৪৪ লাখ বেল। এ মজুতের সিংহভাগের মালিক চীন, যা দেশটির আমদানি কমার মূল কারণ। এ ছাড়া তৈরি পোশাক খাতে চীনা শ্রমিকদের অতিরিক্ত মজুরি বৃদ্ধি তুলার চাহিদা আরও কমিয়ে দিয়েছে।
জানতে চাইলে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সাবেক সভাপতি জাহাঙ্গীর আলামিন বলেন, গ্যাস–বিদ্যুতের সরবরাহ বাড়লে দেশে তুলার চাহিদা আরও বাড়বে।

24
ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় আল্লাহ ও তার রাসূল (সা.) যে সব কাজ করতে নিষেধ করেছেন এবং সে সব কাজের জন্য শাস্তির বিধান অথবা আল্লাহর অসন্তুষ্টি কিংবা রাগের কথা ঘোষণা রয়েছে, সেসবই গোনাহ বা পাপের কাজ।

গোনাহ দু’ভাগে বিভক্ত- প্রথমত কবিরা গোনাহ; দ্বিতীয়ত সগিরা গোনাহ। অভিজ্ঞ আলেমদের অভিমত হলো- গোনাহে জড়িয়ে পড়লে নিম্নলিখিত পার্থিব ক্ষতিসমূহ ভোগ করতে হয়-

১. গোনাহ করার দ্বারা দুনিয়ার মোহ বৃদ্ধি পায় এবং আখেরাতের প্রতি অনীহা সৃষ্টি হয়।

২. গোনাহ করার ফলে প্রতিটি গোনাহের জন্য অন্তরে একটি দাগ পড়ে। যা তওবা ছাড়া মুছে না। তওবা না করলে ধীরে ধীরে এ দাগ বাড়তে থাকে। অবস্থা এমন হয় যে, তখন ন্যায় উপলব্ধিকরণের অনুভূতি পর্যন্ত লোপ পেয়ে যায়।

৩. গোনাহ করার দ্বারা আল্লাহতায়ালার অভিশাপ নেমে আসে।

৪. গোনাহ করার ফলে রুজি-রোজগারের বরকত কমে যায়।

৫. গোনাহের দ্বারা অনেক সময় নেক আমলও আল্লাহতায়ালা কবুল করেন না, তা বৃথা হয়ে যায়।

৬. গোনাহ করার দ্বারা অন্তর কঠিন হয়ে যায় এবং ঈমানের পূর্ণতা হ্রাস পায়।

৭. নির্লজ্জ কাজ-কর্মে বিভিন্ন কঠিন রোগের আবির্ভাব ঘটে।

৮. জাকাত আদায় না করলে অনাবৃষ্টি দেখা দেয়।

৯. অবিচার ও ওয়াদা ভঙ্গ করলে শত্রুকে বিজয়ী করে দেওয়া হয়।

১০. মাপে কম দেওয়ার ফলে অনাবৃষ্টি, অভাব অনটন দেখা দেয় এবং বিচারক কর্তৃক জুলুমের শিকার হতে হয়।

১১. খেয়ানত করার দ্বারা শত্রুর আতঙ্ক মানুষকে ভীত-সন্ত্রস্ত করে রাখে।

১২. দুনিয়ার প্রতি প্রবল আকর্ষণ ও মৃত্যুর ব্যাপারে উদাসীনতার দ্বারা শত্রুর মন থেকে ভয়-ভীতি দূর করে দেওয়া হয়।

১৩. গোনাহের কারণে উপকারী জ্ঞান অর্জন থেকে বঞ্চিত হতে হয়।

১৪. গোনাহের কারণে মানুষের আয়ু কমে যায় এবং তওবা করার সুযোগ হয় না।

১৫. একজনের গোনাহের জন্য অন্যান্য লোক এমনকি জীবজন্তুকেও কষ্টে পতিত হতে হয়। এর ফলে গোনাহকারী তাদের অভিশাপ পায়।

১৬. হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর পক্ষ হতে গোনাহগারের প্রতি অভিশাপ দেওয়া হয়।

[প্রিয় পাঠক বাংলানিউজের আয়োজনে গ্রামীণ ফোন থেকে আপনি পেতে পারেন বিভিন্ন ধরনের ইসলামী তথ্যসেবা। আজ রয়েছে অভিশপ্ত শয়তান প্রসঙ্গে আলোচনা। আপনি চাইলেই তা শুনে নিতে পারেন। এ জন্য গ্রামীণ ফোনের যেকোনো নম্বর থেকে ডায়াল করতে হবে ৮৮৭৭ নম্বরটি। আপনি সাবস্ক্রাইব করে দিনভর শুনতে পারেন এই আয়োজন। সঙ্গে রয়েছে সবশেষ নিউজ আপডেট, রাশিফল, ট্রাফিক আপডেটও। আর সারাদিনের সব তথ্যের জন্য খরচ মাত্র ১ টাকা। এখনই সাবস্ক্রাইব করতে ডায়াল করুন ৮৮৭৭।]

১৭. গোনাহের ফলে ফেরেশতাদের নেক দোয়া হতে বঞ্চিত হতে হয়। অনেক সময় গোনাহের কারণে ফেরেশতা থেকে শুরু করে আসমান ও পৃথিবীর সমুদয় কিছু তাকে অভিশাপ দিতে থাকে।

১৮. গোনাহের কারণে মানুষের লজ্জা-শরম কমে যায়।

১৯. গোনাহের দ্বারা আল্লাহতায়ালার স্মরণ থেকে দিল গাফেল থাকে।

২০. গোনাহর দরুন আল্লাহতায়ালার নিয়ামত ক্রমশঃ হ্রাস পেতে থাকে।

২১. গোনাহের ফলে নানা রকম বালা-মসিবতে পড়ে অন্তরে পেরেশানি স্থায়ী হয়ে যায়।

২২. শয়তান গোনাহকারীর ওপর প্রভাব বিস্তার করে তাকে ঈমানহারা করে ফেলে।

২৩. গোনাহ করতে করতে গোনাহের প্রতি ঘৃণার ভাব থাকে না, বরং ভালো বোধ হয়। তখন তা ঈমানহারা হওয়ার কারণ হতে পারে। প্রত্যেক মুসলমানের জানা দরকার, কবরস্থানে যেতে হবে, সব ধন-সম্পত্তি রেখে যেতে হবে।

২৪. মৃত্যুকালে গোনাহগারের মুখ থেকে কালেমা বের হয় না।

২৫. গোনাহগারদের অনেক সময় তওবা নসিব হয় না। যদ্দরুন বিনা তওবায় কবরে যেতে হয়। যার পরিণাম হয় খুব ভয়াবহ।

উপরোক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে একথা বলা যায় যে, মানব সমাজে অশান্তির মূল কারণ হলো, ঢালাওভাবে গোনাহের সঙ্গে। বস্তুত দুনিয়া ও আখেরাতে শান্তি ও সফলতা পেতে হলে, অবশ্যই গোনাহ থেকে বেঁচে থাকতে হবে। যা প্রত্যেক মুসলমানের একান্ত দায়িত্ব।

25
দু’দিনের সরকারি সফরে ১৬ আগস্ট রোববার আবুধাবি পৌঁছান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে পৌঁছেই মোদি আবুধাবির বিখ্যাত শেখ জায়েদ মসজিদ পরিদর্শনে যান। বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম এই মসজিদটি ঘুরে ঘুরে দেখেন মোদি। মসজিদ পরিদর্শনে গিয়ে মোদি তার স্বভাসুলভ ভঙ্গিমায় সেলফিও তুলেন। পরে সেটা টুইটারে পোস্ট করেন।

শেখ জায়েদ মসজিদ পরিদর্শনের মাধ্যমে মোদি প্রথমবারের মতো কোনো মসজিদে পরিদর্শন করলেন। মসজিদ পরিদর্শন করতে যেয়ে মসজিদের নির্মাণশৈলী সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন ও মসজিদ নির্মাণের ভূয়সি প্রশংসা করে আরব আমিরাত সরকারকে মোবারকবাদ জানান।

রোববার আবুধাবি পৌঁছালে মোদিকে প্রথাভেঙে বিমানবন্দরে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন আবুধাবির যুবরাজ শেখ মুহাম্মদ বিন জায়েদ অাল নাহিয়ান ও তার পাঁচ ভাই। দীর্ঘ ৩৪ বছর পর কোনো ভারতী প্রধানমন্ত্রী সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরে গেলেন।আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধারিতে অবস্থিত শেখ জায়েদ মসজিদটি বিশ্বের বড় ১০টি মসজিদের মধ্যে অন্যতম। মসজিদটিকে দেশটির সর্বাধুনিক স্থাপনাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা মনে করা হয়। এছাড়া মসজিদটি আরব আমিরাতেরও সবচেয়ে বড় ও অপরূপ সুন্দর মসজিদ হিসেবে গণ্য করা হয়।

মসজিদের পাশেই রয়েছে আরব আমিরাতের সাবেক প্রেসিডেন্ট শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহিয়ানের কবর। সেখানে সারাক্ষণ কোরআন তেলাওয়াত চলতে থাকে।

মসজিদটি এক নজর দেখতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দর্শনার্থীদের পদভারে মুখরিত থাকে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানগণ আবুধবিতে রাষ্ট্রীয় সফরে গেলে বিখ্যাত এ মসজিদটি প্রথম পরিদর্শন করেন।

26
বিদায় হজে নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সঙ্গে প্রায় সোয়া লাখ সাহাবি হজব্রত পালন করেছেন। কিন্তু মক্কা-মদিনা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলোতে অল্প সংখ্যক সাহাবিরই কবর খুঁজে পাওয়া যায়। কারণ বিদায় হজের বাণী মোতাবেক সাহাবিরা পৃথিবীর নানাপ্রান্তে ছড়িয়ে পড়েন ইসলামের দাওয়াত নিয়ে। ফলে ওইসব দেশেই তাদের মৃত্যু হয়। আর এ কারণেই বহু সাহাবির কবর ছড়িয়ে আছে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে। যেমন—

হজরত উকবা ইবনে নাফে (রা.) -এর কবর আলজেরিয়ায়।
হজরত আবুল বাকা আনসারী (রা.)-এর কবর তিউনিসে।
হজরত রুয়াইফা আনসারী (রা.)-এর কবর লিবিয়ায়।
হজরত আবদুর রহমান (রা.)-এর কবর উত্তর আফ্রিকায়
হজরত মাবাদ ইবনে আব্বাস (রা.)-এর কবর উত্তর আফ্রিকায়।

হজরত আবু রাফে (রা.)-এর কবর খোরাসানে।
হজরত আবদুর রহমান ইবনে সামুরা রাহ.-এর কবর খোরাসানে।
হজরত আবু আইউব আনসারী (রা.)-এর কবর ইস্তাম্বুলে।
হজরত আবু তালহা আনসারী (রা.)-এর কবর বোহায়রা রোমে।
হজরত ফযল ইবনে আব্বাস (রা.)-এর কবর সিরিয়ায়

হজরত খালিদ ইবনে ওয়ালিদ (রা.)-এর কবর হিমসে।
হজরত বিলাল হাবশী (রা.)-এর কবর দামেশকে।
হজরত আবুদ্দারদা (রা.)-এর কবর জর্ডানে।
হজরত জাফর ইবনে আবী তালিব (রা.)-এর কবর মোতায়।
হজরত আবদুল্লাহ ইবনে রওয়াহা (রা.)-এর কবর জর্ডান নদীর পাশে।

হজরত মুআয ইবনে জাবাল (রা.)-এর কবর জর্ডানের এক পাহাড়ে।
হজরত যিরার ইবনুল আযওয়ার (রা.)-এর কবর জর্ডানের এক পাহাড়ে।
হজরত উবাদা ইবনুছ ছামেত (রা.)-এর কবর জর্ডানের এক পাহাড়ে।
হজরত আবু যামআহ (রা.)-এর কবর তিউনিসে।
হজরত কুছাম ইবনে আব্বাস (রা.)-এর কবর সমরকন্দে।
হজরত আমর ইবনে মাদিকরিব (রা.)-এর কবর নেহাওয়ান্দে।

৫০ হিজরিতে হজরত মুহাম্মদ ইবনে আবি সগরা (রা.) কাবুলের রাস্তা হয়ে পেশাওয়ার এবং পেশাওয়ার থেকে লাহোর হয়ে কেলাত পর্যন্ত পৌঁছেছিলেন। কেলাতের পাহাড়ে আজও সাতজন সাহাবি ও তাবেয়ির কবর আছে।

এ তালিকা থেকে বোঝা যায়, হজরত নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সম্মানিত সাহাবিগণ দ্বীনের ডাকে আপন ভূমি থেকে দেশ-দেশান্তরে ছড়িয়ে পড়েছিলেন। ইসলামের পথে ঘরবাড়ি ছেড়ে নিজেদের উৎসর্গ করেছিলেন। রাজিয়াল্লাহু আনহুম।
Ref: http://www.banglanews24.com/fullnews/bn/418611.html

27
Textile Engineering / APPLICATIONS OF TENCEL FIBER
« on: August 20, 2015, 03:54:14 PM »
Professional business wear.
Leotards
Hosiery
Casual wear
Upholstery
Window-treatment fabrics
Filters
Printers’ blankets
Specialty papers
Medical dressings
Conveyer belts for strength & softness
Botanic Tencel bed

28
Textile Engineering / properties of Tencel fiber
« on: August 20, 2015, 03:52:53 PM »
Soft, strong, absorbent , lightweight, breathable, comfortable
Fibrillated during wet processing to produce special textures
It has high wet and dry strength, it is stronger than Cotton and Wool.
Wrinkle resistant
Very versatile fabric, dye able to vibrant colours, with a variety of effects and textures.
Can be hand washable
Simulates silk, suede, or leather touch
Good drapability
Biodegradable
Fine yarn counts can be spun
Resistant to sunlight , abrasion and aging
Hand feel is similar to rayon

29
Textile Engineering / Raw Material for Tencel fibre
« on: August 20, 2015, 03:50:48 PM »
Cellulose
Most abundant natural resource on earth.
It is obtained form wood pulp.
Trees like Eucalyptus , bamboo and pine tree are used.
Eucalyptus is primarily used to produce the Tencel fibre.

30
Textile Engineering / Best way to negotiate an enviable salary
« on: August 18, 2015, 05:49:04 PM »
While negotiating salary or sealing a major deal, expressing sadness during negotiations can turn the scale in your favour, suggests a new study.

People who show sadness during negotiations can gain concessions when it elicits empathy from others, the findings showed.

We know that emotions play a role in negotiations, especially because there is a lot at stake both professionally and personally, said one of the researchers Shirli Kopelman, an assistant professor of management and organizations at the University of Michigan in the US.

It turns out that sadness is expressed more often than one might imagine at work, and is important because it produces reactions of empathy, Kopelman noted.

Sadness may be communicated in words and doesn't necessitate crying.

For example, one may say, What you are saying makes me sad, or I feel sorrow about the way things are going.

The key is that for it to have an impact on the negotiation, the recipients must have a reason to experience concern for the one who expresses sadness, the study said.

A series of experiments involving face-to-face interactions showed how the phenomenon works.

Sadness increased concessions when people on the other side viewed the sad negotiator as having less power, or thought they would be involved with them in the future.

Recipients who viewed the relationship with the person showing sadness as collaborative were also more likely to cede some ground in the negotiation.

Our experiments showed that expressing sadness increased value claiming in negotiations, but only when the relationship provided reasons to experience concern for the expresser, Kopelman said.

Ref:Source: Times of India

Pages: 1 [2] 3