Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - masud895

Pages: 1 2 [3] 4 5 6
31
IT Forum / New Li-Fi Technology to access internet at high speed
« on: September 03, 2014, 10:16:13 AM »
With the invention of new Li-fi technology, you will soon find light bulbs of your car, light lamps in your room, lights in subway, flashlight of your mobile and any other light source are providing you internet access at very high speed.
Li-fi technology is the milestone in the history of information technology. You have got the idea that Li-Fi Technology is something light. Yes, Li-fi technology or light-fidelity technology transmits data wirelessly at high speeds with the use of light emitting diodes.

Working of Li-Fi Technology

The functioning of new Li-Fi technology is just simple. You will have a light source at one end like a LED and a photo detector (Light Sensor) on the other end. As soon as, LED starts glowing, photo detector or light sensor on other end will detect light and get a binary 1 otherwise binary 0.
                                                       
How can data be transmit via this new Li-F- technology?

Flashing a LED certain times will build up a message to transmit. Flashing of light is detected by the photo detector or light sensor and it will receive a message.
                                                       

Now, think of several LEDs with some different colors, flashing together and building a huge information to transmit. It is observed that green laser with the red laser can transmit data at 1 GBPS

32
IT Forum / Difference between 32 bit and 64 bit?
« on: September 03, 2014, 09:55:27 AM »
: ৩২ বিট প্রসেসর : ::

এ শ্রেণীর প্রোসেসরগুলো ১৯৯০ সালের কম্পিউটারগুলোতে প্রধান প্রোসেসর হিসেবে ব্যবহার করা হত। সে সময় একমাত্র প্রসেসর হিসেবে Intel Pentium ই বাজার দখল করে রেখেছিল। পরবর্তীতে কালক্রমে ৩২ বিটের AMD প্রোসেসের আগমন ঘটে।মূলত ৩২ বিট প্রসেসর-এর অপারেটিং সিস্টেম এবং সফটওয়্যার গুলো ৩২ বিট নির্ভর হয়ে থাকে। যেমন : উইন্ডো ৯৫, ৯৮ এবং এক্সপি হলো ৩২ বিট অপারেটিং সিস্টেম, যা সচারচর ৩২ বিট প্রোসেসরগুলোতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

:: ৬৪ বিট প্রসেসর : ::

৬৪ বিট সম্পন্ন কম্পিউটার সকলের হাতে পৌছায় ২০০০ সালের শুরুর দিকে। যদিও ১৯৬১ সালের শুরুর দিকে যখন IBM তাদের IBM 7030 Stretch সুপার কম্পিউটার তৈরীর সময় এই প্রসেসর এর পরিকল্পনা গ্রহণ করে। যার ফলে পরবর্তীতে Microsoft তাদের সর্বাধিক জনপ্রিয় Windows XP অপারেটিং সিস্টেম এর 64-bit ভার্সন বাজারে প্রকাশিত করে যাতে করে 64-bit সম্পন্ন প্রসেসরগুলোতে তা ব্যবহার করা যায়। আর তার পর থেকেই Windows Vista, Windows 7 এবং Windows 8 এর 64-bit ভার্সনগুলো একের-পর এক বাজারে আসতে শুরু করে।শুধু তাই নয়, এছাড়াও অন্যান্য সফটওয়্যারগুলোও 64-bit কম্পিউটারের উপযোগী করে তৈরী করা হয়, যাতে করে ৬৪ বিট কম্পিউটারেও তা সক্ষমভাবে কাজ করতে পারে।
                                         

:: ৩২ বিট আর ৬৪ বিট এ পার্থক্য কি ::

১। ৩২ বিট এর চেয়ে ৬৪ বিটে উইন্ডোজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বেশি, বিশেষ করে Kernel Patch Protection অনেক বেশি শক্তিশালী হয় ৬৪ বিটে। Kernel হল প্রসেসর, হার্ডওযার, ডিভাইস ড্রাইভার এর সাথে অন্যান্য সফটওয়ারের সমন্বয় রক্ষা করে চলার একটি পদ্ধতি যার উপর ভিত্তি করে অপারেটিংস সিস্টেম তৈরি হয়। একেক অপারেটিং সিস্টেমে একেক ধরনের Kernel ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়।
২। ৬৪ বিট উইন্ডোজে ডিজিটাল সাইন ছাড়া ড্রাইভার ইন্সটল করা যায় না। ডিজিটাল সাইনটা এক প্রকার কোম্পানির সীলের মত। যখন ঐ সফটওয়ারটাকে ভাইরাস আক্রমন করে বা এর মধ্যে কোন পরিবর্তন হয় তখন ডিজিটাল সাইনটি পরিবর্তিত হয়ে যায় যাকে হিসেবে উইন্ডোজ ধরে নেয়। ৩২ বিটেও ডিজিটাল সাইন ছাড়া ড্রাইভার ইন্সটল না করার অপশন আছে তবে এটি ডিফল্ট সেটিংস নয়। কিন্তু ৬৪বিটে উইন্ডোজ Digital Sign Broken কে অনুমোদন করে না।
৩। ৬৪ বিট প্রসেসরে ৬৪ বিট এবং ৩২ বিট দুই ধরনের উন্ডোজই (অপারেটিং সিস্টেম) ব্যবহার করা যায়। তবে ৩২ বিট প্রসেসরে শুধু মাত্র ৩২ বিট উন্ডোজই ব্যবহার করা যায়। সুতরাং ৬৪বিট উইন্ডোজ ব্যবহার করতে চায়লে ৬৪বিট প্রসেসরই লাগবে।
৪। ৬৪বিট উইন্ডোজে কিছু কিছু ৩২বিটের সফওয়ার, আর ড্রাইভার রান করা গেলেও অনেক সময় সমস্যা দেখা দেয়, সঠিকভাবে কাজ করে না। তবে ৩২বিট উইন্ডোজে ৬৪বিট সফটওয়ার বা ড্রাইভার কোনটাই কাজ করে না। অর্থাৎ সঠিকভাবে কাজ করার জন্য ৬৪বিটের জন্য ৬৪বিটের সফটওয়ার আর ড্রাইভার যেমন দরকার তেমন ৩২ বিটের জন্যও ৩২বিটের সফটওয়ার আর ড্রাইভার দরকার। আবার ১৬বিট প্রোগ্রামগুলো ৩২বিটে কাজ করলেও ৬৪বিটে কাজ করে না। ৬৪ বিটের প্রোগ্রামগুলো ৩২বিটের চেয়ে পারফরমেন্স ভাল দেখায়। যেমন ক্রাশ করা বা এরকম অন্যান্য সমস্যাগুলো থেকে ৬৪বিট প্রোগ্রামগুলো মুক্ত বললেই চলে।
৫। ৬৪বিট প্রসেসর সাধারণত x64 এবং ৩২বিট প্রসেসর সাধারণত x86 গতিতে চলে।
৬। ৩২ বিটের জন্য সাধারণত 512MB থেকে 4 GB পর্যন্ত RAM Recommend করা হয় যেখানে ৬৪বিটের জন্য 4 GB recommend করা হয়। এর চেয়ে কম হলেও চলে।

33
IT Forum / How to use DIU IT Support E-Help Portal
« on: May 22, 2014, 04:07:56 PM »
Visit DIU IT Support E-Portal and Submit you Ticket for IT related issues DIU IT Support Team will response in a short time. Check you current status in your user portal.

34
টেকজায়ান্ট গুগলের তৈরি বহুপ্রতীক্ষিত মডিউলার স্মার্টফোন বাজারে আসছে ২০১৫ সালে। ‘স্মার্টফোন’ বললেই যে ছবিটা আমাদের চোখে ভাসে, মাথার ভেতর চলতে থাকে যে র‌্যাম, রম আর পিক্সেলের হিসেব তার সবকিছুই পাল্টে দিতে পারে গুগলের প্রজেক্ট আরার মডুলার স্মার্টফোন।

কী এই মডিউলার স্মার্টফোন? এর বিশেষত্বই-বা কী? প্রজেক্ট আরার মডিউলার স্মার্টফোনটির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ফিচারটিই হচ্ছে-- ইচ্ছেমতো এর হার্ডওয়্যার বদলে নেওয়া যাবে। স্মার্টফোনটির হার্ডওয়্যারের গঠনটাই এমন হবে যে, ক্রেতা নিজেই পুরনো ব্যাটারি বা ক্যামেরা খুলে নিজের পছন্দমতো নতুন হার্ডওয়্যার লাগিয়ে নিতে পারবেন।

সময়ের সঙ্গে ‘তাল’ মেলাতে অনেক ক্রেতাই বছর বছর পাল্টাচ্ছেন স্মার্টফোন। এই তো সেদিন বাজারে এল স্যামসাংয়ের গ্যালাক্সি এস৫, এর মধ্যেই গ্যালাক্সি এস৪ স্মার্টফোন বেচে দিয়ে গ্যালাক্সি এস৫ কেনার কথা ভাবছেন অনেকেই।

এই দৃশ্যপট হয়ত অনেকটাই পাল্টে দিতে পারে মডিউলার স্মার্টফোনগুলো । পুরনো স্মার্টফোন বিক্রি করে দিয়ে আবারও বেশি খরচ করে নতুন স্মার্টফোন কেনার ঝক্কি পোহাতে হবে না, প্রয়োজন আর পছন্দমতো হার্ডওয়্যার দিয়ে পুরনো স্মার্টফোনকে ‘কাস্টোমাইজ’ করে নিতে পারবেন ক্রেতা। ফলে মডুলার স্মার্টফোনগুলো হালের মোবাইল ফোনগুলোর থেকে  তুলনামুলকভাবে লম্বা সময় ব্যবহারের সুযোগ থাকবে।

সিএনএন এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, প্রজেক্ট আরার অংশ হিসেবে গুগলের প্রথম প্রজন্মের মডিউলার স্মার্টফোন বাজারে আসবে ২০১৫ সাল নাগাদ। আর মডেলভেদে স্মার্টফোনগুলোর দাম হতে পারে ৫০ ডলার থেকে ৫০০ ডলার‌ পর্যন্ত। ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা ক্লারায় অনুষ্ঠিত ডেভেলপার্স কনফারেন্সে গুগল প্রজেক্ট আরার প্রথমিক স্তরের অগ্রগতি দেখিয়েছে এই সপ্তাহেই।

তিনটি ভিন্ন আকারের মডেল দিয়ে বাজারে যাত্রা শুরু করবে গুগলের মডিউলার ফোন। এর মধ্যে পকেটে সহজে পুরে নেওয়ার মতো ‘পকেট সাইজ’ থেকে শুরু করে থাকবে ফ্যাবলেট নামে পরিচিত বড় ডিসপ্লের মডেলও। মডিউলার স্মার্টফোনগুলোর প্রতিস্থাপনযোগ্য অংশগুলোকে একসঙ্গে ধরে রাখবে বিশেষ ম্যাগনেটিক ফ্রেম ‘এন্ডো’।


35
বর্তমানে প্রায় সবাই এ্যান্ড্রয়েড ফোনটি নিরাপদ রাখার জন্য পাসওয়ার্ড বা প্যাটার্ন লক ইউস করি। অনেক সময় আমরা পাসওয়ার্ড টা ভুলে যাই, ফোনটিকে পুনরুদ্ধার করার জন্য ফ্ল্যাশ বা পুনরায় অপারেটিং সেটআপ দিতে হয় ।
কিন্তু, আপনি ইচ্ছা করলে নিজে থেকেই কাজটি করতে পারেন-
১. ফোনটি অফ করে নিন,
২. এরপর ভলিউমের বাটন দুটি চেপে ধরুন,
৩. পাওয়ার বাটনটি চেপে ধরে রাখুন, যতক্ষণ না পর্যন্ত ফোনটি চালু হয়,
৪. এরপর দেখবেন চারটি অপশন আসবে,
৫. রিসেট ফ্যাক্টরি সেটিংস্-এ চাপুন ।
(এটি করার জন্য ভলিউমের এবং পাওয়ার বাটনটি ইউস করুন)
৪. এরপর কিছুক্ষন অপেক্ষা করতে হবে, ফোনটি রিস্টার্ট হওয়া পর্যন্ত ।

36
ডেটা ট্রান্সফারে ব্যবহৃত ইউএসবি কেবলের পরিবর্তন আসতে সম্ভবত আর বেশি দেরি নেই। ১৯৯০ সালে প্রথম ব্যবহৃত হওয়া ইউএসবি পোর্টের আকার ও আকৃতির পরিবর্তন নিয়ে ধারণা প্রকাশ করেছে বিবিসি।

জুলাই নাগাদ নতুন ইউএসবি পোর্টের ডিজাইন চূড়ান্ত হতে পারে। এতে একই ইউএসবি কেবলের মাধ্যমে সহজে ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত করা যাবে।

কম্পিউটারের সঙ্গে ক্যামেরা কিংবা স্মার্টফোন যুক্ত করতে গিয়ে পোর্টের পজিশন নিয়ে বাড়তি বিড়ম্বনাও কমবে বলে জানিয়েছেন নির্মাতারা। নতুন ইউএসবি কেবলের দুপ্রান্তের সংযোগমুখ থাকবে একই ধরনের। যেমনটি রয়েছে টেক জায়ান্ট অ্যাপলের লাইটিং কেবলে।

নতুন ইউএসবি কেবলকে বলা হচ্ছে টাইপ থ্রি স্ট্যান্ডার্ড ইউএসবি সিস্টেম। এটি ব্যবহার করে সেকেন্ডে ১০ গিগাবিট পর্যন্ত গতিতে ডেটা আদান-প্রদান করা যাবে, যা বর্তমানে ব্যবহৃত ইউএসবি কেবলের ক্ষমতার দ্বিগুণ।

Source : http://bangla.bdnews24.com/tech/article767774.bdnews

37
Request a free voucher to take exam 74-409, which gets you a certification in Server Virtualization with Windows Server Hyper-V and System Center. Earn this certification if you are an IT professional who is responsible for designing, implementing, managing, and maintaining a virtualization infrastructure and/or want proof of your skills on current Microsoft virtualization technologies.

The number of free exams is limited, so be sure to schedule your appointment to lock-in your free exam. Vouchers expire and all exams must be taken by June 30, 2014. To register for your exam, go to http://www.register.prometric.com and, when prompted, use your voucher code to schedule your exam.

Link : http://www.microsoftvirtualacademy.com/offers/virtualizationsquaredoffer#?fbid=QpFLoOlsJPY

38
Ready to prove your expertise with the globally recognized MCSD (Microsoft Certified Solutions Developer) certification? Get started today by requesting your free MCSD ‘3-for-1’ exam voucher.

When you schedule and pay for the first exam using your personal voucher code, you’ll get the next 2 exams for free, valid on exams for any of the following certifications:

MCSD Windows Store Apps-HTML5
MCSD Web Applications
MCSD SharePoint Applications
MCSD Windows Store Apps-C#
MCSD Application Lifecycle Management

This offer includes:
3-for-1 exam voucher
Register today to receive your free MCSD ‘3-for-1’ exam voucher.

Link : http://www.microsoftvirtualacademy.com/offers/MCSD-3-for-1?prid=WWLex_LeXHomepage#?fbid=QpFLoOlsJPY


39
IT Forum / Android 4.4 Kit Kat Features
« on: March 11, 2014, 04:25:18 PM »
Hello friends today i am going to describe about the latest Android 4.4 kit Kat . The Android 4.4 Kit Kat update is coming soon in the very near future for Samsung galaxy S4 ,S3, Note 3 and Note 2 users according to new leaks out this week. Many of the companies announced the update dates for Android kit kat last year, however, Samsung users were left in the dark as the company remained silent on the plans for the rollout of Android kit kat.

Many peoples are waiting for it shared Android 4.4 test firmware for the samsung galaxy s4 on friday. The Android 4.4.2 build version I9505XXUFNA1, available for download for the GT I9505 model of Galaxy S4, is said to be relatively stable with few bugs.

Features of android kit kat:-

Are you tired of touching that grimy screen to perform searches, send texts, get directions or play your favorite tunes ? If so, or if you're just lazy, there's now voice control capabilities. Simply say ''ok google'' and the command will start.

There will be unlimited home screen panels.

Kitkat comes with a feature that will hide everything while reading or watching a movie. If you want to get back the status bar and navigate buttons swipe the edge.

Kit kat ccme with web browser available based on open-source layout engine, coupled with chrome's V8 javascript engine.The browser scores 100/100 on the acid3 test on android 4.0.

Multitasking of applications, with unique handling of memory allocation, is available.

Android supports capturing a screenshot by pressing the power button and volume-down buttons at the same time.

40
মজিলা ফাউন্ডেশন বিশ্বের সবচেয়ে কম দামের স্মার্টফোন আনছে—এ তথ্য এরই মধ্যে সবাই জেনে গেছেন। ফায়ারফক্স অপারেটিং সিস্টেমচালিত (ওএস) ২৫ মার্কিন ডলার দামের এ স্মার্টফোন নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা চলছে সবার মধ্যে। চীনা চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্প্রিডট্রামের সঙ্গে অংশীদারির মাধ্যমে কম দামের এই মোবাইল ফোনসেট বাজারে আসবে। এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী এই স্মার্টফোনে থাকবে ৩.৫ ইঞ্চি স্ক্রিন, যার রেজুলেশন হবে ৩২০ বাই ৪৮০ পিক্সেল।

মজিলা ফাউন্ডেশনের তৈরি ব্রাউজার ফায়ারফক্সের জনপ্রিয়তার পাশাপাশি ইতিমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন দামে মজিলা ফোন পাওয়া যাচ্ছে। ফায়ারফক্স ওএসচালিত এই স্মার্টফোন বেশ জনপ্রিয়তাও পেয়েছে।

পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই ফোনে আরও থাকবে ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথ, এফএম রেডিও ও অন্যান্য সুবিধা। এই ফোনের রিয়ার ক্যামেরা হবে ২ মেগাপিক্সেলের। ফোনের ডিফল্ট ব্রাউজার হিসেবে থাকবে মজিলা ফায়ারফক্স, এতে এইচটিএমএল৫ সুবিধাও পাওয়া যাবে।

সবচেয়ে কম দামের এই ফোনের বিষয়ে মজিলার পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলেও বাংলাদেশে এই ফোন নিয়ে আসছে টেলিনর ডিজিটাল। টেলিনর ডিজিটালের চিফ স্ট্র্যাটেজিক অফিসার অ্যান্ডার্স হ্যালিন এ তথ্য জানিয়েছেন। [/size]
Source : Prothom Alo


41
IT Forum / PDF e-book creator software free download
« on: December 30, 2013, 09:55:22 AM »
আমি আজ আপনাদের সামনে একটা গুরুত্বপূর্ণ উইন্ডোজ সফটওয়্যার শেয়ার করবো। আমরাতো জীবনে কত পি ডি এফ পড়লাম।কিন্তু আমাদের ভিতর অনেকেই আছেন যারা এই ডকুমেন্ট বানাতে পারেন না। যারা পারেন আমি তাদের কথা আমি বলছিনা।যারা এটা তৈরি করতে পারেন না তাদের জন্য এই সফটওয়্যার।আর সফটওয়্যার লাভাররা এটা সংগ্রহ করে রাখতে পারেন। সফটওয়্যারটার নাম ডু পি ডি এফ। এটি ব্যবহার করে আপনি খুব সহজেই যে কোন অফিস ডকুমেন্ট যেমন (docs) থেকে  পি ডি এফ বানাতে পারবেন । এটির কাজ খুব সহজ। আপনারা একটু ট্রাই করে দেখলেই পারবেন বলে আশা করি। এখন যাদের যাদের এই সফটওয়্যারটা লাগবে তারা   ডাউনলোড করেনিন

Click the download Link

http://www.solidfiles.com/d/4b093fa752/ 

42
প্রথাগত ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের জনপ্রিয়তা যত বাড়ছে, তার সঙ্গে যেন পাল্লা দিয়ে কমছে গতি। ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের সেই ঝামেলা এড়াতে চীনের সাংহাইয়ের ফুডান ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেছেন রেডিও ওয়েভের বদলে আলোকে মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে ডেটা ট্রান্সফারের নতুন এক প্রযুক্তি-- ‘লাই-ফাই।’ প্রথাগত ওয়াই-ফাইয়ের তুলনায় ১০গুণ দ্রুত ডেটা ট্রান্সফার করা সম্ভব এই প্রযুক্তিতে।

প্রযুক্তি সংবাদবিষয়ক সাইট ম্যাশএবল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, রেডিও ওয়েভের মতো আলোও ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভ, যার কম্পাঙ্ক ওয়াই-ফাইয়ের তুলনায় এক লাখ গুণ বেশি। বছর দুই আগে প্রথমবারের মতো লাই-ফাই প্রযুক্তির কথা বলেন বিজ্ঞানীরা। দুই বছরে অনেকটাই এগিয়েছে এই প্রযুক্তি।

এ প্রযুক্তিতে প্রথমে ডেটা ট্রান্সফার করা হয় একটি এলইডি বাল্বের সাহায্যে। বাল্বটি সেকেন্ডে কয়েক কোটি বার জ্বলে-নেভে, তার মাধ্যমেই সংকেত ট্রান্সফার করে (সাধারণ ফ্লুরোসেন্ট বাল্ব প্রতি সেকেন্ডে ১০ হাজার থেকে ৪০ হাজার বার জ্বলে নেভে, যা খালি চোখে বোঝা যায় না)।

লাই-ফাই প্রযুক্তির সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা হচ্ছে, কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসের রিসিভারটি থাকতে হবে ডেট্রা ট্রান্সফার করা এলইডি বাল্ববের আলোর সীমানার মধ্যে। এক ঘর থেকে অন্য ঘরে গেলেই বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে লাই-ফাই সংযোগ। তবে এই সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করতে পারলে পাল্টে যেতে পারে ওয়াই-ফাই প্রযুক্তি ব্যবহারের ইতিহাস।


Source : http://bangla.bdnews24.com/tech/article687359.bdnews

43
IT Forum / How to make your computer run faster?
« on: August 19, 2013, 12:12:17 PM »
1.   Check your hard disk space. As a rule, you want to keep at least 15% of the hard disk space free to keep the computer running smoothly. Simply go to My Computer, right-click on Hard Drive, and go to Properties. There you'll see a pie chart of your free versus used space. If it’s mostly full, you'll want to start by removing unnecessary programs and files; it it’s not, you probably want to tackle the actual way your computer operates.

2.   Remove any programs you do not use. Go to Control Panel > Add or Remove Programs (or Uninstall a Program, depending on your operating system) to find a master list of programs installed on your computer. Some things will strike you as useless immediately, in which case you can remove them right away. Others won’t look familiar to you and may require you some research.

3.   It may help to see how often you use the program. If you right-click one of the column titles above your program list (ex. Name, Publisher, Size, Installed On, etc.), you should be able to add additional characteristics by which to judge your programs. For example, find Last Used On on the list of options and check it; a column displaying the last time you used each program will now appear and can also be used to sort your programs. Some programs will not have been used in years and may be candidates for deletion.
When in doubt, don't remove anything you don’t recognize; it may be critical to the function of your computer – and if you delete twelve different things only to discover that your computer no longer works properly, it will be very difficult to determine where exactly you went wrong.
Don't forget to empty your recycling bin.Prevent unnecessary programs from starting when the computer boots. The more programs try to run while your computer initializes, the slower everything will be. Revise your startup programs by altering your system configuration via MSConfig.

4.   Install an anti-virus program, spyware scanner, and an anti-malware. The fewer bugs, viruses, and bits of adware your computer has to manage, the more time it will have to devote to other processes. While you're at it, make a point of keeping Windows up-to-date; not only will this keep Windows itself in better shape, but some viruses ride in on Windows updates that are downloaded way after the fact (and therefore not monitored as closely).
5.   Run a Disk Cleanup. This can clean up hundreds of megabytes of temporary files – sometimes even gigabytes (if you have Windows XP, Vista, or 7). It will also open a window in which you can chose what to delete. Go to My Computer, right-click the Hard Drive and select Properties, and then click Disc Cleanup (within the General tab). Check all the boxes except for the game files and setup files.
6.   Run a Disk Defragment. This will reconfigure the way the hard drive stores information for maximum efficiency. Go to My Computer, right-click the Hard Drive and select Properties, then go to the Tools tab and click Defragment Now.

7.   Check for any disk errors. These will also slow your computer down. Go to My Computer, right-click the Hard Drive and select Properties, then go to the Tools tab and click Check Now under the Error-Checking area. When the dialogue box opens, check both boxes.If you get a window saying that Windows can't check the disk while it's in use, click on Schedule Disk Check and then OK. It will run on your next reboot.

8.   Turn off indexing. Go to My Computer, right-click the Hard Drive and select Properties, then unclick the box indicating that the drive should be indexed. Don't do this if you actually use any of the Windows Search functionality. The background indexing is what makes those searches fast and Windows is already very good about not getting in your way to do indexing while you're trying to do something else.

9.   Clear your Prefetch folder. Windows saves a file of the program you are using to make it start up faster. After years of use, this folder gets stuffed with irrelevant programs.

10.   Open Notepad and type:
del C:\Windows\Prefetch\*.* /Q
Rundll32.exe advapi32.dll, ProcessIdleTasks
(Copy and paste this text to ensure you don’t make any mistakes.)
Save as faster.bat (the .bat extension will run it as a batch file).
Run it! Simply double-click the file to initialize. In a few moments, the command prompt will      disappear and your programs should run more smoothly.

11.   Change Prefetch Parameters. This a dangerous task to complete unless you follow these steps exactly. If you're not sure about anything, don’t continue.
Go to Start > Run and type regedit to initialize the registry editor.
Go to HKEY_LOCAL_MACHINE>SYSTEM>CurrentControlSet>Control>Session Manager>Memory Management>Prefetch Parameters to access the parameters.
Double-click Enable Prefetcher. Once the new window pops up, there should be a small, editable text box with the number 3 in it. (Windows allows 4 options: 0, 1, 2 and 3.) 3, the default, fetches everything.
Change this to 2. Your PC will boot a lot faster and your PC performance shouldn't be affected.
Click OK and then close regedit.

12.  Add RAM to your computer. To see if you need more RAM, initialize the Windows Task Manager by pressing CTRL+ALT+DELETE. Under the Performance tab, find the area devoted to Physical Memory. If the Free amount hovers around zero but the computer is still slow, you may need to take your computer in to add RAM or even add more RAM yourself.

13. Restart your computer. The computer usually needs to reboot to implement changes.

14. Remove gadgets you don't use. All gadgets that are running slow down your computer.

15. Log off the users who do not want the computer. Switch user your account then if you see that many users are logged in, log them off.

44
মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে গিয়ে ছোটখাটো সমস্যা হয়ই। সমস্যা সমাধানে কেউ ছোটেন অভিজ্ঞদের কাছে, কেউ বা কেয়ার সেন্টারে। তবে একটু চেষ্টা করলে নিজেই নিজের মোবাইল ফোন ঠিক করা যায়। মোবাইল ফোনের সাধারণ কিছু সমস্যা ও সমাধান নিয়ে বিস্তারিত :
 
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?
তথ্য সুরক্ষাসহ অনেক কারণেই পাসওয়ার্ড দিয়ে মোবাইল ফোন লক করে রাখেন অনেকে। পরবর্তী সময়ে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে কোনো কাজ করার আগে পাসওয়ার্ড দিয়ে এটি সক্রিয় করতে হয়। নকিয়া ১১০০ এবং এ ধরনের মডেলের মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীরা পাসওয়ার্ড ভুলে গেলেও এর তথ্যগুলো দেখতে এবং কল করতে পারবেন। এ জন্য প্রথমে Menu বাটনটি চাপতে হবে। এবার সিকিউরিটি কোড বা পাসওয়ার্ড চাইবে মোবাইল ফোনটি। এবার চাপতে হবে Back (Go to) বাটন। এখন আবার Unlock (Menu) চেপে দুই সেকেন্ড পর্যন্ত একটানা ধরে রাখুন। দুই সেকেন্ড পর স্ক্রিনে দেখা যাবে Now Press * নামের একটি কমান্ড। এটি মুহূর্তের মধ্যেই আবার মিলিয়ে যাবে। তাই এ পর্যায়ে একটু সতর্ক থেকে কমান্ডটি দেখার সঙ্গে সঙ্গেই Unlock (*) বাটন চাপতে হবে। দেখা যাবে, পাসওয়ার্ড ছাড়াই ফোনের লক খুলে গেছে
 
স্মার্টফোনের তথ্য ব্যাকআপ :
নকিয়ার সিমবিয়ান অপারেটিং সিস্টেমের স্মার্টফোনে প্রয়োজনের অতিরিক্ত তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করলে এটি অনেক ধীরগতির হয়ে যায়। অনেক সময় ফোনের তথ্যগুলোও হারিয়ে যায়। আবার অনেকে এক ফোন থেকে অন্য ফোনেও তথ্য স্থানান্তর করতে চান। এ ক্ষেত্রে তথ্যের নিরাপত্তার জন্য কম্পিউটারে নকিয়া স্মার্টফোনের তথ্যগুলো ব্যাকআপ হিসেবে সেভ করে রাখতে পারেন। এ জন্য নকিয়া পিসি স্যুইট সফটওয়্যারটি কম্পিউটারে ইনস্টল করা থাকতে হবে। লিংকটি দেখতে হলে অবশ্যই নিবন্ধন অথবা প্রবেশ করতে হবে। থেকে বিনা মূল্যে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করা যায়। এবার মোবাইল ফোনটি ডেটা কেবল অথবা ব্লুটুথ সংযোগের মাধ্যমে কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। পিসি স্যুইট সফটওয়্যারটি Open করলে পাওয়া যাবে ব্যাকআপ অপশন। এখানে ক্লিক করলে ব্যাকআপ ও রিস্টোর নামের দুটি অপশন পাওয়া যাবে। এবার ব্যাকআপ লেখা বাটনে ক্লিক করে কোন কোন তথ্যের ব্যাকআপ নিতে চান এবং সেগুলো কোথায় সেভ করবেন, তা নির্বাচন করুন। কিছুক্ষণের মধ্যেই স্মার্টফোনের তথ্যগুলো ব্যাকআপ হিসেবে কম্পিউটারে সেভ করা যাবে। একই পদ্ধতিতে তথ্যগুলো মোবাইল ফোনে আবার রিস্টোরও করা যাবে। এ জন্য ব্যাকআপ বাটনের বদলে চাপতে হবে রিস্টোর বাটন।
 
সিমবিয়ান স্মার্টফোন ফরম্যাট :
অনেক ব্যবহার, ভাইরাসের আক্রমণ, অতিরিক্ত সফটওয়্যার ইনস্টলসহ বেশ কিছু কারণে সিমবিয়ান অপারেটিং সিস্টেম-নির্ভর হ্যান্ডসেটগুলো ধীরগতির হয়ে যায়। অনেক সময় এটি কাজ করে না। সে ক্ষেত্রে হ্যান্ডসেটটি ফরম্যাট করে সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে। কম্পিউটার ছাড়াও মোবাইল ফরম্যাট করার সুযোগ রয়েছে। এ জন্য প্রথমে স্মার্টফোনটি বন্ধ করে নিতে হবে। এবার একসঙ্গে স্টার (*), তিন (৩) ও কলিং বাটন বা সবুজ বাটন চেপে ধরে রাখতে হবে। একসঙ্গে চেপে ধরে রাখতে না পারলে এটি কাজ করবে না। চেপে রাখার পর এর অন সুইচ চেপে মোবাইলটি চালু করতে হবে। সম্পূর্ণ চালু না হওয়া পর্যন্ত স্টার (*), তিন (৩) ও কলিং বাটন বা সবুজ চেপে ধরে রাখতে হবে। এতে স্মার্টফোনের সব তথ্য মুছে যাবে এবং হ্যান্ডসেটটি ফরম্যাটও হয়ে যাবে। এরপর এতে নতুন সেটের মতোই কাজের গতি পাওয়া যেতে পারে। তবে সব তথ্য মুছে যাওয়ার আগে প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো ব্যাকআপ হিসেবে কম্পিউটার বা মোবাইল ফোনে নিয়ে রাখা যাবে।

মোবাইলে বাংলা দেখা :
মোবাইল ফোনে বিল্টইন-ভাবে বাংলা ফন্ট না থাকলে স্বাভাবিকভাবে বাংলা ওয়েবসাইট দেখা যায় না। তবে অপেরা ব্রাউজার ব্যবহার এবং কনফিগারেশন ঠিক করে যেকোনো বাংলা ইউনিকোড ওয়েবসাইট দেখার সুযোগ রয়েছে। প্রথমে লিংকটি দেখতে হলে অবশ্যই নিবন্ধন অথবা প্রবেশ করতে হবে। থেকে অপেরা ব্রাউজারটি ডাউনলোড করে নিতে হবে। এবার অপেরা চালু করে অ্যাড্রেস বারে টাইপ করতে হবে opera:config। এরপর ok বাটনটি চাপতে হবে। নতুন পেইজে Use bitmap fonts for complex scripts-এর সেটিংস পরিবর্তন করে YES করতে হবে। এরপর সেভ করে বেরিয়ে আসতে হবে। এবার মোবাইল ফোনে বাংলা ইউনিকোড সমর্থিত ওয়েবসাইটগুলো পড়তে পারবেন।

আইকনবিহীন ফোল্ডার তৈরি :
মোবাইল ফোনে ফোল্ডার বানানোর সময় সাধারণত একটি আইকন তৈরি হয়ে যায়। এ আইকনের ফলে বোঝা যায় ভেতরে কী ধরনের ফাইল রয়েছে। তবে ভেতরের ফাইলের প্রকৃতি বুঝতে দিতে না চাইলে আইকনবিহীন ফোল্ডারও তৈরি করা যাবে। এ জন্য প্রথমে তৈরি করুন একটি ফোল্ডার। এবার ওই ফোল্ডারে তথ্য বা ফাইলগুলো রাখুন। এবার ফোল্ডারে ফিরে এসে এর Rename অপশনের মাধ্যমে ফাইলের নামের শেষে .otb এক্সটেনশন যোগ করতে হবে। যেমন-Music নামে ফোল্ডার বানালে তার নাম হবে Music.otb। এবার দেখা যাবে ফোল্ডারের আইকনটি আর নেই। এবার ভেতরে কী কী ফাইল আছে, সেগুলোও তাই বাইরে থেকে বোঝার কোনো উপায় নেই।
 
কিছু গোপন কোড :
মোবাইলের ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইক্যুইপমেন্ট আইডেনটিটি বা আইএমইআই নম্বর জানার জন্য চাপতে হবে *#০৬#, ফ্যাক্টরি সেটিং রিস্টোর করার জন্য *#৭৭৮০#, সফটওয়্যারের সংস্করণ দেখার জন্য *#0000#, ব্লটুথ ডিভাইসের ঠিকানা এবং অন্যান্য তথ্য জানার জন্য *#2820#, ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কিংয়ের ম্যাক অ্যাড্রেস দেখার জন্য *#62209526#, মোবাইলের সিরিয়াল নম্বর জানার জন্য *#৭৭৬০#, সব কল ডাইভার্ট করার জন্য **21*number# চেপে কল কি চাপতে হবে। স্যামসাং মোবাইলের জন্যও বেশ কিছু গোপন কোড রয়েছে। সফটওয়্যার সংস্করণ জানার জন্য *#9999#,, সিরিয়াল নম্বর জানতে *#0001#, ব্যাটারির অবস্থা জানতে *#9998*246# এবং ভাইব্রেশন পরীক্ষা করার জন্য #9998*842# ~ *#8999*842# বাটন চাপতে হবে।

মোবাইলে ফোল্ডার লুকিয়ে রাখা :
মোবাইল ফোনে সাধারণভাবে কোনো ফোল্ডার লুকিয়ে রাখা যায় না। ফাইল ম্যানেজার থেকে সব ধরনের ফোল্ডারই দেখা যায় মোবাইল মেমোরি থেকে। তবে একটু বুদ্ধি করে মোবাইলেই যেকোনো ফোল্ডার লুকিয়ে রাখা যায়। এ জন্য প্রথমে মোবাইল মেমোরিতে একটি ফোল্ডার তৈরি করুন। ফোল্ডারের শেষে এঙ্টেনশন হিসেবে .jad ব্যবহার করতে হবে। যেমন_music নামে কোনো ফাইল তৈরি করলে ফাইলটির পুরো নাম হবে music.jad। এবার যে ফাইলগুলো লুকিয়ে রাখা প্রয়োজন, সেগুলো music.jad ফোল্ডারে ঢুকিয়ে নিতে হবে। এবার একই নামে একই রুটে আরো একটি ফোল্ডার তৈরি করতে হবে। যেহেতু আমরা আগে music নামে ফোল্ডার তৈরি করেছি, তাই নতুন ফোল্ডারটিও হবে music নামে। তবে এবার ফোল্ডারটি রিনেম করে এঙ্টেনশন হিসেবে .jar যুক্ত করতে হবে। পুরো ফাইলটির নাম হবে তাহলে music.jar। নতুন ফাইলটি তৈরি হওয়ার পর মোবাইল থেকে দেখা যাবে আগের ফোল্ডারটি উধাও হয়ে গেছে! আগের ফোল্ডারটি আর দেখা যাবে না। ফোল্ডার থেকে ফাইলগুলো দেখার জন্য মেমোরি কার্ড খুলে অথবা ডেটা কেব্ল্ দিয়ে কম্পিউটারের সঙ্গে ফোন সংযুক্ত করে ফোল্ডার থেকে ফাইলগুলো বের করা যাবে।
 

ভুলে গেলে মেমোরি কার্ড পাসওয়ার্ড :
মোবাইল ফোনে মেমোরি কার্ড সুবিধা থাকায় অনেকেই গোপনীয় তথ্যাবলি মেমোরি কার্ডেই সংরক্ষণ করে থাকেন। তবে নিরাপত্তার খাতিরে সেগুলোতে পাসওয়ার্ডও দিয়ে রাখেন অনেকে। তথ্যগুলো দেখার জন্য অবশ্যই পাসওয়ার্ডটি মনে রাখতে হয়। তবে পাসওয়ার্ড ভুলে গেলেও বিকল্প উপায়ে তথ্য রিকাভার করার সুযোগ রয়েছে। এ জন্য অবশ্য মোবাইলে এফএঙ্প্লোরার নামের একটি সফটওয়্যার ইনস্টল করা থাকতে হবে। লিংকটি দেখতে হলে অবশ্যই নিবন্ধন অথবা প্রবেশ করতে হবে। থেকে সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করা যাবে। সফটওয়্যার ইনস্টল শেষে চালু করুন। এরপর C:—-Szstem—-(mmcstore)file-টা Copy করে মেমোরি কার্ডে Paste করতে হবে। মেমোরি কার্ডে Copy করা mmcstore file-টির শেষে .txt এঙ্টেনশন যুক্ত করুন। তাহলে ফাইলের নামটি হবে mmcstore.txt। এরপর কম্পিউটারে ফাইলটি ব্লুটুথ, ডেটা কেব্ল্ বা অন্য কোনো মাধ্যমে পাঠান। এবার ফাইলটি কম্পিউটারে খুলে Text Document-এ দেখা যাবে, মেমোরি কার্ডের পাসওয়ার্ডটি দেওয়া রয়েছে।
 

মডেম হিসেবে মোবাইল ফোন :
ইন্টারনেট সমর্থক মোবাইল ফোনকে মডেম হিসেবে ব্যবহার করারও সুযোগ রয়েছে। এ জন্য প্রতিটি মোবাইলের জন্য আলাদা সফটওয়্যারের প্রয়োজন হয়। নকিয়া মোবাইল মডেম হিসেবে ব্যবহার করতে নকিয়া পিসি স্যুট এবং স্যামসাং মোবাইল ব্যবহার করার জন্য স্যামসাং স্টুডিও সফটওয়্যার (লিংকটি দেখতে হলে অবশ্যই নিবন্ধন অথবা প্রবেশ করতে হবে। ইনস্টল করতে হয় কম্পিউটারে। সেটআপ শেষে সফটওয়্যার খুলে ডেটা কেব্ল্ অথবা ব্লুটুথ সংযোগের মাধ্যমে কম্পিউটারের সঙ্গে মোবাইল ফোন সংযুক্ত করে নিতে হবে। এরপর নকিয়ার ক্ষেত্রে connect to the internet লেখা বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর One Touch Access নামের একটি বক্স আসবে, সেখানে প্রথমে Settings বাটনে ক্লিক করুন। এবার নিচে Next বাটনে ক্লিক করুন। Configure the connection manually লেখার বাঁ পাশে গোল চিহ্নটি মার্ক করুন। এবার নিচে Next বাটনে ক্লিক করুন। এবার অAccess Point লেখা খালি বঙ্ েইন্টারনেট অ্যাকসেস ঠিকানাটি লিখতে হবে ‘অ্যানড্রয়েড’। যেমন_গ্রামীণফোন ইন্টারনেটের জন্য gpinternet, বাংলালিংকের জন্য internet লিখতে হবে। User name ও Password-এর ঘরে কিছু লেখার প্রয়োজন নেই। এবার নিচে Finish বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর One Touch Access-এ গিয়ে Connect বাটনে ক্লিক করুন। ইন্টারনেটের সঙ্গে কম্পিউটারটি সংযুক্ত হয়ে যাবে।


Source :http://www.online-dhaka.com/122_1327_19682_0-tips-for-mobile-phone-dhaka-city.html

45
ক্রেডিট কার্ডে তথ্য সংরক্ষণের জন্য একটি চুম্বকীয় ফিতা ব্যবহার করা হয়। লেনদেনের ধরনকে আমূল বদলে দেওয়া ক্রেডিট কার্ডে ম্যাগনেটিক স্ট্রিপ বা চুম্বকীয় ফিতা ব্যবহার করার প্রক্রিয়াটি পঞ্চাশের দশকে উদ্ভাবন করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি উদ্ভাবক রন কেলিন। প্রযুক্তি বিশ্বে তিনি ‘দ্য গ্র্যান্ডফাদার অব পসিবলিটিস’ নামে খ্যাতি পেয়েছেন।
সম্প্রতি ক্রেডিট কার্ড স্ট্রিপ তৈরি ও রন কেলিনকে নিয়ে হাফিংটন পোস্ট একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে অসাধারণ এক উদ্ভাবন করেও তা থেকে মোটেও আর্থিকভাবে লাভ করতে পারেননি রন কেলিন। অসংখ্য ক্রেডিট কার্ডে ম্যাগনেটিক স্ট্রিপ ব্যবহূত হলেও এর পেটেন্ট থেকে তিনি খুব কম অর্থই পেয়েছেন। কিন্তু উদ্ভাবক হিসেবে তিনি সফলতা আর অর্থ কামিয়েছেন মুরগির পুষ্টি ব্যবস্থার বিশেষ উন্নয়ন করে।
রন কেলিন তাঁর উদ্ভাবন সম্পর্কে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রেই ৬০ কোটির বেশি ক্রেডিট কার্ড ব্যবহূত হচ্ছে। এত সংখ্যক ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার সত্ত্বেও এ থেকে কোনো অর্থ পান না তিনি। তবে তাঁর উদ্ভাবন ক্রেডিট কার্ডকে বদলে দিয়েছিল বলেই জানান রন।
ম্যাগনেটিক স্ট্রিপ উদ্ভাবন প্রসঙ্গে রন কেলিন জানিয়েছেন, তিনি যেসময় ক্রেডিট কার্ডের ম্যাগনেটিক স্ট্রিপ উদ্ভাবন করেছিলেন সে সময় কেনাকাটার প্রক্রিয়াটি জটিল ছিল। তিনি কোরিয়া যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন। যুদ্ধ শেষে দেশে ফিরে তিনি টেপ রেকর্ডারে ব্যবহূত তথ্য সংরক্ষণে ব্যবহূত ফিতা ব্যবহার করে ক্রেডিট কার্ডের তথ্য সংরক্ষণ প্রক্রিয়াটি উদ্ভাবন করেন।
রন কেলিন জানিয়েছেন, নতুন নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবনের ফলে চুম্বকীয় ফিতার এ ক্রেডিট কার্ড বেশিদিন টিকবে না। তাঁর উদ্ভাবিত ক্রেডিট কার্ড পদ্ধতির ভবিষ্যত্ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করলেও এতদিন ধরে এ ক্রেডিট কার্ডের সফল ব্যবহারে খুশি তিনি।


Source:http://prothom-alo.com/detail/date/2013-07-05/news/365501

Pages: 1 2 [3] 4 5 6