Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - masud895

Pages: 1 ... 4 5 [6]
76
Science and Information / ঈশ্বর কণা কী ?
« on: July 21, 2012, 11:56:59 AM »
সারা দুনিয়ার বিজ্ঞানী মহলে তো বটেই, সাধারণ মানুষের মধ্যেও ইদানীং ঈশ্বর কণা নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ করা যাচ্ছে। এই কণাটির আদ্যোপান্ত নিয়ে আজ আমাদের বিশেষ আয়োজন। যদিও এটা হিগস-বোসন কণা নামে বিজ্ঞানীদের কাছে পরিচিত। এই লেখায় কণাটিকে ঈশ্বর কণা নামেই ডাকা হবে। লিখেছেন সৌমিত্র চক্রবর্তী

১. ঈশ্বর কণা কী?
পদার্থ আর শক্তির (যারা হামেশাই একে অপরটিতে পরিবর্তিত হচ্ছে) ক্ষুদ্রতম এককগুলোকে বলে মৌলিক কণা। ঠিক যেমন দুনিয়ার তাবৎ যৌগ মোটে একশটির মতো মৌল দিয়ে তৈরি, তেমনি ওই মৌলগুলোর একক হলো পরমাণু এবং পরমাণুকে আরও ভাঙলে যা পাওয়া যায়, সেগুলোই মৌলিক কণা। মৌলিক কণাগুলো যে শুধু পদার্থের ক্ষুদ্রতম উপাদান, তা নয়, যাবতীয় শক্তি-ক্ষেত্র, যেমন—চুম্বকের আকর্ষণী-বিকর্ষণী ক্ষমতা বা বিদ্যুৎপ্রবাহের জন্য দায়ী তড়িৎ-চুম্বকক্ষেত্র; এগুলোরও ক্ষুদ্রতম উপাদান মৌলিক কণা। মৌলিক পদার্থের মতো মৌলিক কণার সংখ্যাও একশর মতো, মিলটা নেহাতই কাকতালীয়! তো মৌলিক কণার তালিকায় একজন সম্মানিত, কিন্তু এখনো অধরা কণা হলো ঈশ্বর কণা। এটা ডাক নাম, ঈশ্বরের সঙ্গে এর নামের মিল স্রেফ কাকতালীয়। আসল নাম হিগস-বোসন। এখন পর্যন্ত পরীক্ষামূলকভাবে বিভিন্ন মৌলিক কণা সম্পর্কে যেসব তথ্য জানা গেছে, সেগুলো থেকে দাঁড় করানো গাণিতিক মডেলে এক মস্ত ফাঁক থেকে যাচ্ছিল। মডেলটি বিভিন্ন কণার সব বৈশিষ্ট্য সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করলেও একটি বৈশিষ্ট্য, যা সন্দেহাতীতভাবে অনেক কণায় রয়েছে, সে ব্যাপারে কিছুই বলছিল না। সেই বৈশিষ্ট্য হলো ভর। আবার ভরকে যদি কণাবাদী গাণিতিক মডেলে জোর করে ঢোকানোর চেষ্টা করা হয়, তাহলে সেই মডেল ভেঙে পড়ে। শেষমেশ কোনো উপায় না দেখে এমন এক প্রস্তাব করা হলো, যাতে সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙে। যদি ধরে নেওয়া হয় যে মহাবিশ্বজুড়ে এক অবিচ্ছিন্ন মাধ্যম বা ক্ষেত্র আছে, যা বিভিন্ন কণার ভরের জন্য দায়ী, তাহলে গাণিতিক মডেলের কোনো ক্ষতি না করেই ভরের ধারণাটি জুড়ে দেওয়া সম্ভব হয়। এ যেন সেই ইথারের মতো, যাকে আলো চলাচলের মাধ্যম হিসেবে ধরে নেওয়া হয়েছিল, কিন্তু পরে যার অস্তিত্ব অপ্রমাণিত হয়। ইথারের সঙ্গে তুলনীয়, কিন্তু ইথার থেকে একেবারেই আলাদা সেই সর্বত্র বিস্তৃত ক্ষেত্রটির নাম হিগস-ফিল্ড। ইথারের অস্তিত্ব অপ্রমাণিত হলেও হিগস-ফিল্ড যে অস্তিত্বশীল, সে ব্যাপারে আমাদের হাতে বেশ কিছু পরোক্ষ প্রমাণ আছে। হিগস-ফিল্ডের ক্ষুদ্রতম একক হলো হিগস-বোসন কণা, যার অন্য নাম ঈশ্বর কণা।

২. কণাটির নাম এমন হলো কেন?
মৌলিক কণার একটি শ্রেণীর নাম বোসন। বাঙালি পদার্থবিদ সত্যেন বসুর নামানুসারে এই নাম। মৌলিক কণাগুলোর গাণিতিক মডেলে প্রথমে চারটি বোসনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এদের একত্রে গজ-বোসন বলে। পরে কণার ভর দানকারী আরও একটি বোসন কণার অস্তিত্ব সম্পর্কে ১৯৬৪ সালে প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে গাণিতিক ভবিষ্যদ্বাণী করেন ব্রিটিশ পদার্থবিদ পিটার হিগসসহ মোট ছয়জন বিজ্ঞানী। নতুন সেই বোসন, যার অস্তিত্ব তখন কেবল কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ ছিল, তাকেও তখন মৌলিক কণাগুলোর গাণিতিক মডেলে একটি বিশেষ স্থান দেওয়া হলো, গজ-বোসনের পাশে হিগস-বোসন হিসেবে। অবশ্য মৌলের পর্যায় সারণিতে যেমন হাইড্রোজেনকে দলছুট রাখা হয়, তেমনি মৌলিক কণার সারণিতে হিগস-বোসনকেও অনেকটা একঘরে রাখার রেওয়াজ আছে। যা হোক, এই কণার তাত্ত্বিক সম্ভাবনা সম্পর্কে জেনে বিজ্ঞানীরা চাইলেন, বাস্তবে একে ধরতে। কিন্তু এ যেন সোনার হরিণ, ধরা দেয় না কিছুতেই। ত্যক্ত-বিরক্ত বিজ্ঞানীরা তখন একে ‘গডড্যাম’ পার্টিকল নামে ডাকতে শুরু করলেন। এই গডড্যাম কণা হিগস-বোসনকে নিয়ে নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী ও জনপ্রিয় বিজ্ঞান লেখক লিওন লেডারম্যান একটি বই লেখেন, যার শিরোনাম তিনি দিতে চেয়েছিলেন, দ্য গডড্যাম পার্টিকল: ইফ ইউনিভার্স ইজ দি আনসার, হোয়াট ইজ দ্য কোয়েশ্চেন? তবে তাঁর সম্পাদক-প্রকাশক বইটির কাটতি বাড়ানোর লক্ষ্যে গডড্যামের বদলে গড বসিয়ে দেন। এতে কণাটির নাম হয়ে যায় গড পার্টিকল বা ঈশ্বর কণা। এই নামকরণের ফলে বইয়ের বিক্রি বাড়লেও বিজ্ঞানীরা বেশ চটে যান। কারণ, যেখানে ঈশ্বরের কোনো প্রসঙ্গই নেই, সেখানে ঈশ্বরকে নিয়ে খামোখা টানাটানি কেন! বিশেষ করে পিটার হিগস, যিনি নিজেই একজন নাস্তিক, খেপে গিয়ে বলেন, এমন নাম দিলে মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগতে পারে। কিন্তু কে শোনে কার কথা! বইটি বেরোনোর পর থেকে বিজ্ঞানী মহলে না হলেও সাধারণ মানুষের মধ্যে এই নামই দিব্যি চালু হয়ে গেছে।

৩. ঈশ্বর কণার বৈশিষ্ট্য কী কী?
যদিও আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান এই কণার ভর কত হওয়া উচিত, তা সূক্ষ্মভাবে ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারে না, তবু মোটামুটিভাবে ধরে নেওয়া হয় যে এর ভর 114 থেকে 185 GeV (গিগা ইলেকট্রন ভোল্ট)-এর মধ্যে হওয়া উচিত। বলে রাখা ভালো, এক গিগা ইলেকট্রন ভোল্ট হলো সেই পরিমাণ শক্তি, যা 18 কেজির এক কোটি কোটি কোটি কোটি ভাগের এক ভাগ (1.8× 10-27 Kg) ভরবিশিষ্ট পদার্থের সমতুল্য। ঈশ্বর কণার বিপরীত কণা সে নিজেই। আপনি যদি একটি মৌলিক কণা হন এবং আপনি নিজেকে আয়নায় যেমন দেখেন, সেই রকম উল্টো চেহারার একটা কণার চার্জ যদি আপনার চার্জের বিপরীত হয় কিন্তু ভর হয় আপনার সমান, তাহলে আপনারা একে অন্যের বিপরীত কণা বা প্রতিকণিকা। তার মানে, ঈশ্বর কণার চেহারা আয়নার সামনে ওল্টাবে না, আর তার চার্জ শূন্য। কারণ, কোনো কণার চার্জ ধনাত্মক হলে তার প্রতিকণিকার চার্জ ঋণাত্মক হতে হবে এবং ঋণাত্মক হলে হবে ধনাত্মক। ঈশ্বর কণার ঘূর্ণন কোয়ান্টাম সংখ্যা বা স্পিন শূন্য। কোনো মৌলিক কণার স্পিন যদি n হয় তবে সেটা কমপক্ষে 1/n চক্কর দিলে আগের মতো দেখায়। একজন ব্যালে নাচিয়ে যখন পুরো এক চক্কর (3600) ঘুরে আসেন, তখন তাঁর শরীর ঠিক সেই দিকে মুখ করে থাকে, চক্কর শুরুর আগে তিনি যেদিকে মুখ করে ছিলেন। তাঁর স্পিন ১। পুরো এক চক্কর না ঘুরে অর্ধেক চক্কর ঘুরলে যদি আগের অবস্থায় ফিরে আসা যায়, তবে স্পিন ২ হবে। স্পিন শূন্য মানে, ঈশ্বর কণাকে নিজ অক্ষের ওপর ঘুরতে দিলে কখনোই আগের অবস্থায় ফিরে আসে না। ঈশ্বর কণার বৈদ্যুতিক চার্জ যেমন শূন্য, তেমনি কালার চার্জও শূন্য। কালার চার্জ হলো মৌলিক কণাগুলোর একটি বিশেষ ধর্ম, যার সঙ্গে কালারের বা রঙের কোনো সম্পর্ক নেই, বরং এটি ওই কণাগুলোর নিজেদের মধ্যে ক্রিয়াশীল সবল বলের (strong interaction) গতিপ্রকৃতি নির্দেশ করে। এই সবল বলের জন্যই বিভিন্ন কণা পরস্পরের সঙ্গে আঠার মতো লেগে থাকতে পারে, যেমন নিউক্লিয়াসের প্রোটন ও নিউট্রন। ঈশ্বর কণার আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো, এটি অত্যন্ত ক্ষণস্থায়ী। তৈরি হওয়ার পর এর অর্ধায়ু বড়জোর সেকেন্ডের দশ হাজার কোটি কোটি কোটি ভাগের এক ভাগের (in the order of 10-25 seconds) শামিল। অর্থাৎ যতগুলো ঈশ্বর কণা একসঙ্গে তৈরি হয়, ওই সময় পেরোলে তার অর্ধেকই নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। বাকি অর্ধের নিশ্চিহ্ন হতে আরও কিছু সময় লাগে, তবে তা-ও সেকেন্ডের অনেক ছোট ভগ্নাংশমাত্র। মোটামুটিভাবে এগুলোই হলো ঈশ্বর কণার বৈশিষ্ট্য। আমাদের জানা অন্যান্য মৌলিক কণা, যেগুলোর অস্তিত্ব কেবল গণিতে নয়, পরীক্ষায়ও প্রমাণিত, সেগুলোর বৈশিষ্ট্য থেকে ঈশ্বর কণার এই বৈশিষ্ট্যগুলো অঙ্ক কষে বের করা হয়েছে।

৪. ঈশ্বর কণা কেমন আচরণ করে?
ঈশ্বর কণার আচরণ আলাদাভাবে বলার চেয়ে অসংখ্য ঈশ্বর কণা দিয়ে গঠিত হিগস-ফিল্ডের আচরণ ব্যাখ্যা করলে সুবিধা হবে। সর্বত্র বিরাজমান হিগস-ফিল্ডের মধ্য দিয়ে যখন কোনো কণা চলতে থাকে, তখন সেটা বাধা পায়। ঠিক যেমন মরুভূমি বা সমুদ্রসৈকতের বালু মাড়িয়ে যেতে হলে ধীরে চলা ছাড়া উপায় থাকে না। সেই বালুকাবেলা যদি হিগস-ফিল্ড হয়, তাহলে প্রতিটি বালুকণা এক একটি হিগস-বোসন বা ঈশ্বর কণা। এখন হিগস-ফিল্ডের মধ্য দিয়ে চলার সময় যে কণা যত বেশি বাধা পায়, সেটা তত আস্তে চলে। অন্যভাবে বললে, যে যত কম বাধা পায়, তার ভর তত কম এবং সে তত বেশি জোরে ছুটতে পারে। হিগস-ফিল্ডে ফোটন মোটেই বাধা পায় না, তাই ফোটন ছোটে আলোর বেগে। আমরা মেপে দেখি, ফোটনের ভর শূন্য। আবার ইলেকট্রন যদিও খুব হালকা, তবু একেবারে ভরহীন নয়। অর্থাৎ হিগস-ফিল্ড তাকে কিছুটা বাধা দেয়। এ জন্য সে আলোর বেগের চেয়ে একটু কম বেগে ছোটে। এমনিভাবে ব্যাখা করলে, প্রোটন আরও ভারী, কারণ সে হিগস-ফিল্ডে বাধা পায় আরও বেশি। অবশ্য মহাবিশ্বের একদম শুরুতে তাপমাত্রা যখন ছিল অনেক বেশি, তখন হিগস-ফিল্ডের গড় মান ছিল শূণ্য। ফলে তখন কোনো মৌলিক কণারই ভর ছিল না। সবাই ফোটনের মতো আলোর বেগে ছুটতে পারত। মহাবিশ্ব একটু ঠান্ডা হলে পরে এই সাম্যাবস্থা ভেঙে পড়ে। তখন হিগস-ফিল্ডের গড় মান আর শূণ্য থাকে না। এর ফলে মহাবিশ্বে একটি নতুন গুণের সূচনা হয়—ভর। ফোটনের অবশ্য এতে কিছু আসে-যায়নি, সে হিগস-ফিল্ডের গড় মান শূণ্য থাকার সময়ও ভরহীন ছিল, এখনো তা-ই আছে। এটা কিন্তু কোনো ব্যতিক্রম নয়। হিগস-ফিল্ডের সঙ্গে বিভিন্ন মৌলিক কণার ক্রিয়া বিভিন্ন রকম, এই তাত্ত্বিক সত্যের বাস্তব প্রতিফলনমাত্র।

৫. ঈশ্বর কণা কী দিয়ে তৈরি?
এভাবে বলার চেয়ে প্রশ্নটা এভাবে হতে পারে, ঈশ্বর কণা ভেঙে কী পাওয়া যায়? ঈশ্বর কণা তৈরি হওয়ামাত্রই আপনা থেকে ভেঙে যায়। ভেঙে গিয়ে অন্যান্য মৌলিক কণা তৈরি হয়।

৬. ঈশ্বর কণা সম্পর্কে জেনে কী লাভ?
বিজ্ঞানের যেকোনো মৌলিক অগ্রগতিই মানবসভ্যতার জন্য কল্যাণ বয়ে আনতে পারে। মানুষের জ্ঞানভান্ডারে সঞ্চিত নতুন জ্ঞান এমনিতেই অমূল্য, তার পরও যদি কেউ মনে করেন, এটা আমার কী কাজে লাগবে কিংবা আমার জীবনযাত্রায় কী পরিবর্তন আনবে, তবে তাঁকে বলব, এই মুহূর্তে হাতেনাতে কোনো ফল পাওয়া যাবে না। বিজ্ঞানের কোনো মৌলিক আবিষ্কারের ফলই রাতারাতি পাওয়া যায় না। তবে আইনস্টাইন যখন বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব দেন, তখন কি কেউ ঘুণাক্ষরেও ভেবেছিল, এই আবিষ্কার একসময় আমাদের গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেমের (জিপিএস) মতো প্রযুক্তি উপহার দেবে? কিংবা অস্ট্রেলিয়ার এক তড়িৎ প্রকৌশলী জন ও’নিল কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে যে তারহীন কম্পিউটার নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি ওয়াই-ফাই উদ্ভাবন করে ফেলবেন, এটাই বা কয়জন আগেভাগে বুঝতে পেরেছিলেন? কিংবা আর্কিমিডিসের সোনায় খাদ নির্ণয়ের মূলনীতি থেকে সাবমেরিন তৈরি হবে, এটা কি আর্কিমিডিস নিজেও ভেবেছিলেন?

৭. কণাটি কি সবকিছু ভেদ করে?
ভেদ করে চলে যাওয়া বলতে আমরা প্রচলিত অর্থে যা বুঝি, মৌলিক কণাগুলো আসলে সে রকম কিছু করে না। বরং বলা যায়, চলার পথে একটি মৌলিক কণার সঙ্গে যদি আরেকটি মৌলিক কণার মোলাকাত হয়, তখন তারা হয় পরস্পরকে বাধা দেবে বা প্রভাবিত করবে অথবা বাধা দেবে না। যদি বাধা দেয়, তবে আমরা বলি, তারা একে অপরকে সহজে অতিক্রম করতে পারছে না। আর যদি বাধা না দেয়, তাহলে আমরা বলি, তারা একে অপরের সঙ্গে কোনো ক্রিয়া করে না বা সহজেই ভেদ করে চলে যায়। কারও কারও সঙ্গে ঈশ্বর কণার কোনো লেনদেন নেই, যেমন—ফোটন। আবার কারও কারও পথ সে হামেশাই আটকায়, যেমন—প্রোটন বা টপ কোয়ার্ক।

৮. ঈশ্বর কণা আমাদের কোনো অসুবিধা সৃষ্টি করতে পারে কি?
বিজ্ঞানের কোনো মৌলিক আবিষ্কারই আপনা থেকে মানুষের ভালো বা মন্দ—কোনোটা করার ক্ষমতাই রাখে না। পুরোটাই নির্ভর করে মানুষ একে কীভাবে কাজে লাগায় তার ওপর। আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্বের কল্যাণে আমরা জিপিএস পেয়েছি, ভবিষ্যতে হয়তো আন্তনাক্ষত্রিক ভ্রমণের প্রযুক্তি পাব, কিন্তু ইতিমধ্যে এই তত্ত্ব ব্যবহার করে নিউক্লীয় বোমা তৈরি করা ও তা নিক্ষেপ করার মতো জঘন্য কাজ হয়েছে, সেটা ভুলে গেলে চলবে না। আইনস্টাইন বা তাঁর তত্ত্বের সেখানে কী-ই বা করার ছিল, যখন পৃথিবীর একটি অত্যন্ত ক্ষমতাধর রাষ্ট্র নিজেই এই অপকর্মের হোতা। একইভাবে ঈশ্বর কণা মানবজাতির জন্য কোনো অমঙ্গল ডেকে আনবে কি না, তা মানুষই নির্ধারণ করবে। আমরা যদি এটি সম্পর্কে সচেতন থাকি এবং বিজ্ঞানকে ভালো করে বুঝি, তাহলে ও রকম অমঙ্গল প্রতিহত করতে পারব এবং ঈশ্বর কণার জ্ঞান শুধু মঙ্গলের জন্যই যাতে ব্যবহূত হয়, তা নিশ্চিত করতে পারব। আমরা যদি বিজ্ঞান না শিখি এবং আমাদের যদি বিজ্ঞানচেতনা না থাকে, তাহলে হিরোশিমা-নাগাসাকির পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে পারব না।

৯. ঈশ্বর কণার অস্তিত্ব কী করে প্রমাণ করা হলো?
কণাসম্পর্কিত গাণিতিক মডেলের একটি ভবিষ্যদ্বাণী হলো, উচ্চগতিতে প্রোটনের সঙ্গে প্রোটনের সংঘর্ষ হলে বেশ কিছু মৌলিক কণা উৎপন্ন হয়। ঈশ্বর কণা সেগুলোর একটি। CERN-এর লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার যন্ত্রে ঠিক এই কাজই করা হয়েছে। তারপর উৎপন্ন কণাগুলোর উপস্থিতি বিশেষ ডিটেক্টরে নির্ণয় করে বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। যদিও ঈশ্বর কণাকে খুঁজে পাওয়া খুব কঠিন, যার অন্যতম প্রধান কারণ হলো, সেটা খুবই ক্ষণস্থায়ী। তবু দেখা গেছে, উৎপন্ন একটি কণার ভর প্রায় 125 GeV, যা ঈশ্বর কণার একটি সম্ভাব্য বৈশিষ্ট্য হিসেবে তাত্ত্বিক হিসাবের সঙ্গে মিলে যায়। এ ছাড়া অন্যান্য অনেক দিক দিয়ে আবিষ্কৃত কণাটির সঙ্গে আমাদের কাঙ্ক্ষিত ঈশ্বর কণার তত্ত্বগত মিল রয়েছে। বিজ্ঞানীরা প্রায় শতভাগ নিশ্চিত যে এটাই আমাদের বহুল প্রতীক্ষিত ঈশ্বর কণা। তবে পুরোপুরি নিশ্চিত হতে হলে আমাদের আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।

১০. যদি দেখা যায় যে আবিষ্কৃত নতুন কণাটি ঈশ্বর কণা নয়, তখন কী হবে?
যদি শেষে দেখা যায়, আমরা যা ভাবছিলাম, নতুন কণাটি তা নয়, তখনো চিন্তা নেই। তাহলে এই নতুন কণাকে স্থান দেওয়ার জন্য আমাদের পরিচিত সালাম-ভাইনবার্গ-গ্লাশাওর তৈরি মৌলিক কণাসমূহের স্ট্যান্ডার্ড মডেলের সম্প্রসারণ করতে হবে। তাত্ত্বিক কণা পদার্থবিদেরা সে কাজটি ৩০ বছর ধরেই করছেন, এমন অনেক সম্ভাব্য বিকল্প এবং সম্প্রসারিত মডেল রয়েছে। সেগুলো তখন নিত্যনতুন গবেষণার পথ দেখাবে।(Source: Prothom Alo)

77
আজ আপনাদের জন্য একটি টিপস নিয়ে এসেছি। আমরা যারা নিয়মিত কম্পিউটার ব্যবহার করি, তারা হয়ত ব্লু স্ক্রীণটির সাথে মুখোমুখি হয়েছেন? এর মানে হল আপনার হার্ডডিক্স ক্র্যাস করেছে। এক্ষেত্রে আমাদের পড়তে হয় মহা বিপাকে। এর থেকে মুক্তির জন্য আমরা ছুটে যাই পিসি সাভিসিং সেন্টারে। তাই্ না? আর কত টাকা ঢালবেন এই পথে, আর নয়। এবার সমস্যা হওয়ার আগেই সমাধান করে ফেলুন সমস্যাটির!!!এই সমস্যাটির নাম হল blue screen of death (BSOD). মূলতঃ এই সমস্যাটি ঘটে আপনার সিস্টেমের অত্যান্ত প্রয়োজনীয় কোন ফাইলের সমস্যা, বিকৃত, ফাইলটি মুছে যাওয়া বা এর যে কোন অংশের পরিবর্তনের কারণে।
উইন্ডোজ এক্সপির জন্য
   My Computer’ >>> Properties এ যান।
   এবার প্রোপার্টিজ থেকে Advanced ট্যাবে ক্লিক করুন।
   এবার Advanced ট্যাবে এসে ‘Startup and recovery >>>Settings’ এ যান।
   এবার নতুল ডা্য়লগ বক্স থেকে নিচের দিকের Write debugging information>>>Small Memory Dump (64KB)” নির্বাচন করুন।
   এবার OK ক্লিক করুন।
   ব্যস কাজ শেষ

উইন্ডোজ সেভেন এর জন্য
   Start Menu >>> Computer এর উপর মাউসের রাইট বাটন ক্লিক করুন।
   এবার মেনু থেকে Properties এ ক্লিক করুন।
   প্রোপার্টিজ ডায়লগ বক্স থেকে ‘Advanced system settings’ এ ক্লিক করুন।
   এবার Advanced ট্যাব থেকে ‘Startup and recovery’ অংশের Settings এ ক্লিক করুন।
   এবার নতুন করে খোলা ডায়লগ বক্সটির নিচের দিক থেকে ‘Write debugging information’ >>>“Small Memory Dump (256KB)” নির্বাচন করুন।
   এবার ‘System failure’ থেকে‘Automatically Restart’ এটা আনচেক করুন।
   এবার Ok করে বেরিয়ে আসুন।

78
ছুটিতে বা কোনো কারণে নির্দিষ্ট কিছুদিন মেইল চেক করতে না পারলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মেইলপ্রাপ্তির কথা জানানো যায় Vacation responder দিয়ে। ভ্যাকেশন রেস্পন্ড করার সুবিধা প্রায় সব মেইলেরই রয়েছে। তবে আলাদা আলাদা প্রেরককে আলাদা আলাদা উত্তর দেওয়ার সুবিধা যুক্ত করল জিমেইল। এ সুবিধাটির নাম হচ্ছে ক্যান্ড রেস্পন্স। ক্যান্ড রেস্পন্স সক্রিয় করতে Settings থেকে Labs ট্যাবে গিয়ে Canned Responses-এর Enable  বাটন ক্লিক করে সংরক্ষণ (সেভ) করুন।
এবার কম্পোজ মেইলে গেলে Canned Response দেখা যাবে। ক্যান্ড রেস্পন্স তৈরি করতে কম্পোজ মেইলে Canned Response-এর ড্রপ-ডাউন থেকে New canned response-এ ক্লিক করে পছন্দের নাম দিয়ে Ok করে সংরক্ষণ করুন। এবার কম্পোজ মেইলের বডিতে দরকারি কিছু লিখে Canned Response-এর ড্রপ-ডাউন থেকে Save-এর নিচের সেভ থাকা ক্যান্ডে ক্লিক করলে ওই ক্যান্ডে মেসেজ সংরক্ষণ হবে। ফিল্টার তৈরি করে ক্যান্ড রেস্পন্স সেট করতে Search the Web বাটনের ডানে Create a filter-এ ক্লিক করে বা Settings থেকে Filters ট্যাবে গিয়ে Create a new filter-এ ক্লিক করে অথবা মেইলের ওপরের ডানের ড্রপ-ডাউনের Filter massages like this-এ ক্লিক করে Create a Filter আনতে হবে। এখানে ফিল্টার তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য লিখে Next Step বাটনে ক্লিক করুন। এবার Send canned response:-এ সেভ থাকা ক্যান্ড নির্বাচন করে অন্যান্য চেকবক্স প্রয়োজনে চেক করে Create Filter বাটনে ক্লিক করে ফিল্টার তৈরি শেষ করুন। এখন থেকে ফিল্টার করা মেইল ঠিকানা থেকে মেইল এলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্যান্ডের মেইল রিপ্লে হবে। এভাবে ইচ্ছামতো আরও Canned Response এবং ফিল্টার তৈরি করা যাবে।

79
IT Forum / VLC PLAYER এর ৭ টি কাজ
« on: July 01, 2012, 10:45:44 AM »
1. Rip DVDs:

VLC PLAYER DVD RIP করতে পারে । যা অনেকেরই অজানা । বেশ ভালো রকমের RIP করা যায় এই অপশনটি ব্যবহার করে ।
এর জন্য আপনাকে যা করতে হবে তা হল
 
১. Media >Convert/save Option এ যান
২. তারপর DVD Disc টা দেখিয়ে দিন ।
৩. আপনি চাইলে কোন নির্দিষ্ট ফাইল বা তার যে কোন Title কে এর দ্বারা RIP করে নিতে পারেন ।
৪. সেভ বাটনে চাপুন ।

2. Record videos:

VLC PLAYER দিয়ে ভিডিও বা মুভি চালানোর সময় যে কোন মুভি বা তার অংশ বিশেষ সেভ করে রাখা যায় । এই অপশনটা বাই ডিফল্ট হিডেন করা থাকে । অপশন টি ব্যবহারের জন্য যা করতে হবে তা হচ্ছে
View থেকে Advanced Control এ চাপুন
কারপর আপনি রেকর্ড বাটন টি দেখতে পাবেন ।
 
ব্যাস এবার ইচ্ছে অনুযায়ী নির্দিষ্ট অংশের ভিডিও রেকর্ড করুন ।

3. Play RAR files:

VLC PLAYER RAR File এ চালাতে সক্ষম ! তবে এর জন্য RAR ফাইলের ভেতরে জিপ করা ভিডিও ফাইল থাকতে হবে । যদি একটি ভিডিও ফাইল কয়েকটি পার্টে করা থাকে তবেও কোন সমস্যা নেই । আপনি শুধু একটি ফাইলকে (.part001.rar ) দেখিয়ে দিন । VLC PLAYER অটোমেটিক্যালি অন্য ফাইলগুলো কে ডিটেক্ট করে নিবে ।

4. Play in ASCII mode:

(American Standard Code for Information Interchange)
VLC PLAYER এর আরেকটি দারুন গুন হচ্ছে এটি দিয়ে মুভি ASCII art মুডে চালানো যায় ।
এর জন্য যা করতে হবে তা হচ্ছে tools থেকে Preferences এ যান ।
 
তারপর বাম বাম থেকে আপনার পছন্দের অনুযায়ী অপশন টি নির্বাচন করুন এবং সেভ করে বের হয়ে আসুন ।

5. Listen to online radio:

VLC PLAYER এর সাথে শতাধিক রেডিও স্টেশন জুড়ে দেয়া আছে আপনি চাইলে VLC PLAYER ব্যবহার করে অন লাইন রেডিও শুনতে পারেন । এর জন্য যা করতে হবে তা হচ্ছে
Media –>Services Discovery –> Shoutcast radio listings এ যান
 
এবার প্লে স্টেশন এপেন করুন এবং পছন্দর স্টেশন বাচাই করে গান শুনুন ।
6. Convert Audio and Video formats:

বিভিন্ন ধরনে অডিও ভিডিও ফাইলকে এই প্লেয়ার কর্ভার্ট করতে পারে । সেগুলো হচ্ছে MP4, WMV, AVI, OGG, MP3 etc
এর জন্য যা করতে হবে তা হলো
Media –>Convert/Save এ যান
ডে ফাইলটি কে কনভার্ট করতে চান সেটিকে দেখিয়ে দিন ।
 
এবার Convert/Save এ ক্লিক করুন ।
প্রোফইল মানে আউটপুট ফরমেট নির্বাচন করুন
এবং Destination দেখিয়ে দিন ।
7. Download YouTube and other online videos:

নেট থেকে আমরা VLC PLAYER এর দ্বারাও ভিডিও নামাতে পারি । বিশেষ করে YOUTUBE এর ভিডিও গুলোকে সহজেই VLC PLAYER দ্বারা নামানো যায় ।
এ জন্য যা করতে হবে তা হচ্ছে
Media –>Open Network stream
এখানে যে URL এর বক্স টি দেখা যাবে সেটির ভেতরে ভিডিওর লিংকটি
 
কপি করে পেষ্ট করতে হবে এবং Play Button এ ক্লিক করতে হবে ।
এবার Tools –>Codec Information এ যান
নিচের দিকে দেখুন একটি লোকেশন বক্স দেখাচ্ছে
এবার এখান থেকে URL টি কপি করে আপনার ব্রাউজারের এড্রেসবারে পেষ্ট করুন ।
 
এবার আপনি চাইলে আপনার হার্ড ডিস্কে ভিডিও টি সেভ করতে পারেন । বা আপনি চাইলে রেকর্ড ও করে রাখতে পারেন ।

80
IT Forum / গুগল কি বলে
« on: June 29, 2012, 12:11:14 AM »
গুগল আসলে একটি ক্যালকুলেটর। আপনি যতো যাই হিসাব করতে চান না কেন, সেটা যতো জটিল গাণিতিক সমীকরণই হোক না কেন, গুগলের ছোট্ট সার্চ বক্সটায় সেটা পারবেন। একইসঙ্গে সেটা আবার ভালো এক কনভার্টার, জটিল অভিধান, ফোনবুক, নির্ভরযোগ্য উত্তরদাতা- আরো কতো কী। কিছুটা গুগলসূত্রে আর বাকিটা ইন্টারনেট ঘেঁটে তারই কিছু খোঁজখবর থাকছে এখানে, যদিও ব্লগারদের অনেকেরই এসব বিষয়আশয় ভালোই জানা।
গুগল আসলে একটি ক্যালকুলেটর
গুগলের ক্যালকুলেটরটা যে কতোভাবে কতো কায়দায় ব্যবহার করা যায়, 'তার উদাহরণ পাবেন এখানে। ক্যালকুলেটর কখনো কখনো উত্তরদাতার ভূমিকাও পালন করে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে আবার ভৌতিক কাজকারবারও দেখায়। যেমন আপনি যদি গুগলের সার্চ বক্সে গিয়ে প্রশ্ন করেন- The answer to life, the universe, and everything is. গুগল সঙ্গে সঙ্গেই উত্তর দেবে '42'. অথবা যদি লিখেন- once in a blue moon. গুগল কী উত্তর দেয় দেখুন! সার্চ বক্সে 'number of horns on a unicorn' লিখলেও গুগল রসিকতা করতে ছাড়বে না। গণিতে আবার গুগল বেশ পাকা। দেখুন কিছু উদাহরণ- e, pi, phi, G.
ভালো এক কনভার্টার
ভ্রমণে গিয়ে আপনি যখন ভেবে হয়রান, এক পাউন্ডে কতো ডলার চলছে বর্তমান বাজারে, গুগল তখন আপনার জন্য নির্ভরযোগ্য সমাধান। পাউন্ড থেকে ডলার, ইউরো থেকে ইয়েন - এভাবে প্রায় সব মুদ্রার মান রূপান্তর করে দিতে পারে অনায়াসে, যদিও টাকা (BDT) তার হিসেবে এখনো নেই। তাপমাত্রার সূচক রূপান্তরই হোক আর কিংবা এক কিলোমিটারে কতো ফুট কিংবা এক ইঞ্চি সমান কতো সেন্টিমিটার- সবই মহূর্তে রূপান্তর করে দিতে পারে গুগলের ছোট্ট সার্চ বক্সটা। কিলোমিটার থেকে ফুটে রূপান্তরের জন্য লিখুন 1 km in feet. ইঞ্চি থেকে সেন্টিমিটারে রূপান্তরের জন্য 1 in in cm. মূদ্রাকে পাউন্ড থেকে ডলারে রূপান্তরে জন্য লিখুন 1 GBP in USD. ইউরোকে ইয়েনে রূপান্তরের জন্য 1 EUR in YEN. উল্টোটাও করতে পারেন।
মাথায় কতো প্রশ্ন আসে
বিখ্যাত কারো জন্মদিন কিংবা মৃত্যুদিন জানতে চান কোনো কিছু না ঘেঁটেই? তাহলে শুধু লিখুন এভাবে- barack obama born in * কিংবা Einstein died in *. লক্ষ্য রাখবেন শেষে শুধু একটি স্পেস দিয়ে একটি অ্যাসটারিস্ক চিহ্ন (*) শুধু যোগ করে দেবেন। ঠিক এই মুহূর্তে বাংলাদেশের জনসংখ্যা কতো জানার ইচ্ছে হতেই পারে আপনার, শুধু লিখুন population bangladesh আর দেখুন। কিংবা আপনি জানতে চাইতে পারেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী বা গ্রিসের প্রেসিডেন্টের নাম কী।

বেশ কাজের একটা অভিধান
গুগল আবার ডিকশনারিও। বাংলা থেকে ইংরেজি আর ইংরেজি থেকে বাংলা অভিধানটি খুবই কাজের জিনিস।
ভালো থাকুন, আপডেটেড থাকুন
■ ঠিক এখনই জেনে নিন নিউ ইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, প্যারিস কিংবা লন্ডন অথবা আমাদের ঢাকার আবহাওয়ার খোঁজখবর। শহরের নাম লিখে একটি স্পেস দিয়ে শুধু forecast শব্দটি লিখে সার্চ দিন। 'temperature' লিখলেও চলবে।
■ সূর্যাস্ত কবে আর সূর্যোদয় কখন- সেটাও জেনে নিন এক সেকেন্ডে। সূর্যাস্তের জন্য 'Sunset in' লিখে তার পাশে যে কোনো শহরের নাম লিখুন। আর সূর্যোদয়ের সময় জানার জন্য লিখবেন 'Sunrise in'. দেখুন- আজ ঢাকায় সূর্য অস্ত কবে গেছে?
■ বাইরের তো বটেই, বাংলাদেশের স্থানীয় সময়ও জানিয়ে দিতে পারে গুগল। time in লিখে একটি স্পেস দিয়ে যে কোনো শহরের নাম লিখে সার্চ দিন কেবল। যেমন এই মুহূর্তে সিলেটে ক'টা বাজে?
নির্দিষ্ট ফরম্যাটের ফাইল খোঁজা
ধরুন নির্দিষ্ট কোনো ফরম্যাটের ফাইল চান আপনি। সেটাও পারবেন। সার্চ টার্মের জায়গায় আপনি কোন্ বিষয়ে ফাইল চান, সেটা লিখুন। যেমন আপনি যদি পিডিএফ ফরম্যাটে শুধু হুমায়ূন আহমেদের বইগুলো চান, তাহলে লিখুন- humayun ahmed filetype:pdf
গুগলের সার্চ বক্সে সার্চের বিষয়টি লিখে একটি স্পেস দিয়ে ফাইল টাইপ লিখুন- মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ফাইল চাইলে filetype:doc কিংবা পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশন চাইলে filetype:ppt. এভাবে অন্যান্য যে কোনো ফরম্যাটের ফাইল আপনি খুঁজে বের করতে পারবেন।
গানের রাজ্য
এমপিথ্রি ফরম্যাটের ফাইল নিয়ে গুগল একধরনের লুকোচুরি খেলে সবসময়ই। সাদামাটা সার্চ করলে সহজে পাওয়া যায় না। এ থেকে মুক্তি পেতে গুগলের মাধ্যমে আপনি মিডিয়াফায়ার, ইস্লাইপস বা এই ধরনের আপলোডিং সার্ভিসে হানা দিতে পারেন। পদ্ধতিটাও সোজা। কেনি ওয়েস্টের গান দরকার আপনার, সেক্ষেত্রে গুগল সার্চ বক্সে গিয়ে আপনাকে লিখতে হবে
kanye west site:mediafire.com
এখানে মিডিয়াফায়ারের বদলে অন্য যে কোনো আপলোডিং সার্ভিসের নাম বসাতে পারেন ইচ্ছেমতো।

সাইট সার্চ
অনেকেই জানেন, আপনি যদি 'site:'-এর পাশে যে কোনো ওয়েবসাইটের নাম লিখে সার্চ করেন, তাহলে গুগল শুধু ওই সাইট থেকেই ফলাফল দেখাবে। উদাহরণস্বরূপ- আপনি যদি সামহোয়্যারইন ব্লগে 'ভূমিকম্প' বিষয়ক ফলাফলগুলো চান, তাহলে সার্চ করলে কী দাঁড়ায় দেখুন। চাইলে কোনো নির্দিষ্ট দেশের ডোমেইন দিয়েও সার্চ করতে পারেন।
সাইট সার্চের আরো সুবিধা আছে, ধরুন আপনার নিজের ব্লগের আর্কাইভ থেকে পুরনো একটি লেখা খুঁজছেন, সেক্ষেত্রে 'site:'-এর জায়গায় আপনার ব্লগের ঠিকানাটি দিয়ে দিন। উদাহরণ হিসেবে ধরুন, মোবাইল নিয়ে আমার পুরনো লেখাগুলো খুঁজছি। সেক্ষেত্রে আমার কাজ হবে গুগলের সার্চ বক্সে গিয়ে শুধু মোবাইল+site:http://www.somewhereinblog.net/blog/Fusion5 লিখে এন্টার করা।
আপনাকে নিয়ে কী বলাবলি হচ্ছে
আপনার সম্পর্কে অন্যরা কী বলছে, সেটা জানার ইচ্ছে আপনার হতেই পারে। যেমন আমি মাঝে মাঝে দেখি, ব্লগসাইটগুলো ছাড়া ইন্টারনেটের অন্যত্র আমার সম্পর্কে কী কী কুৎসা লেখা হচ্ছে সাম্প্রতিককালে। যেমন, আজ দেখলাম ডয়েচে ভেলে ব্লগ পুরস্কার বিজয়ী আলী মাহমেদ তার এক লেখায় আমার বিরুদ্ধে একটি ক্ষুদ্র কুৎসা রচনার চেষ্টা করেছেন। যা হোক, এই ধরনের সার্চের ফরম্যাটটি হবে এরকম-
ফিউশন ফাইভ -site:somewhereinblog.net -site:sachalayatan.com -site:amarblog.com -site:prothom-aloblog.com.com
অর্থাৎ যে সাইট থেকে আপনি সার্চের ফলাফল চান না, সেটা লিখে তার আগে একটি মাইনাস (-) চিহ্ন দিন। তাহলে ওই সাইটকে উপেক্ষা করেই গুগল তার সার্চের ফলাফল দেখাবে। 'ফিউশন ফাইভ'-এর জায়গায় আপনার ইচ্ছেমতো যে কোনো শব্দ বসাতে পারেন। ওটা কেবল উদাহরণ।
উন্মুক্ত ক্যামেরার খোঁজ
■ আইপি ক্যামেরা থেকে পাওয়া ভিডিও স্ট্রিমও দেখতে পারেন গুগল থেকেই। গুগলের "inurl" ফিচার ব্যবহার করে আপনি পৃথিবীজুড়ে ছড়িয়ে থাকা অনেকগুলো উন্মুক্ত ক্যামেরার খোঁজ পেতে পারেন। যেমন দেখতে পারেন এই ক্যামেরাগুলোর ভিডিও স্ট্রিমগুলো।
■ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত লাইভ ওয়েবক্যামের খোঁজ পাওয়ার জন্য ব্যবহার করতে পারেন গুগলের এই ফিচারটি।



হোমপেজে ভিনদেশী হানা
গুগল হোমপেজ নিয়ে আগে আমি প্রায়ই ঝামেলায় পড়তাম। হোমপেজে হংকংয়ের লিংক দেখাতো। পরে জেনেছি, ইউজারের আইপির অবস্থান শনাক্ত করে গুগল ঠিক ওই দেশের হোমপেজে নিয়ে যায়। এটা অনেক সময় বিরক্তিকর হয়ে দাঁড়ায়, বিশেষ করে দেশের বাইরে কোথাও গেলে। এ থেকে মুক্তি পেতে, মানে গুগলের মূল হোমপেজ সবসময় অটুট রাখার জন্য নিচের ঠিকানাটি ব্যবহার করুন-
http://www.google.com/ncr
ভৌতিক কাণ্ডকারখানা
■ গুগল সবসময় যে সঠিক বলে, তা কিন্তু নয়। অনেক সময় সঠিক শব্দ লিখলেও সে একপ্রস্থ পণ্ডিতি করবেই! 'recursion' শব্দটি দিয়ে সার্চ করেই দেখুন না।
■ গুগলের বহুল পরিচিত 'I'm Feeling Lucky' বাটনটা ঠিক কতো মানুষ ব্যবহার করে, কিংবা আদৌ ব্যবহার করে কিনা- সেটা আমার কাছে এক রহস্য। আপনি গুগলের হোমপেজে xx-hacker লিখে "I'm Feeling Lucky" বাটনে ক্লিক করুন। কী কাণ্ড দেখুন! অথবা 'french military victories' লিখে "I'm Feeling Lucky" বাটনে চাপ দিন। সবচেয়ে মজা লাগবে, যদি গুগল হোমপেজের সার্চ বক্সে 'who's the cutest?' লিখে "I'm Feeling Lucky" বাটনে ক্লিক করেন।
■ গুগলের মাঝেই লুকিয়ে আছে বেশ কয়েকটি বিশেষায়িত সার্চ ইঞ্জিন। আপাতত মাইক্রোসফট আর লিনাক্সের দিকে তাকান একনজর।
বিবিধ
গুগলের নতুন ফন্ট ডিরেক্টরিটা বেশ কাজের মনে হল, বিশেষত ওয়েব ডেভেলপারদের জন্য। ওদিকে গুগলকে কিন্তু ফোনবুকও বলা যায়। আপাতত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সব পাবলিক নম্বরই সেখানে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে সীমানা আরো বাড়তে পারে হয়তো। তবে গুগলের স্পেলচেকারটিকে সর্বজনীন বলতে হবে। এরপরও শুধু ব্রিটনি স্পিয়ার্সের নাম লিখতে গিয়ে মানুষ যে কী হারে ভুল করেছে, দেখুন একনজর! গুগল সার্চ সম্পর্কে আরো জানতে এটা দেখুন, আর সার্চ টিপস পাবেন এখানে।   প্রকাশ করা হয়েছে: ইন্টারনেট, প্রযুক্তি ও কম্পিউটার  বিভাগে

81
প্রথমেই আসা যাক ভেন্ডর সার্টিফিকেশন কি?
মূলত কিছু প্রতিষ্ঠান (ভেন্ডর) তাদের প্রডাক্ট এর এক্সপার্টিজের উপর সার্টিফিকেশন প্রদান করে থাকে এবং এই প্রক্রিয়ায় যেই ধরনের প্রশ্ন হয়ে তা অনলাইনে ইন্টারনেটের মাধ্যমে দিতে হয়। খুব পরিচিত কিছু ভেন্ডর হলো Microsoft, Oracle, Sun Java, CopmTIA, IBM, RedHat ইত্যাদি।
এখন কথা হলো আপনি কেন এধরনের সার্টিফিকেশন নিতে যাবেন বা এর প্রয়োজনীযতা কতটুকু?
এর সহজ সরল উত্তর হলো আজকাল আই.টি প্রফেশনালদের জন্য ভেন্ডর সার্টিফিকেশন প্রায় অত্যাবশকীয়, আর তা চাকুরীর বিজ্ঞাপন দেখলেই বুঝা যায়। এটি একদিকে যেমন আইটি সেক্টরে প্রফেশনালিজম বৃদ্ধি করবে সেই সাথে আপনার কর্ম ক্ষেত্রও বাড়িয়ে দিবে। আর এগুলো বাদ দিলেও আপনি আপনার দক্ষতা যাচাই করার জন্য এসব সার্টিফিকেশন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেতে পারেন।শখের বশে করছে এমনটিও হয়!

কারা এই পরীক্ষা নেয়?
Online Exam দেওয়ার জন্য নিদির্ষ্ট কিছু অনুমোদিত টেস্টিং সেন্টার আছে।বেশীর ভাগ Vendor এর Certification Exam নেয় এরকম দুটি টেস্ট সেন্টার হলো Prometric এবং Pearson VUE। এই দুটি সেন্টারের মাধ্যমেই বেশীরভাগ সার্টিফিকেশন এক্সামে অংশগ্রহন করা যায়। দেশ বিদেশে এ দুটি প্রতিষ্ঠনের প্রচুর Authorized Test Center আছে।

আপনি কি ধরনের সার্টিফিকেশন নিবেন তার উপর নিভর করবে কোন টেস্ট সেন্টারে পরীক্ষা দিবেন। যেমন Microsoft/Java এগুলো নেয় Prometric আর Oracle/Cisco/Zend নেয় Pearoson VUE। আবার কিছু ভেন্ডর দুটি টেস্ট সেন্টারেই দেওয়া যায়। এসব ছাড়াও আরও অনেক ভেন্ডর আছে যা Pearoson VUE www.pearsonvue.com ) বা Prometric (www.prometric.com ) সাইটে অথবা ভেন্ডর এর সাইটে Microsoft/Java/Oracle etc. পাবেন।

বাংলাদেশে ঢাকা এবং চিটাগং এ Pearosn VUE বা Prometric এর বেশ কয়েকটা অথোরাইজড টেস্ট সেন্টার আছে। খুব সহজেই এসব প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করে সার্টিফিকেশন এক্সাম এ অংশগ্রহন করতে পারবেন। এছাড়াও ওয়েব সাইট থেকেও আপনার প্রয়োজনীয় এক্সামটি রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। এক্সাম রেজিস্ট্রেশন ফি ক্রেডিট কার্ড অথবা যেই টেস্ট সেন্টার এ পরীক্ষা দিবেন সেখানও পরিশোধ করা যায়। তবে সরাসরি টেস্ট সেন্টার থেকে রেজিস্ট্রেশন করাই উত্তম।


List of Authorized Pearson VUE test Center:

Daffodil International University
102, Sukrabad Mirpur Road, Dhaka-1207
Web: www.daffodilvarsity.edu.bd
 Details: http://www.pearsonvue.com (Click Locate test center)

Authorized Prometric Test Center:

Daffodil International University
102, Sukrabad,Mirpur Road Dhaka-1207
Web: www.daffodilvarsity.edu.bd
Details: http://www.register.prometric.com/Centers.asp

খরচ কেমন?
ভেন্ডর অনুসারে রেজিস্ট্রেশন ফি কম বেশী হয়। যেমন মাইক্রোসফটের প্রায় সব এক্সাম এর রেজিস্ট্রেশন ফি ৮০$ (প্রায় ৬৯০০ টাকা)। এর সাথে আপনাকে যোগ করতে হবে টেস্ট সেন্টার ফি (৫০০-১০০০ টাকা)। একই ভাবে ওরাকল এর ফি ১২৫$, জাভা ৩০০$। তবে অনেকই আবার বিভিন্ন রকম ডিসকাউন্ট দিয়ে থাকে। যেমন Asia Region এর জন্য জাভা ১৫০$ এ দেওয়া যায়। এছাড়া Original Learning Items (বই/সিডি) ব্যবহার করলে সাথে ৭%-৫০% ডিসকাউন্ট ভাউচার থাকে। মাঝে মাঝেই প্রমোশনাল অফার থাকে যেমন একটি এক্সাম এর টাকা দিয়ে দুবার পরীক্ষা দেওয়া যায়।

আপনি কোন ভেন্ডর এর সার্টিফিকেশন নিবেন?
এর উত্তর হলো আপনি যেই বিষয়ের উপর এক্সপার্ট অথবা আপনার আগ্রহ যেই বিষয়ে। যেমন কারও যদি নেটওয়ার্কিং এর উপর দক্ষতা থাকে তিনি মাইক্রোসফট/সিসকো/লিনাক্স এর নেটওয়ার্কিং সার্টিফিকেশন নিতে পারেন। যেমন Network+, MCSA, MCSE, CCNA, CCNP, RHCE। আবার যারা ডাটাবেজ এক্সপার্ট হতে চান তারা OCP, OCA, OCM সার্টিফিকেশন নিতে পারেন। ডেভলাপারদের/প্রোগরামারদের জন্য MCSD, MCITP।

MCP: Microsoft Certified Professional
MCSA: Microsoft Certified System Administrator
MCSE: Microsoft Certified System Engineer
MCITP: Microsoft Certified IT Professional
MCPD: Microsoft Certified Professional Developer
MCTS: Microsoft Certified Technology Specialist
OCP: Oracle Certified Professional
OCA: Oracle Certified Associate
CCNA: Cisco Certified Network Associate
CCNP: Cisco Certified Network Professional
SCJP: Sun Certified Java Professional
ZHE: Zend Certified Engineer

মাইক্রোসফট এর একটি পরীক্ষা পাস করলেই MCP হয়ে যায়। কিন্তু অন্যান্য সার্টিফিকেশনের জন্য একের অধিক পরিক্ষায় পাশ করতে হয়। যেমন MCSA এর জন্য সর্বনিম্ন ৪টাতে পাস করতে হয়। এটা সার্টিফিকেশন অনুসারে কম বেশি হয়।

প্রশ্নের ধরন কি?
বেশীরভাগ MCQ টাইপের হয় এর সাথে Drag and Drop, Simulation (সমস্যা দেওয়া থাকবে সেই অনুযায়ী সমাধান করতে হবে) থাকতে পারে। আপনি যদি সঠিক ভাবে পড়াশোনা করে পরিক্ষায় অংশ গ্রহন করেন আমার ধারনা একটা আলাদা মজা পাবেন।

Md.Masud Parvez
IT Officer
Daffodil International University

82
আমরা যারা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে থাকি তাদের কাছে বহুল পরিচিত একটি অপশন হলো Run Command যা দ্বারা আমরা খুব সহজেই যে কোন ফাইল মাত্র কয়েকটা ক্লীকেই কম্পিউটারের আনাচে কানাচে থেকে run করাতে পারি । মূলত উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এ আগে থেকেই কিছু সফটওয়্যারের ডিফল্ট শর্টকার্ট তৈরী করাই থাকে। যেগুলো ব্যবহার করে আপনি খুব সহজেই সেই ফাইলগুলো ব্যবহার করতে পারেন। যেমন ধরুনঃ আপনি ক্যালকুলেটর বের করতে চাইলে run বাক্স open করেই calc চেপে Enter press করলেই আপনার সামনে ক্যালকুলেটর হাজির হয়ে যাবে কোন রকম ঝামেলা ছাড়াই।
      তবে হ্যা প্রথমেই বলে রাখি আমি এই পোষ্টি করছি সম্পূর্ণ Windows Xp তে পরিক্ষিত ।
 
কিভাবে কাজ করেঃ
 
এটা মূলত সরাসরি আপনার System এর সাথে কাজ করে। অর্থাৎ আপনার অপারেটিং সিস্টেমের System এর সাথে রিলেটেড যে কোন ফাইলের নাম / শর্টকাট যদি আপনি Run Command এ টাইপ করে Enter Press করেন তাহলে খুব সহজেই সেই ফাইলটি ১ সেকেন্ডেরও কম সময়ে আপনার সামনে হাজির হতে বাধ্য। তবে অবশ্য কোডটি অবশ্যই সঠিক হতে হবে। জন্য আগে আপনাকে সেই কমান্ডটি জানতে হবে।
•   ধরুন আপনি কোন একটা সফাটওয়্যার ইন্সটল করছেন এখন এটা কি ভাবে Run Command দিয়ে বের করবেন >
আপনি কিভাবে এটা তৈরি করতে পারেন এটা নিয়েই  আজ আলোচনা করব >
1 ► প্রথমে আপনি যেই ফাইলটি Run Command দ্বারা চালু করবেন সেই ফাইলটিতে যান। এবং গিয়ে মাউসের Right বাটনে ক্লীক করুন। তারপর Create shortcut অপশনটিতে ক্লীক করুন। প্
 


2 ► তারপর শর্টকাটটি আপনার পছন্দের নামে Rename করুন। আর Rename করার সময় অবশ্যই মনে রাখবেন এই নাম দ্বারাই Run Command এর মাধ্যমে আপনি পরবর্তীতে ফাইলটি চালু করতে পারবেন।
 


3 ► এবার ফাইলটি cut করুন। এবং আপনার (Window Xp) অপারেটিং সিস্টেমের সিস্টেম ড্রাইভ মানে C:\WINDOWS তে যান। তারপর সেখানে এই শর্টকাটটি Past করে দিন।
 
 


4 ► এবার Run বাক্স open করুন। তারপর আপনার ফাইলের শর্টকার্টের Rename করা ফাইলটির নাম টাইপ করুন। তারপর Enter Press করুন >
 
দেখবেন সফটওয়্যার টা ওপেন হয়ে গেসে …………………।







83
পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ডকে ব্যবহার করুন RAM হিসেবে |
RAM (Random Access Memory) কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যাকে ছাড়া আপনি কম্পিউটার চালুও করতে পারবেন না। কম্পিউটারের RAM যতবেশি হয়, কম্পিউটারের স্পীডও ততবেশি হয়। এখন আপনি যদি RAM বাড়াতে চান, তাহলে আপনাকে র্যাম কিনতে হবে। কিন্তু আপনার কাছে যদি RAM কিনার টাকা না থাকে, তাহলে কি করবেন? সমস্যা নাই, হাতের কাছে যদি পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ড থাকে, তাহলে এটিকেই RAM হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন। এছাড়াও এখনকার সময়ে অনেকগুলো সফটওয়্যার আছে যেগুলো ব্যবহার করতে হলে আপনাকে বেশি ক্ষমতা সম্পন্ন RAM ব্যবহার করতে হবে। সাধারণ পুরাতন কম্পিউটারগুলোতে র্যাম থাকে ২৫৬, ৫১২ মেগাবাইট ক্ষমতা সম্পন্ন র্যাম। যা প্রয়োজনের তুলনায় একদমই কম।

এখন আমি আপনাদের দেখাবো কীভাবে আপনি পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ডকে RAM হিসেবে তৈরি করে ব্যবহার করবেন। অনেকেই প্রশ্ন করতে পারেন এতে কি পিসির স্পীড বাড়ে? অবশ্যই বাড়ে। ভাল করে লক্ষ্য করে দেখবেন। প্রথমে আমি আপনাদের ম্যানুয়ালি কিভাবে করে তা দেখাবো, তারপর আপনাদের দেখাবো সফটওয়্যারের মাধ্যমে।।

কীভাবে পেনড্রাইভকে RAM হিসেবে তৈরি করবেনঃ উইন্ডোজ এক্সপি
----------------------------------------------------------------------------


চলুন এবার শিখে ফেলি কিভাবে একটি পেনড্রাইভকে আপনি RAM হিসেবে তৈরি করবেন ও তা ব্যবহার করবেন।

► প্রথমে আপনার পেনড্রাইভটি পিসি বা ল্যাপটপে প্লাগ করুন (পেনড্রাইভ কমপক্ষে ২ জিবি সর্বোচ্চ ৪ জিবি নিবেন)।

► এবার My Computer এর উপর রাইট বাটন ক্লিক করে Properties এ ক্লিক করুন।

► এবার Advanced Option এ ক্লিক করুন।

► এবার Settings of Performance এ ক্লিক করুন।

► আবারও Advanced Button এ ক্লিক করুন।

► এবার Virtual memory অংশ থেকে Change বাটনে ক্লিক করুন।

► তাহলে আপনাকে ড্রাইভ লিষ্ট দেখাবে, এখান থেকে পেনড্রাইভের ড্রাইভটি সিলেক্ট করুন।

► এবার Custom Size এ ক্লিক করুন।

► এবার Initial Size and Maximum Size সিলেক্ট করুন আপনার পেনড্রাইভের সাইজ অনুসারে।

► এবার Set ও apply দিয়ে কাজ শেষ করুন।

► এবার আপনার পিসি বা ল্যাপটপটি রিস্টার্ট করুন। ব্যস কাজ শেষ।

মনে রাখবেনঃ Virtual memory অংশের ভ্যালু ০ (শূণ্য) দিবেন। আর কম্পিউটার বন্ধ করার আগে পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ডটি খুলবেন না।

এছাড়াও কীভাবে উইন্ডোজ সেভেনে করবেন, তার দেখুন এখানেঃ http://www.tunerpage.com/archives/112487

সফটওয়্যার দিয়েও আপনি RAM হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন আপনার পেনড্রাইভ টিকে। এজন্য আপনাকে একটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে। এর নামঃ eBoostr. সফটওয়্যারটি প্রেমিয়াম, তাই আপনাকে কিনে ব্যবহার করতে হবে। কিন্তু আপনি চাইলে ফ্রিতে প্রেমিয়াম ভার্সনটি নিতে পারেন। সফটওয়্যারটির ডাউনলোড লিংক এবং টিউটোরিয়াল পাবেন এখানেঃ

eBoostr = http://www.tunerpage.com/archives/112487


Md. Masud Parvez
IT Officer
Daffodil International University

Pages: 1 ... 4 5 [6]