Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - masud895

Pages: 1 ... 4 5 [6]
76
IT Forum / গুগল কি বলে
« on: June 29, 2012, 12:11:14 AM »
গুগল আসলে একটি ক্যালকুলেটর। আপনি যতো যাই হিসাব করতে চান না কেন, সেটা যতো জটিল গাণিতিক সমীকরণই হোক না কেন, গুগলের ছোট্ট সার্চ বক্সটায় সেটা পারবেন। একইসঙ্গে সেটা আবার ভালো এক কনভার্টার, জটিল অভিধান, ফোনবুক, নির্ভরযোগ্য উত্তরদাতা- আরো কতো কী। কিছুটা গুগলসূত্রে আর বাকিটা ইন্টারনেট ঘেঁটে তারই কিছু খোঁজখবর থাকছে এখানে, যদিও ব্লগারদের অনেকেরই এসব বিষয়আশয় ভালোই জানা।
গুগল আসলে একটি ক্যালকুলেটর
গুগলের ক্যালকুলেটরটা যে কতোভাবে কতো কায়দায় ব্যবহার করা যায়, 'তার উদাহরণ পাবেন এখানে। ক্যালকুলেটর কখনো কখনো উত্তরদাতার ভূমিকাও পালন করে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে আবার ভৌতিক কাজকারবারও দেখায়। যেমন আপনি যদি গুগলের সার্চ বক্সে গিয়ে প্রশ্ন করেন- The answer to life, the universe, and everything is. গুগল সঙ্গে সঙ্গেই উত্তর দেবে '42'. অথবা যদি লিখেন- once in a blue moon. গুগল কী উত্তর দেয় দেখুন! সার্চ বক্সে 'number of horns on a unicorn' লিখলেও গুগল রসিকতা করতে ছাড়বে না। গণিতে আবার গুগল বেশ পাকা। দেখুন কিছু উদাহরণ- e, pi, phi, G.
ভালো এক কনভার্টার
ভ্রমণে গিয়ে আপনি যখন ভেবে হয়রান, এক পাউন্ডে কতো ডলার চলছে বর্তমান বাজারে, গুগল তখন আপনার জন্য নির্ভরযোগ্য সমাধান। পাউন্ড থেকে ডলার, ইউরো থেকে ইয়েন - এভাবে প্রায় সব মুদ্রার মান রূপান্তর করে দিতে পারে অনায়াসে, যদিও টাকা (BDT) তার হিসেবে এখনো নেই। তাপমাত্রার সূচক রূপান্তরই হোক আর কিংবা এক কিলোমিটারে কতো ফুট কিংবা এক ইঞ্চি সমান কতো সেন্টিমিটার- সবই মহূর্তে রূপান্তর করে দিতে পারে গুগলের ছোট্ট সার্চ বক্সটা। কিলোমিটার থেকে ফুটে রূপান্তরের জন্য লিখুন 1 km in feet. ইঞ্চি থেকে সেন্টিমিটারে রূপান্তরের জন্য 1 in in cm. মূদ্রাকে পাউন্ড থেকে ডলারে রূপান্তরে জন্য লিখুন 1 GBP in USD. ইউরোকে ইয়েনে রূপান্তরের জন্য 1 EUR in YEN. উল্টোটাও করতে পারেন।
মাথায় কতো প্রশ্ন আসে
বিখ্যাত কারো জন্মদিন কিংবা মৃত্যুদিন জানতে চান কোনো কিছু না ঘেঁটেই? তাহলে শুধু লিখুন এভাবে- barack obama born in * কিংবা Einstein died in *. লক্ষ্য রাখবেন শেষে শুধু একটি স্পেস দিয়ে একটি অ্যাসটারিস্ক চিহ্ন (*) শুধু যোগ করে দেবেন। ঠিক এই মুহূর্তে বাংলাদেশের জনসংখ্যা কতো জানার ইচ্ছে হতেই পারে আপনার, শুধু লিখুন population bangladesh আর দেখুন। কিংবা আপনি জানতে চাইতে পারেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী বা গ্রিসের প্রেসিডেন্টের নাম কী।

বেশ কাজের একটা অভিধান
গুগল আবার ডিকশনারিও। বাংলা থেকে ইংরেজি আর ইংরেজি থেকে বাংলা অভিধানটি খুবই কাজের জিনিস।
ভালো থাকুন, আপডেটেড থাকুন
■ ঠিক এখনই জেনে নিন নিউ ইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, প্যারিস কিংবা লন্ডন অথবা আমাদের ঢাকার আবহাওয়ার খোঁজখবর। শহরের নাম লিখে একটি স্পেস দিয়ে শুধু forecast শব্দটি লিখে সার্চ দিন। 'temperature' লিখলেও চলবে।
■ সূর্যাস্ত কবে আর সূর্যোদয় কখন- সেটাও জেনে নিন এক সেকেন্ডে। সূর্যাস্তের জন্য 'Sunset in' লিখে তার পাশে যে কোনো শহরের নাম লিখুন। আর সূর্যোদয়ের সময় জানার জন্য লিখবেন 'Sunrise in'. দেখুন- আজ ঢাকায় সূর্য অস্ত কবে গেছে?
■ বাইরের তো বটেই, বাংলাদেশের স্থানীয় সময়ও জানিয়ে দিতে পারে গুগল। time in লিখে একটি স্পেস দিয়ে যে কোনো শহরের নাম লিখে সার্চ দিন কেবল। যেমন এই মুহূর্তে সিলেটে ক'টা বাজে?
নির্দিষ্ট ফরম্যাটের ফাইল খোঁজা
ধরুন নির্দিষ্ট কোনো ফরম্যাটের ফাইল চান আপনি। সেটাও পারবেন। সার্চ টার্মের জায়গায় আপনি কোন্ বিষয়ে ফাইল চান, সেটা লিখুন। যেমন আপনি যদি পিডিএফ ফরম্যাটে শুধু হুমায়ূন আহমেদের বইগুলো চান, তাহলে লিখুন- humayun ahmed filetype:pdf
গুগলের সার্চ বক্সে সার্চের বিষয়টি লিখে একটি স্পেস দিয়ে ফাইল টাইপ লিখুন- মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ফাইল চাইলে filetype:doc কিংবা পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশন চাইলে filetype:ppt. এভাবে অন্যান্য যে কোনো ফরম্যাটের ফাইল আপনি খুঁজে বের করতে পারবেন।
গানের রাজ্য
এমপিথ্রি ফরম্যাটের ফাইল নিয়ে গুগল একধরনের লুকোচুরি খেলে সবসময়ই। সাদামাটা সার্চ করলে সহজে পাওয়া যায় না। এ থেকে মুক্তি পেতে গুগলের মাধ্যমে আপনি মিডিয়াফায়ার, ইস্লাইপস বা এই ধরনের আপলোডিং সার্ভিসে হানা দিতে পারেন। পদ্ধতিটাও সোজা। কেনি ওয়েস্টের গান দরকার আপনার, সেক্ষেত্রে গুগল সার্চ বক্সে গিয়ে আপনাকে লিখতে হবে
kanye west site:mediafire.com
এখানে মিডিয়াফায়ারের বদলে অন্য যে কোনো আপলোডিং সার্ভিসের নাম বসাতে পারেন ইচ্ছেমতো।

সাইট সার্চ
অনেকেই জানেন, আপনি যদি 'site:'-এর পাশে যে কোনো ওয়েবসাইটের নাম লিখে সার্চ করেন, তাহলে গুগল শুধু ওই সাইট থেকেই ফলাফল দেখাবে। উদাহরণস্বরূপ- আপনি যদি সামহোয়্যারইন ব্লগে 'ভূমিকম্প' বিষয়ক ফলাফলগুলো চান, তাহলে সার্চ করলে কী দাঁড়ায় দেখুন। চাইলে কোনো নির্দিষ্ট দেশের ডোমেইন দিয়েও সার্চ করতে পারেন।
সাইট সার্চের আরো সুবিধা আছে, ধরুন আপনার নিজের ব্লগের আর্কাইভ থেকে পুরনো একটি লেখা খুঁজছেন, সেক্ষেত্রে 'site:'-এর জায়গায় আপনার ব্লগের ঠিকানাটি দিয়ে দিন। উদাহরণ হিসেবে ধরুন, মোবাইল নিয়ে আমার পুরনো লেখাগুলো খুঁজছি। সেক্ষেত্রে আমার কাজ হবে গুগলের সার্চ বক্সে গিয়ে শুধু মোবাইল+site:http://www.somewhereinblog.net/blog/Fusion5 লিখে এন্টার করা।
আপনাকে নিয়ে কী বলাবলি হচ্ছে
আপনার সম্পর্কে অন্যরা কী বলছে, সেটা জানার ইচ্ছে আপনার হতেই পারে। যেমন আমি মাঝে মাঝে দেখি, ব্লগসাইটগুলো ছাড়া ইন্টারনেটের অন্যত্র আমার সম্পর্কে কী কী কুৎসা লেখা হচ্ছে সাম্প্রতিককালে। যেমন, আজ দেখলাম ডয়েচে ভেলে ব্লগ পুরস্কার বিজয়ী আলী মাহমেদ তার এক লেখায় আমার বিরুদ্ধে একটি ক্ষুদ্র কুৎসা রচনার চেষ্টা করেছেন। যা হোক, এই ধরনের সার্চের ফরম্যাটটি হবে এরকম-
ফিউশন ফাইভ -site:somewhereinblog.net -site:sachalayatan.com -site:amarblog.com -site:prothom-aloblog.com.com
অর্থাৎ যে সাইট থেকে আপনি সার্চের ফলাফল চান না, সেটা লিখে তার আগে একটি মাইনাস (-) চিহ্ন দিন। তাহলে ওই সাইটকে উপেক্ষা করেই গুগল তার সার্চের ফলাফল দেখাবে। 'ফিউশন ফাইভ'-এর জায়গায় আপনার ইচ্ছেমতো যে কোনো শব্দ বসাতে পারেন। ওটা কেবল উদাহরণ।
উন্মুক্ত ক্যামেরার খোঁজ
■ আইপি ক্যামেরা থেকে পাওয়া ভিডিও স্ট্রিমও দেখতে পারেন গুগল থেকেই। গুগলের "inurl" ফিচার ব্যবহার করে আপনি পৃথিবীজুড়ে ছড়িয়ে থাকা অনেকগুলো উন্মুক্ত ক্যামেরার খোঁজ পেতে পারেন। যেমন দেখতে পারেন এই ক্যামেরাগুলোর ভিডিও স্ট্রিমগুলো।
■ বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত লাইভ ওয়েবক্যামের খোঁজ পাওয়ার জন্য ব্যবহার করতে পারেন গুগলের এই ফিচারটি।



হোমপেজে ভিনদেশী হানা
গুগল হোমপেজ নিয়ে আগে আমি প্রায়ই ঝামেলায় পড়তাম। হোমপেজে হংকংয়ের লিংক দেখাতো। পরে জেনেছি, ইউজারের আইপির অবস্থান শনাক্ত করে গুগল ঠিক ওই দেশের হোমপেজে নিয়ে যায়। এটা অনেক সময় বিরক্তিকর হয়ে দাঁড়ায়, বিশেষ করে দেশের বাইরে কোথাও গেলে। এ থেকে মুক্তি পেতে, মানে গুগলের মূল হোমপেজ সবসময় অটুট রাখার জন্য নিচের ঠিকানাটি ব্যবহার করুন-
http://www.google.com/ncr
ভৌতিক কাণ্ডকারখানা
■ গুগল সবসময় যে সঠিক বলে, তা কিন্তু নয়। অনেক সময় সঠিক শব্দ লিখলেও সে একপ্রস্থ পণ্ডিতি করবেই! 'recursion' শব্দটি দিয়ে সার্চ করেই দেখুন না।
■ গুগলের বহুল পরিচিত 'I'm Feeling Lucky' বাটনটা ঠিক কতো মানুষ ব্যবহার করে, কিংবা আদৌ ব্যবহার করে কিনা- সেটা আমার কাছে এক রহস্য। আপনি গুগলের হোমপেজে xx-hacker লিখে "I'm Feeling Lucky" বাটনে ক্লিক করুন। কী কাণ্ড দেখুন! অথবা 'french military victories' লিখে "I'm Feeling Lucky" বাটনে চাপ দিন। সবচেয়ে মজা লাগবে, যদি গুগল হোমপেজের সার্চ বক্সে 'who's the cutest?' লিখে "I'm Feeling Lucky" বাটনে ক্লিক করেন।
■ গুগলের মাঝেই লুকিয়ে আছে বেশ কয়েকটি বিশেষায়িত সার্চ ইঞ্জিন। আপাতত মাইক্রোসফট আর লিনাক্সের দিকে তাকান একনজর।
বিবিধ
গুগলের নতুন ফন্ট ডিরেক্টরিটা বেশ কাজের মনে হল, বিশেষত ওয়েব ডেভেলপারদের জন্য। ওদিকে গুগলকে কিন্তু ফোনবুকও বলা যায়। আপাতত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সব পাবলিক নম্বরই সেখানে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে সীমানা আরো বাড়তে পারে হয়তো। তবে গুগলের স্পেলচেকারটিকে সর্বজনীন বলতে হবে। এরপরও শুধু ব্রিটনি স্পিয়ার্সের নাম লিখতে গিয়ে মানুষ যে কী হারে ভুল করেছে, দেখুন একনজর! গুগল সার্চ সম্পর্কে আরো জানতে এটা দেখুন, আর সার্চ টিপস পাবেন এখানে।   প্রকাশ করা হয়েছে: ইন্টারনেট, প্রযুক্তি ও কম্পিউটার  বিভাগে

77
প্রথমেই আসা যাক ভেন্ডর সার্টিফিকেশন কি?
মূলত কিছু প্রতিষ্ঠান (ভেন্ডর) তাদের প্রডাক্ট এর এক্সপার্টিজের উপর সার্টিফিকেশন প্রদান করে থাকে এবং এই প্রক্রিয়ায় যেই ধরনের প্রশ্ন হয়ে তা অনলাইনে ইন্টারনেটের মাধ্যমে দিতে হয়। খুব পরিচিত কিছু ভেন্ডর হলো Microsoft, Oracle, Sun Java, CopmTIA, IBM, RedHat ইত্যাদি।
এখন কথা হলো আপনি কেন এধরনের সার্টিফিকেশন নিতে যাবেন বা এর প্রয়োজনীযতা কতটুকু?
এর সহজ সরল উত্তর হলো আজকাল আই.টি প্রফেশনালদের জন্য ভেন্ডর সার্টিফিকেশন প্রায় অত্যাবশকীয়, আর তা চাকুরীর বিজ্ঞাপন দেখলেই বুঝা যায়। এটি একদিকে যেমন আইটি সেক্টরে প্রফেশনালিজম বৃদ্ধি করবে সেই সাথে আপনার কর্ম ক্ষেত্রও বাড়িয়ে দিবে। আর এগুলো বাদ দিলেও আপনি আপনার দক্ষতা যাচাই করার জন্য এসব সার্টিফিকেশন পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেতে পারেন।শখের বশে করছে এমনটিও হয়!

কারা এই পরীক্ষা নেয়?
Online Exam দেওয়ার জন্য নিদির্ষ্ট কিছু অনুমোদিত টেস্টিং সেন্টার আছে।বেশীর ভাগ Vendor এর Certification Exam নেয় এরকম দুটি টেস্ট সেন্টার হলো Prometric এবং Pearson VUE। এই দুটি সেন্টারের মাধ্যমেই বেশীরভাগ সার্টিফিকেশন এক্সামে অংশগ্রহন করা যায়। দেশ বিদেশে এ দুটি প্রতিষ্ঠনের প্রচুর Authorized Test Center আছে।

আপনি কি ধরনের সার্টিফিকেশন নিবেন তার উপর নিভর করবে কোন টেস্ট সেন্টারে পরীক্ষা দিবেন। যেমন Microsoft/Java এগুলো নেয় Prometric আর Oracle/Cisco/Zend নেয় Pearoson VUE। আবার কিছু ভেন্ডর দুটি টেস্ট সেন্টারেই দেওয়া যায়। এসব ছাড়াও আরও অনেক ভেন্ডর আছে যা Pearoson VUE www.pearsonvue.com ) বা Prometric (www.prometric.com ) সাইটে অথবা ভেন্ডর এর সাইটে Microsoft/Java/Oracle etc. পাবেন।

বাংলাদেশে ঢাকা এবং চিটাগং এ Pearosn VUE বা Prometric এর বেশ কয়েকটা অথোরাইজড টেস্ট সেন্টার আছে। খুব সহজেই এসব প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করে সার্টিফিকেশন এক্সাম এ অংশগ্রহন করতে পারবেন। এছাড়াও ওয়েব সাইট থেকেও আপনার প্রয়োজনীয় এক্সামটি রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। এক্সাম রেজিস্ট্রেশন ফি ক্রেডিট কার্ড অথবা যেই টেস্ট সেন্টার এ পরীক্ষা দিবেন সেখানও পরিশোধ করা যায়। তবে সরাসরি টেস্ট সেন্টার থেকে রেজিস্ট্রেশন করাই উত্তম।


List of Authorized Pearson VUE test Center:

Daffodil International University
102, Sukrabad Mirpur Road, Dhaka-1207
Web: www.daffodilvarsity.edu.bd
 Details: http://www.pearsonvue.com (Click Locate test center)

Authorized Prometric Test Center:

Daffodil International University
102, Sukrabad,Mirpur Road Dhaka-1207
Web: www.daffodilvarsity.edu.bd
Details: http://www.register.prometric.com/Centers.asp

খরচ কেমন?
ভেন্ডর অনুসারে রেজিস্ট্রেশন ফি কম বেশী হয়। যেমন মাইক্রোসফটের প্রায় সব এক্সাম এর রেজিস্ট্রেশন ফি ৮০$ (প্রায় ৬৯০০ টাকা)। এর সাথে আপনাকে যোগ করতে হবে টেস্ট সেন্টার ফি (৫০০-১০০০ টাকা)। একই ভাবে ওরাকল এর ফি ১২৫$, জাভা ৩০০$। তবে অনেকই আবার বিভিন্ন রকম ডিসকাউন্ট দিয়ে থাকে। যেমন Asia Region এর জন্য জাভা ১৫০$ এ দেওয়া যায়। এছাড়া Original Learning Items (বই/সিডি) ব্যবহার করলে সাথে ৭%-৫০% ডিসকাউন্ট ভাউচার থাকে। মাঝে মাঝেই প্রমোশনাল অফার থাকে যেমন একটি এক্সাম এর টাকা দিয়ে দুবার পরীক্ষা দেওয়া যায়।

আপনি কোন ভেন্ডর এর সার্টিফিকেশন নিবেন?
এর উত্তর হলো আপনি যেই বিষয়ের উপর এক্সপার্ট অথবা আপনার আগ্রহ যেই বিষয়ে। যেমন কারও যদি নেটওয়ার্কিং এর উপর দক্ষতা থাকে তিনি মাইক্রোসফট/সিসকো/লিনাক্স এর নেটওয়ার্কিং সার্টিফিকেশন নিতে পারেন। যেমন Network+, MCSA, MCSE, CCNA, CCNP, RHCE। আবার যারা ডাটাবেজ এক্সপার্ট হতে চান তারা OCP, OCA, OCM সার্টিফিকেশন নিতে পারেন। ডেভলাপারদের/প্রোগরামারদের জন্য MCSD, MCITP।

MCP: Microsoft Certified Professional
MCSA: Microsoft Certified System Administrator
MCSE: Microsoft Certified System Engineer
MCITP: Microsoft Certified IT Professional
MCPD: Microsoft Certified Professional Developer
MCTS: Microsoft Certified Technology Specialist
OCP: Oracle Certified Professional
OCA: Oracle Certified Associate
CCNA: Cisco Certified Network Associate
CCNP: Cisco Certified Network Professional
SCJP: Sun Certified Java Professional
ZHE: Zend Certified Engineer

মাইক্রোসফট এর একটি পরীক্ষা পাস করলেই MCP হয়ে যায়। কিন্তু অন্যান্য সার্টিফিকেশনের জন্য একের অধিক পরিক্ষায় পাশ করতে হয়। যেমন MCSA এর জন্য সর্বনিম্ন ৪টাতে পাস করতে হয়। এটা সার্টিফিকেশন অনুসারে কম বেশি হয়।

প্রশ্নের ধরন কি?
বেশীরভাগ MCQ টাইপের হয় এর সাথে Drag and Drop, Simulation (সমস্যা দেওয়া থাকবে সেই অনুযায়ী সমাধান করতে হবে) থাকতে পারে। আপনি যদি সঠিক ভাবে পড়াশোনা করে পরিক্ষায় অংশ গ্রহন করেন আমার ধারনা একটা আলাদা মজা পাবেন।

Md.Masud Parvez
IT Officer
Daffodil International University

78
আমরা যারা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে থাকি তাদের কাছে বহুল পরিচিত একটি অপশন হলো Run Command যা দ্বারা আমরা খুব সহজেই যে কোন ফাইল মাত্র কয়েকটা ক্লীকেই কম্পিউটারের আনাচে কানাচে থেকে run করাতে পারি । মূলত উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এ আগে থেকেই কিছু সফটওয়্যারের ডিফল্ট শর্টকার্ট তৈরী করাই থাকে। যেগুলো ব্যবহার করে আপনি খুব সহজেই সেই ফাইলগুলো ব্যবহার করতে পারেন। যেমন ধরুনঃ আপনি ক্যালকুলেটর বের করতে চাইলে run বাক্স open করেই calc চেপে Enter press করলেই আপনার সামনে ক্যালকুলেটর হাজির হয়ে যাবে কোন রকম ঝামেলা ছাড়াই।
      তবে হ্যা প্রথমেই বলে রাখি আমি এই পোষ্টি করছি সম্পূর্ণ Windows Xp তে পরিক্ষিত ।
 
কিভাবে কাজ করেঃ
 
এটা মূলত সরাসরি আপনার System এর সাথে কাজ করে। অর্থাৎ আপনার অপারেটিং সিস্টেমের System এর সাথে রিলেটেড যে কোন ফাইলের নাম / শর্টকাট যদি আপনি Run Command এ টাইপ করে Enter Press করেন তাহলে খুব সহজেই সেই ফাইলটি ১ সেকেন্ডেরও কম সময়ে আপনার সামনে হাজির হতে বাধ্য। তবে অবশ্য কোডটি অবশ্যই সঠিক হতে হবে। জন্য আগে আপনাকে সেই কমান্ডটি জানতে হবে।
•   ধরুন আপনি কোন একটা সফাটওয়্যার ইন্সটল করছেন এখন এটা কি ভাবে Run Command দিয়ে বের করবেন >
আপনি কিভাবে এটা তৈরি করতে পারেন এটা নিয়েই  আজ আলোচনা করব >
1 ► প্রথমে আপনি যেই ফাইলটি Run Command দ্বারা চালু করবেন সেই ফাইলটিতে যান। এবং গিয়ে মাউসের Right বাটনে ক্লীক করুন। তারপর Create shortcut অপশনটিতে ক্লীক করুন। প্
 


2 ► তারপর শর্টকাটটি আপনার পছন্দের নামে Rename করুন। আর Rename করার সময় অবশ্যই মনে রাখবেন এই নাম দ্বারাই Run Command এর মাধ্যমে আপনি পরবর্তীতে ফাইলটি চালু করতে পারবেন।
 


3 ► এবার ফাইলটি cut করুন। এবং আপনার (Window Xp) অপারেটিং সিস্টেমের সিস্টেম ড্রাইভ মানে C:\WINDOWS তে যান। তারপর সেখানে এই শর্টকাটটি Past করে দিন।
 
 


4 ► এবার Run বাক্স open করুন। তারপর আপনার ফাইলের শর্টকার্টের Rename করা ফাইলটির নাম টাইপ করুন। তারপর Enter Press করুন >
 
দেখবেন সফটওয়্যার টা ওপেন হয়ে গেসে …………………।







79
পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ডকে ব্যবহার করুন RAM হিসেবে |
RAM (Random Access Memory) কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যাকে ছাড়া আপনি কম্পিউটার চালুও করতে পারবেন না। কম্পিউটারের RAM যতবেশি হয়, কম্পিউটারের স্পীডও ততবেশি হয়। এখন আপনি যদি RAM বাড়াতে চান, তাহলে আপনাকে র্যাম কিনতে হবে। কিন্তু আপনার কাছে যদি RAM কিনার টাকা না থাকে, তাহলে কি করবেন? সমস্যা নাই, হাতের কাছে যদি পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ড থাকে, তাহলে এটিকেই RAM হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন। এছাড়াও এখনকার সময়ে অনেকগুলো সফটওয়্যার আছে যেগুলো ব্যবহার করতে হলে আপনাকে বেশি ক্ষমতা সম্পন্ন RAM ব্যবহার করতে হবে। সাধারণ পুরাতন কম্পিউটারগুলোতে র্যাম থাকে ২৫৬, ৫১২ মেগাবাইট ক্ষমতা সম্পন্ন র্যাম। যা প্রয়োজনের তুলনায় একদমই কম।

এখন আমি আপনাদের দেখাবো কীভাবে আপনি পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ডকে RAM হিসেবে তৈরি করে ব্যবহার করবেন। অনেকেই প্রশ্ন করতে পারেন এতে কি পিসির স্পীড বাড়ে? অবশ্যই বাড়ে। ভাল করে লক্ষ্য করে দেখবেন। প্রথমে আমি আপনাদের ম্যানুয়ালি কিভাবে করে তা দেখাবো, তারপর আপনাদের দেখাবো সফটওয়্যারের মাধ্যমে।।

কীভাবে পেনড্রাইভকে RAM হিসেবে তৈরি করবেনঃ উইন্ডোজ এক্সপি
----------------------------------------------------------------------------


চলুন এবার শিখে ফেলি কিভাবে একটি পেনড্রাইভকে আপনি RAM হিসেবে তৈরি করবেন ও তা ব্যবহার করবেন।

► প্রথমে আপনার পেনড্রাইভটি পিসি বা ল্যাপটপে প্লাগ করুন (পেনড্রাইভ কমপক্ষে ২ জিবি সর্বোচ্চ ৪ জিবি নিবেন)।

► এবার My Computer এর উপর রাইট বাটন ক্লিক করে Properties এ ক্লিক করুন।

► এবার Advanced Option এ ক্লিক করুন।

► এবার Settings of Performance এ ক্লিক করুন।

► আবারও Advanced Button এ ক্লিক করুন।

► এবার Virtual memory অংশ থেকে Change বাটনে ক্লিক করুন।

► তাহলে আপনাকে ড্রাইভ লিষ্ট দেখাবে, এখান থেকে পেনড্রাইভের ড্রাইভটি সিলেক্ট করুন।

► এবার Custom Size এ ক্লিক করুন।

► এবার Initial Size and Maximum Size সিলেক্ট করুন আপনার পেনড্রাইভের সাইজ অনুসারে।

► এবার Set ও apply দিয়ে কাজ শেষ করুন।

► এবার আপনার পিসি বা ল্যাপটপটি রিস্টার্ট করুন। ব্যস কাজ শেষ।

মনে রাখবেনঃ Virtual memory অংশের ভ্যালু ০ (শূণ্য) দিবেন। আর কম্পিউটার বন্ধ করার আগে পেনড্রাইভ বা মেমোরি কার্ডটি খুলবেন না।

এছাড়াও কীভাবে উইন্ডোজ সেভেনে করবেন, তার দেখুন এখানেঃ http://www.tunerpage.com/archives/112487

সফটওয়্যার দিয়েও আপনি RAM হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন আপনার পেনড্রাইভ টিকে। এজন্য আপনাকে একটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে। এর নামঃ eBoostr. সফটওয়্যারটি প্রেমিয়াম, তাই আপনাকে কিনে ব্যবহার করতে হবে। কিন্তু আপনি চাইলে ফ্রিতে প্রেমিয়াম ভার্সনটি নিতে পারেন। সফটওয়্যারটির ডাউনলোড লিংক এবং টিউটোরিয়াল পাবেন এখানেঃ

eBoostr = http://www.tunerpage.com/archives/112487


Md. Masud Parvez
IT Officer
Daffodil International University

Pages: 1 ... 4 5 [6]