Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Zahir_ETE

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 7
31
ফেইসবুক বন্ধুদের শেয়ার করা পর্নো ভিডিওটিতে ক্লিক করার আগে একটু ভেবে দেখুন।


তবে ক্লিক যদি করেই ফেলেন এবং লিঙ্কটি যদি আপনার ফ্ল্যাশ সফটওয়্যার আপডেট করতে বলে তবে সঙ্গে সঙ্গে ওই ব্রাউজার উইন্ডোটি কন্ধ করে দিন। কারণ, আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন-- এটি ম্যালওয়্যার।
নিরাপত্তা গবেষক মোহাম্মাদ ফাগানির মতে, “ম্যালওয়্যারটি আদতে পর্নোভিত্তিক ট্রোজান, যা মাত্র দুই দিনে ঘায়েল করেছে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার ফেইসবুক অ্যাকাউন্ট।” ম্যালওয়্যারটি আক্রমণ কৌশলটিকে “ম্যাগনেট” নাম দিয়েছেন ফাগানি এবং এটি আক্রান্ত ব্যবহারকারীর কিবোর্ড ও মাউসের মাধ্যমে করা কাজগুলোর লগ বা বিস্তারিত তথ্য চুরি করতে পারে, জানিয়েছে ব্রিটিশ দৈনিক পত্রিকা গার্ডিয়ান।
ম্যালওয়্যারটি কীভাবে কাজ সে বিষয়টিও ব্যাখ্যা করেন মোহাম্মাদ ফাগানি। তিনি জানান-- “আক্রান্ত ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট থেকে তার বন্ধুদের ট্যাগ করে ফেইসবুকে একটি পর্নো ভিডিও শেয়ার করে ট্রোজান ম্যালওয়্যারটি। লিঙ্কটিতে ক্লিক করলে ব্যবহারকারীদের একটি ফ্ল্যাশ প্লেয়ার ডাউনলোড করতে বলা হয়। ওই ফ্ল্যাশ প্লেয়ারটি আসলে ট্রোজান ম্যালওয়্যারটির ডাউনলোড লিঙ্ক।”

32
কম্পিউটার যারা ব্যবহার করেন তারা নিশ্চয় 32 bit, 64 bit এর নাম শুনেছেন। 32 bit আর 64 bit এর জন্য আলাদা আলাদা প্রসেসর, অপারেটিং সিস্টেম, সফটওয়ার, আর ড্রাইভার আছে। তবে নতুনদের মধ্যে অনেকেই জানেন না এই ৩২ বিট আর ৬৪ বিট (X86 ও X64) কি বা Difference between 64bit and 32bit। এদের মধ্যে পার্থক্য কি, কি জন্য ব্যবহার করা হয় বা নিজের কম্পিউটারটি কত বিটের তা কিভাবে চেক করবেন তাও অনেকের অজানা। এটি নিয়েই আমার পোষ্টটি লেখা। এখানে প্রশ্নগুলোর উত্তর দেয়ার চেস্টা করছি।



৩২ বিট আর ৬৪ বিট এ পার্থক্য কিঃ
১। ৩২ বিট এর চেয়ে ৬৪ বিটে উইন্ডোজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বেশি, বিশেষ করে ৬৪ বিটের অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে Kernel Patch Protection অনেক বেশি শক্তিশালী হয়। Kernel হল প্রসেসর, হার্ডওযার,ডিভাইস ড্রাইভার এর সাথে অন্যান্য সফটওয়ারের সমন্বয় রক্ষা করে চলার একটি পদ্ধতি যার উপর ভিত্তি করে অপারেটিংস সিস্টেম তৈরি হয়। একে Hardware, Software, firmware Adapting ও বলা যেতে পারে। একেক অপারেটিং সিস্টেমে একেক ধরনের Kernel ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়।

২। ৬৪ বিট উইন্ডোজে ডিজিটাল সাইন ছাড়া ড্রাইভার ইন্সটল করা যায় না। ডিজিটাল সাইনটা এক প্রকার কোম্পানির সীলের মত। যখন ঐ সফটওয়ারটাকে ভাইরাস আক্রমন করে বা এর মধ্যে কোন পরিবর্তন হয় তখন ডিজিটাল সাইনটি পরিবর্তিত হয়ে যায় যাকে হিসেবে উইন্ডোজ ধরে নেয়। ৩২ বিটেও ডিজিটাল সাইন ছাড়া ড্রাইভার ইন্সটল না করার অপশন আছে তবে এটি ডিফল্ট সেটিংস নয়। কিন্তু ৬৪বিট অপারেটিং সিস্টেমের উইন্ডোজ Digitally Signed Broken কে অনুমোদন করে না।

৩। ৬৪ বিট প্রসেসরে ৬৪ বিট এবং ৩২ বিট দুই ধরনের উন্ডোজই (অপারেটিং সিস্টেম) ব্যবহার করা যায়। তবে ৩২ বিট প্রসেসরে শুধু মাত্র ৩২ বিট উন্ডোজই ব্যবহার করা যায়। সুতরাং ৬৪বিট উইন্ডোজ ব্যবহার করতে চায়লে ৬৪বিট প্রসেসরই লাগবে।

৪। ৬৪বিট উইন্ডোজে কিছু কিছু ৩২বিটের সফওয়ার, আর ড্রাইভার রান করা গেলেও অনেক সময় সমস্যা দেখা দেয়, সঠিকভাবে কাজ করে না। তবে ৩২বিট উইন্ডোজে ৬৪বিট সফটওয়ার বা ড্রাইভার কোনটাই কাজ করে না। অর্থাৎ সঠিকভাবে কাজ করার জন্য ৬৪বিটের জন্য ৬৪বিটের সফটওয়ার আর ড্রাইভার যেমন দরকার তেমন ৩২ বিটের জন্যও ৩২বিটের সফটওয়ার আর ড্রাইভার দরকার। আবার ১৬বিট প্রোগ্রামগুলো ৩২বিটে কাজকরলেও ৬৪বিটে কাজ করে না। ৬৪ বিটের প্রোগ্রামগুলো ৩২বিটের চেয়ে পারফরমেন্স ভাল দেখায়। যেমন ক্রাশ করা বা এরকম অন্যান্য সমস্যাগুলো থেকে ৬৪বিট প্রোগ্রামগুলো মুক্ত বললেই চলে।

৫। ৬৪বিট প্রসেসর সাধারণত x64 এবং ৩২বিট প্রসেসর সাধারণত x86 গতিতে চলে।

৬। ৩২ বিটের জন্য সাধারণত 512MB থেকে 4 GB পর্যন্ত RAM Recommend করা হয় যেখানে ৬৪বিটের জন্য 4 GB Recommend করা হয়। এর চেয়ে কম হলেও চলে। অনেকেই মনে করে ৬৪ বিটের অপারেটিং সিস্টেম চালানোর জন্য কমপক্ষে 4GB RAM দরকার হয়। বিষয়টা সেরকম নয়। বরং আপনি 2GB RAM দিয়েও ৬৪ বিটের অপারেটিং সিস্টেম চালাতে পারেন যদি আপনার প্রসেসর তা সাপোর্ট করে।

সবচেয়ে বড় ব্যাপার হল 4 GB এর উপর RAM ব্যবহার করতে চায়লে অবশ্যই ৬৪বিট প্রসেসর আর উইন্ডোজ ব্যবহার করতে হবে। কারণ ৩২ বিটে 4 GB এর উপর RAM ব্যবহার করা হলেও তা ব্যবহৃত হয় না। এমনকি অনেক সময় সর্বোচ্চ 3 GB পর্যন্ত ব্যবহৃত হয়ে বাকিগুলো RAM অব্যবহৃত থেকে যায় কারণ হার্ডওয়ার সাপোর্ট করে না। অন্যদিকে ৬৪বিটে 1GB থেকে 128GB এর চেয়ে বেশি RAM সাপোর্ট করে। যদিও এখনো 128GB RAM ব্যবহারের রেকর্ড শুনা যায়নি। তবে ব্যবস্থাটা রাখা হয়েছে।

যে সব কাজের জন্য বেশি RAM প্রয়োজন তার জন্য ৬৪বিটের বিকল্প নেই। যেমন হলিউডের যে ফিল্মগুলো তৈরি করা হয় তাতে সব ৬৪বিটের প্রোগ্রামগুলোই ব্যবহার করা হয়। তেমনি 3D, High powerful Graphicsআর Multimedia জন্য ৬৪বিট একমাত্র সমাধান। তবে বিশেষ পদ্ধতি অবলম্বন করে ৩২ বিটেও 4G এর বেশিRAM ব্যবহার করা যায়। তবে এটি Windows Kernel Security দুর্বল করে দেবে। তাই অভিজ্ঞরা পরামর্শদিয়েছেন ঐ ঝুঁকি না নেয়ার জন্য।

33
কম্পিউটার যারা ব্যবহার করেন তারা নিশ্চয় 32 bit, 64 bit এর নাম শুনেছেন। 32 bit আর 64 bit এর জন্য আলাদা আলাদা প্রসেসর, অপারেটিং সিস্টেম, সফটওয়ার, আর ড্রাইভার আছে। তবে নতুনদের মধ্যে অনেকেই জানেন না এই ৩২ বিট আর ৬৪ বিট (X86 ও X64) কি বা Difference between 64bit and 32bit। এদের মধ্যে পার্থক্য কি, কি জন্য ব্যবহার করা হয় বা নিজের কম্পিউটারটি কত বিটের তা কিভাবে চেক করবেন তাও অনেকের অজানা। এটি নিয়েই আমার পোষ্টটি লেখা। এখানে প্রশ্নগুলোর উত্তর দেয়ার চেস্টা করছি।



৩২ বিট আর ৬৪ বিট এ পার্থক্য কিঃ
১। ৩২ বিট এর চেয়ে ৬৪ বিটে উইন্ডোজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বেশি, বিশেষ করে ৬৪ বিটের অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে Kernel Patch Protection অনেক বেশি শক্তিশালী হয়। Kernel হল প্রসেসর, হার্ডওযার,ডিভাইস ড্রাইভার এর সাথে অন্যান্য সফটওয়ারের সমন্বয় রক্ষা করে চলার একটি পদ্ধতি যার উপর ভিত্তি করে অপারেটিংস সিস্টেম তৈরি হয়। একে Hardware, Software, firmware Adapting ও বলা যেতে পারে। একেক অপারেটিং সিস্টেমে একেক ধরনের Kernel ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়।

২। ৬৪ বিট উইন্ডোজে ডিজিটাল সাইন ছাড়া ড্রাইভার ইন্সটল করা যায় না। ডিজিটাল সাইনটা এক প্রকার কোম্পানির সীলের মত। যখন ঐ সফটওয়ারটাকে ভাইরাস আক্রমন করে বা এর মধ্যে কোন পরিবর্তন হয় তখন ডিজিটাল সাইনটি পরিবর্তিত হয়ে যায় যাকে হিসেবে উইন্ডোজ ধরে নেয়। ৩২ বিটেও ডিজিটাল সাইন ছাড়া ড্রাইভার ইন্সটল না করার অপশন আছে তবে এটি ডিফল্ট সেটিংস নয়। কিন্তু ৬৪বিট অপারেটিং সিস্টেমের উইন্ডোজ Digitally Signed Broken কে অনুমোদন করে না।

৩। ৬৪ বিট প্রসেসরে ৬৪ বিট এবং ৩২ বিট দুই ধরনের উন্ডোজই (অপারেটিং সিস্টেম) ব্যবহার করা যায়। তবে ৩২ বিট প্রসেসরে শুধু মাত্র ৩২ বিট উন্ডোজই ব্যবহার করা যায়। সুতরাং ৬৪বিট উইন্ডোজ ব্যবহার করতে চায়লে ৬৪বিট প্রসেসরই লাগবে।

৪। ৬৪বিট উইন্ডোজে কিছু কিছু ৩২বিটের সফওয়ার, আর ড্রাইভার রান করা গেলেও অনেক সময় সমস্যা দেখা দেয়, সঠিকভাবে কাজ করে না। তবে ৩২বিট উইন্ডোজে ৬৪বিট সফটওয়ার বা ড্রাইভার কোনটাই কাজ করে না। অর্থাৎ সঠিকভাবে কাজ করার জন্য ৬৪বিটের জন্য ৬৪বিটের সফটওয়ার আর ড্রাইভার যেমন দরকার তেমন ৩২ বিটের জন্যও ৩২বিটের সফটওয়ার আর ড্রাইভার দরকার। আবার ১৬বিট প্রোগ্রামগুলো ৩২বিটে কাজকরলেও ৬৪বিটে কাজ করে না। ৬৪ বিটের প্রোগ্রামগুলো ৩২বিটের চেয়ে পারফরমেন্স ভাল দেখায়। যেমন ক্রাশ করা বা এরকম অন্যান্য সমস্যাগুলো থেকে ৬৪বিট প্রোগ্রামগুলো মুক্ত বললেই চলে।

৫। ৬৪বিট প্রসেসর সাধারণত x64 এবং ৩২বিট প্রসেসর সাধারণত x86 গতিতে চলে।

৬। ৩২ বিটের জন্য সাধারণত 512MB থেকে 4 GB পর্যন্ত RAM Recommend করা হয় যেখানে ৬৪বিটের জন্য 4 GB Recommend করা হয়। এর চেয়ে কম হলেও চলে। অনেকেই মনে করে ৬৪ বিটের অপারেটিং সিস্টেম চালানোর জন্য কমপক্ষে 4GB RAM দরকার হয়। বিষয়টা সেরকম নয়। বরং আপনি 2GB RAM দিয়েও ৬৪ বিটের অপারেটিং সিস্টেম চালাতে পারেন যদি আপনার প্রসেসর তা সাপোর্ট করে।

সবচেয়ে বড় ব্যাপার হল 4 GB এর উপর RAM ব্যবহার করতে চায়লে অবশ্যই ৬৪বিট প্রসেসর আর উইন্ডোজ ব্যবহার করতে হবে। কারণ ৩২ বিটে 4 GB এর উপর RAM ব্যবহার করা হলেও তা ব্যবহৃত হয় না। এমনকি অনেক সময় সর্বোচ্চ 3 GB পর্যন্ত ব্যবহৃত হয়ে বাকিগুলো RAM অব্যবহৃত থেকে যায় কারণ হার্ডওয়ার সাপোর্ট করে না। অন্যদিকে ৬৪বিটে 1GB থেকে 128GB এর চেয়ে বেশি RAM সাপোর্ট করে। যদিও এখনো 128GB RAM ব্যবহারের রেকর্ড শুনা যায়নি। তবে ব্যবস্থাটা রাখা হয়েছে।

যে সব কাজের জন্য বেশি RAM প্রয়োজন তার জন্য ৬৪বিটের বিকল্প নেই। যেমন হলিউডের যে ফিল্মগুলো তৈরি করা হয় তাতে সব ৬৪বিটের প্রোগ্রামগুলোই ব্যবহার করা হয়। তেমনি 3D, High powerful Graphicsআর Multimedia জন্য ৬৪বিট একমাত্র সমাধান। তবে বিশেষ পদ্ধতি অবলম্বন করে ৩২ বিটেও 4G এর বেশিRAM ব্যবহার করা যায়। তবে এটি Windows Kernel Security দুর্বল করে দেবে। তাই অভিজ্ঞরা পরামর্শদিয়েছেন ঐ ঝুঁকি না নেয়ার জন্য।

34
আমরা সাধারণত CD/DVD দিয়ে Windows ইন্সটল করে থাকি। তবে পিসির CD/DVD drive নষ্ট হয়ে গেলে  বাধ্য হয়েই bootable pendrive ব্যবহার করতে হয়।আবার অনেকে notebook use করেন তাদের bootable pendrive ব্যবহার না করে উপায় নেই। এজন্যই আমি আজকে windows bootable করার জন্য একটি portable software শেয়ার করব।আর আশা করি অনেকের কাজে লাগবে।আর portable software হওয়ায় ইন্সটল এর কোন ঝামেলা নেই। এর সাহায্যে খুবই সহজে windows  xp,7,8,8.1 bootable করা যাবে।আর এটি একটি  freeware software। তাই আপনাদের licence বা crack ফাইলের কোন প্রয়োজন নেই। সফ্টওয়ারটির নাম Windows to usb lite। আর সাইজটাও মাত্র 1.5 মেগাবাইট। আর bootable করতে পেন-ড্রাইভ ৮ জিবি হলেই চলবে।
১.ডাউনলোড শেষ হলে রার ফাইলটি exact করুন।৫mb এর মত হবে।
২.তারপর সফ্টওয়ারটি প্রথমে run করুন

২.তারপর source type ISO সিলেক্ট করে source path এ ক্লিক করে  আপনার ISO ফাইলটি দেখিয়ে দিন
৩.তারপর start এ ক্লিক করুন

৪.এরপর আপনার পেন-ড্রাইভ ফরম্যা্ট হবে এবং bootable এর কাজ শুরু হবে।
৪.ব্যাস!!আপনার কাজ শেষ। এবার বেশ কিছুক্ষন অপেক্ষা করুন। Bootable তৈরী হয়ে গেলে complete দেখাবে।

35
কম্পিউটারের উপর নির্ভরশীল হওয়াতে কম্পিউটার সবসময় ভাল থাকা চাই। আর কম্পিউটার ভাল রাখতে চাইলে আপনাকে কিছু কাজ করতে হবে। নিচে কম্পিউটার ভাল রাখার কিছু টিপস দিলাম। আশা করি যারা বিষয়গুলো জানেন না তারা উপকৃত হবেন।

১। অপ্রয়জনীয় সফটওয়্যার ইনস্টল করা থেকে বিরত থাকুন।

২। কাজ শেষ হয়ে গেলে যে সব সফটঅয়্যার আপাতত আর কাজে লাগবে না, সেগুলি আনইনস্টল করুন।

৩। সপ্তাহে অন্তত একবার ডিক্স ডিফ্রাগমেন্ট করুন।

৪। রিলায়েবল একটি আপডেটেড অ্যান্টিভাইরাস ইউজ করুন, একাধিক এন্টিভাইরাস ইনস্টল করবেন না, পিসিকে স্লো করে দেবে।

৫। কিছু কমান্ড এর মাধ্যমে কম্পিঊটার পরিস্কার রাখতে পারেন যেমন-Start Menu ক্লিক করে Run ক্লিক করুন লিখুন %Temp% এরপর Ok-তে ক্লিক করুন, দেখবেন অনেক File এসেছে এগুলি ডিলিট করুন। এতে পিসির সিস্টেম ড্রাইভের জায়গা বাড়বে।

৬। আবার Start Menu ক্লিক করে Run ক্লিক করুন লিখুন Temp এরপর Ok-তে ক্লিক করুন, দেখবেন অনেক File এসেছে এগুলি ডিলিট করুন।

৭। আবার Start Menu ক্লিক করে Run ক্লিক করুন লিখুন Prefetch এরপর Ok-তে ক্লিক করুন, দেখবেন অনেক File এসেছে এগুলি ডিলিট করুন।

৮। আবার Start Menu ক্লিক করে Run ক্লিক করুন লিখুন Recent এরপর Ok-তে ক্লিক করুন, দেখবেন অনেক File এসেছে এগুলি ডিলিট করুন।

৯। মাঝে মাঝে Hard Disk চেক করার জন্য Start Menu ক্লিক করে Run ক্লিক করুন লিখুন chkdsk এরপর Ok-তে ক্লিক করুন, দেখবেন Hard Disk চেক হচ্ছে।

১০। প্রত্যেক ড্রাইভে মিনিমাম ১৫% জায়গা খালি রাখুন, এতে পিসির স্পিড বাড়বে।

১১। পিসিতে ডিক্স/পেন ড্রাইভ যাই add করুন না কেন, অবশ্যই ওপেন করার আগে ভালো এন্টিভাইরাস দিয়ে চেক করে নেবেন।

36
আপনার কম্পিউটারের পারফর্মেন্স কি আপনার আগের চাইতে কিছুটা ধীর গতির মনে হচ্ছে? নাকি আপনার কম্পিউটারটি বেশ আগের বিধায় এমনিতেই সিস্টেমটি ধীর গতিতে কাজ করে? সমস্যা যাই হোক আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করছি কিছু উপায় যার মাধ্যমে আপনি আপনার ধীর গতির কম্পিউটারে কিছুটা হলেও গতি সঞ্চার করতে পারবেন। কথা না বাড়িয়ে চলুন, শুরু করা যাক।

১। সম্ভব হলে আপনার কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার আপগ্রেড করুনঃ অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় টাকার অভাবে বা ল্যাপটপ ব্যবহারের ফলে হার্ডওয়্যার আপগ্রেড করা সম্ভব হয়না। কিন্তু, আমরা ছোট ছোট কিছু আপগ্রেডের মাধ্যমে আমাদের কম্পিউটারের গতি কিছুটা হলেও বৃদ্ধি করতে পারি। যেমন ধরুন, র‍্যাম। র‍্যাম আপগ্রেড করে বেশ কিছুটা গতি যোগ করা যায় সহজেই। আর আপনি যদি আপনার কম্পিউটারকে যে কোন একটি আপগ্রেডের মাধ্যমে যথাসম্ভব দ্রুত গতির করতে চান তবে হার্ড ডিস্ক বদলে ফেলুন, আপগ্রেড করুন একটি এসএসডি। এসএসডি কীভাবে আপনার কম্পিউটারে গতি সঞ্চার করতে পারে তা জানার জন্য আমার লেখা ‘এখনই সময় আপনার সিস্টেমে একটি SSD আপগ্রেড করার’ ব্লগটি পড়ে দেখতে পারেন।

২। হার্ড ডিস্ক ব্যবহার করে থাকলেঃ ধরে নিলাম বর্তমানে আপনার এসএসডি আপগ্রেড করার অর্থ হাতে নেই। সমস্যা নেই, হার্ড ডিস্কের কিছু ট্রিকস ব্যবহার করেও আমরা কিছুটা গতি বৃদ্ধি করতে পারি যদিও সেটা এসএসডি’র মত হবেনা। আমরা যে কাজ গুলো করতে পারিঃ

=> সূত্র মোতাবেক আপনার কম্পিউটারটিকে স্মুথলি ব্যবহারের জন্য হার্ড ডিস্কের প্রতিটি ড্রাইভে অন্তত ১৫ শতাংশ জায়গা খালি রাখতে হয়। তাই এখনই ড্রাইভের প্রোপার্টিজে গিয়ে চেক করুন, ১৫ শতাংশ স্পেস খালি আছে কি না।

=> মাঝে মাঝে ড্রাইভের প্রোপার্টিজ টুলস থেকে ‘ডিস্ক ক্লিন আপ’ করুন, এতে করে আপনার সেই ড্রাইভে জমে থাকা টেম্পোরারি ফাইল গুলো মুছে যাবে যার পরিমাণ অনেক সময় ধরে ধরে জমে জমে গিগাবাইট পর্যন্ত হতে পারে।

=> নিয়মিত ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্ট টুল ব্যবহার করুন। এতে করে আপনার হার্ড ড্রাইভ ব্যবহারে সর্বোচ্চ এফিসিয়েন্সি পাবেন।

=> ডিফ্র্যাগমেন্টের মতই নিয়মিত ডিস্ক এরর চেক করুন।

৩। আপনার কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার গুলো ওভারক্লক করুনঃ ধরে নিচ্ছি আপনার কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার গুলো এ মুহুর্তে আপগ্রেড করা সম্ভব নয় তবে আপনি চাইলে কিছু হার্ডওয়্যার ওভারক্লক করে সেগুলোর কার্যক্ষমতা তথা আপনার কম্পিউটার সিস্টেমের গতি বৃদ্ধি করতে পারেন। যেমন, গ্রাফিক্স কার্ড, প্রসেসর।

৪। প্রয়োজনীয় অ্যাপলিকেশন গুলোই শুধু ব্যবহার করুনঃ আপনার প্রয়োজন নেই – এরকম সফটওয়্যার অ্যাভোয়েড করতে চেষ্টা করুন। কেননা, যে কোন সফটওয়্যারই কম্পিউটারে ইন্সটল হবার পর কম্পিউটারে তাদের নিজস্ব অনেক ফাইল জমা করে রাখে, ফলে কম্পিউটার ক্রমান্বয়ে ধীর গতির হয়ে যায়।

৫। কিছু ক্ষেত্রে পুরাতন ভার্সনের অ্যাপলিকেশন ব্যবহার করুনঃ আপনি এই পয়েন্টটির সাথে একমত নাও হতে পারেন। ভাবছেন, পুরানো সফটোওয়্যারগুলোতে বিভিন্ন রকম বাগ বা কম সুবিধা থাকে বলেইতো আগ্রেড করা হয়। আপনার যুক্তি সত্য কিন্তু সেই সুবিধা যোগ করার ফলে সেই সফটওয়্যার গুলো ব্যবহারের হার্ডওয়্যার রিকোয়ার্মেন্টও বৃদ্ধি পায় যা আপনার ব্যাক-ডেটেড কম্পিউটার সাপোর্ট নাও করতে পারে। যেমন, আপনার কম্পিউটার যদি ফটোশপের CS5 ভার্শনটি সাপোর্ট নাও করে থাকে তবে আপনি CS4 ব্যবহার করে দেখতে পারেন বা এরও নিচের কোন ভার্শন।

৬। হালকা অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করুনঃ আপনার কম্পিউটারের হার্ড ওয়্যার অনুযায়ী অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করুন। এখন আপনার কম্পিউটারটি যদি উইন্ডোজ এক্সপি ব্যবহারের জন্য কনফিগার্ড হয়ে থাকে তবে নিশ্চয়ই উইন্ডোজ ৮.১ তাতে ভালো ভাবে চলবে না। আর চললেও অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে আপনাকে। আপনি যদি আপডেটেড থাকতে চান তবে লিনাক্সের যে কোন ডিস্ট্রো ব্যবহার করেও দেখতে পারেন।

37
আজকাল আমরা কম বেশি সবায় জরুরি কাজ মোবাইল বা ট্যাব এ সেরে ফেলি কিন্ত প্রত্যেক ডিভাইসে আলদা করে ইন্টারনেট এর খরচ আমাদের অনেকের পক্ষে চালানো সম্ভব হয় না। তাই আমরা রাউটার এর উপর ভরসা করি। মূল কথায় ফিরে আসি কি ভাবে আপনার ল্যাপটপ টিকে বানাবেন ওয়াইফাই রাউটার ফ্রী তে। তা হল আমাদের  ল্যাপটপ এয়  ওয়াইফায়
রিসিভার রয়েছে, আমরা এইটিকে ওয়াইফাই সেনডার বানাব, এইটাকে হটস্পট ও বলা হয়ে থাকে। মাই ওয়াইফাই রাউটার সফটওয়্যারটি ব্যবহার করে খুব সহজে ওয়াইফাই হটস্পট বানিয়ে ফেলা যাই কোন জামেলা ছাড়া।

ডাউনলোড লিঙ্ক -  এখানে ক্লিক করুন ।

সফটওয়্যারটি সম্পূর্ণ ওপেন সোর্স, এর জন্য কোন ক্রা ক ফাইল কিংবা সিরিয়াল নাম্বারের প্রয়োজন হবে না। সফটওয়্যারটি ইন্সটল করার পর আপনার কাজ হলো আপনার হটস্পটের জন্য একটা নাম এবং পাসওয়ার্ড নির্বাচন করে একটিভেট ফ্রি ওয়াইফাই বাটন প্রেস করা। আসাকরি কোন সমস্যা হবার কারন না আর ব্যবহার করতে কোন সমস্যা হলে আমাকে জানাবেন।

38
অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের গতি ও পারফরম্যান্স বাড়ানোর জন্য Android Play Store এ শ’খানেক অ্যাপ্লিকেশন থাকলেও দেখা যায় এর বেশিরভাগই ফ্রি নয়। আজ আমি এমনই একটা অ্যাপ্লিকেশন দিচ্ছি যেটা দিয়ে খুব সহজেই আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের গতি অস্বাভাবিক হারে বাড়িয়ে নিতে পারবেন। অ্যাপ্লিকেশনটির নাম Autokiller Memory Optimizer Pro। এটা একটা পেইড অ্যাপ্লিকেশন, Play Store এ যার মূল্য প্রায় $5। কিন্তু আমি এখানে অ্যাপ্লিকেশনটির APK ফাইল আপলোড করে দিচ্ছি, তাই কোন টাকা খরচ না করে ফ্রি-তেই ব্যবহার করতে পারবেন এই অসাধরন আ্যাপ্লিকেশনটি

প্রথমেই বলে নেই এই অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে হলে আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসটি অবশ্যই রুট করা থাকতে হবে। রুট করা ছাড়াও এটি ব্যবহার করা যাবে কিন্তু সেক্ষেত্রে Kernel Tweaks অপশনটি ব্যবহার করতে পারবেন না। তাই গতিও খুব বেশি একটা বাড়বেনা।  এবার এক নজরে দেখে নেয়া যাক কী কী আছে এই আ্যাপ্লিকেশনে।

মেমোরি ক্লিনার:

অ্যাপ্লিকেশনটি চালু করলে প্রথমেই মেমোরি ক্লিনার চালু হবে। মেমোরি ক্লিনারের মাধ্যমে আপনি আপনার ফোনে চালু থাকা নির্দিষ্ট পরিমান অ্যাপ্লিকেশন সংখ্যা বাছাই করে দিতে পারবেন। সেই সংখ্যা অতিক্রম করলেই এই অ্যাপ্লিকেশনটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুরোনো চালু করা অ্যাপ্লিকেশনগুলো বন্ধ করতে থাকবে এবং আপনার বাছাই করা সংখ্যা বজায় রাখবে। ফলে কাজ করার জন্য আপনি আরো বেশি মেমোরি পাবেন এবং ফোনের গতিও বাড়বে। এই সুবিধাটি আ্যাপ্লিকেশনটির ফ্রি ভার্সনেও রয়েছে।

টুইকস অ্যান্ড টুলস:

এটাই মূলত এই অ্যাপ্লিকেশনটির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য কারন এই অপশনগুলো আপনি ফ্রি ভার্সনে চালু করতে পারবেন না। এখানে থাকা Memory Reclaim এর মাধ্যমে আপনার মেমেরি তাৎক্ষনিকভাবে ক্লিন করতে পারবেন। আর Quick Restart এর মাধ্যমে আপনি খুব দ্রুত ফোনটি রিস্টার্ট করতে পারবেন। এটা ফোনটিকে পুরোপুরি বন্ধ না করে শুধুমাত্র আপনার অপারেটিং সিস্টেমটিকে রিস্টার্ট করে, ফলে খুব দ্রুত ফোন রিস্টার্ট হয়। কোন অ্যাপ্লিকেশন ইন্সটলের পর রিস্টার্টের প্রয়োজন হলে এর সাহায্যে রিস্টার্ট করে আপনি আপনার মূল্যবান সময় বাঁচাতে পারেন।

কার্নেল টুইকস:

কার্নেল টুইকস ই মূলত আপনার ফোনকে গতিশীল করে তুলবে। আমি আগেও বলেছি এই টুইকগুলো অ্যাপ্লাই করতে হলে আপনার ফোনকে অবশ্যই রুট করা থাকতে হবে। এবার দেখা যাক কী টুইকস রয়েছে এই অ্যাপ্লিকেশনে:

এসডি কার্ড টুইক: এটা আপনার এসডি কার্ডের ডাটা রিড ও রাইট করার গতি বাড়িয়ে তুলবে।
আই.ও শিডিউলার: এটা আপনার কার্নেলের মান পরিবর্তন করে ফোনের গতি বাড়িয়ে তুলবে।
পার্টিশন্স: এটা আপনার ফোনের এসডি কার্ডের সকল পার্টিশনের রাইট করার গতি বাড়িয়ে তুলবে।
মেমোরি ম্যানেজমেন্ট: এটা আপানার ফোনের গতি বৃদ্ধি করতে পুরো ফোনের মেমোরিকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ম্যানেজ করবে।
শিডিউলার: এটা আপনার টাস্ক শিডিউলারকে আরো গতিশীল করে তুলবে ফলে আপনি আরো সহজে মাল্টিটাস্কিং করতে পারবেন।
ব্যাটারি: এই টুইকটি আপনার ব্যাটারি লাইফ বাড়িয়ে তুলবে।
স্লিপার: বেশ কিছু সময় ধরে কোন অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার না করলে অ্যান্ড্রয়েড সিস্টেম সেটাকে স্লিপ মোডে নিয়ে যায়, ফলে অ্যাপ্লিকেশনটিতে আবার ফিরে গেলে সেটা পুনরায় লোড হয় এবং কিছু সময় নেয়। এই টুইকটি সেটা ডিজাবল করে সেই সময়টা বাঁচিয়ে দেয়। তবে এটা এনাবল করলে আপনার ব্যাটারি একটু বেশি খরচ হবে।
ইউ.আই: এটা আপনার ফোনের ম্যাক্সিমাম ইভেন্ট বাড়িয়ে ৬০ করে দেয়। ফলে হোমস্ক্রিন এ স্ক্রল আর ট্রানজিসান ইফেক্টস এর গতি বেড়ে যায়।
নেটওয়ার্ক: এই টুইকটি আপনার মোবাইল ইন্টারনেট এর গতি বাড়িয়ে তুলবে।
ওয়াই-ফাই: এটা আপনার ওয়াইফাই স্ক্যানিং এর বিরতির সময় বাড়িয়ে ৩ মিনিট করে দেয়, অ্যান্ড্রয়েড সিস্টেমে যেটা মাত্র ৫ সেকেন্ড থাকে। ফলে আপনার ব্যাটারি লাইফ আরো বাড়বে।
এসব টুইক ছাড়াও আপনি এই অ্যাপ্লিকেশনটির সাহায্য যে কোন অ্যাপ্লিকেশন কিংবা সিস্টেম সার্ভিস বন্ধ করতে পারবেন যেটা আপনি সাধারনত টাস্ক কিলার দিয়ে করে থাকেন। অর্থাৎ টাস্ক কিলারের কাজও আপনি এই অ্যাপ্লিকেশনটির সাহায্যে করতে পারবেন ফলে আলাদা কোন টাস্ক কিলার অ্যাপ্লিকেশনের প্রয়োজন হবেনা।

সতর্কতা:

উপরের টুইকগুলো আপনাকে অবশ্যই বেশ সতর্কতার সাথে এনাবল করতে হবে। কারণ অসতর্কতাবশতঃ এর যেকোনটি আপনার ডিভাইসের ক্ষতি করে ফেলতে পারে। টুইকগুলোর ফলে আপনার ডিভাইসের কোন ক্ষতি হলে অ্যান্ড্রয়েড কথন বা এই টিউনের লেখক দায়ী নয়। তবে যেকোন প্রকার ক্ষতি এড়ানোর জন্যও অ্যাপ্লিকেশনটিতে একটি বিশেষ অপশন দেয়া আছে। আপনার ফোনের যেকোন ক্ষতি এড়াতে কার্নেল টুইকস অপশন থেকে “2 min delay before apply” অপশনটি এনাবল করে দিন।

এর ফলে আপনার ফোন চালু করার ২ মিনিট পর টুইকসগুলো অ্যাক্টিভেট হবে। টুইকসগুলোর সাথে এই অপশনটি এনাবল করে আপনার ফোন রিস্টার্ট করার ২ মিনিট পর যদি দেখতে পান আপনার ফোন ঠিকমত কাজ করছেনা তাহলে আপনাকে বুঝে নিতে হবে টুইকসের কারনেই সমস্যা হয়েছে। আপনি দ্বিতীয়বার যখন রিস্টার্ট দেবেন তখন ফোন স্টার্ট হবার ২ মিনিটের মাঝেই অ্যাপ্লিকেশনটিতে ঢুকে টুইকসগুলো ডিজাবল করে দিতে পারবেন। আর যদি প্রথমবার রিস্টার্ট দেয়ার ২ মিনিট পর দেখেন সবকিছু ঠিকঠাকভাবেই চলছে তাহলে আপনার আর ভয়ের কোন কারন নেই।

তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অ্যাপ্লিকেশনটির জন্য ফোনের কোন ক্ষতি হয়না। ২ মিনিট অপেক্ষার অপশনটি মূলত বাড়তি সতর্কতার জন্যই দেয়া হয়েছে। আপনি মোটামুটি নিশ্চিন্তেই অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহার করতে পারেন।

39
আমরা পিসি ব্যবহার কারীরা পিসি চালানোর সময় আমরা সম্মুখীন হয় পিসির স্পিড সমস্যার সাথে। অনেক সময় দেখা যাই যে নেট চলাকালীন অথবা কোন পোগ্রামীং এর কাজ করার সময়ই পিসি অনেক স্লো হয়ে যাই। আজ আমি আপনাদের দেখাব কিভাবে আপনি নেট স্পীড দিগুন করবেন কোন Softwere ছারা। তো চলুন নিচের মত কাজ শুরু করুন।

প্রথমে Computer–রাইট বাটন এ ক্লিক করে mange এ জান। এরপর Device Manager এ জান। Ports(com &LPT) তে ক্লিক করে আপনার Modem এর নাম দেকতে পারবেন। এরপর properties জান।
Port Setting এ জান-Bits per second -Data bits এসব বাড়িয়ে দিন। Ok পরের Port আর বেলায় ও এ
কাজ করুন। Computer Restart দিন।

ব্যাস তারপর আপনার কম্পিউটার চালু করুন এবং মজিলা বা অন্য কোন ব্রাউজার দিয়ে নেট কানেক্ট করুন। আর তারপর স্পিড দেখুন। আশা করি আগের তুলনায় বেশি স্পিড পাবেন।

40
Android World / পকেট রোবট প্রিন্টার
« on: April 21, 2014, 05:29:48 PM »
কাগজ আর প্রিন্টারে প্রবেশ করাতে হবে না। রোবট প্রিন্টারটিকে কাগজের উপর ছেড়ে দিলেই হবে। প্রিন্টারটি কাগজের উপর হেঁটে হেঁটে আপনার জন্য প্রিন্ট করে দিবে। আর এর সাইজ এতই ছোট যে আপনি পকেটে নিয়ে ঘুরতে পারবেন।

প্রিন্টারকে মোবাইল পণ্যর মতো ছোট আকারে নিয়ে আসতে কাজ করছে ইসরায়েলের প্রতিষ্ঠান জুটা ল্যাবস। সম্প্রতি তহবিল সংগ্রহের জন্য প্রচারণার ওয়েবসাইট কিকস্টার্টারে ক্ষুদ্র আকৃতির ‘মোবাইল প্রিন্টার’ প্রকল্প প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

এই যন্ত্রটিকে তারা বলছে ‘ক্ষুদ্র রোবট প্রিন্টার’ যা তারবিহীন প্রযুক্তিতে প্রিন্ট করতে পারে। আগামী বছরের জানুয়ারি মাসে এই প্রিন্টার বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা তাঁদের।

এক নজরে পকেট প্রিন্টার-
✓ আকার: চার ইঞ্চি বাই সাড়ে চার ইঞ্চি
✓ ওজন: ৩০০ গ্রাম
✓ প্রিন্টের গতি: প্রতি মিনিটে ১.২ পাতা
✓ প্রিন্টের মান: ৯৬ বাই ১৯২ ডিপিআই
✓ কালি: একটি কালো কার্টিজ
✓ সংযোগ: ওয়্যারলেস
✓ ইন্টারফেস: ব্লুটুথ
✓ ব্যাটারি: এক ঘণ্টা
✓ অপারেটিং সিস্টেম: অ্যান্ড্রয়েড, ইউন্ডোজ, আইওএস, লিনাক্স, ওএসএক্স


41
২০১৫ সালে গুগল আনতে যাচ্ছে মডুলার স্মার্টফোন। পার্সোনাল কম্পিউটার(পিসি) তে যেভাবে আমরা বাজেট অনুযায়ী ইচ্ছামতো বিভিন্ন পার্টস চয়েজ করতে পারি, এবং পরবর্তীতে প্রয়োজনে যে কোন পার্টস আপগ্রেড করতে পারি, মডুলার স্মার্টফোন আপনি সেভাবেই ইউস করতে পারেন।

ধরুন আপনার ফোনে র‍্যাম কম, এখন শুধু র‍্যাম বাড়ানোর জন্য আপনাকে সম্পূর্ণ নতুন একটি ফোন কিনতে হয়। মডুলার ফোন আপনার এই সমস্যা দূর করে দিবে। মডুলার ফোনে আপনি চাইলে শুধু র‍্যামটি রিপ্লেস করতে পারবেন, সম্পূর্ণ নতুন ফোন কিনার প্রয়োজন নেই।

এভাবে আপনি আপনার মোবাইল এর সবকিছুই ধরে ধরে- ক্যামেরা, র‍্যাম, ইন্টারনাল মেমোরি, সিপিইউ, ডিসপ্লে, ব্যাটারি বা ৩জি/৪জি যেটা আপনার দরকার শুধু সেটাই আপডেট করতে পারবেন।


42
১- প্রথমে ফেসবুক অ্যাপসটি প্লে-স্টোর থেকে আপডেট করে নিন। কারন নতুন এই সুবিধা পেতে আপনাকে ভার্সন ৮ ইউস করতে হবে।

২- ফেসবুক অ্যাপসটি ওপেন করুন।

৩- উইন্ডোটিকে বামদিকে স্লাইড করুন। দেখবেন আপনার অনলাইনে থাকা ফ্রেন্ডসদের একটি লিস্ট দেখাচ্ছে।

৪- অনলাইন ফ্রেন্ডস লিস্ট এর উপরেই “Nearby Friends” অপশনটি দেখতে পারবেন। ওটাতে ক্লিক করুন।

৫- এরপর “Next” ক্লিক করে আপনার পছন্দ মতো সেটিং করে নিন।

(আপনি যদি “নিয়ারবাই ফ্রেন্ডস” অপশনটি না দেখতে পান, তাহলে আপনাকে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে অপশনটি পেতে।)


44
পিসি থেকে ফাইল ট্রান্সফার করুন WiFi দিয়ে

একই WiFi নেটওয়ার্কে এ আপনার পিসি এবং ফোনটি কানেক্ট থাকলে, খুব সহজেই পিসি থেকে ফোনে যেকোনো ফাইল ট্রান্সফার করতে পারবেন খুব সহজেই। শুধু নামিয়ে নিন এই সফটটি। লিঙ্ক- http://goo.gl/4tWwpR

সফটটি চালু করে শুধু Start চাপুন, দেখবেন একটি IP address দেখাচ্ছে। এবার আপনার পিসির ব্রাউজার এ গিয়ে পোর্ট সহ অ্যাড্রেসটি (যেমনঃ 192.168.178.22:1234) লিখুন। দেখবেন আপনার মোবাইল এর মেমরি কার্ড এর সব ফোল্ডার ও ফাইল দেখাচ্ছে।

45
অ্যান্ড্রয়েড ফোন আমাদের অনেকের কাছেই স্বপ্নের মতো। বিশ্বে প্রযুক্তির দ্রুত এগিয়ে চলার অন্যতম উদাহরণ এই স্মার্টফোন। কী নেই এতে? জিপিএস-এর মাধ্যমে নিজের অবস্থান দেখা, ছবি তোলার মাধ্যমে ফেসবুকে শেয়ার করা, জনপ্রিয় সব সেবার অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করা কিংবা হাই-ডেফিনিশন গেম খেলা। এ সবই সম্ভব অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে। কিন্তু নতুন অ্যান্ড্রয়েড ফোন হাতে পাবার পর অনেকেই ঠিক বুঝে উঠতে পারেন না কীভাবে কী করবেন। তাই আপনি যদি নতুন অ্যান্ড্রয়েড ফোন কিনে থাকেন, তাহলে এই পোস্ট আপনারই জন্য। এখানে আমরা জানাচ্ছি যে ১০ টি বিষয় অ্যান্ড্রয়েড কেনার পর আপনার জানা প্রয়োজন।

√ গুগল অ্যাকাউন্ট
প্রতিটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের প্রধান করণীয় হচ্ছে গুগল অ্যাকাউন্ট যোগ করা। আপনি গুগল অ্যাকাউন্ট যোগ করতে বাধ্য নন। তবে গুগল অ্যাকাউন্ট সেট আপ না করলে আপনি অ্যান্ড্রয়েডের আসল অভিজ্ঞতা থেকে বঞ্চিত হবেন। তাই আপনার জিমেইল/গুগল অ্যাকাউন্টটি প্রথমেই যোগ করে নিতে ভুলবেন না।

√ গুগল সার্ভারে ব্যাকআপ
প্রতিটি অ্যান্ড্রয়েড ফোনের বেসিক সেটিংসগুলো বিনামূল্যেই গুগলের সার্ভারে ব্যাকআপ রাখার অপশন রয়েছে। এর মাধ্যমে সাধারণ সেটিংসগুলো আপনার গুগল অ্যাকাউন্টে সিংক্রোনাইজ হয়ে যাবে। এই সুবিধাটি ফ্যাক্টরি রিসেট দিলে কাজে আসে। আর গুগল অ্যাকাউন্ট যোগ করার কাজ সম্পন্ন হলে পরের স্ক্রিনেই এই চেকবক্সটি পাবেন। এটি টিক দেয়ায় আপনার জন্য সুবিধাজনক হবে।

√ অটোমেটিক আপডেট
অ্যান্ড্রয়েড কেনার ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই নিশ্চয়ই অনেক অ্যাপ্লিকেশন ইন্সটল করে ফেলেছেন? কিন্তু ইন্সটল করার সময় কি “Allow automatic updating” চেকবক্সটিতে টিক দিয়েছেন? এই চেকবক্সে টিক দিলে কোনো অ্যাপ্লিকেশনের আপডেট পাওয়ামাত্রই তা আপডেট হয়ে যাবে। ফলে আপনি সবসময়ই থাকবে সর্বশেষ সংস্করণে। ইন্টারনেট নিয়ে অসুবিধা না থাকলে এই সুবিধা চালু করে রাখাই শ্রেয়।

√ গুগল ম্যাপস অফলাইন
জিপিএস পরীক্ষা করার জন্যও বোধহয় এতক্ষণে গুগল ম্যাপস চালু করে ফেলেছেন, তাই না? তবে কেমন হবে যদি আপনি গুগল ম্যাপস দেখে কোনো বন্ধুর বাসা কিংবা রেস্তোরাঁ খুঁজতে বের হন কিন্তু মাঝ পথে ইন্টারনেট সংযোগ চলে যায়? খুবই ভয়াবহ ব্যাপার, তাই না? বিশেষ করে রেস্তোরাঁটি যদি কোনো বন-জঙ্গলে অবস্থিত হয়!  আপনার এমন পরিস্থিতির কথা কিন্তু আগে থেকেই ভেবে রেখেছে গুগল। আর তাই তাদের ম্যাপস অ্যাপ্লিকেশনে রয়েছে অফলাইন সুবিধা।

এ জন্য প্রথম ওয়াই-ফাই-এ সংযুক্ত হোন এবং যেই এলাকায় কিছু খুঁজছেন সেই এলাকার ম্যাপ (একটু উপর থেকে) স্ক্রিনে আনুন। তারপর নিচের ডানদিকের মেনুতে ট্যাপ করে Make available offline লেখায় ক্লিক করলে গুগল স্ক্রিনে প্রদর্শিত এলাকার বিস্তারিত ডেটা ডাউনলোড করে রাখবে। ফলে খোঁজাখুজির সময় লোডিং বা ইন্টারনেট ছাড়াই স্ট্রিট লেভেল ম্যাপ দেখতে পাবেন গুগল ম্যাপসে।

√ সোশাল নেটওয়ার্কিং অ্যাকাউন্ট
সেটিংস থেকে আপনি আরও বিভিন্ন সোশাল নেটওয়ার্কিং-এর অ্যাকাউন্ট যোগ করতে পারবেন। লাভ? দুই ধরনের। প্রথমটি হচ্ছে এসব নেটওয়ার্ক থেকে পুশ নোটিফিকেশন পেতে পারবেন। যেমন টুইটারে কেউ মেনশন করলে বা ফেসবুকে কেউ মেসেজ পাঠালে স্ট্যাটাসবারেই সেটা দেখাবে। অবশ্য আপনি চাইলে এগুলো বন্ধও করে রাখতে পারবেন।

দ্বিতীয় বড় সুবিধাটি হচ্ছে নিচে।

√ শেয়ার করুন সবখানে
অ্যাকাউন্ট যোগ করার মাধ্যমে আপনি যে কোনো ছবি বা ভিডিও গ্যালারি থেকেই সরাসরি সেই অ্যাকাউন্টে শেয়ার করতে পারবেন। দ্রুত ছবি শেয়ার করার ক্ষেত্রে এটি বেশ কাজের। তবে এভাবে অ্যাকাউন্ট যোগ না করেও যেই অ্যাকাউন্ট যোগ করবেন তাদের অ্যাপ্লিকেশন ইন্সটল করলেও হবে। যেমন ইন্সট্যাগ্রাম ইন্সটল করলে এই শেয়ার মেনুতে ইন্সট্যাগ্রামও চলে আসবে।

√ উইজেট ও শর্টকাট
উইজেটকে সহজভাবে বলা যায় মূল অ্যাপ্লিকেশনের ছোট সংস্করণ যেটি আপনার হোমস্ক্রিনে থাকে ও বিভিন্ন বিষয়ে লাইভ আপডেট দিয়ে থাকে। যেমন আবহাওয়ার উইজেট দেবে আবহাওয়া সংক্রান্ত লাইভ আপডেট। ঘড়ির উইজেট দেবে সময় সংক্রান্ত খবর। সিস্টেম অ্যাপ্লিকেশনের উইজেট দেবে হার্ডওয়্যারের বিভিন্ন তথ্য ইত্যাদি। এসব উইজেট বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মূল অ্যাপ্লিকেশন ইন্সটলের সঙ্গেই চলে আসে। আপনি অ্যান্ড্রয়েড ২.৩ জিঞ্জারব্রেডে হোমস্ক্রিনে লম্বা সময় প্রেস করে ও অ্যান্ড্রয়েড ৪ আইসক্রিম স্যান্ডউইচে অ্যাপ্লিকেশন ড্রয়ারের উইজেট অপশন থেকে আপনার ডিভাইসে সহজলভ্য উইজেটগুলো হোমস্ক্রিনে যোগ করতে পারবেন।

অন্যদিকে অ্যাপ্লিকেশন শর্টকাট হচ্ছে অনেকটা কম্পিউটারের ডেস্কটপ আইকনের মতো। এর মাধ্যমে আপনি হোমস্ক্রিন থেকেই মূল অ্যাপ্লিকেশনে যেতে পারবেন।

√ সেটিংস কন্ট্রোলার উইজেট
বেশিরভাগ অ্যান্ড্রয়েডেই উপরের ছবির মতো একটি উইজেট থাকে যেটি হোমস্ক্রিন থেকেই আপনাকে ডিভাইসের বিভিন্ন সেন্সর ও নেটওয়ার্ক কানেক্টিভিটি অন/অফ করার সুবিধা দিয়ে থাকে। এটি অনেক কাজে আসে ও সময় বাঁচায়। এই উইজেটটি খুঁজে বের করুন ও হোমস্ক্রিনে যোগ করুন।

√ শর্টকাট রিমুভ
কোনো অ্যাপ্লিকেশন শর্টকাট মুছে ফেলতে চাচ্ছেন কিন্তু উপায় খুঁজে পাচ্ছেন না? আইকনটির উপর প্রেস করে ধরে রাখুন, দেখবেন স্ক্রিনের উপরে বা নিচে Remove লেখা উঠেছে। আইকনটি সেখানে ড্র্যাগ করে নিলেই সেটি স্ক্রিন থেকে বিদায় নেবে।

√ হোম ফোল্ডার
হোমস্ক্রিনে অতিরিক্ত শর্টকাট আইকন হয়ে গেছে? আপনি চাইলে এক জাতীয় অ্যাপ্লিকেশনগুলোর আইকন একটি ফোল্ডারে ঢুকিয়ে রাখতে পারেন। এ জন্য একটি আইকন অপর আরেকটি আইকনের উপর ড্র্যাগ করে ছেড়ে দিন। নতুন ফোল্ডার তৈরির ডায়ালগ বক্স আসবে। এরপর থেকে যে কোনো আইকন ঐ ফোল্ডারের উপর ছেড়ে দিলে ফোল্ডারেই ঢুকে যাবে সেই অ্যাপ্লিকেশনের শর্টকাট আইকন।

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 7