Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Zahir_ETE

Pages: 1 2 3 [4] 5 6 7
46
অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ব্যাটারি বুস্ট

১- ডার্ক ওয়ালপেপার অথবা ডার্ক থিম ব্যবহার করুন।
আপনার ডিভাইসটি যদি OLED ডিসপ্লে সমৃদ্ধ হয়- তবে- ডার্ক ওয়ালপেপার অথবা ডার্ক থিম আপনার ব্যাটারি অনেকাংশে সাশ্রয় করবে। যদিও LCD ডিসপ্লের ক্ষেত্রে ব্রাইট বা ডার্ক ফ্যাকটর না।

২- অ্যাডবি ফ্ল্যাশ প্লেয়ার On Demand এ সেট করুন।
অ্যাডবি ফ্ল্যাশ প্লেয়ার আপনার ডিভাইসের চার্জ শেষ হওয়ার পিছনে বিশাল আকারে দায়ী। তাই ব্রাউজারে ফ্ল্যাশ প্লেয়ারটি On demand সেটিং ব্যবহার করুন। আপনি ফ্ল্যাশ ডিজাবলও করে দিতে পারেন, যখন প্রয়োজন হবে এনাবল করে নিলেই হবে।

৩- ফোন ভাইব্রেসন অফ করুন।
Settings > Sound এ যেয়ে Vibrate when ringing এবং Vibrate on touch অপশন দুইটি অফ করে দিন।

৪- অটো অ্যাপ আপডেট অফ করে দিন।
Google Play Store এর সেটিংস্‌ থেকে “Do not auto-update apps” সেট করে দিন।

৫- ৩জি অফ করে দিন।
আপনি যদি ৩জি ইউজার না হয়ে থাকেন- সেক্ষেত্রে Settings » Wireless controls » Mobile networks » Use only 2G networks সেট করে দিতে পারেন।

৬- ডিসপ্লে উজ্জ্বলতা কমিয়ে দিন।
Settings » Sound & Display » Brightness থেকে উজ্জ্বলতা প্রয়োজনমত কমিয়ে নিন।

৭- ওয়ারলেস সেবা গুলো অফ করে রাখুন।
WiFi, Bluetooth, GPS, NFC কাজ শেষে অফ করে রাখুন।

47
এত টাকা খরচ করে স্মার্টফোন কেনার পর কোন কারণে যদি সেটি হারিয়ে যায় বা চুরি যায় তাহলে নিশ্চয়ই ভাল লাগবে না। এই বিড়ম্বনা থেকে বাঁচাতে অ্যান্ড্রয়েডের আছে নিজস্ব টুলস ‘অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস ম্যানেজার’ যেটি আপনাকে সাধের স্মার্টফোন খুঁজে পেতে সাহায্য করবে। এমনকি আপনি এই টুলস ব্যবহার করে ডিভাইসের সব ব্যক্তিগত ডাটাও মুছে দিতে পারবেন।

অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস ম্যানেজার এনাবল করতে নেভিগেট করুন Settings -> Security ->Device Administrators -> Android Device Manager, এবং সার্ভিসটি চালু করুন।
এখন ধরুন আপনার ফোন হারিয়ে গেল। আপনি তা খুঁজে পাবেন কিভাবে? কম্পিউটার থেকে ব্রাউজ করুন- www.google.com/android/devicemanager অবস্থান খুঁজে বের করুন বা সব ব্যক্তিগত ডাটাও মুছে ফেলুন- সব এখন আপনার হাতে।

48
অ্যান্ড্রয়েডের গতি বাড়ান এক ক্লিক এ

বর্তমান সময়ে আমরা প্রায় সবাই ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকি। আর অনেকক্ষণ চালাতে থাকলে র‌্যামে অস্থায়ীভাবে কিছু ফাইল বা ডেটা সেভ হতে থাকে। যে কারণে ডিভাইস তার স্বাভাবিক গতি হারিয়ে ফেলে। Clean Master (Cleaner) সফটওয়্যারটি ইনস্টল করে সহজেই মাত্র দু’টি ক্লিকেই ডিভাইসের পূর্বের গতি ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

49
Android World / বাড়িয়ে নিন আপনার RAM
« on: March 30, 2014, 08:13:29 PM »
বাড়িয়ে নিন আপনার RAM.

কি অবাক হলেন??? অবাক হওয়ার কিছুই নেই। Virtual জগতে সবই সম্ভব।
আপনি খুব সহজেই আপনার এন্ড্রয়েড এর RAM বাড়াতে পারবেন শুধু মাত্র একটি সফটওয়্যার দিয়েই ।

পূর্বশর্ত-
১- আপনার ডিভাইসটি অবশ্যই ROOT করা থাকতে হবে।
২- CWM Recovery থাকতে হবে।
৩- ভালো মানের Clash 10 microSD কার্ড ব্যবহার করতে হবে।

ধাপসমূহ-
১- microSD এর সব ডাটা ব্যাকআপ নিয়ে নিন।
২- CWM Recovery তে প্রবেশ করে microSD টি পার্টিশন করে নিন- যতটুকু RAM আপনার দরকার।
৩- ব্যাকআপ ক্রিত ডাটা microSD তে আবার নিয়ে নিন।
৪- প্লে-স্টোর থেকে Swapper 2 নামিয়ে নিন। লিঙ্ক-http://goo.gl/Zj0hBd
৫- Swapper 2 থেকে ইচ্ছামতো সেটিংস্‌ করে নিন।

50
স্মার্টফোন দ্রুত চার্জ করুন

আধুনিক বিশ্বে নিত্য নতুন ফিচারের জন্য মোবাইল ব্যবহারকারীদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে স্মার্টফোন। কিন্তু স্মার্টফোন ব্যবহারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সমস্যা ব্যাটারির চার্জ।

অধিক অ্যাপ্লিকেশন আর চোখ ধাঁধানো ডিসপ্লের আলোয় দ্রুত চার্জ শেষ হয়ে যায় স্মার্টফোনের। ফলে ব্যবহারকারীদের ঝামেলায় পড়তে হয়। যারা অধিক মাত্রায় ফোনে কথা বলেন এবং অন্যান্য ফিচার ব্যবহার করেন তাদের বার বার ফোনে চার্জ দিতে হয়। ফুল চার্জ দিতে অনেক সময় পর্যন্ত অপেক্ষাও করতে হয়।

তাই কিছু কৌশল মেনে চললে ফোনে দ্রুত চার্জ দেওয়া সম্ভব-

চার্জের পূর্বে স্মার্টফোনটি বন্ধ করে চার্জ দিতে হবে।
ইউএসবি ক্যাবলের সাহায্যে কম্পিউটার কিংবা ল্যাপটপের মাধ্যমে চার্জ না দেওয়াই ভালো। কারণ ব্যাটারির চাহিদা অনুযায়ী ইউএসবি ক্যাবলের মাধ্যমে পর্যাপ্ত চার্জ সরবরাহ করতে পারে না। ফলে চার্জ হতে বেশি সময় লাগে। তাই সরাসরি স্মার্টফোনের চার্জারের মাধ্যমে চার্জ দেওয়া ভালো। এতে দ্রুত চার্জ হবে।
চার্জারের পরিবর্তে কম্পিউটারের ইউএসবি ক্যাবল ব্যবহার করতে হলে, কম্পিউটার থেকে অন্যান্য সব ইউএসবি ক্যাবল খুলে নিতে হবে। তা না হলে অন্যগুলোও শক্তি সংগ্রহ করতে থাকবে। ফলে স্মার্টফোনে শক্তি কম সরবরাহ হবে।
ইউএসবি ক্যাবলের সাহায্যে চার্জ দিলে কম্পিউটারটিকে স্ট্যান্ডবাই মোডে রাখা যাবে না। কারণ স্ট্যান্ডবাই মোডে রাখলে কম্পিউটার উল্টো স্মার্টফোন থেকে ব্যাটারির চার্জ শুষে নেবে।
স্মার্টফোনটি চার্জে থাকা অবস্থায় ব্যবহার করা ঠিক নয়। চার্জে থাকা অবস্থায় ব্যবহার করা হলে অতিরিক্ত চার্জ ব্যয় হবে।
এ বিষয়গুলো মেনে চললে জরুরি প্রয়োজনে স্মার্টফোন স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে দ্রুত চার্জ হবে।

এছাড়াও ব্যাটারির গুণগত মান ঠিক রাখার জন্য অবশ্যই মাসে একবার শতভাগ চার্জ দেয়া উচিত।

51
অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ১৪ টিপস

অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমচালিত স্মার্টফোন এখন অনেকেই ব্যবহার করেন। কিন্তু অনেক ব্যবহারকারীর কাছেই এখনও অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের নানা বিষয় অজানা।

অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমচালিত স্মার্টফোন এখন অনেকেই ব্যবহার করেন। কিন্তু অনেক ব্যবহারকারীর কাছেই এখনও অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের নানা বিষয় অজানা। অ্যান্ড্রয়েডচালিত আপনার ডিভাইসটি যাতে ঠিকঠাক চালানো যায়, সে জন্য টাইম ম্যাগাজিনের প্রযুক্তিবিষয়ক সাইট টেকল্যান্ড সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছে। ওই প্রতিবেদনের আলোকে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ১৪টি পরামর্শ নিয়েই এবারের মেইনবোর্ড।

*** হোমস্ক্রিন সাজাতে ব্যবহার করুন উইজেট

উইজেট ব্যবহার করে খুব সহজেই সাজাতে পারবেন স্মার্টফোনের হোমস্ক্রিনটি। হোমস্ক্রিন সাজাতে উইজেট ব্যবহারের জন্য মেইন অ্যাপ লঞ্চার থেকে অপশনটি সিলেক্ট করে নিন। উইজেট ব্যবহার করে আপনার পছন্দের জিনিসগুলোকে হোমস্ক্রিনে নিয়ে আসতে পারবেন। এতে করে আপনি সহজেই আপনার স্মার্টফোনটিকে ইচ্ছানুযায়ী সাজাতে পারবেন।

*** প্রয়োজনীয় নাম্বার রাখুন উইজেটে

একটি হলেও প্রয়োজনীয় ব্যক্তির নাম্বার রাখুন উইজেটে। এতে আপনার প্রয়োজনের মূহূর্তে নাম্বারটি খুঁজতে অপশনে যেতে হবে না। হোমস্ক্রিন থেকেই সরাসরি ফোন করতে পারবেন আপনি। উইজেটে নাম্বার রাখার জন্য আপনার হোমস্ক্রিন থেকে চালু করুন উইজেট এবং ডিফল্ট থেকে শর্টকার্টে পরিণত করুন উইজেটটিকে। এরপর পার্সন সিলেক্ট করে যে নাম্বারটি রাখতে চান, তা সিলেক্ট করুন।

*** গুগল প্লের মাধ্যমে স্ট্রিম করুন মিউজিক কালেকশন

গান স্ট্রিম করে শুনতে ব্যবহার করুন গুগল প্লে। কারণ গুগল প্লে আপনাকে দেবে অসংখ্য গান শোনার এবং সেগুলোকে নিজের প্লে লিস্টে রাখার সুযোগ। এমনকি অফলাইনে থাকলেও পছন্দের গান শোনার সুযোগ রয়েছে গুগল প্লেতে।

 *** চালু রাখুন অটোমেটিক আপডেট

আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনটির অ্যাপগুলোতে অটোমেটিক আপডেট চালু রাখুন। এতে করে আপনি অ্যাপগুলোর নিত্যনতুন সেবা সহজেই উপভোগ করতে পারবেন। অটোমেটিক আপডেট চালু করার জন্য ফোনে সেটিংস অপশনে ‘অটো আপডেট অ্যাপ’ নামে একটি বক্স পাবেন। এখান থেকে  চালু করে দিন অটো আপডেট।

 *** ব্যবহার করুন পছন্দের কিবোর্ড

অ্যান্ড্রয়েড ফোনগুলোতে নির্মাতারা কিবোর্ড দিয়ে দেন। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই আপনার পছন্দ নাও হতে পারে সে কিবোর্ড। এক্ষেত্রে আপনি পছন্দের ও সুবিধাজনক ভার্চুয়াল কিবোর্ড ব্যবহার করতে পারবেন। অনলাইন থেকে কিনে নিন আপনার পছন্দসই কিবোর্ড। এ রকম বেশকিছু কিবোর্ড অ্যাপ রয়েছে। যেমন সুইফট কি, সোয়াইপ ইত্যাদি। কেনার আগে ফ্রি ট্রায়াল হিসেবেও ব্যবহার করতে পারবেন এ রকম কিবোর্ড।

 *** সেট করে নিন ‘গুগল নাও’

‘গুগল নাও’ এমন একটি অ্যাপ, যা প্রয়োজনীয় তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে জানিয়ে দেবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ধরা যাক আপনি একটি রেল স্টেশনে আছেন। যদি আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনটিতে ‘গুগল নাও’ ইনস্টল করা থাকে, তাহলে এটি আপনাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে জানিয়ে দিবে পরবর্তী ট্রেন আসার সময়। তবে এ জন্য ট্রেনের সময়সূচি অনলাইনে থাকতে হবে। এ ছাড়াও এটি আপনাকে বিভিন্ন ইভেন্টের ব্যাপারে মনে করিয়ে দেবে আগেই।

*** ব্রাউজার হিসেবে ব্যবহার করুন গুগল ক্রোম

সাধারণত প্রায় সব অ্যান্ড্রয়েড ফোনেই ডিফল্ট ব্রাউজার হিসেবে গুগল ক্রোম দেওয়া থাকে। তারপরেও যদি আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনটিতে অন্য কোনো ডিফল্ট ব্রাউজার দেওয়া থাকে তবে তা পরিবর্তন করে নিন। গুগল প্লে থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন ব্রাউজারটি। গুগল ক্রোম ব্রাউজারটি সহজ এবং দ্রুতগতিসম্পন্ন। কম্পিউটারে গুগল ক্রোম ব্যবহার করলে সেখান থেকে আপনার বুকমার্ক পেইজগুলো ক্রোমের মোবাইল অ্যাপটিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হয়ে যাবে।

 *** এসএমএস পড়তে পারেন কম্পিউটারে

অ্যান্ড্রয়েড ফোনে বেশকিছু থার্ড পার্টি সফটওয়্যার ব্যবহারকারীকে কম্পিউটারে টেক্সট মেসেজ বা এসএমএস পড়ার সুযোগ দেয়। এমনকি সরাসরি কম্পিউটার থেকে উত্তরও দেয়া যায় মেসেজগুলোর। এ রকম অ্যাপ ব্যবহার করে আপনি চাইলেও পড়তে পারেন ফোনে আসা মেসেজগুলো। এ রকম অ্যাপের ব্যাপারে টাইম ম্যাগাজিন ‘মাইটিটেক্সট’ অ্যাপটি ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে। মাইটিটেক্সটের ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন অ্যাপটি।

 *** অ্যাপ্লিকেশনে ব্যবহার করুন ‘শেয়ার’

অ্যান্ড্রয়েড ফোনটির বিভিন্ন অ্যাপে রয়েছে শেয়ারের অপশন। শেয়ারের মাধ্যমে একটি অ্যাপ আরেকটি অ্যাপের সঙ্গে সংযুক্ত হয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আপনার মেসেজ অপশনে লেখা টেক্সটটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার পছন্দের সোশ্যাল নেটওয়ার্কে পোস্ট করে দেবে অ্যাপ। এতে করে সাইটটিতে না গিয়েও আপনি পোস্ট করতে পারবেন। শেয়ার অপশনটি চালু রাখার মাধ্যমে এভাবেই আপনি বাঁচাতে পারবেন মূল্যবান সময়।

*** ডাউনলোড করে নিন ম্যাপ

অফলাইনে ব্যবহারের জন্য ডাউনলোড করুন ম্যাপ। এতে করে ইন্টারনেট সার্ভিস সমস্যা করলেও আপনাকে পোহাতে হবে না কোনো ঝামেলা। কোথাও যাবার সময় বা কোনো জায়গা খুঁজে বের করতে ইন্টারনেট সার্ভিস চালুও করতে হবে না। এ কাজটি করতে মোবাইলের ম্যাপ অপশনটিতে গিয়ে সিলেক্ট করে দিন ‘মেক অ্যাভেইলেবল ফর অফলাইন’। আর ম্যাপের যে অংশটি ডাউনলোড করতে চান, তা জুম করে ‘ডান’ অপশনটি সিলেক্ট করুন।

 *** ছবি স্থানান্তরে পিসির সঙ্গে ফোন সংযুক্ত করুন

ছবি দ্রুত স্থানান্তরের জন্য পিসির সঙ্গে সংযুক্ত করতে পারেন অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি। দ্রুত ছবি স্থানান্তরের জন্য ফোনটিকে পিসির ইউএসবি পোর্টের মাধ্যমে সংযুক্ত করুন। তারপর ফাইল ব্রাউজারে ইন্টারনাল স্টোরেজ ফোল্ডারটিতে ক্লিক করুন। সেখানে পাবেন ‘ডিসিআইএম’ নামের ফোল্ডার, যেখানে পাবেন অ্যান্ড্রয়েড ফোনের সব ছবি। এখান থেকেই দ্রুত ছবি স্থানান্তর করতে পারবেন পিসিতে।

 *** স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছবি ব্যাকআপ রাখুন

আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনটিতে থাকা ছবি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাকআপ রাখতে পারেন চাইলেই। এ কাজটি করার সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে ‘গুগল প্লাস’। এ জন্য আপনাকে যা করতে হবে, তা হল গুগল প্লাস অ্যাপটি চালু করে সেটিংসে গিয়ে ‘ইন্সট্যান্ট ফটো আপলোড’ অপশনটি চালু করতে হবে। এরপর থেকে আপনার সব ছবির ব্যাকআপ রাখবে অ্যাপটি।

 *** রিমোট ওয়াইপের জন্য ব্যবহার করুন অ্যাপ

অ্যান্ড্রয়েড ফোনে রিমোট ওয়াইপ ফিচারটি নেই। তাই আপনার ফোনটি হারিয়ে গেলে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য অন্য ব্যক্তির হাতে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ঝামেলা থেকে রক্ষা পেতে ব্যবহার করুন রিমোট ওয়াইপ সম্বলিত থার্ড পার্টি অ্যাপ। এ রকম অ্যাপের মাধ্যমে আপনি সহজেই হারিয়ে যাওয়া ফোনের সব ডেটা মুছে ফেলতে পারবেন। টাইম ম্যাগাজিন রিমোট ওয়াইপ অ্যাপ হিসেবে ‘অ্যান্ড্রয়েড লস্ট’ অথবা ‘সিরবিরাস’ ডাউনলোডের পরামর্শ দিয়েছে। অ্যাপগুলো ট্রায়াল ভার্সন হিসেবেও ব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে।

 *** সুযোগ নিন রিফান্ডের

যে কোনো অ্যাপ কেনার পর ১৫ মিনিট সুযোগ থাকে অ্যাপটি পরীক্ষা করার। যদি এ ১৫ মিনিটে আপনি বুঝতে পারেন, অ্যাপটি আপনার প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম নয়; তাহলে অ্যাপটি ফিরিয়ে দিতে পারবেন। আর অ্যাপটি কিনতে ব্যবহৃত অর্থ ফেরত পেতে গুগল প্লের রিফান্ড সুযোগটি কাজে লাগান। এ জন্য আপনাকে গুগল প্লে থেকে যে অ্যাপটির মূল্য ফেরত পেতে চাচ্ছেন, সে পেইজে যেতে হবে। সেখানে আপনি রিফান্ড নামে একটি অপশন পাবেন। অপশনটিতে ক্লিক করলে আপনার ফোনে অ্যাপ্লিকেশনটি আনইনস্টল হয়ে যাবে এবং ফেরত  আসবে ব্যবহৃত অর্থ।

52
রিকভার করুন দূর্ঘটনাবশত ডিলেট করা টেক্সট ম্যাসেজ

যদি আপনি দুর্রঘটনাক্রমে আপনার কিছু টেক্সট ম্যাসেজ অথবা সবগুলো ডিলেট করে ফেলেন অস্থির হবেন না। অস্থির হওয়ারও কিছুই নেই। কারন আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি এই দূর্ঘটনা সমাধানের দারুন এক ঔষধ। আপনি আপনার হারানো টেক্সট ম্যাসেজ ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা ৯৯%।

কিন্তু ১% যে অপূর্ণতা তা হল “সময়”, সময় এক্ষেত্রে চরম গুরুত্বপুর্ন। আপনি যদি আপনার এসএমএস ইনবক্স ডিলেট করে ফেলেন ভুলে আপনাকে তাড়াতাড়ি তা রিকভারের চেষ্টা করতে হবে।কারন রিকভার করা তখনই সম্ভব যখন তা মেমোরির যেখানে সেভ হয় সেখানে থাকবে।দেরী করলে নতুন আপডেট এর জন্য কিংবা অন্য কারনে আপনার ডিলেট করা ম্যাসেজ সেখান থেকেও বিলুপ্ত হতে পারে।তাইই আপনাকে যত দ্রুত সম্ভব রিকভারের চেষ্টা করতে হবে।

যেভাবে করবেন-

১- প্রথমেই Wondershare Dr. Fone for Android সফটওয়্যারটি কম্পিউটার এ ইন্সটল করে নিন।

২- ইউএসবি ক্যাবল দিয়ে আপনার অ্যান্ড্রয়েড কানেক্ট করুন পিসির সাথে। কানেক্ট করুন পিসিতে ইনস্টল করা রানিং রিকভার প্রোগ্রামটির সাথে।
৩- আপনার অ্যান্ড্রয়েডে USB Debugging ইনেবল করুন। এটি করার জন্য আপনার মেইন সেটিংসে ডেভেলপার অপশন এ অ্যাকসেস থাকতে হবে।যদি আপনার অ্যাক্সেস না থাকে তাহলে About Phone এ গিয়ে Build Number এ যান এবং ঘনঘন ট্যাপ করুন।এবার আপনি মেইন সেটিংসে ডেভেলপার অপশন অ্যাকসেস পেয়ে যাবেন।আর সেটা জাস্ট About Phone এর উপরেই।Developer Option এ যান এবং USB Debugging (অথবা Android Debugging আপনার ROM অনুসারে) বক্স চেক করুন।
৪- রিকভারি প্রোগ্রামের কার্যাবলী অনুসরণ করুন আপনার অ্যান্ড্রয়েড মেমোরি স্ক্যান অথবা অ্যানালাইজ করার জন্য।
৫- প্রসেসটি কম্পলিট হলে আপনার অ্যান্ড্রয়েডে স্টোর করা ডাটা ব্রাউজ এবং প্রিভিউ অ্যাকসেস পেয়ে যাবেন।এবার সেটা ডিলেট করা হোক আর না হোক সব একসাথে পেয়ে যাবেন। আর এটা ততক্ষণ পারবেন যতক্ষণ এটা আপনার ডিভাইস থেকে একেবারে মুছে না যায়। তাই অতি শীগ্রই রিকভার করার চেষ্টা করা প্রয়োজন।
৬- এবার আপনার কাংখিত ম্যাসেজ সিলেক্ট করে রিকভার করুন ডিভাইস অথবা আরো ভালভাবে সংগ্রহ করতে পিসিতে।

ডাউনলোড লিঙ্ক- http://www.wondershare.com/data-recovery/android-data-recovery.html

53
স্মার্টফোনে চার্জ ধরে রাখার উপায়

বর্তমান সময়ের স্মার্টফোনগুলো যেন একেকটি পূর্ণাঙ্গ কম্পিউটার। এমনকি সাধারণ কম্পিউটারের চেয়েও বাড়তি কিছু পাওয়া যায় স্মার্টফোনে। কিন্তু সব ব্যবহারকারীরই প্রায় এক অভিযোগ, ব্যাটারির চার্জ বেশিক্ষণ থাকে না। আগের যুগের মোবাইল ফোনগুলোর তুলনায় স্মার্টফোনে কাজ করার সুযোগ অনেক বেশি বলে ব্যাটারিও বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে সাধারণ কিছু অভ্যাসের মাধ্যমে ব্যাটারির চার্জ বেশি সময় ধরে রাখা যায়। তাই নিম্নে স্মার্টফোনে চার্জ ধরে রাখার উপায় দেয়া হলোঃ

১. পর্দার ব্রইটনেস কমিয়ে রাখা: স্মার্টফোনের পর্দার ব্রাইটনেস বা ঔজ্জ্বল্য কমিয়ে রাখা ভালো। ফোনের সেটিংস থেকে এটি পরিবর্তন করা যায়, আবার কোনো কোনো মোবাইলে ব্রাইটনেস পরিবর্তনের জন্য শর্টকাট কি দেওয়া থাকে। কিছুদিন ব্যবহার করলেই কম আলোর পর্দার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া যায়। পাশাপাশি কিছুক্ষণ ব্যবহার না করা হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পর্দার আলো বন্ধ রাখার সুবিধাটিও চালু রাখা উচিত।

২. প্রয়োজন ছাড়া সব বেতার সংযোগ বন্ধ রাখা: জিপিআরএস/এজ, জিপিএস, ওয়াই-ফাই, ব্লুটুথের মতো বেতার সংযোগগুলো প্রয়োজনের সময় ছাড়া বন্ধ রাখা উচিত। কারণ, এই সংযোগগুলো চালু থাকলে সেগুলো নিকটবর্তী সংযোগ উৎসটি খুঁজে বের করার চেষ্টা করতে থাকে। আর এই সময়ে যে পরিমাণ ব্যাটারি খরচ হয়, তা সেবা ব্যবহারের সময়ের চেয়েও বেশি।

৩. পুশ নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা: ই-মেইল, ফেসবুক, গুগল প্লাস, টুইটারসহ আরও বিভিন্ন ধরনের অ্যাপলিকেশনে ‘পুশ নোটিফিকেশন’ নামের একটি সুবিধা থাকে। যেটি চালু থাকলে মোবাইল ফোনটি একটি নির্দিষ্ট সময় পর পর সার্ভার থেকে নতুন তথ্য সংগ্রহ করে। ফলে প্রয়োজন না থাকলেও নির্দিষ্ট সময় পর পর ফোনটি নিজের মতো করে কাজ করবে, আর চার্জ খরচ হবে।

৪. ওয়াই-ফাই ব্যবহার করা: স্মার্টফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করার জন্য যখনই সম্ভব মোবাইল নেটওয়ার্কভিত্তিক ইন্টারনেট যেমন জিপিআরএস/এজ, থ্রিজির তুলনায় তারহীন ওয়াই-ফাই ব্যবহার করা ভালো। পরীক্ষা করে দেখা গেছে, ওয়াই-ফাই ব্যবহারের সময় অন্যান্য প্রযুক্তির ইন্টারনেট ব্যবহারের চেয়ে কম ব্যাটারি খরচ হয়। বাসা, অফিস বা অন্য কোথাও ইন্টারনেট ব্যবহারর সময় সেখানে যদি ওয়াই-ফাই থাকে, তবে সেখানে যুক্ত হতে পারেন।

৫. ফোন ব্যবহার না করলে লক করে রাখা: আপনার স্মার্টফোনটি ব্যবহার করা না হলে ফোনটি লক করে রাখা উচিত। লক থাকা অবস্থাতেও কল এবং এসএমএস আসবে। ফোন লক করা না থাকলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কিছু সেবা চলে এবং স্বাভাবিকবাবেই এতে ব্যাটারি খরচ হয়। আর লক করার আরও একটি সুবিধা হলো, ভুলবশত পর্দার কোথাও আঙুলের চাপ পড়ে কল চলে যাবে না বা কোনো অ্যাপ চালু হবে না।

৬. উচ্চমানের অ্যাপ্লিকেশন কম ব্যবহার করা: স্মার্টফোনে বিভিন্ন ধরনের অ্যাপ ব্যবহার করা যায়। এগুলোর ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন মাত্রার মেমোরি, প্রসেসিং পাওয়ার লাগে। যেমন ভিডিও দেখা বা উচ্চমানের গ্রাফিক্সের গেইম খেলার জন্য যে পরিমাণে ব্যাটারি খরচ হয়, তার থেকে অনেক কম ব্যাটারি খরচ হয়, যদি নোট লেখা বা ই-বুক পড়ার অ্যাপ ব্যবহার করা হয়। আবার একাধিক অ্যাপ একই সঙ্গে ব্যবহার করা হলেও দ্রুত ব্যাটারির চার্জ শেষ হয়ে যেতে পারে। যেমন গান শোনা এবং একসঙ্গে ইন্টারনেট ব্যবহার করা।

৭. ব্যবহারের পর অ্যাপটি বন্ধ করা: ব্যবহার শেষ হলে অ্যাপটি বন্ধ রাখা উচিত। অনেক ক্ষেত্রেই অ্যাপটি মিনিমাইজ করে রাখা হলেও নেপথ্যে প্রসেসিং চলতে থাকে। ইন্টারনেটে যুক্ত থেকে ডেটা আদান-প্রদানও করতে থাকে বেশ কিছু অ্যাপ। অথচ এই সময়ে অ্যাপটি ব্যবহৃত হচ্ছে না।

৮. ফোনটি কক্ষ তাপমাত্রায় রাখা সর্বোত্তম: বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ফোন সব সময়ই কক্ষ তাপমাত্রায় ব্যবহার করা উচিত। মোবাইল ফোন কখনোই অতিরিক্ত ঠান্ডা বা গরম স্থানে ফেলে রাখা উচিত নয়। সুবিধাজনক তাপমাত্রায় না থাকলে মোবাইল ফোনের চার্জ দ্রুত শেষ হয়ে যায়, এমনকি ফোনটি স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সাধারণত সব মোবাইল ফোনের জন্য সুবিধাজনক তাপমাত্রা হলো ০ থেকে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

৯. অপারেটিং সিস্টেম আপডেট করা: মোবাইল ফোন সফটওয়্যারটির (ফার্মওয়্যার নামেও পরিচিত) সাম্প্রতিকতম সংস্করণটি ব্যবহার করা ভালো। অ্যান্ড্রয়েডের এর আইসক্রিম স্যান্ডউইচ/জেলিবিন ইত্যাদি অপারেটিং সিস্টেম নির্মাতারা সব সময়ই ফোনের বিভিন্ন ত্রুটি সংশোধনের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। নতুন সংস্করণগুলোতে সেই বৈশিষ্টগুলো সংযোজন করা হয়ে থাকে। সাধরণত এই হালনাগাদগুলো বিনামূল্যে ডাউনলোডের সুযোগ পাওয়া যায়। এমনকি ফোনে ব্যবহৃত সব অ্যাপের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। সাম্প্রতিকতম সংস্করণগুলোতে অনেক নতুন বৈশিষ্ট্য যোগ করা হয়ে থাকে এবং আগের ত্রুটিগুলো সংশোধন করা হয়ে থাকে, যেগুলো অ্যাপটি সঠিকভাবে ব্যবহারে সহযোগিতা করে থাকে।

১০. অতিরিক্ত ব্যাটারি: দ্রুত চার্জ শেষ হয়ে যায় বলে অনেকেই অতিরিক্ত ব্যাটারি সঙ্গে রাখেন। যেন প্রয়োজনের সময় একটির চার্জ ফুরিয়ে গেলে অপরটি ব্যবহার করা যায়। বর্তমান সময়ের সব স্মার্টফোনেই লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এই ধরনের ফোন দ্রুত চার্জ করার জন্য বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রাংশ পাওয়া যায়। আবার অনেকেই অতিরিক্ত চার্জার ব্যবহার করেন। কেউ কেউ আবার ব্যাটারির চার্জ শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় কিছুক্ষণ পরপরই চার্জ করার চেষ্টা করেন। তবে জেনে রাখা ভালো, লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারিগুলোর ইলেকট্রন কিছুদিন পর পর পরিবর্তন হওয়া উত্তম। তাই মাসে অন্তত একবার ফোনের চার্জ সম্পূর্ণ শেষ হতে দিয়ে পুনরায় চার্জ করা উচিত। এতে ব্যাটারি দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায়।

54
কিভাবে অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনে ফোন কল রেকর্ড করবেন ?

বিভিন্ন কারনে আপনার ফোন কল রেকর্ড করার প্রয়োজন পরতে পারে। এ কাজের জন্য আপনি প্লে স্টোরে অনেক অ্যাপসই পাবেন। আজ আমরা “Automatic Call Recorder” অ্যাপসটি নিয়ে কথা বলবো। প্লে-স্টোর এ আপনি অ্যাপসটি ফ্রীতেই পাবেন।

ডাউনলোড লিঙ্ক- “Automatic Call Recorder”

কিভাবে রেকর্ড করবেন ?

অ্যাপসটি ওপেন করুন।
Record Calls এর বক্সটি টিক দিয়ে দিন।
মিডিয়া সেটিং থেকে ফাইল টাইপ  WAV সেট করে দিন তাহলে পরে থার্ড পার্টি প্লেয়ারে রেকর্ডটি প্লএ করতে কোন সমস্যা হবেনা।
Audio Source এ Mic সিলেক্ট করুন
এপটি ক্লোজ করে দিন।
এবার কাউকে কল করুন এবং কথা বলা শুরু হলেই স্টাটাস বারে লাল রেকর্ডিং আইকন দেখতে পাবেন। এবং কলটি রেকর্ড হচ্ছে।
কল শেষ হলে নোটিফিকেশন দেখা যাবে যে কলটি রেকর্ড করা হয়ে গেছে। তাতে ট্যাপ করলে Play, Delete, Share, Save ইত্যাদি অপশনগুলো থাকবে।
যদি রেকর্ড করা ফোনকলটি শোনা না যায় বা ভালভাবে প্লে না হয় তাহলে Audio Source চেঞ্জ করে দিন। যে Audio Source এ ভাল আউটপুট পাওয়া যায় সেটাই ইউজ করুন।

55
ট্যাবলেট কেনার আগে ৯টি বিষয় বিবেচনা করুন

ভালো মানের একটি ট্যাবলেট কিনতে হলে বেশ মোটা অংকের টাকা খরচ করতে হয়। আধুনিক এই জনপ্রিয় প্রযুক্তিপণ্যটি হস্তগত করার আগে তাই অন্তত ৯টি বিষয় জেনে নেওয়া উচিত। প্রতিনিয়ত তথ্যপ্রযুক্তির নতুন সংস্করণ আসছেই। ফলে অনেকে ট্যাবলেট কেনার আগে কোনটি উত্তম, তা ভাবতেই পেরেশান হয়ে যান। এসব বিষয়ে আপনার জ্ঞান থাক বা নাই থাক, নীচের বিষয়গুলো জেনে রাখুন।

১. ব্যাটারি লাইফ
হাতে নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর উপযোগী করেই ট্যাবলেট বানানো হয়েছে। তাই ট্যাবলেটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো এর ব্যাটারির শক্তি। বিভিন্ন মডেলের ওপর ভিত্তি করে ট্যাবলেটের ব্যাটারি মাত্র দু-চার ঘণ্টা থেকে শুরু করে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত কাজ করতে পারার মতো বানানো হয়। তবে আপনার ব্যবহারের ওপর নির্ভর করবে ব্যাটারি কতক্ষণ চালু থাকবে।

২. অ্যাপ্লিকেশনস
আপনি যে ধরনের অ্যাপস ব্যবহার করবেন, তার ওপর ভিত্তি করে ট্যাবলেটের অপারেটিং সিস্টেম ঠিক করতে হয়। তাই বলা যায়, কোন অপারেটিং সিস্টেমসহ ট্যাবলেট কিনবেন তা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যাপার। অ্যাপলের আইওএস এবং অ্যান্ড্রয়েড- এ দুটি অপারেটিং সিস্টেম এখন বাজারে খুবই জনপ্রিয়। এ দুটোতে রয়েছে অসংখ্য অ্যাপস। এ ছাড়া উইন্ডোজ ৮.১ অপারেটিং বাজারে রয়েছে।

৩. স্টোরেজ স্পেস
তথ্য, ছবি, ভিডিও ইত্যাদি রাখার জন্য বিভিন্ন ধারণ ক্ষমতার ট্যাবলেট রয়েছে। তবে সাধারণত ৮ গিগাবাইট থেকে চাহিদার শুরু। এখন ১২০ জিবি পর্যন্ত স্টোরেজ ক্যাপাসিটির ট্যাবলেট বাজারে এসেছে। প্রচুর গান, ভিডিও, ছবি বা অ্যাপস ডাউনলোড করে রাখতে চাইলে একটু বেশি স্পেস দেখে ট্যাবলেট নিতে হবে। আর ইন্টারনেটে ব্রাউজ করাই যদি মুখ্য হয়, তবে এতো স্পেস দরকার নেই।

৪. ওয়াই-ফাই
ডাটা কানেকশন কেমন হবে তা আরেকটি অতি জরুরি বিবেচনার বিষয়। শুধু ওয়াই-ফাই বা ওয়াই-ফাইসহ মোবাইলে সংযোগ হবে কিনা বা থ্রিজি বা ফোরজি কানেকশন ইত্যাদি আপনার চাহিদার ওপর ভিত্তি করে ঠিক করে নিতে হবে। ওয়াই-ফাই থাকলে যেকোনো অফিস পাড়া বা শপিং মলে ইন্টারনেটে ব্রাউজিং করতে পারবেন। আবার মোবাইল ডাটা প্ল্যান নিতে চাইলে অবশ্যই মোবাইল অপারেটরদের কাছ থেকে ডাটা কানেকটিভিটি নিতে হবে।

৫. স্ক্রিন বা পর্দা
ট্যাবলেটের পর্দা কতোটা ঝকঝকে ও পরিষ্কার চাইছেন তা আপনাকে ঠিক করতে হবে। ন্যুনতম এইচডি-তে পরিষ্কার ছবি ও টেক্সট দেখতে চাইলে ৭২০পি (১২৮০x৭২০) রেজ্যুলেশনের পর্দা নিতে হবে। আর এ ক্ষেত্রে স্ক্রিনের আকারটা ৫ ইঞ্চি থেকে ১০ ইঞ্চি পর্যন্ত হয়ে থাকে (আড়াআড়িভাবে মাপা হয়)। ছোট পর্দার ট্যাবলেট কম চার্জে চলে।

৬. প্রসেসর
এটি মোবাইল বা ট্যাবলেটের হৃদযন্ত্র। সাম্প্রতিক প্রযুক্তির বাজারে মাল্টি কোর প্রসেসর চলে এসেছে। প্রসেসরের এই কোর যতো বেশি হবে, ট্যাবলেট ততো দ্রুত একই সঙ্গে অনেক কাজ করতে পারবে।

৭. ওজন
চলাফেরা করতে সুবিধাজনক ওজনেই ট্যাবলেট বানানো হয়। সবচেয়ে কম ওজন ৪০০ গ্রাম থেকে শুরু করে সর্বাধিক ৭০০ গ্রাম পর্যন্ত ট্যাবলেটের ওজন হয়ে থাকে। তবে বিশেষভাবে বানানো কিছু মাল্টি ট্যাবলেটের ওজন এক কেজি ছাড়াতে পারে। মোবাইলের মতো দিন-রাত ট্যাবলেটটি বহন করার প্রয়োজন যাদের রয়েছে, তাদের জন্যে ওজন একটি বিবেচ্য বিষয়।

৮. ক্যামেরা
প্রায় সব ট্যাবলেটেই ছবি তোলা ও ভিডিও করার জন্য পেছনে একটি ক্যামেরা দেওয়া থাকে। এ ছাড়া অনেক ট্যাবলেটে ভিডিও চ্যাট করার জন্য সামনেও একটি ক্যামেরা দেওয়া হয়। ছবি তোলা বিশেষ উদ্দেশ্য থাকলে বেশি মেগা পিক্সেলের ক্যামেরাসহ ট্যাবলেট কেনা ভালো।

৯. র‍্যাম
ট্যাবলেট তার অ্যাপসগুলোকে চালানোর জন্য র‍্যাম ব্যবহার করে। কম্পিউটার ও মোবাইলেও র‍্যাম থাকে। আধুনিক অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস অপারেটিং সিস্টেমে ১ থেকে ২ গিগাবাইট পর্যন্ত র‍্যাম দেওয়া থাকে। আবার উইন্ডোজ ট্যাবলেটের অধিকাংশতেই ২ থেকে ৪ গিগাবাইট র‍্যাম সংযুক্ত থাকে। র‍্যাম যতো বেশি হবে, ট্যাবলেট বা মোবাইল বা কম্পিউটারে অ্যাপস ততো দ্রুত চলবে।

56
http://androidnbd.com/?p=1092

“Vaavud” নতুন একটা ডিভাইস এনেছে, যেটি আপনি আপনার স্মার্টফোনের ইয়ার-ফোন জ্যাক এ লাগিয়ে শুধু একটি অ্যাপস ইউস করে ই আপনি আপনার চারপাশের বাতাসের গতিবেগ পরিমাপ করতে পারবেন।

এই ডিভাইস টি এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত নিউজ মতে Samsung Galaxy S III, Samsung Galaxy S4, Nexus 5, HTC One, Apple iPhone 4, Apple iPhone 4s, Apple iPhone 5, Apple iPhone 5c and Apple iPhone 5s ডিভাইস গুলোতে কাজ করবে।

“Vaavud” ডিভাইস টি মাত্র $50 বা প্রায় ৪ হাজার টাকায় বিক্রি করছে।

57
স্মার্টফোনের কল্যাণে শৌখিন ফটোগ্রাফদের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। এক সময়ে ডিজিটাল ক্যামেরা না হলে ভালো ফটো তোলা যেত না। তবে এখন এমন ধারণার ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে স্মার্টফোনগুলোতে থাকা উন্নতমানের ক্যামেরার কারণে।

তবে ফটো তুলে এডিট না করে শেয়ার করেন এমন ব্যাক্তি এখন খুঁজে পাওয়া খুবই দুঃষ্কর। তাই নিম্নে অ্যান্ড্রয়েডের ৫টি জনপ্রিয় ফটো এডিটিং অ্যাপ এর নাম দেয়া হল-
১. Instagram
২. PicsArt – Photo Studio
৩. Repix
৪. Pixlr-O-Matic
৫. Photo Editor By Aviary

সবগুলো অ্যাপসই আপনি প্লে-স্টোর থেকে ফ্রী তে ডাউনলোড করতে পারবেন।

58
Android World / নতুন কিটক্যাট আপডেট
« on: March 30, 2014, 07:39:34 PM »
গুগল অ্যান্ড্রয়েড এর নতুন আপডেট ৪.৪.৩ নিয়ে কাজ করছে। খুব সিগ্রই আপডেটটি প্রথমে নেক্সাস ইউজাররা পাবে।

নতুন আপডেটে কি পরিবর্তন হচ্ছে-
✓ Frequent data connection dropout fix
✓ mm-qcamera-daemon crash and optimization fixes
✓ Camera focus in regular and HDR modes fixes
✓ Power Manager display wakelock fix
✓ Multiple Bluetooth fixes
✓ Fix for a random reboot
✓ App shortcuts sometimes got removed from launcher after update
✓ USB debugging security fix
✓ App shortcuts security fix
✓ Wi-Fi auto-connect fix
✓ Other camera fixes
✓ MMS, Email/Exchange, Calendar, People/Dialer/Contacts, DSP, IPv6, VPN fixes
✓ Stuck in activation screen fix
✓ Missed call LED fix
✓ Subtitle fixes
✓ Data usage graph fix
✓ Internet telephony fix
✓ FCC compliance fix
✓ Miscellaneous fixes

59
অ্যান্ড্রয়েডে ঢুকে পড়ছে ভয়ংকর ড্যান্ড্রয়েড (Dendroid)
ড্যান্ড্রয়েড হচ্ছে মারাত্মক এক ভাইরাস, যা অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমকে আক্রান্ত করে অ্যান্ড্রয়েডের ছদ্মবেশেই।
ড্যান্ড্রয়েড এতটাই সূক্ষ্ম ছদ্মবেশী ভাইরাস যে অ্যান্ড্রয়েড সফটওয়্যারের সঙ্গে এর অমিল খুঁজে পাওয়া শক্ত। এই ভয়ংকর সফটওয়্যারটি ইনস্টল হলে সাইবার দুর্বৃত্তরা দূরে বসেই স্মার্টফোনের নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে।
ড্যান্ড্রয়েড ইনস্টল হলে সাইবার দুর্বৃত্তরা সহজেই কল লগ মুছে দেওয়া, কমান্ড পরিবর্তন করে দেওয়া, যেকোনো নম্বরে কল করা বা বার্তা পাঠানো, ওয়েব পেজ খোলা, কল রেকর্ড করা কিংবা অডিও রেকর্ড, দূরে বসে ছবি বা ভিডিও আপলোড, লাইক দেওয়া কিংবা নতুন অ্যাপ্লিকেশন খোলার মতো কাজ করতে সক্ষম হয়।
তাই উত্স নিশ্চিত না হয়ে অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড থেকে বিরত থাকুন।

60

কম্পিউটার প্রোগ্রামারদের দুষ্টচক্র ভাইরাস বা ক্ষতিকর প্রোগ্রাম বানিয়ে দূরবর্তী স্থানের কম্পিউটারের তথ্য চুরি ও ক্ষতি করে থাকে। বিভিন্ন সার্ভারের মাধ্যমে পিসিতে ভাইরাস ছড়ানোর ঘটনা পুরনো হলেও এবার অফলাইনে থাকা কম্পিউটারের জন্য ভাইরাস তৈরি করেছেন ইংল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অফ লিভারপুলের গবেষকরা।
Print Friendly and PDF
0
 


2
 

148
 


এক প্রতিবেদনে ম্যাশএবল জানিয়েছে, যেসব জনবহুল স্থানে ওয়াই-ফাই সুবিধা আছে সেখানে এ ধরনের ভাইরাস ছড়ালে কম্পিউটারের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেহাত হওয়া ছাড়াও দ্রুত তা চারপাশে ছড়িয়ে পড়বে। গবেষকরা আরও জানিয়েছেন, ভাইরাসটি প্রচলিত সর্দি-কাশির মতোই দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

ম্যালওয়্যারটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘ক্যামিলিয়ন’। ল্যাবে গবেষণা দেখা গেছে, কোনো নেটওয়ার্কে এটি একবার ঢুকলে দ্রুত চারপাশের ডিভাইসে ছড়িয়ে পড়ে।

ইউনিভার্সিটি অফ লিভারপুলের নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি বিভাগের অধ্যাপক অ্যালান মার্শাল জানান, ক্যামিলিওন ভাইরাস অ্যাকসেস পয়েন্ট-এ (এপি) আক্রমণ করলে বুঝতে পারার আগেই ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে অন্তর্ভুক্ত সব ডিভাইসের ডেটা সংগ্রহ করতে পারবে।

তিনি আরও জানান, ভাইরাসটি এতটাই আগ্রাসী যে, এটি কোনো নেটওয়ার্কে ঢুকলে সবচেয়ে দুর্বল ও গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় অনুসন্ধান করে। যদি এটি ফায়ারওয়াল অ্যাকসেস পয়েন্ট খুঁজে পায়, তবে এটি পরবর্তী মূল্যবান তথ্য খুঁজতে শুরু করে।

Pages: 1 2 3 [4] 5 6 7