Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.

Topics - drkamruzzaman

Pages: 1 [2] 3 4
Teaching & Research Forum / Glass Nanobots Absorb Toxins
« on: July 08, 2015, 10:13:33 AM »
A nanobot particle made from glass is being developed that can absorb pollutants from contaminated water.
The glass particles act like sponges by attracting and binding contaminants to themselves and expanding eight times in size during the process.
But unlike a sponge, these nanobots are hydrophobic, meaning they don't absorb water.
Scientists claim this new technology could be used to clean petroleum spills or other hazardous chemicals from our waterways. After the particles are dropped into the water, they collect pollutants and then rise to the surface when fully expanded. The particles are then skimmed from the surface, cleaned and placed back into the water to repeat the process.


Teaching & Research Forum / Three Dimensional Printing
« on: July 08, 2015, 10:11:10 AM »
Inventors Max Bogue and Peter Dilworth have invented a unique pen that draws in the air.

A colorful spool of plastic thread is fed into the pen.

The thread is then extruded as heated plastic that cools and solidifies instantly as it exits the tip.

This allows solid 3D structures to be drawn on any surface or from any surface into the air.

The pen, called a 3Doodler, weights approximately 7 ounces (198 g) and is 7 inches (17.7 cm) long. It requires no technical knowledge or software and plugs into an electrical outlet.

Max and Peter have received over 2.2 million dollars worth of advanced orders for their three dimensional printing pen.
- See more at:

A British firm called Intelligent Textiles, has recently presented its latest invention - a military uniform made of electrically conductive fabric that can transmit data and electricity.

It should be noted that the fabric does not contain any wires - it is actually a conductive yarn. This means that even if the fabric is cut in several places it will still continue functioning properly.

The first step in using the fabric involved the integration of the conductive yarn into a military vest, shirt, backpack, helmet and gloves.

The idea behind the invention is that any soldier will have the possibility to carry and recharge a single battery pack with the latter being used to charge all electronics a soldier carries without any extra cables.

The invention has already been tested, and additional trials in the field are expected to take place later this year. The yarn will most likely be deployed by 2014 or 2015.

Textile Engineering / Electroluminescent Garments
« on: July 08, 2015, 09:49:16 AM »
For this unusual fabric in a collection by fashion designer Vega Wang, silk was printed with images of constellations and other space-related themes, and then the fabric was lined with electroluminescent paper. Programmed controllers enable the paper to shine through the silk for a dreamy, ethereal effect.

Textile Engineering / Fabric from Fermented Wine
« on: July 08, 2015, 09:47:34 AM »
A group of scientists at the University of Western Australia has produced fabric by letting microbes go to work on wine. The scientists culture baceria called Acetobacter in vats of cheap red wine, and the bacteria ferments the alcohol into fibers that float just above the surface. These fibers can be extracted and fashioned into clothing. The only catch? Acetobacter produce vinegar as its end product, so the garments have a definite odor.

বাজারে এখনও পাওয়া যাচ্ছে পেয়ারা। এটি আমাদের দেশের একটি জনপ্রিয় ফল। সবুজ এ ফলটি খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি পুষ্টিগুণেও অতুলনীয়। পেয়ারার প্রায় ১০০টিরও বেশি প্রজাতি রয়েছে। মেক্সিকো, মধ্য আমেরিকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া প্রভৃতি দেশে পেয়ারা বেশি জন্মে। তবে আমাদের দেশেও এখন প্রচুর পেয়ারার ফলন হচ্ছে। বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, চট্রগ্রাম, ঢাকা, গাজীপুর, রাঙ্গামাটি, কুমিল্লাসহ বিভিন্ন জেলায় বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে বিভিন্ন জাতের পেয়ারার চাষ হচ্ছে।

পেয়ারার খাদ্য উপাদান : পেয়ারাতে আঁশ, পানি, কার্বহাইড্রেট, পোট্রিন ভিটামিন এ, ভিটামিন কে, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম ইত্যাদি খাদ্য উপাদান রয়েছে। এছাড়া এতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন বি ও প্রয়োজনীয় খনিজ পর্দাথ রয়েছে।

পেয়ারার উপকারিতা

১. উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ রাখতে পেয়ারা বেশ উপকারী।

২. পেয়ারায় ইনফেকশনরোধী উপাদান থাকায় হজমক্রিয়া শক্তিশালী করে।

৩. রক্তসঞ্চালন ভালো রাখে তাই হার্টের রোগীরা খেতে পারেন পেয়ারা।

৪. অ্যাজমা, ঠাণ্ডা-কাশিতে কাঁচা পেয়ারার জুস বেশ উপকারী।

৫. ওজন কমাতে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে এবং মুখের রুচি বাড়াতে জুড়ি নেই পেয়ারার।

৬. ত্বক, চুল ও চোখের পুষ্টি জোগায় পেয়ারা।

৭. পেয়ারাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ময়েশ্চার যা তারুণ্য বজায় রাখে র্দীঘদিন। ত্বকের রুক্ষ ভাব দূর করে ও শীতে পা ফাটা রোধ করে।

৮. ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, প্রস্টেট ক্যান্সারের মতো রোগ প্রতিরোধেও সাহায্য করে পেয়ারা।

একটি পেয়ারায় রয়েছে ৪টি কমলালেবুর সমান পুষ্টিগুণ। তাই সপ্তাহে অন্তত একটি করে হলেও আমাদের পেয়ারা খাওয়া উচিত।

Nanofabrics are textiles engineered with small particles that give ordinary materials advantageous properties such as superhydrophobicity (extreme water resistance, also see "Lotus effect" odor and moisture elimination, increased elasticity and strength, and bacterial resistance.  Depending on the desired property, a nanofabric is either constructed from nanoscopic fibers called nanofibers, or is formed by applying a solution containing nanoparticles to a regular fabric. Nanofabrics research is an interdisciplinary effort involving bioengineering, molecular chemistry, physics, electrical engineering, computer science, and systems engineering. Applications of nanofabrics have the potential to revolutionize textile manufacturing and areas of medicine such as drug delivery and tissue engineering.

For more information visit:

সারা বিশ্বে কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া মানুষের সংখ্যা প্রচুর। আর বাংলাদেশের মতো নিন্ম আয়ের দেশে এই সংখ্যাটি আরও বেশি। এর কারণ মূলত কিডনি রোগের ব্যয়বহুল চিকিৎসা। একবার কিডনি রোগে আক্রান্ত হলে এরপর থেকে অনেক কঠোর নিয়মের মধ্য দিয়ে চলতে হয়। না হয় ধীরে ধীরে কিডনি আরও খারাপ হতে পারে।
 জেনে নিন, কিডনি রোগে আক্রান্ত হলে মানব শরীরে ঠিক কী কী লক্ষণ দেখা দেয়।
রাতে ঘুম না হওয়া কিডনি রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রথম ও প্রাথমিক লক্ষণ। একটা সময় দীর্ঘক্ষণ না ঘুমালেও চোখে ঘুমের কোনো চিহ্নমাত্র খুঁজে পাওয়া যায় না।
এছাড়া শরীরের হাত-পা ও পায়ের পাতায় পানি এসে ফুলে যাওয়াও কিডনি রোগের অন্যতম লক্ষণ। একইসাথে কিডনি রোগে আক্রান্ত হলে চোখের চারপাশেও ফুলে থাকে।
এই সময় রাতে ঘন ঘন পেশাব হতে পারে। অনেক সময় পেশাবের রঙ লাল বর্ণের হয় এবং অবস্থা গুরুতর হলে পেশাবের সাথে রক্তও আসতে পারে।
ঘুম কমে যাওয়ার পাশাপাশি পেটের ক্ষুধাও কমে যায়। দেহ ক্লান্ত ও উদাসীন লাগে। অনেকের আবার ঘন ঘন মাথা ব্যথা হয়। একইসাথে শরীর ও মাংসপেশি ব্যথা করে।
কিডনি রোগের জন্য মানব শরীরে রক্তশুন্যতা সমস্যা এবং উচ্চ রক্তচাপের ঝামেলাও থাকে। এছাড়া চেহারা ফ্যকাশে হয়ে যাওয়া, মানসিক বিভ্রান্তি দেখা দেওয়া, শ্বাস কষ্ট হওয়া, হার্টবিট কমে যাওয়া, কামশক্তি কমে যাওয়া ইত্যাদির কোনো একটা দেখা দিলেই সাবধান হতে হবে। রোগীকে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে কিডনি রোগের চিকিৎসা শুরু করুন।

An objective         
CV objectives never ever help and often hurt. Not only do they feel antiquated, but they're all about what you want, rather than what this stage of the hiring process. what the employer wants in CV. Your resume / CV should be about showing your work experience, skills and tasks accomplishments. If you want to talk about how this particular position is the right next step in your professional career, use Cover letter for that purpose.
 Don't Include Short-term jobs
Short-term jobs in your CV raise red flags for hiring managers about your work nature. They'll wonder if you were fired from past positions, couldn't do the work or had trouble getting along with office fellows. Plus, it's unlikely that a few months on a job will show any real accomplishments or advancement. One exception to this rule is if the job was short because it was designed that way, such as contract or political campaign work. Those won't raise the sorts of questions above, because you'll have an explanation that doesn't reflect on you poorly.
A functional format
Many employers hate functional résumés, which list skills and abilities without including a chronological job history. These types of résumés easily mask limited work experience or significant work gaps and make it difficult to understand a candidate's career progression. For most hiring managers, functional résumés are an immediate red flag that you might be hiding something.
 Your photo on CV
Unless you're applying for a job as a model or actor, photos of yourself have no place on your résumé. Your appearance has nothing to do with your ability to do the job, so including a photo comes across as naive and unprofessional. ( But in my opinion there should be a photo on Resume for Pakistan and Middle east Countries. Admin)
A Fancy Design or Beautification
Here's what most hiring managers think upon seeing a résumé with an unusual design or gaudy color scheme: Does this candidate think his or her skills and achievements won't speak for themselves? Does this person not understand what employers are looking for? Does he or she put an inappropriate emphasis on appearances over substance? (The obvious exception to this rule is if you're applying for design jobs.)
Subjective descriptions
Your CV is for experience and accomplishments only. It's not the place for subjective traits, such as "great leadership skills" or "creative innovator." Smart employers ignore anything subjective that applicants write about themselves, because so many people's self-assessments are wildly inaccurate. Your résumé should stick to objective facts.
Mention of high school
If you're more than a few years past your high school graduation date, employers don't care which high school you attended or how much you accomplished while you were there. Keep any mention of high school off your CV.
No Extra Pages
If you're in your age of 20s, your CV should only be one page; there's not enough experience to justify a second page of CV. If you're older, two pages are fine, but you go over that limit at your own wish. Hiring managers may initially spend only 20 or 30 seconds on your application, so extra pages are either ignored or they dilute the impact of the others. Your CV should be for highlights that what are you ? not for extensive detail.
Your salary Demand
Resumes / CV don't typically include a history of your salary, so candidates who include salary in CV are not consider. And by sharing that information in CV unbidden, you'll also compromise your negotiating power later after.
Any mention of references
Yes, that includes "references are available upon request." You don't need to say You'll provide references if asked, because that goes without saying.


১. রমজান একটি প্রথাগত ধর্মীয় অনুষ্ঠান মনে করা ভুল : রাসূল (সা.) বলেছেন, “জিবরাঈল (আ.) আমাকে বলেছেন, আল্লাহ্ ঐ ব্যক্তির নাক মাটিতে ঘষুন যার নিকট রামাদান আসল এবং তার গুনাহসমূহ মাফ হল না এবং আমি বললাম, আমিন। তারপর তিনি বললেন, আল্লাহ ঐ ব্যক্তির নাকও মাটিতে ঘষুন যে জীবদ্দশায় তার পিতামাতার একজনকে অথবা উভয়কে বৃদ্ধ হতে দেখল এবং সে জান্নাতে প্রবেশ করার অধিকার রাখল না, তাদের সেবা করার মাধ্যমে আর আমি বললাম আমিন। অতঃপর তিনি বললেন, আল্লাহ ঐ ব্যক্তির নাক মাটিতে ঘষুন যার উপস্থিতিতে যখন আপনার নাম উচ্চারণ করা হয় তখন সে আপনার প্রতি সালাম বর্ষণ করে না আর আমি বললাম, আমিন।”(তিরমিযী, আহমাদ, এবং অন্যান্য_আলবানী কর্তৃক সহীহকৃত)

২. রমজানে পানাহারের ব্যাপারে অতিমাত্রায় চাপে থাকা ঠিক না : আমাদের অনেকের ক্ষেত্রে, রামাদান মাসের পুরোটাই খাবার ঘিরে আবর্তিত হয়। সালাত, কুরআন তিলাওয়াত ও অন্যান্য ইবাদাতের ব্যাপারে যত্নশীল হওয়া বদলে আমরা পুরোটা দিন কেবল পরিকল্পনা প্রণয়ন, রান্নাবান্না, কেনাকাটা এবং খাওয়া-দাওয়া নিয়ে চিন্তা করে কাটাই। আমাদের চিন্তা ভাবনার পুরোটা জুড়েই থাকে ‘খাওয়া-দাওয়া’। যার দরূন আমরা উপোস থাকার মাসকে ভোজের মাসে পরিণত করেছি। ইফতারের সময়ে আমাদের টেবিলের অবস্থা দেখার মত! পুঞ্জীভূত নানাপদী খাবার, মিষ্টান্ন এবং পানীয়ে পরিপূর্ণ। পক্ষান্তরে, আমরা রামাদানের মুখ্য উদ্দেশ্য ভুলে যাচ্ছি, আর এভাবে আমাদের লোভ আর প্রবৃত্তির অনুসরণ বাড়তে থাকে সেগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করার শিক্ষালাভ করার বদলে। এটাও একধরনের অপচয় এবং সীমালঙ্ঘন। “….তোমরা খাও এবং পান করো, এবং কোনো অবস্থাতেই অপচয় করো না, আল্লাহ্ তাআলা কখনোই অপচয়কারীদের পছন্দ করেন না ।”(সূরা আরাফ : ৩১)

৩. রমজান মাসে সারা দিন রান্না করে কাটালে কী হবে? কতিপয় বোন(হয় স্বেচ্ছায় নতুবা স্বামীর চাপে) সারা দিন ও সারা রাত ধরে রান্নাবান্না করতে থাকেন, তার ফলে দিনের শেষে তারা এতটাই ক্লান্ত হয়ে পড়েন যে এশার সালাত পড়তে পারেন না, তাহাজ্জুদ কিংবা কুরআন তিলাওয়াত তো দূরে থাক! এই মাস হল মাগফিরাত এবং মুক্তিপ্রাপ্তির মাস। সুতরাং, চলুন আমরা চুলা বন্ধ করে নিজেদের ঈমানের প্রতি মনযোগী হই।

৪. এমনটা ভাবা রমজান মানেই মাত্রাতিরিক্ত খাওয়া-দাওয়া? আমাদের কিছুসংখ্যক সেহরীর সময়ে নিজেদেরকে বিস্ফোরিত হওয়ার আগ পর্যন্ত ভরাক্রান্ত করে তুলি, কারণ আমরা মনে করি সারা দিন ক্ষুধার্ত অনুভব না করার এটাই একমাত্র পথ, আর কিছুসংখ্যক রয়েছেন যারা ইফতারের সময় এমনভাবে খান যাতে মনে হয় আগামীকাল বলে কিছুই নেই, সারাদিন না খাওয়ার অভাব একবারেই মিটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। যাহোক, এটা সম্পূর্ণরূপে সুন্নাহ্ বিরোধী কাজ।

পরিমিতিবোধ সব কিছুর চাবিকাঠি। রাসূল [সা.] বলেছেন, “আদম সন্তান তার উদর ব্যতীত আর কোনো পাত্রই এত খারাপভাবে পূর্ণ করে না, আদম সন্তানের পৃষ্ঠদেশ সোজা রাখার জন্য এক মুঠো খাবারই যথেষ্ট। যদি তোমাদেরকে উদর পূর্ণ করতেই হয়, এক তৃতীয়াংশ খাবার দ্বারা, এক তৃতীয়াংশ পানি দ্বারা আর অবশিষ্ট এক তৃতীয়াংশ বায়ু দ্বারা পূর্ণ করো।”(তিরমিযী, ইবনে মাজাহ্, আলবানী কর্তৃক সহীহকৃত)

৫. রোজার কষ্ট দূর করতে সারা দিন ঘুমিয়ে কাটালে কী হবে? রামাদান মাস হচ্ছে অত্যন্ত মূল্যবান সময়, এতটাই মূল্যবান যে মহান আল্লাহ্ পাক একে ‘আইয়্যামুম মাদুদাত’(একটি নির্দিষ্ট সংখ্যক দিবস) হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। আমাদের অনুধাবন করার পূর্বেই এই মাগফিরাত ও মুক্তির মাস শেষ হয়ে যাবে। আমাদেরকে চেষ্টা করা উচিত এই পবিত্র মাসের প্রতিটি মূহুর্ত আল্লাহর ইবাদাতে কাটানোর, যাতে করে আমরা এই মাসের সর্বোচ্চ সওয়াব হাসিল করতে পারি। যাহোক, আমাদের কিছুসংখ্যক রামাদানের দিনগুলি ভিডিও গেমস্ খেলে অতিবাহিত করে, অথবা জঘন্যতম হল টিভি দেখা, ছবি দেখা এমনকি গান শোনা পর্যন্ত। সুবহানাল্লাহ্!!! আল্লাহকে মান্য করার চেষ্টা করা হয় তাঁকে অমান্য করার মাধ্যমে!

৬. রোজা রাখা অথচ খারাপ কাজ বর্জন না করা : আমাদের কিছু সংখ্যক রোজা রাখে কিন্তু তারা মিথ্যাচার, অভিশাপপ্রদান, মারামারি, গীবত ইত্যাদি বর্জন করে না এবং কিছুসংখ্যক রোজা রাখার উদ্দেশ্য কেবলমাত্র পানাহার থেকে বিরত নয় বরং আল্লাহর প্রতি তাকওয়া(পরহেজগারী) অর্জন অনুধাবন না করে রোজা রাখে কিন্তু তারা প্রতারণা, চুরি, হারাম চুক্তি সম্পাদন, লটারির টিকেট ক্রয়, মদ বিক্রি, যিনা ইত্যাদিসহ যাবতীয় অননুমোদিত কর্মকান্ড বর্জন করে না। “হে মানুষ, তোমরা যারা ঈমান এনেছো! তোমাদের ওপর সাওম ফরজ করা হয়েছে যেমনটি করা হয়েছিলো তোমাদের পূর্বপুরূষদের ওপর যাতে করে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।”(সূরা বাকারাঃ১৮৩) রাসূল [সা.] বলেছেনঃ “যে ব্যক্তি মিথ্যা কথা বলা ও এর ওপর আমল করা বর্জন করে না ও মূর্খতা পরিহার করে না, তার পানাহার হতে বিরত থেকে উপবাস করা আল্লাহর নিকট প্রয়োজন নেই।”(বুখারী)

৭. ধূমপান ত্যাগ না করা : ধূমপান ইসলামে বর্জনীয় সেটা রামাদান মাসেই হোক বা এর বাইরে হোক, কারণ এটা “আল-খাবিছ্’(খারাপ কাজ) এর একটি। এবং এটা যাবতীয় ধূমপানের সামগ্রী অন্তভূর্ক্ত করে যেমনঃ সিগার, সিগারেট, পাইপ, শিশা, হুক্কা ইত্যাদি। “…তাদের জন্য যাবতীয় পাক জিনিসকে হালাল ও নাপাক জিনিসসমূহকে তাদের ওপর হারাম ঘোষণা করে...” (সূরাআ’রাফ : ১৫৭) এটা শুধু যে ধূমপায়ী তার জন্য ক্ষতিকর- তা নয়, বরং তার আশেপাশে যারা রয়েছে তাদের জন্যও ক্ষতিকর। এটা কারো অর্থ অপচয়ের জন্য একটি মাধ্যমও বটে। রাসূল [সা.] বলেছেনঃ “কোনো ধরনের ক্ষতিসাধন করা যাবে না কিংবা ক্ষতিসাধন বিনিময়ও করা যাবে না।” এই হাদীস বিশেষত রামাদানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এবং এটা সাওমকে বাতিল করে দেয়।(ফতওয়া-ইবনে উছাইমিন)

৮. ইচ্ছাকৃতভাবে সেহরী বাদ দেওয়া : রাসূল [সা.] বলেছেনঃ “সেহরী খাও, কারণ এটার মধ্যে বরকত রয়েছে।”(বুখারী, মুসলিম) এবং তিনি [সা.] বলেছেন, “আমাদের সাওম আর আহলে কিতাবদের সাওম পালনের মধ্যে প্রধান পার্থক্য হচ্ছে সেহরী গ্রহণ।”(মুসলিম)

৯. ইফতার করতে দেরি করা : আমাদের অনেকেই ইফতারের সময় মাগরিবের আযান শেষ হওয়া পর্যন্ত বসে থাকেন, আযান শেষ হলে রোযা ভাঙেন। সূর্য অস্ত যাবার পর আযান দেওয়ার সাথে সাথে রোযা ভাঙা সুন্নাহ সম্মত। আনাস(রাঃ) বলেন,“রাসুলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এটাই করতেন।(মুসলিম)

১০. ইফতার বেশি খেতে গিয়ে মাগরিবের নামায জামাআত ধরতে না পারা : আমরা অনেকেই ইফতারিতে এত বেশি খাবার নিয়ে বসি যে সেগুলো শেষ করতে গিয়ে মাগরিবের জামাআত ধরতে পারিনা। এটা একেবারেই অনুচিত। রাসুল(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কয়েক টুকরা খেজুর মুখে দিয়ে ইফতার ভেঙে অতঃপর মাগরিবের নামাজ এর জন্য চলে যেতেন। নামাজ শেষ করে এসে আমরা ফিরে এসে ইচ্ছা করলে আরও কিছু খেতে পারি।
১১. রোযা রাখা অথচ নামাজ না পরা : সিয়াম পালনকারী কোন ব্যক্তি নামাজ না পরলে তার সিয়াম কবুল হয়না। রাসুল(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)বলেছেন,“সালাত(নামাজ) হচ্ছে ঈমান এবং কুফর এর পার্থক্যকারী”।(মুসলিম) সআসলে শুধু সিয়াম নয়,সালাত(নামাজ) না পরলে কোন ইবাদতই কবুল হয়না। রাসুল(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)বলেন,“যে আসরের সালাত পরেনা, তার ভাল কাজসমূহ বাতিল হয়ে যায়।”(বুখারি)

১২. রোযা রাখা অথচ পর্দা না পরা : মুসলিম নারীদের জন্য হিজাব না পরা কবীরা গুনাহ। “ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের যৌন অঙ্গের হেফাযত করে। তারা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো আছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা না করে। মুমিনগণ, তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও।”(আন-নুরঃ ৩১)

“হে নবী! আপনি আপনার পত্নীগণকে ও কন্যাগণকে এবং মুমিনদের স্ত্রীগণকে বলুন, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দংশ নিজেদের উপর টেনে নেয়। এতে তাদেরকে চেনা সহজ হবে। ফলে তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না। আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু।”(আল-আহযাবঃ ৫৯) সুতরাং রোযা রাখা অথচ হিজাব না পরা অবশ্যই সিয়াম পালনের পুরস্কার হতে দূরে সরিয়ে দেয় যদিও এটি সিয়াম ভঙ্গ করেনা।

১৩. স্বাস্থ্য কমানোর উদ্দ্যেশ্যে রোযা রাখা : স্বাস্থ্য কমানোর জন্য রোযা রাখা উচিত নয়। এটি অন্যতম একটি বড় ভুল যা আমরা করে থাকি। সিয়াম পালন করার একমাত্র উদ্দ্যেশ্য হচ্ছে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন। যদি স্বাস্থ্য কমানোর উদ্দ্যেশ্যে কেউ রোযা রাখে তাহলে তা শিরকের(ছোট শিরক বা শিরকুল আসগার) আকার ধারন করতে পারে।

১৪. নির্দিষ্টভাবে শুধু ২৭ রমযানের রাতকে লাইলাতুল ক্বাদর মনে করে ইবাদত করা : আমরা অনেকেই কেবল ২৭ রমযান রাতে লাইলাতুল ক্বাদর পাওয়ার জন্য ইবাদত করে থাকি,কিন্তু অন্যান্য বিজোড় রাতগুলিকে প্রাধান্য দেইনা। অথচ রাসুল(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)বলেছেন,“রমযানের শেষ দশ রাত্রির বিজোড় রাতগুলিতে লাইলাতুল ক্বাদর তালাশ কর।”(বুখারি ও মুসলিম)

১৫. ঈদের প্রস্তুতি নিতে গিয়ে রমযানের শেষাংশ অবহেলায় পালন করা : আমরা অনেকেই ঈদের প্রস্তুতি(নতুন কাপড় কেনা,খাবারের আয়োজন করা,মার্কেটে ঘোরাঘুরি করা)নিতে গিয়ে রমযানের শেষ দশ দিন অবহেলায় পালন করি(ঠিকমত ঈবাদত না করা এবং লাইলাতুল ক্বাদরের তালাশ না করা)। রাসুল(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)রমযানের শেষ দশ দিন আল্লাহর ইবাদতে খুব বেশি সময় নিমগ্ন থাকতেন,কেনাকাটি করায় ব্যস্ত থাকতেন না। রমযান শুরু হবার আগেই আমাদের কেনাকাটি শেষ করা উচিৎ। আয়শা (রাঃ) হতে বর্ণিত,“যখন রমযানের শেষ দশক শুরু হত রাসুল(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)লুঙ্গি শক্ত করে বাঁধতেন(অর্থাৎ ইবাদতে ব্যস্ত থাকতেন,স্ত্রীদের সাথে অন্তরঙ্গ হওয়া থেকে বিরত থাকতেন),রাত্রি জাগরণ করতেন এবং তাঁর পরিবারকে জাগিয়ে তুলতেন।”(বুখারী,মুসলিম)

গ্রন্থনা ও সম্পাদনা : মাওলানা মিরাজ রহমান

Textile Engineering / Low cost blended carbon fibre yarns and fabrics
« on: June 27, 2015, 02:05:30 PM »
The yarns and fabrics are blended carbon fibre / polyethylene terephthalate (PET) thermoplastic, manufactured from virgin recovered carbon fibre that would otherwise have gone to landfill.

To process them, the fabrics are simply placed in a mould tool under pressure and passed through a heating and cooling cycle.

According to Fibrecycle, these new materials have almost 100% of the stiffness of virgin materials, but they can be offered at a lower cost than similar products currently available on the market.

“The materials that have been developed have a significantly lower environmental impact than virgin carbon fibre, because they divert materials from landfill and do not consume the energy needed to produce new fibres," (Dr Sophie Cozien-Cazuc)

"The properties achieved mean that it is suitable for many applications especially in the automotive, aerospace, sports and leisure, medical and energy sectors.”

The Fibrecycle team is now starting to tailor the material towards these applications, working with companies which are interested in using these lower-cost thermoplastic blended carbon fibre materials.

Polyester was one of the enormous man-made fibre which was discovered around the period of 40’s and it has been manufactured on an industrialized level since 1947.
Polyester fibres are the first choice for apparel and are used in trousers, skirts, dresses, suits, jackets, blouses and outdoor clothing.
Polyester blends with cotton fibre and virgin wool fibre are much admired. They are frequently referred to as the “classical blend”. Polyester fibres are created by the melt spinning process.
It is normally a combination of 55% polyester and 45% wool.
In Germany, 205,000 tons of polyester fibres were produced in Germany in the year 2010. This created the synthetic man-made fibres with the uppermost production stature.
Polyester is a class of polymers which have the ester efficient group in their main sequence. Although there are many types of polyester, the term “polyester” as a specific material most commonly refers to polyethylene terephthalate (PET).
Depending upon the chemical structure of polyester, it can be a thermoplastic or thermo set. However, the majority frequent polyesters are thermoplastics.
Fabrics made from polyester thread or yarn is used expansively in apparel and home furnishing products. Those products from shirts and pants to jackets and hats, bed sheets, blankets, upholstery furniture and computer mouse mats.
• Industrial polyester fibers, yarns and ropes are used in tyre strengthening process
• Polyester fabrics used for conveyor belts, safety belts, coated fabrics and plastic supporting with high-energy absorption.
• Polyester fiber is used as cushioning and padding material in pillows, quilts and upholstery stuffing.
• Polyesters are also used to make bottles, films, oilcloth, sheeting, canoes, liquid crystal flaunts, holograms, filters, dielectric film for capacitors, film insulation for wire and insulating tapes.
• Polyesters are widely used as a finish on first-class wood products such as guitars, pianos and automobile/ship interiors.
• Cure polyesters can be sanded and polished to a high-luster, durable finishing.
• Polyester fibres are mainly resistant to brightness and climatic conditions and can endure geographical effects.
Generally synthetic clothing is perceived by many as having a lower natural feel when compared to natural fibres including cotton and wool, Polyester fabrics can provide specific advantages over natural fabrics as follows:
• Improved wrinkle resistance,
• Good durability and
• High color preservation.
And at the end, polyester fibres are occasionally spun mutually with natural fibres to produce fabrics with blended properties [such as poly-cotton]. Synthetic fibres can also produce materials with better moisture, wind and ecological resistance compared to plant-resulting fibres.

Textile Engineering / Nanotechnology textiles
« on: June 27, 2015, 01:47:38 PM »
 "Nano Textiles" can be produced by a variety of methods. The key difference among them is whether synthetic nanoparticles are integrated into the fibres or the textile, or are applied as a coating on the surface, and/or whether nanoparticles are added to the nanoscale fibres or coating. However, information about manufacturing methods, the nanomaterials themselves and the quantities used, as well as the "life cycle" of the "nano-treated" textile for sale is largely unavailable to the consumer. The present dossier therefore clarifies nano-textile manufacturing processes and application areas, and gives an overview about the potential effects on the environment and health. Many questions remain unanswered, however, there is a need for considerably more research not only for product development but also into the usefulness and risks which nano-textiles give rise to. The open questions have prompted the Swiss Textile Federation to undertake a joint project with the Swiss Federal Laboratories for Materials Science and Technology (EMPA) entitled "Nanosafe Textiles" and to initiate discussions on the topic.

For more information, Please visit:

Textile Engineering / Magic Dyes Aka A New Invention For Textiles
« on: May 06, 2015, 03:05:40 PM »
Charles Bene, a "Hungarian chemical research worker", is stirring one of several beakers of chemicals on a table. He picks up a piece of white silk. C/U of Bene's hands as he cuts the silk with scissors and places the two sections in a beaker filled with a clear chemical. Bene stirs the beaker with a glass rod and, as he does so, adds another chemical from a smaller beaker. C/U of the beaker as the chemicals react and cause the silk to turn yellow. The narrator explains that Bene has invented a way of dying fabric "only without the dyes". Top shot of the beaker containing the silk and three other beakers. Bene lifts the silk out of one beaker using the glass rod and transfers it to another. According to the narrator the chemical reaction in the first beaker has made the fabric "sensitive to light, like a photographic plate". Bene then removes one piece of silk and places it into a third beaker filled with yet another chemical. C/U of Bene's very serious looking face. Bene places the remaining piece of fabric into a beaker filled with a murky green chemical. Low angle shot of Bene as he checks the time on his wrist watch. C/U of Bene's face. C/U of Bene lifting the pieces from the beaker - one has changed colour to red, the other to purple. The narrator explains in the second beaker a "negative is prepared from the photosensitised silk" while in the third beaker "the colours are developed". C/U of two coloured pieces of silk - one orange, one red - being stirred around in another beaker. C/U of Bene. Bene takes the red piece out and holds it up to the light. The process increases the strength and elasticity of the fabric and as the narrator points out the new colours achieved are completely fast.

Bene carrying a beaker full of clear chemicals and yellow silk over to another desk. Bene lifts out the piece of yellow silk and squeezes it dry in a dishcloth. He then places it on a tray under a light bulb. He places a paper doily onto a fabric and then places a cardboard frame over the silk so only the doily covered fabric is exposed to the light - when the fabric is at this light sensitive stage patterns can be created. C/U of the bulb being switched on. C/U of the fabric under the doily. C/U of Bene's wrist watch. "After a lapse of ten minutes", Bene switches off the light. He removes the frame and the doily and dips the fabric in another chemical solution which acts as a developing agent. Top shot of the silk, now red, in colour being lifted from the beaker and rinsed clean in water. Bene squeezes the material dry before stretching it over the top of the beaker to expose the pretty yellow and red pattern created by the doily.

Please watch the process through:

Textile Engineering / Dying with Air, Saving Gallons of Water
« on: May 06, 2015, 02:55:31 PM »
This technique is developed in California by Colorep, AirDye works with proprietary dyes that are heat-transferred from paper to fabric in a one-step process. This can save between seven and 75 gallons of water in the dying of a pound of fabric, save energy, and produces no harmful by-products. The technology uses 85 percent less energy than traditional dying methods.

The technology has become a signature element for the fabulous designing duo, Costello Tagliapietra (AirDye pieces from Fall 2012 above) and Gretchen Jones, just to name a few.

Pages: 1 [2] 3 4