Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - saima rhemu

Pages: 1 2 3 [4] 5 6 ... 16
49
বর্তমান সময়ে খুব সাধারণ একটি রোগ ডায়াবেটিস। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে। সাধারণত দুই ধরণের ডায়াবেটিস দেখা যায়। একটি হল টাইপ ১ ডায়াবেটিস যেখানে শরীরে ইনসুলিন উৎপাদন হয় না। আরেকটি হল টাইপ ২ ডায়াবেটিস যেখানে ইনসুলিন ঠিকমত কাজ করে না। সাধারণত টাইপ ২ ডায়াবেটিস হতে দেখা যায়। অবসাদ লাগা, ওজন হ্রাস, অতিরিক্ত পানি পিপাসা, প্রস্রাব বা প্রস্রাবের বেগ পাওয়া, ক্ষত দেরীতে শুকানো ইত্যাদি ডায়াবেটিসের প্রাথমিক লক্ষণ।

ডায়াবেটিসের কোন প্রতিকার নেই। রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ থাকলে আপনি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারবেন। এই প্রাকৃতিক উপায়গুলো আপনার রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করবে।

১। করলা
তেতো করলা সারিয়ে তুলবে ডায়াবেটিস। সকালে খালি পেটে করলার জুস পান করুন। এটি প্রতিদিন করে দুই মাস পান করুন। এছাড়া প্রতিদিনের খাবারে করলা সবজি হিসেবে রাখতে পারেন। এটি প্যানক্রিয়াটিক ইনসুলিন সিক্রেশন বৃদ্ধি করে। করলা দুই ধরণের ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারি।

২। দারুচিনি
এক কাপ গরম পানিতে আধা চা চামচ দারুচিনি মিশিয়ে পান করুন। এটি প্রতিদিন পান করুন। এছাড়া এক কাপ গরম পানিতে দুই থেকে চারটি দারুচিনি দিয়ে জ্বাল দিন ২০ মিনিট। প্রতিদিন এটি পান করুন। যেকোন খাবারে আপনি দারুচিনির গুঁড়ো মিশিয়ে খেতে পারেন। দারুচিনির গুঁড়ো রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখে। এর উপাদান লিভার ড্যামেইজ করা প্রতিরোধ করে।

৩। হলুদের গুঁড়ো
আধা গ্লাস পানিতে আধা চা চামচ হলুদের গুঁড়ো, এক চা চামচ আমলকীর গুঁড়ো এবং আধা টেবিল চামচ মেথির গুঁড়োর মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে পান করুন।

৪। মেথি
দুই টেবিল চামচ মেথি সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে খালি পেটে এই পানি পান করুন। এটি কয়েক মাস পান করুন। এছাড়া দুই টেবিল চামচ মেথি গুঁড়ো দুধের সাথে মিশিয়ে পান করুন। মেথি রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ ঠিক রাখে। উচ্চ আঁশযুক্ত হওয়ায় এটি শরীরের কার্বোহাইড্রেইড এবং চিনি শরীরে মানিয়ে নিতে সাহায্য করে।

৫। অ্যালোভেরা জেল
আধা চা চামচ তেজপাতার গুঁড়ো, হলুদের গুঁড়ো এবং এক টেবিল চামচ অ্যালোভেরা জেল ভাল করে মিশিয়ে নিন। এটি দুপুরের খাবার এবং রাতের খাবার খাওয়ার আগে নিয়মিত খান। অ্যালোভেরা এবং হলুদের ওষধি গুণাবলী ডায়াবিটস নিয়ন্ত্রণ করে।

৬। ঢেঁড়স
কিছু ঢেঁড়স কেটে সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। পরের দিন সকালে ঢেঁড়স ফেলে দিয়ে পানি পান করুন। এটি প্রতিদিন করুন। ২০১১ সালে এক জার্নালে দেখা গেছে যে, ঢেঁড়সের অ্যান্টিডাবায়টিক এবং অ্যান্টিহাইপারলিপিডেমিক উপাদান রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।

টিপস:
১। নিয়মিত ডায়াবেটিস চেক করুন।

২। প্রতিদিন হাঁটার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

৩। প্রচুর পরিমাণ পানি পান করুন।

৪। ভিটামিন ডি জাতীয় খাবার খাদ্যতালিকায় রাখুন।

৫। স্বাস্থ্যকর নিয়মতান্ত্রিক জীবন যাপন করুন।

50
জ্যাম কিংবা জেলি সাধারণত কিনেই খাওয়া হয়। তবে বাড়িতেও সহজে বানাতে পারেন এসব।

আনারস জ্যাম

উপকরণ: আনারসের পাল্প ৩ কাপ, অ্যাগার অ্যাগার দেড় চা-চামচ, সাইট্রিক অ্যাসিড আধা চা-চামচ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, চিনি সাড়ে তিন কাপ, সোডিয়াম বেনজয়েট সিকি চা-চামচ, আনারস এসেন্স ১ চা-চামচ, লবণ আধা চা-চামচ।

প্রণালি: আনারস দুই ভাগ করে কাঁটা চামচ দিয়ে কেচে নিন। অথবা ব্লেন্ড করে নিন। এবার চিনিসহ চুলায় সেদ্ধ দিন। সঙ্গে আদা ও লবণ দিয়ে দিন। অ্যাগার অ্যাগার গরম পানি দিয়ে ১০ মিনিট ভিজিয়ে আনারসের মিশ্রণে ঢেলে দিন। আনারস যখন ঘন থকথকে হয়ে আসবে, তখন চুলা থেকে নামিয়ে সোডিয়াম বেনজয়েট, সাইট্রিক অ্যাসিড ও পাইনঅ্যাপল এসেন্স দিয়ে মিশিয়ে দিন। এবার নামিয়ে বয়ামে ঢেলে সংরক্ষণ করুন।

মেস্তার জ্যাম

উপকরণ: মেস্তা ফল ২ কাপ, চিনি ২ কাপ, পানি ৪ কাপ।

প্রণালি: মেস্তার পাপড়িগুলো ছাড়িয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ৩ কাপ গরম পানি দিয়ে চুলায় বসান। ফুটে উঠলে পানি ঝরিয়ে আবার ১ কাপ পানি দিয়ে চুলায় অল্প আঁচে বসান। গলে গেলে চিনি দিয়ে জ্বাল দিন। মেস্তা গলে না গেলে আরও একটু পানি দিন। চিনি গলে ঘন জ্যামের মতো হলে নামিয়ে বোতলে সংরক্ষণ করুন।
প্রিজারভেটিভ না দিলে এটি ৪/৫ দিন ভালো থাকবে। অনেক দিন সংরক্ষণ করতে চাইলে আধা চা-চামচ করে সোডিয়াম বেনজয়েট ও পটাসিয়াম মেটাবাইসালফাইট দিতে হবে।

সিনথেটিক জেলি

উপকরণ: চায়না গ্রাস এক কাপ, সোডিয়াম বেনজয়েট সিকি চা-চামচ, অরেঞ্জ ইমালশন পৌনে এক চা-চামচ, অরেঞ্জ ওয়েল ১ চা-চামচ, অরেঞ্জ সুইট এসেন্স আধা চা-চামচ, পানি ১ লিটার, চিনি ১ কেজি, সাইট্রিক অ্যাসিড দেড় চা-চামচ।

প্রণালি: চায়না গ্রাস কুচি করে ১ কাপ মেপে নিন। ২ কাপ পানি দিয়ে ১৫ মিনিট ভিজিয়ে রেখে চুলায় বসান মৃদু আঁচে। যখন চায়না গ্রাস গলে যাবে, তখন পাত্রটি গরম পানির বাটিতে আবার ডুবিয়ে রাখতে হবে। না হলে এই মিশ্রণ আবার জমে যাবে। অন্য পাত্রে পানি ও চিনি মেপে চুলায় জ্বাল দিন। এই পানি জ্বাল দিতে দিতে এক-তৃতীয়াংশ হয়ে গেলে চায়না গ্রাসের মিশ্রণ দিয়ে আবার জ্বাল দিন। চায়না গ্রাসের মিশ্রণ যখন শুকিয়ে প্রায় অর্ধেক হলে চুলা থেকে নামিয়ে নিন। ১০ মিনিট পর এ থেকে আধা কাপ নিয়ে তাতে বাকি সব উপকরণ ভালোভাবে মিশিয়ে পুরোটা জেলির পাত্রে ঢেলে দিন। খুব ভালোভাবে নেড়ে মিশিয়ে গরম-গরম বোতলে ভরে রাখুন। ঠান্ডা হলে মোম গলিয়ে দিয়ে ঢাকনা বন্ধ করে দিতে হবে।

কমলা মারমালেড

উপকরণ: কমলার রস ২ কাপ, মালটার রস ২ কাপ, চায়না গ্রাস কুচি ১ কাপ, সাইট্রিক অ্যাসিড ১ চা-চামচ, চিনি ৪ কাপ, কমলার খোসা ২ টেবিল চামচ, সোডিয়াম বেনজয়েট সিকি চা-চামচ, অরেঞ্জ ইমালশন আধা চা-চামচ, অরেঞ্জ অয়েল আধা চা-চামচ।

প্রণালি: চায়না গ্রাস ২ কাপ পানি দিয়ে ১৫ মিনিট গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর মৃদু আঁচে গলিয়ে নিন। কমলার খোসা লম্বা পাতলা কুচি করে সেদ্ধ করতে দিন। পানি ঝরিয়ে অল্প চিনি দিয়ে জ্বাল দিয়ে শুকিয়ে নিন। কমলা ও মালটার রস চিনি দিয়ে চুলায় বসান। কমলা ও চিনির শিরা ঘন হয়ে এলে চায়না গ্রাসের মিশ্রণ ঢেলে জ্বাল দিন। মোটামুটি ঘন হয়ে এলে কমলার খোসাগুলো দিয়ে নামিয়ে নিন। বাকি সব উপকরণ মিশিয়ে গরম-গরম বয়ামে ভরে ঠান্ডা করে নিন। ওপরে মোমের স্তর দিয়ে সংরক্ষণ করতে পারেন।

মিশ্র ফলের জ্যাম

উপকরণ: পছন্দের নানা রকম ফলের পাল্প (আম, পেঁপে, আনারস, কমলা, মালটা, আপেল, আঙুর ইত্যাদি) ১ কেজি, চিনি ১ কেজি, অ্যাগার অ্যাগার দেড় চা-চামচ, সাইট্রিক অ্যাসিড দেড় চা-চামচ, ম্যাঙ্গো ইমালশন সিকি চা-চামচ, ম্যাঙ্গো সুইট এসেন্স আধা চা-চামচ, অরেঞ্জ ওয়েল ১ চা-চামচ, অরেঞ্জ ইমালশন ১ চা-চামচ, পটাশিয়াম মেটাবাইসালফাইট সিকি চা-চামচ।

প্রণালি: ফলের পাল্প হাঁড়িতে ঢেলে দিয়ে চিনি দিয়ে মাঝারি আঁচে জ্বাল দিন। অ্যাগার অ্যাগার আধা কাপ পানি দিয়ে ভিজিয়ে রাখুন। চিনি গলে গিয়ে ফলের রসের সঙ্গে মিশে গেলে ভেজানো অ্যাগার অ্যাগার দিয়ে নাড়ুন। ঘন হয়ে জমে এলে নামিয়ে সাইট্রিক অ্যাসিড ও অন্য উপকরণগুলো আধা কাপ জ্যামের মিশ্রণে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। এবার এটি পুরো জ্যামের মধ্যে দিয়ে নাড়ুন। এবার গরম-গরম বোতলে সংরক্ষণ করুন।

পেয়ারার জেলি

উপকরণ: পাকা পেয়ারার রস ৪ কাপ, চিনি ৪ কাপ, অ্যাগার অ্যাগার আড়াই চা-চামচ, সাইট্রিক অ্যাসিড ১ চা-চামচ, পটাশিয়াম মেটাবাইসালফাইট সিকি চা-চামচ।

প্রণালি: পাকা পেয়ারা কেটে সেদ্ধ করে ছেঁকে নিন। নাড়া দেওয়া যাবে না। অ্যাগার অ্যাগার আধা কাপ পানি দিয়ে ভিজিয়ে রাখুন ১০ মিনিট। পেয়ারার রস আবার ছেঁকে চিনি দিয়ে জ্বাল দিন। শিরা ঘন হলে ভেজানো অ্যাগার অ্যাগার দিয়ে জ্বাল দিন। রস যখন এক-তৃতীয়াংশ শুকিয়ে যাবে, তখন সাইট্রিক অ্যাসিড ও পটাশিয়াম মেটাবাইসালফাইট দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে গরম-গরম বোতলে সংরক্ষণ করুন।

মিশ্র ফলের জেলি

উপকরণ: আম, আনারস, পেঁপে, কমলা, মালটা, আপেল ইত্যাদি ফলের রস দেড় কেজি, চিনি দেড় কেজি, অ্যাগার অ্যাগার আড়াই চা-চামচ, পটাশিয়াম মেটাবাইসালফাইট সিকি চা-চামচ, সাইট্রিক অ্যাসিড দেড় চা-চামচ, অরেঞ্জ ওয়েল ১ চা-চামচ, ম্যাঙ্গো ইমালশন সিকি চা-চামচ, সুইট ম্যাঙ্গো এসেন্স আধা চা-চামচ, অরেঞ্জ ইমালশন আধা চা-চামচ, সুইট অরেঞ্জ এসেন্স আধা চা-চামচ।

প্রণালি: সব ফল খোসা ছাড়িয়ে সামান্য পানি দিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। পাতলা মার্কিন কাপড়ে দুই দফা ছেঁকে নিন। অ্যাগার অ্যাগার আধা কাপ গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। ফলের রস ও চিনি চুলায় ফোটান। চিনি গলে গেলে অ্যাগার অ্যাগার দিন। জ্বাল দিতে দিতে যখন অর্ধেক হয়ে আসবে, তখন নামিয়ে বাকি সব উপকরণ দিয়ে ভালোভাবে নাড়ুন। এবার নামিয়ে গরম-গরম বোতলে ভরে সংরক্ষণ করুন।

52
একেক ঋতুতে চুলে একেক সমস্যা হয়ে থাকে। গরমের সময় ঘামের জন্য চুল নষ্ট হয়ে যায়। বর্ষার সময় ভিজে স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়ার জন্য চুল নষ্ট হয়। আবার শীতের সময় বেশি শুষ্কতার কারণে চুলের ক্ষতি হয়ে থাকে। তাই সব ঋতুতে চুলের নিতে হয় আলাদা আলাদা বিশেষ যত্ন। এই শীতে আপনার চুলে যেন সবসময় ঝলমলে থাকে সে জন্য আজ জেনে নিন কিছু টিপস।

অন্য সময়ের তুলনায় শীতকালে আমাদের ত্বক ও চুল বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে। বাতাসে আর্দ্রতার অভাবে চুল হয়ে যায় নিষ্প্রাণ, শুষ্ক। সঠিকভাবে যত্ন না নিলে চুল পড়া বেড়ে যায় অনেকখানি। তাই শীতকালে চুলের নিতে হয় বাড়তি যত্ন। জেনে রাখুন কিছু টিপস, যা শীতকালেও আপনার চুল রাখবে স্বাস্থ্যোজ্বল এবং সুন্দর।

চুল কাভার করুন:

. বাতাসের আর্দ্রতা থেকে চুলকে রক্ষার জন্য মাথায় স্কার্ফ বা হ্যাট ব্যবহার করুন।

. এটি আপনার চুলকে বাইরের ধুলোবালি থেকে রক্ষা করে থাকবে।

. সিল্কের স্কার্ফ ব্যবহার করতে পারেন যা আপনার চুল রক্ষা করার সাথে সাথে ফ্যাশনও করা হবে।

চুল ধোয়ার নিয়ম:

. চুলে গরম পানি ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।

. আমাদের মাথার ত্বক সাধারণত শুষ্ক থাকে, গরম পানি ব্যবহারে ত্বক আরো বেশি শুষ্ক করে তোলে। . গরম পানি ব্যবহার করার পরিবর্তে গরম এবং ঠাণ্ডা পানি মিশিয়ে চুলে ব্যবহার করুন।

. গরম এবং ঠাণ্ডা পানি চুলের ত্বকের ময়োশ্চারাইজ ধরে রেখে চুল পরিষ্কার করে থাকে।

শ্যাম্পু/কন্ডিশনার:

. শ্যাম্পু করার ফলে চুল রুক্ষ হয়ে যায়। তাই শীতকালে যতবার শ্যাম্পু করবেন ততবার কন্ডিশনার ব্যবহার করবেন।

. বিশেষ করে এই সময় ক্রিমি কন্ডিশনার ব্যবহার করা উচিত।

. কন্ডিশনার হিসেবে আপনি ডিমের কসুম ব্যবহার করতে পারেন।

তেলের ব্যবহার:

. শ্যাম্পু করার আগে তেল ম্যাসাজ করুন।

নারকেল তেল, বাদাম তেল বা সরিষার তেল যেকোনো তেল হালকা গরম করে মাথার তালুতে ম্যসাজ করে নিন।

. তেল মাথার তালুর রক্ত সঞ্চালন বজায় রাখে।

. আপনি চাইলে যেকোনো এসেনশিয়াল অয়েল যেমন ল্যাভেন্ডার অয়েল, ব্যবহার করতে পারেন।

. নারকেল তেলের সাথে অ্যাসেন্সিয়াল অয়েল মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।

. চা গাছের তেল বেশ উপকারী।

হেয়ার প্যাক:

. শীতে চুলের যত্নে নিয়মিত প্যাক ব্যবহার করুন। তা যেকোনো কিছুর প্যাক হতে পারে। কলা, মধু, অ্যাডোকোডা, নিম পাতা এবং অলিভ অয়েল মিশিয়ে প্যাক তৈরি করে নিন।

. এটি মাথায় ভালো করে লাগিয়ে ৩০ থেকে ৪৫ মিনিট রাখুন। কলা এবং মধু চুল ময়োশ্চারাইজ করে থাকে।

. অ্যাডোকোডাতে আছে ভিটামিন এ যা চুল পড়া রোধ করে নতুন চুল গোঁজাতে সাহায্য করে।

. নিম পাতা ত্বকের সকল প্রকার জীবাণু দূর করে চুলাকানি রোধ করে থাকে।

. শীতে কাবু হয়ে শ্যাম্পু করা বন্ধ করা যাবে না।

. সপ্তাহে ২ থেকে ৩ বার শ্যাম্পু করা উচিত।

. এই সময় চুলে বেশি ময়লা হয়ে থাকে, তাই নিয়মিত শ্যাম্পু করা উচিত।

. ১টি ডিমের কসুম, ১ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল এবং ১ কাপ পানি মিশিয়ে নিন। এটি কন্ডিশনার হিসেবে ব্যবহার করুন। ঘরোয়া কন্ডিশনার হিসেবে এটি বেশ কার্যকরী।

53
প্রাচীন পদ্ধতি তবে খুবই কার্যকর আর সহজ।

মুখে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে লোম খুব অস্বস্তিকর। বিশেষ করে মেয়েদের মুখে, পিঠে, পায়ে অতিরিক্ত লোম সৌন্দর্য নষ্ট করতে যথেষ্ট।

আর লোম দূর করার বিভিন্ন পদ্ধতি বেশ কষ্টসাধ্য এবং ব্যয় সাপেক্ষও বটে। তবে দীর্ঘ দিন ধরেই লোমমুক্ত ত্বক সকলরই কাম্য।

স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, প্রাচীন মিশরের প্রায় সকল নারীই সৌন্দর্য সচেতন ছিলেন। আর সেই সময়ের সৌন্দর্য চর্চার কিছু বিষয় এখনও ব্যবহৃত হয়।

বর্তমানে শরীরের অবাঞ্ছিত লোম দূর করতে সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ্ধতি হল ওয়াক্সিং। প্রাচীন মিশরে এই ধরনেরই একটি পদ্ধতি প্রচলিত ছিল যাকে বলা হতো ‘বডি সুগারিং’। এটি ওয়াক্সিংয়ের একটি পুরাতন ঘরোয়া পদ্ধতি এবং নিরাপদ।

এই পদ্ধতিতে গোড়া থেকে লোম দূর করা হয়, আর পুনরায় যখন লোম গজায় তখন আগের চাইতে পরিমাণে কম থাকে। শেইভিং এবং ওয়াক্সিংয়ের বিকল্প হিসেবে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে।

তাছাড়া ওয়াক্সিংয়ে গরম তরল ব্যবহার করা হয় বলে ত্বক পুড়ে যাওয়ার একটি সম্ভাবনা থাকে। তবে এক্ষেত্রে তরলটি ঠাণ্ডা করে নিতে হয় বলে ত্বকের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।

চলুন জেনে নেওয়া যাক কী সেই পদ্ধতি!

উপকরণ

দুই কাপ চিনি। এক কাপের চারভাগের একভাগ লেবুর রস। এক কাপের চারভাগের একভাগ পানি। তাপ মাপার জন্য একটি ‘ক্যান্ডি থার্মোমিটার’।

পদ্ধতি

সব উপকরণ একটি সসপ্যানে নিয়ে অল্প তাপে গরম করতে হবে। এর মাঝে একটি ‘ক্যান্ডি থার্মোমিটার’ বসিয়ে দিতে হবে তাপ পরিমাপের জন্য। খেয়াল রাখতে হবে যেন তাপ আড়াইশো ফারেনহাইটের উপর না যায়।

পুরো পদ্ধতিতে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ।

সব উপকরণ ভালোভাবে মিশে গেলে ঠান্ডা করে একটি বয়ামে ভরে রাখতে হবে। এই মিশ্রণ পরে ব্যবহার করার জন্য গরম করার প্রয়োজন হবে। তাই এমন বয়ামে রাখুন যেন পরে মাইক্রোওয়েভ ওভেন বা প্যানে গরম করা যায়।

এরপর খুব মিহি বুননের সুতি কাপড় নিতে হবে। কাপড়টি এক ইঞ্চি মোটা ফালি করে কেটে নিতে হবে।

এবার আগের মিশ্রণটি ঠান্ডা করে নিতে হবে যেন তা ত্বকের কোনও ক্ষতি করতে না পারে। চাইলে হাতের উল্টা পিঠে অল্প একটু নিয়ে সেটি ত্বকের জন্য সহনীয় কিনা যাচাই করা যেতে পারে।

এরপর একটি পাতলা কাঠি বা প্লাস্টিকের পাতের সাহায্যে পুরো অবাঞ্চিত লোমের জায়গায় লাগিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে। এরপর সুতি কাপড়টি উপরে ভালোভাবে বিছিয়ে ওয়াক্সিংয়ের সময় যেভাবে টেনে তোলা হয় সেভাবে টেনে তুলতে হবে।

এভাবে ত্বকের অবাঞ্ছিত লোম উঠে আসবে. এবং পরে পরিমাণও কমে আসবে।

54
Thanks for sharing  :)

55
Thank you Mam  :)

56
সার্বক্ষণিক সজীব নিঃশ্বাসের জন্য আছে কত রকমের বিজ্ঞাপন। রয়েছে নানা টুথপেস্ট, দাঁতের মাজন, মাউথওয়াশ ইত্যাদি। কিন্তু সব সময় সজীব নিঃশ্বাস পেতে হলে নিজেকে রাখা চাই সুস্থ। দাঁত ও মুখগহ্বরের সুস্থতার পাশাপাশি শারীরিক সুস্থতাও দরকার।

যেমন যকৃৎ বা কিডনির সমস্যায় মুখে দুর্গন্ধ হতে পারে, নিঃশ্বাস হতে পারে মন্দ। পান, জর্দা, সুপারি, ধূমপান ও অ্যালকোহলও খারাপ নিঃশ্বাসের জন্য দায়ী। মুখের শুষ্কতা মুখের খারাপ গন্ধের জন্য ক্ষতিকর। কিছু কিছু অ্যালকোহলযুক্ত মাউথওয়াশ মুখের শুষ্কতা বাড়িয়ে দিয়ে পরিস্থিতি আরও খারাপ করতে পারে।

সজীব নিঃশ্বাসের জন্য যা করতে পারেন:

-সজীব নিঃশ্বাসের জন্য প্রচুর পানি পান করুন,
-লালা নিঃসরণ বাড়াতে প্রয়োজনে চিনিবিহীন গাম বা লজেন্স চিবোন।
-প্রতিবার খাওয়ার পর ভালো করে কুলকুচা করুন।
-টুথব্রাশে দুই ফোঁটা চা-পাতার রস বা পুদিনার রস মিশিয়ে দেখুন, নিঃশ্বাস সজীব হবে।
-সবচেয়ে বড় কথা, নিজেকে সুস্থ রাখুন, পরিচ্ছন্ন থাকুন।
-সব সময় থাকুন প্রাণবন্ত ও সজীব।

57
ক্যারিয়ারের কারণে সন্তান না নেয়া বা কোন কারণে সন্তান হতে দেরি করা, কারণ যাই হোক না কেন আজকাল একটু বেশি বয়সে প্রথমবারের মত গর্ভধারণ করা খুবই স্বাভাবিক একটি ব্যাপার। তবে হ্যাঁ, বেশি বয়সে প্রথম গর্ভধারণ করলে ঝুঁকিটা আর দশজনের চাইতে অনেক বেশী থাকে। অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভপাত হয়ে যাওয়া, সন্তানের বৃদ্ধি ঠিক মত না হওয়া, প্রসবে জটিলতা, মায়ের স্বাস্থ্যহানি সহ হরেক রকমের সমস্যা দেখা দেয়। এগুলো থেকে মুক্তি পাবার একটিই উপায়, আর তা হচ্ছে এই নিয়মগুলো মেনে চলা। পরামর্শগুলো স্বামী ও স্ত্রী উভয়ের জন্যই। চলুন, জেনে নিই বিস্তারিত।

১) গর্ভবতী মা সকল রকমের পাবলিক ট্রান্সপোর্ট এড়িয়ে চলবেন। একই সাথে রিকশা বা মোটর সাইকেলের মত বাহনও অবশ্যই এড়িয়ে চলবেন। এইসব বাহনের কারণে গর্ভপাত ঘটে যাওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। এইসম্যে মাকে যতটা সম্ভব বেড রেস্টে থাকতে হবে এবং খুব বেশী দৌড় ঝাঁপ, পরিশ্রমের কাজ, ঝাঁকুনির রাস্তায় চলাফেরা করা পরিহার করতে হবে।

২) গর্ভাবস্থার শুরুতেই খুব ভালো একজন পুষ্টিবিদের সাথে পরামর্শ করে একটি খাদ্য তালিকা তৈরি করিয়ে নিন। আপনার কোন শারীরিক সমস্যা থাকলে পুষ্টিবিদকে সেটা জানান। তিনি এমন একটি খাদ্য তালিকা তৈরি করিয়ে দেবেন যেন মা ও শিশুর শারীরিক সুস্থতা বজায় থাকে।
৩) অতি অবশ্যই নিয়মিত ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে থাকুন। কোনক্রমেই এটা অবহেলা করবেন না।

৪) গর্ভধারণের ৬ মাস পেরিয়ে গেলেই প্রসবের যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে রাখুন যেন একটা জরুরী সময়ে সব কিছু হাতের কাছে থাকে। বেশী বয়সে প্রথম গর্ভধারণে প্রি ম্যাচিউর ডেলিভারি অস্বাভাবিক কিছু নয়। যে হাসপাতালে ডেলিভারি করাবেন, তাঁদের সাথে কথা বলে রাখুন। ইমারজেন্সি আম্বুলেন্সের ফোন নম্বর হাতে কাছেই যোগাড় করে রাখুন। একটি ব্যাগে মা ও শিশুর প্রয়োজনীয় সবকিছু সর্বদা গুছিয়ে হাতের কাছে রাখুন যেন খুঁজলেই পাওয়া যায়।

৫) বেশী বয়সে গর্ভধারণে স্বাভাবিক প্রসবের চাইতে সিজার করতেই বেশী দেখা যায়। তাই সেই অনুযায়ী আর্থিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে রাখুন।
৬) এই সময়ে স্বামী একটু বেশী খেয়াল রাখবেন স্ত্রীর। মনে রাখবেন, বয়সের কারণে তাঁর গর্ভধারণ অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। স্ত্রীর খাওয়া দাওয়া, চলাফেরা সব দিকেই লক্ষ রাখতে হবে আপনাকেই।

৭) স্ত্রীর যেন কোন রকম মানসিক চাপ না হয়, মনে কষ্ট না হয় সেদিকেও সামিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে। গর্ভাবস্থায় মানসিক চাপ যে কোন মায়ের জন্য ভয়ানক ক্ষতিকর প্রমাণিত হতে পারে।

৮) মা এই সময়ে প্রচুর ঘুমাবেন। ঘুম যেন যথাসম্ভব আরাম ও শান্তির হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন।

৯) সঠিক ভাবে আপনার ওজন নিয়মিত বাড়ছে কিনা লক্ষ্য রাখবেন অবশ্যই। ওজন ঠিকমত বৃদ্ধি না পাবার অর্থ শিশুর বৃদ্ধি ঠিকমত হচ্ছে না।[/
i]

58
শরীর নিয়ে আমরা মাঝে মাঝে খুব দুশ্চিন্তায় থাকি কারণ ওজন বেড়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। কিন্তু সময়ও নেই জিমে যাওয়ার কর্ম ব্যস্ততার জন্য। আর ছুটির দিনে ইচ্ছেও কাজ করে না জিমে যাওয়ার। কিন্তু ফিট এবং সুস্থ থাকতে হলে শরীরের বাড়তি ওজন ঝড়িয়ে ফেলতেই হবে। কিন্তু ভাবছেন কিভাবে? তাহলে জেনে নিন কিছু নিয়ম যা পালন করলে প্রতিদিন অন্তত ৫০০ ক্যালরি পর্যন্ত ঝড়িয়ে ফেলতে আপনি সক্ষম হবেন।

ব্রেকফাস্ট , লাঞ্চ ও ডিনারে ফ্রুট সালাদ
আমরা যদি আমাদের ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ, ও ডিনারের প্রতিদিনের খাবারের মেন্যু পাল্টে কয়েক রকমের ফল মিলিয়ে তা দিয়ে সালাদ বানিয়ে খাই দেখবেন আপনার শরীর থেকে ৫০০ ক্যালরি ঝড়ে যাবে আপনি বুঝে উঠার আগেই।

সকালের নাস্তায় ডিম
ডিম খেতে আমরা সবাই পছন্দ করি। এবং আমাদের সকালের নাস্তাই শুরু হয় ডিম দিয়ে। তাই সকালের নাস্তায় প্রতিদিন যারা ২ টি ডিম খেয়ে থাকেন তারা সারাদিনে অন্তত ৪০০ ক্যালরি কম খাবার খেয়ে থাকেন। এতে করেও ঝড়ে যায় ওজন।

কোমল পানীয় বর্জন করুন
কোমল পানীয় আমাদের ওজন অনেক বেশিই বাড়িয়ে ফেলে এবং এগুলো আমাদের শরীরের জন্য খুব ক্ষতিকর। কিন্তু এই অভ্যাসটি আপনি চাইলে খুব সহজেই বদলাতে পারেন পানীয় কোন ফল অথবা সবজি খেয়ে। যেমন কোমল পানীয়র বদলে খেতে পারেন শসা, লেবুর সরবত,স্ট্রবেরি, ডাবের পানি ইত্যাদি এগুলো একদমই ক্যালরি মুক্ত খাবার যা সহজেই খেতে পারেন আপনি।

টিভি দেখার সময় খাবেন না
আমরা অনেকেই খাওয়ার সময় টিভি দেখি। কিন্তু এই বাজে অভ্যাসটি আপনার ক্যালরি কমাতে তো সহায়তা করবেই না উল্টা আরও প্রায় ৩০০ ক্যালরি বাড়াবে। তাই খাওয়ার সময় টিভি না দেখে ডাইনিং টেবিলে বসে খান।

প্রতিদিন ৩০ মিনিট ব্যায়াম
প্রতিদিন যদি আপনি বাসাতেই একটু সময় বের করে অন্তত ৩০ মিনিট ব্যায়াম করেন তাহলে আপনার ৩০ মিনিটেই ৫০০ ক্যালরি ঝড়ে যায়। তাই প্রতিদিন ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন ফিট থাকার জন্য।

কিছু অন্য রকম কাজ
কিছু অন্য রকম কাজ যেমন দড়ি লাফ ১ থেকে ১০০ বার, কিংবা একটি জায়গায় দাড়িয়েই দৌড়ানো অথবা লাফানো এই কাজ গুলো করলে প্রতি মিনিটে আপনি ১০ ক্যালরি ঝেড়ে ফেলতে পারবেন। তাহলে চিন্তা করুন আরও বেশি সময় নিয়ে যদি আপনি এই কাজ গুলো করেন তাহলে কত ক্যালরি খরচ হবে।

59
স্বাস্থ্যের দিকে তাকিয়ে অনেকেই রঙ চা খান, অনেকেই আবার দুধ চা। তবে বেশির ভাগ মানুষই জানেন না, তার আসলে কোন ধরণের চা খাওয়া উচিত। আড্ডা কিংবা বাসায় সাধারণত তাৎক্ষণিক ইচ্ছার উপরই নির্ভর করে কোন ধরণের চা খাবেন।

জার্মানির বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ১৬ জন নারীকে একবার রঙ চা, আরেকবার দুধ চা এবং একবার শুধু গরম পানি পান করতে দেন। তারপর প্রতিবারই আল্ট্রাসাউন্ড পদ্ধতিতে তাদের রক্তনালীর প্রসারণ মাপা হয়।

দেখা যায় যে, রঙ চা রক্তনালীর প্রসারণ ঘটায় যা উচ্চরক্তচাপ ও হৃদরোগ নিয়ন্ত্রনের জন্য অত্যন্ত জরুরী। চায়ের মধ্যে থাকা ক্যাটেচিন রক্তনালীর প্রসারণের জন্য দায়ী।

দুধের মধ্যে থাকে ক্যাসেইন নামক একটি পদার্থ যা চায়ের মধ্যে থাকা ক্যাটেচিনকে বাধাগ্রস্ত করে। ফলে চায়ে দুধ মেশালে চায়ের রক্তনালী প্রসারণের ক্ষমতা একবারেই চলে যায়।

US Department of Agriculture এর গবেষকরা ইদুরের কোষের ওপর পরীক্ষা করে দেখেন যে, চায়ের প্রভাবে কোষগুলো থেকে সাধারণের তুলনায় ১৫ গুণ বেশি ইনসুলিন নির্গত হয় যা ডায়াবেটিস রোগ নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত জরুরী। কিন্তু চায়ে দুধ মেশালে এই ইনসুলিন নির্গমনের হার কমতে থাকে।

যদি ৫০ গ্রাম দুধ মেশানো হয়ে, তাহলে ইনসুলিন এর নির্গমন শতকরা ৯০% কমে যায়।

যারা ওজন নিয়ন্ত্রন করতে চান তারা দেখে নিতে পারেন কোন চায়ে কত ক্যালরি।

দুধ চিনি ছাড়া রঙ চা = ২ ক্যালরি
১ চামচ চিনিসহ রঙ চা = ১৬ ক্যালরি
১ চামচ চিনি ও দুধসহ চা = ২৬ ক্যালরি


সুতরাং রঙ চা উচ্চরক্তচাপ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও ওজন নিয়ন্ত্রনে অত্যন্ত কার্যকরী। দুধ চা নয়।

60
মাথাব্যথা, হাতে পায়ের জয়েন্টে ব্যথা, মাংসপেশি আড়ষ্টতায় ব্যথা, ঘাড় ও কাধের ব্যথায় অনেকেই কাবু হয়ে পড়েন। এই ধরণের ব্যথাগুলো দীর্ঘ মেয়াদী হয়ে থাকে। একবার শুরু হলে সহজে পিছু ছাড়তে চায় না। আবার এইধরনের ব্যথার পেছনে এই ব্যস্ত যুগে ব্যয় করার মতো সময়ও হয়ে উঠে না। অনেকেই ব্যথানাশক ঔষধ খেয়ে এই ব্যথা কমিয়ে থাকেন। কিন্তু ব্যথানাশক ঔষধের রয়েছে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যা দেহের জন্য অনেক খারাপ।

তাই এই সকল শারীরিক ব্যথা দূর করতে প্রাকৃতিক উপায় অবলম্বন করাই ভালো। ভাবছেন এই ব্যথা দূর করতে কী করা যায়? আজকে চলুন তবে দেখে নেয়া যাক এক ধরণের ব্যথানাশক চা তৈরির পদ্ধতি যা দূর করে দেবে শারীরিক দীর্ঘমেয়াদী ব্যথা।

যা যা লাগবেঃ

– ২ কাপ পানি
– ২ চা চামচ চা পাতা
– ১ চা চামচ তাজা আদা কুচি
– ২ টি এলাচি (ছেঁচে নেয়া)
– ১/৪ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়ো
– ১/২ কাপ বাদাম দুধ (বাদাম দুধ না পেলে সাধারণ গরুর দুধ নিতে পারেন)
– ১/৪ চা চামচ হলুদ গুঁড়ো বা সামান্য কাঁচা হলুদ বাটা
– ২ চা চামচ মধু

চা তৈরির পদ্ধতিঃ

– চুলায় একটি পাত্রে দুই কাপ পানি গরম হতে দিন। পানি গরম হলে এতে আদা কুচি, হলুদ গুঁড়ো/বাটা, দারুচিনি ও এলাচি দিয়ে হালকা আঁচে ১০ মিনিট ফুটতে দিন।
– ১০ মিনিট ফুটে পানির রঙ হলদেটে হয়ে এলে এতে চা পাতা ছেড়ে দিয়ে ২ মিনিট ফুটিয়ে নিন।
– ওপর একটি পাত্রে দুধ ফুটিয়ে নিন।
– এবার চুলা থেকে নামিয়ে গরম গরম দুধ ঢেলে ঘন ঘন নেড়ে চায়ে মিশিয়ে নিন।
– কাপে চা ছেঁকে নিয়ে এতে মধু মেশান।
– গরম গরম পান করুন এই ব্যথানাশক চা প্রতিদিন ১ কাপ। এতে দীর্ঘমেয়াদী ব্যথা দূর হবে।

Pages: 1 2 3 [4] 5 6 ... 16