Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - saima rhemu

Pages: 1 ... 3 4 [5] 6 7 ... 16
66
স্কিপিং বা দড়ি লাফ অতি পরিচিত আর সহজ একটি ব্যায়াম। স্বাস্থ্য ফিট রাখতে, দ্রুত ওজন কমাতে, শরীরের ঘাম ঝরাতে দড়ি লাফের বিকল্প নেই, দড়ি লাফের জন্য কোন এক্সট্রা মেশিন বা অনেক বেশি স্পেস লাগেনা বলে খুব সহজেই এটি করা যায়। দড়ি লাফ বা স্কিপিং নিয়ে অনেক বেশি কৌতুহল আর প্রশ্নের শেষ নেই আমাদের,আজ তাই আমার আলোচনার বিষয় এই স্কিপিং। প্রতিদিন মাত্র ১৫- ২০ মিনিট স্কিপিং আপনার শরীরের জন্য অনেক ভালো একটা এক্সারসাইজ হতে পারে। ওজন দ্রুত কমাতে, ক্যালরি দ্রুত বার্ন করতে স্কিপিং অনেক উপকারি।কিছুক্ষন দড়িলাফে ২০০- ৫০০ ক্যালোরি বার্ন হয়। তবে আমরা যদি মনে করি,শুধু স্কিপিং আমাদের ওজন কমিয়ে আমাদের ফিট রাখবে,তাহলে ধারণা ভুল হবে,কেননা এক্সারসাইজ এর সাথে প্রোপার ডায়েট মেইন্টেইন অতি গুরুত্বপূর্ণ।

স্কিপিং করতে গেলে কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে :

★ভালো মানের রোপ বা দড়ি ব্যবহার করতে হবে দড়িলাফের জন্য

★খালি পায়ে স্কিপিং করলে পায়ের তলায় ব্যথা হতে পারে। তাই যদি সম্ভব হয় স্পোর্টস সু/সু পড়ে স্কিপিং করবেন।

★স্কিপিং এর সময় ভালো ফিটিংস /স্পোর্টস ব্রা পরে নিতে হবে।

★প্রথমে স্লোলী স্কিপিং শুরু করতে হবে পরে আস্তে আস্তে গতি বাড়াতে হবে।

★সমান জায়গায় স্কিপিং করবেন, উচু-নিচু জায়গায় দড়ি লাফ রিস্কি হতে পারে

★ যদি সম্ভব হয় খোলা জায়গায় বা বেশি স্পেস নিয়ে স্কিপিং করা ভালো

★ ফ্লোরে কার্পেট বা শক্ত কিছু বিছিয়ে নিতে হবে দড়িলাফ দেওয়ার সময়।

★অধিক উচুতে লাফ দেওয়া যাবে না, এতে করে জয়েন্টে প্রব্লেম হতে পারে

★প্রতিবার লাফ দেওয়ার সময় হাঁটু কিছুটা বাঁকিয়ে নিতে হবে, না হয় হাটুতে প্রেসার পড়তে পারে এবং কিছু সময় থেমে থেমে দড়িলাফ দিতে হবে

★খেয়াল রাখতে হবে লাফ দেওয়ার সময় দড়ি যেনো পায়ে পেঁচিয়ে না যায়।

কিছু বিশেষ অবস্থায় কখনোই দড়ি লাফ করা যাবেনা। এতে উপকারের চেয়ে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
১. প্রেগনেন্সিতে
২. যাদের হাটু ব্যথা,পায়ের গোড়ালীতে ব্যথা,হাড়ে ক্ষয় বা এইজাতীয় কোন শারিরীক সমস্যা আছে
৩. যাদের ওজন অনেক বেশি
৪. পিরিয়ডের সময়
৫. কিছু দীর্ঘমেয়াদি রোগ যেমন : হার্ট ডিজিজ, হাপানী ইত্যাদি

যে কোন ব্যায়ামই শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। স্কিপিং অনেক সহজ একটা এক্সারসাইজ এবং খুব অল্প সময়ে অনেক ক্যালরি বার্ণ করতে এবং শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে দড়ি লাফ অনেক উপকারি ভূমিকা পালন করে।

আজ এ পর্যন্তই। আশাকরি সবাই নিজের প্রতি সচেতন হবো।প্রপার ডায়েট আর এক্সারসাইজ এর মাধ্যমে নিজেকে ফিট রাখার চেষ্টা করবো।

67
যে কোনও মৌসুমেই নিজেকে সাজাতে কে না ভালবাসেন! আমরা সকলেই ভালবাসি রঙে-ছন্দে-আনন্দে নিজেদের সাজাতে। সুন্দর পোশাক-জুতা-হেয়ার স্টাইলের পাশাপাশি সতেজ উদার মন৷ কিন্তু দাঁতে যদি থাকে হলদে ছোপ ৷ তাহলে? অনুষ্ঠান পণ্ড। তাই রং ফিকে হয়ে যাওয়ার আগেই কিনে ফেলুন আপেল এবং চুইং গাম। হয়ে গেল সকল সমস্যার সমাধান।

আপেল

আপেলকে বলা হয়েছে ‘প্রকৃতির টুথব্রাশ’। অফিসে আপনি কাজে ব্যস্ত। লাঞ্চ করে আসার পর আপনার মনে হল একবার দাঁত মেজে এলে ভাল হয়। কিন্তু সময় নেই। কী করবেন। দাঁত বড় অপরিষ্কার ৷ তাকে সাদা ও ঝকঝকে করে তোলার জন্য একটা আপেল আপনাকে খেতেই হবে৷ দাঁত পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে ভাল কাজ দেবে এই ফলটি ৷ আশ্চর্যের কথা হল, চিজ খেলেও দাঁত পরিষ্কার থাকে। তবে চিজ আবার শরীরে মেদবৃ‌দ্ধি করে৷ দাঁতের সাদা রং অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য জল খাওয়া আবশ্যক৷ প্রচুর পরিমাণে জল খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।

চুইংগাম

একইসঙ্গে চিবোতে হবে চুইং গাম৷ চুইং গাম দাঁতের সাদা রংকে ফিকে হতে দেয় না। ঔজ্জ্বল্য বাড়িয়ে তোলে আগের থেকে অনেক বেশি। দাঁতের জোর বাড়ায়। ঝকঝকে তকতকে দাঁতের জন্য এটুকু তো করা যেতেই পারে। তবে হ্যাঁ, নতুন বছর শুরুতে আগে প্রতিজ্ঞা করুন যে সিগারেট ছেড়ে দেবেন, কফি খাবেন না, রেড ওয়াইন ছোঁবেন না। এসবই কিন্তু দাঁতের ক্ষয়কে বাড়িয়ে দেয়। একদিকে আপেল খাবেন আবার অন্যদিকে সিগারেটে সুখটানও দেবেন। দু’নৌকোয় পা দিয়ে চললে হবে না।

সুস্হ-সুন্দর-উজ্জ্বল-সাদা দাঁতের হাসিতে চমকে যাক আপনার চারপাশের পৃথিবী। দাঁত দিয়েই যেন আপনাকে চেনা যায়৷ কেবল আপনাকেই

74
আমরা যখনি ক্যালরির কথা চিন্তা করি বেশিরভাগ সাধারণ মানুষই মনে করি কোন খাবারে কত বেশি ফ্যাট আছে। ক্যালরি মানেই যেন ওজন বৃদ্ধি। কিন্তু ডাক্তারি ভাষায় এটি হল আমাদের শক্তি যোগানোর উৎস। আমাদের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তির চেয়ে যদি বেশি নিয়ে নেই, তাহলে ওজন বাড়বে এবং যদি কম নেই তাহলে ওজন কমতে থাকবে, সাথে সাথে মাসেল এর জোরও। তাই প্রত্যেককেই ডাক্তারের দেয়া একটি ডায়েট চার্ট মেনে চলা উচিত। আজকে চলুন সাধারণত একটি মানুষের কতটুক ক্যালরি ও নিউট্রিশন গ্রহণ করা উচিত তা নিয়ে একটু কথা বলি।

আমরা যে টাইপ ও পরিমাণের খাবার খাই তা সাধারণত নির্ধারণ করে আমাদের গ্রহণকৃত ক্যালরির পরিমাণ। আবার কখন ও কিভাবে আমরা খাবারটা খাচ্ছি তাও কিন্তু অনেক পরিমাণ ভূমিকা রাখে। সাধারণত একজন প্রাপ্তবয়স্ক মহিলার প্রতিদিন ১৬০০-২৪০০ ক্যালরি গ্রহণ করা উচিত আর পুরুষদের ২০০০-৩০০০ ক্যালরি। একটি বাচ্চার ক্যালরি ইনটেক প্রতিদিন ১০০০ ক্যালরি, ১৬-১৮ বয়স যাদের, তাদের ৩২০০ ক্যালরি ও বয়স ১৯-২৫ যাদের তাদের জন্য ২০০০-২২০০ ক্যালরি। সাধারণত যত বয়স বাড়তে থাকে ক্যালরির প্রয়োজন তত কমতে থাকে কারণ বয়স বাড়ার সাথে সাথে শরীরের মেটাবলিজম কমতে থাকে।

ক্যালরি সংক্রান্ত কিছু তথ্য-

– একজন মানুষের ক্যালরি ইনটেক তার বয়স, উচ্চতা, লিঙ্গ ও শরীরের অবস্থা ও লাইফ স্টাইলের উপর নির্ভর করে।

– সকালে ভারী খাবার গ্রহণ শরীরের ওজন ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

– একটি ৫০০ ক্যালরির সবজি আর ফলমূলের খাবারের মেন্যু অন্য আরেকটি একই পরিমাণ ক্যালরির স্ন্যাকস জাতীয় খাবার থেকে অনেক গুণমানসম্পন্ন ও শরীরের খাবারের চাহিদা অনেকক্ষণ পর্যন্ত ধরে রাখতে পারে।

– দিনে একসাথে অনেক খাবার না খেয়ে সারাদিনে অল্প অল্প করে খাওয়া উচিত, এতে করে অতিরিক্ত খাবার খাওয়া হবে না এবং অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি পাবে না।

এবার আসি প্রতিদিন আমাদের কি কি খাবার ও নিউট্রিশন গ্রহণ করা উচিত তা নিয়ে ছোট একটি আলোচনায়। একটি ব্যালেন্সড ডায়েট আমাদের প্রত্যেকের শরীরের জন্য অপরিহার্য। এটিই ঠিক করে আমরা প্রতিদিন কতটুকু শক্তি গ্রহণ করছি আমাদের শরীরের চাহিদা অনুযায়ী। সাধারণত একজন মানুষের প্রতিদিনকার খাবারের তালিকায় যা যা থাকা উচিত তা হল-

১) ফল- সিজনাল ফলমূল খাবারের তালিকায় রাখা অনেক জরুরী। ফলে প্রাকৃতিকভাবেই চিনি থাকে যা আমাদের শরীরের চিনির চাহিদা মেটায়। যেসব খাবারে প্রক্রিয়াজাতকৃত চিনি থাকে, সেসব খাবার না খেয়ে ফল বা ফলের জুস খেতে পারেন।

২) শাকসবজি- শাকসবজিতে থাকে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন আর মিনারেলস। প্রতিদিন প্রতিবেলার খাবারের তালিকায় আমাদের অনেক পরিমাণে সবুজ শাকসবজি রাখা উচিত। যেমন- পালং শাক, ব্রকলি, শিমের বিচি, বাধাকপি, ফুলকপি ইত্যাদি। মোটকথা যে মৌসুমে যে সবজি পাওয়া যায় সবই খাওয়া উচিত।

৩) শস্য জাতীয় খাবার- এসব খাবারের তালিকায় রাখা উচিত হোল-গ্রেন খাবার। বাজারে যে কোন রকম সিরিয়াল, পাস্তা, ব্রাউন রাইস, ওটমিল, গমের আটা ইত্যাদি। সাদা আটা এড়িয়ে যাওয়াই ভাল কারণ এতে নিউট্রিশনের পরিমাণ খুবই কম থাকে।

৪) প্রোটিনযুক্ত খাবার- মাংস, মাছ, বিনস-এ এসবে প্রোটিন প্রচুর পরিমাণে বাদামও প্রোটিনের অনেক ভালো একটি উৎস। ওয়ালনাট, কাঠবাদাম, চিনাবাদাম কিছু উদাহারণ।

৫) ডেইরি বা দুধ জাতীয় খাবার- এসব খাবার ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়াম-এর চাহিদা মিটায়। কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে এতে ফ্যাটও আছে। তাই খেলেও অল্প পরিমাণ ও ফ্যাট ফ্রী দুধ, দই খাওয়া উচিত।

৬) তেল- লো ফ্যাট জাতীয় তেল আমাদের প্রতিদিনকার খাবারের জন্য অনেক প্রয়োজন। ভোজ্য তেল হিসেবে রাইস ব্র্যান অয়েল, অলিভ অয়েল ব্যবহার করুন। ভোজ্য তেল কেনার সময় তেলের গায়ে লেবেল পড়ে নিন। এক্ষেত্রে সাফোলা একটিভ অয়েল কিনে দেখতে পারেন। এতে ওরাইযেনল ও ওমেগা ৩ আছে যা খারাপ কোলেস্টেরল কমিয়ে ওজন ঠিক রাখতে সাহায্য করে। ৮০% রাইস ব্র্যান অয়েল ও ২০% সয়াবিন অয়েল-এর সমন্বয়ে তৈরি বলে এটি একটি স্বাস্থ্যকর ভোজ্য তেল হিসেবে স্বীকৃত।

এভাবেই আমরা প্রতিদিনের খাবার গ্রহণের সময় এসব তথ্য মাথায় রাখলে থাক
তে পারি সুস্থ, সবল ও প্রাণোজ্জ্বল। ভাল থাকুন এবং স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করুন।

Pages: 1 ... 3 4 [5] 6 7 ... 16