Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Lazminur Alam

Pages: 1 [2] 3 4 ... 18
16
ইন্টারনেটে গুরুত্বপূর্ণ ওয়েবসাইট দেখছেন, এমন মুহূর্তে হুট করে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলো! কিংবা চাইছেন পাতাটিকে ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই অন্য সময় দেখবেন। যদি আপনার ইচ্ছে হয়, তবে চাইলেই আপনি যেকোনো ওয়েব পাতাকে ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই (অফলাইনে) দেখতে পারেন ব্রাউজারের সেটিংসে কিছুটা পরিবর্তন এনে। কীভাবে? তাহলে আপনাকে নিচের নিয়মগুলো অনুসরণ করতে হবে।

গুগল ক্রোমের জন্য
জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার গুগল ক্রোমে আছে সাইট ক্যাশ করে রাখার সুবিধা। তাই এক ঘণ্টা আগে যে ওয়েব পাতা ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করে দেখেছেন, সেটি পরে ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই আবার দেখতে হলে গুগল ক্রোম ব্রাউজার চালু করে নিন। এবার ক্রোমের অমনি বক্স বা অ্যাড্রেস বারে হুবুহু chrome://flags/#show-saved-copy লিখে এন্টার বোতাম চাপুন। অথবা অমনি বক্সে chrome://flags লিখে এন্টার চেপে আবার কি-বোর্ডের CTRL ও F বোতাম একসঙ্গে চাপুন। সার্চের ঘরে Enable Show Saved Copy Button লিখুন। এবার Enable Show Saved Copy Button নামের হলুদ রং নির্দেশিত একটি ক্রোম ফ্লাগস দেখতে পাবেন। এখানে কোনো দ্বিধা ছাড়াই এর ঠিক নিচের ড্রপডাউন মেনুতে ক্লিক করে Enable: Primary-কে নির্বাচন করুন। কাজ হয়ে গেছে। এবার এই কাজটি পরীক্ষা করতে ইন্টারনেট সংযোগ চালু থাকা অবস্থায় পছন্দের যেকোনো সাইট বা ওয়েব পাতা দেখুন (ভিজিট)। এবার ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে কি-বোর্ডের CTRL এবং H বোতাম চাপুন। সম্প্রতি দেখা ওয়েব পাতাগুলো এখানে পাবেন। এখানে থাকা যেকোনো লিংকে ক্লিক করলে This page is not available পাতায় Show saved copy নামে একটি নীল রঙের বোতাম পাবেন। এখানে ক্লিক করলেই ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়া সংরক্ষিত এবং কাঙ্ক্ষিত পাতাটি দেখতে পারবেন।

ফায়ারফক্সের জন্য
ক্রোম ব্রাউজারের মতো ফায়ারফক্সে আলাদা কোনো ফ্লাগ পাবেন না, তবে চিন্তার কিছু নেই! আপনার ব্যবহৃত ব্রাউজারটি চালু করে নিন। অফলাইনে ওয়েব পাতা দেখতে হলে ফায়ারফক্সের ওপরে ডান পাশের হ্যামবার্গার মেনুতে (তিন ডট আইকন) ক্লিক করুন। এবার Developer বোতামে ক্লিক করে আবার তালিকার Work Offline-এ ক্লিক করুন। এটি করলে ফায়ারফক্স তার ব্রাউজারের অনলাইনে থাকা পাতাগুলোকে ক্যাশে জমা করবে এবং সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলেও সেই পাতাগুলোকে যখন খুশি দেখাবে। আগের মতোই অফলাইনে সাম্প্রতিক পাতাগুলোকে দেখতে কি-বোর্ডের CTRL এবং H বোতাম একসঙ্গে চেপে কাঙ্ক্ষিত লিংকে ক্লিক করলেই ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই ওয়েব পাতা দেখতে পারবেন।

17
Scholarship / Scholarship and Fellowship opportunities in Europe
« on: August 12, 2017, 07:44:53 PM »
Good Day, and thanking you for your time to look at the recent Post-Graduate International Scholarships.

There are several International Scholarships and PostDoctoral Fellowship opportunities in Europe, especially in Denmark and Switzerland. Please help and guide Bangladeshi graduates and students to achieve some of these scholarships. These are found on:

Upcoming Scholarships: https://goo.gl/CBrNN4

Switzerland: https://goo.gl/nVh5hx

Demark: https://goo.gl/eamVWz

University of Southern Denmark: https://goo.gl/ge3iXM

University of Aalborg: https://goo.gl/iGxdxP


18
সব সময়ই ডিম খাওয়া হয়ে থাকে সবার। তবে পছন্দভেদে একেকজন একেক পদ্ধতিতে খেয়ে থাকে। কেউ ডিম পোচ করে, কেউ আবার সেদ্ধ করে। এই দুই খাবারের গুণাগুণ ও অপকারিতা নিয়ে বলেছেন বারডেম জেনারেল হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ।

ডিম পোচ

তেলে ভাজার কারণে সেদ্ধ ডিমের চেয়ে ডিম পোচে ক্যালরির পরিমাণ বেশি থাকে। যারা ওজন ঠিক রাখতে চায় কিংবা বাড়াতে না চায় তাদের ডিম পোচ না খাওয়া ভালো। আর ব্লাডপ্রেশারের সমস্যা থাকলে এটি খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। বাচ্চাদের জন্য ডিম পোচ ভালো। কারণ সেদ্ধ ডিমের চেয়ে ডিম পোচের কুসুমে গুণাগুণ বেশি থাকে।

সেদ্ধ ডিম

যারা ওজন ধরে রাখতে চায় এবং ওজন কমাতে চায় তাদের সেদ্ধ ডিম খাওয়া উচিত। যারা সেদ্ধ ডিম খেতে পারে না, তারা পানিতে ডিম পোচ করে খেতে পারে। যাদের ব্লাডপ্রেশারের সমস্যা আছে, তারা সেদ্ধ ডিম খেতে পারে। ডিমের সাদা অংশে প্রোটিন থাকে। শরীরে অ্যালবুমিনের (বিশেষ ধরনের প্রোটিন) পরিমাণ বেশি থাকলে ডিমের সাদা অংশ না খাওয়া ভালো। অন্যদিকে যাদের অ্যালবুমিন কম তারা দিনে একাধিক ডিম খেতে পারে এবং সেদ্ধ ডিম তাদের জন্য ভালো।

19
Article on Entrepreneurship / Why Bachelor of Entrepreneurship ?
« on: April 25, 2017, 08:41:05 PM »

20
Various Resource for Career Development / Career Counseling
« on: April 16, 2017, 04:06:27 PM »
If you're currently or considering working with a career counselor, how can you reap lasting benefits from the experience? There's no precise formula, but these tips will help make your voyage successful.

Think Participant, Not Recipient:
If you take your car in for an oil change, you're in recipient mode. You show up, pay and then get out of the way while the technicians do the work.

When you work with a career counselor, you need to step into participant mode. You can't expect to just show up, pay and then get out of the way while the counselor does all the work. You're required to be an active member of the team; if you don't participate, your counseling experience will almost certainly end in disappointment.

Have Realistic Expectations:
You may think career counselors have all the answers. They don't, but they can help you work toward finding your own answers. They simply can't pull them out of a box and hand them to you.

Be Honest, Especially with Yourself:
It's easy to talk yourself into feeling, thinking or saying something that really isn't genuine. It happens daily in career counseling sessions as clients try to fight off a host of outside pressures (family, friends, teachers, society as a whole) to make their own decisions.

Career counseling sessions give you a safe place and time to express what you're really struggling with -- in your career and in the rest of your life, too. But you have to be completely honest if you're to have any hope of really working through your challenges.

Know What You Want to Accomplish:
When I'm working with clients, I often hear them say things like, "I just want to gain focus," or "I need to get some direction in my life." Such statements make sense, but as a counseling client, you need to work with your counselor to make your goals more specific.

Why? Without goals:

It would be too easy for you and your counselor to simply talk and talk and talk without going anywhere.
 
You won't know when you're done with the counseling process.
So if your counselor doesn't bring it up (although most will), insist that the two of you develop a plan for your work together. What exactly will you be doing, and why? And how will you know when you're finished?

It's OK to Think, But Do as Well

Introspection -- thinking about your interests, skills, abilities, values, personality traits and goals -– is part of any sound career counseling process. But at some point, you need to start taking action, even if you don't have everything figured out.

Paralysis by analysis is real. Don't let it happen to you.

Be Open to Challenge:
Most career counselors will offer you support and an empathetic ear. But the very best will also challenge you.

My graduate school advisor called this technique "confrontation," confrontation done in a caring way. When your career counselor challenges you – for example, by telling you you're saying one thing but doing another -- he isn't trying to be annoying. He's simply trying to help you find your truth.

Be a Smart Consumer:
It's possible that you and the counselor you choose won't click. That happens sometimes, and it's nobody's fault.

Your career counselor can't help you "to boldly go where no man has gone before," as Captain Kirk and the "Star Trek" crew did. But he can help you explore your options and make informed career decisions if you're willing to be an equal and sincere participant.

21
ইন্টারনেটে কেউ গান শোনেন, কেউ ফেসবুক ব্যবহার করেন, অনেকে সারেন দরকারি কাজ। কেউবা আবার গেম খেলতে ঢুঁ মারেন বিভিন্ন ওয়েবসাইটে। প্রধান ব্রাউজারগুলোর সুবিধার তালিকা প্রায় একই। তবু ব্রাউজারগুলো আলাদা। একেকজনের কাজের ধরন বুঝেই ব্রাউজার নির্বাচন করা উচিত। আর সব কাজ এক ব্রাউজার দিয়ে করতে চাইলে জেনে নিতে হবে কোন ব্রাউজার আপনার জন্য উপযুক্ত।
মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের জন্য ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার বা মাইক্রোসফটের নতুন ব্রাউজার ‘এজ’ দেওয়াই থাকে। আর অ্যাপলের অপারেটিং সিস্টেমের জন্য থাকে সাফারি। এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ আরও দুটি ব্রাউজার ওপেন সোর্স কোড-ভিত্তিক গুগল ক্রোম ও মজিলা ফায়ারফক্স। এর বাইরে অন্য বেশ কিছু ব্রাউজার গুগল ক্রোমের সোর্স কোড ব্যবহার করে তৈরি। এসবের পরেই আছে অপেরা ও ভিভালদি ব্রাউজারের নাম। গুরুত্বপূর্ণ সব ব্রাউজারই ভিন্ন ভিন্ন রেন্ডারিং ইঞ্জিন ব্যবহার করে থাকে। গুগল ব্যবহার করে ব্লিংক ইঞ্জিন। গেকো ইঞ্জিন ব্যবহার করে ফায়ারফক্স। ট্রাইডেন্ট ইঞ্জিন ব্যবহার করে মাইক্রোসফট আর সাফারি ব্যবহার করে ওয়েবকিট ইঞ্জিন।

গুগল ক্রোম
নিরাপত্তার বিবেচনায় গুগল ক্রোম এগিয়ে থাকবে। বর্তমানে এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্রাউজার। ক্রোমে অন্য ব্রাউজারগুলোর তুলনায় ভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করায় একটা ট্যাবে কোনো ওয়েবসাইট ব্রাউজ করার সময় কোনো কারণে ক্র্যাশ করলে সেটি পুরো ব্রাউজারে প্রভাব ফেলে না। তবে অন্যগুলোর তুলনায় ক্রোম কম্পিউটারের বেশি মেমোরি নিয়ে থাকে। একই সঙ্গে একাধিক ট্যাব চালু রাখলে ল্যাপটপ বা স্মার্টফোনে ব্যাটারি বেশি খরচ হয়। এই সমস্যা সমাধানে অবশ্য কাজ চলছে।

মজিলা ফায়ারফক্স
ফায়ারফক্স ক্রোমের মতোই দ্রুততার সঙ্গে ওয়েবসাইট দেখাতে পারে। এটি ক্রোমের তুলনায় মেমোরি কম খরচ করে কিন্তু কোনো ট্যাবের সাইট যদি ক্র্যাশ করে, তবে পুরো ব্রাউজারকে ক্র্যাশ করে ফেলে। কখনো কখনো একাধিক ট্যাব চালু রাখলে ফায়ারফক্স ধীরগতির হয়ে যায়। ফলে এটিকে রিস্টার্ট করার প্রয়োজন পড়ে।

মাইক্রোসফট এজ
এজ দ্রুত এবং এতে নিরাপত্তাও বেশ ভালো। বলা হয় এটি ক্রোমের মতোই ব্যাটারি বেশি খরচ করে। কিন্তু এটি এখনো ডেভেলপমেন্ট অবস্থায় আছে। উইন্ডোজ দশের করটানা সুবিধা এতে যুক্ত থাকায় এটি ব্যবহার সুবিধাজনক। ফায়ারফক্সের স্ট্যান্ডার্ড বজায় রাখলেও এটি অন্তত ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের চেয়ে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে আছে। তবে এতে ব্রাউজার এক্সটেনশন কম থাকায় অনেকটা পিছিয়েও আছে।

অন্যান্য
গোপনীয়তা ও অন্যান্য কারণে ক্রোম-ভিত্তিক ভিভালদি ব্যবহার করা যায়। নিজের পছন্দমতো এটি সাজিয়ে নেওয়া যায়। অপেরা ব্রাউজারের আগের ডেভেলপাররা ভিভালদি তৈরি করেছে। ভিভালদি ও অপেরা ব্রাউজারে ক্রোমের অনেক এক্সটেনশনই সমর্থন করে। জনপ্রিয় এই ব্রাউজারের বাইরে আরও কিছু ব্রাউজার ব্যবহার করে দেখতে পারেন। রাশিয়ান সার্চ ইঞ্জিন ইয়ানডেক্সের ডেভেলপারদের বানানো ইয়ানডেক্স ব্রাউজার অনেকটা গুগল ক্রোমের মতোই। ক্রোমিয়াম-ভিত্তিক এই ব্রাউজারে চাইলেই আপনি পছন্দমতো আপনার দরকারি সব কাজই করতে পারবেন। উইন্ডোজ, ম্যাক ও স্মার্টফোনে ব্যবহার করা যায় এটি। এ ছাড়া কোমোডো আইসড্রাগন ব্রাউজারের নিরাপত্তাব্যবস্থাও বেশ ভালো। অনিরাপদ ওয়েবসাইট বা নিরাপদ লগইনের জন্য এটি বেশ ভালো। ফায়ারফক্সের প্লাগইনস এখানে ব্যবহার করতে পারবেন। আবার ম্যাক্সথন ব্রাউজার একসঙ্গে একাধিক সাইটকে পাশাপাশি দেখিয়ে ব্রাউজিংয়ের সুবিধা দেয়। এর ইউএক্স অনেক নজরকাড়া।

যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখা দরকার
নিরাপত্তা, গোপনীয়তা, গতি—সব মিলিয়ে নির্ধারণ করতে হবে, কোন ব্রাউজার আপনার জন্য। ওয়েব ব্রাউজার হতে হবে দ্রুততর এবং সব অপারেটিং সিস্টেম সমর্থিত। এমন হতে হবে, যাতে নিরাপত্তাবলয় থাকবে জোরদার। হতে পারে আপনার অজান্তেই এমন এক লিংকে ক্লিক করেছেন, যার ফলে কম্পিউটারে ভাইরাস এসে গেল। তাই নিরাপত্তাব্যবস্থাকে প্রাধান্য দিতে হবে আগে।

22
পান্ডা প্রাণীটির রোমশ শরীরজুড়ে সাদা-কালো নকশা। কিন্তু এদের লোমের আস্তরণ তো রঙিনও হতে পারত! কেন হয়নি—সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছেন একদল মার্কিন গবেষক। ফলাফল এ উদ্ভাবন: পান্ডাদের গায়ের সাদা-কালো নকশার দুটি উদ্দেশ্য থাকতে পারে—ছদ্মবেশ এবং যোগাযোগ।
যুক্তরাষ্ট্রের ডেভিসে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার জীববিদ্যার অধ্যাপক টিম ক্যারো বলেন, জায়ান্ট পান্ডার শরীরের রঙের ব্যাপারটি জীববিদ্যার একটি বহু পুরোনো রহস্য। সম্ভবত এ রকম দেখতে স্তন্যপায়ী প্রাণী দ্বিতীয়টি নেই।
ওই গবেষকেরা পান্ডার শরীরের বিভিন্ন অংশের লোমের সঙ্গে অন্যান্য প্রজাতির প্রাণীর লোমের তুলনা করে দেখেন। পরিবেশগত ও আচরণগত ব্যবধানের গুরুত্বপূর্ণ কারণগুলো চিহ্নিত করাই ছিল তাঁদের লক্ষ্য। তাঁরা দেখেছেন, পান্ডার মুখমণ্ডল, ঘাড়, পেট ও পিঠের সাদা অংশগুলো একে তুষারের মধ্যে গা ঢাকা দিতে সাহায্য করে। আর কালো রঙের হাত-পায়ের সাহায্যে তৃণভোজী প্রাণীটি ছায়াচ্ছন্ন স্থানেও লুকিয়ে থাকতে পারে। এ গবেষণা প্রতিবেদন বিহেভিয়ারাল ইকোলজি সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।
ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার গবেষক দলটির অনুমান, চামড়ার রঙে আলো-আঁধারির এই ভারসাম্যের কারণে পান্ডারা তুষার ও ছায়াঘেরা স্থানে লুকিয়ে থাকতে পারে। আর তাদের গায়ের রঙে এ বৈচিত্র্যের অভাবের কারণ হতে পারে খাদ্যাভ্যাসের বৈচিত্র্যহীনতা। কারণ, পান্ডার মূল খাদ্য বাঁশে পুষ্টিকর উপাদান ও ক্যালরি খুব বেশি নেই। সারা বছরই এদের খাওয়ার কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়। এ কারণে সব সময়ই নিরাপত্তার জন্য নিজেকে আড়াল করার প্রয়োজন পড়ে। অন্য অনেক বন্য প্রাণীর ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম দেখা যায়। যেমন: ভালুকেরা শরীরে শক্তি জমিয়ে রাখতে পারে। পুরো শীতকালটা অবলীলায় ঘুমিয়ে পার করে দিতে পারে।
পান্ডার সাদা-কালো রং শুধুই যে নিজেকে লুকোনোর কাজে লাগে, তা নয়। বিজ্ঞানীদের অনুমান, ভালুকের কালো রঙের কান এবং চোখের ওপরের আবরণ প্রাণীটির হিংস্রতা ও আগ্রাসী আচরণের সংকেত দেয়। তাই দেখে সম্ভাব্য শিকারি ও প্রতিযোগী প্রাণীরা উভয়েই সতর্ক হওয়ার সুযোগ পায়। পান্ডাদের ক্ষেত্রেও এ রকম কোনো ব্যাপার থাকতে পারে।
লংবিচে অবস্থিত ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক টেড স্ট্যানকোউইচ বলেন, তাঁরা পান্ডার শরীরের অন্তত ১০টি অংশের অনেক ছবি নিয়ে কাজ করেছেন। সেগুলোতে ২০টির বেশি রং বসিয়ে বিশ্লেষণ করে দেখেছেন। এটা সাংঘাতিক পরিশ্রমের কাজ ছিল। তাঁর মন্তব্য: পান্ডা কেন সাদা-কালো—এমন আপাত-সহজ প্রশ্নের জবাব খুঁজতেও শত শত ঘণ্টার শ্রম দরকার হতে পারে।

23
Please see the attached image.

24
মাটির নিচে ফলে এমন অনেক সবজি আমরা খাই। সেগুলো মুখরোচকও বটে। কেউ কেউ বলেন, এমন সবজি বেশি বেশি খেতে নেই। কারণ এসব খেলে শর্করা ও ইউরিক অ্যাসিড গ্রহণের মাত্রা বাড়ে, বাত হয় ইত্যাদি। এ বিষয়ে কিছু তথ্য:
* আলু
মাটির নিজের সবজির মধ্যে আলু সবচেয়ে জনপ্রিয়। প্রায় সব দেশের মানুষ আলু খায়। এতে আছে উচ্চমানের শর্করা, প্রচুর পুষ্টি। ভিটামিন ‘এ’ ও ভিটামিন ‘ডি’ ছাড়া প্রয়োজনীয় সব রকমের ভিটামিন ও খনিজ উপাদান আলুতে কম-বেশি পাওয়া যায়। খাদ্যমানের দিক থেকে যব, আটা ইত্যাদির চেয়েও বেশি শর্করা ও পুষ্টি মেলে এই সবজিতে। তবে এটা ঠিক, আলুর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স একটু বেশি। এটি বেশি পরিমাণে খেলে ডায়াবেটিসের রোগীর শরীরে শর্করার মাত্রা বাড়তে পারে।
* মিষ্টি আলু
মিষ্টি আলু মিষ্টি হলেও এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স সাধারণ আলুর চেয়ে কম। কারণ মিষ্টি আলুর মধ্যে আঁশ বা ফাইবার বেশি পরিমাণে থাকে। এই আঁশের কারণে মিষ্টি আলুর শর্করা আমাদের রক্তে মিশতে সময় লাগে। প্রচুর আঁশ ছাড়াও মিষ্টি আলু ভিটামিন ‘এ’ ও বিটা ক্যারোটিনের চমৎকার উৎস। এই সবজির পুষ্টিমানও অনেক।
* গাজর
গাজরে বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন ‘এ’, ভিটামিন সি ইত্যাদির সমাহার রয়েছে। চোখের স্বাস্থ্য রক্ষায় এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে এই সবজি বিশেষ কার্যকর। গাজরে শর্করা অতটা বাড়ে না।
* বিট
ভিটামিন ‘সি’ ও বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ বিট খেলে শক্তি ও উদ্দীপনা বাড়ে। এতে নাইট্রেট আছে বলে রক্তনালি ও হৃদ্যন্ত্রের জন্যও ভালো।
* শালগম ও মুলা
মুলা ও শালগমে প্রচুর ফলিক অ্যাসিড আছে, যা অন্তঃসত্ত্বার খাওয়া উচিত। এতে আছে অনেক আঁশ এবং প্রচুর ভিটামিন ‘সি’।
মাটির নিচে যেসব সবজি ফলে, তাতে শর্করা স্টার্চ হিসেবে থাকে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। এগুলোতে প্রচুর পরিমাণে আঁশ রয়েছে, যা পরিপাকতন্ত্রের জন্য উপকারী। এসব সবজিতে ভিটামিন ‘এ’, ভিটামিন ‘সি’, ভিটামিন ‘বি৬’, বিটা ক্যারোটিন ও পটাশিয়াম বেশি পরিমাণে থাকে। বেশি পিউরিন-সমৃদ্ধ খাবারে ইউরিক অ্যাসিড বাড়তে পারে। কিন্তু উল্লিখিত সবজিগুলোতে পিউরিন বেশি নেই। তাই বাতের ব্যথার রোগীদের এসব সবজি খেতে বাধা নেই।

25
Story, Article & Poetry / Summary of The Daffodils by William Wordsworth
« on: February 13, 2017, 10:11:05 AM »
Summary of The Daffodils Stanza-wise:

The poem consists of 4 stanzas. Each of these stanzas is again made up of 6 lines. Hence, the entire poem consists of 24 lines in total. It is written in the first person, hence we can equate the speaker of the poem with Wordsworth himself.
 
1st Stanza:

I wandered lonely as a cloud
That floats on high o’er vales and hills,
When all at once I saw a crowd,
A host, of golden daffodils;
Beside the lake, beneath the trees,
Fluttering and dancing in the breeze.

In this stanza, the poet says that he was walking around alone and without any particular destination in mind. He compares this state of his to a solitary cloud in the sky that floats in an aimless direction over both hills and valleys. While walking alone, the poet suddenly comes across a large number of daffodils growing in one place. These daffodils were in fact growing next to a lake, in the shade of many tall trees, and they were being swayed by a light breeze.

2nd Stanza:

Continuous as the stars that shine
And twinkle on the milky way,
They stretched in never-ending line
Along the margin of a bay:
Ten thousand saw I at a glance,
Tossing their heads in sprightly dance.

In this stanza, the poet continues his description of the daffodils that he came across while walking alone one day. He says that the daffodils grew in one straight line that seemed to have no end. At no point in its entire length did the line of daffodils seem to have any interruption or discontinuity. In fact, the poet compares the density of the daffodil flowers to the density of the stars that form a part of our galaxy – the Milky Way – and that can be seen shining in the night sky. Right next to the bay, the poet thinks he sees as many as ten thousand daffodils, and all of them seemed to be dancing in a cheerful and light-hearted manner.

3rd Stanza:

The waves beside them danced; but they
Out-did the sparkling waves in glee:
A poet could not but be gay,
In such a jocund company:
I gazed—and gazed—but little thought
What wealth the show to me had brought:

In this stanza, the poet’s focus shifts slightly from the daffodils, and falls instead on the lake beside which they are growing. He says that the waves in the lake are shining due to the reflection of the sunlight on the water’s surface. However, the daffodils are so bright and fresh that they are sparkling even more than the waves. The poet imagines that the daffodils are happy to be winning this contest, if indeed it were a contest. He also says that he could not help being happy either. Being in the presence of the daffodils’ glee makes him gleeful in his turn. The poet keeps staring at the beauty of the daffodils, but he cannot even imagine what value this image will come to hold in the future.

4th stanza:

For oft, when on my couch I lie
In vacant or in pensive mood,
They flash upon that inward eye
Which is the bliss of solitude;
And then my heart with pleasure fills,
And dances with the daffodils.

The hint that was made about the image of the daffodils in the countryside is explained in details in this stanza. The poet says that when he is staying in the city, he often lies down on the sofa at his house and feels like looking back on his memories, especially the one of seeing the daffodils. At that point, the image of the daffodils returns to the poet’s mind. It is not his physical eyes that can see the daffodils now, but the vision of his mind that lets him imagine them. He knows that such memories can only be relived when he is alone. And when he relives the memory of the daffodils, his heart is filled with a sense of joy and he imagines himself dancing alongside the daffodils.

26
শীত যাই যাই করেও যেন যাচ্ছে না। এ সময় সর্দি-কাশির প্রকোপ বেশি হয়ে থাকে। এ সমস্যা থেকে রেহাই পেতে কিছু বিশেষ খাবার বেশ সহায়ক। এগুলো আপনার সুরক্ষা দিতে পারে। জেনে নিন এ বিষয়ে কয়েকটি তথ্য:
* হালকা গরম পানিতে মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে পান করলে ঠান্ডা-সর্দি দূর হয়। লেবুর ভিটামিন সি ও মধুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট মিলে এই সুরক্ষা দেয়।
* ধুলাবালি ও ঠান্ডায় শ্বাসনালি সংকুচিত হয়। ফলে শ্বাসকষ্ট হয়। গরম আদা-চা বা লেবু-চা এই কষ্ট দূর করে এবং জমে থাকা কফকেও তরল করে।
* চায়ের সঙ্গে তুলসীপাতা জ্বাল দিয়ে খাওয়া যায়। আবার প্রতিদিন দু-তিনটা এমনি পাতা ধুয়েও চিবিয়ে খাওয়া যায়। এতে বিটা ক্যারোটিন ও ইউনিজল আছে, যা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও ব্যাকটেরিয়ারোধী। গলা খুস খুস করলেও তুলসীপাতা উপকারী।
* সরিষার তেল, পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচের ভর্তা কফ তরল করে। এ ছাড়া সরিষাভর্তা, সরিষাশাক ও কালিজিরার ভর্তা সর্দি-কাশি কমায়।

* যাঁরা শীতে কষ্ট পান ও যাঁদের সহজে ঠান্ডা লেগে যায়, তাদের জন্য একটি পরামর্শ—খাওয়ার পানি দু-তিন কোয়া রসুন মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে পান করুন। এটি শরীরকে গরম রাখে এবং ঠান্ডা থেকে সুরক্ষা দেয়।

* শীতে গরম স্যুপ, গরম চা ঠান্ডা দূর করতে সাহায্য করে। তবে প্রচুর পানিও পান করতে হবে। কেননা সর্দি-কাশি ও জ্বরে শরীর দ্রুত পানিশূন্য হয়ে পড়ে। 


27
দুটি বা এর বেশি শব্দে উদ্ধৃতি চিহ্ন ব্যবহার করুন। যেমন “technology history”

শব্দ বিয়োগ:
আপনি হয়তো একটি বিষয়ে গবেষণা করছেন, কিন্তু কোনো একটা বিশেষ অংশ বাদ দিতে চান। সে ক্ষেত্রে বিয়োগ চিহ্নের (-) ব্যবহার হলো সমাধান। যেমন technolgy history -calculator

নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে খোঁজ:
কোনো বিষয় নির্দিষ্ট একটি ওয়েবসাইটে খুঁজতে চাইছেন। কিন্তু ওই সাইটে সার্চ সুবিধা নেই, সে ক্ষেত্রে লিখুন এভাবে “technolgy column” site:prothom-alo.com

একই রকম বা সমার্থক শব্দ:
যে শব্দ বা দু-তিনটি শব্দ দিয়ে তথ্য খোঁজ করছেন, তার সমার্থক বা প্রতিশব্দের তথ্যও যাতে পেতে পারেন সে জন্য শব্দের আগে টিল্ড () চিহ্ন বসিয়ে দিন। যেমন ..technology facts

নির্দিষ্ট ঘরানার ফাইল:
কোনো বিষয়ের ওয়ার্ড ডকুমেন্ট কিংবা পাওয়ার পয়েন্ট ফাইল খুঁজতে চাইলে ফাইলের ধরন উল্লেখ করে দিতে হবে। যেমন “laptop computer” filetype:ppt

এটা অথবা ওটা:
গুগলে যে শব্দ দিয়ে খোঁজ করবেন, সেই বিষয়ের তথ্যই গুগল খুঁজে দেবে। যদি দুই ধরনের বিষয় খুঁজতে চান তবে শব্দের মাঝখানে or বসিয়ে দিন। যেমন technology trend or technology business

সংখ্যা সীমা:
কোনো নির্দিষ্ট মেয়াদকাল কিংবা মূল্যমানের সীমার মধ্যে তথ্য খুঁজতে চান, তবে তা উল্লেখ করে দিন। যেমন mobile user 2000..2016 কিংবা smartphone 10000..25000

ক্যালকুলেটর:
গুগলের সার্চবারকে সরাসরি ক্যালকুলেটর হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এখানেই হিসাব কষা যাবে। যেমন 13.5*1490

শব্দের সংজ্ঞা:
কোনো কিছুর সংজ্ঞা জানতে শব্দের আগে difine লিখে দিতে হবে। যেমন define:digital device

ব্লগের তথ্য:
নির্দিষ্ট বিষয়ে ব্লগ লেখকেরা কী লিখেছেন বা ব্লগসাইটগুলোতে সেটি নিয়ে কী আলোচনা হচ্ছে, সেসব তথ্য পেতে লিখতে হবে এভাবে- stress management:blogs

সময় বা আবহাওয়া:
কোনো স্থানের তখনকার সময় বা আবহাওয়ার তথ্য জানতে শুধু লিখে দিন-time in Chittagong

তুলনা বা একই রকম জিনিস:
একটা জিনিসের সঙ্গে আরেকটার তুলনা করতে better than, আবার একই রকম কিছু খুঁজতে reminds me of ব্যবহার করতে পারেন। যেমন “better than plastic”. “reminds me of the Beatles” অথবা “sounds like drama”

সূত্র: গুগল ডটকম ও হাবস্পট ডটকম

28
মাথা ধরেছে? দুটো প্যারাসিটামল খেয়ে ঘুম দিলেই সেরে যাবে। হাঁটু ব্যথা করছে? একটা ব্যথানাশক বড়ি খেয়ে নিলেই হলো। নানা সময়ে, নানা কারণে আমরা এভাবে বিভিন্ন ধরনের ব্যথানাশক খেয়ে ফেলি। আমাদের দেশে এ ধরনের ব্যথার বড়ি কিনতে ও খেতে চিকিৎসকের কোনো ব্যবস্থাপত্রও দরকার হয় না। ইচ্ছে হলেই কিনে খাওয়া যায়। কিন্তু আসলে কি এভাবে যেকোনো কারণে ব্যথার বড়ি খাওয়া উচিত?

প্রচলিত ব্যথার ওষুধ আসলে মূলত চার ধরনের—এসিটামিনোফ্যান বা প্যারাসিটামল, নন–স্টেরয়ডাল অ্যান্টি–ইনফ্লামেটরি ওষুধ, স্টেরয়েড এবং ওপিয়ড জাতীয় ওষুধ। এর মধ্যে প্যারাসিটামল ও আইবুপ্রোফেন, ন্যাপরোক্সেন জাতীয় নন–স্টেরয়ডাল অ্যান্টি–ইনফ্লামেটরি সারা বিশ্বেই ওভার দ্য কাউন্টার ওষুধ হিসেবে স্বীকৃত, অর্থাৎ ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই কেনা যায়। তবে অন্যান্য ওষুধ কিনতে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র লাগে। কিন্তু আমাদের দেশে অন্য ওষুধগুলোও কেনা যায়। তবে ওপিয়ড, যেমন মরফিন, প্যাথিডিন ইত্যাদির ব্যাপারে কিছু বাধ্যবাধকতা আছে। এখন আসুন, জেনে নিই, সাধারণ ব্যথানাশকে কোনো ঝুঁকি আছে কি না।

এক. এসিটামিনোফেন বা প্যারাসিটামলের খুব বেশি ঝুঁকি না থাকলেও যাদের যকৃতের সমস্যা আছে, তাদের জন্য এটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। আমাদের দেশে অনেকেরই ক্রনিক লিভার ডিজিজ, হেপাটাইটিস বি ও সি সংক্রমণ এখনো লুক্কায়িত অবস্থায় আছে। না জেনে তাদের বেশি প্যারাসিটামল খাওয়া বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। যাঁরা অ্যালকোহল পান করেন, তাঁদের জন্যও এটি ঝুঁকিপূর্ণ। অনেকে জ্বর হলে একই সঙ্গে কয়েক ঘণ্টা পর পর সাপোজিটরি, মুখে খাবার বড়ি ইত্যাদি বারবার ব্যবহার করেন। তাই মাত্রা যাতে না ছাড়িয়ে যায়, সেদিকে লক্ষ রাখুন।

এসিটামিনোফেন বা প্যারাসিটামলের খুব বেশি ঝুঁকি না থাকলেও যাদের যকৃতের সমস্যা আছে, তাদের জন্য এটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে
দুই. নন–স্টেরয়েডাল অ্যান্টি–ইনফ্লামেটরি দুনিয়াজুড়ে বাত, ব্যথা, প্রদাহজনিত ব্যথায় এবং কাটা–ছেঁড়া শল্যচিকিৎসার পর সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। প্রয়োজনে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এ ধরনের ওষুধ রোগ সারাতে ও তীব্রতা কমাতে কার্যকর। কিন্তু কিডনি অকার্যকারিতা, হাঁপানি রোগী ও পেপটিক আলসারের রোগীর জন্য কখনো এরা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। কারও অ্যালার্জিও হতে পারে। সম্প্রতি হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের গবেষকেরা বলছেন, অ্যাসপিরিন, নন–স্টেরয়ডাল অ্যান্টি–ইনফ্লামেটরি এমনকি প্যারাসিটামল নিয়মিত সেবনকারীর শ্রবণ ঘাটতি হতে পারে। গর্ভাবস্থার প্রথম ২০ সপ্তাহের মধ্যে নন–স্টেরয়েডাল অ্যান্টি–ইনফ্লামেটরি খেলে গর্ভপাতের ঝুঁকি আছে। যাঁদের গ্যাস্ট্রাইটিস বা আলসার আছে, এবং যাঁরা রক্ত পাতলা করার ওষুধ খান, তাঁদের পাকস্থলীতে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ায় এগুলো।

তিন. ব্যথা কমানোর আরেকটি ওষুধ হলো স্টেরয়েড। চিকিৎসাবিজ্ঞানে নানা পরিস্থিতিতে এই স্টেরয়েড ব্যবহারের নির্দেশনা আছে। কিন্তু না জেনে–বুঝে স্টেরয়েড ওষুধ দিনের পর দিন খাওয়া, স্টেরয়েড–সংবলিত টোটকা ওষুধ খেতে থাকা নানা ধরনের শারীরিক বৈকল্য করে; যা জীবনসংহারীও হতে পারে। তাই চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া স্টেরয়েড সেবন করা উচিত নয়।

চার. মোদ্দা কথা হলো, ব্যথার ওষুধ আমাদের জীবনে প্রায় প্রায়ই খেতে হয়। তবে এ ক্ষেত্রে কিছু নিয়মকানুন মেনে চলাই ভালো। সম্ভব হলে অবশ্যই ব্যথানাশক খাবার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ঠিক কী মাত্রায় কত দিন খাবেন, ভালো করে বুঝে নিন। আপনি অন্য কোনো ওষুধ খাচ্ছেন কি না, তা কী; অন্য কোনো রোগবালাই আছে কি না, অন্তঃসত্ত্বা কি না বা সন্তান ধারণের চেষ্টা করছেন কি না, এগুলো চিকিৎসককে অবহিত করুন। কোনো ওষুধে এর আগে প্রতিক্রিয়া হয়েছিল কি না, তা–ও জানান। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ব্যথার ওষুধ খেয়ে ব্যথা কমিয়ে আমরা অনেক সময় আসল রোগকে দাবিয়ে ফেলি। ফলে রোগ ধরা পড়তে সময় নেয়। তাই ওষুধ খেয়ে ব্যথা দাবিয়ে না রেখে প্রয়োজনে পরীক্ষা–নিরীক্ষার মাধ্যমে কারণ নির্ণয় করুন। ব্যথার চিকিৎসার চেয়ে কারণটির চিকিৎসাই জরুরি।

অধ্যাপক খাজা নাজিমুদ্দিন

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

29
BCS Cadre / Techniques of Writing in the Examination Papers.
« on: January 21, 2017, 06:40:25 PM »
লিখিত পরীক্ষার জন্য যে তথ্য আহরণ বা পড়াশোনা করেছেন, তার মূল লক্ষ্য হলো পরীক্ষার খাতায় চমৎকারভাবে উপস্থাপন করে আসা। আর এটি যদি করতে ব্যর্থ হন, তবে সব পরিশ্রম বৃথা যাবে। কারণ, পরীক্ষক আপনার জানার চেয়ে খাতায় কীভাবে উপস্থাপন করেছেন তা দেখে নম্বর দেবেন। ছোটখাটো ভুল হয়তো আপনার স্বপ্নকে ব্যাহত করতে পারে। তাই তাঁকে সন্তুষ্ট করে আসা জরুরি। এ জন্য সতর্ক থাকতে হবে। অনেক তো পড়াশোনা হলো এবং ভালোই তথ্য আছে বা মাথায় নিয়েছেন। এবার সঠিকভাবে তা খাতায় দিয়ে আসতে হবে এবং খাতার অঙ্গসজ্জা ঠিকমতো করতে হবে। তবেই হবে পরিশ্রম শতভাগ সার্থক। এ ব্যাপারে নিচের বিষয়গুলো অনুসরণ করতে পারেন:

ক. খাতায় কালো, নীল এবং ক্ষেত্রবিশেষে পেনসিল ছাড়া আর কোনো কালির দাগ থাকবে না। অনেকে সবুজ, বেগুনি, গোলাপি রং ব্যবহার করেন, যা ঠিক নয়।

খ. খাতাটি পেয়ে রেজিস্ট্রেশন নম্বরসহ তথ্যাদি পূরণ করে মার্জিন করে ফেলবেন। অবশ্যই বক্স স্কেলিং নয়। কারণ, এতে লেখার জায়গাটা অনেক ছোট হয়ে আসে। ওপরে ও বাঁ পাশে এক ইঞ্চি রেখে দাগ। এই স্কেলিং করবেন নীল কালি দিয়ে।

গ. লুজ শিটে সময় না থাকলে মার্জিন করার প্রয়োজন নেই। শুধু ওপরে ও বাঁয়ে ভাঁজ করে নিন।

ঘ. লুজ শিট নিলে তার নম্বরটি প্রথমেই মূল খাতার যথাস্থানে পূরণ করে নিন। পরে মনে থাকবে না।

ঙ. আপনার জীবনের সর্বোচ্চ গতিতে লিখবেন। লেখা যেদিকে যায় যাক। শুধু বোঝা গেলেই হবে। দ্রুত লিখলে লেখা খারাপ হবে এটাই স্বাভাবিক। চিন্তার কিছু নেই।

চ. পয়েন্ট, কোটেশন ও রেফারেন্স নীল কালি দিয়ে লিখবেন এবং নীল কালি দিয়ে আন্ডারলাইন করে দেবেন। এতে পরীক্ষক সহজে চোখে দেখবেন। তাঁকে দেখানোই আপনার কাজ।

ছ. সব প্রশ্নের উত্তর করে আসবেন। সময় না থাকলে কম লিখবেন। না পারলে আন্দাজে কিছু একটা লিখবেন।

জ. চেষ্টা করবেন প্রশ্নের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে উত্তর দিতে। এতে খাতা দেখা সহজ হয়। তাই পরীক্ষক খুশি। আর তিনি খুশি হলে নম্বর ভালো আসবে।

ঝ. তবে টু দ্য পয়েন্টের উত্তরগুলো আগে দেওয়া ভালো। যেমন ব্যাকরণের উত্তর, চিঠিপত্র, ছোট প্রশ্ন, টীকা। তারপর বর্ণনামূলক লেখা ভালো।

ঞ. অসম্পূর্ণ উত্তরের ক্ষেত্রে বাংলার বেলায় অ. পৃ. দ্র. এবং ইংরেজির বেলায় To be continued লেখা উত্তম।

ট. নতুন প্রশ্ন নতুন পৃষ্ঠা থেকে শুরু করা ভালো। তবে গুচ্ছ প্রশ্নের ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য হবে না।

ঠ. বিজ্ঞান ছাড়া অন্য বিষয়ে চিত্রের প্রয়োজন নেই। এখানে তথ্যের দরকার। এটিই দিন।

ড. চিঠিপত্র লেখার সময় বাঁ পাশের পৃষ্ঠা থেকে শুরু করা উত্তম এবং দুই পৃষ্ঠায় শেষ করে দেবেন।

ঢ. মার্জিনের বাইরে কোনো লেখা হবে না। প্রশ্নের নম্বর ও কত নম্বর প্রশ্নের উত্তর লিখছেন তাও লেখা যাবে না। এমনকি একটা ফুলস্টপও হবে না। বোঝা গেল নিশ্চয়ই।

ণ. অনাবশ্যকভাবে পৃষ্ঠা ভরবেন না। পৃষ্ঠা গুনে নম্বর হয় না। যা চেয়েছে ও যা জানেন, তা সময়ের সঙ্গে মিল রেখে লিখুন।

ত. যথাসম্ভব কাটাকাটি করবেন না। এতে খাতার সৌন্দর্য নষ্ট হয়। সুন্দর জিনিসের দাম সর্বত্রই আছে। তার মানে এই নয়, লেখা বাদ দিয়ে নকশা করবেন। বুঝতে পেরেছেন আশা করি।

থ. টীকা লেখার সময় প্রথমে হালকা ভূমিকার মতো থাকবে এবং শেষে একটা সমাপনী থাকবে। মাঝখানে যা জানতে চেয়েছে তা অল্প করে লিখে দেবেন।

দ. যেসব প্রশ্নের উত্তরের ক্ষেত্রে শব্দ নির্ধারিত থাকবে, তা কোনোভাবেই অতিক্রম করা যাবে না। যেমন ইংরেজি রচনা। এ জন্য পরীক্ষার হলে গুনতে বসবেন না। বাসায় এক পৃষ্ঠা দ্রুত লিখে দেখবেন কত শব্দ হয়। সেই সংখ্যা দিয়ে নির্ধারিত সংখ্যাকে ভাগ দিলে পৃষ্ঠা পেয়ে যাবেন। তবে সামান্য বেশি হলে তেমন সমস্যা নেই।

যথাসম্ভব কাটাকাটি করবেন না। এতে খাতার সৌন্দর্য নষ্ট হয়। সুন্দর জিনিসের দাম সর্বত্রই আছে।
ধ. ৫ নম্বরের একটা প্রশ্নের উত্তর সর্বোচ্চ ২ পৃষ্ঠা হতে পারে। এর বেশি অনেক ক্ষেত্রেই সময় পাবেন না।

ন. এক কথায় যেসব প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে, তা যত সংক্ষেপে লেখা যায়। এখানে প্যাঁচালেই বিপদ।

প. ইংরেজি ও বাংলা রচনা শেষে লেখাই উত্তম। কারণ, তা সর্বাধিক নম্বর বহন করে।

ফ. শূন্যস্থান পূরণের ক্ষেত্রে যদি নম্বর না থেকে প্যাসেজ থাকে, তবে পুরোটা তুলতে হবে। আর শূন্যস্থান এর নিচে নীল কালি দিয়ে আন্ডারলাইন করে দিতে হবে, যাতে পরীক্ষকের সহজে চোখে পড়ে।

ব. লেখার সময় বানান ভুল হচ্ছে কি না মাথায় রাখবেন। যতটা সম্ভব এড়িয়ে যাবেন। সিনিয়র স্যাররা এতে খুব বিরক্ত হন।

ভ. যেকোনো চিত্র পেনসিল দিয়ে আঁকবেন। ফ্রিহ্যান্ডে আঁকাই উত্তম।

ম. বর্ণনামূলক প্রশ্নে পারলে ছক দিয়ে তথ্য উপস্থাপন করবেন। ছকটা তৈরি করবেন নীল কালিতে আর লিখবেন কালো কালিতে। এতে পরীক্ষক সহজে বুঝতে পারবেন।

য়. জেলজাতীয় কালির কলম ব্যবহার না করাই উত্তম। এতে অন্য পৃষ্ঠাও নষ্ট হয়ে যায়।

র. ভুলক্রমে যদি কোনো পৃষ্ঠা রেখে পরবর্তী পৃষ্ঠায় লিখে ফেলেন, তবে ফাঁকা পৃষ্ঠায় একটা দাগ টেনে দেবেন।

ল. প্রতিটি নম্বরের জন্য কত সময় পান, তা আগেই হিসাব করে রাখবেন এবং সেই পরিমাণ সময় তাতে ব্যয় করবেন। যদি বরাদ্দকৃত সময় কিছু বেঁচে যায়, তবে তা পরবর্তী কোনো প্রশ্নে ব্যবহার করতে পারেন।

শ. সাধারণ গণিতে উত্তর শেষ হলে একটু রিভিশন দেবেন। অনেকেরই প্লাস, মাইনাস বা ছোটখাটো ভুল করার অভ্যাস আছে।

একটা কথা মনে রাখবেন, এমন কোনো কাজ খাতায় করে আসবেন না বা এমন কিছু লিখবেন না বা এমন প্রক্রিয়ায় উপস্থাপন করবেন না, যাতে পরীক্ষকের মাথা গরম হয় বা তিনি বিরক্ত হন। কারণ, তিনি খেপে গেলে আপনাকে বিদায় নিতে হতে পারে। তাই সতর্ক থাকুন এবং পড়াশোনা করুন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া লিখিত পরীক্ষায় আপনি সফল হোন। সবার জন্য শুভকামনা। ধন্যবাদ সবাইকে।

30
খাবারে ফাইবার বা আঁশ থাকার গুরুত্ব সবারই জানা। ওজন কমাতে, রক্তে শর্করা ও চর্বি কমাতে এবং বৃহদন্ত্রের ক্যানসারসহ নানা রোগ প্রতিরোধে চিকিৎসক বেশি করে আঁশযুক্ত খাবার খেতে পরামর্শ দেন। উদ্ভিদ থেকে এই আঁশ পাওয়া যায়। এটি দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় এই দুইভাবে শরীরে প্রবেশ করে। দুই ধরনের আঁশই শরীরের জন্য দরকারি। রোগ প্রতিরোধে দুই ধরনের আঁশ ভিন্ন ভূমিকা পালন করে।

দ্রবণীয় আঁশের উপকার

দ্রবণীয় আঁশ পানিতে মিশে যায়। এটি জেলের মতো বস্তু তৈরি করে এবং পানিযুক্ত করলে আয়তনে বাড়ে। দ্রবণীয় আঁশযুক্ত খাবারের মধ্যে আছে ওটমিল, শিমজাতীয় খাবার (মটর, শিম, ডাল), বার্লি, ফল ও সবজি (কমলা, অ্যাপল ও গাজর)।

দ্রবণীয় আঁশের উপকারিতা অনেক। এর মধ্যে আছে রক্তে কোলস্টেরলের মাত্রা কম রাখা, গ্লুকোজের মাত্রা সীমিত করা, ওজন কমানোসহ অন্ত্রের নড়াচড়া বাড়ানো।

অদ্রবণীয় আঁশের উপকার
অদ্রবণীয় আঁশ পানিতে মেশে না। এটি প্রায় অবিকৃত হয়ে পাচনতন্ত্র পার হয়। বিভিন্ন বীজ, ফলের খোসা, গমের রুটি ও বাদামি ভাতে এই আঁশ থাকে। অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে অদ্রবণীয় আঁশ গুরুত্বপূর্ণ। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে এই আঁশ দরকারি। এটি ওজন কমাতেও সাহায্য করে।
সব ধরনের আঁশযুক্ত খাবারে খনিজ ও ভিটামিন হিসেবে প্রচুর পুষ্টি উপাদান থাকে যা শরীর ঠিক রাখতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

আঁশযুক্ত খাবারআঁশযুক্ত খাবার বাড়াবেন যেভাবে
১. জুস করার চেয়ে আস্ত ফল বিচিসহ খান। কারণ এতে প্রচুর আঁশ পাবেন।
২. প্রতিদিন কমপক্ষে ৫ ধরনের ফল বা সবজি খান।
৩. প্রক্রিয়াজাত খাবার বা শস্যর পরিবর্তে পূর্ণশস্য হিসেবে ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার যেমন¦লাল আটা, চাল, পাস্তা ইত্যাদি খেতে পারেন।
৪. মাংস খাওয়া কমিয়ে বাদাম, বিনস, শস্য, ছোলা, ডাল ইত্যাদি খেতে হবে।
৫. সাদা চালের পরিবর্তে বাদামি চালের ভাত খেতে পারেন। আরেকটি বিষয় মনে রাখতে হবে। তা হচ্ছে, প্রচুর পানি খাওয়ার বিষয়টি। আঁশযুক্ত খাবার খেলে শরীরে প্রচুর পানির দরকার পড়ে। কারণ আঁশযুক্ত খাবার প্রচুর পানি শোষণ করে।

Pages: 1 [2] 3 4 ... 18