Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Lazminur Alam

Pages: 1 2 3 [4] 5 6 ... 22
46
ধন্বন্তরি শব্দের একটা অর্থ হলো আরোগ্য করার অব্যর্থ ওষুধ। সবুজ চা সেই অর্থে ধন্বন্তরিরও বেশি কিছু। এ কথা মোটেও বাড়িয়ে বলা নয়। পানীয়টির গুণাগুণ যাঁদের জানা আছে, তাঁরা এ বিষয়ে একমত হবেন। সে কারণেই সবুজ চাকে বলা হয় পৃথিবীর সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর পানীয়। এতে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও উপকারী পুষ্টি উপাদান রয়েছে; যা একই সঙ্গে শরীর নিরোগ রাখে, মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়, ক্যানসার প্রতিরোধ করে ও ওজন কমায়। কেবল এখানেই শেষ নয়, দীর্ঘদিন সবুজ চা পান করলে আপনি পাবেন দীর্ঘ জীবন। একবার চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক সবুজ চায়ের উপকারী দিকগুলোর ওপর।
রোগ প্রতিরোধে: সবুজ চায়ে রয়েছে এমন কিছু সক্রিয় জৈব উপাদান, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে ও শরীর সুস্থ রাখে। এসবের মধ্যে অন্যতম হলো ফ্ল্যাভোনয়েডস ও ক্যাটেচিনসের মতো পলিফেনলস–জাতীয় যৌগ। সেসব আসলে শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। আমরা সবাই জানি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট খুবই উপকারী উপাদান। কিন্তু এটি কীভাবে কাজ করে, তা অনেকের জানা নেই। আমাদের শরীরে প্রতিনিয়ত মুক্ত কণিকা বা ফ্রি রেডিক্যালের জন্ম হচ্ছে। এই ফ্রি রেডিক্যালগুলো শরীরের কোষ ধ্বংস করে, শরীরকে বার্ধক্যের দিকে নিয়ে যায় এবং নানা রোগ ডেকে আনে। পলিফেনলস এসব ফ্রি রেডিক্যাল ধ্বংস করে দেয়। এ ছাড়া সবুজ চায়ে এপিগ্যালোক্যাটাচিন গ্যালেট (ইজিসিজি) নামের একটি রাসায়নিক রয়েছে, যা দিয়ে অনেক রোগের চিকিৎসাও হচ্ছে।
মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়: সবুজ চায়ে থাকা ক্যাফেইন ও অ্যামাইনো অ্যাসিড ক্লান্তি দূর করে, মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায় ও দুশ্চিন্তা দূর করে। এতে থাকা ক্যাফেইন মস্তিষ্কে ডোপামিন ও নরএপিনেফ্রিন বাড়ায়। ফলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা ও স্মৃতিশক্তি বাড়ে ও মন ভালো থাকে। এ ছাড়া সবুজ চায়ে থাকা ‘এল-থিয়ানিন’ নামের অ্যামাইনো অ্যাসিড দুশ্চিন্তা দূর করতে বড় ভূমিকা রাখে।
মেদ কমায়: বিপাক ক্রিয়া বা মেটাবলিজম মন্থর হলে শরীর মেদ সঞ্চয় করে। বিপাক ক্রিয়া বাড়িয়ে মেদ কমাতে সাহায্য করে যেসব উপাদান, তার মধ্যে সবচেয়ে কার্যকর সবুজ চা। এক গবেষণায় দেখা গেছে, ১০ জন পূর্ণবয়স্ক মানুষকে নিয়মিত সবুজ চা পান করানোর পর তাঁদের বিপাক ক্রিয়া বেড়েছে ৪ শতাংশ। আরেক গবেষণায় দেখা গেছে, সবুজ চা পান করলে ১৭ শতাংশ চর্বি বিপাক বাড়ে।
ক্যানসার প্রতিরোধে: সবুজ চা ক্যানসার প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখে। শরীরে জারণ ক্রিয়া বেড়ে গেলে ক্যানসার কোষ তৈরি হয়। সবুজ চা জারণ ক্রিয়ায় বাধাদান করে ক্যানসার প্রতিরোধ করে। গবেষণায় দেখা গেছে, সবুজ চা পানে স্তনের ক্যানসারের ঝুঁকি ২২ শতাংশ কম, প্রোস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি ৪৮ শতাংশ এবং কোলোরেকটাল ক্যানসারের ঝুঁকি ৫৭ শতাংশ কমায়।
এ ছাড়া সবুজ চা মস্তিষ্কের আলঝেইমার রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে বলেও গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে। পাশাপাশি এটি কোলেস্টেরল কমিয়ে হৃৎপিণ্ড সুস্থ রাখে, টাইপ-২ ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে, মুটিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি হ্রাস করে ও আয়ু বাড়ায়।


অথরিটি নিউট্রিশন ডটকম অবলম্বনে

47
মাটির নিচে ফলে এমন অনেক সবজি আমরা খাই। সেগুলো মুখরোচকও বটে। কেউ কেউ বলেন, এমন সবজি বেশি বেশি খেতে নেই। কারণ এসব খেলে শর্করা ও ইউরিক অ্যাসিড গ্রহণের মাত্রা বাড়ে, বাত হয় ইত্যাদি। এ বিষয়ে কিছু তথ্য:
* আলু
মাটির নিজের সবজির মধ্যে আলু সবচেয়ে জনপ্রিয়। প্রায় সব দেশের মানুষ আলু খায়। এতে আছে উচ্চমানের শর্করা, প্রচুর পুষ্টি। ভিটামিন ‘এ’ ও ভিটামিন ‘ডি’ ছাড়া প্রয়োজনীয় সব রকমের ভিটামিন ও খনিজ উপাদান আলুতে কম-বেশি পাওয়া যায়। খাদ্যমানের দিক থেকে যব, আটা ইত্যাদির চেয়েও বেশি শর্করা ও পুষ্টি মেলে এই সবজিতে। তবে এটা ঠিক, আলুর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স একটু বেশি। এটি বেশি পরিমাণে খেলে ডায়াবেটিসের রোগীর শরীরে শর্করার মাত্রা বাড়তে পারে।
* মিষ্টি আলু
মিষ্টি আলু মিষ্টি হলেও এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স সাধারণ আলুর চেয়ে কম। কারণ মিষ্টি আলুর মধ্যে আঁশ বা ফাইবার বেশি পরিমাণে থাকে। এই আঁশের কারণে মিষ্টি আলুর শর্করা আমাদের রক্তে মিশতে সময় লাগে। প্রচুর আঁশ ছাড়াও মিষ্টি আলু ভিটামিন ‘এ’ ও বিটা ক্যারোটিনের চমৎকার উৎস। এই সবজির পুষ্টিমানও অনেক।
* গাজর
গাজরে বিটা ক্যারোটিন, ভিটামিন ‘এ’, ভিটামিন সি ইত্যাদির সমাহার রয়েছে। চোখের স্বাস্থ্য রক্ষায় এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে এই সবজি বিশেষ কার্যকর। গাজরে শর্করা অতটা বাড়ে না।
* বিট
ভিটামিন ‘সি’ ও বিটা ক্যারোটিন সমৃদ্ধ বিট খেলে শক্তি ও উদ্দীপনা বাড়ে। এতে নাইট্রেট আছে বলে রক্তনালি ও হৃদ্যন্ত্রের জন্যও ভালো।
* শালগম ও মুলা
মুলা ও শালগমে প্রচুর ফলিক অ্যাসিড আছে, যা অন্তঃসত্ত্বার খাওয়া উচিত। এতে আছে অনেক আঁশ এবং প্রচুর ভিটামিন ‘সি’।
মাটির নিচে যেসব সবজি ফলে, তাতে শর্করা স্টার্চ হিসেবে থাকে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। এগুলোতে প্রচুর পরিমাণে আঁশ রয়েছে, যা পরিপাকতন্ত্রের জন্য উপকারী। এসব সবজিতে ভিটামিন ‘এ’, ভিটামিন ‘সি’, ভিটামিন ‘বি৬’, বিটা ক্যারোটিন ও পটাশিয়াম বেশি পরিমাণে থাকে। বেশি পিউরিন-সমৃদ্ধ খাবারে ইউরিক অ্যাসিড বাড়তে পারে। কিন্তু উল্লিখিত সবজিগুলোতে পিউরিন বেশি নেই। তাই বাতের ব্যথার রোগীদের এসব সবজি খেতে বাধা নেই।

48
Story, Article & Poetry / Summary of The Daffodils by William Wordsworth
« on: February 13, 2017, 10:11:05 AM »
Summary of The Daffodils Stanza-wise:

The poem consists of 4 stanzas. Each of these stanzas is again made up of 6 lines. Hence, the entire poem consists of 24 lines in total. It is written in the first person, hence we can equate the speaker of the poem with Wordsworth himself.
 
1st Stanza:

I wandered lonely as a cloud
That floats on high o’er vales and hills,
When all at once I saw a crowd,
A host, of golden daffodils;
Beside the lake, beneath the trees,
Fluttering and dancing in the breeze.

In this stanza, the poet says that he was walking around alone and without any particular destination in mind. He compares this state of his to a solitary cloud in the sky that floats in an aimless direction over both hills and valleys. While walking alone, the poet suddenly comes across a large number of daffodils growing in one place. These daffodils were in fact growing next to a lake, in the shade of many tall trees, and they were being swayed by a light breeze.

2nd Stanza:

Continuous as the stars that shine
And twinkle on the milky way,
They stretched in never-ending line
Along the margin of a bay:
Ten thousand saw I at a glance,
Tossing their heads in sprightly dance.

In this stanza, the poet continues his description of the daffodils that he came across while walking alone one day. He says that the daffodils grew in one straight line that seemed to have no end. At no point in its entire length did the line of daffodils seem to have any interruption or discontinuity. In fact, the poet compares the density of the daffodil flowers to the density of the stars that form a part of our galaxy – the Milky Way – and that can be seen shining in the night sky. Right next to the bay, the poet thinks he sees as many as ten thousand daffodils, and all of them seemed to be dancing in a cheerful and light-hearted manner.

3rd Stanza:

The waves beside them danced; but they
Out-did the sparkling waves in glee:
A poet could not but be gay,
In such a jocund company:
I gazed—and gazed—but little thought
What wealth the show to me had brought:

In this stanza, the poet’s focus shifts slightly from the daffodils, and falls instead on the lake beside which they are growing. He says that the waves in the lake are shining due to the reflection of the sunlight on the water’s surface. However, the daffodils are so bright and fresh that they are sparkling even more than the waves. The poet imagines that the daffodils are happy to be winning this contest, if indeed it were a contest. He also says that he could not help being happy either. Being in the presence of the daffodils’ glee makes him gleeful in his turn. The poet keeps staring at the beauty of the daffodils, but he cannot even imagine what value this image will come to hold in the future.

4th stanza:

For oft, when on my couch I lie
In vacant or in pensive mood,
They flash upon that inward eye
Which is the bliss of solitude;
And then my heart with pleasure fills,
And dances with the daffodils.

The hint that was made about the image of the daffodils in the countryside is explained in details in this stanza. The poet says that when he is staying in the city, he often lies down on the sofa at his house and feels like looking back on his memories, especially the one of seeing the daffodils. At that point, the image of the daffodils returns to the poet’s mind. It is not his physical eyes that can see the daffodils now, but the vision of his mind that lets him imagine them. He knows that such memories can only be relived when he is alone. And when he relives the memory of the daffodils, his heart is filled with a sense of joy and he imagines himself dancing alongside the daffodils.

49
শীত যাই যাই করেও যেন যাচ্ছে না। এ সময় সর্দি-কাশির প্রকোপ বেশি হয়ে থাকে। এ সমস্যা থেকে রেহাই পেতে কিছু বিশেষ খাবার বেশ সহায়ক। এগুলো আপনার সুরক্ষা দিতে পারে। জেনে নিন এ বিষয়ে কয়েকটি তথ্য:
* হালকা গরম পানিতে মধু ও লেবুর রস মিশিয়ে পান করলে ঠান্ডা-সর্দি দূর হয়। লেবুর ভিটামিন সি ও মধুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট মিলে এই সুরক্ষা দেয়।
* ধুলাবালি ও ঠান্ডায় শ্বাসনালি সংকুচিত হয়। ফলে শ্বাসকষ্ট হয়। গরম আদা-চা বা লেবু-চা এই কষ্ট দূর করে এবং জমে থাকা কফকেও তরল করে।
* চায়ের সঙ্গে তুলসীপাতা জ্বাল দিয়ে খাওয়া যায়। আবার প্রতিদিন দু-তিনটা এমনি পাতা ধুয়েও চিবিয়ে খাওয়া যায়। এতে বিটা ক্যারোটিন ও ইউনিজল আছে, যা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ও ব্যাকটেরিয়ারোধী। গলা খুস খুস করলেও তুলসীপাতা উপকারী।
* সরিষার তেল, পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচের ভর্তা কফ তরল করে। এ ছাড়া সরিষাভর্তা, সরিষাশাক ও কালিজিরার ভর্তা সর্দি-কাশি কমায়।

* যাঁরা শীতে কষ্ট পান ও যাঁদের সহজে ঠান্ডা লেগে যায়, তাদের জন্য একটি পরামর্শ—খাওয়ার পানি দু-তিন কোয়া রসুন মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে পান করুন। এটি শরীরকে গরম রাখে এবং ঠান্ডা থেকে সুরক্ষা দেয়।

* শীতে গরম স্যুপ, গরম চা ঠান্ডা দূর করতে সাহায্য করে। তবে প্রচুর পানিও পান করতে হবে। কেননা সর্দি-কাশি ও জ্বরে শরীর দ্রুত পানিশূন্য হয়ে পড়ে। 


50
দুটি বা এর বেশি শব্দে উদ্ধৃতি চিহ্ন ব্যবহার করুন। যেমন “technology history”

শব্দ বিয়োগ:
আপনি হয়তো একটি বিষয়ে গবেষণা করছেন, কিন্তু কোনো একটা বিশেষ অংশ বাদ দিতে চান। সে ক্ষেত্রে বিয়োগ চিহ্নের (-) ব্যবহার হলো সমাধান। যেমন technolgy history -calculator

নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে খোঁজ:
কোনো বিষয় নির্দিষ্ট একটি ওয়েবসাইটে খুঁজতে চাইছেন। কিন্তু ওই সাইটে সার্চ সুবিধা নেই, সে ক্ষেত্রে লিখুন এভাবে “technolgy column” site:prothom-alo.com

একই রকম বা সমার্থক শব্দ:
যে শব্দ বা দু-তিনটি শব্দ দিয়ে তথ্য খোঁজ করছেন, তার সমার্থক বা প্রতিশব্দের তথ্যও যাতে পেতে পারেন সে জন্য শব্দের আগে টিল্ড () চিহ্ন বসিয়ে দিন। যেমন ..technology facts

নির্দিষ্ট ঘরানার ফাইল:
কোনো বিষয়ের ওয়ার্ড ডকুমেন্ট কিংবা পাওয়ার পয়েন্ট ফাইল খুঁজতে চাইলে ফাইলের ধরন উল্লেখ করে দিতে হবে। যেমন “laptop computer” filetype:ppt

এটা অথবা ওটা:
গুগলে যে শব্দ দিয়ে খোঁজ করবেন, সেই বিষয়ের তথ্যই গুগল খুঁজে দেবে। যদি দুই ধরনের বিষয় খুঁজতে চান তবে শব্দের মাঝখানে or বসিয়ে দিন। যেমন technology trend or technology business

সংখ্যা সীমা:
কোনো নির্দিষ্ট মেয়াদকাল কিংবা মূল্যমানের সীমার মধ্যে তথ্য খুঁজতে চান, তবে তা উল্লেখ করে দিন। যেমন mobile user 2000..2016 কিংবা smartphone 10000..25000

ক্যালকুলেটর:
গুগলের সার্চবারকে সরাসরি ক্যালকুলেটর হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এখানেই হিসাব কষা যাবে। যেমন 13.5*1490

শব্দের সংজ্ঞা:
কোনো কিছুর সংজ্ঞা জানতে শব্দের আগে difine লিখে দিতে হবে। যেমন define:digital device

ব্লগের তথ্য:
নির্দিষ্ট বিষয়ে ব্লগ লেখকেরা কী লিখেছেন বা ব্লগসাইটগুলোতে সেটি নিয়ে কী আলোচনা হচ্ছে, সেসব তথ্য পেতে লিখতে হবে এভাবে- stress management:blogs

সময় বা আবহাওয়া:
কোনো স্থানের তখনকার সময় বা আবহাওয়ার তথ্য জানতে শুধু লিখে দিন-time in Chittagong

তুলনা বা একই রকম জিনিস:
একটা জিনিসের সঙ্গে আরেকটার তুলনা করতে better than, আবার একই রকম কিছু খুঁজতে reminds me of ব্যবহার করতে পারেন। যেমন “better than plastic”. “reminds me of the Beatles” অথবা “sounds like drama”

সূত্র: গুগল ডটকম ও হাবস্পট ডটকম

51
মাথা ধরেছে? দুটো প্যারাসিটামল খেয়ে ঘুম দিলেই সেরে যাবে। হাঁটু ব্যথা করছে? একটা ব্যথানাশক বড়ি খেয়ে নিলেই হলো। নানা সময়ে, নানা কারণে আমরা এভাবে বিভিন্ন ধরনের ব্যথানাশক খেয়ে ফেলি। আমাদের দেশে এ ধরনের ব্যথার বড়ি কিনতে ও খেতে চিকিৎসকের কোনো ব্যবস্থাপত্রও দরকার হয় না। ইচ্ছে হলেই কিনে খাওয়া যায়। কিন্তু আসলে কি এভাবে যেকোনো কারণে ব্যথার বড়ি খাওয়া উচিত?

প্রচলিত ব্যথার ওষুধ আসলে মূলত চার ধরনের—এসিটামিনোফ্যান বা প্যারাসিটামল, নন–স্টেরয়ডাল অ্যান্টি–ইনফ্লামেটরি ওষুধ, স্টেরয়েড এবং ওপিয়ড জাতীয় ওষুধ। এর মধ্যে প্যারাসিটামল ও আইবুপ্রোফেন, ন্যাপরোক্সেন জাতীয় নন–স্টেরয়ডাল অ্যান্টি–ইনফ্লামেটরি সারা বিশ্বেই ওভার দ্য কাউন্টার ওষুধ হিসেবে স্বীকৃত, অর্থাৎ ব্যবস্থাপত্র ছাড়াই কেনা যায়। তবে অন্যান্য ওষুধ কিনতে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র লাগে। কিন্তু আমাদের দেশে অন্য ওষুধগুলোও কেনা যায়। তবে ওপিয়ড, যেমন মরফিন, প্যাথিডিন ইত্যাদির ব্যাপারে কিছু বাধ্যবাধকতা আছে। এখন আসুন, জেনে নিই, সাধারণ ব্যথানাশকে কোনো ঝুঁকি আছে কি না।

এক. এসিটামিনোফেন বা প্যারাসিটামলের খুব বেশি ঝুঁকি না থাকলেও যাদের যকৃতের সমস্যা আছে, তাদের জন্য এটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। আমাদের দেশে অনেকেরই ক্রনিক লিভার ডিজিজ, হেপাটাইটিস বি ও সি সংক্রমণ এখনো লুক্কায়িত অবস্থায় আছে। না জেনে তাদের বেশি প্যারাসিটামল খাওয়া বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। যাঁরা অ্যালকোহল পান করেন, তাঁদের জন্যও এটি ঝুঁকিপূর্ণ। অনেকে জ্বর হলে একই সঙ্গে কয়েক ঘণ্টা পর পর সাপোজিটরি, মুখে খাবার বড়ি ইত্যাদি বারবার ব্যবহার করেন। তাই মাত্রা যাতে না ছাড়িয়ে যায়, সেদিকে লক্ষ রাখুন।

এসিটামিনোফেন বা প্যারাসিটামলের খুব বেশি ঝুঁকি না থাকলেও যাদের যকৃতের সমস্যা আছে, তাদের জন্য এটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে
দুই. নন–স্টেরয়েডাল অ্যান্টি–ইনফ্লামেটরি দুনিয়াজুড়ে বাত, ব্যথা, প্রদাহজনিত ব্যথায় এবং কাটা–ছেঁড়া শল্যচিকিৎসার পর সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। প্রয়োজনে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এ ধরনের ওষুধ রোগ সারাতে ও তীব্রতা কমাতে কার্যকর। কিন্তু কিডনি অকার্যকারিতা, হাঁপানি রোগী ও পেপটিক আলসারের রোগীর জন্য কখনো এরা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। কারও অ্যালার্জিও হতে পারে। সম্প্রতি হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের গবেষকেরা বলছেন, অ্যাসপিরিন, নন–স্টেরয়ডাল অ্যান্টি–ইনফ্লামেটরি এমনকি প্যারাসিটামল নিয়মিত সেবনকারীর শ্রবণ ঘাটতি হতে পারে। গর্ভাবস্থার প্রথম ২০ সপ্তাহের মধ্যে নন–স্টেরয়েডাল অ্যান্টি–ইনফ্লামেটরি খেলে গর্ভপাতের ঝুঁকি আছে। যাঁদের গ্যাস্ট্রাইটিস বা আলসার আছে, এবং যাঁরা রক্ত পাতলা করার ওষুধ খান, তাঁদের পাকস্থলীতে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ায় এগুলো।

তিন. ব্যথা কমানোর আরেকটি ওষুধ হলো স্টেরয়েড। চিকিৎসাবিজ্ঞানে নানা পরিস্থিতিতে এই স্টেরয়েড ব্যবহারের নির্দেশনা আছে। কিন্তু না জেনে–বুঝে স্টেরয়েড ওষুধ দিনের পর দিন খাওয়া, স্টেরয়েড–সংবলিত টোটকা ওষুধ খেতে থাকা নানা ধরনের শারীরিক বৈকল্য করে; যা জীবনসংহারীও হতে পারে। তাই চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া স্টেরয়েড সেবন করা উচিত নয়।

চার. মোদ্দা কথা হলো, ব্যথার ওষুধ আমাদের জীবনে প্রায় প্রায়ই খেতে হয়। তবে এ ক্ষেত্রে কিছু নিয়মকানুন মেনে চলাই ভালো। সম্ভব হলে অবশ্যই ব্যথানাশক খাবার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ঠিক কী মাত্রায় কত দিন খাবেন, ভালো করে বুঝে নিন। আপনি অন্য কোনো ওষুধ খাচ্ছেন কি না, তা কী; অন্য কোনো রোগবালাই আছে কি না, অন্তঃসত্ত্বা কি না বা সন্তান ধারণের চেষ্টা করছেন কি না, এগুলো চিকিৎসককে অবহিত করুন। কোনো ওষুধে এর আগে প্রতিক্রিয়া হয়েছিল কি না, তা–ও জানান। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ব্যথার ওষুধ খেয়ে ব্যথা কমিয়ে আমরা অনেক সময় আসল রোগকে দাবিয়ে ফেলি। ফলে রোগ ধরা পড়তে সময় নেয়। তাই ওষুধ খেয়ে ব্যথা দাবিয়ে না রেখে প্রয়োজনে পরীক্ষা–নিরীক্ষার মাধ্যমে কারণ নির্ণয় করুন। ব্যথার চিকিৎসার চেয়ে কারণটির চিকিৎসাই জরুরি।

অধ্যাপক খাজা নাজিমুদ্দিন

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

52
BCS Cadre / Techniques of Writing in the Examination Papers.
« on: January 21, 2017, 06:40:25 PM »
লিখিত পরীক্ষার জন্য যে তথ্য আহরণ বা পড়াশোনা করেছেন, তার মূল লক্ষ্য হলো পরীক্ষার খাতায় চমৎকারভাবে উপস্থাপন করে আসা। আর এটি যদি করতে ব্যর্থ হন, তবে সব পরিশ্রম বৃথা যাবে। কারণ, পরীক্ষক আপনার জানার চেয়ে খাতায় কীভাবে উপস্থাপন করেছেন তা দেখে নম্বর দেবেন। ছোটখাটো ভুল হয়তো আপনার স্বপ্নকে ব্যাহত করতে পারে। তাই তাঁকে সন্তুষ্ট করে আসা জরুরি। এ জন্য সতর্ক থাকতে হবে। অনেক তো পড়াশোনা হলো এবং ভালোই তথ্য আছে বা মাথায় নিয়েছেন। এবার সঠিকভাবে তা খাতায় দিয়ে আসতে হবে এবং খাতার অঙ্গসজ্জা ঠিকমতো করতে হবে। তবেই হবে পরিশ্রম শতভাগ সার্থক। এ ব্যাপারে নিচের বিষয়গুলো অনুসরণ করতে পারেন:

ক. খাতায় কালো, নীল এবং ক্ষেত্রবিশেষে পেনসিল ছাড়া আর কোনো কালির দাগ থাকবে না। অনেকে সবুজ, বেগুনি, গোলাপি রং ব্যবহার করেন, যা ঠিক নয়।

খ. খাতাটি পেয়ে রেজিস্ট্রেশন নম্বরসহ তথ্যাদি পূরণ করে মার্জিন করে ফেলবেন। অবশ্যই বক্স স্কেলিং নয়। কারণ, এতে লেখার জায়গাটা অনেক ছোট হয়ে আসে। ওপরে ও বাঁ পাশে এক ইঞ্চি রেখে দাগ। এই স্কেলিং করবেন নীল কালি দিয়ে।

গ. লুজ শিটে সময় না থাকলে মার্জিন করার প্রয়োজন নেই। শুধু ওপরে ও বাঁয়ে ভাঁজ করে নিন।

ঘ. লুজ শিট নিলে তার নম্বরটি প্রথমেই মূল খাতার যথাস্থানে পূরণ করে নিন। পরে মনে থাকবে না।

ঙ. আপনার জীবনের সর্বোচ্চ গতিতে লিখবেন। লেখা যেদিকে যায় যাক। শুধু বোঝা গেলেই হবে। দ্রুত লিখলে লেখা খারাপ হবে এটাই স্বাভাবিক। চিন্তার কিছু নেই।

চ. পয়েন্ট, কোটেশন ও রেফারেন্স নীল কালি দিয়ে লিখবেন এবং নীল কালি দিয়ে আন্ডারলাইন করে দেবেন। এতে পরীক্ষক সহজে চোখে দেখবেন। তাঁকে দেখানোই আপনার কাজ।

ছ. সব প্রশ্নের উত্তর করে আসবেন। সময় না থাকলে কম লিখবেন। না পারলে আন্দাজে কিছু একটা লিখবেন।

জ. চেষ্টা করবেন প্রশ্নের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে উত্তর দিতে। এতে খাতা দেখা সহজ হয়। তাই পরীক্ষক খুশি। আর তিনি খুশি হলে নম্বর ভালো আসবে।

ঝ. তবে টু দ্য পয়েন্টের উত্তরগুলো আগে দেওয়া ভালো। যেমন ব্যাকরণের উত্তর, চিঠিপত্র, ছোট প্রশ্ন, টীকা। তারপর বর্ণনামূলক লেখা ভালো।

ঞ. অসম্পূর্ণ উত্তরের ক্ষেত্রে বাংলার বেলায় অ. পৃ. দ্র. এবং ইংরেজির বেলায় To be continued লেখা উত্তম।

ট. নতুন প্রশ্ন নতুন পৃষ্ঠা থেকে শুরু করা ভালো। তবে গুচ্ছ প্রশ্নের ক্ষেত্রে তা প্রযোজ্য হবে না।

ঠ. বিজ্ঞান ছাড়া অন্য বিষয়ে চিত্রের প্রয়োজন নেই। এখানে তথ্যের দরকার। এটিই দিন।

ড. চিঠিপত্র লেখার সময় বাঁ পাশের পৃষ্ঠা থেকে শুরু করা উত্তম এবং দুই পৃষ্ঠায় শেষ করে দেবেন।

ঢ. মার্জিনের বাইরে কোনো লেখা হবে না। প্রশ্নের নম্বর ও কত নম্বর প্রশ্নের উত্তর লিখছেন তাও লেখা যাবে না। এমনকি একটা ফুলস্টপও হবে না। বোঝা গেল নিশ্চয়ই।

ণ. অনাবশ্যকভাবে পৃষ্ঠা ভরবেন না। পৃষ্ঠা গুনে নম্বর হয় না। যা চেয়েছে ও যা জানেন, তা সময়ের সঙ্গে মিল রেখে লিখুন।

ত. যথাসম্ভব কাটাকাটি করবেন না। এতে খাতার সৌন্দর্য নষ্ট হয়। সুন্দর জিনিসের দাম সর্বত্রই আছে। তার মানে এই নয়, লেখা বাদ দিয়ে নকশা করবেন। বুঝতে পেরেছেন আশা করি।

থ. টীকা লেখার সময় প্রথমে হালকা ভূমিকার মতো থাকবে এবং শেষে একটা সমাপনী থাকবে। মাঝখানে যা জানতে চেয়েছে তা অল্প করে লিখে দেবেন।

দ. যেসব প্রশ্নের উত্তরের ক্ষেত্রে শব্দ নির্ধারিত থাকবে, তা কোনোভাবেই অতিক্রম করা যাবে না। যেমন ইংরেজি রচনা। এ জন্য পরীক্ষার হলে গুনতে বসবেন না। বাসায় এক পৃষ্ঠা দ্রুত লিখে দেখবেন কত শব্দ হয়। সেই সংখ্যা দিয়ে নির্ধারিত সংখ্যাকে ভাগ দিলে পৃষ্ঠা পেয়ে যাবেন। তবে সামান্য বেশি হলে তেমন সমস্যা নেই।

যথাসম্ভব কাটাকাটি করবেন না। এতে খাতার সৌন্দর্য নষ্ট হয়। সুন্দর জিনিসের দাম সর্বত্রই আছে।
ধ. ৫ নম্বরের একটা প্রশ্নের উত্তর সর্বোচ্চ ২ পৃষ্ঠা হতে পারে। এর বেশি অনেক ক্ষেত্রেই সময় পাবেন না।

ন. এক কথায় যেসব প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে, তা যত সংক্ষেপে লেখা যায়। এখানে প্যাঁচালেই বিপদ।

প. ইংরেজি ও বাংলা রচনা শেষে লেখাই উত্তম। কারণ, তা সর্বাধিক নম্বর বহন করে।

ফ. শূন্যস্থান পূরণের ক্ষেত্রে যদি নম্বর না থেকে প্যাসেজ থাকে, তবে পুরোটা তুলতে হবে। আর শূন্যস্থান এর নিচে নীল কালি দিয়ে আন্ডারলাইন করে দিতে হবে, যাতে পরীক্ষকের সহজে চোখে পড়ে।

ব. লেখার সময় বানান ভুল হচ্ছে কি না মাথায় রাখবেন। যতটা সম্ভব এড়িয়ে যাবেন। সিনিয়র স্যাররা এতে খুব বিরক্ত হন।

ভ. যেকোনো চিত্র পেনসিল দিয়ে আঁকবেন। ফ্রিহ্যান্ডে আঁকাই উত্তম।

ম. বর্ণনামূলক প্রশ্নে পারলে ছক দিয়ে তথ্য উপস্থাপন করবেন। ছকটা তৈরি করবেন নীল কালিতে আর লিখবেন কালো কালিতে। এতে পরীক্ষক সহজে বুঝতে পারবেন।

য়. জেলজাতীয় কালির কলম ব্যবহার না করাই উত্তম। এতে অন্য পৃষ্ঠাও নষ্ট হয়ে যায়।

র. ভুলক্রমে যদি কোনো পৃষ্ঠা রেখে পরবর্তী পৃষ্ঠায় লিখে ফেলেন, তবে ফাঁকা পৃষ্ঠায় একটা দাগ টেনে দেবেন।

ল. প্রতিটি নম্বরের জন্য কত সময় পান, তা আগেই হিসাব করে রাখবেন এবং সেই পরিমাণ সময় তাতে ব্যয় করবেন। যদি বরাদ্দকৃত সময় কিছু বেঁচে যায়, তবে তা পরবর্তী কোনো প্রশ্নে ব্যবহার করতে পারেন।

শ. সাধারণ গণিতে উত্তর শেষ হলে একটু রিভিশন দেবেন। অনেকেরই প্লাস, মাইনাস বা ছোটখাটো ভুল করার অভ্যাস আছে।

একটা কথা মনে রাখবেন, এমন কোনো কাজ খাতায় করে আসবেন না বা এমন কিছু লিখবেন না বা এমন প্রক্রিয়ায় উপস্থাপন করবেন না, যাতে পরীক্ষকের মাথা গরম হয় বা তিনি বিরক্ত হন। কারণ, তিনি খেপে গেলে আপনাকে বিদায় নিতে হতে পারে। তাই সতর্ক থাকুন এবং পড়াশোনা করুন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া লিখিত পরীক্ষায় আপনি সফল হোন। সবার জন্য শুভকামনা। ধন্যবাদ সবাইকে।

53
খাবারে ফাইবার বা আঁশ থাকার গুরুত্ব সবারই জানা। ওজন কমাতে, রক্তে শর্করা ও চর্বি কমাতে এবং বৃহদন্ত্রের ক্যানসারসহ নানা রোগ প্রতিরোধে চিকিৎসক বেশি করে আঁশযুক্ত খাবার খেতে পরামর্শ দেন। উদ্ভিদ থেকে এই আঁশ পাওয়া যায়। এটি দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় এই দুইভাবে শরীরে প্রবেশ করে। দুই ধরনের আঁশই শরীরের জন্য দরকারি। রোগ প্রতিরোধে দুই ধরনের আঁশ ভিন্ন ভূমিকা পালন করে।

দ্রবণীয় আঁশের উপকার

দ্রবণীয় আঁশ পানিতে মিশে যায়। এটি জেলের মতো বস্তু তৈরি করে এবং পানিযুক্ত করলে আয়তনে বাড়ে। দ্রবণীয় আঁশযুক্ত খাবারের মধ্যে আছে ওটমিল, শিমজাতীয় খাবার (মটর, শিম, ডাল), বার্লি, ফল ও সবজি (কমলা, অ্যাপল ও গাজর)।

দ্রবণীয় আঁশের উপকারিতা অনেক। এর মধ্যে আছে রক্তে কোলস্টেরলের মাত্রা কম রাখা, গ্লুকোজের মাত্রা সীমিত করা, ওজন কমানোসহ অন্ত্রের নড়াচড়া বাড়ানো।

অদ্রবণীয় আঁশের উপকার
অদ্রবণীয় আঁশ পানিতে মেশে না। এটি প্রায় অবিকৃত হয়ে পাচনতন্ত্র পার হয়। বিভিন্ন বীজ, ফলের খোসা, গমের রুটি ও বাদামি ভাতে এই আঁশ থাকে। অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে অদ্রবণীয় আঁশ গুরুত্বপূর্ণ। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে এই আঁশ দরকারি। এটি ওজন কমাতেও সাহায্য করে।
সব ধরনের আঁশযুক্ত খাবারে খনিজ ও ভিটামিন হিসেবে প্রচুর পুষ্টি উপাদান থাকে যা শরীর ঠিক রাখতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

আঁশযুক্ত খাবারআঁশযুক্ত খাবার বাড়াবেন যেভাবে
১. জুস করার চেয়ে আস্ত ফল বিচিসহ খান। কারণ এতে প্রচুর আঁশ পাবেন।
২. প্রতিদিন কমপক্ষে ৫ ধরনের ফল বা সবজি খান।
৩. প্রক্রিয়াজাত খাবার বা শস্যর পরিবর্তে পূর্ণশস্য হিসেবে ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার যেমন¦লাল আটা, চাল, পাস্তা ইত্যাদি খেতে পারেন।
৪. মাংস খাওয়া কমিয়ে বাদাম, বিনস, শস্য, ছোলা, ডাল ইত্যাদি খেতে হবে।
৫. সাদা চালের পরিবর্তে বাদামি চালের ভাত খেতে পারেন। আরেকটি বিষয় মনে রাখতে হবে। তা হচ্ছে, প্রচুর পানি খাওয়ার বিষয়টি। আঁশযুক্ত খাবার খেলে শরীরে প্রচুর পানির দরকার পড়ে। কারণ আঁশযুক্ত খাবার প্রচুর পানি শোষণ করে।

54
o গণতন্ত্র শব্দটির উত্পত্তি গ্রিসে, যার অর্থ জনগণের শক্তি

o গণতন্ত্র পদ্ধতির প্রাচীনতম নিদর্শন পাওয়া যায় এথেন্সে

o ভোট প্রদান ও নির্বাচন গণতন্ত্রের অন্যতম উপাদান

o আধুনিক পৃথিবীর অধিকাংশ সরকারই পরিচালিত হয় গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে

 

55
Articles and Write up / Think Positive
« on: January 18, 2017, 03:38:47 PM »
আলো ঝলমলে সুখের দিনে মনের কোণে জমে থাকা মেঘলা আকাশ ছায়া ফেলতে পারে চলার পথে। জীবনের এই প্রতিনিয়ত পরিবর্তনে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে চলতে প্রয়োজন পজিটিভ বা ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি। -

অফিসে ঠিক ১০টায় জরুরি মিটিং। সকালে উঠে এক মিনিটও ফুরসত নেই কাশফার। কিন্তু দেখা গেল কাজের বুয়া আজকের দিনটাই বেছে নিয়েছে না আসার জন্য। স্বামী সাইদও বাড়ি নেই। সে থাকলে অন্তত কিছু সাহায্য করতে পারত। কিন্তু অফিস ট্যুরে সেও এক সপ্তাহ হলো বাইরে। না, সর্বনাশের এখানেই শেষ নয়। ৫ বছরের মেয়ে ফাইজার কাল রাত থেকেই জ্বর। শেষ পর্যন্ত গৃহস্থালি কাজ, রান্না-বান্না এবং অসুস্থ মেয়ের দেখাশোনা করে কাশফা যখন বাড়ির বাইরে পা রাখল তখন ঘড়ির কাঁটা সাড়ে ৯টা পেরিয়ে বেশ খানিকটা এগিয়ে গেছে। অতএব ছুট, ছুট, ছুট। পরিস্থিতিটা কি খানিকটা চেনা চেনা লাগছে? এক এক সময় সবারই মনে হয়, বোধ হয় ডেডলাইন মেনটেইন করাই আমাদের জীবনের মূল লক্ষ্য। আর এই ইঁদুর দৌড়ে পিছিয়ে পড়লেই আঁকড়ে ধরে ডিপ্রিশন আর হেরে যাওয়ার যন্ত্রণা। তাহলে কি এই স্ট্রেস থেকে নিস্তার পাওয়ার কোনো রাস্তা নেই? অবশ্যই আছে। স্ট্রেস, টেনশন, অ্যাংজাইটি মোকাবিলা করার একটাই অস্ত্র হলো পজিটিভ আউটলুক বা জীবনের প্রতি একটা পূর্ণাঙ্গ ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি।

পজিটিভ বা ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি

আমরা মনে যা ভাবছি তার ওপর নির্ভর করে আমাদের কথাবার্তা, আচার-আচরণ এমন কি বিভিন্ন বিষয়ে নেওয়া বহু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও। ধরা যাক কারও ব্যবহারে আপনি খুব অপমানিতবোধ করেছেন। সারা দিন সেই অপমানবোধটাই আপনার মধ্যে জাগিয়ে তুলছে রাগ, বিদ্বেষ, সন্দেহের মতো নানা খারাপ অনুভূতি। দিনের শেষে হয়তো দেখা গেল অনিচ্ছা সত্ত্বেও অনেকের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে ফেলেছেন, ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন এবং নিজেকে আরও সমস্যার দিকে ঠেলে দিয়েছেন। ঠিক এ সময়ই কাজ দেবে পজিটিভ থিঙ্কিং। জীবনের নানা চ্যালেঞ্জ, প্রতিকূলতার মধ্যে এই পজিটিভ আউটলুকই ফিরিয়ে আনতে পারে আশা, আনন্দ এবং স্বস্তি। এতেই পেতে পারেন সফলতার চাবিকাঠি।

কি করে হবেন পজিটিভ থিঙ্কার—

নিজের চিন্তাভাবনার ওপর নিয়ন্ত্রণ আনুন। কোনো মন্তব্য বা ঘটনা আপনার মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করার আগেই সেটা মনে মনে একবার কাটাছেঁড়া করে নিন। ঠিক যে কথা বা ঘটনা আপনার মধ্যে অস্বস্তি তৈরি করছে সেটাকে যুক্তি দিয়ে সাজিয়ে বোঝার চেষ্টা করুন। যদি আপনার কোনো দোষ থেকে থাকে তাহলে সেটাকে একটা লার্নিং হিসেবে নিন যাতে ভবিষ্যতে আর এ ধরনের পরিস্থিতির শিকার না হতে হয়। যদি আপনার আদৌ কোনো ভুল না হয়ে থাকে, তাহলে অন্তত নিজের কাছে নিজে পরিষ্কার আছেন জেনে নিশ্চিন্তে থাকুন। অপরের ভুলের জন্য নিজের মনকে কলুষিত করা কোনো কাজের কথা নয়।    বন্ধু বা কলিগদের মধ্যে যারা ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির জন্য পরিচিত, তাদের সঙ্গে নেটওয়ার্ক গড়ে তুলুন। কোনো সমস্যায় পড়লে তাদের থেকে পরামর্শ চান। এরা আপনার কর্মক্ষমতা বাড়াবে, সাহস দেবে এবং জীবনকে ভালোভাবে গড়ে তুলতে সহযোগিতা করবে। যারা নেগেটিভ টেম্পারমেন্টের মানুষ অর্থাত্ সব কিছু অহেতুক সমালোচনা করেন, অন্যের সাফল্য সন্দেহের চোখে দেখেন তাদের এড়িয়ে চলুন।

প্রতিদিন সকালে উঠে নিজেকে নিজে বলুন, ‘আমি ভালো আছি। আমি ভালো থাকব’। দৃঢ় বিশ্বাস এবং ইচ্ছাশক্তির ওপর নির্ভর করে বলা এই কথাগুলো আপনাকে নতুন সাহস জোগাতে সাহায্য করবে। এছাড়া ‘আমার কপালটাই খারাপ’ বা ‘আমার দ্বারা কিছু হবে না’ এ জাতীয় মন্তব্য করা বন্ধ করে দিন। বরং ‘এ কাজটা শক্ত কিন্তু আমি পারব’ এ চিন্তাটাই মনে গেঁথে নিন।   বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। সেল্ফ ইমপ্রুভমেন্ট বা পার্সোনালিটি ডেভেলপমেন্টের বইও দৈনন্দিন জীবনের জটিলতা থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করতে পারে।   নিজের লক্ষ্য ঠিক করুন। সাংসারিক কাজকর্মই হোক বা ক্যারিয়ার— সব ব্যাপারেই একটা খসড়া পরিকল্পনা থাকা খুবই জরুরি। প্রতিদিন না হোক সপ্তাহের শুরুতে বাড়ির কাজ আর অফিসের কাজের দুটি আলাদা আলাদা চেকলিস্ট বানিয়ে নিন। এক একটা কাজ শেষ হলেই লাল পেনসিল দিয়ে কেটে দিন। সব কাজ ঠিকমতো শেষ হলে নিজেকেই ছোট্ট একটা প্রাইজ দিন। ছোট ছোট লক্ষ্য পূরণ করতে করতে আত্মবিশ্বাস গড়ে উঠবে। আর আত্মবিশ্বাস থেকেই পজিটিভ থিঙ্কিংয়ের জন্ম।   সারা দিনে যা করেছেন তা দিনের শেষে মনে করুন। কোন কাজটি পারেননি, সেটা নিয়ে চিন্তা না করে যেখানে সাফল্য পেয়েছেন সেটা নিয়ে ভাবুন। যে কারণে সফল হয়েছেন সেটা অন্যান্য কাজে প্রয়োগ করুন। দেখবেন নতুন কাজের উৎসাহ বাড়বে।

56
Hypertension / মাথা ঘোরে বনবন
« on: December 26, 2016, 10:55:49 AM »
মাথা ঘোরার অনুভূতি হলে কারও মনে হয়, তিনি নিজেই ঘুরছেন। আবার কারও মনে হয়, চারপাশের সবকিছু বনবন করে ঘুরছে। আমাদের অন্তঃকর্ণের ভেস্টিবুলার অংশ শরীরের সঙ্গে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখে। এই কাজের যাবতীয় তথ্য স্নায়ুর মাধ্যমে মস্তিষ্কে পৌঁছায়। প্রতি মুহূর্তে প্রতি ভঙ্গিমায় শরীর এই ভারসাম্য রক্ষা করে চলে। এই ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ায় সামান্য গোলমালেই ভারসাম্য নষ্ট হয়। তখনই মাথা ঘোরে। এ সমস্যার সাধারণ কারণগুলো হলো:

১. উচ্চ রক্তচাপ

২. কানের সমস্যা, যেমন: বিনাইন পজিশনাল ভার্টিগো—এতে অন্তঃকর্ণের ভেতর ক্যালসিয়াম জমে; মিনিয়ার্স রোগ—অন্তঃকর্ণের অভ্যন্তরীণ তরলের চাপ পরিবর্তন হয়; প্রদাহ, যেমন: ভাইরাস সংক্রমণ, ভেস্টিবুলার নিউরাইটিস ইত্যাদি।

৩. মস্তিষ্কের সমস্যা, যেমন: মাথায় আঘাত বা পেট্রাস হাড়ের ক্ষতি, জোরে ঝাঁকুনি, স্ট্রোক, টিউমার, মাইগ্রেন ইত্যাদি।

৪. ঘাড়ের সমস্যা, ঘাড়ে আঘাত, স্পনডাইলাইটিস, রক্ত চলাচলে বাধা ইত্যাদি।

৫. রক্তে লবণের তারতম্য, কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।

মাথা ঘুরলে কান, চোখ ও ঘাড় পরীক্ষা করতে হবে। মিনিয়ার্স রোগে কানের ভেতর শোঁ শোঁ বা দপ দপ শব্দ হয়। বিনাইন পজিশনাল ভার্টিগো হলে মাথা বা ঘাড়ের অবস্থান পাল্টালে বা কাত বদল করলে মাথা ঘোরে। রক্তচাপের পরিবর্তনের জন্য বসা থেকে উঠে দাঁড়ালে মাথা ঘুরতে পারে।

কী করবেন?

* রক্তচাপ মাপুন ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করুন

* দাঁড়ানোর সময় ধীরে ধীরে অবস্থান বদলাবেন

* হাঁটার সময় মাথা ঘুরে উঠলে বসে বিশ্রাম নিন

* ঘাড়ের রক্তনালিতে চর্বি জমে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়, তাই তেল-চর্বি কম খান

* ইপলে মেনুভার নামের ব্যায়াম বেশ কার্যকর

57
Mind Power / সুখের জন্য কী লাগে?
« on: December 13, 2016, 10:00:29 AM »
আয় দ্বিগুণ হলে একজন মানুষ যতটা সুখী হয়, তার চেয়ে অনেক বেশি সুখী সুন্দর মানসিক স্বাস্থ্য এবং একজন ভালো জীবনসঙ্গী থাকলে। যুক্তরাজ্যের লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকসের একদল গবেষক এ তথ্য দিয়েছেন।
ওই গবেষকেরা দুই লাখ মানুষের ভালো থাকার নেপথ্য কারণ জানতে চেষ্টা করে দেখতে পান, বিষণ্নতা বা উদ্বেগের মতো সমস্যাগুলো ব্যক্তিপর্যায়ে সবচেয়ে বেশি অশান্তি তৈরি করে। আর বিপরীত লিঙ্গের কারও সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের মাধ্যমেই সুখের মাত্রা সবচেয়ে বেশি বাড়ে।
গবেষণাটি মূলত বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক জরিপের তথ্য সংকলন। এতে দেখা যায়, প্রতি ১০ জনের ১ জনের উপার্জন দ্বিগুণ হলে তাঁদের সুখ শূন্য দশমিক ২ মাত্রারও কম বৃদ্ধি পায়। তবে একজন জীবনসঙ্গী থাকলে তাঁদের সুখ শূন্য দশমিক ৬ মাত্রায় বাড়ে। আর সঙ্গীর মৃত্যু বা বিচ্ছেদে একই মাত্রায় সুখ কমে যায়। আবার বিষণ্নতা ও দুশ্চিন্তাই মানুষের সুখের ওপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে। বেকারত্বও মানুষের অশান্তির মাত্রা প্রায় একইভাবে বাড়িয়ে দেয়। গবেষণা প্রতিবেদনটির সহ-লেখক অধ্যাপক রিচার্ড লেয়ার্ড বলেন, রাষ্ট্রকে তার নাগরিকদের সুখের জন্য নতুন ভূমিকা পালন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে তাঁদের সম্পদ বৃদ্ধির পরিবর্তে ভালো থাকার সুযোগ সৃষ্টির দিকে বেশি মনোযোগ দিতে হবে। তথ্যপ্রমাণ বলছে, মানুষের সুখ-দুঃখের নেপথ্যে সামাজিক সম্পর্ক এবং শারীরিক স্বাস্থ্যই সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলে।
অধ্যাপক লেয়ার্ড আরও বলেন, অতীতে রাষ্ট্র যথাক্রমে দারিদ্র্য, বেকারত্ব, শিক্ষা ও শারীরিক স্বাস্থ্য দেখভালের বিষয়ে বেশি নজর দিত। কিন্তু এখন পারিবারিক নির্যাতন বা সহিংসতা, মাদকাসক্তি, বিষণ্নতা ও দুশ্চিন্তার মতো বিষয়গুলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কারণ, এগুলো তরুণসমাজকে বিচ্ছিন্ন করে দিচ্ছে।


58
দৈনন্দিন জীবনে শুধু সাতটি সহজ বিষয় রপ্ত করতে পারলেই ২০২০ সাল নাগাদ হৃদ্‌রোগজনিত মৃত্যু ২০ শতাংশ কমে যাবে। আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন এ কথা বলেছে। এই লক্ষ্যে সংগঠনটি ‘সিম্পল সেভেন’ নামের প্রচার কার্যক্রমও শুরু করেছে। চলুন জেনে নিই অভ্যাসগুলো কী কী:
১. শরীরের বাড়তি ওজন ঝেড়ে ফেলুন। উচ্চতা অনুযায়ী সঠিক ওজনের মাপকে বলা হয় বিএমআই। বিএমআই হওয়া চাই আদর্শ। স্থূলতা থেকে সাবধান।
২. ধূমপানকে না বলুন। নিকোটিন ও অন্যান্য দূষিত পদার্থ রক্তনালিতে ব্যাপক ক্ষতি ঘটায়, তার পরিণাম হৃদ্ ‌রোগ।
৩. সুস্থতার জন্য আপনাকে সচল বা সক্রিয় থাকতে হবে। দৈনন্দিন কাজকর্মের বাইরে প্রতিদিন অন্তত ২২ মিনিট হাঁটুন, সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট।
৪. দিনে কমপক্ষে পাঁচ রকমের তাজা ফল ও শাকসবজি খেতে হবে, পাঁচবার।
৫. রক্তে ক্ষতিকর চর্বির মাত্রা কমাতে হবে। সে জন্য লাল মাংস, ভাজা -পোড়া খাবার, ঘি -মাখন, ফাস্ট ফুড ও বেশি চর্বিযুক্ত খাবার যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলাই ভালো।
৬. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন। আর তার জন্য লবণ খাওয়া কমানোটা খুবই জরুরি।
৭. রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণ করুন। চিনি, মিষ্টি, সহজ শর্করা কমিয়ে প্রোটিন ও সবজি খান বেশি করে।

59
Law of Bangladesh / দান কী আর উইল কী?
« on: December 07, 2016, 01:37:08 PM »
মা-বাবা জীবদ্দশায় নিজেদের নামে থাকা জমিজমা ভবিষ্যতে সন্তানেরা যেন পায়, তা নিশ্চিত করে যেতে চান। এ নিয়ে উদ্বিগ্নও থাকতে দেখা যায় অনেককে। বিশেষ করে যাঁদের শুধু কন্যা সন্তান আছে, তাঁদের দুশ্চিন্তাই যেন বেশি। অনেক মা-বাবা বলেই বসেন, ছেলেমেয়ের নামে সম্পত্তি লিখে দিয়ে যাবেন। যেন তাদের মৃত্যুর পর পুরো সম্পত্তি সন্তানেরা নিশ্চিন্তভাবে ভোগ করতে পারে। এ নিয়ে কেউ কেউ বিভ্রান্তও হন। রীতিমতো স্ট্যাম্পে ঘোষণা দিয়ে নোটারি করিয়ে রাখেন কেউ কেউ। কিন্তু ছেলেমেয়েদের সম্পত্তির নিশ্চয়তা করতে গিয়ে আইন সঠিকভাবে না জানার কারণে ভবিষ্যৎ আরও জটিল করে তোলা হয়। সম্পত্তি যদি নিশ্চিত করে দিতে হয়, তাহলে আইনের কিছু বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এগুলো জানতে হবে এবং মানতে হবে।
আইন কী বলে?
কেউ যদি তাঁর সন্তানদের সম্পত্তি নিশ্চিত করতে চান, তাহলে সাবালক সন্তানদের কাছে প্রথমেই বিক্রয় করে হেবা দলিল সম্পন্ন করে নিতে পারেন। মুসলমানদের ক্ষেত্রে বিক্রয় বাদে আরও দুটি পথ বেছে নেওয়ার সুযোগ আছে। একটি হলো হেবা বা দান এবং অন্যটি হচ্ছে উইল। তবে অনেকেই এ দুটির মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারেন না।

দান বা হেবা করতে হয় নিঃশর্তভাবে। হেবা করার জন্য তিনটি শর্ত পূরণ করতে হয়। প্রথমত, হেবাকারীকে হেবার ঘোষণা দিতে হবে অথবা পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বা আমমোক্তারনামা করেও ঘোষণা দিতে পারেন। দ্বিতীয়ত, যাকে হেবা বা দান করা হচ্ছে, তার দ্বারা গ্রহণ। আর তৃতীয়ত, হেবা করা সম্পত্তির দখল গ্রহণ। হেবা কিংবা দান করা সম্পত্তির দখল হস্তান্তর করা বাধ্যতামূলক এবং অবশ্যই রেজিস্ট্রি করে নিতে হবে।

আর উইল হচ্ছে নিজের অবর্তমানে কাউকে সম্পত্তি দিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা। তবে কোনো মুসলমান তাঁর দাফন-কাফনের ব্যয় ও দেনা পরিশোধের পর সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশের বেশি উইল করতে পারবে না। অর্থাৎ উইলের ক্ষেত্রে পুরো সম্পত্তি দিয়ে যেতে পারবেন না। যদি এক-তৃতীয়াংশের বেশি উইল করা হয়, তাহলে সে উইল কার্যকর করা যাবে না। তবে সম্পত্তির উইলের ক্ষেত্রে অন্য ওয়ারিশদের অনুমতি নিয়ে এর বেশিও উইল করা যাবে। দান সঙ্গে সঙ্গে হস্তান্তর করতে হয়। উইল কার্যকর হয় মৃত্যুর পর। তবে নাবালক সন্তান থাকলে দানের ক্ষেত্রে সন্তান সাবালক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে হস্তান্তর করতে হবে।

একজন হিন্দু ব্যক্তিও তাঁর সম্পত্তি উইল করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে কোনো সুনির্দিষ্ট নিয়ম নেই। একজন হিন্দু ব্যক্তি তাঁর সমুদয় সম্পত্তি উইল করতে পারেন। হিন্দু সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে জেলা জজ আদালত থেকে উইলকারীর মৃত্যুর পর উইল প্রবেট করতে হয়। প্রবেট হচ্ছে আদালতের মাধ্যমে উইলের প্রমাণ। যেকোনো হেবা বা দান লিখিত আকারে হতে হবে তা রেজিস্ট্রি করে নিতে হবে।


60
Events of DIU / Invitation to join and promise to Change Together!!!
« on: December 07, 2016, 12:50:37 PM »
Respected All:
 
With the spontaneous participation from mass number of our Faculty members and Officials, the inaugural phase of the ‘Change Together’ program ended successfully. In continuation to that regular event, you will be glad to know that the next phase of the program is going to be hosted at PC on 13th December 2016 with a hope that a greater number of participants will be participating their.
With a view to encouraging physical exercise, parade and sports spirit in our corporate culture and changing mentality, we cordially invite you to join the event as per following schedule:
 
Date: 13 December 2016
Day: Tuesday
Event: Journey to Permanent campus by DIU transport and have some parade/PT/ exercise followed by light breakfast. After that, coming back and start day to day office/ academic activities
Departure Time: 7 morning
Departure From: Opposite to DT5
Reporting: 6:45 morning at Departure point
 
You are encouraged to do your registration and join the program.
 
Note:
Pre-registration is a must for every participant.
Registration open from tomorrow (7th December) morning
Who have already received a DIU tracksuit will be able to do a free registration and will be able to join the event
Who have not received a DIU tracksuit will have to do a registration with BDT 500/=
With this Five hundred taka fees every participant will get:
* DIU branded Exclusive Tracksuit at 70%+ discounted price (Regular Price: 1,700 BDT)
* Breakfast coupon of Tk. 20
* Transport
* Band show & Fun
* Life time membership of "Change Together" movement
Seats are limited upon first come first serve
Registration Booths:
City Campuses, DSA Office, DT-5 (Mr. Kawsar, kawsar802@diu.edu.bd; 01991195523);
Permanent Campus (Mr. Feroz Pasha, feroz@daffodilvarsity.edu.bd; 01847140125)
Uttara Campus (Mr. Khairul Sagir, sagir.uttara@daffodilvarsity.edu.bd; 01847140053)
Tracksuit to be collected from the point of registration on 12th noon, during 12:00-6:00 pm

Pages: 1 2 3 [4] 5 6 ... 22