Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - khadija kochi

Pages: 1 2 [3] 4 5 6
31
মানবদেহের ৭৫ শতাংশই পানি। পরিপাক, সংবহন, পুষ্টিকণা পরিবহন, খাদ্য শোষণ ও বিপাক, তাপমাত্রা ও ভারসাম্য রক্ষাসহ শরীরের প্রতিটি কাজে পানির প্রয়োজন হয়। অথচ এই পানিই কখনো কখনো নানা রোগের কারণ হয়ে উঠতে পারে। ডায়রিয়া, কলেরা, জন্ডিস, টাইফয়েড ইত্যাদি রোগ আসলে পানিবাহিত।
জাতিসংঘের ভাষ্য অনুযায়ী, বিশ্বে প্রতি নয়জনের একজন বিশুদ্ধ ও পরিষ্কার পানির আওতায় নেই। প্রতি তিনজনে একজন সঠিক পয়োনিষ্কাশনের আওতার বাইরে। ফলে দেখা দিচ্ছে নানা রোগবালাই। কেবল বিশুদ্ধ ও পরিচ্ছন্ন পানি ব্যবহারের মাধ্যমে দুনিয়াজুড়ে পানিবাহিত রোগ এবং এ কারণে মৃত্যুর ঝুঁকি ২১ শতাংশ কমানো যেতে পারে।
পানি বিশুদ্ধ করার সঠিক পদ্ধতি কোনটি, এ নিয়ে অনেকেরই আছে বিভ্রান্তি। পানি ফুটিয়ে পান করা ভালো, নাকি ফিল্টার করে, নাকি দুটোই?
* পানি ফুটিয়ে নেওয়া সবচেয়ে উত্তম পদ্ধতি। এতে জীবাণু, পরজীবী এমনকি তার ডিম ও লার্ভাসহ সবই ধ্বংস হয়। পানি ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় কমপক্ষে ১০ মিনিট ধরে ফোটাতে হবে। তারপর তা ঠান্ডা করে কলসি, কাচের জগ বা পরিষ্কার পাত্রে সংরক্ষণ করতে হবে। রেখে দেওয়া ফোটানো পানিতে আবার জীবাণুর আক্রমণ হতে পারে—বিশেষ করে, যদি তা বেশি দিন রেখে দেওয়া হয়। তাই রোজকার পানি রোজই ফুটিয়ে নেওয়া ভালো।
* পানি ফোটালে জীবাণু ও পরজীবী ধ্বংস হয় বটে, তবে সব রাসায়নিক উপাদান নষ্ট হয় না। ফোটানো পানিতে কখনো কখনো ক্যালসিয়াম কার্বনেট জাতীয় তলানি পড়ে। এর সবগুলো যে খারাপ, তা নয়। তবে খনিজ উপাদানের কারণে পানি ঘোলাটে বা অপরিচ্ছন্ন দেখালে ছেঁকে নেওয়া যেতে পারে।
* ফোটানো পানি আবার ফিল্টার করা প্রয়োজন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন আসে। পানি ফোটানোর মাধ্যমেই ক্ষতিকর জীবাণু দূর করা সম্ভব, তবে সন্দেহ হলে ফিল্টার করা যায়। বেশির ভাগ ফিল্টার আসলে পানির স্বাদ ও গন্ধকেই উন্নত করে।
* ভ্রমণে, বনজঙ্গলে, ক্যাম্পে বা দুর্গত এলাকায় পানি বিশুদ্ধকরণ বড়ি দিয়ে পানি বিশুদ্ধ করা হয়। এই পদ্ধতি সম্পূর্ণ নিরাপদ নয়, তবে জরুরি পরিস্থিতিতে কাজ চালানো যেতে পারে।
* বাইরে বা ভ্রমণের সময় কেনা পানির চেয়ে বাড়ি থেকে বোতলে পানি নেওয়ার চেষ্টা করুন। কাচ ও স্টিলের পাত্রে পানি সংরক্ষণ করাই সবচেয়ে ভালো।

32
Faculty Forum / সাইনাস নিয়ে যাতনা
« on: November 24, 2015, 12:21:17 AM »
যাঁদের সাইনোসাইটিস বা সাইনাসের প্রদাহ আছে, তাঁদের জন্য মৌসুম পরিবর্তনের সময়টা খারাপ। এটা তাঁদের আকস্মিক সমস্যা বেড়ে যাওয়ার সময়।
আমাদের নাকের পেছনে ও মাথার খুলির ভেতর কিছু ফাঁকা জায়গা আছে যার নাম সাইনাস। সাইনোসাইটিসে এই ফাঁকা জায়গার ভেতর তরল জমে, প্রদাহ হয় ও কখনো সংক্রমণ ঘটে। শীতের শুরুতে ঠান্ডা হাওয়া ও ধুলাবালু নাক-মুখ দিয়ে প্রবেশ করে এই প্রদাহের সৃষ্টি করে। এর ফলে প্রচণ্ড মাথাব্যথা হতে থাকে, নাক বন্ধ হয়ে যায়, কখনো সর্দি হয়। নাকের পেছন দিকে তরল গলায় প্রবাহিত হয় ও এর কারণে গলায় খুসখুস কাশি হতে পারে। জীবাণু সংক্রমণ হলে জ্বরও আসতে পারে।
সাইনাসের সমস্যা বেড়ে যাওয়া প্রতিরোধ করতে এই সময়টা একটু সাবধানে থাকতে হবে। চট করে যেন ঠান্ডা লেগে না যায় সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে। ঠান্ডা পানি পান করা উচিত নয়। আর গোসলেও হালকা গরম পানি ব্যবহার করা উচিত। ভোরে বা সন্ধ্যার পর কুয়াশা ও শীতল বাতাসের হাত থেকে বাঁচতে একটু ভারী জামাকাপড় পরুন। ধুলাবালু, কার্পেটের ধুলা, পশুপাখির লোম আপনার জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। নাক না ঢেকে ধুলা ঝাড়া ঠিক নয়।
তারপরও সমস্যায় পড়লে দরকার পুরোপুরি বিশ্রাম ও প্রচুর তরল খাবার। গরম স্যুপ, গরম আদা চা বা গ্রিন টি আরাম দেবে। বারবার পানি পান করুন। নয়তো পানিশূন্যতা হতে পারে। প্রচুর ভিটামিন সি আছে এমন খাবার খান। যেমন লেবু, মাল্টা, কমলা, জাম্বুরা ইত্যাদি। নাক বন্ধ হয়ে গেলে অস্বস্তি কমাতে নাকে স্যালাইন বা লবণ পানির ড্রপ ব্যবহার করা যায়। গরম পানির ভাঁপ নিলে বন্ধ নাক খুলে যাবে। রাতে একটু উঁচু বালিশ ব্যবহার করে ঘর গরম করে ঘুমালে অনেকটাই স্বস্তি মিলবে। শিশুদের নাক পরিষ্কার রাখুন, নয়তো শ্বাসকষ্ট হতে পারে। প্রয়োজনে অ্যান্টি-হিস্টামিন জাতীয় ওষুধ খাওয়া যেতে পারে। কিন্তু দুই বছরের নিচের শিশুদের তা না দেওয়াই ভালো। জ্বর হলে প্যারাসিটামল খাওয়া যায়। কয়েক দিনের মধ্যে সেরে না গেলে বা জ্বর তীব্র হলে অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়াই ভালো

33
বাংলাদেশে প্রায় ৭০ লাখ মানুষ ডায়াবেটিসে ভুগছেন। এ তথ্য আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশনের। এ রোগের প্রভাবে মানুষের হৃদ্যন্ত্র, কিডনি, রক্তনালি, চোখ,¯স্নায়ুসহ প্রায় সব অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ টাইপ-টু ডায়াবেটিসই কিন্তু প্রতিরোধ করা যায়।
আজ বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য ‘স্বাস্থ্যসম্মত খাবার ডায়াবেটিস প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের অন্যতম উপায়’। এ বিষয়ে কয়েকটি পরামর্শ:

     প্রথমেই জেনে নিই, সুষম খাদ্য ও স্বাস্থ্যকর খাবার কী। প্রতিদিনের খাবারে প্রতিটি পুষ্টি উপাদান—শর্করা, আমিষ, চর্বি, ভিটামিন ও খনিজ উপাদান সঠিক মাত্রায় উপস্থিত থাকলে তবেই তাকে সুষম খাবার বলে। তার পরিমাণ বা পরিমাপ নির্ভর করে আপনার উচ্চতা, ওজন ও কাজ বা শারীরিক পরিশ্রমের ধরনের ওপর।
     অতিরিক্ত ওজন, মেদ-ভুঁড়ি ও কায়িক শ্রমের অভাব—এগুলো ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেক গুণ বাড়িয়ে দেয়। তাই শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য খাওয়াদাওয়ার অভ্যাস সঠিক হওয়া জরুরি। আপনার ওজন সঠিক না থাকলে তা ঠিক করার জন্য প্রতিদিনের খাবারে ক্যালরি গ্রহণের পরিমাপ নির্ধারণ করতে হবে।
     চিনি ও চিনিযুক্ত খাবার, শরবত, মিষ্টি, গুড়, কোমল পানীয় ইত্যাদি বর্জন করুন। কারণ, এগুলো সহজ শর্করা এবং সহজেই শরীরে শোষিত হয়। জটিল শর্করা ও আঁশযুক্ত খাবার বেছে নিন। যেমন: সেদ্ধ চাল, আটা, ছাতু, যব বা ভুট্টার তৈরি খাবার ইত্যাদি।
    সম্পৃক্ত চর্বি ও চর্বিযুক্ত খাবার, বেকারি, ফাস্টফুড, প্রক্রিয়াজাত খাবার ইত্যাদি খেলে ওজন বাড়ে। এগুলো শরীরের জন্য ক্ষতিকর।
    একসঙ্গে বেশি না খেয়ে দিনে-রাতে পাঁচ থেকে ছয়বার অল্প অল্প করে খান। সকালের নাশতা অবশ্যই নিয়মিত গ্রহণ করবেন।
     প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন। বাইরে গিয়ে হাঁটাহাঁটি করতে না পারলে বাড়িতেই ব্যায়াম করুন। প্রতিদিন একই সময় হাঁটা বা শরীরচর্চা করা ভালো।
     কেনা খাবার খাওয়ার সময় প্যাকেটের গায়ে ক্যালরি, শর্করা ও চর্বির পরিমাণ ইত্যাদি আপনার উপযোগী কি না দেখে নিন।

34
Faculty Forum / শিশুর পরীক্ষাভীতি?
« on: November 24, 2015, 12:18:37 AM »
পরীক্ষার কথা ভেবে অনেক সময় শিশুদের বুক ধুকধুক করে, জিব শুকিয়ে যায়। কখনো এই দুশ্চিন্তাই তাদের শারীরিক সমস্যার কারণ হয়ে ওঠে। কেউ বমি করতে থাকে, কারও প্রস্রাব ও মলত্যাগে সমস্যা দেখা দেয়, আর কেউ অসুস্থ হয়ে পড়ে।
পরীক্ষায় ভালো ফলের জন্য শিশুর ওপর খুব জবরদস্তি করা যাবে না। এ কয়েকটা দিন অতিরিক্ত চাপ দিলে ভালো কোনো ফল হবে না, উল্টো ক্ষতি হতে পারে। শিশুকে নিয়ে অন্যদের সামনে কখনো বিরূপ মন্তব্য করবেন না। ‘ও তো কিছুই পারে না’, ‘ওকে দিয়ে কিছু হবে না’ বা ‘কিচ্ছু মনে রাখতে পারে না’‍—নিজের সম্পর্কে এসব মন্তব্য শুনলে শিশুর আত্মবিশ্বাস ও মনোবল নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। 
পরীক্ষার সময় অনেক শিশু খাওয়াদাওয়া করতে চায় না। মস্তিষ্কের জ্বালানি আসে মূলত গ্লুকোজ থেকে। তাই সকালের নাশতায় যথেষ্ট শর্করা থাকা উচিত। সেটা হতে পারে রুটি, কর্ন ফ্লেকস, দুধে ভেজানো পাউরুটি, নরম খিচুড়ি, সঙ্গে ফলের রস (জুস) বা শরবত ইত্যাদি। তবে কেনা বা রেডিমেড গ্লুকোজ খাওয়ানোর দরকার নেই। স্বাভাবিক খাবারে যে শর্করা থাকে তা থেকে সহজেই গ্লুকোজ পাওয়া যায়।

শিশুরা যেন অবশ্যই নাশতা করে স্কুলে যায়। নাশতায় ভাজাপোড়া ও তৈলাক্ত খাবার না রাখাই ভালো। এতে স্কুলে গিয়ে বমি ভাব, পেট ফাঁপার মতো সমস্যা হতে পারে। যেসব শিশুর বমির প্রবণতা আছে, তাদের সকালবেলায় দুধ না দেওয়াই ভালো।

এ সময় আইসক্রিম বা ফ্রিজের ঠান্ডা পানি একদম দেবেন না। এতে ঠান্ডা লেগে, জ্বর হয়ে পরীক্ষাটাই মাটি হয়ে যেতে পারে। বাইরের খাবারও এড়িয়ে চলুন। পেট খারাপ বা খাবারে বিষক্রিয়া (ফুড পয়জনিং) হলে সর্বনাশ।

পরীক্ষার সময় রাত জেগে পড়া অনেকেরই অভ্যাস। রাত জাগলে কিন্তু পড়া মনে থাকে না। মস্তিষ্ককে বিশ্রাম না দিলে কোনো পড়াই মনে থাকবে না।

বেশির ভাগ ক্ষেত্রে শিশুর অস্থিরতা ও উদ্বেগের মূল কারণ মা-বাবা। অভিভাবকের অতি দুশ্চিন্তাই শিশুদের আক্রান্ত করে। এ সময় শিশুকে অকারণ চাপে না ফেলে বরং তার যত্ন নিন, একটু বাড়তি নজর দিন এবং শিশুর পরীক্ষার দিনগুলোকে সহজ করে নিতে চেষ্টা করুন। 

35
প্যারাসিটামল একটি বহুল পরিচিত ওষুধ। জ্বর বা ব্যথায় আক্রান্ত হলে এই ওষুধ খেতে কেউ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ারও প্রয়োজন বোধ করেন না। বলা যায়, এটি একটি ‘ওভার দ্য কাউন্টার’ ওষুধ, মানে প্রেসক্রিপশন ছাড়াই কেনা যায়। সম্প্রতি সরকারি একটি নির্দেশনা অনেকের মনেই প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে, দেখা দিয়েছে বিভ্রান্তি।

গত জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় ওষুধ নিয়ন্ত্রণ কমিটির ২৪৪তমসভায় প্যারাসিটামল ৫০০ মিলিগ্রাম ও ডি-এল মেথিওনিন ১০০ মিলিগ্রামের যৌগ ওষুধটির অনুমোদন বাতিল করা হয়েছে। এতে অনেকেই ধরে নিয়েছেন যে প্যারাসিটামল বুঝি নিষিদ্ধ বা ব্যান্ড হয়ে গেছে।

প্যারাসিটামল কী?: প্যারাসিটামল হলো প্রদাহবিরোধী রাসায়নিক পদার্থ। নাম এসিটামিনোফেন। এটি জ্বর ও ব্যথা-বেদনা কমাতে সাহায্য করে। রোগ নিরাময়ে প্যারাসিটামলের কার্যকারিতা বাড়াতে বা ত্বরান্বিত করতে এর সঙ্গে বিভিন্ন উপাদান ব্যবহার করা হয়, যেমন ক্যাফেইন, ডি-এল মেথিওনিন ইত্যাদি। পরবর্তী সময়ে দেখা যায়, ডি-এল মেথিওনিন ব্যবহার করলে তা উপকারের তুলনায় ক্ষতিই বেশি করে।

কেন বাতিল করা হলো?: প্যারাসিটামল ও ডি-এল মেথিওনিনের মিশ্রণে মেথিওনিন থাকে। এটি সেবন করলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে হৃদ্‌রোগ, ক্যানসার, যকৃতের সমস্যা, মস্তিষ্কের ক্ষতি ও রক্তের অম্লতা বৃদ্ধির ঝুঁকি রয়েছে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। তা ছাড়া ১২ বছরের কম বয়সী কোনো শিশুর জন্য মেথিওনিনযুক্ত প্যারাসিটামল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ কারণেই প্যারাসিটামল ও ডি-এল মেথিওনিনের মিশ্রণে তৈরি ওষুধটির উৎপাদন ও বিক্রি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে শুধু প্যারাসিটামল কখনোই বাতিল করা হয়নি।

সতর্কতা: যেকোনো ওষুধ সেবন করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। প্যারাসিটামল-জাতীয় ওষুধ কেনার আগে অবশ্যই ওষুধের গায়ে লেখা পড়ে নিন। প্রত্যেক ওষুধের প্যাকেটে এর উপকরণের নাম ও পরিমাণ লেখা থাকে। প্যারাসিটামল ও ডি-এল মেথিওনিনের মিশ্রণ বা কম্বিনেশনের ওষুধ এড়িয়ে চলুন

36
Faculty Forum / শীতে শিশুর যত্নআত্তি
« on: November 24, 2015, 12:14:43 AM »
শীত কড়া নাড়ছে দরজায়। সেই সঙ্গে শিশুদের সর্দি-জ্বরের শঙ্কাও বাড়ছে। নিউমোনিয়াসহ আরও নানা রোগ এ সময় হানা দেয়। শিশুরা সহজে তাদের শরীরে তাপ ধরে রাখতে পারে না, তাই ঠান্ডা লাগতে পারে।
শীত অল্প হলেও শিশুকে পর্যাপ্ত গরম জামাকাপড় পরাতে হবে। তার মানে এই নয় যে শিশুর নাক-মুখ বন্ধ করে, শক্ত করে মুড়িয়ে দিতে হবে। শীতের কাপড় যেন আরামদায়ক হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। শীতে ঘাম কম হওয়ার কারণে শিশুর প্রস্রাব বেশি হয়। তাই নবজাতকের কাঁথা ভিজে যাচ্ছে কি না বা শিশুদের প্যান্ট ভিজছে কি না, তা সব সময় খেয়াল রাখতে হবে। বেশি প্রস্রাব করছে দেখে অনেকে শিশুকে বুকের দুধ ও তরল খাবার কমিয়ে দেন। এ রকম কখনোই করা উচিত নয়।
শীতে গোসল করতে বাধা নেই। কুসুম গরম পানি দিয়ে শিশুকে এক দিন পরপর গোসল করাতে পারেন। তবে গোসল করানোর সময় কানে যাতে পানি না ঢোকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আর গোসলের পরপর শরীর ভালোভাবে মুছতে ভুলবেন না। এ সময় ত্বকের যত্নে অবশ্যই ভালো মানের লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন।
শীতে সর্দি-কাশিতে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা খুবই বেশি দেখা যায়। এগুলোর বেশির ভাগই ভাইরাসজনিত, তাই খুব বেশি জ্বর থাকে না। এ সময় শিশুকে বুকের দুধ ও পর্যাপ্ত তরল খাবার দিতে হবে। সেই সঙ্গে লবণ-পানি দিয়ে শিশুর নাক পরিষ্কার করিয়ে দিতে হবে। কোনো অ্যান্টিবায়োটিক ছাড়াই ঘরোয়া চিকিৎসায় অধিকাংশ কাশি সেরে যায়। তবে খুব বেশি জ্বর হলে, শ্বাসকষ্ট বেশি হলে কিংবা শিশু খাওয়াদাওয়া বন্ধ করে দিলে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে।
মায়ের সাধারণ সর্দি-জ্বর হলে সেই মায়ের বুকের দুধ পান করালে শিশুও আক্রান্ত হবে—এই আশঙ্কায় অনেকে শিশুকে বুকের দুধ বন্ধ করে দেন। এই ধারণার কোনো ভিত্তি নেই।

37
Faculty Forum / সাত দিনে সুন্দর
« on: November 24, 2015, 12:12:38 AM »
চোখের নিচে কালচে দাগ পড়েছে, মুখের ত্বকও মনে হচ্ছে মলিন। চুলে মেহেদি দেওয়া দরকার। হাত-পায়েরও তো যত্ন নেওয়া চাই। সবই করতে হবে, কিন্তু কবে? ছুটির দিনটি কি তবে রূপচর্চাতেই কাটবে? প্রতিদিনই রুটিন করে যদি একটু একটু যত্ন নেন, তাহলে মনে হবে না ছুটির দিনের বেশির ভাগ সময় চলে গেল এই রূপচর্চা করতে করতেই। সপ্তাহের সাত দিনের একটি ‘রূপ-রুটিন’ তৈরি করবেন কীভাবে, সে পরামর্শই দিয়েছেন গীতি’স বিউটি পারলারের রূপবিশেষজ্ঞ গীতি বিল্লাহ। তিনি বলেন, ‘প্রতিদিনের একটু একটু সৌন্দর্যচর্চার কারণেই নিজেকে সতেজ মনে হবে সর্বদা।’
শুক্রবার
তাহলে, এ দিনটি থেকেই শুরু করুন। ছুটির দিন বলে বাড়তি একটু সময়ও পাবেন। চুলে মেহেদি বা অন্য কোনো প্যাক লাগিয়ে ভালোভাবে শ্যাম্পু করে নিন। কিংবা অয়েল ম্যাসাজও করতে পারেন। কেউ কেউ বাড়িতেই রং করেন চুলে, এ দিনটি ব্যবহার করতে পারেন সে কাজেও। গোসলের আগে হাত-পায়ের নখ কেটে নিন। পেডিকিওর বা ম্যানিকিওর করতে পারেন। যেকোনো একটি করুন এই দিনে।
শনিবার
এই দিনটিতেও অনেকের সাপ্তাহিক ছুটি থাকে। পারলারে যদি কাজ থাকে যেমন চুল ছাঁটানো, ফেসিয়াল কিংবা ভ্রু প্লাক—তবে এসবের জন্য বেছে নিন এ দিনটিকেই। শুক্রবারের তুলনায় এ দিনটিতে কিছুটা কম ভিড় থাকে পারলারে। ব্যক্তিগত কাজ বেশি থাকলে শুক্রবারের রূপ রুটিনের কিছু কাজ এই শনিবারেই করুন। যেমন পেডিকিওর শুক্রবারে করলে ম্যানিকিওরের কাজটি করে নিন এই দিনে।
রোববার

শুরু হয়ে গেল সেই প্রাত্যহিক দৌড়ঝাঁপ। সকালে যেহেতু অফিস কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়ার ব্যস্ততা। তাই সকালটা বাদ দিয়ে বাসায় ফিরে সন্ধ্যায় টিভি দেখতে দেখতে কিংবা বাড়ির কোনো কাজ করতে করতে সেরে ফেলতে পারেন নিত্য-রূপচর্চা। এদিন নজর দিন ছোটখাটো বিষয়ে। অনেকের ঠোঁটের রং কিছুটা কালো থাকে। কয়েক ফোঁটা পাতিলেবুর রস, মধু ও যেকোনো ম্যাসাজ ক্রিম মিশিয়ে ঠোঁটের জন্য প্যাক বানিয়ে নিন। দিনে দুবার ঠোঁটে ম্যাসাজ করুন। মাস খানেক নিয়মিত ম্যাসাজেই উপকার পাবেন। এভাবে ত্বকের অন্য যেকোনো ছোটখাট সমস্যার জন্য সময় রাখুন প্রতি রোববারে।

সোমবার
সোমবার দিনটিতে নজর দিতে পারেন কনুই, হাঁটু, পায়ের পাতার দিকে। এসব অংশের ত্বকে কালো ছোপ ছোপ দাগ পড়ে অনেকের। এ জন্য দুই চা-চামচ লবণ, দুই চা-চামচ চিনি আর এক চা-চামচ খাবার সোডা নিয়ে তাতে পরিমাণমতো পাতিলেবুর রস ও শসার রস মিশিয়ে প্যাক বানান। এবার কালো হয়ে যাওয়া অংশে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। এরপর ভালো করে পানি দিয়ে ধুয়ে সামান্য ক্রিম দিয়ে ম্যাসাজ করে নিন।

মঙ্গলবার
চোখের নিচে কালো দাগ যাঁদের, মঙ্গলবার তাঁরা খোসাসহ আলু বেটে চোখের নিচে লাগাতে পারেন। ইচ্ছে করলে অন্যান্য রূপচর্চার পাশাপাশি করে নিতে পারেন এ কাজটিও। তাহলে সময়ও বেঁচে যাবে অনেকটা।

বুধবার
এ দিনটি রাখুন চুলের জন্য। খুশকির সমস্যায় যাঁরা ভুগছেন, তাঁদের চাই নিয়মিত যত্ন। এর জন্য সমপরিমাণ লেবুর রস আর খাঁটি নারকেল তেল একসঙ্গে গরম করে নিন। চুলের গোড়ায় গোড়ায় ভালোভাবে ম্যাসাজ করুন। এরপর হট টাওয়েল ট্রিটমেন্ট নিন। এ পদ্ধতিটি খুব সহজ। আগে থেকেই পানি গরম করে রাখুন। তেল ম্যাসাজ হয়ে গেলে ১০ মিনিট পর গরম পানিতে একটি পরিষ্কার তোয়ালে ডুবিয়ে দিন। তোয়ালের পানি কিছুটা চেপে ফেলে দিন। এরপর তোয়ালে দিয়ে মাথা পেঁচিয়ে নিন যেন গরম ভাপটুকু চুলে লাগে। এভাবে দু-তিনবার তোয়ালে দিয়ে ভাপ দিন। সব শেষে শ্যাম্পু করে ফেলুন। নিয়মিত এটি করলে খুশকি কমবে। মনে রাখবেন, খুশকিমুক্ত চুলের জন্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা জরুরি। বালিশের কভার সপ্তাহে একবার বদলে নিন। দিনে বার দুয়েক পরিষ্কার চিরুনি দিয়ে চুল আঁচড়ে নিন।

বৃহস্পতিবার
পরের দিনই ছুটি। তাই মনটা বেশ ফুরফুরে থাকে বোধ হয় এই বৃহস্পতিবারই। আবার অনেকের থাকে রাতের দাওয়াত। এদিন তেমন ব্যস্ততা না থাকলে পুরো সপ্তাহের ক্লান্তি কাটাতে কিছু প্যাক ব্যবহার করতে পারেন। রোদে যদি মুখের ত্বক পুড়ে যায়, তাহলে জাম পাতা ও আম পাতা বেটে এর মধ্যে হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে মুখে লাগাতে পারেন৷ এতে ত্বক উজ্জ্বল হবে৷ আবার কালো ছাপ পড়লে চিনির রসের মধ্যে লবণ মিশিয়ে আলতো হাতে ত্বকে মালিশ করুন। এতে দাগ দূর হবে, ত্বকের মরা কোষও উঠে যাবে।
এভাবে রোজকার রূপ-রুটিন মেনে চললে দেখবেন—‘সময়ের অভাবে করা হচ্ছে না কিছুই’—এ আক্ষেপ আর করতেই হবে না।

38
Faculty Forum / কী খেলে সুন্দর থাকবেন
« on: November 24, 2015, 12:09:46 AM »
নানান উপকরণ একসঙ্গে মিলিয়ে বা গুঁড়া করে নানান প্যাক তৈরির ঝক্কিতে হয়তো নিজের ত্বক বা চুলের যত্ন নেওয়াই হয় না। ব্যস্ত জীবনে এই হ্যাপা কজন সামলাতে পারেন, বলুন তো? সময় নেই, তাই বলে থেমে থাকবে রূপচর্চা? একদমই তা নয়। রোজকার খাবারদাবার একটু বুঝেশুনে খেলে খাবার থেকেই মিলবে চুল, ত্বক ও নখের সৌন্দর্যের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চর্মরোগ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হরষিত কুমার পাল বলেন, চুল, নখ ও ত্বক সুস্থ রাখতে প্রয়োজন সুষম খাদ্যাভ্যাস। প্রতিটি খাদ্য উপাদান গ্রহণ করতে হবে পরিমাণমতো। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় শর্করা, আমিষ, স্নেহজাতীয় পদার্থ, ভিটামিন, খনিজ উপাদান ও পানি রাখতে হবে সঠিক পরিমাণে। কোনো খাদ্য উপাদান ত্বক বা চুলের জন্য উপকারী বলে সেই উপাদানটি অতিরিক্ত পরিমাণে গ্রহণ করা যেমন ঠিক নয়, তেমনি কোনো একটি খাদ্য উপাদান দৈনন্দিন চাহিদার চেয়ে কম পরিমাণে গ্রহণ করাও উচিত নয়।
তিনি আরও জানালেন, পানি যেমন ত্বকে আর্দ্রতা ধরে রাখে, তেমনি প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি পান করলে কিডনিতে সমস্যা হওয়ার আশঙ্কাও থাকে। তাই প্রয়োজনের তুলনায় কম বা বেশি পানি পান করা কোনোটিই ঠিক নয়; যতটা প্রয়োজন, ততটাই পান করতে হবে। আপনার শরীরের পানির চাহিদা মিটছে কি না, তা আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন। পানির চাহিদা পূরণ না হলে প্রস্রাবের রং হলুদ দেখায়, প্রস্রাবে জ্বালাপোড়াও থাকতে পারে।
রূপচর্চায় খাদ্যাভ্যাসের গুরুত্ব সম্পর্কে আরও জানালেন সোনালী’স এইচডি মেকআপ স্টুডিওর রূপবিশেষজ্ঞ সোনালী ফেরদৌসি মজুমদার। দেখুন তাঁর পরামর্শ।
* চুল মজবুত ও সুস্থ রাখতে আমিষজাতীয় খাবার প্রয়োজন। আমিষের অভাবে চুল পড়ে যেতে পারে। উজ্জ্বল ত্বক ও সুন্দর নখের জন্যও চাই আমিষজাতীয় খাবার। মাছ, মাংস, ডিম, বিভিন্ন ধরনের বাদাম, দুধ ও দুধের তৈরি খাবার থেকে আমিষ পাওয়া যায়।
* আয়রনের অভাবেও চুল পড়তে পারে। কচুশাকসহ অন্যান্য সবুজ শাক, পেয়ারা, আপেল, কলিজা প্রভৃতিতে আয়রন রয়েছে।

* ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড মাথা ও দেহের ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে। মাছের তেল ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের ভালো উৎস।
* সুস্থ চুল ও সুস্থ ত্বকের জন্য আরেকটি প্রয়োজনীয় উপাদান ভিটামিন এ। রঙিন শাকসবজি ও ফলমূলে রয়েছে ভিটামিন এ।
* চুলের আগা ফেটে যাওয়া রোধ করতে সাহায্য করবে বায়োটিন। কাঠবাদাম, ডিমের কুসুম, কলিজা প্রভৃতি থেকে মিলবে প্রয়োজনীয় এই উপাদানটি।
* চুল পড়া রোধ করতে সাহায্য করবে জিংক। ত্বকের কোষগুলোর জন্যও জিংক প্রয়োজন। গম, যবসহ বিভিন্ন শস্যকণায় মিলবে জিংক।
* ত্বকের জন্য আরও একটি প্রয়োজনীয় উপাদান হলো ভিটামিন সি। লেবু, আমড়া, পেয়ারাসহ বিভিন্ন টক ফলে পাবেন প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি।
* এ ছাড়া চুল ও ত্বকের সৌন্দর্যে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করতে হবে।

39
মুখের ত্বকের যত্ন নিয়মিত নিলেও অনেক সময় হাত-পায়ের দিকে খেয়াল করেন না অনেকেই। ফলে হাত ও পায়ের ত্বক হয়ে ওঠে খসখসে। ত্বকের এমন শুষ্কতা খুব অস্বস্তিদায়ক। অনেকের পানিতে হাত ধুলেই হাত সাদা হয়ে যায়। আঙুলের ফাঁকের ত্বক উঠে যায়। পায়ের ত্বকের এমন হতে পারে। ঠান্ডা আবহাওয়ায় এসব সমস্যা আরও বেড়ে যায়।
বারডেম জেনারেল হাসপাতালের অধ্যাপক রেজা বিন জাভেদ বলেন, বংশগত বা জিনগত কারণে অনেকের ত্বকে তেল গ্রন্থিগুলো প্রয়োজনের তুলনায় কম থাকে। ফলে ত্বকের প্রয়োজনমতো তেল নিঃসৃত হয় না। তাই শুষ্কতা দেখা যায়। আবার কিছু রোগের কারণেও হতে পারে। যেমন একজিমা, সোরিয়াসিস ইত্যাদি চর্মরোগের জন্য ত্বক রুক্ষ হয়। কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, পানিশূন্যতার কারণেও ত্বক শুষ্ক হতে পারে। ময়েশ্চারাইজার লোশনে কাজ না হলে সমস্যা চিহ্নিত করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
ত্বক সুন্দর রাখার জন্য প্রয়োজন নিয়মিত যত্নের। রূপবিশেষজ্ঞ তানজিমা শারমিন বলেন, ত্বক শুষ্ক হলে পানির কাজ করার পরেই ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে। অনেকের পা ফেটে চামড়া উঠে যায়। এমনকি রক্তও বের হতে পারে। তাই প্রয়োজন হাত-পায়ের ত্বক সব সময় পরিষ্কার রাখা, সপ্তাহে অন্তত দুই দিন প্যাডিকিওর, মেনিকিউর করা। হাতের ত্বক মসৃণ করতে অলিভ অয়েল ১ চামচ, ৫ চামচ লবণ, ১ চামচ লেবুর রস মিশিয়ে ত্বকে স্ক্রাব করতে পারেন।œএ ছাড়া বাজারে হ্যান্ড ক্রিম ও পা ফাটা রোধের জন্য বিশেষ ক্রিম পাওয়া যায়। সেগুলোও ব্যবহার করতে পারেন।
জেনে নিন
* সারা দিনে বারবার ময়েশ্চারযুক্ত লোশন ব্যবহার করুন।

* রাতে ঘুমানোর আগে হাত-পায়ে অলিভ অয়েল, গ্লিসারিন বা লোশন ব্যবহার করুন।
* শুষ্ক স্থানে মধু ও অ্যালোভেরা জেল ম্যাসাজ করে দু-তিন মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
* পরিমিত পানি পান করুন।
* অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার পরিহার করে সুষম খাবার, শাকসবজি ও ফলমূল গ্রহণ করুন।
* প্রয়োজনে একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞকে দেখান

40
Faculty Forum / সবজির স্বাদে
« on: November 24, 2015, 12:04:42 AM »
কাঁকরোল ভর্তা

কাঁকরোল ভর্তাউপকরণ: কাঁকরোল ৩টা, বড় আলু অর্ধেকটা, রুই মাছ ১ টুকরা, কাঁচা মরিচ ৩-৪ টা, পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ, রসুন কুচি ১ চা-চামচ, তেল দেড় চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো।

প্রণালি: কাঁকরোলের খোসা ও বিচি ফেলে টুকরা করে নিন। আলু ও কাঁকরোল সেদ্ধ করে নিন। মাছ অল্প ভেজে কাঁটা বেছে নিন। সেদ্ধ কাঁকরোল, আলু, কাঁটা ছাড়ানো মাছ ও মরিচ একসঙ্গে বেটে নিন। একটা পাত্রে তেল গরম করে পেঁয়াজ ও রসুন ভেজে তাতে কাঁকরোলের মিশ্রণ দিয়ে একসঙ্গে ভেজে নিন। ঠান্ডা হলে ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

ডাল করলার যুগলবন্দী
ডাল করলার যুগলবন্দীউপকরণ: করলা ২টা, মসুর ডাল ১ কাপ, পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ, রসুন কুচি ১ চা-চামচ, মেথি ১ চা-চামচ, তেজপাতা ১টি, লবণ স্বাদমতো, কাঁচা মরিচ ২টা, ধনেপাতা ২ টেবিল চামচ, হলুদগুঁড়া আধা চা-চামচ।
প্রণালি: করলা গোল গোল করে কেটে নিন। ডালে পেঁয়াজ, রসুন, লবণ ও হলুদ গুঁড়া দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। এরপর তাতে করলা ঢেলে দিন। অন্য পাত্রে তেল গরম করে মেথি ভেজে তুলে নিন। এবার সেই তেলে তেজপাতা ও পেঁয়াজ কুচি বাদামি করে ভেজে ডালে ঢেলে দিন। কাঁচা মরিচ ও ধনেপাতা দিয়ে নামিয়ে নিন।
ঝিঙে আলু চিংড়ির ঝোল

ঝিঙে আলু চিংড়ির ঝোলউপকরণ: ঝিঙে আধা কেজি, আলু ২টা, চিংড়ি ৮-১০টা, পেঁয়াজ কুচি ১ চা-চামচ, রসুন বাটা ১ চা-চামচ, পেঁয়াজ বাটা ১ টেবিল চামচ, টমেটো কুচি ২ টেবিল চামচ, তেল ১ টেবিল চামচ, জিরাগুঁড়া আধা চা-চামচ, ধনেগুঁড়া আধা চা-চামচ, হলুদগুঁড়া আধা চা-চামচ, মরিচগুঁড়া আধা চা-চামচ, কাঁচা মরিচ ২-৩টা, ধনেপাতা ১ টেবিল চামচ।

প্রণালি: ঝিঙে ও আলু টুকরা করে নিন। তেলে পেঁয়াজ হালকা ভেজে রসুন বাটা, পেঁয়াজ বাটা, টমেটো, হলুদগুঁড়া ও মরিচগুঁড়া দিয়ে কষান। সামান্য পানি দিন। এবার আলু ঢেলে দিন। কষিয়ে ঝিঙে ও চিংড়ি দিন। নেড়ে ১ কাপ পানি দিয়ে ঢেকে দিন। সবজি সেদ্ধ হলে কাঁচা মরিচ ও ধনেপাতা দিয়ে নামিয়ে নিন।

ঢ্যাঁড়সের দোলমা

ঢ্যাঁড়সের দোলমাউপকরণ: ঢ্যাঁড়স ২৫০ গ্রাম, চিংড়ি ১ কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, হলুদগুঁড়া ১ চা-চামচ, মরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ, টমেটো ১টা, টকদই ১ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ বাটা ১ চা-চামচ, কাঁচা মরিচ কুচি ১ টেবিল চামচ, জিরাগুঁড়া ১ চা-চামচ, ধনেগুঁড়া ১ চা-চামচ, ধনেপাতা কুচি সামান্য।

প্রণালি: ঢ্যাঁড়স ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন, মাঝে চিরে ভেতরের বিচি বের করে নিন। অল্প তেলে পেঁয়াজ ২ টেবিল চামচ, চিংড়ি (ছোট ছোট টুকরা করে কাটা), আধা চা-চামচ হলুদ ও মরিচগুঁড়া, ধনে ও জিরাগুঁড়া আধা চামচ, কাঁচা মরিচ কুচি ও সামান্য লবণ দিয়ে ভেজে নিন। ঢ্যাঁড়সের ভেতর চিংড়ির পুর ঢুকিয়ে দিন যাতে ঢ্যাঁড়স ভেঙে বা ফেটে না যায়। এবার অন্য পাত্রে ১ টেবিল চামচ তেলে বাকি সব উপকরণ ভেজে তাতে পুর ভরা ঢ্যাঁড়স ঢেলে ঢেকে দিন। চুলায় একটু রেখে ধনেপাতা দিয়ে নামিয়ে নিন।

 

পটোলের কোরমা

পটোলের কোরমাউপকরণ: পটোল আধা কেজি, টকদই ১ কাপ, আদা বাটা ১ চা-চামচ, রসুন বাটা আধা চা-চামচ, পেঁয়াজ বেরেস্তা বাটা ২ টেবিল চামচ, বাদাম বাটা ১ টেবিল চামচ, কিশমিশ বাটা ১ চা-চামচ, তেজপাতা ২টা, দারুচিনি ২ টুকরা, তেল ও ঘি ১ টেবিল চামচ, চিনি ১ চা-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, পেঁয়াজ বাটা ১ চা-চামচ, কাঁচা মরিচ কয়েকটা।

প্রণালি: পটোলের খোসা ছাড়িয়ে দুপাশ কেটে নিন। সামান্য লবণ মেখে ভেজে নিন। এবার চুলায় তেল ও ঘিতে তেজপাতা ও দারুচিনি দিন। এতে টকদই ও ভাজা পটোল ছাড়া সব উপকরণ দিয়ে কষান। একটু পর টকদই দিয়ে কষান। এবার ভাজা পটোল দিয়ে কিছুক্ষণ রেখে কাঁচা মরিচ দিয়ে নামান। ওপরে বেরেস্তা ছড়িয়ে দিয়ে পরিবেশন করুন।

 

41
Faculty Forum / ফ্রিজ থেকে টেবিলে
« on: November 24, 2015, 12:01:21 AM »
শিঙাড়া

শিঙাড়াউপকরণ: ময়দা ২ কাপ, আলু কিউব করে কাটা আধা কেজি, তেল (খামিরের জন্য) আধা কাপ, পেঁয়াজ কিউব করে কাটা ১ কাপ, লবণ ১ চা-চামচ, আদাবাটা ২ টেবিল-চামচ, কালোজিরা আধা চা-চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, বাদাম ২ টেবিল-চামচ, হলুদগুঁড়া সিকি চা-চামচ, তেজপাতা ২টি, কাঁচা মরিচ ৪/৫টি, ধনেপাতা কুচি ২/৩ টেবিল-চামচ, জিরাগুঁড়া ১ চা-চামচ, লবণ প্রয়োজনমতো, এলাচি-দারুচিনি গুঁড়া ১ চা-চামচ, তেল ভাজার জন্য প্রয়োজনমতো, তেল (আলু রান্নার করার জন্য) এক কাপের একটু কম।
প্রণালি: ময়দা, তেল ও লবণ দিয়ে ময়ান দিয়ে নিন। কালোজিরা ও প্রয়োজনমতো পানি ছিটিয়ে শক্ত খামির বানিয়ে ভেজা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখুন ২০ থেকে ৩০ মিনিট। প্যানে তেল গরম করে তেজপাতার ফোড়ন দিন। তাতে আলু, আদা-রসুনবাটা, হলুদগুঁড়া ও লবণ দিয়ে নাড়াচাড়া করে অল্প আঁচে ঢেকে দিন। আলু আধা সেদ্ধ হলে পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচ দিয়ে রান্না করে নিন। একটু পর সব গুঁড়া মসলা দিয়ে নেড়ে ধনেপাতা দিয়ে নামিয়ে নিন। আলু সেদ্ধ হবে, তবে ভেঙে যাবে না।
খামির ৮ ভাগ করে প্রতিটি ভাগ নিয়ে পাতলা রুটি বেলে নিন। রুটিগুলো মাঝখানে ভাঁজ দিয়ে থেকে ২ ভাগ করে নিন। ১টি ভাগ নিয়ে সোজা দিকটা দুই ভাঁজ করে পানি দিয়ে আটকিয়ে তিন কোনা ১টি খামের মতো বানান। এবার খামের মধ্যে আলুর পুর ভরে গোল দিকটা ওপরে এনে পানি দিয়ে মুখটা বন্ধ করে দিন। শিঙাড়া তৈরি হয়ে গেল। এইভাবে সব শিঙাড়া বানিয়ে হালকা গরম তেলে সোনালি করে ভেজে তুলুন।
হিমায়িত করার জন্য: একটি ট্রেতে পলিথিন বিছিয়ে কাঁচা শিঙাড়াগুলো একটা একটা করে সাজিয়ে নিন। ডিপ ফ্রিজে রেখে জমিয়ে নিন। পলিথিনের ব্যাগে ৮ বা ১০টা করে ভরে ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে পারেন। একই নিয়মে বাকি সব খাবারও সংরক্ষণ করা যাবে।

মুরগির কাটলেট
মুরগির কাটলেটউপকরণ: মুরগির মিহি কিমা ১ কাপ, আদাবাটা ১ চা-চামচ, পেঁয়াজকুচি ২ টেবিল-চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল-চামচ, ডিম ১টা (কুসুম আলাদা করে নিন), এলাচি-দারুচিনি গুঁড়া ১ চা-চামচ, সয়া সস ১ টেবিল-চামচ, ময়দা ২ টেবিল-চামচ, টোস্টের গুঁড়া পরিমাণমতো, ভাজার জন্য তেল পরিমাণমতো, লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালি: কিমার সঙ্গে পেঁয়াজকুচি, এলাচি-দারুচিনি গুঁড়া, ধনেপাতা কুচি, ময়দা, আদা-রসুনের বাটা, ডিমের কুসুম, সয়া সস ও পরিমাণমতো লবণ দিয়ে খুব ভালোভাবে মেখে নিন। এবার কাটলেটের আকারে তৈরি করে নিন। এগুলো বিস্কুটের গুঁড়াতে গড়িয়ে ডিমের সাদা অংশে ডুবিয়ে আবার বিস্কুটের গুঁড়ায় মাখান। এখন চপিং বোর্ডের ওপর কাটলেট রেখে ছুরি দিয়ে দাগ কেটে ফ্রাইপ্যানে ভেজে নিন। যেকোনো সস দিয়ে পরিবেশন করুন।
টিকিয়া কাবাব
টিকিয়া কাবাবউপকরণ: হাড় ও চর্বি ছাড়া গরু বা খাসির মাংস ৫০০ গ্রাম, গোটা লবঙ্গ ২টি, ছোলার ডাল সিকি কাপ, গোটা এলাচি ৩টি, শুকনা মরিচ ৪/৫টি, আস্ত দারুচিনি ৩ টুকরা, গোটা ধনে ১ চা-চামচ, আদা ১ টুকরা ছোট, ডিম ১টি, গোটা রসুন ১টি, তেল ভাজার জন্য প্রয়োজনমতো, গোটা পেঁয়াজ ২টি, লবণ প্রয়োজনমতো, কাবাব চিনি ১ টুকরা, কর্নফ্লাওয়ার ১ টেবিল-চামচ। পুরের জন্য পরিমাণমতো পেঁয়াজকুচি, কাঁচা মরিচ কুচি, পুদিনাপাতা কুচি ও কিশমিশ।
প্রণালি: মাংস ছোট ছোট টুকরা করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। মাংসে ১ টেবিল-চামচ তেল ও পরিমাণমতো পানি দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। এবার ডিম ও কর্নফ্লাওয়ার বাদে বাকি সব মসলাসহ চপারে চপ করে নিন অথবা পাটায় মিহি করে বেটে নিন। এই মাংস ডিম ও কর্নফ্লাওয়ার দিয়ে ভালোভাবে মাখুন। পুরের উপকরণগুলো সামান্য লবণ দিয়ে মেখে নিন। এবার সেদ্ধ মাংস পছন্দমতো ভাগ করে কাবাবের আকার করে প্রতি ভাগে পুদিনা পাতার পুর ভরে নিন। এবার চ্যাপটা গোল টিকিয়ার আকারে বানিয়ে ডুবো তেলে বাদামি করে ভেজে পরিবেশন।
যদি টিকিয়া হিমায়িত করেন, তবে পুর দেবেন না।

ডালপুরি
ডালপুরিউপকরণ: ডাল ১ কাপ, ভাজা শুকনা মরিচের গুঁড়া ১ টেবিল-চামচ, ময়দা ২ কাপ, গরমমসলা গুঁড়া আধা চা-চামচ, তেল ভাজার জন্য পরিমাণমতো, ভাজা জিরাগুঁড়া আধা চা-চামচ, আদা ও রসুনবাটা ১ চা-চামচ করে, ভাজা ধনেগুঁড়া আধা চা-চামচ, বিট লবণ আধা চা-চামচ, লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালি: ময়দা, আধা চা-চামচ লবণ, তেল ও পরিমাণমতো পানি দিয়ে মোলায়েম ডো বানিয়ে ভেজা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে ২০-৩০ মিনিট। ডাল ধুয়ে ১০ মিনিট ভিজিয়ে রেখে সামান্য পানি দিয়ে বসা ভাতের মতো সেদ্ধ করে নিন। এবার ডালের মধ্যে আদা-রসুনবাটা ও গুঁড়া মসলাগুলো দিয়ে ভালোভাবে পানির গ্লাসের পেছন দিয়ে পিষে নিন। ময়দার ডো পছন্দমতো সমান ভাগ করে প্রতি ভাগের মধ্যে ডালের মিশ্রণ ভরে গোল করে চেপে তেল মাখিয়ে রাখুন। এভাবে সব কটি পুরি বানিয়ে বেলে নিন। গরম তেলে ফুলিয়ে ফুলিয়ে ভেজে নিন। এবার গরম গরম পরিবেশন।
পুর ভরা আলুর চপ
পুর ভরা আলুর চপউপকরণ: আলু কুচি করা ২ কাপ, কর্নফ্লাওয়ার ২ টেবিল-চামচ, পেঁয়াজ বেরেস্তা আধা কাপ, তিল সামান্য, মুড়ি গুঁড়া ১ কাপ, শুকনা মরিচ ভাজা গুঁড়া ১ টেবিল-চামচ, ফেটানো ডিম ১টি, গোলমরিচ ভাজা গুঁড়া আধা চা-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, জিরা ভাজা গুঁড়া ২ চা-চামচ, গরমমসলা গুঁড়া ১ টেবিল-চামচ, সাদা তিল ১ টেবিল-চামচ।
পুরের জন্য: ডিম ২টি, পেঁয়াজকুচি ১ কাপ, সুজি ২ টেবিল-চামচ, ধনেপাতা কুচি সামান্য, কাঁচা মরিচ কুচি সামান্য।
প্রণালি: সুজি বাদে পুরের সব উপকরণ লবণ ও সামান্য তেল দিয়ে চুলায় নাড়াচাড়া করে নিন। এবার সুজি দিয়ে ভাজা ভাজা করে নিন। আলু সেদ্ধ করে মুড়ি গুঁড়া ও ডিম বাদে বাকি সব উপকরণ দিয়ে ভালোভাবে মেখে নিন। আলুর মিশ্রণ পছন্দমতো ভাগ করে নিয়ে প্রতিটি ভাগের মধ্যে পুর ভরে দিন। চেপে চেপে চপের আকার করে ডিমে চুবিয়ে তিল মেশানো মুড়ির গুঁড়ায় গড়িয়ে নিন। ১০ মিনিট ফ্রিজে রেখে গরম ডুবো তেলে ভেজে নিন।

সমুচা
সমুচাউপকরণ: ময়দা ২ কাপ, তেল সিকি কাপ, লবণ ১ চা-চামচ, ভাজা জিরা গুঁড়া ১ চা-চামচ, পানি পরিমাণমতো, কাবাব মসলা ১ চা-চামচ, গরু বা মুরগির কিমা ৫০০ গ্রাম, কাঁচা মরিচ কুচি ২ টেবিল-চামচ, পেঁয়াজ (কিউব কাট) ২ কাপ, আদাবাটা ১ টেবিল-চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ।
প্রণালি: আদা, রসুন, লবণ, ১ টেবিল-চামচ তেল ও সামান্য পানি দিয়ে কিমা সেদ্ধ করে পানি শুকিয়ে নিন। চুলায় পাত্রে তেল দিয়ে পেঁয়াজ দিন। একটু নেড়ে সেদ্ধ কিমা, কাঁচা মরিচ কুচি ও কাবাব মসলা দিয়ে নেড়েচেড়ে নামিয়ে ঠান্ডা করে নিন।
সমুচার রুটি তৈরির জন্য ময়দা, ১ চা-চামচ লবণ ও পানি দিয়ে খামির বানিয়ে ১০ মিনিট ঢেকে রাখুন। খামির ৬টি ভাগে ভাগ করে পাতলা রুটি বেলে নিন। এবার একটি রুটি বিছিয়ে তার ওপর একটু তেল মাখিয়ে ময়দা দিয়ে ঢেকে দিন। ময়দা মাখানো রুটির ওপর আর একটি রুটি বিছিয়ে আগের মতো তেল ও ময়দা মাখিয়ে নিন। এভাবে একটির পর একটি রুটি দিয়ে হাতের তালু দিয়ে চেপে চেপে বড় করে নিন। ভালোভাবে সব রুটি আটকে গেলে বড় একটা ১৫ বাই ১৬ ইঞ্চি মাপের রুটি বেলে নিন। দুপাশই ভালোমতো বেলুন। এবার গরম তাওয়ায় হালকাভাবে রুটি সেঁকে একটা একটা করে রুটি আলাদা করে নিন। আবার ছয়টি রুটি পেয়ে যাবেন। এবার রুটিগুলো আট ইঞ্চি লম্বা ও তিন ইঞ্চি চওড়া করে যে কটি সম্ভব কেটে নিন। রুটির বাকি অংশ তেলে ভেজে গুঁড়া করে নিন এবং রান্না করা কিমার সঙ্গে পরিমাণমতো মিশিয়ে দিন।
আধা কাপ ময়দা পানি দিয়ে আঠালো করে রাখুন। লম্বা সমুচার রুটি কোনাকুনি ভাঁজ দিয়ে ময়দার আঠা লাগিয়ে তিন কোনা পকেট বানান। তাতে কিমার পুর ভরে ভাঁজ দিয়ে মুখ বন্ধ করে সমুচা বানিয়ে নিন। হালকা গরম তেলে বাদামি করে ভেজে উঠান।
হিমায়িত করতে চাইলে ৫টি বা ১০টি সমুচা নিয়ে পলিথিনের প্যাকে ভরে মুখ সিল করে ডিপ ফ্রিজে রাখুন। শক্ত হলে নেড়েচেড়ে দিন। তখন নেড়েচেড়ে দিতে হবে। এতে সমুচাগুলো একটির সঙ্গে আরেকটি লেগে যাবে না।

খাস্তা পরোটা
খাস্তা পরোটাউপকরণ: ময়দা ১ কেজি, গুঁড়া দুধ ১ টেবিল-চামচ, চিনি সিকি কাপ, ডিম ১টি, সয়াবিন তেল এক কাপের একটু কম, খাস্তার জন্য তেল পরিমাণমতো, লবণ ১ টেবিল-চামচ, খাস্তার জন্য ময়দা পরিমাণমতো, পানি (মাখাবার জন্য) প্রয়োজনমতো।
প্রণালি: বাটিতে ময়দা নিয়ে মাঝে ফাঁকা করে ডিম, গুঁড়া দুধ, চিনি, লবণ, তেল ও পরিমাণমতো পানি দিয়ে পরোটা বানাবার মতো ডো বানান। কাপড় দিয়ে ঢেকে ১৫-২০ মিনিট রেখে দিন। এবার ডো ২০/২২টি ভাগ করে প্রতিটি ডো নিয়ে বেলে রুটি বানান। রুটির ওপর তেল ব্রাশ করে ময়দা ছিটিয়ে দিন। এবার রুটিগুলো চার ভাঁজ করে অথবা রোলের মতো ভাঁজ করে আবার ১০ মিনিট রেখে দিন। ১০ মিনিট পর যখন পরোটার লেচি নরম হয়ে আসবে, তখন গোল অথবা চারকোনা পরোটা বানিয়ে তেলে ভেজে গরম গরম পরিবেশন করুন।
কয়েকটি চাটনি
তেঁতুলের মাড়, ভাজা মরিচগুঁড়া, লবণ ও বিট লবণ দিয়ে মিশিয়ে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে তেঁতুলের চাটনি। তেঁতুলের চাটনির সব উপকরণের সঙ্গে টক দই ও পুদিনা পাতা বা ধনেপাতা মেশালে ভিন্ন স্বাদের একটি চাটনি তৈরি হয়ে যাবে। টমেটো, কাঁচা মরিচ, ধনেপাতা, চিনি ও লবণ সামান্য পানি দিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করলে তৈরি হয়ে যাবে আর একধরনের চাটনি। এ ছাড়া যেকোনো টক ফলের সঙ্গে ধনেপাতা, কাঁচা মরিচ, লবণ ও চিনি দিয়ে ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিলে তৈরি হয়ে যাবে ভিন্ন ভিন্ন স্বাদের চাটনি।

হিমায়িত খাবার ভাজার জন্য: যেকোনো হিমায়িত খাবার ভাজার ১০ মিনিট আগে ফ্রিজ থেকে বের করে রাখতে হবে। তারপর ভাজতে হবে। অথবা ফ্রিজ থেকে বের করে মাইক্রোওভেনে ১ মিনিট দিয়ে তারপর ঠান্ডা তেলে ভাজতে হবে।
আলুর চপ অবশ্যই ১০ মিনিট আগে বের করে গরম তেলে ২টা অথবা ৩টা করে দিয়ে ভাজতে হবে। আলুর চপ সব সময় অল্প অল্প দিয়ে ভাজতে হবে। তা না হলে ভেঙে যাবে। হিমায়িত খাবার খুব তাড়াতাড়ি তেলের মধ্যে লাল হয়ে যায়। তাই যখন লালচে ভাব আসবে, তখন চুলার তাপ কমিয়ে অনেকক্ষণ নাড়াচাড়া করে ভাজতে হবে। এতে খাবারের ভেতরটা ভাজা হবে। কিন্তু বাইরের রং নষ্ট হবে না।

মাছের চপ
মাছের চপউপকরণ: মাছ (রুই বা ভেটকি) ৬ টুকরা, আদাবাটা ২ চা-চামচ, ধনেপাতা কুচি ৪ টেবিল-চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, মিহি আদা কুচি ২ চা-চামচ, পাউরুটি ২/৩টি, কাঁচা মরিচ কুচি ২ টেবিল-চামচ, ব্রেডক্রাম্ব প্রয়োজনমতো, পেঁয়াজকুচি আধা কাপ, ময়দার পেস্ট ১ কাপ, লবণ পরিমাণ মতো, কর্নফ্লাওয়ার ২ টেবিল-চামচ, লেমন রাইন্ড ২ টেবিল-চামচ।
প্রণালি: মাছ ধুয়ে লবণ ও লেবুর রস দিয়ে মেখে নিন। আদা-রসুনবাটা, লবণ ও সামান্য পানি দিয়ে মাছ সেদ্ধ করে কাঁটা বেছে নিন। পাউরুটির ধার কেটে বাদ দিয়ে মাছ সেদ্ধ করা পানিতে ভিজিয়ে নিন। এবার বেছে রাখা মাছের সঙ্গে পাউরুটি, ধনেপাতা, আদাকুচি, কাঁচা মরিচ কুচি, পেঁয়াজকুচি, কর্নফ্লাওয়ার ও পরিমাণমতো লবণ দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে নিন। চপের মতো বানিয়ে শুকনা ময়দায় গড়িয়ে তারপর ময়দার পেস্টে চুবিয়ে ব্রেডক্রাম্বে গড়িয়ে নিন। এবার ডুবো তেলে বাদামি করে ভাজুন।

42
Faculty Forum / ইতালীয় স্বাদে...
« on: November 23, 2015, 11:29:26 PM »
তিলে টুনা
উপকরণ: তাজা টুনা মাছ ৩০০ গ্রাম, তিল ৪০ গ্রাম, কালো গোলমরিচ ১০ গ্রাম, অলিভ অয়েল ২০ মিলিলিটার, লেবুর রস ১০ মিলিলিটার, রসুন ৫ গ্রাম, লবণ স্বাদমতো।
প্রণালি: টুনা মাছ কেটে পরিষ্কার করে নিন। লেবুর রস, অলিভ অয়েল, রসুন-গোলমরিচ থেঁতো করে এবং তিল দিয়ে মেখে দুই ঘণ্টা রাখুন। প্যানে তেল গরম করে মাছ দিন। ওপরটা বাদামি হয়ে এলে নামিয়ে ঠান্ডা করে নিন। ভেতরটা নরম থাকবে। ঠান্ডা করে পাতলা করে কেটে পরিবেশন করুন।
সিসিলির সূর্য
সিসিলির সূর্যউপকরণ: সাদা চকলেট ৩০০ গ্রাম, ফ্রেশ ডাবল ক্রিম ৫০০ গ্রাম, ডিম ৩টি, জেলাটিন ১০ গ্রাম, সাজানোর জন্য জ্যাম ২০ গ্রাম।
প্রণালি: সাদা চকলেট গলিয়ে নিন। ক্রিম কিছুটা ফেটিয়ে নিন। ডিমের কুসুম, ফ্রেশ ক্রিম জেলাটিন ও চকলেট একটি পাত্রে মিশিয়ে ফ্রিজে দু-তিন ঘণ্টা রাখুন। পাত্র উল্টিয়ে বের করে ওপরে জ্যাম দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

বিফ কারপাচ্চো
বিফ কারপাচ্চোউপকরণ: গরুর মাংসের ফিলে (টেন্ডারলয়েন ব্যবহার করতে হবে) ৩০০ গ্রাম, অলিভ অয়েল ২৫ মিলিলিটার, বেজিল পাতা ১৫ গ্রাম, রসুন কোয়া ১৫ গ্রাম, কালো গোলমরিচ গুঁড়া ৫ গ্রাম, বিট লবণ ৫ গ্রাম, পারমিজান পনির ৩০ গ্রাম, মাস্টার্ড ১০ গ্রাম।
প্রণালি: মাংস পরিষ্কার করে পনির ও বেজিল বাদে বাকি সব উপকরণ দিয়ে মেখে রাখুন। প্লাস্টিক শিট দিয়ে মুড়ে খুব শক্ত করে রোল করে নিন। ফ্রিজে রেখে জমিয়ে নিন। বের করে খুব সরু করে কেটে নিন। পছন্দমতো সবজি, বেজিল পাতা, পারমিজান ও অলিভ অয়েল দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।
স্প্যাগেটি আলফ্রেডোস্প্যাগেটি আলফ্রেডো
উপকরণ: সেদ্ধ স্প্যাগেটি ৫০০ গ্রাম, মাখন ৫০ গ্রাম, ক্রিম ৫০০ গ্রাম, মোৎজারেল্লা চিজ ২০০ গ্রাম, পারমিজান চিজ ১০০ গ্রাম, লবণ ও মরিচ স্বাদমতো।
প্রণালি: প্যানে মাখন গলিয়ে তাতে ক্রিম দিন। একটু পর চিজগুলো দিয়ে দিন। তাতে সেদ্ধ স্প্যাগেটি দিয়ে ভালোমতো মিশিয়ে নিন। স্বাদমতো লবণ ও মরিচ গুঁড়া দিন। নামিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন। ওপরে একটু ভাঙা পনির ছড়িয়ে দিন।

পিৎজা মারগারিটা
পিৎজা মারগারিটাউপকরণ: পিৎজা ডো ১ কেজি, মোৎজারেল্লা চিজ ৫০০ গ্রাম, টমেটো সস কিংবা পিৎজা সস ২০০ গ্রাম, টমেটো টুকরা ২০০ গ্রাম, বেজিল পাতা ২০ গ্রাম, অরিগেনো ৫ গ্রাম।
ডোর জন্য: ময়দা ৬০০ গ্রাম, পানি ৩৫০ গ্রাম, অলিভ ওয়েল ৬০ গ্রাম, লবণ ১৫ গ্রাম, চিনি ১৫ গ্রাম, ইস্ট ৬ গ্রাম।
প্রণালি: ডোর সব উপকরণ মিশিয়ে ডো বানিয়ে পিৎজা ট্রেতে ছড়িয়ে ১৫ মিনিট রাখুন। এর ওপর সস ঢেলে টমেটোর টুকরাগুলো দিয়ে দিন। সবার ওপরে মোৎজারেল্লা পনির এবং বেজিল ও অরিগেনো ছড়িয়ে দিন। ওভেনে ২৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপে ৬ মিনিট বেক করুন। বের করে গরম গরম পরিবেশন করুন।

রতোলো অল চকলাতো
রতোলো অল চকলাতোউপকরণ: চিনি ৫০০ গ্রাম, মাখন ৫০০ গ্রাম, ডিম ২০টি (কুসুম আলাদা করা), ডার্ক চকলেট ৫০০ গ্রাম, ময়দা ৩০০ গ্রাম, ফ্রেশ ক্রিম ৭৫০ গ্রাম, কিশমিশ ৫০ গ্রাম, ওয়ালনাট ৫০ গ্রাম।
প্রণালি: ক্রিম হুইপ করে নিন। কিশমিশ ও ওয়ালনাট মিশিয়ে ফিলিং তৈরি করে নিন।
মাখন ও চিনি বিট করুন। তাতে একটা একটা করে ডিমের কুসুম মেশান। চকলেট গলিয়ে এতে দিয়ে বিট করুন। শেষে ময়দা দিয়ে মিশিয়ে ব্যাটার বানিয়ে নিন।
ডিমের সাদা অংশ বিট করে মেরাং বানিয়ে নিন। কেক ব্যাটারে মেরাং মেশান। বেকিং ট্রেতে বেকিং পেপার বিছিয়ে তাতে ব্যাটার ঢেলে ওভেনে ২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপে ১৫-২০ মিনিট বেক করুন। বের করে ওপরে ফিলিং বিছিয়ে শক্ত করে রোল করে নিন। ফ্রিজে ৩০ মিনিট রেখে বের করে গলানো চকলেট ছড়িয়ে দিন ওপরে। এবার ছোট গোল টুকরা করে কেটে পরিবেশন করুন।

তিরামিসু
তিরামিসুউপকরণ: ক্রিম চিজ ৫০০ গ্রাম, ডিম ৫টি, চিনি ২০০ গ্রাম, ফ্রেশ ডাবল ক্রিম ৩০০ গ্রাম, খাওয়ার জেলাটিন ২৪ গ্রাম, কফি ১০ গ্রাম, চকলেট ২৫ গ্রাম, স্পঞ্জ ফিংগার বা লেডি ফিংগার বিস্কুট (না পেলে স্পঞ্জ কেক ব্যবহার করতে পারেন) প্রয়োজনমতো।
প্রণালি: বড় পাত্রে ক্রিম চিজ ও চিনি দিয়ে ভালোমতো ফেটান, যাতে মিশে গিয়ে গাঢ় হুইপড ক্রিমের মতো হয়। এবার পরিবেশন পাত্রে সাজান। আগেই কালো কফি বানিয়ে রাখুন। এ জন্য ছড়ানো পাত্রে সামান্য তরল কফি ছড়িয়ে দিন। এর ওপর বিস্কুট সাজান। কয়েক সেকেন্ড রাখলে বিস্কুট কফি শুষে নেবে। তবে একদম নরম যাতে না হয়। এভাবে আবার কফি ছড়িয়ে বিস্কুটের স্তর সাজান। অর্ধেক পরিমাণ বিস্কুট রেখে দিন। এবার এর ওপরে ক্রিম চিজ মিশ্রণ দিন। আবার কফি ও বিস্কুটের স্তর বানান। সবশেষে ক্রিমের আরেক স্তর দিন। এবার পাত্র ঢেকে কয়েক ঘণ্টা বা সারা রাত ফ্রিজে রাখুন। বের করে ওপরে সামান্য কোকো পাউডার ছিটিয়ে পরিবেশন করতে পারেন।

টমেটো মোৎজারেল্লা
টমেটো মোৎজারেল্লাউপকরণ: চেরি টমেটো ৩০০ গ্রাম, মোৎজারেল্লা চিজ ১০০ গ্রাম, অলিভ অয়েল ২০ মিলিলিটার, বেজিল-পেসটো সস (কিনতে পাবেন সুপারশপে। না পাওয়া গেলে সামান্য তুলসী বাটা, রসুন, একটু অলিভ অয়েল মিশিয়ে বানিয়ে নিতে পারেন) ২৫ গ্রাম, তুলসীপাতা (বেজিল) ১০ গ্রাম, লবণ ও শুকনা মরিচগুঁড়া এক চিমটি।
প্রণালি: টমেটো মাঝখানে কেটে বাটিতে রাখুন। তাতে অলিভ অয়েল ও বেজিল-পেসটো সস দিয়ে মাখান। লবণ-মরিচ ছিটিয়ে দিন। মোৎজারেল্লা হাত দিয়ে ভেঙে টমেটোর ওপর ছড়িয়ে দিন। ওপরে আরেকটু সস ছিটিয়ে, তাজা বেজিল দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

43
Faculty Forum / চটজলদি নাশতা
« on: November 23, 2015, 11:25:02 PM »
সবজির রোল
উপকরণ: পুরের জন্য: গাজর কুচি ৩ টেবিল চামচ, বাঁধাকপি কুচি ২ টেবিল চামচ, পেঁপে কুচি ২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, রসুনবাটা আধা চা-চামচ, কাঁচা মরিচ কুচি ২টি, ধনে পাতা কুচি ২ টেবিল চামচ, টমেটো সস ১ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, তেল প্রয়োজনমতো, ডিম ১টি, বিস্কুটের গুঁড়া ১ কাপ।
রুটির জন্য: ময়দা ২ কাপ, ডিম ১টি, লবণ স্বাদমতো। প্রয়োজনমতো পানি ও বাকি সব উপকরণ দিয়ে গোলা তৈরি করে নিন। ফ্রাই প্যানে সামান্য তেল দিয়ে এক হাতা করে গোলা ছড়িয়ে দিন। এভাবে কয়েকটি রুটি তৈরি করুন।
প্রণালি: পুরের সব উপকরণ থেকে ডিম ও বিস্কুটের গুঁড়া ছাড়া বাকিগুলো মেখে নিন। এবার প্যানে তেলে এগুলো দিয়ে নাড়াচাড়া করে পুর বানিয়ে নিন। পুর কিছুটা ঠান্ডা হলে, রুটির মাঝে পুর দিয়ে রোল করে নিন। এবার ডিমের গোলায় ডুবিয়ে বিস্কুটের গুঁড়া মেখে ডুবো তেলে বাদামি করে ভেজে সস দিয়ে পরিবেশন করুন।

 

ছোলা-আলু চাটছোলা-আলু চাট
উপকরণ: ছোলা সেদ্ধ (লবণ, আদা দিয়ে) ১ কাপ, গোটা আলু সেদ্ধ ১ কাপ, ডালের বড়া ৭-৮টি, তেঁতুলের মাড় ২ টেবিল চামচ, টালা পাঁচফোড়ন গুঁড়া ১ চা-চামচ, গুড় ১ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ কুচি ১ চা-চামচ, টমেটো কুচি ১ টেবিল চামচ, শসা কুচি ১ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ, পুদিনা পাতা ৮-১০টি, আদা কুচি ১ চা-চামচ, ভাজা জিরা গুঁড়া আধা চা-চামচ, ধনে পাতা কুচি ১ চা-চামচ, শুকনো মরিচ টালা গুঁড়া সামান্য, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, টকদই ১ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, তেল প্রয়োজনমতো, মুড়ি (ইচ্ছা হলে)।
প্রণালি: সেদ্ধ আলু কিউব করে কেটে লবণ দিয়ে তেলে ভেজে নিন। বড় পাত্রে আলু ভাজা আধা ভাঙা করে নিন। ডালের বড়া আধা ভাঙা করুন। গুড় দিয়ে তেঁতুলের মাড় জ্বাল দিয়ে নিন। তারপর সেদ্ধ ছোলা এবং ওপরের সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে পরিবেশন করুন।

 

মোহিঙ্গামোহিঙ্গা
উপকরণ: সেদ্ধ নুডলস ১ কাপ, চিকেন স্টক ১ কাপ, নারকেল দুধ ১ কাপ, তেলে ভাজা রসুন কুচি ১ চা-চামচ, হাড় ছাড়া মুরগির মাংসের ফ্রাই (ছোট ছোট টুকরা) ২ টেবিল চামচ। নারকেল কুচি, বেসন ও লবণ প্রয়োজনমতো (এগুলো একসঙ্গে মেখে ভেজে ৭-৮টি বড়া তৈরি করে নিন)। ভাজা চিংড়ি মাছ ৪-৫টি, পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ কুচি ১ চা-চামচ, টালা শুকনা মরিচ গুঁড়া সামান্য, পেঁয়াজ বেরেস্তা ১ টেবিল চামচ, থাই গ্রাস ২টি, লবণ স্বাদমতো।
প্রণালি: নারকেলের দুধ ও চিকেন স্টক জ্বাল দিয়ে সুপ তৈরি করে নিন। নুডলস ও অন্য সব উপকরণ একটি বড় পাত্রে নিন। এর ওপর স্যুপ ঢেলে গরম-গরম পরিবেশন করুন।

 

লেবু-আনারস জুসলেবু-আনারস জুস
উপকরণ: আনারস কুচি ১ কাপ, লেবুর রস ২ টেবিল চামচ, চিনি আধা কাপ, পুদিনা পাতা চার-পাঁচটি, ঠান্ডা পানি ২ গ্লাস, বরফ কুচি প্রয়োজনমতো।
প্রণালি: বরফ কুচি ও পুদিনা পাতা ছাড়া বাকি সব উপকরণ ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে নিন। ছেঁকে বরফ কুচি ও পুদিনা পাতা দিয়ে পরিবেশন করুন।

 

বাতাবি লেবুর সালাদবাতাবি লেবুর সালাদ
উপকরণ: বাতাবি লেবু ১ কাপ, শুকনো মরিচ টালা গুঁড়া সামান্য, বিট লবণ ১ চিমটি, পুদিনা পাতা ৪-৫টি, চিনি ১ চা–চামচ, সরিষার তেল ১ চা-চামচ।
প্রণালি: বাতাপি লেবুর সঙ্গে বাকি সব উপকরণ হালকাভাবে মেখে পরিবেশন করুন।

 

রস পিঠারস পিঠা

উপকরণ: ময়দা দেড় কাপ, ঘি ১ টেবিল চামচ, লবণ সামান্য, এলাচি গুঁড়া আধা চা-চামচ, তেল ভাজার জন্য। বাদাম কুচি ১ চা-চামচ।

শিরা তৈরি: ১ কাপ পানি, ১ কাপ চিনি, ২ টেবিল চামচ লেবুর রস। সব উপকরণ জ্বাল দিয়ে শিরা তৈরি করুন।

প্রণালি: পরিমাণমতো গরম পানিতে ঘি ও সামান্য লবণ দিয়ে তাতে ময়দা দিন এবং নাড়ুন। খুব মসৃণ করে মেখে নিয়ে পাতলা রুটি বানিয়ে নিন। এই রুটি রোল করে জিলাপির মতো পিঠা তৈরি করুন এবং ডুবো তেলে ভেজে নিন। এবার শিরায় কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রাখুন। ঠান্ডা করে বাদাম কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন।

 

রাইস ফ্রিটার্সরাইস ফ্রিটার্স

উপকরণ: সেদ্ধ ভাত বা রান্না করা পোলাও ২ কাপ, ডিম ১টি, মুরগির কিমা আধা কাপ, কাঁচা মরিচ কুচি ২টি, পেঁয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ, বাদাম কুচি ১ চা-চামচ, গরম মসলা গুঁড়া সামান্য, গোল মরিচ গুঁড়া, আধা চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, পুদিনা পাতা চার-পাঁচটি, তেল ভাজার জন্য।

প্রণালি: তেল ছাড়া সব উপকরণ একসঙ্গে মেখে মিশ্রণ তৈরি করে নিন। এ থেকে পছন্দমতো কয়েকটি বল বানিয়ে নিন। এগুলো ডুবো তেলে সোনালি করে ভেজে সস দিয়ে গরম-গরম পরিবেশন করুন।

44
Faculty Forum / ভিনদেশি মিষ্টান্ন
« on: November 23, 2015, 11:23:30 PM »


    প্রচ্ছদ
    জীবনযাপন
    খাবারদাবার

ভিনদেশি মিষ্টান্ন
আপডেট: ০০:২২, সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৫ | প্রিন্ট সংস্করণ
০ Like
 
 
 
 
 
 

সেমাই, জর্দা তো আছেই; ভিনদেশি স্বাদে মিষ্টান্ন পরিবেশন করতে পারেন ঈদের দিনে। জেবুন্নেসা বেগম দিয়েছেন রেসিপি

চিজ কেক। ছবি: নকশাচিজ কেক

উপকরণ

ক্র্যাকার্স বিস্কুট গুঁড়া ২ কাপ, নরম মাখন আধা কাপ, আইসিং সুগার আধা কাপ, ক্রিম চিজ ২ কাপ, ডিম ৬টা, চিনি ১ কাপ, টকদই ১ কাপ, লেমন জেস্ট (লেবুর খোসার সবুজ অংশ কুচি) ১ টেবিল চামচ, ভ্যানিলা এসেন্স সিকি চা-চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ ও কর্নফ্লাওয়ার ১ টেবিল চামচ।

প্রণালি

বিস্কুটের গুঁড়ার সঙ্গে মাখন ও চিনি মিশিয়ে পেস্ট করে নিন। মোল্ডে বসিয়ে চেপে চেপে চিজ কেক বেইজ তৈরি করে নিন। এটি ফ্রিজে রেখে দিন।

ক্রিম চিজ ও চিনি বিট করে নিন। ভালোমতো মিশে গেলে ডিমের কুসুম আলাদা করে তাতে ঢেলে দিন। এবার এতে দই, কর্নফ্লাওয়ার, লেমন জেস্ট, ভ্যানিলা এসেন্স ও লেবুর রস মিশিয়ে দিন। ডিমের সাদা অংশ চিনি দিয়ে বিট করে ফোম তৈরি করুন। আস্তে আস্তে তা চিজ মিশ্রণের সঙ্গে মেশান। এবার ফ্রিজ থেকে মোল্ড বের করে চিজ মিশ্রণ ঢেলে দিন। ওভেনে ১৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপে ২০ মিনিট বেক করুন। নামিয়ে ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন।

আপেল পাই। ছবি: নকশাআপেল পাই

উপকরণ

সুগার পেস্ট: ময়দা ৮০০ গ্রাম, মাখন ৪০০ গ্রাম, আইসিং সুগার ২০০ গ্রাম, ডিম ২টি ও ভ্যানিলা এসেন্স কয়েক ফোঁটা।

ফিলিং: আপেল ৪টা, চিনি এক কাপের চার ভাগের তিন ভাগ, কিশমিশ ২ টেবিল চামচ, দারুচিনি গুঁড়া ১ চিমটি ও কর্নফ্লাওয়ার দেড় টেবিল চামচ।

প্রণালি

সুগার পেস্টের সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। বেকিং ডাইসে পাতলা করে বিছিয়ে দিন। কিছুটা পেস্ট রেখে দিন।

আপেলের খোসা ফেলে ছোট ছোট কিউব করে কেটে চুলায় দিন। এতে ফিলিংয়ের বাকি উপকরণ দিয়ে নাড়ুন। ঘন হয়ে এলে নামিয়ে নিন।

সুগার পেস্টের ওপর ফিলিং দিয়ে দিন। এর ওপর রেখে দেওয়া পেস্ট দিয়ে ঢেকে দিন। ওপরে একটু ফেটানো ডিম ব্রাশ করে দিন। এবার ওভেনে ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপে বেক করুন। নামিয়ে ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন।

হোয়াইট চকলেট মুজ। ছবি: নকশাহোয়াইট চকলেট মুজ

উপকরণ

ডিম ৮টি, তরল দুধ ১ কাপ, চিনি ৩ টেবিল চামচ, হোয়াইট চকলেট গলানো ৩০০ গ্রাম, হুইপ ক্রিম ১ কাপ ও জেলাটিন ৩০০ গ্রাম।

প্রণালি

অল্প চিনি, ডিমের কুসুম ও কিছুটা তরল দুধ মিশিয়ে ফেটিয়ে নিন। এবার ধীরে ধীরে বাকি দুধটুকু মেশান। প্যাকেটের নিয়মমতো জেলাটিন ভিজিয়ে নিন। দুধের মিশ্রণে জেলাটিন দিন। এবার তাতে হোয়াইট চকলেট ও হুইপ ক্রিম মেশান। চুলায় পানি গরম করে তার ওপর একটি পাত্র রাখুন। এতে আস্তে আস্তে ডিমের সাদা অংশ ঢেলে হালকা নেড়ে নিন। তাতে চিনি দিয়ে ফেটিয়ে নিন। এবার গ্লাসে দুধের মিশ্রণ ও ডিমের সাদা অংশ ঢেলে ফ্রিজে রেখে দিন। জমে গেলে পরিবেশন করুন।

ফাজ। ছবি: নকশাফাজ

উপকরণ

ময়দা এক কাপের চার ভাগের তিন ভাগ, চিনি আধা কাপ, মাখন সিকি কাপ ও ২৫০ গ্রাম, ডিম ৪টি, ভ্যানিলা এসেন্স কয়েক ফোঁটা, বেকিং পাউডার আধা চা-চামচ, হোয়াইট চকলেট ১ কাপ, ফ্রেশ ক্রিম আধা কাপ ও আইসিং সুগার ১৫০ গ্রাম।

প্রণালি

ডিমের সাদা অংশ ও চিনি মিশিয়ে ফোম তৈরি করে নিন। এতে ডিমের কুসুম, ময়দা, বেকিং পাউডার, মাখন ও ভ্যানিলা এসেন্স মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ ওভেনে ১৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপে ২৫ মিনিট বেক করুন। ঠান্ডা হলে মাঝ বরাবর কেটে দুটি ভাগ করে নিন। এবার মাখন ও আইসিং সুগার বিট করে কেকের ওপর ঢেলে দিন। তার ওপর কেকের অন্য ভাগ বসিয়ে দিন। হোয়াইট চকলেট গলিয়ে ক্রিমের সঙ্গে মিশিয়ে এর ওপর ঢেলে দিন। জমে গেলে কেটে পছন্দমতো সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

45
Faculty Forum / মাংসের নানা পদ
« on: November 23, 2015, 11:20:43 PM »
ইরানি ভুনা
উপকরণ
গরুর মাংস ৩ কেজি, কিশমিশ বাটা ১ টেবিল চামচ, আমন্ড বাদাম বাটা ২ টেবিল চামচ, পেস্তাবাদাম বাটা ১ টেবিল চামচ, খোবানি বাটা ২ টেবিল চামচ, আলু বোখারা বাটা ১ টেবিল চামচ, কাশ্মীরি মরিচ বা লাল মরিচগুঁড়া ১ টেবিল চামচ, হলুদগুঁড়া আধা চা-চামচ, জিরা বাটা ১ চা-চামচ, ধনে বাটা ১ চা-চামচ, গরম মসলাগুঁড়া ১ চা-চামচ, গোল মরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ, লবণ স্বাদমতো, দারুচিনি ৪ টুকরা, বড় এলাচি ২টি, ছোট এলািচ ৪টি, লবঙ্গ ৬টি, টকদই আধা কাপ, পেঁয়াজকুচি দেড় কাপ, বাটার অয়েল ১ কাপ, তেল আধা কাপ, চিনি ১ চা-চামচ, জায়ফল-জয়ত্রীগুঁড়া আধা চা-চামচ, গোটা কাজু-আমন্ড-পেস্তা আধা কাপ, খোবানি ও আলু বোখারা আধা কাপ।
প্রণালি
আদা, রসুন, জিরা, ধনে বাটা, জায়ফল-জয়ত্রী, হলুদ, মরিচগুঁড়া, টকদই ও লবণ মাংসে মেখে রাখুন। ৪-৫ ঘণ্টা ম্যারিনেট করুন। মাঝে মাঝে নেড়েচেড়ে দিন। চুলায় তেল গরম করে আধা কাপ পেঁয়াজ লাল করে ভেজে তাতে মাখানো মাংস দিয়ে নেড়ে দিন। ঢাকনা দিয়ে ঢেকে রান্না করুন, মাঝে মাঝে নেড়ে দিন। কিছুক্ষণ পর আস্ত আলু বোখারা ও খোবানি দিন। মাংস তেলের ওপর আসলে পানি দিয়ে সেদ্ধ করুন। অন্য পাত্রে বাটার অয়েলে পেঁয়াজ লাল করে ভেজে তাতে বাকি সমস্ত উপকরণ দিয়ে ভুনে নিন। এরপর এতে মাংস আমন্ড-পেস্তা-কাজু ও গরম মসলার গুঁড়া দিয়ে ভুনা ভুনা করে নামান।

কাটা মসলার মাংসকাটা মসলার মাংস
উপকরণ
গরুর মাংস ২ কেজি, পেঁয়াজকুচি ১ কেজি, আদা মিহিকুচি ২ টেবিল চামচ, রসুন ২ টেবিল চামচ, শুকনা মরিচ ফালি ৬-৭টি বা পরিমাণমতো, কাঁচামরিচ (ফালি করা) পরিমাণমতো, আস্ত কাঁচামরিচ ৫-৬টি, দারুচিনি ৬ টুকরো, এলাচি ৬টি, লবঙ্গ ৬টি, তেজপাতা ৩-৪টি, আধা ভাঙা গোলমরিচ ১ চা-চামচ, টকদই আধা কাপ, লবণ স্বাদমতো, সরষের তেল ১ কাপ, বেরেস্তা আধা কাপ, টমেটো সস ৩ টেবিল চামচ, আলুবোখারা ৬টি।
প্রণালি
বেরেস্তা ও আস্ত কাঁচামরিচ বাদে বাকি সব উপকরণ একসঙ্গে মাখিয়ে দু-তিন ঘণ্টা রেখে পরিমাণমতো গরম পানি দিয়ে চুলায় জ্বাল দিতে হবে। প্রথম ১০ মিনিট বেশি জ্বালে তারপর অল্প জ্বালে রান্না করতে হবে। ঝোল কমে এলে বেরেস্তা, কাঁচামরিচ দিয়ে কিছুক্ষণ চুলায় রেখে নামাতে হবে।

হাঁড়িবন্ধহাঁড়িবন্ধ
উপকরণ
গরুর মাংস বড় টুকরো করে কাটা ৬ কেজি, পেঁয়াজ ৪ টুকরা করে কাটা ১ কেজি, আদা কিমা ১ কাপ, রসুনকুচি সিকি কাপ, রসুন কোয়া আধা কাপ, শুকনা মরিচ ফালি আধা কাপ, গাজর মোটা করে কাটা ১ কাপ, গোলমরিচ আধা ভাঙা ২ চা-চামচ, দারুচিনি ৬ টুকরা, এলাচি ১০টি, লবঙ্গ ৮টি, তেজপাতা ৪টি, টমেটো (দুই ফালি করে কাটা) আধা কেজি, তেল ১ লিটার, পানি ৪ লিটার, লবণ ২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ বেরেস্তা ১ কাপ, কাঁচামরিচ ৮/১০টি, গরম মসলাগুঁড়া ১ টেবিল চামচ।
প্রণালি
বড় হঁাড়িতে পেঁয়াজ বেরেস্তা বাদে সমস্ত উপকরণ দিয়ে মাংস মাখিয়ে নিন। এবার আটা গুলে হাঁড়ির মুখে ভালো করে আটকে দিন। মাঝারি আঁচে ১ ঘণ্টা ফুটান। প্রথম দুদিন এভাবে ১ ঘণ্টা করে ৩ বেলা জ্বাল দিন। পরের ২/৩ দিন ১ ঘণ্টা করে ২ বেলা মাঝারি থেকে অল্প জ্বালে ফুটান। যেন নিচে লেগে না যায় খেয়াল রাখতে হবে। এভাবে ৪/৫ দিন পর হঁাড়ির ঢাকনা খুলে কাঁচামরিচ, গরম মসলা ও বেরেস্তা দিয়ে কিছুক্ষণ ফুটিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

মাংসের জঙ্গল কারিমাংসের জঙ্গল কারি
উপকরণ
গরুর মাংস জুলিয়ান করে কাটা ৫০০ গ্রাম, কারি পেস্ট (লাল শুকনো মরিচ ৪টি, রসুন ৪ কোয়া, লেমন গ্রাসের গোড়ার দিকের সাদা অংশ ১ টেবিল চামচ, আদাকুচি ২ চা-চামচ, পেঁয়াজকুচি আধা কাপ, ধনেপাতা ২ চা-চামচ। সব উপকরণ সামান্য লবণ দিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে হবে), গাজর জুলিয়ান কাটা আধা কাপ, বেবি কর্ন (৪ টুকরো করে কাটা) ৪-৫টি, বরবটি জুলিয়ান কাটা আধা কাপ, টমেটো টুকরো ১ কাপ, সবুজ ক্যাপসিকাম জুলিয়ান কাটা আধা কাপ, পেঁয়াজ জুলিয়ান কাটা আধা কাপ, পালংশাক ১ কাপ, কাঁচামরিচ (৪ টুকরো করে কাটা) ২ টেবিল চামচ, আদা জুলিয়ান কাটা ১ টেবিল চামচ, বাটন মাশরুম (অর্ধেক করে কাটা) আধা কাপ, মাংসের স্টক ৩ কাপ, ফিশ সস ২ টেবিল চামচ, ডার্ক সয়া সস ২ টেবিল চামচ, ব্রাউন সুগার ২ চা-চামচ, তেল ৪ টেবিল চামচ, তাজা তুলসীপাতা ১ কাপ।
প্রণালি
পাত্রে তেল গরম করে কারি পেস্ট কষিয়ে নিন। মাংসের টুকরোগুলো কারি পেস্টে কিছুক্ষণ ভুনে মাংসের স্টক, ফিশ সস, সয়া সস, ব্রাউন সুগার দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। এবার সমস্ত সবজি দিয়ে ৭/৮ মিনিট ফুটিয়ে নিয়ে নিন। তুলসীপাতা দিয়ে নামিয়ে নিন।

কাজু-মাংসের সালাদকাজু-মাংসের সালাদ
উপকরণ
কোল্ড মিট অথবা সেদ্ধ মাংস জুলিয়ান কাটা ২ কাপ, গাজর জুলিয়ান কাটা ১ কাপ, টমেটো কুচি ১ কাপ, ক্যাপসিকাম জুলিয়ান কাটা আধা কাপ, স্প্রিং অনিয়ন সিকি কাপ, কাজুবাদাম ১ কাপ, সাদা গোলমরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ, কাঁচামরিচকুচি ১ চা-চামচ, টমেটো সস ২ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, মেয়োনেজ আধা কাপ, সালাদ ড্রেসিং ২ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, আধা সেদ্ধ বেবি কর্ন আধা কাপ, মাখন ২ টেবিল চামচ।
প্রণালি
১ টেবিল চামচ মাখন গরম করে তাতে মাংস ভেজে উঠিয়ে রাখুন। ১ টেবিল চামচ মাখন গরম করে সামান্য লবণ দিয়ে কাজুবাদাম ভেজে তুলে নিন। ঠান্ডা হলে সমস্ত উপকরণ একসঙ্গে মেখে নিন। এবার মেয়োনেজ দিয়ে কিছুক্ষণ ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা ঠান্ডা পরিবেশন করুন।

কেরালা বিফ রোস্টকেরালা বিফ রোস্ট
উপকরণ
হাড় ছাড়া গরু বা খাসির মাংস ১ কেজি, নারকেল পাতলা করে কাটা ১ কাপ, নারকেল দুধ ২ কাপ, নারকেলের পানি ১ কাপ, আদা কিমা ১ টেবিল চামচ, রসুন কিমা ১ টেবিল চামচ, পেঁয়াজকুচি দেড় কাপ, লাল মরিচগুঁড়া আধা চা-চামচ, গরম মসলাগুঁড়া ১ চা-চামচ, ঘি আদা কাপ, কারিপাতা আধা কাপ, লবণ স্বাদমতো।
প্রণালি
মাংস চর্বি ও পর্দা বাদ দিয়ে জুলিয়ান করে কেটে নিন। প্রেশার কুকারে আধা কাপ পেঁয়াজ, আদা, রসুন, সমস্ত গুঁড়ামসলা, লবণ, নারকেলের পানি ও নারকেলের দুধ দিয়ে সেদ্ধ করে ঝোল শুকিয়ে নিন। চুলায় ঘি গরম করে কারিপাতা, নারকেলের টুকরা, বাকি পেঁয়াজকুচি ও কাঁচামরিচ ভেজে অর্ধেকটা তুলে নিন। এবার সেই পাত্রে মাংস ভেজে নিয়ে তুলে পরিবেশন পাত্রে ঢালুন। এর ওপরে কারিপাতা, নারকেলের টুকরার মিশ্রণ ছড়িয়ে দিয়ে পরিবেশন করুন।

Pages: 1 2 [3] 4 5 6