Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - khadija kochi

Pages: 1 ... 4 5 [6]
76
জীবনে এমন সময় সকলেরই আসে, যখন আমরা কোন একটা ব্যাপার নিয়ে প্রচণ্ড সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগতে থাকি। কিছুতেই মনস্থির করতে পারি না। এমন সময়ে কী করবেন? সকলেই চান জীবনের পথে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে, যদিও কাজটা সহজ নয়। জেনে নিন মনোবিজ্ঞানীদের ১০টি টিপস, যেগুলো আপনাকে সাহায্য করবে সিদ্ধান্তহীনতা থেকে বের হয়ে মনস্থির করতে।

১) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে বিষয়টির আগাগোড়া খুব ভালো করে জেনে নিন। কোনকিছু জানা বা বোঝা বাদ থাকলে সিদ্ধান্ত নেবেন না।

২) এমন কারো সাথে কথা বলুন, যার জীবনে এমন অভিজ্ঞতা হয়েছে বা একই পরিস্থিতিতে পড়েছেন। একই পরিস্থিতিতে ভিন্ন ভিন্ন মানুষের অভিজ্ঞতা আপনাকে সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রচণ্ড সহায়তা করবে।

৩) প্রতিটি মানুষেরই নিজের একটা পদ্ধতি থাকে কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবার বা মনস্থির করার। বা যে কোন সমস্যায় নিজের চেনা জানা সমাধান খুঁজে নেবার। বেশী সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগলে আপনিও নিজের চেনাজানা পথটাই বেছে নিন।

৪) নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন, কোন কিছুর ভয় না থাকলে আপনি কোন সিদ্ধানটি নিতেন?

৫) ভয়ের কারণে বা ভয় পেয়ে কোন সিদ্ধান্ত নেবেন না। আবার ভয়টাকে অবহেলাও করবেন না। তাতে ঝুঁকি বেড়ে যায়।

৬) সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে বিকল্প উপায় গুলো একটু ভেবে রাখুন। যেন কোন সমস্যা হলে বিকল্প পথগুল আপনার কাজে আসে।

৭) খুব কঠিন সিদ্ধান্ত মনে হলে কিছুদিন বিষয়টা নিয়ে ভাববেন না। মনকে মনের মত থাকতে দিন, সময় যেতে দিন। কিছুদিন পর আপনা থেকে বুঝতে পারবেন যে আপনাকে কী করতে হবে।

৮) প্রত্যেক সিদ্ধান্তেই একাধিক অপশন থাকে। সম্ভব হলে প্রতিটি অপশন ট্রাই করে দেখুন। যেটা ভালো লাগে সেটা বেছে নিন।

৯) কেবল বর্তমানকে ভেবে সিদ্ধান্ত নেবেন না, ভবিষ্যতের হিসাব করে তবেই সিদ্ধান্ত নিন।

১০) এই সত্যটা মেনে নিন যে কোন সিদ্ধান্তই পারফেক্ট হয় না। দেখবেন মনের ওপর থেকে চাপ কমে গেছে আর সিদ্ধান্ত নিতে সহজ হচ্ছে

77
পনার ভালোবাসার পুরুষটিকে আপনি কতোটা ভালোবাসেন তাকে তা বলে বোঝাতে পারেন না বলে অনেকেই মন খারাপ করেন। আবার অনেকে মুখে সারাক্ষণ ভালোবাসি বলেও সঙ্গীর কাছ থেকে একই ধরণের অভিব্যক্তি আশা করে আশাহত হয়ে অভিমান করে বসে থাকেন। যদি এইধরনের সমস্যা হয় তাহলে জেনে রাখুন আপনার সঙ্গী পুরুষটি কিন্তু আপনার তার প্রতি নানা ভাবে ভালোবাসা প্রকাশের চাইতেও গুরুত্ব দিচ্ছেন আপনার অন্যান্য অনেক কাজের প্রতি। নারীরা আবেগ দিয়ে চিন্তা করলেও পুরুষেরা অনেক বাস্তব চিন্তা করেন। আর সে কারণেই ভালোবাসার চাইতেও সঙ্গীর আরও অন্যান্য অনেক দিক পুরুষের কাছে বেশি গুরুত্ব পেয়ে থাকে।

১) সঙ্গিনীর মনোযোগ
নারীরা যেমন পুরোপুরি নিজের দিকে সঙ্গীর আকর্ষণ ধরে রাখতে চান, ঠিক তেমনই পুরুষেরাও চান। পুরুষেরা চান সম্পর্কে থাকা নারীটি তার প্রতি পুরোপুরি মনোযোগ দিন, তার কথা শুনুন, তার সকল চাওয়া পাওয়ার প্রতি মনোযোগী হয়ে উঠুন। পুরুষেরা এভাবেই ভালোবাসার প্রকাশ খুঁজে থাকেন।

২) প্রশংসা শুনতে নারীদের মতোই বেশ পছন্দ করেন পুরুষেরাও
অনেক নারীই আছেন যারা মনে ঠিকই ভালোবাসা রাখেন কিন্তু নিজের সঙ্গীর কাজের প্রশংসার চাইতে সমালোচনাই বেশি করে থাকেন। এইধরনের নারীদেরকে বলছি আপনি কতোটা ভালোবাসেন আপনার সঙ্গীকে সঙ্গী কিন্তু দেখতে পাবেন না, বরং আপনি যদি তার কাজের এবং তার প্রশংসা করেন তাহলে সেটাকেই সঙ্গী ভালোবাসা হিসেবে ধরে নেবেন। কারণ মুখে ভালোবাসি বলার চাইতেও এই ব্যাপার পুরুষের কাছে অনেক গুরুত্ব পায়।

৩) পুরুষেরা চান সঙ্গী তার পরামর্শ নেবেন প্রায় প্রতিক্ষেত্রে
আপনি হয়তো প্রতিদিন তাকে ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি’ কথাটি বলেন না, কিন্তু আপনার ছোটোখাটো কাজের ব্যাপারে পরামর্শ নেয়ার ব্যাপারে তাকেই প্রথম খোঁজেন এই বিষয়টিই আপনার সঙ্গীর জন্য যথেষ্ট। কারণ পুরুষেরা চান তার সঙ্গিনী প্রতিক্ষেত্রে তার পরামর্শ নিন, আর এই বিষয়টাকে ভালোবাসা প্রকাশের অন্যতম মাধ্যম মনে করেন পুরুষেরা।

৪) পুরুষেরা চান সঙ্গিনী তার পছন্দের জিনিস করুক
আপনার সঙ্গীর অনেক বেশি কম্পিউটার গেম পছন্দ? বা খেলাধূলা? যদি তাই হয় তাহলে তার পছন্দের গুরুত্ব দিন এবং নিজেও তা পছন্দ করা শুরু করে দিন। কারণ পুরুষেরা নিজের সঙ্গীর মধ্যে নিজের প্রতিচ্ছবি খুঁজে পেলে অনেক বেশি খুশি হয়ে যান।

৫) তার কাছের মানুষের প্রতি আপনার আচরণ
অনেক পুরুষই আপনার ভালোবাসা পরিমাপ করে ফেলবেন আপনি তার কাছের মানুষের সাথে কীভাবে আচরণ করেন এবং তার কাছের মানুষের প্রতি আপনার ধারণা দেখেই। কারণ একজন পুরুষ সবসময়েই নিজের পরিবার ও বন্ধুবান্ধবের সাথে নিজের সঙ্গীর ভালো সখ্যতা আশা করেন এবং তার কাছে অনেক ক্ষেত্রেই ভালোবাসার চাইতে এই বিষয়টি অনেক বেশি গুরুত্ব পায়।

78
আজকাল বিবাহ বিচ্ছেদের হার পৃথিবী জুড়েই বেড়ে চলেছে। এমন নয় যে বিয়ে ভাঙার পর কেউ আনন্দিত হয় বা কারো কষ্ট কম হয়। বরং একটি ডিভোর্স মানে দুটি মানুষেরই পরাজয়, দুজনেরই কষ্ট। দুটি মানুষ যখন নিজেদের দাম্পত্যকে ধরে রাখতে পারেন না, তখনই আসে এই ভাঙন। দিন যাপনের ভিড়ে আমরা বুঝতেও পারি না যে কিছু বিষয় তিল তিল করে আমাদের টেনে নিয়ে যায় ডিভোর্সের দিকে। চলুন, আজ চিনে নিই সেই ১০টি বিষয়কে, যেগুলো অজান্তেই ঠেলে দেয় ডিভোর্সের দিকে।

১) দম্পতিদের মাঝে সবচাইতে বড় দূরত্ব নিয়ে আসে পরস্পরের জন্য সময়ের অভাব। সংসার, সন্তান, পরিবার, অফিস সবকিছু সামলে নিচ্ছে আপনারা। কিন্তু পরস্পরকে সময় কি দিচ্ছেন? এসব দাম্পত্যের অংশ বটে, কিন্তু মূল বিষয় পরস্পরকে একান্ত সময় দেয়া।

২) অর্থের অভাব কিংবা খুব বেশী অর্থ, দুটিই ভিন্ন ভিন্ন ভাবে দাম্পত্যকে ঠেলে দেয় ডিভোর্সের দিকে। এই দুটিই ভালোবাসা নষ্ট করে দেয়ার জন্য যথেষ্ট।

৩) এই কথা কেউ স্বীকার করুক বা নাই করুন, দুটি মানুষের দাম্পত্য সম্পর্ক নষ্ট করে দেয়ার জন্য পরিবারের অন্যদের নাক গলানোই যথেষ্ট। মা, বাবা, ভাই, বোন অবশ্যই জীবনে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু তারপরেও নিজের দাম্পত্যে তাঁদেরকে কথা বলতে দেয়া একেবারেই অনুচিত। বিশেষ করে পুরুষেরা এই ভুল খুব বেশী করে থাকেন।

৪) দাম্পত্য একটি দুজনের সম্পর্ক, তাই গুরুত্ব দিতে হবে দুজনেরই চাওয়া পাওয়াকে। একলা থাকতে যারা ভালোবাসেন, তাঁদের উচিতই নয় বিয়ে করা। আত্ম কেন্দ্রিক আর স্বার্থপর হয়ে কেবল কষ্টই ডেকে আনে।

৫) সম্পর্কে আন্তরিকতার ভাব খুব সহজেই আপনাকে ডিভোর্সের দিকে ঠেলে দেয়। মানুষ বিয়েই করেন পাশে একজন সঙ্গী পাওয়ার জন্য, ভালোবাসার জন্য।

৬) সন্তান না হওয়া, সময়ের আগে বা পরিবারের চাপে সন্তান নেয়া ইত্যাদি সব কিছুই দাম্পত্য সম্পর্ক নষ্ট করে দিতে পারে। আবার সন্তানের জন্য প্রয়োজনের অতিরিক্ত সময় ব্যয় করে নিজের সঙ্গীকে অবহেলা করাও সম্পর্ক ভাঙার মূল কারণ। বিশেষ করে নারীরা এই ভুলটি খুব করেন।

৭) নেশাদ্রব্যের প্রতি আসক্তি সংসার তো ভাঙতেই পারে। এছাড়াও পরনারী বা পুরুষের প্রতি অতি আগ্রহ, পর্ণগ্রাফি আসক্তি ইত্যাদিও সংসার ভাঙা তথা ডিভোর্সের জন্য দায়ী হয়ে থাকে।

৮) পরস্পরকে শারীরিক বা মানসিকভাবে নির্যাতন করা কোনভাবেই শান্তি আনে না জীবনে। ভালোবাসার জন্য দাম্পত্য, নির্যাতনের জন্য নয়।

৯) পরস্পরের মতের ও আদর্শের অমিল যদি দীর্ঘদিন ধরে চলতেই থাকে, তাহলে ভাঙন অনিবার্য।

১০) মানুন আর নাই মানুন, বন্ধুরা সংসারে অশান্তি তৈরি তথা ডিভোর্সের জন্য অনেক ভাবেই দায়ী। বন্ধুদের অতিরিক্ত সময় দেয়া, স্বামী বা স্ত্রীর সাথে বন্ধুর পরকীয়া, বন্ধুর ভুল পরামর্শে নিজের সংসারে অশান্তি, প্রতারণা বা ছলনার শিকার হওয়া ইত্যাদি খুব সাধারণ বিষয়। অহরহই ঘটছে।

79
Faculty Forum / when I am a mathematian in my life
« on: June 08, 2015, 01:26:13 PM »
কখনও কখনও মনে হয় জীবন কি খুব ছকে বাধা।না কি এত ছকে বাধা নয়।
আমি একজন মেয়ে কিন্তু আমার আশে পাশের মেয়েগুলো দেখলে মনে হয় আমি ওদের চিনি না।মেয়েরা কি অনেক অযৌক্তিক আচরণ করে?একজন মানুষ পিছনে একরকম আর সামনে আর একরকম।এজন্য আমার বিশ্বাস চলে গিয়েছে।আমি খুব সাবধানে কথা বলি বিশেষ করে আমার পরিবারের মেয়েদের সাথে।আমি যখন দূরে চলে যাই তখন আবার তারা কাছে আসতে চায়।আমার   কি করা উচিত?

 
 

80
ছানা তৈরি

উপকরণ: দুধ ৩ লিটার, সিরকা ১ কাপ, পানি ৫ থেকে ৬ কাপ।

প্রণালি: সিরকার সঙ্গে পানি মিশিয়ে রাখুন। বড় হাঁড়িতে বা প্যানে দুধ জ্বাল দিন। একবার ফুটে উঠলে চুলা থেকে নামিয়ে মাঝেমধ্যে নাড়ুন। ৫ থেকে ৮ মিনিট পর ৩ কাপের মতো সিরকা ধীরে ধীরে দিতে থাকুন। মাঝেমধ্যে হালকা করে নাড়ুন।

দুধ থেকে সবুজ পানি সম্পূর্ণ আলাদা হয়ে গেলে ছানার পানি ঝাঁঝরিতে ছেঁকে কলের িনচে ধরে রাখুন কিছুক্ষণ। এতে সিরকার টক টক ভাবটা চলে যাবে। এবার একটি পরিষ্কার ভেজা সুতি বা মসলিন কাপড়ে বেঁধে ২০ থেকে ৩০ মিনিট ঝুলিয়ে রাখুন। সব পানি ছানা থেকে বের হয়ে আসবে। এবারে কাপড়ের গিঁট খুলে একটি পাত্রে রেখে দিন। ঠিক অর্ধেক পরিমাণ ছানা তৈরি করলে ৩ কাপ পানির সঙ্গে আধা কাপ সিরকা ভিজিয়ে রাখুন। এ ক্ষেত্রে দুধ জ্বাল দিতে হবে দেড় লিটার এবং একই নিয়মে ছানা তৈরি করে ফেলুন।

 

গোলাব জামগোলাব জাম
উপকরণ: শিরার জন্য: পানি দেড় কাপ, চিনি দেড় কাপ।
মিষ্টির জন্য: ক্রিম আধা কাপ, গুঁড়া দুধ ১ কাপ, ময়দা ২ চা-চামচ, ঘি দেড় কাপ ও ১ টেবিল চামচ।
প্রণালি: চিনি ও পানি একত্রে জ্বাল দিয়ে শিরা তৈরি করুন। গুঁড়া দুধ ও ময়দা মিশিয়ে ক্রিম দিয়ে ছেনে মসৃণ ডো তৈরি করুন। ১ টেবিল চামচ ঘি মিশিয়ে আরেকটু মসৃণ করে ছেনে নিন। ১০-১২টি ভাগ করুন। হাতের তালুতে একেকটি ভাগ ডো নিয়ে গোল গোল মিষ্টি তৈরি করুন। কড়াইয়ে ঘি অল্প আঁচে গলিয়ে গরম করুন। এবার মাঝারি আঁচে মিষ্টিগুলো ঘিয়ে ঢেলে লালচে রং করে ভেজে নিন। সঙ্গে সঙ্গে শিরায় ছেড়ে দিন। ৩-৪ মিনিট মিষ্টিসহ শিরা জ্বাল দিন। নামিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।
 
ছানার সন্দেশছানার সন্দেশ
উপকরণ: ছানা ৪ কাপ, ক্রিম ১৭০ গ্রাম, চিনি ২ কাপ মাওয়া (গ্রেটেড) দেড় কাপ, এলাচ গুঁড়া দেড় চা-চামচ, মাখন ১ টেবিল চামচ।
প্রণালি: ছানা তিন ভাগের দুই ভাগ চুলায় দিয়ে মাঝারি আঁচে অল্প অল্প করে চিনি দিয়ে রান্না করুন। চিনি ও ছানা মিশে গেলে বাকি এক ভাগ ছানা দিয়ে নাড়ুন। এবার পানি টেনে ছানা চিনিতে মিশে পাক ধরলে ক্রিম ও মাওয়া মিশিয়ে চুলা বন্ধ করে নিন।
ট্রেনে মাখন ব্রাশ করে ছানা ঢেলে খুন্তি দিয়ে চেপে সমান করুন। ঠান্ডা হলে ফ্রিজে ৪-৫ ঘণ্টা রাখুন। এবারে স্কয়ার বা বরফির আকারে কেটে ওপরে পেস্তা কুচি দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

কমলাভোগকমলাভোগ
উপকরণ: (মিষ্টির জন্য): দুধ (স্কিম মিল্ক বা ফ্যাট ফ্রি হলে ভালো হয়) ২ লিটার, কমলার রস ২ কাপ, সিরকার ও পানির মিশ্রণ ১ কাপ (প্রয়োজন হলে), জাফরান প্রয়োজন অনুযায়ী, বেকিং পাউডার আধা টেবিল চামচ, আইসিং সুগার ২ টেবিল চামচ, সুজি ১ টেবিল চামচ, অরেঞ্জ এসেন্স ২ ফোঁটা (না দিলেও চলবে), জাফরানি রং সোয়া চা-চামচ, লবঙ্গ (প্রতিটি মিষ্টির জন্য) ১টি করে।

(শিরার জন্য): চিনি ৩ কাপ, পানি ৫ কাপ, এলাচ গুঁড়া ১ চা-চামচ।
প্রণালি: ৪ কাপ পানির সঙ্গে চিনি মিশিয়ে জ্বাল দিন। ঘন হয়ে এলে আরও ১ কাপ পানি দিয়ে জ্বাল দিন। শিরার ঘনত্ব বুঝে চুলা বন্ধ করে দিন। একটি প্যান বা হাঁড়িতে দুধ জ্বাল দিন। কয়েকবার ফুটে উঠলে চুলা বন্ধ করে দিন। দুধের হাঁড়ি আর নাড়াবেন না। পুরু সর পড়লে তা সাবধানে দুধ থেকে উঠিয়ে ফেলুন। পুনরায় মাঝারি আঁচে দুধ জ্বাল দিন। একবার ফুটে উঠলে চুলা বন্ধ করে অল্প অল্প করে কমলার রস দিন। দুধে দই বা ছানা ভাব এলে বুঝবেন সিরকার মিশ্রণ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কিন্তু ছানা দুধ থেকে আলাদা না হলে সিরকা দিতে হবে এবং দুধ ও ছানার পানি আলাদা হয়ে গেলে ঝাঝরিতে ছেঁকে নিতে হবে। সুতি বা মসলিন কাপড়ে ছানা নিয়ে গিঁট মেরে ঝুলিয়ে রেখে পানি ঝরিয়ে নিন। খেয়াল রাখবেন ছানা যেন বেশি শক্ত হয়ে না যায়।

এবারে একটি ট্রেতে ছানা নিয়ে ২০ থেকে ৩০ মিনিট মথে মসৃণ করে নিন। ছানার মধ্যে একটা ভেজা ভেজা ভাব থাকবে। আরও মসৃণ করতে চাইলে একটু ব্লেন্ড করে নিতে পারেন। তারপর এটি ১০-১৫ মিনিট ঢেকে রেখে দিন। অতিরিক্ত তৈলাক্ত ভাব মনে হলে দুই-এক চা-চামচ ময়দা দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে মথে নিন। এই ডো থেকে ছোট ছোট গোলা তৈরি করুন। গোল আকৃতির মিষ্টি তৈরি করে তার মাঝখানে আঙুল চেপে একটু ছোট গর্তের মত তৈরি করুন। প্রতিটি মিষ্টির গর্তে একটি করে লবঙ্গ গেঁথে দিন। কয়েকটি পেস্তা কুচি লবঙ্গের চারপাশে দিয়ে ফুলের মতো তৈরি করুন। মিষ্টির চারপাশে একটু একটু করে জাফরানের রেণু ছিটিয়ে দিন। সাবধানে সাজাতে হবে যেন ফেটে না যায়। এবার কিচেন টাওয়েল দিয়ে কয়েক মিনিট ঢেকে রাখুন।

চিনির শিরায় এলাচ গুঁড়া দিয়ে অল্প কিছুক্ষণ জ্বাল দিয়ে এই শিরাতে একটি একটি করে কমলাভোগ ছেড়ে দিন। কড়াই বা হাঁড়ি আলতোভাবে এ পাশে ওপাশে ঘুরিয়ে ভারী ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। কিছুক্ষণ পর ঢাকনা খুলে কড়া আঁচে ১০ মিনিট জ্বাল দিন। আরও ৫-১০ মিনিট জ্বাল দিয়ে চুলা বন্ধ করে ৩০ মিনিট ঢেকে রাখুন। এবার ঢাকনা খুলে ঠান্ডা হতে দিন। তারপর পরিবেশন পাত্রে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

 

গুড়ের সন্দেশগুড়ের সন্দেশ
উপকরণ: ছানা আধা কেজি, খেজুরের গুড় ১ কাপ, চিনি সিকি কাপ, এলাচ গুঁড়া আধা চা-চামচ, ঘি ১ থেকে ২ চা-চামচ, বাদাম ও পেস্তা কুচি দেড় চা-চামচ।
প্রণালি: গুড় পাটায় থেঁতো করে নিন। ছানা হাতের তালু দিয়ে ছেনে নিন। প্যানে গুড় জ্বাল দিয়ে হালকা নরম হলে ছানা দিয়ে আধা মিনিটের মতো নেড়ে নিন। চিনি দিয়ে অল্প আঁচে ঘন ঘন নাড়ুন। ছানায় একটু চটচটে ভাব এলে এলাচ গুঁড়া দিয়ে মিশিয়ে নাড়ুন এবং চুলা থেকে নামিয়ে নিন। ট্রেতে ঘি ব্রাশ করে গুড় ও ছানার মিশ্রণ ঢেলে সমান ও পুরু করে চেপে দিন। একটু ঠান্ডা হলে চারকোনা করে কেটে ওপরে বাদাম পেস্তা ছিটিয়ে দিন।

বাটার টফি সন্দেশবাটার টফি সন্দেশ
উপকরণ: কনডেন্সড মিল্ক ৪০০ গ্রাম, পানি ১ কাপ, চিনি ২ কাপ, মাখন ১ কাপ।
প্রণালি: এক কাপ পানিতে কনডেন্সড মিল্ক মিশিয়ে নাড়ুন। প্যানে মাখন গলিয়ে পানি ও কনডেন্সড মিল্কের মিশ্রণ দিয়ে অল্প আঁচে ঘন ঘন নাড়ুন। ফুটে উঠলে চিনি দিয়ে অনবরত নাড়ুন। দুধ ঘন হয়ে ক্ষীরসার মতো হলে আঁচ কমিয়ে দিন এবং নাড়তে থাকুন। একটি ট্রে বা প্লেটে সামান্য মাখন ব্রাশ করে রাখুন। আঠালো হয়ে এলে মাখন ব্রাশ করা প্লেট বা ট্রেতে ঢেলে সমান করে চেপে দিন। হালকা গরম থাকতে থাকতে টফির মতো চারকোনা করে কেটে ঠান্ডা হতে দিন। এই টফি সন্দেশ এয়ারটাইট কন্টেইনারে ৭ দিন পর্যন্ত ভালো থাকবে।

কাঁচা গোল্লাকাঁচা গোল্লা
উপকরণ: ছানা ৩ কাপ, মাওয়া ১ থেকে দেড় কাপ, ক্রিম ১ কাপ, চিনি ২ কাপ, মাওয়া (গ্রেট করা) দেড় কাপ, এলাচ গুঁড়া ১ চা-চামচ।
প্রণালি: ছানা তিনটি সমান ভাগে ভাগ করুন। দুই ভাগ ছানা মাঝারি আঁচে জ্বাল দিন। ছানার পানি বেরিয়ে হালকা নরম হলে মৃদু আঁচে অল্প অল্প করে চিনি দিয়ে জ্বাল দিন। ছানা ও চিনি মিশে আঠালো হয়ে এলে বাকি এক ভাগ ছানা চিনি মেশানো ছানার সঙ্গে দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নাড়ুন। ক্রিম মিশিয়ে এবং এলাচ গুঁড়া দিয়ে জ্বাল দিন।
হালকা গরম থাকতে থাকতে মসৃণ করে ছেনে কয়েকটি ভাগ করুন। হাতের মুঠোয় নিয়ে গোল করে কাঁচা গোল্লা তৈরি করা মাওয়ায় গুঁড়িয়ে পরিবেশন করুন।

ডায়াবেটিক মিষ্টি (কাঁচা গোল্লা)ডায়াবেটিক মিষ্টি (কাঁচা গোল্লা)
ছানার উপকরণ: গরুর দুধ আধা কেজি, সিরকা-ছানার পানি ১ থেকে দেড় টেবিল চামচ।
প্রণালি: দুধ চুলায় দিয়ে জ্বাল দিন। ফুটে উঠলে ছানার রেসিপি অনুযায়ী সিরকা মিশিয়ে ছানা তৈরি করুন।
সন্দেশ তৈরির জন্য: ছানা ১ কাপ, এলাচ গুঁড়ো সামান্য, যেকোন ব্র্যান্ডের ডায়াবেটিক চিনি সিকি চা চামচ। মাওয়া সিকি কাপ+২ টেবিল চামচ মাখন, ১ টেবিল চামচ।
প্রণালি: ছানা ঝরঝরে করে মেখে প্যানে মাখন গলিয়ে ৩-৪ মিনিট নাড়াচাড়া করে ২ টেবিল চামচ মাওয়া দিয়ে নাড়ুন। ঠিক নামানোর আগ মুহূর্তে ক্যান্ডেরাল ও এলাচ গুঁড়া দিয়ে নেড়ে চুলা বন্ধ করে দিন। মিশ্রণ কিছুটা ঠান্ডা হওয়ার পর মসৃণ করে ছেনে কাঁচা গোল্লার মতো ছোট ছোট মিষ্টি তৈরি করুন। মাওয়ায় গড়িয়ে পরিবেশন ডিশে সাজিয়ে নিন।

মালাই চপমালাই চপ
উপকরণ: ছানা ৩ কাপ, দুধ আড়াই লিটার, চিনি সিকি কাপ, ক্রিম আধা কাপ, জাফরান আধা চা-চামচ, গোলাপজল ১ টেবিল চামচ, পানি সোয়া কাপ।
প্রণালি: দুধ জ্বাল দিয়ে ঘন করুন। নিচে যেন পোড়া না লাগে। ঘন হলে নামিয়ে ঠান্ডা করুন। গোলাপজলে জাফরান ভিজিয়ে নিন।
চিনি ও পানি জ্বাল দিন একত্রে। পাতলা শিরা তৈরি করুন। ছানা মসৃণ করে ছেনে নিয়ে স্পঞ্জ রসগোল্লার মতো বল তৈরি করে হাতের মুঠোয় নিয়ে চ্যাপ্টা করুন। এবারে শিরায় দিয়ে রান্না করুন। ২০ থেকে ২৫ মিনিট চুলায় রাখুন। তারপর চুলা বন্ধ করে দিন। প্রতিটি মিষ্টির ওপর ক্রিমের ছোঁয়া লাগিয়ে দিন। পরিবেশন পাত্রে মালাই চপগুলো সাজিয়ে ওপরে ঘন দুধ ঢেলে গোলাপজল ও জাফরান ছিটিয়ে পরিবেশন করুন।

রসমালাইরসমালাই
উপকরণ: ছানা এক কাপ, দুধ দেড় থেকে ২ লিটার, গোলাপজল আধা টেবিল চামচ, জাফরান আধা চা-চামচ, চিনি এক কাপের তিন ভাগের চার ভাগ, বাদাম ও পেস্তা কুচি ১ টেবিল চামচ।
প্রণালি: ছানা মসৃণ করে ছেনে নিয়ে ডিম্বাকার (অর্থাৎ ল্যাংচার মতো) ছোট মিষ্টি তৈরি করুন। পাতলা শিরা তৈরি করে মিষ্টিগুলো গরম শিরায় ছেড়ে ৭-৮ ঘণ্টা ডুবিয়ে রাখুন। গোলাপজলে জাফরান ভিজিয়ে রাখুন। দুধ জ্বাল দিয়ে কিছুটা জমে এলে অল্প অল্প করে চিনি দিয়ে নাড়ুন যেন সর না পড়ে। দুধ বেশ ঘন হয়ে এলে নামিয়ে রাখুন। সার্ভিং বোলে শিরা থেকে মিষ্টি ছেঁকে ওঠান। গোলাপজল ও জাফরান মিশিয়ে নিন। অর্ধেক জাফরান-গোলাপজল দুধে ছিটিয়ে দুধ মিষ্টির ওপর ঢেলে দিন। বাকি গোলাপজল-জাফরান মিষ্টির ওপর ছিটিয়ে দিন। এবার বাদাম ও পেস্তা কুচি দিয়ে মনের মতো করে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

81
Faculty Forum / প্রিয়জনের জন্য..
« on: May 18, 2015, 03:50:24 PM »
ভালোবাসার অনুভূতি মুখে তো জানাবেনই। সঙ্গে যদি থাকে প্রিয়জনের জন্য বানানো পছন্দের কেক বা ডেজার্ট
চেরি-এলাচি কেক
উপকরণ: মাখন ২৫০ গ্রাম, ডিম ৪টি, ময়দা ৩৫০ গ্রাম, চিনি ১৭৫ গ্রাম, সাওয়ার ক্রিম ১০০ গ্রাম, মিল্ক ক্রিম ৭৫ গ্রাম, বেকিং পাউডার ২ চা-চামচ, অরেঞ্জ রাইন্ড ২ চা-চামচ, কমলার রস আধা কাপ, এলাচি গুঁড়া ১ চা-চামচ, চেরি কুচি সিকি কাপ।
সাজানোর জন্য: আইসিং সুগার, গোল্ডেন সিরাপ ও চেরি প্রয়োজনমতো।
প্রণালি: মাখন ও চিনি বিট করে ডিম দিয়ে আবার বিট করতে হবে। এরপর সাওয়ার ও মিল্ক ক্রিম দিয়ে বিট করে বাকি সব উপকরণ একে একে দিয়ে মেশাতে হবে। রিং আকারের মোল্ডে সামান্য মাখন ব্রাশ করে কেক মিশ্রণ ঢেলে দিতে হবে। এবার ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপে ৪০ মিনিট বেক করতে হবে। ঠান্ডা হলে মোল্ড থেকে বের করে ওপরে গোল্ডেন সিরাপ ঢেলে চেরি দিয়ে সাজাতে হবে।
রেড ভেলভেট কাপকেক
উপকরণ: মাখন ১০০ গ্রাম, চিনি ২০০ গ্রাম, ময়দা ২৫০ গ্রাম, কর্ন ফ্লাওয়ার ২৫ গ্রাম, কোকো পাউডার ৫০ গ্রাম, বেকিং পাউডার ৩ চা-চামচ, সাওয়ার ক্রিম ২০০ গ্রাম, ডিম ৩টি, বেকিং সোডা ২ চা-চামচ, ভিনেগার ২ টেবিল-চামচ, লাল ফুড কালার প্রয়োজনমতো।
সাজানোর জন্য: চারটি ডিমের সাদা অংশ, ক্যাস্টর সুগার ২৫০ গ্রাম, ক্রিম চিজ ১০০ গ্রাম, মাখন ১০০ গ্রাম, লাল ফুড কালার ও গোলাপ ফুলের পাপড়ি প্রয়োজনমতো।
প্রণালি: পাত্রে ময়দা, বেকিং পাউডার, কোকো পাউডার ও কর্ন ফ্লাওয়ার চেলে নিতে হবে। ডিমের সাদা অংশ আলাদা করে বিট করে মেরাং করে নিতে হবে। আরেকটি পাত্রে মাখন, চিনি, ডিমের কুসুম বিট করতে হবে। সাওয়ার ক্রিমে লাল ফুড কালার দিয়ে এই মিশ্রণে মিশিয়ে নিতে হবে। এবার মাখনের মিশ্রণে ময়দার মিশ্রণ দিয়ে মিশিয়ে নিতে হবে। এতে মেরাং মেশাতে হবে। সব শেষে ভিনেগারে সোডা মিশিয়ে এই মিশ্রণে দিতে হবে। তৈরি হল কেক মিশ্রণ।
মাফিন কাপে পেপার রেখে মাখন ব্রাশ করে নিতে হবে। তাতে কেক মিশ্রণ ঢেলে ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপে ২০ থেকে ২৫ মিনিট বেক করতে হবে।
সাজানোর জন্য চুলায় ডাবল বয়লারে ডিমের সাদা অংশ ও ক্যাস্টর সুগার দিয়ে বিট করে নিতে হবে। এরপর মাখন, ক্রিম চিজ ও চিনি দিয়ে বিট করতে হবে। ইচ্ছে হলে ক্রিমেও লাল ফুড কালার দেওয়া যায়। ক্রিম হয়ে গেলে কেকের ওপর ফুলের পাপড়ির মতো করে সাজিয়ে দিতে হবে। এবার গোলাপের পাপড়িতে ডিমের সাদা অংশ লাগিয়ে চিনি ছড়িয়ে কেকের ওপর সাজিয়ে দিতে হবে।
পান-পামকিন পান্না কোটা
উপকরণ: ক বিভাগ: মিল্ক ক্রিম ৭০০ গ্রাম, ক্যাস্টর চিনি ২৫০ গ্রাম, নারকেলের দুধ ৩০০ মিলিলিটার, ঘন দুধ ১ কাপ, জেলাটিন ৪ টেবিল-চামচ, পানপাতা ২টি, লেমন রাইন্ড ২ চা-চামচ।
খ বিভাগ: হোয়াইট চকলেট ২০০ গ্রাম, ক্রিম ১৫০ গ্রাম, মিষ্টি কুমড়া সেদ্ধ করে পেস্ট করে নেওয়া আধা কাপ, ডিমের কুসুম ২টি, পেস্তাবাদাম কুচি ২ টেবিল-চামচ, ক্যাস্টর সুগার ৪ টেবিল-চামচ, মিল্ক এসেন্স কয়েক ফোঁটা।
প্রণালি: প্রথমে ক বিভাগের জেলাটিন আধা কাপ পানি দিয়ে গলাতে হবে। দুধ দিয়ে পানপাতা ব্লেন্ড করে নিতে হবে। এবার জেলাটিন ছাড়া বাকি সব উপকরণ দুধে মিশিয়ে জ্বাল দিয়ে নামিয়ে জেলাটিন মেশাতে হবে। এতে লেমন রাইন্ড মিশিয়ে পছন্দমতো যেকোনো মোন্ডে ঢেলে ফ্রিজে রাখতে হবে।
চুলায় খ বিভাগের হোয়াইট চকলেট, ক্রিম, মিষ্টি কুমড়া একসঙ্গে কিছুক্ষণ জ্বাল দিয়ে নামাতে হবে। এতে ডিমের কুসুম, ক্যাস্টর সুগার মিশিয়ে হুইস্ক করতে হবে। এবার মিল্ক এসেন্স দিয়ে আলাদা মোন্ডে ঢেলে ফ্রিজে কিছুক্ষণ জমতে দিতে হবে। সার্ভিং ডিশে পানের পান্না কোটা ও তার ওপর মিষ্টি কুমড়ার পান্না কোটা বসিয়ে ওপরে চকলেট সস দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।
ক্যারামেল গ্লাস কেক
উপকরণ: মাখন ১২৫ গ্রাম, ময়দা ১২৫ গ্রাম, বেকিং পাউডার ১ চা-চামচ, ব্রাউন সুগার ১২৫ গ্রাম, ডিম ২টি, কফি এসেন্স ২ ফোঁটা।
ক্যারামেল সসের জন্য: পানি সিকি কাপ, ক্যাস্টর সুগার ১ কাপ, মিল্ক ক্রিম ১ কাপ, কেকের ওপর দেওয়ার জন্য হুইপড ক্রিম ১ কাপ।
প্রণালি: মাখন ও ব্রাউন সুগার বিট করে তারপর ডিম দিয়ে বিট করতে হবে। এতে ময়দা, বেকিং পাউডার ঢেলে এসেন্স দিয়ে মিশিয়ে নিতে হবে। ৪টা মোটা কাচের ওভেন প্রুফ গ্লাসে এই মিশ্রণ ঢালতে হবে। ওভেন ট্রেতে পানি দিয়ে গ্লাস বসিয়ে ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপে ২৫ মিনিট বেক করতে হবে। হয়ে গেল কেক।
ক্যারামেল সস তৈরি: সসপ্যানে চিনি ও পানি জ্বাল দিয়ে ক্যারামেল বানিয়ে ক্রিম দিয়ে জ্বাল দিয়ে নামাতে হবে। গ্লাস কেকের ওপর এই ক্যারামেল দিয়ে, তার ওপরে হুইপড ক্রিম দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

82
গ্রীষ্মের দাবদাহে সব বয়সী মানুষের প্রাণই ওষ্ঠাগত প্রায়। তবে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পায় শিশুরা। এই গরমে তাদের যত্ন নিতে হবে। তাহলেই শিশুরা থাকবে সুস্থ এবং প্রাণবন্ত। তাই জেনে নিন এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় কিছু তথ্য ও পরামর্শ:
—একটি শিশুর শরীরে গড়ে প্রতিদিন এক থেকে দেড় লিটার পানি প্রয়োজন হয়। শিশুরা ঘামে বেশি, তাই প্রচুর পরিমাণ পানি পান করাতে হবে। মৌসুমি ফলের মধ্যে তরমুজ, আনারস, আম, কাঁঠাল, লিচু, আঙুর, বাঙ্গি, আপেল খাওয়াতে পারেন। এ ক্ষেত্রে শিশুর পছন্দকে গুরুত্ব দিন। ফ্রিজে রাখা ঠান্ডা কোমল পানীয় বা কৃত্রিম জুস পান করাবেন না। এগুলো শিশুর জন্য ক্ষতিকর।
—এ মৌসুমে শিশুরা ভাইরাসজনিত জ্বরে আক্রান্ত হতে পারে, যা পাঁচ-সাত দিন স্থায়ী হয়। অনেক সময় বোঝা যায় না, শিশুকে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া উচিত কি না। জ্বর ১০০ ডিগ্রি হলে প্যারাসিটামল জাতীয় ওষুধ খাওয়াতে পারেন। শিশুকে ভারী কাপড়ে না ঢেকে বরং পাতলা জামাকাপড় পরাবেন। ঘরের ফ্যান চালিয়ে রাখুন।
—গরমে শিশুদের চুলের গোড়া ঘেমে যায়। তাই চুল যতটা সম্ভব ছোট রাখাই ভালো। এতে চুলের গোড়া ঘেমে গেলেও তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায়। যেসব শিশুর ঠান্ডার সমস্যা আছে, তাদের চুল কখনোই বড় রাখা উচিত না। গোসলের পর চুল ভালোভাবে মুছে দিন। বড় ফাঁকওয়ালা চিরুনি দিয়ে চুল ঠিকভাবে আঁচড়ানো উচিত। এরপর চুল শুকিয়ে গেলে তা ভালোভাবে বেঁধে দিন। রোদ থেকে ঘরে ফিরেই সঙ্গে সঙ্গে শিশুকে গোসল করানো থেকে বিরত থাকুন।
—গ্রীষ্মকালে শিশুকে প্রতিদিনই গোসল করাতে হবে। ঠান্ডা বা সর্দি-কাশির ভয়ে অনেকে সন্তানকে গোসল করাতে চান না। কিন্তু প্রচণ্ড গরমে শরীরের ঘাম জমে গিয়ে আরও অসুখ-বিসুখের শঙ্কা থাকে। গোসলের সময় শিশুর গায়ে সাবান দিয়ে ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে। তবে শ্যাম্পু বেশি ব্যবহার না করাই ভালো, সপ্তাহে দুদিনই যথেষ্ট। গোসলের পর শিশুর শরীর ও মাথা ভালো করে মুছে দিয়ে পাউডার লাগানো ভালো। এতে করে ঘামাচির যন্ত্রণা থেকে শিশু থাকবে নিরাপদ। শিশুর ব্যবহৃত প্রসাধন সামগ্রী যেন অবশ্যই ভালো মানের হয়।
—ঘামাচির যন্ত্রণা বেশি হলে শিশুকে হিস্টাসিন বা অ্যান্টিহিস্টামিন সিরাপ দিন। এতেও চুলকানি না কমলে হাইড্রোকর্টিসন (১%) মলম দিনে ২ বার করে ৫ থেকে ৭ দিন লাগাতে হবে। গরমের সময় লোশন ব্যবহার মোটেও ঠিক নয়। এতে বাচ্চার শরীরে ঘাম জমে লোমকূপ বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
—গরমে শিশুদের অবশ্যই নরম ও পাতলা সুতি কাপড়ের ঢিলেঢালা পোশাক পরাতে হবে। কেননা, শিশুরা ঘামে বেশি। ঢিলেঢালা পোশাকে বাতাস ঢুকতে পারে, এতে সহজেই ঘাম শুকিয়ে যায়। এ ছাড়া থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্ট পরালে আরাম পাবে।
—গ্রীষ্ম ও বর্ষায় পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব যায় বেড়ে। তাই সাবধান। খাওয়ানোর আগে শিশুর ব্যবহৃত বাটি, প্লেট সেদ্ধ পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। খাবার পানি ভালো করে ফুটিয়ে নিতে হবে। খাবার তৈরি ও পরিবেশনের আগে হাত ভালো করে ধুয়ে নিন।

83
Faculty Forum / tips
« on: November 23, 2014, 10:14:07 AM »
শীতে পা ফাটায় করণীয়
অনলাইন ডেস্ক:

শীতে পা ফাটার যন্ত্রনা অনেককেই তাড়িয়ে বেড়ায়। কারো কারো ক্ষেত্রে এর মাত্রা এতটা বেশি হয় যে রক্ত পর্যন্ত বের হয়। আর ঘুমাতে গেলে ন্যাড়া মাথার মতো পায়ের ফাটা অংশে মশারি জড়িয়ে যাওয়ার মতো বিষয় তো রয়েছেই। মূলত শীতে আবহাওয়া শুষ্ক হয়ে যাওয়ার কারণেই এ বিপত্তিতে পড়তে হয়। তাই এ সময় ত্বকের একটু বাড়তি পরিচর্চার প্রয়োজন পড়ে। আসুন জেনে নিই এই শীতে নিজের পা দু'খানাকে কীভাবে এসব ঝামেলা থেকে দূরে রাখা যায়।

প্রাথমিক করণীয়:

পা নিয়মিত পরিষ্কার করুন। পা ধোয়ার সময় গরম পানি ব্যবহার করুন। খালি পায়ে বাইরে যাবেন না। নরম জুতা বা স্যান্ডেল ব্যবহার করুন। রাতে পায়ে মোজা পরে শোবেন যাতে পায়ে ঠাণ্ডা না লাগে।

অয়েল থেরাপি:

প্রথমে পা পরিষ্কার করে ধুয়ে শুকিয়ে নিতে হবে। তারপর গোড়ালির ফেটে যাওয়া জায়গায় অলিভ অয়েল/নারিকেল তেল লাগিয়ে একজোড়া মোটা মোজা পরে সারারাত রেখে দিতে হবে। সকালবেলা কুসুম গরম পানি দিয়ে পা ধুয়ে নিলেই গোড়ালির ফাটল কমে আসবে। আর গোসলের পর অবশ্যই অলিভ অয়েল, নারকেল তেল, ময়শ্চারাইজিং লোশন বা ভ্যাসলিন জাতীয় পদার্থ লাগিয়ে নেবেন।

ভ্যাসলিন ও লেবুর রসের প্যাক:

গোড়ালি পরিষ্কার করে ধুয়ে শুকিয়ে নিয়ে হালকা গরম পানিতে ১৫ মিনিট পা ভিজিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলতে হবে। তারপর ১ টেবিল-চামচ ভ্যাসলিন ও ১ টেবিল-চামচ লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে নিয়ে মিশ্রন শুকনো পা ও গোড়ালির ফেটে যাওয়া স্থানে ত্বক শুষে না নেওয়া পর্যন্ত ঘষতে হবে।

মনে রাখবেন এ রোগের প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ করা জরুরী। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

বিডি-প্রতিদিন/২২ নভেম্বর ২০১৪/আহমেদ
- See more at: http://www.bd-pratidin.com/life.../2014/11/22/45143#sthash.o71jccwC.dpuf

84
Faculty Forum / Try to say something good to me
« on: November 23, 2014, 09:32:09 AM »
ami aj-kal onek kithu chesta korchi.chesta korchi sob normally nite.sobaike valo baste,jara amake valo bashe othoba bashena.amarv rag ar grina ke komieye felte.
I want to go straight with patience and love.It will hurt me,sometimes my ego/self confidence.But it will give me a feeling that Allah is only one who cares me,who loves me the most.This world is game that I have to play very carefully .Sorrows,betraying are obstacles.At last I have to go.
After our reborn we will not able to know each other at 'Hasor'.We will be very busy with our sins.
may Allah help us everyone from sins.   

Pages: 1 ... 4 5 [6]