Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Sahadat

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 19
31
ত্বকের যত্নে আমরা কতো কিছুই না করি। বিভিন্ন ধরণের ফেস প্রোডাক্ট, পার্লারে গিয়ে ত্বকের নানা ধরণের ট্রিটমেন্ট সহ আরও নানা কাজ করে থাকেন অনেকেই। শুধুমাত্র পারফেক্ট ত্বক পাওয়ার জন্য প্রায় সকল নারীই এইসব কাজ করে থাকেন। একটি প্রোডাক্ট ত্বকে স্যুট না করলে আরেকটির খোঁজ শুরু করেন। কিন্তু এতো কিছুর পরও কি মনের মতো ত্বক পাচ্ছেন? একেবারেই নয়। এই ধরনের কেমিক্যাল সমৃদ্ধ জিনিসে ত্বকের বরং ক্ষতিই হয়। এরচাইতে প্রাকৃতিক জিনিস ব্যবহার করুন। খুব সহজে এবং বেশ অল্প খরচেই পেতে পারেন স্বাস্থ্যউজ্জ্বল দাগহীন কোমল ত্বক মাত্র ১ টি ফেসপ্যাকে। চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক কীভাবে।

ফেসপ্যাকটির উপকারিতা
- ত্বকের ব্রণ সমস্যা সমাধান করবে
- ত্বকের নানা ধরণের দাগ দূর করবে
- ত্বকের কালচে ভাব দূর করে ভেতর থেকে ফুটিয়ে তুলবে উজ্জ্বলতা
- ত্বক নরম ও কোমল করবে
- ত্বকের পানিশূন্যতা জাতীয় রুক্ষতা দূর করবে
- ত্বকে বয়সের ছাপ অর্থাৎ রিঙ্কেল জাতীয় সমস্যা দূরে রাখবে।
যা যা লাগবেঃ
- ১/৪ কাপ পাকা পেঁপে
- ১ টেবিল চামচ মধু
- দেড় টেবিল চামচ লেবুর রস

পদ্ধতি ও ব্যবহারবিধিঃ
- পেঁপে ছোটো করে কেটে ব্লেন্ডারে দিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন।
- এরপর এতে মধু ও লেবুর রস দিয়ে আরও খানিকক্ষণ ব্লেন্ড করে মসৃণ পেস্টের মতো তৈরি করে ফেলুন।
- প্রথমে ত্বক ভালো করে ধুয়ে মুছে নিন। এরপর এই প্যাকটি ত্বকে ভালো করে লাগান।
- মুখ, ঘাড় ও গলায় ভালো করে লাগিয়ে ১৫-২০ মিনিট রেখে নিন।
- এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ত্বক ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন।
- একেবারে শেষে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ত্বক ভালো করে ধুয়ে মুছে নিন।
- সপ্তাহে মাত্র ১ বার ব্যবহারেই ভালো ফলাফল পাবেন।
যেভাবে কাজ করে এই ফেসপ্যাক
- মধুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ত্বকের ব্রণ সমস্যা দূর করে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা ও কোমলতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
- পেঁপে ত্বককে ভেতর থেকে ময়েসচারাইজ করে ত্বকের পানি শূন্যতা পূরণ করে ত্বককে নরম করে তোলে। পেঁপের অ্যান্টিএইজিং উপাদান ত্বককে বয়সের ছাপ পড়ার হাত থেকে রক্ষা করে।
- লেবুর রসের ব্লিচিং ইফেক্ট ত্বকের নানা ধরণের দাগ ও কালচে ভাব দূর করতে সহায়তা করে।

সূত্রঃ top10homeremedies

32
চারদিকে শুধু রোদ আর ভ্যাপসা গরম। আর এ গরমে অতিষ্ঠ প্রতিটি মানুষ। তাইতো চলার পথে তারা কখনও দারস্থ হয় শসা কিংবা জুসের দোকানে। এ তো গেল সকালের কথা। আবার সারাদিন একটানা খাটুনির পর বিকালে বাসায় গেলেও মনটা চায় ঠান্ডা কিছু খেতে। এসময় মনটা শসা কিংবা একটু খানি লেবুর শরবতে তৃপ্তি মেটাতে চায়। কিন্তু এক্ষেত্রে সহজলভ্যতার দিক থেকে শসার শরবতই এগিয়ে। এটি একদিকে যেমন শরীরকে চাঙ্গা করতে কাজ করে তেমনি অন্যদিকে স্বাস্থ্যের জন্যও এটি সমান উপকারী।

শুধু তাই নয়, এই গরমে ত্বকের পাশাপাশি হজমের সমস্যা দূর করতেও এ পানীয়ের কোনো বিকল্প নেই। তাই অর্থসূচকের পক্ষ থেকে এবার জানিয়ে দেয়া হল-শসার শরবত তৈরির প্রক্রিয়া।

এখানে ক্লিক করুন ও আমাদের ফেসবুক ফ্যান পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সংযুক্ত থাকুন।

উপকরণ:
শসা কুচি ১ কাপ, পানি ২ কাপ, পুদিনা পাতা কুচি ২ টেবিল টামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ ১টি (মিহি কুচি), লবণ পরিমাণ মত, বিট লবণ ১/২ চা-চামচ ও বরফ কুচি পরিমাণমতো।

প্রক্রিয়া:
বরফ বাদে সব উপকরণ ব্লেন্ড করে ছেঁকে নিন। এবার ব্লেন্ডার থেকে শরবত গ্লাসে ঢালুন। গ্লাসে বরফ কুচি দিয়ে নিজের পছন্দমতো পরিবেশন করুন।

প্রাণ জুড়াতে ভিন্ন স্বাদের অন্যতম উপকরণই হল শসা। কারণ এতে রয়েছে এমন সব খাদ্য উপাদান যা আপনাকে কোলেস্টেরল সমস্যা, ওজন সমস্যা ও হার্টের সমস্যা থেকেও মুক্তি দিবে। তাই এক ঢিলে দুই পাখি মারাই বুদ্ধিমানের কাজ। নিয়মিতই গরম থেকে বাঁচতে শসার তৈরি শরবত খান। ভাল থাকুন।

33
মাশরুম একটি ভেজষ গুণ সম্পন্ন ও সামান্য ক্যালোরিযুক্ত খাবার। এই খাবারটি কিন্তু অতিরিক্ত ওজন কমাতেও সাহায্য করে। লন্ডন ইউনিভার্সিটি অফ বাফ্যালো'র পুষ্টিবিজ্ঞান বিভাগ পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে, পোর্টোবোলো প্রজাতির মাশরুম খাদকের রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে ও ওজন কমায়।

স্কুল অফ পালবিক হেলথের পুষ্টিবিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক ও প্রধান গবেষক পিটার হ্যারোভ্যাথ জানিয়েছেন, চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে মাশরুম কার্যকরী ভূমিকা রাখতে পারে। চিনি বা শর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকলে স্বাভাবিকভাবেই যারা ওজন কমাতে চান তারা লাভবান হতে পারবেন।

পিটার জানিয়েছেন, আমাদের শরীরে প্রত্যেকটি কোষে শর্করা প্রয়োজন। অতিরিক্ত শর্করা শরীরের কোষগুলো গ্রহণ করতে পারেনা। ফলে অতিরিক্ত শর্করা শরীরে মেদ হিসেবে জমা হয়। আর মাশরুম রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে শরীরের ভারসাম্য ধরে রাখে।

গবেষণার অংশ হিসেবে মিষ্টি পানীয়ের প্রতিক্রিয়ায় শর্করার মাত্রা কেমন থাকে তা দেখার জন্য ১৯ থেকে ২৯ বছর বয়সী ৮ জন পুরুষ ও ১০ জন নারীকে দুই সপ্তাহ ধরে ওরাল গ্লুকোজ টলারেন্স টেস্ট পরীক্ষা করা হয়। এদের প্রত্যেককে সমান মিষ্টি তিন ধরনের পানীয় খাওয়ানো হয়। এই পানীয়ের মধ্যে ছিল ৭৫ গ্লুকোজ ড্রিঙ্ক, ৭৫ গ্রাম গ্লুকোজ ড্রিঙ্কের সঙ্গে ৯.৫ গ্রাম পোর্টোবেলো পাউডার, ৯.৫ গ্রাম পোর্টোবেলো পাউডারের সঙ্গে সুগন্ধী পানি।

পরীক্ষার ফল হিসেবে দেখা যায়, গ্লুকোজ ড্রিঙ্কের সঙ্গে পোর্টোবেলো পাউডার খাওয়ার ফলে রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা কমে গেছে।

এই গবেষণার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই পরীক্ষায় এটা স্পষ্ট যে মাশরুম রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে গ্রাহকের ওজনে ভারসাম্য রাখে। তবে এ বিষয়ে সবচেয়ে বেশি কার্যকরী ফল পান নারীরা।

34
আপনি কি স্বাস্থ্য রক্ষায় সকালে হাঁটতে যান? উত্তর যদি হ্যাঁ হয়, তাহলে নিশ্চয়ই আপনার আছে এক বা একাধিক সঙ্গী? তাহলে আজ জেনে নিন, হাঁটার সময়ে কোন কথাগুলো বললে আপনার সঙ্গীরা হতে পারেন ভীষণ বিরক্ত। শুধু তাই নয়, আপনাকে যদি কেউ এমন কথা বলে তাহলে আপনার ব্যায়ামেও ব্যাঘাত ঘটতে পারে আর নষ্ট হতে পারে এনার্জি। আসুন জানি মর্নিং ওয়াকে নিষিদ্ধ সেই কথাগুলো সম্পর্কে।
১. আপনি কি জগিং করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন :
কেউ যদি জগিং করতে থাকেন তাহলে তাকে কখনই বলবেন না যে আপনি কি জগিং করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন? এতে করে সেই ব্যক্তিটির সব এনার্জি নষ্ট হয়ে যাবে। তিনি মনে মনে ভাবতে শুরু করবেন যে আমি হয়ত সত্যিই ক্লান্ত হয়ে গিয়েছি। এ কারণে তার প্রয়োজন অনুযায়ী তিনি আর জগিং করতে চাইবেন না। ফলে তার ক্ষতি হবে।

২. প্রতিদিন হাঁটা কোনো ব্যায়ামই নয় :
এই ধরনের কথা কখনই একজন হাঁটতে ইচ্ছুক লোকের সামনে একেবারেই বলবেন না। এতে করে তার হাঁটার ইচ্ছা নষ্ট হয়ে যাবে। অবশ্যই প্রতিদিন হাঁটা এক ধরনের ব্যায়াম। এর ফলে অতিরিক্ত ওজন নিয়ন্ত্রণে আসে।

৩. আপনি কি কোনো যানবাহনে চড়তে চাইছেন :
আপনি যদি দেখে থাকেন যে একজন হাঁটছেন, তার হয়তবা অনেক কষ্ট হচ্ছে তবু তিনি হেঁটেই যাচ্ছে। এমন অবস্থায় কখনই বলবেন না যে আপনি কোনো যানবাহনে চড়তে চান কিনা। এতে করে তিনি যদি হালকা অসুস্থও হয়ে পড়েন তারপরও তিনি হয়ত ভাববেন আমি আসলেই হয়ত অনেক বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েছি। এতে করে তিনি মানসিকভাবে অনেক বেশি অসুস্থ হয়ে পড়বেন। ফলে তার সঠিক শারীরিক কসরতটি হবে না বরং ক্ষতির সম্মুখীন হবেন।

৪. আপনার পোশাকটি ভালো হয় নি :
কেউ যদি হাঁটতে বের হয় আর তার পোশাকটি যদি আপনার পছন্দ না হয় তাহলে আপনি কখনই বলবেন না যে আপনার পোশাকটি মোটেই ভালো হয় নি। তাহলে সেই ব্যক্তিটি বেশ খানিকটাই অসচেতনতায় ভুগবেন। ফলে তার হাঁটাটি যথার্থ হবে না।

৫. তাড়াতাড়ি হাঁটুন, আপনি অনেক ধীরে হাঁটছেন :
যার যার প্রয়োজন এবং শারীরিক সামর্থ্য অনুযায়ী হেঁটে থাকেন। এতে করে দ্বিতীয় কোনো ব্যক্তি যদি ডিরেকশন দিয়ে থাকেন যে এভাবে না এভাবে হাঁটুন তাহলে তাদের ব্যায়ামের ক্ষেত্রে ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি হবে। কেননা একেকজনের শারীরিক দক্ষতা একেক রকম। ফলে আপনি জোরে হাঁটতে বললেও তিনি সেভাবেই হাঁটবেন যতটা তিনি পারছেন। এর বদলে তিনি হয়ত কিছুটা মানসিক সমস্যায় ভুগবেন।

৬. ধীরে হাঁটুন, আপনি অনেক জোরে হাঁটছেন :
একইভাবে আপনি কাউকে এই কথাটিও বলবেন না। এতে তিনি বরঞ্চ একটা মানসিক সমস্যায় ভুগবেন। ভালো কিছুই হবে না।

৭. আপনি অনেক বেশি ঘামছেন :
কেউ হাঁটলে ঘাম ঝরবে এটা স্বাভাবিক। এতে হয়ত কারও ঘাম কিছুটা বেশি হয় কারও কিছুটা কম হয়। যাদের দেহে পানির পরিমাণ বেশি তারা বেশি ঘামেন আর যাদের শরীরে পানি কম তারা একটু কম ঘামেন। এক্ষেত্রে অযথা তাদের এই কথা বলে বিব্রত করার কোনো দরকার নেই। কেননা এতে হতে পারে তাদের মধ্যে এই নিয়ে কোনো ধরনের মানসিক চাপ তৈরি হতে পারে। তাই এই ধরনের কথা বলা থেকে বিরত থাকুন।

35
নেকেই ওজন বেড়ে যাওয়া সমস্যা নিয়ে আতঙ্কে ভোগেন। যাদের ওজন বেশি তাঁরা কি পরবেন, কিভাবে সাজবেন সব কিছু নিয়েই দ্বিধায় ভুগে থাকেন। এমনকি কিভাবে পোশাক সেলাই করতে হবে সেটাও ঠিক করে বুঝে উঠতে পারেন না অনেকে। যারা ওজন সমস্যায় ভুগছেন তাঁরা সামান্য গ্রুমিং এর মাধ্যমেই নিজেকে দেখাতে পারেন বেশ খানিকটা স্লিম এ্যান্ড ট্রিম৷ তাহলে জেনে নেওয়া যাক নিজেকে স্লিম দেখানোর কিছু সহজ উপায় সম্পর্কে।

(১) যাদের শরীর কিছুটা মেদ বহুল তাঁরা হালকা রঙের পোশাক এড়িয়ে চলুন। যে কোনও রঙের   সবথেকে গাঢ় শেডটা বেছে নিন পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রে। কালো, নেভি ব্লু, বোটল গ্রিন, কালচে মেরুন ইত্যাদি রং গুলোতে শরীর কিছুটা স্লিম দেখায়।

(২) যারা ওজন সমস্যায় ভুগছেন তাঁরা নিজের সুবিধা অনুযায়ী পোশাক পছন্দ করুন৷ পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখুন যেন সেটা খুব বেশি হাল্কা না হয় বা ঠাসাঠাসি ভাবে পড়তে না হয়। এছাড়া খুব বেশি বড় গলা বা হাত কাটা পোশাক এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন৷

(৩) মেকআপ করার সময়েও একটু খেয়াল রাখুন৷ যাদের ওজন একটু বেশি তাদেরকে একটু চাপা মেকআপই বেশি ভাল লাগে৷ আর তার জন্য ত্বকের রঙের থেকে এক শেড গাঢ় প্যান কেক দিয়ে গালের দুপাশে লাগিয়ে নিন। এরপর ত্বকের রঙের ফেস পাউডার দিয়ে উপরে ব্লাশ করুন। তাহলে মুখের দুই পাশ ও ডাবল চিন কিছুটা কম বোঝাবে।

(৪) যাদের মুখে মেদ বেশি তাঁরা চুল ফুলিয়ে বাঁধবেন না। চুল স্ট্রেট অর্থাৎ সোজা করে ছেড়ে রাখুন অথবা হালকা করে বেঁধে রাখুন।

(৫) যারা সানগ্লাস বা চশমা পরেন তাঁরা বড় আকৃতি ফ্রেম পছন্দ করুন। বেশি ছোট ফ্রেম নির্বাচন করলে মুখের আকৃতি আরও বড় দেখাবে।

(৬) নেকলেস পরার ক্ষেত্রে গলার সঙ্গে এঁটে থাকা নেকলেস পরবেন না। একটু ঝোলানো ধরনের মালা বা নেকলেস বেছে নিন নিজের জন্য।

(৭) যাদের শরীর মেদ বহুল তাঁরা খুব বেশি চিকন হিল পরবেন না। খুব বেশি চিকন হিল পড়লে দেখতে বেমানান দেখাতে পারে এবং স্বাস্থ্যেরও ক্ষতি হতে পারে।

36
ঘন কালো মেঘের মতো চুলের উপাধি পাওয়া নারী আজকাল একেবারেই নজরে পড়ে না। আবহাওয়ার বিরূপ ভাব, দূষণ, খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন, স্টাইলের কারণে সেই কুচকুচে কালো চুলের অধিকারিণীদের খুঁজেই পাওয়া যায় না একেবারে। কিন্তু যারা ফ্যাশনের জন্য চুল রঙ না করে কালোই রাখতে চান তাদেরও সমস্যার অন্ত নেই। একটু যত্নের অভাব হলেই চুল লালচে হয়ে যাওয়া শুরু করে দেয়। কিন্তু একটু সতর্ক থাকলেই নিজের কালো চুলগুলোকে লালচে হয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করতে পারেন অনায়েসেই। জানতে চান কীভাবে? চলুন জেনে নেয়া যাক।

১) চুলে লাগান এই কার্যকরী প্রোটিন প্যাক
১ টি ডিম, ১ কাপ টকদই, ভিটামিন ই ক্যাপস্যুল ও নারকেল তেল/অলিভ অয়েল/আমন্ড অয়েল দিয়ে খুব সহজে আপনি তৈরি করে নিতে পারেন এই প্রোটিন প্যাক। ডিম ফেটিয়ে এতে দই, ভিটামিন ই ক্যাপস্যুল ভেঙে দিয়ে সামান্য তেল দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এরপর এটি পুরো চুলে এবং মাথার ত্বকে ভালো করে লাগান। ৩০-৪০ মিনিট পর শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে নিন। সপ্তাহে ১ দিন ব্যবহারেই ভালো ফল পাবেন।

২) নিজের চুলের জন্য বেছে নিন মৃদু শ্যাম্পু
শ্যাম্পু কেনার সময় খুব ভালো কোনো ব্র্যান্ডের অল্প কেমিক্যাল সমৃদ্ধ শ্যাম্পু কিনুন। সম্ভব হলে হারবাল শ্যাম্পু কিনে ব্যবহার করুন। কারণ ক্ষার ও কেমিক্যালের কারণে চুলের রঙ পরিবর্তিত হয়ে যায় এবং চুল রুক্ষ ও শুষ্ক হয়ে পড়ে। মৃদু শ্যাম্পু হলে চুল সুস্থ থাকে।

৩) চুলকে বাঁচান রোদ থেকে
কালো চুল লালচে হয়ে যাওয়ার প্রধান কারণ হচ্ছে কড়া রোদ। রোদে চুল খুলে রাখলে চুলের কোলাজেন টিস্যুর ক্ষতি হয়। এবং চুলের রঙ ব্লিচ হয়ে কালো থেকে লালচে কিংবা কালচে বাদামী রঙ ধারণ করে। রোদে বেরুনোর সময় অবশ্যই একটি স্কার্ফ মাথায় বেঁধে নেবেন কিংবা সাথে একটি ছাতা রাখবেন চুলকে রোদ থেকে বাঁচাতে।

৪) স্টাইলিং কমিয়ে দিন
চুল স্ট্রেইট করার কাজে স্ট্রেইটনার এবং কার্ল করতে কার্লার ব্যবহার করেন তাহলে চুল হিটের কারণে লালচে হয়ে যেতে পারেন। কারণ এইসকল ইলেকট্রনিক জিনিসপত্রের ব্যবহারে চুলের কোলাজেন টিস্যু ক্ষতিগ্রস্থ হয় ও চুলের রঙ কালো থেকে লালচে হয়ে আসে। তাই এগুলো কম ব্যবহার করুন। এবং হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে চুল না শুকিয়ে বাতাসে চুল শুকানোর অভ্যাস করুন।
সূত্রঃ divinecaroline

37
হলফ করে বলতে পারি যে এই দারুণ টিপসটি আপনি জানেন না। আজকাল বলতে গেলে প্রায় সবাই-ই চুলে রঙ করান। কিন্তু শখ করে কালার করানোর পর সকলেই ভোগেন একই সমস্যায়। আর সেটা হলো চুলের কালার হয়ে পড়ে বিবর্ণ। অনেকেরই চুল পাটের আঁশের মত দেখায়। কালার করানোর সময় যেমন ঝলমলে রঙ ছিল, তার কিছুই অবশিষ্ট থাকে না। আপনারও কি এই সমস্যা? তাহলে একবার চেষ্টা করেই দেখুন এই টিপসটি। মাত্র একবার ব্যবহার করলেই আপনার কালার করা চুলের রঙ আবারও হয়ে উঠবে একদম নতুনের মত উজ্জ্বল, ঝলমলে ও সিল্কি।

যা যা লাগবে
পানি
লবঙ্গ

যেভাবে করবেন
-আপনার চুলের পরিমাণ বুঝে পানি নিন।
-প্রত্যেক কাপ পানির জন্য ৭/৮ টি করে লবঙ্গ পানিতে দিন। খুব ভালো মানের লবঙ্গ ব্যবহার করবেন। যত ভালো লবঙ্গ, তত ভালো ফল।
-এবার জ্বাল কমিয়ে মিনিট ১৫ জ্বাল দিন।
-তারপর ঠাণ্ডা করে ছেঁকে নিন। এই মিশ্রণটিই আপনার কালার রিফ্রেসার হিসাবে কাজ করবে।
-চুলে শ্যাম্পু করে ভালো করে পানি নিংড়ে নিন। কন্ডিশনার দেবেন না। এবার আপনার শ্যাম্পু করা চুল এই লবঙ্গের পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
-আর তারপর দেখুন ম্যাজিক। আপনার চুলগুলো হয়ে উঠেছে একদম নতুনের মত।

38
বয়স বাড়ার সাথে সাথে কমতে থাকে মানুষের কোনো কিছু মনে রাখার ক্ষমতাও। বয়োসের কারনে এ সময় মানুষের মস্তিস্কও খুব কম কাজ করে। এছাড়াও মানুষের আরও অনেক সমস্যা দেখা যায়। অনেক সময় আবার ছোট বাচ্চাদের স্মৃতি সমস্যা দেখা যায়। আর স্মৃতি শাক্তি মানুষের জন্য কতোটা প্রয়োজন এটা নিয়ে মনে হয় নতুন করে আর কিছু বলার নেই। তবে আনন্দের কথা হচ্ছে এমন কিছু খাবার ও ফল আছে যা খেয়েও আমরা আমাদের স্মৃতি শক্তি বাড়াতে পারি। চলুন জেনে নেই সে সকল খাবার সম্পর্কে।

জাম: প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখতে পারেন জাম,লিচু,স্ট্রবেরি,কালোজাম বা আঙ্গুরের মত ফল। ফলগুলোতে রয়েছে এন্টি-অক্সিডেন্ট যা ব্রেইনের কোষের অক্সিডেশন এবং ক্রমাগত ক্ষয়ে যাওয়া রোধ করে। অর্থাৎ ব্রেইনের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ব্লু বেরীকে ব্রেইনের জন্য সবচেয়ে কার্যকর খাবার বলে ধরা হয়, কেননা তা আলঝেইমার রোগ প্রতিরোধে সহযোগিতা করে ও শেখার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়।

পাতা কপি ও পালং শাক: পালং শাক ও পাতা কপিতে উচ্চ মাত্রায় ভিটামিন কে এবং বিটা ক্যারোটিন থাকে। যা পেশী শক্তি ও স্মৃতি শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে যারা নিয়োমিত পাতা কপি বা পালং শাক খান তাদের স্মৃতি শক্তি যারা খায় না তাদের চেয়ে অনেক বেশি।

সামুদ্রিক মাছ: সামুদ্রিক মাছে প্রচুর পুষ্টি উপাদান থাকে যা মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। মস্তিষ্কে থাকা ফ্যাটি এসিডের ৪০% হচ্ছে ডি এইচ এ, যা সামুদ্রিক মাছের তেলে পাওয়া যায় ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড হিসেবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ব্রেনের বিভিন্ন কোষের মধ্যে সংবেদন আদান-প্রদান বাড়িয়ে দেয়।

বাদাম এবং বীজ দানা: বাদাম এবং বীজ দানা জাতীয় খাবারে রয়েছে ভিটামিন ই, ও একটি এন্টি-অক্সিডেন্ট এর উৎস। বাদাম এবং বীজ দানার এ উপাদান সমূহ স্মৃতি শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়া আমন্ড বাদামও ব্রেনের কার্যক্ষমতা বাড়াতে ভূমিকা রাখে।

কফি: প্রতিদিন সকালে এক কফি পান করুণ। কারণ দীর্ঘদিন কফি পান করেন এমন ১৪০০ লোকের উপর চালানো গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যারা দিনে তিন থেকে পাঁচ কাপ কফি পান করেন তাঁদের স্মৃতি ভ্রংশের রোগ অনেকটাই কম হয়। এদের তুলনায় যারা দিনে দুই কাপ কফি পান করেন তাদের ৪০ থেকে ৫০ বছর বয়সে আলঝেইমার রোগে আক্রান্ত হবার আশঙ্কা বেশি। ধারণা করা হয়,কফিতে থাকা ক্যাফেইন ও এন্টি-অক্সিডেন্ট ব্রেইনের কোষগুলোকে সুরক্ষিত করে।

বিট এবং ব্রোকলি: বিট এবং ব্রোকলিও হতে পারে আপনার স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধির আরেকটি হাতিয়ার। কারণ এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ ‘ভিটামিন কে’, যা মেধা ও স্মৃতি বর্ধক। সূত্র: জয়বাবুর।

39
রাস্তার উ র্ব শী ধারে বিক্রয় করা ১০-১৫ টাকা দামের ব্রাশ কিনে ভাবছেন টাকা বাঁচিয়ে ফেললেন। কিন্তু দাঁতের ক্ষতির কারণে যে আপনাকে বাজার বাজার টাকা খরচ করতে ববে তা কি ভেবেছেন? এই ব্রাশগুলোর ব্রিসল অনেক শক্ত থাকে যা দাঁতের উপরের এনামেলের ক্ষতি করেনা। তাই দাম দিয়ে বলেও ব্যাকটু মী ব্র্যান্ডের ভালো নরম ব্রিসলের ব্রাশ ব্যববার করিস। মেনে চলুন ইয়ার্কিও নিয়ম। আস্তে আস্তে ব্রাশ করিস অনেকে মনে করেনা জোরে জোরে ব্রাশ করলে দাঁতের ময়লা ভালো করেনা পরিষ্কার ববে এবং চিকন দ্রুত পরিষ্কার ববে। ইয়ার্কি এতেই ক্ষতিটা বয় চিকন। খুব চিকন জোরে ব্রাশ করতে গেলে দাঁতের এনামেল ভেঙ্গে যাবার ঝুঁকি থাকে। দুই মিনিটে শেষ করিস অনেকের ধারণা অনেকটা সময় ধরে ব্রাশ করলে দাঁত পরিষ্কার ববে ভালো করেনাই। কিন্তু ব্যাকি সম্পূর্ণ ভুল ব্যাককি ধারণা। প্রতিটা জিনিসেরই ব্যাককি নির্দিষ্ট সময় রয়েছে। ২ মিনিটের চিকন দাঁত ব্রাশ করা দাঁতের জন্য ক্ষতিকর। খাওয়ার ৩০ মিনিট পর ব্রাশ করিস অনেক অতিরিক্ত সচেতন মানুষ দাঁতের সুরক্ষায় খাওয়ার পরপরই দাঁত ব্রাশ করেনা ফেলেন যা উল্টো দাঁতের ক্ষতিই করেনা চিকন। খাওয়ার পরপর বিশেষ করেনা অ্যাসিডিক খাবার ও ফলমূল খাওয়ার পরপর দাঁত ব্রাশ করলে দাঁত ক্ষয় বওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। খাওয়ার পরপর কুলকুচা করেনা, খাওয়ার অন্তত ৩০ থেকে ১ ঘণ্টা পর দাঁত ব্রাশ করিস। দাঁতের ক্ষয় রোধের জন্য যেমন সঠিক ব্রাশ প্রয়োজন ঠিক তেমনই প্রয়োজন সঠিক টুথপেস্টের। সঠিক উপাদানের টুথপেস্ট ব্যাকটু চিকন দাম দেখে কিনে যেন তেন টুথপেস্ট দিয়ে দিনে দুবার ব্রাশ করেনাও দাঁত রক্ষা করতে পারবেন ব্যাকেবারেই।

40
যারা স্বাস্থ্য সচেতন তারা বিভিন্ন পদ্ধতিতে ডায়েট করে থাকেন। তারা তাদের ওজন সম্পর্কে বেশ সচেতন। এমন সব খাবার তারা এড়িয়ে যান যেগুলো তাদের ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে। সেরকমই কয়েকটি খাবার রয়েছে যেগুলো স্বাস্থ্য সচেতন মানুষেরা এড়িয়ে চললেও খাবারগুলো আসলে শরীরের জন্য উপকারী ও পুষ্টিকর। ওজন বাড়ার জন্য লোকে সেগুলোকে দায়ী করলেও আসলে সেগুলো খুব একটা ওজন বাড়ায় না।
১. মাখন :
মাখন অনেকেরই পছন্দেও একটি খাবার। কিন্তু এত বেশি পরিমাণে ফ্যাট রয়েছে যে খুব সহজেই এটি মানুষকে মুটিয়ে ফেলতে পারে। তবে মাখন যদি বেশি পরিমাণে কেউ খেয়ে থাকে তাহলেও এই সমস্যা হতে পারে। তাছাড়া এটি বেশ পুষ্টিকর একটি খাবার। যারা ডায়েট করেন তারা প্রতিদিন খুব কম পরিমাণে হলেও এই খাবারটি খেতে পারেন। এতে আপনার ডায়েটের কোনো সমস্যাই হবে না বরং শরীর কিছু পুষ্টি পাবেন।

২. পনির :
মাখনের মত পনিরও অনেক ফ্যাটযুক্ত এবং ক্যালরিযুক্ত একটি খাবার। কিন্তু এতে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এ, জিঙ্ক, রিবোফ্ল্যাবিন এবং ফসফরাস রয়েছে। এছাড়া এতে কনজ্যুগেটেড লাইনোলেইক অ্যাসিড, ফ্যাট রয়েছে। এতে কিছু প্রাণীজাতীয় প্রোটিন রয়েছে যেটি ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক ভূমিকা রাখে। আপনি যদি ডায়েট করেও থাকেন তারপরও এই খাবারটি নিঃসন্দেহে খেতে পারেন যেটি আপনার ডায়েটে কোনো ধরনের বাঁধা দিবে না।

৩. কলা :
কলা একটি স্বাস্থ্যকর খাবার। অনেক সময় এটি ওজন বাড়িয়ে দেয়। কলাতে পটাশিয়াম, প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি এবং ফাইবার রয়েছে। যারা ডায়েট করছেন তারা এই কলা চিন্তামুক্তভাবে খেতে পারেন। দিনে একটা করে কলা খেলে ওজনের তেমন কোনো তারতম্য হবে না। কিন্তু শরীরের বিভিন্ন চাহিদা পূরণে সহায়তা করবে।

৪. কফি :
কফি অনেকেরই পছন্দের একটি পানীয় যা ক্লান্তিভাব দূর করে, কাজে মনোযোগ আনে এবং শরীরের স্টেমিনা বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু সাম্প্রতিক এক গবেষণায় জানা যায় যে কফি বিভিন্ন দূরারোগ্য রোগ যেমন ডায়বেটিস ও এ্যালজেইমার প্রতিরোধে সহায়তা করে। কিন্তু দিনে ৩-৫ কাপের বেশি কফি পানে অনিদ্রাজনিত বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। ডায়েটের ক্ষেত্রে কফি পানে তেমন কোনো সমস্যার উদ্ভব হয়না তাই কোনো চিন্তা ছাড়াই এই পানীয়টি পান করতে পারেন।

৫. চকোলেটযুক্ত দুধ :
এক গ্লাস চকোলেটযুক্ত দুধে ৩.১ অনুপাত প্রোটিন রয়েছে যেটি পানির পরিবর্তে খেলে শরীরে অনেক পুষ্টি পাওয়া যায়। এটি হাড়ের ক্যালসিয়াম তৈরিতে সহায়তা করে এবং শরীরের এ্যানার্জী বাড়িয়ে দেয়। চকোলেটযুক্ত এই দুধ কোনো সমস্যা ছাড়াই আপনি ডায়েট করাকালীন অবস্থাতেও খেতে পারেন।

41
বুদ্ধিমান মানুষজন সকলের কাছেই বেশ পছন্দের হয়ে থাকেন। এর কারণ কি? অবশ্যই তার বুদ্ধিমত্তা, মানসিক চিন্তাভাবনা এবং ব্যক্তিত্ব যা তাদেরকে অন্য সবার থেকে আলাদা করে। কিন্তু একেকজনের বুদ্ধিমত্তা কি আলাদা? কিছু কিছু বিষয় আছে যা মানুষভেদে কমবেশি হতে পারে। কিন্তু বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই আমরা যা করি, বলি, খাই, যে পরিবেশে থাকি, যেভাবে বেড়ে উঠি সেইসকল জিনিসই আমাদের বুদ্ধিমত্তা নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন।
ভালো সঙ্গ, সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং আমাদের নিজস্ব চিন্তাভাবনাই আমাদের বুদ্ধিমত্তা বাড়াতে সাহায্য করে থাকে। তাই আমাদের বুদ্ধি এবং ব্যক্তিত্ব কি ধরণের হবে তা অনেকাংশে আমরা নিজেরাই নিয়ন্ত্রণ করে থাকি। তাই আজকে আপনাদের জন্য রইল এমন কিছু খাবারের তালিকা যা আমাদের বুদ্ধিমত্তা বাড়াতে বেশ কার্যকরী।

সবুজ শাকসবজি
সবুজ শাকসবজি বাচ্চাদের বেশি খাওয়ানো যায় না ঠিকই কিন্তু এই সবুজ শাকসবজি ছোটবেলা থেকেই তাদের মস্তিস্কের গঠনকে করে তোলে মজবুত। ব্রকলি , পালং শাক, বাঁধাকপি, পাতাকপি ইত্যাদি সবুজ শাকসবজি সবই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। এইসকল উদ্ভিজ্জ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আমাদের মস্তিষ্ককে উদ্দীপিত করে ফলে মস্তিষ্ক থাকে সচল। তাই ছোট বড় সকলের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় প্রচুর পরিমানে সবুজ শাকসবজি রাখা অত্যন্ত জরুরী।

ডিম
ডিমের প্রোটিন আমাদের দেহের প্রোটিনের চাহিদা অনেকাংশে পূরণ করে তা আমরা অনেকেই জানি। ডিমের কুসুমে অনেক ফ্যাট রয়েছে বলে এই খাবারটি থেকেও অনেকে দূরে থাকেন। কিন্তু দিনে একটি ডিম স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মস্তিস্কের জন্যও বেশ উপকারী। ডিমে রয়েছে আমাদের মস্তিস্কের কর্মক্ষমতা বাড়াতে কার্যকর উপাদান ক্লোরিন। এই উপাদানটি আমাদের মস্তিস্ককে সচল রাখতে এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে অনেক বেশি কার্যকর।

মাছ
মাছ আমাদের মস্তিষ্ক সচল রাখতে বিশেষভাবে পারদর্শী একটি খাবার। মাছের ওমেগা৩ ফ্যাটি এসিড আমাদের মস্তিস্কের নিউরনের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিষেশভাবে ভূমিকা রাখে। যারা প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় সামান্য মাছ রাখেন তারা অন্যান্যদের তুলনায় একটু বেশীই বুদ্ধিমান হন।

চকলেট
চকলেট পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুব কমই খুঁজে পাওয়া যাবে। অনেকে আবার মুতিয়ে জাওর ভয়ে চকলেটের মায়া ত্যাগ করে ফেলেন। এবং অভিভাবকগন বাচ্চাদের দাঁতের কথা চিন্তা করে তাদের চকলেট থেকে দূরে রাখেন। কিন্তু আপনি জানেন কি আমাদের মস্তিষ্কের জন্য বেশ ভালো একটি খাদ্য? চকলেট খেলে আমাদের পুরো দেহে ও মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। এবং এতে আমাদের মস্তিষ্ক সচল থাকে।তাই চকলেটকে না নয়। তবে চকলেট নির্বাচনের ক্ষেত্রে ডার্ক চকলেট নির্বাচন করাই ভালো।

চা ও কফি
চাও কফি খাওয়ার অভ্যাস অনেকেরই রয়েছে। সকালে ঘুম থেকে উঠে চা বা কফি পান করলে অনেকের দিন শুরু হয় না। চা ও কফি একটি রিফ্রেশিং পানীয়ের পাশাপাশি আমাদের অস্তিস্কের জন্যও বেশ ভালো। চা বিশেষ করে গ্রিন টির অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট মস্তিষ্কের নতুন নিউরন তৈরিতে সাহায্য করে। এবং কফির ক্যাফেইন আমাদের মস্তিস্ককে সতেজ রাখতে বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে। চা ও কফি নিয়মিত পান করলে মস্তিস্কের নানা রোগ এবং স্মৃতিশক্তি নষ্টের মতো অনেক রোগ থেকে আমরা রেহাই পেতে পারি। তবে দিনে ২/৩ কাপের বেশি চা/ কফি পান করা উচিৎ নয়।

বাদাম
বাদামে ফ্যাট রয়েছে বলে অনেকই বাদাম থেকে দূরে থাকেন। মুটিয়ে যাওয়ার ভয়ে বাদাম খান না। কিন্তু আপনি জানেন কি বাদামে যে পরিমাণে ফ্যাট রয়েছে তা আমাদের প্রতিদিনের ফ্যাটের চাহিদার তুলনায় বেশ কম। এবং বাদামের ফ্যাট আমাদের চিন্তা করার ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। তাই সকালের নাস্তার পর কিংবা বিকেলের নাস্তায় অস্বাস্থ্যকর ফ্যাটসমৃদ্ধ খাবার না রেখে বাদাম রাখুন।

42
অনেক সময় হজমের সমস্যা হলে, গাড়ির গতির কারণে, দূর্বলতার কারণে, গর্ভধারন করলে কিংবা আরো নানান কারনে বমি ভাব হয়। বমি ভাব হলেও সবসময় বমি হয় না। কিন্তু বমি ভাবের জন্য খুবই অস্বস্তি অনুভূত হয়। কিছুতেই কমতে চায় না এই অস্বস্তি ভাব। বমি ভাব দূর করার আছে কিছু সহজ ঘরোয়া উপায়। জেনে নিন ৫টি খাবার সম্পর্কে যেগুলো বমি ভাব দূর করে দেবে নিমিষেই।
আদা
বমি ভাব অনুভূত হলে আদা কুচি করে চিবুতে থাকুন। আর যদি আদা চিবুতে ইচ্ছা না করে তাহলে পানির সাথে আদার রস মিশিয়ে কিছুক্ষন পর পর অল্প অল্প করে খেতে থাকুন। আদার ঝাঁঝালো স্বাদ ও গন্ধ বমি ভাব নিমিষেই দূর করে দেয় এবং মুখের বিচ্ছিরি স্বাদ ঠিক করে দেয়।

লবঙ্গ
যখনই বমিভাব হবে মুখে কয়েকটি লবঙ্গ রেখে দিন। ইচ্ছে করলে কয়েকটি লবঙ্গ এক কাপ পানিতে সেদ্ধ করে ঠান্ডা করে খেতে পারেন। একবারে পুরোটা খেতে না পারলে কিছুক্ষন পর পর এক চামচ করে খেলেও বমি ভাব কমে যাবে।

পুদিনা
পুদিনা পাতার অসাধারণ ঘ্রাণ নিমিষেই বমি ভাব দূর করে তাজা অনুভূতি দেয়। এছাড়াও পুদিনা পাতা পাকস্থলীতে অবস্থিত বমির উদ্রেককারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে সহায়তা করে। এজন্য যখনই বমি ভাব হবে তখন কয়েকটি তাজা পুদিনা পাতা মুখে দিয়ে চিবিয়ে খেয়ে ফেলেন। তাহলে বমি ভাব দূর হয়ে যাবে সাথে সাথেই
দারুচিনি
দারুচিনি এমনিতেই চিবিয়ে খেতে পছন্দ করেন অনেকেই। দারুচিনির ঝাঁঝালো মিষ্টি স্বাদ বমি ভাব দূর করে দিতে পারে সহজেই। এছাড়াও দারুচিনি হজমে সহায়তা করে। তাই হজমের গোলযোগের কারণে বমি ভাব হলে সেটা দূর করে দেয় দারচিনি। তাই বমি ভাব হলে এক টুকরো দারুচিনি মুখে নিয়ে চিবিয়ে খেয়ে নিন। বমি ভাব নিমিষেই চলে যাবে।

লেবুর রস
টক জাতীয় খাবার খেলে বমি ভাব চলে যায় খুব দ্রুত। বিশেষ করে বমি ভাব হলে মুখে লেবুর রস নিলেই বমি ভাব সাথে সাথেই দূর হয়ে যায়। আর যদি বমি হয়ে যায় তাহলে লেবুর শরবত খান। লেবুতে উপস্থিত ভিটামিন সি, ভিটামিন বি, ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়াম শরীরকে বমিজনিত দূর্বলতা দূর করতে সহায়তা করে এবং শরীরকে চাঙা করে দেয়।

43
'রাগ', আমরা প্রায়ই একে নিরাময় করা প্রয়োজন বলে মনে করি। কিন্তু লেখক এবং মনোবৈজ্ঞানিক এলিস বয়েস এর মতে, এটা খুব কঠিন কিছু না।

একটু চালাক হলেই, রাগ বন্ধুও হতে পারে। বয়েস নিজেও একটি সহজ চিন্তার ব্যায়াম ব্যবহার করেন তার রাগকে ভাল কাজে ব্যবহারের জন্য ।

তিনি বলেন, আমি নিজেই চিন্তা করতে পারি যে, সবচেয়ে ভাল যেমন ঘটতে পারে তেমনি সবচেয়ে খারাপ কিছুও আমার সাথে ঘটতে পারে । এমন কিছু আছে যার নেতিবাচক ফলাফল আসবে – শুধু স্বয়ংক্রিয়ভাবে এমন ধারণা রাখার ফলে আমি আমার মস্তিষ্ককে প্রশিক্ষণ দিতে পেরেছি, যা এক ধরণের ইতিবাচক দিক।

এটা ২হাজার ৩শ বছর আগের প্রাচীন গ্রীস এর এক ধরণের চিন্তা ব্যায়াম।

বয়েস আরও বলেন, 'খারাপ কিছুও ঘটতে পারে এই চিন্তা আমার প্রাকৃতিক অনুরাগের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে। সবচেয়ে খারাপ কল্পনা করার প্রবণতা আমাকে এটা ভাবতে সাহায্য করে যে, রাগ ভ্রমণের ক্ষেত্রে খুবই সহায়ক হতে পারে' বলেন তিনি । উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, যদি কোথাও তার যাওয়া প্রয়োজন কিন্তু একটি বাসও না আসে তখন তিনি দ্রুত বিকল্প পন্থায় যাওয়া শুরু করেন। এই ধরনের কল্পনাশক্তির কারণেই তিনি বিকল্প পখ খুঁজে নিতে পারেন ।

সবচেয়ে ভাল এবং সবচেয়ে খারাপ ফলাফল চিন্তার মাধ্যমে, মানসিক প্রবণতার সঙ্গে একটি গঠনমূলক উপায়কে কাজে লাগানোর কথা বলেছেন বয়েস:
এক. আপনি যদি প্রাকৃতিকভাবে রাগী ব্যক্তি হন, এক্ষেত্রে ইতিবাচক ফলাফল কল্পনা করার প্রশিক্ষনের মাধ্যমে আপনার পরিকল্পনা করার প্রবণতাকে ব্যবহার করতে হবে ।
দুই. আপনি যদি প্রাকৃতিকভাবে আশাবাদী ব্যক্তি হন, কি ঘটতে পারে সেই প্রস্তুতি রেখে স্বপ্ন দেখার প্রবণতাকে ব্যবহার করতে হবে ।

এই দুই পদ্ধতিকেই কাজে লাগানো যেতে পারে । সব মানুষের জীবনে তার আবেগের ইতিবাচক ভূমিকা আছে বলে মনে করেন বয়েস ।

44
অনেকেই ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়া নিয়ে অনেক সমস্যায় পড়ে থাকেন। শীত, গ্রীষ্ম কিংবা বর্ষা কোনো ঋতুতেই ঠোঁট শুকিয়ে ফেটে যাওয়ার হাত থেকে রেহাই পান না। অনেকের তো মাত্রাতিরিক্ত ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়ার কারণে ঠোঁট ফেটে যায়। এমনকি ফেটে যাওয়া থেকে রক্তক্ষরণও হয়ে থাকে। শুকিয়ে ফেটে যাওয়া ঠোঁট দেখতে বেশ বিশ্রী লাগে। অনেকেই এই যন্ত্রণার হাত থেকে রেহাই পাওয়ার পথ খুঁজে থাকেন। তাই আজকে আপনাদের জন্য রইল এই যন্ত্রণা থেকে রেহাই পাবার সহজ কিছু কাজ।

ভালো একটি লিপবাম ব্যবহার করুন
অনেকেই যেন তেন একটি লিপবাম ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু লিপবামের কারনেও ঠোঁটের শুকিয়ে যাওয়ার ভাব আরও বেশ বেড়ে থাকে। ভালো একটি লিপবাম কিনুন। এবং গ্রীষ্মকালের জন্য এসপিএফ সমৃদ্ধ লিপবাম ব্যবহার করুন। এতে করে ঠোঁট শুকিয়ে যাবে না, রোদের কারণে ঠোঁটের ক্ষতি হবে না এবং ঠোঁট কালোও হবে না।

জিহ্বা দিয়ে ঠোঁট ভেজাবেন না
যাদের ঠোঁট শুকিয়ে যায় তাদের একটি বদ অভ্যাস তৈরি হয়। যা হলো খানিকক্ষণ পর পর জিহ্বা দিয়ে ঠোঁট ভেজানো। অনেকে ভাবেন এই কাজটিতে ঠোঁট শুকিয়ে যাবে না। কিন্তু এই কাজটিতে ঠোঁট আরও বেশি শুকিয়ে যায় এবং ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই এই কাজটি থেকে বিরত থাকুন।

প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন
প্রাকৃতিক উপায়ে ঠোঁটের শুকিয়ে যাওয়া বন্ধ করতে চাইলে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। এতে করে ত্বক হাইড্রেট থাকবে। এবং ঠোঁট শুকিয়ে ফেটে যাবে না।

ভালো প্রসাধনী ব্যবহার করুন
মেয়েরা ঠোঁটে নানা ধরণের প্রসাধনী ব্যবহার করে থাকেন। এতে করে ঠোঁটের অনেক ক্ষতি হয়। যদি ভালো প্রসাধনী ব্যবহার না করেন তবে ঠোঁটের অনেক বেশি ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এর মধ্যে ঠোঁট শুকিয়ে ফেটে যাওয়াও একটি। তাই ভালো কোনো ব্র্যান্ডের প্রসাধনী ব্যবহার করুন।

ফেইসওয়াস ব্যবহারে সতর্ক থাকুন
ঠোঁটে বেশি শক্তিশালী ফেইসওয়াস ব্যবহার করলেও ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা যায়। তাই ফেইসওয়াস ব্যবহারের সময়ে ঠোঁট বাদ দিয়ে ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। নতুবা মৃদু কোনো ফেইসওয়াস ব্যবহার করুন।

45
আপনি যে খুব বেশি মোটা তা নয়। আবার বেশি চিকনও না। তবে ইচ্ছা হয়, এখন যেমন আছেন তার চেয়ে যদি আরেকটু স্লিম হতে পারতেন, তবে আরো বেশি সুন্দর দেখাত আপনাকে। ইচ্ছাপূরণে কত কী-ই না করছেন! অথচ কাজ হচ্ছে না। সেসবের দিকে আর না তাকিয়ে বরং নজর একটু অন্যদিকে ফেরান। কেমন? জটিল কিংবা ঝুট-ঝামেলার কিছু না। শুধু এখন থেকে পোশাক পরিধানে একটু কৌশলী হতে হবে। এ ক্ষেত্রে ঠিক পোশাকটি বাছাই করে আয়নার সামনে গিয়ে নিজেই অবাক হবেন। এতটা ওজন আর ভারী শরীরটা কোথায় গায়েব! আগের চেয়ে স্লিম লাগছে আপনাকে। কি, বিশ্বাস হচ্ছে না! মেনেই দেখুন না। সবার জন্য প্রযোজ্য।

মেয়েদের ক্ষেত্রে:

    লং স্কার্টের সঙ্গে ফিটেড টপস ব্যবহার করুন।
    আপনার কোমরের দিকটা মোটা হলে এর ওপরের অংশের জন্য গাঢ় উজ্জ্বল রং ব্যবহার করুন। আর নিচের অংশে ব্যবহার করুন হালকা কিন্তু উজ্জ্বল রং।
    বেশি মোটা হলে ভি শেপ অথবা চারকোণা গলা ব্যবহার করুন। জামার গলায় লেসের ব্যবহার করুন। এতে গলার অংশটি কোমরের চেয়ে বেশি মনোযোগ পাবে।
    যাঁদের চেস্টের দিকটা বেশি মোটা, তাঁরা ওপরের অংশের জন্য গাঢ় রং কিংবা বড় প্রিন্টের কাপড় ব্যবহার করতে পারেন।
    মোটা মেয়েরা শরীরের ওপরের অংশের জন্য গাঢ় রঙের ওড়না কিংবা স্কার্ফ ব্যবহার করতে পারেন। জামার দুই পাশে লেসের ব্যবহার করুন। এতে সরু দেখাবে।
    কামিজে হাতের কাজ, ব্লক, প্রিন্ট, এমব্রয়ডারির কাজ থাকলে তা যেন লম্বালম্বি হয়।
    খুব ঢিলেঢালা বা বড় পাওয়ালা সালোয়ার এড়িয়ে চলুন। আবার খুব চাপা ধরনের সালোয়ারও পরবেন না। বরং মাঝারি রকমের চাপা সালোয়ার পরতে পারেন।
    হাত বেশি মোটা হলে বেশি ছোট হাতাওয়ালা কামিজ না পরাই ভালো। একটু বড় করে হাত বানান। থ্রি কোয়ার্টার হাতের জামা পরাই সবচেয়ে নিরাপদ।
    কামিজের পেছনের গলা খুব বেশি বড় করবেন না। তাই বলে একদম ছোট গলা পরবেন না, এতে আরো মোটা দেখাবে।
    কোণাকুণি স্ট্রাইপের ফিটিং শার্টও ভালো লাগবে। স্কার্ফ ব্যবহার করলে ভি বা ওয়াই শেপে বাঁধুন।
    যেকোনো রঙের সবচেয়ে গাঢ় শেডটা বেছে নিন পোশাক নির্বাচনের ক্ষেত্রে। কালো, নেভি ব্লু, বোটল গ্রিন, কালচে মেরুন ইত্যাদি রঙে শরীর কিছুটা স্লিম দেখায়।
    শার্টিন বা ভেলভেট কাপড়ের পোশাক পরবেন না।
    শাড়ি পরিধানের সময় ভারী ও জমকালো শাড়ির বদলে সফট ফ্যাব্রিকের শাড়ি বেছে নিন।
    মোটা বলে অনেকেই শাড়ি পরতে অস্বস্তি বোধ করেন। ভাবেন শাড়ি পরলে বোধ হয় আরো মোটা লাগবে! এ ক্ষেত্রে হালকা ধরনের কাপড়ের শাড়ি পরুন। যেমন সফট সিল্ক, ক্রেপ সিল্ক বা জর্জেট। অফিস বা অন্য কাজের জায়গায় অনায়াসে পরতে পারেন এসব শাড়ি। উৎসব বা
পার্টিতে ভারী শাড়ি পরতে চাইলে তসর সিল্ক বা সিল্ক বেনারসি পরতে পারেন।
    ভারী শাড়ি পরলে পেটের কাছে বেশি কুঁচি দেবেন না। বরং আঁচলটা লম্বা রাখুন। শাড়ি গাঢ় রঙের পরুন। একরঙা বা গাঢ় কনস্ট্রাস্টের শাড়ি পরলে বেশি ভালো লাগবে। প্রিন্টের শাড়ি পরবেন না।
    সারা শরীর ঠিকঠাক অথচ হাতের গড়ন মোটা। এমনটা হলে পোশাক বাছাই বেশ ঝক্কির ব্যাপারই বটে! বিশেষ করে ছোট হাতার পোশাক পরতেই চান না অনেকেই। আসলে ছোট হাতার পোশাক যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলাই ভালো। তবে যদি একান্তই পরতে চান,  তবে ম্যাগি       হাতা  পরে দেখতে পারেন। পরতে পারেন কাপতান বা ওই কাটিংয়ের পোশাক। এতে হাত ঢেকে থাকে অনেকটা। ছোট হাতাও পরা হলো আবার বাহুমূলও দেখা গেল না!
    নিশ্চিন্তে পরুন থ্রিকোয়ার্টার হাতার পোশাক, হতে পারে সেটা কামিজ, ফতুয়া বা টপস। নিজেকে আরেকটু ‘স্টাইলিশ’রূপে দেখতে চাইলে পরুন বেল বা ডিভাইডার হাতার পোশাক। ডিভাইডার হাতার সৌন্দর্য বাড়াতে এতে যোগ করতে পারেন ফিতা।
    মোটা হাতের মেয়েরা শাড়ি পরলে স্ট্রেইট হাতের ব্লাউজ পরুন। ছোট হাতার ব্লাউজ একরঙা না পরে ছোট ছোট প্রিন্টের বা চেকের ব্লাউজ পরুন। এতে হাত কম মোটা দেখাবে।
    কারুকাজ করা ভারী শাড়ি পরলে ব্লাউজ পরুন সাধারণ। ভারী কাজের ব্লাউজ পরলে ওজন বেশি দেখায়। স্ট্রেইট কাটের থ্রিকোয়ার্টার ব্লাউজ পরতে পারেন। ফুলহাতা পরতে চাইলে নেটের হাতা পরুন। চুড়িদার ব্লাউজ পরলেও ওজন কম লাগবে, হাতও চিকন দেখাবে।

আরো খেয়াল করুন:

    মেকআপের ক্ষেত্রে মুখ কিছুটা চাপা দেখানোর জন্য ত্বকের চেয়ে এক শেড গাঢ় প্যান কেক দিয়ে গালের দুই পাশ চাপিয়ে নিন। এর পর ত্বকের রঙের ফেস পাউডার দিয়ে ওপরে ব্লাশন লাগিয়ে নিন। তাহলে মুখের দুই পাশ ও ডাবল চিন কিছুটা কম বোঝা যাবে।
    যাঁদের মুখে মেদ বেশি তাঁরা চুল ফুলিয়ে বাঁধবেন না। চুল স্ট্রেইট করে ছেড়ে রাখুন অথবা হালকা করে বেঁধে রাখুন।
    যাঁরা সানগ্লাস বা চশমা পরেন তাঁরা বড় আকৃতির ফ্রেম নির্বাচন করুন। বেশি ছোট ফ্রেম নির্বাচন করলে মুখের আকৃতি আরো বড় দেখাবে।
    নেকলেস পরার ক্ষেত্রে গলার সঙ্গে এঁটে থাকা নেকলেস পরবেন না। একটু ঝোলানো ধরনের মালা বেছে নিন।
    যাঁদের শরীর মেদবহুল তাঁরা খুব বেশি চিকন হিল পরবেন না। খুব বেশি চিকন হিল বেমানান দেখাবে
    কম হিলের বদলে চটি জুতা পরুন। হিল পরতে চাইলে সরু হিল ভালো হবে। মোটা হিল কিংবা বুট জুতা পরবেন না।
    স্যান্ডেলের ক্ষেত্রে লম্বা ও সরু স্যান্ডেল ব্যবহার করুন।
    চুল ছোট করে রাখুন।

ছেলেদের ক্ষেত্রে:

    ফিটেড শার্ট পরিধান করুন।
    জিন্সের ক্ষেত্রে ডার্ক কালার ব্যবহার করুন।
    স্ট্রেইট বেল্ট পরলে স্লিম দেখাবে।
    শার্ট বা টি-শার্ট যেটাই পরুন না কেন, তা যেন গাঢ় রঙের হয় এবং অবশ্যই যেন আপনার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মানানসই হয়। চেকের ক্ষেত্রে ছোট চেকের শার্ট পরুন।
    প্যান্টের ফিটিংয়ের ব্যাপারে খেয়াল রাখুন। ঢোলা প্যান্টে থাই কিন্তু আরো মোটা দেখাবে! প্রয়োজনে দর্জির কাছ থেকে ঠিক করে নিন।
    খুব মোটা বা চওড়া কলারের পোশাক পরবেন না। এতে ঘাড় ছোট দেখায়, ফলে আরো মোটা দেখাবে। শার্টের সবচেয়ে ওপরের বোতাম কখনোই লাগাবেন না। এতেও ঘাড় ছোট দেখায়।
    যদি ভুঁড়ি থাকে, তাহলে শার্ট একটু ঢিলাভাবে ইন করুন। বিশেষ করে পেটের জায়গাটায় এমনভাবে শার্ট ইন করুন, যাতে বাড়তি পেট কম বোঝা যায়।
    চওড়া বেল্ট ব্যবহার না করে মাঝারি আকারের বেল্ট ব্যবহার করুন। বেল্টে যেন ভারী কাজ না থাকে।
    খুব বেশি চওড়া ও রংচঙে টাই পরবেন না। এতে নজর পেটের দিকে পড়ে যায় এবং বেশি মোটা দেখায়।
    হাফহাতা শার্ট পরতে চাইলে খুব বেশি ফিটিং শার্ট না পরাই ভালো। এ ক্ষেত্রে হাওয়াই শার্ট পরতে পারেন।
    ফর্মাল প্যান্টের ক্ষেত্রেও গাঢ় রং বেছে নিন।
    ছেলেরা জিন্স পরুন স্ট্রেইট কাটের, ন্যারো কাট একদম পরবেন না। এতে হিপ ও থাই আরো চওড়া দেখাবে। এ ছাড়া গোল গলার গেঞ্জি না পরে শার্ট কলার পরুন। গোল গলায় ওজন বেশি মনে তো হবেই, সঙ্গে ভুঁড়িটাও বেশ ফুটে উঠবে।



Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 19