Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Reza.

Pages: [1] 2 3 ... 49
1
Permanent Campus of DIU / Walk to keep the doctor away.
« on: November 19, 2019, 01:15:15 AM »
প্রথম যখন উত্তরাতে আসি - আমি নিজেই তখন থার্ড ইয়ারের স্টুডেন্ট ছিলাম। ফাঁকা ফাঁকা ঘরবাড়ি। বেশীর ভাগের গেটেই তখন টু-লেট ঝুলতো। ডেভেলপেরদের আগ্রাসী হাত তখনও এলাকাতে পড়েনি। ক্লাস শেষে বাড়ি ফিরে বিকালে ঘুরে বেড়াতাম রাস্তা দিয়ে। খুব ভালো লাগতো। উত্তরার রাস্তা গুলো তখন খালিই থাকতো। আর অনেক মনোরম ছিল।
কিছু দিন পর চাকুরীতে ঢুকার পর তেমন আর পথে পথে ঘুড়া হয়নি। ফ্যাক্টরীর মাইক্রো তে উঠতাম মেইন রোড থেকে। মেইন রোডে যেতাম রিক্সায় করে। আবার ফেরার সময় মেইন রোড থেকে আবার রিক্সায় বাসায় আসতাম।
গত ২ - ৩ বছর আগে ভেবে দেখলাম কিছুটা বয়স হয়েছে। তাই হাটাহাটি করা দরকার। শুরু করালাম ছুটির দিনে হাঁটাহাঁটি। প্রথমে কিছুদিন পার্কে হেটেহেটে চক্কর দিতাম। কিন্তু খুব একঘেয়ে মনে হতে লাগলো এই গোল ভাবে একই পথে হাটতে। আবার শুরু করলাম রাস্তায় হাঁটাহাঁটি। আমাদের বাসা থেকে হাউস বিল্ডিং যে এত কাছে তা না হাটলে বুঝতাম না। আগে শুধু হাউস বিল্ডিং কেন - কাছের আজমপুর মেইন রোডে যেতে হলেও হেটে যেতাম না।
যে কোন জায়গা খুব ভাল ভাবে চিনতে হলে হেঁটে হেঁটে ঘুরার কোন বিকল্প নাই। এলাকার দোকান - বাজার বা কোথায় কি পাওয়া যায় - এই গুলো সম্পর্কে ভালো ধারনা করা যায় হেঁটে বেড়ালে।
এর বাইরেও আমাদের দেশের দেশের মানুষের মন মানুশিকতা জানতে হলে হাঁটার থেকে আর ভাল কিছু হতে পারে না। বেশ কিছুদিন হাঁটার পরে রাস্তার মানুষ ও তাদের মনমানুশিকতা সম্পর্কে কিছুটা ধারনা হয়েছে।
আমার পর্যবেক্ষণ বলে - রাস্তায় যারা হেঁটে চলে অর্থাৎ পথে পথে যাদের কাজ তারা অত ভয় পায় না। বেশী ভয় পায় যারা গাড়ীতে করে চলে। কারো বিপদে এগিয়ে আসে এই পথচারী মানুষেরাই। তখন গাড়ী চালকেরা পাশ দিয়ে এড়িয়ে চলে যায়।
আমাদের এই শহর সম্পর্কে ধারনা পালটে দেবে - যদি কেউ পথে হেঁটে পর্যবেক্ষণ করে।

2
Textile Engineering / Walk to keep the doctor away.
« on: November 19, 2019, 01:13:34 AM »
প্রথম যখন উত্তরাতে আসি - আমি নিজেই তখন থার্ড ইয়ারের স্টুডেন্ট ছিলাম। ফাঁকা ফাঁকা ঘরবাড়ি। বেশীর ভাগের গেটেই তখন টু-লেট ঝুলতো। ডেভেলপেরদের আগ্রাসী হাত তখনও এলাকাতে পড়েনি। ক্লাস শেষে বাড়ি ফিরে বিকালে ঘুরে বেড়াতাম রাস্তা দিয়ে। খুব ভালো লাগতো। উত্তরার রাস্তা গুলো তখন খালিই থাকতো। আর অনেক মনোরম ছিল।
কিছু দিন পর চাকুরীতে ঢুকার পর তেমন আর পথে পথে ঘুড়া হয়নি। ফ্যাক্টরীর মাইক্রো তে উঠতাম মেইন রোড থেকে। মেইন রোডে যেতাম রিক্সায় করে। আবার ফেরার সময় মেইন রোড থেকে আবার রিক্সায় বাসায় আসতাম।
গত ২ - ৩ বছর আগে ভেবে দেখলাম কিছুটা বয়স হয়েছে। তাই হাটাহাটি করা দরকার। শুরু করালাম ছুটির দিনে হাঁটাহাঁটি। প্রথমে কিছুদিন পার্কে হেটেহেটে চক্কর দিতাম। কিন্তু খুব একঘেয়ে মনে হতে লাগলো এই গোল ভাবে একই পথে হাটতে। আবার শুরু করলাম রাস্তায় হাঁটাহাঁটি। আমাদের বাসা থেকে হাউস বিল্ডিং যে এত কাছে তা না হাটলে বুঝতাম না। আগে শুধু হাউস বিল্ডিং কেন - কাছের আজমপুর মেইন রোডে যেতে হলেও হেটে যেতাম না।
যে কোন জায়গা খুব ভাল ভাবে চিনতে হলে হেঁটে হেঁটে ঘুরার কোন বিকল্প নাই। এলাকার দোকান - বাজার বা কোথায় কি পাওয়া যায় - এই গুলো সম্পর্কে ভালো ধারনা করা যায় হেঁটে বেড়ালে।
এর বাইরেও আমাদের দেশের দেশের মানুষের মন মানুশিকতা জানতে হলে হাঁটার থেকে আর ভাল কিছু হতে পারে না। বেশ কিছুদিন হাঁটার পরে রাস্তার মানুষ ও তাদের মনমানুশিকতা সম্পর্কে কিছুটা ধারনা হয়েছে।
আমার পর্যবেক্ষণ বলে - রাস্তায় যারা হেঁটে চলে অর্থাৎ পথে পথে যাদের কাজ তারা অত ভয় পায় না। বেশী ভয় পায় যারা গাড়ীতে করে চলে। কারো বিপদে এগিয়ে আসে এই পথচারী মানুষেরাই। তখন গাড়ী চালকেরা পাশ দিয়ে এড়িয়ে চলে যায়।
আমাদের এই শহর সম্পর্কে ধারনা পালটে দেবে - যদি কেউ পথে হেঁটে পর্যবেক্ষণ করে।

3
Textile Engineering / Gypsy Dhaka dwellers.
« on: October 16, 2019, 01:25:55 AM »
মনে মনে ছোটবেলায় ফিরতে খুব ভাল লাগে। আমার ছোটবেলা কেটেছে মোহাম্মাদপুরে। ২২ বছরে মোট চারটি ভাড়া বাসায়। ক্লাস ৮ - ৯ এ থাকতে ছুটি শেষে আবার কলেজে যাওয়ার আগে ঘুরে আসতাম কিছু দূরের নূরজাহান রোডের সেই ছোটবেলার বাড়ির বাইরে দিয়ে। তখন স্যার সৈয়দ রোডের বাসা ছেড়ে আমরা ইকবাল রোডে থাকি। এর পর কেটেছে শ্যামলীর আদাবরে। কি আশ্চর্য লাগে ভাবতে আগের আর তিনটি বাসার কোন বাসাই এখন আর নেই। সব গুলো ভেঙ্গে নতুন বিল্ডিং তৈরি করা হয়েছে। একমাত্র নূরজাহান রোডের বাসাটার কথা জানি না।
আমাদের ঢাকাবাসিরা কি দুর্ভাগা। আমার বিশ্বাস আমার ফেসবুক বন্ধুদের অতি অল্পই আছেন যারা একেবারে ছোটবেলা থেকে এখন পর্যন্ত একই বাসায় আছেন। আমরা ঢাকাবাসীরা একধরনের যাযাবর। শুনেছি জিপসিরা কোথাও বেশীদিন থাকে না। তবে তারা তাদের ঘরটিকে ঘোড়ার গাড়িতে করে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নিয়ে চলে। আমরা ঢাকাবাসীরা কোথাও স্থায়ী বা স্থির হতে পারি না। নদী ভাঙ্গা মানুষেরা যেমন উচ্ছেদ হয় ঠিক তেমন আমরা উচ্ছেদ হই কখনো নতুন বিল্ডিং তৈরির জন্য। কখনো বা নতুন ভাড়া বাসায় উঠি। আমরা ঢাকাবাসীরা যাযাবরদের থেকেও দুর্ভাগা। নদীর এককুল ভেঙ্গে আরেক কুল গড়ে উঠে। কিন্তু ঢাকাবাসীদের স্মৃতি গুলো হারিয়ে যায় চিরতরে।

(আমার ফেসবুক পোষ্ট থেকে নেয়া।)

4
Permanent Campus of DIU / Gypsy Dhaka dwellers.
« on: October 16, 2019, 01:24:36 AM »
মনে মনে ছোটবেলায় ফিরতে খুব ভাল লাগে। আমার ছোটবেলা কেটেছে মোহাম্মাদপুরে। ২২ বছরে মোট চারটি ভাড়া বাসায়। ক্লাস ৮ - ৯ এ থাকতে ছুটি শেষে আবার কলেজে যাওয়ার আগে ঘুরে আসতাম কিছু দূরের নূরজাহান রোডের সেই ছোটবেলার বাড়ির বাইরে দিয়ে। তখন স্যার সৈয়দ রোডের বাসা ছেড়ে আমরা ইকবাল রোডে থাকি। এর পর কেটেছে শ্যামলীর আদাবরে। কি আশ্চর্য লাগে ভাবতে আগের আর তিনটি বাসার কোন বাসাই এখন আর নেই। সব গুলো ভেঙ্গে নতুন বিল্ডিং তৈরি করা হয়েছে। একমাত্র নূরজাহান রোডের বাসাটার কথা জানি না।
আমাদের ঢাকাবাসিরা কি দুর্ভাগা। আমার বিশ্বাস আমার ফেসবুক বন্ধুদের অতি অল্পই আছেন যারা একেবারে ছোটবেলা থেকে এখন পর্যন্ত একই বাসায় আছেন। আমরা ঢাকাবাসীরা একধরনের যাযাবর। শুনেছি জিপসিরা কোথাও বেশীদিন থাকে না। তবে তারা তাদের ঘরটিকে ঘোড়ার গাড়িতে করে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নিয়ে চলে। আমরা ঢাকাবাসীরা কোথাও স্থায়ী বা স্থির হতে পারি না। নদী ভাঙ্গা মানুষেরা যেমন উচ্ছেদ হয় ঠিক তেমন আমরা উচ্ছেদ হই কখনো নতুন বিল্ডিং তৈরির জন্য। কখনো বা নতুন ভাড়া বাসায় উঠি। আমরা ঢাকাবাসীরা যাযাবরদের থেকেও দুর্ভাগা। নদীর এককুল ভেঙ্গে আরেক কুল গড়ে উঠে। কিন্তু ঢাকাবাসীদের স্মৃতি গুলো হারিয়ে যায় চিরতরে।

(আমার ফেসবুক পোষ্ট থেকে নেয়া।)

5
Textile Engineering / Empty Sky.
« on: October 06, 2019, 07:03:57 PM »
ঘুমাতে প্রতিদিনই দেরী হয়। পরদিন ছুটি থাকলে তো কথাই নাই। যত রাত বাড়ে - আমি তত জাগ্রত হই। ইংরেজিতে ইন্সমনিয়া বলে একটি কথা আছে। আমি হয়তো ইনসমনিয়াতে আক্রান্ত - কে বলবে? আজকে রাতে বারান্দায় দাড়িয়ে চারিদিকে দেখতেছিলাম। আকাশের দিকে তাকিয়ে হঠাৎ মনে হল - আমাদের এই জায়গায় আগে কারা থাকতো? আমরা এই জায়গায় আসার আগে মানে উত্তরা হওয়ার আগে। এখানেও আমাদের ১৯ টি বছর কেটেছে। আজকে যেমন মেঘলা আকাশে চাঁদ তারা খুঁজে দেখতেছিলাম - তেমন কি আগেও আর কেউ রাতের আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতো?
এখানে হয়তো ছিল বড়বড় গাছপালা। কিংবা একটি পুকুর। হয়তো এখানে কারো ঘর বাড়ি ছিল। যার উঠানে রাতের ঘুটঘুটে অন্ধকার থাকতো। দিনের বেলা সেই উঠানে ছোটছোট ছেলে মেয়েরা খেলা করতো। পাশের রান্না ঘরে রান্না হত সারাদিন। কে বলবে কি ছিল এইখানে? কারা থাকতো? তারা যখন চলে গেল - কেমন লেগেছিল তাদের। তাদের মাঝে কি কান্নার রোল পড়ে গিয়েছিল? ফিরে ফিরে আসত কি তারা তাদের ফেলে যাওয়া আবাসস্থল দেখতে?
আমাদের পরেই বা কারা আসবে এখানে? তারা কি জানবে রাত জেগে আমি সেই কথাই ভাবতেছিলাম।
আমরা বলি চরম বাস্তবতা। যেটাকে কেউ অগ্রাহ্য করতে পারে না। তেমন কিছু কি আসলেই বাস্তবে আছে? বাস্তবতা হল আমরা এই জায়গায় এখন থাকি। আগেও কেউ ছিল। আগে যারা ছিল তাদের কথা আমরা জানি না। আমাদের কথাও পরের জনেরা জানবে না। এইটাই সম্ভব।
যা আমরা আমাদের একেবারে নিজের বলি - সময়ে তা কত পর হয়ে যায়। কিছুই স্থায়ী নয়। কোন কোনটা হয়তো একটু বেশী সময় আমাদের হয়ে থাকে।
আমরা ভুলে যাই অনেককে। একসময় আমাদেরও ভুলে যাবে সবাই। এইভাবেই কেটেছে শত সহস্র বছর। কোটি কোটি জীবনের গল্প কেউ জানিনা। আমরা কেবল আমাদের নিজেদের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ। কালের স্রোতে আর মানুষের ভীরে আমরা সবাই এক সময় হারিয়ে যাব। ভাবতেই সব কিছু কেমন শূন্য মনে হয়। এক একটি দীর্ঘশ্বাস নিরবে বয়ে যাবে।
বসে বসে অনুভব করতে চেষ্টা করতেছি সেই সব দীর্ঘশ্বাসের শব্দ।

6
Permanent Campus of DIU / Empty Sky.
« on: October 06, 2019, 07:02:17 PM »
ঘুমাতে প্রতিদিনই দেরী হয়। পরদিন ছুটি থাকলে তো কথাই নাই। যত রাত বাড়ে - আমি তত জাগ্রত হই। ইংরেজিতে ইন্সমনিয়া বলে একটি কথা আছে। আমি হয়তো ইনসমনিয়াতে আক্রান্ত - কে বলবে? আজকে রাতে বারান্দায় দাড়িয়ে চারিদিকে দেখতেছিলাম। আকাশের দিকে তাকিয়ে হঠাৎ মনে হল - আমাদের এই জায়গায় আগে কারা থাকতো? আমরা এই জায়গায় আসার আগে মানে উত্তরা হওয়ার আগে। এখানেও আমাদের ১৯ টি বছর কেটেছে। আজকে যেমন মেঘলা আকাশে চাঁদ তারা খুঁজে দেখতেছিলাম - তেমন কি আগেও আর কেউ রাতের আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকতো?
এখানে হয়তো ছিল বড়বড় গাছপালা। কিংবা একটি পুকুর। হয়তো এখানে কারো ঘর বাড়ি ছিল। যার উঠানে রাতের ঘুটঘুটে অন্ধকার থাকতো। দিনের বেলা সেই উঠানে ছোটছোট ছেলে মেয়েরা খেলা করতো। পাশের রান্না ঘরে রান্না হত সারাদিন। কে বলবে কি ছিল এইখানে? কারা থাকতো? তারা যখন চলে গেল - কেমন লেগেছিল তাদের। তাদের মাঝে কি কান্নার রোল পড়ে গিয়েছিল? ফিরে ফিরে আসত কি তারা তাদের ফেলে যাওয়া আবাসস্থল দেখতে?
আমাদের পরেই বা কারা আসবে এখানে? তারা কি জানবে রাত জেগে আমি সেই কথাই ভাবতেছিলাম।
আমরা বলি চরম বাস্তবতা। যেটাকে কেউ অগ্রাহ্য করতে পারে না। তেমন কিছু কি আসলেই বাস্তবে আছে? বাস্তবতা হল আমরা এই জায়গায় এখন থাকি। আগেও কেউ ছিল। আগে যারা ছিল তাদের কথা আমরা জানি না। আমাদের কথাও পরের জনেরা জানবে না। এইটাই সম্ভব।
যা আমরা আমাদের একেবারে নিজের বলি - সময়ে তা কত পর হয়ে যায়। কিছুই স্থায়ী নয়। কোন কোনটা হয়তো একটু বেশী সময় আমাদের হয়ে থাকে।
আমরা ভুলে যাই অনেককে। একসময় আমাদেরও ভুলে যাবে সবাই। এইভাবেই কেটেছে শত সহস্র বছর। কোটি কোটি জীবনের গল্প কেউ জানিনা। আমরা কেবল আমাদের নিজেদের কাছেই গুরুত্বপূর্ণ। কালের স্রোতে আর মানুষের ভীরে আমরা সবাই এক সময় হারিয়ে যাব। ভাবতেই সব কিছু কেমন শূন্য মনে হয়। এক একটি দীর্ঘশ্বাস নিরবে বয়ে যাবে।
বসে বসে অনুভব করতে চেষ্টা করতেছি সেই সব দীর্ঘশ্বাসের শব্দ।

7
Permanent Campus of DIU / Thank you Teacher.
« on: October 05, 2019, 10:35:42 PM »
শিক্ষকদের জবাবদিহিতা হল সৃষ্টিকর্তার কাছে। দ্বিতীয়ত স্টুডেন্টদের বাবা - মায়ের কাছে।
শিক্ষকের দায়িত্ব শুধু সাব্জেক্টের কোর্স ম্যাটেরিয়াল শেখানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ছাত্র - ছাত্রীরা যেন অন্যান্য মানবিক গুণাবলী অর্জন করতে পারে সেই দায়িত্বও শিক্ষকদের উপর বর্তায়।
মনে আছে একেবারে ছোটবেলায় যখন প্লে নার্সারিতে পড়ি - তখনকার টিচারদের কথা। অনেক টিচারের কথা এখনও ফলো করি। কখনো ক্লাসে কখনো বা পরীক্ষার হলে। ব্যক্তিজীবনেও তাদের আদেশ উপদেশ অনুসরণ করি হয়তো মনের অজান্তেই। কতকাল আগের কথা সেই প্লে নার্সারি ক্লাসের। এতেই বোঝা যায় মানুষের জীবনে শিক্ষকের গুরুত্ব কতটুকু।
শিক্ষকতায় বেশ কিছু বছর পার করলাম। ভালো লাগে যখন পথে আগের কোন স্টুডেন্ট এসে পরিচয় দেয় সালাম দেয়।
আজকে আমাদের ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ১৫৩ আর ১৬৩ (ইভিনিং) ব্যাচের স্টুডেন্টরা তাদের থিসিস প্রেজেন্ট করল। তাদের আনুষ্ঠানিক শিক্ষা জীবনের একটি অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি হল। এই ব্যাচের স্টুডেন্টদেরকে আমি প্রথম সেমিস্টার থেকেই দেখে আসতেছি। ভালো লাগলো তাদের ভাইভার পারফরমেন্স দেখে।

8
Textile Engineering / Thank you Teacher.
« on: October 05, 2019, 10:35:16 PM »
শিক্ষকদের জবাবদিহিতা হল সৃষ্টিকর্তার কাছে। দ্বিতীয়ত স্টুডেন্টদের বাবা - মায়ের কাছে।
শিক্ষকের দায়িত্ব শুধু সাব্জেক্টের কোর্স ম্যাটেরিয়াল শেখানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ছাত্র - ছাত্রীরা যেন অন্যান্য মানবিক গুণাবলী অর্জন করতে পারে সেই দায়িত্বও শিক্ষকদের উপর বর্তায়।
মনে আছে একেবারে ছোটবেলায় যখন প্লে নার্সারিতে পড়ি - তখনকার টিচারদের কথা। অনেক টিচারের কথা এখনও ফলো করি। কখনো ক্লাসে কখনো বা পরীক্ষার হলে। ব্যক্তিজীবনেও তাদের আদেশ উপদেশ অনুসরণ করি হয়তো মনের অজান্তেই। কতকাল আগের কথা সেই প্লে নার্সারি ক্লাসের। এতেই বোঝা যায় মানুষের জীবনে শিক্ষকের গুরুত্ব কতটুকু।
শিক্ষকতায় বেশ কিছু বছর পার করলাম। ভালো লাগে যখন পথে আগের কোন স্টুডেন্ট এসে পরিচয় দেয় সালাম দেয়।
আজকে আমাদের ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ১৫৩ আর ১৬৩ (ইভিনিং) ব্যাচের স্টুডেন্টরা তাদের থিসিস প্রেজেন্ট করল। তাদের আনুষ্ঠানিক শিক্ষা জীবনের একটি অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি হল। এই ব্যাচের স্টুডেন্টদেরকে আমি প্রথম সেমিস্টার থেকেই দেখে আসতেছি। ভালো লাগলো তাদের ভাইভার পারফরমেন্স দেখে।

9
Permanent Campus of DIU / Forgotten Chapter
« on: September 30, 2019, 10:15:52 PM »
হোস্টেলে অলস দুপুর। ছেলেটির আর সব রুমমেট অকাতরে ঘুমাচ্ছে। সে তাকিয়ে আছে জানালার বাইরে। এখানে দাঁড়ালে দেখা যায় টিচারদের কোয়াটার গুলো। আর উপরে উন্মুক্ত আকাশ। গ্রীষ্মের প্রখর রোদ চারিদিকে। সে একভাবে দাড়িয়ে থাকে জানালার পাশে। রাস্তা দিয়ে তাদেরই একজন টিচার তার ছেলেকে নিয়ে যাচ্ছেন। সে জানে আর ২ - ৩ বছর আগে সেও ঠিক ছেলেটির সমানই ছিল। সে মিস করে তার বাবাকে। ঠিক এইভাবেই হাত ধরে সেও তো যেত। রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় কিছু একটার বায়না ধরত। মনে হয় হঠাৎ করেই তার চারিপাশের বাস্তবতার পরিবর্তন হয়ে গেছে। কেউ নাই আশেপাশে যার কাছে বায়না ধরা যায়। কিংবা সকালে বলা যায় আর একটু ঘুমাবো আমি। আর কয়দিন আগেই সে ছিল সবার আদরের। হঠাৎ কি হল - যে সবাই তার চলাফেরায় এখন শুধু কমন সেন্সের ছাপ দেখতে চায়? রাস্তা দিয়ে ঘোড়ার গাড়ী চলার টকটক আওয়াজ শোনা যায়। সাথে ঘুঙুরের ঝম ঝম আওয়াজ।
আস্তে করে জানালা থেকে সরে দাঁড়ায় সে। তার আলমারি খুলে নীচের ড্রয়ারের কাপড়ের নীচে থেকে বের করে ছোট একটি বল। বলটি মেঝেতে ফেললে সেটি লাফ দিয়ে অনেক উপরে উঠে। তার আলমারিতে কাগজের নীচে লুকানো আছে একটি ছবি। তার ছোটভাইয়ের। সে সেটি বের করে দেখে আর ভাবে। তার ভাইটি বাসায় এখন কি করতেছে? তার এই ছোটভাইটি অনেক ভক্ত তার। সেও বাসায় থাকলে সব সময় আগলিয়ে রাখে তাকে। কোন ব্যাথা পেল কিনা? বা অন্য কেউ তাকে কষ্ট দিল কিনা? তার মন ও মননের অনেক খানি জুড়ে ছিল তার এই ভাইটি। সে এখন কত দূরে থাকে। তার মনে পড়ে কোন নতুন বুদ্ধি পেলে আর তা করার সাহস না পেলে কিভাবে তার কাছে তার ভাইটি দৌড়ে আসতো সাহায্যের আশায়। বাউন্ডারির বাইরে বড় রাস্তা দিয়ে একঘেয়ে আওয়াজ তুলে বাস ট্রাক চলে যায়। সে ভাবে এইগুলো নিশ্চয় তাদের বাসার পাশ দিয়েই যাবে।
হঠাৎ বাঁশি বেজে উঠে। অবসর সময় শেষ। এখন দৌড়াতে হবে পড়তে যেতে।

(ফরগটেন চ্যাপটার)

10
Textile Engineering / Forgotten Chapter
« on: September 30, 2019, 10:14:58 PM »
হোস্টেলে অলস দুপুর। ছেলেটির আর সব রুমমেট অকাতরে ঘুমাচ্ছে। সে তাকিয়ে আছে জানালার বাইরে। এখানে দাঁড়ালে দেখা যায় টিচারদের কোয়াটার গুলো। আর উপরে উন্মুক্ত আকাশ। গ্রীষ্মের প্রখর রোদ চারিদিকে। সে একভাবে দাড়িয়ে থাকে জানালার পাশে। রাস্তা দিয়ে তাদেরই একজন টিচার তার ছেলেকে নিয়ে যাচ্ছেন। সে জানে আর ২ - ৩ বছর আগে সেও ঠিক ছেলেটির সমানই ছিল। সে মিস করে তার বাবাকে। ঠিক এইভাবেই হাত ধরে সেও তো যেত। রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় কিছু একটার বায়না ধরত। মনে হয় হঠাৎ করেই তার চারিপাশের বাস্তবতার পরিবর্তন হয়ে গেছে। কেউ নাই আশেপাশে যার কাছে বায়না ধরা যায়। কিংবা সকালে বলা যায় আর একটু ঘুমাবো আমি। আর কয়দিন আগেই সে ছিল সবার আদরের। হঠাৎ কি হল - যে সবাই তার চলাফেরায় এখন শুধু কমন সেন্সের ছাপ দেখতে চায়? রাস্তা দিয়ে ঘোড়ার গাড়ী চলার টকটক আওয়াজ শোনা যায়। সাথে ঘুঙুরের ঝম ঝম আওয়াজ।
আস্তে করে জানালা থেকে সরে দাঁড়ায় সে। তার আলমারি খুলে নীচের ড্রয়ারের কাপড়ের নীচে থেকে বের করে ছোট একটি বল। বলটি মেঝেতে ফেললে সেটি লাফ দিয়ে অনেক উপরে উঠে। তার আলমারিতে কাগজের নীচে লুকানো আছে একটি ছবি। তার ছোটভাইয়ের। সে সেটি বের করে দেখে আর ভাবে। তার ভাইটি বাসায় এখন কি করতেছে? তার এই ছোটভাইটি অনেক ভক্ত তার। সেও বাসায় থাকলে সব সময় আগলিয়ে রাখে তাকে। কোন ব্যাথা পেল কিনা? বা অন্য কেউ তাকে কষ্ট দিল কিনা? তার মন ও মননের অনেক খানি জুড়ে ছিল তার এই ভাইটি। সে এখন কত দূরে থাকে। তার মনে পড়ে কোন নতুন বুদ্ধি পেলে আর তা করার সাহস না পেলে কিভাবে তার কাছে তার ভাইটি দৌড়ে আসতো সাহায্যের আশায়। বাউন্ডারির বাইরে বড় রাস্তা দিয়ে একঘেয়ে আওয়াজ তুলে বাস ট্রাক চলে যায়। সে ভাবে এইগুলো নিশ্চয় তাদের বাসার পাশ দিয়েই যাবে।
হঠাৎ বাঁশি বেজে উঠে। অবসর সময় শেষ। এখন দৌড়াতে হবে পড়তে যেতে।

(ফরগটেন চ্যাপটার)

11
Permanent Campus of DIU / Poems are selfish.
« on: September 20, 2019, 12:59:11 AM »
কবিতা উড়ে বেড়ায় পাখির ডানায় ভর করে।
কবিতা ভেসে বেড়ায় ট্রলারের নীচে পানিতে ঢেউয়ের সাথে।
কখনোবা সাদা কাগজে খেলা করে বেড়ায়।
কখনোবা সেই কাল চোখের ছায়ায় ভেসে বেড়ায়।
কবিতা থাকে চাঁদের সাথে, তারাদের মাঝে।
কবিতা ঘুম পাড়িয়ে দেয় কপালে কালো টিপ দেয়া শিশুটিকে।
কবিতা ঘুরে বেড়ায় রোদ্রজ্বল সকালের মাঝে।
কবিতা থাকে হৃদয়ে, কবিতা থাকে কল্পলোকের রূপকথায়।
কবিতা থাকে ভালবাসার মাঝে - কবিতা থাকে ঘুমন্ত সেই মুখে।
কবিতা নাই ক্ষুধার মাঝে।
কবিতা নাই আহত রক্তাক্ত শরীরের মাঝে।
কবিতা নাই সেই সে যন্ত্রণায়।
কবিতা নাই দারিদ্রতায়।
অত্যাচারে ব্যথিত সেই হৃদয়ের মাঝে কবিতা খুঁজি অসহায় ভাবে।
কবিতা নাই সেই অসহায় চোখে।
কবিতা নাই সেই অভাবী থালায়।
কবিতা নাই সেই ঘর্মাক্ত পরিশ্রান্ত দেহে।
কবিতা নাই কোন লোভী লম্পট চোখে।
কবিতা নাই সেই পরাজিত মৃতদেহে।
কবিতা নাই শিশুর কান্নায়।
কবিতা নাই সেই হিংস্র চোখে কিংবা সেই অসহায় বৃদ্ধের কুচকে যাওয়া মুখে।
কবিতা ভুলে যাই শত সহস্রের কান্নায়।
কোথায় কবিতা কার মাঝে?
আয়েশি কবিতা ঘুরে বেড়ায় নিশ্চিন্তে বিলাসী মনের সাথে।

12
Textile Engineering / Poems are selfish.
« on: September 20, 2019, 12:58:31 AM »
কবিতা উড়ে বেড়ায় পাখির ডানায় ভর করে।
কবিতা ভেসে বেড়ায় ট্রলারের নীচে পানিতে ঢেউয়ের সাথে।
কখনোবা সাদা কাগজে খেলা করে বেড়ায়।
কখনোবা সেই কাল চোখের ছায়ায় ভেসে বেড়ায়।
কবিতা থাকে চাঁদের সাথে, তারাদের মাঝে।
কবিতা ঘুম পাড়িয়ে দেয় কপালে কালো টিপ দেয়া শিশুটিকে।
কবিতা ঘুরে বেড়ায় রোদ্রজ্বল সকালের মাঝে।
কবিতা থাকে হৃদয়ে, কবিতা থাকে কল্পলোকের রূপকথায়।
কবিতা থাকে ভালবাসার মাঝে - কবিতা থাকে ঘুমন্ত সেই মুখে।
কবিতা নাই ক্ষুধার মাঝে।
কবিতা নাই আহত রক্তাক্ত শরীরের মাঝে।
কবিতা নাই সেই সে যন্ত্রণায়।
কবিতা নাই দারিদ্রতায়।
অত্যাচারে ব্যথিত সেই হৃদয়ের মাঝে কবিতা খুঁজি অসহায় ভাবে।
কবিতা নাই সেই অসহায় চোখে।
কবিতা নাই সেই অভাবী থালায়।
কবিতা নাই সেই ঘর্মাক্ত পরিশ্রান্ত দেহে।
কবিতা নাই কোন লোভী লম্পট চোখে।
কবিতা নাই সেই পরাজিত মৃতদেহে।
কবিতা নাই শিশুর কান্নায়।
কবিতা নাই সেই হিংস্র চোখে কিংবা সেই অসহায় বৃদ্ধের কুচকে যাওয়া মুখে।
কবিতা ভুলে যাই শত সহস্রের কান্নায়।
কোথায় কবিতা কার মাঝে?
আয়েশি কবিতা ঘুরে বেড়ায় নিশ্চিন্তে বিলাসী মনের সাথে।

13
Permanent Campus of DIU / Thinking about old memories.
« on: September 19, 2019, 10:23:17 PM »
আজকে আমাদের ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইনোভেশন ল্যাব উদ্বোধন হল। দেখতে দেখতে বেশ কিছুদিন হয়ে গেল। প্রথম যখন পার্মানেন্ট ক্যাম্পাসে আসি তখন দুপুরের পর চারিদিক কেমন খাঁ খাঁ করতো। আগে আমরা বড়জোর ২০ জন শিক্ষক - শিক্ষিকা ছিলাম। একাডেমিক বিল্ডিং ওয়ান এর ২০১ ও ৬০৪ এই রুম দুটিতেই সবার বসারজায়গা হয়ে যেত। আমাদের শিক্ষকের সংখ্যা সব মিলিয়ে আনুমানিক ১০০ ছাড়িয়ে গেছে আগেই। দুইটি বড় বাস দিয়ে এর পরিবহণ পুল শুরু হলেও এখন প্রায় ৫০ টি বাসের ক্রমান্বয় সিডিউল চলে। একটি বিল্ডিঙয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। এখন আরও বিশাল বিল্ডিঙয়ের পাশাপাশি আছে ইঞ্জিনিয়ারিঙয়ের বিভিন্ন ল্যাব। ১৪ তলার বিশাল বিল্ডিঙটি অনেক দূরের বিরুলিয়া ব্রিজ থেকে দেখি সকালে আসার সময়। এর পাশাপাশি দেখা যায় সুউচ্চ বয়েজ হোস্টেলের বিল্ডিং যেটি শুরু হয়েছিল এক্ তলার কয়েকটি রুম দিয়ে। যে ব্যাচের স্টুডেন্টদের প্রথম সেমিস্টারে পেয়েছিলাম তারা এখন পাস করে বের হবে। এখন ক্যাম্পাস ব্যস্ততায় ভরে গেছে। দম ফেলার ফুসরত থাকে না। ভোর সকাল থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত ক্যাম্পাস কলকাকলিতে মুখর থাকে। সুন্দর সব স্থাপনায় ভরে আছে ক্যাম্পাস। ইনোভেশন ল্যাব তারই একটি। অবসর সময় পেলে ঘুরে দেখি এই ক্যাম্পাস।
মানুষের মধ্যে বিশেষ কোন একজনের জন্য কিছু আটকে থাকে না। এইটা স্বীকার করতে দ্বিধা না থাকলেও মেনে নেয়া অনেক কঠিন একটি ব্যাপার।

14
Textile Engineering / Thinking about old memories.
« on: September 19, 2019, 10:20:56 PM »
আজকে আমাদের ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইনোভেশন ল্যাব উদ্বোধন হল। দেখতে দেখতে বেশ কিছুদিন হয়ে গেল। প্রথম যখন পার্মানেন্ট ক্যাম্পাসে আসি তখন দুপুরের পর চারিদিক কেমন খাঁ খাঁ করতো। আগে আমরা বড়জোর ২০ জন শিক্ষক - শিক্ষিকা ছিলাম। একাডেমিক বিল্ডিং ওয়ান এর ২০১ ও ৬০৪ এই রুম দুটিতেই সবার বসারজায়গা হয়ে যেত। আমাদের শিক্ষকের সংখ্যা সব মিলিয়ে আনুমানিক ১০০ ছাড়িয়ে গেছে আগেই। দুইটি বড় বাস দিয়ে এর পরিবহণ পুল শুরু হলেও এখন প্রায় ৫০ টি বাসের ক্রমান্বয় সিডিউল চলে। একটি বিল্ডিঙয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। এখন আরও বিশাল বিল্ডিঙয়ের পাশাপাশি আছে ইঞ্জিনিয়ারিঙয়ের বিভিন্ন ল্যাব। ১৪ তলার বিশাল বিল্ডিঙটি অনেক দূরের বিরুলিয়া ব্রিজ থেকে দেখি সকালে আসার সময়। এর পাশাপাশি দেখা যায় সুউচ্চ বয়েজ হোস্টেলের বিল্ডিং যেটি শুরু হয়েছিল এক্ তলার কয়েকটি রুম দিয়ে। যে ব্যাচের স্টুডেন্টদের প্রথম সেমিস্টারে পেয়েছিলাম তারা এখন পাস করে বের হবে। এখন ক্যাম্পাস ব্যস্ততায় ভরে গেছে। দম ফেলার ফুসরত থাকে না। ভোর সকাল থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত ক্যাম্পাস কলকাকলিতে মুখর থাকে। সুন্দর সব স্থাপনায় ভরে আছে ক্যাম্পাস। ইনোভেশন ল্যাব তারই একটি। অবসর সময় পেলে ঘুরে দেখি এই ক্যাম্পাস।
মানুষের মধ্যে বিশেষ কোন একজনের জন্য কিছু আটকে থাকে না। এইটা স্বীকার করতে দ্বিধা না থাকলেও মেনে নেয়া অনেক কঠিন একটি ব্যাপার।

15
Permanent Campus of DIU / Psychological play.
« on: September 14, 2019, 10:50:25 PM »
ছোটবেলায় পরীক্ষা শেষে টিচার যখন খাতা নিতে আসতেন অনেকেই টিচার আর এক মিনিট আর এক মিনিট বলে সময় চাইতো। খাতায় লিখতেই থাকতো। টিচার যতই বলতেন - তারা খাতা দিতে দেরী করতো।
আমাদের কোন কোন টিচার তাই বলতেন তোমাদের খাতা আর নেবো না। তখন আমাদের বন্ধুরা টিচারের পিছনে বারান্দায় দৌড়িয়ে দৌড়িয়ে খাতা জমা দিতে যেত।
মানুষ মাত্রই তার সাইকোলজি দিয়ে চালিত হয়। কেউ হয়তো অনেক কম কথা বলে। তাকেই যদি বলা হয় এক ঘণ্টা কথা বলতে পারবে না। তাহলে সেই স্বল্পভাষীর অবস্থা আমরা কল্পনা করতে পারি। আবার যে সারাক্ষণ কথা বলে তাকে একঘণ্টা টানা কথা বলার পানিশমেন্ট দিলে তার সারাজীবনের শিক্ষা হয়ে যাবে।
মানুষের মনের মূলনীতি হল - যেটি করতে বলা হচ্ছে সেটি না করা। আর নিষিদ্ধ জিনিসের প্রতি তার দূর্বার আকর্ষণ। তার কাছে কিছু চাইলে আপনি পাবেন না। কিন্তু প্রত্যাখ্যান করলে সে সেটি মেনে নিতে পারেনা।
আপনি কারো প্রশংসা করে দেখুন - সে বিনয়ের সাথে তার নিজের দোষ ত্রুটি স্বীকার করে যাবে। আবার তার দোষ ত্রুটির উল্লেখ করলে সে তার নিজের পক্ষে সাফাই গেয়ে চলবে।
আমরা অর্থনীতিতে কি পড়ি?
মানুষ টাকা পেলে কি করে? গরীব মানুষ টাকা পেলে কি করে। বড়লোকেরা টাকা পেলে কি করে। কিংবা সরকার কিভাবে অর্থনীতিকে কন্ট্রোল করতে পারে সেই জিনিষ গুলোই অর্থনীতিতে আলোচনা করা হয়।
অর্থনীতির পুরোটাই টাকার সাথে মানুষের মনের রিয়াকশন অর্থাৎ মানুষের সাইকোলজি নিয়ে আলোচনা করা হয়। সেই মানুষ কখনো গরীব - কখনো বড়লোক। কখনো সে ক্ষুধারথ কখনো বা সে পেট পুরে খেয়েছে।
মানুষের সাইকোলজি নিয়ে খেলা করে ব্যবসায়ীরা আর রাজনীতিবিদেরা। মানুষের আবেগকে কাজে লাগিয়ে এদের জীবন চলে। জনগণের সাইকোলজি নিয়ে অনেক পড়াশুনা ও বই পত্র আছে। তাদেরকে কন্ট্রোলের জন্যও অনেক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ আছে।
মনে রাখতে হবে সাইকোলজি সহ মানুষই দুষ্টদের প্রেরণা। মানুষ শান্তি চাইলে তারা অশান্তি বাড়ায়। এক গ্রুপের মানুষের আবেগকে কাজে লাগিয়ে অন্য গ্রুপের মানুষকে তারা শোষণ ও নির্যাতন চালায়। এরা রসায়ন বিষয়ে পড়া প্রভাবক বা ক্যাটালিস্টের ভূমিকায় থাকে।
আমার মতে দুষ্ট মানুষকে দিন রাত সারাদিন অতিরঞ্জিত প্রশংসা বাক্য শোনানো উচিৎ। আর সমালোচনা করা একেবারে বাদ দিলেই সে তার বাকি জীবনে উৎসাহ হারিয়ে ফেলবে।

Pages: [1] 2 3 ... 49