Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Reza.

Pages: [1] 2 3 ... 50
1
Permanent Campus of DIU / Money - the necessary evil.
« on: Yesterday at 08:17:45 PM »
কাগজের টাকা।
জানে কত সততার সাথে মানুষ জীবন যাপন করে।
কাগজের টাকা জানে কত স্বার্থপর হতে পারে মানুষ।
কাগজের টাকা জানে কত কষ্টকর তাকে পাওয়া।
আবার সে জানে কত সহজে তাকে কতজন পেয়ে যায়।
কারো কাছে কাগজের টাকা মানে সহস্র বিন্দু বিন্দু ঘামের বিনিময়।
কারো কাছে উপহার আবার কারো কাছে জরিমানা।
কারো কাছে হাতখরচ আবার কারো কাছে জীবিকা।
কারো কাছে সঞ্চয় আবার কারো কাছে বেহিসেবি খরচ।
কেউ কুড়িয়ে পায়। কেউ গুণে চলে।
কেউ লুকিয়ে রাখে আবার কেউ তাকে নিয়ে বড়াই করে চলে।
কাগজের টাকা মানে কারো কাছে সচ্ছল জীবন।
কাগজের টাকার কাছে কখনো জীবন হেরে যায়।
কাগজের টাকা থাকে ঘরের আলমারিতে। কখনো রিক্সাচালকের গিটের মাঝে। ধরা থাকে তা মাছ ওয়ালার ভেজা হাতে। কখনো বা তার জায়গা হয় বিলাসি মানিব্যাগে। কখনোবা অস্ত্র তাকে পাহারা দেয়। কখনোবা বা সে পড়ে থাকে দান বাক্সে।
মেশিন গুণে চলে শত সহস্র টাকা। ভিক্ষুকের ঝুলিতে বসে দুলে চলে। পার হয়ে যায় পায়ে হাঁটা অনেকটা পথ।
ফ্লেক্সি করে কেউ কথা বলে চলে। কেউ বা রাস্তার ধারের চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে চলে।
কেউ অপেক্ষায় দাড়িয়ে থাকে পথের ধারে কখনোবা ওভারব্রিজে।
টাকা থাকে জীবাণুর মত সব জায়গায়। জীবাণুর মত সেও অদৃশ্য থাকে।
কেউ ঘুস দেয় টাকায়। কেউ মজুরী গুণে চলে টাকায়।
টাকা শুধু জানে কত অকৃত্রিম হতে পারে মানুষের ভালবাসা। টাকা জানে কত কুৎসিত হয় মানুষ।
টাকা চালু রাখে এই মানব সমাজ। কখনোবা স্থম্ভিত করে দেয় মানুষের বিবেক। কখনো কাউকে হাসায় আবার হয়তো কাঁদায়।
টাকা কখনো সচল করে। আবার কখনো অচল করে।
Money - The necessary evil.

2
Textile Engineering / Money - the necessary evil.
« on: Yesterday at 08:17:10 PM »
কাগজের টাকা।
জানে কত সততার সাথে মানুষ জীবন যাপন করে।
কাগজের টাকা জানে কত স্বার্থপর হতে পারে মানুষ।
কাগজের টাকা জানে কত কষ্টকর তাকে পাওয়া।
আবার সে জানে কত সহজে তাকে কতজন পেয়ে যায়।
কারো কাছে কাগজের টাকা মানে সহস্র বিন্দু বিন্দু ঘামের বিনিময়।
কারো কাছে উপহার আবার কারো কাছে জরিমানা।
কারো কাছে হাতখরচ আবার কারো কাছে জীবিকা।
কারো কাছে সঞ্চয় আবার কারো কাছে বেহিসেবি খরচ।
কেউ কুড়িয়ে পায়। কেউ গুণে চলে।
কেউ লুকিয়ে রাখে আবার কেউ তাকে নিয়ে বড়াই করে চলে।
কাগজের টাকা মানে কারো কাছে সচ্ছল জীবন।
কাগজের টাকার কাছে কখনো জীবন হেরে যায়।
কাগজের টাকা থাকে ঘরের আলমারিতে। কখনো রিক্সাচালকের গিটের মাঝে। ধরা থাকে তা মাছ ওয়ালার ভেজা হাতে। কখনো বা তার জায়গা হয় বিলাসি মানিব্যাগে। কখনোবা অস্ত্র তাকে পাহারা দেয়। কখনোবা বা সে পড়ে থাকে দান বাক্সে।
মেশিন গুণে চলে শত সহস্র টাকা। ভিক্ষুকের ঝুলিতে বসে দুলে চলে। পার হয়ে যায় পায়ে হাঁটা অনেকটা পথ।
ফ্লেক্সি করে কেউ কথা বলে চলে। কেউ বা রাস্তার ধারের চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে চলে।
কেউ অপেক্ষায় দাড়িয়ে থাকে পথের ধারে কখনোবা ওভারব্রিজে।
টাকা থাকে জীবাণুর মত সব জায়গায়। জীবাণুর মত সেও অদৃশ্য থাকে।
কেউ ঘুস দেয় টাকায়। কেউ মজুরী গুণে চলে টাকায়।
টাকা শুধু জানে কত অকৃত্রিম হতে পারে মানুষের ভালবাসা। টাকা জানে কত কুৎসিত হয় মানুষ।
টাকা চালু রাখে এই মানব সমাজ। কখনোবা স্থম্ভিত করে দেয় মানুষের বিবেক। কখনো কাউকে হাসায় আবার হয়তো কাঁদায়।
টাকা কখনো সচল করে। আবার কখনো অচল করে।
Money - The necessary evil.

3
Textile Engineering / Re: Teen age - best part of life.
« on: February 24, 2020, 11:11:52 AM »
Thank you.

4
Textile Engineering / Re: Thank you Teacher.
« on: February 24, 2020, 11:10:41 AM »
Thank you for your comment.

6
Textile Engineering / Re: Empty Sky.
« on: February 24, 2020, 11:09:20 AM »
Thank you.

7
Textile Engineering / Re: Magnificent soil.
« on: February 24, 2020, 11:07:46 AM »
Thank you.

8
Thank you.

9
Textile Engineering / Re: Gypsy Dhaka dwellers.
« on: February 24, 2020, 11:06:15 AM »
Thank you.

10
Textile Engineering / Re: 'নাম' নিয়ে ভাবনা।
« on: February 24, 2020, 11:03:41 AM »
Thank you.

11
Thank you.

12
Textile Engineering / Re: সেকালের টেলিভিশন।
« on: February 23, 2020, 01:13:46 AM »
Thank you.

13
Textile Engineering / Re: Generation gap.
« on: February 23, 2020, 01:13:24 AM »
Thank you

14
Textile Engineering / সেকালের টেলিভিশন।
« on: January 28, 2020, 12:51:10 AM »
টিভির বিবর্তন নিয়ে ভাবতেছিলাম। আমাদের সময় একটাই চ্যানেল ছিল আমাদের দেশে। সেটি হল ৯ নাম্বার চ্যানেল। এইটাতে কেবলমাত্র বি টি ভি দেখতে পারতাম আমরা। অল্প কিছুদিন এর পাশাপাশি ৬ নাম্বার চ্যানেল চালু করা হল। এইটাও বি টি ভি। আমাদের ভাই বোনদের মধ্যে টি ভি দেখা নিয়ে ঝগড়া ঝাটি শুরু হল। একজন দেখবে ৯ নাম্বার চ্যানেল তো আরেকজন দেখবে ৬ নাম্বার।
আমাদের সময়টা ছিল কিছুটা ভিন্ন। দাদা - নানাদের মাঝে এমনও কেউ কেউ ছিল - যারা সাধারণ গান শোনাকেও গর্হিত কাজ বলে মনে করতেন। অনেক সময়ই বাসায় এমন দাদা - নানাদের উপস্থিতিতে টিভি বন্ধও রাখা হত।
টি ভি তখন ছিল ঢাউস একটি বড় বাক্সের মত। যার কাঠামোর অনেক অংশই কাঠের তৈরি থাকতো। টেলিভিশনের পিছনে কাঠের কভারের ফুটো দিয়ে কিছু বাল্ব জ্বলতে দেখা যেত। টিভি গুলোর পায়াও থাকতো। রুমের এক মাথায় টি ভি দাড়িয়ে থাকতো তার কাঠের চার পায়ে ভর দিয়ে। রিমোট কন্ট্রোল তখন ছিল না। শীতকালে লেপ কম্বল গায়ে দিয়ে আয়েস করে বসে টিভি দেখার সময় সাউন্ড বা আলো কমাতে বা বাড়াতে হলে - উঠতে ইচ্ছা হত না।
টি ভি তে সিগারেটের বিজ্ঞাপন দেখানো সাধারণ একটি ব্যাপার ছিল। ছিল না কোন সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ।
অনেকদিন কেবলমাত্র সাদা কালো টেলিভিশনই ছিল। অনেক পরে রঙ্গিন টেলিভিশন দেখে আমরা সবাই মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম।
কোন দেশে কত সালে টেলিভিশন চালু হয়েছে - এইটা দিয়ে দেশের অবস্থা ব্যাখ্যা করতেও দেখেছি।
তখনকার খবর পাঠকদের অনেক কষ্ট সহ্য করতে হত। এক নাগারে ২০ - ৩০ মিনিট কাগজের লেখা খবর পড়তে হত তাদের। এক পৃষ্ঠা পড়া হলে তা পাশে রেখে আবার নতুন পৃষ্ঠার খবর পড়া শুরু করতে দেখতাম।
বিজ্ঞাপন বা এড গুলো থাকতো লিখিত আকারে। যেন একটি ল্যান্ড স্কেপ কাগজের পোস্টার। এড চেঞ্জ হওয়ার সময় টুট করে একটি শব্দ হত।
তখনকার নাট্য অভিনেতা, গানের শিল্পী থেকে সবাইকেই অনেক দক্ষ হতে হত।
এখনকার তুলোনায় অনেক ধীর গতির অনুষ্ঠান হত। তার পরেও তখনকার টেলিভিশনের অনেক কিছু এখনও অতুলোনীয় মনে হয়।

15
টিভির বিবর্তন নিয়ে ভাবতেছিলাম। আমাদের সময় একটাই চ্যানেল ছিল আমাদের দেশে। সেটি হল ৯ নাম্বার চ্যানেল। এইটাতে কেবলমাত্র বি টি ভি দেখতে পারতাম আমরা। অল্প কিছুদিন এর পাশাপাশি ৬ নাম্বার চ্যানেল চালু করা হল। এইটাও বি টি ভি। আমাদের ভাই বোনদের মধ্যে টি ভি দেখা নিয়ে ঝগড়া ঝাটি শুরু হল। একজন দেখবে ৯ নাম্বার চ্যানেল তো আরেকজন দেখবে ৬ নাম্বার।
আমাদের সময়টা ছিল কিছুটা ভিন্ন। দাদা - নানাদের মাঝে এমনও কেউ কেউ ছিল - যারা সাধারণ গান শোনাকেও গর্হিত কাজ বলে মনে করতেন। অনেক সময়ই বাসায় এমন দাদা - নানাদের উপস্থিতিতে টিভি বন্ধও রাখা হত।
টি ভি তখন ছিল ঢাউস একটি বড় বাক্সের মত। যার কাঠামোর অনেক অংশই কাঠের তৈরি থাকতো। টেলিভিশনের পিছনে কাঠের কভারের ফুটো দিয়ে কিছু বাল্ব জ্বলতে দেখা যেত। টিভি গুলোর পায়াও থাকতো। রুমের এক মাথায় টি ভি দাড়িয়ে থাকতো তার কাঠের চার পায়ে ভর দিয়ে। রিমোট কন্ট্রোল তখন ছিল না। শীতকালে লেপ কম্বল গায়ে দিয়ে আয়েস করে বসে টিভি দেখার সময় সাউন্ড বা আলো কমাতে বা বাড়াতে হলে - উঠতে ইচ্ছা হত না।
টি ভি তে সিগারেটের বিজ্ঞাপন দেখানো সাধারণ একটি ব্যাপার ছিল। ছিল না কোন সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ।
অনেকদিন কেবলমাত্র সাদা কালো টেলিভিশনই ছিল। অনেক পরে রঙ্গিন টেলিভিশন দেখে আমরা সবাই মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম।
কোন দেশে কত সালে টেলিভিশন চালু হয়েছে - এইটা দিয়ে দেশের অবস্থা ব্যাখ্যা করতেও দেখেছি।
তখনকার খবর পাঠকদের অনেক কষ্ট সহ্য করতে হত। এক নাগারে ২০ - ৩০ মিনিট কাগজের লেখা খবর পড়তে হত তাদের। এক পৃষ্ঠা পড়া হলে তা পাশে রেখে আবার নতুন পৃষ্ঠার খবর পড়া শুরু করতে দেখতাম।
বিজ্ঞাপন বা এড গুলো থাকতো লিখিত আকারে। যেন একটি ল্যান্ড স্কেপ কাগজের পোস্টার। এড চেঞ্জ হওয়ার সময় টুট করে একটি শব্দ হত।
তখনকার নাট্য অভিনেতা, গানের শিল্পী থেকে সবাইকেই অনেক দক্ষ হতে হত।
এখনকার তুলোনায় অনেক ধীর গতির অনুষ্ঠান হত। তার পরেও তখনকার টেলিভিশনের অনেক কিছু এখনও অতুলোনীয় মনে হয়।

Pages: [1] 2 3 ... 50