Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - Reza.

Pages: 1 ... 21 22 [23] 24
331
Permanent Campus of DIU / Respect to all elder brothers and sisters.
« on: February 28, 2017, 12:00:12 AM »
ধরেন পাশাপাশি কয়েক ভাই বোন দাড়িয়ে আছে। আপনি কাকে আদর করবেন? বা কোলে তুলে নেবেন? অবশ্যই সব থেকে ছোট জনকে। আবার ছোটজন কোন দুষ্টামি করলেও দোষ পড়ে বড় জনের উপর - তার কাছ থেকেই ছোটটা এটা শিখেছে। সব থেকে ভালো খেলনা বা খাবার পায় ছোটজন। একটু মনোযোগ দিয়ে খেয়াল করলে এই লিস্ট খালি বড়ই হতে থাকবে। ট্রাজিক হিরো - এই একটাই বিশেষণে বড় ভাই ও বোনদের বিশেষায়িত করা যায়। যদিও এটা নিয়ে তাদের কোন ক্ষোভ কখনোই থাকে না - কেননা আনকন্ডিশনাল ভাবেই তারা ছোট ভাইবোনদের ভালোবাসে।

আমার পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী এক জন মানুষ তার পরিবারের বড় সন্তান না ছোট সন্তান তার উপরও এক এক জনের জীবন কাহিনী কি হবে তা নির্ভর করে।
স্বাভাবিক ভাবেই পরিবারের বড় সন্তান মানে বাবা মা তাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি, বিয়ে, এমনকি দায়িত্ববোধ শিক্ষায় ছোট সন্তানদের থেকে বেশী গুরুত্ব দেয়। তাদের সব হয় সময়মত। এছাড়াও ছোট ভাই বোনদের দেখা শোনার দায়িত্বও অনেক সময়ই বড়দের উপর পড়ে। বড় ভাই বোনের মনে গহীনে ছোটবেলা থেকেই বাবা মার প্রতি যেমন দায়িত্ব আছে এইটা ঘুড়াঘুড়ি করে - এর থেকে বেশী তাদের মনে ঘোড়ে ছোট ভাই বোনের নিরাপত্তা, তাদের অন্য কেউ বঞ্চিত বা ঠকাল কিনা - এই সব। ছোটবেলা থেকেই ছোটদের দায়িত্ব নিতে নিতে বড় বেলাতেও তাদের এই অভ্যাসটাই স্থায়ী হয়ে যায়। যদিও নদীতে অনেক পানি গড়িয়ে গেছে - হয়ত ছোটদের আর তাদের সাহায্য দরকার নাই - উলটো তাদেরকেই এখন ছোটরা মানসিক, বৈষয়িক বা বুদ্ধিবৃত্তিক সাহায্য করতে পারে। কিন্তু চিরস্থায়ী বন্দবস্থের মত এক চেটিয়া ভাবে এই সাহায্যের কেবল এক মুখী প্রদানই চলে। ছোটদের অনেক ক্ষেত্রেই মাথাতেই আসে না যে ভূমিকা পরিবর্তনের সময় এসেছে।
দায়িত্বপূর্ণ যে কোন কাজে বাবা মা সঙ্গী হিসেবে নেয় বড়দের। (পরিবারে কারো অসুস্থতা, বাজার করা, দেশের বাড়ীর জমিজমা সংক্রান্ত হিসেব ইত্যাদি)
এছাড়াও বাবা মার মেজাজ খারাপ সহ যে কোন নেগাটিভ ঝড় ঝঞ্জাই সবার আগে ঝাপিয়ে পড়ে এই বড় ভাইবোনের উপর।পারিবারিক অর্থ, বৈষয়িক বা জমিজমা সংক্রান্ত ভালমন্দ সব কিছুই এদের মন ও মননে ভাগ বসায় শৈশবেই।
অপরপক্ষে বাবা মা আনন্দদায়ক ভ্রমন ও অভিজ্ঞতায় তাদের ছোট সন্তানদের সঙ্গী হিসেবে নেয়। ছোটদের মন ও মননে যোগ হয় নতুন ও আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা। আদরের বেলায় তাদের আধিপত্য এক চেটিয়া হয়ে দাড়ায়।
ছোটরা ছোটবেলা থেকেই বেশী নিরাপত্তা ও আদর যত্ন পেয়ে থাকে। যার নেপথ্যের অন্যতম কারন হল এই বড় ভাই বোনেরা। এদের মনে দুশচিন্তার খোরাক কম। এইটাও বড় ভাই বোনের কারনে। ছোটদের এই তুলনা মুলক ভারহীন জীবন তাদেরকে পড়াশোনা ও বুদ্ধিবৃত্তিক কাজে বেশী দক্ষ করে তুলে। অপরপক্ষে পরিবারে অনেক ভিন্ন টাইপের দায়িত্ব পালনকারী বড় ভাই বোনেরা পিছিয়ে থাকে এই সব ক্ষেত্রে। আমার পর্যবেক্ষণ বলে পরিবারে অনেক ক্ষেত্রেই বড়দের "বোকা" নামে অভিহিত করা হয় - যা শুধু অন্যায্য নয় - একটি চরম অপরাধের সামিল।
সাক্রিফাইস ও শেয়ার করা কত প্রকার ও কি কি এইগুলো যদি কেউ শেখে তাহলে তারা হল বড় ভাইবোনেরা।

(লেখাটি আমার অনেক দিনের পর্যবেক্ষণ থেকে লেখা। যখন ভাইবোনের সংখ্যা দুইয়ের অনেক বেশী ছিলো। অবশ্য এই দুই ভাইবোনের সময়ও এই লেখাটি অনেক ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য বলে আমি মনে করি।)

332
আমাদের পার্মানেন্ট ক্যাম্পাস থেকে উত্তরা ফিরতে সময় লাগে ৩৫ - ৪০ মিনিট।
পথে পড়ে বিরুলিয়া -- মিরপুর বেড়িবাঁধ -- দিয়াবাড়ি -- পরিশেষে উত্তরা।
যেন মধুর প্রকৃতি ছেড়ে যান্ত্রিক শহরে প্রবেশ করা।
পথে কোন জ্যাম পড়ে না। শুধু দুই একটা ট্রাফিক সিগন্যালে একটু দাড়াতে হয়।
আমরা যারা ঢাকার জ্যামে প্রতিদিন জার্নি করে অভ্যস্থ - তাদের কাছে এই যাতায়াত খুব মধুর মনে হয়।
পথে ছোট নদী পার হতে হয় বিরুলিয়া ব্রীজ দিয়ে। এছাড়াও মিরপুর বেড়িবাধের রাস্তার চারিদিকের সবুজের সমারোহ মন ভালো করে দেয়।
দিয়া বাড়িতে এখন কাশফুল ফুটেছে। মাইলের পর মাইল  শুধু সাদা কাশফুল দেখা যায়। এই দিয়াবাড়ির পরিবেশ অন্য যে কোন এলাকার থেকে ভিন্ন ও মনোমুগ্ধকর।

333
Textile Engineering / Day to day life at the permanent campus.
« on: February 27, 2017, 10:59:19 PM »
দৃষ্টি এখানে আটকে যায় না। যে দিকে তাকানো যায় দেখা যায় বিশাল আকাশ। রুমের বিশাল জানালা দিয়ে প্রচুর আলো আসে। শীতকালে সূর্য হেলে যায়। তাই জানালা দিয়ে আসে সকালের রোদ। উত্তরা থেকে সকাল ৭ঃ৩০ মিনিটে ইউনিভারসিটি ট্রান্সপোর্ট ছেড়ে আসে। তাই প্রতিদিন ভোরেই উঠতে হয়। শুধু এইটুকুই আমাদের সারাদিনের কষ্টকর চ্যালেঞ্জ। তবে ক্যাম্পাসে পৌঁছালে মন ভালো হয়ে যায়। নিজেদের বসার, ক্লাসের, এমনকি খেলা ধুলা করার পর্যাপ্ত একোমোডেশন ব্যবস্থা এখানে। স্টুডেন্টরা ফুটবল, ক্রিকেট, গলফ, বাস্কেটবল খেলে। অনেক সময় বিশেষতঃ বিকালে কাজ শেষে অনেক ফ্যাকাল্টিও মাঠে খেলতে নেমে যায়। দুপুরে লাঞ্চের সময় টাটকা ও সুস্বাদু খাবার।
সব ফ্যাকাল্টি, কর্মকর্তা ও কর্মচারী পরিচিত তো অবশ্যই। নিজের ডিপার্টমেন্ট ছাড়াও অন্যান্য ডিপার্টমেন্টের স্টুডেন্টদেরও চেনা হয়ে যায়।
সব থেকে ভালো লাগে - এখানে কোন শব্দদূষণ নাই। নীরব গম্ভীর পরিবেশ মনোযোগ বাড়িয়ে দেয়। দুপুরের পর কর্মব্যস্ততা কমে গেলে কিছুটা নীরব হয় পরিবেশ। আবার বিকালে কিছুটা সরব হয়ে উঠে আমাদের ক্যাম্পাস। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে যেমন নীরব হয় আমাদের ক্যাম্পাস - তেমন পরীক্ষা শেষে স্টুডেন্টদের পরিক্ষার আলোচনা করতে করতে ফিরে যাওয়া মনে করিয়ে দেয় আমাদের নিজেদের ছাত্র জীবনের স্মৃতির কথা।
দিন শেষে আবার বাড়ি ফেরার পালা। কারো ব্যক্তিগত কাজ থাকলে হয়ত দুপুরের ট্রান্সপোর্টে বাসায় চলে যায়। বাকিরা যায় বিকালে। বিকালেও ট্রান্সপোর্ট সময় মত রেডি থাকে। আমরাও বিরুলিয়া, মিরপুর বেড়িবাঁধ, দিয়াবাড়ি পার হয়ে ফিরে চলি উত্তরায় যার যার বাসায়।
ভালো লাগে এই মনোমুগ্ধকর পরিবেশ। ভালো লাগে আমাদের এই স্থায়ী ক্যাম্পাস।

334
Textile Engineering / Do we know ourselves?
« on: February 27, 2017, 03:52:55 PM »
ভাবতেছিলাম একজন মানুষের নিজেকে চিনতে কত বছর লাগে?
কত দিন পার হয় বুঝতে - সে নিজে অন্যদের থেকে বোকা না চালাক - সৎ না ধূর্ত ?
যারা বোকা বা সরল তারা কি কখনই নিজেদের চেনে না? আর যারা চালাক তারা সব বুঝে বসে থাকে?
আমার মতে মানুষ শিশু কালেই নিজের সম্পর্কে জেনে যায়। শিশুদের পর্যবেক্ষণ শক্তি অনেক শক্তিশালী। শিশুকালেই - মানুষ তার সাথে কি ব্যবহার করে - এই ফিডব্যাক থেকেই নিজের মনের আয়নায় নিজের সম্পর্কে জেনে যায়। হয়ত স্পস্ট ভাবে কখনো খেয়াল করে না। কিন্তু কোন অবস্থায় কি করবে তা তার মনের অজান্তেই ঠিক করে ফেলে। এবং এটা ঠিক করে তার মনের স্ট্রাকচারের শক্তিশালী বৈশিস্ট গুলোকে ফোকাস করেই - যে গুলোর জন্য সে প্রশংসা পেয়েছে।
আরেকটি হলঃ- শিশুদের মনে বেশী ছাপ ফেলে তার বাবা-মা তাকে কি ভাবে ট্রিট করে তার উপর। কেউ চুপচাপ থেকেই বাহবা পায় কত শান্ত বলে আবার কেউ বাহবা পায় বুদ্ধিদিপ্ত কথা বলে। সে সহজেই বুঝে নেয় তার করনীয় কি তা। অনেক পরিবার শিশুর কাছ থেকে বুদ্ধিবৃত্তিক কর্মকাণ্ড বেশী আশা করে। হোক তা ন্যায় বা অন্যায়। তাকে জিততে হবে বাই হুক অর বাই ক্রুক। আবার অনেক পরিবারে চারিত্রিক গুণাবলীর উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। তাদের কাছে জয় পরাজয় গৌণ ব্যাপার।
আমার আরেকটি পর্যবেক্ষণ হল শিশুর বুদ্ধি বৃত্তিক দুর্বলতা শিশুকে কুটিল চরিত্রের অধিকারী করে তুলে। যে শিশুকালে সহপাঠীদের সাথে মেধায় পেরে উঠে না - কিন্তু সাথে সাথে সে পরাজিত হতে চায় না - সে হয়ে উঠে বাক চতুর। অনেক ক্ষেত্রেই হয়ত কুটিল চরিত্রের অধিকারী।
শিশুর শুধু বুদ্ধি, সাহস ও সততা থাকলেই চলবে না। এই সব গুনাবলিকে উৎসাহ দেওয়ার মত পারিবারিক ও পারিপার্শ্বিক অবস্থাও থাকতে হবে।

335
Textile Engineering / Best time to ensure job is during the internship.
« on: February 27, 2017, 03:51:40 PM »
Students go for their internship to different organizations. They have to remember it is the best time to ensure job for them. Of course an organization will select a candidate they already know about. Again the internee is not a new stranger for that organization. As the organization knows the internee the same way the internee is also habituated with the customs of the organization. An internee has to keep in mind that he / she may be under consideration for a job there by the management.
For this the internee has to work very sincerely during the period. He/ she has to fully maintain the time there.
Again before going for internship a student has to review all of his related course materials (Both theory and lab) he studied before in the University. This will impress the management of the organization, that the students know the related basic things.   

336
Textile Engineering / Our face represents the image of our mind.
« on: February 27, 2017, 03:50:23 PM »
চেহারা হল আমাদের মনের আয়না। যে আনন্দে আছে তার মুখ দেখেই আমরা তা বুঝতে পারি। একই ভাবে অসুস্থতা, শারীরিক কষ্ট সবই ফুটে উঠে আমাদের মুখে। আমরা যখন কথা বলি তখন আমাদের মুখে আমাদের মনের ছাপ ফুটে উঠে। আনন্দের খবর দেওয়ার সময় আমাদের মুখ আনন্দিত হয়। বা দুঃখের কথা বলতে গেলে মুখে দুঃখ বোধ ফুটে উঠে। আবার কথা না বললেও অনেক সময় মুখে ফুটে উঠে দুশ্চিন্তা, হতাশা, বা কৌতুক যা হয়ত তখন মনে খেলা করতেছে।
আমাদের মুখে আছে অজশ্র মাংস পেশী। যে মানুষ সব সময় হাসি খুশি থাকে সে তার মুখের নির্দিষ্ট মাংস পেশী বেশী ব্যবহার করে। একই ভাবে যে বেশীর ভাগ সময় দুশ্চিন্তা গ্রস্থ থাকে সেও নির্দিষ্ট মাংস পেশী বেশী ব্যবহার করে। হয়ত হাসি খুশি থাকা মানুষের থেকে ভিন্ন পেশী গুলো। এই ভাবে এক এক জন তাদের মনের ভাব অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন মাংস পেশী বেশী ব্যবহার করে। সেই পেশী গুলোই বেশী পুষ্ট হয়। চেহারায় আনে আলাদা বৈশিস্ট। এমনকি মানুষের চেহারাতে ছাপ ফেলে দেয় তার সব সময়ের অভ্যাসও।
আমাদের দৈনন্দিন জীবন যাত্রার ছাপও পড়ে আমাদের মুখে। কঠিন ও চালেঞ্জিং পেশাজীবিদের মুখে ফুটে উঠে কঠোরতার ছাপ। আবার সব সময় আদরে থাকা মানুষের চেহারায় ফুটে উঠে আদুরে ভাব। কাওকে প্রথম দেখায় অনেক আপন মনে হয় অথবা আবার কাউকে হয়ত আমরা এড়িয়ে যাই। নকল হাসি নকল দুঃখ বোধ আমরা সবাই চিনি। একই ভাবে তৈলাক্ত হাসি ও কষ্ট করে আনা ফ্যাকাসে হাসিও আমরা ডিটেক্ট করতে পারি।
আমরা যতই লুকাতে চাইনা আমাদের নেগেটিভ দিক গুলোকে - তা আমাদের অজান্তেই ফুটে উঠে আমাদের মুখায়োবে। অনেক সময় তা হয়ত অতীতের আমাদেরকেও সবার সামনে প্রকাশিত করে তোলে। তাই সব সময় পজিটিভ চিন্তা ও কাজ করাই শ্রেয়।

337
Permanent Campus of DIU / Appropriate food habit can heal ailments.
« on: February 27, 2017, 09:29:48 AM »
আমাদের খাদ্যাভ্যাস ও জীবন যাপন স্বাভাবিক না হলে আমাদের বিভিন্ন রোগ ব্যাধি হয়। অবশ্য বয়সের কিছু ব্যাপারও থাকে। খুব কম চিকিৎসককেই দেখেছি আমাদের খাদ্যাভ্যাস ও দৈনন্দিন অভ্যাস সম্পর্কে প্রশ্ন করতে ও এই ব্যাপারে পরামর্শ দিতে। তবে জীবনে অনেক চিকিৎসক পেয়েছি যারা দৈনন্দিন অভ্যাস বিশেষত খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করেই অবস্থার অনেক উন্নতি ঘটিয়েছেন।
এছাড়া আমাদের পাঠ্যসূচীতেও আলাদা ভাবে প্রতিটা অর্গান সুস্থ থাকার জন্য প্রয়োজনীও খাদ্যাভ্যাস ও জীবন যাপন প্রনালী অন্তর্ভুক্ত করা উচিৎ বলে আমি মনে করি।

(আমার বাম পায়ের পাতার তলায় ব্যথা হত। অনেক দিন থেকেই। তাই প্রায়ই খুড়িয়ে খুড়িয়ে হাটতে হত। বিশেষত অনেকক্ষন বসে থাকার পর হাটতে হলে। ডাক্তার দেখিয়েছিলাম ২ - ৩ বার। তাদের ফাইন্ড আউট ছিলো এটা হল প্লান্টারস ফাঁসিতিস। সমাধান হল নরম জুতা ও স্যান্ডেল পরা (ডক্টর সু) ও ব্যথা হলে পেইন কিলার খাওয়া। এছাড়াও ক্যালসিয়াম ট্যাবলেটও প্রেসক্রিপশনে দেওয়া ছিলো।
আমাদের বংশে কিডনির জটিলতার ইতিহাস আছে। তাই পেইন কিলার খাওয়ার কথা চিন্তাও করতাম না। আর ক্যালসিয়াম খেলে আমার কিছু অসুবিধা হয় - এইটা আমার বেশ অনেক দিনের পর্যবেক্ষণ।
তাই কোন ওষুধই খেতাম না। ডক্টর সু পড়ে খুড়িয়ে খুড়িয়ে হেটেই দিন পার করতেছিলাম।
অবস্থার উন্নতি ঘটাতে ভাবলাম যেহেতু ক্যালসিয়ামের ঘাটতি আছে তাই দুধ খেয়ে দেখি। দুধ আমি পছন্দ করতাম না। এছাড়াও বিড়ালের কথা ভেবে মাংসের হাড়ও চিবাতাম না।
দুই সপ্তাহ ধরে রাতে এক মগ দুধ খেয়ে কিছুদিন পরে দেখলাম ব্যথা চলে গেছে। এছাড়াও মাংসের হাড়ও চিবাচ্ছি নিয়মিত।)

338
Permanent Campus of DIU / Our face represents the image of our mind.
« on: February 20, 2017, 09:15:48 AM »
চেহারা হল আমাদের মনের আয়না। যে আনন্দে আছে তার মুখ দেখেই আমরা তা বুঝতে পারি। একই ভাবে অসুস্থতা, শারীরিক কষ্ট সবই ফুটে উঠে আমাদের মুখে। আমরা যখন কথা বলি তখন আমাদের মুখে আমাদের মনের ছাপ ফুটে উঠে। আনন্দের খবর দেওয়ার সময় আমাদের মুখ আনন্দিত হয়। বা দুঃখের কথা বলতে গেলে মুখে দুঃখ বোধ ফুটে উঠে। আবার কথা না বললেও অনেক সময় মুখে ফুটে উঠে দুশ্চিন্তা, হতাশা, বা কৌতুক যা হয়ত তখন মনে খেলা করতেছে।
আমাদের মুখে আছে অজশ্র মাংস পেশী। যে মানুষ সব সময় হাসি খুশি থাকে সে তার মুখের নির্দিষ্ট মাংস পেশী বেশী ব্যবহার করে। একই ভাবে যে বেশীর ভাগ সময় দুশ্চিন্তা গ্রস্থ থাকে সেও নির্দিষ্ট মাংস পেশী বেশী ব্যবহার করে। হয়ত হাসি খুশি থাকা মানুষের থেকে ভিন্ন পেশী গুলো। এই ভাবে এক এক জন তাদের মনের ভাব অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন মাংস পেশী বেশী ব্যবহার করে। সেই পেশী গুলোই বেশী পুষ্ট হয়। চেহারায় আনে আলাদা বৈশিস্ট। এমনকি মানুষের চেহারাতে ছাপ ফেলে দেয় তার সব সময়ের অভ্যাসও।
আমাদের দৈনন্দিন জীবন যাত্রার ছাপও পড়ে আমাদের মুখে। কঠিন ও চালেঞ্জিং পেশাজীবিদের মুখে ফুটে উঠে কঠোরতার ছাপ। আবার সব সময় আদরে থাকা মানুষের চেহারায় ফুটে উঠে আদুরে ভাব। কাওকে প্রথম দেখায় অনেক আপন মনে হয় অথবা আবার কাউকে হয়ত আমরা এড়িয়ে যাই। নকল হাসি নকল দুঃখ বোধ আমরা সবাই চিনি। একই ভাবে তৈলাক্ত হাসি ও কষ্ট করে আনা ফ্যাকাসে হাসিও আমরা ডিটেক্ট করতে পারি।
আমরা যতই লুকাতে চাইনা আমাদের নেগেটিভ দিক গুলোকে - তা আমাদের অজান্তেই ফুটে উঠে আমাদের মুখায়োবে। অনেক সময় তা হয়ত অতীতের আমাদেরকেও সবার সামনে প্রকাশিত করে তোলে। তাই সব সময় পজিটিভ চিন্তা ও কাজ করাই শ্রেয়।

339
Permanent Campus of DIU / Do we know ourselves?
« on: February 14, 2017, 04:44:08 PM »
ভাবতেছিলাম একজন মানুষের নিজেকে চিনতে কত বছর লাগে?
কত দিন পার হয় বুঝতে - সে নিজে অন্যদের থেকে বোকা না চালাক - সৎ না ধূর্ত ?
যারা বোকা বা সরল তারা কি কখনই নিজেদের চেনে না? আর যারা চালাক তারা সব বুঝে বসে থাকে?
আমার মতে মানুষ শিশু কালেই নিজের সম্পর্কে জেনে যায়। শিশুদের পর্যবেক্ষণ শক্তি অনেক শক্তিশালী। শিশুকালেই - মানুষ তার সাথে কি ব্যবহার করে - এই ফিডব্যাক থেকেই নিজের মনের আয়নায় নিজের সম্পর্কে জেনে যায়। হয়ত স্পস্ট ভাবে কখনো খেয়াল করে না। কিন্তু কোন অবস্থায় কি করবে তা তার মনের অজান্তেই ঠিক করে ফেলে। এবং এটা ঠিক করে তার মনের স্ট্রাকচারের শক্তিশালী বৈশিস্ট গুলোকে ফোকাস করেই - যে গুলোর জন্য সে প্রশংসা পেয়েছে।
আরেকটি হলঃ- শিশুদের মনে বেশী ছাপ ফেলে তার বাবা-মা তাকে কি ভাবে ট্রিট করে তার উপর। কেউ চুপচাপ থেকেই বাহবা পায় কত শান্ত বলে আবার কেউ বাহবা পায় বুদ্ধিদিপ্ত কথা বলে। সে সহজেই বুঝে নেয় তার করনীয় কি তা। অনেক পরিবার শিশুর কাছ থেকে বুদ্ধিবৃত্তিক কর্মকাণ্ড বেশী আশা করে। হোক তা ন্যায় বা অন্যায়। তাকে জিততে হবে বাই হুক অর বাই ক্রুক। আবার অনেক পরিবারে চারিত্রিক গুণাবলীর উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। তাদের কাছে জয় পরাজয় গৌণ ব্যাপার।
আমার আরেকটি পর্যবেক্ষণ হল শিশুর বুদ্ধি বৃত্তিক দুর্বলতা শিশুকে কুটিল চরিত্রের অধিকারী করে তুলে। যে শিশুকালে সহপাঠীদের সাথে মেধায় পেরে উঠে না - কিন্তু সাথে সাথে সে পরাজিত হতে চায় না - সে হয়ে উঠে বাক চতুর। অনেক ক্ষেত্রেই হয়ত কুটিল চরিত্রের অধিকারী।
শিশুর শুধু বুদ্ধি, সাহস ও সততা থাকলেই চলবে না। এই সব গুনাবলিকে উৎসাহ দেওয়ার মত পারিবারিক ও পারিপার্শ্বিক অবস্থাও থাকতে হবে।

340
Whenever a person is recruited through an interview, he becomes a part of the organization.
His positive or negative contribution impacts the organization's image accordingly.
An employee can be self motivated, mindful to his duties and honest to his works.
Recruiting this type of employee improves the situation of an organization. He brings blessings for the organization.
Again a person can be personal benefit oriented, lack of enthusiasm and dishonest. Hiring this class of employee deteriorates the image of an organization. More over it takes efforts to monitor him time to time.
During interview many criterion are checked. But the most important criteria should be the basic nature of the person. 

341
Permanent Campus of DIU / Our identity is being replaced by numbers.
« on: January 25, 2017, 09:23:18 AM »
একেবারে ছোটবেলায় স্কুলে যারা বন্ধু ছিলো - তাদের নাম এখনো মনের মধ্যে গাঁথা আছে। এর পর ক্লাস ফাইভে নতুন স্কুলে ভর্তি হলাম। স্কুলে সব নতুন মুখ। এক জন ছাড়া কাওকেই চিনতাম না। নতুন স্কুলে সকালে আমাদের ক্লাস টিচার রোল কল করতেন। আক্ষরিক অর্থেই রোল কল। ১ - ২ - ৩ এইভাবে ৫০। এই শুধু রোল কলের কারনে বেশীর ভাগ ক্লাস মেটের নাম জানতে পারতাম না। আমরাও খেলার সময় এক জন আরেকজনকে রোল নাম্বার ধরে ডাকতাম। আমার রোল নাম্বার ছিলো ১৯। তাই অন্তত এক বছরের জন্য আমার নাম অনেকের কাছেই হয়ে গিয়েছিলো ১৯।
ছোটবেলায় এই একটাই পারসনাল নাম্বার ছিলো। সেটা হল ক্লাসের রোল নাম্বার।
এখন একজন মানুষের ঠিক কত গুলো নাম্বার থাকে?
প্রথমেই আসি মোবাইল নাম্বারে। যত গুলো সিম ততগুলো নাম্বার। এর পর ন্যাশনাল আই ডি নাম্বার। টি আই এন নাম্বার। এমপ্লয়ি আই ডি নাম্বার। পাসপোর্ট নাম্বার।
এর পর ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার। পারসনাল একাউন্ট। স্যালারি একাউন্ট। অনেক ক্ষেত্রেই জয়েন্ট একাউন্ট।
এছাড়াও আরো কিছু নাম্বারের মতই পারসনাল পরিচিতি আছে। ই মেইল অ্যাড্রেস। যত গুলো ই মেইল তত গুলো অ্যাড্রেস ও পাস ওয়ার্ড। ফেসবুক আই ডি ও পাসওয়ার্ড। ক্রেডিট কার্ড ও এ টি এম কার্ডের পিন নাম্বার।
আমাদের পরিচয় নাম্বারের মাধ্যমে প্রতিস্থাপিত হয়ে গেছে। আর এতো পাসওয়ার্ড ও পিন নাম্বার মনে রাখতে হয় যে মানুষের স্মৃতি শক্তির চর্চা এমনি এমনি হয়ে যাচ্ছে প্রতি মুহূর্তে।

342
Permanent Campus of DIU / Unwritten and unknown stories of life.
« on: January 11, 2017, 09:30:37 AM »
https://www.youtube.com/watch?v=x5LQ5k-bjbE
ছোটবেলায় বি টি ভি তে একটি ধারাবাহিক ইংরেজি ছায়াছবি দেখাতো। নাম ছিলো ওয়াল্টন্স। যতটুকু মনে আছে একটি আমেরিকান পরিবারের দৈনন্দিন জীবন যাপনের কাহিনী ছিলো সেটা। সেই পরিবারের বড় ছেলে তাদের পরিবারের প্রতিদিনের ঘটনা ও দিন লিপি লিখে রাখে প্রতিদিন। সেই লেখা থেকেই এই ওয়াল্টন্স ধারাবাহিক মুভির জন্ম। ইংরেজিতে ছিলো দেখে তখন প্রায় কিছুই বুঝতাম না। যত টুকু শুধু ছবি দেখে বোঝা সম্ভব – ততটুকুই বুঝতাম। আর মনে পড়ে যে প্রতি এপিসোডের শেষে পরিবারের সবাই গুডনাইট বলতেছে আর তাদের বাড়ির লাইট এক এক করে নিভে যাচ্ছে। প্রতি এপিসোড শেষে এইটাই ছিলো এন্ডিং সিন।
ভাবতেছি – যাদের লেখার ক্ষমতা ছিলো – তাদের কাহিনী আমরা সবাই দেখতেছি। কিন্তু এর বাইরের কোটি কোটি কাহিনী লেখা হয় নাই। এই পৃথিবীতে এই পর্যন্ত মোট কতজন মানুষ জন্মেছে? বর্তমানের ৭০০ কোটির সাথে অতীতের মানুষের সংখ্যা যোগ করলে কত হবে? ঠিক ততগুলোই জীবন কাহিনী নয় কি? কত কোটি কোটি সংগ্রাম দুঃখ-কষ্ট মায়া-মমতা আনন্দ-বেদনার কাহিনী ঘটে গেছে এই পৃথিবীতে।
এক এক জন মানুষের জীবন অবসানে হারিয়ে যায় কত না লেখা মহাকাব্য। আরেকজন আসে – শুরু হয় তার জীবন কাহিনী। হয়ত জীবন কাহিনীর পুনরাবৃত্তি ঘটে। কিন্তু আমরা কেউ তা জানিনা। নতুন করে শিখি আমরা যা পুরানোরা অনেক আগেই তা হাজার বার করে গেছে। আমাদের কাছে যা নতুন অনুভুতি, নতুন ভালোলাগা, নতুন আবেগ – খুজলে হাজার বছরের কালের গর্ভে হয়ত তা লক্ষ-নিযুত বার পাওয়া যাবে।

343
Permanent Campus of DIU / Nostalgia: A wishful affection for the past.
« on: December 26, 2016, 10:06:17 AM »
মাঝে মঝেই আমাকে নস্টালজিয়া আক্রমন করে।
ছোটবেলা কেটেছে মোহাম্মাদপুরে। বহু আগেই মোহাম্মাদপুরের চ্যাপ্টার ক্লোস করে আমরা উত্তরা চলে এসেছি। সম্প্রতি আমার অফিস ছিলো ধানমন্ডিতে। বাসায় ফিরতাম মিরপুর কালশী হয়ে। পথে পার হতে হত মোহাম্মাদপুর। আসাদগেটের আড়ং থেকে রেসিডেনশিয়াল মডেল স্কুল হল আমার নস্টালজিয়া জোন। ছোটবেলার অজশ্র স্মৃতি পড়ে আছে এখানে। টাইটানিক ছবিতে যেমন জাহাজের ফ্লাস ব্যাক দেখা যায় - এই এলাকা পার হওয়ার সময়ও আমার চোখে ঠিক সেই রকম ছবি ফুটে উঠে। এই এলাকা ছিলো আমাদের নিত্য দিনের যাতায়াতের পথ।
রাস্তার যে মাথা থেকে আমি স্কুল বাসে উঠতাম। বা যেখান দিয়ে প্রতিদিন বিকালে আমরা রাস্তা পার হয়ে সংসদ ভবন এলাকায় ঘুরতে যেতাম। কিংবা মডেল স্কুলের গেট যেটা দিয়ে আমরা মাঠে খেলতে ঢুকতাম। মনে আছে গেট বন্ধ থাকলে ওয়াল টপকিয়েও আমরা পার হতাম।
এছাড়াও অনেক দিনই ইউনিভার্সিটির পরে চলে গিয়েছি মোহাম্মাদপুরে। হেটে বেরিয়েছি ওখানকার রাস্তায়। কি যে আশ্চর্য লাগে - যে জায়গা ছিলো এতো পরিচিত - সেখানে এখন কাওকেই চিনতে পারি না। আমাকেও কেউ চেনে না। বহু বাসার বাসিন্দাদের ডিটেইলস অনেক কিছুই এখনও বলতে পারব। কিন্তু তারাই হয়ত এখন সেখানে নাই।
যাই হোক - আমার নস্টালজিয়ার ছবিগুলো সম্পর্কে ধারনা পাওয়া যাবে - যদি কল্পনা করতে পারেন - ওই রাস্তার পাশে তিন তলার থেকে উচু কোন বাড়ি নাই। মাঝে মাঝে কিছু খালি প্লট পড়ে আছে। সুসজ্জিত ও আলোকিত শো রুমের জায়গায় চা খাওয়ার টং দোকান। তবে তা একটা কি দুইটা - এর বেশী নয়। এই ক্ষেত্রে রাস্তায় গাড়ির সংখ্যা অনেক কমিয়ে কল্পনা করতে হবে। এতো কম যে ওই রাস্তা দিয়ে ৮ - ১০ বছরের শিশুরাও পার হতে পারে। আরেকটি জিনিষ হল - ভাবতে হবে চারিদিকে অনেক দিনের আলো। আর যদি রাত হয় তাহলে আলো আধারির সাথে ঝিঝি পোকার ডাকও যোগ করতে হবে।   (My Facebook Status: December 22; 2016)

344
Permanent Campus of DIU / Day to day life at permanent campus.
« on: November 19, 2016, 04:26:19 PM »
দৃষ্টি এখানে আটকে যায় না। যে দিকে তাকানো যায় দেখা যায় বিশাল আকাশ। রুমের বিশাল জানালা দিয়ে প্রচুর আলো আসে। শীতকালে সূর্য হেলে যায়। তাই জানালা দিয়ে আসে সকালের রোদ। উত্তরা থেকে সকাল ৭ঃ৩০ মিনিটে ইউনিভারসিটি ট্রান্সপোর্ট ছেড়ে আসে। তাই প্রতিদিন ভোরেই উঠতে হয়। শুধু এইটুকুই আমাদের সারাদিনের কষ্টকর চ্যালেঞ্জ। তবে ক্যাম্পাসে পৌঁছালে মন ভালো হয়ে যায়। নিজেদের বসার, ক্লাসের, এমনকি খেলা ধুলা করার পর্যাপ্ত একোমোডেশন ব্যবস্থা এখানে। স্টুডেন্টরা ফুটবল, ক্রিকেট, গলফ, বাস্কেটবল খেলে। অনেক সময় বিশেষতঃ বিকালে কাজ শেষে অনেক ফ্যাকাল্টিও মাঠে খেলতে নেমে যায়। দুপুরে লাঞ্চের সময় টাটকা ও সুস্বাদু খাবার।
সব ফ্যাকাল্টি, কর্মকর্তা ও কর্মচারী পরিচিত তো অবশ্যই। নিজের ডিপার্টমেন্ট ছাড়াও অন্যান্য ডিপার্টমেন্টের স্টুডেন্টদেরও চেনা হয়ে যায়।
সব থেকে ভালো লাগে - এখানে কোন শব্দদূষণ নাই। নীরব গম্ভীর পরিবেশ মনোযোগ বাড়িয়ে দেয়। দুপুরের পর কর্মব্যস্ততা কমে গেলে কিছুটা নীরব হয় পরিবেশ। আবার বিকালে কিছুটা সরব হয়ে উঠে আমাদের ক্যাম্পাস। পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে যেমন নীরব হয় আমাদের ক্যাম্পাস - তেমন পরীক্ষা শেষে স্টুডেন্টদের পরিক্ষার আলোচনা করতে করতে ফিরে যাওয়া মনে করিয়ে দেয় আমাদের নিজেদের ছাত্র জীবনের স্মৃতির কথা।
দিন শেষে আবার বাড়ি ফেরার পালা। কারো ব্যক্তিগত কাজ থাকলে হয়ত দুপুরের ট্রান্সপোর্টে বাসায় চলে যায়। বাকিরা যায় বিকালে। বিকালেও ট্রান্সপোর্ট সময় মত রেডি থাকে। আমরাও বিরুলিয়া, মিরপুর বেড়িবাঁধ, দিয়াবাড়ি পার হয়ে ফিরে চলি উত্তরায় যার যার বাসায়।
ভালো লাগে এই মনোমুগ্ধকর পরিবেশ। ভালো লাগে আমাদের এই স্থায়ী ক্যাম্পাস।         

345
আমাদের পার্মানেন্ট ক্যাম্পাস থেকে উত্তরা ফিরতে সময় লাগে ৩৫ - ৪০ মিনিট।
পথে পড়ে বিরুলিয়া -- মিরপুর বেড়িবাঁধ -- দিয়াবাড়ি -- পরিশেষে উত্তরা।
যেন মধুর প্রকৃতি ছেড়ে যান্ত্রিক শহরে প্রবেশ করা।
পথে কোন জ্যাম পড়ে না। শুধু দুই একটা ট্রাফিক সিগন্যালে একটু দাড়াতে হয়।
আমরা যারা ঢাকার জ্যামে প্রতিদিন জার্নি করে অভ্যস্থ - তাদের কাছে এই যাতায়াত খুব মধুর মনে হয়।
পথে ছোট নদী পার হতে হয় বিরুলিয়া ব্রীজ দিয়ে। এছাড়াও মিরপুর বেড়িবাধের রাস্তার চারিদিকের সবুজের সমারোহ মন ভালো করে দেয়।
দিয়া বাড়িতে এখন কাশফুল ফুটেছে। মাইলের পর মাইল  শুধু সাদা কাশফুল দেখা যায়। এই দিয়াবাড়ির পরিবেশ অন্য যে কোন এলাকার থেকে ভিন্ন ও মনোমুগ্ধকর।

Pages: 1 ... 21 22 [23] 24