Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Reza.

Pages: 1 [2] 3 4 ... 43
16
Thank you for your feedback.

17
তারা ছিল অনেক দরিদ্র। খাবার জুটতো অনেক কম। তাই তারা খাবার রান্নার সময় তরকারীর খোসা গুলো সিদ্ধ করতো। খাওয়া শুরু করার আগে তারা সেই তরকারীর খোসার সিদ্ধ পানি খেয়ে নিত। যাতে ক্ষুধা কমে যায় ও আসল খাবার কম খেতে হয়।
চীনারা আগে অনেক দরিদ্র ছিল। তখন তাদের খাবারের ট্র্যাডিশন ছিল আসল খাবার শুরু করার আগে স্যুপ খাওয়া। এখন আমরা চাইনিজ খাবার খাওয়ার আগে যে স্যুপ খাই - তার এই পিছনের আসল কারণটা পেয়েছিলাম একটি বইয়ে। সেটাই উপরের বর্ণনায় আছে।
এখনকার চীন বা চায়নার সাথে কত পার্থক্য। তারা এখন পৃথিবীর অর্থনীতির নিয়ন্ত্রক। সব কিছুর এতো বেশী প্রডাকশন করে যে আগের অনেক মূল্যবান সামগ্রী আমরা এখন ভ্যান গাড়িতে বিক্রি হতে দেখি। আমাদের দেশের দরিদ্র শ্রেণীর মানুষদের দেখি। তারা যেসব শ্রম-নির্ভর কাজ করে তা অন্য শ্রেণীর মানুষেরা মারা গেলও করবে না বা পারবেও না। এদের কখনো টেনশন করতে দেখি নাই। নিজেকে যদি ভাবি যে আজকে কাজ না পেলে না খেয়ে থাকতে হবে। তাহলে আমাদের অবস্থা কি হবে? তাদের মত প্রান্তিক জীবন যাপন আমাদের করতে হয় না। বাড়ি গাড়ী ব্যাংক ব্যালেন্স সব কিছু থাকার পরও আমরা শান্তিতে খেতেও পারি না - ঘুমাতেও পারি না। তারা কত শান্তিতে তাদের খাবার গুলো খায় আর কি নিশ্চিন্তে ঘুমায়। তারা না থাকলে আমাদের দেশের অর্থনীতি স্থবির হয়ে যেত।
আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বের অনেক দেশ থেকে ইমিগ্রান্ট নেয় উন্নত দেশ গুলো। ইমিগ্রান্ট্রাই সচল রাখে তাদের অর্থনীতি।
আমার মতে আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বের দেশ গুলোতে সুশাসন বিরাজ করলে বেশীর ভাগ মানুষ দেশ ত্যাগ করতেন না। তাহলে উন্নত বিশ্বের দেশ গুলো সাধারণ কাজ করার মানুষ পেত না। তাদের অর্থনীতি ধসে পড়ত। তাই তৃতীয় বিশ্বের অশান্তির পিছনে তাদের ভূমিকা থাকা অসম্ভব কিছু নয়।

18
চীনারা ছিল অনেক দরিদ্র। খাবার জুটতো অনেক কম। তাই তারা খাবার রান্নার সময় তরকারীর খোসা গুলো সিদ্ধ করতো। খাওয়া শুরু করার আগে তারা সেই তরকারীর খোসার সিদ্ধ পানি খেয়ে নিত। যাতে ক্ষুধা কমে যায় ও আসল খাবার কম খেতে হয়।
চীনারা আগে অনেক দরিদ্র ছিল। তখন তাদের খাবারের ট্র্যাডিশন ছিল আসল খাবার শুরু করার আগে স্যুপ খাওয়া। এখন আমরা চাইনিজ খাবার খাওয়ার আগে যে স্যুপ খাই - তার এই পিছনের আসল কারণটা পেয়েছিলাম একটি বইয়ে। সেটাই উপরের বর্ণনায় আছে।
এখনকার চীন বা চায়নার সাথে কত পার্থক্য। তারা এখন পৃথিবীর অর্থনীতির নিয়ন্ত্রক। সব কিছুর এতো বেশী প্রডাকশন করে যে আগের অনেক মূল্যবান সামগ্রী আমরা এখন ভ্যান গাড়িতে বিক্রি হতে দেখি। আমাদের দেশের দরিদ্র শ্রেণীর মানুষদের দেখি। তারা যেসব শ্রম-নির্ভর কাজ করে তা অন্য শ্রেণীর মানুষেরা মারা গেলও করবে না বা পারবেও না। এদের কখনো টেনশন করতে দেখি নাই। নিজেকে যদি ভাবি যে আজকে কাজ না পেলে না খেয়ে থাকতে হবে। তাহলে আমাদের অবস্থা কি হবে? তাদের মত প্রান্তিক জীবন যাপন আমাদের করতে হয় না। বাড়ি গাড়ী ব্যাংক ব্যালেন্স সব কিছু থাকার পরও আমরা শান্তিতে খেতেও পারি না - ঘুমাতেও পারি না। তারা কত শান্তিতে তাদের খাবার গুলো খায় আর কি নিশ্চিন্তে ঘুমায়। তারা না থাকলে আমাদের দেশের অর্থনীতি স্থবির হয়ে যেত।
আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বের অনেক দেশ থেকে ইমিগ্রান্ট নেয় উন্নত দেশ গুলো। ইমিগ্রান্ট্রাই সচল রাখে তাদের অর্থনীতি।
আমার মতে আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বের দেশ গুলোতে সুশাসন বিরাজ করলে বেশীর ভাগ মানুষ দেশ ত্যাগ করতেন না। তাহলে উন্নত বিশ্বের দেশ গুলো সাধারণ কাজ করার মানুষ পেত না। তাদের অর্থনীতি ধসে পড়ত। তাই তৃতীয় বিশ্বের অশান্তির পিছনে তাদের ভূমিকা থাকা অসম্ভব কিছু নয়।

19
Faculty Forum / Re: Unwritten and unknown stories of life.
« on: January 05, 2019, 05:03:43 PM »
Thank you.

20
Faculty Forum / Re: Generally there are 3 types of student in a class.
« on: January 05, 2019, 05:03:18 PM »
Thank you for your feedback.

21
Thank you for your feedback.

22
Faculty Forum / Re: Basics to ensure quality.
« on: January 05, 2019, 05:01:55 PM »
Thank you.

23
Permanent Campus of DIU / Memory can reward or can punish.
« on: December 27, 2018, 01:34:02 AM »
রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন 'আজি হতে শত বর্ষ পরে' কবিতাটি। বাংলা ১৩০০ সালে লেখা কবিতাটি।
ভাবতেছিলাম তাইতো - শত বর্ষ আগে কি ছিল? মানুষ কেমন করে দিন কাটাত? কার কার কথা আমি জানি? কার কথা ভাল বা মন্দ - কেমন ভাবে জানি?
সত্য কথা বলতে ১০০ বছর আগে আমি কাউকেই ব্যক্তিগত ভাবে চিনিনা। যতটুকু ইতিহাস বইয়ে আছে তার অল্পটুকুই জানি। আমাদের দিন কেটে যায় ব্যস্ততায়। আগের দিনের কথাই মনে থাকে না। আমাদের স্মৃতিতে শুধু আমাদের চারিপাশের মানুষেরাই থাকে। আর থাকে নিজের জীবনের সারাংশ। কিভাবে নিজের জীবন কাটিয়েছি। কে বন্ধু ছিল কাকে এড়িয়ে চলতাম - এইগুলো।
বর্তমানকাল কতক্ষণকে বলা হয়? আজকের যতটুকু আমাদের মনে থাকে ততটুকুই নয় কি? এর বাইরে পুরোটুকুই অতীত নয় কি? আমরা কতটুকু নিজের সাথে নিয়ে যাবো? আমরা কি শুধু পরিচিত মানুষের মাঝে স্মৃতিটুকুই রেখে যাব না?
শুধু অন্যের ভাল বা মন্দের স্মৃতি কি আমাদের মনে থাকবে না?
নিজের জীবনের সায়াহ্নে স্মৃতি নিয়ে নাড়াচাড়া করবো। সবাই করে।
এই বয়সে এখনই শুরু হয়ে গেছে স্মৃতি রোমন্থন।
নিজের অতীত নিয়ে কারো যদি হা হুতাস বা দুঃখ জাগে - এর থেকে কষ্টকর আর কিছু নাই। অতীত কখনো কাউকে কামড় দিতে পারে না। কোন ভাল মন্দ করতে পারে না। যা করতে পারে তা হল বিবেকের দংশন। যারা অন্যের ক্ষতি করে - অন্যের কষ্টের কারণ ঘটায়। যার কষ্টের কারণ ঘটিয়েছে বা ক্ষতি করেছে তার মনে না থাকলেও - যার যার অন্যায় তার নিজের মনে থাকে। আমাদের মনের কথা কত বিস্তারিত ভাবেই না আমরা নিজেরা জানি - যা আর অন্য কেউ জানে না। মানুষ বর্তমানকে ভয় না পেতে পারে। কেননা বর্তমানে সে কি করবে তা সে ঠিক করতে পারে। কিন্তু অতীত হল রিড অনলি। অতীত কেউ পরিবর্তন করতে পারে না। যদি ভাল সময় কাটিয়ে থাকে তাহলে স্মৃতি হয় আনন্দের। আর অতীতে যদি সে অন্যের দুর্ভোগের কারণ হয়ে থাকে তাহলে নিজেকে অভিশপ্ত মানুষ ছাড়া আর কিছুই ভাবতে পারে না।

24
Textile Engineering / Memory can reward or can punish.
« on: December 27, 2018, 01:33:17 AM »
রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন 'আজি হতে শত বর্ষ পরে' কবিতাটি। বাংলা ১৩০০ সালে লেখা কবিতাটি।
ভাবতেছিলাম তাইতো - শত বর্ষ আগে কি ছিল? মানুষ কেমন করে দিন কাটাত? কার কার কথা আমি জানি? কার কথা ভাল বা মন্দ - কেমন ভাবে জানি?
সত্য কথা বলতে ১০০ বছর আগে আমি কাউকেই ব্যক্তিগত ভাবে চিনিনা। যতটুকু ইতিহাস বইয়ে আছে তার অল্পটুকুই জানি। আমাদের দিন কেটে যায় ব্যস্ততায়। আগের দিনের কথাই মনে থাকে না। আমাদের স্মৃতিতে শুধু আমাদের চারিপাশের মানুষেরাই থাকে। আর থাকে নিজের জীবনের সারাংশ। কিভাবে নিজের জীবন কাটিয়েছি। কে বন্ধু ছিল কাকে এড়িয়ে চলতাম - এইগুলো।
বর্তমানকাল কতক্ষণকে বলা হয়? আজকের যতটুকু আমাদের মনে থাকে ততটুকুই নয় কি? এর বাইরে পুরোটুকুই অতীত নয় কি? আমরা কতটুকু নিজের সাথে নিয়ে যাবো? আমরা কি শুধু পরিচিত মানুষের মাঝে স্মৃতিটুকুই রেখে যাব না?
শুধু অন্যের ভাল বা মন্দের স্মৃতি কি আমাদের মনে থাকবে না?
নিজের জীবনের সায়াহ্নে স্মৃতি নিয়ে নাড়াচাড়া করবো। সবাই করে।
এই বয়সে এখনই শুরু হয়ে গেছে স্মৃতি রোমন্থন।
নিজের অতীত নিয়ে কারো যদি হা হুতাস বা দুঃখ জাগে - এর থেকে কষ্টকর আর কিছু নাই। অতীত কখনো কাউকে কামড় দিতে পারে না। কোন ভাল মন্দ করতে পারে না। যা করতে পারে তা হল বিবেকের দংশন। যারা অন্যের ক্ষতি করে - অন্যের কষ্টের কারণ ঘটায়। যার কষ্টের কারণ ঘটিয়েছে বা ক্ষতি করেছে তার মনে না থাকলেও - যার যার অন্যায় তার নিজের মনে থাকে। আমাদের মনের কথা কত বিস্তারিত ভাবেই না আমরা নিজেরা জানি - যা আর অন্য কেউ জানে না। মানুষ বর্তমানকে ভয় না পেতে পারে। কেননা বর্তমানে সে কি করবে তা সে ঠিক করতে পারে। কিন্তু অতীত হল রিড অনলি। অতীত কেউ পরিবর্তন করতে পারে না। যদি ভাল সময় কাটিয়ে থাকে তাহলে স্মৃতি হয় আনন্দের। আর অতীতে যদি সে অন্যের দুর্ভোগের কারণ হয়ে থাকে তাহলে নিজেকে অভিশপ্ত মানুষ ছাড়া আর কিছুই ভাবতে পারে না।

25
Textile Engineering / Re: Learning from history.
« on: December 27, 2018, 12:39:45 AM »
Thank you for your feedback.

26
Textile Engineering / Re: Learning from history.
« on: December 22, 2018, 10:04:11 PM »
Thank you for your feedback.

27
Textile Engineering / Re: Human and Mathematics.
« on: December 22, 2018, 10:03:37 PM »
Thank you for your comments.

28
Faculty Forum / Re: Basics to ensure quality.
« on: December 21, 2018, 06:55:52 PM »
Thank you.

29
Thank you for your comment.

30
Faculty Forum / Re: Unwritten and unknown stories of life.
« on: December 20, 2018, 03:03:52 PM »
Thank you for your feedback.

Pages: 1 [2] 3 4 ... 43