Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - omarsharif

Pages: 1 2 [3]
31
Politics / পুরোটাই ভারতের লাভ
« on: October 21, 2015, 03:46:01 PM »
চারদেশীয় সড়ক যোগাযোগ কার্যতঃ ‘অন্ধকে হাতি দেখানোর’ নামান্তর। আন্তঃদেশীয় এ যোগাযোগের মাধ্যমে বাংলাদেশের ঝুলিতে নতুন কিছুই জুটছে না। বরং চার দেশীয় যোগাযোগের নামে ভারতকে ট্রানজিট দেয়া নিশ্চিত করা হয়েছে। ভারতকে ট্রানজিট দেয়া ইস্যুতে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষ প্রতিবাদী হওয়ায় সুকৌশলে চার দেশীয় সড়ক যোগাযোগ প্রসঙ্গ সামনে আনা হয়েছে। এ চুক্তি কার্যকর হলে বাংলাদেশের লাভের খাতা শূন্যই থাকবে। আর লাভের পুরোটাই ভারত ঘরে তুলবে- এমনটাই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। চারদেশীয় সড়ক যোগাযোগের মোড়কে ভারতীয় যান চলাচল নিশ্চিত করতে বাংলাদেশকে ব্যয় করতে হবে ৪০ হাজার কোটি থেকে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা। নামে ‘চারদেশীয় কানেকটিভিটি’ বা বিবিআইএন (বাংলাদেশ, ভুটান, ইন্ডিয়া ও নেপাল) বলা হলেও থিম্পুতে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী ভারতের মাত্র তিনটি শহরেই সীমাবদ্ধ থাকছে বাংলাদেশের যানবাহন চলাচল। অপরদিকে ভারত বাংলাদেশের ভূখ-ের একপ্রান্ত থেকে অপরপ্রান্ত ব্যবহার করতে পারবে। চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের দুই সমুদ্রবন্দর ব্যবহারের সুবিধা পাচ্ছে ভারত। এদিকে বাংলাদেশের উপর দিয়ে চলাচলকারী যানবাহনের জন্য প্রস্তাবিত শুল্কের ৭৬ শতাংশ কমানোর প্রস্তাব করেছে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রণালয়। বিবিআইএন অনুযায়ী, রুট চূড়ান্ত করা হলেও শুল্ক নিয়ে এখনো চূড়ান্ত কোন সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারেনি বাংলাদেশ। তবে শুল্কের বিষয়টি চূড়ান্ত হওয়ার আগেই আগামী জানুয়ারী থেকে চার দেশের মধ্যে যান চলাচল শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সড়ক পথে বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রতিটন পণ্য পরিবহনের জন্য কিলোমিটারপ্রতি ৪ টাকা ২৫ পয়সা চার্জ আদায়ের প্রস্তাব করেছে ট্রানজিট বিষয়ক কোর কমিটি। কিন্তু কোর কমিটির প্রস্তাব উপেক্ষা করে তা ১ টাকা ২ পয়সা নির্ধারণ করে প্রস্তাব দিয়েছে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রণালয়। তবে মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবে আপত্তি তুলে পুনরায় প্রস্তাব দিতে বলেছে ট্রানজিট ফি নির্ধারণ-সংক্রান্ত যৌথ কারিগরি কমিটি (জেটিসি)। গত ১৬ সেপ্টেম্বর জেটিসির বৈঠকে এ প্রস্তাব করা হয়। বিষয়টি কবে চূড়ান্ত করা হবে তা এখনো নিশ্চিত নয়।এ বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের গণমাধ্যমকে বলেন, বিবিআইএন একটি স্বপ্ন, যা সত্য হতে চলেছে। এ ধরনের চুক্তি সাধারণতঃ কাগজেই থাকে, বাস্তবায়ন হয় না। তবে চার দেশের রাজনৈতিক সদিচ্ছায় আগামী জানুয়ারিতেই বিবিআইএনের আওতায় চার দেশের মধ্যে যান চলাচল শুরু হবে।জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. তারেক শামসুর রেহমান বলেন, ট্রানজিট, ট্রান্সশিপমেন্ট বা কানেকটিভিটি- আমরা যে নামেই বাংলাদেশ-ভারত আন্তঃরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাকে চিহ্নিত করি না কেন, মূল বিষয় হচ্ছে একটি- এই মুহূর্তে ভারতের এক অঞ্চলের সঙ্গে অন্য অঞ্চলের যোগাযোগ স্থাপন। আর এক্ষেত্রে ব্যবহার করা হচ্ছে বাংলাদেশের ভূখ-। এতে একতরফাভাবে ভারতই লাভবান হচ্ছে। বিশ্বের অন্য অঞ্চলের কানেকটিভিটি ঠিক এমনটি নয়। গত ৬ ও ৭ জুন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরের পর ১৫ জুন ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে ‘বিবিআইএন’ (বাংলাদেশ, ভুটান, ইন্ডিয়া ও নেপাল) চুক্তি স্বাক্ষর হয়। চুক্তি অনুযায়ী গত সেপ্টেম্বরে ঢাকায় অনুষ্ঠিত নোডাল অফিসার্স কমিটির সভায় ছয়টি রুট চূড়ান্ত করা হয়েছে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে ভারতের তিনটি পূর্ণাঙ্গ ও একটি আংশিক, ভুটানের একটি পূর্ণাঙ্গ ও একটি আংশিক এবং নেপালের একটি। রুটগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, নামে চতুর্দেশীয় কানেকটিভিটি বলা হলেও বাংলাদেশের যানবাহনকে ভারতের মাত্র তিনটি শহরেই সীমাবদ্ধ থাকতে হবে। এগুলো হচ্ছে কলকাতা, শিলিগুড়ি ও গুয়াহাটি। এর মধ্যে কলকাতা ছাড়া বাকী দু’টি ভারতের বাণিজ্যিক শহর নয়। ফলে বাংলাদেশ ভারতের মাত্র একটি বাণিজ্যিক শহরে প্রবেশ করতে পারছে।এ বিষয়ে সাবেক রাষ্ট্রদূত মো. হুমায়ূন কবির বলেন, বিবিআইএন চুক্তির আওতায় ভারত বলা হলেও দেশটির সীমান্তবর্তী শহর বলা হচ্ছে না। ফলে ভারতের অন্যান্য শহরে যাওয়ার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা বাঞ্ছনীয়। এ মুহূর্তে সেটি সম্ভব না হলেও একটি প্রভিশন থাকতে পারে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক কর্মকা-ের জন্য অন্যান্য শহরে যাতায়াতের বিষয়টি বিবেচনায় রাখবে। পাশাপাশি বাংলাদেশের ওপর দিয়ে চলার আগে সব ধরনের স্বার্থ বিবেচনা করে শুল্ক নির্ধারণ করতে হবে।শুধুমাত্র তিনটি শহরেই সীমাবদ্ধ থাকা নয়, বাংলাদেশকে নানা শর্ত দিয়ে আটকে দেয়া হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশের পণ্যবাহী গাড়ি নির্দিষ্ট গন্তব্যে পণ্য খালাস করে খালি গাড়ি নিয়ে ফিরে আসতে হবে। যাত্রীবাহী ও ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রেও একই শর্ত প্রযোজ্য। তিন শহরের বাইরে যেতে না পারায় এবং খালি গাড়ি ফিরে আসতে হলে প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা ভারতে তাদের পণ্য প্রবেশ করাতে উৎসাহিত হবে না। ট্রাক-কাভার্ডভ্যান পণ্য খালাস করে খালি ফেরায় যাওয়া ও আসার ভাড়া পণ্যের মালিককে বহন করতে হবে। এতে পণ্যের মূল্য বেড়ে যাবে। ভারতের নির্ধারিত শুল্ক ও অন্যান্য ব্যয় মিটিয়ে ভারতীয় বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের মূল্য বেড়ে যাবে। ফলে ব্যবসায়ীরা ভারতে পণ্য রপ্তানিতে নিরুৎসাহিত হবে। এতে ভারতের সাথে বাণিজ্য ঘাটতি আরো বেড়ে যাবে বলে মনে করছেন বিশিষ্টজনরা। সাবেক রাষ্ট্রদূত মো. হুমায়ূন কবির এ বিষয়ে বলেন, ‘ট্রাক শুধু পণ্য খালাস করে খালি ফিরলে ব্যবসায়ীরা নিরুৎসাহিত হবেন। এতে পরিবহন ব্যয়ও অনেক বেড়ে যাবে, চুক্তিটির মূল উদ্দেশ্যের সঙ্গে যা সঙ্গতিপূর্ণ নয়। বিষয়টি মুক্ত থাকা উচিত।’বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, ভারত থেকে পণ্য আমদানিতে যে খরচ, তার চেয়ে কমে হংকং থেকে পণ্য আনতে পারে বাংলাদেশ। অশুল্ক বাধার কারণেই মূলত দুই দেশের (বাংলাদেশ-ভারত) বাণিজ্য ব্যাহত হচ্ছে। তাই বিবিআইএন চুক্তির সুষ্ঠু বাস্তবায়নে অশুল্ক বাধা তুলে দিতে হবে। চুক্তির আওতায় প্রটোকল চূড়ান্ত করার সময় সরকারের বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখা উচিত। তা না হলে বিবিআইএনের সুফল পাওয়া যাবে না।তবে বিবিআইএন রুট অনুযায়ী ভারতের যানবাহন বাংলাদেশের ভূখ-ের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে যেতে পারবে। অন্যদিকে নেপাল এবং ভুটানও বিবিআইএন-এর সাথে যুক্ত থাকছে। ফলে ভারতীয় পরিবহন অতি সহজেই বাংলাদেশের ভূখ- ব্যবহার করে একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে এমনকি অন্য দেশেও যেতে পারবে। এছাড়াও বাংলাদেশের দুই সমুদ্রবন্দরও ব্যবহার করতে পারবে ভারতসহ অপর দুই দেশ। চুক্তি অনুযায়ী ভারতের তিনটি শহরে বাংলাদেশের পরিবহন চলাচল সীমাবদ্ধ থাকলেও নেপাল ও ভুটানের রাজধানী পর্যন্ত যেতে পারবে।জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ এক মন্তব্যে বলেন, প্রকৃতপক্ষে এ চুক্তির প্রধান দিক, ভারতের এক অঞ্চলের সঙ্গে অন্য অঞ্চলের যোগাযোগের করিডর ব্যবস্থা। ‘কানেকটিভিটি’ বা সংযুক্ততা নামক শব্দ ব্যবহার আসলে এ বিষয়টি আড়ালের চেষ্টা, এটা বুঝতে কোনো অসুবিধা হয় না।বিবিআইএন চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য লাভবান না হলেও বাংলাদেশকে বিশাল অংকের অর্থ ব্যয় করতে হবে। ২০১২ সালে ট্যারিফ কমিশনের দেয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি করতে (যা কানেকটিভিটির জন্য প্রয়োজন হবে) প্রয়োজন হবে প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে রেলপথে ব্যয় হবে ১৭ হাজার ৩১৮ কোটি টাকা, সড়কপথে ৯ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা, নৌপথে ৪ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা, মংলা বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়নে প্রায় ২ হাজার ৬৯০ কোটি টাকা এবং বিভিন্ন স্থলবন্দরের অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যয় হবে বাকি ৪৮৯ কোটি টাকা। এই ব্যয়ের পরিমাণ আরো বাড়তে পারে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়।এছাড়াও দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য বাংলাদেশকে ব্যয় করতে হবে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার ১৬০ কোটি টাকা। সম্প্রতি ‘রিজিওনাল ট্রান্সপোর্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচার : ম্যাপিং প্রোজেক্টস টু ব্রিজ সাউথ এশিয়া অ্যান্ড সাউথইস্ট এশিয়া’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন এ তথ্য প্রকাশ করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর যোগাযোগ ব্যবস্থায় বাংলাদেশ এ অর্থ ব্যয় করলে সেখানেও একচ্ছত্রভাবে লাভবান হবে ভারত।অন্যদিকে নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরের সময় প্রতিশ্রুত ২০০ কোটি ডলার বা ১৬ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন। বিআইডিএসের গবেষক কেএএস মুরশিদ তার এক গবেষণায় দেখিয়েছেন, ট্রানজিট থেকে বাংলাদেশের প্রত্যক্ষ লাভ সীমিত। তবে বিনিয়োগটা করতে হবে বাংলাদেশকেই। মোদির ঢাকা সফরের সময় ভারত যে ২০০ কোটি ডলারের ঋণপ্রস্তাব দিয়েছে, তার একটা অংশ ব্যয় হবে এ খাতে। বাংলাদেশকে সুদসহ মূল টাকা ফেরত দিতে হবে। এই ঋণের ধরন নিয়ে নানা প্রশ্ন থাকলেও সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে এই ঋণের সঙ্গে কোনো শর্ত যুক্ত নেই।কিন্তু ভারতের এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক যদুভেন্দ্র মাথুরের টাইমস অব ইন্ডিয়ায় এক সাক্ষাতে বলেছেন, ভারতের দেওয়া ঋণের শর্তানুযায়ী ঋণের অর্থে নেয়া প্রকল্পগুলোর অন্তত ৭৫ শতাংশ যন্ত্রপাতি ও সেবা ভারত থেকে নিতে হবে। এসব পণ্য ও সেবার উৎপাদন প্রক্রিয়া হবে ভারতেই। টাইমস অব ইন্ডিয়ার মতে, ভারতীয় এ ঋণের টাকায় বাংলাদেশে নেয়া প্রকল্পগুলোকে কেন্দ্র করে ভারতে নতুন করে ৫০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

Source : amardeshonline.com

32
Natural Science / 8 slimming foods that will keep you fuller for longer
« on: October 17, 2015, 04:17:17 PM »
LOOKING for a “miracle food” to help you get lean and sexy for swimsuit season? It’s time to call off the search — no such food exists. But before you throw in the towel, there are certain foods that guarantee satisfaction and help you eat less over the course of the day.
These eight foods are your best bets:

APPLES
Nothing beats biting into a crunchy apple — the ultimate portable snack that’s low in kilojoules and contains the type of texture that takes time to eat. Compared to an apple juice, whole apples contain appetite-suppressing fibre which slows stomach emptying, staving off tummy rumbles.

EGGS
Eggs are brimming with protein which helps to preserve your lean muscle mass — exactly what you want if you want to you’re your metabolism alive and kicking. Eggs are also rich in vitamin B12, which helps break down fat cells more effectively. Be it poached, baked, or scrambled, eggs are also versatile team players in casseroles, omelets, frittatas, or added to your favourite stir-fries, rice dishes and even desserts.

NUTS
There are myriad of good reasons why you can enjoy a handful of nuts everyday as part of a slimming diet. Yes, nuts are packed with fat, but the body doesn’t actually absorb all the fat in the nuts. In fact, research shows that nut eaters eat less and weigh less compared to non-nut eaters. What’s more, the fat and fibre bundle in nuts help release hormones in the intestine, which may signal fullness, controlling appetite, so less room for processed or sugary sweets.

FISH
Apart from being a great source of protein, oily fish, such as mackerel, salmon and tuna, contains large amounts of omega-3 essential fatty — the kind of fat that can lower blood pressure; reduce inflammation and keep hearts healthy. These fatty acids are also less likely to store as body fat, but rather help the body process and flush out fats — making it an excellent choice for a weight-loss-worthy dinner. Aim to eat fish at least three times a week. Enjoy fresh fish grilled, barbecued, or baked; or use canned varieties in sandwiches, wraps, omelets or pastas.

Source: www.heraldsun.com.au

33
Discussion on Creative Problem Solving / GUN POLITICS IN THE US
« on: October 11, 2015, 10:55:20 AM »
On October 1, President Barack Obama gave an angry speech at the White House Press briefing room, in the aftermath of a deadly shooting in the United States. On that day, nine people were killed at Umpqua Community College in Roseburg, Oregon. The usually composed President Obama barely hid his rage and frustration for being unable to do anything to prevent these horrific crimes from occurring again and again. The president said that mass shootings in the U.S. “have become routine” and that “people have become numb.” But he made an important point. Saying that thoughts and prayers to the victims are not enough, he urged American citizens to take control of the decision making process by voting for the next president whose views reflect theirs.

Gun control is one of the oldest and most contentious debates in the history of US politics. And now that it is election season, it is one of the "hot topics" between Republican and Democrat politicians vying for the highest office in the country. All the Republican candidates are staunch gun advocates and against stricter gun control laws. They quote the Second Amendment in the US Constitution, which guarantees the right of American citizens "to keep and bear arms." This often stated constitutional right of Americans to defend themselves with firearms is as old as the country's history and almost as sacred as the Bible - inalienable and indisputable. Many Republican politicians and the powerful National Rifles Association (NRA) instead argue that the focus should be on "mental illness," since many of the perpetrators of mass shootings were suffering from some sort of mental disorder. The more liberal Democrats feel that this is avoiding the real issue that gun violence is a serious problem in the US, and that it is because of the easy access to firearms.

The Democratic frontrunner Hillary Clinton submitted a proposal on gun control less than a week after the recent Oregon massacre. Describing gun violence as an "epidemic that knows no boundaries," the former Secretary of State presented a gun control plan that is a combination of legislative and executive actions including stricter regulations on gun sales and comprehensive background checks. Clinton calls the NRA members "extremists," and vows to do everything in her power to impose effective gun laws. Her rival for the Democratic Party nomination, Senator Bernie Sanders, an independent from Vermont, is less forceful when it comes to gun control. Although Senator Sanders is known for his very liberal, leftist views, particularly on economic inequality, this is one issue where the Senator is not nearly as passionate or vocal as Clinton or other Democratic leaders. As a matter of fact, he has supported some pro-gun laws in the past.

While the heated gun debates continue, one thing is certain - something has to be done to change the mindset of gun advocates. Australia is a good example of a developed country that curbed gun violence by changing laws. In 1996, a gunman opened fire on a seaside resort in the Australian island of Tasmania, killing 35 people and wounding many more. Twelve days after the incident, the then newly elected conservative Prime Minister of Australia, John Howard, made a quick and smart decision. His administration announced a bipartisan deal with state and local governments to enact effective gun control measures. The result - there has been no mass shootings in Australia in the last 19 years since the major tragedy. This is proof that stricter gun laws work. Enforcing tough laws may not be able to magically eliminate gun violence from the US or elsewhere for that matter. However, practical measures will certainly reduce the number of mass shootings by making it difficult for mentally disturbed and socially alienated people to purchase weapons.

Although critics in Australia and across the world are quick to chastise the US for not enacting gun reform laws, it is not a straightforward matter. Unlike the Australian Prime Minister John Howard, President Obama does not have the same kind of power to easily make policy changes in the US. President Obama has to deal with structural hurdles every step of the way - from the Republican-led Congress, to politicians who get financial help from gun lobby groups, to even some liberal politicians who don't want to lose the support of their own voters, the impediments are many. And more importantly, the Australian Prime Minister also did not have to deal with the "Second Amendment" that often effectively stops any backlash or political discussion on gun control. That is why Obama directly appealed to voters to take responsibility for the change they want to see. This need of civilians to own guns for self defense may seem bizarre to people in both developing and developed nations outside the US, but the reality is, this is ingrained in the psyche of many American people. There is no way politicians can take away this fundamental right guaranteed by the Second Amendment whether they like it or not.

New York Times journalist Nicholas Kristoff summed up the dilemma perfectly in his article: "We are not going to eliminate guns in America, so we need to learn to coexist with them." He suggests taking a public health approach to dealing with this issue. Kristoff feels the same model used to reduce deaths from car accidents, swimming pools and smoking can be applied to gun deaths to prevent tragedies. Since 1970, more Americans have died from guns than in all US wars going back to the American Revolution. Kristoff also points out that in the US more preschoolers are shot dead each year (82 in 2013) than police officers are in the line of duty (27 in 2013). The numbers speak for themselves. The need for US to combat gun violence is now or never.
Source : Lavina Ambreen Ahmed (a freelance journalist living in the US)

34
BCS Cadre / IS or not, how does it matter?
« on: October 08, 2015, 10:47:32 AM »
Bangladesh is a success story in counterterrorism. Our performance in stymieing the phenomenon from taking a pervasive form, like the kind we witness obtaining in a few of the regional countries, has been acknowledged by the international community. And even without being a part of the international bandwagon of the so-called global war on terror, we have successfully combated the physical manifestation of extremism and terrorism in the country.

This country in the last three decades has been the target of many extremists groups that wanted to sponsor and create sympathisers for their cause and indeed to set up a base for their ranks here. The extremist groups that have germinated here have stemmed from causes quite germane to this country but not without influence generated by developments in other parts of the globe.

That we have successfully prevented the widespread expansion of the phenomenon physically is demonstrated by the preemptive actions carried out successfully by the security forces in the last six or seven years which have prevented a repetition of the incidents of August 2004 and 2005. However, we had warned in this very column several years ago that the fact that there have been no major terror attacks in the country since 2005 is no reason to be euphoric that the extremists have been quashed. Admittedly, they have been in the process of reorganisation and that they retain a degree of operational and intelligence capability as the ambush of the police vehicle carrying JMB operatives in February last year demonstrates.

On the other hand, we may have not been as successful in preventing their ideological inroads into the country. Arrests of potential Jihadists in the last one year indicate that the narratives of the extremists are perhaps striking a sympathetic chord amongst some of the youths in this country.

Extremism has come into focus again, this time hogged by the issue of whether the dastardly killing of two foreigners have anything to do with the direct association of the extremist group, Islamic State. We are informed that the government had forewarning that foreigners may be targeted in this country -- the reason, we presume, why the Australian cricket tour was called off. Whether the Australians shared the intelligence with Bangladesh we don't know, the Americans surely did. And in spite of the actions the government had taken, two unfortunate citizens of two countries very friendly to Bangladesh, nonetheless, fell to the bullets of the killers whose motives, other than to precipitate a situation in the country, remain to this day, unclear.

A tenuous claim purportedly by IS has confounded the situation. And the killings and the claim of association has changed the strain of the government's position on the issue of IS and religious extremism in general. Whereas not in the very distant past we had been made to believe that the country was pervaded by religious extremists, we are now told such a state no longer exists now. I say this to highlight, once again, the consequences of not looking at a thing in the correct perspective. And this was amply highlighted in the roundtable that this newspaper organised on 6 Oct, on the issue of extremism, the details of which appears in the opposite page.

It is important to understand the consequences of downplaying and overplaying the issue of extremism and terrorism. The consequences of such an attitude were brought out long ago and I cannot resist quoting what this very column carried as a part of an article on February 11, 2010 in this regard. The relevant portion of the article said, “The issue of terrorism has been addressed differently at different times in our country, varying from a position of complete denial of the existence of terrorist or underplaying the threat, as was done during the erstwhile 4-party alliance regime, to overplaying the issue in a manner which gave the impression to a less informed person that the country was saturated with terrorists, as was done during the initial period of the current government's rule. Neither is close to reality. And none of the extreme positions help because, apart from the diluting the issue, it prevents the expression of appropriate methodologies to fight terrorism, particularly those that are motivated by religious ideologies.”
There seems to be a panic denial overdrive. And IS has predominated all our thinking and utterances. While it is essential to eliminate IS link without dismissing outright the possibility of their existence in this country, it is also essential to identify and nab the perpetrators keeping our mind open to all the possible motives for the killings.   

No investigation will yield results if conducted with a closed mind. Accepting the presence of extremist groups or their sympathiser does not discredit a country. On the other hand not recognising their existence may prove harmful to the state, as we have seen to our discomfort.
Source :the daily star

35
Mathematics / All Math Formula
« on: October 04, 2015, 02:01:19 PM »
Bible of Math formula

36
Life Science / Easy ways to manage anxiety
« on: October 03, 2015, 09:36:16 AM »
ANXIETY is the number one mental health issue today. It is estimated that one in four individuals suffer from anxiety at any one time.

Anxiety can stand alone as Generalised Anxiety Disorder (GAD), Panic Disorder or Phobic Disorder.

Frequently, anxiety coexists with other mental health conditions including depression, bipolar disorder, adjustment disorder and schizophrenia.

What many people do not know is that anxiety is the most treatable mental health condition. If you suffer from anxiety symptoms, and they are not complicated with other disorders, you can learn to manage and even cure your symptoms in 90 days.

Your experience of anxiety may be different from other people. Moreover, your symptoms may change from day to day and can vary in intensity on different days.

Therefore, there is no one-size-fits-all cure. For the best results, the first step is to identify your symptoms and their source.

The next step is to choose one or more tools that will specifically target your symptoms. For example, if your thoughts are producing the worst symptoms, it will be more effective to challenge your thoughts than practising a relaxation method which targets your bodily reactions.

Symptoms of anxiety can occur in four areas:

1. Your thoughts

2. Your behaviours

3. Your feelings

4. Your bodily reactions

1. THOUGHTS

There are several types of negative thoughts that cause or perpetuate anxiety

• Imagination on fire. This feels like your thoughts are burning your brain or moving at incredible speeds.

• Rumination is when you go over the same negative thoughts repeatedly with no resolution.

• Regret about the past.

• Worry about the future,

• Overestimating the chance that something will go wrong. For instance, you may feel sure that you will not get the job you have applied for.

• Overestimating the cost of things going wrong. In this instance you predict that not getting the job you applied for will result in you becoming poverty stricken.

Tips to manage anxious thoughts

Cognitive Behavioural Therapy is a way of learning to identify your negative thought and then challenging it. For instance, the thought “I know I will not get the job” can be challenged with detective thinking: “What evidence is there that I will not get the job? Until they call and tell me I have not been accepted, I will assume another outcome.”

Thought stopping is a behavioural psychology method where you literally imagine a STOP sign and tell yourself “STOP” to block the thought.

2. BEHAVIOURS

There are several behaviours which sustain anxiety and can keep it at a high level

• Avoiding anxiety provoking situations such as not applying for a job

• Not doing things you would like to do or achieving certain goals such as changing jobs and improving your circumstances.

• Overplanning to prevent your highly feared predicted event from occurring such as researching to every last detail the company where you would like to work.

• Overpreparation to prevent the feared event from happening such as rewriting your CV many times and never submitting it.

• Hypervigilance which entails paying greater attention to your body or surroundings looking for a potential threat.

• Staying in unhelpful situations that promote anxiety such as staying in your old job which is stressful.

Tips to manage anxiety provoking behaviours

Simply put, the best way of countering these behaviours is to face your fear and just do what needs to be done. If you need to change jobs, put together a CV and submit it. Tell yourself that “Done is better than perfect”. Ask a friend to check your CV once and if approved, send it. Ride your fear like you would ride a roller coaster and it will subside.

3. FEELINGS

Feelings of fear, insecurity, hopelessness and helplessness can increase your anxiety. The longer you hold onto these feelings, the more entrenched they become. It is in your interest to substitute negative feelings with positive feelings.

Tips to manage upsetting feelings

Your heart can feel. You literally can be “heart sore” or your heart can feel like it is bursting with joy. Focus on your heart space and let feelings like trust, hope and circle of security enter your heart.

4. BODILY SYMPTOMS

Bodily symptoms are experienced by most anxiety sufferers.

• Heart racing or pounding

• Tight chest or shallow breathing

• Muscle cramps

• Nausea

• Dry mouth

Source :Herald Sun ( Australia)

37
বিসিএস উত্তীর্ণ প্রার্থীদের চাকরির সুযোগ বাড়ছে। এখন থেকে বিসিএস পাস করে ক্যাডার পদ না পেলেও চাকরির জন্য বসে থাকতে হবে না। ক্যাডার সার্ভিসে চাকরি না হলেও নন-ক্যাডার পদের শতভাগ শূন্য পদে বিসিএস উত্তীর্ণদের চাকরি দেওয়া হবে। এর আগে বিসিএস পাস করা প্রার্থীদের নন-ক্যাডারে শতকরা ৫০ ভাগ পদে নিয়োগ করা যেত। জনস্বার্থে ও জরুরি প্রয়োজনে বিসিএস পাস করা চাকরিপ্রার্থীদের মধ্য থেকে প্রথম শ্রেণীর নন-ক্যাডার সকল শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া যেত। এখন 'জনস্বার্থে ও জরুরি প্রয়োজনে' শব্দ দুটো উঠিয়ে দিয়ে নন-ক্যাডার শতভাগ পদেই তাদের নিয়োগ দেওয়া যাবে। এমন বিধান রেখে নন-ক্যাডার নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন করা হচ্ছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে বিধিমালা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সূত্র জানায়, বিসিএস পরীক্ষায় শতকরা ৫০ ভাগ থেকে শুরু করে তদূর্ধ্ব পর্যায়ে যারা নম্বর পান তাদের পিএসসি উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থী হিসেবে মনোনীত করে। এখান থেকে মেধাক্রম অনুযায়ী শূন্যপদের বিপরীতে বিভিন্ন ক্যাডার সার্ভিসে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে বিসিএস পরীক্ষায় পাস করলেও ক্যাডার সার্ভিসে শূন্যপদ কম থাকায় পিএসসি প্রতি বছর অর্ধেকেরও বেশি প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়ার সুপারিশ করতে পারে না। ক্যাডার সার্ভিসের সুযোগবঞ্চিত বিসিএস পাস এসব চাকরিপ্রার্থীর মধ্য থেকে আগ্রহীদের বিভিন্ন দপ্তরের প্রথম শ্রেণীর নন-ক্যাডার শূন্য পদে নিয়োগ দিতে ২০১১ সালে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে নন-ক্যাডার বিধিমালা জারি করা হয়। বিধি অনুযায়ী শূন্যপদের ৫০ ভাগ পদে বিসিএস পাস প্রার্থীকে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া যাবে। পরে এ বিধিমালা অনুযায়ী নন-ক্যাডার ৫০ ভাগ পদে বিসিএস পাস করা প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। ২৮তম
বিসিএস থেকে নন-ক্যাডার নিয়োগ বিধিমালা কার্যকর হয়েছে। এভাবে কয়েকটি বিসিএসে পাস করা প্রার্থীদের নন-ক্যাডার শূন্য পদে চাকরি দেওয়া হচ্ছে। দেখা যাচ্ছে, প্রতিটি বিসিএসে পাস করা প্রার্থীদের মধ্যে অর্ধেকেরও কম সংখ্যককে বিভিন্ন ক্যাডারে মেধাক্রম অনুযায়ী নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। তাদের ক্যাডার পদে চাকরি দেওয়া হয়। অবশিষ্টরা পিএসসির হাতে রিজার্ভ হিসেবে থাকেন। এর মধ্যে নন-ক্যাডার প্রথম শ্রেণীর পদে নিয়োগ পেতে প্রায় সবাই পিএসসির কাছে আবেদন করেন। এর থেকে শূন্য পদের ৫০ ভাগের বেশি পাস করা প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া যাচ্ছে না। বিভিন্ন দপ্তরের নন-ক্যাডার পদের ৫০ ভাগ তাদের দিয়ে পূরণ করা হলেও বাকি ৫০ ভাগ শূন্য থাকছে। এ ৫০ ভাগ সরাসরি নিয়োগে পূরণ করা হচ্ছে। তবে সরাসরি নিয়োগের ফল ভালো পাওয়া যাচ্ছে না। এমনও দেখা যাচ্ছে, এক নিয়োগেই পার হচ্ছে এক বছর। নিয়োগের দীর্ঘসূত্রতার কারণে পদগুলো সময়মতো পূরণ সম্ভব হচ্ছে না। ফলে বিভিন্ন দপ্তর নন-ক্যাডার শূন্য পদের বিপরীতে শতভাগ পদে বিসিএস পাস করা প্রার্থী নিয়োগ দিতে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে শতভাগ শূন্য পদে বিএসএস পাস করা প্রার্থীদের নিয়োগ দেওয়া যায় কি-না সে ব্যাপারে পর্যালোচনা করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এমনকি কয়েকটি মন্ত্রণালয় ও সংস্থারও নন-ক্যাডার প্রথম শ্রেণীর পদ শূন্য রয়েছে। ইতিমধ্যে এসব মন্ত্রণালয় থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। এতে দেখা গেছে, এমন প্রায় ৫ হাজার পদ শূন্য রয়েছে। এ চাহিদাপত্রের ভিত্তিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় নন-ক্যাডার বিধিমালা সংশোধন করার উদ্যোগ নিয়েছে। ইতিমধ্যে তারা কয়েক দফা বৈঠক করে নন-ক্যাডার পদের ৫০ শতাংশ বিসিএস পাস করা প্রার্থীদের দিয়ে পূরণের শর্ত উঠিয়ে দিয়ে নন-ক্যাডার নিয়োগ বিধিমালা সংশোধনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শিগগিরই এটি চূড়ান্ত করে সচিব কমিটির বৈঠকে পাঠানো হবে বলেও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা সমকালকে বলেন, নন-ক্যাডার নিয়োগ বিধিমালার সংশোধনীর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটি চূড়ান্ত হলে সরকার নন-ক্যাডার পদের শতভাগ পদই বিসিএস পাস করা প্রার্থীদের দিয়ে পূরণ করতে পারবে ।
source : samakal

38
BCS & PSC / Goals to transform the world
« on: September 30, 2015, 01:11:40 PM »
ON September 25, 2015, world leaders adopted a resolution entitled 'Transforming our world: the 2030 Agenda for Sustainable Development'. The agenda is a “comprehensive, far-reaching and people-centred set of universal and transformative goals and targets” – now referred to as the Global Goals. It seeks to strengthen universal peace, free humanity from poverty and heal our planet. The agenda's bold and ambitious steps are intended to shift the world to a sustainable and resilient path, causing lives of all to profoundly improve and our world to transform for the better. The agenda will come into effect on January 1, 2016, replacing the Millennium Development Goals (MDGs).
The 2030 Agenda, which has 17 goals for all people, everywhere, includes: (1) Ending poverty; (2)Ending hunger; (3) Ensuring healthy lives and promote well-being; (4) Ensuring inclusive and equitable quality education and life-long learning; (5) Achieving gender equality and empower all women and girls; (6) Ensuring availability and sustainable management of water and sanitation; (7) Ensuring access to affordable, reliable, sustainable, and modern energy; (8) Promoting sustained, inclusive and sustainable economic growth, full and productive employment and decent work; (9) Building resilient infrastructure, inclusive and sustainable industrialisation and innovation; (10) Reducing inequality within and among countries; (11) Making cities and human settlements inclusive, safe, resilient and sustainable; (12) Ensuring sustainable consumption and production patterns; (13) Taking urgent action to combat climate change and its impacts; (14) Conserving and sustainably using oceans, seas and marine resources; (15) Protecting, restoring and promoting sustainable use of terrestrial ecosystems, forests to combat desertification, and halt and reverse land degradation and biodiversity loss; (16) Promoting peaceful and inclusive societies, access to justice and effective, accountable and inclusive institutions at all levels; (17) Strengthening means of implementation and a revitalised global partnership for sustainable development.
The 2030 Agenda differs from the MDGs significantly. First, the MDGs were designed to move us 'half way' to ending hunger and poverty, whereas the 2030 Agenda is intended to fully solve these problems.
Second, the 2030 Agenda is universal. It applies to people of all countries from both developed and developing nations. The intention is to leave no one behind because of her or his gender, age, disability, income, geography, ethnicity or other status.
Third, the 2030 Agenda promotes integrated development in social, economic and environmental issues. They address, among others, issues relating to democracy, plurality, accountability, violence, peace, equity and climate change.
Fourth, as violence and poverty tend to go hand in hand, peace building and promoting social harmony are critical to the success of ending hunger and poverty. The 2030 Agenda recognises this need, and the “factors which give rise to violence, insecurity and injustice, such as inequality, corruption, poor governance and illicit financial and arms flows, are addressed in the Agenda.”
Fifth, the MDGs focused more on numerical targets, such as high enrollment rates in education, while the 2030 Agenda focuses on quality of education and learning, and recognises the role of education in achieving a more humane and peaceful world.
Sixth, one of the most distinguishing features of the new agenda is that it calls for “inclusive societies that provide equal access to justice and that are based on respect for human rights ... rule of law and good governance at all levels and on transparent, effective and accountable institutions.” In many countries, good and effective governance, or lack thereof, have now become the most important 'development challenge'. In fact, lack of democratic, accountable and inclusive governance are threatening the status quo and stimulating violent extremism to take deep roots in many societies.
Seventh, unlike the MDGs, the 2030 Agenda calls for close monitoring of results, which will require rigorous and regular reviews of progress at the sub-national, national, regional and global levels. Such reviews are to be inclusive, transparent, gender-sensitive, respectful of human rights and have a particular focus on the poorest and most vulnerable people. The data to be used must be of high quality, accessible, timely, reliable and dis-aggregated. These reviews are intended to ensure accountability of authorities to the citizens.
Finally, although MDGs were to be largely financed by foreign aid, which did not materialise, each country will have the primary responsibility for mobilising resources through inclusive growth, supported by global partnership in the areas of capacity building, technology transfer and international trade. The global engagement for the 2030 Agenda will also involve “bringing together Governments, the private sector, civil society, the United Nations system and other actors in mobilizing all available resources.”
The new Agenda is unique in that it is agreed upon by all stakeholders, while the MDGs were drafted by a group of experts. The 2030 Agenda has been shaped by the most participatory process in UN history, involving millions of global citizens, civil society and member states over a span of three years. Thus, it is not an imposed agenda, rather it is a country-owned global commitment. In fact, it is an agenda of the people, by the people, and for the people. The people will also have to be the primary actors for their implementation. Governments of member states will obviously have to demonstrate political will for catalysing citizen involvement.
Although the new agenda is built upon the experiences of the MDGs, its significance is that it goes beyond and seeks to complete the unfinished tasks of the MDGs, while setting out economic, social and environmental goals that are comprehensive, integrated and indivisible.
The indivisibility, inter-linkages and integrated nature of the goals and targets of the new agenda have far-reaching implications, especially for its implementation. The 2030 Agenda cannot be implemented with a segmented or 'siloed' approach. They cannot be achieved by merely implementing projects on education, health and so on, without addressing all the challenges faced by a community, including peace building, state building, human rights and good governance. This will obviously require a holistic, bottom-up 'community-led development' approach, encompassing a sustained process that restores women, men and youth in taking control over their own lives. Such a process will require citizens to be active agents of change, grassroots organisations letting voices be heard, creation of vibrant, inclusive economies, and an effective, accountable local government system playing catalytic roles.


Source : The Daily Star

39
কোনো ব্যক্তির নামে প্রতিষ্ঠিত পৃথিবীর একমাত্র মুসলিম দেশের নাম হলো সৌদি আরব। সৌদি আরব ছাড়া অন্যকোনো মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ কোনো ব্যক্তির নামে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। রিয়াদের নিকটস্থ দিরিয়া নামের একটি কৃষিবসতির প্রধান ছিলেন মুহাম্মদ বিন সৌদ। এই উচ্চাভিলাষী মরুযোদ্ধা ১৭৪৪ সালে আরবের বিখ্যাত ধর্মীয় নেতা মুহাম্মদ বিন ওয়াহাব [ওয়াহাবী মতবাদের প্রতিষ্ঠাতা]-এর সাথে মৈত্রী চুক্তি করে 'দিরিয়া আমিরাত' গঠন করেন। তুরস্কের উসমানিয়া খিলাফতের বিরুদ্ধে শিরক-বিদাত পালনের অভিযোগে এই দুজন ঐক্যবদ্ধ হয়ে যুদ্ধ শুরু করেন। ওই 'দিরিয়া আমিরাত'-ই বিশ্বের প্রথম সৌদি রাজ্য/আমিরাত। মুহাম্মদ বিন সৌদ তার পুত্র আবদুল আজিজের সাথে মুহাম্মদ বিন ওয়াহাবের মেয়ের বিয়ে দেন। এভাবেই সৌদ পরিবার ও ওয়াহাবী মতবাদের মিলনযাত্রা শুরু হয়। ১৭৬৫ সালে মুহাম্মদ বিন সৌদ-এর মৃত্যু হলে তার ছেলে আবদুল আজিজ দিরিয়ায় ক্ষমতাসীন হয়।
Source : kalerkantho

40
শুরু করা যাক প্রয়াত ইরাকি নেতা সাদ্দাম হোসেন’কে দিয়ে।

বলা হয়ে থাকে, সিআইএ’র কাধে ভর দিয়েই বার্থ পার্টির নেতা সাদ্দাম ক্ষমতার মসনদে বসেছিলো। তো সাদ্দামের পক্ষে তখন সবাই ছিলো। সাদ্দামের ইরাক ছিলো আমেরিকার বন্ধু।

সাৎআল আরব নিয়ে ইরানের সাথে যুদ্ধটা শুরু হয়েছিলো একরকম আমেরিকার ইশারাতে। আমেরিকার শত্রু ইসলামিক রিপাবলিক ইরান’কে শায়েস্তা করতে সাদ্দামের হাতে কেমিক্যাল, বায়োলজিক্যাল, সবধরণের অস্ত্রই তুলে দিয়েছিলো আমেরিকা,  যুদ্ধের শুরু থেকেই।
সাদ্দামের সাথে তখন ইউরোপের সবগুলো দেশেরই সম্পর্ক বেশ ভালো।

ইরাকি অর্থনীতি তখন ফুলেফুপে উঠেছে। সাদ্দামের গ্যাস বোমাতে ঝলসে যাচ্ছে ইরানের সেনারা। ওদিকে কুর্দিরা এই সুযোগে ইরানের সাথে হাত মিলিয়ে ইরানকে ইন্টেলিজেন্স সহায়তা দিতে শুরু করে। তাদের উদ্দেশ্য, কুর্দিস্থান স্বাধীন করা। একারণেই কুর্দিদের প্রতি সাদ্দামের রাগ ছিলো। এই রাগের বহিঃপ্রকাশ আশির দশকের শেষদিকে সাদ্দাম করেছিলো কুর্দি গনহত্যা চালিয়ে। সেগুলো সম্পর্কে আমরা কমবেশি অবগত আছি। সেসব অস্ত্র সাদ্দাম পেতো আমেরিকা ও তার ইউরোপিয়ান বন্ধুদের কাছ থেকেই। যাই হোক, এসব ভিন্ন ডাইমেনশন। আমাদের মুল আলোচনা এগুলো নয়।

মুল আলোচনা আজ ইসরাইল’কে নিয়ে।
সাদ্দামের ক্ষমতায় আসাটা একটা দেশ শুরু থেকেই মেনে নিতে পারে নি। আর সেটা হল ইসরাইল। ইসরাইলের সাথে সাদ্দামের ছিল সাপেনেউলে সম্পর্ক। ঝামেলা আরো গভীর হয়, যখন সাদ্দাম নিউক্লিয়ার বোমা তৈরির দিকে ঝোঁক দেন।

এবং সাদ্দামের নিউক্লিয়ার ইচ্ছাপুরনে এগিয়ে আসে ফ্রান্স। জি হা... ফ্রান্স।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট জ্যাক সিরাক সাদ্দামকে প্যারিসে আমন্ত্রন জানান। এখানে গোপনীয়তার কিছু ছিলো না। প্রকাশ্যেই সাদ্দাম নিউক্লিয়ার রিয়াকটর বানানোর জন্য ফ্রান্সের সাথে চুক্তি করে। নগদ ক্যাশে চুক্তি বাস্তবায়ন হয়। সমগ্র টাকাটা ফ্রান্স অগ্রীম দাবি করে।
যাই হোক, শুরু হয় ইরাকের নিউক্লিয়ার রিয়াকটর তৈরির কাজ। এবং ফ্রান্সের টেকনিশিয়ানরা ইরাকিদের সাথে নিয়ে বাগদাদের মাত্র ১৭ কিলোমিটার দূরে ওসিরাকে এই নিউক্লিয়ার রিয়াকটর তৈরির কাজ শুরু করে। 
আমেরিকা এতে সমর্থনও দেয় নি। নিষেধও করে নি। কারণ সাদ্দামকে তখন আমেরিকার ভীষণ দরকার। সাদ্দামের সব চাহিদায় আমেরিকা তখন মিটিয়ে দিচ্ছে। তার ইচ্ছামত অস্ত্র দিচ্ছে ইরানকে মারার জন্য। সেইসাথে আমেরিকার ট্রাকটর ও কৃষিযন্ত্রপাতি, সেইসাথে ফোর্ড আর ক্যাডিলাক গাড়ির বিশাল বাজারে পরিনত হয়েছে ইরাক। লাভ আর লাভ।
কিন্তু ইসরাইলে এটা অস্তিত্বের প্রশ্ন। যদিও আমেরিকা দাবি করে সাদ্দাম তাদের কনট্রোলে আছে, কিন্তু ইসরাইল কোনো ধরণের রিক্স নিয়ে চায় না।

সে ইরাকের নিউক্লিয়ার বোমার কার্যক্রম একেবারে বন্ধ করে দিতে চায়। ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট তখন মনোহম বেগিন। ইউরোপ আমেরিকা জুড়ে সে লবিং শুরু করে। পলিটিক্যালি  সমাধান করার চেষ্টা করে। 

ওদিকে ইসরাইলের কুখ্যাত গোয়েন্দাবাহিনী মোসাদ বসে নেই। পলিটিক্যাল সমাধান না হলে বিকল্প ব্যবস্থায় জন্য তৈরি থাকতে বলা হয় মোসাদকে।
সেইসময় ইরাকের দৈনিক পত্রিকাগুলোতে হরহামেশা ইসরাইল ধ্বংসের ডাক দেয়া হত। এবং সাদ্দামও আরব বিশ্বে হ্যাডম হবার জন্য ইসরাইল’রে আচ্ছামত গালাগালি করতো মিডিয়ার সামনে। ইসরাইল ধ্বংসের বাসনা প্রকাশ করতো। অনেকটা হালআমলের আহমাদিনেজাদের মতই।
এটাই ইসরাইলের মাথাব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
ইসরাইল সরকার তার ডিপ্লোমেসি চালাতে থাকে। মোসাদের উপর দায়িত্ব পড়ে সাদ্দামের পারমানবিক বোমার কার্যক্রম delay করে দিতে।
মোসাদ সেটা করে তাদের নিজেস্ব নিয়মেই।
যেমন ফ্রান্স থেকে সেন্ট্রিফিউজ আনার জন্য ফ্রেন্স বন্দরের যে গোডাউনে সেগুলো রাখা হত জাহাজে তোলার আগে, সেই গোডাউনে স্যাবোটাজ করে মোসাদ। উড়িয়ে দেয় সেটা। ব্যস, ছয় মাসের জন্য বিলম্বিত হয়ে যায় সাপ্লাই।
ফ্রান্সের অ্যাটমিক এনার্জি কমিশনের এক মিশরীয় বিজ্ঞানীকে টার্গেট করে মোসাদ। তার চারিত্রিক দুর্বলতার সুযোগ নেয় মোসাদ। তার নারী ও টাকার প্রতি দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে ক্লাসিক এসপিওন্যাজ করে তার কাছ থেকে ইরাকে তৈরি হতে থাকা নিউক্লিয়ার রিয়াকটরের গোটা মডেল হাতে পেয়ে যায় মোসাদ। লোকটি টেরও পায় নি।   কিন্তু এই বিজ্ঞানী কাজ করতেছিলেন সাদ্দামের গোয়েন্দাবাহিনীর পক্ষে হয়ে। তিনি যখনই বুঝতে পারেন, মোসাদ তাকে ফাঁদে ফেলেছে, তখনই তিনি কোঅপারেশন বন্ধ করেন ছদ্মবেশী মোসাদ স্পাইদের সাথে।

ব্যস... ১৪ই জুন, ১৯৮০, বিজ্ঞানী Yahya El Mashad কে খুন করে মোসাদ। ফ্রান্সের একটা নামকরা হোটেলে তিনি একজন প্রস্টিটিউটকে অর্ডার করেন। কিন্তু সেদিন যে প্রস্টিটিউট তাকে যৌনসেবা দিতে গিয়েছিলো, ধারনা করা হয় সে ছিলো মোসাদের এজেন্ট। যাই হোক, তার গলাকাঁটা লাশ পাওয়া যায়।
মোসাদের খুনোখুনি চলতেই থাকে।

নেক্সট তিনমাসে ইরাকের নিউক্লিয়ার রিয়াকটর তৈরির সাথে যুক্ত এক ডজনের বেশি বিজ্ঞানী খুন হয়, না হয় গায়েব হয়ে যায়। বিশ্বমিডিয়াতে তখন ব্যাপকভাবে মোসাদের সমালোচনা শুরু হয়। এমনিতেই মোসাদের রেপুটেশন ভয়াবহ। রীতিমত ভয়ঙ্কর।

কিন্তু এতোখুনোখুনী করেও লাভের লাভ কিছুই হয় নি। সাদ্দাম তার নিউক্লিয়ার বোমা বানিয়েই ছাড়বেন। ফলাফল, মোসাদ এবার ঠিক করে ব্যাপারটা ইসরাইলি বিমান বাহিনীর হাতে ছেড়ে দিতে। ইরাকে গোয়েন্দাগিরি শুরু করে মোসাদ। পারমানবিক রিয়াকটরের স্পেসিফিক অবস্থান, সেখানে কারাকারা কাজ করে, কখন করে, সবকিছুর খবর যোগাড় করে ইসরাইলি বিমান বাহিনীর হাতে ছেড়ে দেয় ব্যাপারটা।

জেনারেল ডেভিভ ইরভি ছিলেন অপারেশন ব্যাবিলনের কমান্ডার। মোট আটটি F-16 বিমানকে সিলেক্ট করা হয়। এগুলো কিছুটা মডিফাইড করে ইসরাইল।

৭ই জুন, ১৯৮১,আটটি F-16 বিমান উড়ে আসে ইরাকে।তারা ঠিক জর্ডানের সীমান্ত ঘেঁষে সৌদি আরবে প্রবেশ করেছে। এরপর সৌদি আরবের অরক্ষিত মরু অঞ্চল, অর্থাৎ জর্ডান সৌদি সীমান্তের কাছ দিয়ে ইরাকে ঢুকেছে।
ইরাকে ঢুকে তারা বিমান উড়িয়েছে মাত্র ৩০ মিটার উপর দিয়ে !!

এতো নিচু দিয়ে বিমান উড়ানোর কারণে ইরাকী এয়ারডিফেন্স এদের ধরতে পারেনি। আর যেসময়ে তারা ইরাকে প্রবেশ করেছে বোমা মেরেছে, সেসময় নিউক্লিয়ার রিয়াকটরে কর্মীদের কাজের সিফট চেঞ্জ হচ্ছে। অর্থাৎ পারফেক্ট টাইমিং। একারণে বোমা হামলায় গোটা রিয়াকটর’টি ধ্বংস হয়েছে এবং মাত্র আটজন ইরাকি আর একজন ফ্রেন্স গবেষক মারা গেছেন।

ইরাকের আন্টিএয়ায় গানশিপগুলো গোলাগুলি করেছে অন্ধের মত। ইসরাইলি বিমানের infrared decoy flare সহজেই বোকা বানিয়েছে সাদ্দামের বাহিনীকে।

কোনো ধরণের ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই আরামছে বোমা মেরে নিউক্লিয়ার রিয়াকটর গুড়িয়ে দিয়ে ইসরাইলি বিমান বাহিনী ফিরে এসেছে। একই পথ দিয়ে। এই বিমানবাহিনীর অপারেশনের একজন পাইলট ছিলেন Ilan Ramon।
যাই হোক, সাদ্দামের পারমানবিক বোমার স্বপ্ন এভাবেই শেষ করে দিয়েছিলো ইসরাইল।

এই বোমা হামলায় ফ্রান্সের তেমন কোনো ক্ষতি হয় নি। কারণ রিয়াক্টর বানানোর গোটা অর্থটা শুরুতেই সে আদায় করে নিয়েছিলো।ব্যাপারটা অনেকটা ইলেকট্রনিক্স প্রোডাক্টের ওয়ারেন্টির মত। আপনি টাকা দিয়ে টিভি কিনেছেন। সেই টিভি যদি পড়ে গিয়ে ফিজিক্যালি ড্যামেজ হয়, সেক্ষেত্রে বিক্রেতার তো কিছুই যায় আসে না। সে তো টাকা পেয়েই গেছে। বুঝলেন তো ব্যাপারটা।
আমেরিকা ব্যাপক চিল্লাপাল্লা শুরু করে। ইসরাইলের ব্যাপক নিন্দা করে। এবং বিশ্বাস করবেন কিনা জানি না, ইসরাইলের বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব আনে। ইসরাইলের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক sanction আরোপের কথাও বলে !!!!!!!!!
এসব ছিলো মুখের বুলি। কারণে পর্দার আড়ালে ঠিকই প্রেসিডেন্ট রিগ্যান ইসরাইলি ফাইটার পাইলটদের প্রশংসা করে। তার ভাষায়, “boys will always be boys”

যাই হোক, আশির দশকের শেষদিকে সাদ্দাম একসময় আমেরিকার বিরুদ্ধে চলে যায়। সেসব ইতিহাস তো সবারই জানা। ১৯৯১ সালে প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধে মার্কিন বাহিনী সহজেই ইরাককে হারিয়ে দেয়। সৌদি আরবের ঘাটি স্থাপন করে তখন থেকেই। সেই যুদ্ধে সাদ্দাম অন্ধের মত ইসরাইলে কিছু স্কাড মিসাইল নিক্ষেপ করে। ইসরাইল চুপ করে বসে ছিলো। আমেরিকা সাদ্দামকে গুড়িয়ে দেয় সেই যুদ্ধে।
এই যুদ্ধের পর আমেরিকান রাষ্ট্রদুত ইসরাইলকে ধন্যবাদ জানায়। আফটার অল, ১০ বছর আগে যদি ইসরাইল সাদ্দামকে নিউক্লিয়ার বোমা তৈরিতে না বাধা দিতো, তাহলে ইতিহাস হয়ত অন্যরকম হইতো।

এবার আসি অনেকদিন পরের এক ঘটনাতে।

২২শে এপ্রিল, ২০০৪ সাল, নর্থ কোরিয়ার Ryonchon এলাকায় এক ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনা বলাটা উচিৎ হবে না। আসলে, একটা ট্রেনের বগি বিস্ফোরিত হয়। এবং সেটা এতটাই ভয়াবহ, যে ৩.৬ রিক্টারস্কেলের একটা ভুমিকম্প তৈরি করে আশেপাশে। গোটা একটি এলাকা ধ্বংস হয়। ১০ হাজার মানুষের বসবাসের এলাকা নষ্ট হয়। শখানেক মানুষ মারা যায়। দুই হাজার হতাহত হয়। এই ঘটনার পর গোটা নর্থ কোরিয়ার মোবাইল নেটওয়ার্ক ৫ বছরের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয় !!
নর্থ কোরিয়ান সিক্রেসির কারণে বিশ্বমিডিয়াতে ঘটনাটা একটা দুর্ঘটনা হিসেবে আসলেও, বিদেশী গোয়েন্দাসংস্থাগুলোর নজরে এসেছিলো ভালোমতই। 
নর্থ কোরিয়ার সরকারের বক্তব্য হল, ট্রেনে লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম ছিলো। কিন্তু এই কথা আর যাই হোক, পশ্চিমা গোয়েন্দাসংস্থাগুলো মানতে নারাজ। এদের ভেতর বিশেষ একটি গোয়েন্দাসংস্থা বেশভালো মতই নজর রাখতেছিলো নর্থকোরিয়ার উপর। সেটা হল, ইসরাইলি ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি। মোসাদ।
কারণটা সিরিয়ার বাশার আল আসাদ !!!!
২০০০ সালের পর থেকেই নর্থ কোরিয়ান ডিপ্লোমেটদের সাথে সিরিয়ান ডিপ্লোমেটদের যোগাযোগটা মোসাদের নজরে আসে। মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশের সাথে নর্থ কোরিয়ার কি এমন যোগাযোগ থাকতে পারে ? বিশেষ করে সিরিয়ার?
তো Ryonchon ট্রেন দুর্ঘটনার কিছুদিন পর নর্থ কোরিয়া থেকে সিরিয়াতে বিশেষ বিমানে কিছু কার্গো পাঠানো হয়। মোসাদ আড়িপেতে আবিস্কার করে, এগুলো কার্গো নয়, লাশ !!

সিরিয়ানদের লাশ !!
ঘটনা হল, সেই ট্রেন দুর্ঘটনার কিছু সিরিয়ান মারা গেছে। যাদের লাশ লেডের কফিনে ভরে সিরিয়াতে নিয়ে আসা হয়েছে। এবং রেডিয়েশন প্রোটেকশন গায়ে দিয়ে সিরিয়ান সেনারা সেই লাশগুলোকে বুঝে নেয় !! 

তো এসব জিনিস পর্যালোচনা করে কনক্লুশান টানতে ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের চিফ Meir Degan এর খুব একটা সমস্যা হয়নি। ম্যায়ন ডাগান ইসরাইলি গোয়েন্দাসংস্থার ভ্যাটেরান। নামকরা ব্যক্তিত্ব।
তিনি বুঝে যান, সিরিয়ার উদ্দেশ্য কি। সিরিয়া নর্থ কোরিয়ার সাহায্য নিয়ে নিউক্লিয়ার বোমা বানানোর চেষ্টা করতেছে। কিন্তু প্রমাণ কই ? রিয়াক্টর কই ? বানানোই’বা হচ্ছে কোথায়?
ইন্টারেস্টিং বিষয় হল, তখন পশ্চিমা দুনিয়াতে বাশার আল আসাদের ভাবমুর্তি কিন্তু আজকের মত ছিলো না। আজকে ২০১৫ সালে এসে বাশার আল আসাদ পশ্চিমাদের শত্রু। কিন্তু সেইসময় বাশার’কে পশ্চিমারা আধুনিক হিসেবেই দেখতো। বাশারের স্ত্রী আসমা আল আসাদকে বলা হল মরু গোলাপ। কিন্তু বাশার যে ভেতরে ভেতরে পারমানবিক বোমা তৈরির চেষ্টা করতেছে, এখবর খোদ সিআইএ’র কাছেও ছিলো না। সিআইএর কল্পনারও বাইরে ছিলো ব্যাপারটা। মেয়ার ডাগান তার কুখ্যাত গোয়েন্দাবাহিনী মোসাদ’কে লাগিয়ে দেন সিরিয়ার পারমানবিক কার্যক্রমের তথ্য উদ্ঘাটন করতে। দুই বছর পরের কাহিনী।

লন্ডনের এক Bar…সেখানে সিরিয়ান এক টপ অফিশিয়াল ডিপ্লোম্যাটের সাথে আলাপচারিতা শুরু করে এক সুন্দরী নারী। এই নারীর কাজ হল, লোকটি যতবেশিক্ষণ সম্ভব ব্যস্ত রাখা। ওদিকে মোসাদের একটি টিম ছদ্মবেশে হানা দিয়েছে সিরিয়ান ডিপ্লোম্যাটের হোটেলরুমে। সিরিয়ান এই ডিপ্লোম্যাটের নর্থ কোরিয়ান অফিসিয়ানদের সাথে যোগাযোগ রাখেন বলেই মোসাদের ধারনা ছিলো শুরু থেকেই। মোসাদ একে হাতেহাতে পেয়ে যায়। একে মোসাদ মারবে না। কারণ মারলে আসাদের সন্দেহ হবে। মোসাদের দরকার প্রমাণ। আর প্রমাণ সম্ভবত আছে ভদ্রলোকের ল্যাপটপে। 
ভদ্রলোকের হোটেল রুমে ফেলে রাখা ল্যাপটপ থেকে মোসাদের এজেন্টরা যাবতীয় ডাটা কপি করে। এরপর কোনো ধরণের আলামত না রেখেই কেটে পড়ে।
তেলআবিবের মোসাদ হেডঅফিসে সিরিয়ান ডিপ্লোম্যাটের গোটা হার্ডড্রাইভের অনুলিপি ডিক্রিপ্ট করা হয়।

এবং সেখান থেকেই প্রথমবারের মত মোসাদ সিরিয়ান নিউক্লিয়ার রিয়াক্টরের সন্ধান পায়। হবুহু নর্থকোরিয়ার পিয়ংইয়ং এর ইয়ংবিয়ং পারমানবিক রিয়াক্টরের আদলে সিরিয়াতে নিউক্লিয়ার রিয়াক্টর তৈরির কাজ চলতেছে। সিরিয়ার al kibar এলাকায়। দামাস্কাস হতে অনেকদূরে।
ইসরাইলি স্যাটেলাইট সমগ্র জায়গায়টিতে নজরদারী শুরু করে।
মোসাদ যখন মার্কিনিদের সিরিয়ান নিউক্লিয়ার প্রোগ্রামের ব্যাপারে অবহিত করে, তখন মার্কিনীরা আকাশ থেকে পড়ে।
বাশার আল আসাদ এতোটাই গোপনীয়তার সাথে বিষয়টিকে চালিয়ে গিয়েছে এতোদিন, মার্কিনিদের ও তুর্কিদের কোনো সন্দেহই হয়নি।
ফলাফল, তারা জানেই না, রিয়াক্টরের বর্তমান অবস্থা কি!! অর্থাৎ রিয়াক্টরটি এখন চালু আছে কিনা।
কারণ যদি চালু থাকে, তাহলে সর্বনাশ।
এতে বোম্বিং করা অনেক ঝুঁকিপূর্ন হবে সেক্ষেত্রে। রেডিওএকটিভ ফলআউট গোটা মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে যাবে।
মার্কিনিরা ইসরাইলিদের লাইসেন্স দেয়, বিষয়টিকে টেক কেয়ার করার জন্য।
ভুলে যাবেন না, তখন ২০০৬ সাল। ইরাকে মার্কিন সেনা উপস্থিত। কিন্তু তবুও আমেরিকানরা বিষয়টিতে জড়াতে চাচ্ছিলো না। কারণ বাশার আল আসাদের সিরিয়ার সাহায্য তখন দরকার ছিলো। হা... কথাগুলো বলতে এখন অবাক লাগে। ২০১৫ তে এসে !!
ইসরাইলিরা এবার অপারেশনের পরিকল্পনা শুরু করে। তবে তার আগে জানতে হবে, রিয়াক্টরের ভেতরে কি হচ্ছে !! সেটা আদেও চালু আছে কিনা। নাকি নির্মানাধিন। দায়িত্ব নেয় Sayeret Matkal  এরা ইসরাইলের সবচেয়ে এলিট স্পেশ্যাল ফোর্সের একটা। আমেরিকার ডেল্টাফোর্সের মত।
ঠিক লাদেনকে যেভাবে আমেরিকা পাকিস্তানে ঢুকে মেরেছিলো রাতের আধারে, ঠিক একইভাবে Sayeret Matkal রাতের আধারে সিরিয়ার ভেতরে স্টেলথ হেলিকপ্টার নিয়ে ঢুকে পড়ে।
এদের উপর দায়িত্ব হল, দরকার না হলে কোনো ধরণের গোলাগুলিতে যাওয়া যাবে না। গোপনে গিয়ে al kibar nuclear reactor এর নিকটবর্তী মাটির নমুনা সংগ্রহ করে আসতে হবে। জায়গাটা মিলিটারে প্রোটেক্টেড। সুতরাং অভিযানটা এতো সহজ ছিলো না।
কিন্তু তবুও sayeret Matkal সেইরাতে সিরিয়া থেকে মাটির স্যাম্পল নিয়ে আসে। একটা গুলিও খরচ করতে হয়নি। সিরিয়ার আর্মি টেরই পায় নি।
সেই মাটির নমুনা পরীক্ষা করা হয় তেলআবিবে। মাটির রেডিয়েশন পরিমাণ করে মোটামুটি নিশ্চত হয় ইসরাইলিরা যে সিরিয়ান নিউক্লিয়ার রিয়াক্টর এখনো চালু হয়নি। সুতরাং বোম্বিং করে উড়িয়ে দিতে সমস্যা নেই। 

ব্যস... ৫ই সেপ্টেম্বর ২০০৭ সালে মধ্যরাতে। ১০ জন পাইলটের একটি দল ইসরাইলের ramat David Airbase থেকে F-16 এবং F-15 বিমানে করে ৫০০ পাউন্ড ওজনের এজিএম ৬৫ বোমা নিয়ে উড়ে যায় সিরিয়াতে।  এবং এবার তাদের ফ্লাইট পাথটি আবার লক্ষকরুণ। অর্থাৎ সেই আগের মতই। সিরিয়ান এয়ারডিফেন্স টেরই পায় নি।
গুড়িয়ে দেয়া হয় সিরিয়ার নিউক্লিয়ার রিয়াক্টর আর বাশার আল আসাদের নিউক্লিয়ার বোমার স্বপ্ন।
বোমা হামলার পর সিরিয়ান এয়ারডিফেন্স কিছু সার্ফেস টু এয়ার মিসাইল ছুড়েছিলো। কাজ হয় নি। আরামছে ইসরাইলি বিমান ফিরে আসে মিশন শেষ করেই।
এই ঘটনার পর পশ্চিমাদের সাথে বাশারের সম্পর্ক খারাপ হয়ে যায়। বাশার এতোটাই বিব্রত হয়েছিলো যে সে না পারতেছে ইসরাইল’রে গালি দিতে, না পারতেছে দুনিয়ার সামনে ইসরাইলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে। কারণ অভিযোগ করলেই প্রথম যে প্রশ্ন তাকে করা হবে, সেটা হল সিরিয়াতে নিউক্লিয়ার রিয়াক্টর আপনি কেনো বানাচ্ছিলেন গোপনে ?
বাশার পরিবার ইসরাইলের চিরশত্রু।
ইসরাইলের সাথে যে কয়টি দেশের সীমানা আছে, তাদের মধ্যে ইসরাইলের প্রতি সবচেয়ে শত্রুভাবাপন্ন বাশার আল আসাদের পরিবার। বাশার পরিবার ইসরাইলের বিরুদ্ধে অতীতে যেমন যুদ্ধ করেছে, তেমন লেবাননের হিজবুল্লাহ আর ইরানের ভেতরে একটা সংযোগ হিসেবে কাজ করেছে।
আসাদ যেমন হিজবুল্লাহকে ফান্ডিং দিয়েছে, তেমন ইসরাইলের বিরুদ্ধেও কাজ করেছে দীর্ঘদিন। লেবাননের হিজবুল্লাহকে আমেরিকা আর ইসরাইল সন্ত্রাসী সংঘঠন হিসেবে চিহ্নিত করে। কিন্তু দিনশেষে হিজবুল্লাহ ৩৫ হাজার সদস্যের একটা মিলিশিয়া দল ছাড়া আর কিছুই না। আর লেবাননে মেজরিটি খ্রিস্টানরা। ওখানে খ্রিস্টান মিলিশিয়াও আছে।  যারা আবার ইসরাইলের প্রতি বন্ধুত্বভাবাপন্ন। সুতরাং ওটা ইসরাইলের জন্য ম্যানেজেবল। (লেবাননে ২৭% শিয়া, ২৭% সুন্নি, আর ৪০% খ্রিস্টান। ইসরাইলের মুল জ্বালাতন মুলত ২৭% শিয়া লেবানিজ)
কিন্তু সিরিয়া ? বাশার ? এটা তো আস্ত একটা দেশ। আস্ত একটা দেশের মিলিটারি। প্রফেশন্যাল সেনাবাহিনী। তারউপর এদের রুশ সাপোর্ট আছে। চীন, ইরানও এদের অস্ত্র দেয়। পশ্চিমাদেশের সাথেও এদের ব্যবসায়ীক সম্পর্ক আছে। সুতরাং বাশার অনেক বড় থ্রেট।
তার উপর জানা গেলো, বাশারের নিউক্লিয়ার বোমার এম্বিশন আছে !! সুতরাং ইসরাইল এবার রীতিমত প্যারানয়েড হয়ে গেলো। যে করেই হোক বাশার’কে সাইজ করতে হবে।
প্রথম প্রশ্ন হল, বাশার কিভাবে এতো গোপনে নিউক্লিয়ার রিয়াক্টর বানাতে পারলো সবার আগোচরে ? নর্থ কোরিয়ার ট্রেন বিস্ফোরন না হলে তো কেউ জানতেই পারতো না। এতোদিনে হয়ত বাশার পারমানবিক বোমা বানিয়ে বসে থাকতো। এবং সেটা সে ইসরাইলের উপরই হয়ত মারতো।
এরকমই চিন্তা করতে শুরু করে মেয়ার ডেগান।
কিভাবে বাশার এটা পারলো? সিআইএ, যারা কিনা নর্থ কোরিয়ার উপর এতো নজর রাখে, তারাও বিষয়টি বুঝতেই পারলো না। কিভাবে ?
এই প্রশ্নের উত্তর হল, জেনারেল মোহাম্মদ সুলেমান।
তিনি ছিলেন প্রেসিডেন্ট আসাদের Special Presidential Advisor for Arms Procurement and Strategic Weapons
এই লোকটি সিরিয়ার ভেতরে গোটা নিউক্লিয়ার প্রোগ্রামের দায়িত্বে ছিলো।  সিরিয়ার ভেতরে নিউক্লিয়ার স্থাপনা রিলেটেড যাবতীয় সব তথ্য একেবারে ম্যানুয়াল কায়দায় চালনা করতো। অর্থাৎ কোনো ধরণের ইলেক্ট্রনিক্স মাধ্যম সে ব্যবহার করতো না। একেবারে আদিম যুগের মত মানুষ দিয়ে দিয়ে হার্ডকপি ইনফরমেশ্যান চালনা করতো। একারণেই ইসরাইল কিছুই টের পায় নি।
এখন হয়ত বলতে পারেন, কিন্তু ইসরাইল তো লন্ডন থেকে সিরিয়ান ডিপ্লোম্যাটের কম্পিউটারেই রিয়াক্টর রিলেটেড তথ্য পেয়েছিলো। 
হা, পেয়েছিলো। কিন্তু সেই লোক ছিলো নর্থ কোরিয়ার সাথে লিয়াজো টিমের সদস্য। তার ল্যাপটপটাই আসলে বাশার আল আসাদের জন্য সর্বনাশ ডেকে এনেছিলো।
যাই হোক, জেনারেল সুলেমান ছিলেন কট্টর ইসরাইল বিরোধি। একারণে তিনি অনেক আগে থেকেই টার্গেট লিস্টে ছিলেন।
জেনারেল সুলামানের একটা বাড়ি ছিলো সিরিয়ার সমুদ্র উপকুল ঘেঁষে। ভুমধ্যসাগরের পাশে Tartous এ ।
তিনি এখানে অবকাশ যাপনের জন্য আসতেন। বারান্দায় বসে বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা দিতেন আর ভুমধ্যসাগর থেকে বয়ে আসা বাতাস উপভোগ করতেন।
এমনই একটা দিন ছিলো ১লা আগস্ট, ২০০৮।
জেনারেল সুলেমান  এদিন কিছু বিদেশি ডিপ্লোম্যাট ও বন্ধুবান্ধব নিয়ে খোলা বারান্দায় রাখা চেয়ারে বসে ছিলেন। সামনে ভুমধ্যসাগর। সন্ধ্যায় সাগরের ভেতর থেকে ডুবুড়ি বেশে দুজন ব্যক্তি উঠে আসে। কেউ টেরও পায় নি। এরা মোসাদের Kidon group এর সদস্য। অর্থাৎ কিলিং ইউনিট।
স্নাইপার দিয়ে গুলি করা হয় সুলামান’কে। মারা যান তিনি।
কিডনের সদস্যরা সাগরের ভেতরেই তাদের বিশেষ যানে করে পালিয়ে যায়।
সিরিয়া সরকার সুলেমানের খুনের জন্য মোসাদকে দায়ী করলেও মোসাদ বিষয়টি অস্বীকার করে। তবে সত্য চাপা থাকে না। বছর তিনেক পর উইকিলিকস এবং তার কিছুদিন পর স্নোডেনের ফাঁস করা দলিলেও উঠে আছে মোসাদের এই অপারেশনের কথা।
সেই বছরই, অর্থাৎ ২০০৮ সালেই ফেব্রুয়ারি মাসেই সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের এক ব্যস্ততম এলাকায় Imad Mughniyah কে খুন করে মোসাদ।
ইমাদ মুগনিয়া ছিলেন আশির দশকে অনেক আলোচিত। অনেকটা লাদেনের মতই।
১৯৮৩ সালে লেবাননে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাটিতে হিজবুল্লাহ এক ভয়ঙ্কর হামলা পরিচালনা করে। সেই হামলায় ২৪১ জন মার্কিন সেনা মারা যায়। এরপরই মার্কিন সেনারা লেবানন থেকে তল্পিতল্পা গুটিয়ে চলে যায়। লেবানন থেকে মার্কিন সেনা চলে যাওয়াটা পছন্দ করে নি ইসরাইল। তো সেই বোমা হামলার মাস্টারমাইন্ড হিজবুল্লাহ নেতা ইমাদ মুগনিয়াকে দির্ঘদিন ধরে খুঁজেছে সিআইএ আর মোসাদ। কিন্তু বাশার আল আসাদের আশ্রয়ে সিরিয়াতে নিরাপদেই ছিলো মুগনিয়া।
মোসাদ ২০০৮ সালে তাকে হাতে পায়। মোসাদের স্পাইরা মুগনিয়ার গাড়ির সিট কভারের ভেতর প্ল্যাস্টিক বিস্ফোরন ভরে দিয়েছিলো। উড়ে যায় মুগনিয়ার গাড়ি। বিশাল বিস্ফোরণে কেপে ওঠে ব্যস্ততম নগরী। এসব ঘটনাগুলো মিডিয়াতে খুবই কম আলোচিত হয়। অথচ এসব ঘটনার প্রভাব সুদুরপ্রসারী। মধ্যপ্রাচ্যে নিউক্লিয়ার বোমার একমাত্র মনোপলি ইসরাইলের।
ইসরাইলের নিজেরই নিউক্লিয়ার বোমা আছে। এবং সেটা সংখ্যার দিক দিয়েও অনেক।
ইসরাইলের ডিমোনা আর হাইফায় নিউক্লিয়ার কার্যক্রম চলে, এটা ওপেন সিক্রেট। ইসরাইল’কে বিশাল আকারের সেন্ট্রিফিউজও বানাতে হয়নি। কারণ হাইলি ইনরিচজড ইউরেনিয়াম আর প্লুটোনিয়াম তারা আমেরিকার কাছ থেকে সরাসরি পেয়ে থাকে। তাদের যেটা করতে হয়, সেটা হল assembly এজন্য রসিকতা করে বলা হয়, they are one screw away 
ইসরাইল তার আশেপাশের দেশ সহ মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশের কাছেই নিউক্লিয়ার বোমা মেনে নেবে না। সেটা বাশার আল আসাদ হোক, সাদ্দাম হোক, বা ইরান।
গাদ্দাফিও দুবাই ভিক্তিক পাকিস্তানি বিজ্ঞানী কাদির খানের সাহায্য নিউক বানানোর চেষ্টা করেছিলো। পশ্চিমারা সেটা হতে দেয় নি।
যারাই মধ্যপ্রাচ্যে নিউকের স্বপ্ন দেখেছে, তাদেরকেই হয় মরতে হয়েছে। না হয় দমন করা হয়েছে।
আজ এতোকাল পর ইসরাইলের জন্য নতুন মাথা ব্যাথার নাম ইরান। ইরানের নিউক্লিয়ার রিয়াক্টরের কার্যক্রম বন্ধ করার জন্য ইসরাইল ঠিক পুরন পন্থা অনুসরন করেছে। মোসাদ বোমা মেরে দিনে দুপুরে ইরানের মাটিতেই ইরানের বিজ্ঞানীদের উড়িয়ে দিয়েছে।
আবার আমেরিকার সাথে মিলে stuxnet ভাইরাস দিয়ে ইরানের নিউক্লিয়ার রিয়াক্টরগুলোর কার্যক্রমে আঘাত করেছে। কেউ বলে, দশবছর পিছিয়ে দিয়েছে অগ্রগতি।বিলিয়ন ডলার খরচ করেছে কেবল স্টাক্সনেট ভাইরাসের পেছনে।
ইসরাইলের মুল মাথা ব্যাথা ইরান।
আসলে ইসরাইল নিউক্লিয়ার প্যারানোয়ার স্বীকার।
সে কল্পনাও করতে পারে না, তার আশেপাশের কোনো দেশের কাছে নিউক্লিয়ার বোমা থাকবে। নিউক্লিয়ার হলোকস্ট যাতে না হয়, সেজন্য ইসরাইল সবই করতে পারে। আইসিস বা হিজবুল্লাহর মত থ্রেট ইসরাইল ফেস করে অভ্যস্ত। এজন্য IDF আছে। মোসাদ আছে। কিন্তু নিউক ?
এটা অন্যব্যাপার। ইসরাইল দেশটা সাইজে আমাদের ঢাকা বিভাগের চেয়েও ছোট।  Dhaka divison যেখানে ৩১ হাজার বর্গ কিলোমিটার, সেখানে ইসরাইল ২০-২২ হাজার বর্গ কিলোমিটার।
একটা নিউকের ধকল সহ্য করাও তার পক্ষে সম্ভব না। দেখার ব্যাপার, ইরানের নিউক নিয়ে ইসরাইল কি করে। বহুবছর ধরেই একটা সম্ভাব্য হামলার কথা বাতাসে ভাসতেছিলো। ইসরাইল কি ইরানের নিউক্লিয়ার স্থাপনায় হামলা চালাবে ? যেমনটি করেছিলো ইরাকে, সিরিয়াতে। তবে বর্তমানে সেই ভয় অনেকটা কম। এর কারন ইরান ডিল।
ইরানের নিউক্লিয়ার ডিলের কারণে ইরানের হাতে আর যাই হোক, নিউক অন্তত থাকতেছে না। যদি না ইরান গোপনে গোপনে কিছু বানানোর চেষ্টা করে।
তবে সেই আশা দুরাশায় হয়ত। ইরান এই ডিল ভাঙবে না তার নিজের অর্থনৈতিক স্বার্থেই।
দেখা যাক, পরিবর্তী ঘটনাবলি কেমন হয়। কারণ বিশ্বরাজনীতির পেক্ষাপট বদলাতে সময় লাগে না। অনেক অনেক বেশি ভলাটাইল মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি।
(সংগৃহীত)

41
কম বেশি ভুল সবারই হয়। কিন্তু সেই ভুল যখন এতটাই হয়ে পরে যে সেটা ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নেয় তখন সেটা নিয়ে আলোচনা হবে এমনটাই স্বাভাবিক। আসুন দেখি ইতিহাসের সেরা কিছু ভুল এবং তার কারন জানি

১) ১১৭ বছর ধরে নির্মান করা হয় ইতালির বিখ্যাত পিসার হেলানো মিনার। আর সেটা হেলতে সময় নেয় মাত্র ১০ বছর। আজব ব্যাপার হল মাত্র ২০০৮ সালে এসে প্রায় শ খানেক ইঞ্জিনিয়ার এর সমস্টিগত প্রচেস্টায় এটার হেলানো বন্ধ হয় এবং ইঞ্জিনিয়াররা ঘোষনা দেন আগামি ২০০ বছরে এটি আর হেলবে না। প্রধানত নির্মানের সময় বেইজের দুর্বলতার কারনে এটি হেলা শুরু করে। পরবর্তিতে বেইজে প্রচুর কাজ করা সত্বেও এটি হেলতেই থাকে।

২) টাইটানিকে প্রচুর মানুষ মারা যাওয়ার প্রধান করা হিসাবে ধরা হয় এটিতে যথেস্ট পরিমানে লাইফ বোট ছিল না। কিন্তু পরবর্তিতে জানা যায় জাহাজ কর্তৃ পক্ষ ইচ্ছা করেই যথেস্ট লাইফ বোট রাখেইনি কারন তাদের ধারনা ছিল এটি "unsinkable" বা কখনোই ডুববে না।

৩) নাসা ১৯৯৯ সালে Mars Climate Orbiter নামক একটা মহাকাশ যান খুব হাস্যাকর একটা কারনে হারিয়ে ফেলে যেটা মঙ্গল গ্রহকে প্রদক্ষিন করছিল। কারন ছিল লকহিড মার্টিন যারা মহাকাশ যানটিকে তৈরি করেছিল তাদের সফ্টওয়ারটি ছিল আমেরিকান ইউনিট সিস্টেমে। আর নাসা র কম্পিউটারগুলা চলতেছিল ব্রিটিশ উনিট সিস্টেমে। ফলে দুইটার ক্যালকুলেশনে ব্যাপক গোলমাল লেগে যায় আর হাজার কোটি টাকার আস্ত একটা মহাকাশ জান মঙ্গলগ্রহের মাটিতে আছরে পরে।

৪) ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন ভেবেছিলেনতিনি শীত কালে রাশিয়া আক্রমন করে পুরো রাশিয়া দখল করে নিতে পারবেন। পরবর্তিতে তিনি স্বিকার করেছিলেন এটি ছিল তার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ ভুল। অর্ধেক সৈন্য প্রচন্ড ঠান্ডয় মারা যায় আর বাকি অর্ধেক খাবারে অভাবে অভুক্ত অবস্থায় প্রচন্ড খারাপ অবস্থায় ফ্রান্সে ফিরে আসে।

৫) হে হে হে হে ............. আমাদের হিটলার বাবাজি মনে করছিলেন তিনি নেপোলিয়ন এর থেকে আরো একটু বেশি ভালো করবেন। তাই তিনিও শীত কালে রাশিয়া আক্রমন করে বসেন। যে যাই বলুক জার্মানরা পুরো বিশ্ব যুদ্ধে হেরে যাওয়ার এটাই প্রধান কারন। রাশিয়ার সেই দুধর্ষ শীত।

৬) ১২১৯ সালে চেঙ্গিস খান তৎকালি পারস্য(ইরান) শাষকের কাছে তিনজন রাস্ট্রদুত পাঠিয়েছিলেন শান্তি আলোচনার জন্য যাদের একজন চাইনিজ এবং দুইজন মুসলিম ছিলেন। পারসিয়ানরা তাদের মাথা কেটে শুধু দেহটা ঘোরার পিঠে বেধে চেঙ্গিস খানের কাছে ফেসত পাঠায়। চেঙ্গিস খান পারস্যের এক কোনা দিয়ে যুদ্ধ আর ধংস্ব শুরু করেন ঠিক আরেক কোনয়া গিয়ে ক্ষান্ত দেন। পুরো পারস্যতে কয়েক কোটি মানুষ নিহত হয় শুধু মাত্র এই সামান্য ভুলটার জন্য। গোয়ার্তুমিও বলা চলে।

৭) ডাচরা মানে কিংডম অফ নেদারল্যান্ড ব্রিটিশদের প্রায় ১০০ বছর আগে অস্ট্রেলিয়া আবিস্কার করেছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় তাদের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এটাকে একটা ব্যাবহার অযোগ্য মরুভুমি বলে ফেলে গিয়েছিল। অথছ ব্রিটিশরা আজও অস্ট্রেলিয়ার কর্তা হিসাবে চলতেছে। আর আমার ধারনা অর্থনৈতিক দিক থেকে অস্ট্রেলিয়া দিয়ে সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছে ব্রিটিশরা।

৮) রাশিয়া তার আলাস্কা নামক অঞ্চলটা আমেরিকার কাছে মাত্র দুই সেন্ট আর এক একর জমির বিনিময়ে বিক্রি করে দিয়েছিল কারন তাদের ধারনা ছিল এত বরফের মধ্যে আসলে কিছুই নেই আর এটা একেবারেই ইউজলেস হবে। পরবর্তিতে এই বরফঢাকা অঞ্চলটিই এখন আমেরিকার বিশাল সম্পদে পরিনত হয়েছে।

৯) ইনকা সম্রাট Atahualpa স্প্যানিশ কর্নেল Francisco Pizarro এর সাথে দেখা করতে সম্মত হন যখন তার ৮০ হাজার সৈন্য Francisco Pizarro এর মাত্র ২০০ ঘোর সওয়ার সৈন্যের সাথে পরাজিত হয়। ঘটনাটা এতটাই মারাত্মক ছিল যে পরবর্তিতে পুরো ইনকা সম্রাজ্যের পতন ঘটে এবং তারা একেবারে পৃথিবীর বুক থেকে পুরোপুরি বিলিন হয়ে যায়। অনেকেই বলে থাকেন Francisco Pizarro ইনকাদের উপর মারাত্মক গনহত্যা চালিয়েছিলেন।

১০) একটা সামান্য কাঠের ঘোরা তাদের শহের ঢুকানোর ভুলের মাসুল হিসবে পুরো ট্রয় নগরি ধংস্ব প্রাপ্ত হয়। মারাত্মক এই ভুলের গল্পটা সবারই জানা আছে। ঘোরার ভিতরে থাকা গ্রিক সৈন্যরা পরবর্তিতে রাতের আধারে ট্রয় নগরির প্রধান গেট খুলে দেন এবং পুরো ট্রয় ধংস্ব প্রাপ্ত করে গনহত্যা চালায় গ্রিকরা।

Pages: 1 2 [3]