Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - sisyphus

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 7
31
স্মার্টফোন চালানোর সময় একটা ব্যাপার সবার মনেই কড়া নাড়ে। সেটা হচ্ছে এর ব্যাটারি লেভেল। অনেকে আছেন যারা ব্যাটারির চার্জ ফুরানোর ভয়ে ফোনের ব্রাইটনেস এত কমিয়ে রাখেন যে, স্ক্রিনে কিছু দেখাই কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। এই সবকিছুই করা হয় শুধুমাত্র একটু বেশি সময় ব্যাটারি ব্যাকআপ পাওয়ার আশায়। কিন্তু আরও অনেক কৌশল আছে যেগুলো অনুসরণ করলে স্মার্টফোনের ব্যাটারি ব্যাকআপ অভাবনীয়ভাবে বৃদ্ধি পায়। চলুন জেনে নিই সেগুলো।

নেটওয়ার্ক
দুর্বল নেটওয়ার্ক পরিষেবা ফোনের ব্যাটারি ব্যাকআপের জন্য ক্ষতিকর। যেসব স্থানের নেটওয়ার্ক আপনার ফোনের নেটওয়ার্ক সামর্থ্যের থেকে খারাপ, সেসব স্থানে ইন্টারনেট ও ভয়েস কল সেবা ব্যবহারে ব্যাটারির শক্তি অতিরিক্ত পরিমাণে বেশি ব্যবহৃত হয়। কারণ, এটি বার বার রিকানেক্ট হয়। যদি আপনার ফোনে চার্জ কম থাকে, তবে এসব জায়গায় ফোনের ফ্লাইট মুড চালু করে রাখলে ব্যাটারি বেঁচে যাবে। যদিও, ফ্লাইট মুড চালু করলে মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক একেবারেই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, ফলে এই অবস্থায় আপনার ফোনে কোনো কল আসবেনা এবং মোবাইল ডেটাও ব্যবহার করা যাবেনা। আপনার যখন দরকার হবে, তখন ফ্লাইট মুড বন্ধ করলে আবার ফোনে নেটওয়ার্ক চলে আসবে। অবশ্য ফ্লাইট মুডে ফোনের ওয়াই-ফাই কাজ করে।


নোটিফিকেশন
আপনার ফোনের বিভিন্ন অ্যাপ হয়ত আপনাকে বিভিন্ন কারণে নোটিফিকেশন দেয়। ফেসবুক কমেন্ট, মেসেঞ্জারের মেসেজ বা ইমো’র মিসড কল প্রভৃতি নোটিফিকেশনের কারণে ফোনের ব্যাটারির চার্জ খরচ হয়। এ ধরনের অ্যাপ্লিকেশনগুলো নির্দিষ্ট সময় পরপর নতুন বার্তা দেখানোর জন্য ব্যাকগ্রাউন্ডেই রিফ্রেশ হয়। তাই আপনি যদি ব্যাটারি ব্যাকআপ বেশি পেতে চান, তাহলে ফোনের এসব অ্যাপের নোটিফিকেশন সেটিংসে গিয়ে যত কম সম্ভব নোটিফিকেশন পাওয়ার ব্যবস্থা করুন।


ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ
ফেসবুক, স্কাইপ, মেসেঞ্জার, ইমো, হোয়াটসঅ্যাপ প্রভৃতি অ্যাপ্লিকেশন ব্যাকগ্রাউন্ডেও চলতে থাকে। আপনি যদি এদের নোটিফিকেশন না পেতে চান, তাহলে এগুলোর ব্যাকগ্রাউন্ড রিফ্রেশ বা অটো-স্টার্ট পারমিশন বন্ধ করে রাখতে পারেন।


জিপিএস, ব্লুটুথ, ওয়াইফাই
ব্লুটুথ বা জিপিএস এর মত যেকোনো সার্ভিস চালু রাখলে আপনার ফোনের ব্যাটারির শক্তি ব্যবহৃত হয়। তাই অপ্রয়োজনীয়ভাবে কখনোই জিপিএস, ব্লুটুথ বা ওয়াইফাই চালু রাখবেন না।


তথ্যসূত্রঃ http://banglatech24.com

32
এন্ড্রয়েডের জন্য অপেরার পারফরমেন্স ও প্রাইভেসি অ্যাপ অপেরা ম্যাক্স এর নতুন সংস্করণ মুক্তি পেয়েছে। অপেরা ম্যাক্স ৩ এবার আরও বেশি ডেটা সাশ্রয় করবে। অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যবহার করে আপনি ফেসবুকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ডেটা সাশ্রয় করতে পারবেন। অর্থাৎ, প্রতি ১০০ এমবির মধ্যে ৬০ এমবি কম ডেটা খরচ করে একই পরিমাণ ফেসবুক ব্যবহার করতে পারবেন অপেরা ম্যাক্সের মাধ্যমে। ফলে আপনার মোবাইল ইন্টারনেট খরচ বেঁচে যাবে।

কীভাবে ব্যবহার করবেন অপেরা ম্যাক্সের এই নতুন ফিচার?

আপনার মোবাইলে যদি অপেরা ম্যাক্স আগে থেকে ইনস্টল করা না থাকে, তাহলে এই গুগল প্লে স্টোরের লিংক থেকে অপেরা ম্যাক্স ডাউনলোড ও ইনস্টল করে নিন। এরপর ফোনে অপেরা ম্যাক্স অ্যাপ ওপেন করলে ফেসবুক আইকন দেখা যাবে, যাতে লেখা ‘Save lots of data in Facebook’- সেখানে ক্লিক করলে অপেরা ম্যাক্সের মধ্যেই ফেসবুক লোড হবে। আপনি চাইলে অপেরা ম্যাক্স কর্তৃক সরবরাহকৃত ফেসবুকের সেই লিংক ফোনের হোমস্ক্রিনে শর্টকাট আকারে রেখে দিতে পারেন, যেখান থেকে যেকোনো সময় দ্রুত সাশ্রয়ী ফেসবুক ব্যবহার করা যাবে।

অপেরা ম্যাক্স মূলত ফেসবুকের মোবাইল সাইট দেখাবে, যা ভিপিএন ব্যবহার করে ইমেজ ও কনটেন্ট সাইজ কমিয়ে ডেটা সাশ্রয় করবে।

এছাড়া, অপেরা ম্যাক্সের মাধ্যমে ইউটিউব ভিডিও, ফেসবুক ভিডিও ও ইনস্টাগ্রামেও প্রচুর পরিমাণ ডেটা সাশ্রয় করতে পারেন।

তথ্যসূত্রঃ http://banglatech24.com

33
কিছু অর্জন আছে, যা গুগলের মতো বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানকেও গর্বিত করে তোলে। গুগলের তৈরি ইন্টারনেট ব্রাউজার এমন এক মাইলফলক স্পর্শ করেছে। গুগল ঘোষণা দিয়েছে, বিশ্বজুড়ে ২০০ কোটির বেশি যন্ত্রে সক্রিয়ভাবে ক্রোম ব্রাউজার ব্যবহৃত হচ্ছে।



গত বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকোতে ক্রোম ডেভেলপার সম্মেলনে ক্রোম ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডারিন ফিশার ক্রোমের এই মাইলফলক ছোঁয়ার ঘোষণা দেন। ফিশার বলেন, ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, মোবাইল সব ধরনের প্ল্যাটফর্ম মিলিয়ে গুগল ক্রোম ইনস্টল ও সক্রিয় ব্যবহারকারী সংখ্যা ২০০ কোটি ছাড়িয়েছে। গুগলের কোনো সফটওয়্যার বা পণ্যের ক্ষেত্রে ২০০ কোটির মাইলফলক পেরোনোর ঘটনা এটাই প্রথম। এর আগে গুগলের পণ্য হিসেবে ১০০ কোটির মাইলফলক পেরিয়েছে বেশ কয়েকটি সেবা। এর মধ্যে আছে গুগল ম্যাপস, অ্যান্ড্রয়েড, গুগল প্লেস্টোর, গুগল সার্চ ও জিমেইল।

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি, প্রথম আলো

34
উইন্ডোজ ১০ এস অপারেটিং সিস্টেমনির্ভর সারফেস ল্যাপটপ আনল মাইক্রোসফট। ২ মে নিউইয়র্ক সিটিতে এক অনুষ্ঠানে মাইক্রোসফট ডিভাইসেস বিভাগের প্রধান প্যানস প্যানায় সাড়ে ১৩ ইঞ্চি মাপের এই ল্যাপটপের ঘোষণা দেন।

প্যানায় বলেন, যে শিক্ষার্থীরা হাইস্কুল ছাড়ার পথে, তাঁদের লক্ষ্য করে মাইক্রোসফট এ ল্যাপটপ বাজারে আনছে। অনেকের সঙ্গে আলাপ করে দেখা গেছে, সবাই সারফেস ল্যাপটপ চায়। তাই সুন্দর একটি ল্যাপটপ বাজারে আনা হলো।



ল্যাপটপটিতে নতুন উইন্ডোজ ১০ এস অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করায় এতে উইন্ডোজ স্টোর থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে। ল্যাপটপটিতে পিক্সেলসেন্স ডিসপ্লে ব্যবহৃত হয়েছে, যাতে সারফেস পেন সমর্থন করবে। ইনটেল কোর আই ৫ ও কোর আই ৭ প্রসেসর মডেলে এটি পাওয়া যাবে। এর ব্যাটারি লাইফ হবে সাড়ে ১৪ ঘণ্টা।

মাইক্রোসফটের দাবি, সারফেস ল্যাপটপ আই ৭ ম্যাকবুক প্রোর চেয়ে দ্রুত কাজ করবে। এতে ম্যাকবুক এয়ারের চেয়ে বেশিক্ষণ ব্যাটারি চলবে।

ল্যাপটপ যাতে গরম না হয়, এ জন্য নকশায় অ্যালুমিনিয়াম কাঠামোতে বাষ্প চেম্বার যুক্ত করেছে মাইক্রোসফট। কোর আই ৫ সংস্করণটিতে ৪ জিবি র‍্যাম ও ১২৮ জিবি এসএসডি থাকবে। এর দাম হবে ৯৯৯ মার্কিন ডলার। তথ্যসূত্র: সিনেট।

35
ফেসবুকের কমেন্ট বা মন্তব্য অংশে ‘রিঅ্যাকশন’ বা প্রতিক্রিয়া ইমোজি দেওয়ার সুযোগ চলে এসেছে। গত বছরে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ এই রিঅ্যাকশন বাটন ফেসবুকের জন্য চালু করে। গত বুধবার প্রান্তিক আয় ঘোষণার সময় মন্তব্য অংশে রিঅ্যাকশন বোতামগুলো চালু করার ঘোষণা দেয় ফেসবুক।



ফেসবুকের কোনো পোস্টে যেভাবে লাইক, লাভ, হাহা, ওয়াও, স্যাড ও অ্যাংরি দিয়ে প্রতিক্রিয়া জানানো যায়, এখন থেকে মন্তব্যেও এগুলো ব্যবহার করা যাবে। ডেস্কটপে লাইক বাটনের ওপর পয়েন্টার রেখে এই ইমোজি নির্বাচন করা যায়। অ্যাপ থেকে লাইক বাটনটি চেপে ধরে এই রিঅ্যাকশন নির্বাচন করা যায়।

ফেসবুকের একজন মুখপাত্র প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট অ্যাডউইককে বলেছেন, ‘ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে শুনেছি, এখন অনেকেই ফেসবুকে আলাপচারিতায় তাঁদের প্রতিক্রিয়া জানাতে চান। তাই মন্তব্যের মধ্যেও তাঁদের প্রতিক্রিয়া জানানোর সুযোগ করে দেওয়া হচ্ছে।’


তথ্যসূত্র: গ্যাজেটস নাউ, প্রথম আলো

36
Jokes / রেসিপি!
« on: March 23, 2017, 07:20:18 AM »
একদিন হোজ্জা বাজার থেকে কলিজা কিনে বাসায় যাচ্ছিলেন।এদিকে তাঁর এক বন্ধু তাঁকে কলিজার পাই বানানোর রেসিপি দিয়েছিলেন, যাতে বাসায় গিয়ে কলিজার পাই রান্না করতে পারেন।কিন্তু হঠাৎ একটি বাজপাখি উড়ে এসে কলিজা ছিনিয়ে নিয়ে একেবারে নাগালের বাইরে উড়ে চলে গেল।
বোকা কোথাকার!চেঁচিয়ে হোজ্জা বললেন, কলিজা নিয়ে গেছ ঠিক আছে, কিন্তু প্রস্তুত প্রণালী (রেসিপি)তো আমার কাছে!

37
Jokes / হোজ্জার একদিন
« on: March 23, 2017, 07:19:15 AM »
একদিন হোজ্জার স্ত্রী খুব অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং চিকিৎসক ডাকতে বলেন।হোজ্জা তাঁর স্ত্রীর অসুস্থতা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়লেন।তিনি ছুটে গেলেন চিকিৎসক ডেকে আনার জন্য।কিন্তু রাস্তার দিকের জানালার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় স্ত্রী জানালা দিয়ে গলা বের করে চেঁচিয়ে বললেন, আল্লাহকে ধন্যবাদ! ব্যথাটা চলে গেছে, চিকিৎসকের দরকার নেই। হোজ্জা স্ত্রীর কথা শুনলেন এবং চিকিৎসকের বাড়ির দিকে দৌড়ে গেলেন।বললেন, ডাক্তার, আমার স্ত্রী খুব অসুস্থ ছিল এবং আপনাকে ডেকে আনার জন্য বলেছিল।কিন্তু আপনাকে ডেকে আনতে বের হওয়ার সময় বলল সে সুস্থ বোধ করছে, আপনাকে ডাকার দরকার নেই।তাই আপনাকে পুরো ব্যাপারটা বলতে এলাম এই জন্য যে তাকে দেখতে আসতে হবে না।

38
একদিন রাতে হোজ্জার প্রতিবেশি শুনল হোজ্জার সাথে তার স্ত্রীর ঝগড়া চলছে। কিন্তু কিছুক্ষণ পর ভারী একটা কিছু পড়ার আওয়াজ হলো তারপর সব চুপচাপ। পরদিন সকালে প্রতিবেশি হোজ্জা কে জিজ্ঞাস করে, 'কাল রাতে আপনার বাসায় ভারী কিছু একটা পড়ার শব্দ পেলাম'।

'আমার বিবি রাগ করে আমার কোর্তা জানালা দিয়ে নিচে ফেলে দেয়', হোজ্জা জানায়।

'একটা কোর্তা পড়ায় এত শব্দ হয়', প্রতিবেশি অবাক।

'আরে কোর্তার ভিতর তো আমিও ছিলাম', হোজ্জা বিরস মুখে জানায়।

39
Faculty Sections / ভুট্টার উপকারিতা
« on: March 23, 2017, 06:32:45 AM »
সারা পৃথিবীতে ভুট্টা অনেক জনপ্রিয় একটি শস্য। আমেরিকা ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের প্রধান খাদ্য হচ্ছে ভুট্টা। ভুট্টা শুধুমাত্র বিপাকের জন্য প্রয়োজনীয় ক্যালোরিই সরবরাহ করেনা বরং ভিটামিন এ, বি, ই এবং অনেক প্রকার খনিজ ও সরবরাহ করে। ১০০ গ্রাম বেবিকর্ণে আছে ১৮ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ২৬ ক্যালোরি, ১ গ্রাম ফ্যাট, ২ গ্রাম প্রোটিন, ১.৬ গ্রাম ফাইবার। বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি মুক্ত হয়ে স্বাস্থ্যবান থাকার জন্য আপনার খাদ্যতালিকায় ভুট্টা রাখুন।উচ্চমাত্রার ফাইবারের উপস্থিতির জন্য ভুট্টা পরিপাকতন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যা যেমন- কোষ্ঠকাঠিন্য, অর্শরোগ ও কোলোরেক্টাল ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভুট্টার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট অ্যান্টিকারসিনোজেনিক এজেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং আলঝেইমার্স রোগ প্রতিরোধ করে। মানসম্মত পুষ্টিকর উপাদানের উপস্থিতির জন্য ভুট্টার স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক। খাবারের স্বাদ বৃদ্ধির পাশাপাশি ভুট্টা ফাইটোকেমিক্যালে সমৃদ্ধ। ভুট্টার গবেষণালব্ধ ও সুদূরপ্রসারী স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক।

আসুন জেনে নেই ভুট্টার কিছু স্বাস্থ্য উপকারিতা –

১। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ

ভুট্টা ভিটামিন সি, ক্যারোটিনয়েড ও বায়োফ্লাভোনয়েডস এ সমৃদ্ধ যা রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি করে এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে হৃদপিণ্ডকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। জার্নাল  অফ নিউট্রিশনাল বায়োক্যামিস্ট্রির মতে, ভুট্টার তুষের তেল গ্রহণ করলে প্লাজমার এলডিএল কোলেস্টেরল এর মাত্রা কমে শরীরে কোলেস্টেরলের শোষণ কমানোর মাধ্যমে।

২। অ্যানেমিয়া প্রতিরোধ

বেবি কর্ণে ভালো পরিমাণে আয়রন থাকে। তাই ভুট্টা খেলে আয়রনের ঘাটতি পূরণ হয় এবং রক্তস্বল্পতা বা অ্যানেমিয়া প্রতিরোধ করে।

৩। পরিপাকের উন্নতি

উচ্চমাত্রার ফাইবার থাকে বলে ভুট্টা খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়। ডায়েটিশিয়ান ডা. আস্থা শর্মা বলেন, একটি গবেষণায় কোলন ক্যান্সারের রোগীদের ভুট্টা খাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

৪। হাইপারটেনশন কমায়

ফেনলের উপস্থিতির জন্য ভুট্টা খেলে উচ্চরক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।

৫। গর্ভাবস্থার জন্য অত্যাবশ্যকীয়

ফলিক এসিডের চমৎকার উৎস বেবিকর্ণ এবং শিশুর ওজন বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। গর্ভাবস্থায় খুবই সাধারণ একটি অভিযোগ হচ্ছে কোষ্ঠকাঠিন্য। তাই গর্ভবতী মহিলাদের খাদ্যতালিকায় বেবিকর্ণ যুক্ত করাটা জরুরী।

৬। ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়

ভুট্টা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ। তাই ক্যান্সার সৃষ্টিকারী ফ্রি র‍্যাডিকেল এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে পারে এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

৭। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ

বেবি কর্ণের গ্লিসামিক ইনডেক্স কম বলে ডায়াবেটিস মেলাইটিসের জন্য উপকারি।

৮। দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটায়

ভিটামিন এ এর ভালো উৎস হওয়ায় ভুট্টা দৃষ্টিশক্তির উন্নতিতে সাহায্য করে।

৯। খনিজের শক্তিশালী উৎস

ছোট্ট হলুদ ভুট্টার শাঁসে এত বেশি খনিজ থাকে যা আপনি চিন্তাও করতে পারবেন না! এতে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন ও কপার থাকে এবং সবচেয়ে  গুরুত্বপূর্ণ ফসফরাস থাকে যা স্বাস্থ্যকর হাড়ের জন্য প্রয়োজনীয়। এই খনিজ উপাদানটি শুধুমাত্র হাড়ের ফাটল রোধ করেনা বরং কিডনির স্বাভাবিক কাজ বৃদ্ধি করে।

১০। ত্বকের যত্ন

ভুট্টা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় ত্বককে দীর্ঘদিন যাবত সতেজ থাকতে সাহায্য করে। ভুট্টা খাওয়ার পাশাপাশি ভুট্টার তেল ব্যবহার ও উপকারি কারণ এতে লিনোলেইক এসিড থাকে। ভুট্টার মাড় ত্বকের চুলকানি ও র‍্যাশ প্রশমিত হতে সাহায্য করে।

তথ্যসূত্রঃ বিডিমর্নিং

40
আমলকি এক প্রকার ভেষজ ফল। সংস্কৃত ভাষায় এর নাম - আমালিকা। ইংরেজি নাম -aamla বা Indian gooseberry। আমলকি গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Phyllanthus emblica বা Emblica officinalis। এর স্বাদ প্রথমে কষাটে লাগলেও খাওয়া শেষে মুখে মিষ্টি ভাব আসে। আমলকির অনেক ভেষজ গুণ রয়েছে। প্রতিদিন একটি আমলকি খাওয়ার অভ্যেস করুন।

আমলকিতে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে। পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, আমলকিতে পেয়ারা ও কাগজি লেবুর চেয়ে ৩ গুণ ও ১০ গুণ বেশি ভিটামিন সি রয়েছে। আমলকিতে কমলার চেয়ে ১৫ থেকে ২০ গুণ বেশি, আপেলের চেয়ে ১২০ গুণ বেশি, আমের চেয়ে ২৪ গুণ এবং কলার চেয়ে ৬০ গুণ বেশি ভিটামিন সি রয়েছে।

প্রতিদিন এক গাদা ভিটামিন ট্যাবলেট না খেয়ে খান একটি করে আমলকী। কিংবা আমলকীর আচার। খেতে পারেন আমলকীর মোরব্বা কিংবা আমলকীর পাউডার ব্যবহার করতে পারেন রান্নায়। এই সামান্য আমলকী আপনার দেহের করবে বিস্ময়কর সব উপহার। কীভাবে জানতে চান? আসুন জানি প্রতিদিন একটি আমলকী খাওয়ার ২০টি উপকারিতা সম্পর্কে।

-আমলকী চুলের টনিক হিসেবে কাজ করে এবং চুলের পরিচর্যার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি কেবল চুলের গোড়া মজবুত করে তা নয়, এটি চুলের বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে।
-এটি চুলের খুসকির সমস্যা দূর করে ও পাকা চুল প্রতিরোধ করে।
-আমলকীর রস কোষ্ঠকাঠিন্য ও পাইলসের সমস্যা দূর করতে পারে। এছাড়াও এটি পেটের গোলযোগ ও বদহজম রুখতে সাহায্য করে।
-এক গ্লাস দুধ বা পানির মধ্যে আমলকী গুঁড়ো ও সামান্য চিনি মিশিয়ে দিনে দু’বার খেতে পারেন। এ্যাসিডেটের সমস্যা কম রাখতে সাহায্য করবে।
-আধা চূর্ণ শুষ্ক ফল এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে খেলে হজম সমস্যা কেটে যাবে। খাবারের সঙ্গে আমলকীর আচার হজমে সাহায্য করে।
-প্রতিদিন সকালে আমলকীর রসের সঙ্গে মধু মিশে খাওয়া যেতে পারে। এতে ত্বকের কালো দাগ দূর হবে ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।
-আমলকীর রস দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছড়াও চোখের বিভিন্ন সমস্যা যেমন চোখের প্রদাহ। চোখ চুলকানি বা পানি পড়ার সমস্যা থেকে রেহাই দেয়।
-আমলকী চোখ ভাল রাখার জন্য উপকারী। এতে রয়েছে ফাইটো-কেমিক্যাল যা চোখের সঙ্গে জড়িও ডিজেনারেশন প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
-এছাড়াও প্রতিদিন আমলকির রস খেলে নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধ দূর হয় এবং দাঁত শক্ত থাকে।
-আমলকীর টক ও তেতো মুখে রুচি ও স্বাদ বাড়ায়। রুচি বৃদ্ধি ও খিদে বাড়ানোর জন্য আমলকী গুঁড়োর সঙ্গে সামান্য মধু ও মাখন মিশিয়ে খাওয়ার আগে খেতে পারেন।
-রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং মানসিক চাপ কমায়।
-কফ, বমি, অনিদ্রা, ব্যথা-বেদনায় আমলকী অনেক উপকারী।
-ব্রঙ্কাইটিস ও এ্যাজমার জন্য আমলকীর জুস উপকারী।
-শরীর ঠাণ্ডা রাখে, শরীরের কার্যক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে, পেশী মজবুত করে।
-এটি হৃদযন্ত্র, ফুসফুসকে শক্তিশালী করে ও মস্তিষ্কের শক্তিবর্ধন করে। আমলকীর আচার বা মোরব্বা মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা দূর করে।
-শরীরের অপ্রয়োজনীয় ফ্যাট ঝরাতে সাহায্য করে।
-লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা বাড়িয়ে তুলে দাঁত ও নখ ভাল রাখে।
-এর এ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান ফ্রি র‌্যাডিকালস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। বুড়িয়ে যাওয়া ও সেল ডিজেনারেশনের অন্যতম কারণ এই ফ্রি র‌্যাডিকালস।
-সর্দি-কাশি, পেটের পীড়া ও রক্তশূন্যতা দূরীকরণে বেশ ভালো কাজ করে।
-ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রেখে ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। কোলেস্টেরল লেভেলেও কম রাখাতে যথেষ্ট সাহায্য করে।


41
Faculty Sections / ধনে পাতার উপকারিতা!
« on: March 23, 2017, 06:29:33 AM »
ধনে পাতার স্বাদ ও গন্ধের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে থাকেন না এমন ব্যক্তি কিন্তু খুব কম-ই আছে। প্রায় সব ধরনের তরকারিতেই ধনে পাতা স্বাদ বৃদ্ধি করে থাকে; সেই সাথে যুক্ত করে অসাধারণ ঘ্রাণ। ধনে পাতা কি শুধু স্বাদে গন্ধেই অনন্য? খাদ্য ও পুষ্টিগুণ বিচারে ধনে পাতার উপকারিতা বর্ণনাতীত।

ধনে পাতার পুষ্টিগুণ


ধনে পাতার উপকারিতা না জেনেই অধিকাংশ মানুষ নিয়মিত বিভিন্ন তরকারিতে এটি খেয়ে আসছে। ধনে পাতায় রয়েছে ১১ জাতের এসেনশিয়াল অয়েল, ৬ ধরণের অ্যাসিড (অ্যাসকরবিক অ্যাসিড যা ভিটামিন সি নামেই বেশি পরিচিত), ভিটামিন, মিনারেল এবং অন্যান্য উপকারী পদার্থ।

ধনে পাতা কী কী উপকার করে থাকে?

ধনে পাতায় উপস্থিত সিনিওল এসেনশিয়াল অয়েল এবং লিনোলিক অ্যাসিড থাকে যার মধ্যে অ্যান্টিরিউম্যাটিক এবং অ্যান্টি-আর্থ্রাইটিক বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। এরা ত্বকের জ্বালাপোড়া এবং ফুলে যাওয়া কমাতে সাহায্য করে। ডিসইনফেকট্যান্ট, ডিটক্সিফাইং বা বিষাক্ততা রোধকারী, অ্যান্টিসেপটিক, অ্যান্টিফাঙ্গাল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান থাকার কারণে এরা বিভিন্ন স্কিন ডিজঅর্ডার বা ত্বকের অসুস্থতা (একজিমা, ত্বকের শুষ্কতা এবং ফাঙ্গাল ইনফেকশন) সারাতে সাহায্য করে। ত্বক সুস্থ ও সতেজ রাখতে তাই ধনে পাতার উপকারিতা অনেক।

ধনে পাতায় থাকে লিনোলিক, অলিক, পাল্মিটিক, স্টেরিক এবং অ্যাসকরবিক অ্যাসিড যা শরীরের কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।
বর্নেওল এবং লিনালোল অন্ত্রের কার্যকারিতা স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। ফলে যকৃত ও বাওয়েল সুস্থ থাকে এবং ডায়রিয়া কমাতেও সাহায্য করে। মাইক্রোবিয়াল এবং ফাঙ্গাল প্রতিক্রিয়ার কারণে ডায়রিয়া হোলে সেটা সারিয়ে তুলে। বমি বমি ভাব, বমি হওয়া এবং অন্যান্য পাকস্থলীর সমস্যা সমাধানে ধনে পাতার উপকারিতা অপরিসীম। ক্যালসিয়াম আয়ন এবং কলিনার্জিক বা অ্যাসেটিকোলিন উপাদান মিলে আমাদের শরীরের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে। মুখের আলসার দূর করতে সহায়তা করে।

ধনে পাতায় প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকায় এরা রক্তশূন্যতা দূর করতে সাহায্য করে। অ্যান্টি হিস্টামিন উপাদান থাকায় এরা অ্যালার্জি বা এর ক্ষতিকারক প্রভাব থেকে দূরে রাখে। খাবারের মাধ্যমে সৃষ্ট সবচেয়ে ভয়াবহ রোগ সালমোনেলা। ধনে পাতায় উপস্থিত ডডেসিনাল উপাদান প্রাকৃতিক উপায়ে সালমোনেলা জাতীয় রোগ সারিয়ে তুলতে অ্যান্টিবায়টিকের থেকে দ্বিগুণ কার্যকর। ধনে পাতায় প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম আছে। হাড় মজবুত এবং সুস্থ রাখতে  ধনে পাতার উপকারিতা অনেক। এর মধ্যে থাকা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টিইনফেকসাস্‌, ডিটক্সিফাইং, ভিটামিন সি এবং আয়রন গুটিবসন্ত প্রতিকার এবং প্রতিরোধ করে।

ধনে পাতায় উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এবং মিনারেল (যেমনঃ ফসফরাস) চোখের যত্নে খুবই উপকারী। এর মধ্যে থাকা মাইক্রোবিয়াল উপাদান ছোঁয়াচে রোগ (যেমনঃ কনজাংটিভাইটিস) থেকেও চোখকে রক্ষা করে। এরা শরীরের ইনসুলিন নিঃসরণের মাত্রা বাড়িয়ে রক্তে সুগার এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

42
একদা মোল্লা নাসিরউদ্দিন নিজের জন্য একটা জোব্বা কিনতে গেল একটি দোকানে। তো পছন্দ করার পর দোকানদার জোব্বাটা প্যাকেট করে দিল। মোল্লা জোব্বা নিয়ে চলে আসার সময় ভাবলেন জোব্বা না নিয়ে বরং একটি আলখাল্লা নিয়ে যাই। দোকানীকে বলল, আপনি বরং আমাকে একটি আলখাল্লা দাও। দোকানী আলখাল্লা দেয়ার পর মোল্লা নাসিরউদ্দিন তা নিয়ে বের হয়ে আসার সময় দোকানী ডেকে বলল, হোজ্জা সাহেব আপনিতো আলখাল্লা'র মূল্য পরিশোধ করেননি। তখন মোল্লা উত্তর দিল আমি তো আলখাল্লা'র পরিবর্তে জোব্বা'টা রেখে গেলাম। তখন দোকানী বললেন, আপনিতো জোব্বা'র জন্যও মূল্য পরিশোধ করেননি। প্রতি উত্তরে মোল্লা বললেন, যেটা আমি নেইনি তার জন্য মূল্য পরিশোধ করব কেন?

43
শতগুণ বেশি গতির ওয়াইফাই ইন্টারনেট প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন বিজ্ঞানীরা। এই প্রযুক্তি ওয়াইফাই প্রযুক্তিতে বিপ্লব ঘটাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন নেদারল্যান্ডের এইনদোবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা। এ বার নাকি চোখের পলকে ডেটা আদান প্রদান করা যাবে তাদের তৈরি অত্যাধুনিক ওয়াইফাই মডেমের মাধ্যমে।

ওয়াই-ফাইয়ের মাধ্যমে এক জনের বেশি গ্রাহক ইন্টারনেট ব্যবহার করলে, তার স্পিড অনেকটাই নেমে যায়। কিন্তু এই ক্ষেত্রে প্রতি সেকেন্ডে ৪০ গিগাবাইট স্পিডে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যাবে। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, এই প্রযুক্তির সিস্টেম খুবই সাধারণ এবং প্রতিস্থাপন করাও সোজা। এই ডিভাইসে কিছু লাইট অ্যান্টেনা থাকবে যার মাধ্যমে ডেটা ট্রান্সফার করা যাবে। যদি সিলিংয়ে এটিকে আটকানো যায়, অপটিক্যাল ফাইবারের মাধ্যমে যেকোনো কোণে, যেকোনো জায়গায় এই রশ্মি পৌঁছানোর ক্ষমতা রয়েছে।

কক্ষে ছড়িয়ে থাকা ওয়াইফাই রশ্মি কোনো ভাবে ক্ষতিকারক নয় বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। কী ভাবে  কাজ করবে এই রশ্মিগুলি? তারা জানিয়েছেন, আপনি যদি স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটে ওয়াইফাই ব্যবহার করেন, এক জায়গা থেকে অন্য জায়গা গেলেও কোনো অসুবিধা নেই। এক রশ্মির আওতা থেকে বেরিয়ে গেলে অন্য রশ্মির সঙ্গে কানেক্ট হয়ে যাবে আপনার স্মার্টফোনে।

এখন আমরা যে ওয়াইফাইয়ে ইন্টানেট ব্যবহার করি, তার রেডিও সিগন্যাল থাকে ২.৫ বা ৫ গিগা হার্জ। আর এই নতুন প্রযুক্তির ওয়াইফাইতে আড়াই মিটার দূরত্ব থেকে সেকেন্ডে ৪২.৮ গিগাবাইট স্পিড পাবেন।


সূত্রঃ ঢাকাটাইমস/২০মার্চ

44
২০১৬ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট সংযোগের গড় গতি বেড়েছে। চতুর্থ প্রান্তিকে এর আগের প্রান্তিকের তুলনায় ইন্টারনেট সংযোগের গড় গতি ১২ শতাংশ বেড়ে
৭ এমবিপিএসে পৌঁছেছে। বার্ষিক হিসাবে এক বছর আগের একই প্রান্তিকের তুলনায় গড় গতি বেড়েছে ২৬ শতাংশ। মার্কিন কনটেন্ট সরবরাহ নেটওয়ার্ক ও ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান আকামাই টেকনোলজিস প্রকাশিত ‘স্টেট অব দি ইন্টারনেট’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর টেলিকম এশিয়া।

আকামাই টেকনোলজিসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে দক্ষিণ কোরিয়া ইন্টারনেট সংযোগের গড় গতিতে নেতৃত্ব ধরে রেখেছে; চতুর্থ প্রান্তিকে দেশটিতে গড় গতি ২৬ দশমিক ১ এমবিপিএসে দাঁড়িয়েছে। তবে গত বছরের তৃতীয় ও দ্বিতীয় প্রান্তিকে দেশটিতে ইন্টারনেট সংযোগের গড় গতি ছিল যথাক্রমে ২৬ দশমিক ৩ ও ২৭ এমবিপিএস। বৈশ্বিক ইন্টারনেট সংযোগের গড় গতি বিবেচনাতেও দেশটি শীর্ষে রয়েছে।
‘স্টেট অব দি ইন্টারনেট’ শীর্ষক প্রতিবেদনে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগের গতির ক্ষেত্রেও ইতিবাচক অর্জন দেখা গেছে। বিশ্বব্যাপী বার্ষিক ৪, ১০, ১৫ ও ২৫ এমবিপিএস গতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহার বেড়েছে যথাক্রমে ১৫, ৩১, ৩৭ ও ৪৫ শতাংশ।
স্টেট অব দি ইন্টারনেট প্রতিবেদনের সম্পাদক ডেভিড বেলসন বলেন, ২০০৪ সালে যখন প্রথম ইন্টারনেটের গড় গতি-বিষয়ক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়, তখন দ্রুত গতির ব্রডব্যান্ড সংযোগ মানে ছিল ৫ এমবিপিএস বা এর কিছু বেশি। বিশ্বব্যাপী আজ থেকে প্রায় নয় বছর আগে ব্রডব্যান্ড ব্যবহারের হার ছিল ১৬ শতাংশ। বর্তমানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারের হার বেড়েছে উল্লেখযোগ্য।
তিনি বলেন, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ১৫ এমবিপিএস গতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহার করছে ২৫ শতাংশ সংযোগ ব্যবহারকারী। দ্রুত গতির ইন্টারনেট ব্যবহারের প্রবণতা নতুন ব্যবসা সৃষ্টি ও বিপুল সংখ্যক ব্যবহারকারীর ইন্টারনেট বিষয়ে অভিজ্ঞতা বাড়াতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। একই সঙ্গে গ্রাহক পর্যায়ে বিভিন্ন সংযুক্ত ডিভাইস ব্যবহার বৃদ্ধি বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর ইন্টারনেট অভিজ্ঞতা বাড়াতেও ভূমিকা রাখছে।
আকামাই টেকনোলজিসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোবাইল ইন্টারনেট সংযোগের গড় গতিতে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাজ্য (২৬ দশমিক ৮ এমবিপিএস)। এক্ষেত্রে সবচেয়ে কম গড় গতি রেকর্ড করা হয়েছে ভেনিজুয়েলায় (২ দশমিক ৯ এমবিপিএস)।

বিশ্বব্যাপী যেসব দেশের ওপর জরিপ পরিচালনা করে স্টেট অব দি ইন্টারনেট প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে, এগুলোর মধ্যে ৩০টি দেশের গড় মোবাইল ইন্টারনেট সংযোগ গতি ১০ এমবিপিএস ছাড়িয়ে গেছে। এর আগের প্রতিবেদনে এমন দেশের সংখ্যা ছিল ২৪টি। পাশাপাশি ৫৮টি দেশে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগের গড় গতি ৪ এমবিপিএস ছাড়িয়েছে। এর আগের প্রতিবেদনে এ ধরনের দেশের সংখ্যা ছিল ৫২টি।
বিশ্বব্যাপী চতুর্থ প্রান্তিকে বেশকিছু ইন্টারনেট বিভ্রাটের ঘটনা ঘটেছে। পাকিস্তান টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেড (পিটিসিএল) এ সময়ই টেকনিক্যাল কারণে তাদের ইন্টারনেট সেবা বিভ্রাটের কথা জানিয়েছিল। এতে গত ডিসেম্বরে দেশটিতে আকস্মিক ইন্টারনেট সেবা সরবরাহ বিঘ্নিত হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিভিন্ন দেশে ইন্টারনেটের গতির ক্ষেত্রেও বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। দৈনন্দিন জীবনের অনেক কাজ এখন ইন্টারনেটনির্ভর হয়ে পড়েছে। ইন্টারনেট গতি এক্ষেত্রে বেশ গুরুত্বপূর্ণ।


সূত্রঃ বণিকবার্তা

45
ইন্টারনেটের দাম নিয়ে বিভিন্ন ধরনের মত আছে। এ সেবা পণ্যর সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন পক্ষ এর দরদাম নিয়ে কথা বললেও দাম কত হওয়া উচিত-সে বিষয়ে কেউই সমঝোতায় আসতে পারেননি। ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান, মোবাইলফোন অপারেটর, ব্রডব্যান্ড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো ভিন্ন ভিন্ন দামে ইন্টারনেট বিক্রি করে। ফলে ভোগান্তি গ্রাহকদের। তাদের মতে, দেশে ইন্টারনেটের দাম বেশি।

সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর ভাষ্য, তারা ব্যান্ডউইথের দাম কমিয়েছে। সমালোচকরা বলছেন,  ব্যান্ডউইথের এর দামের সঙ্গে ইন্টারনেটের দাম কমার সম্পর্ক খুবই কম। কারণ ব্যান্ডউইথ কিনতে তাদের যে টাকা খরচ হয় তা ইন্টারনেট সেবাদানের মোট খরচের মাত্র ৫-৮ শতাংশ। ফলে ব্যান্ডউইথ ফ্রি করে দিলেও তা ইন্টারনেটের দামের ওপর খুব একটা প্রভাব ফেলবে না।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনোয়ার হোসেন বলেন, ‘ব্যান্ডউইথ এবং এর পরিবহনের (ট্রান্সমিশন) সঙ্গে যেসব পক্ষ জড়িত সেসব পক্ষ যদি তাদের সেবার দাম না কমায়, মার্জিন কম না রাখে, তাহলে ব্যান্ডউইডথ ফ্রি করে দিলেও ইন্টারনেট ব্যবহার খরচ কমবে না।’

ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ আমদানি করতে অন্তত ১৬টি পক্ষ জড়িত থাকে। এদের মধ্যে রয়েছে- ইন্টারনেট ট্রানজিট (আইপি ক্লাউড), বিদেশি ডাটা সেন্টারের ভাড়া, দেশি-বিদেশি ব্যাকহল চার্জ, ল্যান্ডিং স্টেশন ভাড়া, কেন্দ্রীয় সার্ভারের পরিবহন খরচ, গেটওয়ে ভাড়া, আইএসপি প্রতিষ্ঠানের মুনাফা, এনটিটিএন প্রতিষ্ঠানের নেটওয়ার্ক ভাড়া, ইন্টারনেট যন্ত্রাংশের ওপর জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ধার্য করা ভ্যাট ও শুল্ক, বিটিআরসির রাজস্ব ভাগাভাগি ইত্যাদি।

শুধু ব্যান্ডউইথ নয়, এসব পক্ষগুলোর সেবাচার্জ আনুপাতিক হারে কমালেই কেবল ইন্টারনেটের দাম বর্তমানের চেয়ে আরও কমানো সম্ভব বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, শিগগিরই ইন্টারনেটের দাম কমানো হবে।

গত বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম জানান,  ‘গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেটের মূল্য কমিয়ে সাধারণ জনগণের নাগালে নিয়ে আসাই আমার লক্ষ্য। শিগগিরই আমরা ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ থেকে গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেটের দাম কমাতে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবো।’

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক ২০১৫ সালে একটি অনুষ্ঠানে জানান, ‘ইন্টারনেটের দাম সরকার বেঁধে দেবে। কিন্তু এখনও দাম বাঁধা হয়নি। দেশে মোবাইলফোনের ভয়েস কলের উচ্চসীমা ও নিম্নসীমা বেঁধে দেওয়া হলেও ইন্টারনেটের দাম কখনও বিটিআরসি বেঁধে দেয়নি। দাম বেঁধে দিলে গ্রাহকরা কম দামে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন।’

২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত ডিজিটাল বাংলাদেশ টাস্কফোর্সের দ্বিতীয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘ইন্টারনেটের দাম সহনীয় পর্যায়ে’ আনতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। দুই বছর পার হয়ে গেলেও দৃশ্যমান কোনও অগ্রগতি হয়নি।

সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে বিটিআরসির চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ বলেন, ‘আমরা ইন্টারনেটের ‘কস্ট মডেলিং’-এর উদ্যোগ নিয়েছি। শিগগিরই এ বিষয়ে একজন পরামর্শক নিয়োগ করা হবে। পরামর্শকের কাজ হবে, বাস্তবতার আলোকে ইন্টারনেটের যৌক্তিক দাম নির্ধারণ করা।’ এ বিষয়েও কোনও অগ্রগগির খবর পাওয়া যায়নি।

ব্যান্ডউইথের দাম পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ২০০৭ সালে প্রতি মেগা ব্যান্ডউইথ বিক্রি হতো ৭২ হাজার টাকায়, ২০০৯ সালে ১২ হাজার টাকা, ২০১১ সালে ১০ হাজার টাকা, ২০১২ সালে ৮ হাজার টাকা এবং বর্তমানে ৬২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত ১০ বছরে প্রতি মেগা ব্যান্ডইউথে দাম কমেছে ৭১ হাজার ৩৭৫ টাকা। সেই তুলনায় ইন্টারনেটের দাম কত কমেছে। আর এখন ইন্টারনেটের দাম কত হওয়া উচিত?

এ বিষয়ে শ্রীলঙ্কা ভিত্তিক টেলিযোগাযোগ বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান লার্ন এশিয়ার সিনিয়র ফেলো আবু সায়ীদ খান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বাজারই ঠিক করে দেবে ইন্টারনেটের দাম কত হওয়া উচিত। সরকার বা অন্য কেউ এটা ঠিক করে দিতে পারে না। প্রতিযোগিতাই এখানে চূড়ান্ত নির্ধারক, মূল খেলোয়াড়।’

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল বিভাগের অধ্যাপক ও রোবটিকস এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সিস্টেম বিশেষজ্ঞ রোকন-উজ-জামান বলেন, ‘সার্বিক বিবেচনায় প্রতি জিবি (গিগাবাইট) ইন্টারনেটের দাম ৫ টাকায় নেমে আসা উচিত বা ৫ টাকা হওয়া উচিত।’

এদিকে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন আইএসপিএবি টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থাতে একটি প্রস্তাব জমা দিয়েছে। প্রস্তাবিত ইন্টারনেটের মূল্যসীমা কার্যকর হলে ঢাকায় ইন্টারনেটের দাম না কমলেও গতি বাড়বে বলে জানানো হয়। একই সঙ্গে ঢাকার বাইরে গতি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দামও কমবে। ঢাকায় বর্তমানের চেয়ে গতি দ্বিগুণের বেশি বাড়তে পারে। আর ঢাকার বাইরে বর্তমানের অর্ধেক দামে মিলতে পারে ইন্টারনেট।

আইএসপিএবির প্রস্তাবে বলা হয়েছে, ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে (আইআইজি) ও এনটিটিএনগুলোর ব্যান্ডউইথ, পরিবহন ও সেবাচার্জে সিলিং করে না দিলে গ্রাহকপর্যায়ে ইন্টারনেটের দাম কমানো যাবে না। এ কারণে সংগঠনটি তাদের প্রস্তাবনায় আইআইজি ও এনটিটিএন-এর চার্জের ওপর সিলিং করার প্রস্তাব দিয়েছে।

জানতে চাইলে সংগঠনটির সভাপতি আমিনুল হাকিম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ঢাকায় ইন্টারনেটের যা দাম হওয়া উচিত তার চেয়ে কমই আছে। তবে তিনি স্বীকার করেন, ঢাকার বাইরে ইন্টারনেটের দাম বেশ চড়া। কারণ, ট্রান্সমিশন চার্জ (ব্যান্ডউইথের পরিবহন খরচ) বেশি। তাই শুধু ট্রান্সমিশন খরচ কমানো গেলেই ইন্টারনেটের দাম কমানো সম্ভব।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখনই যদি ট্রান্সমিশন চার্জ ৫০ শতাংশ কমানো হয় তাহলে ইন্টারনেটের দাম ২০/২৫ ভাগ কমানো সম্ভব হবে। তবে দাম ৫০ ভাগ কমানো সম্ভব হবে না কারণ ইন্টারনেট সেবাদানের সঙ্গে অনেকগুলো পক্ষ (ওপরে উল্লেখিত ১৬টি পক্ষ) জড়িত। সব পক্ষ যদি সেবাচার্জ আনুপাতিক হারে কমায় তাহলে ঢাকা কেন, সারাদেশেই কম খরচে ইন্টারনেট সেবা দেওয়া সম্ভব।’

আমিনুল হাকিম বলেন, ‘আমরা ব্যান্ডউইথ কিনতেই মোট ব্যযের ৫/৮ ভাগ খরচ হয়। এছাড়া অফিস ভাড়া, কর্মীদের বেতনসহ বিভিন্ন ধরনের খরচ এতে যুক্ত হয়। ফলে ব্যান্ডউইথের দাম কমা মানেই কিন্তু ইন্টারনেটের দাম কমা নয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা (আইএসপিগুলো) বর্তমানে ১ মেগা গতির ইন্টারনেট বিক্রি করছি গড়ে ৫০০/৬০০ টাকায়। আর মোবাইলফোন অপারেটরগুলো ডাটা ক্যাপিং (ব্যবহারের সীমা বেঁধে দিয়ে) করে ব্যান্ডউইথ বিক্রি করে। আইএসপিগুলোর সঙ্গে মোবাইল অপারেটরগুলোর বাসাবাড়ির ইন্টারনেট সেবা বিক্রির অনুপাত ১:৫০ হলেও করপোরেট পর্যায়ে ১:১। আমরা ১০০ মেগাকে ৫০০ মেগা করে বিক্রি করলেও অপারেটররা ১ মেগাকে ৫০০ মেগা করে বিক্রি করে। এই অসম প্রতিযোগিতার কারণে গ্রাহকরা উন্নত সেবা থেকে বঞ্চিত হয়।’

জানা গেছে, মোবাইলফোন অপারেটরগুলো এক গিগা ডাটা বিক্রি করে (৭ দিনের প্যাকেজ) ৮৯/৯৪ টাকায়। একই পরিমাণ ডাটা (২৮ দিনের প্যাকেজ) বিক্রি করে ৩১৯/৩৫০ টাকায়। কোনও কোনও অপারেটর ২ গিগা ডাটা বিক্রি করে থাকে ১২৯ টাকায়। ফলে ইন্টারনেটের দাম কত হওয়া উচিত তা নিয়ন্ত্রক সংস্থারও জানা নেই!

সূত্রঃ বাংলাট্রিবিউন

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 7