Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - sisyphus

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 25
31
আপনার স্মার্টনেসের জন্য আপনার মাকে ধন্যবাদ দেওয়ার বৈজ্ঞানিক কারণ রয়েছে। মায়েরা, এখন থেকে আপনাদের সন্তানের সাফল্যে নিজেদের পিঠ চাপড়ানোর আরো একটি কারণ পাওয়া গেছে! এবং পুরুষেরা, বুদ্ধিমান শিশু পেতে বুদ্ধিমান সঙ্গিনীর খোঁজ করুন! সাইকোলজি স্পটে প্রকাশিত গবেষণা অনুসারে, সাধারণত কোনো শিশুর বুদ্ধিমত্তা আসে সবচেয়ে প্রিয় ব্যক্তি মায়ের কাছ থেকে।

কমন সেন্স ধারণা দিচ্ছে যে, শিশুরা বুদ্ধিমত্তা পেয়ে থাকে মা-বাবা উভয় থেকেই। কিন্তু গবেষণার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, কিছু জিন ভিন্নভাবে আচরণ করে, এটা নির্ভর করছে তারা মা নাকি বাবা থেকে এসেছে তার ওপর ভিত্তি করে। বুদ্ধিমত্তা নির্ণায়ক জিনগুলোর অবস্থান ক্রোমোজোম এক্সে। যেহেতু নারীরা দুটি এক্স ক্রোমোজোম এবং পুরুষেরা শুধু একটি এক্স ক্রোমোজোম বহন করে, তাই শিশুদের মায়ের কাছ থেকে বুদ্ধিমত্তা পাওয়ার সম্ভাবনা দ্বিগুণ। এছাড়া গবেষণার প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাবার কাছ থেকে প্রাপ্ত বুদ্ধিমান জিনগুলো নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়।

আপনার এখনো বিশ্বাস হচ্ছে না? তাহলে কয়েক দশক পূর্বের প্রমাণে ফিরে যান। ১৯৯৪ সালে মেডিক্যাল রিসার্চ কাউন্সিল সোশ্যাল অ্যান্ড পাবলিক হেলথ সায়েন্স ইউনিটের গবেষকরা ১৪ থেকে ২২ বছর বয়সের ১২,৬৮৬ জন লোকের ইন্টারভিউ নেন। ফলাফল? শিশুদের আইকিউ, জাতি, শিক্ষা ও আর্থসামাজিক অবস্থা মূল্যায়নের পর পাওয়া যায় যে, বুদ্ধিমত্তার সর্বোত্তম প্রেডিক্টর ছিল মায়ের আইকিউ।

কেন স্মার্ট মায়েদের শিশুরা স্মার্ট হয়? এর পেছনে বৈজ্ঞানিক হাইপোথিসিস ছাড়াও অন্য একটি যুক্তিসংগত ব্যাখ্যা রয়েছে। যেহেতু মায়েরা প্রায়সময় প্রাথমিক সেবাদাতার ভূমিকায় থাকে, তাই তারা গুরুত্বপূর্ণ মস্তিষ্ক বিকাশের সময়টাতে শিশুদের পরিবেশের প্রাথমিক স্থপতিও, ফোর্বস অনুসারে। গবেষণা বলছে যে, বেশি বয়সের মায়েরা তুলনামূলক ভালো মা।

কিন্তু বাবার ভূমিকাকেও অবহেলা করার কিছু নেই। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, মাত্র ৪০ থেকে ৬০ শতাংশ বুদ্ধিমত্তা বংশগত- অন্যান্য পরিবেশগত ফ্যাক্টরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

তথ্যসূত্র : রিডার্স ডাইজেস্ট, রাইজিংবিডি এস এম গল্প ইকবাল

32
বয়স্ক নারীরা প্রতি সপ্তাহে ছয় মিনিটের সাধারণ লাফানোর ব্যায়ামের মাধ্যমে সম্ভবত তাদের অস্টিওপোরোসিস (হাড় ক্ষয়) রোগের ঝুঁকি কমাতে পারেন। ৩ দিন ২ মিনিট করে সপ্তাহে ৬ মিনিট লাফ।

সাম্প্রতিক এক গবেষণায় বলা হয়েছে, কোনো গ্রাউন্ড বা বক্স থেকে লাফ দেয়া পা ও নিতম্বের মাংসপেশিতে পর্যাপ্ত জোর ও চাপ ফেলে, যা বয়স বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সংঘটিত হাড়ের ক্ষয় প্রতিরোধ করতে পারে।

ম্যানচেস্টার মেট্রোপলিটান ইউনিভার্সিটির ডা. গ্যালিন মন্টগোমারি ৫০ বছর বয়সী ১৪ জন নারীর ওপর এ ব্যায়াম নিয়ে গবেষণা চালান। তিনি বলেন, ‘এই ব্যায়াম আসলেই সহজ এবং নিজের ঘরে সুবিধামতো যেকোনো স্থান থেকে এ ব্যায়াম চর্চা করা যায়। প্রায়ক্ষেত্রে শুধুমাত্র হাঁটা আপনার হাড়ের জন্য পর্যাপ্ত নয় এবং আমরা আশা করছি যে, এ গবেষণার ফলাফলে উদ্বুদ্ধ হয়ে আরো নারী এই ‘হাই ইম্প্যাক্ট ব্যায়াম (সাধারণত অ্যারোবিক ব্যায়াম, যা শরীরে প্রচুর চাপ ফেলে)’ করবেন।

গবেষণায় নারীরা সর্বোত্তম ফল পান ‘কাউন্টার-মুভমেন্ট জাম্প’ থেকে। এ গবেষণায় হাড়ের ঘনত্ব মাপা হয়নি, কিন্তু এ ব্যায়ামের সময় ফ্লোরে অবতরণের প্রভাব ছিল উল্লেখযোগ্য।

ধারণা করা হচ্ছে যে, লাফ দেয়ার ফলে নারীদের মাংসপেশিতে যে চাপ পড়ে তা হাড়কে মজবুত করার জন্য যথেষ্ট। পূর্বের গবেষণায়ও মাংসপেশির ওপর অনুরূপ প্রভাব পাওয়া গেছে। ডা. মন্টগোমারি বলেন, ‘এই ব্যায়ামের উপকারিতা প্রতিবছর হাড়ের খনিজ ঘনত্বের নিট বৃদ্ধি ২ শতাংশের সমান, যা অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ করতে যথেষ্ট।’

রুষের তুলনায় নারীদের অস্টিওপোরোসিসের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি- বিশেষ করে মেনোপজের কাছাকাছি সময়ে। পঞ্চাশোর্ধ্ব নারীদের মধ্যে অস্টিওপোরোসিস অতি কমন, এ কন্ডিশনের কারণে পঞ্চাশোর্ধ্ব নারীদের প্রায় অর্ধেকেরই একটি হাড় ভেঙে যায়- একারণে এ কন্ডিশনকে ‘ব্রিটল বোন ডিজিজ’ বা ভঙ্গুরপ্রবণ হাড় রোগও বলে।

যদিও ব্যায়াম হাড়কে শক্তিশালী বা মজবুত করে, কিন্তু মধ্য-বয়স্ক নারীরা কাজের চাপ, ছেলেমেয়েদের দেখাশোনা এবং বৃদ্ধ পিতামাতাদের সেবাযত্নের জন্য ব্যায়াম চর্চা করার জন্য তেমন একটা সময় পায় না- তাদের জন্য সপ্তাহে ছয় মিনিটের লাফের ব্যায়াম উপযুক্ত হতে পারে। হাই-ইম্প্যাক্ট ব্যায়ামের মানে হলো হাড়কে একটু বেশি ব্যস্ত থাকতে হবে, যা গ্রোথ কোষকে উদ্দীপ্ত করে।

এ গবেষণাটি জার্নাল অব ইলেক্ট্রোমায়োগ্রাফি অ্যান্ড কিনেশিয়োলজিতে প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণায় নারীরা প্রতি চার সেকেন্ডে একটি লাফ দিয়েছেন, তারপর দীর্ঘ বিশ্রাম নিয়ে ১৫ সেকেন্ডে একটি লাফ মেরেছেন। গবেষণাটি ধারণা দিচ্ছে যে, প্রতি সপ্তাহে তিন বার করে ৩০টি লাফ অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে।

ডা. মন্টগোমারি বলেন, ‘৩০টি লাফ দিতে নারীরা ২ মিনিট সময় নিতে পারেন, ১৫টি লাফের পর তারা অল্প বিশ্রাম নিতে পারেন।’ যেসব বয়স্ক লোক তাদের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বিগ্ন, তাদের কোনো নতুন ব্যায়াম শুরু করার পূর্বে চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলা উচিৎ।

তথ্যসূত্র : ডেইলি মেইল, রাইজিংবিডি

33
আমেরিকান অ্যাকাডেমি অব কসমেটিক ডেন্টিস্ট্রি অনুসারে, লোকজন হাসিতে পরিবর্তন আনার জন্য যা সবচেয়ে বেশি করে তা হচ্ছে, নিজেদের দাঁত সাদা করা। এ প্রতিবেদনে প্রাকৃতিক ভাবে দাঁত সাদা করার ১০টি উপায় উল্লেখ করা হলো।

* চূর্ণিত স্ট্রবেরি

চূর্ণিত স্ট্রবেরি দিয়ে দাঁত ব্রাশ করার বিষয়টি আপনার কাছে উদ্ভট মনে হতে পারে, কিন্তু এটি দাঁত সাদা করার একটি চমৎকার প্রাকৃতিক উপায়। স্ট্রবেরির অ্যাসিডিক উপাদান হালকা ব্লিচিং অ্যাজেন্ট হিসেবে কাজ করে। একটি বা দুইটি পাকা স্ট্রবেরি চূর্ণ করুন, এতে আপনার টুথব্রাশ চোবান এবং তারপর স্বাভাবিক ভাবে আপনার দাঁত ব্রাশ করুন। দাঁত ব্রাশ করা শেষ হলে মুখের অ্যাসিডিটি হ্রাস করতে এবং দাঁতকে যেকোনো ধরনের ড্যামেজ থেকে রক্ষা করতে সোডার এক চিমটি বাইকার্বনেট দিয়ে মুখ ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন।

* নারকেল তেল

অয়েল পুলিং হচ্ছে, প্রাচীন ভারতীয় পদ্ধতি যেখানে মুখে তেল রেখে কয়েক মিনিট ধরে কুলকুচা করা হয়- সাধারণত আপনি যেভাবে মাউথওয়াশ ব্যবহার করেন সেভাবে। নারকেল তেল প্রাকৃতিক দাঁত সাদাকারক হিসেবে বিবেচিত এবং সাম্প্রতিক এক গবেষণা এর মৌখিক স্বাস্থ্য উপকারিতাকে সমর্থন করছে। নারকেল তেল ব্যবহার করে অয়েল পুলিং প্রকৃতপক্ষে দাঁতে প্লেকের গঠন ও মাড়ির রোগ হ্রাস করতে সাহায্য করে।

* বেকিং সোডা ও লেবুর রসের পেস্ট

লেবু কি আসলেই দাঁত সাদা করে? সংক্ষিপ্ত উত্তর হচ্ছে- হ্যাঁ! লেবুতে উচ্চমাত্রায় সাইট্রিক অ্যাসিড থাকে যা আপনার দাঁতের জন্য প্রাকৃতিক ব্লিচ হিসেবে কাজ করে। তবে এটি ক্ষতিকারক হতে পারে। কিন্তু এক চামচ লেবুর রসের সঙ্গে যথেষ্ট বেকিং সোডা দিয়ে তৈরিকৃত পেস্ট প্রকৃতপক্ষে ঘরে দাঁত সাদা করার একটি কার্যকরী ও নিরাপদ উপায়। বেকিং সোডা হালকা ক্ষয়কারী (যা দাঁতের ওপর পড়া নোংরা প্রলেপ বা দাগ দূর করতে পারে) এবং খুব ক্ষারীয়, যা লেবুর রসের প্রাকৃতিক অ্যাসিডিটি প্রশমিত করতে সাহায্য করে।

* অ্যাক্টিভেটেড কাঠকয়লা

যদি আপনি প্রাকৃতিক দাঁত সাদাকারকের খোঁজ করেন, তাহলে আপনার জন্য অ্যাক্টিভেটেড কাঠকয়লা হতে পারে অন্য একটি কার্যকরী প্রাকৃতিক উপায়। অ্যাক্টিভেটেড কাঠকয়লা তৈরি হয় অক্সিজেন ও ক্যালসিয়াম ক্লোরাইডের সঙ্গে কাঠকয়লা প্রক্রিয়াজাত করে এবং এটি এর অতিশয় শোষণকারী বৈশিষ্ট্যের কারণে কার্যকরী দাঁত সাদাকারক অ্যাজেন্ট হিসেবে বিবেচিত। দাঁতের ক্ষেত্রে অ্যাক্টিভেটেড কাঠকয়লা ট্যানিন শোষণে চমৎকার ভূমিকা পালন করে। ট্যানিন হচ্ছে কফি, চা ও ওয়াইনে থাকা পদার্থ যা দাঁতে দাগ ফেলে। আপনার টুথব্রাশে অ্যাক্টিভেটেড কাঠকয়লার পাউডার লাগান এবং দাঁতের দাগ দূর করার জন্য স্বাভাবিকভাবে দাঁত ব্রাশ করুন।

* কমলার খোসা

কমলার খোসার ভেতরটা দিয়ে দাঁত ঘষা হচ্ছে, দাঁত সাদা করার একটি নিরাপদ ও প্রাকৃতিক উপায়। খোসার সাদা অংশ বা অ্যালবেডোতে লিমোনিন থাকে- লিমোনিন হচ্ছে ন্যাচারাল সলভেন্ট ক্লিনার এবং প্রকৃতপক্ষে তা অনেক বাণিজ্যিক দাঁত সাদাকারক প্রোডাক্টে ব্যবহার করা হয়। কমলার মাংসল অংশের মতো এর খোসা অ্যাসিডিক নয়, তাই দাঁতের এনামেল ড্যামেজ হওয়ার কোনো ঝুঁকি নেই বলে এটি ব্যবহার করা নিরাপদ।

* তুলসী পাতা ও সরিষা তেল

শুকনো তুলসী পাতা চূর্ণ করে পাউডারে পরিণত করুন এবং ঘরে দ্রুত ও কার্যকরী উপায়ে আপনার দাঁত সাদা করার জন্য তা সরিষার তেলে মিশান। আপনি সতেজ তুলসী পাতাও ব্যবহার করতে পারেন: সতেজ তুলসী পাতাকে পিষে পেস্ট বানান এবং টুথব্রাশের মাধ্যমে তা সরাসরি দাঁতে প্রয়োগ করুন। বলা হয়ে থাকে যে, তুলসী পাতা মাড়িকে রক্ষা করে এবং সরিষা তেলের অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল, অ্যান্টিফাঙ্গাল ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য আছে- যা আপনার মৌখিক স্বাস্থ্যকে উন্নত করে।

* আপেল সিডার ভিনেগার

আপেল সিডার ভিনেগারের অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে (যেমন- এটির অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ রয়েছে), কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটি যে দাঁত সাদা করতে পারে তা সম্পর্কে অনেকে অবগত নন। দাঁতের দাগ দূর করতে এক টেবিল চামচ আপেল সিডার ভিনেগার দিয়ে দাঁত ব্রাশ করার চেষ্টা করতে পারেন এবং তারপর নির্মল শ্বাসের জন্য ও মাড়ির ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করার জন্য আপেল সিডার ভিনেগার দিয়ে কুলকুচা করতে পারেন।

* সামুদ্রিক লবণ ও বেকিং সোডা

বেকিং সোডা বা সোডিয়াম বাইকার্বনেট এটির ক্ষারীয় গুণ এবং দাঁতের যেকোনো দাগ মৃদুভাবে দূর করার ক্ষমতার কারণে প্রাকৃতিক দাঁত সাদাকারক হিসেবে বিবেচিত। এর সঙ্গে সামুদ্রিক লবণ যোগ করে অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল ট্রুথ স্ক্রাব করতে পারেন, যা মুখে অ্যাসিড প্রশমিত করে এবং ব্যাকটেরিয়াও নির্মূল করে।

* হলুদের গুঁড়া

দাঁত সাদাকারক হিসেবে হলুদ ব্যবহার করা যায়। হলুদ হচ্ছে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল এবং এতে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকে, যার ফলে দাঁতের সমস্যা যেমন- মাড়ির রোগের চিকিৎসায় এটি কার্যকরী। হলুদের সূক্ষ্ম গুঁড়া মৃদুভাবে দাঁতের দাগ দূর করে এবং তাৎক্ষণিক দাঁতকে সাদা করে তুলে। এক টেবিল চামচ হলুদের গুঁড়া আঙুল দিয়ে দাঁতে ঘষুন, পরিষ্কার টুথব্রাশ দিয়ে দাঁত ব্রাশ করুন এবং মুখ ধুয়ে ফেলুন।

* ঘরে তৈরিকৃত টুথপেস্ট

আপনি দাঁত সাদাকারক টুথপেস্ট ঘরে নিজে নিজে তৈরি করতে পারেন। নারকেল তেলের সঙ্গে সোডার বাইকার্বনেট, অল্প পরিমাণে লেবুর রস এবং এক ফোঁটা পিপারমিন্ট অয়েল বা পুদিনা তেলের সমন্বয় হতে পারে শক্তিশালী দাগ-দূরকারী পেস্ট, যা প্রকৃতিগতভাবে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল।

তথ্যসূত্র : রিডার্স ডাইজেস্ট, রাইজিংবিডি

34
দাঁতের ক্যাভিটি মানে হলো দাঁতে ব্যাকটেরিয়ার কারণে সৃষ্ট গর্ত। ক্যাভিটি যে আপনার মুক্তোর মতো সাদা দাঁতের ক্ষতি করছে তার প্রাথমিক লক্ষণ হলো- সাধারণত তীব্র দাঁত ব্যথা কিংবা শিরশিরে অনুভূতি। হঠাৎ ব্যথা বা শিরশিরে ভাব আপনাকে ভুল ধারণা দিতে পারে যে ক্যাভিটি বা গর্তটি রাতারাতি হয়েছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে দাঁতের ক্ষয় জনিত উপসর্গ প্রকাশ পেতে কয়েক মাস থেকে এক বছরেরও বেশি সময় লাগতে পারে। উচ্চ চিনির ডায়েট খেলে এবং প্রতিদিন দাঁত ব্রাশ না করলে এ অবস্থা আরো খারাপের দিকে অগ্রসর হয়।

বোস্টন ইউনিভার্সিটির ডেন্টিস্ট্রির অধ্যাপক এবং ডেন্টাল সার্জারির ডাক্তার কার্ল ম্যাকমানামা বলেন, ‘যখন আমরা কার্বোহাইড্রেট বা চিনি খাই, ব্যাকটেরিয়া অ্যাসিড উৎপাদন করে যা দাঁতকে ক্ষয়ে ফেলে। আপনি যত বেশি চিনি খাবেন, তত বেশি ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধি পাবে এবং আরো বেশি অ্যাসিড উৎপাদন হবে- ফলে দাঁতের ক্ষয় অব্যাহত থাকবে।’ প্রথম প্রথম আপনি এ ব্যথা বা শিরশিরে ভাবকে অবহেলা করতে পারেন, বিশেষ করে যদি এসব উপসর্গ মাঝেমাঝে আপনাকে ভোগায়। কিন্তু এর চিকিৎসা না করলে দাঁতের মারাত্মক সমস্যা হতে পারে, কিন্তু দাঁতের ক্যাভিটি বা গর্তের প্রাথমিক লক্ষণ দেখা দেওয়ামাত্র ডেন্টিস্টের কাছে গেলে জটিল সমস্যা এড়াতে পারবেন।

* আপনার দাঁত ভেঙে যেতে পারে
বড় ক্যাভিটির ক্ষেত্রে দাঁতের ভাঙন বা ফাটল খুব কমন। ডা. ম্যাকমানামা বলেন, ‘একটি অক্ষত সুস্থ দাঁত ভাঙে না বললেই চলে। কিন্তু আপনার দাঁতে প্রচুর ক্ষয় বা বড় গর্ত কিংবা পুরোনো ফিলিং থাকলে তা অধিক ভাঙন প্রবণ হবে।’ অমনোযোগী খাওয়ার অভ্যাস অথবা খাবার চিবানোতে কোনো ক্ষয়িত দাঁত সহজে ভেঙে যেতে পারে। আপনার ক্যাভিটি ফিলিং বা পূরণ না করা পর্যন্ত চিনি কম খেয়ে, ফ্লুরাইড টুথপেস্ট দিয়ে দিনে দুবার দাঁত ব্রাশ করে ও ফ্লসিং করে দাঁতের ক্ষয় ধীর করতে পারেন।

* আপনার স্নায়ু ধ্বংস হতে পারে
ডা. ম্যাকমানামা বলেন, ‘প্রত্যেক দাঁতের মধ্যভাগটা হলো ফাঁপা টিউব যেখানে স্নায়ু ও রক্তনালি রয়েছে। যখন ক্ষয় দাঁতের পাল্প বা স্নায়ু পর্যন্ত পৌঁছায়, তখন রোগীরা অসহনীয় ব্যথা অনুভব করে।’ ক্যাভিটি আপনার দাঁতের গভীর পর্যন্ত বিস্তৃত হলে সপ্তাহের ২৪ ঘণ্টাই ব্যথা বা অস্বস্তি অনুভূত হতে পারে। রোগীরা যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে শেষ পর্যন্ত ডেন্টিস্টের অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেন, কিন্তু ততক্ষণে খুব দেরি হয়ে যায়। যদি আপনার দাঁতের স্নায়ু মারা যেতে শুরু করে, তাহলে আপনার রুট ক্যানাল অথবা দাঁত তুলে ফেলার প্রয়োজন হতে পারে।

* আপনার দাঁত নষ্ট হতে পারে
যদি ক্ষয় বা ক্যাভিটি থেকে আপনার দাঁতের স্নায়ুতে কোনো ইনফেকশন হয়, তাহলে ইনফেকশন জনিত ফোলা দাঁতের স্নায়ুতে রক্ত সরবরাহ বিচ্ছিন্ন করবে এবং এটি নষ্ট হয়ে যাবে। ডা. ম্যাকমানামা বলেন, ‘আপনার স্নায়ু নষ্ট হয়ে গেলে ব্যথা চলে যাবে। কিন্তু ক্ষয় প্রক্রিয়ায় দাঁতটির ধ্বংসসাধন চলতে থাকবে এবং তা তুলে ফেলার প্রয়োজন হবে।’

* আপনার ইনফেকশন হতে পারে
দাঁতের মৃত টিস্যু আপনার শরীরকে ফোঁড়া ও ইনফেকশন প্রবণ করতে পারে। ডা. ম্যাকমানামা বলেন, ‘মৃত টিস্যু থেকে নির্গত বিষাক্ত পদার্থ দাঁতের মূলের শীর্ষস্থ হাড়কে সংক্রমিত করে, যা প্রদাহ দিয়ে শুরু হয়। তারপর এই ইনফেকশন আপনার গাল ও মুখের ফ্লোরে ছড়াতে পারে।’ এই ইনফেকশনের কারণে চোয়াল ও গ্রন্থি ফুলে যেতে পারে এবং আপনার জ্বর হতে পারে। অচিকিৎসিত তীব্র দাঁতের ইনফেকশন ব্রেইনে জীবননাশক ফোঁড়া সৃষ্টি করতে পারে, যদিও এটা বিরল। ক্যাভিটির বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ হিসেবে প্রতি ছয়মাসে একবার ডেন্টিস্টের কাছে যাওয়া উচিৎ- ইতোমধ্যে ক্যাভিটি হয়ে থাকলে তার অবস্থা আরো খারাপের দিকে যাওয়া প্রতিহত করতে নিয়মিত ডেন্টিস্টের কাছে যেতে হবে।

তথ্যসূত্র : রিডার্স ডাইজেস্ট

35
মনে থাকেনা কিছু! সেলফোনের রিমাইন্ডার অপশনটা ব্যবহার করি  8)

36
অসাধারন পোস্ট!

37
নখ বা আঙুল কামড়ানো খুব কমন একটা বদভ্যাস। অনেকের মধ্যে এই বদভ্যাস রয়েছে। মনের সুখে অথবা দুঃখে নখ কামড়ে কাটে বা নখের পাশের চামড়া একটুখানি কেটে নেয়। এই বদভ্যাস এতটাই কমন যে, কাউকে জিজ্ঞেস করলে সে তার পরিচিতজনদের মধ্যে অন্তত পাঁচজনের নাম বলতে পারবেন, যারা এ কাজ করে।

 

যেহেতু নখ কামড়ানো দৃষ্টিকটু, তাই স্বজনরা এটা ত্যাগ করার পরামর্শ দেন। কিন্তু অনেককে দেখা যায় সবার উপস্থিতিতে সে এটা বাদ দিলেও, যখন একা থাকে তখন ঠিকই দাঁত দিয়ে নখ কাটা বা নখের চারপাশের চামড়া ছিঁড়তে থাকে।

 

 

আপাত দৃষ্টিতে এটাকে সাধারণ একটা বদভ্যাস মনে হতে পারে। কিন্তু ধারণাও করতে পারবেন না যে, এ জন্য ভবিষ্যতে ডাক্তারের কাছেও যেতে হতে পারে। যুক্তরাজ্যের জনপ্রিয় পত্রিকা ‘দ্য সান’ এর অনলাইনের খবরে বলা হয়েছে, এই বদভ্যাসটিকে ডাক্তারি ভাষায় বলা হয়ে থাকে ‘ডার্মাটোফেজিয়া’। চিকিৎসকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে এভাবে নখ এবং চারপাশের চামড়া কাটতে কাটতে একসময় নেল বেড নষ্ট হয়ে যায়। অর্থাৎ নখের নিচে যে নরম চামড়ার আবরণ থাকে, তা আর তৈরি হয় না। নখ তখন বসে যেতে থাকে ত্বকের গভীরে। ফলে ব্যথাদায়ক অবস্থার সৃষ্টি হয়।

 



 

এ ছাড়া আঙুলের চারপাশের ত্বক কামড়ালে সেখানে স্থায়ীভাবে দাগও বসে যায়। দীর্ঘদিনের এই বদভ্যাসের ফলে নখের চারপাশে যে ক্ষত হয়, সেখানে জীবাণু সংক্রমণের আশঙ্কাও থাকে। মুখের লালা থেকেও হতে পারে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ এবং আঙুল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আঙুল কেটে বাদ দেওয়ার মতো অবস্থাও দেখা দিতে পারে।

 

সুতরাং আপনি যদি সহজে এই বদভ্যাসটি ত্যাগ করতে না পারেন, তাহলে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করতে পারেন।

 তথ্যসূত্রঃ রাইজিংবিডি

38
নখ ভেঙে যাওয়া আপনার কাছে স্বাভাবিক মনে হতে পারে, কিন্তু ভঙ্গুরপ্রবণ নখ ইঙ্গিত দিতে পারে যে আপনার শরীরে কোনো ত্রুটি বা সমস্যা হয়েছে। এছাড়া আপনার জীবনযাপনও আপনার নখকে ভঙ্গুরপ্রবণ করতে পারে। এখানে নখ ভেঙে যাওয়ার ৯টি কারণ নিয়ে আলোচনা করা হলো।

* আপনার বয়স বেড়ে গেছে
বয়স বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শুধুমাত্র চুল ও ত্বকেরই পরিবর্তন হয় না, শরীরের আরো অনেক কিছুর মধ্যেও পরিবর্তন আসে। বয়স বেড়ে গেলে আপনার নখ অধিক ভঙ্গুরপ্রবণ হবে এবং নখের গাঠনিক পরিবর্তন হবে, যার ফলে নখ সহজে ভেঙে যেতে পারে। নর্থ ক্যারোলিনার চ্যাপেল হিলের বোর্ড-সনদপ্রাপ্ত ডার্মাটোলজিস্ট ক্রিস জি. অ্যাডিগুন বলেন, ‘বয়স্ক হলে ত্বকে যেমন বলিরেখা পড়ে, তেমনি নখেও বলিরেখা পড়ে। তখন নখের প্রত্যেকটি উঁচু-নিচু অংশই দুর্বল হয়ে পড়ে, একারণে নখ ভঙ্গুরপ্রবণ হয়ে যায়।’

* আপনি নিয়মিত ক্লিনিং প্রোডাক্ট ব্যবহার করেন
ক্লিনিং প্রোডাক্ট আপনার নখের আর্দ্রতা ও স্বাস্থ্যকর তেল দূর করতে পারে। যদি আপনি নিয়মিত ক্লিনিং প্রোডাক্ট ব্যবহার করেন, আপনার নখ ভেঙে যাওয়ার প্রবণতা বাড়বে। যদি আপনাকে চাকরি অথবা অন্যকোনো কারণে ক্লিনিং প্রোডাক্ট ব্যবহার করতেই হয়, তাহলে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কমানোর চেষ্টা করতে পারেন, বলেন ডা. অ্যাডিগুন। তিনি তেল বা ইমোলিয়েন্ট ভিত্তিক ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন, যা হাইড্রেশনের উচ্চ ডোজ সরবরাহ করে।

* আপনি নিয়মিত ম্যানিকিউর করেন
আপনার নখের টপে জেল ও অ্যাক্রাইলিক ম্যানিকিউর দেখতে সুন্দর লাগলেও এটি আপনার নখকে দুর্বল করে ভাঙ্গনের প্রবণতা বৃদ্ধি করতে পারে। এসব পলিশ যে নিজে নিজে অবধারিতভাবে আপনার নখ ভেঙে ফেলবে তা নয়, কিন্তু এসব অপসারণ প্রক্রিয়ায় নখের ক্ষতি হতে পারে। ডা. অ্যাডিগুন বলেন, ‘এসব পলিশ দূর করতে সাধারণত বেশি পরিমাণে অ্যাসিটোনের প্রয়োজন হয়, কিন্তু নখে অ্যাসিটোনের সংস্পর্শ নখকে তীব্রভাবে শুষ্ক করে তোলে।’

* আপনি বেশি মাত্রায় হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করেন
স্বাস্থ্যকর্মী এবং অন্যান্য যেসব লোক সারাদিন প্রচুর পরিমাণে হ্যান্ড স্যানিটাইজার (হাত জীবাণুমুক্তকরণ তরল) ব্যবহার করেন তাদের নখে ভাঙ্গন প্রবণতা সৃষ্টি হতে পারে। হ্যান্ড স্যানিটাইজারের অ্যালকোহল আপনার নখ থেকে আর্দ্রতা দূর করতে পারে এবং নখকে ভঙ্গুরপ্রবণ করতে পারে, বলেন ডা. অ্যাডিগুন। তিনি যোগ করেন, ‘জেল-ভিত্তিক হ্যান্ড স্যানিটাইজার নখকে আরো বেশি শুষ্ক করতে পারে, কিন্তু ময়েশ্চারাইজিং অ্যাজেন্ট (আর্দ্রকারী উপাদান) সমৃদ্ধ হ্যান্ড স্যানিটাইজার আপনার নখকে ভবিষ্যতে ভেঙে যাওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে।’

* আপনি রঙের কাজ করেন
ইউসিএলএ’র ডার্মাটোলজি বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট ক্লিনিক্যাল প্রফেসর এবং ক্যালিফোর্নিয়ার পাসাডিনার ডার্মাটোলজিস্ট আইভি লি বলে, ‘যারা রঙ নিয়ে কাজ করেন তাদের নখ ভেঙে যাওয়ার প্রবণতা রয়েছে।’ শুধুমাত্র নখে রঙ বা চটচটে পদার্থ লাগার কারণে এমনটা হয় তা নয়, নখ থেকে এসব দূর করার প্রক্রিয়াও এতে ভূমিকা রাখে। নখ থেকে রঙ বা চটচটে পদার্থ তুলে ফেলার প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত পানি এবং সলভেন্ট (যা রঙকে গলাতে পারে) ও ডিটারজেন্টের সমন্বয় আপনার নখকে ভঙ্গুরপ্রবণ করতে পারে, বলেন ডা. লি।

* আপনি অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করছেন
কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলো নখের ভাঙ্গন প্রবণতা। টেট্রাসাইক্লিন গ্রুপের অ্যান্টিবায়োটিক (ব্যবহারের উদাহরণ: নিউমোনিয়া ও ব্রণ) আপনার নখকে অধিক ভঙ্গুরপ্রবণ করতে পারে, বলেন ডা. লি। এছাড়া কিছু ক্যানসার চিকিৎসাও আপনার নখ ভেঙে যাওয়ার কারণ হতে পারে।

* আপনার থাইরয়েড ঠিকমতো কাজ করছে না
অতি ক্রিয়াশীল ও নিম্ন ক্রিয়াশীল উভয় থাইরয়েডই আপনার সারা শরীরে দুর্দশা সৃষ্টি করতে পারে, যার মধ্যে নখও অন্তর্ভুক্ত। ডা. অ্যাডিগুন বলেন, ‘বিঘ্নিত থাইরয়েড বিভিন্নভাবে শরীরে প্রচুর চাপ সৃষ্টি করে। এসব চাপের একটি উপসর্গ হলো নখের পরিবর্তন।’ নিম্ন ক্রিয়াশীল থাইরয়েডের সঙ্গে নখের শুষ্কতার শক্তিশালী সম্পর্ক পাওয়া গেছে। কিন্তু নিম্ন অথবা অতি ক্রিয়াশীল থাইরয়েডের অন্যান্য লক্ষণও আছে কিনা লক্ষ্য করুন, যেমন- ক্লান্তি, অস্বাভাবিক ওজন পরিবর্তন এবং গরম বা ঠান্ডার প্রতি অতি স্পর্শকাতরতা।

* আপনি যত্নশীল নন
যদি আপনি নখের নিচ থেকে ময়লা বের করে আনার জন্য টুথপিক বা নেইল ফাইলের মতো টুলস ব্যবহার করেন, তাহলে আপনার অনিকোলাইসিস নামক দশা সৃষ্টি হতে পারে, যার মানে হলো আপনার নখ নেইল বেড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। ডা. লি বলেন, ‘নখে ব্যবহার করা উচিৎ নয় এমন কিছু ব্যবহারে সুস্থ নখও ভঙ্গুরপ্রবণ হয়ে পড়ে।’

* আপনার আয়রনের ঘাটতি আছে
এই খনিজটি আপনার সারা শরীরের জন্য গুরুত্বপূর্ণ, বলেন ডা. অ্যাডিগুণ। তিনি যোগ করেন, ‘যদি আয়রনের অভাবে আপনার শরীর চাপে থাকে, তাহলে আপনি যেসব পরিবর্তন দেখবেন তার একটি হলো নখে।’ আয়রন ঘাটতির অন্যতম প্রতিক্রিয়া হলো নখ ভেঙে যাওয়া। এছাড়া আপনার নখের আকৃতি দেখতে চামচের মতোও হতে পারে।

তথ্যসূত্র : রিডার্স ডাইজেস্ট

39
এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, আমেরিকার মতো উন্নত দেশেও আড়াই কোটির বেশি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ কিডনি রোগ সঙ্গে নিয়ে বাস করছেন। এবং ভয়ংকর তথ্য হচ্ছে, এর মধ্যে মাত্র ১০ শতাংশ মানুষ জানে যে, তাদের কিডনি সমস্যগ্রস্ত।

আমাদের দেশেও কিডনি রোগীর সংখ্যা বেড়ে চলেছে। ২০১৬ সালে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুইটি গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতালের জরিপ অনুযায়ী আমাদের দেশে প্রতি সাতজনের মধ্যে একজন কিডনি রোগে আক্রান্ত।

কিডনি রোগ এমনই মারাত্মক যা কোনো প্রকার সরব লক্ষণ বা উপসর্গ ছাড়া খুব ধীরে ধীরে বিস্তার লাভ করে। কখনো কখনো রোগী কোনো উপসর্গ বুঝে ওঠার আগেই তার কিডনির শতকরা ৫০ ভাগ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

তাই কিডনি রোগের নীরব লক্ষণগুলো জেনে রাখা জরুরি। জেনে নিন কিডনির বড় ধরনের সমস্যার ৭টি নীরব লক্ষণ। এসব লক্ষণ দেখলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

ত্বকে অস্বাভাবিক ফুসকুড়ি বা চুলকানি
কিডনি শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ ও অতিরিক্ত তরল বের করে খনিজ লবণের ভারসাম্য রক্ষা করে। যখন কিডনি রক্তের পুষ্টি উপাদান ও খনিজ লবণের ভারসাম্য রক্ষা করতে পারেনা তখন আপনার ত্বক শুষ্ক ও ফেটে যেতে পারে যা কিডনি রোগের অন্যতম বড় নীরব লক্ষণ। তাছাড়া কিডনি অকার্যকর হয়ে পড়লে রক্তে ক্রমাগত বর্জ্য পদার্থ বাড়তে থাকে। এটি ত্বকে চুলকানি এবং র্যা শ তৈরি করতে পারে, যা সাময়িক চিকিৎসা দিয়ে সামান্য পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব।

মুখের স্বাদ নষ্ট হওয়া
সুস্থ কিডনি সাধারণত ব্লাড কোষগুলোকে শরীরের ভেতরে রেখে রক্ত থেকে বর্জ্য পদার্থ মূত্র হিসেবে বের করে দেয়। যখন কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তখন রক্তধারায় বিষাক্ত পদার্থ জমা হতে থাকে যা মুখে দুর্গন্ধ ও বিস্বাদ তৈরি করে। এছাড়া জিহবা ভারী হয়ে যায়। কোন কোন রোগী মাংসের স্বাদ আর আগের মতো পায় না।

বমি বা বমি বমি ভাব
কিডনি অকার্যকারিতার কারণে রক্তে যথেষ্ট বর্জ্য পদার্থ বেড়ে যাওয়ায় বমি বমি ভাব বা বমির সম্মুখীন হতে পারেন। বমি বমি ভাব আপনার ক্ষুধামন্দা সৃষ্টি করতে পারে। এটা যদি দীর্ঘ সময়ের জন্য ঘটতে থাকে, তাহলে আপনার ওজন অস্বাভাবিকভাবে কমে যেতে পারে।

অপ্রয়োজনীয় প্রস্রাবের বেগ অনুভব
কিডনি রোগের একটি বড় লক্ষণ হল, প্রস্রাবের সময়সূচি পরিবর্তন হওয়া। কিডনির সমস্যা হলে প্রস্রাব বেশি হয় বা কম হয়। কিছু মানুষের ক্ষেত্রে লক্ষণ হিসেবে দেখা গেছে, প্রস্রাবের বেগ আসলেও প্রস্রাব সামান্য হয়। আবার কিছু মানুষের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি প্রস্রাব হয়। অনেকে জানিয়েছেন, বিশেষ করে রাতের বেলা প্রস্রাবের অস্বাভাবিক সময়সূচি দেখা দেয়।

প্রস্রাবে পরিবর্তনসমূহ
কম অথবা বেশি প্রস্রাবের লক্ষণ ছাড়াও প্রস্রাবের নিজেরও কিছু পরিবর্তন লক্ষণীয়। যেমন-
* প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া
* স্বাভাবিকের চেয়ে প্রস্রাবের রঙ গাঢ় বা হালকা হওয়া
* প্রস্রাবে বেশি ফেনা বা বুদবুদ দেখা দেওয়া

যখন কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তখন ব্লাড কোষ বের হতে শুরু করে, ফলে প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়ার লক্ষণ দেখা দেয়। কিডনির ফিল্টার ড্যামেজ হয়ে গেলে অ্যালবুমিন নামক প্রোটিন লিক হয়ে প্রস্রাবের সঙ্গে বেড়িয়ে যায়, ফলে বেশি ফেনা বা বুদবুদ তৈরি হয়।

গোড়ালি, পা, পায়ের পাতা বা মুখ ফোলা ভাব
কিডনির আরেকটি কাজ হলো শরীর থেকে বাড়তি তরল বের করে দেয়। কিডনিতে সমস্যা হলে এই বাড়তি তরল বের হতে সমস্যা হয়। বাড়তি তরল শরীরে ক্রমাগত জমার ফলে গোড়ালি, পা, পায়ের পাতা, মুখ, এবং হাতে ফোলাভাব তৈরি করে।

ক্লান্তি এবং অবসাদ
কিডনির কর্মক্ষমতা যখন মারাত্মকভাবে কমে যায় তখন রক্তে অপদ্রব্য হিসেবে বিষাক্ত পদার্থ উৎপন্ন হয়। এর ফলে আপনি দুর্বল ও ক্লান্ত অনুভব করেন এবং কোনো বিষয়ে মনোযোগ দেয়াটা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। আরেকটা জটিলতা দেখা দিতে পারে, আর তা হচ্ছে এনেমিয়া বা রক্তস্বল্পতা। এছাড়া শীত শীত অনুভব হওয়া, শ্বাসের সমস্যা হওয়া (ছোট ছোট করে শ্বাস নেওয়া) ইত্যাদি কিডনি সমস্যার অন্যতম লক্ষণ।

তথ্যসূত্র : রিডার্স ডাইজেস্ট

40
Teaching & Research Forum / Re: Reasons why Education is Important
« on: March 28, 2019, 07:13:22 PM »
useful post

41
ঢাকা যদি আলাদা একটা দেশ হইতো তাহলে সক্রিয় দেশগুলোর লিষ্টে ঢাকার নাম থাকতো নিশ্চিত।

ঢাকাবাসীর নাম সবচাইতে সংগ্রামী মানুষদের শহরের লিস্টে থাকবে

42
Development Economics / World's Top Exporter Countries in 2017
« on: July 09, 2018, 06:21:36 PM »

43
Development Economics / Global Economy: at a glance
« on: July 09, 2018, 06:01:51 PM »

44
Entrepreneurship and Development / Ecosystem for Entrepreneurship
« on: July 09, 2018, 05:52:06 PM »

45
NGOs and Development / Dynamic Functions of NGOs
« on: July 09, 2018, 04:46:05 PM »

Pages: 1 2 [3] 4 5 ... 25