Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Topics - effatara

Pages: 1 [2] 3
16
বাজারে নকল বা কৃত্রিম ডিমের উপস্থিতি সম্পর্কে জনমনে সৃষ্ট বিভ্রান্তি দূরীকরণে
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের গণবিজ্ঞপ্তি

17
হোটেল এবং মোটেল :-
১। হোটেল বহুতলবিশিষ্ট হয়। এখানে ঘরের দরজাগুলো দালানের ভেতরের দিকে থাকে। প্রধানত পর্যটনকেন্দ্র বা শহরের ভেতরে অবস্থিত হয়। অপরপক্ষে মোটেল সাধারণত ১-২ তলা হয়ে থাকে। ঘরগুলোর দরজা বাইরের দিকে থাকে। এর চারপাশ সাধারণ মানের ব্যালকনি বা বেড়া দিয়ে ঘেরা থাকে। মোটেল সাধারণত মহাসড়ক, গ্রাম, শহরের পাশে অবস্থিত হয়ে থাকে যেখানে একজন ভ্রমণকারী রাত কাটাতে পারেন।

২। মূল দৃশ্যগত পার্থক্য হল ঘরের দরজার দিকমুখীতা। হোটেলের প্রতিটি ঘরের দরজা হোটেলের অভ্যন্তরীণ পথের সাথে যুক্ত থাকে আর মোটেলের ঘরের দরজাগুলো সরাসরি মোটেলের পার্কিং লটের দিকে হয়ে থাকে। এই বৈশিষ্ট্য দেখে সহজেই হোটেল আর মোটেল চিহ্নিত করা যায়।

৩। হোটেল বলতে একটি বিল্ডিংকে বোঝায় যেখানে মানুষ কক্ষ এবং খাবারের মূল্য পরিশোধ করে সাধারণত স্বল্প সময়ের জন্য অবস্থান করে (ছুটি কাটানোর জন্য, জরুরী প্রয়োজনে অবস্থানের জন্য প্রভৃতি)। কিন্তু মোটেল বলতে একরকম ব্যবস্থাপনাকে বোঝায় যা সেসব লোকের থাকার জন্য তৈরী (অর্থ পরিশোধসাপেক্ষে) যারা গাড়ীতে করে ভ্রমণ করেন। এখানে কক্ষের কাছাকাছি জায়গায় গাড়ি পার্কিং করার ব্যবস্থা থাকে।
এগুলোই হোটেল আর মোটেল এর মূল বৈশিষ্ট্য। কিছু মোটেলে ফাস্টফুড এবং টেলিফোনের ব্যবস্থা থাকতে পারে। কিন্তু বর্তমানে হোটেলগুলোতে বিশেষ করে তারকা হোটেলগুলোতে আরো অনেক সুবিধা যেমনঃ খেলার জায়গা, ইন্টারনেট সুবিধা, সুইমিং পুল ইত্যাদি থাকে।

18
Carrot Juice can be made in mixer, Juicer or blender very easy at home. Carrot is one of the most versatile root vegetables which is used in so many ways in our day to day diet. No doubt juicing carrots is the best way to provide vital nutrients to our body. It is a delicious and nutritious drink rich in beta carotene, vitamins A, B, C, D, E and K and Mineral like calcium, phosphorous and potassium.

Carrot Juice is definitely a healthy drink and extracting fresh juice out of fresh carrots has lots of nutritious and quite a lot of health benefits. Consuming carrot juice or eating raw carrots regularly or often helps in improving the health of the eyes, reduces stress and builds immunity. Carrot Juice is packed with many benefits and is a wonder drink for any age.

We all are familiar with the health benefits of carrots like they are good for improving our vision, they strengthen our immune system, prevents from heart diseases, prevents cancer, it also works wonders for our skin and keeps our skin glowing and gives youthful freshness to our skin. Carrots are great for your skin, hair and nails as well as livers function so making carrot juice at home is a smart way to give your whole body a boost.

Eating plain carrots can be quite boring but using them in the form of a juice or a milkshake gives an interesting feel and a good way to finish of the carrots. Carrots can be eaten in different ways like they can be eaten raw or they can be eaten as a vegetable curry, salad and there are many varieties that can tried with this healthy vegetable.

Carrot at home is used to stir fry and eat as a side dish and is also used along with various combinations with other vegetables. Carrot juices, milkshakes, smoothies and many more recipes are made with this good looking vegetable. All these juices and mainly carrot juice for kids works wonders for their eyes and keeps them fit and filling.

This carrot juice recipe is very simple and also takes very less time. It is good to include carrot juice early mornings or at least once in a while. Drinking healthy drinks cleanses the body and flushes the toxins out from our body.

Carrot is a wonder vegetable and should be included and made in various ways and tried to take them in different forms and no way this can be a boring vegetable if eaten and made and tried in unique ways.


Recipe of Making Carrot Juice :

   
Ingredients

    6-8 carrots
    3 tbsp sugar or as required
    2 glasses of chilled water
    1 tbsp lemon juice/orange juice

Instructions:

    1. Firstly, wash the carrots and peel the carrots with the help of a peeler and chop them into pieces.
    2. In a blender or a juice extractor, add the chopped carrot slices.
    3.  Add sugar and add chilled water into the blender.
    4. Blend it into a smooth juice for 2-3 minutes.
    5. Strain the juice completely by mashing the pulp as much as possible and discard the pulp.
    6.  Pour the juice into the glasses.
    7.Add lemon drops into it and stir well.
    8. Serve chilled.


19
#লালঃ
যাদের পছন্দের রঙ লাল,তারা বহির্মূর্খী এবং খুব আশাবাদী হয়।তারা সবসময় আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে চান।তারা উচ্চাকাংখী হয় এবং জীবনের লক্ষ্যে পৌছাতে কখনো পিছপা হয়না।এরা খুব ধৈর্য্যশীল হয়।তবে এরা সহজেই রেগে যায়।

#নীলঃ
যাদের পছন্দের রঙ নীল তারা খুব বিশ্বাসযোগ্য হয়।এরা ততো আবেগপ্রবণ হয়না।এরা কিছু বলার আগে বা কিছু করারা আগে ভেবে চিন্তেই করে।এদের প্রতিদিনের জীবনে শান্তি এবং ভারসাম্য থাকা জরুরী।এরা খুব বন্ধুত্বপূর্ণ এবং সামাজিক হয়ে থাকে।এরা এদের প্রিয় মানুষদের সান্নিধ্য অনেক পছন্দ করে।এরা অনেক আত্নবিশ্বাসী হয়।এরা এদের দূর্বল জায়গাগুলো লুকিয়ে রাখতে পছন্দ করে। নিজের উপর তেমন যত্নবান নয়।এরা খুব জ্ঞানতৃষ্ণার্ত হয় এবং এরা কোনো বিষয়ে আগ্রহী হলে সে বিষয়ে অনেক জ্ঞান অর্জন করে থাকে।তবে তারা খুব ছোটো খাটো বিষয়েই চিন্তিত হয়ে পড়ে।

#সবুজঃ
যাদের পছন্দের রঙ সবুজ তারা খুব বাস্তববাদী হয়।তারা নিজেদের ওপর নিজেরা নিয়ন্ত্রণ সহজে হারায় না এবং এরা খুব দয়ালু ও উদার প্রকৃতির হয়।এরা খুব নীতিবান হয়ে থাকে এবং তারা সবসময় সঠিক কাজ করতে চায়।এরা ভালো বন্ধু এবং পার্টনার হয়ে থাকে।এরা তর্কে জিততে পছন্দ করে।তবে এরা জীবনে রিস্ক নিতে চায়না এবং তেমন কর্মঠ হয় না।

#কালোঃ
যাদের পছন্দের রঙ কালো , মর্যাদা এবং ক্ষমতা তাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ । তারা
সাধারণত স্বাধীন এবং দৃঢ়প্রতিজ্ঞ । কম আবেগপ্রবন এবং সবসময় নিজেদেরকে সম্ভ্রান্ত
এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে উপস্থাপন করে । তারা মানুষের থেকে কিছুটা দুরত্ব বজায় রাখে এবং চারপাশের নেগাটিভিটি থেকে নিজেকে মুক্ত রাখে । নিজের চিন্তা ভাবনা কারো সাথে শেয়ার করে না , কাজের ক্ষেত্রে খুবই সুশৃঙ্খল এবং শেষ বিন্দু পর্যন্ত সুক্ষভাবে সম্পন্ন করে । কালো ড্রেসের আড়ালে নিজেকে লুকিয়ে রাখতেই তাদের স্বাচ্ছন্দ্য।

#সাদাঃ
যাদের সাদা রঙ পছন্দ তারা সাধারণত খুব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকতে পছন্দ করেন
এরা খুব দূরদর্শীসম্পন্ন মানুষ।এরা খুব পজিটিভ এবং আশাবাদী মানুষ।তারা বিচক্ষণ হয়ে থাকে।এরা নিজেদের উপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে এবং এরা খুব আত্নবিশ্বাসী হয়।এরা খুব জটিল প্রকৃতির হয়ে থাকে।এরা কিছুটা লাজুক প্রকৃতির হয়ে থাকে।

#কমলা
কমলা রঙটি উচ্ছলতা ও আনন্দ প্রকাশ করে। আপনি যদি কমলা রঙটি পছন্দ করেন তাহলে আপনি বেশ হাসিখুশি ধরণের একজন মানুষ। আপনি সব সময় বর্তমানকে বেশি গুরুত্ব দেন। এবং সব সময় হাসিখুশি থাকতে বেশি পছন্দ করেন। আপনি আপনার নিজের মতো চলতে বেশি ভালোবাসেন এবং নিজের জীবনটাকে অনেক বেশি উপভোগ করে কাটাতে চান।তবে কমলা রঙ যারা পছন্দ করেন তারা অনেক বেশি ড্যাম কেয়ার ধরণের হয়ে থাকেন।অনেক সময় তারা নিজের মতামত অন্যের ওপর চাপিয়ে দিয়ে থাকেন।

#হলুদ
হলুদ হচ্ছে আনন্দ, ইচ্ছা এবং কল্পনাশক্তির রঙ। যারা এই রঙটি পছন্দ করেন তারা অনেক বেশি অ্যাডভেঞ্চার প্রিয়, আত্মনির্ভরশীল হয়ে থাকেন। অনেক বেশি সোজাসাপ্টা কথার মানুষ হন তারা। তারা মানুষকে অনেক মানসিক সাপোর্ট দিয়ে থাকেন।তবে হলুদ রঙটি যারা পছন্দ করেন তারা বেশখানিকটা আত্মকেন্দ্রিক হয়ে থাকেন।

#বেগুনী
যারা বেগুনী, ল্যাভেন্ডার, পার্পল ধরনের রঙ পছন্দ করেন তারা অনেক বেশি ক্যারিয়ার মনোযোগী হয়ে থাকেন, তারা সব সময় চেষ্টা করেন সব কিছুর পারফেক্ট অবস্থানে থাকার জন্য। তারা অনেক বেশি আকর্ষণীয় এবং আর্টিস্টিক মনোভাবের হয়ে থাকেন। অনেক বেশি আবেগি হওয়ার কারণে অনেক কষ্ট পান তারা। তারা খুব সহজে মানুষ বিশ্বাস করেন, মানুষ চিনতে পারেন না এবং ভুল পথে পা বাড়ান। যারা বেগুনী রঙ পছন্দ করেন তারা অনেক বেশি রাগি ও অভিমানী ধরণের মানুষ হন।

#গোলাপি
গোলাপি, ম্যাজেন্টা পছন্দের মানুষজন অনেক বেশি পরনির্ভরশীল হয়ে থাকেন। তারা সব সময় ভালোবাসা খুঁজে থাকেন। তারা অনেক বেশি ভদ্র এবং নম্র স্বভাবের হয়ে থাকেন। তারা মানুষকে খুব বেশি ভালোবেসে থাকেন। তারা সব সময় চান সবার নজরে পড়তে।এবং এর জন্য তারা অনেক ভুল কাজও করে থাকেন।

#সোনালি_ধূসর
সোনালি, ধূসর আধ্যাত্মিকতা এবং অতিমানবিকতা প্রকাশ করেন। এই ধরণের রঙ পছন্দের মানুষজন বেশ ঠাণ্ডা মাথার মানুষ হয়ে থাকেন। বেশ দার্শনিক স্বভাবের অধিকারী হন এরা। তাদের সকল চিন্তা থাকে পরিবেশের অনুকূলে। তারা অনেক কম কথার মানুষ হন এবং গম্ভির থাকতে বেশি ভালোবাসেন।তাদের অনেক গম্ভীর স্বভাবের হয়ে থাকেন। এবং প্রয়োজনের সময়ও চুপ থাকা তাদের বড় একটি বদঅভ্যাস।

#সোনালি_বাদামী
সোনালি, বাদামী রঙ আভিজাত্য এবং ব্যক্তিত্ব প্রকাশ করে। এই ধরণের মানুষজন বেশ আকর্ষণীয় হয়ে থাকেন। তাদের কথা বলা থেকে শুরু করে ব্যক্তিত্ব সবই বেশ আকর্ষণীয় হয়ে থাকে। তারা খুব জনপ্রিয় থাকেন। তারা একই সাথে সাধারণ এবং আভিজাত্য প্রকাশে সক্ষম হয়ে থাকেন। যে কারো সাথে ভালো করে মিশে যেতে পারেন।এরা নিজেদের ব্যক্তিত্ব ভালো ও খারাপ দুটো কাজেই ব্যবহার করতে পারেন।

© Dream Psychology

20
 মাথা ব্যাথা নামের এই যন্ত্রনাটি সবারমধ্যেইএক ধরনের বিরক্তি তৈরী করে থাকে।বিশেষ করে হুটহাট করে যেইব্যাথাটি হয়ে থাকে। যেমন সকালে ঘুমথেকে উঠে হয়ত দেখলেন যে প্রচন্ড মাথা ব্যাথা করছে এবং মাথায় চাপ ধরে আছে অথবা কাজ করতে করতে হঠাৎ করে শুরু হয়ে যায় এই অলুক্ষুনে ব্যাথা। বিশেষ করে মাথার এক পাশে ও হঠাৎ করে যেই ব্যাথাগুলো হয়ে থাকে এদের মাইগ্রেন এর ব্যাথা বলে। যদি আপনার মাথায় এক পাশে ব্যাথা শুরু হয়ে ব্যাথা আস্তে আস্তে সম্পুর্ন মাথায় ছড়িয়ে পরে, মাঝে মাঝে ব্যাথার সাথে বমি বমি ভাব হয়, শারীরিক দুর্বলতা অনুভুত হয়, চোখে ঝাপসা দেখা শুরু করেন তাহলে এটি মাইগ্রেন এর ই লক্ষন।কখনো কখনো এই ব্যাথা অনেকক্ষণ স্থায়ী হয় আবার কখনো কখনো ৩ থেকে ৪ ঘন্টার মধ্যে কমে যায়।

এটি বিভিন্ন কারনে হয়ে থাকে, কারো বংশগত, আবার কারো মানসিক চাপ থেকেও হতে পারে। আসুন জেনে নেওয়া যাক মাইগ্রেনের ব্যাথা শুরু
হওয়ার কিছু কারন এবং এর কিছু প্রতিকার।

অনেকে কাজের চাপে খাওয়া দাওয়া ঘুম সব বাদ দিয়ে শুধু কাজ নিয়ে পড়ে থাকে। অনেক সময় অতিরিক্ত কাজের চাপে মাইগ্রেন এর ম্যাথা অনেক বেড়ে যেতে পারে। কারন মানসিক চাপ বেশী পড়লে এটি স্নায়ু ও মস্তিস্ক দুটোর উপরই অনেক চাপ ফেলতে পারে। এতে শুধু মাইগ্রেনই নয় হার্ট এটার্ক পর্যন্ত হতে পারে। তাই কাজ অথবা অন্য কোনো বিষয় নিয়ে খুব বেশি মানসিক চাপে থাকলে সেটা কারো সাথে শেয়ার করুন এবং অতিরিক্ত চাপ নেওয়া থেকে বিরত থাকুন। প্রতিদিন হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করুন এবং লেবু চা খাওয়ার অভ্যাস করুন। এটা মানসিক চাপ কমাতে অনেকটা সাহায্য করে। অপর্যাপ্ত ঘুম অথবা প্রয়োজনের বেশী সময় ধরে ঘুম মাইগ্রেনের ব্যাথার অন্যতম কারন হতে পারে। অনেকেই রাত জেগে ফেসবুকিং অথবা কাজ করে এবং সকালে অনেকক্ষণ ঘুমিয়ে থাকে।
এটা কখনোই ঠিক নয়। কারন প্রতিদিন একজন সুস্থ মানুষের কমপক্ষে ৭ থেকে ৮ ঘন্টা ঘুমানো উচিত। এর বেশী ঘুমালে অথবা বেলা করে শুয়ে থাকলে ব্যাথা হতে পারে। তাই যাদের মাইগ্রেন এর
সমস্যা আছে তাদের কখনো বেলা করে ঘুমানো উচিত নয়। মাইগ্রেন এর ব্যাথা যাদের আছে তাদের কখনো খালি পেটে থাকা উচিত নয়। অনেকে ওজন কমানোর জন্য সকালে নাস্তা করে না। কিন্তু এটা কখনোই উচিত নয়। কারন সকালের নাস্তা না করলে ব্যাথা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই প্রতিদিন পেট ভরে সকালের নাস্তা করুন এবং প্রচুর পরিমানে পানি পান করুন। অনেক সময় মাইগ্রেন এর ব্যাথা হলে কফি খেলে ব্যাথা অনেক কমে যায়। আবার অনেকের ক্ষেত্রে ব্যাথা বেড়ে যায়। এর কারন হচ্ছে যারা প্রতিদিন অতিরিক্ত কফি খেতে অভ্যস্ত তারা কফি খেলে একটু পর শরীর থেকে ক্যাফেইন এর পরিমান কমে যেতে থাকে। এ থেকেও মাইগ্রেন এর ব্যাথা হতে পারে। তাই অতিরিক্ত চা কফি গ্রহন থেকে বিরত থাকুন।উচ্চ শব্দে মিউজিক মাইগ্রেন এর ব্যাথার একটা অন্যতম কারন হতে পারে। অনেক সময় বাসে অনেকক্ষন বসে থাকতে থাকতে গাড়ির হর্ন এর শব্দ, উচ্চ শব্দে মিউজিক এর কারনে মাইগ্রেন এর ব্যাথা হতে পারে। তাই যাদের মাইগ্রেন এর সমস্যা আছে তারা উচ্চশব্দে গান শোনা এড়িয়ে চলুন।

21
Nutrition and Food Engineering / Health Benifits of Carrots
« on: April 20, 2017, 12:49:06 PM »
Carrots are one of the most recognized vegetables in the World. There are still a lot of facts and health benefits of carrots you probably don’t know however! Here are a few interesting things to know about this vegetable.
You can usually find carrots year round on the supermarket shelves, but it you want the most delicious version you’ll want to buy them in season.
VARIETIES:
While you are probably used to eating the crunchy orange root of the plant you may be surprised to learn that the leafy green tops are also edible and have a fresh tart taste. You’ve probably seen many a carrot in the shade of orange, you may be surprised to find out that they actually come in shades of white, purple, red and yellow as well. Have a purple carrot for lunch and really throw all your friends for a loop!
BENEFITS:
As far as health benefits go, carrots are a powerhouse! Beta-carotene is what these vegetables are most well-known for, and they do have a lot of it, but they are also full of other healthy nutrients as well.
One of the biggest benefits of adding carrots to your daily diet is that of improved cardiovascular health, also known as having a healthy heart and blood vessels. A recent study has shown carrots to be one of the most risk reducing vegetables known to man today when it comes to heart diseases. A carrot a day really might keep the doctor away!
Carrots are also known to help with keeping your eyesight keen. Eye health can sometimes be overlooked, but try walking around with your eyes closed for just a few minutes and you’ll suddenly be keenly aware of how much you need to take care of your eyes!
Eating carrots can help lower your risks of glaucoma and cataracts. Carrots are also believed to have anti-cancer benefits, especially when it comes to colon cancer and other areas of your lower digestive tract.
The varying shades of carrots all have different levels of vitamins and minerals so it can be helpful to try to eat a variety. You can of course eat carrots plain or dipped in a low fat ranch or hummus, but you might try getting more creative.
Carrots are a versatile vegetable, which makes them easy to add to your diet so that you can easily reap all the health benefits.

22
Nutrition and Food Engineering / Health Benifits of Potatoes
« on: April 20, 2017, 12:42:09 PM »
Are potatoes healthy? Yes they are!
It’s a surprise for many to discover one medium potato (5.3 oz) with the skin contains:
• 45 percent of the daily value for vitamin C
• More potassium (620 mg) than even bananas, spinach, or broccoli;
• 10 percent of the daily value of B6;
• Trace amounts of thiamine, riboflavin, folate, magnesium, phosphorous, iron, and zinc
…and all this for just 110 calories and no fat, sodium or cholesterol.
More surprising facts:
Potatoes are a vegetable. The popular tuber counts toward the total recommended servings of vegetables. One medium-sized potato (5.3 oz.) counts as 1 cup of starchy vegetables
Overall diet quality can be improved when adults and children consume (non-fried) white potatoes. Research released in April 2011 using data from National Health and Nutrition Examination Survey (NHANES) 2001-2008 demonstrates meals that contain potatoes contain more servings of other vegetables, and are significantly higher in potassium, fiber and vitamin C.
Potatoes are a complex carbohydrate. The majority of carbohydrates in potatoes are complex carbohydrates, your body’s main energy source.
Only about 20% of the potato’s nutrition is found in the skin. In fact, most of the vitamin C and potassium are found in the potato’s flesh, but that good for-you fiber is found in the skin. That’s why it’s best to enjoy every part of the spud.
Potatoes can be part of a weight loss regimen. Research released by the University of California, Davis and the National Center for Food Safety and Technology, Illinois Institute of Technology in October 2010 demonstrates that people can include potatoes in their diet and still lose weight. The results of this study confirm what health professionals and nutrition experts have said for years; when it comes to weight loss, it is not about eliminating a certain food or food groups, rather, it is reducing calories that count.
Potatoes contain antioxidants. The amount and type depend on the variety of potato, but the predominant antioxidants are certain carotenoids and anthocyanins.
There easy and healthy ways to prepare potatoes so they stay nutritious. Try topping a baked potato with salsa, steamed vegetables, and low-fat sour cream or Greek yogurt. Consider mashing potatoes with low-fat chicken broth. Potatoes roasted with olive oil, garlic, and a touch of herbs are delicious. .
Potatoes are vegetables and they provide significant amounts of potassium and vitamin C. One medium-size (5.3 ounce) skin-on potato contains just 110 calories per serving, has more potassium (620mg) than a banana, provides almost half the daily value of vitamin C (45 percent), and contains no fat, sodium or cholesterol.

23
অনেকের অতিরিক্ত ঘাম হয়। ঘাম কমাতে অনেকে শীতাতপ
নিয়ন্ত্রিত (এসি) কক্ষে আশ্রয় নেন। তবে এটি ঘাম কমানোর
কোনো স্থায়ী সমাধান নয়। কিছু অভ্যাস পরিবর্তন করলেই
এ সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়া যেতে পারে। নিচে ঘাম
কমানোর কিছু উপায় উল্লেখ করা হলো :
১- অতিরিক্ত ঘাম এড়ানোর জন্য প্রচুর পানি পানের বিকল্প
নেই। কারণ ঘাম হলে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয় এ
জন্য পানি খাওয়া উচিত।
২- কফি পান কমাতে হবে কেননা কফিপান শরীরের
তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয় ফলে ঘাম বাড়ে।
৩- নাইলন ও প্লাস্টিক জাতীয় কাপড় পরিহার করুন
কেননা এ কাপড় আপনার দেহের
সাথে লেগে থাকে ফলে শরীর উত্তপ্ত হয়ে যাওয়ায়
অতিরিক্ত ঘাম বের হয়।
৪- দুশ্চিন্তা ও মানসিক চাপও অতিরিক্ত ঘামের জন্য
দায়ী তাই মনসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা কমান, দেখবেন
অতিরিক্ত ঘাম কমে গেছে।
৫- গভীর শ্বাসপ্রশ্বাস নিন এটা আপনার দেহ ও
মনকে শীতল রাখতে সহায়ক।
৬- গরমে কোনো ধরনের সুগন্ধি ব্যবহার করা যাবে না কারণ
এতে এরোসোল থাকে, যা আপনার শরীরকে গরম রাখে তাই
অতিরিক্ত ঘাম হয়।
৭- অতিরিক্ত ঘাম কমাতে টমেটোর জুস খেতে পারেন টমেটোর
জুসে পটাসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম আছে, যা অতিরিক্ত ঘাম
রোধে সহায়ক।

24
গ্যাস্ট্রিক বা এসিডিটির সমস্যা আমাদের দেশে খুবই স্বাভাবিক ব্যপার। অনেককে বছরের প্রায় সময়ই ভূগতে হয় এ সমস্যায়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে এর প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ। কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে এর নিরাময় করা যায় ।
 আসুন এরকম কিছু উপাদানের কথা জেনে নিই।
# লং
যদি আপনি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় জর্জরিত হয়ে থাকেন, তবে লং হতে পারে আপনার সঠিক পথ্য। দুইটি লং মুখে নিয়ে চিবাতে থাকুন, যেন রসটা আপনার ভেতরে যায়। দেখবেন এসিডিটি দূর হয়ে গেছে।

# জিরা
এক চা চামচ জিরা নিয়ে ভেজে ফেলুন। এবার এটিকে এমন ভাবে গুড়া করুন যেন পাউডার না হয়ে যায়, একটু ভাঙা ভাঙা থাকে। এই গুড়াটি একগ্লাস পানিতে মিশিয়ে প্রতিবার খাবারের সময় পান করুন। দেখবেন কেমন ম্যাজিকের মতো কাজ করে।

# গুঁড়
গুঁড় আপনার বুক জ্বালাপোড়া এবং এসিডিটি থেকে মুক্তি দিতে পারে। যখন বুক জ্বালাপোড়া করবে সাথে সাথে একটুকরো গুঁড় মুখে নিয়ে রাখুন যতক্ষণ না সম্পূর্ণ গলে যায়। তবে ডায়বেটিস রোগিদের ক্ষেত্রে এটি নিষিদ্ধ।

# মাঠা
দুধ এবং মাখন দিয়ে তৈরী মাঠা একসময় আমাদের দেশে খুবই জনপ্রিয় ছিল। এসিডিটি দূর করতে টনিকের মতো কাজ করে যদি এর সাথে সামান্য গোলমরিচ গুঁড়া যোগ করেন।

# পুদিনা পাতা
পুদিনা পাতার রস গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করতে বহুদিন ধরেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। প্রতিদিন পুদিনা পাতার রস বা পাতা চিবিয়ে খেলে এসিডিটি ও বদহজম থেকে দূরে থাকতে পারবেন।

25
১. স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি-----ব্লুবেরি
২. ত্বক রক্ষাকারী-----আ­ঙ্গুর
৩. ভুঁড়ি কমানো------বার্­লি
৪. ক্যান্সার ফাইটার----কালো শিম
৫. কোলেস্টেরল কমানো----তিল বীজ
৬. হাড় রক্ষাকারী-----প­নির
৭. ক্যান্সার ফাইটার----ব্রকলি
৮. খাদ্য আঁশে ভরপুর----আপেল
৯. ব্যায়ামের শক্তি যোগায়----ওটস/ ­কর্ণ ফ্লেক্স
১০. ব্যায়ামের পরের খাদ্য----পিনাট বাটার
১১. ব্যাথা দূরীকরণে-----আদা
১২. ক্লান্তি নিবারক----চকলেট ­ মিল্ক শেক
১৩. ঠাণ্ডার বিরুদ্ধে লড়াই----চিকেন সুপ
১৪. ঘুম আসে না??????-----চে­রি ফলের জুস
১৫. আলসার কমাতে----পেঁয়াজ
১৬. আয়রনের ঘাটতি কমাতে-----শিমের ­ বিচি/কলা
১৭. বয়স এর ছাপ কমাতে-----পেয়ারা
১৮. মাংসপেশী বানাতে---পুঁইশাক
১৯. মুখের দুর্গন্ধ দূর-----লেটুস
২০. রক্তবান্ধব----- ­কেল(রঙ্গিন বাধাকপি)

26
 খাবারের সাথে এক্সট্রা লবন গ্রহণ স্বাস্থ্যের ওপর যথেষ্ট ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। অতিরিক্ত লবণ গ্রহণের ফলে আমাদের রক্তচাপ বৃদ্ধি পায় এবং মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ (স্ট্রোক), হার্ট অ্যাটাক, কিডনি ও হার্ট ফেইলিউরের ঝুঁকি বেড়ে যায়। অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ করলে উচ্চ রক্তচাপ ছাড়াও অস্টিওপোরোসিস, পাকস্থলির ক্যান্সার, শারীরিক স্থূলতা হতে পারে এবং অ্যাজমা থাকলে এর উপসর্গগুলো বৃদ্ধি পায়।

----লবণের ক্ষতিকারক দিক---

- লবণ এক ধরনের স্ট্রেস ফুড। সিমপ্যাথেটিক নার্ভ সিস্টেমকে উদ্দীপিত করে।
- লবণ শরীরে পানি ধরে রাখে। বেশি লবণ খেলে হাই ব্লাড প্রেশারের আশঙ্কা থাকে।
- হাড় থেকে ক্যালসিয়াম শুষে নিয়ে লবণ হাড়ের ক্ষতি করে।
- শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ বের হবার কাজে লবণ ব্যাঘাত ঘটায়। এর জন্য ইউরিক অ্যাসিড, বাত দেখা দেয়। অতিরিক্ত লবণ খেলে কিডনির ওপর চাপ পড়ে, কিডনি দুর্বল হয়ে যায়।

-----লবণ খাওয়া কমাতে চাইলে----

- রান্নার সময় যতটা প্রয়োজন ততটা লবণ ব্যবহার করুন। খাবার টেবিলে বারবার লবণদানী থেকে কাঁচা লবণ নিয়ে খাওয়ার অভ্যাস কমান।
- রান্নার ধরনে পরিবর্তন আনুন। মাঝে মাঝে লো সল্ট রেসিপিতে রাঁধুন। নানা রকম ভেষজ ও মশলা দিয়ে খাবার বানাতে পারেন। লো সোডিয়াম জাতীয় সবজি যেমন গাজর, ব্রকোলি, ভুট্টা, শসা ইত্যাদি খান। লো সোডিয়াম জাতীয় সবজিতে ফ্যাটের পরিমাণও কম। আচার, টমেটো স্যুপ, ভেজিটেবল স্যুপ জাতীয় হাই সোডিয়াম খাবারে ফ্যাটের পরিমাণ বেশি।
- ফ্রোজেন ফুড, রেডিমেড স্যুপের প্যাকেটের মতো প্যাকেটজাত খাবাবে সোডিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকে। প্যাকেটজাত খাবার কেনার সময় ভালো করে লেবেল পড়ে নিন। লো সোডিয়াম স্যুপ খান। বাড়িতে তৈরি খাবার খেতে পারলে সবচেয়ে ভালো হয়।

----লবণের ভালো দিক-----

হার্ট, লিভার থেকে শুরু করে কিডনি, অ্যাড্রিনাল গ্ল্যান্ডের মতো শরীরের বিশেষ অংশগুলোর কাজকর্ম কিছুটা হলেও লবণের ওপর নির্ভর করে। তবে সাধারণত আমাদের ধারণা লবণ খেলেই ব্লাড প্রেশার বেড়ে যায়। লবণের ভালো এবং মন্দ - দুটো দিকই রয়েছে। সব মিলিয়ে লবণ খাবারের গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশ।

- নার্ভ সেলের কার্যকলাপের জন্য লবণ খুবই দরকারি।
- লো ব্লাড প্রেশারের জন্য লবণ উপকারী।
- সর্দি কমানোর জন্য, সাইনাসের কনজেশন ভাব দূর করার জন্যও লবণ বেশ কাজ করে।
- পেশীর ব্যথা প্রতিরোধের ক্ষেত্রেও লবণ সমান জরুরি।
- শুকনো কাশির সময় মুখে সামান্য লবণ রাখলে ঘন ঘন কাশির হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়।
- ব্লাড ভেসেল ও সেলগুলোকে লবণ কিছুটা সংকুচিত করে রাখে বলে শরীর গরম থাকে। এ কারণেই শীতকালে লবণ খাওয়া হয় বেশি।

------সামুদ্রিক লবণ-----

উপকারিতা
সামুদ্রিক লবণ সিলিকন, ক্যালসিয়াম, কপার, নিকেল সমৃদ্ধ। সামুদ্রিক লবণে উপস্থিত এসব মিনারেল ও অন্যান্য উপাদান ব্লাডসেল রক্ষা করতে সাহায্য করে। সাধারণ লবণের মধ্যে এত রকমের মিনারেল উপস্থিত থাকে না।

অপকারিতা
সামুদ্রিক লবণে আয়োডিন অনুপস্থিত। তাই সাধারণ লবণের চেয়ে এই লবণ খুব একটা উপকারী নয়। সামুদ্রিক লবণ খেলে খাদ্যতালিকায় আয়োডিনসমৃদ্ধ অন্যান্য খাবারও রাখুন।

27
 মাথার তালুর মৃত কোষই খুশকির প্রধান কারণ। শুষ্ক তালুর খুশকি দেখা যায়, কিন্তু তৈলাক্ত তালুর খুশকি সহজে দেখা যায় না। এই খুশকি চুলের গোড়া নরম করে এবং মাথার ত্বক তেলতেলে করে রাখে। তাই সব সময় সঠিক যত্ন নিয়ে মাথার ত্বক খুশকিমুক্ত রাখুন।

১. লবণ : শ্যাম্পুর সঙ্গে সামান্য লবণ মিশিয়ে মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন। এরপর ভালো করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি মাথার ত্বকের মরা কোষ দূর করে এবং খুশকির জীবাণু ধ্বংস করে।

২. লেবুর রস : লেবুর রস মাথার তালুতে লাগিয়ে ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। এবার শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে ফেলুন। বেশি করে কন্ডিশনার ব্যবহার করুন। খুশকি একেবারে দূর হয়ে যাবে।

৩. অ্যালোভেরার রস : অ্যালোভেরা মাথার ত্বকের পানিশূণ্যতা দূর করে। অতিরিক্ত তেলতেল না করে মাথার ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে। এ ছাড়া এটি মাথার তালুর মরা কোষ দূর করতেও কার্যকর। এই রস মাথার ত্বকে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৪. নিম পাতা : কয়েকটি নিমপাতা পানির সঙ্গে মিশিয়ে শিলপাটায় বেটে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই মিশ্রণ মাথার তালুতে লাগিয়ে ২০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। এর অ্যান্টি-ফাঙ্গাল উপাদান মাথার ত্বকের তৈলাক্ত খুশকি দূর করতে সাহায্য করে।

৫. বেকিং সোডা : পানির সঙ্গে বেকিং সোডা মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন। এবার শ্যাম্পুর মতো করে এই প্যাক চুলে লাগিয়ে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই উপাদানটি মাথার খুশকি পুরোপুরি দূর করে পুনরায় ফিরে আসতে দেয় না।

28
লেটুস পাতার বৈজ্ঞানিক নাম লাকটুসা স্যাটিজ এল। লেটুস একটি পাতা জাতীয় সবজী। লেটুসপাতায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও বিটা ক্যারোটিন আছে। এ দুটি উপাদান কোলেস্টেরলের অক্সিডেশনকে বাধা দেয় এবং কোলেস্টেরল কমাতে সহায়তা করে।

ফলে রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং হৃৎপিণ্ড ভালো থাকে। শুধু তাই নয় হৃৎপিণ্ডের শিরা-উপশিরার দেয়ালে চর্বি জমাট বাঁধতে বাধা দেয় এ পাতা। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতি ১০০ গ্রাম লেটুসে রয়েছে ১৫ ক্যালোরি, ২৮ মিলিগ্রাম সোডিয়াম, ১৯৪ মিলিগ্রাম পটাসিয়াম, ২.৯ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ১.৪ গ্রাম প্রোটিন, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি-৬, ক্যালসিয়াম, আয়রন ও ম্যাগনেসিয়াম। লেটুস পাতায় সেসব গুণ রয়েছে, তা নিম্নে আলোচনা করা হলো-

* লেটুসপাতা সোডিয়াম ভিটামিন-বি ওয়ান, বি টু থ্রি শরীরের যে কোনো অঙ্গে পানি জমে যাওয়া রোধ করে। এ পাতায় নিয়মিত খেলে বার্ধক্য আসে দেরিতে ত্বকের বলিরেখাও পড়ে না। ঠাণ্ডাজনিত অসুখ হাঁচি, কাশি, কফ, হাঁপানি ও ফুসফুসের ইনফেকশন দূর করতে সালাদে প্রতিদিন লেটুসপাতা খেতে পারেন।

* কাঁচা বা ভাজা লেটুসপাতার সালাদ রক্ত পরিষ্কার করে, হৃৎপিণ্ডের শিরা-উপশিরার দেয়ালে চর্বি জমাট বাঁধতে বাধা দেয়। লেটুসপাতায় ক্যালরির পরিমাণ কম থাকে। ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে লেটুসপাতার গুরুত্ব অনেক বেশি। এছাড়া ওজন কমাতে এ পাতা দারুন কাজ করে।

* ত্বকের কোথাও কেটে বা ছিঁড়ে গেলে এ পাতা থেঁতলে ব্যথার স্থানে লাগালে ব্যথা কমে যায়। লেটুসপাতায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। লেটুসপাতা হিমোগ্লোবিন বাড়াতে সাহায্য করে। অ্যানমিয়া বা রক্তশূন্য রোগীদের জন্য লেটুসপাতা উত্তম খাবার।

* লেটুসপাতা ভিটামিন কে আছে। ভিটামিন কে হাড়ের মেটাবলিজম বাড়ায়। লেটুসপাতা দ্রুত হাড় ক্ষয় হওয়া থেকে শরীরকে রক্ষা করে।

* লেটুসপাতার পুষ্টি উপাদান হাত-পা ফুলে যাওয়া, কিডনির পাথর, কিডনির কার্যহীনতা, মূত্রথলির ইনফেকশন ও কিডনির ব্যথায় লেটুসপাতা উপকারী।

* লেটুসপাতা খুশকি কমাতে সাহায্য করে। শ্যাম্পুতে লেটুসপাতা গুঁড়া ব্যবহার করা হয়। রোদে পোড়াভাব দূর করতে লেটুপসাতা থেঁতলে ত্বকে দিলে ত্বকের উপকার হয়।

* গর্ভবতী নারীরা কাঁচা লেটুসপাতা খেলে মা ও শিশু উভয়ের শরীরেই রক্তের মাত্রা বাড়ে। চোখের ইনফেকশনজনিত সমস্যা কমায় লেটুসপাতা।

29
 ১) প্রতিবার গোসলের সময় শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন না
চুল পরিষ্কার রাখা জরুরী, কিন্তু তা বলে প্রতিবার গোসলের সময় চুলে শ্যাম্পুর ব্যবহার চুলের জন্য মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়। অতিরিক্ত শ্যাম্পুর ব্যবহারে চুলের প্রাকৃতিক তেল চলে যায়, যার ফলে চুল সহজে বাড়তে চায় না। তাই অন্তত ১ দিন পরপর চুল শ্যাম্পু করুন।

২) ভেজা চুল তোয়ালে পেঁচিয়ে রাখবেন না
চুল শুকানোর জন্য অনেকেই গোসল শেষে ভেজা চুল তোয়ালেতেই পেঁচিয়ে রাখেন যা চুলের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এতে চুলের গোঁড়া একেবারেই নরম হয়, যার কারণে চুল পড়া বাড়ে। চুল বৃদ্ধি একেবারেই কমে যায়। গোসল সেরে ফ্যানের বাতাসে চুল ছড়িয়ে শুকিয়ে নিন। এবং অবশ্যই চুল ঝাড়ার কাজটিও করবেন না।

৩) তেলের ব্যবহার করুন
চুলের ঘনত্ব দ্রুত বৃদ্ধির জন্য তেলের অন্য কোনো বিকল্প নেই। চুলের বৃদ্ধিতে তেল যতোটা কাজ করে অন্য কোনো কেমিক্যাল সমৃদ্ধ উপাদান তা করতে পারে না। সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন তেল গরম করে চুলের গোঁড়ায় ম্যাসেজ করা উচিত। এছাড়াও সপ্তাহ অন্তত ১ দিন ক্যাস্টর অয়েল, অলিভ অয়েল ও আমন্ড অয়েল সমপরিমাণে মিশিয়ে চুলে লাগানো উচিত। এতেও চুলের দ্রুত বৃদ্ধি হয়।

৪) খাবারের দিকে নজর দিন
শুধু বাহ্যিকভাবেই নয় চুলের বৃদ্ধি হয় ভেতরের পুষ্টিগুণ থেকে। আপনি যদি খাদ্য তালিকায় পুষ্টিকর এবং চুল বৃদ্ধিতে সহায়ক খাবার রাখেন তাহলে চুলের বৃদ্ধি দ্রুতই হবে। দ্রুত চুল বৃদ্ধির জন্য ভিটামিন ই, এ, ফলিক অ্যাসিড, ওমেগা৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার রাখুন প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায়।

৫) চুল আঁচড়ানোর সময় মনোযোগ দিন
চুল অনেক জোরে ঘষে আঁচড়ানো, চুলে টান লাগা, চুলের জট এক টানে ছাড়িয়ে ফেলার মতো ভুল করবেন না। এতে করে চুলের গোঁড়া নরম হয়, চুল পড়া বাড়ে এবং চুল ভেঙেও যায়। চুল খুব ভালো করে সময় নিয়ে আঁচড়ান।

৬) কেঁচিকে হ্যাঁ বলুন
অনেকেই ভাবেন চুল লম্বা করতে বা চুলের ঘনত্ব ঠিক রাখতে গেলে চুল একেবারেই কাটা ঠিক নয়। কিন্তু ৬ থেকে ১০ সপ্তাহ পরপর অন্তত ১ ইঞ্চি চুল কাটা চুলের জন্য খুবই জরুরী। এতে চুলের আগা ফাটা দূর হবে যা চুল বাড়তে সহায়তা করবে।

30
সন্তানের মনে রাখার ক্ষমতা যদি ভালো হয়, তাহলে যেকোনো কিছু দ্রুত শিখতে ও মনে রাখতে পারবে। সন্তানের স্মৃতিশক্তি প্রখর করতে কী করতে পারেন, সে বিষয়ে কিছু পরামর্শ জেনে নিন।

কোনো কিছু ভিজ্যুয়ালাইজ করানো
আপনার সন্তান যখনই কোনো কিছু ভাবছে বা শিখছে, তখন সে চোখের সামনের বিষয়টিকে কীভাবে দেখছে তা আঁকতে বলুন। তাহলে দেখবেন, সে যা পড়ছে, জানছে, সেটি সহজে ভুলবে না। এ ধরনের কিছু গেম পাওয়া যায়। অবসর সময়ে খেলতে দিতে পারেন সন্তানকে।
অন্যকে শেখানোর দক্ষতা তৈরি করা
সন্তানকে শিক্ষকের ভূমিকায় আর আপনি শিক্ষার্থী—এই খেলা তার সঙ্গে খেলুন। বলুন, আজ যা কিছু শিখেছে তা যেন আপনাকে শেখায়। এটি করলে খেলার ছলে সন্তান পড়া তো শিখবেই। ভুলেও যাবে না। স্মৃতিশক্তির প্রখরতা বাড়বে।
গল্প বলানো
সাধারণ বিষয়গুলো তাকে গল্পের মতো করে বলতে বলেন। যেমন ধরা যাক, আজ স্কুলে কী করেছে, বন্ধুরা কী করল, টিফিনে কী খেল, শিক্ষকেরা কী কী বললেন। এভাবে মনে করে বললে স্মৃতিশক্তি ভালো কাজ করবে।
শুনে লেখার অভ্যাস
শিশুকে একটি কবিতা শোনান আর বলুন, সেটা সঙ্গে সঙ্গে লিখে ফেলতে। এভাবে মনে করে লিখতে বা বলতে পারার মধ্য দিয়ে দক্ষতা তৈরি হবে।

Pages: 1 [2] 3