Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - tahmina

Pages: 1 2 3 [4]
46
Pharmacy / Newly (2018) Approved Drugs by FDA
« on: April 28, 2018, 04:01:15 PM »
The following database contains a listing of drugs approved by the Food and Drug Administration (FDA) for sale in the United States. Drug information typically includes the drug name, approval status, indication of use, and clinical trial results. Review descriptions for our medical therapeutic area list to help assist in your search.
Join our Drug Research Updates group on LinkedIn!

Find out more about the types of drugs included in this listing.


Dermatology
Ilumya (tildrakizumab-asmn); Sun Pharmaceuticals; For the treatment of plaque psoriasis , Approved March 2018

Gastroenterology
Lutathera (lutetium Lu 177 dotatate); Advanced Accelerator Applications; For the treatment of gastroenteropancreatic neuroendocrine tumors, Approved January 2018

Immunology
Ilumya (tildrakizumab-asmn); Sun Pharmaceuticals; For the treatment of plaque psoriasis , Approved March 2018

Infections and Infectious Diseases
Biktarvy (bictegravir/emtricitabine/tenofovir alafenamide); Gilead; For the treatment of HIV-1 infection in adults, Approved February 2018
Trogarzo (ibalizumab-uiyk); TaiMed Biologics; For the treatment of multidrug resistant HIV-1 infection, Approved March 2018

Oncology
Erleada (apalutamide); Janssen Oncology; For the treatment of prostate cancer, Approved February 2018

Lutathera (lutetium Lu 177 dotatate); Advanced Accelerator Applications; For the treatment of gastroenteropancreatic neuroendocrine tumors, Approved January 2018
Pulmonary/Respiratory Diseases
Symdeko (tezacaftor/ivacaftor) ; Vertex; For the treatment of cystic fibrosis , Approved February 2018
Urology
Erleada (apalutamide); Janssen Oncology; For the treatment of prostate cancer, Approved February 2018

Source: https://www.centerwatch.com/drug-information/fda-appr

47

বাংলাদেশে প্রতি বছর ১০ অক্টোবর স্তন ক্যান্সার সচেতনতা দিবস হিসেবে পালন করা হলেও, পৃথিবীর অধিকাংশ দেশেই পুরো অক্টোবর মাসই স্তন ক্যান্সার সচেতনতার মাস হিসেবে পালিত হয়। আর সচেতনার জন্য এই রোগের আদ্যপ্রান্ত জানা দরকার।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী প্রতিবছর বিশ্বজুড়ে ১৫ লক্ষাধিক নারী স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে থাকেন এবং প্রতি লাখে ১৫ জন নারী মারা যান।

আমাদের দেশে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে (ক্যান্সার রেজিস্ট্রি) স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত নারীদের সংখ্যা রেকর্ড করা না হলেও, পার্শ্ববর্তী দেশের তথ্যের ভিত্তিতে দেখা যায়, প্রতিবছর প্রায় ৩০ হাজার নারী নতুন করে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে থাকেন।

উন্নত বিশ্বে অধিকাংশ নারী যেখানে ৫০ বছরের কাছাকাছি বয়সে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হন, আমাদের দেশে সেখানে ৪০ শতাংশেরও বেশি নারী ৫০ বছর বয়সে আক্রান্ত হয়ে থাকেন।

অন্যদিকে, উন্নত দেশে নারীরা স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার প্রাথমিক পর্যায়ে (স্ক্রিনিং’য়ের মাধ্যমে) ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে এবং চিকিৎসা নিয়ে থাকেন যা তাদের জীবন বাঁচাতে সাহায্য করে। তবে আমাদের দেশে অধিকাংশ নারী স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতার অভাব, সামাজিক ও ধর্মীয় কারণে শেষ পর্যায়ে (চতুর্থ পর্যায়) ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়ে থাকেন, যখন রোগীকে আর কোনোভাবেই বাঁচানো সম্ভব হয়না।

আমাদের দেশে স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে আরও বেশি উদ্বিগ্ন হওয়ার মূল কারণ হল গড় আয়ু বেড়ে যাওয়া। কারণ বয়স বাড়ার সাথে সাথে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে আমাদের দেশে নারীদের গড় আয়ু ছিল ৪৭ বছর যা আজ বেড়ে ৭৫ বছর হয়েছে আর সিংভাগ ক্ষেত্রেই সেটি সম্ভব হয়েছে শিশু ও মাতৃস্বাস্থ্যের উন্নয়ন, মানে উল্লেখযোগ্যভাবে শিশু ও মাতৃ-মৃত্যুর হার কমানোর মাধ্যমে।

তাই মাতৃস্বাস্থ্যের এই উন্নয়ন আমাদেরকে কিছুটা স্বস্তি দিলেও, স্তন ক্যান্সার ও মৃত্যু আমাদের জন্য মর্মপীড়া ও অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আমাদের দেশের নারীরা আজ প্রজনন স্বাস্থ্যের অমানিশা কাটিয়ে উঠলেও, অ-প্রজনন স্বাস্থ্যের, বিশেষ করে স্তন ক্যান্সারের চরম ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। আর এই ঝুঁকি থেকে মুক্তির প্রধান উপায় হল নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবার মধ্যে স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে ব্যাপক সচেতনতা গড়ে তোলা।

তাই, স্তন ক্যান্সার কী কারণে হয়ে থাকে বা এর লক্ষণগুলো কী কী তা জানা জরুরি।

স্তন ক্যান্সার কেনো হয় তার নির্দিষ্ট কোনো কারণ এখনও জানা যায়নি। তাই একাধিক কারণকে স্তন ক্যান্সারের জন্য দায়ী করা হয়ে থাকে, যেমন:

* যেসব নারীর বয়স ৪০ বছরের বেশি তাদের স্তন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

* স্তন ক্যান্সারের পারিবারিক ইতিহাস থাকলে অর্থাৎ মা-খালাদের থাকলে সন্তানদের হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

* অবিবাহিতা বা সন্তানহীনা নারীদের মধ্যে স্তন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

* যেসব মায়েরা সন্তানকে কখনও স্তন্যপান (breast feeding) করাননি তাদের স্তন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

* ৩০ বছরের পরে যারা প্রথম মা হয়েছেন তাদের স্তন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

* যাদের তুলনামূলক কম বয়সে মাসিক শুরু হয় ও দেরিতে মাসিক বন্ধ (menopause) হয় তাদের স্তন ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

* একাধারে অনেকদিন (১০ বছর বা বেশি) জন্ম নিরোধক বড়ি খেলেও স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

তবে মনে রাখা প্রয়োজন যে, উপরের কারণগুলো স্তন ক্যান্সারের সহায়ক ভূমিকা পালন করে মাত্র, কোনোটি একক কারণ নয়। বয়স বাড়ার সাথে সাথে যেহেতু স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়তে থাকে, একটা নির্দিষ্ট বয়সের পর থেকে (৩০ বছর) সতর্কতা অবলম্বন জরুরি। আর সেজন্য স্তন ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণগুলো জানা খুবই প্রয়োজন। যেমন-

* স্তনের বোটা (breast nipple) থেকে কিছু বের হওয়া।

* স্তনের ভিতর চাকা (breast lump) অনুভব করা।

* স্তনে ব্যাথা অনুভব করা।

* স্তনের আকার পরিবর্তিত হওয়া।

* স্তনের ত্বকে ঘাঁ দেখা দেওয়া।

* স্তনের ত্বকে লালচে ভাব/দাগ দেখা দেওয়া।

উপরের লক্ষণগুলোর যেকোনো একটি দেখা দেওয়ার সাথে সাথে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরার্মশ অত্যন্ত জরুরি যা স্তন ক্যান্সারের ভয়াবহতা ও মৃত্যু থেকে রক্ষা করবে।

স্তন ক্যান্সার সাধারণত দুভাবে শনাক্ত করা যায়: ১) স্ক্রিনিং (screening)য়ের মাধ্যমে ২) রোগ নির্ণয়ের (diagnosis) মাধ্যমে।

স্ক্রিনিং আবার দুভাবে করা যায়: ১) নিজেই নিজের স্তন পরীক্ষা করা। ২) ডাক্তার বা নার্সের সাহায্যে পরীক্ষা করা।

রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রেও প্রধানত দুটি পদ্ধতি রয়েছে: ১) মেমোগ্রাম বা স্তনের বিশেষ ধরনের এক্স রে। ২) স্তনের আলট্রাসনোগ্রাম।

তাছাড়া এমআরআই এবং বায়োপসি (breast tissue/fluid)-এর মাধমেও স্তন ক্যান্সার নির্ণয় করা হয়ে থাকে।

স্তন ক্যান্সার শনাক্তকরণের পরবর্তী পর্যায় হল এর সঠিক চিকিৎসা করা। স্তন ক্যান্সারের যে চিকিৎসাগুলো প্রধানত রয়েছে তা হলো: সার্জারি, কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি ও হরমোন থেরাপি।

সার্জারির মধ্যে আবার বিভিন্ন ধরন রয়েছে। তবে কোন ধরনের চিকিৎসা রোগীর জন্য উপযুক্ত, তা বিশেষজ্ঞ ডাক্তার সিদ্ধান্ত নেবেন।

যেহেতু স্তন ক্যান্সারের নির্দিষ্ট কোনো কারণ নেই, তাই ঝুঁকি এড়ানোর জন্য স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতন হওয়া এবং নিয়মিত স্তন পরীক্ষা করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে নিজেই নিজের স্তন পরীক্ষা করা ভালো। এক্ষেত্রে ৩০ বছরের পর, প্রতিমাসে মাসিকের পর পর নিজেই নিজের স্তন পরীক্ষা করা জরুরি।

যেসব নারী স্তন ক্যান্সারের অতিরিক্ত ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন, যেমন- যাদের পরিবারে স্তন ক্যান্সার রয়েছে/হয়েছে, তাদের প্রতিবছর (৪০ বছরের পর) মেমোগ্রাম করানো অত্যাবশ্যক।

এছাড়া যে বিষয়গুলি খেয়াল রাখা জরুরি তা হলো- ৩০ বছর বয়সের মধ্যে প্রথম সন্তান জন্ম দেওয়ার চেষ্টা করা, সন্তানকে বুকের দুধ পান করানো, কোনো ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে সাথে সাথে ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া, ধূমপান ও অ্যালকোহল পরিহার করা, টাটকা শাকসবজি ও ফলমূল খাওয়া এবং নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম/পরিশ্রম করা।

উন্নতদেশে ডাক্তার বা নার্স কর্তৃক সর্বজনীন ফ্রি (population-based/national screening) স্ক্রিনিং’য়ের ব্যবস্থা ও উন্নতমানের চিকিৎসা-সেবা, প্রাথমিক পর্যায়ে স্তন ক্যান্সার শনাক্তকরণ এবং মৃত্যু নিয়ন্ত্রণে বড় ভূমিকা পালন করে থাকে। তবে আমাদের দেশে সম্পদ ও কাঠামোগত স্বল্পতার কারণে সেই ধরনের সুযোগ কম।

অন্যদিকে, স্তন ক্যান্সারের চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল হওয়ায় অনেক পরিবারের ক্ষেত্রে চিকিৎসা করানো সম্ভব হয়না। তাই, আমাদের দেশে স্তন ক্যান্সারের ভয়াবহতা থেকে মুক্তির প্রথম ও প্রধান উপায় হল নিজেই নিজের স্তন পরীক্ষা অভ্যাস তৈরির মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়ে স্তন ক্যান্সার শনাক্ত করা।

দ্বিতীয় যে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ তা হল, স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়গুলো সম্পর্কে সচেতন হওয়া ও সেগুলো এড়িয়ে চলা। গবেষণায় দেখা যায়, প্রাথমিক পর্যায়ে স্তন ক্যান্সার শনাক্ত করা গেলে অনেকাংশেই রোগীকে বাঁচানো যায় অথবা মৃত্যুকে দীর্ঘায়িত করা যায়।


লেখক পরিচিতি: শিক্ষক ও গবেষক, পপুলেশন সায়েন্সেস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

যুক্ত আছেন: উইমেন্স হেল্থ রিসার্চ প্রোগ্রাম, মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়, অস্ট্রেলিয়া।
ট্যাগ :
লাইফস্টাইল দেহঘড়ি


48
More than 130,000 Anterior Cruciate Ligament (ACL) surgeries take place each year with the majority of patients not requiring pain medication after three months post-operatively. However, researchers presenting their work at the American Orthopaedic Society for Sports Medicine's Annual Meeting today in Toronto, Ontario, Canada found that those patients who were filling opioid prescriptions prior to surgery were 10 times more likely to be filling prescriptions five months after surgery.

"With the ever-increasing opioid epidemic our nation is facing, understanding the risk factors for postoperative narcotic use could aid surgeons and healthcare systems in identifying patients who could benefit from a different pain management and counseling regimen than previously identified," said Chris A. Anthony, MD, lead researcher from the University of Iowa Hospitals and Clinics, in Iowa City, IA.

Anthony and his colleagues identified 4,946 arthroscopic ACLRs that were performed and documented in the Humana Inc. database between 2007-2017 using the CPT code 29888. They evaluated the effect of preoperative opioid demand on postoperative demand by comparing those who did and did not fill prescriptions pre-and post-surgery. Patients were considered preoperative opioid users if they had filled a prescription in the three months preceeding surgery. Individuals were also categorized by those who underwent only ACLR, those who underwent ACLR with meniscus repair, those who underwent ACLR with menisectomy and those with ACLR and microfracture.

According to their analysis, nearly seven percent of patients were still filling opioid prescriptions, three months following surgery with almost five percent still filling prescriptions at 12 months. Nearly 35 percent of patients (1,716/4,946) were filling opioid prescriptions in the three months prior to surgery. Those younger than 25 years were four times as likely to be filling opioid prescriptions at nine months following surgery.

"We hope that our research will help contribute additional information to the baseline opioid medication demand data and continue to increase our knowledge of how to better cope with addiction and pain management following surgery," said Anthony.

Source: American Orthopaedic Society for Sports Medicine.

49


The risk of developing dementia is getting smaller every year because of medical advances and people taking better care of their health, a major study has found.

Although the actual number of cases is rising as the British population increases and ages, for the average over 50, the chance of being diagnosed with diseases like Alzheimer's is falling by 2.7 per cent each year.

New research by University College London and the University of Liverpool suggests that around 700,000 people - 30,000 a year - will be spared dementia over the next two decades if progress continues as it has done since 2002.
 
At the start of the decade the chance of developing dementia for women was 14.3 per 1000 people and 17 in women.

But today the risk has fallen to 12.3 per 1000 for men and 14.2 for women largely because of health interventions to protect people against illness and improve overall well-being.

Dr Sara Ahmadi-Abhari, lead author from UCL said: "The decline in age-specific incidence of dementia is good news for both the individual and for the society.

"For the individual, dementia is shifted to later years is life. For society, it means the growth in numbers of people living with dementia is not as large as once anticipated."
The difference between dementia and Alzheimers ? in 60 seconds
01:06

Around 800,000 people are currently living with dementia in Britain, according to the new research based on the English Longitudinal Study of Ageing which has followed 18,000 people in their 50s since 2002.

That number will rise substantially to 1.2 million by 2040, but crucially that increase is driven by the growing and ageing population. Without recent improvements in medicine and a shift to healthier lifestyles the figure would have been around 1.9 million in the same timescale, the experts said.

The finding was welcomed by dementia charities who said that it proved that exercising and improving heart health could ward off disease.

Dr James Pickett, Head of Research at Alzheimer’s Society described the study as a 'nugget of good news.'

"The proportion of people developing dementia at any given age has decreased slightly," he said.

"This might be due to improved cardiovascular health, or more education and physical activity and shows that dementia doesn’t have to be an inevitable part of ageing.”


However the charity warned that overall numbers were rising and called on researchers to continue to look for cures and ways to prevent the disease.

Dementia already costs Britain around £23 billion a year but that will rise dramatically in coming years, the research warns.

The study authors said the research had important policy and planning implications for the NHS and Department of Health as people live longer and deaths from other causes, such as heart disease, continue to decline.

Dr Ahmadi-Abhari, added: “Given the incidence decline, the main driver for the increase in numbers with dementia is increasing life expectancy and an increase in the proportion of the population in the oldest age groups.

"The increase in numbers of people living with dementia is nonetheless substantial and has important policy implications for planning to meet health and social care needs.

"If public health efforts fail and the risk of developing dementia does not continue to decline, the growth in numbers of people living with dementia will be much larger, reaching 1.9 million by 2040.”

The research was published in the BMJ.

Source:http://www.telegraph.co.uk/science/2017/07/05/dementia-risk-dropping-people-stay-healthier-medicine-improves/

Tahmina Afroz
Lecturer
Department of pharmacy
Daffodil International University

50

Scientists studying Alzheimer's have found that staying moderately active can lead to healthier brain functions in those at risk of developing the disease, potentially giving us another clue how to beat the condition.

In particular the research looked at glucose metabolism, the process that gives brain cells the right amount of fuel, and that also happens to break down with the onset of Alzheimer's.

Scientists from the University of Wisconsin-Madison found that study participants who spent at more than an hour per day taking part in moderate physical exercise showed greater levels and healthier levels of glucose metabolism than those who didn't.

"This study has implications for guiding exercise 'prescriptions' that could help protect the brain from Alzheimer's disease," says one of the team, Ryan Dougherty.

"While many people become discouraged about Alzheimer's disease because they feel there's little they can do to protect against it, these results suggest that engaging in moderate physical activity may slow down the progression of the disease."

The study used accelerometers to measure a week's worth of physical activity for 93 middle-aged volunteers, all at high genetic risk of Alzheimer's but so far showing no cognitive signs of the disease.

Physical activity was split into light (the equivalent of walking slowly), moderate (a brisk walk), and vigorous (a strenuous run). This collected data was then compared against glucose metabolism levels in the brain.

Using a special imaging technique called 18F-fluorodeoxyglucose positron emission tomography (FDG-PET) to trace glucose metabolism, the researchers found healthier patterns in moderately active patients in all areas of the brain under observation.

The link is enough for the researchers to suggest physical exercise is an "important contributor" to brain health for those at risk of Alzheimer's, though they also stress that further research is required to establish how staying active might be connected to the chances of developing Alzheimer's later in life.

Plenty of previous studies have found associations between exercise and improved memory, and there's a growing pile of evidence that exercise boosts brain power as well as other parts of the body. Now we just need to figure out how Alzheimer's fits into all this.

A small 2016 study found that exercise could be one factor in reversing the effects of Alzheimer's, alongside changes to diet and sleep habits, and a personalised program of vitamins and other drugs.

Everyday exercises such as gardening or walking are already recommended for those suffering from dementia – as well as just about everyone else – but scientists are still trying to pin down the details.

According to one of the researchers, Ozioma Okonkwo, ongoing research continues to take a closer look at how exercise could perhaps protect the brain from the onset of Alzheimer's off the back of this new study.

"Seeing a quantifiable connection between moderate physical activity and brain health is an exciting first step," he says.

The findings have been published in the Journal of Alzheimer's Disease.

Source:https://www.sciencealert.com/physical-activity-is-linked-to-brain-health-says-a-new-alzheimer-s-study


Tahmina Afroz
Lecturer
Employee ID:710001915
Department of Pharmacy
Faculty of Allied health Science.
Daffodil International University

51

The more we find out about the bacteria that live in our gut, the more we're coming to realise how these microbiota could have an impact on every facet of our lives – and not just our physical health and well-being, but our thoughts and emotions too.

A new study has identified associations between two kinds of gut microbiota and how they affect people's emotional responses, and the researchers say it's the first evidence of behavioral differences related to microbial composition in healthy humans.

Up until now, most research looking into how gut organisms influence emotions has been conducted on animals, with scientists finding that the bacterial composition of rodent guts can have an effect on the animals' behaviour.

Now, a team led by gastroenterologist Kirsten Tillisch at UCLA has shown that the same kind of associations appear to be affecting human emotional reactions.

The researchers took faecal samples from 40 healthy women between the ages of 18 and 55. When the samples were analysed, the participants were divided into two groups based on their microbiota composition.

One of the groups showed a greater abundance of a bacterium genus called Bacteroides, while the other group demonstrated more clusters of a genus called Prevotella.

Next, the team scanned the brains of the participants via functional magnetic resonance imaging, while showing them images designed to provoke a positive, negative, or neutral emotional response.

What the researchers found was that the group with greater abundance of Bacteroides in their gut bacteria showed greater thickness of the grey matter in the frontal cortex and insula – brain regions which process complex information – and also a larger volume of the hippocampus, which is involved with memory.

In contrast, the women with higher levels of Prevotella demonstrated lower volume in these areas, and demonstrated greater connections between emotional, attentional and sensory brain regions.

When shown the negative images, the Prevotella participants showed lower activity in the hippocampus – but reported higher levels of anxiety, distress and irritability after looking at the photos.

According to the researchers, this could be because the hippocampus helps us to regulate our emotions, and so with less hippocampal volume – which is possibly related somehow to the makeup of our gut microbiota – negative imagery may pack a greater emotional wallop.

"Reduced hippocampal engagement to negative imagery may be associated with increased emotional arousal," the authors write in their paper.

"Such changes have been suggested to result in less specificity of encoding the contextual details of incoming stimuli, a deficit seen in the setting of several psychiatric disorders, including depression, post traumatic stress disorder, and borderline personality disorder. While the subjects in this study were healthy, it is possible that the patterns which emerge from the microbial clustering represent vulnerability factors."

It's important to bear in mind that the sample studied here was very small – a point the researchers freely admit in their paper, acknowledging that further research with larger numbers of participants will be needed before we can really understand what's going on here.

But it's clear that there's something going on between the organisms in our gut and the thoughts and feelings we experience, and the sooner we delve into this, the sooner we'll comprehend just how emotionally powerful our 'second brain' really is.
The findings are reported in Psychosomatic Medicine: Journal of Behavioral Medicine

Source:http://www.sciencealert.com/new-findings-suggest-human-emotions-really-are-affected-by-gut-bacteria


Tahmina Afroz
Lecturer
Employee ID:710001915
Department of Pharmacy
Faculty of Allied health Science.
Daffodil International University

Pages: 1 2 3 [4]