Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Mst. Eshita Khatun

Pages: 1 [2] 3 4 5
16
Thanks for sharing

17
মানুষের টিস্যু ব্যবহার করে প্রথমবারের মতো থ্রিডি প্রিন্টিং প্রযুক্তিতে হৃদ্‌যন্ত্র তৈরিতে সফল হয়েছে ইসরায়েলের গবেষকেরা। চিকিৎসাজগতে প্রথম ও বড় ধরনের উদ্ভাবন বলা হচ্ছে একে। হৃদ্‌যন্ত্র প্রতিস্থাপনের সম্ভাবনার বিষয়টি আরও একধাপ এগিয়ে গেল এতে। এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা খরগোশের হৃদ্‌যন্ত্রের আকারের ওই হৃদ্‌যন্ত্র তৈরির কথাটি গতকাল সোমবার প্রকাশ করেন। ওই প্রকল্পের গবেষক তাল দাভির বলেন, বিশ্বের প্রথম প্রিন্ট করা ও সফলভাবে প্রকৌশল প্রয়োগ করে পুরো হৃদ্‌যন্ত্র তৈরি করা হয়েছে। কোষ ব্যবহার করে তৈরি হৃদ্‌যন্ত্রে রক্তনালি, ভেন্ট্রিকেল ও চেম্বার রয়েছে।

গবেষক তাল দাভির বলেন, এর আগে হৃদ্‌যন্ত্রের থ্রিডি প্রিন্টেড কাঠামো তৈরি করা হয়েছে, তবে তা কোষ ও রক্তনালিযুক্ত ছিল না।

Eprothom Aloগবেষকেরা বলছেন, পুরোপুরি থ্রিডি প্রিন্ট করা হৃদ্‌যন্ত্র প্রতিস্থাপন করতে গেলে আরও অনেক চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।

গত সোমবার তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের সামনে চেরি ফলের সমান একটি হৃদ্‌যন্ত্র প্রদর্শন করেন গবেষকেরা। গবেষণাসংক্রান্ত নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে ‘অ্যাডভান্সড সায়েন্স’ সাময়িকীতে।

গবেষকেরা বলছেন, কৃত্রিম ওই হৃদ্‌যন্ত্র যাতে প্রকৃত হৃদ্‌যন্ত্রের মতো আচরণ করে, তা শেখাতে হবে। তারপর তা প্রাণিদেহে প্রতিস্থাপনের পরিকল্পনা করছেন গবেষকেরা।

আগামী ১০ বছরের মধ্যেই বিভিন্ন হাসপাতালে হৃদ্‌যন্ত্রের মতো অঙ্গপ্রত্যঙ্গ প্রিন্ট করার সুযোগ থাকবে। নিয়মিত এসব কার্যক্রম পরিচালন করা হবে। তবে হৃদ্‌যন্ত্রের চেয়ে আরও সরল অঙ্গপ্রত্যঙ্গ প্রিন্ট করার কাজ শুরু করবে হাসপাতালগুলো।

source: prothom Alo Date: 16th April, 2019

21
ICT / যন্ত্রের ভাষা শেখা
« on: April 09, 2019, 01:59:59 PM »
  ১
যন্ত্রে ভাষা শেখার কারণে অনেক কাজই এখন সহজ
যন্ত্রে ভাষা শেখার কারণে অনেক কাজই এখন সহজ
আমরা এখন বাস করছি এক স্মার্ট সময়ে। আমাদের হাতের স্মার্টফোনটি এখন আমাদের কথা বুঝতে পারে। আমরা বাংলা বা ইংরেজি যে ভাষাতেই কথা বলি না কেন, সেটি তা অনুবাদ করে দিতে পারে। অনেকেরই হয়তো আগ্রহ থাকতে পারে যে ছোট্ট এ স্মার্টফোনটি কীভাবে এত কিছু করতে পারে! এর কারিগরি দিকটি বুঝতে হলে কম্পিউটারবিজ্ঞানের গবেষণার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। মানুষের বুদ্ধিমত্তার কাছাকাছি বিভিন্ন কাজগুলো একটি যন্ত্র বা রোবট যেন করতে পারে, তা নিয়ে যে গবেষণা করা হয় তাকে বলা হয় আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। নাম থেকেই বোঝা যায় আসলে যন্ত্রটির সত্যিকারের বুদ্ধিমত্তা বলতে কিছুই নেই, সেটি আদতে একটি নিরেট যন্ত্র বৈ আর কিছু নয়। কিন্তু যন্ত্রটির মানুষের বুদ্ধিমত্তার অনুকরণ করার এক অদ্ভুত শক্তিশালী একটা ক্ষমতা আছে। এই শক্তিশালী ক্ষমতাকেই বলা হয় মেশিন লার্নিং। এই পদ্ধতিতে যন্ত্রও এখন বাংলা শেখে। বাংলায় অনুবাদ করা যায়, কথা বলে নির্দেশনা দেওয়া যায় যন্ত্রকে।

মেশিন লার্নিং কী?

Eprothom Aloকম্পিউটারকে এমন একটি ক্ষমতা দেওয়া হয় যার জন্য সেটি যেকোনো কিছু আগে থেকে ওই বিষয়ক প্রোগ্রাম লেখা ছাড়াই শিখতে পারে—এটিই মেশিন লার্নিং। নিজে থেকে শেখার ক্ষমতার কারণে কম্পিউটার যেকোনো কিছুই করতে পারে খুব সহজে। অন্যভাবে বলা যেতে পারে, যদি কম্পিউটারের খেলার সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি তার জেতার হার বেড়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে সেই কম্পিউটারটি আসলেই শিখছে। মানে সে খেলতে খেলতে শিখছে, আর নিজে থেকে এই শেখার ক্ষমতাকেই বলে মেশিন লার্নিং।

বোঝার ক্ষমতা

মানুষের যেমন পাঁচটি ইন্দ্রিয় রয়েছে, তারই অনুকরণে তৈরি করা হয়েছে কম্পিউটার প্রকৌশলের বিভিন্ন গবেষণার ক্ষেত্র। চোখ দিয়ে দেখার যে ক্ষমতা, তার নাম দেওয়া হয়েছে ‘কম্পিউটার ভিশন’। কান দিয়ে কথা শোনার যে ক্ষমতা, তার নাম দেওয়া হয়েছে “স্পিচ টু টেক্সট”। নাক দিয়ে ঘ্রাণ নেওয়ার যে ক্ষমতা, তার নাম দেওয়া হয়েছে “ইলেকট্রনিক নাক”, যা বড় পরিসরে “প্যাটার্ন রিকগনিশন” নামক গবেষণার ক্ষেত্রের সঙ্গে জড়িত। স্পর্শ করার ক্ষমতা এখন সব স্মার্টফোনেই রয়েছে, যা “টাচ সেন্সর” নামে পরিচিত। খাবারের স্বাদ গ্রহণের যে ক্ষমতা, তা সম্ভবত সবচেয়ে জটিল এবং যন্ত্রের জন্য অপ্রয়োজনীয় বলেই হয়তো এ নিয়ে খুব একটা গবেষণার কাজ দেখা যায় না। ওপরের এই গবেষণার দিকগুলো চিন্তা করলে বলা যেতে পারে যে আমাদের স্মার্টফোনগুলো এখন স্পর্শ, দেখা এবং শোনা; এই তিনটি ইন্দ্রিয়ের কাজ বেশ ভালোভাবেই করতে পারে।

পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের বাইরেও মানুষের আরও বিভিন্ন ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে আরও বিভিন্ন ক্ষেত্র। যেমন মুখ দিয়ে কথা বলার জন্য যে ক্ষমতা, তার নাম দেওয়া হয়েছে ‘টেক্সট টু স্পিচ’। ভাষা অনুবাদ করার যে ক্ষমতা, তাকে বলা হয় ‘মেশিন ট্রান্সলেশন’।

গবেষণা চলছে নিরন্তর

এসব গবেষণার ক্ষেত্রেই মেশিন লার্নিং ব্যবহার করে গবেষকেরা এখন কাজ করছেন। মেশিন লার্নিংকে কয়েক ভাগে ভাগ করা যায়, যেমন সুপারভাইজড লার্নিং, আন-সুপারভাইজড লার্নিং, সেমি-সুপারভাইজড লার্নিং, এবং রি-ইনফোর্সমেন্ট লার্নিং।

সুপারভাইজড লার্নিংয়ের জন্য প্রয়োজন হয় মানুষের তৈরি করা প্রশিক্ষণ উপাত্ত (ডেটা)। একটি প্রোগ্রামকে এই উপাত্তের ভিত্তিতে প্রশিক্ষিত করা হয়, যার ওপর ভিত্তি করে প্রোগ্রামটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকে। সমগ্র প্রক্রিয়াটিকেই সুপারভাইজড লার্নিং বলা হয়। যেমন আমাদের মেইলের ইনবক্সে আসা মেইলটি স্প্যাম কি না এই সিদ্ধান্ত আগের কিছু তথ্যের ওপর নির্ভর করে দেওয়া হয়।

প্রোগ্রামে কিছু তথ্য দেওয়া হয় এবং প্রোগ্রাম সেটার ওপর নির্ভর করেই সব ধরনের সিদ্ধান্ত দেয় কিন্তু এ ক্ষেত্রে ফলাফল বা আউটপুট কী সেটা কোথাও বলা থাকে না। প্রোগ্রাম নিজ থেকেই সেটা বুঝে বের করে নেয়। আর একেই আন-সুপারভাইজড লার্নিং বলা হয়। যেমন একটি শ্রেণিকক্ষে কয়েকজন ছাত্রছাত্রী বসে রয়েছে। এই প্রোগ্রাম ছাত্র ও ছাত্রীদের ভিন্ন ভাগে ভাগ করবে, এটা হচ্ছে আন-সুপারভাইজড লার্নিং।

সুপারভাইজড এবং আন-সুপারভাইজড লার্নিংয়ের কম্বিনেশনকে সেমি-সুপারভাইজড লার্নিং বলে।

করপোরেট দুনিয়ায় এখন মেশিন লার্নিংয়ের পাশাপাশি রোবটিক প্রসেস অটোমেশন (আরপিএ) পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। এই পদ্ধতির ফলে বিভিন্ন যন্ত্র মানুষের বারবার করা কাজগুলো শিখে সেগুলো নিজেরাই করে নিচ্ছে। বাংলাদেশে এখনো এর ব্যবহার নেই। যদি এই পদ্ধতি বাংলাদেশে ব্যবহার করা যেত, তাহলে বাংলাদেশের জনবলকে আরও দক্ষ করা যেত।

নিত্য আবিষ্কারে প্রশিক্ষিত যন্ত্র

সাম্প্রতিক নিত্যনতুন আবিষ্কার এই মেশিন লার্নিংকেই করে তুলেছে তুমুল জনপ্রিয় এক গবেষণার ক্ষেত্র। মেশিন লার্নিং ব্যবহার করেই আপনি বাংলায় কথা বলে গুগলের জিবোর্ড বা অক্ষর বাংলা কি–বোর্ড লিখতে পারে। এই প্রযুক্তি দিয়েই গুগলে ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদ হয়, আবার গুগল সেটা পড়েও শোনাতে পারে। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য যা বেশ কাজের। যত বেশি ব্যবহার হবে এসব তত বেশি উন্নত হবে।

যে কেউ চাইলেই মেশিন লার্নিং নিয়ে কাজ করতে পারেন। এর জন্য পাইথন প্রোগ্রামিংয়ের ভালো ধারণা থাকতে হবে। যেহেতু মেশিন লার্নিংয়ের সব গণিতভিত্তিক, তাই উচ্চস্তরের জ্ঞান থাকতে হবে বীজগণিত, পরিসংখ্যান ও ক্যালকুলাসে। মেশিন লার্নিং ব্যবহার করে প্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা সহজলভ্য করার জন্য কাজও হচ্ছে দেশে।

লেখক: প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা, কাজী আইটি সেন্টার লিমিটেড।
ই-মেইল: kmanwar@gmail.com

22
বিদ্যুতের জন্য সৌর প্যানেল এখন যদিও বেশ উন্নত, তবু এসব দিয়ে সুচারুভাবে পুরো কাজ সম্পন্ন করা যায় না। নতুন এক গবেষণা বলছে, ভিন্ন ধরনের সৌর প্যানেল ব্যবহার করে কম খরচে মহাকাশ যাত্রায় পাওয়া যাবে অনেক শক্তি।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, এখনো অনেক কিছু করার আছে। এত দিন সেসব সৌর প্যানেল চলে আসছে, তার ভেতর মানসম্মত সোলার প্যানেলে সিলিকনের তৈরি সৌর কোষ ব্যবহার করা হয়। এই প্যানেল মাত্র ১৭-১৯ শতাংশ সৌর শক্তিকে বিদ্যুৎ–শক্তিতে রূপান্তর করতে পারে।

এক গবেষণায় বলা হচ্ছে, সোলার প্যানেলের কর্মক্ষমতা ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো সম্ভব। কিন্তু এর ফলে আবার মাত্র এক ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে খরচ পড়বে ৩০০ ডলার! যেখানে সিলিকন কোষে এক ওয়াটের জন্য খরচ পড়ত মাত্র ১ ডলার। এ ধরনের সৌর প্যানেল মহাকাশ অভিযানে কাজে লাগানোর কথা ভাবা হচ্ছে।

Eprothom Aloএই গবেষণাকেও আরও এক ধাপ সামনে নিয়ে গেল নতুন আরেক গবেষণা।

সম্প্রতি কর্মদক্ষতা ও ব্যয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি নতুন ধরনের সৌর প্যানেল পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে। সুইস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির এই নতুন গবেষণায় গবেষকেরা নতুন এক বুদ্ধি বের করেছেন। তাঁরা সম্প্রতি এমন একটি ব্যবস্থা পরীক্ষা করেছেন, সেটাতে খরচ পড়বে সিলিকন প্যানেলের মতো, কিন্তু কর্মদক্ষতা হবে ২৯ শতাংশ! আবার তা বাসার ছাদ থেকে শুরু করে ব্যবহার করা যাবে মহাকাশেও।

গ্যালিয়াম আর্সেনাইড ও গ্যালিয়াম ইন্ডিয়াম ফসফাইডের সমন্বয়ে গঠিত এই সেলগুলো ব্যাপক পরিসরে সৌরশক্তি শোষণ করতে পারে। আগে মহাকাশে যে ধরনের সেল ব্যবহার করা হতো, সেগুলোর গঠন জটিল ও ব্যয়সাপেক্ষ। সে তুলনায় এই সেল হবে সহজে ব্যবহারযোগ্য ও তুলনামূলকভাবে কম ব্যয়সাপেক্ষ। আকার কমে হয়ে যাবে অর্ধেক। এই প্যানেলের ওপর দিকে থাকবে একটি প্রতিরক্ষামূলক কাচের আবরণ। প্রতিটি সেলে বিকল্প লেন্সও থাকবে। এই সেলগুলোর ওপরেই সূর্যের আলো পড়বে। সর্বোচ্চ এক্সপোজারের জন্য প্যানেলের ওপর কয়েক মিলিমিটার দৈর্ঘ্যের যন্ত্র থাকবে। সূর্যের দিক পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে এটিও দিক পরিবর্তন করবে। সর্বোচ্চসংখ্যক সূর্যরশ্মি থেকে শক্তি শোষণ করবে এই সৌর প্যানেল।

তবে এ ধরনের সেলের ক্ষেত্রে খরচটা এখনো সিলিকনের সেলের চেয়ে বেশি। ইনসোলাইটের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লরেন কুলটের মতে, প্যানেলের খরচটা গুরুত্বপূর্ণ না। গুরুত্বপূর্ণ হলো এই প্যানেল যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে, তার দাম। তিনি বলেন, যখন বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য এই সোলার প্যানেল ব্যবহার করা হবে, তখন খরচটা আরও কমে আসবে। সিলিকন সেলের ক্ষেত্রে প্রতি ওয়াটে এক ডলার খরচ হচ্ছে। আর নতুন এই সেলের ক্ষেত্রে প্রতি ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য খরচটা আরও কমিয়ে মাত্র ৩০ থেকে ৪০ সেন্টে আনা সম্ভব বলেও যোগ করেন তিনি।
Source: Prothom Alo

23
Thanks for the information

24
ICT / Re: Strategies to keep Smartphone safe for kids
« on: April 07, 2019, 12:20:53 PM »
Informative share. Thanks.

25
এত দিন মনে করা হতো, জন্মের সময় মস্তিষ্কে যে পরিমাণ কোষ থাকে, সারা জীবন তাই–ই রয়ে যায়। তবে নতুন একটি গবেষণা বলছে, মানুষের মস্তিষ্কে প্রায় সারা জীবনই নতুন কোষ তৈরি হয়। একজন সুস্থ মানুষের কমপক্ষে ৯৭ বছর পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলে বলে জানিয়েছেন গবেষকেরা। স্পেনের মাদ্রিদ বিশ্ববিদ্যালয়ের এই গবেষণা নিবন্ধ যুক্তরাজ্যের বিজ্ঞান সাময়িকী নেচার মেডিসিন–এ গত সোমবার প্রকাশিত হয়েছে।

মানুষের মস্তিষ্কের কোষ নিউরন নিজেদের মধ্যে বৈদ্যুতিক সংকেত পাঠায়। এই প্রক্রিয়া শুরু হয় জন্মের সময় থেকেই। অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর ক্ষেত্রে গবেষণায় দেখা গেছে, জীবনের শেষ দিকে তাদের মস্তিষ্কে নতুন কোষের সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে নিউরোজেনেসিস (নতুন নিউরনের উদ্ভবপ্রক্রিয়া) অব্যাহত থাকে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক ছিল। নতুন গবেষণায় ৫৮ জন মৃত মানুষের মস্তিষ্ক নিয়ে কাজ করেন গবেষকেরা। যাঁদের বয়স ছিল ৪৩ থেকে ৯৭ বছরের মধ্যে। মূল মনোযোগ দেওয়া হয় মস্তিষ্কের ‘হিপ্পোকাম্পোস’ অংশে, যা স্মৃতি এবং আবেগ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে। মূলত এই অংশেই আলঝেইমার রোগ আক্রমণ করে।

Eprothom Aloজন্মের পর থেকে নিউরন মস্তিষ্কে পরিপূর্ণ রূপে থাকে না। বয়স বৃদ্ধি ও পরিপক্ব হওয়ার প্রক্রিয়ার সঙ্গে তা পূর্ণতা পায়। গবেষকেরা মস্তিষ্কে এই অপরিণত বা ‘নতুন’ নিউরনকে শনাক্ত করতে পেরেছেন। গবেষক ড. মারিয়া লরেন্স-মার্টিন বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, মানুষ যতক্ষণ নতুন কিছু শিখছে, ততক্ষণ নতুনভাবে নিউরনের বৃদ্ধি ঘটছে এবং এটি আমাদের জীবনের প্রতি মুহূর্তেই ঘটে চলেছে।’

কিন্তু আলঝেইমার রোগীদের ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন। আলঝেইমারের প্রাথমিক পর্যায়ে নতুন নিউরন বৃদ্ধির সংখ্যা প্রতি মিলিমিটারে ৩০ হাজার থেকে কমে দাঁড়ায় ২০ হাজারে। ড. লরেন্সের মতে, রোগটির একদম শুরুতে এই হ্রাসের পরিমাণ থাকে ৩০ শতাংশ। তিনি বলেন, নতুন কোষ তৈরি কমার কারণ কাজে লাগানো যাবে আলঝেইমার এবং বার্ধক্যজনিত রোগের চিকিৎসায়।

আলঝেইমার রিসার্চ ইউকে গবেষণার প্রধান ড. রোসা সানচো বলেন, ‘যদি কখনো আমরা জীবনের শুরুর দিকে নিউরন হারাতে শুরু করি, সে ক্ষেত্রে এই গবেষণা দেখাচ্ছে যে পরবর্তী সময়ে নতুন কোষের সৃষ্টি হতে থাকবে, এমনকি ৯০ বছর পর্যন্ত।’
Source: Prothom Alo

26
Then there will be no difference between human

28

যন্ত্রে ভাষা শেখার কারণে অনেক কাজই এখন সহজ
যন্ত্রে ভাষা শেখার কারণে অনেক কাজই এখন সহজ
আমরা এখন বাস করছি এক স্মার্ট সময়ে। আমাদের হাতের স্মার্টফোনটি এখন আমাদের কথা বুঝতে পারে। আমরা বাংলা বা ইংরেজি যে ভাষাতেই কথা বলি না কেন, সেটি তা অনুবাদ করে দিতে পারে। অনেকেরই হয়তো আগ্রহ থাকতে পারে যে ছোট্ট এ স্মার্টফোনটি কীভাবে এত কিছু করতে পারে! এর কারিগরি দিকটি বুঝতে হলে কম্পিউটারবিজ্ঞানের গবেষণার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। মানুষের বুদ্ধিমত্তার কাছাকাছি বিভিন্ন কাজগুলো একটি যন্ত্র বা রোবট যেন করতে পারে, তা নিয়ে যে গবেষণা করা হয় তাকে বলা হয় আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। নাম থেকেই বোঝা যায় আসলে যন্ত্রটির সত্যিকারের বুদ্ধিমত্তা বলতে কিছুই নেই, সেটি আদতে একটি নিরেট যন্ত্র বৈ আর কিছু নয়। কিন্তু যন্ত্রটির মানুষের বুদ্ধিমত্তার অনুকরণ করার এক অদ্ভুত শক্তিশালী একটা ক্ষমতা আছে। এই শক্তিশালী ক্ষমতাকেই বলা হয় মেশিন লার্নিং। এই পদ্ধতিতে যন্ত্রও এখন বাংলা শেখে। বাংলায় অনুবাদ করা যায়, কথা বলে নির্দেশনা দেওয়া যায় যন্ত্রকে।

মেশিন লার্নিং কী?

Eprothom Aloকম্পিউটারকে এমন একটি ক্ষমতা দেওয়া হয় যার জন্য সেটি যেকোনো কিছু আগে থেকে ওই বিষয়ক প্রোগ্রাম লেখা ছাড়াই শিখতে পারে—এটিই মেশিন লার্নিং। নিজে থেকে শেখার ক্ষমতার কারণে কম্পিউটার যেকোনো কিছুই করতে পারে খুব সহজে। অন্যভাবে বলা যেতে পারে, যদি কম্পিউটারের খেলার সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি তার জেতার হার বেড়ে যায় তাহলে বুঝতে হবে সেই কম্পিউটারটি আসলেই শিখছে। মানে সে খেলতে খেলতে শিখছে, আর নিজে থেকে এই শেখার ক্ষমতাকেই বলে মেশিন লার্নিং।

বোঝার ক্ষমতা

মানুষের যেমন পাঁচটি ইন্দ্রিয় রয়েছে, তারই অনুকরণে তৈরি করা হয়েছে কম্পিউটার প্রকৌশলের বিভিন্ন গবেষণার ক্ষেত্র। চোখ দিয়ে দেখার যে ক্ষমতা, তার নাম দেওয়া হয়েছে ‘কম্পিউটার ভিশন’। কান দিয়ে কথা শোনার যে ক্ষমতা, তার নাম দেওয়া হয়েছে “স্পিচ টু টেক্সট”। নাক দিয়ে ঘ্রাণ নেওয়ার যে ক্ষমতা, তার নাম দেওয়া হয়েছে “ইলেকট্রনিক নাক”, যা বড় পরিসরে “প্যাটার্ন রিকগনিশন” নামক গবেষণার ক্ষেত্রের সঙ্গে জড়িত। স্পর্শ করার ক্ষমতা এখন সব স্মার্টফোনেই রয়েছে, যা “টাচ সেন্সর” নামে পরিচিত। খাবারের স্বাদ গ্রহণের যে ক্ষমতা, তা সম্ভবত সবচেয়ে জটিল এবং যন্ত্রের জন্য অপ্রয়োজনীয় বলেই হয়তো এ নিয়ে খুব একটা গবেষণার কাজ দেখা যায় না। ওপরের এই গবেষণার দিকগুলো চিন্তা করলে বলা যেতে পারে যে আমাদের স্মার্টফোনগুলো এখন স্পর্শ, দেখা এবং শোনা; এই তিনটি ইন্দ্রিয়ের কাজ বেশ ভালোভাবেই করতে পারে।

পঞ্চ ইন্দ্রিয়ের বাইরেও মানুষের আরও বিভিন্ন ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে আরও বিভিন্ন ক্ষেত্র। যেমন মুখ দিয়ে কথা বলার জন্য যে ক্ষমতা, তার নাম দেওয়া হয়েছে ‘টেক্সট টু স্পিচ’। ভাষা অনুবাদ করার যে ক্ষমতা, তাকে বলা হয় ‘মেশিন ট্রান্সলেশন’।

গবেষণা চলছে নিরন্তর

এসব গবেষণার ক্ষেত্রেই মেশিন লার্নিং ব্যবহার করে গবেষকেরা এখন কাজ করছেন। মেশিন লার্নিংকে কয়েক ভাগে ভাগ করা যায়, যেমন সুপারভাইজড লার্নিং, আন-সুপারভাইজড লার্নিং, সেমি-সুপারভাইজড লার্নিং, এবং রি-ইনফোর্সমেন্ট লার্নিং।

সুপারভাইজড লার্নিংয়ের জন্য প্রয়োজন হয় মানুষের তৈরি করা প্রশিক্ষণ উপাত্ত (ডেটা)। একটি প্রোগ্রামকে এই উপাত্তের ভিত্তিতে প্রশিক্ষিত করা হয়, যার ওপর ভিত্তি করে প্রোগ্রামটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকে। সমগ্র প্রক্রিয়াটিকেই সুপারভাইজড লার্নিং বলা হয়। যেমন আমাদের মেইলের ইনবক্সে আসা মেইলটি স্প্যাম কি না এই সিদ্ধান্ত আগের কিছু তথ্যের ওপর নির্ভর করে দেওয়া হয়।

প্রোগ্রামে কিছু তথ্য দেওয়া হয় এবং প্রোগ্রাম সেটার ওপর নির্ভর করেই সব ধরনের সিদ্ধান্ত দেয় কিন্তু এ ক্ষেত্রে ফলাফল বা আউটপুট কী সেটা কোথাও বলা থাকে না। প্রোগ্রাম নিজ থেকেই সেটা বুঝে বের করে নেয়। আর একেই আন-সুপারভাইজড লার্নিং বলা হয়। যেমন একটি শ্রেণিকক্ষে কয়েকজন ছাত্রছাত্রী বসে রয়েছে। এই প্রোগ্রাম ছাত্র ও ছাত্রীদের ভিন্ন ভাগে ভাগ করবে, এটা হচ্ছে আন-সুপারভাইজড লার্নিং।

সুপারভাইজড এবং আন-সুপারভাইজড লার্নিংয়ের কম্বিনেশনকে সেমি-সুপারভাইজড লার্নিং বলে।

করপোরেট দুনিয়ায় এখন মেশিন লার্নিংয়ের পাশাপাশি রোবটিক প্রসেস অটোমেশন (আরপিএ) পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। এই পদ্ধতির ফলে বিভিন্ন যন্ত্র মানুষের বারবার করা কাজগুলো শিখে সেগুলো নিজেরাই করে নিচ্ছে। বাংলাদেশে এখনো এর ব্যবহার নেই। যদি এই পদ্ধতি বাংলাদেশে ব্যবহার করা যেত, তাহলে বাংলাদেশের জনবলকে আরও দক্ষ করা যেত।

নিত্য আবিষ্কারে প্রশিক্ষিত যন্ত্র

সাম্প্রতিক নিত্যনতুন আবিষ্কার এই মেশিন লার্নিংকেই করে তুলেছে তুমুল জনপ্রিয় এক গবেষণার ক্ষেত্র। মেশিন লার্নিং ব্যবহার করেই আপনি বাংলায় কথা বলে গুগলের জিবোর্ড বা অক্ষর বাংলা কি–বোর্ড লিখতে পারে। এই প্রযুক্তি দিয়েই গুগলে ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদ হয়, আবার গুগল সেটা পড়েও শোনাতে পারে। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য যা বেশ কাজের। যত বেশি ব্যবহার হবে এসব তত বেশি উন্নত হবে।

যে কেউ চাইলেই মেশিন লার্নিং নিয়ে কাজ করতে পারেন। এর জন্য পাইথন প্রোগ্রামিংয়ের ভালো ধারণা থাকতে হবে। যেহেতু মেশিন লার্নিংয়ের সব গণিতভিত্তিক, তাই উচ্চস্তরের জ্ঞান থাকতে হবে বীজগণিত, পরিসংখ্যান ও ক্যালকুলাসে। মেশিন লার্নিং ব্যবহার করে প্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা সহজলভ্য করার জন্য কাজও হচ্ছে দেশে।

লেখক: প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা, কাজী আইটি সেন্টার লিমিটেড।
ই-মেইল: kmanwar@gmail.com

29
ন্টারনেটের কনটেন্ট নিয়ন্ত্রণে নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সরকারগুলোকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকার মতামত পাতায় প্রকাশিত এক খোলা চিঠিতে এই আহ্বান জানান জাকারবার্গ। আজ রোববার বিবিসি অনলাইনের খবরে এই তথ্য জানানো হয়।

Eprothom Aloজাকারবার্গ বলেন, ক্ষতিকর কনটেন্ট পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব এককভাবে কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষে নেওয়া বেশ কঠিন।

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের আল নুর ও লিনউড মসজিদে সন্ত্রাসী হামলার দুই সপ্তাহ পর জাকারবার্গের খোলা চিঠিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কনটেন্ট নিয়ে উদ্বেগের কথা উঠে এল। ওই হামলায় ৫০ জন মুসলিম নিহত হন। মসজিদে হামলার সময় ঘটনাটি ফেসবুকে লাইভস্ট্রিম করেন বন্দুকধারী ব্রেনটন টারান্ট। ১৫ মার্চ ঘটনার পর ফেসবুকে ওই ভিডিও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। লাইভস্ট্রিম ও ভিডিওটি ছড়ানো বন্ধ করতে ব্যর্থতার জন্য কড়া সমালোচনার মুখে পড়ে ফেসবুক। তবে জাকারবার্গ তাঁর খোলা চিঠিতে ক্রাইস্টচার্চে হামলার বিষয়টি উল্লেখ করেননি।

জাকারবার্গ তাঁর খোলা চিঠিতে চারটি ক্ষেত্রে নতুন আইন তৈরির আহ্বান জানান। সেগুলো হচ্ছে ক্ষতিকর কনটেন্ট, নির্বাচনী শুদ্ধতা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও ডেটা সুবহনীয়তা।

লেখায় জাকারবার্গ বলেছেন, ‘আইনপ্রণেতারা প্রায়ই আমাকে বলেন, কথা বলার ক্ষেত্রে আমাদের অনেক ক্ষমতা। সত্যি বলতে, আমি তা স্বীকার করি। ফেসবুক একটি স্বাধীন কাঠামো গঠন করছে, যাতে লোকজন কী পোস্ট হয়েছে বা কোন পোস্ট নামিয়ে নেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে ফেসবুকের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে আপিল করতে পারে।’

প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য জাকারবার্গ নতুন কিছু আইন দেখতে চান বলে তিনি তাঁর লেখায় উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, নতুন আইনগুলো সব ওয়েবসাইটের জন্যই প্রযোজ্য হতে হবে, যাতে কোনো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে ক্ষতিকর কনটেন্ট দ্রুত ছড়িয়ে পড়া বন্ধের কাজটি সহজ হয়।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সরকারগুলোর প্রতি জাকারবার্গের আহ্বানে যা উঠে এসেছে, তা হলো বড় বড় সব প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানকে প্রতি তিন মাস পর স্বচ্ছতার প্রতিবেদন প্রকাশ করতে হবে। নির্বাচনী শুদ্ধতা রক্ষায় বিশ্বব্যাপী কঠোর আইন। রাজনীতিক ব্যক্তিত্বদের শনাক্তে সব ওয়েবসাইটের জন্য একই মানদণ্ড প্রণয়ন। আইন শুধু প্রার্থী ও নির্বাচনের জন্যই নয়, বিভেদ সৃষ্টিকারী রাজনৈতিক ইস্যুতেও প্রয়োগ হতে হবে। আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচার সময়ের বাইরেও আইনের প্রয়োগ হতে হবে। অনলাইনে ভোটারদের টার্গেট করে রাজনৈতিক প্রচারাভিযানের জন্য যেভাবে ডেটা ব্যবহার হয়, তা নিয়ন্ত্রণে নতুন পন্থা বের করতে হবে। গোপনীয়তা রক্ষায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো সাধারণ ডেটা সুরক্ষা নীতি (জিডিপিআর) আরও বেশিসংখ্যক দেশ গ্রহণ করতে পারে। একটি সেবা থেকে অন্য সেবায় যখন কোনো ব্যক্তি চলে যায়, তখন ওই ব্যক্তির ডেটা সুরক্ষিত রাখার দায়িত্ব কার হবে, সে ব্যাপারে আইনে স্পষ্ট করতে হবে।

জাকারবার্গের খোলা চিঠিটি ইউরোপীয় কয়েকটি সংবাদপত্রেও প্রকাশিত হবে।

নির্বাচনী প্রচারাভিযানের সময় লোকজনের ব্যক্তিগত ডেটা অপব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে ফেসবুক সমালোচিত হয়ে আসছে। কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা কেলেঙ্কারির ঘটনাটি বিশ্বজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করেছিল। এ ঘটনায় ফেসবুক প্রশ্নের মুখে পড়ে।

জাকারবার্গ বলেন, ‘আমি মনে করি, এই ইস্যুগুলো নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে ফেসবুকের দায়িত্ব রয়েছে। এই বিষয়গুলো নিয়ে আমি বিশ্বের আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে আলোচনা করতে চাই।’
source: prothom Alo

30
Encouraging 

Pages: 1 [2] 3 4 5