Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.

Messages - Mst. Eshita Khatun

Pages: 1 2 [3] 4 5
Evening Program (FSIT) / Re: Career in mobile application development
« on: March 31, 2019, 06:25:51 PM »
Good sharing

ICT / The Role of Artificial Intelligence in Healthcare and Society
« on: March 31, 2019, 06:23:40 PM »
Artificial intelligence (AI) has transformed the way we do business and our everyday lives. Virtual assistants, computer-aided diagnosis and clinical decision support are just a few examples of how artificial intelligence in healthcare has transformed the sector.

Yet, there is a dark side of AI. The malicious use of artificial intelligence in healthcare can create significant problems for the sector and beyond. AI may be developed with a malicious purpose in mind, or AI may be exploited by adversaries with a malicious purpose – in other words, currently available technology may be intentionally misused.

Checks and Balances in Innovation
While many view AI as a panacea, it is not without faults. Through the use of AI, a machine may make mistakes that a human may never make. For reasons such as these, it is important to keep in mind the concept of “man and machine” instead of “man versus machine.” The healthcare sector needs to be involved in a dialogue to take an active role in leveraging innovative technologies such as AI, but with a system of checks and balances.

AI systems of today often contain a number of exploitable vulnerabilities. For example, data poisoning attacks may occur by introducing training data that causes a learning system to make mistakes or an adversary might introduce inputs that are designed to be misclassified by learning systems. Furthermore, the core of an AI system is its data processing and decision-making engine. The security and integrity of the data processing and decision-making engine, including inputs, rules and otherwise, are quite important. If any aspect is tampered with and if there is no human “check,” then it is quite possible that significant harm may occur. In the case of healthcare, this may result in potential harm, injury, or even death to a patient.

New Threat Possibilities
AI systems have novel vulnerabilities that may be exploited to create new types of attacks. In the cyber realm, phishing – which is most identified as the initial point of compromise in cyberattacks according to the results of the 2019 HIMSS Cybersecurity Survey – may be automated through the use of artificial intelligence in healthcare. Spear-phishing, in fact, tends to be an effective form of phishing since it is often tailored to the recipient using intelligence gathered about the recipient. Indeed, fully automated spear-phishing attacks can be potentially disruptive for many organizations.


AI systems may also be used to conduct attacks on cyber-physical systems. As an example, medical cyber-physical systems are life-critical, networked systems of medical devices that are involved in treating patients. A compromise of a critical component within such a medical cyber-physical system can pose a significant risk to patient safety.

In another example, 3D printing is used extensively in healthcare, whether in terms of creating customized prosthetics, implants, tissue and organ fabrication, or otherwise. However, an AI-enabled attack may pose a significant threat to 3D printing (and its applications). For example, a critical component of a 3D printed product may be intentionally malformed or defective, potentially leading to patient harm. Or, the 3D printing system may be “controlled” by an adversary to build a malicious autonomous system.

Technology is an everyday part of our lives. AI is a tool, but one which can be used for good and bad purposes. We must be vigilant in securing and protecting the technologies we design, build and deploy, especially in the healthcare sector. People depend upon us every day and we ought not to let them down.

Internet of Things / How Blockchains Help IoT
« on: March 27, 2019, 04:53:53 PM »
First, it stops everything having to take place in a central server. If thousands of IoT devices are all talking to a central hub that’s trying to log everything, it can quickly fill up space. By doling out the logs to the blockchain, it helps free up resources on the main server.

Second, it helps prevent malicious actors from “poisoning the well.” If thousands of IoT devices all got commands from a central hub, all a hacker would need to do is hack the hub and implant malware to cause mass havoc. By spreading it out in a blockchain, a hacker has no ‘central attack point’ to focus on.

Speaking of hackers, the blockchain also keeps personal details away from prying eyes. If all the logs were stored on a central server, all it would take is one database leak on an unencrypted file, and everyone’s personal details would be available for everyone to see. By breaking up the logs into encrypted blockchains, hackers can’t get at sensitive data so easily.

It also means we can trust the logs that we receive via the blockchain. If all the logs were under the control of one organization, they would have the power to alter them to their will without the public knowing. The non-centralized transparent nature of the blockchain keeps the logs free from tampering and can be trusted much more than centralized logs.

Common Forum / Re: কেন চা চাই?
« on: March 27, 2019, 04:49:02 PM »
live drinks for me and great feeling to know more about it

Common Forum / Re: ICAEE conference
« on: March 27, 2019, 04:48:07 PM »
Thanks for sharing

নতুন কোনো ব্যবসার আইডিয়া নিয়ে ভাবছেন? একটি নতুন পণ্য বা সেবা বাজারে আনার আগে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো বাজার গবেষণা।

বাজার গবেষণা কী?

সহজ করে বললে, আপনি যাদের সম্ভাব্য গ্রাহক মনে করছেন, তারা একটি পণ্য কিংবা সেবা গ্রহণ করার ক্ষেত্রে কোন কোন বিষয়কে প্রাধান্য দেয়, সে ব্যাপারে পর্যাপ্ত তথ্য সংগ্রহ করাই হলো বাজার গবেষণা। ধরুন, আপনি একটি কাপড়ের দোকান দেওয়ার কথা ভাবছেন। আদৌ তার চাহিদা আছে কি না, কোন ধরনের কাপড়ের চাহিদা বেশি, প্রতিযোগী কারা, সমস্যা ও সম্ভাবনার জায়গাগুলো কী—এসব বিষয়ে নিশ্চয়ই আপনি তথ্য সংগ্রহ করবেন। এই তথ্য সংগ্রহ করাই হলো বাজার গবেষণা।

বাজার গবেষণা কেন করতে হয়?

প্রতিযোগিতাপূর্ণ বিশ্বে মানুষের অনেক চাহিদাই অপ্রকাশিত। বিশ্বে গাড়ির সবচেয়ে বড় কোম্পানির (উবার) নিজস্ব কোনো গাড়ি থাকবে না, সেটা কি কেউ কখনো কল্পনা করেছিল? কল্পনাশক্তি দিয়ে যা ভাবা কঠিন, কিন্তু বাস্তবে সম্ভব হতে পারে, এমন বিষয়গুলোর জন্যই বাজার গবেষণা করতে হয়। বিখ্যাত বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন গবেষণার সর্বোচ্চ ধাপ হিসেবে মানুষের সৃজনশীল কল্পনাশক্তিকে বিশ্বাস করতেন।

আজ যে পণ্য মানুষের চাহিদা পূরণ করছে, কাল সেটা বাজার থেকে পুরোপুরি হারিয়ে যেতে পারে। ব্যবসার সার্বিক মুনাফার কিংবা টিকে থাকার লড়াইয়ের সঙ্গে বাজার বিশ্লেষণ করার সম্পর্ক সবচেয়ে বেশি গভীর। কে ক্রেতা আর কে ভোক্তা কিংবা ইন্ডাস্ট্রির কোন ধাপের সঙ্গে নিজের পণ্যটি যাচ্ছে অথবা বাজারে এই পণ্যের মার্কেট শেয়ার কতটুকু আছে এবং ভবিষ্যৎ অবস্থান কী হতে যাচ্ছে—এই সবকিছুর সঙ্গে পর্যাপ্ত তথ্যের কার্যকরী গবেষণা জরুরি।

আবার হতে পারে, প্রতিযোগীদের পণ্যের চেয়ে আপনার পণ্যটি বিশেষ কী সুবিধা নিয়ে আসছে, সেটির যথার্থ প্রচার না করেই আপনি বাজারে পণ্য ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিচ্ছেন। যা কিছু অন্যের থেকে ভিন্ন, সেটি ক্রেতাদের বোঝাতে হবে। অন্যথায় পণ্য তার বাজার তৈরিই করে নিতে পারবে না। পণ্যের জন্য বাজার গবেষণার কয়েকটি সাধারণ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হতে পারে:

১. পণ্য অনুযায়ী বাজার ও প্রতিযোগীকে বোঝা

২. আমার ক্রেতা কারা, সেটি সঠিকভাবে অনুধাবন করা

৩. প্রতিযোগীদের তুলনায় আমার পণ্য কী কী বিশেষ সুবিধা দেবে, তা নির্ধারণ

 ৪. পণ্য বাজারজাতকরণের কৌশল নির্ধারণ

 ৫. সার্বিক বিচার বিশ্লেষণের পর পণ্যের প্রচারণা শুরু করা

স্বনামধন্য মার্কিন প্রকৌশলী ও শিক্ষক ডব্লিউ এডওয়ার্ড ডেমিংয়ের মতে, ‘তথ্য ছাড়া আপনি শুধুই ভিন্নমতের একজন মানুষ মাত্র।’ বাজার গবেষণার প্রথম ধাপেই আপনাকে নিজের পণ্যের বাজার বুঝতে হবে এবং সেই বাজারে কারা আপনার শক্তিশালী প্রতিযোগী, তাঁদের শনাক্ত করতে হবে। প্রতিযোগীদের ব্যবসার কৌশল বুঝে তাঁদের দুর্বল দিক এবং মূল শক্তিকে চিহ্নিত করার চেষ্টা করতে হবে।

যে ইন্ডাস্ট্রিতে আপনার ব্যবসার পণ্য বা সেবাটি অবস্থান করছে, সেই ইন্ডাস্ট্রিকে বিশ্লেষণ করে বাজারে আপনার এবং প্রতিযোগীদের পণ্যের মার্কেট শেয়ার নিরূপণ করতে হবে। এ সবকিছু করার সময় আপনার ‘টার্গেট কাস্টমার’ কারা, সেটি নির্ধারণ করে ফেলুন। প্রতিযোগীদের তুলনায় আপনার পণ্য বা সেবা কী এমন বিশেষত্ব নিয়ে বাজারে হাজির হয়েছে, সেটি স্পষ্ট থাকতে হবে। অবশ্যই বাজারে টিকে থাকতে হলে অন্যের তুলনায় কিছু বিশেষত্ব থাকতেই হবে।

এবার আপনাকে কৌশলী হতে হবে। কীভাবে আপনি আপনার পণ্য বা সেবা বাজারজাতকরণ করবেন, সে ক্ষেত্রে বিশেষ কী আকর্ষণ রাখা যায়, যা ক্রেতাদের আপনার পণ্যের প্রতি আগ্রহী করে তুলবে, সে বিষয়ে একটি পরিকল্পনা গুছিয়ে ফেলতে হবে। সার্বিক বিচার-বিশ্লেষণের পর আপনি আপনার পণ্যের প্রচারণা শুরু করতে পারেন।

লেখক: নির্বাহী পরিচালক; ইনোভেশন, ক্রিয়েটিভিটি অ্যান্ড এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ সেন্টার, সহকারী অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়


কয়েক মাস ধরে দর-কষাকষি চলার পর মধ্যপ্রাচ্যের রাইড শেয়ারিং সেবা কারিমকে কিনে নিচ্ছে বৈশ্বিক রাইড শেয়ারিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান উবার। এ জন্য ৩১০ কোটি মার্কিন ডলার খরচ করছে উবার কর্তৃপক্ষ। প্রতিদ্বন্দ্বী কারিমকে কেনার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে উবারের আধিপত্য বাড়বে। ২০২০ সালের মধ্যে ওই চুক্তি সম্পন্ন হবে।

গতকাল সোমবার রাতে উবার কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে কারিমকে কিনতে ১৪০ কোটি মার্কিন ডলার নগদ অর্থ আর বাকি ১৭০ কোটি মার্কিন ডলার কনভার্টেবল নোট আকারে পরিশোধ করবে। এর ফলে কারিমের ওপর পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হবে উবারের।

কারিমকে অধিগ্রহণ করার ফলে উবারের সহযোগী ব্র্যান্ড হিসেবে পরিচালিত হবে কারিম। শুরুতে কারিমের নাম বদল হবে না। কারিমের সহপ্রতিষ্ঠাতা মুদাসির শেখা, ম্যাগনাস ওলসন ও আবদুল্লাহ ইলিয়াস কারিমের সঙ্গেই থাকছেন। তবে কারিমের পরিচালনা বোর্ডে পরিবর্তন আসবে। তিনটি সিট যাবে উবার প্রতিনিধির দখলে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, পুঁজিবাজারে আসতে যাচ্ছে উবার। পুঁজিবাজারে আসার আগে কারিমকে অধিগ্রহণ করল প্রতিষ্ঠানটি। প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) ছেড়ে আগামী মাসে পুঁজিবাজারে আসার ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে শেয়ারবাজারে নথিভুক্ত হলে প্রতিষ্ঠানটির মূল্যমান হবে ১০০ বিলিয়ন ডলার।

কারিমকে কিনে নেওয়ার চুক্তি প্রসঙ্গে উবারের প্রধান নির্বাহী দারা খোশরেশাহী বলেন, এটা উবারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত।
source: Eprothom Alo

এত দিন বলা হতো, সৌরজগতের গ্রহগুলো সূর্য থেকে নির্দিষ্ট দূরত্বে ও নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘুরছে। তবে বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি জানিয়েছেন, বৃহস্পতি গ্রহ তার আগের অবস্থান থেকে সূর্যের দিকে চার গুণ কাছে সরে এসেছে। মহাকাশ বিজ্ঞান ও জ্যোতিঃপদার্থবিদ্যা–বিষয়ক ইউরোপের খ্যাতনামা গবেষণা সাময়িকী অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিকস–এ সম্প্রতি এই গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণাটি করেছেন সুইডেনের লুন্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক। বিশ্ববিদ্যালয়টির জ্যোতির্বিদ্যা বিভাগের পিএইডি গবেষক সিমোনা পিরানি এই গবেষণা নিবন্ধের মূল লেখক।

সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ বৃহস্পতি। গবেষকেরা বলছেন, উৎপত্তির সময় গ্রহটি এখনকার মতো বড় ছিল না। এটি ছিল পৃথিবীর চেয়ে ছোট বা পৃথিবীর সমান। ক্রমে এটি মহাজাগতিক ধূলিকণা সঞ্চয় করে আকারে বড় হয়। সূর্যের মধ্যে ঘূর্ণমান গ্যাসমণ্ডলের মহাকর্ষ বলের কারণে গ্রহটি তার কক্ষপথের দূরত্ব এবং কক্ষপথের ব্যাসার্ধ কমিয়েছে। গবেষকদের দাবি, উৎপত্তিস্থলের চেয়ে সূর্যের চার গুণ কাছে সরে এসেছে বৃহস্পতি।

সৌরজগতের উৎপত্তি হয়েছে প্রায় ৪৫০ কোটি বছর আগে। বিজ্ঞানীরা হিসাব করে বের করেছেন, উৎপত্তির ২০ থেকে ৩০ লাখ বছর পর বৃহস্পতির স্থানান্তর শুরু হয়। এই স্থানান্তর প্রায় ৭ লাখ বছর ধরে চলে। বিজ্ঞানীরা এই দাবির সপক্ষে একটি প্রমাণও হাজির করেছেন।

সৌরজগতে মঙ্গল ও বৃহস্পতির মধ্যে থাকা অসংখ্য গ্রহাণুকে বলা হয় গ্রহাণুপুঞ্জ। গ্রহাণু রয়েছে বৃহস্পতির কক্ষপথেও, এদের ট্রোজান গ্রহাণু বলা হয়। ট্রোজান গ্রহাণুগুলো দুই অংশে বিভক্ত। এর একটি বৃহস্পতির সামনে দিয়ে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে, অপরটি পেছন থেকে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। পেছনের গ্রহাণু সংখ্যার চেয়ে সামনের অংশে ৫০ শতাংশ বেশি গ্রহাণু রয়েছে। সৌরজগতে প্রতিসমতা লক্ষ করা যায়। ফলে বিজ্ঞানীদের দাবি, ট্রোজানের দুই অংশেই সমান গ্রহাণু ছিল। ক্রমে বৃহস্পতি সূর্যের কাছে সরে আসায় গ্রহাণুপুঞ্জের গ্রহাণু বৃহস্পতির মহাকর্ষ বল টেনে নিয়ে সামনের অংশে ট্রোজানের গ্রহাণু বাড়িয়েছে।

অসংখ্য মানুষের ফোন আজকাল নানাভাবে, নানা কারণে ট্যাপ করা হচ্ছে। স্মার্টফোনের যুগে ফোন ট্যাপ করাটা আরও সহজ! কারণ, এর জন্য আপনার মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক হ্যাক করার প্রয়োজন হবে না। হ্যাকাররা শুধু আপনার ফোনের ভালনেরাবিলিটি বা দুর্বলতা খুঁজে বের করে সহজেই আপনার ফোনকে ‘ট্যাপিং ডিভাইজ’-এ পরিণত করে ফেলতে পারে। কিন্তু কী করে বুঝবেন আপনার ফোনে কেউ আড়ি পাতছে কি না? আসুন জেনে নেওয়া যাক এমন কিছু সংকেত, যেগুলো সঠিকভাবে লক্ষ করলে আপনি সহজেই বুঝে যাবেন আপনার ফোন কেউ ট্যাপ করেছে কি না!
⇒ফোন করার সময় বা ফোনে কথা বলার সময় অদ্ভুত সব ‘ব্যাকগ্রাউন্ড নয়েজ’ বা শব্দ শুনতে পাওয়া যায়, তাহলে তা ফোন ট্যাপ করার কারণে হতে পারে। ফোনে কথা বলার সময় আপনি যদি অনর্গল বিপ বিপ শব্দ শুনতে পান, তাহলে হতে পারে আপনার ফোন ট্যাপিংয়ের শিকার হয়েছে।

যদি দেখেন কল চলাকালে দুই প্রান্তের নেটওয়ার্ক বার ফুল থাকা সত্ত্বেও বারবার ভয়েস ব্রেক হচ্ছে, তাহলে তা ফোন ট্যাপ করার জন্য হতে পারে।
যদি দেখেন হঠাৎ করে আপনার ফোনের ব্যাটারির চার্জ অস্বাভাবিকভাবে কমে গিয়েছে, ফোন ট্যাপ হওয়ার কারণে এমনটা হতে পারে। আপনার ফোন কল কোনো অ্যাপের সাহায্যে তৃতীয় পক্ষের কাছে পাঠানোর সময় ফোনের ব্যাটারির চার্জ দ্বিগুণ ক্ষয় হয় আর এ জন্যই ফোন ট্যাপ করা হলে ফোনের ব্যাটারির চার্জ দ্রুত ফুরিয়ে যেতে পারে বা ফোনটি অস্বাভাবিক গরম হয়ে উঠতে পারে। তবে স্মার্টফোনে একসঙ্গে অনেকগুলো অ্যাপলিকেশন অন থাকলেও এমনটা হতে পারে।

⇒ফোনে কোনো রকম সন্দেহজনক পরিবর্তন লক্ষ করলে নিশ্চিত হতে আপনার ফোনটি শাটডাউন করে দেখুন। যদি সম্পূর্ণ ফোন শাটডাউন হওয়ার পরেও স্ক্রিনে আলো জ্বলে থাকে বা ফোন শাটডাউন হতে অনেক বেশি সময় লাগে কিংবা শাটডাউন ফেল হয়ে যায়, তাহলে বুঝতে হবে অবশ্যই কোনো সমস্যা রয়েছে।

⇒যদি দেখেন আপনার ফোন কোনো কারণ ছাড়াই রিস্টার্ট হয়ে যাচ্ছে বা হঠাৎ হঠাৎ করে ফোনের আলো জ্বলে উঠছে, তাহলে বুঝতে হবে আপনার ফোনে নিশ্চয়ই কোনও রিমোট আক্সেস রয়েছে বা বাইরে থেকে কেউ আপনার ফোন নিয়ন্ত্রণ করছে! তবে এসব ফোনের সফটওয়্যারের সমস্যার কারণেও হতে পারে।

⇒আপনি নিশ্চয় লক্ষ করে থাকবেন, কোনো কল করার সময় ফোনটি যদি কোনো স্পিকারের সামনে থাকে, সে ক্ষেত্রে স্পিকার থেকে অনর্গল বিপ বিপ শব্দ শোনা যায়। এ ছাড়া কোনো কল চলাকালে সামনে থাকা ল্যাপটপ বা টিভিতেও অনর্গল শব্দ শোনা যেতে পারে। যদি কখনো দেখেন, ফোন থেকে কোনো কল না করলেও আপনার ফোন স্পিকারের সামনে বা টিভির সামনে নিয়ে গেলে ওই একই রকম বিপ বিপ শব্দ শোনা যাচ্ছে, তাহলে বুঝতে হবে অবশ্যই সমস্যা রয়েছে বা আপনার ফোন কেউ ট্যাপ করে রেখেছে।

⇒স্প্যাইং অ্যাপগুলো আপনার ফোনের সেলুলার ডেটা ব্যবহার করতে পারে। যদি আপনার ফোনে কোনো ডেটা প্ল্যান অ্যাকটিভ করা না থাকে, সে ক্ষেত্রে ফোনের বিল অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে ফোনের বিলের বিস্তারিত তথ্য হাতে পেলে যাচাই করে দেখলেই অসংগতি রয়েছে কি না বুঝে নিতে পারবেন! তবে প্রিপেইড নম্বরের ক্ষেত্রে এই অসংগতি ধরার তেমন কোনো উপায় নেই।
সূত্র: ডিএমপি নিউজ।

The International Space Station has been bustling with a full crew ever since Expedition 59-60 first arrived at the Earth-orbiting space lab just under two weeks ago. The additional helping hands that are now present on the International Space Station have opened an opportunity for NASA to conduct a number of spacewalks before three of those crew members head back home.

The NASA astronauts test the fit of their space suits ahead of the most recent spacewalk.
The NASA astronauts test the fit of their space suits ahead of the most recent spacewalk.

Image Credit: NASA

NASA astronauts Anne McClain and Nick Hague performed one of those spacewalks last Friday, but the American space agency had special plans for a second spacewalk that’s expected to transpire this coming Friday, March 29th. More specifically, it was set to become the first all-female spacewalk procedure in history, involving both Anne McClain and the new arrival Christine Koch.

While it would have been an exciting precedent, to say the least, it now seems that those plans have changed. Both McClain and Koch would have required medium-size space suits to perform the spacewalk, but the International Space Station only has one medium-size space suit to spare. Consequently, NASA is now being compelled to substitute one of the women with a male astronaut that will fit better into one of the available large-size space suits.

Related: The International Space Station's 'mystery hole' was purportedly made from the inside

Ideal space suit fitment is vital due to the high-risk nature of spacewalk missions. That said, NASA will not attempt to stuff a smaller person into a larger space suit as it would pose serious ethical and safety concerns.

Being that McClain already performed in the most recent spacewalk, NASA has chosen Koch to move forward with the one scheduled for this coming Friday. McClain’s male replacement will be Nick Hague, who was involved in last week’s spacewalk. Together, Hague and Koch will work together to replace batteries on the outside of the International Space Station.

Moreover, a third spacewalk mission is now poised to take place on Monday, April 8th, and will be performed by McClain and the Canadian Space Agency’s David-Saint Jacques.

The two will purportedly work together to lay jumper cables between the International Space Station’s Unity module and the S0 truss such that the Canadarm2 robotic arm will have a redundant power path – this is considered preventative maintenance and will ensure that the arm still functions should one of those paths fail for any reason. They’ll also beef up the space lab’s wireless communications and improve onboard computer networking by laying a plethora of new cables.

Related: Will Expedition 59-60 be one of the last times that NASA uses a Soyuz rocket?

While it is indeed unfortunate to witness the original all-female spacewalk plans crumble to the ground, that’s not to say that this Friday’s spacewalk won’t be significant. NASA says that Koch will become the 14th woman in history to be involved in an International Space Station spacewalk, which is quite the impressive detail to have present in any resume.

NASA will live-stream both spacewalks via NASA TV. You can tune in at NASA’s website or via the space agency’s YouTube channel.

Source: NASA

IT Forum / Re: Excel Cheat Sheet
« on: March 27, 2019, 12:28:57 PM »
Thank you sir for sharing.

Behavior is the main key of learning.

Pages: 1 2 [3] 4 5