Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - nafees_research

Pages: 1 ... 14 15 [16] 17 18 19
226
তরঙ্গ থেকে তথ্য: ওয়াই-ফাই বৃত্তান্ত

কেমন হত যদি আপনার সকল তারবিহীন সংযোগ তারের মাধ্যমে পরিবর্তন করে দেয়া হত। আপনাদের বাসার টেলিভিশন, ল্যাপটপ প্রতিটির সাথে তার লাগানো থাকত যার দৈর্ঘ্য হত শত শত মাইল। আর ফোন করার জন্য আপনার রাস্তার পিলারের সাথে সংযুক্ত করতে হত। এমনকি আপনি উড়োজাহাজ চালাতে সক্ষম হতেন না, কেননা পাইলটদের দিকনির্দেশনা দেয়ার জন্য সংকেত পাঠানো সম্ভব হত না। জানালা দিয়ে দেখলে খালি চারদিকে তার আর তার দেখতে পেতেন। এর মধ্যেই তারবিহীন সংযোগের সৌন্দর্য লুকিয়ে আছে। তারবিহীন সংযোগের যে মাধ্যমটি আপনি প্রতিনিয়ত ব্যবহার করে চলেছেন তা হল ওয়াই-ফাই। ঘরে এবং বাইরে আমাদের ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত থাকার জন্য ওয়াই-ফাই অবিচ্ছেদ্য ভূমিকা পালন করছে বা করে এসেছে।

ওয়াই-ফাই কী সেটা সহজভাবে ব্যাখ্যা করতে চাইলে বলা যায় তা একধরনের তরঙ্গ। রেডিও তরঙ্গ তথ্য এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বাতাসের মাধ্যমে বহন করে নিয়ে যায়। তবে বিভিন্ন বাধা ওয়াই-ফাই এর পরিসর এবং কার্যক্ষমতার উপরে প্রভাব ফেলতে পারে। তাছাড়া রেডিও তরঙ্গ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরকারি বিভিন্ন নিয়ম নীতি মেনে চলতে হয়। এখন শুরু করার আগে রেডিও তরঙ্গের কিছু পরিভাষা নিয়ে হালকা আলোচনা করা যাক।

রেডিও তরঙ্গ একধরনের তড়িৎচুম্বকীয় সংকেত যা বাতাসের মধ্য দিয়ে লম্বা দূরত্বে তথ্য বহন করে নিয়ে যায়। এই তরঙ্গকে অনেক সময় রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি সিগন্যাল বলেও আখ্যায়িত করা হয়। এই সংকেতগুলো খুব উচ্চ কম্পাংকে কম্পনশীল হয়, যার কারণে তরঙ্গগুলোকে সমুদ্রের ঢেউয়ের সাথে তুলনা করা যায়। রেডিও তরঙ্গগুলো বাতাসের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করতে থাকে। আমরা এই তরঙ্গ অনেক বছর ধরেই ব্যবহার করে এসেছি। আমাদের এফএম রেডিওতে গান এবং টেলিভিশনে ভিডিও বহন করার জন্য এই রেডিও তরঙ্গই দায়ী। তথ্য সরবরাহ করার ক্ষেত্রে এর বৈশিষ্ট্যের মধ্যে ভিন্নতা দেখা দেয় সময়ের সাথে সাথে।

বিস্তার(Amplitude): রেডিও তরঙ্গের বিস্তারের মাধ্যমে তার শক্তি বিবেচনা করা হয় সাধারণত। এ কারণেই হয়ত বিস্তার মাপা হয় শক্তির এককের মাধ্যমে। তড়িৎচুম্বকীয় তরঙ্গের শক্তি বিবেচনা করা যায় একটি তরঙ্গকে একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব অতিক্রম করতে যে পরিমাণ শক্তির প্রয়োজন হবে তার দ্বারা। শক্তি বৃদ্ধির সাথে সাথে পরিসরও বৃদ্ধি পায়।

কম্পাংক(Frequency): তরঙ্গের কম্পাংক বোঝানো হয় কোনো সংকেত প্রতি সেকেন্ডে কী পরিমাণে পুনরাবৃত্তি হয়েছে তার মাধ্যমে। ওয়াই-ফাই এর জন্য যে তরঙ্গ ব্যবহার করা হয় তা সাধারণত ২.৪ গিগাহার্জ (সেকেন্ডে দুই হাজার চার শত কোটি বার স্পন্দিত) এবং ৫ গিগাহার্জের (সেকেন্ডে পাঁচ হাজার কোটি বার স্পন্দিত) হয়ে থাকে। এত উঁচু কম্পাংকের শব্দ বা আলো কোনোটিই মানুষ শুনতে বা দেখতে পারে না। এই কারণে রেডিও তরঙ্গ মানুষ লক্ষ্য করে না।

ওয়াই-ফাই যেকোনো স্থানে খুব দ্রুত ডেটা এনকোডেড স্পন্দন বা তরঙ্গ হিসেবে সঞ্চালিত হয়। এই স্পন্দনগুলোর একটি ছবি ফ্রেমবন্দী করা গেলে দেখা যাবে যে, স্পন্দনগুলোর মধ্যে প্রায় ৬ ইঞ্চি ব্যবধান রয়েছে (নিচের এই ছবিতে তা হালকা রঙিন ব্যান্ড দ্বারা দেখানো হয়েছে)। ওয়াইফাই রাউটার মূলত একটি অ্যান্টেনা, যা একই সময়ে একাধিক ফ্রিকোয়েন্সি উপর তথ্য পাঠাতে পারে। এই বহুবিধ ফ্রিকোয়েন্সিগুলোকে নীল, সবুজ, হলুদ এবং লাল রং হিসাবে দেখানো হয়, যা ছবিটির চারপাশের স্থানটি ছড়িয়ে অবস্থান করছে। এখানে দেখানো হয়েছে যে, একাধিক কম্পাংকের তথ্য হিসাবে একটি স্থানে ঘূর্ণিপাক খাচ্ছে, কিন্তু যেকোনো বেতার যন্ত্র দ্বারা এই তথ্য বুঝে অনুবাদ করা সম্ভব একটি সাধারণ ট্যাগ সিস্টেম ব্যবহার করার মাধ্যমে।

ওয়াই-ফাই মূলত নির্ভর করে একধরনের রেডিও তরঙ্গের আদান প্রদানের উপর। এই তরঙ্গের নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে। তরঙ্গগুলোর একটির সাথে আরেকটির দূরত্ব রেডিও তরঙ্গ হতে কম, তবে মাইক্রোওয়েভ থেকে বেশি। কিছুক্ষণ আগে আপনাদের ওয়াই-ফাই তরঙ্গের দুই ধরনের কম্পাংকের কথা বলেছিলাম। এমনটা নিয়ন্ত্রণ করা হয় যাতে অন্যান্য তরঙ্গের সংঘর্ষ না হয়। ওয়াই-ফাই তরঙ্গের দুটি শীর্ষের মধ্যবর্তী দূরত্ব ৩ থেকে ৫ ইঞ্চির মতো হয়ে থাকে।

কম্পিউটার সাধারণত বাইনারি সংখ্যা (০ এবং১)  দ্বারা সবকিছু বিবেচনা করে। তরঙ্গের শীর্ষকে একটি কম্পিউটার ১ হিসেবে এবং পাদকে ০ হিসেবে বিবেচনা করে। ০ এবং ১ এর মাধ্যমে বিট গঠিত হয় যা কম্পিউটারের জগতে নেটওয়ার্কের গতির নির্ণায়ক হিসেবে কাজ করে। ০ এবং ১ এর একটি শিকল অক্ষর, সংখ্যা এবং কোডে পরিণত হয় যা আমাদের স্ক্রিনে আসা ওয়েবপেইজ, ইমেইল এবং অন্যান্য উপাদান গঠন করে। আপনার এই তথ্য আপনার সেবা প্রদানকারী ইন্টারনেট সেবার সার্ভার হয়ে আবার চলে যাচ্ছে ইন্টারনেটের বিশাল জালে।

সাধারণত ওয়াই-ফাই তরঙ্গের বিস্তার হ্রাস পায় তা তার উৎস থেকে যত দূরে যায় সেই হারে। এই কারণে উপরের ছবিতে ডান পাশে বিস্তার বেশি হলেও বাম দিকে তা ধীরে ধীরে হ্রাস পেয়েছে।

তাহলে এখন আসা যাক এই ব্যবস্থা কীভাবে কাজ করে সেই কথায়। ওয়াই-ফাই এর মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদান করতে হলে সে সিস্টেমে অন্তত ট্রান্সিভার, এন্টেনা এবং একটি সম্প্রচার মাধ্যম থাকে। ট্রান্সিভার এবং এন্টেনা সাধারণত আপনার ঘরের ওয়াই-ফাই রাউটারে একসাথে থাকে। আর সম্প্রচার মাধ্যমে বাতাস তো আছেই।

ট্রানসিভার একটি প্রেরক যন্ত্র (Transmitter) এবং গ্রাহক যন্ত্রের (Receiver) সমন্বয়ে গঠিত। প্রেরক যন্ত্র একপ্রান্ত থেকে (উৎস) রেডিও তরঙ্গ প্রেরণ করে এবং গ্রাহক যন্ত্র অন্য প্রান্তে (গন্তব্য) সেই তরঙ্গ গ্রহণ করে। প্রেরক যন্ত্র আপনার কম্পিউটারের ডিজিটাল সংকেত (০ এবং ১ এর সমন্বয়ে গঠিত বিট) রেডিও কম্পাংকে পরিবর্তন করে এবং তা পরবর্তীতে বাতাসের মাধ্যমে আশপাশে ছড়িয়ে পড়ে। তবে এর আগে এমপ্লিফায়ারের মধ্য দিয়ে তরঙ্গের বিস্তারের মাত্রা বৃদ্ধি করা হয়, যাতে সংকেতের সঞ্চারণ ঠিকমত হয়।

গ্রাহক যন্ত্রের গঠনও প্রেরক যন্ত্রের ন্যায়, তবে কাজ হয় এর ঠিক উল্টো। নিচের ছবি দেখলেই আপনি বুঝতে পারবেন।

আপনার ঘরে বেতার ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে আপনি নিশ্চয়ই রাউটার নামে একটা ছোট বক্স রয়েছে। এই রাউটার আপনার অজান্তে ঘরে ট্রান্সিভার এবং গ্রাহক যন্ত্রের কাজ করে যাচ্ছে। এই ছোট যন্ত্রটি ইন্টারনেটের সাথে আপনার সংযোগ আদান প্রদান করেই যাচ্ছে।

একটি বেতার রাউটার কেবল একটি রাউটার, যা আপনার কম্পিউটারের (বা কম্পিউটারগুলিকে) সাথে সংযোগ স্থাপন করে তারের পরিবর্তে রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে। রাউটারে একটি খুব কম শক্তিসম্পন্ন রেডিও প্রেরক যন্ত্র এবং গ্রাহক যন্ত্র রয়েছে, যার পরিসর সর্বোচ্চ ৯০ মিটার বা ৩০০ ফুট পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে। তবে এর বেশিরভাগ নির্ভর করে আপনার দেওয়ালগুলো কী তৈরি করা এবং বাসার অন্যান্য ইলেকট্রিক্যাল সরঞ্জামের উপরে। রাউটার আপনার কম্পিউটারে যেকোনো কম্পিউটারে ইন্টারনেটের তথ্য পাঠাতে ও গ্রহণ করতে পারে (তবে বেতার নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত হতে কম্পিউটারে একটি রেডিও প্রেরক যন্ত্র এবং গ্রাহক যন্ত্র থাকতে হবে)। অধিকাংশ নতুন ল্যাপটপের মধ্যে নির্মিত ওয়্যারলেস কার্ড লাগানো থাকে।

ওয়াই-ফাই বলতে গিয়ে আপনি মাঝেমধ্যে হয়ত ওয়াই-ফাই হটস্পটকেই বুঝিয়ে থাকেন। একটি ওয়াই-ফাই হটস্পট হলো একটি সার্বজনীন স্থান, যেখানে আপনি আপনার কম্পিউটারকে ইন্টারনেটের সাথে সহজেই সংযুক্ত করতে পারেন। বিমানবন্দর, কফি বার, বুকশপ এবং ক্যাম্পাসগুলোতে আপনি যে হটস্পটগুলো খুঁজে পান সেগুলো এক বা একাধিক ওয়্যারলেস রাউটার ব্যবহার করে তৈরি করা, যাতে বৃহৎ এলাকার উপর বেতার নেট অ্যাক্সেস তৈরি করা যায়। নেদারল্যান্ডের টুইটে বিশ্ববিদ্যালয়টি বিশ্বের বৃহত্তম হটস্পটগুলোর একটি। ৬৫০টি আলাদা অ্যাক্সেস পয়েন্ট ব্যবহার করে, এটি সম্পূর্ণ ১৪০ হেক্টর (৩৫০ একর) ক্যাম্পাস জুড়ে একটি ওয়াই-ফাই হটস্পট তৈরি করেছে।

Source: https://roar.media/bangla/main/tech/how-wifi-works/

227
এবারে অ্যাপল এর নজর পরবর্তী প্রজন্মের মাইক্রোএলইডি স্ক্রিনের দিকে
  • টেক জায়ান্ট অ্যাপল এবার নিজেদের ডিভাইসের জন্য তৈরি করবে মাইক্রোএলডি (MicroLED) ডিসপ্লে।
    অ্যাপল পরবর্তী প্রজন্মের এই ডিসপ্লে প্রযুক্তি তৈরির কাজ শুরু করেছে ক্যালিফোর্নিয়ার ৬২,০০০ বর্গ ফুটের এক গোপন কারখানায়।
    ইতোমধ্যেই বেশ কিছু পরীক্ষাধীন স্ক্রিন তৈরি করেছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে বাজারে এই প্রযুক্তির ডিভাইস আসতে সময় লাগবে বেশ কয়েক বছর।
    এই খাতে বেশ বড় অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ করেছে অ্যাপল।

গত রবিবার ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন খবর। তবে আইফোন নির্মাতা এই টেক জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা এখন পর্যন্ত এই সম্পর্কে কোনো মন্তব্য জানাননি।

অ্যাপল ওয়াচ এবং আইফোনের প্রযুক্তির দায়িত্বে থাকা লিন ইয়াংস গোপন এই প্রকল্পের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে প্রাথমিকভাবে। প্রকল্পটির কোড নেম দেওয়া হয়েছে টি১৫৯। শোনা যাচ্ছে, বাজারে স্মার্টওয়াচের মাধ্যমে এই প্রযুক্তি সূচনা করবে অ্যাপল। তবে এখন পর্যন্ত নির্মিত ডিসপ্লেটি একটি অ্যাপল ওয়াচে ব্যবহার করা হলেও তা পুরোপুরি পরিধানযোগ্য নয় বলে জানা গেছে।

মাইক্রোএলইডি প্রযুক্তি বর্তমানের জনপ্রিয় ওলেড ডিসপ্লের তুলনায় হবে আরো আকর্ষণীয় আর বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী। ফ্ল্যাট প্যানেলের এই ডিসপ্লে ডিভাইসকে আরো চিকন আর উজ্জ্বল করে তুলবে।

কিন্তু এই প্রযুক্তি নির্মাণ এখন পর্যন্ত নির্মিত সব ডিসপ্লে প্রযুক্তির তুলনায় বেশ কঠিন। অনেক সময়সাপেক্ষ আর জটিল সব প্রযুক্তির সমন্বয়ে নির্মিত এই প্রযুক্তিতে ব্যবহার করা হবে অনেক ক্ষুদ্রাকৃতির পিক্সেল। ২০১৪ সালে অ্যাপল এই প্রকল্প নিয়ে কাজ শুরু করলেও এতদিন পর্যন্ত বড় কোনো পদক্ষেপ নেয়নি প্রতিষ্ঠানটি।

ব্লুমবার্গে প্রতিবেদনটি প্রকাশের পরপরই ডিসপ্লে প্রযুক্তি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ারের দাম কমতে থাকে বাজারে। এই খবর প্রকাশ পাবার পর শার্প, জাপান ডিসপ্লে এবং এলজির ডিসপ্লে নির্মাণকারী বিভাগের শেয়ারের দাম কমেছে বলে জানা গেছে।

বর্তমানে অ্যাপল তাদের স্মার্ট ডিভাইসের জন্য চিপসেট নির্মাণ করলেও ডিসপ্লে প্রযুক্তি নির্মাণে অ্যাপলের অংশগ্রহণ প্রযুক্তি বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে। ধারণা করা হচ্ছে, এই প্রযুক্তি বাজারে আসলে তা স্যামসাং এবং এলজির মতো নামীদামী সব প্রতিষ্ঠানকে অনায়াসেই পেছনে ফেলতে পারবে। সাথে সাথে প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্যের অংশ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর উপরেও এর প্রভাব পড়তে পারে।

তবে এই প্রযুক্তি গ্রাহকের হাতে পৌঁছাতে অপেক্ষা করতে হতে পারে আরো কয়েকটি বছর। যদিও এই ব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু জানায়নি অ্যাপল।

Source: https://roar.media/bangla/news/tech/apple-is-developing-own-microled-screens/

228
এথলেটিক বিলবাও: নিজ জাতিসত্ত্বার বাইরের কোনো খেলোয়াড়কে খেলায় না যে ক্লাবটি
স্পেনের সফল দলগুলোর নাম বলতে বললে কোন কোন দলের নাম বলবেন? নিশ্চয়ই একবাক্যে রিয়াল মাদ্রিদ আর বার্সেলোনার কথা বলবেন। এরপরই আসবে হালের এটলেটিকো মাদ্রিদ, সেভিয়ার নাম। কিন্তু তাদের সমস্ত সাফল্য কি কেবল নিজেদেরই অবদান? না।

ধরুন, রিয়ালের কান্ডারী এক পর্তুগিজ রোনালদো, বার্সার কান্ডারী আর্জেন্টাইন মেসি, এটলেটিকো মাদ্রিদের আছে ফরাসি গ্রিজম্যান। আবার দলবদলের বাজারেও এদের কর্মকান্ড বেশ চোখে পড়ার মতো। কিছুদিন আগ অবধিও দলবদলের বাজারে রিয়ালের চমক থাকতোই। ইদানীং বার্সেলোনাও কম যাচ্ছে না। বর্তমানে রিয়াল, বার্সা, পিএসজি, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, সিটি, চেলসিরা যখন দলবদলের বাজারে কাঁড়িকাঁড়ি টাকা ঢালছে তখন স্পেনেরই একটি বড় দল আছে যারা কেবল নিজের প্রদেশ তথা জাতিসত্ত্বার বাইরের কোনো খেলোয়াড়কে দলে ভেড়ায় না। দলটির নাম এথলেটিক বিলবাও।

সূত্রপাত
স্পেনে মূলত যে দুটি স্বাধীনতাকামী অঞ্চল আছে তাদের একটি হলো বাস্ক। বাস্ক অঞ্চলের বড় দুটি ক্লাবের একটি হলো এথলেটিক বিলবাও ও অপরটি রিয়াল সোসিয়েদাদ। ১৮৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এথলেটিক বিলবাও ১৯১২ সালে প্রথম এই নীতি গ্রহণ করে যে, তাদের ক্লাবে যেসব খেলোয়াড় খেলবেন তারা হয় জন্মসূত্রে বাস্কের স্থায়ী নাগরিক অথবা বংশসূত্রে ‘বাস্ক’ হতে হবে। বাস্কের জনসংখ্যা কাতালোনিয়ার প্রায় সমান। ফ্রান্সের স্পেন সংলগ্ন অঞ্চলেও কিছু ‘বাস্ক’ থাকেন যারা এই ক্লাবে খেলার যোগ্য বলে বিবেচিত হন। উদ্দেশ্য ছিল নিজেদের চরম জাত্যাভিমানকে সমগ্র স্পেন তথা বিশ্বের কাছে তুলে ধরা। কিঞ্চিৎ বা অধিক যা-ই হোক, সাফল্যের সবটা আনন্দ তীব্র জাতীয়তাবোধের মিশেলে উপভোগ করা। তাদের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল সোসিয়েদাদও একই নীতিতে চলছিল কিন্তু বিংশ শতাব্দীর শুরুতে তা ত্যাগ করে। ফলে বর্তমানে ইউরোপে বড় দলগুলোর মধ্যে কেবল এথলেটিক বিলবাওই এই সংস্কৃতি বহন করে চলেছে।

প্রকৃতপক্ষে স্পেনের তৃতীয় বৃহৎ ক্লাব এথলেটিকো মাদ্রিদ বা সোসিয়েদাদ নয়, এই এথলেটিকো বিলবাওই। ৮টি লিগ ও ২৪টি স্প্যানিশ কাপ নিয়ে ট্রফি সংখ্যায় তারা ঠিক রিয়াল ও বার্সার পিছনেই। স্পেনের যে ৩টি দলের কখনো অবনমন হয়নি তার মধ্যে রিয়াল মাদ্রিদ ও বার্সার সাথেই উচ্চারিত হয় এই ক্লাবের নাম। রয়েছে দারুণ এক সমর্থকগোষ্ঠী যারা বছরের পর বছর শিরোপাহীন থাকতে রাজি, কিন্তু প্রিয় ক্লাবের এই নীতিকে বিসর্জন দিতে রাজি নয়। অথচ জেনে অবাক হবেন, এই নীতি ক্লাবের কোনো নিয়মের খাতায় লিখা নেই। কোনো ক্লাব প্রেসিডেন্ট চাইলে আজই প্রথা ভেঙে নন-বাস্ক কাউকে খেলাতে পারবেন। কিন্তু বিলবাও সমর্থকদের একটি দারুণ সন্তুষ্টি যে, কোনো প্রেসিডেন্ট বা প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীই এই প্রথার বাইরে যাননি বা এ নিয়ে ভাবেনওনি।

যেভাবে উঠে আসে প্রতিভা
এটা আসলেই একটি জিজ্ঞাসার বিষয় যে, কিভাবে তারা এত খেলোয়াড় নিয়ে আসে? পুরো বাস্ক প্রদেশের আয়তন আমাদের রাজশাহী বিভাগের চেয়ে (আলোচনার সুবিধার্থে একটি বিভাগকে ধরে নেওয়া হলো) খানিকটা বেশি আর বিদ্যমান বাস্ক জনগোষ্ঠীর সংখ্যা রাজশাহীর জনসংখ্যার তিনভাগের একভাগ! এখনই চোখ কপালে তুলবেন না। এই বাস্ক জনগোষ্ঠী আবার দুই ক্লাবে বিভক্ত। তাহলে একবার ভাবুন তো, এত কম সংখ্যক জনগোষ্ঠী থেকে খেলোয়াড় বের করে করে বিলবাও আজ স্পেনের তৃতীয় বৃহৎ ফুটবল ক্লাব!

খেলোয়াড় তুলে আনার শুরুটা হয় বাস্কোনিয়া নামের একটি স্থানীয় ক্লাব থেকে। এই ক্লাবটি স্পেনের চতুর্থ বিভাগে খেলে। বাস্কোনিয়া সম্ভাব্য সকল তরুণ আগ্রহীদেরকে খেলার সুযোগ দেয়। এদের মধ্যে যারা সম্ভাবনাময় তাদের পরবর্তী ধাপের জন্য পাঠানো হয়। পরবর্তী ধাপ হলো বিলবাও বি দলে। সেখান থেকে আরো এক দফা বাছাই করে মূল দলে খেলার জন্য পাঠানো হয়। এই পুরো প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত থাকে প্রাক্তন খেলোয়াড়রা। অর্থাৎ সেই প্রদেশে কোনো তরুণের মধ্যে বিন্দুমাত্র সম্ভাবনা থাকলেও তাকে ক্লাব ঠিকই নিজেদের রাডারে ধরে ফেলবে।

প্রচন্ড আগ্রহী ও ব্যতিক্রমধর্মী সমর্থকগোষ্ঠীর জন্য বিলবাও এর স্পেন জুড়েই রয়েছে অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী। মাঠের মধ্যে তারা এখনো কোরাস তুলে গান গায়, “আমাদের একাডেমি থাকতে টাকার কী দরকার!” ক্লাবটি তুলে এনেছে সাম্প্রতিক সময়ে আদুরিজ, লরেন্তে, জাভি মার্তিনেজ, হেরেরা, মুনিয়াইন, উইলিয়ামসদের মতো খেলোয়াড়। কিন্তু শ্যেন নজর তো থাকেই বড় ক্লাবগুলোর। যেহেতু বিলবাও পুরোটাই একাডেমিভিত্তিক, তাই বড় ক্লাবগুলো তক্কে তক্কে থাকে তরুণ খেলোয়াড়দের নিয়ে নেওয়ার জন্য।

খেলোয়াড় বিক্রির নীতি কিছুটা বদলেছে ক্লাবটি। যেহেতু ভালো খেলোয়াড় বের করে আনা তাদের জন্য বেশি কষ্টের, তাই আগে সাধারণত খেলোয়াড় বিক্রি করতো না তারা। চুক্তি শেষ হলে তবেই তাদের ছাড়তো। বলে রাখা ভালো, চুক্তি শেষ হয়ে গেলে সেই খেলোয়াড় যদি দলবদল করে তবে আগের ক্লাব কোনো টাকা পায় না। দেখা গেল, কোনো এক খেলোয়াড়ের চুক্তির দুই বছর বাকি। বড় কোনো ক্লাব তাকে ভালো অঙ্কের টাকা দিয়ে নিতে চাচ্ছে, তা-ও বিলবাও সেই খেলোয়াড় বিক্রি করতো না।

একবছর পর ফ্রিতে ছেড়ে দিতো, কিন্তু চুক্তি শেষ হওয়ার আগে তাদের ছাড়তে দিত না। এর কারণও পরিস্কার, এত দ্রুত তাদের পক্ষে একজন খেলোয়াড়ের বদলি আরেকজন জোগাড় করা ছিল কষ্টসাধ্য। কিন্তু সাম্প্রতিককালে ক্লাব তার নীতি বদলেছে। মার্তিনেজ, হেরেরা বা লাপোর্তেদের বিক্রি করেছে চড়া দামে। উদাহরণস্বরুপ বলা যায়, হেরেরাকে কিনেছিল মাত্র ৫ মিলিয়ন ইউরো দিয়ে আর বিক্রি করেছিল ৪০ মিলিয়ন ইউরোতে। এই অর্থের বেশিরভাগই তারা ব্যবহার করে একাডেমিতে। তাই স্টেডিয়াম নির্মাণের সময় দাতার অভাব হয়নি তাদের।

মুদ্রার ওপিঠ
এথলেটিক বিলবাও এর এই নীতি নিয়ে বেশ সমালোচনাও আছে। অনেকের কাছেই এই নীতি প্রচন্ড বৈষম্যমূলক। অনেকে তাদের এই নীতিকে বর্ণবাদী হিসেবেও আখ্যা দিত। ২০১১ সালের আগে বিলবাও ক্লাবে কোন কৃষ্ণাঙ্গ খেলোয়াড় ছিল না। সেই ২০১১ সালেই এই সমালোচনার সমাপ্তি ঘটে। বর্তমানে ক্লাবের সবচেয়ে প্রতিভাবান ও উপভোগ্য আক্রমণভাগের খেলোয়াড় ইনাকি উইলিয়ামস কৃষ্ণাঙ্গ। এখনো কিছু সমর্থক চান যে, তাদের ক্লাবে কোনো কৃষ্ণাঙ্গ যেন না খেলেন।

খেলোয়াড়ের বেলায় ‘কেবলমাত্র বাস্ক’ নীতি থাকলেও কোচের বেলায় এই নীতি নেই। বস্তুত বিলবাও এর মূল সাফল্যই এসেছে দুই ব্রিটিশ কোচের হাত ধরে। তবে এটাও বলতে হবে যে, বিলবাও এর কোচ বাছাই দারুণ মানের। পেপ গার্দিওলার গুরু বিয়েলসা, বর্তমান বায়ার্ন কোচ হেইঙ্কেস বা হালের বার্সা কোচ ভালভার্দেরা একসময় এই ক্লাবেই কোচিং করিয়েছেন।

সমালোচনার বাইরে গিয়ে একবার ভাবুন, একটি ক্লাব নিজেদের প্রদেশকে দেশ জ্ঞান করে নিজেদের সেই দেশের প্রতিনিধি ভেবে কেবলমাত্র নিজেদের জাতিসত্ত্বার খেলোয়াড় তুলে এনেই ক্লাব চালাচ্ছে এমন এক যুগে যে যুগে টাকাই সব। বানিয়েছে বিশাল এক স্টেডিয়াম যে স্টেডিয়াম যেকোনো ক্লাবের জন্যই দুর্গ। এমন একটা সময় এমন একটা লিগে তারা তরুণ খেলোয়াড়দের সুযোগ দিচ্ছে যখন বড় দলগুলো পরীক্ষিত প্রতিভা ছাড়া দলে কাউকে জায়গা দিতে চায় না।

দুই ম্যাচ খারাপ খেললে অনেক ক্লাবে তরুণ খেলোয়াড়দের বিদায় ঘন্টা বেজে যায় যেখানে বিলবাও ম্যাচের পর ম্যাচ তরুণদের সুযোগ দেয় পরিণত হওয়ার। সেই সময়টাতে তাদেরই ভুলে ম্যাচ হারে কিন্তু সমর্থকরা তাতে নির্লিপ্ত। কী তীব্র জাতীয়তাবোধ! পকেটের টাকা খরচ করে টিকিট কেটে গিয়ে আনকোরা ভুল দেখতে কষ্ট হয় না এই সমর্থকগোষ্ঠীর, তারা এতেই সন্তুষ্ট যে, মাঠে যারা খেলছেন তারা আর গ্যালারিতে যারা বসে আছে তারা একই সত্ত্বার। ৩১ বছর আগে সর্বশেষ বড় কোনো শিরোপা জিতেছিল দলটি।

সেই সময়ে হাঁটি হাঁটি পা পা করা শিশুটিও আজ পরিণত। তারই সমবয়সী কোনো বার্সা বা রিয়াল সমর্থক যখন এক মৌসুম শিরোপা না জিতলেই গেল গেল রবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝড় তোলে তখন সেই লাল-সাদা জার্সিতে কেবল একটি দলকে ‘দল’ হিসেবে দেখে না, দেখে নিজের জাতিসত্ত্বা হিসেবে। ২০১২ সালে বিলবাও ইউরোপা লিগের ফাইনালে এটলেটিকো মাদ্রিদের কাছে হেরে যায়, প্রথমবারের মতো হারায় ইউরোপিয়ান শিরোপা জেতার সুযোগ। মাঠে কিংবা বাস্কের কোনো পানশালায় বিলবাও সমর্থকরা অনেক কেঁদেছিলেন। ধাতব শিরোপা তাদের ভাগ্যে জোটেনি ঠিকই, কিন্তু স্বজাত্যবোধের যে উদাহরণ হয়ে আছে এতদিন তার মূল্যই বা কম কিসে?

Source: https://roar.media/bangla/main/sports/athletic-bilbao-which-only-plays-basque-players/

229
ডিজিটাল যুগের কালো জাল: ডার্ক প্যাটার্ন

হঠাৎ করে বেজে উঠল মেইলের নটিফিকেশনের ঘন্টা। মেইল খুলে দেখলেন সেখানে বিশাল অক্ষরে লেখা, আপনার জন্য শুধুমাত্র আজকের জন্য একটি বিশেষ অফার দিয়ে সেই মেইলটি। অনেকের মনে হয়ত এই প্রশ্নটি আসবে না, তা-ও একটা বিষয়ে একটু খেয়াল করুন নাহয়। কেন এই মেইলটি আপনাকে পাঠানো হল বা ওই কোম্পানির কাছে আপনার মেইল আইডি থাকবে, কী করেছেন আপনি? কি, উত্তর খুঁজে পেলেন না? আপনার অজান্তেই আপনি কোনো এক ওয়েবসাইটে প্রবেশের সময় আপনার তথ্য প্রদান করে বসছেন, অনেক সময় তা খেয়ালই করেন না। এসব সাধারণত হয়ে থাকে ওয়েবসাইট বা এপ্লিকেশন ব্যবহারের সময় আপনার বেখেয়ালিপনা এবং ডিজাইনারদের চাতুর্যপূর্ণ নকশার কারণে। এভাবে সুকৌশলে মানুষকে তাদের অনিচ্ছা সত্ত্বেও এরকম ফাঁদে ফেলে তাদের তথ্য নিয়ে নেয়াটাই হল ডার্ক প্যাটার্ন।

ডার্ক প্যাটার্ন
জাদুকরের অভিনয়ের সময় যেমন আপনি তার ছল ধরতে পারেন না, ঠিক তেমনি বিভিন্ন ইন্টারফেস নকশা করার সময় অনেক ডিজাইনার অ্যাপ বা ওয়েবসাইট এমনভাবে তৈরি করেন যেন তারা আপনাকে এমন কিছু করতে বাধ্য করে যা সাধারণত আপনি করতে চাইবেন না। এরকম নকশাকেই বলা হয় ডার্ক প্যাটার্ন। ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় আপনি একটি পেইজে আসা প্রতিটি শব্দ ভাল করে পড়ে দেখেন না। একনজর দেখেন, আন্দাজ করে নেন অনেকটুকুই। প্রতিষ্ঠানগুলো আপনার এই বেখেয়ালিপনার উপরে ভর করে আপনার এবং কিছু ক্ষেত্রে আপনার আশপাশের মানুষজনের মূল্যবান তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে। তারা এমনভাবে নকশা করে যাতে একটি জিনিস মনে হলেও আপনার কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে নেয় অন্য কিছুর।

আপনি আপনার পিসিতে সফটওয়ার ইন্সটল করার সময় অনুমতি চেয়ে এরকম একটি স্ক্রিন প্রায়শ দেখা যায়। একবার একটু খেয়াল করে শেষের লাইনটা একটু দেখুন তো। কি, অবাক হচ্ছেন? মেসেঞ্জার আপনাকে এই পেইজের মাধ্যমে অন্য একটি সফটওয়ার ইন্সটল করার অনুমতি চেয়ে নিচ্ছে। শেষে আবার এই ধাপ এড়ানোর ব্যবস্থাও করে রেখেছে, তবে অনেকেই না দেখেই ‘Accept’ বাটনের দিকে মাউস বাড়াতেই পারেন।

বিভিন্ন ধরনের ডার্ক প্যাটার্ন
হ্যারি ব্রিগনাল নামক একজন গবেষক প্রায় ছয় বছর তথ্য সংগ্রহ করেন এবং এসব ফাঁকিকে বেশ কিছু ভাগে বিভক্ত করেন। এই লেখনীতে অল্প কিছু তুলে ধরা হল

Bait and Switch (টোপ ফেলে বেশ পালটে ফেলা)

এক্ষেত্রে একজন ব্যবহারকারী একটি কাজের উদ্দেশ্যে তার যাত্রা শুরু করেন, কিন্তু নিজের অজান্তে কখন যে ভিন্ন পথে এগিয়ে বসেন বুঝতেও পারেন না। এই পদ্ধতির সবচেয়ে প্রচলিত উদাহরণ ছিল মাইক্রোসফট যখন তাদের উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের উইন্ডোজ ১০ এ আপগ্রেড করার বিজ্ঞপ্তি দিচ্ছিল।

২০১৬ সালের দিকে অনেক উইন্ডোজ ব্যবহারকারীর কাছে উপরের এই বিজ্ঞপ্তি তুলে ধরে। একসময় তারা তাদের ‘x’ বাটনের অর্থ পালটে দিল। সাধারণত এই বাটন দিয়ে বন্ধ করুন বা পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নিব এরকম বুঝানো হলেও মাইক্রোসফট এই বিজ্ঞপ্তিতে তার অর্থ পালটে করে দেয়, ‘হ্যাঁ, আমি আপগ্রেড করতে রাজি আছি’। বলা চলে অনেকটা জোর করে ব্যবহারকারীদের উইন্ডোজ ১০ এ আপগ্রেড করতে বাধ্য করতে চায় মাইক্রোসফট।

লজ্জায় ফেলে কাজ আদায়

কিছু কিছু জায়গায় বিজ্ঞাপন এমনভাবে সাজানো হয় যেন আপনি সেটিতে রাজি না হয়ে কত বড় ভুল কাজই না করছেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এমনটা করা হয় কোনো নিউজলেটারে সাইনআপ করার জন্য নয়ত এডব্লকার ব্যবহার না করার জন্য।

ছদ্মবেশী বিজ্ঞাপন

কিছু বিজ্ঞাপন এমনভাবে সাজানো হয় যে দেখে মনে হয় তা সে ওয়েবসাইটেরই অংশ। ভুলে সে বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে বসলেই নিয়ে যাবে অন্য একটি ওয়েবসাইটে। ধরে নেয়া যাক, আপনি একটি গান ডাউনলোড করবেন, সে হিসেবে খুঁজে আপনি নিচের এই ওয়েবসাইটে এসে পৌঁছালেন। বড় বড় করে দুটি বিজ্ঞাপন দিয়ে রাখা হয়েছে এবং নিচে আসল লিংক।

বন্ধু স্প্যাম

এই ব্যবস্থায় আপনার কাছ থেকে এই বলে অনুমতি নেয়া হয় যে আপনার তথ্য আপনার উপকারে ব্যবহার করা হবে। কিন্তু তারা আপনার পক্ষ থেকে আপনার পরিচিত মানুষজনকে মেইল পাঠিয়ে এক বিরক্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করে।

এর সবচেয়ে প্রচলিত উদাহরণ ছিল লিংকডিনের সাইন-আপ এর সময়। তারা আপনার কাছ থেকে আপনার অনুমতি চায় যাতে আপনার ক্যারিয়ারের জন্য শক্তিশালি নেটওয়ার্ক তৈরি করতে পারে। কিন্তু তারা আপনার পরিচিত মানুষজনকে আপনার নাম করে মেইল পাঠিয়ে দেয়। ২০১৫ সালে লিংকডিনের এরকম কাজে বিরক্ত হয়ে ক্যালিফোর্নিয়া শহরে একটি মামলা করা হয়েছিল, যার ফলশ্রুতিতে লিংকডিন কোম্পানিকে দিতে হয়েছিল প্রায় ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ক্ষতিপূরণ।

লুকানো খরচ

কিছু কিছু ওয়েবসাইটে আপনাকে প্রথমদিকে খরচ দেখানো হয় একরকম, কিন্তু শেষে গিয়ে দেখা যায় ডেলিভারি চার্জ, শুল্ক ইত্যাদির নাম করে অতিরিক্ত কিছু টাকা দাবি করে বসে।

প্রোফ্লাওয়ার যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফুল বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান। প্রথমে আপনি যখন ফুলের অর্ডার করতে যাবেন তখন শুধুমাত্র ফুলের দাম দেখাবে আপনাকে।

কিন্তু কয়েকটি ধাপ পার করে অর্ডার করতে যাবেন দেখা যাবে আপনার খরচের পরিমাণ বেড়ে গিয়েছে। খেয়াল করলে দেখা যাবে তারা কিছু চার্জ যুক্ত করেছে। ৫-৬ ধাপ পার করে অনেকে নতুন কোনো ওয়েবসাইট খোঁজার থেকে এই অতিরিক্ত টাকা দেয়া উত্তম বলে মনে করেন এবং টাকা দিয়ে দেন।

ভ্রান্ত পথ

এরকম ডিজাইনে আপনার মনোযোগ বিভ্রান্ত করে এমন কিছু করিয়ে নেয়ার চেষ্টা করা হয় যেটিতে সাধারণত আপনি রাজি হবেন না। কোনো সফটওয়্যার ইন্সটল করার সময় অন্য কিছু ইন্সটল করিয়ে নেয়া হয়। একটি স্ক্রিন আসে যেখানে আপনার কাছে অনুমতি চাওয়া হয়। খেয়াল না করলে ইন্সটল হয়ে পড়ে বিজ্ঞাপনের সেই সফটওয়্যার বা অনেক সময় ম্যালওয়্যার।

মূল্যের তুলনায় বাধা

একই রকমের অনেক পণ্য থাকলে আপনি সাধারণত তার দাম যাচাই করে আপনার জন্য দাম এবং মানে ভাল হবে সেটা ক্রয় করবেন। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে বিক্রেতারা আপনার এই কাজ করে তুলে তুলনামূলক কঠিন। তারা তাদের মূল্য তালিকা এমনভাবে আপনার সামনে তুলে ধরে যাতে আপনি সহজে সিদ্ধান্তে উপনীত হতে না পারেন।

এখানে আপনি কেজি হিসেবে খরচ কম হবে নাকি খুচরা হিসেবে সেটা বুঝে উঠা কঠিন একটা সিদ্ধান্ত।

Privacy Zuckering (প্রাইভেসি জাকারিং)

আপনার তথ্য সুকৌশলে উন্মুক্ত করে দেয়া হয় এই পদ্ধতিতে। নামকরণ করা হয়েছে ফেসবুকের সিইও মার্ক জাকারবার্গের নামে।

কিছু বছর আগে WhatsApp এর এক আপডেটে সিদ্ধান্ত নেয়া হয় যে তারা ব্যবহারকারীদের কিছু তথ্য (মূলত ফোন নাম্বার) ফেসবুককে প্রদান করবে। এর জন্য আপনার কাছ থেকে অনুমতিও চাওয়া হয়। নিচের ছবি দ্রষ্টব্য। প্রথম দেখায় মনে হবে রাজি না হয়ে উপায় নেই।

নিচের দিকের তীরে চাপ দিলে আরেকটি অপশন আসবে যেখানে আপনি চাইলে আপনি আপনার তথ্য ফেসবুকে পাঠানো থেকে বিরত থাকতে পারেন। কিন্তু অধিকাংশ মানুষই জিনিসটি খেয়াল করেননি।

Roach Motel (রোচ মোটেল)

এই মডেলে ব্যবহারকারী খুব সহজে কোনো একটি পরিস্থিতিতে সহজে উপনীত হতে পারে, তবে সেখান থেকে বের হয়ে আসতে প্রচুর কষ্ট করতে হয়। যেমন ধরুন, আপনি নিউ ইয়র্ক টাইমসে যদি সাবস্ক্রিপশন বন্ধ করতে চান তাহলে আপনাকে তাদের কাজের সময়ে ফোন দিতে হবে।

বিভ্রান্তিকর প্রশ্ন

অনেক সময় তাড়াহুড়ার মধ্যে দেখা হয় না আপনি কোথায় নিজের তথ্য দিয়ে বসছেন। এমনই একটি নকশার নমুনা হলো এই পদ্ধতি। আপনাকে একটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করবে এবং সাথে সাথে অন্য একটি জিনিসের অনুমতি নিয়ে বসবে। কোন একটি জায়গায় আপনি সাইন-আপ করার সময় বেশ কিছু অনুমতি দেয়া প্রয়োজন পড়ে। এরকম একটি উদাহরণ দেখা যায় currys.co.uk এর ওয়েবসাইটে।

প্রথম চেকবক্সে মেইল না পাঠানোর কথা বলা হলেও অন্যদিক থেকে তথ্য পাঠানোর ব্যাপারে রাজি করানো হয় ব্যবহারকারীর কাছ থেকে।

এসব নকশা ভুল করে বানানো বা ব্যবহারকারীদের বাজে অভিজ্ঞতা প্রদানের উদ্দেশ্য নিয়ে করা হয়নি। করা হয়েছে ব্যবহারকারীদের তথ্য অসাধু উপায়ে ব্যবহারের জন্য, যা এককথায় প্রতারণামূলক এবং অনৈতিক। ব্যবহারকারীরা এসব ওয়েবসাইটে ভুল করে একবার যেতে পারেন, কিন্তু সতর্ক হয়ে গেলে তারা অন্য উপায় অবশ্যই খুঁজবেন। যেমন ধরুন, ফেসবুক কেলেঙ্কারির পরে অনেক মানুষই ফেসবুক ত্যাগ করার ঘোষণা দিয়েছেন।

Source: https://roar.media/bangla/main/tech/dark-pattern/

230
‘যেখানে প্রয়োজন-সেখানে বিদ্যুৎ’ দিবে বিশ্বের প্রথম ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র
[/u]

বিশ্বের প্রথম ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের যাত্রা শুরু করেছে। এরপর বিদ্যুৎ উৎপাদন করে সেখান থেকে তার টেনে বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ পাঠানো হয়। কিন্তু এ বিদ্যুৎকেন্দ্র তেমন নয়। এটি নিজেই চলে যায় যেখানে বিদ্যুৎ প্রয়োজন-সেখানে।

সম্প্রতি রাশিয়া অ্যাকাডেমিক লমনোসভ নামে ভাসমান পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নির্মাণ শেষ করেছে।

পরিবেশবাদীরা অবশ্য এ বিদ্যুকেন্দ্রটিকে অত্যন্ত বিপজ্জনক বলছেন। আর এজন্য এর নাম তারা দিয়েছেন ‘ভাসমান টাইটানিক’ ও ‘ভাসমান চেরনোবিল’।

গত শনিবার ভাসমান পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রটিকে দেখা যায় প্রথমবারের মতো যাত্রা শুরু করতে। নিজস্ব ইঞ্জিনে নয়, কয়েকটি টাগবোট একে টেনে নেয়।

ভাসমান এ পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রটিকে রাশিয়া মোতায়েন করবে উত্তর মেরুর নিকটবর্তী অঞ্চলে। সেখানে পেভেক পোর্টে ২০১৯ সাল থেকে বিদ্যুতের চাহিদা মেটাবে বলে জানা গেছে। একবার জ্বালানি নিয়ে তিন বছর বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায় এ ধরনের বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে। এটি ৩০০ মেগাওয়াট তাপ বা ৭০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে।

রাশিয়ার এ ভাসমান পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পরিবেশবাদীদের ব্যাপক সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছে। যে কোনো দুর্ঘটনায় এটি মারাত্মক তেজস্ক্রীয়তা সাগরের পানিতে ছড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

সমালোচনার পরেও রাশিয়া এ প্রযুক্তি নিয়ে আরো এগিয়ে গেছে। প্রথমটির পরে আরো একটি ভাসমান পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র বানানোর পরিকল্পনা করেছে তারা। এটি ভিন্ন কোনো দেশের কাছে বিক্রি করা হতে পারে।

Source: http://www.bdmorning.com/international/346250

231
Marriott takes on Airbnb with new home sharing website

Marriott International, the largest hotel company in the world, is attempting to take on Airbnb with its own offering for the homeshare market.

Launching Tributeportfoliohomes.com on 23 April, Marriott has a selection of more than 200 specially selected homes in London to choose from.

The service is initially a six-month pilot scheme in partnership with Hostmaker, a London home rental management service.

Guests can expect added extras such as a guaranteed in-person check-in and 24/7 phone support should there be any issues.

They will also receive loyalty points for Marriott Rewards and Starwood Preferred Guest schemes.

Unlike other hotel chains which have dipped their toes in the homestay market, Marriott isn’t creating a new brand or relying on the Hostmaker name to sell its product, but is instead using one of its existing brands – Tribute Portfolio, a collection of 28 independent hotels around the world.

Marriott says guests should get a similar experience in a homestay property as they’d get at a Tribute Portfolio Hotel.

“Hostmaker already does an incredible job of curating a great portfolio of homes, and we added other types of design, safety, and security criteria that meet our standards,” Marriott chief customer experience officer Adam Malamut said to Skift of how they selected the 200 homes for the pilot.

“Through curation among curation that already exists within Hostmaker, and our serious experience and amenities, and earn-and-redeem capabilities, all of that comes together in creating, maybe not an exclusive home, but an end-to-end exclusive brand experience for the customer.”

 The average nightly rate for a one or two-bedroom home in the pilot is between £200 and £250; more upscale than budget.

The Marriott offering differs from Airbnb in several ways, the main one being quality control. Hostmaker offers on the ground maintenance and regular checks to ensure homes continue to meet its standards, whereas even Airbnb’s Plus model – a curated collection of verified homes – only has one initial check. After that, the system relies on consumer reviews.

Hostmaker is particularly exacting when it comes to design. “We will not take a home unless it meets the design criteria that we have,” said Nakul Sharma, founder and CEO of Hostmaker. “We help design the homes and we have relationships with the homeowners. We offer this up front to owners if they are looking for it, and we advise them on how their home would even more attractive if they were setting it up for a homestay.”

As Tributeportfoliohomes.com is in its beta phase, the website, although attractive, doesn’t quite have the functionality of bigger homestay brands yet. For example, there’s no way of filtering by price, and users have to click through to the property to view pictures (unlike Airbnb, where you can scroll thumbnails before opening the listing in full).

However, if the pilot is successful, Marriott will no doubt tweak and improve, plus consider expanding into other markets.


Source: https://www.independent.co.uk/travel/news-and-advice/marriott-airbnb-homesharing-wesbite-hostmaker-london-tribute-portfolio-homes-pilot-a8323211.html

232
পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় এআই কাজে লাগাতে চায় মাইক্রোসফট

জলবায়ুর পরিবর্তন ও পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কৃত্রিম বৃদ্ধিমত্তা (এআই) কাজে লাগাতে চায় মাইক্রোসফট। এ ধরনের কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের হাতে এআই প্রযুক্তি পৌঁছাতে ৫ কোটি ডলার ব্যয়ের ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন প্রতিষ্ঠানটি। ‘এআই ফর আর্থ প্রোগ্রাম’-এর আওতায় এ অর্থ আগামী পাঁচ বছরে ব্যয় করা হবে। খবর ইন্দো-এশিয়ান নিউজ সার্ভিস।

মাইক্রোসফট ছয় মাস আগে ‘এআই ফর আর্থ প্রোগ্রাম’ চালু করেছিল। এর মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি কাজে লাগানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করে প্রতিষ্ঠানটি। এরই অংশ হিসেবে ৫ কোটি ডলার লগ্নি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

মাইক্রোসফটের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান আইন কর্মকর্তা ব্র্যাড স্মিথ এক ব্লগ পোস্টে জানান, আমরা বিশ্বাস করি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গেম চেঞ্জার হবে। বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার গণতন্ত্রায়নে কাজ করছি। যাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিভিন্ন ফিচার ও সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পৃথিবীর উন্নয়নে রিয়েল টাইম আউটপুট বা ফলাফল পেতে পারে। মাইক্রোসফট প্যারিস জলবায়ু চুক্তির দ্বিতীয় বার্ষিকীর আগ মুহূর্তে এ ঘোষণা দিল।

বিশ্লেষকদের তথ্যমতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে পৃথিবীর প্রাকৃতিক সিস্টেমের ওপর পর্যবেক্ষণ, গঠন ও ব্যবস্থাপনার বিষয় সহজ হয়ে উঠতে পারে। এছাড়া এর মাধ্যমে বায়ু, পানি, ভূমি ও বন্য প্রাণীর স্বাস্থ্য তথ্য পাওয়া ও বিশ্লেষণ করা সহজ হতে পারে।

ব্র্যাড স্মিথ বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আমাদের প্রকৃতিক পরিবেশের ওপর পর্যালোচনা চালানো সহজ করবে। এর সহায়তায় প্রাকৃতিক পরিবেশ কতটা দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে, এ সংক্রান্ত ডাটা গুরুত্বপূর্ণ তথ্যে রূপান্তর করা সহজ হবে ও এসব তথ্য প্রাকৃতিক সম্পদের সঠিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

মাইক্রোসফটের তথ্যমতে, ‘এআই ফর আর্থ প্রোগ্রাম’ পরিবেশবাদীদের জন্য সহায়ক হবে। বিশেষ করে প্রযুক্তি ব্যবহার করে যারা জলবায়ু পরিবর্তনের সঠিক সমাধান দিতে কাজ করছেন তাদের জন্য।

Source: http://bonikbarta.net/bangla/news/2017-12-14/141408/%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%97%E0%A6%A4-%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9C-%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%8F%E0%A6%86%E0%A6%87-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A7%87-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%B8%E0%A6%AB%E0%A6%9F/

233
বাংলাদেশি গবেষকের হাতে এলার্জি-অ্যাজমার কারণ আবিষ্কার

এলার্জি ও অ্যাজমার কারণ আবিষ্কার করে দুনিয়াজোড়া হইচই ফেলে দিয়েছেন বাংলাদেশী গবেষক ড. হায়দার আলী। তার গবেষণার ফল ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভেনিয়া (ইউপেন)’র গবেষণা জার্নালে ইতোমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে।

এবার এই গবেষণার বিস্তারিত আগামী ২৫ থেকে ২৭ মে প্রাগে অনুষ্ঠিতব্য ‘ইউরোপিয়ান মাস্ট সেল এ্যান্ড বাসফিল রিসার্চ নেটওয়ার্ক ইন্টারন্যাশনাল মিটিং’-এ উপস্থাপন করবেন তিনি।

ড. হায়দার জানান, তিনি ইমিউন সিস্টেমের একটি ক্ষুদ্রাংশ ‘মাস্ট সেল’ আবিস্কার করেছেন। এই মাস্ট সেলই এলার্জি ও এ্যাজমার কারণ। এই সেল আবিষ্কারের ফলে দীর্ঘদিন ধরে জটিল এ রোগ নিয়ে যে শংকা মানুষের মধ্যে ছিল তার অবসান ঘটবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

ড. হায়দার আলীর জন্ম সিলেটে। তবে শৈশবেই পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানেই লেখাপড়া শেষ করে পিএইচডি থিসিস এবং পোস্ট ডক্টরাল থিসিসও করেন লন্ডনে। তার থিসিসের বিষয় ছিল ‘মাস্ট সেল।’ ১৯৯৮ সাল থেকেই তিনি এই সেল নিয়ে গবেষণা করে আসছেন।

চাকরি জীবনে ড. হায়দার আলী ইউপেনের প্যাথলজির প্রফেসর এবং ইউপেন স্কুল অব ডেন্টাল মেডিসিনের ফ্যাকাল্টি এডভান্সমেন্ট ও ডাইভার্সিটিরও পরিচালক।

মাস্ট সেল আবিষ্কারের পর নিজের মত জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, কোন জীবন্ত প্রাণীই মাস্ট সেল ছাড়া নেই। এজন্যেই এলার্জি কিংবা এ্যাজমা প্রতিরোধে কোন ব্যবস্থা নিজে থেকে শরীরে তৈরী হতে পারে না। উদঘাটিত মাস্ট সেলের মাধ্যমেই এখন আমাদের শরীরকে ইনফেকশন হওয়া থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। যদিও এলার্জি এবং এ্যাজমার মত জটিল রোগের প্রধান কারণ আরো সুনিপুণভাবে উদঘাটনে আরো কাজ করতে হবে। তবেই এই জীবাণু চিরতরে বিনাশ করা যাবে।

Source: http://www.bangla.24livenewspaper.com/bangladesh/14255-bangladeshi-researchers-discover-cause-of-the-allergy

234
১০ লাখ ৪০ হাজার বর্গফুটের নতুন ক্যাম্পাস বানাবে গুগল

ক্যালিফোর্নিয়ার সানিভেলে বিশাল এক উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে প্রযুক্তি কোম্পানি গুগল। এ নিয়ে বিস্তর পরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকল্পটির আওতায় মাউন্টেইনভিউ প্রধান কার্যালয় থেকে কয়েক মাইল দূরে নতুন ক্যাম্পাস বানাতে চায় মার্কিন প্রতিষ্ঠানটি। খবর সিএনবিসি।

নিয়ন্ত্রক সংস্থায় গত বুধবার রাতে জমা দেয়া প্রস্তাবনায় বলা হয়, ১০ লাখ ৪০ হাজার বর্গফুট এলাকাজুড়ে দুটি সবুজ জায়গাসহ ভবন বানানো হবে। ক্যাম্পাসটিতে ৪ হাজার ৫০০ গুগল কর্মী কাজ করতে পারবে। সেখানে ২ হাজার ৮৫টি গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে। প্রস্তাবিত এ ক্যাম্পাসের প্রতিটি ভবনের পাঁচটি তলার মধ্যে কর্মীদের আসা-যাওয়ার ব্যবস্থা রাখা হবে।

গুগল এ প্রকল্পকে নাম দিয়েছে ‘ক্যারিবিয়ান’। এর কারণ হলো একটি ভবন ক্যারিবিয়ান ড্রাইভে পড়েছে। কর্মীদের আবাসস্থল দেয়াসহ সানিভেল ঘিরে গুগলের বিস্তৃত পরিকল্পনার অংশ এটি।

গুগলের বৈশ্বিক রিয়েল এস্টেট প্রধান মার্ক গোলান বলেন, সানিভেলে আবাসন ও পরিবহন ব্যবস্থা দুটি বড় ইস্যু, যা গুগলের জন্য খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

২০২১ সালের আগে ক্যারিবিয়ান কমপ্লেক্স চালুর কোনো আশা দেখছেন না সংশ্লিষ্টরা। গুগলের প্যারেন্ট কোম্পানি অ্যালফাবেটের দাবি, চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিক শেষে প্রতিষ্ঠানটির মোট কর্মী সংখ্যা ৭৮ হাজার ১০১ জনে দাঁড়িয়েছে।

Source: http://bonikbarta.net/bangla/news/2017-12-24/142416/%E0%A7%A7%E0%A7%A6-%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%96-%E0%A7%AA%E0%A7%A6-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%97%E0%A6%AB%E0%A7%81%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A6%B2/

235
নরওয়ের পাহাড়ের ভেতরে গুরুত্বপূর্ণ বীজের গুদাম, বাংলাদেশে কিভাবে বীজ সংরক্ষণ করা হচ্ছে

সারা বিশ্বের মূল্যবান সব বীজ সংরক্ষণ করে রাখার জন্যে ১০ বছর আগে নরওয়েতে তৈরি করা হয়েছে গ্লোবাল সীড ভল্ট।

গত সপ্তাহে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ৭০ হাজার শস্যবীজের একটি চালান পাঠানো হয় এই সংরক্ষণাগারে। ফলে এই ভল্টে বীজের সংখ্যা এখন ১০ লাখেরও বেশি।

এসব বীজ রাখা আছে আর্কটিক অঞ্চলের স্ভালবার্ডে একটি পাহাড়ের ভেতরে।

বিবিসির বিজ্ঞান বিষয়ক সংবাদদাতা ডেভিড সুকমান গিয়েছিলেন ওই ভল্টটি দেখতে। তিনি বলছেন, বিশ্বের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শস্যের বৈচিত্র্য ধরে রাখা খুবই জরুরী। খরা, বন্যা কিম্বা জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে খাদ্যশস্য যাতে কখনো হুমকির মুখে না পড়ে সেকারণেই এই উদ্যোগ।

বীজ জমা রাখার জন্যে বছরে প্রায় দু'বার খুলে দেওয়া হয় এই ভল্ট। গত সপ্তাহে যেসব বীজ রাখা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়ায় প্রোটিনের উৎস - ধান, গম, ভুট্টা ইত্যাদি।

গ্লোবাল সীড ভল্টে আছে তিনটি চেম্বার। তার একটি ইতোমধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ সব বীজের প্যাকেটে ভর্তি হয়ে গেছে।

পাহাড়ের ভেতরে তৈরি একটি সুড়ঙ্গের ভেতরে ঢুকেছেন ডেভিড সুকমান। ভল্টের প্রবেশ মুখ এটি। তিনি বলছেন, সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে এই এলাকা ১৩০ মিটার উপরে।

"জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মেরু অঞ্চলের সব বরফও যদি গলে যায়, তারপরেও এই সংরক্ষণাগারটি নিরাপদ থাকবে," বলেন তিনি।

যতোই ভেতরে যাওয়া হয় ততোই ঠাণ্ডা। এখানে গুদাম এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগেই এটি অক্ষত থাকে।

"এই পরিবেশে বীজ অনেক দীর্ঘ সময় ধরে সংরক্ষিত থাকতে পারে। এটা নির্ভর করে কোন ধরনের শস্য তার উপর। কোনো কোনো বীজ চার হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে টিকে থাকতে পারে," বলেন ভল্টের একজন কর্মকর্তা।

গুদামের ভেতরে ঢুকে দেখা গেলো সেখানে তাপমাত্রা মায়নাস আঠারো ডিগ্রি সেলসিয়াস। সারি সারি করে রাখা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সংগ্রহ করে আনা বীজ।

এসব বীজ আগে রাখা হতো কাঁচের টেস্টটিউবে আর এখন প্লাস্টিকের তৈরি ব্যাগে।

গত বছর খারাপ আবহাওয়ার কারণে ভল্টের প্রবেশ মুখ প্লাবিত হয়েছিলো তবে যেসব ফ্রোজেন চেম্বারে বীজ রাখা সেখানে পানি পৌঁছাতে পারেনি। এরপর তীব্র গরম ও ঠাণ্ডার হাত থেকে এটিকে রক্ষার জন্যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, সারা বিশ্বের জিন ব্যাঙ্কে প্রায় ২২ লাখ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ বীজ সংরক্ষিত আছে যা ধীরে ধীরে গ্লোবাল সীড ভল্টে নিয়ে আসা হবে।

Source: https://www.bbc.com/bengali/news-43294031?ocid=socialflow_facebook

236

তিনি দেশের প্রথম নারী প্রোগ্রামার

নিজের পরিচয় দেওয়ার সময় বলেন, প্রায় অবসরপ্রাপ্ত। ‘৪০ বছর তো করলাম, আর কত?’ তবে এখনো সফটওয়্যার তৈরির সঙ্গে যুক্ত আছেন তথ্যপ্রযুক্তিতে দেশের প্রথম নারী কর্মী শাহেদা মুস্তাফিজ। বর্তমানে সন্তানের সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানে উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করছেন। ৭ মার্চ রাজধানীর বনানীতে তাঁর কার্যালয়ে গিয়ে কথা হয় এই চার দশকের কর্মজীবন নিয়ে।

তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশের জন্য বর্তমান সময়টা চমৎকার। তবে চার দশক আগে কেমন ছিল? সে সময় হাতে গোনা কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। সেগুলো মূলত বিদেশে সফটওয়্যার রপ্তানি করত। কর্মীরা সব পুরুষ। সে সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার বিজ্ঞান পড়ানো হতো না। শাহেদা মুস্তাফিজ পড়াশোনা করেছেন অর্থনীতিতে। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের এনসিআর করপোরেশনে সফটওয়্যার আর্কিটেকচার নিয়ে এক বছরের প্রশিক্ষণ নেন। ১৯৭৬ সালে সে প্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশ শাখায় সিস্টেমস ম্যানেজার হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু। পরবর্তী সময় বাংলাদেশে এনসিআরের কার্যক্রম লিডস করপোরেশন কিনে নিলে লিডসে শুরু হয় তাঁর কাজ। দেশে ব্যাংকে অটোমেশন বা ব্যাংকিং সফটওয়্যার তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন শাহেদা।

প্রথমে এনসিআর ও পরে লিডসে ২২ বছর কাজ করে ১৯৯৮ সালে ইস্তফা দেন শাহেদা মুস্তাফিজ। এরপর কাজ শুরু করেন প্রবিতি সিস্টেমস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে। তাঁর এই প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ থেকে সফটওয়্যার রপ্তানিতে গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। এ ছাড়া তিনি কানাডার টোয়েন্টি-টোয়েন্টি টেকনোলজিস ইনকরপোরেটেডের বাংলাদেশ শাখায় ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং যুক্তরাষ্ট্রের ই-টেকলজিকস ইনকরপোরেটেডের বাংলাদেশ শাখায় নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেছেন। কাজের বাইরে তিনি শিশুদের জন্য এবং বিশেষ করে নারীদের জন্য কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিচালনা করেছেন।

৪০ বছর আগের সঙ্গে তুলনা করলে বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তিতে নারীদের অংশগ্রহণ বেড়েছে। তবে উল্লেখযোগ্য হারে না। শাহেদা মুস্তাফিজ মনে করেন, এর পেছনে একটা কারণ হলো নারীদের দুটো সমান্তরাল জীবন আছে, দুটোই গুরুত্বের সঙ্গে চালাতে হয়। তিনি বলেন, ‘৪০ বছর আগের সঙ্গে তুলনা করলে দেশ এখন অনেক এগিয়েছে। সব দিক দিয়েই এগিয়েছে। শুধু নারীদের কাজটা এখনো সেই আগের মতোই আছে। এখনো সন্তান-সংসারের পুরো দায়িত্ব নারীর একার। আমাদের কর্মজীবন আর পারিবারিক জীবনের মধ্যে ভারসাম্য করে চলতে হয়। আর কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের জন্য পুরোটা সময় এর ভেতরেই থাকতে হয়। আমাদের সমাজে এটা সব সময় সবার পক্ষে সম্ভব হয় না।’

প্রোগ্রামিংয়ে নারীরা কম আসে ঠিকই, তবে যারা আসে তারা কিন্তু আবার খুব ভালো কাজ করে বলে মন্তব্য করেন তিনি। জানান, ‘আমার দলে অনেক নারী কর্মী কাজ করেছেন। এই দলটা চমৎকার কাজ করত।’

আমাদের দেশে সেবা হিসেবে সফটওয়্যার শিল্পের যা কিছু বিকাশ হয়েছে, পণ্য হিসেবে তা হয়নি। অর্থাৎ কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন অনুযায়ী সফটওয়্যার বা তথ্যপ্রযুক্তি সেবা দেওয়ার রীতি আছে। কিন্তু কোনো প্রতিষ্ঠান যখন একটা সফটওয়্যার তৈরি করে বিভিন্ন জনের কাছে বিক্রি করতে যায়, তা পারে না। শাহেদা মুস্তাফিজ বলেন, ‘আমাদের দেশে সফটওয়্যারের বাজার সেভাবে তৈরি হয়নি। সফটওয়্যারের যে আলাদা দাম থাকতে পারে, তা-ই অনেকে বুঝতে চান না। আবার অনেক ক্ষেত্রে বিদেশ থেকে প্রচুর অর্থ খরচ করে সফটওয়্যার আমদানি ঠিকই করে, শুধু দেশি প্রতিষ্ঠানের সফটওয়্যারের মূল্য পরিশোধ করতে প্রতিষ্ঠানগুলোর যত আপত্তি। কিন্তু বুঝতে হবে তো একটা সফটওয়্যার তৈরির পেছনে কত পরিশ্রম থাকে, কত সময় লাগে।’

খুব শিগগিরই পূর্ণ অবসরে যেতে চান শাহেদা মুস্তাফিজ। তবে তার আগে হাসপাতাল অটোমেশন সফটওয়্যারের কাজ শেষ করতে চান। তিনি বলেন, ‘আমার জীবনে তাহলে দুটো অর্জন থাকবে। একটা ব্যাংক অটোমেশন সফটওয়্যার, আর দ্বিতীয়টা হাসপাতালের জন্য।’

Source: http://www.prothomalo.com/technology/article/1447236/%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A5%E0%A6%AE-%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0

237
Software Engineering / Alan Edelman to train Bangladeshi AI developers
« on: April 29, 2018, 05:25:27 PM »
Alan Edelman to train Bangladeshi AI developers

'Bangladeshi youths are very talented. They will show excellence if they are given proper mentorship and training program.'

Machine learning expert Alan Stuart Edelman will mentor Bangladeshi young programmers to develop new technologies through Artificial Intelligence (AI).

Edelman, father of the programming language Julia, is a professor of Applied Mathematics at the Massachusetts Institute of Technology (MIT) in the US.

He made a keynote presentation at a session titled “AI and Machine Learning” at BASIS SoftExpo at Bangabandhu International Conference Centre in Dhaka, according to a press release issued Saturday.

Edelman said: “The dependency on Google is not good for the young developers. They should focus on developing service and products from own innovations. Julia will support the developers to implement their innovation in programming.”

He focused on comparative feature between Google’s Tensor Flow and Ju.

He said: “Bangladeshi youth are very talented. They will show excellence if they are given proper mentorship and training program. MIT and Julia Computing will support local organizations in this regard.”

Mustafa Jabbar, the posts, telecommunications and information technology minister, was the chief guest at the program, which was moderated by former BASIS president Habibullah N Karim.

University of Asia Pacific Vice-Chancellor Prof Jamilur Reza Chowdhury and Mascagni senior expert Prof Samdani spoke at the panel discussion while BASIS President Syed Almas Kabir made the welcome address.

Jabbar said Prof Edelman’s Dhaka trip was a milestone for Bangladesh’s technology sector. “Bangladesh experienced a tremendous growth in the ICT industry in participation of people from all walks of lives. Youths lead the innovations here. They have interest in new technologies like Machine Learning.”

Prof Jamilur said the machine learning was not a new concept in the world, but some initiatives on artificial intelligence had started in Bangladesh only recently.

“We should focus on developing programming language in Bangla to make machine learning easier,” he added.

Prof Samdani said machine learning was the frontier of future technologies.

BASIS President Kabir informed the session that BASIS had engaged Prof Eledman as an adviser for development of the technology sector in Bangladesh.

Besides, there were held 11 sessions including – Women in ICT, Problem Solution through IoT, Going to Collaboration on the third day of the exposition.

Source: https://www.dhakatribune.com/technology/2018/02/25/alan-edelman-train-bangladeshi-ai-developers/

238
৪০ বছরের নীচে ১০ তরুণ গবেষক: তালিকায় বাংলাদেশি গবেষক ড. এহসান হক

প্রখ্যাত বিজ্ঞান ভিত্তিক ম্যাগাজিন সায়েন্স নিউজের ৪০ বছরের নীচের সেরা ১০ তরুণ গবেষকের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন বাঙালি তরুণ এহসান হক। এর আগে গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বখ্যাত কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয় ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) জার্নাল টেকনোলজি রিভিউ ঘোষিত ৩৫ বছরের কম বয়সী সেরা ৩৫ জন উদ্ভাবকের সম্মাননায় ভূষিত হয়েছিলেন তিনি।‘টিআর ৩৫’ নামের সে তালিকায় স্থান পাওয়া এ তরুন সম্প্রতি চলতি বছরের জন্য মধ্য ক্যারিয়ারে থাকা ৪০ বছরের নীচে কাজ করা সফল ১০ তরুণ গবেষকের তালিকায়ও জায়গা করে নিয়েছেন। গত দুই বছরের ধারাবাহিকতায় এ বছর তৃতীয়বারের মতো এ ধরনের তালিকা প্রকাশ করে ম্যাগাজিনটি। ‘এসএন ১০’ নামের এ তালিকায় মূলত সেই সব তরুণ গবেষকদের নাম যুক্ত করা হয়েছে, যারা ইতিমধ্যে গবেষণা ও নতুন উদ্ভাবনে নিজেদের সফলতা দেখাতে পেরেছেন এবং ভবিষ্যৎতের দারুন সব গবেষণাভিত্তিক উদ্ভাবনে নেতৃত্ব দিতে পারেন। এ তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে যুক্ত ছিলেন নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী এবং ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সের নির্বাচিত সদস্যরা।

এহসান হকের ধারাবাহিক এমন সাফল্যের বিষয়ে ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের উপাচার্য অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী বলেন,‘৪০ বছরের কম বয়সী তরুণ গবেষকদের মধ্যে এহসান হকের যুক্ত হওয়ার বিষয়টি বেশ উৎসাহজনক। তিনি এমন কিছু বিষয় নিয়ে কাজ করছেন যা আসলে বেশ নতুন। বিশেষ করে মানুষের চেহারা দেখে তার মানসিক অবস্থা নির্ণয় করা, এমন একটা ব্যবস্থা তৈরি করা যা আমাদের মুদ্রা দোষ, আমতা আমতা করা বা বক্তৃতা দেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়ার বিষয়গুলোর সহজ সমাধান দেবে। এ পদ্ধতিগুলো নিজেকে তৈরির ক্ষেত্রে বেশ সহায়তা করবে। আমরা বিশ্বাস তিনি এ ধরনের গবেষনায় আরো দারুন কিছু করবেন।’

নিজের সাম্প্রতিক কাজ সম্পর্কে এহসান হক জানান, অনেকেই কথা বলার সময় বা আলাপ করার সময় প্রচুর কথা বলতে থাকেন এবং ক্ষেত্রবিশেষে কাউকে বলার সুযোগও কম দেন! কম্পিউটার কি এ অবস্থাকে সহায়তা করতে পারে? এমন চিন্তা থেকে আমরা কোলাবোরেশন কোচ (কোকো) নামের একটি ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করছি যা স্বয়ংক্রিয় ভাবে একসাথে কথা বলা ব্যক্তিদের জানিয়ে দেবে কে কার কথায় বেশি বাধা দিচ্ছে বা কে বেশি কথা বলে অন্যকে বলার কম সুযোগ দিচ্ছেন। এটা মূলত কথা বলার ক্ষেত্রে সকলকে সমান সুযোগ দেওয়ার জন্য একটি ব্যবস্থা।

ক্যান্সার রোগীদের ক্যামোথেরাপির আরেকটি বিষয় নিয়েও কাজ করছেন উল্লেখ করে এহসান হক জানান, ক্যান্সার রোগী যারা লাস্ট স্টেজ বা চিকিৎসার শেষ পর্যায়ে থাকেন তারা চান শেষ সময়টা যতটা সম্ভব পরিবারের সাথে কাটাতে। কিন্তু সে সময়ে বেশির ভাগ সময় কাটাতে হয় হাসপাতালে বা ক্যামোথেরাপি দেয়ার কাজে। ২০০৮ সালে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মা হারানো এহসান বিষয়টি নিয়ে ভেবেছেন এবং নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সাথে যৌথভাবে কাজ করছেন কিভাবে এ পদ্ধতিটি পরিবর্তন করা যায়। খুব শিগগিরই পুরো বিষয়টি অ্যাফেক্টিভ কম্পিউটিং অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্ট ইন্টারঅ্যাকশন (এসিআইআই) নামের আন্তর্জাতিক ফোরামে প্রকাশ করা হবে।

গত বছর এমআইটির ‘টিআর ৩৫’ প্রকাশিত তালিকার যুক্ত হওয়া এহসান হক অনেকদিন ধরেই কাজ করছেন মানুষের কথা ও শারীরিক ভাষার গাণিতিক মডেল বের করে সেটাকে কাজে লাগানোর বিষয় নিয়ে।এর মাধ্যমে তৈরি যন্ত্রটি অটিজম বা ডাউন সিনড্রোমে আক্রান্তদের আলাপচারিতায়, চাকরিপ্রার্থীদের সাক্ষাৎকারের প্রস্তুতিতে, এমনকি বিতার্কিকদের তাঁদের বক্তৃতার ভুলগুলো সংশোধন করতে সহায়তা করবে। এরই মধ্যে বানানো হয়েছে একটি বিশেষ চশমা, যা বক্তৃতা দেওয়ার সময় বক্তাকে আরও সাবলীল হতে সাহায্য করে।

মূলত কাজটি হচ্ছে মাই অটোমেটেড কনভার্সেশন কোচ (মাক) এবং লাইভ ইন্টারঅ্যাকটিভ সোশ্যাল স্কিলস অ্যাসিসটেন্ট (লিসা) প্রোগ্রাম নিয়ে। এ দুটি প্রোগ্রাম  তাৎক্ষণিকভাবে বলে দিতে পারে একজন মানুষ কথার মধ্যে কতবার আমতা আমতা করেছেন বা কথা বলার ক্ষেত্রে আটকে গেছেন। এছাড়াও যন্ত্রটি বলতে পারবে কথা বলার সময় তার শারীরিক অঙ্গভঙ্গি স্বাভাবিক ছিল কিনা বা তার শব্দ প্রক্ষেপণ কী যথাযথ ছিল কিনা? এমআইটি মিডিয়া ল্যাবে কাজ করার সময় এহসান প্রথমে বানান মাক, যা এমআইটির শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকারে দক্ষতা বাড়াতে সাহায্য করে। পরে সেটিকে বিকশিত করে ভিন্নভাবে সক্ষম কিংবা অটিস্টিক ব্যক্তিদের সহায়তা করার জন্য তৈরি করেছেন লিসা।

এহসান হক বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব রসেস্টার’র সহকারী অধ্যাপক। ঢাকা কলেজে পড়াশোনা শেষে যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন তিনি। পরবর্তীতে ইউনিভার্সিটি অব মেমফিস থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর এবং এমআইটি থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেন।

এমআইটি ল্যাবে ২০০৮ সাল থেকেই মানুষের মুখাবয়ব ও কন্ঠ বিশ্লেষণ বিষয়ে গবেষণা শুরু করেন এহসান হক। পরবর্তীতে ওয়াল্ট ডিজনির গবেষণাগারে এমন এক স্বয়ংক্রিয় রোবট নিয়ে কাজ করেন যা দেখতে, শুনতে ও নিজের সিদ্ধান্ত নিতে পারে। ধারাবাহিক কাজের অংশ হিসেবে ২০১০ সালে আইবিএমের গবেষণাগারে বুদ্ধিমান বিজ্ঞাপন যন্ত্র তৈরি করেন যা পথে চলতে থাকা মানুষের গতিবিধি, বয়স, পরনের কাপড়ের রং ইত্যাদি বুঝে বিজ্ঞাপন করতে পারে!

Source: http://www.bigganprojukti.com/ehsanhoque/

239

১০০ বলের ক্রিকেট বাংলাদেশেই![/b]

তাঁদের হাত ধরে কত ইতিহাস রচিত হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেটে। বাংলাদেশের ক্রিকেটে নতুন এক ইতিহাস রচনার দায়িত্বও নিলেন তাঁরা। সাবেক ক্রিকেটারদের নিয়ে গত দুই বছর আয়োজন করা হচ্ছে ‘মাস্টার্স ক্রিকেট কার্নিভাল’। এবারও কক্সবাজারের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের দুই মাঠে আয়োজন করা হবে টুর্নামেন্টটি। মজার ব্যাপার হচ্ছে, এই টুর্নামেন্ট দিয়ে বাংলাদেশও ঢুকে পড়ছে ১০০ বলের ক্রিকেটের যুগে!

১৫টি স্বাভাবিক ওভার ও ১০ বলের ১৬ ওভারের নতুন এক ক্রিকেট চালু করতে চাইছে ইংল্যান্ড ও ওয়েলশ ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। ইংল্যান্ড যেটি ভাবছে, সেটিই দ্রুত বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের সাবেক ক্রিকেটাররা। আজ ওয়ালটন-স্ক্যান সিমেন্ট মাস্টার্স ক্রিকেট কার্নিভ্যালের প্লেয়ার্স ড্রাফটে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ, ‘এবার আমরা ১০০ বলের ম্যাচ খেলব। আশা করি, টুর্নামেন্টটা গত দুই বছরের মতো সফল হবে।’
কীভাবে হবে নতুন ধারার এই ক্রিকেট, সেটির একটা ধারণা দিলেন বাংলাদেশের আইসিসি ট্রফি জয়ী অধিনায়ক আকরাম খান, ‘এটা আমাদের কাছে নতুন একটা আইডিয়া। আমরা চেষ্টা করে দেখি, এটা কেমন। যদি মনে হয় এটা ভালো হচ্ছে, উত্তেজনা ছড়াচ্ছে, তাহলে ভবিষ্যতেও এটা হতে পারে। ১৫ ওভার স্বাভাবিক নিয়মেই হয়ে যাবে। শেষ ওভারের ১০ বল একজন বোলারই করবে।’

২ মে কক্সবাজারে শুরু ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক এই টুর্নামেন্টে এবার অংশ নেবে পাঁচ দল। বেক্সিমকো ঢাকা মাস্টার্স, সিক্সার্স সিলেট মাস্টার্স, আম্বার চট্টগ্রাম মাস্টার্স, রাজশাহী মাস্টার্স ও খুলনা মাস্টার্সের হয়ে অংশ নেবেন সাবেক ক্রিকেটাররা। পাঁচ দলের সবাই একে অপরের বিপক্ষে খেলবে লিগ পর্বে। সেরা দুই দল উন্নিত হবে ফাইনালে। টুর্নামেন্টের ফাইনাল ৫ মে। আয়োজকেরা জানিয়েছে, ম্যাচগুলো সরাসরি সম্প্রচার করবে চ্যানেল আই।

Source: http://www.prothomalo.com/sports/article/1476291/%E0%A7%A7%E0%A7%A6%E0%A7%A6-%E0%A6%AC%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%87

240
Thanks for sharing at this platform.

Pages: 1 ... 14 15 [16] 17 18 19