Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - nafees_research

Pages: 1 2 3 [4] 5 6 ... 17
46
হ্যাংআউটস বন্ধ করে দিচ্ছে গুগল

ভিডিও চ্যাট, মেসেজিং, এসএমএস ও ভিওআইপি ফিচার সংবলিত যোগাযোগের প্লাটফর্ম হ্যাংআউটস বন্ধ করতে যাচ্ছে গুগল। ২০২০ সালের কোনো এক সময় সেবাটি বন্ধ করা হতে পারে। গুগলের পণ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে সিনেট।

২০১৩ সালে জিচ্যাটের পরিবর্তে হ্যাংআউটস প্লাটফর্ম চালু করেছিল গুগল। এরপর দীর্ঘদিন অ্যাপটির আর কোনো হালনাগাদ দেয়নি প্রতিষ্ঠানটি। যে কারণে গ্রাহক সম্পৃক্ততা হারায় হ্যাংআউটস। এছাড়া অ্যাপটি থেকে এসএমএস মেসেজিং সেবাও আলাদা করে ফেলেছে কর্তৃপক্ষ। তবে হ্যাংআউটস এখনো ওয়েব সংস্করণের জিমেইলে গুরুত্বপূর্ণ চ্যাট সুবিধা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এমনকি প্লেস্টোরেও এখনো অ্যাপটি রয়েছে।

৯টু৫গুগলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইন্টারনেটভিত্তিক যোগাযোগ প্লাটফর্ম হিসেবে গুরুত্ব হারিয়েছে হ্যাংআউটস। দীর্ঘদিন হালনাগাদ না দেয়ায় এতে বড় ধরনের সফটওয়্যার ত্রুটি রয়েছে এবং এর পারফরম্যান্সও ভালো নয়।

Source: http://bonikbarta.net/bangla/news/2018-12-03/178823/%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%86%E0%A6%89%E0%A6%9F%E0%A6%B8-%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7-%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A6%B2/

47
ফোর্বসের সেরা তালিকায় বাংলাদেশি দুই তরুণ

বিশ্বখ্যাত সাময়িকী ফোর্বস-এর ত্রিশের নিচে ত্রিশ (৩০ আন্ডার ৩০) দুটি বিভাগে দুজন বাংলাদেশি তরুণ এবার স্থান পেয়েছেন। সদ্য প্রকাশিত ফোর্বস-এর ৩০ আন্ডার ৩০: ২০১৯ তালিকার শক্তি (এনার্জি) বিভাগে স্থান পেয়েছেন ভার্ড টু গোর প্রতিষ্ঠাতা ২৮ বছর বয়সী সানি সানওয়ার এবং বিজ্ঞান বিভাগে রয়েছেন ২৯ বছর বয়সী বিজ্ঞানী জি এম মাহমুদ আরিফ পাভেল।

সানি সানওয়ার লিথিয়াম-পলিমার ব্যাটারি প্যাক তৈরি করে সেটি বাণিজ্যিকভাবে সরবরাহ করেন তাঁর যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ভার্ড টু গোর মাধ্যমে। কার্বন নিঃসরণ না করে বড় আকারের বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরি করা যায় সানির এই উদ্ভাবনী প্রকল্প থেকে। জি এম মাহমুদ আরিফ পাভেল গবেষণা করেন মানবদেহের আয়ন চ্যানেল নিয়ে। এই আয়ন চ্যানেলে সমস্যা হলে কিডনিতেও সমস্যা হয়। পাভেলের গবেষণা এ সমস্যা দূর করতে ভূমিকা রাখবে।
২০০৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কেনেডি-লুগার এক্সচেঞ্জ স্টুডেন্ট কর্মসূচির মাধ্যমে সানি সানওয়ার যখন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যানসাস সিটিতে যান তখন তাঁর বয়স ছিল ১৫। বাংলাদেশে তখন তিনি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে অষ্টম শ্রেণিতে পড়তেন। যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে দ্বাদশ শ্রেণিতে ভর্তির সুযোগ পেলেন। তাই মাত্র ১৯ বছর বয়সে যন্ত্র প্রকৌশলে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন সানি। ২২ বছর বয়সে তিনি লিথিয়াম-পলিমার ব্যাটারি প্যাক তৈরি করেন। দ্রুতই এই ব্যাটারি প্যাকের বিদ্যুৎ উৎপাদন ১ কিলোওয়াট থেকে ১ মেগাওয়াটে উন্নীত করেন। ২০১৬ সালে ২০ লাখ মার্কিন ডলারে সানির এই ব্যাটারি উদ্যোগ কিনে নেয় এভারগোনিক্স।
যোগাযোগ করা হলে সানি সানওয়ার ই-মেইলে প্রথম আলোকে জানান, এই বিভাগে সাধারণত ৩০ বছরের কম বয়সী উদ্ভাবক, আবিষ্কারক বা কোনো প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতাকে স্থান দেন, যাঁরা কমপক্ষে ১ মিলিয়ন ডলারের তহবিল সংগ্রহ করতে পারেন।
এর আগে এই তালিকায় ফেসবুকের মার্ক জাকারবার্গ, স্ন্যাপচ্যাটের ইভান স্পিগেলের মতো বিশ্বখ্যাত উদ্যোক্তারা স্থান পেয়েছেন। নিজের প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে সানি বলেন, ‘ভার্ড টু গোর মূল লক্ষ্যই হলো কার্বন নিঃসরণকারী বিদ্যুৎ শক্তির ব্যবহার কমিয়ে নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার প্রতিষ্ঠা করা। এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কিছু শহরে লিথিয়াম-পলিমার ব্যাটারি দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। ঢাকায় নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ নিয়ে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনাও শুরু করেছি।’
সানি সানওয়ার ক্যানসাস সিটির মিজৌরি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় উদ্যোগ ও উদ্ভাবন বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। সানির জন্ম ঢাকায় হলেও তাঁদের বাড়ি রাজশাহীতে। তাঁর বাবা সারওয়ার আজমও একজন যন্ত্র প্রকৌশলী। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে কর্নেল হিসেবে অবসর নেন। নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কামরুন নাহার সানির মা। সানি সানওয়ার এখন মিজৌরি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতাও করছেন। সানি ২০১৬ সালে এসিএস হেইঞ্জ ভন ফোয়েস্টার পুরস্কার অর্জন করেছেন।
ফোর্বস তালিকার বিজ্ঞানে স্থান পাওয়া জি এম মাহমুদ আরিফ পাভেল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জিনবিজ্ঞানে স্নাতক হওয়ার পর বৃত্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা করতে যান। নিউইয়র্কের সেন্ট জন্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। পাভেল এখন যুক্তরাষ্ট্রের স্ক্রিপস রিসার্চে পোস্ট ডক্টরাল সহযোগী হিসেবে কাজ করছেন যুক্তরাষ্ট্রে।
বংশগত কিডনি রোগের তেমন কোনো চিকিৎসা নেই। তবে পাভেলদের গবেষণায় দেখা গেছে, মানবদেহের আয়ন চ্যানেলের বৈশিষ্ট্যে যদি সঠিকভাবে পরিবর্তন আনা যায়, তবে এ রকম কিডনি রোগের চিকিৎসায় সুফল পাওয়া যেতে পারে। এই আয়ন চ্যানেলকে ‘জীবনের মৌলিক সেন্সর’ বলছেন এই বিজ্ঞানীরা। পাভেলের গবেষণা কিডনি রোগ এবং অস্ত্রোপচারের সময় অবেদন (অ্যানেসথেসিয়া) প্রক্রিয়াকে আরও নিরাপদ করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জি এম মাহমুদ আরিফ পাভেল যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার জুপিটার থেকে ই-মেইলে প্রথম আলোকে জানান, ‘আমার চেয়েও অনেক মেধাবী বাংলাদেশি বিজ্ঞানী রয়েছেন। আমার বয়স ৩০ বছরের কম বলে এ তালিকায় স্থান পেয়েছি। বিশ্বখ্যাত দুই বিজ্ঞানী ইয়ং য়ু এবং স্কট হ্যানসেনের সঙ্গে এই গবেষণা করেছি, এটাই বড় পাওয়া।’

Source: https://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1566497/%E0%A6%AB%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF-%E0%A6%A6%E0%A7%81%E0%A6%87-%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A3?fbclid=IwAR0yJ5xuuQclk4IOED11MAsHglMkHX7RLkHbIjemZUFy9Z4VpFZEcQoExtw

48
Forbes এর সেরা বিজ্ঞানীর তালিকায় বাংলাদেশি পাভেল

বিশ্বখ্যাত ফোর্বস সাময়িকীর ২০১৯ সালের তালিকায় গবেষণায় সেরা ৩০ বছরের কম বয়সী ৩০ জনের মধ্যে (থার্টি আন্ডার থার্টি) এক বাংলাদেশিও রয়েছেন। এই বায়োলজিস্টের নাম জি এম মাহমুদ আরিফ পাভেল। বয়স ২৯ বছর। তার নাম রয়েছে তালিকার প্রথমেই।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক করার পর নিউইয়র্কের সেন্ট জোন্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর পিএইচডি করেছেন। মানব শরীরের আয়োন চ্যানেল নিয়ে গবেষণা করছেন পাভেল। এই চ্যানেলকে ‘ফান্ডামেন্টাল সেন্সর্স অব লাইফ’ অভিহিত করে তা অ্যানেসথেসিয়াসহ অটোসমাল পলিসিসটিক কিডনি রোগের চিকিৎসায় নবদিগন্তের সূচনা ঘটাতে পারে বলে মনে করছেন পাভেল।



উল্লেখ্য, মাহমুদ পাভেল বর্তমানে পোস্ট ডক্টরাল অ্যাসোসিয়েট হিসেবে ‘স্ক্রিপস রিসার্চ’-এ কাজ করছেন।

আমেরিকায় ৩০ বছরের কম বয়সী তরুণ-তরুণীরা মানবকল্যাণে গবেষণা-উদ্ভাবনে অবদান রাখছেন। তাদের মধ্য থেকেই ৩০ জনকে সম্মানিত করার উদ্দেশ্যে অন্য বছরের মতো এবারও তালিকা সংগ্রহের উদ্যোগ নেয় ফোর্বস। কয়েক হাজার মেধাবীর তালিকা পায় তারা। এরপর ৪ বিচারকের মাধ্যমে সবকিছু পর্যবেক্ষণ, যাচাই-বাছাইয়ের মধ্য দিয়ে গত শুক্রবার প্রকাশ করা হয়েছে  সেই সেরা মেধাবী বিজ্ঞানীদের তালিকা। একইভাবে গণমাধ্যম, সংগীত, ব্যবসা, আর্ট, শিক্ষা, জ্বালানিসহ ২০ ক্যাটাগরির তালিকাও প্রকাশ করেছে ম্যাগাজিনটি। গত ৮ বছর থেকেই এমন তালিকা প্রকাশ পাচ্ছে।

আমেরিকা অঞ্চলের সেরা ৩০ বিজ্ঞানীর তালিকা দক্ষিণ এশিয়ান বংশোদ্ভূতদের মধ্যে আরও রয়েছেন মেঘালি চুপরা (২৯), হাসিনী জয়তিলকা (২৯), নাসরিন মোস্তফা (২৮), মৈত্র রাঘু (২৭), দেবাকি রাজ (২৮), গীতাঞ্জলি রাও (১২)।

Source: http://www.bd-pratidin.com/saturday-morning/2018/11/24/378239

49
স্বচালিত গাড়ি সম্ভব নয়: ওজনিয়াক

প্রথম স্বচালিত গাড়িটা অ্যাপলই বানাবে, এক সময় এমনটাই আশা করতেন মার্কিন টেক জায়ান্টটির সহ-প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ ওজনিয়াক।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি-কে এ কথা বলেন ‘ওজ’ নামে পরিচিত এই মার্কিন প্রকৌশলী ও বিনিয়োগকারী। তিনি আরও বলেন, “আমি স্বচালিত গাড়িতে বিশ্বাস করি না।” এক্ষেত্রে “আমি আসলেই বিশ্বাস করি না যে এটি সম্ভব” যে গাড়িগুলো কোনো স্টিয়ারিং হুইল ছাড়া নিজেরাই নিজেদের চালাতে সক্ষম হবে।”

ওজনিয়াক বলেন, রাস্তাগুলো স্বচালিত গাড়ির জন্য প্রস্তুত নয় এর কারণ হচ্ছে এগুলো “ত্রুটিপূর্ণ” মানুষের বানানো, যারা “প্রকৃতি ও গণিত আর এমনকি বিবর্তনের মতো এত ভালো নয়।” তবে গাড়ি চালনার ক্ষেত্রে “সহযোগী” যে প্রযুক্তির জন্য গাড়িগুলো এখন লাল আলো ও থামতে বলার নির্দেশনা শনাক্ত করতে ও কিছু দুর্ঘটনা এড়াতে পারে তার উন্নতি সমর্থন করেন তিনি।

কিন্তু তিনি সতর্ক করে বলেন, “মানুষের এই বিষয়টি থেকে নজর সরানো উচিৎ নয় যে আপনি এমন কোনো গাড়ি পাবেন না যা নিজে নিজে চলবে।”

ওজনিয়াক নিজেই বৈদ্যুতিক ও স্বচালিত গাড়ি ব্র্যান্ড টেসলার একটি গাড়ির মালিক। এটি চালানো তিনি উপভোগ করেন বললেও এর তথাকথিত অটোপাইলট ফিচার আসলেই স্বচালিত নয় বলে মত তার।

“টেসলা অনেক ভুল করে”- এমন মন্তব্য করলেও এ ভুলগুলো কেমন তা নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি ওজনিয়াক। তিনি বলেন, “আমার কাছে সত্যিই তাই মনে হয় যে অটোপাইলটিং বা অটো স্টিয়ারিং গাড়ি নিজেই চলছে এমনটা হতে যাচ্ছে না।”

ওজনিয়াক বলেন, তিনি তার টেসলা গাড়িটি উন্নত করতে কাজ করছিলেন আর স্বচালিত গাড়ির ধারণা থেকে “হাল ছেড়ে দিয়েছেন”। “এটি সত্যিই হতে যাচ্ছে না” বলে ফের মন্তব্য তার।

ওজনিয়াক-এর এই সাক্ষাৎকারের পর সংবাদমাধ্যমটির পক্ষ থেকে টেসলার কাছে মন্তব্য চেয়ে অনুরোধ করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে মার্কিন এই প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

Source: https://bangla.bdnews24.com/tech/article1560890.bdnews

50
Blockchain / Re: The promise of FinTech for Bangladesh
« on: November 15, 2018, 11:00:01 AM »
For any innovation in technology, security always becomes a concern. It depends, how well you can manage.

51
টেকনাফ সোলারটেক এনার্জি উৎপাদনে

পরিবেশ দূষণ এড়াতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে জোর দিচ্ছে যখন বিশ্বের সবাই; তখন বাংলাদেশও পিছিয়ে নেই। বাংলাদেশের এই যাত্রায় বড় ভূমিকা রাখতে এসেছে টেকনাফ সোলারটেক এনার্জি লিমিটেড।

বাংলাদেশে সৌর বিদ্যুত খাতে প্রথম আইপিপি কোম্পানি হিসেবে ইতোমধ্যে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করেছে টেকনাফ সোলারটেক এনার্জি। ২৮ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার এই কেন্দ্রটি দেশের প্রথম বড় সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র।

 বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের ২০ মাসের মধ্যেই উৎপাদনে এসেছে টেকনাফ সোলারটেক এনার্জি।

২০ বছরের চুক্তি অনুযায়ী, সুর্যের আলোর সময় টেকনাফ সোলারটেক এনার্জি থেকে ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনবে পিডিবি।

টেকনাফ সোলারটেক এনার্জির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুহের লতিফ খান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতা করায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বিদ্যুৎ বিভাগ ও পিডিবিকে ধন্যবাদ।

“বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নে নবায়নযোগ্য জ্বালানির আরও প্রকল্পে ভবিষ্যতে সংযুক্ত থাকতে পারলে ধন্য হব।”

মধ্যম আয়ের দেশ থেকে বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করতে বিদ্যুতের মহাপরিকল্পনা নিয়ে এগুচ্ছে সরকার।

এর আওতায় ২০২১ সালের মধ্যে ২৪ হাজার মেগাওয়াট, ২০৩০ সালের মধ্যে ৪০ হাজার মেগাওয়াট এবং ২০৪১ সালের মধ্যে ৬০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে।

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় মোট বিদ্যুতের মধ্যে ১০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে উৎপাদনের লক্ষ্য রয়েছে।


নতুন সৌর আইপিপি কেন্দ্র চালু হওয়াকে ’খুবই ভালো’ বলে মন্তব্য করছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ।
তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “নতুন এ কেন্দ্রটি চালু হয়েছে এটা খুবই ভালো। এটা খুবই দ্রুত হয়েছে।”

গত বছরের অক্টোবরে জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে বাংলাদেশের প্রথম সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিন মেগাওয়াট ক্ষমতার ‘এনগ্রিন সরিষাবাড়ী সোলার প্ল্যান্ট লিমিটেড’ নামের ওই কেন্দ্রে জমি দিয়েছে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। বিনিয়োগ করেছে জার্মানির আইএফই এরিকসেন এজি, বাংলাদেশের কনকর্ড প্রগতি কনসোর্টিয়াম লিমিটেড ও জুপিটার এনার্জি লিমিটেড।

দেশের বিভিন্নস্থানে সৌরভিত্তিক ৫৫৭ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতার ১০টি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণাধীন। নির্মাণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে ৫৮০ মেগাওয়াট ক্ষমতার আরও নয়টি কেন্দ্র।  এছাড়া ২১৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার তিনটি সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন পরিকল্পনাধীন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় ১০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন সম্ভব হবে কি না- এ প্রশ্নের উত্তরে আবুল কালাম আজাদ বলেন, “আমরা খুবই আশাবাদী। আগ্রাসী পরিকল্পনা নিয়ে আমরা অগ্রসর হচ্ছি।”

তেল, কয়লা ও অন্যান্য জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে গিয়ে পরিবেশের দূষণ হওয়ার নবায়নযোগ্য জ্বালানির গুরুত্ব বাড়ছে বিশ্বজুড়ে।

টেকনাফ সোলারটেক এনার্জি নির্মাণ করা হয়েছে উপজেলার হ্নীলায় ১১৬ একর জমির উপর। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয়েছে বলে কোম্পানির তরফ থেকে বলা হয়েছে।

কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুহের লতিফ খান উদীয়মান ব্যবসায়ী হিসাবে এর আগে শিরোনামে এসেছিলেন; যিনি মাত্র ২১ বছর বয়সে দেশ এনার্জি নামে একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র গড়ে তোলেন।

Source: https://bangla.bdnews24.com/business/article1541152.bdnews?fbclid=IwAR1c9McDtm_7BLgKai97NVLYtqgxulkQz2f6E8gfL8_QDZzV5sQJxC0BBmY

52
বাংলাদেশে বিনিয়োগ করবে স্যামসাং-এলজি

বাংলাদেশের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার কূটনৈতিক সম্পর্ক শুরু হয়েছে সেই ১৯৭৫ সালে। তখন থেকে এ দুই দেশের সম্পর্ক কখনো অবনতি হয়নি। বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা, বাণিজ্য, সামরিক ও শিক্ষা খাতে পারস্পারিক সহযোগিতাও বরবরই উচ্চ পর্যায়ের। এবার সেই সম্পর্ক আরও বাড়াতে স্যামসাং ও এলজির মত ১৫০টি কোম্পানিকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে বলা হয়েছে।

বর্তমানে দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশে ৩ হাজার পন্য কোনো রকম ট্যাক্স ছাড়াই প্রবেশ করাতে পারে। বাংলাদেশও পণ্য ও শ্রমিক রপ্তানিতে অগ্রাধিকার পায়। দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশে পাওয়া সুযোগ বরাবরই কাজে লাগিয়েছে। ইদানিং বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি দেখে তারা নতুন করে বিনিয়োগের চিন্তা করছে বলে জানা গেছে।

দেশটির ট্রেড-ইনভেস্টমেন্ট প্রোমোশন এজেন্সি বুধবার জানিয়েছে, তারা বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, প্রকৌশল, অবকাঠামো, খাদ্য-প্রক্রিয়াজাত এবং ইলেকট্রনিক্স খাতে নতুন করে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তারা বলছে, গত ছয় বছর বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৬ থেকে ৭ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। তাতে বাংলাদেশ উন্নয়নের পথে এগোচ্ছে এ জন্য কোরিয়ার বড় বড় কোম্পানি বিনিয়োগ করতে চায়।

স্যামসাং ও এলজির মত ১৫০টি কোম্পানি বাংলাদেশে বিনিয়োগ করবে উল্লেখ করে কোরিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (কেবিসিসিআই) মুখপত্র জং উন কিম বলেন, ‘আমাদের সরকার থেকেই ওই কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য বলা হয়েছে।’

দক্ষিণ কোরিয়ার ঢাকা মিশনের ডেপুটি চিপ ডং-জং লি বলেন, দুই দেশের মধ্যে যে ব্যবসায়িক দূরত্ব আছে সেটা কমাতে তাদের দেশ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

কেবিসিসিআইয়ের নেতা সাহাব উদ্দিন খান জানান, কোরিয়া বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক্স পন্য, অটোমোবাইল মেশিনারিসহ বিভিন্ন খাতে যে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা আমাদের দেশের জন্য বিরাট সুযোগ।

তিনি বলেন, এলজি ও স্যামসাং তো ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের বাজার দখল করেছে। আরও আসছে কিআ, হুনদাই, সাংইয়ং মোটরসের মত বিশ্ববিখ্যাত কোরিয়ান কোম্পানি।

Source: http://www.bangla.24livenewspaper.com/bangladesh/32689-samsung-lg-to-invest-in-bangladesh?fbclid=IwAR2nYTB6dMTmXjWABQysgf0gSazYEAqoFEDfz2PeLNrr_LWvoCLlmuPeM_s

53
বাংলাদেশে চালু হচ্ছে রাশিয়ার ব্যাংক

বাংলাদেশে শিগগিরই রাশিয়ার বাণিজ্যিক একটি ব্যাংক চালু হতে যাচ্ছে। এরই মধ্যে সম্ভাব্য ব্যাংকের নামও প্রস্তাব করেছে দেশটি। তা হচ্ছে ‘স্পুটনিক ব্যাংক’।

দুই দেশের সরকার, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে চূড়ান্ত আলোচনা ও সমঝোতা চুক্তির পরপরই ব্যাংকটি কার্যক্রমে আসবে। এটি চালু হলে আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকার লেনদেন নির্বিঘ্নে করা সম্ভব হবে। তবে লেনদেনের মাধ্যম টাকা, রুবল না ডলার হবে-সেটি এখনও ঠিক হয়নি।

বাণিজ্যিক, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক ও কারিগরি সহায়তা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গড়া বাংলাদেশ-রাশিয়া আন্তঃসরকার কমিশনের প্রথম বৈঠকের কার্যপত্র পর্যালোচনা করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

শুধু ব্যাংক লেনদেনের সুরাহাই নয়, বিদ্যুৎ, জ্বালানি, বাণিজ্য, বিজ্ঞান, কারিগরি ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে সহায়তা, সরাসরি বিমান ও সমুদ্রপথে যোগাযোগ এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির দ্বারও উন্মোচিত হতে যাচ্ছে দুই দেশের মধ্যে। প্রথম বৈঠকে এসব বিষয়ে একমত হওয়ার পর এখন বাস্তবে রূপ দেয়ার কলাকৌশল নির্ধারণে বসতে যাচ্ছেন আন্তঃসরকার কমিশন প্রতিনিধিরা। রাশিয়ার মস্কোয় আজ থেকে শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী এই (দ্বিতীয়) বৈঠক।

এতে যোগ দিতে আন্তঃসরকার কমিশনের বাংলাদেশ কো-চেয়ার ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব শফিকুল আযমের নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের দল রোববার মস্কোয় পৌঁছেছে।

সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন কমনওয়েলথ অব ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্টেটস-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিআইএস-বিসিসিআই) সভাপতি মো. হাবীব উল্লাহ ডন ও ঢাকায় রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার আই ইগ্নাটভ, গ্যাজপ্রমের বাংলাদেশ প্রতিনিধি অনিরুদ্ধ কুমার রায়।

সূত্রমতে, দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্কোন্নয়নের ক্ষেত্র তৈরির জন্য যে ধরনের পরিবেশ তৈরি করা দরকার সেটাই এ বৈঠক থেকে নিশ্চিত করা হবে। আর এ বিষয়ে বাংলাদেশের মতো রাশিয়া সরকারেরও আগ্রহের কমতি নেই। যে কারণে এই আন্তঃসরকার কমিশন গঠন হয়েছে এবং প্রতিবছর অন্তত একবার বৈঠক আহ্বানের বিধান রাখা হয়েছে। গত বছরের ১ মার্চ মন্ত্রী পর্যায়ে চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে এ কমিশন যাত্রা করে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার আই ইগ্নাটভ বলেন, মস্কো-ঢাকার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বিশেষ করে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের ভিত আরও মজবুত করতে ব্যাংকিং চ্যানেল স্থাপনে জোর দেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশে শিগগিরই রাশিয়ার ব্যাংক চালু হবে।

তিনি আরও বলেন, রাশিয়া বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে সাহায্য করতে অত্যন্ত আগ্রহী। প্রায় ১১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে নির্মাণাধীন পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র তারই উদাহরণ। তবে সম্ভাবনার সদ্ব্যবহার করতে হলে দু’দেশের বেসরকারি খাতকেও একসঙ্গে কাজ করতে হবে। এ ছাড়া বাণিজ্য সম্প্রসারণে কার্গোসহ এয়ার কানেক্টিভিটি ও সরাসরি সমুদ্র পথে যোগাযোগ স্থাপনেও রাশিয়া সরকারের আগ্রহের কথা জানান তিনি।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, ভৌগোলিক দূরত্ব, সরাসরি যাতায়াতে প্রতিবন্ধকতা, শুল্ক সংক্রান্ত জটিলতা এবং ব্যাংক সুবিধা না থাকা সত্ত্বেও ২৬ বছরে দেশটিতে রফতানি বেড়েছে প্রায় ২০ গুণ। আমদানি বেড়েছে এর চেয়েও বেশি, ৫৩ গুণ। এর মধ্যে বর্তমান সরকারের ১০ বছরেই রফতানির পরিমাণ সোয়া ১১ গুণ এবং আমদানি দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে।

জানতে চাইলে সিআইএস-বিসিসিআই সভাপতি মো. হাবীব উল্লাহ ডন যুগান্তরকে বলেন, রাশিয়া ও সিআইএসভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে যেভাবে ব্যবসা করা উচিত সেভাবে আমরা পারি না। তা করতে পারলে দু’দেশের বাণিজ্য অনন্য উচ্চতায় পৌঁছাত। না পারার কারণ দেশটির সঙ্গে আমাদের সরাসরি ব্যাংক লেনদেন সুবিধা নেই।

ফলে তৃতীয় দেশ অর্থাৎ হংকংয়ের মাধ্যমে আমদানি-রফতানি হয়। সেখানে অর্থ বিনিময় করা হয় টেলিগ্রাফিক ট্রান্সফারের (টিটি) মাধ্যমে। এতে আস্থা-অনাস্থার বিষয় থাকে। এ বাধার কারণে রাশিয়ার সম্ভাবনার বাজার দখল করছে মিয়ানমার ও ভারত।

ইইউর ব্যবসায়ীরা মধ্যস্বত্বভোগীর সুবিধা নিচ্ছে। ফলে বাংলাদেশে রাশিয়ার ব্যাংকিং সিষ্টেম চালুর কোনো বিকল্প ছিল না। এর গুরুত্ব অনুধাবন করেই আমরা রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের কাছে প্রথম দাবিটি করি।

এক প্রশ্নে ডন বলেন, রাশিয়া আমাদেরকে স্পুটনিক ব্যাংকের কার্যক্রম চালু করার কথা বলেছে। তবে লেনদেনের মাধ্যম রুবল না টাকা হবে সেটি এখনও ঠিক হয়নি। আমরা চেয়েছি টাকাই। আর তারা রুবল। এখন আলোচনার মাধ্যমেই তা ঠিক হবে বলে বিশ্বাস করি।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ মাসুকুর রহমান সিকদার এ প্রসঙ্গে যুগান্তরকে জানান, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বাড়াতে রাশিয়ার সঙ্গে সরাসরি ব্যাংক লেনদেন চালু করার আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়েছে। এ লক্ষ্যে অনেক আগেই একটি কোর গ্রুপ গঠন করা হয়।

দুই দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতিনিধিরা এ বিষয়ে পর্যালোচনা করে দেখছে। রাশিয়া সরকারও ইতিমধ্যেই ব্যাংক প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সম্মতি দিয়েছে। পাশাপাশি বাণিজ্য-বিনিয়োগ ও কারিগরি সহায়তাসহ দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্কোন্নয়নে আন্তঃসরকার কমিশন কাজ করছে। ভবিষ্যতে এর ইতিবাচক ফলাফল অবশ্যই পাওয়া যাবে।

১৯৯১-৯২ অর্থবছরে রাশিয়ায় রফতানির পরিমাণ ছিল ২ কোটি ৬৯ লাখ মার্কিন ডলার এবং আমদানি ১ কোটি ১৮ লাখ ডলার। সেটা ২০১৩-২০১৪ অর্থবছরে বেড়ে রফতানি দাঁড়ায় ২৮ কোটি ৩৩ লাখ ডলার এবং আমদানি ২৮ কোটি ৬৪ লাখ ডলার, যা ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এসে রফতানি ৪৮ কোটি ৫২ লাখ ডলার এবং আমদানি ৬২ কোটি ৮৬ লাখ ডলারে উন্নীত হয়েছে।

Source: https://www.jugantor.com/todays-paper/last-page/103440/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87-%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%81-%E0%A6%B9%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%95?fbclid=IwAR3-jJscol92vAWAJeDPqtmh-7AB-emCN6f8ekCodJD2lNfCAAHlujGn0rY

54
বাজারে এসেছে গুগলের নতুন ‘কর্ম অ্যাপ’


সম্প্রতি একটি নতুন অ্যাপ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে নতুন ফিচারের ‘কর্ম অ্যাপ’। মূলত ছোট ছোট কাজ সহজে খুঁজে পেতে এবং দরকারি দক্ষতা উন্নয়নে নতুন ফিচার যুক্ত হচ্ছে ‘কর্ম’ অ্যাপে। ২০১৭ সালের দিকে এটি মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও কিছু টেস্টিং সমস্যার কারণে এর উদ্বোধন এক বছর পিছিয়ে গেছে। গুগলের স্টার্টআপ তৈরির প্রকল্প ‘এরিয়া ১২০-এর’ অধীনে অ্যাপটি তৈরির কাজ হয়েছে। বিকি রাসেলের অধীনস্থ এই প্রকল্পের তিনজন সদস্য বাংলাদেশি। 

অ্যাপটি মেশিন লার্নিং ব্যবহার করে ‘বেস্ট ম্যাচ’ মডেলিংয়ে সমতা বজায় রেখে চাকরিপ্রার্থীর সঙ্গে গ্রহণযোগ্য চাকরির সংযোগ করে দেবে। এটি চাকরিপ্রার্থী ও নিয়োগদাতা উভয়ের জন্যই টু-ওয়ে রেটিং সিস্টেম।

অ্যাপটি ডাউনলোড করে গেস্ট হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। তবে এটি ব্যক্তিগত ব্যবহার ও নিজের উপযোগী প্রোফাইল তৈরি করতে ফোন নম্বর বা গুগল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে হবে। এতে নিজের দক্ষতা যুক্ত করার সুযোগ রয়েছে। অ্যাপে জব ডিসকভারি পেজ, জব কার্ড ফিচার থাকবে।

অ্যাপটির বাংলা সংস্করণও রয়েছে। অ্যাপটি ব্যবহারকারীদের দক্ষতা উন্নয়নে নানা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবেন। ভবিষ্যতে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কাজ করবে কর্ম।

গুগল ও কর্ম অ্যাপটির বিপণন কর্মকর্তা জেস বেয়ার্ন বলেন, “দেশে তরুণদের সঠিক চাকরি মেলানোর প্ল্যাটফর্ম এটি। এর সঙ্গে প্রচলিত চাকরির সাইটের কিছু পার্থক্য রয়েছে। এটি অ্যাপের মাধ্যমে খণ্ডকালীন চাকরি ও দরকারি কাজের খোঁজ পাবে।”

গুগল প্লে স্টোর থেকে অ্যাপটি ডাউনলোড করা যাবে।
Source: http://bangla.fintechbd.com/2018/10/23/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%9B%E0%A7%87-%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8/?fbclid=IwAR29QiU-3XGSMmRBi-bjfvSrTb4gBgpO0mZf28GcS5M61GshA2RbY4fNv2g

55
অস্ট্রেলিয়ায় IT বাজার আর আমাদের সম্ভাবনা

সময়টা ২০১৪, একযুগেরও বেশি সময়ের ক্যারিয়ার বিসর্জন দিয়ে তল্পিতল্পা গুছিয়ে পাড়ি জমালাম সুদূর অস্ট্রেলিয়া। প্লেনটা যখন সিডনি এয়ারপোর্টে নামলো, তখন থেকে আমি হয়ে গেলাম এক জীবন্ত কারেন্সী কনভার্টার। কি এক আজব দেশ, এককাপ কফির দাম ২৪০ টাকা !মনে মনে ভাবলাম, তিন/চার মাসে যদি কোনো চাকরি না পাই তাহলে হয়তো না খেয়ে মরতে হবে অথবা আবার দেশে ব্যাক করতে হবে। ধীরে ধীরে পরিচয় হলো আরো অনেক দেশি ভাই এর সাথে, শুনলাম তাদের IT চাকরি পাওয়ার করুন সংগ্রামের কাহিনী। কেউ কেউ পরামর্শ দিলো সিকিউরিটি বা এধরনের কোন জবের ট্রেনিং নেয়ার জন্য। কিন্তু এতদিনের অভিজ্ঞতটা আর স্বপ্ন, কোনটা বিসর্জন দিয়ে সম্পূর্ণ একটা ভিন্ন প্রফেশনে যাওয়ায় মন সায় দিচ্ছিলনা। পরদিন থেকে নেমে পড়লাম চাকরির সন্ধানে, ৭২০ টা জব এপ্লাই করলাম ১৭ দিনে, কল পেলাম ৪টা আর ইন্টারভিউ দিলাম ২টা। ১৮ দিনের মাথায় শুরু হলো আমার নতুন অধ্যায়।

একটা কনসাল্টেন্সি ফার্মে চাকরি পেলাম। দু রুম এর ছোট্ট একটা অফিস, মন কোনো ভাবে টেকেনা – দেশে তো হাজার গুন ভালো ছিলাম, কেন যে মরতে আসলাম এই বিদেশ বিভুঁইয়ে! যাইহোক দমলামনা, চোখকান খোলা রাখলাম। আমার আলটিমেট স্বপ্ন একটা টেক পাইওনিয়ার এর সাথে কাজ করবো। সেই স্বপ্ন পূরণ হলো এক বছরের মাথায়, চাকরি পেলাম আমাজনে।

এই চার বছরে একটা জিনিস বিশেষ ভাবে লক্ষ্য করলাম – অষ্ট্রেলিয়ায় কোম্পানি গুলো নতুন টেকনোলজি এডোপশন এ অনেক এগিয়ে। সাম্প্রতিক cloudscorecard রিপোর্টে অস্ট্রেলিয়ার অবস্থান পাঁচ নম্বরে। চার পাঁচ বছর আগেও কোম্পানি গুলো নিজস্ব ডাটাসেন্টার বিল্ডিংয়ে ইনভেস্ট করছিলো, আর এখন ডিমান্ড বেসিসে ক্লাউড বেসড টেকনোলজি ইউজ করা নিউ নরমাল। এটাকে তুলনা করা যায় ইলেকট্রিসিটি ইউজ করার মতো, যেখানে আপনি বিল পে করেন শুধু মাত্র ইউসেজ এর জন্য। বিগত কয়েক বছরে অস্ট্রেলিয়াতে একটা রেডিক্যাল টেকনোলজি শিফট লক্ষ্য করলাম। কোম্পানিগুলো এখানে অনেক ওপেন নতুন আইডিয়া বা ভিন্ন প্রসেস ফলো করতে। এই “change acceptance mentality” অনেক নতুন চাকরির বাজার উন্মোচন করলো। প্রথম যখন Cloud computing নিয়ে কথা শুরু হলো সবাই ভাবতো “চাকুরীটা মনে হয় এবার গেলো” অথবা “এইটা শুধু ছোট খাটো কোম্পানির জন্য”। ধীরে ধীরে সবাই বুঝলো যে ইলেকট্রিসিটি ইউজ করার জন্য যেমন ঘরে ঘরে “quick rental power plant” বসানোর দরকার নেই তেমনি টেকনোলজি ইউজ করার জন্য মিলিয়ন ডলার খরচ করে ডাটাসেন্টার বানানোরও দরকার নেই।

তা যাই হোক, নতুন চাকরির বাজার তো তৈরী হলো, কিন্তু এইখানে IT ইন্ডাস্ট্রিতে লোকাল ট্যালেন্ট এর অনেক অভাব। এবং সচরাচর যা হয় , সেই সুযোগটা আবারো কাজে লাগলো আমাদের প্রতিবেশী দেশ। আর অপরদিকে আমরা বাংলাদেশিরা হতাশ হয়ে অন্য ক্যারিয়ার এ শিফট হচ্ছি। কিছু জিনিস খুব জরুরি IT ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকার জন্য। যেমনঃ

প্যাশনেট হওয়া
এই গুনটা আসলে সব ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। বিশেষত IT ইন্ডাস্ট্রিতে। এই ইন্ডাস্ট্রিতে প্রতিটা মুহূর্তে নতুন কিছুর আগমন হচ্ছে। আপনার যদি নতুন কিছু শেখার আগ্রহ না থাকে অথবা চেঞ্জ একসেপ্ট করার মানসিকতা না থাকে, খুব সম্ভবতো IT ক্যারিয়ার আপনার জন্য উপযুক্ত না।

টেকনোলজি ট্রেন্ড সম্পর্কে সচেতন থাকা
যখন CD আবিষ্কার হয়, সবাই বলতো শত বছরের ডাটা প্রটেকশন এর জন্য এর চেয়ে আধুনিক কিছু নাই। আর এখন এই বেপারটা ইতিহাস! টেকনোলজি নিউজ পড়া , LinkedIn এ টেকলোজি লিডারদের ফলো করা, meetup এ জয়েন করা, ইত্যাদি, এই প্রাকটিস গুলো ট্রেন্ড বুঝতে খুব সহযোগিতা করে। আর বিশেষ করে Sydney, Melbourne এ টেক জায়ান্টদের ইভেন্ট খুব ফ্রিকুয়েন্টলি হয়। এই ইভেন্ট গুলোতে অন্য টেকনোলজি এক্সপার্ট দের সাথে নেটওয়ার্কিং করার বিশাল একটা সুযোগ থাকে। IT ইন্ডাস্ট্রিতে একটা জিনিস খুব জরুরি, তা হলো – আপনি যা জানেন তা খুব ভালো ভাবেই জানেন এবং সেটা অন্যকে জানাতেও আপনি পারদর্শী।

দীর্ঘ মেয়াদী চিন্তা করা
স্বল্পমেয়াদী চিন্তা করা, সবসময় শর্টকাট খোঁজা বাঙালির শতবছরের সমস্যা !! এই দোষে আমিও দূষি। IT ইন্ডাস্ট্রিতে আমরা ইন্টারন্যাশনাল সার্টিফিকেশন গুলোর পেছনে দৌড়াই শুধু মাত্র সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য। এর ফল আমরা পাই যখন আমরা ইন্টারভিউ ফেস করি। সার্টিফিকেশন খুব জরুরী, এই সার্টিফিকেশন প্রোগ্রাম কোম্পানি গুলো বানায় একটা এক্সপার্ট টেকনিক্যাল কমিউনিটি গ্রো করার জন্য, আর আমরা শুধু খুঁজি Question Set, যাতে মুখস্ত করে পাশ করা যায়। এই attitude টা খুব খারাপ ইম্ম্প্রেশন ক্রিয়েট করে যখন একজন চাকরি প্রার্থী গাদা গাদা সার্টিফিকেট নিয়ে যায় কিন্তু ইন্টারভিউতে সফল হতে পারেনা।

অন্যকে উৎসাহ দেয়া আর নিজের অজ্ঞতায় লজ্জা না পাওয়া
গত সাড়ে চার বছরে এটা আমার সবচেয়ে বড় শিক্ষা। একটা সময় ছিল, আমি ইমেইল লিখতে ভয় পেতাম। কারণ কিছুনা কিছু ভুল থাকতো ইমেইলে আর আমার বস অলওয়েজ বেপারটার সমালোচনা করতো। মানুষ মনের জোরে অনেক কিছু করতে পারে আর উৎসাহ মনের জোর বাড়ায়। এখন যে খুব ভালো ইংরেজী লিখি তা কিন্তু না, কিন্তু এখানে বসদের কাছ থেকে এই এটিটিউড পাইনাই কখনো। বরং পেয়েছি উৎসাহ, যেটা কনফিডেন্টস আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। ইংরেজী ভাষায় দেশি কাউকে কথা বলতে দেখলে বাঁকা চোখে দেখা আর ভুল ধরাটা আমাদের কমন অভ্যাস। আসলে ভাষা হলো যোগাযোগের মাধ্যম, অপরপক্ষের বোঝা নিয়ে কথা – কঠিন কঠিন ওয়ার্ড ইউজ করা আর ১০০% শুদ্ধ ব্যাকরণ প্রয়োগ কিন্তু মুখ্য না। এই ক্রিটিসিজমটা বাদ না দিলে বাঙালীর বিশ্ববাজারে বোল খুলতে আরো সময় লাগবে। আমাদের প্রতিবেশী দেশ এই প্রব্লেমটা ওভারকাম করেছে বলেই বিশ্ববাজারে ওদের এতো একসেপ্টেন্স। এই টেক ইন্ডাস্ট্রিতে জানার কোনো শেষ নাই, প্রতিদিন এতো টেলেন্টেড কলিগদের ভিড়ে নিজেকে কিছুক্ষনের জন্য হলেও বলদ মনে হয়, মনে হয় কিছুই জানি না। আর একটা জিনিস শিখলাম – না জানলে অকপটে শিকার করা আর জানার চেষ্টা করা। তাই নিজের অজ্ঞতায় লজ্জা পেয়ে বসে না থেকে শর্টকামিং একসেপ্ট করা আর শেখার চেষ্টা করাটা IT ইন্ডাস্ট্রিতে একটা sustainable ক্যারিয়ার গড়তে খুব জরুরী ।

পড়া, পড়া এবং বেশি বেশি পড়া
IT ইন্ডাস্ট্রিতে একটানা পড়ার কোনো বিকল্প নাই। সপ্তাহে অন্তত নতুন একটা টপিক পড়ার অভ্যাস আপনাকে সাহায্য করবে নিজের স্কিল গ্যাপ আইডেন্টিফাই করতে এবং পরিকল্পনা করতে নিজেকে তৈরি করার – লেটেস্ট ট্রেন্ড এর সাথে এডজাস্ট করার জন্য।

বের্থতায় হার না মানা
আমরা যারা মাইগ্রেশন নিয়ে এই দেশে আসি, আমারদের জন্য বেপারটা অনেক কঠিন হয় শুরুতে এই দেশে। প্রত্যেকে আমরা দেশে একটা সলিড ক্যারিয়ার সেক্রিফাইস করে এখানে আসি আর অনেকে হতাশ হয়ে পড়ি সামান্য ব্যর্থতায়। আমি জানি এই সিচুয়েশনটা হ্যান্ডেল করা অনেক কঠিন, কারণ আমিও একই সিচুয়েশন পার করেছি। এই সময়ে নিজের উপর বিশ্বাস রাখুন, IT ক্যারিয়ার বাদ দেয়ার চিন্তা মাথা থেকে ছাড়ুন, ধর্য্য ধরুন আর চেষ্টা করে যান – নিশ্চিত উৎরে যাবেন।

যাইহোক, অনেক জ্ঞান দিলাম, এই ইস্যু গুলোতে আমি নিজেও কাজ করছি নিজের ইমপ্রুভমেন্ট এর জন্য। অনেকেই হয়তো রিসেন্টলি মাইগ্রেট করেছেন অথবা নতুন অপর্চুনিটির খোঁজ করছেন অস্ট্রেলিয়াতে। তাই যদি হয়, তাহলে এখনই উপযুক্ত সময় নিজেকে আগামী বছরের চাকরির বাজারের জন্য তৈরি করার। হাতে আছে ৪ মাস, নিজেকে তৈরি করুন কোনো একটা ডিমান্ডিং সেগমেন্টের জন্য। আর আমার বিশ্বাস ২০১৯ সালে নিম্নক্ত স্কিল গুলোর ডিমান্ড বাড়বে।

১. ক্লাউড মাইগ্রেশন স্পেশালিস্ট
ক্লাউড টেকনোলজি এখন আর ইভ্যালুশন এর পর্যায়ে নাই, এখন কোম্পানী গুলো প্ল্যান করছে ঠিক কখন তারা ক্লাউড এ মাইগ্রেট করবে। এই ক্ষেত্রে অনেক কোম্পানির স্কীলড লোক দরকার হবে যারা মাইগ্রেশন মেথডোলজি গুলো ভালো বোঝে, আর যাদের ক্লাউড সার্ভিস নিয়ে হ্যান্ডসঅন এক্সপেরিয়েন্স আছে (যেমন আমাজন ওয়েব সার্ভিস এ কাজ করার অভিজ্ঞতা)।

২. কন্টেইনার স্পেশালিস্ট
একটা সময় ছিল, আমার ফিজিক্যাল সার্ভার ইউজ করতাম আলাদা আলাদা সার্ভিস হোস্ট করার জন্য। তারপর আসলো ভার্চুয়ালইজেশন। আর এখন কোম্পানি গুলো ঝুঁকছে Containerization এ। আমার বিশ্বাস, কেও যদি Kubernetes এ দক্ষ হয় তার চাকরির অভাব হবেনা (অন্তত ২০১৯ সালে) । এ ব্যাপারে আমি বাজি ধরতেও রাজি!!

৩. আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স – মেশিন লার্নিং স্পেশালিস্ট
যত দিন যাচ্ছে ভার্চুয়ালাইজেশন, মাইক্রো সার্ভিস আর্কিটেকচার বেপার গুলো বেসিক আন্ডারস্ট্যান্ডিং হয়ে যাচ্ছে। কোম্পানি গুলোও এই টেকনোলজি গুলোতে মাচুরর্ড হচ্ছে। আর এই পরিস্থিতি নতুন রিকুয়ারমেন্ট তৈরি করছে। সবাই এখন এনগেজমেন্ট প্লাটফর্ম বানাতে আগ্রহী। আর তার জন্য দরকার আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স/ মেশিন লার্নিং এ দক্ষতা। এখন একটা মোবাইল এপ্লিকেশন ডেভেলপারও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স / মেশিন লার্নিং ফীচার যোগ করছে ওদের সফটওয়্যার এ। অন্যদিকে সারা দুনিয়া একটা স্কিল ক্রাইসিস এ আছে এই সেগমেন্ট এ। আপনি যদি এই বিষয়ে দক্ষ হতে চান, ৪ মাস খুবই কম সময়। এ ব্যাপারে দক্ষ হতে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এবং মেশিন লার্নিং এর উপর ইউনিভার্সিটির কোর্স গুলো আপনাকে সাহায্য করবে।

৪. মাইক্রোসার্ভিসেস স্পেশালিস্ট
Monolithic এপ্লিকেশন বানানোর যুগ সেই কবেই শেষ। এখন কোম্পানি গুলো ফোকাস করছে highly available, resilient, fault tolerant এপ্লিকেশন ডিজানের। মাইক্রোসার্ভিসেস আর্কিটেকচার এই ডিজাইন রিকুয়ারমেন্ট গুলো পূরণ করতে পারে। শিখে ফেলুন কিভাবে এপ্লিকেশন ডিজাইন করা যায় মাইক্রোসার্ভিসেস আর্কিটেকচার ফলো করে।

আশাকরি আমার সীমিত জ্ঞানের ভাবনা গুলো কারো কারো কাজে লাগবে। শুভকামনা রইলো সকল কঠোর পরিশ্রমী আর প্যাশনেট IT প্রফেশনালদের জন্য।

মাসুদুর রহমান সায়েম
সলিউশন আর্কিটেক্ট
সিডনি, অস্ট্রেলিয়া।

Source: http://www.proshantika.com/%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC-it-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%B0/?fbclid=IwAR0TZLBzEzSiJC53VPi2bateus80vDESfy4m3JcskqfsBtMooMf7HV_3vQ4

56
বিশ্বের সেরা উদ্ভাবনী বিশ্ববিদ্যালয়গুলো

উদ্ভাবনীতে সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষেই আছে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ বছর বিশ্বের সেরা ১০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি তালিকা করেছে। বিজ্ঞান, তথ্যপ্রযুক্তি, যোগাযোগপ্রযুক্তি, গবেষণা ও উদ্ভাবনী কাজে গবেষণার ভিত্তিতে এ তালিকা করা হয়েছে। বিশ্বের সেরা উদ্ভাবনী বিশ্ববিদ্যালয় নামের এ তালিকায় শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়।

চার বছর ধরে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় উদ্ভাবনীতে সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষেই আছে। বিশ্বের সেরা উদ্ভাবনী বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে অ্যাডভান্স সায়েন্স, নতুন ধারার প্রযুক্তির সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া, শিক্ষার্থীদের সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার শিক্ষা কারিকুলাম প্রণয়নের কাজ চালিয়ে যাওয়ায় সবচেয়ে এগিয়ে আছে যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়।

সম্প্রতি স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তাদের গবেষণার ক্ষেত্র বাড়িয়ে চলেছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ক্যামেরা প্রযুক্তি, চালকবিহীন গাড়ি এবং অসুস্থ হলে মানুষকে কী পরিমাণ ওষুধ সেবন করতে হতে পারে—এমন নানান উদ্ভাবনী ব্যাপারে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে।

রয়টার্সের র‍্যাঙ্কিংয়ে এশিয়ার দেশগুলো এবং যুক্তরাজ্যের চেয়ে এগিয়ে আছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তালিকায় মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ের জয়জয়কার। ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি) দ্বিতীয়, হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি তৃতীয় স্থানে আছে। ২০১৮ সালের আগের তিন বছরে এই তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় সেরা তিনে ছিল। দ্য ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়া আছে চারে। এ নিয়ে দ্বিতীয়বার যুক্তরাষ্ট্রের এই বিশ্ববিদ্যালয়টি র‍্যাঙ্কিংয়ে জায়গা করে নিল। সেরা পাঁচ ও ছয়ে আছে মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়। পাঁচে দ্য ইউনিভার্সিটি অব ওয়াশিংটন আর ছয়ে দ্য ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস। দ্য ইউনিভার্সিটি অব ওয়াশিংটন গতবারের চেয়ে এবার দুধাপ এগিয়েছে।

সেরা সাতে বেলজিয়ামের ক্যাথলিক ইউনিভার্সিটি লুভেন। র‍্যাঙ্ক অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে সেরায় প্রথম ক্যাথলিক ইউনিভার্সিটি লুভেন। ইমপিরিয়াল কলেজ লন্ডন, ইউনিভার্সিটি অব নর্থ ক্যারোলাইনা চ্যাপেল হিল এবং ভ্যানডারবিল্ট ইউনিভার্সিটি আছে যথাক্রমে আট, নয় ও দশে।

রয়টার্সের উদ্ভাবনী বিশ্ববিদ্যালয়ের সেরা দশের আটটি বিশ্ববিদ্যালয় গতবার সেরা দশে ছিল।

এবারের তালিকায় সবচেয়ে এগিয়েছে ইউনিভার্সিটি অব ম্যানচেস্টার। বিশ্ববিদ্যালয়টি ২৭ ধাপ এগিয়েছে। গতবারের তালিকার ৮০-তে থাকা এই বিশ্ববিদ্যালয় এবার ৫৩-তে উঠে এসেছে। শক্তিশালী পদার্থ নিয়ে নিয়মিত গবেষণার কারণে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের এ উল্লম্ফন।

এশিয়ার মান রক্ষা জাপান-কোরিয়ায়
সেরা ১০-এর তালিকায় আমেরিকা ও ইউরোপের সংখ্যা বেশি থাকলেও জায়গা করে নিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া, চীন ও জাপান। এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো জায়গা করে নিয়েছে গবেষণা ও উদ্ভাবনীতে মূল লক্ষ্য নির্ধারণ করায়।

সর্বেসর্বা যুক্তরাষ্ট্র
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দিন দিন গবেষণা ও উদ্ভাবনী কাজে প্রচুর ডলার ব্যয়ের ফল হাতেনাতেই পাচ্ছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিজ্ঞানী, গবেষকেরা বিশ্বকে এগিয়ে নিতে নতুন নতুন কাজ করে যাচ্ছেন। তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে।

দেশ হিসেবে জার্মানি ও জাপান আছে দ্বিতীয় স্থানে। এ দুটি দেশের নয়টি করে বিশ্ববিদ্যালয় তালিকায় আছে। দক্ষিণ কোরিয়ার আটটি, চীন, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের আছে ৫টি করে। সুইজারল্যান্ডের আছে ৩টি, বেলজিয়াম, কানাডা, ইসরায়েল, নেদারল্যান্ডসের দুটি করে।

অঞ্চলের ভিত্তিতে জরিপের দিকে তাকালে উদ্ভাবনী সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় উত্তর আমেরিকা থেকে সবচেয়ে বেশি বিশ্ববিদ্যালয় জায়গা করে নিয়েছে। ১০০ টির মধ্য ৪৮টি উত্তর আমেরিকা (যুক্তরাষ্ট্র ৪৬, কানাডা ২) থেকে। ইউরোপ থেকে ২৭, এশিয়া থেকে ২৩ এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে দুটি বিশ্ববিদ্যালয় আছে। আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা এবং ওশেনিয়া অঞ্চল থেকে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় তালিকায় জায়গা করে নিতে পারেনি। তথ্যসূত্র: ইকোনমিক টাইমস।

Source: https://www.prothomalo.com/international/article/1561324/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%89%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%80-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%B2%E0%A7%8B

57
Sustainable Development / SDGs: Three years on, where do we stand?
« on: September 24, 2018, 04:46:01 PM »
SDGs: Three years on, where do we stand?

Fahmida Khatun

The leaders of 193 countries adopted the Sustainable Development Goals on September 25, 2015 following a long spell of extensive discussions and debates. Also known as the 2030 Agenda, the SDGs rest on three pillars—economic, social and environmental—so that development is sustainable, inclusive and holistic. At the heart of 17 goals and 169 targets of the SDGs is the principle of leaving no one behind, that is reaching out to each and everyone who is deprived.

The 5P's—people, prosperity, planet, partnership and peace—are the focus of the 2030 Agenda. Considering their breadth and depth, the SDGs have been termed as transformational, comprehensive, bold and ambitious. For example, as opposed to the earlier Millennium Development Goals that were implemented during 2000–2015, the SDGs call for eradication of poverty, abolition of hunger, elimination of all types of discrimination and establishment of equality everywhere.

At the time of the commitments made by the member states of the United Nations, there was skepticism. There were criticisms too. Was all this merely lip service and rhetoric? Moreover, the SDGs were not considered to be perfect and good enough to tackle the myriad problems the world is facing today.



Three years on, what has been the progress on the SDG front? In July 2018, 47 countries presented their voluntary national reviews to the High Level Political Forum. Such reporting indicates the enthusiasm among countries and attempts taken at the national level towards SDG implementation. This is somewhat of an indication of the momentum created at the country level, even though progress is not the same across countries. For example, poverty reduction measures are not adequate yet. And at the current rate of poverty reduction efforts, particularly in Sub-Sahara and South Asia, the world will not be able to end poverty in all its forms everywhere. Similar outcomes may be experienced in case of other goals as well.

The pace of progress can be accelerated by strengthening partnerships at the national and global levels. SDG 17 provides a range of means of implementation for achieving the targets. Achievement of the other SDGs is intrinsically attached to the achievement in SDG 17. At the national level, the government has to call upon the participation of all stakeholders including the private sector, non-government organisations, civil society, grassroots level organisations, various rights groups, and the media in the process of achieving the SDGs. Such a concept is new to many countries that do not believe in people's participation in the development process.

While some momentum is being observed at the country level, commitment to partnership at the international level is still inadequate. In addition to current challenges of rebouncing the global economy back from the economic meltdown a decade ago, protectionist policies and mounting geopolitical tensions are some emerging threats to human civilisation today. The massive agenda of SDG implementation requires finance, investment, trade, technology and capacity building. Developed countries are committed to provide 0.7 percent of their gross national income as overseas development assistance (ODA). However, only five countries—Denmark, Luxembourg, Norway, Sweden and the UK—could fulfil the UN benchmark in providing ODA in 2017. But the global average ODA disbursement was only 0.31 percent of GNI of the developed countries. The requirement for SDG implementation is enormous; it jumped from the initial billions of dollars per year to trillions. Annual investment requirement is USD 5-7 trillion for achieving the SDGs that include basic infrastructure, food security, climate change mitigation and adaptation, health, and education. According to United Nations Conference on Trade and Development, annual investment is currently only USD 1.4 trillion in developing countries.

The other support is through increased cross-border trade. With the moribund state of the World Trade Organization the prospect of receiving trade benefits such as duty-free quota-free market access for and technology transfer to the Least Developed Countries through the multilateral trading system has faded away. Except for the European Union and a handful of developed and developing countries, LDCs are not being able to enter the markets of developed countries at zero or low tariffs. Foreign direct investment is another way to help the LDCs and developing countries in fulfilling their targets of SDGs. In addition to creating opportunities for employment and income, FDI can also help transfer of technology. However, various regulatory limitations in both provider and receiving countries stand in the way. In 2017 FDI to LDCs declined by 11 percent compared to 2016.



So how are the SDGs going to be achieved by 2030? During 2000-2015, the world was able to significantly reduce poverty—much of which is of course due to the reduction of poverty in China itself. Some progress was also made in case of social indicators including gender parity in education and health. However, at present the weakest link of development is the inability of countries to reduce inequality. SDG 10 on eradication of inequality is the most difficult task at a time when the world is observing higher inequality than ever before. The distribution of wealth is concentrated among only a few fortunate people. Much of such resource accumulation through unfair means is being supported by the state itself. These clear cases of weak institutions and lack of governance are linked to SDG 16 that spells out the agenda for good governance, peace, justice, etc. Indeed achievement of all the other SDGs stands on fulfilment of the targets of SDG 16.

Therefore, if the business-as-usual approach continues, the hype about the SDGs will be gradually lost. Being non-binding in nature, the SDGs are in the hands of the goodwill of countries. One only hopes such goodwill turns into passion to make the world livable for everyone.

Source: https://www.thedailystar.net/opinion/macro-mirror/news/sdgs-three-years-where-do-we-stand-1637539

58
গুগলের ১৩ টি সফটওয়্যার যা আপনার জীবনকে সহজ করে তুলবে

প্রযুক্তি প্রতিনিয়ত আমাদের জীবনকে অনেক সহজ করে তুলছে। আমরা যেখানেই যাই, স্মার্টফোন দেখতে পাই, বিভিন্ন ধরনের যন্ত্র দেখতে পাই। বর্তমান যুগে সবকিছুর জন্যেই সফটওয়্যার আছে। সামাজিক যোগাযোগের জন্যে, বাজার করার জন্যে, ভালোবাসা খোঁজার জন্যেও সফটওয়্যার আছে, এমনকি ঘুমানোর প্যাটার্ন পরিবর্তন করার জন্যেও সফটওয়্যার আছে। কিন্তু আমরা কি জানি, কোন সফটওয়্যারগুলো আমাদের ব্যবহার করা উচিত আর কোন সফটওয়্যারগুলো ব্যবহার করা উচিত নয়? চলুন, আজকে আমরা গুগলের ১৩ টি সফটওয়্যার সম্পর্কে জানার চেষ্টা করবো, যেগুলো ব্যবহার করে আমরা আমাদের জীবনকে আরো সহজ ও সুন্দর করে তুলতে পারবো।




অ্যালো  (Allo)
অ্যালো, গুগলের একটি চ্যাটিং সফটওয়্যার, যেটা শুধুমাত্র এন্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্যেই তৈরী করা হয়েছে। বেশিরভাগ এন্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরাই থার্ড পার্টি মেসেঞ্জার সফটওয়্যার ব্যবহার করে থাকেন, যদিও অ্যালো ঐসব মেসেঞ্জার থেকে কয়েক ধাপ এগিয়ে। অ্যালোর একটি ফিচার হচ্ছে, আপনি সফটওয়্যারটির উপর যেকোনো স্থানে স্পর্শ করেই সরাসরি চ্যাট করতে পারবেন কিংবা কথা বলতে পারবেন, যা চ্যাটিংকে আরো বেশি দ্রুত করে তুলেছে। এই সফটওয়্যারেই আপনি যেকোনো ছবি এডিট করে বন্ধুদের কাছে সরাসরি পাঠাতে পারবেন।

গুগল টাইমার (Google Timer)
গুগলের আরেকটি অসাধারণ সফটওয়্যার হচ্ছে, গুগল টাইমার। গুগল টাইমারের মাধ্যমে আপনি গুগল ক্রোম ব্রাউজারের দ্বারা আপনার ফোনে কিংবা ল্যাপটপে এলার্ম এডিট করতে পারবেন। ইউটিউব থেকে যেকোনো গান এলার্ম রিংটোন হিসেবে সেট করতে পারবেন। আপনি চাইলে কোনো ধরনের ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই, গুগল টাইমার ব্যবহার করতে পারবেন।

জিমেইলফাই (Gmailify)
আপনার যদি একের অধিক জিমেইল একাউন্ট থেকে থাকে এবং বারবার ভিন্ন ভিন্ন একাউন্টে লগইন এবং লগআউট করাটা ঝামেলার এবং বিরক্তিকর মনে হয়, তাহলে ব্যবহার করতে পারেন জিমেইলিফাই। এই অসাধারণ সফটওয়্যারটি আপনার সকল ইমেইল এড্রেসকে একত্রিত করে একটি একাউন্টের ইনবক্সে অন্তর্ভুক্ত করে, যার ফলে আপনি একটি আইডি থেকেই অনেকগুলো জিমেইল একাউন্ট এক্সেস করতে পারবেন।

গুগল কিপ (Google Keep)
গুগল কিপ হচ্ছে তাদের জন্যে যারা প্রতিনিয়ত লিস্ট তৈরি করতে থাকেন। সফটওয়্যারটির মাধ্যমে আপনি অসাধারণ ডিজাইনের রঙিন লিস্ট তৈরি করতে পারবেন। চাইলে সেগুলোতে রিমাইন্ডার হিসেবে এলার্মও সেট করতে রাখতে পারবেন।গুগল কিপে যে ফিচারগুলো আছে তা হলো কালার কোডিং নোট, ছবি রাখা, লিস্ট তৈরি করা, জিওফেন্সিং, নোট শেয়ার করা ও রঙের মাধ্যমে খোঁজা।

গুগল ফন্টস (Google Fonts)
সাইটের ডিজাইনের পাশাপাশি, ওয়েব ফন্ট, সাইটের কনভার্সেশন রেট বাড়ায়। এ কারণে অনেকেই থিমের ডিফল্ট ফন্টের পরিবর্তে কাস্টম ফন্ট ব্যবহার করেন। গুগল ফন্ট ওয়েব ডিজাইনার এবং ওয়েব ডেভেলপারদের জন্যে ফন্টের এক বিশাল সংরক্ষণাগার তৈরি করে রেখেছে। আপনি চাইলে যেকোনো রঙের, ডিজাইনের ও আকার-আকৃতির ফন্ট এই সফটওয়্যারে পাবেন।

প্যানোরামিয়ো (Panoramio)
প্যানোরামিয়ো হচ্ছে গুগলের একটি সামাজিক যোগাযোগের সফটওয়্যার, যার মাধ্যমে আপনি আপনার বন্ধুদের সাথে বিভিন্ন ছবি এবং ভিডিও আদানপ্রদান করতে পারবেন। এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন ধরনের কপিরাইটেড ছবি সরাসরি ক্রয় করতে পারবেন।

গুগল সাউন্ড সার্চ (Google Sound Search)
কখনো কোথাও একটা গান শুনেছেন কিন্তু এটার নাম জানেন না? গুগল সাউন্ড সার্চ সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে, সেখানে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন আপনার কাঙ্ক্ষিত গানের নাম।

থিংক উইথ গুগল (Think With Google)
থিংক উইথ গুগল মূলত মার্কেটারদের জন্যে তৈরী করা হয়েছে। এই সফটওয়্যারটির মাধ্যমে মার্কেটাররা, মার্কেটিং ট্রেন্ড এবং ক্রেতা ও বিভিন্ন কোম্পানির বাজারজাতকরণ তথ্য সম্পর্কে ধারনা পাবেন।

গুগল ট্রান্সলেট (Google Translate)
গুগল ট্রান্সলেট সফটওয়্যারটির মাধ্যমে আপনি যেকোনো জায়গা থেকে যেকোনো টেক্সট কিংবা ছবি যেকোনো ভাষায় অনুবাদ করতে পারবেন। মূলত সফটওয়্যারটি পর্যটকদের জন্যে অনেক বেশি উপকারী। শীঘ্রই এই সফটওয়্যারে যুক্ত হচ্ছে নিউরাল মেশিন ট্রান্সলেটর। নিউরাল মেশিন পদ্ধতি হচ্ছে মানুষের ভাষা, কম্পিউটারকে শেখানোর পদ্ধতি।

গুগল স্ক্রিন সার্চ (Google Screen Search)
গুগল স্ক্রিন সার্চ সফটওয়্যারটি মূলত তাদের জন্যে তৈরী করা হয়েছে, যারা শিখতে পছন্দ করে। এই সফটওয়্যারটির মাধ্যমে আপনি স্ক্রিনে যা পড়ছেন, সেই কন্টেন্ট এর সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য পাবেন। মূলত সফটওয়্যারটি শিক্ষার্থী এবং গবেষকদের জন্যে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

গুগল আর্ট প্রজেক্ট (Google Art Project)
যারা প্রকৃতি এবং আর্ট পছন্দ করেন তাদের জন্যেই এই সফটওয়্যারটি। সফটওয়্যারে আপনি বিভিন্ন বিখ্যাত আর্টগুলো দেখতে পারবেন এবং সেগুলো সম্পর্কে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে পারবেন। গুগল আর্ট প্রজেক্ট ব্যবহার করে বিশ্বের বড় সব জাদুঘরের বিখ্যাত ছবিগুলোর হাই রেজ্যুলেশন ভার্সন পাওয়া সম্ভব।

বিল্ড উইথ ক্রোম (Build With Chrome)
এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে আপনি যেকোনো স্থানে বসে লেগো গেম খেলতে পারবেন।

গুগল স্কাই (Google Sky)
গুগল স্কাই মানচিত্রে নক্ষত্রপুঞ্জ, ছায়াপথ, গ্রহ এবং পৃথিবীর চাঁদ সহ মহাজাগতিক বস্তু দেখতে পারবেন। অর্থাৎ, এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে আপনি মহাকাশের বাইরের বিষয়বস্তু দেখতে পারবেন। আপনার স্মার্টফোন থেকেই সরাসরি দেখতে পারবেন মিল্কি ওয়ে গ্যালাক্সি এবং জানতে পারবেন জ্যোতির্বিদ্যা সংক্রান্ত অনেক তথ্য।

Source: http://youthcarnival.com/thirteen-google-apps-that-can-simplify-your-life/

59
টর নেটওয়ার্ক: ইন্টারনেটে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা যেখানে

টর (TOR) হচ্ছে The Onion Router এর সংক্ষিপ্ত রূপ। ‘Onion’ শব্দটির অর্থ হচ্ছে পেঁয়াজ। মজার ব্যাপার হল, পেঁয়াজের গঠনের সাথে এই নেটওয়ার্কের গঠন একেবারেই মিলে যায়। পেঁয়াজে যেভাবে একের পর এক স্তর থাকে, তেমনি থাকে এই নেটওয়ার্কেও! এখানে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা প্রদান করে ব্যবহারকারীর তথ্য এনক্রিপ্ট করা হয়।

সহজ করে বলতে গেলে, টর হলো একটি নেটওয়ার্ক, যা একজন ব্যবহারকারীকে ইন্টারনেটে অজ্ঞাত পরিচয়ে থাকতে সহায়তা করে। টর নেটওয়ার্ক মূলত ‘অনিয়ন রাউটিং’ নীতির উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছিল। এই নেটওয়ার্কের বিকাশ ঘটে ১৯৯০ এর দশকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নৌ গবেষণা পরীক্ষাগারে।

টর নেটওয়ার্কের গঠন
যখন আপনার ডাটা টর নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে ঠিক তখনই এটি একটি এনক্রিপ্টেড প্যাকেটে প্রবেশ করে। ডাটা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার সাথে সাথেই টর প্রেরকের প্রায় সকল পরিচয় মুছে দেয় (কিন্তু সাধারণ ইন্টারনেট কানেকশন সেটা করে না)। পরবর্তী ধাপে টর ডেটার গন্তব্য সংক্রান্ত তথ্যকেও এনক্রিপ্ট করে ফেলে। টর কাজ করে ‘অনিয়ন রাউটিং’ পদ্ধতির মাধ্যমে। এই পদ্ধতিতে ব্যবহারকারীর তথ্য প্রথমে এনক্রিপ্টেড হয় এবং তার পরেই  নেটওয়ার্কের বিভিন্ন রিলে বা স্তরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়। তার সাথে প্রতিটি রিলে এর জন্য আলাদা এনক্রিপশন থাকে। এভাবেই বারবার এনক্রিপশনের মাধ্যমে নিশ্চিত হয় ডেটার নিরাপত্তা।

পাঠক, লক্ষ করুন, আমরা এখানে কয়েকটি রিলে বা স্তরের কথা বলেছি। টর নেটওয়ার্কের মূল কাজটিই হয় মূলত কানেকশনকে স্তরে স্তরে নিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে। সাধারণত, টর নেটওয়ার্কে আপনার ডেটা যায় তিনটি স্তরের মধ্য দিয়ে। স্তরগুলো সম্পর্কে আমরা বিস্তারিত অবশ্যই জানবো। কিন্তু তার আগে জানা প্রয়োজন যে এই রিলে বা স্তরগুলো কীভাবে পরিচালিত হয়।

রিলে কী?
সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা হাজার হাজার স্বেচ্ছাসেবীর কম্পিউটারের মাধ্যমে টর নেটওয়ার্ক পরিচালিত হয়। এই রিলেগুলো আসলে ঐ স্বেচ্ছাসেবীদের কম্পিউটার, যারা নিজের ব্যান্ডউইথ খরচ করে টর নেটওয়ার্ককে ঠিকঠাক চলতে সাহায্য করেন। বর্তমানে এই নেটওয়ার্কে রিলে এর সংখ্যা প্রায় ৬০০০ এর মতো।

রিলের প্রকারভেদ
এন্ট্রি গার্ড রিলে
এই স্তর হল টর নেটওয়ার্কের প্রাথমিক স্তর। আপনার পাঠানো তথ্য সর্বপ্রথম এই স্তরে প্রবেশ করে। তাই সবচেয়ে স্থিতিশীল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন ব্যান্ডউইথ আছে এমন রিলেগুলো থাকে নেটওয়ার্কের এই পর্যায়ে।

মিডল রিলে
মধ্যম ধাপের রিলেগুলোর কাজ হলো আপনার পাঠানো তথ্যকে গার্ড রিলে থেকে এক্সিট রিলে তে নিয়ে যাওয়া। যার ফলে, আপনার পাঠানো তথ্য যখন এক্সিট রিলেতে পৌঁছাবে তখন এক্সিট রিলে জানতে পারবে না কোন গার্ড রিলে থেকে তথ্য এসেছে।

এক্সিট রিলে
এই রিলেগুলো হচ্ছে টর নেটওয়ার্ক থেকে তথ্য গন্তব্যে পৌঁছানোর পথ। এই রিলে থেকেই তথ্যগুলো ডিক্রিপ্টেড হয়ে গন্তব্যে পৌঁছায়।

তাহলে নিরাপত্তার ব্যাপারটা?
রিলে গুলো কীভাবে কাজ করে, তা তো আমরা জানলাম। কিন্তু নিরাপত্তার ব্যাপার এখনো পরিষ্কার হলো না, তা-ই তো? আপনি কীভাবে বিশ্বাস করবেন যে রিলে থেকে আপনার তথ্য চুরি হবে না কিংবা আপনাকে ট্র্যাক করা হবে না?



এখানেই খেলা হয় এনক্রিপশনের! যখন আপনি আপনার কম্পিউটার থেকে টর নেটওয়ার্কে কোনো তথ্য পাঠান, তখন সাধারণত এনক্রিপশন হয় তিনটি স্তরে। সবার প্রথমে ডেটা এমনভাবে এনক্রিপ্টেড হয়, যাতে ঐ এনক্রিপশন শুধুমাত্র এক্সিট রিলে খুলতে পারে। এই এনক্রিপশন হওয়ার পরে পুরো প্যাকেটটি আবারো এনক্রিপ্টেড হয়, যাতে মিডল রিলে ছাড়া ঐ এনক্রিপশন অন্য কেউ খুলতে না পারে। আবারো এর উপরে আরেকটি এনক্রিপশন হয় গার্ড রিলের জন্য, যা শুধুমাত্র গার্ড রিলে খুলতে পারবে। অর্থাৎ আপনার পাঠানো ডেটা এখানে পেঁয়াজের মতো র‍্যাপিং করা হচ্ছে।

এখন আপনার পাঠানো তথ্য যখন গার্ড রিলেতে পৌঁছাবে, তখন সেখানে শুধু উপরের স্তর খুলবে এবং জানতে পারবে যে প্যাকেটটি মিডল রিলেতে পৌঁছাতে হবে। গার্ড রিলে আপনার ঠিকানা প্যাকেট থেকে মুছে দিয়ে সেটি মিডল রিলে তে পাঠিয়ে দেয়।

এখানে একটা ব্যাপার খেয়াল রাখতে হবে, গার্ড রিলে থেকে চাইলে আপনার আপনার ঠিকানা জানা সম্ভব। কিন্তু আপনার তথ্য জানা সম্ভব নয়। কারণ, আপনার তথ্যের জন্য আরও দুটি এনক্রিপশন লেয়ার খোলা বাকি রয়ে গেছে। তাই আপনার পাঠানো তথ্য বৈধ নাকি অবৈধ, সেটা সে জানতে পারবে না।

মিডল রিলেতে পৌঁছানো মাত্রই আপনি অফিশিয়ালি বেনামী হয়ে গেলেন। কারণ, মিডল রিলে জানবে যে তথ্য এসেছে গার্ড রিলে থেকে। যেহেতু আপনার ঠিকানা আগেই মুছে দেওয়া হয়েছে, তাই কোনোভাবেই এই রিলে থেকে আপনার ঠিকানা জানা সম্ভব নয়। একইসাথে আপনার তথ্যের আরও একটি এনক্রিপশন লেয়ার বাকি থাকার কারণে আপনার তথ্যও সে জানতে পারবে না।

অবশেষে আপনার তথ্য যখন এক্সিট রিলেতে পৌঁছাবে তখন সেখানে আপনার তথ্যের প্যাকেটটি সম্পূর্ণ খোলা হবে। তাই কেউ চেষ্টা করলে এক্সিট রিলে থেকে আপনার পাঠানো ডেটা দেখতে পারবে। কিন্তু আরও কিছু নিরাপত্তা থাকার কারণে এই কাজটিও বেশ কঠিন। অন্তত আপনার ডেটা দেখতে পেলেও আপনার পরিচয় জানা তো সম্ভব নয়ই। কারণ, এক্সিট রিলে জানবে তথ্যটি এসেছে মিডল রিলে থেকে, এইটুকুই!

সুতরাং পাঠকরা বুঝতেই পারছেন, এই নেটওয়ার্কে একইসাথে আপনাকে ট্র্যাক করা এবং আপনার তথ্য বের করা প্রায় অসাধ্যের কাছাকাছি!

ভিপিএন বনাম টর?
একটি প্রশ্ন আসতেই পারে, যে ভিপিএন ভালো নাকি টর? আপনি যদি শুধুমাত্র নিরাপত্তাকেই প্রাধান্য দিতে চান তাহলে টর নেটওয়ার্কের উপরে আর কিছু নেই আপাতত! তবে টর ব্যবহারে কিছু সমস্যাও আছে। কানেকশন এতগুলো রিলে র মধ্য দিয়ে যাওয়ার কারণে সাধারণের তুলনায় এর গতি বেশ খানিকটা কম। এমনকি ভিপিএন থেকেও কম থাকে। কারণ, ভিপিএন ব্যবহারের সময় আপনার তথ্য শুধুমাত্র একটি সুড়ঙ্গের মধ্য দিয়ে যায়। কিন্তু টর নেটওয়ার্কে তথ্য প্রবাহিত হয় কয়েকটি স্তরের মধ্য দিয়ে। তাই স্বাভাবিকভাবেই গতির হেরফের হয়। আবার একই কারণে টর ভিপিএন থেকে বেশি নিরাপদ। আপনি যখন ভিপিএন ব্যবহার করছেন তখন ভিপিএন প্রোভাইডার আপনার ঠিকানাও জানবে এবং চাইলে তথ্যও দেখতে পারবে। কিন্তু টরের এতগুলো লেয়ারের মধ্য থেকে আপনার ঠিকানা এবং তথ্য বের করা প্রায় অসম্ভবের কাছাকাছি।

টর কীভাবে ব্যবহার করবেন?
টর নেটওয়ার্কটি খুব জটিল জিনিস হলেও একে ব্যবহার করা খুবই সহজ। টর ব্যবহার করার জন্য আলাদা ব্রাউজারই রয়েছে। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের জন্য মজিলা ফায়ারফক্সকে কাস্টমাইজড করে তৈরি করা হয়েছে এই ব্রাউজার। পাঠকরা এই ঠিকানা থেকে ব্রাউজারটি ডাউনলোড করতে পারবেন। আর এন্ড্রয়েডের জন্য Orbot এবং Orfox নামে দুটি জনপ্রিয় টুুল রয়েছে। এগুলো দিয়েও আপনি নির্দ্বিধায় টর নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে পারেন।

সাধারণ নিরাপত্তার ব্যবহার তো রয়েছেই, কিন্তু টর নেটওয়ার্কের সবথেকে বেশি ব্যবহার হয় ডার্ক ওয়েবে প্রবেশ করার জন্য। পরবর্তী একটি লেখায় হাজির হবো ডার্ক ওয়েবের বিস্তারিত নিয়ে। আর সাথে থাকবে ডার্ক ওয়েবে টর নেটওয়ার্কের খুঁটিনাটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা!

Source: https://roar.media/bangla/main/tech/tor-network/

60
সবচেয়ে বিশুদ্ধ পানি পঞ্চগড়ে, বোতলজাত করার প্রস্তাবনা চিনিকলের

পঞ্চগড়ের পানি দেশের সবচেয়ে সুপেয় এবং পরিশুদ্ধ পানি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা। পঞ্চগড় সুগার মিল লিমিটেড এই পানিকে বাণিজ্যিকভাবে বাজারজাত করার জন্য বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাবনাও পাঠিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন পঞ্চগড়ের পানিকে বাজার জাত করতে পারলে এই এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতেও ব্যাপক প্রভাব পড়বে। 

পানির শুদ্ধতা যাচাইয়ের জন্য গত কয়েক বছরে প্রায় ২৪ হাজার টিবওয়েল এবং কয়েক’শ রিংওয়েলের পানি সংগ্রহ করে ধারাবাহিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছে পঞ্চগড় জনসাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। এই অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, পঞ্চগড়ের পানিতে আর্সেনিকের মাত্রা একবারেই নেই। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সাধারণত প্রতিলিটারে ০.০৫ মিলিগ্রাম আর্সেনিক, ০.৩-১.০ আয়রন,১৫০-৬০০ মিলিগ্রাম ক্লোরাইড এবং ফেকল কলিফর্ম এর মাত্রা প্রতি লিটারে শূন্য মিলিগ্রাম থাকলে তাকে গ্রহণযোগ্য বলা হয়। পঞ্চগড়ের পানিতে আর্সেনিকের মাত্রা প্রতিলিটারে ০.০০৩ মিলিগ্রাম, আয়রন ০.৮৫ মিলিগ্রাম, ক্লোরাইড এর মাত্রা ১৪ মিলিগ্রাম এবং ফেকল কলিফর্ম এর মাত্রা একেবারে শূন্য।

পানিতে এই পদার্থগুলো বেশি মাত্রায় থাকলে শরীরের জন্য ক্ষতিকর। অন্যান্য জেলার পানিতে এসব পদার্থের উপস্থিতি অত্যন্ত বেশি। তবে পঞ্চগড় পৌরসভা এলাকার পানিতে কিছুটা আয়রণ বাড়ছে। পঞ্চগড়ের পানি বিশুদ্ধ হওয়ার পেছনে কয়েকটি কারণ উল্লেখ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এর মধ্যে অন্যতম কারণ হিমালয়। সমুদ্র থেকে ২৯ ফিট উঁচু ভূমি দ্বারা বেষ্টিত এই জেলা হিমালয়ের স্রোতধারায় প্লাবিত।

পঞ্চগড় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, হিমালয়কে বলা হয় পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম ওয়াটার ট্যাংক। দুই মেরু বাদ দিলে সবচেয়ে বেশি পানি ধারন করে আছে এই পর্বতমালা। পঞ্চগড় বিশেষ করে এই জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলা হিমালয়ের অত্যন্ত কাছে। ফলে হিমলয়ান স্রোতধারাই এই এলাকার পানির প্রধান উৎস। হিমালয়ান এই পানি প্রাকৃতিকভাবেই বিশুদ্ধ।

পঞ্চগড় পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী  মো. আসফাউদদৌলা জানান, এই জেলার মাটি বালি ও পাথর সমৃদ্ধ হওয়ায় পানি প্রাকৃতিকভাবেই পরিশোধিত হয়ে থাকে। বালি এবং ছোট বড় পাথরে এমন করে পরিশোধিত হয় যে এই পানিতে কোন ক্ষতিকর পদার্থ থাকছেনা। সুস্বাস্থ্যের জন্য এই পানি অত্যন্ত ভাল। এই জেলায় গড়ে ১৫ থেকে ১৬ ফিট গভীরেই বিশুদ্ধ পানি পাওয়া যায়। বর্ষাকালে ২ থেকে ৩ ফিট গভীরেই পাওয়া যায় পরিশোধিত পানি। বাংলাদেশের যে কোন বোতলজাত পানির থেকে এই পানি বেশী সুপেয় এবং পরিশুদ্ধ ।

পঞ্চগড় সুগার মিল লিমিটেড চিনি উৎপাদনের পাশাপাশি পঞ্চগড়ের বিশুদ্ধ পানিকে বোতলে ভরিয়ে বাজারজাত করার প্রস্তাবনা পাঠিয়েছেন। কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছেন পঞ্চগড়ের পানিকে বোতলজাত করে বাজারে ছাড়া হলে চিনিকলে যেমন কর্মসংস্থান বাড়বে তেমনি দেশের অর্থনীতিও সমৃদ্ধ হবে। পঞ্চগড় সুগারমিল লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহনূর রেজা জানান, চিনিকলের আশেপাশের এলাকার বেশ কিছু টিবওয়েল ও বিভিন্ন সোর্স থেকে পানি সংগ্রহ করে পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে নিশ্চিত হওয়া গেছে এই পানি দেশের সবচেয়ে সুপেয় পানি। এরপর পানি বোতলজাত করে বাজারজাতের প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। চিনি উৎপাদনের পাশাপাশি পানি বোতলজাত করে বাজারজাত করা হলে একদিকে চিনিকলের ক্ষতি যেমন পুষিয়ে নেয়া যাবে মেনি এই জেলার কর্মসংস্থান বাড়বে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।

নদী গবেষক মাহবুব সিদ্দিকী জানান, পঞ্চগড়ের পানি নি‍‍‍:সন্দেহে প্রাকৃতিকভাবে পরিশোধিত পানি। গবেষণার কাজে আমি বাংলাদেশের সকল জেলায় ঘুরে দেখেছি এমন মিষ্টি স্বাদের পানি আর কোথাও পাওয়া যাবেনা। হিমালয় এবং আশেপাশের এলাকা থেকে ৪৪টি ছোটবড় নদী উৎপন্ন হয়ে এই জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কিন্তু পঞ্চগড়ের অভিন্ন নদীগুলোতে ভারত বাঁধ দিয়ে পানি আটকে রাখার ফলে পঞ্চগড়ে পানির স্তর দিন দিন নিচের দিকে চলে যাচ্ছে। এমন অবস্থা চলতে থাকলে বিশ বছর পরে পানির স্তর নেমে যাবে ১০০ ফিট নিচে। তাই পানির বাজারজাতের বিষয়টি অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক হলেও পানির প্রাকৃতিক প্রবাহ অক্ষুণ্ণ রাখার উদ্যোগও নিতে হবে।

Source: http://www.bd-pratidin.com/country/2018/04/04/319825

Pages: 1 2 3 [4] 5 6 ... 17