Recent Posts

Pages: [1] 2 3 ... 10
1


কোন এক মফস্বল থেকে অথবা কোন একটি পারিবারিক স্নেহময় পরিবেশের গন্ডি পেরিয়ে প্রথম যখন একজন ছেলে বা মেয়ে কাজের তাগিদে নিজেকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত একজন ব্যক্তি হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন নিয়ে এই শহরে পা রাখে, হলফ করে বলা যায়, একটি বছর চলে যায় তাদের সেই শহরের পরিবেশের সাথে, কাজের জায়গাতে খাপ খাইয়ে নিতে। কখনো হয়তো তারো বেশি সময় ধরে তারা চেষ্টা করে মানিয়ে নেবার। এই শহরে নিজের কেউ নাই, এটা ভেবেই যে কত রাত চোখের পানি আর নাকের পানিতে একাকার হয়, সেই হিসাব বাদ।

নিজের পরিবার ছেড়ে একজন মানুষ যখন অফিসটাকেই তার দ্বিতীয় পরিবার বানিয়ে নেয়, নিজের মত করে চারপাশের অভিজ্ঞজনদের দেখে, শিখতে চায়, আদর্শ বড়দের মত বড় হতে চায়, আপনার উচিত সেই মানুষটির উপর যথেষ্ট সহানুভূতিশীল হওয়া তাকে সহায়তা করা। কারন, নিজের পরিবার রেখে আসা মানুষটি অফিসের কর্পোরেট পরিবেশে, সহকর্মীদেরকে নিজের ভাই-বোন, বন্ধু বলে ভাবতে শুরু করে।

আপনি চাইলে, কর্পোরেট পলিটিক্স করে কারো ক্ষতি খুব সহজে করে ফেলতে পারেন, কিন্তু মনে রাখবেন, কারো ভালো করতে চাইলে, কারো শ্রদ্ধা অর্জন করতে হলে নিজ গুনে কষ্ট করে অর্জন করতে হয়। মানুষ আপনাকে দুইভাবেই মনে রাখবে। কারো উপকার করে আপনি মানুষের মনে থাকতে পারেন, আর ক্ষতি করলে তো মানুষ আপনাকে জীবনব্যাীই মনে রাখবে, অবশ্যই তা ঘৃনার সাথে । কোনটা আপনার জন্য সম্মানের সেটা আপনার বিবেচনা।

সহনশীল হওয়া খুব সহজ বিষয় না। মানুষকে আঘাত করা সহজ। আপনার জায়গা থেকে এমন একটি কথাও যদি আপনার অধিনস্ত মানুষটিকে কষ্ট দেয়, আপনার কথায় দীর্ঘশ্বাস ফেলতে সে যদি বাধ্য হয়, সেই হিসাব সৃষ্টিকর্তার কাছে তোলা থাকে ঠিকই। "পদাধিকার" কিন্তু সৃষ্টিকর্তার কাছে খাটে না!!! আপনি অনেক কিছুই পারেন, আপনার বলার কিংবা করার ক্ষমতা আছে বলেই যে আপনি যা খুশি তাই বলবেন বা করবেন, প্লিজ সেটা করবেন না। সংযত হউন। নিজের আচরণ সংযত করুন। এই সুদীর্ঘ কর্মজীবনে যদি আপনার কোন একটি ভালো কাজের জন্য আপনাকে মানুষ মনে নাই রাখে, তাহলে আপনার এই কর্মজীবন বৃথা নয় কি?

জীবন খাতায় সব ক্ষেত্রে প্রাপ্তি জমা হবে তা নয়, কিন্তু আপনি যেচে কারো দীর্ঘশ্বাস দিয়ে জীবনখাতা ভরে ফেলবেন না প্লিজ। আপনি অবশ্যই বোঝেন, কারো ক্ষতি করতে যাওয়া মানে নিজেকেই বিপন্ন করা। জীবনে কোন একটা সময় এমন আস্আতে পারে যখন অন্যের সহানুভূতি আপনার প্র‍য়োজন হতে পারে। কে জানে,আজ যাদের হেনস্থা করছেন, দুঃখ দিচ্ছেন, এরাই আপনার বিপদে পাশে গিয়ে দাঁড়াবে। হিপোক্রেসি ছেড়ে দিন। পারলে ভালো একটা কাজ করুন। মানুষ তার পদবীতে বড় হয় না। হয় তার কর্মে, ব্যাবহারে

কোন কিচ্ছু না হউক অন্তত একজন মানুষ হিসেবে মানুষকে সম্মান দিতে চেষ্টা করলে ক্ষতি নেই। তাতে নিজের সম্মান বাড়বে। অল্পই তো সময়, নিজে ভালো থাকার চেয়েও যখন অন্যকে ভালো রাখা জরুরি, যখন নিজের জীবন বিপন্ন করে এক একটা লোক কাজ করে সততা নিয়ে,, তখন আপনার কি উচিত না সমাজের এতসব প্রতিকূলতায় টিকে থাকার জন্য যুদ্ধ করার সাহসকে সম্মান করা?? তার কাজকে সম্মান করা???? সেই মানুষটাকে সম্মান করা???

পরিবর্তন হউন। এখনই সময়। আপনি পরিবর্তন হলেই তো অন্যকে পরিবর্তন করা সম্ভব.....।

ফারহানা হক
২৫/০১/২০২০
2
আমাদের প্রতিদিনের খাবারের স্বাদ নির্ভর করে লবণে। রান্না লবণ কম বা বেশি হলে সেটার স্বাদ নষ্ট হয়। অনেক সময় এথেকেই নষ্ট হয় স্বামী-স্ত্রীর মধুর সম্পর্কও।

আয়োডিনযুক্ত লবণ আমাদের গলগণ্ড রোগ প্রতিরোধ করে। তবে অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ বিশেষ করে খাবার সময় কাঁচা লবণ বা পাতে লবণ নেওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এর ফলে রক্তচাপ বেড়ে যায়।

কারণ আমরা যে লবণ খাই তার অন্যতম উপাদান হলো সোডিয়াম। রক্তে এ সোডিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে কিডনি বা বৃক্ক। সাধারণ অবস্থায় রক্তে যে পরিমাণ সোডিয়াম থাকে পাতে লবণ খেলে তার পরিমাণ বেড়ে যায়। ফলে অতিরিক্ত পরিমাণ সোডিয়াম বৃক্কের মাধ্যমে মূত্র পরিণত হয়না। বরং আবার রক্তে চলে আসে। আর সোডিয়াম পানিগ্রাহী বলে রক্তে পানির পরিমাণ বেড়ে যায়। এই অতিরিক্ত পরিমাণ পানি রক্তনালিতে বেশি চাপ প্রয়োগ করে। ফলে রক্তের চাপ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হয়। এতে রক্তচাপ বেড়ে যায়।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, সোডিয়াম শরীরের জন্য উপকারী হলেও বেশি পরিমাণ সোডিয়াম ক্ষতিকর। তাই হৃদরোগের হাত থেকে বাঁচতে হলে পাতে বাড়তি লবণ খাবার অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে।

 বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
3
কোন সার্চ রেজাল্টগুলো ‘অরগানিক’?

ইতিমধ্যে বলা হয়েছে, অর্গানিক সার্চ রেজাল্টগুলো কোনো পেড বা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে নয় কেবল এসইও–এর মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজে আসে। অর্গানিক রেজাল্টগুলো হলো SERPs-এ দেখানো ‘১০টি ব্লু লিংক’ এবং এর ওপরে, নিচে ও পাশের রেজাল্টগুলোতে অ্যাড লেবেল দেওয়া থাকে। যাতে একটি পেজে থাকা পেড ও অরগানিক রেজাল্ট সহজেই বোঝা যায়। বর্তমানে আমরা যে ধরনের সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজ দেখি, অতীতে এমন ছিল না।

বর্তমানে সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজকে বলা হয় SERPs এবং এখন অ্যাডভারটাইজিংয়ের পাশাপাশি অরগানিক রেজাল্ট অনেক বেশি সমৃদ্ধ। SERP-এ অরগানিক রেজাল্ট ফিচার যেমন:

ফিচার স্নিপেট,
অ্যান্সার বক্স,
পিপল ‍অলসো আস্ক/সার্চ বক্স/সাজেশন,
ইমেজ ক্যারোজেল,
ভিডিও ক্যারোজেল,
নিউজ ইত্যাদি।
নতুন SERP ইউজারদের সার্চের ওপর ভিত্তি করে আরও নতুন নতুন ফিচার নিয়ে আসছে।

উদাহরণস্বরূপ: আপনি যদি সার্চ করেন ‘Dhaka Weather’ তাহলে আপনি দেখতে পাবেন কোনো লিংকের পরিবর্তে ঢাকার জলবায়ু পূর্বাভাসের একটি চিত্র। এবং আপনি যদি সার্চ করেন ‘Dhaka Pizza’ তখন দেখবেন কিছু লোকাল পিৎজার অবস্থান গুগল ম্যাপে, কিছু লিংক এবং ক্যারোজেল যেটা শুধু ঢাকা শহরের।

আপনাকে একটা বিষয় মনে রাখতে হবে যে, সার্চ ইঞ্জিনের আয়ের উৎস শুধু অ্যাডভারটাইজ বা বিজ্ঞাপন থেকে আসে। তাদের লক্ষ্য হলো ইউজারদের সঠিক তথ্যের সন্ধান দেওয়া যাতে ইউজাররা SERPs-এ পুনরায় আসে এবং দীর্ঘ সময় ধরে থাকে।

SERPs–এর কিছু ফিচার অরগানিক এবং তা এসইওয়ের মাধ্যমে প্রভাবিত করা যায়। বিজ্ঞাপনগুলোর ওপর এসইওয়ের কোনো প্রভাব নেই। এমন কিছু ফিচার আছে যেগুলোও অর্গানিক অ্যাডভারটাইজ–এ দুই-এর কোনোটাই প্রভাবিত করতে পারে না। যেমন উইকিপিডিয়া, আইএমডিবি, ওয়েবএমডি ইত্যাদি সাইটগুলো থেকে আসা সার্চ রেজাল্ট।

 

এসইও কেন দরকার বা গুরুত্বপূর্ণ?

এসইও (SEO) অনুশীলনের/প্রয়োগের মাধ্যমে ওয়েবসাইটের গুণগত মান ও ইউজার বৃদ্ধি পেয়ে থাকে, পাশাপাশি সার্চ ইঞ্জিনের রেজাল্ট পেজে অরগানিক ফলের মাধ্যমে কোম্পানির ব্র্যান্ডিং হয়ে থাকে।

ওয়েবসাইটে ট্রাফিক/ইউজার জেনারেট করার জন্য যদিও পেইড অ্যাডভারটাইজিং, সোশ্যাল মিডিয়া ‍এবং অন্যান্য অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো রয়েছে। তারপরও বেশির ভাগ ইউজার ওয়েবসাইটে আসে সার্চ ইঞ্জিন থেকে।

সার্চ ইঞ্জিন তার রেজাল্ট পেজে বিভিন্ন ডিজিটাল ফিচার ও বিশ্বাসযোগ্য তথ্যবহুল উত্তর দেখায়, যা পেইড অ্যাডভারটাইজিংয়ের তুলনায় অধিক পরিমাণ ক্লিক জেনারেট করে। উদাহরণস্বরূপ, শুধু যুক্তরাষ্ট্রে সব ক্লিকের মাত্র ২.৮% আসে টাকা দিয়ে দেওয়া বিজ্ঞাপন বা পেইড অ্যাডভারটাইজিং থেকে।

এসইও একমাত্র অনলাইন মার্কেটিং চ্যানেল যেখানে সঠিকভাবে সেটআপ করা কাজ থেকে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আয় হতে বা রেভিনিউ জেনারেট হতে থাকে। আপনি যদি সাইটে তথ্যসমৃদ্ধ ও ব্যবহারবান্ধব কনটেন্ট দিতে পারেন এবং তা সার্চ ইঞ্জিনে সঠিক কি-ওয়ার্ডে র‍্যাঙ্কিং করে। তবে আপনার সাইটে সার্চ ইঞ্জিন থেকে ক্রমাগত ইউজার আসতে থাকবে। পেড অ্যাডভারটাইজিংয়ে প্রচুর অর্থ খরচ করেও আপনি যা পাবেন না।

বর্তমানে সার্চ ইঞ্জিনগুলো যদিও অনেক স্মার্ট, কিন্তু সঠিক সার্চ কনটেন্ট দেখানোর জন্য তারপরও আপনার সহযোগিতা দরকার। অপটিমাইজ করার মাধ্যমে আপনার সাইট সার্চ ইঞ্জিনকে তথ্যসমৃদ্ধ ও ইউজার ফ্রেন্ডলি কনটেন্ট দেবে। যাতে সার্চ ইঞ্জিন আপনার সাইটের কনটেন্ট ক্রলিং, ইনডেক্সিং এবং র‍্যাঙ্কিং করার মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজে দেখাতে পারে।

 

হোয়াইট হ্যাট বনাম ব্ল্যাক হ্যাট এসইও

‘হোয়াইট হ্যাট এসইও’ বলতে এসইও-এর সেই সব কৌশল, বেস্ট প্র্যাকটিস এবং ‍স্ট্রাটেজি বোঝায়, যা সার্চ ইঞ্জিনের সব গাইডলাইন অনুসরণ করে করা হয়। এটার প্রধান ফোকাস মূলত ইউজারদের ওপর।

‘ব্ল্যাক হ্যাট এসইও’ বলতে সেই সব কৌশল এবং ‍স্ট্রাটেজি, যা স্প্যামিংয়ের মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনকে বোকা বানানোর চেষ্টা করা হয়। যার মাধ্যমে খুব কম সময়ের মধ্যে একটি ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনে ভালো র‍্যাঙ্কিং-এ দেখানো যায়। কিন্তু এর ফলে সার্চ ইঞ্জিন সেই সাইটটিকে পেনাল্টি বা ডিইনডেক্সিং করে দিতে পারে। ‘ব্ল্যাক হ্যাট এসইও’তে সার্চ ইঞ্জিনের কোনো গাইডলাইন অনুসরণ করা হয় না।

পেনাল্টি পাওয়া ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে কোনো ব্যবসায় সফল হওয়া যাবে না। সার্চ ইঞ্জিনের পেনাল্টি পাওয়ার অন্যতম কারণ হচ্ছে এসইও প্রফেশনাল, ‍এজেন্সি বাছাই করতে ভুল করা ও সার্চ ইঞ্জিনের গাইডলাইন অনুসরণ না করা।


Source: https://www.prothomalo.com/technology/article/1636070/%E0%A6%8F%E0%A6%B8%E0%A6%87%E0%A6%93-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%96%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC-%E0%A7%A8
4
এসইও কী এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ?
সহজভাবে বলতে গেলে, মূলত সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিনের কিছু নিয়মকানুন যা অনুসরণ বা প্রয়োগ করা হলে সার্চ ইঞ্জিন কাঙ্ক্ষিত ওয়েবসাইটটিকে সার্চ ইঞ্জিনের কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে এবং র‌্যাঙ্ক করে থাকে। বর্তমান প্রতিযোগিতার বিশ্বে এসইও ছাড়া সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর বা ট্রাফিক পাওয়া প্রায় অসম্ভব। সাধারণত এসইও ছাড়া কোনো ওয়েবসাইটকেই সার্চ ইঞ্জিন র‌্যাঙ্কই করে না।

*ইংরেজি শব্দ এসইও (SEO) এর সম্পূর্ণ রূপ হলো সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (search engine optimization) যা সার্চ ইঞ্জিনের কিছু সুনিয়ন্ত্রিত ও পরিকল্পিত নিয়ম/পদ্ধতি বা মেথড। যে সকল নিয়মগুলো যথাযথভাবে প্রয়োগ করে আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত ওয়েবসাইটটিকে সার্চ ইঞ্জিনের রেজাল্ট পেজের প্রথম দিকে দেখাতে পারবেন। এসইআরপি (SERPs) তে প্রথম দিকে আপনার ওয়েবসাইটটিকে দেখানোই এসইও-এর মূল উদ্দেশ্য।

*সার্চ ইঞ্জিন তৈরি হয়েছে মূলত ইউজারদের অনুসন্ধানের সঠিক তথ্য দেওয়ার জন্য আর এসইও (SEO) সেই তথ্যকে সার্চ ইঞ্জিন উপযোগী করে তুলে। এসইও এর মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি সার্চ ইঞ্জিনে ইউজাররা কী তথ্য খুঁজছে, কী ধরনের সমস্যার সমাধান চাচ্ছে, কী ধরনের শব্দ বা কিওয়ার্ড ব্যবহার করছে এবং কী ধরনের কনটেন্ট তারা চায়। এসইও এর মাধ্যমে আমরা সহজেই ইউজারদের এ সকল সমস্যার সমাধান দিতে পারি।

এসইও এর ইতিহাস:
আজকের এই এসইও অনেক পরিবর্তনের ফলাফল, যা আমরা মূলত গুগলের মাধ্যমে দেখতে পাই। ১৯৯১ সালে ৬ই আগস্ট টিম বার্নাস লির হাত ধরে প্রথম ওয়েবপেজ প্রকাশ করা হয়। এর কয়েক বছর পর ১৯৯৭ সালে প্রথম অফিশিয়ালি এসইও-এর যাত্রা শুরু হলেও ২০০১ সাল থেকে এসইও-এর গুরুত্ব বৃদ্ধি পেতে থাকে।

জেরি ইয়াং এবং ডেভিড ফিলো ১৯৯৪ সালের জানুয়ারি মাসে ইয়াহু সার্চ ইঞ্জিন প্রতিষ্ঠাতা করেন। তার পাশাপাশি তারা ইয়াহু ডিরেক্টরি তৈরি করেন।

১৯৯৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ল্যারি পেজ এবং সের্গেই ব্রিনের হাত ধরে গুগল প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে গুগল সার্চ ইঞ্জিনগুলোর মধ্যে অন্যতম এবং প্রধান। ইন্টারনেটে গুগল মোট সার্চের ৯০% এর চেয়েও বেশি গ্রাহক পেয়ে থাকে এবং এর পাশাপাশি তাদের বিভিন্ন জনপ্রিয় পণ্য ও সেবা রয়েছে।

১৯৯৮ সালে গোটো ডটকম (Goto.com) স্পনসর লিংক এবং পেইড সার্চ চালু করে। যেখানে অরগানিক রেজাল্টে প্রথমে থাকার জন্য পেইড করার প্রয়োজন হতো। গোটো মূলত ইয়াহু সার্চ ইঞ্জিনের সমর্থন নিয়ে কাজ করেছিল।
তারপর থেকে এ পর্যন্ত সার্চ ইঞ্জিনগুলো বিভিন্ন অ্যালগরিদম আপডেটের মাধ্যমে আজকের এ জায়গায় এসেছে। প্রতিযোগিতার দিক দিয়ে গুগল বর্তমানে সবার সেরা এবং মানসম্পন্ন সার্চ ইঞ্জিন।

সার্চ ইঞ্জিন বেসিক
সার্চ ইঞ্জিন মূলত একটি উত্তরদাতা যন্ত্র। এগুলো ইন্টারনেট থেকে লাখ লাখ কনটেন্ট পরিমার্জন/সন্নিবেশিত করে এবং এর মধ্য থেকে আবার হাজার হাজার ফ্যাক্টর দিয়ে মূল্যায়ন করার মাধ্যমে ঠিক করে কোনো তথ্যটি ইউজারের সার্চ অনুযায়ী সঠিক তা খুঁজে বের করে ইউজারের সামনে উপস্থাপন করে।

আর সার্চ ইঞ্জিন কাজটি করে থাকে ইন্টারনেটে যত তথ্য পাওয়া যায় (ওয়েব পেজ, ইমেজ, ভিডিও, পিডিএফ ইত্যাদি) তা ক্রলিং এবং ইনডেক্সিং এর মাধ্যমে। যে তথ্যটি ইউজারের জন্য বেশি উপযোগী তা র‍্যাঙ্কিং করে থাকে।


Source: https://www.prothomalo.com/technology/article/1634820/
5
বায়ুদূষণ রোধে হাইকোর্টের নির্দেশনার বাস্তবায়ন কতদূর?
ড. কুদরাত-ই-খুদা বাবু
২১ জানুয়ারি ২০২০
চিকিৎসা বিজ্ঞানী ইবনে সিনা তার গবেষণালব্ধ ফলাফল থেকে বলেছিলেন, মানুষের ভেতরে শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে বা অন্য কোনোভাবে যদি ধুলাবালি কণা না ঢুকত, তবে মানুষ লাখ লাখ বছর বাঁচতেন। সুতরাং দেখা যাচ্ছে, দীর্ঘায়ু লাভের ক্ষেত্রে ধুলাবালি কণামুক্ত নির্মল ও বিশুদ্ধ বায়ু বা বাতাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।
ঠিক একইভাবে উল্টোদিক থেকে বিষয়টি নিয়ে পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যাবে, দূষিত বাতাস বা দূষিত পরিবেশ দীর্ঘায়ু কমানোর ক্ষেত্রে নেতিবাচকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, পৃথিবীতে প্রতিবছর সড়ক দুর্ঘটনা, ধূমপান এবং ডায়াবেটিস- এ তিনটি কারণে যে পরিমাণ মানুষ মারা যায়, তারচেয়ে বেশি মানুষ মারা যায় বায়ুদূষণের কারণে।

পরিবেশ ও চিকিৎসাবিদ্যা মতে, বায়ুদূষণ থেকে ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিস (সিওপিডি) নামে শ্বাসতন্ত্রের যে রোগ হয়, তা বিশ্বজুড়ে মানুষের মৃত্যুর তৃতীয় প্রধান কারণ। আর ২০১২ সালে শুধু এ রোগেই পৃথিবীতে যে পাঁচটি দেশে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক মানুষের মৃত্যু ঘটেছে, বাংলাদেশ তার মধ্যে অন্যতম।

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বড় শহরগুলোয় বায়ুদূষণের মাত্রা অত্যন্ত বেশি। এয়ার ভিজুয়ালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরগুলোর তালিকায় শীর্ষে ছিল ঢাকা। এর আগে গত বছরের ২৬ ও ২৭ নভেম্বর, ১৭ ডিসেম্বর এবং চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি বায়ুদূষণে ঢাকার অবস্থান ছিল শীর্ষে।

শুধু ঢাকা নয়, সারা দেশেই হচ্ছে পরিবেশ দূষণ। বিশ্বের প্রভাবশালী স্বাস্থ্য সাময়িকী দ্য ল্যানসেট ২০১৭ সালে এক প্রতিবেদনে জানায়, পরিবেশ দূষণের ফলে মৃত্যুর দিক থেকে বাংলাদেশ শীর্ষে। আর রাজধানী ঢাকা তো অনেক বছর ধরেই বসবাসের অযোগ্য ও নিকৃষ্টতম শহরগুলোর একটি, যার অন্যতম কারণ পরিবেশ দূষণ।

অনিয়ন্ত্রিত যানবাহন, বাড়ি ও কলকারখানার দূষিত ও রাসায়নিক পদার্থ নির্গমন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা, নাগরিক অসচেতনতা ইত্যাদি পরিবেশ দূষণের কারণ। ২০১৯ সালে WHO ১০টি স্বাস্থ্যঝুঁকি চিহ্নিত করেছে।

এর মধ্যে এক নম্বর ঝুঁকি হল বায়ুদূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তন। আর ২০১৮ সালে সংস্থাটির হিসাবে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরগুলোর মধ্যে ঢাকা ছিল তৃতীয়।

ঢাকার বায়ুদূষণের এ চিত্র সরকারি সংস্থা পরিবেশ অধিদফতরের পর্যবেক্ষণেও উঠে এসেছে। সংস্থাটির পর্যবেক্ষণে ঢাকার বায়ুমান মারাত্মক অস্বাস্থ্যকর। ঢাকা শহরের বায়ুতে যেসব ক্ষতিকর উপাদান আছে, তার মধ্যে মানবদেহের জন্য সবচেয়ে মারাত্মক উপাদান হচ্ছে পিএম ২.৫।

WHO-এর তথ্যানুসারে, পিএম ২.৫ শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে সহজেই শরীরে প্রবেশ করে তা শ্বাসতন্ত্রের নানা রোগসহ হৃদরোগের পরিমাণ বাড়ায় এবং পিএম ২.৫-এর কারণে অ্যাজমা ও ফুসফুসের ক্যান্সারও হতে পারে। উল্লেখ্য, বায়ুদূষণের কারণে বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ১ লাখ ২২ হাজার ৪০০ মানুষের মৃত্যু ঘটে।

ঢাকার বাতাস দূষিত হওয়ার কারণ কী এবং তা রোধে পরিবেশ অধিদফতর কী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা জানাতে ১৩ জানুয়ারি মহামান্য হাইকোর্ট কর্তৃক নির্দেশ দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে যেসব পরিবহন নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে বেশি কালো ধোঁয়া ছড়াচ্ছে, সেসব যানবাহন জব্দ করতেও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ঢাকার বায়ুদূষণ রোধে সুপারিশ সংবলিত বিশেষজ্ঞ কমিটির প্রতিবেদন হাইকোর্টে উপস্থাপনের পর আদালত ঢাকার বায়ুদূষণ রোধে মোট ৯ দফা নির্দেশনা দিয়েছেন।

মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) করা এক রিট আবেদনের ধারাবাহিকতায় বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশনা দিয়েছেন।

নির্মল বায়ু ও পরিবেশ রক্ষায় বিশ্বব্যাংকের ৩০০ কোটি টাকার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছিল। এ টাকা পরিবেশ অধিদফতর কীভাবে ব্যয় করেছে, পরিবেশ উন্নয়নে কী ধরনের ভূমিকা রেখেছে, এতে জনগণ কী ধরনের সুফল পাচ্ছে অর্থাৎ পুরো প্রকল্পের টাকা কীভাবে ব্যয় হয়েছে, তার ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে।

মহামান্য হাইকোর্টের দেয়া ৯ দফা নির্দেশনায় সড়ক পরিবহন আইনের বিধান অনুযায়ী পরিবহনের ‘ইকোনমিক লাইফ’ নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে। যেসব পরিবহনের ইকোনমিক লাইফের মেয়াদ শেষ হয়েছে, সেসব পরিবহন চলাচলে নিষিদ্ধ করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

পরিবেশ অধিদফতরের অনুমোদন ছাড়া চলমান টায়ার পোড়ানো ও ব্যাটারি রিসাইকেলিং বন্ধ করতে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ আদেশ বাস্তবায়ন করে পরিবেশ অধিদফতরকে এক মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

পাশাপাশি ঢাকার পাশের চার জেলা গাজীপুর, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ ও মানিকগঞ্জে যেসব অবৈধ ইটভাটা এখনও বন্ধ করা হয়নি, সেগুলো বন্ধ করে দুই মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া ঢাকায় বালু, ময়লা, বর্জ্য বহনের সময় বহনকারী ট্রাকসহ সংশ্লিষ্ট যানবাহনগুলো ঢেকে চলাচল করার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। দোকান বা মার্কেটের ময়লা যাতে সিটি কর্পোরেশনের নির্ধারিত স্থানে ফেলা হয়, তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সিটি কর্পোরেশনকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

পাশাপাশি যে কোনো স্থাপনা নির্মাণ এলাকায় বালু, সিমেন্ট, মাটিসহ নির্মাণসামগ্রী ঢেকে রাখা নিশ্চিত করতে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। উন্নয়ন ও নির্মাণকাজ যাতে আইন ও দরপত্রের শর্তানুযায়ী নিশ্চিত করা হয়, তারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সিটি কর্পোরেশনের যেসব ধুলাবালিপ্রবণ এলাকায় এখনও পানি ছিটানো হয়নি, সেসব এলাকায় নিয়মিত পানি ছিটাতেও বলা হয়েছে।

ঢাকার বাতাসের এই যখন অবস্থা, তখন বাতাসে ভাসমান মানবস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর মিহি ধূলিকণার মাত্রা কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে রাজশাহী শহর বিশ্বের মধ্যে সর্বাধিক সাফল্য অর্জন করেছে। সারা বিশ্বের শহরগুলোয় বায়ুদূষণ কমানোর ক্ষেত্রে রাজশাহীর এ গৌরবোজ্জ্বল দৃষ্টান্ত থেকে একটা বিষয় সবার কাছে অত্যন্ত সুস্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

আর তা হচ্ছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সত্যিকার অর্থে আন্তরিক প্রয়াস এবং সবার সহযোগিতা থাকলে অবশ্যই একটি শহরে শুধু বায়ুদূষণ কমানোই নয়, বরং ওই শহরকে সবচেয়ে ভালোভাবে বসবাস উপযোগী করে তোলাও সম্ভব। এমনকি সারা বিশ্বের মধ্যে ওই শহরকে সবচেয়ে সুখী শহরেও পরিণত করা সম্ভব।

আবার এ ক্ষেত্রে যদি ঘটনা উল্টোভাবে ঘটে, তাহলে এ ক্ষেত্রে রাজশাহীকে দেখতে না পেয়ে প্রথমেই দেখা যাবে ঢাকা এবং এরপর গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম, খুলনার মতো অন্যান্য শহরকে; যা মাত্রাতিরিক্ত দূষণে পরিপূর্ণ।

এ যেন ইতিবাচক মনোভাবাপন্ন কতিপয় ব্যক্তিকে নরকে পাঠিয়ে দেয়ার পর কয়েকদিন পর নরকটি স্বর্গে পরিণত হওয়া এবং নেতিবাচক মনোভাবাপন্ন কতিপয় ব্যক্তিকে স্বর্গে পাঠিয়ে দেয়ার পর স্বর্গটি নরকে পরিণত হওয়ার গল্পের মতো।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, বায়ুদূষণ কমানোর ক্ষেত্রে যদি রাজশাহী শহর সারা বিশ্বের মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করতে সক্ষম হয়; তাহলে কেন ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম, খুলনা কিংবা দেশের অন্য শহরগুলোয় বায়ুদূষণ কমানো যাচ্ছে না?

নাকি ওই শহরগুলোয় বসবাসরত লোকজন দূষণ পছন্দ করেন? নিশ্চয়ই পছন্দ হওয়ার কথা নয়। দেশের অন্যান্য শহরে বায়ুদূষণ বা অন্যান্য দূষণ কমানোর ক্ষেত্রে কোনো জাদুর কাঠির প্রয়োজন নেই।

ঢাকার বায়দূষণ রোধে মহামান্য হাইকোর্টের ৯ দফা নির্দেশনা দ্রুত বাস্তবায়নের পাশাপাশি প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন হয়ে পরিবেশ রক্ষায় এগিয়ে এসে সঠিক পরিকল্পনা অনুযায়ী নগরায়ণ করা প্রয়োজন।

এক কথায়, বাস্তবমুখী জোরালো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা আবশ্যক। আর তা সম্ভব হলেই রাজশাহী শহরের মতো ঢাকা শহরসহ দেশের অন্য শহরগুলোয়ও বায়ুদূষণ কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। সম্ভব হবে ওই শহরগুলোকে সত্যিকার অর্থেই সুখে ও শান্তিতে বসবাসের উপযোগী করে গড়ে তোলা।

সুতরাং, এ লক্ষ্যে এখন থেকেই ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনসহ সরকার, গণমাধ্যম, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানসহ সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ শুরু করা আবশ্যক।

ড. কুদরাত-ই-খুদা বাবু : সহযোগী অধ্যাপক, আইন বিভাগ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি; অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সদস্য
kekbabu@yahoo.com

Link: https://www.jugantor.com/todays-paper/window/269364/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%82%E0%A6%B7%E0%A6%A3-%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%A7%E0%A7%87-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%A8-%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A6%A6%E0%A7%82%E0%A6%B0
6
Faculty Sections / AI experiments you can tinker with
« Last post by Raihana Zannat on January 23, 2020, 11:26:40 AM »
Artificial intelligence (AI) is being deployed almost everywhere, from handheld devices to large scale industrial operations. Tech giants like Google, IBM, Microsoft and Intel are leading us towards the age of AI. These companies have dedicated research groups and labs that experiment with AI, and many of these experiments are made available to the public so that we too can experience the true potential of artificial intelligence and at the same time, help their AI based tools gather valuable user data. In this article, we’ll take a look at some of the most amazing AI experiments you should try out. You’ll see that most of the experiments enlisted here are from Google, and that’s because they’re ahead of the other tech giants in this race. However, companies like Microsoft and IBM are also catching up.

Sketch2Code, Microsoft

Sketch2Code uses artificial intelligence to convert drawings into working HTML code. This is achieved through the use of computer vision, a combination of AI and image processing.

Like most AI projects, Sketch2Code was trained to recognise different HTML or web-design elements, like a text box or a button. Text recognition is also used to identify any text in the design provided to the model. All this leads to the generation of an HTML code that mirrors the design or layout you provided.
7
Faculty Sections / Rose Garden: A history of passion and pride
« Last post by Raihana Zannat on January 23, 2020, 11:24:42 AM »
At Kamini Mohan (K.M.) Das Lane in Tikatuli of Old Dhaka, there lies a majestic mansion called “Rose Garden”. Interestingly, it was built to host parties by one of the prominent zamindars of Dhaka, named Hrishikesh Das. He built the Rose Garden in 1931 on a 22-bigha plot along with a famous garden that had various species of rare roses. Thus the compound earned the name “Rose Garden”. The central piece of the garden is the elegant building.



8
স্মার্টফোন, কম্পিউটার বা অন্য কোনো যন্ত্র থেকে গুগল সার্চে কিছু খুঁজলে গুগল তা সংরক্ষণ করে রাখে। এ নিয়ে প্রতিষ্ঠানটির ব্যাখ্যা হলো, সার্চ ফলাফলের মানোন্নয়নের জন্য এমনটা করা হয়। এর খারাপ দিকটা হলো, আপনি যা খুঁজবেন, গুগল আপনাকে তার ওপর ভিত্তি করে বিজ্ঞাপন দেখাবে। আবার ব্যবহারকারীর সার্চ করার ধরন অনুযায়ী ফলাফল দেখায়।

অনেকেই আছেন যাঁরা চান না গুগল তাঁদের তথ্য সংরক্ষণ করে রাখুক। এই তথ্য ‘সার্চ হিস্ট্রি’ নামে পরিচিত। সুবিধাটি বন্ধ করার ব্যবস্থাও রেখেছে গুগল। উইন্ডোজ বা ম্যাক—কম্পিউটার যেটাই হোক, নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।

*যেকোনো ব্রাউজার থেকে myactivity.google.com/myactivity ঠিকানার ওয়েবসাইটে যান।
* ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে আপনার গুগল অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
* লগইন হয়ে গেলে Web and App Activity অংশে ক্লিক করুন।
* পাশে থাকা টগল বোতাম চেপে সেবাটি বন্ধ করুন।
* এই অংশ থেকে অবস্থান এবং ইউটিউবে কিছু খোঁজার তথ্য সংরক্ষণ করার সেবা বন্ধ করা যাবে।

স্মার্টফোন থেকে
* অ্যান্ড্রয়েড বা আইওএস যন্ত্রে গুগল অ্যাপ চালু করুন।
* নিচের বার থেকে More অপশন নির্বাচন করুন।
* Activity অংশে Search activity অপশনে ট্যাপ করে Web & App Activity টগল বোতামটি বন্ধ করে দিন। সূত্র: গ্যাজেটসনাউ


Source: https://www.prothomalo.com/technology/article/1634956/%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%97%E0%A6%B2-%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9A%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AF%E0%A6%BE-%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A8
9
Textile Engineering / Generation gap.
« Last post by Reza. on January 22, 2020, 11:44:58 PM »
আমাদের জেনারেশন আর বর্তমান কালের জেনারেশনের মাঝে হঠাৎ করে দুইটা পার্থক্য ভেবে বের করলাম।
১. আমাদের জেনারেশনের সবাই টিচারের বেতের মাইরের স্বাদ পেয়েছি। বেতের মার খায় নাই এইরকম হয়তো হাজারে দুই একটা পাওয়া যাবে হয়তো।
এই জেনারেশনের কেউ বেতের মার খায় না। এই জেনারেশনে বেতের মার খাইছে এই রকম হাজারে দুইএকটা পাওয়া যাবে।
 
২. আমাদের সবার নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে জন্ম। সিজারের মাধ্যমে জন্ম হয়তো হাজারে দুই একটা পাওয়া যাবে।
এই জেনারেশনের সবার সিজারের মাধ্যমে জন্ম হয়েছে। নরমাল ডেলিভারীর মাধ্যমে জন্ম তা হয়তো হাজারে দুই একটা পাওয়া যাবে।
10
Permanent Campus of DIU / Generation gap.
« Last post by Reza. on January 22, 2020, 11:42:56 PM »
আমাদের জেনারেশন আর বর্তমান কালের জেনারেশনের মাঝে হঠাৎ করে দুইটা পার্থক্য ভেবে বের করলাম।
১. আমাদের জেনারেশনের সবাই টিচারের বেতের মাইরের স্বাদ পেয়েছি। বেতের মার খায় নাই এইরকম হয়তো হাজারে দুই একটা পাওয়া যাবে হয়তো।
এই জেনারেশনের কেউ বেতের মার খায় না। এই জেনারেশনে বেতের মার খাইছে এই রকম হাজারে দুইএকটা পাওয়া যাবে।
 
২. আমাদের সবার নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে জন্ম। সিজারের মাধ্যমে জন্ম হয়তো হাজারে দুই একটা পাওয়া যাবে।
এই জেনারেশনের সবার সিজারের মাধ্যমে জন্ম হয়েছে। নরমাল ডেলিভারীর মাধ্যমে জন্ম তা হয়তো হাজারে দুই একটা পাওয়া যাবে।
Pages: [1] 2 3 ... 10