Recent Posts

Pages: [1] 2 3 ... 10
1
Use of Forum / Re: Using DIU Forum
« Last post by M. Hassan on Yesterday at 03:17:56 PM »
Information is really helpful
2
বর্তমান বিশ্বে ডায়াবেটিস একটি ভয়ঙ্কর মারণ রোগে পরিণত হয়েছে। অল্প বয়সেই অনেককেই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হতে দেখা যায়। যা বংশগতভাবে বা নিজেদের কিছু অসতর্কতার জন্য হয়ে থাকে।
সম্প্রতি প্রকাশিত একটি সমীক্ষার রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ১৯৮০ সালে বিশ্বে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ১০ কোটি ৮০ লক্ষ। বর্তমানে যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪২ কোটি ২০ লক্ষ।

ডায়াবেটিস একটি বিপাকীয় প্রক্রিয়া সংক্রান্ত ব্যাধি। ডায়াবেটিসের ফলে দেহ পর্যাপ্ত পরিমাণে ইনসুলিন উৎপাদনে অক্ষম হয়ে পড়ে। ফলে রক্তে সুগারের মাত্রা অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যায়। এই রোগের ক্ষেত্রে সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক বিষয়টি হল, ওষুধ, শরীরচর্চা এবং খাওয়া-দাওয়া নিয়ম মেনে করলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে, কিন্তু তা কোনো ভাবেই পুরোপুরি নিরাময় করা সম্ভব নয়।

২০১৭ সালে পাবলিক লাইব্রেরী অব সাইন্স জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় জানা গেছে, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিন ঢেড়স-ই যথেষ্ট।     

তাই রোজ রোজ ইনসুলিন ইনজেকশন না নিয়েও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন এই ঘরোয়া উপায়ে, তাও একেবারে সামান্য খরচে। প্রতিদিন মাত্র তিনটি ঢেঁড়সেই রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক কীভাবে তা সম্ভব-

> তিনটি ঢেঁড়স ভাল করে পানিতে ধুয়ে নিন।

> এরপর সেগুলোর সামনের দিকের সামান্য অংশ (ডগার অংশ) এবং বৃন্তের অংশ বাদ দিয়ে দিন।

> এবার ঢ্যাড়সগুলো লম্বা করে চিরে দিয়ে সারা রাত এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।

> সকালে উঠে এই ঢ্যাড়স ভেজানো পানি খেয়ে নিন।

রক্তে সুগারের মাত্রা কতটা কমল তা হাতেনাতে প্রমাণ পেতে এই পানি খাওয়ার আগে ও পানি খাওয়ার দু’ ঘণ্টা পরে ব্লাড সুগার পরীক্ষা করুন। তফাৎটা নিজেই দেখতে পাবেন। তবে এর সঙ্গে শরীর সুস্থ রাখতে প্রতিদিন অন্তত ৪০ মিনিট স্বাভাবিক গতিতে হাঁটাহাঁটি করুন। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। ডায়াবেটিসের আতঙ্ক কাটিয়ে সুস্থভাবে বাঁচুন।

ডেইলি বাংলাদেশ/এএ
3
Our world is full of distractions. We strive to master multitasking. We use project management programs to help tackle our to-do lists (at work and even at home). Push notifications, originally designed to save time by "pushing" important information onto the screen without you having to unlock your phone, now (ironically) serve the opposite purpose, drawing you into apps you never planned to open. The itch to look at an alert, let alone open it, becomes nearly unavoidable. While many distractions seem to be only momentary, new research suggests that their consequences could be monumental. They may even be altering your perception and memories of reality.

Danger of Distractions

Our brains process millions of bits of information each second, assessing what's useful and filtering out what's not. Even while you're reading these words, your brain is hard at work blocking irrelevant miscellany — the ticking of the clock on the wall or the conversation on the other side of the room, perhaps — so you can focus on the task at hand.

Sometimes you need to split your attention between a few different points. When driving, your eyes are constantly on a swivel, looking at the road ahead, reading signage, monitoring the speedometer, and checking the mirrors to sense where you are in relation to others. Your attention is further taxed when you've got a child crying in the backseat or you're absentmindedly monitoring your smartphone notifications.

But ultimately, our brains are not wired for multitasking. Even if it just takes 10 minutes to reply to your boss's email while you're working on a big report, the lapse in concentration could set you back up to 25 minutes.

Besides hurting your performance and slowing you down, scientists at the Ohio State University now say distractions can impact your memory in ways you don't even realize.

For a study published in the Journal of Experimental Psychology: Human Perception and Performance, the team presented 26 participants with a computer screen that depicted four blank squares. Suddenly, all four squares were colored in — but only one had a white outline. The participants had less than the blink of an eye to look at the colored squares before the screen went blank — then they had to identify the color of the square outlined in white. They'd do that by selecting the color on a color wheel and rating their confidence in their answer. (If they just couldn't remember, they could admit that, too.)

Many of the participants were surprisingly successful, despite the speed. "If I were to show you a video, at speed, you'd be like, 'How do people do that?' But people get quite good at it," Julie Golomb, a senior author on the paper, told Fast Company.

A Challenger Approaches

But that wasn't the only challenge. To make things more difficult, Golomb tried to distract participants by surrounding one of the un-outlined squares with four white dots.

Most of the time, the participants were able to effectively ignore the distracting dots. But 20 to 30 percent of the time, they'd report the color of the distractor square instead of the "correct" target square, a mistake the researchers called a "swapping error." Interestingly, the participants who made swapping errors reported the incorrect color "with just as much confidence as the correct color," Golomb said.

Even stranger was the second most common type of error, which researchers called "repulsion errors." In these errors, participants would almost get the color right, but they'd shift it away from the color that distracted them. For example, if the "correct" color were green and the distraction color orange, participants would click on the blue-green area of the wheel — close to the original color, but farther away from the distraction color. It was like they were unconsciously overcompensating for the distraction.

"It wasn't a conscious strategy, but it still changed what they reported," she said. "It still suggests, even if you're not making the big errors, there can still be subtle, profound effects [from a] distractor."

Jiageng Chen, the study's lead author, said the results raise questions about memory.

"Could it be that, if distraction happens with the right timing, you might adopt elements from the distraction into the thing you think you remember?" he said in a press release.

This phenomenon could help to explain all sorts of memory glitches, from everyday issues ("did I remember to lock the door?") to more critical concerns like eyewitness testimony.

"In the real world, you don't just have colored squares, you have all sorts of objects, dimensions, sizes ... the stakes go way up," Golomb said. "But if we're susceptible to making these errors, if we can mix up something as simple as two solid colored squares, what's that mean when we have a whole incredibly cluttered roll of information?"

So slow down and stay focused on one task at a time. Even more important, remind yourself that your memory isn't perfect. You might think you remember everything clear as day, but it's a good idea to double-check just in case.Source:Web
4
মস্তিষ্কের সাথে কম্পিউটার যুক্ত করবে ইলন মাস্কের নিউরালিংক কিংবা স্পেসএক্স এর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে আপনি হয়ত ইলন মাস্ককে চিনে থাকবেন। বিশেষ করে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট (১) উৎক্ষেপণে স্পেসএক্স ফ্যালকন ৯ রকেটের কারণে হলেও ইলন মাস্ককে আপনার চেনার কথা। তার আরো বেশ কিছু প্রযুক্তি কোম্পানি আছে। এদের কোনটা মাটি খুঁড়ে সুড়ঙ্গ তৈরী করে, আবার কোনটা মানুষের মস্তিষ্কের ভিতরে কি হচ্ছে তা জানার চেষ্টা করে যাচ্ছে। ইলন মাস্কের তেমনই এক কোম্পানি হলো নিউরালিঙ্ক। ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কোম্পানিটি এতদিন খুব একটা পরিচিত ছিল না। তবে সম্প্রতি নিউরালিংক তাদের একটি যন্ত্রের ঘোষণার পর থেকে প্রযুক্তি বিশ্ব একটু নেড়েচেড়ে বসেছে।

নিউরালিংক একটি ব্রেইন-মেশিন ইন্টারফেস তৈরী করেছে। সহজ কথায় তারা তাদের আবিষ্কৃত সূতার ন্যায় কিছু কানেক্টর/থ্রেড (সহজ কথা ‘তার’) মানুষের ব্রেইনে ঢুকাবে। অতঃপর সেই তারগুলো (থ্রেড) মাথার খুলির উপর থাকা একটি ছোট্ট চিপের সাথে যুক্ত হবে।

সেই চিপটি কানের সাথে যুক্ত একটি যন্ত্রের মাধ্যমে ব্রেইন থেকে বিভিন্ন নির্দেশ সিগন্যাল হিসেবে কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের পাঠাবে। আর এই সিগন্যাল ব্যবহার করে পক্ষাঘাতগ্রস্থ রোগীরা হাত পা না নাড়িয়ে, এমনকি কোন শব্দ না করেই শুধু চিন্তা করার মাধ্যমে কোন যন্ত্র নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। এটা যদি মানুষের ক্ষেত্রে সত্যিই করা সম্ভব হয় তাহলে তা যে পৃথিবীকে বদলে দেবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। আর এই কারণেই এলন মাস্ক আর নিউরালিঙ্ক নিয়ে এত আলোচনা।

বর্তমানে যে এরকম ব্রেইন মেশিন ইন্টারফেস নেই কিংবা অন্য কোম্পানি এটা নিয়ে গবেষণা করেনি এমনটিও কিন্তু নয়। তবে তাদের এই গবেষণার সবচেয়ে বড় অগ্রগতি হচ্ছে তারা ব্রেইনের ভিতরে ঢুকানোর জন্য যে সূতার ন্যায় বস্তু তৈরী করেছে যা এতই সূক্ষ্ম যে তা মানুষের ব্রেইনের কোন ক্ষতি করবে না। তাই অন্যান্য ব্রেইন মেশিন ইন্টারফেসের চেয়ে এদিক থেকে নিউরালিঙ্ক এগিয়ে আছে।

তাদের একটি গবেষণাপত্র অনুযায়ী এরকম ৯৬ টি তন্তুর এক একটি অ্যারেতে সব মিলিয়ে ৩০৭২টি ইলেক্ট্রোড আছে। এগুলো একসাথে অনেক বেশি ডেটা পরিবহন করতে পারবে। সূতাগুলো মাত্র ৪ থেকে ৬ মাইক্রোমিটার ব্যাসের। তার মানে এগুলো মানুষের চুলের চেয়েও সূক্ষ্ম।

এই তন্তুর পাশাপাশি তারা আরেকটি যন্ত্র তৈরী করেছে যেটি তন্তুগুলোকে অটোমেটিক ব্রেইনে ঢুকিয়ে দিতে পারে। তাদের এসব গবেষণা এতদিন গোপন থাকলেও ইলন মাস্ক গত সপ্তাহে এক প্রেজেন্টেশনে তাদের এসব অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন। ইলন মাস্ক বলেন, নিউরালিংক এর এই ইভেন্টের উদ্দেশ্য কোনো আলোচনা সৃষ্টি করা নয়, বরং তাদের উদ্দেশ্য হলো নিউরালিঙ্কে মেধাবী কর্মীদের জয়েন করতে উৎসাহিত করা।
আপাতত ল্যাবে তারা বিভিন্ন প্রাণীর উপর গবেষণা চালাচ্ছেন। মাস্ক জানান যে এই প্রযুক্তির মাধ্যমে একটি বানর কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে। ইঁদুরের ওপর গবেষণা তো চলছেই। নিউরালিংকের একটি আইফোন অ্যাপও আছে।

নিউরালিঙ্কের গবেষকদের আশা অদূর ভবিষ্যতে তারা ব্রেইনের ভিতরে লেজার বিমের মাধ্যমেই এই তন্তুগুলো যুক্ত করতে পারবেন যেখানে বর্তমানে একই কাজের জন্য ড্রিল মেশিন দিয়ে ছিদ্র করতে হচ্ছে। এমনকি মাস্ক এটাই জানান যে তারা আগামী বছরের শেষদিকে মানব মস্তিষ্কে এটি প্রবেশ করাতে সক্ষম হবেন। এজন্য একটি রোবট তৈরি করা হয়েছে যেটি এই সার্জারিগুলো করবে।



আগেই বলেছি এই ব্রেইন-মেশিন ইন্টারফেস কিন্তু নতুন নয়, যদিও নিউরালিঙ্কের কল্যাণেই ও ইলন মাস্কের জনপ্রিয়তার কারণে এটি এখন আবারও ভাইরাল হচ্ছে। ম্যাথ্যু ন্যাগল নামক স্পাইনাল কর্ড প্যারালাইজড এক রোগীকে প্রথমে ব্রেইন ইমপ্লান্ট করে এ প্রযুক্তিতে তার মনের সাহায্যে কম্পিউটার এর কার্সর নাড়াচাড়া করাতে সক্ষম হন বিজ্ঞানীরা। ২০০৬ সালে তিনি শুধু তার মনের মাধ্যমেই কম্পিউটারে পং গেম খেলতে সক্ষম হন। অবশ্য তখন বিজ্ঞানীরা এর জন্য যে প্রযুক্তি ব্যবহার করেছিলেন সেটার নাম ছিল ব্রেইনগেট, যেটি যুক্তরাষ্ট্রের ব্রাউন ইউনিভার্সিটিতে প্রথম ডেভেলপ করা হয়। অর্থাৎ, নিউরালিঙ্ক হুট করেই আসে নি, বরং এর পিছনে যুগ যুগের গবেষণা ও শিক্ষা কাজ করছে।

তবে হ্যাঁ, পুরাতন ব্রেইনগেট প্রযুক্তিতে মাত্র ১২৮ টি ইলেক্ট্রোড ব্যবহৃত হতো যাকে বলা হয় ইউটাহ অ্যারে। অপর দিকে নিউরালিংক ৩ হাজারের বেশি ইলেকট্রোড ব্যবহার করছে।



Source : https://banglatech24.com/0715351/%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%89%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%95-%e0%a6%87%e0%a6%b2%e0%a6%a8-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%95/
5
HRDI / PGD in HRM - Post Graduate Diploma in Human Resource Management
« Last post by obayed on Yesterday at 11:04:08 AM »
The course is offered by Human Resource Management Institute (HRDI) of Daffodil International University (DIU) in collaboration with Bangladesh Society for Human Resources Management (BSHRM) in order to disseminate academic knowledge and share professional best practices of Human Resource Management before the participants.

Duration 24 Weeks
#Course_fee 35000 BDT
Class schedule every Friday only
Application Deadline
22 December, 2019
Class Begins: 3 January, 2020

1. 20% WAIVER FOR DAFFODIL & BSHRM FAMILY MEMBERS
2. PGDHRM Certificate holder will get the membership of BSHRM at a 50% discounted rate of membership admission fees.


Registration Link:
https://forms.gle/BTRQikgv3H841ET59

For Details Please Contact: 01811458845
6
HRDI / Seminar on Supply Chain Management
« Last post by obayed on Yesterday at 11:01:39 AM »
Free Seminar on Supply Chain Management 

Date: 04 December 2019
Time:3:00 pm to 5:00 pm

Venue: Daffodil International University, Daffodil Tower, Dhanmondi

EXPERT INTERNATIONAL FACILITATOR
Dr. Md. Mamun Habib

Associate Professor, BRAC, Business School, BRAC University
Visiting Scientist of University of Texas – Arlington, USA
& Editor-in-Chief, International Journal of SCM (IJSCM), UK

Registration Link
https://forms.gle/JrLorhyK6vt8DLtn8

For Details Information Contact: 01811458845
7
HRDI / Free seminar on How to give Charismatic Feedback as a Leader
« Last post by obayed on Yesterday at 10:59:28 AM »
Free seminar on How to give Charismatic Feedback as a Leader

Facilitator: Ms. Nadia Afrin
Fellow in a Leadership Development Program, Fellowship at Teach For Bangladesh,
Former research assistant and Former campus Ambassador at Teach For Bangladesh for North South University

Date: 23 November 2019, Saturday
Time: 2.30 PM to 4.30 PM

Venue: Digital Class Room no. 604, Daffodil Tower (6th Floor),
Sobhanbag, Dhanmondi - 27, Daffodil International University, Dhaka.

After successfully completing the seminar we will provide the certificate. (first 40 response)

Registration Form link: https://forms.gle/8u1K14PfjNNGm69QA

For Details Information Contact: 01811458845
8
HRDI / Free seminar on Business E-mail Etiquette & Communication
« Last post by obayed on Yesterday at 10:56:41 AM »
Free seminar on Business E-mail Etiquette & Communication

Facilitator: Mr. Mohammad Shariar Nafees
Program Development and Implementation Specialist
Bangladesh Training and Research Foundation (BTRF)

Date: 23 November 2019, Saturday
Time: 11.00 AM to 1.00 PM

Venue: Digital Classroom 308
Main Campus, Daffodil International University
102, Shukrabad, Mirpur Road, Dhanmondi, Dhaka-1207

After successfully completing the seminar we will provide the certificate. (first 40 response)

Registration Form: https://forms.gle/K1VGe7R7CeGh8J3o8

For Details Information Contact: 01811458845
9
In early 2018, Bangladesh fulfilled all the three eligibility criteria for graduation from the list of Least Developed Countries (LDCs) of the United Nations. The Committee for Development Policy (CDP) is mandated by the General Assembly (GA) and the Economic and Social Council (ECOSOC) to review the list of LDCs every three years and to make recommendations on the inclusion and graduation of eligible countries on the basis of per capita income, human assets index and an economic vulnerability index. The committee is comprised of 24 independent development experts from around the world who review the list of LDCs, based on a rigorous methodology using a wide range of sustainable development indicators which reflect long-term structural barriers. Thus, countries are eligible to enter or leave the LDC category if they meet the defined inclusion or graduation thresholds for the criteria. The graduation thresholds are usually set higher than the regular thresholds in order to ensure that graduation is eventually sustainable. Therefore, Bangladesh now has the prospect of moving ahead from the list of LDCs subjected to the re-assessment of ECOSOC in 2024.

Likewise, according to the World Bank, Bangladesh became a lower middle-income country in 2015. The World Bank assigns the world’s economies into four income groups namely, high, upper-middle, lower-middle, and low. This assignment is based on GNI per capita which is calculated using the Atlas method. The units for this measure and for the thresholds is current US Dollars. These classifications are used by the World Bank to aggregate data for groups of similar countries. Each year on July 1, the classifications are duly updated for two main reasons. First, factors such as income growth, inflation, exchange rates, and population change influence GNI per capita in each country; and second, to adjust inflation and maintain the dollar thresholds by which they can separate the classifications fixed in real terms. After the new thresholds are determined, they remain fixed for 12 months regardless of subsequent revisions to estimates. As of July 1 2018, the new thresholds for classification by income are: high-income (12,055 GNI/capita at current USD), upper-middle income (3,896 - 12,055 GNI/capita at current USD), lower-middle income (996 - 3,895 GNI/capita at current USD) and subsequent low-income countries.

At present there is a broad based aspiration that Bangladesh will soon move up to the middle-income country category. However, in order to ensure a successful transition to the middle income country status, the country must find effective ways to overcome a number of challenges and obstacles. Given the backdrop of the fourth industrial revolution (4IR), at present there are still about 24 million people in Bangladesh who live below the poverty line and the labour force participation rate is only around 58.2 percent. Hence, a lot of efforts will have to be generated to increase the current GNI per capita of 1,909 USD to the middle income threshold of 3,896 USD in the coming years. Although, at first glance overcoming these hurdles may appear to be daunting, technology and innovation can play a key role to promote the sustainable growth of Bangladesh.

The government can adopt several strategies to amplify the overall gross national income. The government can take initiative to declare the next five years as the priority period for the development of overall capacity of the workforce. By introducing intensive skills training measures and initiatives to boost quality education, the government can amplify the capacity of human capital in the country. This in turn will have multifaceted implications on economic growth and development of the country. Citizens with higher level of education and skills will be more proactive, innovative and productive. As a result, they will be able to avail better jobs both home and abroad. The government can also increase employment and productivity through promotion of special economic zones and further integration into the global value chain. A rounded approach to reduce unnecessary transaction cost and various other forms of market failures can also improve the overall innovation scene and the flow of foreign direct investment in the country.

Many nations of the world are now investing heavily on research and innovation in order to stay ahead in the race of competitiveness. According to the Global Innovation Index (GII) of 2019, innovation is blossoming around the world despite the recent slowdown of global economic growth. In fact, there has also been a shift in the global innovation landscape as some middle-income economies are on the rise. Countries around the world are now increasingly focusing on innovation of quality than quantity. While it is true that the innovation inputs and outputs are not equitably shared by all the economies, there are examples that economies can get different return on their innovation investments compared to their comparators. When it comes to innovation, being the small country that it is, Bangladesh offers immense potential. Bangladesh is well known for some of the cutting-edge social innovations, and social enterprises have been successful in Bangladesh. Consequently, prioritising investment on R&D activities across different sectors may also enable the country to both accelerate and sustain its growth journey.

Last but not the least, the government must also prepare for the imminent climatic threats and duly invest on technological solutions to reduce the environmental impact of development activities. It is imperative to keep in mind that drastic actions taken up for a short interval may sometime bring about some of the immediate expected results, but the question remains that what will follow in the long run? As the world prepares for embracing the forthcoming fourth industrial revolution, Bangladesh must also prioritise investment in R&D to grasp the immediate opportunities and mitigate the uncertainties of the future. Finally, increased investment in human capital formation and R&D activities will also ensure continued growth beyond the upper middle income status and help Bangladesh to escape the possible risk of being entangled in the “middle income trap”.


Source: https://www.thedailystar.net/opinion/perspective/news/growing-sustainably-through-research-and-innovation-1827997
10
Migrant and Visa Facility in Various Country / Re: Denmark Green Card Scheme
« Last post by obayed on Yesterday at 10:46:06 AM »
Thanks
Pages: [1] 2 3 ... 10