Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - mukul Hossain

Pages: [1] 2 3 ... 5
1
৬৪টি সংক্ষিপ্ত শব্দের পুর্ন রুপ জানুন
১। Wi-Fi র পূর্ণরূপ — Wireless Fidelity.
২। HTTP এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol.
৩। HTTPS এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol Secure.
৪। URL এর পূর্ণরূপ — Uniform Resource Locator.
৫। IP এর পূর্ণরূপ— Internet Protocol
৬। VIRUS এর পূর্ণরূপ — Vital Information
Resource Under Seized.
৭। SIM এর পূর্ণরূপ — Subscriber Identity Module.
৮। 3G এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation.
৯। GSM এর পূর্ণরূপ — Global System for Mobile
Communication.
১০। CDMA এর পূর্ণরূপ — Code Divison Multiple
Access.
১১। UMTS এর পূর্ণরূপ — Universal Mobile
Telecommunication
System.
১২। RTS এর পূর্ণরূপ — Real Time Streaming
১৩। AVI এর পূর্ণরূপ — Audio Video Interleave
১৪। SIS এর পূর্ণরূপ — Symbian OS Installer File
১৫। AMR এর পূর্ণরূপ — Adaptive Multi-Rate
Codec
১৬। JAD এর পূর্ণরূপ — Java Application
Descriptor
১৭। JAR এর পূর্ণরূপ — Java Archive
১৮। MP3 এর পূর্ণরূপ — MPEG player lll
১৯। 3GPP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation
Partnership Project
২০। 3GP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation Project
২১। MP4 এর পূর্ণরূপ — MPEG-4 video file
২২। AAC এর পূর্ণরূপ — Advanced Audio Coding
২৩। GIF এর পূর্ণরূপ — Graphic Interchangeable
Format
২৪। BMP এর পূর্ণরূপ — Bitmap
২৫। JPEG এর পূর্ণরূপ — Joint Photographic
Expert Group
২৬। SWF এর পূর্ণরূপ — Shock Wave Flash
২৭। WMV এর পূর্ণরূপ — Windows Media Video
২৮। WMA এর পূর্ণরূপ — Windows Media Audio
২৯। WAV এর পূর্ণরূপ — Waveform Audio
৩০। PNG এর পূর্ণরূপ — Portable Network
Graphics
৩১। DOC এর পূর্ণরূপ — Doc**ent (Microsoft
Corporation)
৩২। PDF এর পূর্ণরূপ — Portable Doc**ent Format
৩৩। M3G এর পূর্ণরূপ — Mobile 3D Graphics
৩৪। M4A এর পূর্ণরূপ — MPEG-4 Audio File
৩৫। NTH এর পূর্ণরূপ — Nokia Theme(series 40)
৩৬। THM এর পূর্ণরূপ — Themes (Sony Ericsson)
৩৭। MMF এর পূর্ণরূপ — Synthetic Music Mobile
Application File
৩৮। NRT এর পূর্ণরূপ — Nokia Ringtone
৩৯। XMF এর পূর্ণরূপ — Extensible Music File
৪০। WBMP এর পূর্ণরূপ — Wireless Bitmap Image
৪১। DVX এর পূর্ণরূপ — DivX Video
৪২। HTML এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Markup
Language
৪৩। WML এর পূর্ণরূপ — Wireless Markup
Language
৪৪। CD এর পূর্ণরূপ — Compact Disk.
৪৫। DVD এর পূর্ণরূপ — Digital Versatile Disk.
৪৬। CRT — Cathode Ray Tube.
৪৭। DAT এর পূর্ণরূপ — Digital Audio Tape.
৪৮। DOS এর পূর্ণরূপ — Disk Operating System.
৪৯। GUI এর পূর্ণরূপ — Graphical User Interface.
৫০। ISP এর পূর্ণরূপ — Internet Service Provider.
৫১। TCP এর পূর্ণরূপ — Transmission Control
Protocol.
৫২। UPS এর পূর্ণরূপ — Uninterruptible Power
Supply.
৫৩। HSDPA এর পূর্ণরূপ — High Speed Downlink
Packet Access.
৫৪। EDGE এর পূর্ণরূপ — Enhanced Data Rate for
GSM [Global System for Mobile Communication]
৫৫। VHF এর পূর্ণরূপ — Very High Frequency.
৫৬। UHF এর পূর্ণরূপ — Ultra High Frequency.
৫৭। GPRS এর পূর্ণরূপ — General Packet Radio
Service.
৫৮। WAP এর পূর্ণরূপ — Wireless
Application Protocol.
৫৯। ARPANET এর পূর্ণরূপ — Advanced Research
Project Agency Network.
৬০। IBM এর পূর্ণরূপ — International Business
Machines.
৬১। HP এর পূর্ণরূপ — Hewlett Packard.
৬২। AM/FM এর পূর্ণরূপ — Amplitude/ Frequency
Modulation.
৬৩। WLAN এর পূর্ণরূপ — Wireless Local Area
Network
৬৪। USB এর পূর্ণরূপ — Universal Serial Bus.

2
ইংরেজির কনফিউজিং শব্দ দেখে নিন।

1 Ad (বিজ্ঞাপন)
2 Add (যোগ করা)
3 Advice (উপদেশ)
4 Advise (উপদেশ দেওয়া)
5 Adapt (খাপ খাওয়ানো / মানিয়ে নেওয়া)
6 Adept (পারদর্শী / সুদক্ষ)
7 Adopt (অবলম্বন করা / পোষ্যগ্রহণ করা)
8 Amend (সংশোধন করা / সংস্কার করা)
9 Emend (লিখিত বা ছাপা অক্ষরের ভুল সংশোধন করা)
10 Appraise (যাচাই করা / মূল্য নির্ধারণ করা)
11 Apprise (জ্ঞাত করা / অবগত করান)
12 Accept (গ্রহন করা)
13 Except (ব্যতীত)
14 Aspect (দৃষ্টিভঙ্গি)
15 Expect (প্রত্যাশা করা)
16 Access (প্রবেশের অধিকার)
17 Excess (অতিরিক্ত)
18 Accede (রাজী হওয়া)
19 Exceed (অতিক্রম করা)
20 Ascent (আরহণ)
21 Assent (সম্মতি)
22 Assay (চেষ্টা করা / পরীক্ষা করা)
23 Essay (রচনা / প্রবন্ধ )
24 Affect (প্রভাব্ ফেলা)
25 Effect (ফল / পরিণতি)
26 Accomplice (দূস্কর্মে সহযোগী / দোসর)
27 Accomplish (সম্পাদন করা / সমাধান করা )
28 Angle (কোণ / দৃষ্টি কোণ)
29 Angel (ফেরেস্তা / দেবদূত)
30 Allusion (উল্লেখ / ইঙ্গিত)
31 Illusion (বিভ্রম / ঘোর)
32 Along (বরাবর)
33 Alone (একাকী)
34 Altar (বেদী)
35 Alter (পরিবর্তন করা)
36 Allowed (অনুমতি)
37 Aloud (সশব্দে / উচ্চ স্বরে )
38 Allude (পরক্ষভাবে উল্লেখ করা)
39 Elude (এড়িয়ে যাওয়া)
40 Bad (খারাপ)
41 Bed (বিছানা)
42 Bag (থলে / ব্যাগ)
43 Beg (প্রার্থনা করা)
44 Bat (খেলার ব্যাট / বাদুর)
45 Bet (বাজি ধরা)
46 Beat (প্রহার করা / আঘাত করা)
47 Beet (বীট / এক প্রকার সবজী)
48 Bare (খালি / নগ্ন / নাঙ্গা)
49 Bear (বহন / সহ্য করা / ভালুক)
50 Beach (সমুদ্র উপকুল)
51 Beech (বৃক্ষ বিশেষ)
52 Breach (লঙ্ঘন)
53 Beside (পাশে / নিকটে)
54 Besides (অধিকন্তু / তাছাড়া)
55 Brake (যানবাহনের গতিরোধ করিবার যন্ত্র)
56 Break (বিরতি / ভেঙ্গে যাওয়া)
57 Bone (হাড়)
58 Boon (অনুগ্রহ)
59 Born (জন্মগত / স্বভাবসিদ্ধ)
60 Borne (জন্মদেওয়া / বাহিত)
61 Board (কাষ্ঠফলক /সরকারি বিভাগ )
62 Bored (উদাস / বিষণ্ণ)
63 Birth (জন্ম / সূত্রপাত)
64 Berth (জাহাজ /ট্রেনে ঘুমানোর আসন, নোঙ্গরস্থান)
65 Capital (রাজধানী / প্রধান শহর)
66 Capitol (সরকারী ভবন / আইনসভা ভবন)
67 Canon (কানুন / বিধি)
68 Cannon (বড় কামান )
69 Career (পেশা / অগ্রগতি)
70 Carrier (বাহক / বহনকারী)
71 Calendar (পজ্ঞিকা)
72 Calender (কাপড় ইস্ত্রীর যন্ত্র)
73 Council (পরিষদ / কমিটি )
74 Counsel (পরামর্শ / উপদেশ)
75 Confidant (অন্তরঙ্গ বন্ধু)
76 Confident (নিঃসংশয় / অতিবিশ্বাসী)
77 Complement (পূরক)
78 Compliment (প্রশংসা)
79 Contact (যোগাযোগ / সংযোগ)
80 Contract (চুক্তি / ঠিকা)
81 Corps (সৈন্যদল)
82 Corpse (মূতদেহ)
83 Coarse (সাদামাটা / মোটা)
84 Course (পথ / রুট)
85 Coma (অবচেতন অব্স্থা)
86 Comma (কমা / বিরাম চিহৃ)
87 Censure (নিন্দা / ভৎতসনা)
88 Censor (নিয়ন্ত্রণ / সম্পাদনা)
89 Currant (কিচমিচ)
90 Current (চলতি / প্রচলিত)

collected


3
৬৪টি সংক্ষিপ্ত শব্দের পুর্ন রুপ জানুন
১। Wi-Fi র পূর্ণরূপ — Wireless Fidelity.
২। HTTP এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol.
৩। HTTPS এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol Secure.
৪। URL এর পূর্ণরূপ — Uniform Resource Locator.
৫। IP এর পূর্ণরূপ— Internet Protocol
৬। VIRUS এর পূর্ণরূপ — Vital Information
Resource Under Seized.
৭। SIM এর পূর্ণরূপ — Subscriber Identity Module.
৮। 3G এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation.
৯। GSM এর পূর্ণরূপ — Global System for Mobile
Communication.
১০। CDMA এর পূর্ণরূপ — Code Divison Multiple
Access.
১১। UMTS এর পূর্ণরূপ — Universal Mobile
Telecommunication
System.
১২। RTS এর পূর্ণরূপ — Real Time Streaming
১৩। AVI এর পূর্ণরূপ — Audio Video Interleave
১৪। SIS এর পূর্ণরূপ — Symbian OS Installer File
১৫। AMR এর পূর্ণরূপ — Adaptive Multi-Rate
Codec
১৬। JAD এর পূর্ণরূপ — Java Application
Descriptor
১৭। JAR এর পূর্ণরূপ — Java Archive
১৮। MP3 এর পূর্ণরূপ — MPEG player lll
১৯। 3GPP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation
Partnership Project
২০। 3GP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation Project
২১। MP4 এর পূর্ণরূপ — MPEG-4 video file
২২। AAC এর পূর্ণরূপ — Advanced Audio Coding
২৩। GIF এর পূর্ণরূপ — Graphic Interchangeable
Format
২৪। BMP এর পূর্ণরূপ — Bitmap
২৫। JPEG এর পূর্ণরূপ — Joint Photographic
Expert Group
২৬। SWF এর পূর্ণরূপ — Shock Wave Flash
২৭। WMV এর পূর্ণরূপ — Windows Media Video
২৮। WMA এর পূর্ণরূপ — Windows Media Audio
২৯। WAV এর পূর্ণরূপ — Waveform Audio
৩০। PNG এর পূর্ণরূপ — Portable Network
Graphics
৩১। DOC এর পূর্ণরূপ — Doc**ent (Microsoft
Corporation)
৩২। PDF এর পূর্ণরূপ — Portable Doc**ent Format
৩৩। M3G এর পূর্ণরূপ — Mobile 3D Graphics
৩৪। M4A এর পূর্ণরূপ — MPEG-4 Audio File
৩৫। NTH এর পূর্ণরূপ — Nokia Theme(series 40)
৩৬। THM এর পূর্ণরূপ — Themes (Sony Ericsson)
৩৭। MMF এর পূর্ণরূপ — Synthetic Music Mobile
Application File
৩৮। NRT এর পূর্ণরূপ — Nokia Ringtone
৩৯। XMF এর পূর্ণরূপ — Extensible Music File
৪০। WBMP এর পূর্ণরূপ — Wireless Bitmap Image
৪১। DVX এর পূর্ণরূপ — DivX Video
৪২। HTML এর পূর্ণরূপ — HyperText Markup
Language
৪৩। WML এর পূর্ণরূপ — Wireless Markup
Language
৪৪। CD এর পূর্ণরূপ — Compact Disk.
৪৫। DVD এর পূর্ণরূপ — Digital Versatile Disk.
৪৬। CRT — Cathode Ray Tube.
৪৭। DAT এর পূর্ণরূপ — Digital Audio Tape.
৪৮। DOS এর পূর্ণরূপ — Disk Operating System.
৪৯। GUI এর পূর্ণরূপ — Graphical User Interface.
৫০। ISP এর পূর্ণরূপ — Internet Service Provider.
৫১। TCP এর পূর্ণরূপ — Transmission Control
Protocol.
৫২। UPS এর পূর্ণরূপ — Uninterruptible Power
Supply.
৫৩। HSDPA এর পূর্ণরূপ — High Speed Downlink
Packet Access.
৫৪। EDGE এর পূর্ণরূপ — Enhanced Data Rate for
GSM [Global System for Mobile Communication]
৫৫। VHF এর পূর্ণরূপ — Very High Frequency.
৫৬। UHF এর পূর্ণরূপ — Ultra High Frequency.
৫৭। GPRS এর পূর্ণরূপ — General Packet Radio
Service.
৫৮। WAP এর পূর্ণরূপ — Wireless
Application Protocol.
৫৯। ARPANET এর পূর্ণরূপ — Advanced Research
Project Agency Network.
৬০। IBM এর পূর্ণরূপ — International Business
Machines.
৬১। HP এর পূর্ণরূপ — Hewlett Packard.
৬২। AM/FM এর পূর্ণরূপ — Amplitude/ Frequency
Modulation.
৬৩। WLAN এর পূর্ণরূপ — Wireless Local Area
Network
৬৪। USB এর পূর্ণরূপ — Universal Serial Bus.

4

বজ্রপাত থেকে বাঁচতে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতর ২০টি জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে।
নির্দেশনাগুলো হলো-

১. বজ্রপাতের ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির ধাতব রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করবেন না।

২. প্রতিটি বিল্ডিংয়ে বজ্র নিরোধক দণ্ড স্থাপন নিশ্চিত করুন।

৩. খোলাস্থানে অনেকে একত্রে থাকাকালীন বজ্রপাত শুরু হলে প্রত্যেকে ৫০ থেকে ১০০ ফুট দূরে দূরে সরে যান।

৪. কোনো বাড়িতে যদি পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকে তাহলে সবাই এক কক্ষে না থেকে আলাদা আলাদা কক্ষে যান।

৫. খোলা জায়গায় কোনো বড় গাছের নিচে আশ্রয় নেয়া যাবে না। গাছ থেকে চার মিটার দূরে থাকতে হবে।

৬. ছেঁড়া বৈদ্যুতিক তার থেকে দূরে থাকতে হবে। বৈদ্যুতিক তারের নিচ থেকে নিরাপদ দূতত্বে থাকতে হবে।

৭. ক্ষয়ক্ষতি কমানোর জন্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির প্লাগগুলো লাইন থেকে বিচ্ছিন্ন রাখতে হবে।

৮. বজ্রপাতে আহতদের বৈদ্যুতিক শকে মতো করেই চিকিৎসা দিতে হবে।

৯. এপ্রিল-জুন মাসে বজ্রপাত বেশি হয়। এই সময়ে আকাশে মেঘ দেখা গেলে ঘরে অবস্থান করুন।

১০. যত দ্রুত সম্ভব দালান বা কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিন।

১১. বজ্রপাতের সময় বাড়িতে থাকলে জানালার কাছাকাছি বা বারান্দায় থাকবেন না এবং ঘরের ভেতরে বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম থেকে দূরে থাকুন।

১২. ঘন-কালো মেঘ দেখা গেলে অতি জরুরি প্রয়োজনে রাবারের জুতা পরে বাইরে বের হতে পারেন।

১৩. উঁচু গাছপালা, বৈদ্যুতিক খুঁটি, তার, ধাতব খুঁটি ও মোবাইল টাওয়ার ইত্যাদি থেকে দূরে থাকুন।

১৪. বজ্রপাতের সময় জরুরি প্রয়োজনে প্লাস্টিক বা কাঠের হাতলযুক্ত ছাতা ব্যবহার করুন।

১৫. বজ্রপাতের সময় খোলা জায়গা, মাঠ বা উঁচু স্থানে থাকবেন না।

১৬. কালো মেঘ দেখা দিলে নদী, পুকুর, ডোবা, জলাশয় থেকে দূরে থাকুন।

১৭. বজ্রপাতের সময় শিশুদের খোলা মাঠে খেলাধুলা থেকে বিরত রাখুন এবং নিজেরাও বিরত থাকুন।

১৮. বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠে থাকলে পায়ের আঙুলের ওপর ভর দিয়ে এবং কানে আঙুল দিয়ে মাথা নিচু করে বসে পড়ুন।

১৯. বজ্রপাতের সময় গাড়ির মধ্যে অবস্থান করলে, গাড়ির থাতব অংশের সঙ্গে শরীরের সংযোগ ঘটাবেন না। সম্ভব হলে গাড়িটিকে নিয়ে কোনো কংক্রিটের ছাউনির নিচে আশ্রয় নিন।

২০. বজ্রপাতের সময় মাছ ধরা বন্ধ রেখে নৌকার ছাউনির নিচে অবস্থান করুন।
(collected) social media

5
কেন ইহুদীরা এত বুদ্ধিমান হয়?

ইসরাইলের কয়েকটি হাসপাতালে ৩ বছর মধ্যবর্তীকালীন কাজ করার কারনেই বিষয়টি নিয়ে গবেষনা করার চিন্তা আমার মাথায় আসে।

এতে অমত করার কোনই সুযোগ নেই যে, ইহুদীরা সংগীত, ইঞ্জিনিয়ারিং, জ্ঞান বিজ্ঞান সহ জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই অন্যদের থেকে অনেক অনেক এগিয়ে এবং বিশেষ করে ব্যবসার ক্ষেত্রে। প্রসাধনী, খাদ্য, অস্ত্র, ফ্যাশন, ফিল্ম ইন্ডাষ্ট্রি ইত্যাদি সহ (হলিউড) পৃথিবীর প্রায় সত্তর ভাগের কাছাকাছি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এদের দখলে।

দ্বিতীয় বছর আমি যখন ক্যালিফোর্নিয়া ফেরত যাচ্ছিলাম তখন এই চিন্তা আমার মাথায় আসে যে, স্রষ্টা তাদেরকে কেনো এই বিশেষ ক্ষমতা (বুদ্ধিমত্তা) দিয়ে দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন। এটা কি নিতান্তই কোনো কাকতালীয় ব্যাপার নাকি ব্যাপারটা মনুষ্যসৃষ্ট? ফ্যাক্টরি থেকে যেমন বিভিন্ন জিনিস বানানো যায় তেমন করে কি বুদ্ধিমান ইহুদী বানানো সম্ভব? সকল তথ্য উপাত্ত সঠিক ভাবে সংগ্রহ করে আমার গবেষনা শেষ করতে প্রায় আট বছর সময় লেগে যায়, যেমন: তাদের খাদ্যাভাস, সংস্কৃতি, ধর্ম, গর্ভাবস্থার প্রস্তুতি ইত্যাদি এবং পরবর্তীতে এসব আমি অন্যান্য জাতির সাথে তুলনা করব।

প্রথমেই শুরু করা যাক মহিলাদের গর্ভাবস্থার প্রাক প্রস্তুতি দিয়ে। ইসরাইলে প্রথমেই যে জিনিসটা আমার নজরে আসে সেটা হচ্ছে গর্ভবতী মায়েরা সবসময় গান বাজনা এবং পিয়ানো বাজাবে এবং তাদের স্বামীদেরকে নিয়ে গানিতের বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করবে। গর্ভবতী মহিলারা সবসময় তাদের সাথে গনিতের বই নিয়ে ঘুরে যেটা দেখে সত্যিকার অর্থেই আমি খুব আশ্চার্যিত হয়েছিলাম। এমনকি আমি নিজেও কয়েকবার তাদের গনিতের সমস্যা সমাধান করে দিয়েছিলাম। আমি একবার একজনকে জিজ্ঞেস করেছিলাম যে এটা কি তুমি তোমার গর্ভের সন্তানের জন্য করছো? তখন সে উত্তর দিয়েছিলো হ্যা এটা আমরা করি যাতে শিশু গর্ভে থাকা অবস্থা থেকেই প্রশিক্ষন নিতে পারে এবং পরবর্তীতে জন্মের পর আরো বেশি মেধাবী হয়ে বেড়ে উঠতে পারে। বাচ্চা প্রসবের আগ পর্যন্ত তারা তাদের এই গানিতিক সমস্যার সমাধান চালিয়ে যায়।

এরপরেই যে জিনিসটি আমি পর্যবেক্ষন করি সেটি হচ্ছে তাদের খাদ্যাভাস। গর্ভবতী মায়েরা আলমন্ড খেজুর আর দুধ খেতে খুব ভালবাসে। দুপুরের খাবারের তালিকায় থাকে রুটি এবং মাছ (মাথা ছাড়া), আলমন্ড এবং অন্যান্য বাদাম যুক্ত সালাদ। তারা বিশ্বাস করে যে, মাছ হচ্ছে মস্তিষ্কে পুষ্টি সরবরাহ করে। অপর দিকে মাছের মাথা মস্তিষ্কের জন্য খারাপ। এছাড়াও গর্ভবতী মহিলাদের কডলিভার খাওয়া ইহুদী সংস্কৃতির একটি অংশ।

আমি যখন রাতের খাবারের দাওয়াতে অংশ নিতাম তখন দেখতাম তারা সবসময় মাছ খেতে খুব পছন্দ করত এবং মাংশ পরিত্যাগ করত। তাদের বিশ্বাস মতে, মাছ এবং মাংশ দুটি একসাথে খেলে তা শরীরের কোনো কাজে লাগে না। অপর দিকে, সালাদ এবং বাদাম তাদের খাদ্য তালিকায় অবশ্যই থাকবে, বিশেষ করে আলমন্ড।

তারা যে কোনো প্রধান আহারের আগে ফল খাবে। তারা বিশ্বাস করে যে, যদি প্রধান আহারের পরে ফল খাওয়া হয় তবে তা নিদ্রার উদ্রেগ ঘটাবে যা পাঠ গ্রহনের ক্ষেত্রে বাধার কারন হয়ে দাড়াবে।

ইসরাইলে ধুমপান করা নিষিদ্ধ। যদি আপনি তাদের বাসার অতিথি হয়ে থাকেন তবে বাসার ভিতরে ধুমপান করা থেকে বিরত থাকবেন। না হলে তারা খুব বিনীতভাবে তাদের বাসার বাইরে গিয়ে ধুমপান করবার অনুরোধ জানাবে। ইসরাইলী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের মতে, ধুমপান মস্তিষ্কের কোষ গুলোকে ধীরে ধীরে ধ্বংস করে দেয় এবং শরীরের জ্বীন ও ডিএনএ কে ক্ষতিগ্রস্থ করে। ফলে বংশ পরম্পরায় ত্রুটিযুক্ত মস্তিষ্কের কোষযুক্ত বাচ্চা জন্মগ্রহন করবে। এখানে একটা জিনিস খেয়াল করবেন যে, পৃথিবীর বড় বড় সব সিগেরেটের কম্পানিগুলো কাদের সেটা আপনারা আশা করি ভালো করেই জানেন.....??

বাচ্চারা কি খাবার খাবে সেটা সবসময় তাদের পিতামাতা ঠিক করে দেয়। প্রথমে ফল খাবে এরপর প্রধান খাবার খাবে যেমন রুটি মাছ এরপর কড লিভারের তেল খাবে। আমার দেখা মতে, প্রত্যেকটি ইহুদী বাচ্চারই সাধারনত তিনটি ভাষার উপর দখল থাকে - হিব্রু, আরবী এবং ইংরেজী। শিশুকাল থেকেই প্রত্যেকটি বাচ্চাকে ভায়োলিন এবং পিয়ানো বাজানোর প্রশিক্ষন দেওয়া হয়।

তারা বিশ্বাস করে, এতে করে তাদের আইকিউ লেভেল এর বৃদ্ধি ঘটে এবং বাচ্চারা মেধাবী হয়ে বেড়ে উঠে। জিউস বিজ্ঞানীদের মতে, সঙ্গীতের কম্পন মস্তিষ্কের কোষগুলোকে উদ্দীপিত করে। এ কারনেই ইহুদীদের মাঝে এত মেধাবী মানুষ দেখা যায়।

ক্লাশ এক থেকে ছয় পর্যন্ত তাদেরকে গনিত এবং ব্যবসা শিক্ষা শিখানো হয়। বিজ্ঞান তাদের এক নম্বর পছন্দের বিষয়। ইহুদি বাচ্চারা কিছু বিশেষ ক্রিয়ায় অংশগ্রহন করে যেমন, দৌড়, ধনুবিদ্যা এবং শুটিং। তারা মনে করে শুটিং এবং ধনুবিদ্যা তাদের মস্তিষ্ককে সঠিক ভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষেত্রে সাহায্য করে।

উচ্চ মাধ্যমিকে বিজ্ঞান শিক্ষার উপর বিশেষ জোর প্রদান করা হয়। এসময় তারা বিভিন্ন জিনিস বানানোর চেষ্টা করে থাকে। এর মধ্যে সব ধরনের প্রযেক্ট থাকে। যদিও তাদের বানানো কিছু কিছু জিনিস অনেক হাস্যকর এবং ব্যবহার অযোগ্য লাগতে পারে। কিন্তু সব কিছুতে গুরুত্বের সাথে মনোযোগ দেওয়া হয় বিশেষ করে যদি সেটা হয় যুদ্ধোপকরন, ঔষধ কিংব যন্ত্রবিজ্ঞান। যে সকল প্রকল্প বা ধারনা গুলো সফলতা পায় সেগুলোকে উচ্চ বিদ্যাপীঠ গুলোতে পাঠিয়ে দেওয়া হয় আরো ভালো ভাবে গবেষনা করার জন্য।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বছরে ব্যবসা শিক্ষা অনুষদকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। ব্যবসা শিক্ষার সকল ছাত্র ছাত্রীদের একটি করে প্রজেক্ট দেওয়া হয় এবং তারা শুধু মাত্র পাস করতে পারবে যদি তাদের গ্রুপ (প্রতি গ্রুপে আনুমানিক ১০জন) সেই প্রজেক্ট থেকে ইউএসডি এক মিলিয়ন ডলার লাভ করতে পারে। অবাক হওয়ার কিছুই নেই, এটাই বাস্তবতা এবং এই কারনে পৃথিবীর অর্ধেকেরও বেশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ইহুদীদের দখলে।

আপনারা কি কখনো ইহুদীদের প্রার্থনা করতে দেখেছেন? তারা প্রার্থনা করার সময় সবসময় তাদের মাথা ঝাকায়। তারা বিশ্বাস করে তাদের এই কার্যকলাপ তাদের মস্তিষ্কে আরো অধিক পরিমান অক্সিজেন সরবরাহ করে। ( একই জিনিস ইসলাম ধর্মেও দেখা যায়- তারা নামাজের শেষে সালাম ফিরাবার সময় মাথা ডানে এবং বামে ঘুরায়)।

জাপানীদের দেখলেও দেখতে পাবেন যে তারা তাদের একজন আরেকজনের সাথে দেখা হলে মাথা নামিয়ে সম্মান করে এবং এটা তাদের সংস্কৃতির অংশ। আর জাপানীদের মাঝেও অনেক মেধাবী দেখা যায়। জাপানীরা শুশী (তাজা মাছ) খেতে অনেক পছন্দ করে। আপনার কি মনে হয় মাথা নাড়ানো এবং মাছ খাওয়ার ব্যাপারটা কাকতালীয় কোনো ব্যাপার?

আমেরিকায় ইহুদীদের বানিজ্যিক কেন্দ্র নিউইয়র্কে অবস্থিত যেখান থেকে তাদের জন্য খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ করা হয়। যদি কোনো ইহুদী ব্যক্তির লাভজনক কোনো আইডিয়া থাকে তাহলে সেই বানিজ্যিক কেন্দ্র হতে সুদবিহীন মূলধনের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয় এবং সেটাকে সফল করতে সব ধরনের সহযোগীতা প্রদান করে থাকে। একইভাবে জিউস কোম্পানি, যেমন - স্টারবাক্স, লিভাইস,হলিউড, ওরাকল, কোকাকোলা ডানকিন ডোনাট সহ যে সকল প্রতিষ্ঠান রয়েছে তাদের ফ্রী স্পন্সরশীপ দেওয়া হয়।

নিউইয়র্কে ডাক্তারী পাস করে যে সকল ছাত্রছাত্রী বের হয় তাদেরকে এই বানিজ্যিক কেন্দ্রের আওতায় নিবন্ধন করে বেসরকারী ভাবে প্রেকটিস করতে সুদবিহীন লোনের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। এখন আমি বুঝতে পারছি কেন নিউইয়র্ক এবং কেলিফোর্নিয়ায় স্প্যাশালিস্ট ডাক্তারের এত অভাব।

আমি আগেও বলেছি, ধূমপানের কারনে বংশ পরম্পরায় বোকা/গর্ধভ এক প্রজন্ম বেড়ে উঠে। ২০০৫ সালে আমি যখন সিংগাপুর ভ্রমন করেছিলাম সেখানেও আমি অবাক হয়ে দেখেছিলাম ধুমপায়ীরা সমাজ থেকে বিতাড়িত এবং এক প্যাকেট সিগেরেটের দাম ইউএসডি সাত ডলার। ইসরাইলের মতই ধূমপান সেখানে প্রায় নিষিদ্ধ। সিংগাপুরের সরকার ব্যবস্থা অনেকটা ইসরাইলের মত। আর এ কারনেই সে দেশের বিশ্ববিদ্যালয় গুলো অনেক উচ্চমানের। যদিও দেশটির আয়তন কেবল মাত্র আমেরিকার ম্যানহাটন শহরের সমান।

এবার একটু ইন্দোনেশিয়ার দিকে তাকান। সেখানে মোটামুটি সবাই ধুমপান করে। এক প্যাকেট সিগেরেটের দাম খুবই সস্তা, মাত্র ইউএসডি ০.৭ সেন্টস। ফলাফল, লক্ষাধীক মানুষ কিন্তু জনসংখ্যার খুব কম সংখ্যক মানুষ মেধাবী! দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা আপনি হাতে গুনে বলে দিতে পারবেন, এমন কোনো কিছু তারা উৎপন্ন করে না যা নিয়ে তারা গর্ব করতে পারে। নিচু মানের প্রযুক্তি, এমনকি তারা তাদের নিজেদের ভাষা ছাড়া অন্য কোনো ভাষায় কথাও বলতে পারে না। যেমন: তাদের দেশের মানুষদের জন্য ইংরেজীতে ভালো দখল নেওয়া অনেক কষ্টসাধ্য ব্যাপার। আর এর কারন হচ্ছে ধূমপান করা, বাজে খাদ্যাভাস এবং তাদের সংস্কৃতি।

আমার এই গবেষনায়, ধর্ম এবং জাতি মূল বিষয় বস্তু ছিলো না। কেনো ইহুদীরা এত অহংকারি আর কেনই বা ফেরাউনের সময় থেকে শুরু করে হিটলারের সময় পর্যন্ত এত নিগ্রহের শিকার হতে হয়েছে। আমার মতে বিষয়টা রাজনৈতিক এবং টিকে থাকার অদম্য বাসনা।

আমার এই গবেষনার মূল বক্তব্য ছিলো আমরা কি ইহুদীদের মতন এমন একটা বুদ্ধিমান প্রজন্ম তৈরী করতে পারবো? উত্তর হ্যা হতে পারে। কিন্তু এর জন্য আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যাভাস পরিবর্তন করতে হবে, পরিবর্তন করতে হবে আমাদের বাচ্চা লালন পালনের পদ্ধতিকে। তাহলেই হয়ত তিন প্রজন্ম পর এটা আমরা অর্জন করতে সক্ষম হব।

আপনারা সবাই ভালো থাকবেন, শান্তিতে থাকবেন এবং মানবজাতির কল্যানের জন্য একটি বুদ্ধিমান প্রজন্ম গড়ে তুলতে সক্ষম হবেন, সে আপনি যেই হয়ে থাকেন না কেনো।

মুল লেখক: ড. স্টিফেন কার লিওন
অনুবাদক: আসিফ ইকবাল তারেক
তথ্যসুত্র: দেশেবিদেশে.কম

6
হঠাৎ প্রেসার বেড়ে বা কমে গেলে খুব দ্রুত যা করবেন এবং খাবেন – হাই ব্লাড প্রেসার বা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। সঠিক খাদ্যগ্রহণের মাধ্যমে এর থেকে দূরে থাকা সম্ভব। উচ্চ রক্তচাপ কমানোর জন্য এমন সব খাবারের পরিকল্পনা করতে হবে, যাতে থাকবে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম।

কারণ খাদ্যের এসব উপাদান উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সহায়ক। কম চর্বিযুক্ত দুধ বা চর্বিবিহীন দুধ বা দুধজাত খাদ্য যেমন দই ইত্যাদিতে পাওয়া যায় পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম।

তাজা ফল যেমন আপেল, কলা আর শাকসবজি হচ্ছে পটাশিয়ামের ভালো উৎস। টমেটোতেও আছে বেশ পটাশিয়াম।

বেশি ম্যাগনেশিয়াম পাওয়া যায় দানা শস্য বা গোটা শস্য, বিচি জাতীয় খাবার, বাদাম, শিমের বিচি, ডাল, ছোলা, লাল চালের ভাত, লাল আটা, আলু, সবুজ শাকসবজি, টমেটো, তরমুজ, দুধ ও দই ইত্যাদিতে।

১. কম চর্বিযুক্ত দুধ বা চর্বিবিহীন দুধ বা দুধজাত খাবার প্রতিদিন খেতে হবে ২ থেকে ৩ সার্ভিং। এক সার্ভিং দুধ বা দুধজাত খাবার মানে আধা পাউন্ড বা এক গ্লাস দুধ অথবা এক কাপ দই।

৩. ফল ৪ থেকে ৫ সার্ভিং প্রতিদিন। টুকরো টুকরো করে কাটা আধা কাপ ফল কিংবা মাঝারি সাইজের একটা আপেল বা অর্ধেকটা কলা অথবা আধা কাপ ফলের রস এতে হবে ফলের এক সার্ভিং। ফলের রসের চেয়ে আস্ত ফলই ভালো।

৪. শাকসবজি প্রতিদিন প্রয়োজন ৪ থেকে ৫ সার্ভিং। শাকসবজির এক সার্ভিং মানে এক কাপ কাঁচা শাক বা আধা কাপ রান্না করা শাক।

৫. দানা শস্য প্রতিদিন দরকার ৭ থেকে ৮ সার্ভিং। দানা শস্যের এক সার্ভিংয়ের উদাহরণ হলো এক স্লাইস রুটি অথবা আধাকাপ ভাত বা এক কাপ পরিমাণ গোটা দানা শস্য।

৬. বিচি জাতীয় খাবার প্রতি সপ্তাহে প্রয়োজন ৪ থেকে ৫ সার্ভিং। বিচি জাতীয় খাবারের এক সার্ভিংয়ের উদাহরণ হলো এক কাপের তিন ভাগের এক ভাগ বাদাম বা আধাকাপ রান্না করা শিম বা মটরশুঁটি।

হঠাৎ প্রেসার কমে গেলে কী করবেন?

ব্লাড প্রেসার বা রক্তচাপ মানবদেহে রক্ত সঞ্চালনে চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করে। মানবদেহে রক্তচাপের একটি স্বাভাবিক মাত্রা আছে। তার ওপর ভিত্তি করেই উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেসার ও নিম্ন রক্তচাপ বা লো ব্লাড প্রেসার পরিমাপ করা হয়। উচ্চ রক্তচাপের মতোই নিম্ন রক্তচাপও কিন্তু শরীরের জন্য ক্ষতিকর। লো ব্লাড প্রেসারের আরেক নাম হাইপোটেনশন।চিকিৎসকের মতে, একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের রক্তচাপ থাকে ১২০/৮০। অন্যদিকে রক্তচাপ যদি ৯০/৬০ বা এর আশপাশে থাকে তাহলে লো ব্লাড প্রেসার হিসেবে ধরা হয়। প্রেসার যদি অতিরিক্ত নেমে যায় তাহলে মস্তিষ্ক, কিডনি ও হৃদপিণ্ডে সঠিকভাবে রক্ত প্রবাহিত হতে পারে না তখন এ রোগ দেখা দেয়। আবার অতিরিক্ত পরিশ্রম, দুশ্চিন্তা, ভয় ও স্নায়ুর দুর্বলতা থেকে লো ব্লাড প্রেসার হতে পারে।

লক্ষণ

সাধারণত প্রেসার লো হলে মাথা ঘোরানো, ক্লান্তি, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, বমি বমি ভাব, বুক ধড়ফড় করা, অবসাদ, দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসা ও স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস নিতেও কষ্ট হয়। অতিরিক্ত ঘাম, ডায়রিয়া বা অত্যধিক বমি হওয়া, দেহের ভেতরে কোনো কারণে রক্তক্ষরণ হলে যেমন: রক্তবমি, পায়খানার সঙ্গে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে, শারীরিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত বা দুর্ঘটনার ফলে রক্তপাত ঘটলে এবং অপুষ্টিজনিত কারণেও লো ব্লাড প্রেসার দেখা দিতে পারে।আবার গর্ভবতী মায়েদের গর্ভের প্রথম ৬ মাস হরমোনের প্রভাবে লো প্রেসার হতে পারে। এ সময় মাথা ঘোরানো বা মাথা হালকা অনুভূত হওয়া, মাথা ঘুরে অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, বসা বা শোয়া থেকে হঠাৎ উঠে দাঁড়ালে মাথা ঘোরা বা ভারসাম্যহীনতা, চোখে অন্ধকার দেখা, ঘন ঘন শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়া, হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া, খুব বেশি তৃষ্ণা অনুভূত হওয়া, অস্বাভাবিক দ্রুত হৃদকম্পন, নাড়ি বা পালসের গড়ি বেড়ে যায়।প্রাথমিক চিকিৎসা

লো ব্লাড প্রেসার বা নিম্ন রক্তচাপ নিয়ে অনেকেই চিন্তায় থাকেন। তবে বিষয়টি নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। কারণ এটা উচ্চ রক্তচাপের চেয়ে কম ক্ষতিকর ও স্বল্পমেয়াদী সমস্যা। আর প্রেসার লো হলে বাড়িতেই প্রাথমিক কিছু পদক্ষেপ নেওয়া যায়।এক্ষেত্রে হঠাৎ প্রেসার কমে গেলে যা করবেন-লবণ-পানি

লবণ রক্তচাপ বাড়ায়। কারণ এতে সোডিয়াম আছে। তবে পানিতে বেশি লবণ না দেওয়াই ভালো। সবচেয়ে ভালো হয়, এক গ্লাস পানিতে দুই চা-চামচ চিনি ও এক-দুই চা-চামচ লবণ মিশিয়ে খেলে। তবে যাদের ডায়াবেটিস আছে, তাদের চিনি বর্জন করাই ভালো।কফি-হট চকলেট

হঠাৎ করে লো প্রেসার দেখা দিলে এক কাপ কফি খেতে পারেন। স্ট্রং কফি, হট চকোলেট, কমল পানীয়সহ যে কোনো ক্যাফেইন সমৃদ্ধ পানীয় দ্রুত ব্লাড প্রেসার বাড়াতে সাহায্য করে। আর যারা অনেক দিন ধরে এ সমস্যায় ভুগছেন, তারা সকালে ভারী নাশতার পর এক কাপ কফি খেতে পারেন।বিটের রস

বিটের রস হাই ও লো প্রেসার দুটোর জন্য সমান উপকারী। এটি রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। এভাবে এক সপ্তাহ খেলে উপকার পাবেন।বাদাম

লো-প্রেসার হলে পাঁচটি কাঠবাদাম ও ১৫ থেকে ২০টি চিনাবাদাম খেতে পারেন। এটা পেসার বাড়াতে সহায়তা করে।পুদিনা

ভিটামিন ‘সি’, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও প্যান্টোথেনিক উপাদান যা দ্রুত ব্লাড প্রেসার বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মানসিক অবসাদও দূর করে পুদিনা পাতা। এর পাতা বেটে নিয়ে এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন।যষ্টিমধু

আদিকাল থেকেই যষ্টিমধু বিভিন্ন রোগের মহৌষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এক কাপ পানিতে এক টেবিল চামচ যষ্টিমধু দিয়ে রেখে দিন। ২-৩ ঘণ্টা পর পান করুন। এছাড়া দুধে মধু দিয়ে খেলেও উপকার পাবেন।স্যালাইন

শরীরে পানিশূন্যতা ও ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতার কারণে নিম্ন রক্তচাপ হলে শুধু খাবার স্যালাইন মুখে খেলেই প্রেসার বেড়ে যায়। লো ব্লাড প্রাসারে খাবার স্যালাইন সবচেয়ে উপযোগী এবং তাৎক্ষণিক ফলদায়ক।তবে যেসব ওষুধে রক্তচাপ কমে বা লো প্রেসার হতে পারে, সেসব ওষুধ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করুন। যাদের দীর্ঘমেয়াদি নিম্ন রক্তচাপে ভুগছেন তারা অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। চিকিৎসকরা নিম্ন রক্তচাপের কারণ শনাক্ত করে তারপর ব্যবস্থাপত্র দিয়ে থাকেন। লো ব্লাড প্রাসারে খাবার স্যালাইনের পাশাপাশি কার্বোহাইড্রেট এবং গ্লুকোজ খেলেও কিন্তু ভালো উপকার পাওয়া যায়। এছাড়া লো প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সময় মতো পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা উচিত।

Source:
DhakaNewsLive

7
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) মানব শরীরের জন্য ফরমালিনের গ্রহণযোগ্য মাত্রা নির্ধারণ করেছে শূন্য দশমিক ১৫ পিপিএম।

অথচ ডিএমপি, বিএসটিআই ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর সহনীয় মাত্রা বানিয়ে নিয়েছে ২ পিপিএম। যা আন্তর্জাতিক মানের চেয়ে প্রায় ১৪ গুণ বেশি!

খাদ্যে ফরমালিনবিরোধী অভিযানে নিরাপদ খাদ্য আইনের (২০১৩) ২৩ ধারাকে ব্যবহার করা হয়। এতে উল্লেখ আছে, স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য (যেমন— ক্যালসিয়াম কার্বাইড, ফরমালিন, সোডিয়াম সাইক্লামেট), কীটনাশক (ডিডিটি, পিসিবি তেল) বা অন্য কোনো বিষাক্ত দ্রব্য মিশ্রিত খাদ্যদ্রব্য মজুদ, বিপণন বা বিক্রি করা যাবে না।

সংশয় আর আতঙ্ক থেকে মুক্ত করতে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউটের (বিএসটিআই) পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করে বিভিন্ন ফলের নমুনায় ক্ষতিকর মাত্রায় ফরমালিন পাওয়া যায়নি। আর এই প্রতিষ্ঠানটি মৌসুমি ফলের ওপর পরীক্ষা পর্যবেক্ষণ চালায়।

পরীক্ষায় তারা ধারণা করে যে, আম, জাম, লিচু, কাঁঠাল, তরমুজ, লেবু, পেঁপে, আনারস, পেয়ারা, জামরুল, বেল, কতবেল ও ডেউয়া ইত্যাদি মৌসুমি ফলের মধ্যে ফরমালিন মেশানো যায় না। তবে আমের মধ্যে মেশানো গেলেও তা খুব অল্প পরিমাণে মেশানো যায়। আর তা যদি খাওয়ার আগে পানিতে ভালভাবে ধুয়ে নেয়া যায় তাহলে আর কোনো ভয় থাকে না।

জনস্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের ফুড সেফটি ল্যাবরেটরিতে ২৭টি ফলের নমুনা পরীক্ষা করেছে। এর মধ্যে ১৬টি নমুনা আমের, ৬টি লিচুর ও কলা, খেজুর, আঙুর, আপেল ও মাল্টার একটি করে নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এসব নমুনায় ফরমালডিহাইডের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

তবে ইউরোপিয়ান ফুড সেফটি অথরিটির (ইএফএসএ) নির্ধারিত সহনশীল মাত্রার চেয়ে কম। ইউরোপিয়ান ফুড সেফটি অথরিটি আমের ক্ষেত্রে ৬ থেকে ৩৫ পিপিএম (পার্টস পার মিলিগ্রাম) সহনশীল বলে মনে করে। ফুড সেফটি ল্যাবরেটরিতে ১৬টি আমের নমুনায় ০.৬৫ থেকে ৯.৪৬ পিপিএম পর্যন্ত ফরমালডিহাইড পাওয়া গেছে।

ফুড সেফটি ল্যাবরেটরির পরীক্ষক পান্না ওয়াহেদের ভাষ্য, ফরমালিনের ভয়ে মৌসুমি ফল খাওয়া বাদ দেওয়ার কোনো কারণ নেই। কারণ পরীক্ষায় মাত্রার চেয়ে বেশি ফরমালিন ধরা পড়ছে না। তবে যাঁরা আরো সতর্কতা অবলম্বন করতে চান তাঁরা ধুয়ে খেতে পারেন।

যেভাবে ঘরে বসে খাবার থেকে ফরমালিন দূর করতে পারবেন-
মাছের শরীর থেকে ফরমালিন দূর করতে মাছটি অন্তত ১ ঘণ্টা ঠাণ্ডা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। পরিক্ষায় দেখা গিয়েছে এতে করে মাছের শরীরে যে ফরমালিন থাকে সেটি প্রায় ৬১% কমে গেছে।

আরও একটি কার্যকর উপায় হল মাছটি রান্না করার আগে কমপক্ষে ১ ঘণ্টা লবন পানিতে ডুবিয়ে রাখা, এতে করে মাছের ফরমালিনের পরিমাণ প্রায় ৯০% কমে যাবে।

আরও একটি কার্যকর পদ্ধতি হচ্ছে, আপনি যখন চাউল ধুবেন এবং প্রথম বার চাউল ধোবার সময় যে পানি বের হবে সেটি দিয়ে প্রথমে মাছটি ধুয়ে নিন এরপর আবার সাধারণ কলের পানি দিয়ে ধুবেন। দেখবেন এতে করে প্রায় ৭০% ফরমালিন দূর হয়ে যাবে।

কোন ফলমূল খাবার আগে সেটি হালকা গরম এবং লবন মিশ্রিত পানিতে ১০ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন। এতে করে ফরমালিনের পরিমাণ প্রায় ৯৮% ভাগ দূর হবে (পরিক্ষিত)।

আমাদের দেশে এখন শুঁটকি মাছেও প্রচুর পরিমানে ফরমালিন মেশানো হচ্ছে। শুঁটকি মাছ থেকে ফরমালিন দূর করতে ঠিক একই রকম পন্থা অবলম্বম করবেন। প্রথমে ১ ঘণ্টা লবন মিশ্রিত হালকা গরম পানিতে পরে ১০ মিনিট ঠাণ্ডা পানিতে ধুয়ে ফেলুন। এতে করে ফরমালিন তো দূর হবেই পাশাপাশি মাছের স্বাদও বাড়বে।

অনেক সময় ফলমুলে বিশেষ করে আম, লিচুতে স্প্রে করার মাধ্যমে ফরমালিন দেয়া হয়। সেজন্য গাড় বা উজ্জল রঙের ফল কেনা থেকে বিরত থাকুন।
collected

8
বর্তমান মৌসুমে ডেঙ্গু জ্বরের মতোই ভাইরাসজনিত একটি অসুখ দেখা যাচ্ছে। এতে দেহের তাপমাত্রা হঠাৎ অনেক বেড়ে ১০৪ ডিগ্রি বা আরও বেশি উঠে। এ জ্বরের নাম চিকুন গুনিয়া।

জ্বরের বৈশিষ্ট্য

* কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে না বা ঘাম দিয়ে জ্বর সারে না।

* জ্বরের সঙ্গে মাথাব্যথা, চোখ জ্বলা, গায়ে লাল দানার মতো র‌্যাস, অবসাদ, অনিন্দ্রা, বমি বমি ভাব দেখা দিতে পারে।

* শরীরের বিভিন্ন স্থানে যেমন মাংসপেশিতে বা অস্থিসন্ধিতে তীব্র ব্যথা ও ফুলে যেতে পারে। এ জন্য হাঁটা-চলায় দুর্বলতা বোধ হয়।

* সাধারণত ২-৫ দিন জ্বর থাকে।

* ডেঙ্গুর মতো চিকুন গুনিয়া জ্বরে মৃত্যুঝুঁকি থাকে না, কারণ এতে প্লাটিলেট কমে যায় না এবং রক্তক্ষরণের ঝুঁকিও থাকে না।

করণীয়

* মশা যাতে কামড় দিতে বা শরীরে বসতে না পারে সেদিকে সতর্ক থাকতে হবে।

* এডিস মশার কামড়ে এ জ্বর হয়। এর কোনে প্রতিষেধক বা টিকা নেই।

* এ মশা দিনেরবেলায় বেশি কামড়ায়।

চিকিৎসা

* জ্বর ভালো না হওয়া পর্যন্ত রোগীকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে।

* প্রচুর পানি, ফলের জুস ও অন্যান্য তরল যথেষ্ট পরিমাণ খেতে হবে। জ্বরের জন্য প্যারাসিটামলই যথেষ্ট।

মেডিসিন ও বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
Daily Jugantor

9
একজন পীড়াদায়ক বস শুধু আপনার কর্মক্ষেত্রকে বিষময় করেই তোলে না। বরং আপনার ব্যক্তিগত জীবনকেও প্রভাবিত করে। টেম ইয়োর টেরিবল অফিস টেরেন্ট: হাউ টু ম্যানেজ চাইল্ডিস বস বিহ্যাভিয়র এবং থিরিভ ইন ইয়োর জব বইয়ের লেখক লিন টেলরের প্রতিষ্ঠানের করা একটি জরিপে দেখা গেছে, কর্মীরা সপ্তাহে ১৯.২ ঘণ্টা ব্যয় করেন তাদের বস কী করেন কিংবা বললেন সেটা নিয়ে চিন্তা করে, যার মধ্যে ১৩ ঘণ্টা ব্যয় করেন কাজের সময় এবং ৬.২ ঘণ্টা ব্যয় করেন ব্যক্তিগত সময়ে।

লিন টেলর বলেন, একজন পীড়াদায়ক বস আপনার ক্যারিয়ার এবং ব্যক্তিগত জীবনকে বিষময় করে তুলবে। অপরপক্ষে একজন ভালো বস আপনার ক্যারিয়ারকে সমৃদ্ধ করতে সহায়তা করবেন।

আপনার ক্যারিয়ারের জন্য ক্ষতিকর এমন বস চেনার জন্য কিছু চিহ্নর কথা তুলে ধরা হয়েছে এমএসএন-এর এক প্রতিবেদনে। উল্লেখিত চিহ্নগুলো হলো-

বসের যদি প্রিয়পাত্র থাকে

প্রতিষ্ঠানে আপনার বসের যদি প্রিয়পাত্র থাকে, তাহলে প্রতিষ্ঠানের জন্য যত কাজই করেন তার কাছে মূল্যায়িত হবে না। তিনি এটাও বুঝতে পারবেন না যে, তিনি আপনার সঙ্গে অন্যায় করছেন। টেলর বলেন, আপনি কী কাজ করলেন অথবা কী অর্জন করলেন, সেটা কোনো ব্যাপারই হবে না এবং এটা ওইসব তোষামদকারী মানুষদের দ্বারা খর্ব হবে।

বস যদি অতিরিক্ত আশা দেখান

অতিরিক্ত আশা দেখানো বসরা অবিশ্বাসযোগ্য। আপনার বস যদি আপনার পদোন্নতি, দায়িত্ব বৃদ্ধি, বেতন বৃদ্ধির আশ্বাস দেন এবং কাজের ক্ষেত্রে নীরব থাকেন, তবে আপনার উচিত ই-মেইলের মাধ্যমে তার সঙ্গে আলোচনা করা। যদি ই-মেইলে কোনো উত্তর না আসে, তবে এখানে আপনার উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো কারণ রয়েছে।

বস যদি আড়ালে কথা বলেন

যখন আপনার বস কর্মীদের সম্পর্কে কানাঘুষা করেন, তবে তা খুবই বিশ্রী এবং অপেশাদারী একটি কাজ। দেখবেন আপনার সঙ্গে যেমন অন্যের বিষয়ে বলে, তেমনই আপনাকে নিয়েও অন্যের কাছে কানাঘুষা করেন।

বস যদি প্রতিনিয়ত সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন

বস সকালে আপনাকে এক কথা বলবেন, দুপুরের খাবারের পর আবার আরেক গল্প দিবেন। এ ধরনের বসের সঙ্গে কাজ করা খুবই সমস্যাদায়ক। কারণ এটা আপনার টিমের উদ্যোগ ও কাজকে প্রভাবিত করে।

ভুলের জন্য দোষারোপ কিন্তু সফলতায় কৃতজ্ঞতা জানান না

আপনার কোনো ভুল হলে বস যদি সঙ্গে সঙ্গেই আপনাকে সকলের সামনেই অপমান করেন, তবে আপনি বসকে পীড়াদায়ক মনে করতেই পারেন। কারণ ভালো বসরা জানেন যে, কর্মীর ভুলের বিষয়ে তার সঙ্গে একান্তভাবেই কথা বলা উচিত। এছাড়াও ভালো বসরা আপনার কাজের জন্য কৃতজ্ঞতা জানাবেন।

আপনার কাজ কখনোই যথেষ্ট নয়

আপনার বস যদি আপনাকে প্রচুর কাজ দেন এবং আপনি প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টা করে সপ্তাহে ৭ দিন কাজ করলেও তিনি সন্তুষ্ট না হন, তবে আপনাকে বুঝতে হবে আপনি কখনোই তাঁকে সন্তুষ্ট করতে পারবেন না। দিনের একটা নির্দিষ্ট সময় কাজ তো দূরে থাক, আপনার ব্যক্তিগত জীবনেও এর প্রভাব পড়বে। এ অবস্থায় আপনি যদি কথা না বলেন তবে তিনি আপনাকে পুশ করতেই থাকবেন।

আপনার বস কখনোই ভুল নন

আপনার বস যদি ভুল স্বীকার করতে অস্বীকৃতি জানায়, তবে বুঝতে হবে তিনি আপনার জন্য কখনোই তার জায়গা থেকে সরবেন না। লিন টেলরের এক জরিপে অংশগ্রহণকারী ৯১ শতাংশ কর্মী বলেছেন, ম্যানেজার হিসেবে ভুল স্বীকার করা কর্মীদের কর্মক্ষেত্রে সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

বস যদি আপনাকে তার মতোই দেখতে চান

বেশিরভাগ মানুষই অন্যদেরকে তার মতো দেখতে পছন্দ করেন। কিন্তু ভালো বসরা জানেন, ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তিত্বই টিমকে আরও উন্নত করতে পারে। যদি আপনার বস আপনার সকল কাজেই তার প্রতিচ্ছবি দেখতে চান, তবে আপনি তাদের একটি কিংবা দুটি পরামর্শ গ্রহণ করুন এবং বাকিগুলোর জন্য তাকে ধন্যবাদ দিন। নিজের জায়গাতেই থাকুন এবং আপনার বসের পরামর্শকে যে আপনি মূল্যায়ন করেছেন তাকে সেরকমটা দেখান।

collected
লেটেস্টবিডিনিউজ.কম/এসভি

10
 দ্রুতগতির এই পৃথিবীতে আপনার সন্তান বেড়ে উঠছে প্রতিনিয়ত একরাশ পরিবর্তনকে চোখের সামনে দেখে দেখে। অনেক সময় আপনার ছোট্ট সন্তানটি হয়তো তার ছোট্ট ভাবনার পৃথিবীতেই সম্মুখীন হয় অনেক জটিলতার। যা হয়তো সে কারো সাথে বলতে পারে না। ক্রমাগত চেপে রাখতে রাখতে হয়তো সে হয়ে ওঠে কিছুটা অন্তর্মুখী। অথবা চারদিকের নানা অসুস্থ প্রতিযোগিতার মাঝে বেড়ে উঠতে গিয়ে হয়তো কখনো একরাশ হতাশা কাজ করে তার মাঝে। অনেক সময় এসবের সমাধান করতে না পেরে হয়তো আপনার সন্তানটি পা বাড়ায় কোন ভুল পথে, হয়ে পড়ে মাদকাসক্ত বা বেছে নেয় আত্মহত্যার পথ। এসব থেকে সুরক্ষিত রাখুন আপয়ার সন্তানকে। ছোটবেলা থেকে তার বন্ধু হয়ে উঠুন।

প্রতিদিন তাকে বলুন এই ১০ টি কথা। এগুলো তাকে অনুপ্রেরণা যোগাবে আর কখনোই দূরত্ব বাড়তে দেবে না আপনার সাথে।

১। আমি তোমাকে বিশ্বাস করিঃ

প্রতিদিন একবার বলুন এ কথাটা। এই কথাটার ভেতরে লুকিয়ে থাকা অপূর্ব এক শক্তি আপনার সন্তানকে কখনোই আপনার বিশ্বাস ভেঙে দেবার মতন খারাপ কাজগুলো করতে দেবে না।


কোন ভুল পথে পা দেবার আগে একবার হলেও তার কানে বাজবে আপনার আস্থার এই কথাটি। সে ফিরে আসবেই!

২। তোমাকে আমি ভীষণ ভালোবাসিঃ

সন্তানকে ভালোবাসেন সব বাবা মাই! কিন্তু আমাদের সমাজে এ কথাটা বলার প্রচলন একেবারেই নেই। আমাদের সন্তানেরা তাদের মা বাবার কেবল শাসনের রূপটিই তাই দেখে, ভালোবাসাটা অনুভব করতে পারে না সেভাবে। ভালোবাসা প্রকাশ খারাপ কিছু নয়। তাই রোজ রাতে ঘুমুতে যাবার আগে সন্তানের মাথায় হাঁট বুলিয়ে একবার বলুন কথাটা। দেখবেন কি অসাধারণ প্রভাব পড়ছে এতে!

৩। তুমি পারবেঃ

আপনার সন্তানের মাঝে আত্মবিশ্বাস তৈরী করতে সবচেয়ে মূখ্য ভূমিকা পালন করতে পারে আপনার এই ছোট্ট একটি কথা। তাই যখনই আপনার সন্তান কোন কাজ করতে যাচ্ছে বা কোন কিছুতে সাময়িক ব্যর্থ হয়েছে, তাকে এ কথাটি বলুন। আপনার সন্তান আসলেই তা করে দেখাবে!

৪। হাল ছেড়ে দিও নাঃ

মাঝে মাঝে হয়তো আপনার সন্তান হতাশ হয়ে পড়তে পারে কোন কাজে আশানুরূপ ফল না পেয়ে। কিন্তু এতে তাকে বকা ঝকা না দিয়ে তার হারানো উদ্যম ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা করুন। তার অনুভূতি জানতে চান, এবং এ কথাটি বলুন।

৫। সবাই শিখতে শিখতেই বিখ্যাত হয়, ঠিক তোমার মতঃ

সন্তানের সামনে কোন একজন আদর্শ সফল ব্যক্তিকে রাখুন। যেমন স্টিফেন হকিংস। তার জীবনের চেষ্টা, পরিশ্রমের মাধ্যমে অর্জিত সাফল্যের কথা সন্তানকে শোনান। উৎসাহ দিন যে একদিন সেই উচ্চতায় তার পক্ষেও পৌঁছানো অসম্ভব কিছু নয়!

৬। তুমি নিরাপদে আছো, তোমাকে সবাই পছন্দ করেঃ

বিশেষত কৈশোরে সন্তানেরা এক ধরনের নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে, তাদের মনে হয়, কেউ তাদের ভালোবাসে না। এই নিরাপত্তাহীনতার জায়গা থেকে তারা ভুল ভাল প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে, হতে পারে মাদকাসক্তও। তাই এই নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি থেকে বের করে আনতে এই কথাটি বলুন।

৭। আমি তোমার বন্ধু, যেমনটা তুমি আমারঃ

সন্তানের বন্ধু হতে হলে আগে তাকে এটা বুঝতে দিন যে আপনিও তাকে বন্ধু মনে করেন। দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট কাজে তার পরামর্শ জানতে চান। তাকে বলুন, আপনি তাকে বন্ধু ভাবেন এবং আপনি নিজেও তার বন্ধু। এতে সন্তান কোন অপরাধ করে এলেও আপনার কাছে স্বীকার করবে সহজেই!

৮। আমি তোমাকে বুঝতে পারিঃ

এটা খুব জরুরী! পৃথিবীর প্রতিটা মানুষই চায় যে, তাকে কেউ না কেউ বুঝুক। তাই এই চাওয়ার জায়গাটাকে গুরুত্ব দিন। সন্তানও ভবিষ্যতে আপনার চাওয়াকে গুরুত্ব দেবে নিঃসন্দেহে!

৯। চর্চা করো, তোমাকে দিয়ে সব সম্ভবঃ

আপনার সন্তান হয়তো কোন একটি বিষয়ে ভালো করতে পারছে না। এক্ষেত্রে তাকে হতাশ করে এমন কণ কথা না বলে চর্চার পরামর্শ দিন।

১০। তুমি পারবে না এমন কোন কাজ নেইঃ

একজন মানুষকে দিয়ে কখনোই সব কিছু হওয়া সম্ভব না। কিন্তু সন্তানকে এ কথাটি বলুন তার সাহস বাড়াতে। এতে তার চেষ্টার পরিমাণ বেড়ে যাবে হাজারগুণে।

আপনার ও আপনার সন্তানের মাঝে কখনোই দূরত্ব সৃষ্টি না হোক। রক্তের বন্ধন হোক অমলিন।

 See more at: http://www.priyo.com/2014/09/08/104218.html#sthash.ku5QJtSC.y8b84s20.dpuf

11
You need to know / প্রিয় ব্যবস্থাপক
« on: May 30, 2016, 04:50:55 PM »
প্রিয় ব্যবস্থাপক-

সাধ ও সাধ্যের অতিরিক্ত কাজ দিয়ে কাউকে ব্যর্থ হতে দেবেন না,
বরং কাজে সফল হতে সহযোগিতা করুন, কাজের স্বীকৃতি দিন-
দেখবেন কঠিন কাজের ঝুঁকি নিতে সে প্রস্তুত হয়ে গেছে।

দোষ খুঁজে বেড়াবেন না, ভালো কাজটিকে হাইলাইটস করে কাজে উৎসাহিত করুন,
মনে রাখবেন-
জনশক্তির মোটিভেশনের দায়িত্বটা আপনারই।

সিদ্ধান্তের ক্ষমতাকে সবসময় কেন্দ্রীভুত করবেন না, মাঝে মাঝে তা বন্টন করুন,
কারণ
একটি কাজের সফল পরিসমাপ্তিই তো আপনার টার্গেট।

শুধু কর্মকর্তা নয়, কর্মীদের সাথেও মাঝে মাঝে পরামর্শ করুন-
জানেন তো, পরামর্শই কাজের শ্রেষ্ঠ মোটিভেশন।

অধঃস্থনদের কিছু কিছু ভুলত্রুটি ওভারলুক করুন-
সব বিষয়ে সংশোধনী দিতে গিয়ে, নিজে হাল্কা হবেন না।

তাদেরকে ভালোবাসুন, তবে ব্যক্তিত্বের ভয়টুকু অক্ষুন্ন রেখে-
অন্যথায় ভদ্র মানুষ হতে পারবেন, ভালো প্রশাসক নয়।

আদেশ ও আনুগত্যের ভারসাম্য রক্ষা করুন
আনুগত্য করার পরিবেশ বজায় রাখুন,
কোন বিষয় নিয়ে বেশি কচলাবেন না-
জানেন তো, এতে লেবু তিতা হয়ে যায়।

অধঃস্থনদের অভাব অভিযোগ ও কথা মনযোগ দিয়ে শ্রবন করুন-
নিশ্চয় জানেন, এই শ্রবনের মাঝেই অর্ধশত ভাগ সমাধান লুকায়িত।
কখনো প্রান্তিক কথা বলে, আলোচনার দরজা রুদ্ধ করবেন না-
কথা বলা ও শুনার পরিবেশ বজায় রাখুন,
সমস্যার সমাধান করতে পারবেন।

অধিনস্থদের কাছ থেকে ব্যক্তিগত সেবা গ্রহন করা থেকে বিরত থাকুন-
মনে রাখবেন, সেবা গ্রহণকারী হাত কখনো তর্জনী তুলে কথা বলতে পারেনা।

উপহার বা হাদিয়ার উদ্দেশ্য বুঝার চেষ্টা করুন, উদ্দেশ্য প্রণোদিত যে উপহার, তা বর্জন করুন-
উপহার গ্রহন করার আগে মনকে জিজ্ঞেস করুন ভালোবাসার প্রশ্নে তা উত্তীর্ণ কিনা।

অধঃস্থনদের কারো কারো মাঝের সুসম্পর্ককে সংকীর্ণ দৃষ্টিতে দেখবেন না, গ্রুপিং মনে করবেন না, বরং আপনিও ঐ গ্রুপের একজন সদস্য হন,
দেখবেন-
আপনার সমস্ত শংকাকে ভুল প্রমান করে প্রতিষ্ঠানে মাত্র একটি গ্রুপ তৈরি হয়েছে, যার গ্রুপ লিডার আপনি।

সর্বোপরি ৮ ঘন্টা আপনার কাছে থাকা এই মানুষগুলোকে ২৪ ঘন্টার একজন মানুষ হিসেবে বিবেচনা করুন,
দেখবেন-
আপনি দক্ষ প্রশাসকই নন, একজন প্রিয় অভিভাবকও বটে।
collected

12
Geography / বজ্রপাত বাড়ছে কেন?
« on: May 14, 2016, 05:30:47 PM »
কেন বাড়ছে বজ্রপাত? কেন বাড়ছে মৃত্যু? এ প্রশ্নে আবহাওয়াবিদরা বলছেন, বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি আর জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেই বাড়ছে বজ্রপাত। তাপমাত্রা যত বাড়বে বজ্রপাত তত বাড়বে। তবে একটু সচেতন হলেই বজ্রপাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ শামীম হাসান ভূঁইয়া বলেন, প্রাকৃতিক কারণেই বজ্রপাত হয়। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে গত ৪০ বছরে বাংলাদেশের তাপমাত্রা শূন্য দশমিক ৭ ডিগ্রি বৃদ্ধি পেয়েছে। তাপমাত্রা এক ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেলে ২০ শতাংশ বজ্রপাত বৃদ্ধি পায়। এ হিসাবে বজ্রপাত প্রায় ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

আবহাওয়াবিদ আবদুল মান্নান জানিয়েছেন, রেকর্ড অনুযায়ী ১৯৮১ সাল থেকে দেশে বজ্রপাতের সংখ্যা বাড়ছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণেই এটা হচ্ছে। চলতি বছরের এপ্রিল

ও মে মাসের তাপমাত্রা স্বাভাবিক গড় তাপমাত্রার চেয়ে বেশি। এ কারণে এবার বজ্রপাতের সংখ্যাও বেশি।

শামীম হাসান ভূঁইয়া জানান, উচ্চ তাপমাত্রার কারণে বায়ুমণ্ডল উত্তপ্ত হয়ে আছে। এ কারণে জলীয়বাষ্প যখন এর সংস্পর্শে আসছে বজ্রপাতও আগের তুলনায় বেশি হচ্ছে। তিনি জানান, বজ্রমেঘ বা সিভি ক্লাউডের কারণে বজ্রপাত হয়। যখন জলীয়বাষ্পসহ গরম বাতাস উপরের দিকে ওঠে, জড়তার ভ্রামকের কারণে এ মেঘ অনেক উপরে উঠে সুপারকুল ওয়াটার ড্রপলেস কণায় পরিণত হয়। মাধ্যাকর্ষণ শক্তির কারণে তা নিচে নামে। গরম বাতাসের সংস্পর্শে আবার জলীয়বাষ্পে পরিণত হয়ে উপরে উঠে যায়। এভাবে কয়েক দফায় ওঠানামা করে কণাগুলো। এতে কণাগুলো বৈদ্যুতিক চার্জসম্পন্ন আয়ন কণায় পরিণত হয়ে বিপুল শক্তির বিদ্যুৎ উৎপন্নম্ন করে। পরিভ্রমণকারী কণাগুলো নিষ্ক্রিয় (নিউট্রাল) হওয়ার চেষ্টা করে। ভূপৃষ্ঠের বিপুল পরিমাণ আয়ন ধারণের ক্ষমতা রয়েছে। তাই ভূপৃষ্ঠ কণাগুলোকে আকর্ষণ করে। এতে কণাগুলো আকাশ থেকে মাটির দিকে ধাবিত হয়। একেই বজ্রপাত বলে।

আবহাওয়াবিদরা জানান, বজ্র সরাসরি মাটিতে পড়ে না। বিদ্যুৎ পরিবাহীর ওপর পড়ে। এরপর পরিবহন পদ্ধতির মাধ্যমে বজ্রের বিদ্যুৎ মাটিতে চলে গিয়ে নিউট্রাল হয়ে যায়। উঁচু গাছ, ভবন, পাহাড়ের শীর্ষে বজ্র পতিত হয়। বাসাবাড়িতে লাগানো বজ্ররোধী তারের ওপর পড়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান ড. এইচ এম আসাদুল হক বলেন, মানুষের শরীর বিদ্যুৎ পরিবাহী। এ কারণে মানুষের ওপর বজ্র পড়ে। যদি কোনো খোলা স্থানে বজ্র পড়ার মতো কোনো বিদ্যুৎ পরিবাহী পদার্থ না থাকে আর সেখানে যদি মানুষ থাকে যার উচ্চতা অন্য বিদ্যুৎ পরিবাহীর চেয়ে বেশি তাহলে বজ্র মানুষের ওপর পড়বে।

মোবাইল ফোন ব্যবহার বজ্রপাতের কারণ_ এমন একটি গুজব সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও ড. আসাদুল হক জানান, এর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। তিনি বলেন, ধাতব বা বিদ্যুৎ পরিবাহীর ওপরই বজ্রপাত হয়। কিন্তু মোবাইল ধাতব পদার্থ দিয়ে বানানো হয় না। এর অভ্যন্তরে যেসব বিদ্যুৎ পরিবাহী তার থাকে সেগুলো বিদ্যুৎ কুপরিবাহী পদার্থ দিয়ে ঢাকা থাকে। তারপরও মোবাইলে যতটা ধাতব পদার্থ থাকে তাতে বজ্রপাতের কোনো কারণ নেই। বরং মোবাইল ফোনের টাওয়ারের কারণে বজ্রপাতে ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি কমেছে। ড. আসাদুল হক বলেন, খোলা মাঠে মোবাইল ফোনের টাওয়ার থাকলে বজ্র সরাসরি টাওয়ারের ওপর পড়ে। টাওয়ারে বজ্রনিরোধক ব্যবস্থা থাকায় বিদ্যুৎ মাটিতে চলে যায়, ক্ষয়ক্ষতি না ঘটিয়ে।

বজ্রপাতে নিহতদের অধিকাংশ আক্রান্ত হওয়ার সময় খোলা মাঠে ছিলেন কিংবা ক্ষেতে কাজ করছিলেন_ এর কারণ সম্পর্কে আসাদুল হক বলেন, খোলা মাঠে কেউ যদি ধাতব কোনো বস্তু যেমন শাবল, কাস্তে বা ধান মাড়াইয়ে কলে কাজ করেন তাহলে বজ্রস্পৃষ্ট হতে পারেন।

বজ্রপাত থেকে বাঁচতে সতর্কতার বিকল্প নেই। শামীম হাসান বলেন, বজ্রপাত থেকে বাঁচতে হলে মে মাসে যখন আকাশে বিজলি চমকাবে তখন খোলা আকাশের নিচে থাকা যাবে না। বজ্রপাতের সময় বড় গাছের নিচে দাঁড়ানো উচিত নয়। ভেজা কাঠ বিদ্যুৎ পরিবাহী। বড় গাছ এড়িয়ে বৃত্তাকারে এর ৪০ ডিগ্রি দূরে দাঁড়ানো উচিত। ফাঁকা স্থানে থাকলে বজ্রপাতের সময় উবু হয়ে বসে যেতে হবে। নৌকায় বা পানিতে থাকলে শুকনো স্থানে চলে যেতে যাবে। গাড়ির চাকা বিদ্যুৎ কুপরিবাহী রাবারের তৈরি। সে কারণে গাড়ি নিরাপদ। বাসাবাড়িতে বজ্রনিরোধক তার সংযুক্ত করতে হবে নিরাপত্তার জন্য।

গত দু'দিনে বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন ৬৩ জন। আর গত ৩৮ দিনে প্রাণ গেছে ১১২ জনের। বাংলাদেশে সাধারণত মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বজ্রপাত হয়। মে মাসে হয় সবচেয়ে বেশি। তবে এ বছর মৃত্যু আগের বছরগুলোকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে। ২০১২ সালের মে মাসে সর্বোচ্চ ১৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল বজ্রপাতে।
 http://bangla.samakal.net

13
সক্রেটিস'কে একদিন,
এক তরুন এসে বলল,"আমি
আপনার মত জ্ঞানী আর সফল
হতে চাই!কিভাবে হবো?" সক্রেটিস দেখলেন যে,তরুণ ছেলেটি সত্যি-ই শিখতে চায়, এবং সফল হতে চায়।
তাই তিনি তাকে পরদিন আসতে বললেন।এভাবে কয়েক দিন আসতে বলেন,কিন্তুকিছুই শেখান না।একদিন ছেলেটি বিরক্ত হয়ে গেল।
সক্রেটিস ছেলেটিকে সমদ্রের তীরে নিয়ে গেলেন।তারপর, ধীরে ধীরে পানির দিকে এগিয়ে যান।ছেলেটিকেও যেতে বলেন তার সাথে।ছেলেটি কিছুই বুঝতে পারছে না।হাটু পানিতে যাওয়ার পর ছেলেটি জিজ্ঞেস করে যে তারা
কোথায় যাচ্ছে বা কি করতে যাচ্ছে!কোন উত্তর নেই। এভাবে কোমর পানি;তখনও ছেলেটি,এক-ই প্রশ্ন জিজ্ঞেস করে,কিন্তু কোন উত্তর
পায় না।গলা পানিতে যাওয়ার পর, হঠাৎ সক্রেটিস ছেলেটির ঘাড়ে ধরে, শক্ত করে পানিতে ঠেসে ধরেন!প্রথমে, ছেলেটি উপরে উঠার জন্য,তেমন
চেষ্টা করে না।কিন্তু,এক সময় যখন ছেলেটি আর দম নিতে পারছে না,তখন শুরু করলো চেষ্টা।উপরে উঠার চেষ্টা এবং একটু অক্সিজেন
নিয়ে বাঁচার চেষ্টা!সক্রেটিস তখনও তাকে পানির নিচে
ধরে রেখেছেন শক্ত করে।
এক সময় যখন,আর বাঁচা
সম্ভব না,তখন সক্রেটিস ছেড়ে দিলেন ছেলেটিকে।ছেলেটি উঠে প্রাণভরে নিঃশ্বাসনেয়। সক্রেটিস তাকে জিজ্ঞেস করেন, "পানির নিচে আটকা থাকার সময় তুমি কোন জিনিষ'টি চেয়েছো?ছেলেটি উত্তর দেয়" আমি জান-প্রাণদিয়ে বাঁচার জন্য একটু অক্সিজেন চেয়েছিলাম!' সক্রেটিস উত্তর দিলেন, "জীবনে সফলতা'কে এভাবেই চাইতে হবে.তাহলেেই সফল হবে।"
(সংগৃহীত )

14
কেবল মাত্র খাবার হিসেবে নয়, বহুকাল আগে থেকে রসুন ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। বিশ্বের প্রায় প্রতিটি জাতিই রসুনকে বিভিন্ন অসুখ থেকে নিরায়মের জন্য ব্যবহার করে আসছে।

প্রাচীন গ্রিকরা তাদের দৈনন্দিন জীবনের অনেক ক্ষেত্রেই রসুনের ব্যবহার করত। এ ছাড়া অলিম্পিক গেমের ক্রিয়াবিদরা প্রতিযোগিতায় ভালো করার জন্য রসুন খেতেন। প্রাচীন চিন ও জাপানে রসুনকে উচ্চ রক্তচাপ কমানোর ঘরোয়া উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হতো। ভারতে হৃদরোগ ও গাটে ব্যথা প্রতিরোধে দীর্ঘকাল ধরেই রসুন ব্যবহার হয়ে আসছে।

আবার বিভিন্ন দেশে রোগ নিরামকারী উপাদান হিসেবে মধু ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ২০ শতকের মাঝামাঝি এসে একে অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে তুলনা করা হয়। মধুকে সংক্রমণ প্রতিরোধী উপাদান হিসেবে ধরা হয়। এই দুটো চমৎকার জিনিস যখন একসাথে হয় তখন এর গুণ বেড়ে যায় আরো বেশি।

রসুন ও মধুর মিশ্রণ বিভিন্ন ধরনের  সংক্রমণ, ঠান্ডা, জ্বর, কফ ইত্যাদি সারাতে বেশ ভালো কাজ করে। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। কেবল সাতদিন রসুন ও মধুর মিশ্রণ খেলে বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে শরীরকে অনেকটাই রক্ষা করা যায়।

জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট রাইস আর্থ জানিয়েছে মধু ও রসুনের এই মিশ্রণটি তৈরির প্রণালি।

উপাদান

একটি মাঝারি আকৃতির বয়াম।
মধু।
তিন থেকে চারটি রসুন। (খোসা ছাড়ান। কোয়াগুলো বের করুন।)

প্রণালি

প্রথমে বয়ামের মধ্যে রসুনের কোয়াগুলো নিন। এরপর এর মধ্যে মধু ঢালুন। বয়ামের মুখ বন্ধ করে মিশ্রণটি ফ্রিজের মধ্যে সংরক্ষণ করুন।

প্রতিদিন খালিপেটে মিশ্রণটি আধা চা চামচ করে খান। ঠাণ্ডাজনিত সংক্রমণ প্রতিরোধের জন্য দিনে ছয়বার আধা চা চামচ করে এটি খেতে পারেন। এটি সংক্রমণ দূর করতে কাজ করবে।
 Ntv online

15
৬৪টি সংক্ষিপ্ত শব্দের পুর্ন রুপ জানুন
১। Wi-Fi র পূর্ণরূপ — Wireless Fidelity.
২। HTTP এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol.
৩। HTTPS এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer
Protocol Secure.
৪। URL এর পূর্ণরূপ — Uniform Resource Locator.
৫। IP এর পূর্ণরূপ— Internet Protocol
৬। VIRUS এর পূর্ণরূপ — Vital Information
Resource Under Seized.
৭। SIM এর পূর্ণরূপ — Subscriber Identity Module.
৮। 3G এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation.
৯। GSM এর পূর্ণরূপ — Global System for Mobile
Communication.
১০। CDMA এর পূর্ণরূপ — Code Divison Multiple
Access.
১১। UMTS এর পূর্ণরূপ — Universal Mobile
Telecommunication
System.
১২। RTS এর পূর্ণরূপ — Real Time Streaming
১৩। AVI এর পূর্ণরূপ — Audio Video Interleave
১৪। SIS এর পূর্ণরূপ — Symbian OS Installer File
১৫। AMR এর পূর্ণরূপ — Adaptive Multi-Rate
Codec
১৬। JAD এর পূর্ণরূপ — Java Application
Descriptor
১৭। JAR এর পূর্ণরূপ — Java Archive
১৮। MP3 এর পূর্ণরূপ — MPEG player lll
১৯। 3GPP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation
Partnership Project
২০। 3GP এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation Project
২১। MP4 এর পূর্ণরূপ — MPEG-4 video file
২২। AAC এর পূর্ণরূপ — Advanced Audio Coding
২৩। GIF এর পূর্ণরূপ — Graphic Interchangeable
Format
২৪। BMP এর পূর্ণরূপ — Bitmap
২৫। JPEG এর পূর্ণরূপ — Joint Photographic
Expert Group
২৬। SWF এর পূর্ণরূপ — Shock Wave Flash
২৭। WMV এর পূর্ণরূপ — Windows Media Video
২৮। WMA এর পূর্ণরূপ — Windows Media Audio
২৯। WAV এর পূর্ণরূপ — Waveform Audio
৩০। PNG এর পূর্ণরূপ — Portable Network
Graphics
৩১। DOC এর পূর্ণরূপ — Doc**ent (Microsoft
Corporation)
৩২। PDF এর পূর্ণরূপ — Portable Doc**ent Format
৩৩। M3G এর পূর্ণরূপ — Mobile 3D Graphics
৩৪। M4A এর পূর্ণরূপ — MPEG-4 Audio File
৩৫। NTH এর পূর্ণরূপ — Nokia Theme(series 40)
৩৬। THM এর পূর্ণরূপ — Themes (Sony Ericsson)
৩৭। MMF এর পূর্ণরূপ — Synthetic Music Mobile
Application File
৩৮। NRT এর পূর্ণরূপ — Nokia Ringtone
৩৯। XMF এর পূর্ণরূপ — Extensible Music File
৪০। WBMP এর পূর্ণরূপ — Wireless Bitmap Image
৪১। DVX এর পূর্ণরূপ — DivX Video
৪২। HTML এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Markup
Language
৪৩। WML এর পূর্ণরূপ — Wireless Markup
Language
৪৪। CD এর পূর্ণরূপ — Compact Disk.
৪৫। DVD এর পূর্ণরূপ — Digital Versatile Disk.
৪৬। CRT — Cathode Ray Tube.
৪৭। DAT এর পূর্ণরূপ — Digital Audio Tape.
৪৮। DOS এর পূর্ণরূপ — Disk Operating System.
৪৯। GUI এর পূর্ণরূপ — Graphical User Interface.
৫০। ISP এর পূর্ণরূপ — Internet Service Provider.
৫১। TCP এর পূর্ণরূপ — Transmission Control
Protocol.
৫২। UPS এর পূর্ণরূপ — Uninterruptible Power
Supply.
৫৩। HSDPA এর পূর্ণরূপ — High Speed Downlink
Packet Access.
৫৪। EDGE এর পূর্ণরূপ — Enhanced Data Rate for
GSM [Global System for Mobile Communication]
৫৫। VHF এর পূর্ণরূপ — Very High Frequency.
৫৬। UHF এর পূর্ণরূপ — Ultra High Frequency.
৫৭। GPRS এর পূর্ণরূপ — General Packet Radio
Service.
৫৮। WAP এর পূর্ণরূপ — Wireless
Application Protocol.
৫৯। ARPANET এর পূর্ণরূপ — Advanced Research
Project Agency Network.
৬০। IBM এর পূর্ণরূপ — International Business
Machines.
৬১। HP এর পূর্ণরূপ — Hewlett Packard.
৬২। AM/FM এর পূর্ণরূপ — Amplitude/ Frequency
Modulation.
৬৩। WLAN এর পূর্ণরূপ — Wireless Local Area
Network
৬৪। USB এর পূর্ণরূপ — Universal Serial Bus.

any correction plz help me

write by me

Pages: [1] 2 3 ... 5