Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Jasia.bba

Pages: [1] 2 3 ... 9
1
Inner Powers / Re: Top 10 Business Leader in the World
« on: April 25, 2019, 03:21:59 PM »
So inspiring....
Thanks

2
চলার পথে আমরা যতই যুক্তি মেনে চলি না কেন, প্রায়শই আমরা আবার আবেগতাড়িতও হয়ে পড়ি। আনন্দ, বেদনা, ক্ষোভ কিংবা রাগ সব মিলিয়ে হাজারও আবেগ কিংবা অনুভূতি আমাদের মধ্যে কাজ করে। এমনকি কখনও কখনও যুক্তির চেয়েও এই আবেগটাই হয়ে যায় প্রধান। কিন্তু সেটা কতটা ইতিবাচক? বিশেষ করে আপনার ক্রোধ কিংবা অল্পতেই রেগে যাবার প্রবণতা? আর সেটা যদি হয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে, তাহলে কিন্তু এর নেতিবাচক প্রভাবটাই বেশি।
 
দুজনের বোঝাপড়ায় হতে পারে ঝামেলা
আপনার সঙ্গীকে অবশ্যই আপনার মানসিকতা বুঝতে হবে। কিন্তু সেটা কতক্ষণ? আপনি যদি মাত্রাতিরিক্ত খিটমিট করেন তাহলে সেটা শুধু আপনার সঙ্গীর জন্যই না, বরং আপনার নিজের জন্যও ক্ষতিকর। এতে আপনাদের দুজনের বোঝাপড়ায় বিভেদ তৈরি হবে। আপনি নিজেও রাগের কারণে সঙ্গীকে বোঝাতে ব্যর্থ হবেন। ফলে একটি পর্যায়ে আপনাদের দুজনের মধ্যে আলোচনা বা শেয়ারের যেই বিষয়টি কমে আসবে।
সঙ্গীর প্রতি সৃষ্টি হয় চাপ
সম্পর্কটা আপনাদের দুজনের। তাই অপর পক্ষের কথাও আপনাকে বিবেচনায় রাখতে হবে। আপনি যদি বেশিরভাগ সময়েই খিটমিট করতে থাকেন তাহল এটি আপনার সঙ্গীর জন্যে এক ধরনের মানসিক চাপ তৈরি করবে। তাকেও সুযোগ দিতে হবে বলার। নাহলে এক পর্যায়ে দেখা দেবে বিরক্তি এবং হতাশা।
সঙ্গীর সঙ্গে দূরত্ব তৈরি
আপনি যখন অপর পক্ষকে বলার সুযোগ দেবেন না এবং কোনও কিছু চাপিয়ে দেবেন তখন স্বাভাবিকভাবেই দেখা দেবে দূরত্ব। এই দূরত্বই সম্পর্কে ইতি টানতে পারে। এবং এর ফলে দিন শেষে কষ্ট পাবেন আপনি নিজেই। তাই সময় থাকতেই রেগে যাবার এই প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
মেনে চলুন কয়েকটি বিষয়

কাউকে দোষারোপ করার আগে নিজেকে বুঝুন। সার্বিক পরিবেশ, পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করুণ। প্রতিটা মানুষেরই দোষত্রুটি থাকে। নিজের দোষগুলো খুঁজে দেখুন। আর সঙ্গীর দোষগুলো বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করুন। শুধু প্রেমের সম্পর্কেই নয়, যে কারো ক্ষেত্রেই পুরো পরিস্থিতি বুঝে আচরণ করুন।
কেন আপনি অল্পতেই রেগে যাচ্ছেন? এর পেছনের কারণগুলো ভেবে দেখেছেন কখনও? অনেক সময় কাজের চাপ, পরিবার সব মিলিয়ে মানসিক চাপ কাজ করে। আবার কারো কারো ক্ষেত্রে রগচটে স্বভাবটি থাকে বংশগত। তাই যেমনটাই হোক, নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে শিখুন। সময় দিন নিজেকে। নিজের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
যে কথাগুলো একবার বলা হয়ে যায়, তা আপনি চাইলেও আর ফিরিয়ে নিতে পারবেন না। বিষয়টি মাথায় রেখেই আচরণ করুন। হ্যাঁ, ভুল হলে আপনি ক্ষমা চাইতেই পারেন। কিন্তু তাই বলে বারবার নয়। এর ফলে আপনি নিজেকেই ছোট করছেন।
কোনও কারণে চাপ বোধ করলে সরাসরি সঙ্গীকে বলুন। চাইলে কাছের কোন বন্ধুর সঙ্গেও আলোচনা করুন। আপনার কোন বন্ধু বা আত্মীয় কোন আচরণে আহত হলে তার সঙ্গেও আলাপ করতে পারেন। এতে নিজের ভুল বুঝতে পারা সহজ হয়।
মানসিক চাপ বা নিরাপত্তাহীনতা দূর করতে ইয়োগা করুন। পারলে প্রতিদিন কিছুটা সময় বরাদ্দ রাখুন শারীরিক ব্যায়ামের জন্যে। সকাল বা সন্ধ্যায় হাঁটতে বের হতে পারেন। এছাড়াও পছন্দের বই পড়তে পারেন কিংবা রান্না করতে পারেন। রাগের মাত্রাকে কমিয়ে ভালোবাসতে শিখুন।

3
মানুষ অভ্যাসের দাস। অভ্যাস যে খারাপ কোনও জিনিস তা নয়, তবে বদঅভ্যাস না থাকাই শ্রেয়। সম্প্রতি টাইম ম্যাগাজিন এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ঠিক কীভাবে পাঁচটি পন্থা অনুসরণ করে বদঅভ্যাসের জাল থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। চলুন জেনে নেওয়া যাক ধাপগুলো সম্পর্কে-

১. কমিয়ে আনুন দুশ্চিন্তার মাত্রা

এক গবেষণা্য় উঠে এসেছে, মানুষ দুশ্চিন্তায় থাকলে ধূমপান কিংবা মিষ্টি জাতীয় খাবার বেশি পরিমাণে গ্রহণ করে। এর কারণ হচ্ছে, মস্তিষ্কে সে সময় ডোপেমেইন নামক একটি কেমিক্যাল কাজ করা শুরু করে যা ক্ষণিকের জন্য মানুষকে দুশ্চিন্তার হাত থেকে রেহাই দেয়। কিন্তু বিষয়টি স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভাল নয়, উল্টো ক্ষতিকর। আর তাই গবেষকদের পরামর্শ হচ্ছে ধূমপান বা মিষ্টি জাতীয় দ্রব্যাদি গ্রহণের পরিবর্তে ঘুমানোর সময় বাড়িয়ে দেওয়া, ভালো গান শোনা, ব্যয়াম করা। এতে করে ক্ষণিকের জন্য নয় নয়, বেশ দীর্ঘ সময়ের জন্যই কমবে দুশ্চিন্তা।

২. অভ্যাসের কারণ সম্পর্কে জানুন

প্রতিটি অভ্যাসের তিনটি পর্যায় থাকে- কারণ, নিয়ম, পুরস্কার। আপনি যদি আপনার বদঅভ্যাসের প্রথম ধাপটি সম্পর্কে অবহিত থাকেন, তাহলে বদঅভ্যাস থেকে বেরিয়ে আসার বিষয়টি অনেকটাই সহজ হয়ে আসে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আপনি একটি কাজ পুনরায় তখনই করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন, যখন আপনি তা এর আগেও করেছেন এবং সাময়িক আনন্দ পেয়েছেন। সেজন্য গবেষকরা জানিয়েছেন, যে অভ্যাসটি ত্যাগ করতে চাচ্ছেন, সেটির কারণ সম্পর্কে জানুন। তাহলে অভ্যাস ত্যাগ করার রাস্তাটি সহজ হয়ে আসবে অনেকটাই।

৩. গড়ে তুলুন ভালো কোনও অভ্যাস

বদঅভ্যাসটির পরিবর্তে ভালো কোনও অভ্যাস গড়ে তুলুন। আর বদঅভ্যাস মাথা চাঁড়া দিয়ে উঠতে চাইলেই তা দমন করুন ভালো অভ্যাসের মাধ্যমে। তবে মনে রাখবেন, কাজটি সহজ নয়। এক্ষেত্রে উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ধূমপানের কথা। ধরে নেওয়া যাক, আপনি ধূমপায়ী এবং সে অভ্যাস থেকে বের হয়ে আসতে চাচ্ছেন। এখানে ভালো অভ্যাস হিসেবে গড়ে তুলুন, চুইংগাম চিবানো বা চকোলেট জাতীয় কিছু খাওয়া। যখনই বদঅভ্যাস মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে চাইবে তখনই ভালো অভ্যাসটি প্রয়োগ করুন। গবেষকদের মতে, এ পন্থাটি ভালো কাজে দেয়।

৪. অভ্যাস ত্যাগের যুক্তিসংগত কারণ খুঁজে বের করুন

গবেষকরা জানিয়েছেন, কেন অভ্যাসটি ত্যাগ করতে চাইছেন, তার একটি দৃঢ় একটি যুক্তিসংগত কারণ খুঁজে বের করুন। এতে করে আপনি নিজেই নিজেকে সামলে রাখতে পারবেন অনেকটা। যুক্তিসংগত কারণের মধ্যেই খুঁজে পাবেন অভ্যাস ত্যাগের প্রেরণা। কারণ যখন দেখবেন, অভ্যাসটি আদতে ভালো কিছু বয়ে আনেছে না আপনার জন্য, তখন আপনি আক্ষরিক অর্থেই তা মন থেকে ত্যাগ করতে চাইবেন।

৫. লক্ষ্য তৈরি করুন

একবারেই অভ্যাস ত্যাগের চিন্তা না করে, স্বল্পমেয়াদী সময়সীমা নির্ধারণ করুন। এই সময়সীমা হতে পারে কয়েক ঘন্টা বা কয়েক মাস, সম্পূর্ণ বিষয়টিই আদতে নির্ভর করছে আপনার ওপর। সময়সীমা নির্ধারণের পর সেগুলোকে লক্ষ্য হিসেবে নিন এবং পূরণ করার চেষ্টা করুন। গবেষকদের মতে, এতে করে নিজের সঙ্গেই একটি মানসিক প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হয় এবং স্বল্পমেয়াদী হয় বলে অধিকাংশ মানুষ সহজে ওই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারে। এভাবে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে থাকুন, দেখবেন একটি সময় অভ্যাস ত্যাগের জন্য আর মনের সঙ্গে লড়তে হচ্ছে না। 

সূত্র: টাইম ম্যাগাজিন।

4
কখনও কি এমন অনুভব করেছেন যে আপনি যে অবস্থানে আছেন, সে অবস্থানের যোগ্য নন এবং আপনার বন্ধু বা সহকর্মীরা আপনাকে আদতে ধোঁকাবাজ মনে করছে? যদি এমন অনুভূতি কাজ করে থাকে, তাহলে আশঙ্কা রয়েছে আপনি ‘ইমপোস্টার সিনড্রোম’-এ ভুগছেন। টাইম ম্যাগাজিনের বরাতে জানা গেছে, প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ জীবনের কোনও কোন পর্যায়ে এসে, এই ধরনের অনুভূতি হয়। এরকম অনুভূতির হাত থেকে নারী, পুরুষ, শিশু কেউই রেহাই পায় না। চলুন জেনে নেই ‘ইমপোস্টার সিনড্রোম’ আদতে কী-

‘ইমপোস্টার সিনড্রোম’ হচ্ছে এমন একটি অনুভূতি, যেটিতে ভুগলে মানুষ মনে করেন, পরিশ্রম বা মেধার কারণে তিনি সফলতা অর্জন করেননি। তার মধ্যে অনেক দোষত্রুটি রয়েছে যা অন্যদের চোখ এড়িয়ে গেছে। ১৯৭৮ সালের এক গবেষণা প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সাধারণত নারীরাই এই রোগের শিকার বেশি হন।

‘ইমপোস্টার সিনড্রোম’-এ বিশেষজ্ঞ গবেষক ভ্যালেরি ইয়ং সম্প্রতি টাইম ম্যাগাজিনের প্রতিবেদনে এর একাধিক উপসর্গ সম্পর্কে জানিয়েছেন। উপসর্গগুলোর মধ্যে রয়েছে-

১. সব কাজে নিখুঁতভাবে করার চেষ্টা এবং তাতে ৯৯ শতাংশ সফল হলেও নিজেকে ব্যর্থ মনে করা। ছোটখাট বিষয় নিয়ে নিজের কর্মদক্ষতা সম্পর্কে সন্দিহান হওয়া।

২. কোনও কাজে হাত দেওয়ার আগে সেটির খুঁটিনাটি সম্পর্কে জানার প্রবল ইচ্ছা এবং সবসময় নিজের দক্ষতার প্রশংসা শুনতে আগ্রহ বোধ করা। এরা সাধারণত অফিস মিটিং বা ক্লাসরুমে কোনও প্রশ্ন করেন না। ভয় কাজ করে, যদি ওই প্রশ্ন তাকে অন্যদের সামনে অপ্রস্তুত অবস্থায় ফেলে দেয় বা সবাই তাকে বোকা মনে করেন।

৩. কোনও কাজ বা পারিবারিক বিষয়ে চেষ্টার সময়, ক্রমাগত অনুভব করা যে তিনি সে চেষ্টার জন্য উপযুক্ত ব্যক্তি নন।

৪. কোনও বিষয়ে সাহায্যের প্রয়োজন পড়লেও তাকে ধোঁকাবাজ বা ব্যর্থ মনে করতে পারে এমন ভয়ে সহায়তা না চাওয়া।

৫. জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সফলতা অর্জন করতে হবে এমন চিন্তাধারা পোষণ করা। আর এর কোনও একটি অংশে ব্যর্থ হলে বিষণ্ণতায় ভোগা।

‘ইমপোস্টার সিনড্রোম’-থেকে বেরিয়ে আসার অন্যতম কার্যকরী ঔষধ হচ্ছে, মানসিক দৃঢ়তা। মানসিকতার মধ্যে- কোনও ব্যাপার নয় এমনটি হতেই পারে, পরিবর্তন আসাটাই স্বাভাবিক, ভুল হওয়া দোষের কিছু নয় এ বিষয়গুলো মাথায় গেঁথে নিতে হবে শুধু। আর এটি শুধু মানসিক দৃঢ়তার মাধ্যমেই করা সম্ভব।

5
Art of Living - Doers' Den / ভালো থাকুন
« on: November 06, 2018, 07:55:59 PM »
জীবনকে উপভোগ করুন, বাড়িয়ে তুলুন নিজের কর্মক্ষমতা, ঝেড়ে ফেলুন দুঃশ্চিন্তা। কীভাবে সম্ভব? সত্যি বলতে, সম্পূর্ণ বিষয়টিই নির্ভর করছে আপনার উপর। তারপরও প্রতিদিন এই দশটি কাজ করে দেখতে পারেন, আখেরে লাভ আপনারই হবে-

১. প্রকৃতির সান্নিধ্য

ছকে কষা ব্যস্ততার মধ্য থেকে একটু সময় বের করুন। প্রকৃতির কাছে যান, একাকী কিছুক্ষণ প্রকৃতির সঙ্গে সময় কাটান। গবেষকদের দাবি, এতে করে আপনার দুশ্চিন্তার মাত্রা কমবে, স্মৃতিশক্তি বাড়বে এবং নতুন কিছু ভাবার ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

২. শরীরচর্চা

শরীরচর্চার গুরুত্ব সম্পর্কে আমরা সবাই কম বা বেশি জানি। কিন্তু ঠিক করা হয়ে ওঠে না। হার্ভার্ড গবেষকদের মতে, শরীরচর্চার অব্যাস আপনাকে একইসঙ্গে সুস্থ এবং হাশিখুশি থাকতে সাহায্য করবে। এ ছাড়াও আপনার দৈনন্দিন ঘুমের ক্ষেত্রেও এটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে।

৩. বন্ধু ও পরিবারকে সময়

হার্ভার্ড গবেষক ড্যানিয়েল গিলবার্ট এই বিষয়টিকে সুখী হওয়ার অন্যতম পথ বলে উল্লেখ করেছেন। ব্যস্ততা থাকবেই। এর মধ্যেই বন্ধু ও পরিবারের জন্য সময় বের করে নিন। প্রতিদিন কিছুক্ষণ তাদের সঙ্গে সময় কাটানোর চেষ্টা করুন।

৪. কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

প্রতিদিন চেষ্টা করুন আশেপাশের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার। এটি আপনাকে সুখী রাখা থেকে শুরু করে মানুষের সঙ্গে আপনার সম্পর্কও ভালো রাখবে এবং আপনিও প্রশান্তি অনুভব করবেন।

৫. মেডিটেশনের চেষ্টা

মেডিটেশনের মাধ্যমে রাগ, ক্ষোভ, দুঃখ ইত্যাদি নেতিবাচক অনুভূতির হাত থেকে রেহাই পাওয়া সম্ভব। আর যে ধর্মাবলম্বীই হোন না কেন, চেষ্টা করুন প্রার্থনা করার। মানসিক স্বাস্থ্যে বিষয়টি ইতিবাচক প্রভাব ফেলে বলেই জানিয়েছেন গবেষকরা।

৬. পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম

ঘুমের সঙ্গে আপনার দৈনন্দিন আচরণের সম্পর্ক রয়েছে, সুস্বাস্থ্যের সম্পর্ক রয়েছে। চেষ্টা করুন পর্যাপ্ত সময় ঘুমানোর। কারণ স্বল্প ঘুম শুধু মেজাজ খিটখিটে নয়, আরও অনেক আচরণের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে, এমনকি আপনার সততার ক্ষেত্রেও এর প্রভাব রয়েছে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।

৭. নিজের সঙ্গে প্রতিযোগিতা

নিজের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামুন। নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করুন। এটিও আপনার ভালো থাকার ক্ষেত্রে ভূমিকাপ রাখবে। নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ বাড়াতেও সহযোগিতা করবে।

৮. হাসুন

খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। চেষ্টা করুন হাসার, অন্যকে হাসানোর। এটি শুধু আপনার শরীরের ক্ষেত্রে নয়, মনের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে। গবেষকরা জানিয়েছেন, যাদের মধ্যে এই গুণটি রয়েছে, তাদের মধ্যে রোগব্যধি সহজে বাসা বাধতে পারে না এমনটাই দেখা গেছে।

৯. ছুঁয়ে দিন আপনজনকে

আপনজনকে ছোঁয়ার অভ্যাসটি গড়ে তুলুন। এটি দুঃশ্চিন্তার মাত্রা কমাতে ভূমিকা রাখে বলেই জানিয়েছেন গবেষকরা। এ ছাড়াও শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও এই অভ্যাসটি বেশ কার্যকর।

১০. ইতিবাচক চিন্তা

ইতিবাচক চিন্তার অব্যাস গড়ে তুলুন। এটি আপনার সুস্থতা, সুখানুভূতি এবং দীর্ঘায়ুর ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবে। সামরিক বাহিনীতে কিন্তু এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। কারণ এটি মানসিক দৃঢ়তা বাড়াতেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে।

সূত্র: টাইম ম্যাগাজিন।

6
নির্দিষ্ট কোনও ঘটনা নিয়ে বিষণ্ণতায় ভুগছেন? অনেক সময়েই এসব ঘটনার কারণে এলোমেলো চিন্তাভাবনা আমাদের মাথায় ঘুরপাক খেতে থাকে। আপনি যতই ভুলতে চান, ততই যেন আরও জোর করে মাথায় জেঁকে বসতে চায় এসব চিন্তা। ফলে ব্যাহত হয় দৈনন্দিন জীবনযাত্রাও। জেনে নিন নেতিবাচক চিন্তা কিংবা নির্দিষ্ট স্মৃতি থেকে কীভাবে থাকতে পারবেন দূরে।
 
    নেতিবাচক ঘটনা যেসব ঘটে গিয়েছে সেগুলোর উপর আপনার  নিয়ন্ত্রণ নেই।  অহেতুক চিন্তা করলে সেসব ঘটনা বদলে যাবে না। নিজেকে বোঝান এভাবেই। অতীতের ঘটনা যেন ভবিষ্যৎকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে।
    নিজেকে ব্যস্ত রাখুন। দিনে অন্তত ৬-৭ ঘন্টা কাজ করলে আপনার মস্তিষ্কও ক্লান্ত থাকবে, ফলে অবান্তর চিন্তা করার ফুরসত থাকবে না।
    পর্যাপ্ত ঘুম ভীষণ জরুরি। পরিমাণ মতো ঘুমালে নেতিবাচক চিন্তাভাবনা যেমন দূরে থাকে, তেমনি শরীর ও মন থাকে ঝরঝরে।
    খেলাধুলা, ভ্রমণ কিংবা প্রিয় কোনও কাজে ব্যস্ত থাকুন যখনই অবসর পাবেন। এটি অহেতুক নেতিবাচক চিন্তা করতে দেবে না আপনাকে।
    শরীরচর্চা করুন নিয়ম করে। ইয়োগা করতে পারেন। এটি আপনাকে নতুনভাবে চিন্তা করতে সাহায্য করবে।
    সময় সবচেয়ে বড় ওষুধ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ফিকে হয়ে যায় নেতিবাচক ঘটনা, চিন্তা এবং স্মৃতি। মনে রাখবেন, একটি-দুটি ঘটনায় কখনও থমকে যায় না জীবন। বরং সব ঘটনাই কোনও না কোনও শিক্ষা দিয়ে যায়। চেষ্টা করুন অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যৎকে সুন্দর করতে। 

7
Food / পাউরুটির গোলাপজাম
« on: August 13, 2018, 02:12:56 PM »
উপকরণ
পাউরুটি- ৬ স্লাইস
গুঁড়া দুধ- ২ টেবিল চামচ
দুধ- ১ কাপ
তেল- ভাজার জন্য
সিরা তৈরির উপকরণ
চিনি- ১ কাপ
পানি- দেড় কাপ
এলাচ- ২টি

প্রস্তুত প্রণালি
প্রথমেই চিনির সিরা তৈরি করে নিন। প্যানে পানি ও চিনি দিয়ে ফুটে ওঠা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। সিরা ফুটে উঠলে এলাচ ভেঙ্গে দিয়ে দিন। চুলার জ্বাল কমিয়ে ঢেকে রাখুন প্যান।
পাউরুটির চারপাশের শক্ত অংশ ফেলে ছোট ছোট টুকরা করে ব্লেন্ডারে মিহি করে গুঁড়া করে নিন। পাউরুটি গুঁড়ার সঙ্গে গুঁড়া দুধ মিশিয়ে নিন। ফুলক্রিম দুধ জ্বাল দিয়ে কাপের তিনভাগের একভাগ করে নিন। ঠাণ্ডা হলে ঘন দুধ অল্প অল্প করে পাউরুটি গুঁড়ার মিশ্রণে দিয়ে ডো তৈরি করুন। নরম ডো তৈরি হলে অল্প অল্প করে হাতে নিয়ে মিষ্টির আকৃতি দিন। মিষ্টিতে যেন কোনও ফাটল না থাকে সেদিকে লক্ষ রাখবেন। 
প্যানে তেল গরম করুন মাঝারি আঁচে। তেল গরম হয়ে গেলে চুলার আঁচ কমিয়ে মিষ্টিগুলো ছেড়ে দিন। মিষ্টি ভাজার জন্য খুব বেশি তেল প্রয়োজন নেই। মিষ্টি ছেড়ে দিয়ে চুলার আঁচ বাড়িয়ে মিডিয়াম করুন। অনবরত নাড়তে হবে মিষ্টি। বাদামি রং হয়ে গেলে নামিয়ে নিন। চুলায় মৃদু আঁচে রাখা চিনির সিরায় মিষ্টি দিয়ে দিন। তবে মিষ্টি দেওয়ার আগে জ্বাল বাড়িয়ে নেবেন। সিরা ফুটে উঠলে তারপর দেবেন মিষ্টি। সিরা যেন ঘন না হয়ে যায়। ৪ থেকে ৫ মিনিট সিরায় জ্বাল দিন মিষ্টি। চুলা বন্ধ করে প্যান ঢেকে দিন। ২ ঘণ্টা পর পরিবেশন করুন মজাদার গোলাপজাম মিষ্টি।

8
মস্তিষ্কে ক্যান্সার বা টিউমারে খুব বেশি মানুষ আক্রান্ত হন না। কিন্তু তা প্রায় সব ক্ষেত্রেই জীবনঘাতী, কারণ এর লক্ষণগুলো শনাক্ত করা খুব সহজ নয়। ব্রেইন টিউমারের লক্ষণগুলো খুবই বিভ্রান্তিকর। দৈনন্দিন কিছু সমস্যা যেমন মাথাব্যথা এবং ক্লান্তির মত উপসর্গগুলোই ব্রেইন টিউমারের লক্ষণ হতে পারে। কী করে বুঝবেন এসব উপসর্গ গুরুতর নাকি স্বাভাবিক?

১) ক্রমাগত মাথাব্যথা

সাধারণ মাথাব্যথা এবং ব্রেইন টিউমারজনিত মাথাব্যথার মাঝে পার্থক্য হলো, এই মাথাব্যথা সহজে যায় না। দিনের পর দিন মাথাব্যথা অব্যাহত থাকে। এমনকি সকালে ঘুম থেকে ওঠার সাথে সাথেই এই মাথাব্যথা পীড়া দেওয়া শুরু করে। কোনো ওষুধেই যদি এই মাথাব্যথা দূর না হয়, তাহলে ডাক্তারের সাথে কথা বলুন।

২) দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া

দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়াটা খুব সূক্ষ্ম একটি পরিবর্তন। এটা অনেকেই খেয়াল করেন না। একে ডাক্তাররা বলেন বাইটেম্পোরাল হেমিয়ানোপসিয়া। অনেক সময়ে ঘরের ফার্নিচারে ঘন ঘন ধাক্কা খাওয়া বা গাড়ি অ্যাক্সিডেন্ট করার প্রবণতা দেখা যায় এর কারণে।

৩) কথা বলতে সমস্যা

কথা বলতে সমস্যা যেমন তোতলানো, কোনো জিনিস বা মানুষের নাম সহজে মনে করতে না পারা এবং অন্যের কথা বুঝতে সমস্যা হতে পারে ব্রেইন টিউমারের লক্ষণ।

৪) ঝুঁকি নেওয়ার প্রবণতা ও খিটখিটে মেজাজ

ব্রেইন টিউমার থাকলে রোগীদের মাঝে ডিপ্রেশন, অ্যাংজাইটি এমনকি খিটখিটে মেজাজের প্রবণতা দেখা যায়। তারা ক্রমাগত ঝুঁকিপূর্ণ কাজের প্রতি আগ্রহ দেখাতে থাকে, আগ্রাসী মনোভাব প্রদর্শন করে।

৫) শ্রবণশক্তি হারানো ও কানে তালা লাগা

একদিকের কানে শ্রবণশক্তি কমে যাওয়া বা একেবারেই কিছু শুনতে না পারা, অথবা কানে তালা লাগার মতো বা অবিরত ঘণ্টার মতো শব্দ শোনা গেলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন দ্রুত।

৬) বন্ধ্যাত্ব

মস্তিষ্কের পিটুইটারি গ্ল্যান্ডের কাজ হলো শরীরের বিভিন্ন হরমোনের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ। মস্তিষ্কে টিউমারের কারণে পিটুইটারি গ্ল্যান্ড প্রভাবিত হলে নারীরা গর্ভধারণে অক্ষম হতে পারেন অথবা সন্তান প্রসবের পর স্তন্যদানে অক্ষম হতে পারেন।

৭) ভারসাম্যহীনতা

হাঁটার সময় ভারসাম্য রাখতে অসুবিধা, বিশেষ করে অন্ধকারে হাঁটতে সমস্যা বা একদিকে ঝুঁকে হাঁটার প্রবণতা হতে পারে মস্তিষ্কের সেরেবেলাম অংশে টিউমারের লক্ষণ।

৮) ক্লান্তি ও আলস্য

মস্তিষ্কের মোটর কর্টেক্স অংশটি সারা শরীরে পেশী নিয়ন্ত্রণ করে। ডানদিকের মোটর কর্টেক্স শরীরের বামদিক নিয়ন্ত্রণ করে, আর বামদিকের মোটর কর্টেক্স শরীরের ডানদিক নিয়ন্ত্রণ করে। এসব জায়গায় টিউমার থাকলে শরীরে ব্যথা হবে না, তবে হাত-পায়ে দুর্বলতা, এসব অঙ্গ নড়াচড়া করতে সমস্যা হতে পারে। 

সূত্র: রিডার্স ডাইজেস্ট

9
শেষ কবে আপনার চাকরির রেজুমি, সিভি বা বায়োডাটা আপডেট করেছেন মনে আছে? ক্যারিয়ার বিষয়ক ওয়েবসাইট মনস্টারের এক জরিপে দেখা যায়, মাত্র ৩৯ শতাংশ মানুষ চাকরির আবেদন করার সময়ে রেজুমি নতুন করে গুছিয়েছেন। ৮ শতাংশ তো মনেই করতে পারেন না শেষ কবে রেজুমি পাল্টেছিলেন। মনস্টারের ক্যারিয়ার এক্সপার্ট ভিকি সালেমি জানান, প্রতি ছয় থেকে বারো মাস পর পর রেজুমি আপডেট করা উচিত। সে সময়েই এমন সব তথ্য বাদ দেওয়া উচিত যেগুলো আপনার উপকারের বদলে ক্ষতিই করতে পারে। জেনে নিন এমন তথ্যগুলো-

১) নিজের ছবি

যেসব চাকরিতে চেহারার গুরুত্ব রয়েছে, সেগুলো বাদে অন্য কোথাও আবেদন করার সময়ে নিজের ছবি না দেওয়াই ভালো। এছাড়া যদি ওই প্রতিষ্ঠান থেকে বলে দেওয়া হয় রেজুমির সাথে ছবি দিতে হয়, তাহলেও ছবি দেবেন। নয়তো নিজের ছবি না দেওয়াই ভালো।

২) পড়াশোনার ব্যাপারে বেশি তথ্য

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পাসের বছর এবং ফলাফল রেজুমিতে থাকাটাই যথেষ্ট। এর বেশি তথ্য দেওয়াটা অপ্রয়োজনীয়।

৩) অপ্রাসঙ্গিক চাকরির তথ্য

আপনার অতীতে যত কাজের অভিজ্ঞতা আছে, সবই দেওয়ার দরকার নেই রেজুমিতে। যে প্রতিষ্ঠানে আবেদন করছেন, তার সাথে সংশ্লিষ্ট চাকরিগুলোর তথ্যই দিন। আপনি কোনো একটা কফি শপে কাজ করতেন, কিন্তু আইটি সেক্টরে আবেদন করার সময়ে সে অভিজ্ঞতা উল্লেখ করার কোনও দরকার নেই।

৪) টাইপো

বেখেয়ালে চোখে এড়িয়ে যাওয়া ছোটোখাটো বানান ভুল আপনার ক্যারিয়ারের সর্বনাশ করে ফেলতে পারে। রেজুমিতে টাইপো দেখলে অনেকেই তা বাতিল করে দেন। বিশেষ করে অ্যাকাউন্টিং বা ব্যাংকিং ধরণের চাকরিতে আবেদন করার সময়ে তা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। রেজুমি লেখার পর দুই-তিনজনকে দিয়ে চেক করিয়ে নিন যাতে কোনো ভুল না থাকে।

৫) চটকদার ফরম্যাট ও ভাষা

সহজ সরল রেজুমি সবাই পছন্দ করে। ঝলমলে রঙ, বিভিন্ন ধরণের ফন্ট এবং গ্রাফিক্স ব্যবহার করে রেজুমি সাজিয়ে তোলাটা অনেকেরই বিরক্তির উদ্রেক করতে পারে। এছাড়া  “team player,” “outside-the-box thinker,” “self-motivated,” “go-getter,” “hardworking” and “detail oriented” এ ধরণের ভাষা ব্যবহারটাও সেকেলে হয়ে এসেছে। রেজুমি পরিষ্কার ও সহজবোধ্য রাখুন।

৬) রেফারেন্স ব্যবহার করুন

রেফারেন্স হিসেবে পরিচিত ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় দেওয়া হয় রেজুমিতে। অনেকেই রেফারেন্স দেওয়ার বদলে লিখে দেন ‘References available upon request’, অর্থাৎ প্রয়োজন হলে রেফারেন্স দেওয়া হবে। এটা লেখার কোনো দরকার নেই। রেফারেন্স দেবেন অথবা একেবারেই বাদ দেবেন।

৭) বিব্রতকর ইমেইল অ্যাড্রেস

প্রফেশনাল ইমেইল অ্যাড্রেস ব্যবহার করার গুরুত্ব বলে শেষ করা যাবে না।  তরুণরা অনেক সময়েই মজাদার বা চটকদার শব্দ ব্যবহার করে ইমেইল অ্যাড্রেস তৈরি করেন। কিন্তু তা রেজুমিতে না দেওয়াই ভালো। রেজুমিতে ব্যবহারের জন্য আলাদা একটা ইমেইল অ্যাড্রেস ব্যবহারই ভালো। নিজের পুরো নাম ব্যবহার করে ইমেইল অ্যাড্রেস সেট করতে পারেন।

সুত্র: হাফিংটন পোস্ট

10
বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে নতুন মুদ্রানীতি সহায়ক হবে বলে মনে করছে দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই। বুধবার (১ আগস্ট) সংগঠনটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে।

অপ্রয়োজনীয় বিলাসী-আমদানি পণ্যের জন্য যাতে অভ্যন্তরীণ ঋণ ব্যবহৃত না হয়ে প্রকৃত উৎপাদনমুখী ও কর্মসংস্থানবান্ধব হয় সেদিকে বিশেষ নজরদারির কথা মুদ্রানীতিতে বলা হয়েছে, যা উৎপাদন খাতে ঋণ প্রবাহকে উৎসাহিত করবে বলে জানায় এফবিসিসিআই।

মঙ্গলবার জুলাই-ডিসেম্বর মেয়াদের যে মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হয়েছে, তাতে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বেসরকারি খাতের জন্য ঋণের উচ্চতর প্রবৃদ্ধি সংকুলানের সুযোগ রাখা হয়েছে, যা বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বলে এফবিসিসিআইয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে। নতুন মুদ্রানীতিকে প্রবৃদ্ধিবান্ধব এবং মূল্যস্ফীতি পরিমিত রাখার ওপরও গুরুত্ব আরোপ করা করা হয়েছে।

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

11
Economics in Business / Govt shelves plan of crop insurance
« on: August 09, 2018, 01:53:31 PM »
The government will not go ahead to implement crop insurance owing to complexities relating to payment of premium and coordination with farmers, said a top official of the agriculture ministry yesterday.

“This is the policy of the government,” said Mohammad Moinuddin Abdullah, senior secretary to the Ministry of Agriculture, at a workshop at Bangladesh Agricultural Research Council in the capital.

The Department of Agricultural Extension (DAE) organised the event to discuss a draft National Agricultural Extension Policy (NAEP) 2018, which contains a provision stating that the government would consider introducing crop insurance to help growers recover from natural disaster-induced losses.

Abdullah said inclusion of the crop insurance provision was a “violation” of government policy. The prime minister and agriculture minister have made it clear that the government would not be providing the insurance, he said.

“And, I think those who included the provision should be punished.  It should be examined why this provision was included,” he said.

“None will attend any meeting related to crop insurance and give speech. And if any point is raised in any discussion related to crop insurance, it should be made clear that the government will not get into crop insurance,” said Abdullah.

Talking to The Daily Star later, he said the decision had not been taken anew. “Crop insurance had never existed and we will not do this,” he said.

“Who will pay the premium? Who will coordinate with farmers?” he said.

The comments came against the backdrop of state-run Sadharan Bima Corporation having just completed the piloting of a “Weather Index Based Crop Insurance” project in Rajshahi, Sirajganj and Noakhali districts.

Asian Development Bank provided Tk 16.38 crore while the government bore the rest of the project cost of Tk 21.34 crore.

The Manila-based multilateral lender earlier this year called for government investment to be scaled up for sustainable agriculture insurance, saying it was a useful instrument for shifting financial risks away from farmers.

Finance Minister AMA Muhith, in several of his past budget speeches, talked about introducing crop insurance for farmers due to natural disasters such as floods, droughts and cyclones.

Farmers suffer from a recurrence of floods, cyclones and other calamities. But they cannot protect themselves and their produce in the absence of an insurance scheme.

Abdullah yesterday said the cabinet has approved a National Agriculture Policy 2018 and it would be published soon.

He recommended that the DAE finalise the NAEP 2018 in light of the recently approved agriculture policy.

Wais Kabir, executive director of Krishi Gobeshona Foundation, spoke of a threat posed by trans-boundary diseases. He advocated for developing local diagnostic facilities and improving skills of agricultural extension workers.

The Daily Star News

12
Parents, Life and Living / Drop the calories
« on: August 08, 2018, 12:59:40 PM »
Welcome to the world of men…

Some of us may think they have it slightly easy. With possibly little or no responsibility around the household they love lurking around the couch, watching TV and eleven men following a single white ball.

Ouch..!

That surely hurt. But on the contrary and to the disbelief and unconvincing groans of many women reading this piece; they do have a tougher life, then what we give them credit for!

But that's another topic to discuss about. Here we'd like to show how they can keep fit in a fun way and notably why they need to.

As most men get older, their cholesterol level spikes up in an alarming direction. The bad cholesterol, also known as LDL, gradually increases. Levels of good cholesterol on the other hand (HDL) tend to fall. This sinister combination of a high LDL and a low HDL is the central risk factor for heart disease.

To the novice, these terms may sound Greek. Simply said, it would mean that excess cholesterol is accumulating in the inner lining of the blood vessels causing blockage and ultimately heart attacks.

The best way to keep LDL down is to eat healthy food with low saturated fat content. To boost the HDL cholesterol there is simply no alternative to a good 'exercise' regime.  No matter how much aversion one may have towards moving hands, legs and feet. There is simply no running away – pun intended!

On a more positive note, the couch potatoes get to be truly fashionable, once in their lifetime -trying out all the workout gears, track pants and shoes ….

With a theme in your mind of 'Just doing it,' it's about time you stopped reading on it and actually did it!

SWIMMING
We all know that swimming is the best way to burn-down the blues. The simple act of plunging into a pool and splashing through the cool water induces the release of endorphins!

So, if this is one good way to burn those bad cholesterols! We say why not?

Swimming helps develop cardiovascular endurance engaging every single muscle in the body. Most importantly it improves blood circulation significantly so much that this form of activity scrapes away the built up layers of cholesterol and also burns a lot of calories without stressing out the body.  If you want to enjoy all the fun, and avoid all kinds of stressful activities but loose calories on the way! You are not actually asking for too much from the world; because there is swimming. Thanks God!

KICKBOXING
Personally speaking stationary exercising instruments like treadmills and stair steppers really bore many down to the core. The best alternative for the niche crowd is to go for a session of kickboxing which can easily burn between 350 and 450 calories an hour according to the American Council on Exercise. This definitely has a positive impact on the heart, allowing for cardio conditioning and fat loss.

TAKING UP SPORTS
Any sort of sports especially ones to which we have a personal inclination makes us lose weight and keep fit naturally.  Whether it's as unusual as lacrosse or as common as soccer; anything works as long as it requires physical movement and not just frisking fingers and witless concentration on the black box immaculately placed on the wall.

GYM
To the naysayers--going to the gym can actually be fun! Listening to music while working out solo can definitely be a stress buster. Especially with fitness gurus around and friends working out in a group, this may as well be another get-together with the guys.

You have run out of excuses to meet up with friends. We are pretty sure your beloved would not deprive you of the meet-up if it's in a gym. She'd probably thank you for the result – if you are actually working out that is!

Having said so much the final output would be: no matter which exercise regime you follow, it must be enjoyable. Otherwise it wouldn't stick for long and we'd be back to square one.

13
Parents, Life and Living / Hanging Gardens
« on: August 08, 2018, 12:56:54 PM »
Having greenery arranged vertically, otherwise known as vertical gardens, is what people have turned to for their lack of space, and this aesthetic form of planting is almost better than art. The sky is literally the limit when it comes to creating a vertical garden; which is why it is so important to not get carried away, but to sit down and plan it out first. Before you pick up those tools and start clearing your walls, take some time to decide how you want your garden to be. More importantly, consider points like where exactly you want it, and how it will survive.

Pallet Walls
One of the simplest ways to set up a garden along a wall, these use plain wooden pallets, and set up similar to a book shelf, except the front side is boxed instead of being open so the soil has a place to sit in. Initially, this will not look too special, but once the plants have grown out enough, it will start to cover the front, giving it the impression of a green wall. These pallets can be set up in patterns or consecutively to fill an entire wall.

Corner Charms
For most of us, corners are more of a bother than a pleasure because all they seem to do is collect dust, but having some greens all through will not only prevent that, but add to the whole ambience as well. Triangular racks work just fine for this purpose, and if they are made of grills, that's even better. Have creeper plants potted in some of the racks, and let them loose. Once they have gone through every grill and rod and climbed all the way up, it will look nothing short of a magical corner.

Herbal Goodness
Although the hanging gardens of Babylon were not actually hanging, these herb gardens in your home sure will be. The kitchens in most homes are too small for commodities, let alone a personal corner for greens. However, that should not sway us from our goal of eating fresh herbs right out of a pot. One can attach multiple small planters on chains and hang them side by side vertically against a wall. Or to maximise space even more, hang a series of heavy metal rods and attach a number of pots to each. Herbs do not require a lot of soil, so small pots work great and let you increase the type of herbs you want to grow. Plant your favourite herbs and have your own little wilderness in the kitchen.

Served in Trays
This type of vertical garden requires a little more work because the soil itself is almost vertically set. These trays are thick, and have compartments or cells that are slightly angled and have holes in the bottom for drainage. It is wise to use plants here that have shallow roots, like succulents. If you wish to have other perennials, the tray will have to be thicker.

Trellis Walls
This is a great project for wide empty wall spaces. Triangular trellis panels have this gravity towards them that looks absolutely amazing. Attach hooks on each intersection. Some people like to hang cloth or leather pouches that hold planters, while others like to use planters directly on hooks. Let your imagination go wild.

Room Dividers
Since we are going vertical, why not make a room divider out of it while we are at it, because there are large open spaces that need semi-separation, but something too solid like a wall would make it too claustrophobic. A large frame with wire netting serves as a perfect separation that is just airy and light enough. Hang on terracotta, plastic or metal pots of choice in any pattern onto the netting and let those plants thrive. Make sure the netting is very firmly fixed so it does not break or tear with the weight of planters and pots. This will look no less than an architectural art in the middle of a plain space.

Petite Pocket Garden
There are about a hundred ways to achieve a pocket garden. While some go up to 30 feet, some are small enough for our door. One of the easiest ways to achieve this is to use a good old shoe hanger, and make sure it is a strong and sturdy one and has good drainage. If it does not, poke some holes in the bottom of each pouch. Hang it using a rod or hooks, and fill it in using moisture retaining soil, and plant in your seeds. Have a collector in the bottom to collect water, and a barrier from the wall, otherwise the water will create moulds in the back. This is a super easy and fun project to do, especially with kids.

Up-cycled dresser
This is perfect if you happen to have an old dresser lying around. Arrange the drawers in a descending manner, where the bottom drawer is fully open, the next a little less and so on, while the top is least open. Throw in your soil and seeds and let those greens grace your space like a lush green waterfall.

Look Out
Because this is a garden, lighting and watering play the two most important roles. If your indoor garden does not get a lot of light, take it out every once in a while to bathe it in sunlight. If possible, attach wheels on the bottom, and if it is one that is permanently fixed, make sure it has direct sunlight before building it.

Watering is crucial for these because containers dry out faster than garden beds. Some people work with sprinklers, others with a set irrigation system, but these are mostly for fixed designs for which an architect or interior designer will be able to help.

An urban life calls for small spaces, but utilizing those dull corners and cement walls in clever ways is what makes these small apartments bearable. These versatile gardens not only function as a piece of art, but also keep the air circulating and brighten the entire atmosphere. Although these are solutions to inside gardening, it can surely be taken outside as well to maximize greenery.

Expert opinion
Karman Nanda is a past research associate at Bengal Institute and specialises in aeroponic engineering. His opinions, tips and experiences on Vertical Gardening will surely be of help to anyone looking to start their own little garden.

“Vertical gardens need special kinds of pots that keep the soil intact while simultaneously getting irrigated with the least amount of water and there are a few ways of doing that. If your vertical garden is based on a hydroponic setup, then there is no soil required at all, or no constant watering, as the background setup controls the growth and process. If it is indoor, I would suggest using a hydroponic or aeroponic setup because the maintenance is easy, and all the processes happen within the system.

Dhaka's air is really dusty and polluted, so sometimes the dust staying on these plants, stops the process of photosynthesis, and restricts the growth of the plant. To avoid that a mist sprinkler could be used.

If the pots are not able to hold the soil, we have to use other methods and technologies to fix that. Maintenance of the garden also needs a professional help, as the average gardener will not be able to do that unless he is educated to do that. Also, the placement of the vertical garden in a space is important, and depending on that, one has to decide on the plants, as some plants like sun, some do not, some like rain and some do not.

I think an architect or designer can design the setup, but you need a professional who can supply ingredients to maintain it and run it, otherwise it becomes too difficult for the client. A vertical garden can be simpler to understand and set up, but the client will have to take personal interest in maintaining it. For example, in a hydroponic setup, you need NPK nutrients, but they have to be given in different quantities every now and then and the common man does not have this knowledge.”

Old ladders work great for small verandas and are much less work. Secure them to a wall and stack them up with your favourite plants to save space.

14
Parents, Life and Living / The modern minimalist: clean vs clutter
« on: August 08, 2018, 12:49:50 PM »
Imagine being in a Victorian household from the 18th century; the cumbersome large dresses, the lavish garden-parties, the extravagant lives and furniture. God forbid the presence of a little empty nook, or a tiny space that isn't packed with gaudy carpets and massive sofas. While a little glamour is wonderful in its own right, it can get exhausting to just see that much clutter around on a daily basis. No wonder Victorian women kept fainting so often!

Fast forward a few hundred life-changing years sees us all busy with work, studies and life. After stressing ourselves out at the office, slaving away to meet the impending deadlines, all we need in life is a little peace. Imagine coming home to a pile of dirty laundry, the frustration of a missing pair of glasses and not knowing where the other sock went. Imagine having topsy-turvy shelves and a big fat 'throne' that just doesn't make sense in the living room. Alright, we won't be scaring you anymore, take a deep breath!

Let's face it; we just don't have the time to clean up after ourselves. A poll conducted by Gallup shows that the average adult spends 47 hours of their week working. Not only that, but nearly 18 percent tends to have the longest office hours imaginable- almost 12 hours per day, and 60 per week. These statistical figures don't take into account the innumerable phone calls, the troubleshooting, damage-control and office emergencies that we devote time to. No matter what way you look at it, that is a lot of work. It leaves us with little to no time, energy or motivation to clean up afterwards.

What makes things worse is the fact that the presence of clutter often implies the absence of mental peace. A study published by The University of California gives that notion a nod. According to the study, returning to a messy home can hinder the production of the cortisol. This miracle-worker hormone helps us de-stress, and its absence sends us in panic mode.

Well, what then can we do to reduce some of that after-work stress? Peace of mind, where art thou?

Let's find the solution from our masters of minimalism- the Japanese. Rather than celebrating the presence of material objects, the Japanese 'Ma' philosophy cherishes the space between them. The void, the absence of things is essentially the presence of a negative space, an empty place where there is room for something. Imagine having just two aesthetically pleasing, minimally-constructed chairs in place of a set of six, humungous 'thrones' crammed into a tiny space. While the latter can make you claustrophobic, the former is a rather 'zen' setting. Hence, we need furniture that suits that peace-inducing minimal aesthetic in our lives.

Furniture today is not about how thick the legs of your table are. Today's furniture is sleek, minimal and definitely not headache-inducing. Besides, in a world where multitasking is such an essential life skill, why shouldn't your furniture multitask for you? If we really want to have less furniture to dust in our house, shouldn't one article be able to perform the task of many?

Here's a scenario: There is the one chair in your room that serves the purpose of a clothes-dump. Instead of walking in on a pile of clothes creating a Mt. Everest on your poor study chair, let an all-purpose Stow do the job for you. Your lost pair of glasses can perch on top of the top shelf while the scarves and stoles can fit neatly inside the drawers. With that, there is finally a chair to sit on.

A minimalist life is not an easy life, but it brings ease. Let Bohu guide you towards a life of inner peace and a non-messy exterior. Let happiness, peace and fulfilment radiate, and let there not be a pile of stuff lying around on the floor for a change.

15
পিপারমেন্টের গন্ধ ঝিমিয়ে যাওয়া স্নায়ুকে উদ্দীপ্ত করে ঝটপট। গবেষণা মতে, এই গন্ধ স্মৃতিশক্তি চাঙা রাখতে দারুণ কার্যকর।

কোনও কিছু নিয়ে বিরক্ত? দারুচিনির গন্ধ দূর করতে পারে হঠাৎ আসা আপনার এই বিরক্তি। মন ও শরীর সজাগ করতে দারুচিনির সুগন্ধি ব্যবহার করতে পারেন।
গবেষণা মতে, লেবুর গন্ধ দূর করতে পারে হতাশা। ব্যাগে একটি  কমলা রেখে দিলে পারেন। এটির গন্ধ ও স্বাদ চনমনে রাখবে আপনাকে। ব্যবহার করতে পারেন লেবু কিংবা কমলার সুগন্ধিও।

জার্মান গবেষকরা বলছেন, নার্ভাস লাগলে ভ্যানিলা ফ্লেভার আপনাকে সাহায্য করবে পরিস্থিতি থেকে বের হতে।
জার্নাল অব বায়োকেমিস্ট্রি জানিয়েছে, জুঁই ফুলের গন্ধ ক্লান্তি দূর করে ও ঘুম আসতে সাহায্য করে।

তথ্য: নিউজ এইটিন

Pages: [1] 2 3 ... 9