Show Posts

This section allows you to view all posts made by this member. Note that you can only see posts made in areas you currently have access to.


Messages - Md. Mirazul Islam (Miraz)

Pages: [1] 2
1
Thanks for sharing the information.

3
Science and Information / Re: MIT Innovation Challenge!!
« on: July 15, 2019, 02:43:43 AM »
 :)

4
Use of Forum / Re: Research portal.
« on: July 15, 2019, 02:41:05 AM »
nice post

5
রোজায় সঠিক প্রোটিনের জন্য কী খাবেন?

চলছে রোজা। এই রোজায় ইফতার, রাতের খাবার ও সেহরিতে অনেকেই অনেক রকম খাবার খেয়ে থাকেন।  প্রতিদিনের পুষ্টির চাহিদা পূরণে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ফ্যাট সঠিক পরিমাণে গ্রহণ করতে হয়।

প্রোটিন প্রতিদিন সঠিক মাত্রায় গ্রহণ করলে কিডনি ভালো থাকবে। তবে আমাদের দেশে ইফতারে অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণ করার চল রয়েছে। এটি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। মাত্রাতিরিক্ত প্রোটিন রক্তের ইউরিক এসিড বাড়িয়ে ফেলতে পারে। অথবা যাদের ডায়বেটিস রয়েছে, তাদের ইউরিনে পরিমাণের চেয়ে বেশি প্রোটিন বের হয়ে যেতে পারে। তাই সঠিক পরিমাণে, সঠিক প্রোটিন খেতে হবে।

ছোলা

রোজায় অনেকের ঘরেই ছোলা তৈরি করা হয়। অতিরিক্ত তেল আর মসলা দিয়ে তৈরি এই ছোলা প্রতিদিন খেলে তা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। তেল রক্তের কোলেস্টেরল বাড়িয়ে দিতে পারে, আবার মসলা গ্যাস বা এসিডিটির কারণ।

প্রতিদিন ছোলা ইফতারে না খাওয়াই ভালো। একজনের জন্য ক্যালরিভেদে দুই থেকে তিন টেবিল চামচ ছোলার বেশি না খাওয়াই ভালো।

তবে সিদ্ধ ছোলা, শসা, টমেটো, লেবুর রস দিয়ে খেলে ভালো। এ ছাড়া টক দই দিয়ে ছোলার সালাদ করেও খাওয়া যেতে পারে।  তবে ছোলা প্রতিদিন ইফতারে না খাওয়াই ভালো। একজনের জন্য ক্যালরিভেদে দুই থেকে তিন টেবিল চামচ ছোলার বেশি না খাওয়াই ভালো।

পেঁয়াজু

ডালের তৈরি পেঁয়াজু দ্বিতীয় শ্রেণির প্রোটিন। ডুবু তেলে ভাজা পেঁয়াজু থেকে অনেক ক্যালরি পাওয়া যায়। এটি থেকে ওজন বেড়ে যেতে পারে। এমনকি টানা এক মাস খেলে রক্তের কোলেস্টেরল ও প্রেশার বাড়ার ঝুঁকি থাকে। তাই রোজ পেঁয়াজু না খেয়ে অল্প তেলে ভাজা সবজি আর চালের গুঁড়ার কাটলেট বা চপ খাওয়া যেতে পারে।

বেগুনি

সবজি হলেও বেসন দিয়ে ভাজার কারণে এ থেকে প্রোটিন চলে আসে। তাই রোজ ডুবু তেলে ভাজা বেগুনি না খাওয়াই ভালো।  এ ছাড়া বেসন রোজ খেলে তা শরীরের জন্য ক্ষতিকর।

ডিম

রোজায় ভাজাপোড়া খাওয়ার থেকে ইফতারে একটি সিদ্ধ ডিম  বা ডিম পোচ খেলে শরীরের জন্য ভালো।

মাছ

এটি স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী একটি প্রোটিন। রোজায় ছোলা, পেঁয়াজু আর মাংসের ভিড়ে অনেকটাই হারিয়ে যায় মাছের মতো একটি ভালো প্রোটিন।  হার্টের স্বাস্থ্য রক্ষায় ও প্রোটিনের চাহিদা পূরণে মাছের জুড়ি নেই। ইফতারে মাছের চপ, স্যান্ডউইচ,  কাটলেট ছাড়াও মাছের নানা রেসিপি করা যায়। সেহরিতে ভাতের সঙ্গে মাছ আর সবজি খুবই উপকারী মেন্যু।

মাংস

রোজায় কমবেশি হলেও ভাজাপোড়া খাবার খাওয়া হয়। এতে তেলের কারণে হলেও কিছু ফ্যাট খাওয়া পরে। তাই রোজায় গরু-খাসির মাংস কম খাওয়াই ভালো। তবে মুরগির  মাংস দিয়ে ঘরে তৈরি হালিম, খিচুড়ি, স্যান্ডউইচ,  স্যুপ,  কারি ইত্যাদি পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে।

দুধ

আদর্শ এই তরল, প্রোটিনের পাশাপাশি ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের খুব ভালো উৎস।  রোজায় হাড়ের ব্যথা, মাংসপেশির সুরক্ষার জন্য রোজ দুধ বা দুধের খাবার খেতে হয়। ইফতারে দুধের বানানো মিষ্টান্ন,  দই, ছানা এবং সেহরি বা রাতের খাবারে দুধ, ভাত, ফল বা দুধ-মুড়ি-ফল বা সিরিয়াল দুধ খুবই উপকারী একটি খাবার।

সম্পূর্ণ রোজায় সুস্থ থাকতে পরিমিত পরিমাণে সঠিক প্রোটিনযুক্ত খাবার খাওয়া আপনাকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

 

লেখক : প্রধান পুষ্টিবিদ, অ্যাপোলো হাসপাতাল

Reference Link: https://www.ntvbd.com/health/252069/%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%B8%E0%A6%A0%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%95%E0%A7%80-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A8

6
পাটের নতুন দিগন্ত

পাটের আঁশ ব্যবহার করে পচনশীল পলিমার ব্যাগ তৈরির পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন অধ্যাপক মোবারক আহমদ খান। তাঁর এই উদ্ভাবন বিশ্বের পরিবেশদূষণ কমাবে।



Youtube Link: https://youtu.be/tmIcoZKhFOU

Reference Link: http://www.prothomalo.com/bangladesh/article/1465391/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%81%E0%A6%A8-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A6%97%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4

7
Why Augmented Reality and Virtual Reality Will be Important for Your Business


In the arc of every modern technology’s development, a great deal of attention is generally initially focused on the technology itself. When, for example, artificial intelligence (AI) was emerging as a computational and cognitive force, researchers and university professors were constantly in the media explaining how neural networks and machine learning worked, and how this technology (and many other forms of AI) differed from traditional computer programs.

Today, just a few years later, AI systems are embedded in many of the products that companies and consumers use regularly. Clearly, we have adopted AI technology and integrated it into our daily lives.

This is also the case with augmented reality (AR) and virtual reality (VR), two distinct but related technologies that have become popular in the business and consumer press.

AR is the ability to insert digital objects into a camera view of the real world, based on information about the scene that is within the camera’s view. While Pokémon Go is the most commonly known consumer use of this kind of technology, far more sophisticated AR applications offer great promise for all kinds of applications.

VR is based on the diametrically opposite concept: It immerses real people inside a fictional digital, or virtual, space. Many games now use VR to make the experience even more reaplayedthan someone has playing the game on a computer, TV screen or tablet. Just as with AR, there are many potential applications of VR that go well beyond games.

Why will AR and VR be important for businesses of all kinds? Well, for every company, building engagement with customers is a key element of their ability to develop long-lasting and lucrative relationships. At Kaon Interative we have identified three primary factors that contribute to successful engagement strategies:

Multi-sensory engagement -- getting customers involved in learning about, and using, products in a way that is active. Touch, sight, audio and even smell are all important senses to employ when engaging with customers;

Intellectual engagement -- sharing relevant and useful information with customers so that they have a meaningful experience learning about and using the company’s products and solutions; and

Emotional connections -- with B2B purchases, research has shown that building an emotional connection is at least as equally important as creating a logical case for people to buy. Certainly, continuing to develop emotional connections post-purchase leads to loyal customer relationships.

Augmented reality, for real
AR and VR are tools to help with each of the above elements, building even more engagement with customers. From early sales and marketing encounters with customers, through those customers' purchase and use of the products and into the realm of customer service and support, AR and VR are becoming more and more useful.

Examples: AR applications, such as WayfairView, include software that shows how furniture will look in a customer’s home. Prospective buyers can use a phone or tablet’s camera to see how their homes will look with a variety of different furniture pieces before they make a purchase decision. For industrial facilities, manufacturing managers can see how a new piece of equipment might fit into their workflow: The new assembly or manufacturing process can also be visualized through the camera of a phone or tablet while the manager walks through the existing plant.

AR, then, will result in a better understanding of how these products and solutions will benefit the manufacturing facility and increase companies' propensity to buy. They'll be able to see troubleshooting and maintenance instructions overlaid directly onto a physical product as they are working on it, resulting in shorter downtimes, improved productivity and deeper brand loyalty.

Virtual reality, for real
VR applications, meanwhile, enable customers to immerse themselves in a digital space -- such as a hospital, laboratory or oil refinery -- illustrating how complex products and solutions work and helping them understand how they would navigate and use these new products. At Cisco Live in June 2017, Dell EMC utilized a VR application developed by my company, Kaon Interactive, for its enterprise prospects and customers.

The application showed attendees and partners how they could visualize their own IT transformation with converged and hyper-converged solutions. These enhanced experiences were intended to create a deeper understanding of the company’s differentiated value propositions. For existing customers, VR simulators will help train personnel before they operate real machinery-- the way flight simulators are used for pilots -- but without the expense of complex physical systems in the real world.

As these solutions become more mainstream, in terms of devices and software, they are losing some of their technology focus and beginning to gain a more integrated status as components or features of larger products and solutions. Consumers and B2B buyers, for their part, are developing an awareness of, and even an expectation for, these kinds of experiences when they interact with almost every company.

For every entrepreneur attempting to build a more engaging and lasting relationship with his or her company’s prospects and customers, AR and VR are important capabilities to include in planning how their current engagement strategies will evolve. And special gadgets won't necessarily be a part of the mix: Rather than having to have a separate device for an AR experience, users will simply use the phones and tablets they use already (Google and Apple have released or announced platforms that allow software developers to build AR applications and capabilities into their Android and iOS applications).

Similarly, while today's VR headsets are somewhat cumbersome, requiring cables and sensors attached to a PC, these devices, too, are rapidly evolving, using wireless and even mobile devices (e.g. the Google Daydream).

This evolution to the mainstream will allow businesses to build AR and VR features into larger and more holistic applications, creating a complete set of capabilities for even more meaningful customer experiences.

Reference Link: https://www.entrepreneur.com/article/300071

8
Science and Information / Robots could soon be built with human flesh
« on: July 11, 2017, 01:12:37 PM »
Robots could soon be built with human flesh

Scientists want to cover robots in muscle fibers and tissues so that resemble human beings

If all goes well, we could very soon see robots being made with human flesh. Before you freak out, the purpose of the robot-dress up is to help those people who need tissue transplants.

Two University of Oxford biomedical researchers, Pierre-Alexis Mouthuy and Professor Andrew Carr, writing in Science Robotics, argue that moving humanoid robots could help create muscle and tendon grafts that actually work.

The researchers pointed to existing robots, including the Eccerobot, a plastic machine with ‘human’ bones, tendons and skin, to explain how future bots will grow real tissue.

They said: “Over the past decade, exciting progress has been made in the development of humanoid robots. In particular, musculoskeletal humanoids (such as Kenshiro and Eccerobot) were developed to interact with humans in a safer and more natural way. They aim to closely replicate the detailed anatomy of the human musculoskeletal system including muscles, tendons, and bones. We suggest that musculoskeletal robots may assist in the growth of musculoskeletal tissue grafts for tissue transplant applications.”

Adding further, they said, “With their structures activated by artificial muscles, musculoskeletal humanoids have the ability to mimic more accurately the multiple degrees of freedom and the normal range of forces observed in human joints.

“As a result, it is not surprising that they offer new opportunities in science and medicine”.

Today, sheets of cells are grown in stagnant tanks, but these “fail to mimic the real mechanical environment for cells,” say the scientists.

As a result, these tissues are often too weak to be effective – especially for “bone-tendon-muscle grafts… because failure during healing often occurs at the interface between tissues”.

Instead, we need a robot with “structures, dimensions, and mechanics similar to those of the human body”.

As tissue grows on the robot, it would receive the same stresses as it would face on a real human, creating stronger and healthier tissue for harvesting.

“It is now both technically possible and scientifically pertinent to explore in greater detail the potential of humanoids as tools for regenerative medicine,” conclude the researchers.

What’s more this would be a step towards “biohybrid humanoids” – bots of the future whose human muscles, tendons, and skin can self-repair.

Reference Link: https://www.techworm.net/2017/03/robots-soon-built-human-flesh.html

9
সহজেই অ্যানিমেশন ভিডিও তৈরির সফটওয়্যার

অফিসের কাজে কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠক্রমের অংশ হিসেবে প্রায়ই অ্যানিমেশন ব্যবহার করে প্রেজেন্টেশন দিতে হয়। এটি তৈরি করা অনেকের কাছে রীতিমত কঠিন কাজ। তবে সঠিক টুলস ব্যবহার করলে কাজটি সহজে করে ফেলা যায়।এ ছাড়া বিভিন্ন কাজেও অনেক সময় ছোট অ্যানিমেশন ভিডিও তৈরির প্রয়োজন হয়। এ ধরনের কাজ সহজে করে দিবে ভিডিওস্ক্রাইব নামে হোয়াইট বোর্ড অ্যানিমেশন তৈরির সফটওয়্যারটি।

এক নজরে সফটওয়্যারটি ফিচারগুলো

এটির মাধ্যমে পছন্দমত টেক্সট, ফন্টযুক্ত ও তাতে অ্যানিমেশন দেয়া যাবে।হোয়াইট বোর্ড ভিডিও অ্যানিমেশনের ব্র্যাকগ্রাউডে পছন্দের মিউজিক দেওয়া যাবে।

চাইলে মিউজিক ছাড়াও ভিডিও অ্যানিমেশনে ভয়েস যুক্ত করা যাবে সফটওয়্যারটির সাহায্যে।

সহজেই রেখাচিত্রের মাধ্যমে ভিডিও তথ্য দেয়ার সুবিধা রয়েছে এতে।

ভিডিওকে আরও সুন্দর করতে সফটওয়্যারটিতে ডিফল্টভাবে অনেক ছবি রয়েছে।

চাইলে কম্পিউটার থেকে ছবি নিয়েও ভিডিওতে যুক্ত করা যাবে।সফটওয়্যারটি সাহায্যে তৈরি অ্যানিমেশন ভিডিও তৈরি পরে তা সরাসরি ফেইসবুক বা ইউটিউবে শেয়ার করা যাবে। চাইলে কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভের সংরক্ষণের সুবিধা রয়েছে।

সফটওয়্যারটি এ ঠিকানা থেকে ডাউনলোড করা যাবে।

http://www.videoscribe.co/

সফটওয়্যারটি কিনতে আপনাকে মাসে ১২ ডলার ব্যয় করতে হবে। তবে ফ্রি সংস্করণটি ব্যবহার করে হোয়াইটবোর্ড অ্যানিমেশন তৈরি করা যাবে। সেক্ষেত্রে ভিডিওতে জল ছাপ থাকবে ও উচ্চ রেজুলেশনের ভিডিও পাওয়া যাবে না।

Reference Link: http://techshohor.com/software/82951

10
কর্মক্ষেত্রে সহায়ক কয়েকটি অ্যাপ

মোবাইল অ্যাপের দুনিয়া আগের চেয়ে অনেক বেশি বিস্তৃত হচ্ছে। এখন শুধু সেলফি এডিট করাতেই অ্যাপ ব্যবহার থেমে নেই। কর্মক্ষেত্রেও এখন এর ব্যবহার বেড়েছে। সহকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বা কাজের সুবিধার ক্ষেত্রে সহায়ক এমনই চারটি অ্যাপ নিয়ে থাকছে আজকের আয়োজন।

১. ওয়ান পাসওয়ার্ড

প্রতিটি অ্যাকাউন্টের নিশ্চিত করবে ওয়ান পাসওয়ার্ড। অ্যাকাউন্ট খোলার পর ওয়ান পাসওয়ার্ডে প্রবেশ করতে ফিঙ্গারপ্রিন্টের প্রয়োজন হবে। এই অ্যাপের মাধ্যমে পাসওয়ার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স, পরিচয়পত্র, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড সেভ করা যাবে।

২. স্লাক

এটি একটি ইন্সট্যান্ট ম্যাসেজিং অ্যাপ। যা ব্যবহার করে সহকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা, ফাইল শেয়ারিং কাজের তথ্য সংগ্রহ করা যাবে। যে বিষয়গুলো নিয়ে এখানে আলোচনা করা হবে সে বিষয়গুলোকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে (প্রজেক্ট, টিম, লোকেশন) ভাগ করে রাখা যাবে। এটা দিয়ে গোপনীয় তথ্যগুলো টিম মেম্বারদের কাছে পাঠানো যাবে। স্লাক থেকে যেকোনো তথ্য খুঁজতে সার্চ অপশনও ব্যবহার করা যায়।

৩. অ্যাসেমব্লা

যারা সফটওয়্যার ডেভেলপ করেন তাদের জন্য অ্যাসেমব্লা খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি আইওএস অ্যাপ। প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম অ্যাপটি ডেভেলপাররা ব্যবহার করেন মূলত কোড আর টাস্কের মধ্যে সমন্বয় ঘটাতে। এতে টাস্কের অগ্রগতি, ক্লায়েন্ট ও টার্গেট সম্পর্কিত তথ্য সেভ করার সুবিধা রয়েছে। আইফোন কিংবা আইপ্যাড থেকেই টাস্কের টিকিট তৈরি ও আপডেট করা যাবে।

৪. ইনভিশন

ডেভেলপাররা এখানে ডিজাইন আপলোড করে সেটির রিভিউ সম্পর্কে জানতে পারেন। ইন্সট্যান্ট ফিডব্যাক পাওয়ার কারণে অ্যাপ ডিজাইনিংয়ের ত্রুটিগুলো এখানে সহজেই ধরা পড়ে।

Reference Link: http://techshohor.com/software/81216

11
জনপ্রিয় ১০ অ্যাপের ৬টিই ফেইসবুকের, শীর্ষে হোয়াটসঅ্যাপ

বিশ্বে সবচেয়ে জনপ্রিয় অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপের তালিকায় আধিপত্য রেখেছে ফেইসবুক। শীর্ষ ১০ তালিকার ৬টিই ফেইসবুক ও এর অধিগ্রহণ করা সেবাগুলোর। তবে ওই তালিকায় একেবারে শীর্ষে হয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ।

বাজার গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান স্টাটিস্টা ডটকম প্রিওরি ডেটার জরিপ তথ্যে অ্যাপগুলোর এই অবস্থানের কথা জানিয়েছে।  চলতি বছরের জুনে করা জরিপ ডেটায় এই  তালিকা করা হয়েছে।

এতে দেখা যায়, শীর্ষে থাকা হোয়াটসঅ্যাপ ওই এক মাসে প্লেস্টোর হতে প্রায় ৯৬ দশমিক ৩০ মিলিয়ন ডাউনলোড হয়েছে।দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে থাকা ম্যাসেঞ্জার ও ফেইসবুক অ্যাপ যথাক্রমে ৭৫ দশমিক ৬৭ এবং ৩৯ দশমিক ৯৩ মিলিয়ন ডাউনলোড হয়েছে।

এছাড়া সপ্তম ও দশম স্থানে থাকা ফেইসবুক লাইট ও ম্যাসেঞ্জার লাইট যথাক্রমে ২৮ দশমিক ২৬ এবং ১০ দশমিক ৫২ মিলিয়ন ডাউনলোড হয়েছে।

চতুর্থ স্থানে রয়েছে ছবি শেয়ারিং প্লাটফর্ম ইন্সটাগ্রাম। এটি একই সময়ে ৩৫ দশমিক ৭২ মিলিয়ন ডাউনলোড করা হয়েছে।

ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে ভিডিও শেয়ারিং সেবা স্ন্যাপচ্যাট।

এছাড়া ফিডগেট স্পিনার ২২ দশমিক ৮০ মিলিয়ন ডাউনলোড নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে।

অষ্টম ও নবম স্থানে থাকা সাবওয়ে সাফারস ও স্পটিফাই মিউজিক যথাক্রমে ১২ দশমিক ১৮ মিলিয়ন এবং ১০ দশমিক ৫২ মিলিয়ন ডাউনলোড হয়েছে।

Reference Link: http://techshohor.com/news/83320

12
Germany Powers Up The World’s Largest “Artificial Sun”

Germany is one of the few countries that has majorly contributed to science and technology be it physics and chemistry to cars and consumer products. While Germany may be a world leader in innovation, boasting leading universities and research institutes alongside major engineering, IT and manufacturing industries, it isn’t exactly known for its year-round sunshine.

As a result, solar panels line Germany’s residential rooftops and top its low-slung barns. Also, more than twenty-two percent of Germany’s power is generated with renewables, of which close to quarter of that is provided by solar.

Now, German scientists are testing what they term as “the world’s largest artificial sun,” which they hope can make way for producing hydrogen to use as a green fuel in the future.

“Synlight” – a three storey electrically powered sun-lamp – constructed by the German Space Center (DLR) is being tested in Julich, a town located 30 kilometers (19 miles) west of Cologne. The Synlight experiment uses 149 xenon short-arc lamps normally found in cinemas to recreate the light from the Sun onto a single point, vaporizing water and producing hydrogen and oxygen. Each lamp claims producing roughly 4,000 times the wattage of the average light bulb. When this artificial sun is switched on, it produces an equivalent of 10,000 times the amount of solar radiation as intense as natural sunlight on Earth.

When all the lamps are swiveled to concentrate light on a single spot, the instrument can generate temperatures of around 3,500 degrees Celsius, which is around two to three times the temperature of a blast furnace.

“If you went in the room when it was switched on, you’d burn directly,” said Prof Bernard Hoffschmidt, a research director at the DLR.

According to DLR, these extremely high temperatures are necessary to carry out research on processes that use the Sun to produce solar fuels like hydrogen. Although hydrogen is considered by many as the green fuel of the future, as it produces no carbon emissions, producing it requires huge amounts of energy, which generally comes from burning fossil fuels.

Synlight itself consumes a large amount of energy. However, Hoffschmidt said that “In four hours the system uses about as much electricity as a four-person household in a year. Our goal is to eventually use actual sunlight to make hydrogen, rather than artificial light.”

While the DLR researchers have already accomplished splitting water into hydrogen and oxygen using the Sun in the laboratory, however, it has a long way to go to be scaled up for commercial use.

“I think commercial use will only really be possible when societies and governments realize that we cannot burn any more fossil fuels,” Hoffschmidt said.

Reference Link: https://www.techworm.net/2017/03/scientists-germany-fire-worlds-largest-artificial-sun.html

13
ই-লাইট : বাতিতে স্মার্টফোনের ছোঁয়া

স্মার্টফোন, স্মার্টটিভি, স্মার্টফ্রিজ, এমন কি স্মার্ট জ্যাকেটসহ আরও অনেক গ্যাজেটেই ফোন যুক্ত করে সেটি নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে। প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর কারিশমায় সব কিছুই স্মার্ট হয়ে উঠছে।

তবে কিছুদিন আগে পর্যন্তও দৈনন্দিন ইলেক্ট্রনিকস যেমন- ফ্যান বা লাইটে এ সুবিধা ছিল না। ফিলিপস তাদের হিউ লাইটগুলোর মাধ্যমে নতুন যুগের সূচনা করে।

বাতির রঙ, কালার টেম্পারেচার ও ব্রাইটনেস বদলের সুবিধা মূলত জীবনকে সহজ করার জন্যই তৈরি করা হয়েছে। সঠিক রঙ, হোয়াইট ব্যালেন্স ও ব্রাইটনেস চোখের ওপর চাপ কমাতে সাহায্য করে।

হিউ লাইটের পথ ধরেই শাওমি তাদের ই-লাইট সিরিজে বেশ কিছু ডিভাইস নিয়ে এসেছে।

প্রতিটি ডিভাইসেরই মূলে রয়েছে ওয়াই-ফাইয়ের মাধ্যমে সেগুলো ফোন থেকে নিয়ন্ত্রণের সুবিধা। ডিভাইসগুলো শাওমি ইলাইট অ্যাপের মাধ্যমে ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে সংযুক্ত থাকে – ফলে ব্যবহারকারী একই ফোন থেকে প্রতিটি ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন।

ডিভাইসগুলোর মূল সুবিধাও কাছাকাছি। এগুলোর আলোর রঙ, ঔজ্জ্বল্য ও অন – অফ করা যাবে ফোন থেকেই। সাধারণ বাতি যেখানে একটি রঙেই সীমাবদ্ধ, সেখানে ই-লাইটগুলোর রঙ নিজের মনমতো বদলে নেয়া যাবে।

শাওমির দাবি অনুযায়ী, ১৬ মিলিয়ন কালার কম্বিনেশন পর্যন্ত করা সম্ভব। ইচ্ছে অনুযায়ী কালার ও হোয়াইট ব্যালেন্স ঠিক করে নেয়ার সুবিধা যেমন মজার, তেমনি ফটোগ্রাফি বা ভিডিওগ্রাফির ক্ষেত্রে বেশ কাজের।

১। ই-লাইট আরজিবিডব্লিউ বাল্ব

- ৯ ওয়াট
- ১৬ মিলিয়ন কালার
- ১৭০০কে-৬৫০০কে হোয়াইট ব্যালেন্স
- ৬০০ লুমেন পর্যন্ত ব্রাইটনেস
- মূল্য : ২০০০-৩০০০ টাকা

ই-লাইট সিরিজের প্রথম ডিভাইসটি হচ্ছে ই-লাইট আরজিবিডব্লিউ এলইডি বাল্ব। এটির ডিজাইন পুরোপুরি আর দশটি এলইডি বাল্বের মতই। ফলে বাসার যে কোনও লাইটের হোল্ডারেই এটি ব্যবহার করা যাবে। ফুল কালার রেঞ্জ ও ব্রাইটনেস বদল করার সুবিধা সম্বলিত বাল্বটি ওয়াল হোল্ডার ছাড়াও ল্যাম্প ও ঝাড়বাতির সঙ্গেও ভালোভাবে কাজ করবে।। ডিজাইনের দিক থেকে ফিলিপস হিউয়ের সাথে এটির বেশ ভালো মিল রয়েছে। দেখতে কোন আকারের বাল্বটির ওপরের অংশে রয়েছে লাইট ডিফিউজার ও নীচের অংশটি অ্যালুমিনিয়ামের ওপর প্লাস্টিক কোটিং দিয়ে তৈরি।এটি ১৭০০কে থেকে ৬৫০০কে পর্যন্ত কালার টেম্পারেচার দেখাতে সক্ষম ও সর্বোচ্চ ৬০০ লুমেন আলো পাওয়া যাবে।

২। ই-লাইট বেডসাইড ল্যাম্প

- ১০ ওয়াট
- ১৬ মিলিয়ন কালার
- ১৭০০-৬৫০০কে হোয়াইট ব্যালেন্স
- ৩০০ লুমেন পর্যন্ত ব্রাইটনেস
- টাচ ডায়ালের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণযোগ্য
- মূল্য : ৪০০০-৫০০০ টাকা

দ্বিতীয় বাল্বটি শাওমি মূলত বিছানার পাশের টেবিলে রাখার জন্য তৈরি করেছে। ছোট সিলিন্ডারের মত দেখতে এটি একেবারে ১৭০০কে থেকে শুরু করে ৬৫০০কে পর্যন্ত কালার টেম্পারেচার দিতে সক্ষম। আলোর রঙও বদলে ফেলা যাবে সহজেই। এটিতে বাড়তি সুবিধা হিসেবে রয়েছে সর্বোচ্চ ৪টি পর্যন্ত রঙ নিজ থেকেই সাইকেল করার মোড। একই সঙ্গে ওপরে অবস্থিত টাচ সেন্সরের মাধ্যমে ব্রাইটনেস বাড়ানো-কমানো, কালার বদল ও স্লিপ টাইমার দেয়ারও সুবিধা রয়েছে। তবে টাচ সেন্সর ছাড়াও ডিভাইসটি ই-লাইট অ্যাপের মাধ্যমেও নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।

৩। এমআই-জা ডেস্কটপ ল্যাম্প

- ৬ ওয়াট
- ২৭০০-৬৫০০কে হোয়াইট ব্যালেন্স
- ১%-১০০% ব্রাইটনেস নিয়ন্ত্রনের সুবিধা
- ডায়ালের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রনযোগ্য
- মূল্য : ৩০০০-৪০০০ টাকা

সিরিজের তৃতীয় ডিভাইসটিও একটি ল্যাম্প। এটি মূলত ডেস্কে কাজ করার জন্য তৈরি। এতে রঙ বদলানোর সুবিধাটি রাখা হয়নি। কেননা ডেস্ক ল্যাম্পে সেটির প্রয়োজনও নেই। কালার টেম্পারেচার ও ব্রাইটনেস কমানো বাড়ানোর সুবিধা অবশ্য বাদ দেয়া হয়নি। একইভাবে বাদ পরেনি ডায়ালের মাধ্যমে ফিচার দুটি নিয়ন্ত্রণের সুবিধাও। বিশেষ ফিচার হিসেবে সময় অনুসারে আলো কমিয়ে চোখের ওপর চাপ কমানোর জন্য  একটি টাইমার যুক্ত করা হয়েছে ।

৪। এমআই লাইটস্ট্রিপ

- ১২ ওয়াট
- ২ মিটার লম্বা
- ১৬ মিলিয়ন কালার
- ১%-১০০% ব্রাইটনেস নিয়ন্ত্রনের সুবিধা
- দেশের বাজারে আপাতত নেই
- মূল্য : চীনে ৩০ ডলার

৫। এমআই এলইডি প্যানেল

- ২৮ ওয়াট
- ২৭০০-৬৫০০কে হোয়াইট ব্যালেন্স
- ০.১-১৮০০ লুমেন পর্যন্ত ব্রাইটনেস
- দেশের বাজারে আপাতত নেই
- মূল্য: চীনে ৭৫ ডলার

উপরের তিনটি ডিভাইসই মূলত আলাদা লাইটিং ডিভাইস হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। সিরিজের শেষ দুটি ডিভাইস তৈরি করা হয়েছে ঘরের সঙ্গে লাইটিং প্রযুক্তি একেবারে খাপ খাওয়ানোর জন্য। এমআই লাইট স্ট্রিপ ও ওয়াল এলইডি প্যানেল বলা যেতে পারে যথাক্রমে ই-লাইট বাল্ব ও ডেস্ক ল্যাম্পের দেয়াল ও সিলিংয়ে লাগানোর জন্য তৈরি সংস্করণকে।এলইডি স্ট্রিপগুলো ১৬ মিলিয়ন কালার দেখাতে সক্ষম ও ওয়াল এলইডি প্যানেলগুলো কালার টেম্পারেচার ও ব্রাইটনেস বদলে ঘরে আলো দেয়ার জন্য তৈরি।

সব কয়টি ডিভাইস নিয়ন্ত্রণের জন্য শাওমি তৈরি করেছে ই-লাইট অ্যাপ। ঝামেলাবিহীন অ্যাপটির মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা একাধিক ই-লাইট ডিভাইস এক সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। নতুন ই-লাইট পেয়ার করা ও প্রয়োজনে টাইমার সেট করা – সবকিছুই নিয়ন্ত্রণ করবে এই একটি অ্যাপ।

কিছু কিছু ক্ষেত্রে লাইটিং পুরো পরিবেশই বদলে দেয়ার ক্ষমতা রাখে। সেটি যদি সহজেই ফোন থেকে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভ হয়, তাহলে তো কথাই নেই। সব মিলিয়ে বলা যেতে পারে, এ ডিভাইসগুলো হয়ত কারো কাছে প্রয়োজনীয় নয়; কিন্তু ব্যবহারে বেশ মজা রয়েছে, সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না।

Reference Link: http://techshohor.com/product-reviews/77285

14
চাবি মানিব্যাগ খুঁজে দেবে নাট স্মার্ট ট্র্যাকার

ছোটখাট কিন্তু জরুরি জিনিস, যেমন চাবি বা ওয়ালেট হঠাৎ খুঁজে না পাওয়া গেলে ভোগান্তি চরমে উঠতে দেরি হয় না। বিশেষত যাদের এসব জিনিস সহজেই হারিয়ে ফেলার প্রবণতা রয়েছে, তাদের জন্য খুবই কাজের একটি গ্যাজেট ব্লুটুথ ট্র্যাকার।

প্রযুক্তি এখন জীবন যাপনকে অনেক সহজ করেছে। এ ডিভাইস তার একটি দারুণ উদাহরণ। স্বল্প মূল্যের একটি ট্র্যাকার হচ্ছে নাট ব্লুটুথ ট্র্যাকার ২।

ক্ষুদ্রাকৃতির এ ডিভাইস ব্লুটুথের মাধ্যমে ফোনের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে সেটির সঙ্গে রাখা যে কোনও কিছুর অবস্থান বের করার কাজটি করে থাকে।

এক নজরে নাট ব্লুটুথ ট্র্যাকার

- ব্লুটুথ ৪.০ কানেকশন
- ৩ মাস পর্যন্ত ব্যাটারি লাইফ, কয়েন-সেল লিথিয়াম ব্যাটারি
- ফোন থেকে হারানো ডিভাইসে অ্যালার্ম বাজানোর সুবিধা
- ডিভাইস থেকে হারানো ফোনে অ্যালার্ম বাজানোর সুবিধা
- ডিভাইস রেঞ্জের বাইরে চলে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে সেটি ব্যবহারকারীকে জানানোর সুবিধা

গঠন

নাট ট্র্যাকার২ ডিভাইসটির গঠন খুবই ছোট আকৃতির। চতুষ্কোন প্লাস্টিকের বক্সের এ যন্ত্রে রয়েছে নাট লোগো ও একটি বাটন। পুরোটি প্লাস্টিকে তৈরি হলেও, খুবই উন্নতমানের প্লাস্টিক ব্যবহার করায় সহজেই নষ্ট হয়ে যাবার সম্ভাবনা নেই।

ডিভাইসটি খুলে ফেলার পর দেখা যাবে একটি কয়েন-সেল ব্যাটারি লাগানোর স্থান রয়েছে। নাটের দাবি অনুযায়ী একটি ব্যাটারিতে ডিভাইসটি প্রায় তিন মাস পর্যন্ত কাজ করতে সক্ষম।

ডিভাইসের উপরের বাটনটি দেখে সেটি পাওয়ার বাটন মনে হলেও, ডিভা‍ইসটিতে আসলে কোনও পাওয়ার বাটন নেই। খুবই কম শক্তি ব্যবহার করায় এটি সবসময়ই চালু থাকে। বাটনটির মূল কাজ হচ্ছে অ্যালার্ম বন্ধ করা ও ফোনে অ্যালার্ম বাজানো।

ব্যবহারের নিয়ম

নাট ডিভাইসটি ব্যবহার করতে হলে প্রথমেই ফোনে সেটির অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করে নিতে হবে। ডাউনলোড হয়ে যাবার পর সেটির মাধ্যমে ডিভাইসটি পেয়ার করে নেবার পর আর কোনও কাজ নেই।

এবার নাটটি যে জিনিস খুঁজে বের করার জন্য প্রয়োজন সেটির সঙ্গে সংযুক্ত করে দিলেই হবে। হারানো জিনিসটি খুঁজে পেতে ফোনের অ্যাপ থেকে অ্যালার্ম বাজালেই ডিভাইসটি বাজতে শুরু করবে – এরপর শব্দ শুনে তা বের করে নেয়া যাবে সহজেই।

এ ছাড়া ডিভাইসটি একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে চলে যাওয়ার সাথে সাথে ফোনে অ্যালার্ম বাজতে শুরু করবে ও শেষ কোথায় সেটি দেখা গিয়েছিল সেটির তথ্য জানাবে।

এমনকি অনান্য নাট ব্যবহারকারীদের মাঝে তথ্য ছড়িয়ে দেয়ার অপশন দেওয়া যাবে, যাতে অন্য কেউ খুঁজে পেলে যোগাযোগ করতে পারে।

শুধু ট্র্যাকারটি হারিয়ে গেলে ফোন থেকে খুঁজে পাওয়াই নয়, ফোন হারিয়ে গেলে ট্র্যাকারের বাটনটি চেপে ধরে ফোনে অ্যালার্ম বাজিয়ে সেটিও বের করা যাবে।

ট্র্যাকারটির মূল সমস্যা বলা যেতে পারে ব্যাটারিটি রিচার্জেবল নয়। ফলে সেটি কিছু মাস পর পর বদল করতে হবে।

এ ছাড় ট্র্যাকারটি পানি-নিরোধক নয়। এ কারণে সেটি বাইরে বৃ্ষ্টির মাঝে ব্যবহার করার মত জিনিসের সাথে চালানো যাবে না। তবে দাম অনুসারে এ টুকু সমস্যা মেনে নেয়া যায়।

মূল্য : ট্র্যাকারটি ৭০০-১০০০ টাকায় দেশের বাজারেও পাওয়া যাবে।

একনজরে ভাল

- হালকা, শক্তপোক্ত
- স্বল্পমূল্য
- ভাল ব্যাটারি লাইফ

একনজরে খারাপ

- ব্যাটারিটি রিচার্জেবল নয়
- পানি নিরোধী নয়

Reference Link: http://techshohor.com/product-reviews/76856

15
নাম না জানা ৮ দরকারি ওয়েবসাইটের খোঁজ

প্রতিদিন আমরা গুটিকয়েক ওয়েব পেইজের বাইরে অন্য কোনো ওয়েবসাইটে তেমন একটা যাই না। এর মূল কারণ হচ্ছে, আমরা আসলে জানিই না সারা বিশ্বে কতো বিচিত্র ধরনের ওয়েবসাইটের অস্তিত্ব আছে।আজকের আয়োজনে স্বল্প পরিচিত কিন্তু কার্যকরী কয়েকটি ওয়েবসাইটের খোঁজ দেওয়া হলো-

আরওই এডিস

এই ওয়েবসাইটে গেলে প্রথমেই চোখে পড়বে পৃথিবীর মানচিত্র। সেখানে পৃথিবীজুড়ে চলা বিভিন্ন দুর্যোগপূর্ণ ঘটনার খবর জানানো হয় বিভিন্ন রকমের সংকেত দিয়ে। কোথায় ভূমিকম্প বা ঝড় হচ্ছে, মহামারি ছড়িয়েছে, সহিংসতা কিংবা টেকনলোজিকাল ডিজাস্টার (হ্যাকিং) চলছে সে সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ সব তথ্য জানাবে আরওই এডিস।

নামবিও

জীবিকার প্রয়োজনে প্রায়ই মানুষকে এক শহর থেকে অন্য শহরে চলে যেতে হয়। শহর বদল করার পর কারো মাসিক খরচ কমবে নাকি বাড়বে সেটি জানিয়ে দেবে তথ্যভিত্তিক ওয়েবসাইট নামবিও। ওয়াবসাইটটিতে ঢুকে ঢাকা আর রাজশাহীর নাম লিখলে শহর দুটিতে বসবাসের খরচে কতোটা পার্থক্য রয়েছে তা জানা যাবে। যেমন নামবিও জানিয়েছে, বাড়ি ভাড়ার ক্ষেত্রে ঢাকা ও রাজশাহীর পার্থক্যটা প্রায় ৭০ শতাংশ।

হ্যাভবিনপনড

অনলাইনে হ্যাকারদের কাছ থেকে নিজেকে নিরাপদ রাখতে কিছু সতর্কতা মেনে চলতে হয়। কিন্তু ইতোমধ্যে আমাদের কোনো অ্যাকাউন্ট (জিমেইল, ফেইসবুক) হ্যাকিংয়ের শিকার হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখার উপায় কী? এর সহজ সমাধান হলো হ্যাভবিনপনড। ওয়েবসাইটটিতে গিয়ে নিজের ইমেইল ঠিকানা দিলেই জানা যাবে নিজের ব্যবহৃত কোনো অ্যাকাউন্ট হ্যাকিংয়ের শিকার হয়েছে কিনা।

একাডেমিক আর্থ

কোর্সেরা, এডএক্স ও খান একাডেমির মাধ্যমে ঘরে বসেই বিভিন্ন কোর্স সম্পন্ন করা যায়। এসবের বাইরেও একাডেমিক আর্থ নামে একটি ওয়েবসাইট আছে। যেখানে ঘরে বসে কোর্স করে ডিগ্রি নেওয়ার পাশাপাশি বিশ্বের নামকরা সব বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের লেকচার শোনা যাবে। সাইটির মূল স্লোগান হচ্ছে ‘সবারই বিশ্বমানের শিক্ষা গ্রহণের অধিকার আছে’।

নো এক্সকিউজ লিস্ট

এখানে একাডেমিক কোর্স করার পাশাপাশি ছবি আঁকা, রান্না, কম্পিউটার প্রোগ্রামিং, ওয়েব ডিজাইন, ই-বুক, গান সম্পর্কেও জ্ঞান অর্জন করা যায়। নতুন কিছু শেখার ক্ষেত্রে নোএক্সকিউজলিস্ট নামে এই ওয়েবসাইটটিই হতে পারে আপনার পথ প্রদর্শক।

সাইন্স-হাব

যারা থিসিসের কাজে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করছেন তাদের জন্য এই ওয়েবসাইটি একটি গুপ্তধন। সাইন্স-হাব নামে এই ওয়েবসাইটটি থেকে পেওয়াল আর সাবস্ক্রিপশনের ঝামেলা ছাড়াই যেকোনো জার্নাল পেপার নামানো যাবে। তবে ডাউনলোড করার আগে ইউআরএল, পিএমআইডি ও ডিওআই প্রবেশ করিয়ে জার্নাল পেপারটির লক খুলতে হবে।

ক্রেডেল

নিখুঁতভাবে সিভি (জীবন বৃত্তান্ত) তৈরি করাটা চাকরি খোঁজার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ। আমরা প্রায়ই অন্যদের সিভি দেখে নিজের সিভিটা তৈরি করে থাকি। কিন্তু যার সিভি দেখে নিজের সিভিটা তৈরি করে নিচ্ছি তারটা কি আদর্শ? এই প্রশ্নের জবাব খুঁজতে ঢুঁ মারতে পারেন সিভি ডিজাইনের ওয়েবসাইট ক্রেডেলে।  ওয়েবসাইটটি আপনাকে পেশদারদের মতো সিভি তৈরি করতে সাহায্য করবে।

রেডিও গার্ডেন

প্রতিবেশী দেশগুলোর রেডিও স্টেশনে টিউন করে গান শুনতে চাইলে ভিজিট করতে পারেন রেডিও গার্ডেন। আরবি, সিংহলি, বাংলা, হিন্দি কিংবা ইংরেজি যেকোনো ভাষার গানই শোনা যাবে এখানে।

Reference Link: http://techshohor.com/news/83493

Pages: [1] 2